Blog

  • SIR-র চাপে মৃত ৬১ পরিবারের সদস্যদের হাতে হোমগার্ড পদের নিয়োগপত্র দিলেন মমতা

    SIR-র চাপে মৃত ৬১ পরিবারের সদস্যদের হাতে হোমগার্ড পদের নিয়োগপত্র দিলেন মমতা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্কের আবহে এবার বিরাট সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সোমবার কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে ৬১ জন মৃত ব্যক্তির পরিবারের হাতে হোমগার্ড পদে চাকরি নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন। জানা যাচ্ছে, যে ৬১ জন এসআইআর-এর চাপে মৃত্যু হয়েছিল, তাদের পরিবারের সদস্যরাই এই সুযোগ পাচ্ছে। রাজ্য সরকারের দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে চরম মানসিক চাপের জেড়ে এই ব্যক্তিরা প্রাণ হারিয়েছেন।

    দোলের অনুষ্ঠানে নিয়োগপত্র প্রদান

    কলকাতায় দোল উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত একটি কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এই নিয়োগপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানের দিন নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেছেন যে, ভোটারদের নাম ভুল ভাবে বাদ দেওয়া এবং আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন তালিকায় ফেলে রাখার ফলে বহু মানুষ এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এক ব্যক্তি আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন শ্রেণীতে পড়ার পর এতটাই মানসিক চাপ পড়েছেন যে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন।

    সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মোট ৭ কোটি ৪ লক্ষ ভোটারের নাম রয়েছে। যার মধ্যে ৬০ লক্ষ নাম আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন হিসেবে চিহ্নিত। এমনকি মামলাগুলি বর্তমানে ৫০১ জন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। আর রাজ্যে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে রাজ্যে একাধিক ব্যক্তি মানসিক চাপে অসুস্থ রয়েছেন এবং আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের পর এবার বিজেপির চমক! রাজ্যসভায় প্রার্থী হলেন রাহুল সিনহা

    এদিকে গত বছর মুখ্যমন্ত্রী মৃতদের নিকট আত্মীয়দের জন্য ২ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তার কথা ঘোষণা করেছিলেন বলে রিপোর্ট অনুযায়ী খবর। আর এবার তার সঙ্গে সরকারি চাকরির সুযোগও দেওয়া হল। তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, মা-মাটি মানুষ সরকার ৬১টি শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং তা পূরণ করেছে।

  • সেমিফাইনালের আগেই ভারতীয় দল ছাড়লেন সূর্যকুমার, হার্দিক পান্ডিয়া এবং শিবম দুবে? বড় খবর!

    সেমিফাইনালের আগেই ভারতীয় দল ছাড়লেন সূর্যকুমার, হার্দিক পান্ডিয়া এবং শিবম দুবে? বড় খবর!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পরশু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল খেলবে ভারত (India National Cricket Team)। সেই মতোই, মুম্বইয়ে পৌঁছেছে টিম ইন্ডিয়া। এরই মাঝে শোনা যাচ্ছে, ইংল্যান্ডের ম্যাচের আগেই আচমকা ভারতীয় দল ছেড়েছেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব, অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া, এবং শিবম দুবে! সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, দলের সাথে টিম বাসে না গিয়ে নিজ নিজ গাড়িতে বেরিয়ে গেলেন ভারতীয় দলের এই তিন তারকা। তারপরই ভক্তদের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, হার্দিকরা কি তাহলে বাড়ি ফিরে গেলেন? কেন হঠাৎ জাতীয় দল ছাড়লেন তাঁরা?

    কেন দল ছাড়লেন হার্দিক পান্ডিয়ারা?

    প্রথমেই বলি, আগামী 5 মার্চ, ভারত বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মুম্বইয়ের ওয়ানখেড়ে স্টেডিয়ামে। সে কারণে গোটা ভারতীয় দল পৌঁছেছে মুম্বই। এদিকে হার্দিক পান্ডিয়া, সূর্যকুমার যাদব এবং শিবম দুবে এই তিন খেলোয়াড়েরই বাড়ি মুম্বইতে। মূলত সে কারণেই তাঁরা টিম বাসে না গিয়ে নিজ নিজ গাড়িতে উঠে বেরিয়ে যান। কেউ কেউ মনে করছেন, ঘরের কাছে ম্যাচ থাকায় বাড়িতে গিয়েছেন এই তিন ক্রিকেটার। ম্যাচের আগেই জাতীয় দলে যোগ দেবেন তাঁরা।

    এদিকে, ভারতীয় দলের তিন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারের হঠাৎ দল ছেড়ে আলাদা গাড়িতে করে বেরিয়ে যাওয়া চিন্তা বাড়িয়েছে ভক্তদের। কেউ কেউ মনে করছেন, হয়তো ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাওয়া যাবে না এই তিন ক্রিকেটারকে। যদিও এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। নেট দুনিয়ায় কেউ কেউ আবার এও লিখছেন, মুম্বইয়ে বাড়ি হলে কেনই বা তাঁরা টিম হোটেলে থাকতে যাবেন? যদিও এ নিয়ে মুখ খোলেননি ভারতীয় দলের তিন ক্রিকেটারের কেউই।

     

    অবশ্যই পড়ুন: সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ডোবাতে পারেন ভারতের এই ৬ প্লেয়ার

    উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক ম্যাচগুলিতে রান খোঁজার চেষ্টা করছেন অধিনায়ক সূর্য। গত ম্যাচেও 18 রান করেই মাঠ ছাড়েন তিনি। অন্যদিকে হার্দিক পান্ডিয়াও চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেননি। একই অবস্থা শিবম দুবেরও। সঞ্জুকে সঙ্গ দিতে গিয়ে দু বলে পরপর দুটি চার মেরেছিলেন তিনি। সেমিফাইনালে এই তিন প্লেয়ারের উপরেই নজর থাকবে সকলের।

  • রাত হতেই বদলে যায় রেলের এই নিয়মগুলো! ট্রেনে ওঠার আগে জানুন, নাহলেই বিপদ

    রাত হতেই বদলে যায় রেলের এই নিয়মগুলো! ট্রেনে ওঠার আগে জানুন, নাহলেই বিপদ

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দেশের পরিবহন ব্যবস্থার শিরদাঁড়া বলা চলে ভারতীয় রেলকে (Indian Railways)। প্রতিদিন এই রেল ব্যবস্থার হাত ধরেই লক্ষাধিক যাত্রী নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছন। এক কথায় সবচেয়ে কম খরচে দূরের গন্তব্যে পৌঁছনোর প্রধান মাধ্যম রেল। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে যাত্রী সুরক্ষাকে মাথায় রেখে একের পর এক নতুন নিয়ম চালু করেছে রেলওয়ে। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, বিশেষ করে রাতে ভারতীয় রেলের বেশ কিছু কঠোর নিয়ম রয়েছে। এইসব নিয়ম লঙ্ঘন করলে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে যাত্রীদের। আসলে যাত্রী সুবিধা এবং তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই বিশেষ নিয়মগুলি চালু করা হয়েছে।

    রেলের এই নিয়মগুলি না জানলে সমস্যায় পড়তে পারেন

    যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষাকে নিশ্চিত করতে ভারতীয় রেলের তরফে বিশেষ করে রাতের জন্য বেশ কিছু নিয়ম চালু করা হয়েছে। এগুলির মধ্যে তালিকার প্রথমেই রয়েছে রাত 10 টা থেকে সকাল 6টার বিশেষ নিয়ম। ভারতীয় রেল বলছে, এই সময়ের মধ্যে ট্রেনের কামড়ায় ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা যাত্রীদের টিকিট দেখানোর জন্য বিরক্ত করা যাবে না। এই নিয়মগুলি স্লিপার এবং এসি উভয় কোচের জন্যই প্রযোজ্য।

    তবে রেল বলছে, যদি কোনও যাত্রী 10টার পর ট্রেনে ওঠেন সে ক্ষেত্রে তার টিকিট পরীক্ষা করা যায়। এছাড়াও রেলের আর এক নিয়মে, যদি কোনও কর্মকর্তা বিনা কারণে যাত্রীদের একটানা হয়রানি বা বিরক্ত করতে থাকেন সেক্ষেত্রে 139 হেল্প লাইন নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন ওই সংশ্লিষ্ট যাত্রী। একই সাথে রাতে ট্রেনে শান্তি বজায় রাখার জন্য উঁচু গলায় বা উচ্চকণ্ঠে কথোপকথন একপ্রকার নিষিদ্ধ। শুধু তাই নয়, মোবাইল বা লাউডস্পিকারে গান চালিয়ে রাখার বিষয়টিও রেলের নিয়ম লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে।

    ট্রেন চলাকালীন যদি কোনও যাত্রী তার সহযাত্রীকে বিরক্ত করেন সেক্ষেত্রে অভিযোগ প্রমাণিত হলে রেল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে। রেলওয়ে আইন 1989 এর 145 ধারা অনুযায়ী শান্তি বিঘ্নিত করার অপরাধে সর্বোচ্চ 500 থেকে 1000 টাকা জরিমানা করা হতে পারে অভিযুক্তকে। রেলের নিয়মাবলির মধ্যে রয়েছে, রাত 10 টার পর কোচের মূল আলো বন্ধ করে দেওয়া। এই সময় মূলত নাইট লাইট বা ট্রেনের সীমিত আলোর বৈদ্যুতিক লাইট জালানো যেতে পারে। পাশাপাশি ট্রেনে গভীর রাতে খাবার পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়ে থাকে। পাশাপাশি অধিক রাতে ট্রেনের মধ্যে যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং ঘুম যাতে বিঘ্নিত না হয় সেজন্য ট্রেনের কর্মীরাও কামরার মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে সে অর্থে পারেন না।

    অবশ্যই পড়ুন: “পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত”, জানালেন খোদ পাক প্রেসিডেন্ট

    এখানেই শেষ নয়, রাতে ভারতীয় রেলের যেসব নিয়ম রয়েছে সেইসব নিয়মের তালিকায় রয়েছে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলী। রেল বলছে, ট্রেনে নিরাপত্তার কারণে রাত 11টা থেকে ভোর 5টা পর্যন্ত চার্জিং পয়েন্ট বন্ধ রাখতে হবে। রাতে যাতে ট্রেনের মধ্যে শর্ট সার্কিট এর মতো ঘটনা না ঘটে সেজন্যই এমন নির্দেশ। এছাড়াও রেলের নিয়ম অনুযায়ী, যে যাত্রী স্লিপার কোচে মিডিল বার্থ পেয়েছেন তিনি শুধুমাত্র রাত 10টা থেকে পরের দিন ভোর 6টা পর্যন্ত মিডিল বার্থ খুলে রাখতে পারবেন। এই সময় অন্য কোনও যাত্রী তাঁকে বাধা দিতে পারবেন না। তবে সকাল 6টার পর মিডিল বার্থ বন্ধ করে দিতে হবে।

  • তৃণমূলের পর এবার বিজেপির চমক! রাজ্যসভায় প্রার্থী হলেন রাহুল সিনহা

    তৃণমূলের পর এবার বিজেপির চমক! রাজ্যসভায় প্রার্থী হলেন রাহুল সিনহা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আসন্ন ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে রীতিমত হুলুস্থুল কাণ্ড রাজ্য জুড়ে। জনসংযোগ বৃদ্ধিতে কোথাও কোনো খামতি রাখছে না রাজনীতিবিদরা। আর এই অবস্থায় রাজ্যসভা নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে বিরাট ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি। জানা গিয়েছে তৃণমূলের পর এবার রাজ্য সভায় প্রার্থী হিসেবে বিজেপি রাখতে চাইছে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহাকে (Rahul Sinha)।

    রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির

    রিপোর্ট মোতাবেক বিধানসভা নির্বাচন শুরুর আগেই আগামী ১৬ মার্চ হতে চলেছে রাজ্যসভা নির্বাচন। ওইদিন দেশের মোট ১০টি রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোট হবে এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে পাঁচটি আসনে নির্বাচন হবে। তাই প্রার্থী নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েচ বিগত কয়েকদিন ধরে। অবশেষে গত শুক্রবার তৃণমূলের তরফে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হল পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী এবং টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিককে। আর এবার প্রার্থী নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি। দাঁড় করানো হল রাহুল সিনহাকে।

    আরও পড়ুন: বুথের ভিতরে-বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক! ভোট প্রস্তুতিতে কড়া নির্দেশ কমিশনের

    হারের গ্লানি মুছে রাজ্যসভার প্রার্থী রাহুল

    রাজ্যে বিজেপির প্রায় শুরুর সময় থেকেই রাহুল সিনহা সক্রিয়ভাবে দল গড়ে তোলার কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি ছিলেন, তাঁর সময়েই রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপির প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠার যাত্রা শুরু হয়েছিল। এরপরই শীর্ষ নেতাদের সিদ্ধান্তে পরবর্তীকালে দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক হয়েছিলেন রাহুল। অতীতে একাধিক বার রাজ্যের বিভিন্ন আসন থেকে বিধানসভা ও লোকসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছেন রাহুল, তবে জিততে পারেননি কোনোটিতেই। এ বার রাজ্যসভার নিশ্চিত আসনে দল নয়া মুখের বদলে তাঁকেই প্রার্থী করল।

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ জন রাজ্যসভার সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২ এপ্রিল। আর ওই সময়েই খালি হতে চলেছে দেশের বাকি ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি আসন। আর সেগুলি হল মহারাষ্ট্রের সাতটি, ওড়িশার চারটি, তামিলনাড়ুর ছ’টি, অসমের তিনটি, বিহারের পাঁচটি, ছত্তিশগড়ের দু’টি, হরিয়ানার দু’টি, হিমাচল প্রদেশের একটি এবং তেলঙ্গানার দু’টি। জানা গিয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন হল আগামী ৫ মার্চ এবং ৬ মার্চ মনোনয়নপত্র যাচাই করা হবে। পাশাপাশি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে ৯ মার্চ।

  • বুথের ভিতরে-বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক! ভোট প্রস্তুতিতে কড়া নির্দেশ কমিশনের

    বুথের ভিতরে-বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক! ভোট প্রস্তুতিতে কড়া নির্দেশ কমিশনের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন শুরু হতে আর খুব বেশি দিন বাকি নেই। তাই ভোট প্রচারের জন্য বেশ জোরকদমে নেমেছে সকল রাজনীতিবিদ। এদিকে গত শনিবার SIR এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরে শুরু হয়েছে নয়া উত্তেজনা। জানা গিয়েছে এবার বাংলায় ভোট প্রস্তুতি চূড়ান্ত ভাবে খতিয়ে দেখতে ফের আসছে দেশের নির্বাচন কমিশনের (Election Commission Of India) ফুলবেঞ্চ। আগামী ৯ মার্চ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ফুলবেঞ্চের আসার কথা। এই অবস্থায় বুথের ভিতরে আর বাইরে সিসিটিভি বসানোর নির্দেশ দিল ECI।

    সিসিটিভি বসানোর নির্দেশ দিল ECI এর

    সোমবার সব জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার–সহ উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। আর সেখানেই রাজ্যে ভোটের প্রাক প্রস্তুতি নিয়ে একাধিক আলোচনা করা হয়। এদিন বুথে নজরদারি জোরদার করার জন্য সিসিটিভি ফুটেজের কথা বলা হয়। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের সময় বুথে-বুথে নজর আরও বাড়ানোর জন্য বুথের ভিতরে ও বাইরে সিসিটিভি বসাতে হবে। এর ফলে বুথের ভিতরে ও বাইরে যেখানেই গন্ডগোল হোক না কেন তা ধরা পড়বে ক্যামেরায়। আর সেই নিয়ে ব্যবস্থাও নেবে কমিশন।

    বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন কারা?

    প্রতিবার নির্বাচনের সময় বুথের ভিতর বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা যায়। ভোটারদের উপর জোর করে নির্দিষ্ট দলে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। তাই সেই ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে তার জন্য বুথের ভিতর সিসিটিভি বসানোর কথা বলা হয়েছে। এর ফলে, কেউ যদি বুথের ভিতর জোরপূর্বক ঢোকার চেষ্টা করে তাঁর বিরুদ্ধে ফুটেজ দেখে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানেই শেষ নয়, কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রো অবজার্ভাররা। এদিন বৈঠকে শুধু বুথে নজরদারি নিয়ে আলোচনা হয়নি, পাশাপাশি কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ কেন্দ্রীয় বাহিনী যেন কারও কোনও আতিথেয়তা গ্রহণ না করে তা লক্ষ্য রাখা।

    আরও পড়ুন: বনগাঁ শো কাণ্ডে চরম নাটকীয়তা! এবার মিমির বিরুদ্ধে দায়ের হল জোড়া মামলা

    প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছেছে রাজ্যে। আগামী ১০ মার্চ আরও ২৪০ কোম্পানি বাহিনী আসার কথা। ইতিমধ্যেই গত রবিবার, চার কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল দক্ষিণ দিনাজপুরে। বিকেল থেকেই সেখানকার কুমারগঞ্জ, গঙ্গারামপুর, কুশমণ্ডি ও হরিরামপুরের আটটি ব্লকেই রুট মার্চ শুরু করেছে জওয়ানরা। আরও ছয় কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত জেলায় আসবে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও ধূপগুড়ি এবং শ্রীরামপুরেও পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

  • বনগাঁ শো কাণ্ডে চরম নাটকীয়তা! এবার মিমির বিরুদ্ধে দায়ের হল জোড়া মামলা

    বনগাঁ শো কাণ্ডে চরম নাটকীয়তা! এবার মিমির বিরুদ্ধে দায়ের হল জোড়া মামলা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বনগাঁর শো কাণ্ড নিয়ে বিতর্কের জট যেন কিছুতেই কাটছে না। হেনস্থার অভিযোগ তুলে থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জামিনে ছাড়া পেয়ে অভিযুক্ত তনয় শাস্ত্রী। কিছুতেই কাটছে না জটিলতা। এমতাবস্থায় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে (Mimi Chakraborty) ফের বিপাকে ফেলতে এবার বনগাঁ আদালতের দ্বারস্থ হলেন তনয় শাস্ত্রী। মিথ্যা অপবাদ ও মানহানিকর মন্তব্য, এই জোড়া অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হল দুটি মামলা।

    বনগাঁর শো কাণ্ড নিয়ে বিতর্ক

    ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল একটি কনসার্টকে ঘিরে। বনগাঁ নয়াগোপালগঞ্জে যুবক সংঘের পরিচালনায় বাৎসরিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। কিন্তু সেখানে মিমি চক্রবর্তী হেনস্থার অভিযোগ তোলেন অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জেরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মিমি। অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতারও করা হয় অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক তনয় শাস্ত্রীকে। এই ঘটনায় মিমি চক্রবর্তী বনগাঁ মহকুমা আদালতে গোপন জবানবন্দিও দেন। বর্তমানে তনয় শাস্ত্রী জামিনে মুক্ত। আর জেল থেকে বেরিয়েই তিনি এবার মিমির বিরুদ্ধে দায়ের করলেন দুটি মামলা।

    মিমির বিরুদ্ধে জোড়া মামলা দায়ের

    রিপোর্ট মোতাবেক, বনগাঁ আদালতে মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছেন তনয় শাস্ত্রী। আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি তাঁর হয়ে মামলা করেছেন। মিথ্যা অপবাদ ও মানহানিকর মন্তব্যের অভিযোগে দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। প্রথম মামলাটি মানহানির। তনয়ের অভিযোগ, অভিনেত্রী তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ ও মানহানিকর মন্তব্য করেছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। দ্বিতীয় মামলাটি চুক্তিভঙ্গ সংক্রান্ত। তনয় শাস্ত্রীর দাবি, অনুষ্ঠানের জন্য মিমি ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়েছিলেন, কিন্তু নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হননি। সেই অগ্রিম অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে মামলায়।

    আরও পড়ুন: দোলের দিনে কলকাতা জুড়ে কড়া নিরাপত্তা, ৮৬ জায়গায় পুলিশ পিকেট, থাকছে কুইক রেসপন্স টিম

    প্রসঙ্গত, প্রাক্তন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর দায়ের করা অভিযোগের বিপক্ষে কথা বলেছে বনগাঁ নয়াগোপালগঞ্জে যুবক সংঘ। তাঁদের দাবি, “নির্দিষ্ট সময়ের ঘন্টাখানেক পর মিমি চক্রবর্তী মঞ্চে আসেন। বারোটা পর্যন্ত আমাদের অনুষ্ঠানের অনুমতি নেওয়া ছিল। তাই তাঁকে মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বলা হয়।” যদিও সেই সকল অভিযোগকে কান না দিয়েই একের পর এক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি শুরু হয়েছে। এদিকে জোড়া মামলা নিয়ে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি প্রাক্তন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর তরফে।

  • সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ডোবাতে পারেন ভারতের এই ৬ প্লেয়ার

    সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ডোবাতে পারেন ভারতের এই ৬ প্লেয়ার

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে অপ্রত্যাশিত ভাবে হারের পর জিম্বাবুয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজকে গুঁড়িয়ে দিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। এখন তাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ইংল্যান্ড। শেষ চারের লড়াইয়ে ইংরেজ বাহিনীকে (India Vs England) হারাতে পারলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে টিম ইন্ডিয়া। বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করছে, আগামী 5 মার্চ, ইংল্যান্ডের ঘাম ছুটিয়ে দিতে পারেন ভারতীয় দলের 6 তারকা ক্রিকেটার। কারা তাঁরা?

    সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের হারের কারণ হয়ে উঠতে পারেন ভারতের এই 6 প্লেয়ার

    অভিষেক শর্মা

    চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ক্রমাগত ব্যর্থ টি টোয়েন্টি ক্রিকেটের এক নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত অভিষেক। শেষ দুই ম্যাচে যথাক্রমে 55 এবং 10 রান করলেও এর আগে শূন্যের হ্যাটট্রিক করেছিলেন ভারতের এই তারকা ক্রিকেটার। ফলে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার আগে যেকোনও প্রকারে ছন্দে ফিরতে চাইছেন অভিষেক শর্মা। ক্রিকেট মহলের অনেকেই মনে করছেন, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সুযোগ পেলে তার সদ্ব্যবহার করবেন অভিষেক। এদিন শর্মার ব্যাট থেকে বড় রানের ইনিংস উপহার পেতে পারে ভারত।

    ইশান কিষাণ

    শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে 10 রানের বেশি তুলতে পারেননি ভারতের তরুণ ক্রিকেটার ইশান কিষাণ। তবে ক্রিকেট মহলের বিশ্বাস, এই খেলোয়াড় টিকে গেলে প্রতিপক্ষের কপালে দুঃখ আছে। আসলে, ইশান এমন একজন ব্যাটসম্যান যিনি ম্যাচের রঙ বদলে দিতে পারেন। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ মনে করছেন শেষ ম্যাচে রান না পাওয়ায় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বোলারদের পিটিয়ে ছাতু করবেন তিনি।

    অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুতে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন সূর্যকুমার যাদব। তবে সাম্প্রতিক ম্যাচগুলিতে রান খোঁজার চেষ্টা করেও বেশ কয়েকবার ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। অনেকেই মনে করছেন, সেমিফাইনালে আর ব্যর্থতাকে শরীর স্পর্শ করার সুযোগ দেবেন না সূর্য। এদিন ব্যাট করার সুযোগ পেলে ভারতের জয়টা নিজের হাতেই লিখতে পারেন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক। এক কথায়, ইংল্যান্ডের পরাজয়ের কারণ হয়ে উঠতে পারেন তিনি।

    হার্দিক পান্ডিয়া

    ব্যাট এবং বল উভয় ক্ষেত্রেই ভয়ানক হার্দিক পান্ডিয়া। একবার মাঠে টিকে গেলে প্রতিপক্ষ দলের চিন্তার কারণ হয়ে ওঠেন তিনি। অনেকেরই আশা ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে একেবারে জ্বলে উঠবেন তিনি। সেই সাথে বল ছুঁড়েও বেশ কয়েকটি উইকেট তুলতে পারেন টিম ইন্ডিয়ার তারকা অলরাউন্ডার।

    শিবম দুবে

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সঞ্জুর ভরসা হয়েছিলেন শিবম দুবে। ব্যাট করতে নেমেই দুই বলে পরপর দুটি চার মারেন তিনি। ক্রিকেট মহলের অনেকেরই আশা, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সুযোগ পেলে নিজের জাত চেলাবেন দুবে। আর যাই হোক সেমিফাইনাল বলে কথা। তাই নিজের সর্বস্ব দিয়ে লড়তে একটুও পিছুপা হবে না ভারতের এই তারকা অলরাউন্ডার।

    অবশ্যই পড়ুন: “পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত”, জানালেন খোদ পাক প্রেসিডেন্ট

    বরুণ চক্রবর্তী

    টিম ইন্ডিয়ার মিষ্ট্রি স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সাম্প্রতিক ম্যাচ গুলিতে সে অর্থে জ্বলে উঠতে না পারলেও সেমিফাইনালে রঙ চেনাতে পারেন টিম ইন্ডিয়ার এই ব্রহ্মাস্ত্র। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের এক নম্বর বোলার বরুণকে নিয়ে সেমিফাইনালে অনেক আশা বেঁধে রেখেছেন ভক্তরা।

  • দোলের দিনে কলকাতা জুড়ে কড়া নিরাপত্তা, ৮৬ জায়গায় পুলিশ পিকেট, থাকছে কুইক রেসপন্স টিম

    দোলের দিনে কলকাতা জুড়ে কড়া নিরাপত্তা, ৮৬ জায়গায় পুলিশ পিকেট, থাকছে কুইক রেসপন্স টিম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আজ দোল পূর্ণিমা। সকাল থেকেই চারিদিকে শুরু হয়েছে আবির এবং রঙের খেলা। তাইতো প্রতি বছরের মতো এবছরও দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে শহরে থাকছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা (Security Wrapped In Kolkata)। আসলে প্রতিবারই এই দিন শহরে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে থাকে। তাই সেই সকল পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সে কারণে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে কলকাতা পুলিশ। জায়গায় জায়গায় দেওয়া হবে টহল।

    রাস্তায় থাকছে প্রায় ৪০০ পুলিশ পিকেট

    লালবাজারের তরফে জানানো হয়েছে, দোল ও হোলির দিন শহরে যাতে কোনও গোলমাল না বাঁধে, সেই কারণে তাই শহরজুড়ে মোতয়েন করা হয়েছে প্রায় চার হাজার পুলিশ। এছাড়াও যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য রাস্তায় থাকবে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ও ডিসি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকরাও। জানা গিয়েছে আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার রাস্তায় থাকছে প্রায় ৪০০ পুলিশ পিকেট। এর মধ্যে খান্না মোড়, পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট, শ্যামবাজার সহ রয়েছে ৮৬টি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। মোতায়েন থাকছেন ৬জন পুলিশ আধিকারিক ও পুলিশকর্মী। এ ছাড়াও আরও ৩১২টি জায়গায় পিকেটে থাকছেন তিনজন করে পুলিশকর্মী। পাশাপাশি বন্দর এলাকায় থাকছে প্রায় ৭২টি পিকেট।

    বিভিন্ন জলাশয়ের ঘাটে থাকবে পুলিশি ব্যবস্থা

    আজ রাস্তায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার খাতিরে থাকছে হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড, ৬২টি পিসিআর ভ‌্যান ও সঙ্গে কুইক রেসপন্স টিম। এই টিম সারা শহরজুড়ে প্রত্যেকটি থানা এলাকার অপরিসর রাস্তাগুলিতে টহল দেবে। থাকবে পুলিশের বাইকও। এদিকে আজ গঙ্গার ঘাটে থাকবে বাড়তি ভিড়। সে কারণে কলকাতার ৬৬টি গঙ্গা ও বিভিন্ন জলাশয়ের ঘাটে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা থাকছে। এছাড়াও লালবাজারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পিকেট ছাড়াও ২৪টি ঘাটে ডিএমজি দল থাকবে। দোল বা হোলিতে রং মেখে কেউ যাতে মদ‌্যপ অবস্থায় গঙ্গা বা জলাশয়ে স্নান করতে না নামেন, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: “পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত”, জানালেন খোদ পাক প্রেসিডেন্ট

    পুলিশের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে, বহুতলের ছাদ বা বারান্দা থেকে পথচারীদের দিকে কেউ যাতে রং বা জলভর্তি বেলুন না ছোড়ে সেদিকে পুলিশের নজর থাকবে। রাস্তার কুকুর বা অন‌্য কোনও পশুর শরীরে যাতে রং না লাগানো হয়, সেদিকেও টহলরত পুলিশকে নজরদারি করতে বলা হয়েছে। এছাড়াও যদি কোথাও কোনও গোলমালের খবর পাওয়া যায় তাহলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে যাবে বলে জানানো হয়েছে। দরকার পড়লে নেওয়া হবে আইনি ব‌্যবস্থা।

  • “পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত”, জানালেন খোদ পাক প্রেসিডেন্ট

    “পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত”, জানালেন খোদ পাক প্রেসিডেন্ট

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধে জড়াতে পারে ভারত। এমনটাই বলছেন পশ্চিমের দেশের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি (Pak President On India)। সম্প্রতি পাকিস্তানের পার্লামেন্টে দেওয়া এক ভাষণে পাক প্রেসিডেন্ট খুব স্পষ্ট করে জানান, “পাকিস্তানের সাথে নতুন করে আরও একটি যুদ্ধের প্রস্তুতি সারছে ভারত। দুই দেশ যদি এখনই আলোচনায় না বসে তবে এই এলাকাকে রক্ষা করা যাবে না!” পাক প্রেসিডেন্টের এমন বক্তব্যের পরই কার্যত তোলপাড় হয়ে যাচ্ছে নেট জগৎ। এদিকে, পাক প্রেসিডেন্টের এমন বক্তব্যের পরই পাকিস্থানের বিরোধী দলগুলি ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে।

    ভারত নিয়ে পাক প্রেসিডেন্টের বড় বক্তব্য

    গতকাল অর্থাৎ সোমবার, পাকিস্তানের পার্লামেন্টে ভাষণ দেওয়ার সময় হঠাৎ প্রেসিডেন্ট জারদারি বলে বসেন, “আমার একটাই বার্তা ভারত যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে আলোচনায় আসুক। কারণ আলোচনাই নিরাপত্তার একমাত্র উপায়। ভারতের নেতারা বলছেন, তারা আরও একটি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই অঞ্চলের শান্তির আজীবন সমর্থক হিসেবে আমি কখনই যুদ্ধের পক্ষে নই।”

    বলাই বাহুল্য, পাকিস্তানের নবম রাষ্ট্রপতি আসিফ। তিনিই এবার যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে ভারত প্রসঙ্গে বড় মন্তব্য করে বসলেন। সেই সাথে এদিন একপ্রকার মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এও বললেন পাকিস্তান নাকি ইতিমধ্যেই ভারত এবং আফগানিস্তান দুই দেশকেই তাদের ক্ষমতা দেখিয়েছে। যদিও সেটা পাকিস্তানের সামর্থ্যের ছোট্ট অংশ। একই সাথে এদিন পাকিস্তানের পারমাণবিক শক্তির কথাও স্মরণ করিয়ে দেন জারদারি।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ভারতকে সেমিফাইনালে তুলে এবার শাস্তি পেতে পারেন সঞ্জু স্যামসন

    উল্লেখ্য, পাকিস্তানের পার্লামেন্টে হঠাৎ প্রেসিডেন্ট জারদারির এমন বক্তব্যের পর তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ এবং গো জারদারি গো স্লোগান দিতে থাকেন বিরোধী দলের নেতারা। একই সাথে এদিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখান পিটিআইয়ের সমর্থকরা

     

    View this post on Instagram

     

  • মতুয়া আবেদন বাড়তেই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত! বাংলায় ২ অতিরিক্ত কমিটি গঠন মন্ত্রকের

    মতুয়া আবেদন বাড়তেই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত! বাংলায় ২ অতিরিক্ত কমিটি গঠন মন্ত্রকের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: এখনও ঘোষিত হয়নি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ, কিন্তু তার আগেই যেন রাজ্য জুড়ে বেজে গিয়েছে ভোটের দামামা। জেলায় জেলায় প্রচার শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলি। জনসংযোগ বৃদ্ধিতে মরিয়া সকলেই। তার উপর কিছুদিন আগেই SIR এর প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাই নিয়ে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে একাধিক জেলায়। আর এই অবস্থায় নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রাজ্যে আরও ২ কমিটি গঠনের (Two More CAA Committees) সিদ্ধান্ত নিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে রাজ্যে কমিটি গঠন

    উল্লেখ্য, গত বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার জানিয়েছিল, ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী সমস্ত ভারতীয় নাগরিকদের নাম নথিভুক্ত করা এবং যাঁরা নথিভুক্ত করেছেন তাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা বাধ্যতামূলক করা হবে। এরপরই তা বাস্তবায়িত করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক গত ২০ ফেব্রুয়ারি একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে। যেখানে বলা হয় ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত একটি ‘এমপাওয়ার্ড’ কমিটি গঠন করা হবে। আর এবার ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে আবেদনের বিষয়ে আরও ২ কমিটি গঠন করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    বাড়তি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত মন্ত্রকের

    SIR পর্বে খসড়া ভোটার তালিকায় বহু মতুয়া, উদ্বাস্তুর নাম বাদ গিয়েছিল। যার জেরে প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর আরও বেড়েছে মতুয়াদের উদ্বেগ। তাই মতুয়াদের নাম বাদ যাওয়ার ভয় দূর করতে রাজ্যে ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন এবং ২০০৯ সালের নাগরিকত্ব বিধি মেনে আগেই ২টি কমিটি গড়ে তুলেছিল শাহের মন্ত্রক। কিন্তু সেখানে মতুয়াদের প্রচুর সংখ্যক আবেদন আসায় ব্যাপক চাপের মুখে পরে কমিটি। তাই বাধ্য হয়ে আবেদন প্রক্রিয়া ঠিকভাবে যাচাই করতে বাড়তি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    আরও পড়ুন: ভোটের আগে উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বুটের আওয়াজ, কোথায় এল কত কেন্দ্রীয় বাহিনী?

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে নিবার্চনের আবহে SIR নিয়ে একাধিক বিতর্ক তৈরি হয়েই চলেছে। তার উপর CAA-তে প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব এখনও মেলেনি বহু মানুষের। এর ফলে দুই প্রক্রিয়া নিয়ে মহাবিতর্ক তৈরি হয়। অনেক জায়গায় শোনা যাচ্ছে CAA-তে নাগরিকত্ব না মেলায় অনেকের নাম SIR-এ বাদ যেতে পারে। সেই কারণে মতুয়া সম্প্রদায়ের বহু মানুষ দুশ্চিন্তার মুখে পড়েছে এবং ক্ষোভ-বিক্ষোভও দেখা গেছে। সেক্ষেত্রে তাই ক্ষোভ প্রশমন ও আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তি করতে কমিটির সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সুদূর প্রসারী বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।