Blog

  • সপ্তাহান্তে দক্ষিণবঙ্গে ফের ঝড়বৃষ্টি! নামবে পারদ, কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া?

    সপ্তাহান্তে দক্ষিণবঙ্গে ফের ঝড়বৃষ্টি! নামবে পারদ, কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: চৈত্রের শুরু থেকে রাজ্য জুড়ে বৃষ্টি দুর্যোগ লেগেই রয়েছে। সঙ্গে আবার কালবৈশাখীর দাপটও রয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্ত এর জেরে উত্তরবঙ্গের (North Bengal) পার্বত্য এলাকায় বৃষ্টি হয়েই চলেছে। যদিও এইমুহুর্তে দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal) থেমেছে বৃষ্টি। আশঙ্কা করা হচ্ছে আগামী তিন দিনে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে। যদিও শুক্রবার থেকে রবিবার আরও এক দফায় ঝড়বৃষ্টির (Weather Tomorrow) স্পেল চলবে।

    ঘূর্ণাবর্ত এবং অক্ষরেখার কারণে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ক্রমাগত ঢুকেই চলেছে। সেই কারণেই উত্তর থেকে দক্ষিণে ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহবিদেরা। আর এই বৃষ্টি ঝড়ের জেরে গত কয়েক দিন সাগরও বেশ উত্তাল। যদিও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি কমায় আপাতত তার দাপটও কমেছে। মৎস্যজীবীদের উপর এই মুহূর্তে আর কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু সপ্তাহান্তে ফের দুর্যোগ নেমে আসতে চলেছে দক্ষিণে, এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর৷ একনজরে জেনে নেওয়া যাক কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার, বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। সকাল থেকেই রোদ ঝলমলে আকাশ এবং মনোরম পরিবেশ দেখা যাবে। তবে কোথাও কোথাও আবার আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। জানা গিয়েছে, আগামীকাল বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। তার সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে ঝড়ের সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলাতে। অন্যদিকে সপ্তাহান্তে ফের বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়তে পারে দক্ষিণের জেলাগুলিতে।

    আরও পড়ুন: কুণাল ঘোষের আসনে প্রতীক উর রহমান, প্রাক্তন বাম নেতাকে বড় দায়িত্ব দিল তৃণমূল

    উত্তরবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    বৃষ্টি দুর্যোগের অশনি সংকেত এখনও কাটেনি উত্তরবঙ্গে। আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙে বৃষ্টি বাড়বে। এছাড়াও আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারেও বৃষ্টির পাশপাশি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে এই জেলাগুলিতে। কোথাও কোথাও আবার শিলা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে আগামী শুক্রবার থেকে নতুন করে দুর্যোগের সম্ভাবনা তৈরি হতে চলেছে। বাড়তে পারে দুর্যোগ, তাই এখনই তাপমাত্রা পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই।

  • খুব শীঘ্রই ৫২০০ কোটি টাকা বিতরণ করবে EPFO, কারা পাবে জানুন

    খুব শীঘ্রই ৫২০০ কোটি টাকা বিতরণ করবে EPFO, কারা পাবে জানুন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: যাদের পুরনো পিএফ অ্যাকাউন্ট বন্ধ (Inactive PF Account) হয়ে পড়ে রয়েছে বা দীর্ঘকাল কোনও রকম লেনদেন হয়নি, তাদের জন্য বিরাট স্বস্তির খবর দিল কর্মচারী ভবিষ্যৎ নিধি সংগঠন বা ইপিএফও (EPFO)। এবার আর অকেজো হয়ে পড়ে থাকা অ্যাকাউন্টে টাকা (Provident Fund) তুলতে কোনও রকম সমস্যা পোহাতে হবে না, বরং ইপিএফও একটি বিশেষ অটোমেটেড সেটেলমেন্ট সিস্টেম আনতে চলেছে, যার মাধ্যমে প্রায় ৫২০০ কোটি টাকা সরাসরি গ্রাহকদের আধার লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

    কোনও ক্লেইম ছাড়াই মিলবে টাকা

    জানা যাচ্ছে, ইপিএফও-র এই নতুন উদ্যোগের সবথেকে বড় বৈশিষ্ট্য, টাকা তোলার জন্য কর্মীদের আলাদা করে কোনও রকম ফর্ম পূরণ করতে হবে না। প্রথম ধাপে আধারের মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে এরকম ২৫ শতাংশ ইনঅ্যাকটিভ অ্যাকাউন্টগুলিকে এই প্রক্রিয়ায় আনা হবে। আর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৮ লক্ষ আধার ভেরিফাইড অ্যাকাউন্টের মালিক এই সুবিধা পাবে। সেক্ষেত্রে ধাপে ধাপে প্রায় ৫২০০ কোটি টাকা বণ্টন করা হবে।

    প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইপিএফও-এর কাছে প্রায় ৩১ লক্ষ ইনঅ্যাকটিভ অ্যাকাউন্ট পড়ে রয়েছে। আর সেখানে সব মিলিয়ে মোট ১০,১৮১ কোটি টাকা জমা আছে। যার মধ্যে ১৪ হাজার অ্যাকাউন্টে ৫ লক্ষ টাকার বেশি করে জমা রয়েছে। আর ৩৮ হাজার অ্যাকাউন্টে ১ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে জমা রয়েছে। ইতিমধ্যেই ১০০০ টাকা পর্যন্ত ব্যালেন্স রয়েছে এরকম ছোট ছোট অ্যাকাউন্টগুলির অটো সেটেলমেন্ট সবুজ সংকেত দিয়েছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য গ্রেফতার ভারতীয় বায়ুসেনার এক বেসামরিক কর্মী

    কখন পিএফ অ্যাকাউন্ট ইনঅ্যাকটিভ হয়?

    জানিয়ে রাখি, সাধারণত কোনও কর্মচারী ৫৫ বছর বয়সে অবসর হওয়ার পর যদি টানা তিন বছর সেই অ্যাকাউন্টে কোনও রকম কন্ট্রিবিউশন বা টাকা জমা না পড়ে, তাহলে সেই অ্যাকাউন্টটিকে ইনঅ্যাকটিভ হিসেবেই গণ্য করা হয়। আর বর্তমানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য পিএফ আমানতের উপর ৮.২৫ শতাংশ সুদ দিচ্ছে ইপিএফও। আর এই উচ্চ সুদের হার চাকরিজীবীদের সঞ্চয়ে যে বিরাট অক্সিজেন দেবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

  • দৈনিক লেনদেনের নিরিখে ভিসা, মাস্টারকার্ডকে পিছনে ফেলল ভারতের UPI

    দৈনিক লেনদেনের নিরিখে ভিসা, মাস্টারকার্ডকে পিছনে ফেলল ভারতের UPI

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দেশে দিনের পর দিন ডিজিটাল লেনদেনের (Digital Payment) জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এক দশক আগেও যা অসম্ভব বলে মনে হত, আজ তা সত্যি ধ্রুব সত্য। ভারতের নিজস্ব পেমেন্ট সিস্টেম ইউপিআই (Unified Payments Interface) গোটা বিশ্বমঞ্চে খেল দেখাচ্ছে। এবার এই ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস প্রতিদিনের লেনদেনের পরিসংখ্যানে বিশ্বের খ্যাতনামা পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ভিসা এবং মাস্টারকার্ডকেও (Visa And Mastercard) টপকে গেল। ভারতের এই ডিজিটাল বিপ্লব এখন আর শুধুমাত্র দেশের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতির মানচিত্রকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে।

    কার্ডের দিন কি তাহলে শেষ?

    সম্প্রতি ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার একটি তথ্য অনুযায়ী, সারা বিশ্বে ভিসা এবং মাস্টারকার্ড মিলিয়ে প্রতিদিন যত সংখ্যক লেনদেন হয়, ভারতের ইউপিআই একা তার থেকেও বেশি ট্রানজেকশন প্রসেস করছে। হ্যাঁ, ভিসা এবং মাস্টারকার্ড বিশ্বের ২০০টির বেশি দেশে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে রাজত্ব করার পর তাদের দৈনিক লেনদেন এখন মাত্র কোটির ঘরে। আর ইউপিআই মাত্র কয়েক বছরে একটি দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু করে আজ বিশ্বের সেরা মুকুট অর্জন করেছে।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইউপিআই এর এই আকাশছোঁয়া সাফল্যের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, রাস্তার ধারের ফুচকা বিক্রেতা থেকে শুরু করে অটোচালক, কারোর জন্যই ইউপিআই ব্যবহার করতে কোনওরকম ফি দিতে হয় না। অর্থাৎ, এর কোনও মাসিক ভাড়া নেই বললেই চলে। শুধুমাত্র কিউআর কোড থাকলেই চলে। দ্বিতীয়ত, এটি কোনও বেসরকারি সংস্থার ব্যবসা নয়, বরং সরকার এটি ডিজিটালভাবে তৈরি করেছে। যার উপর ফোনপে, গুগলপে-র মতো অ্যাপগুলি প্রতিযোগিতা করছে। তৃতীয়ত, ব্যাঙ্ক থেকে সরাসরি ব্যাঙ্কে মুহুর্তের মধ্যেই টাকা পৌঁছে দেওয়ার কারণে ইউপিআই-র উপরে সাধারণ মানুষের ভরসা আরও বেড়েছে।

    এদিকে ভারত এখন তার এই সফল মডেলটি বিশ্বের অন্যান্য দেশেও রফতানি করছে। হ্যাঁ, সিঙ্গাপুর থেকে শুরু করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, জাপান সহ বেশ কিছু দেশে ইতিমধ্যেই এই ইউপিআই পরিষেবা চালু হয়েছে। এমনকি সম্প্রতি ইজরায়েলেও এই পরিষেবা চালু হবে বলে শোনা যাচ্ছে। সেই কারণে ভারতীয় পর্যটকরা এখন বিদেশের মাটিতেও নিজের ফোনের ইউপিআই অ্যাপ দিয়ে পেমেন্ট করতে পারছে। আর এই সাফল্য দেখেই ব্রাজিল, নাইজেরিয়া থেকে শুরু করে ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলি ভারতের পথ অনুসরণ করছে।

    আরও পড়ুন: ৫৩২ থেকে বেড়ে ৮১৬ হবে লোকসভার আসন, মহিলাদের জন্য থাকবে ২৭৩টি! বড় খবর

    ভিসা, মাস্টারকার্ডের পাল্টা চাল

    অন্যদিকে ইউপিআই-র এই ঊর্ধ্বগতিতে ভিসা, মাস্টারকার্ডের মতো প্ল্যাটফর্মগুলিও ব্যবসা গুটিয়ে বসে নেই। তারা এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত পেমেন্ট এবং স্টেবলকয়েনের মতো ক্রিপ্টো প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে। তাদের মূল লক্ষ্য হল বড় অংকের আন্তর্জাতিক লেনদেনে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখা। তবে হ্যাঁ, এটা মানতে হবে যে লেনদেনের সংখ্যা দিক থেকে ইউপিআই এগিয়ে থাকলেও লেনদেনের পরিমাণ বা মুল্যের দিক থেকে ক্রেডিট কার্ডের গুরুত্ব এমনিতেই বেশি। এছাড়াও ইউপিআই মূলত জমানো টাকা খরচ করতে সাহায্য করে। আর ক্রেডিট কার্ড সেখানে ঋণ নেওয়ার সুবিধা দিয়ে থাকে।

  • দলবদলেই ক্যানিং পূর্বে ISF প্রার্থী হলেন আরাবুল ইসলাম

    দলবদলেই ক্যানিং পূর্বে ISF প্রার্থী হলেন আরাবুল ইসলাম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি রাজ্য রাজনীতিতে। একের পর এক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই ভোটের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। আর এই অবস্থায় দলবদল করে কপাল খুলল ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক তথা ‘তাজা নেতা’ আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam)। নিজের পছন্দ মত আসনে প্রার্থী হলেন আরাবুল। জানা গিয়েছে শওকত মোল্লার বিপরীতে ভাঙড় থেকে দাঁড়াতে চলেছেন তিনি। তুমুল উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে আরাবুল ইসলামের অনুগামীদের মধ্যে।

    ভাঙর থেকে প্রার্থী হলেন আরাবুল!

    তৃণমূল ছেড়ে সম্প্রতি ISF-এ যোগ দিয়েছেন ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক ‘তাজা নেতা’ আরাবুল ইসলাম। আর দলে যোগদান করতেই প্রত্যাশা মতোই তাঁকে ক্যানিং পূর্ব থেকে প্রার্থী করল ISF। আজ অর্থাৎ সোমবার ফুরফুরা শরিফ থেকে প্রথম দফা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে ISF। প্রথম দফায় ২৩টি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ISF-এর প্রার্থী তালিকায় ৩০ শতাংশেরও বেশি হিন্দু প্রার্থী রয়েছে। অন্যদিকে ISF বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করার কথা বলেছিলেন। তবে চারটি আসন নিয়ে এখনও জটিলতা কাটেনি।

    ২৩ আসনের মধ্যে ISF এর হিন্দু প্রার্থী ঘোষণা

    আজ যে সমস্ত আসনে ISF প্রার্থী ঘোষণা করেছে সেগুলি হল- মালদার সুজাপুর, নদিয়ার পলাশিপাড়া ও চাপড়া, উত্তর ২৪ পরগনার বাদুরিয়া, অশোকনগর, আমডাঙ্গা, মধ্যমগ্রাম, দেগঙ্গা, হাড়োয়া ও বসিরহাট। এখনও পর্যন্ত ২৩ আসনের মধ্যে ISF এর হিন্দু প্রার্থী হলেন ৭ জন। এঁরা হলেন, অশোকনগরের প্রার্থী তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়, আমডাঙার বিশ্বজিৎ মাইতি, মধ্যমগ্রামের প্রাক্তন এসএফআই নেত্রী প্রিয়াঙ্কা বর্মন, ক্যানিং পশ্চিমে প্রবীর মণ্ডল, শালবনির পীযূষ হাঁসদা, বারাবনিতর বিশ্বজিৎ বাউড়ি এবং বোলপুরে অধ্যাপক বাপি সরেন।

    ভাঙরে শুধু হাড্ডাহাড্ডির লড়াই

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ক্যানিং পূর্বের বিদায়ী বিধায়ক শওকত মোল্লাকে ভাঙড় থেকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল তিনি ভাঙড়ে তৃণমূলের পর্যবেক্ষক থাকাকালীন বার বার আরাবুলের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়তেন, এখন সেই প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্বাচনে লড়তে চলেছেন। অন্যদিকে ISF এর প্রার্থী হিসেবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতে আব্দুল মালেক মোল্লা, ক্যানিং পশ্চিমে প্রবীর মণ্ডল, ক্যানিং পূর্বে আরাবুল, মগরাহাট পশ্চিমে আব্দুল আজিজ আল হাসান এবং ভাঙড়ে নওশাদ দাঁড়াতে চলেছেন।

    আরও পড়ুন: শিয়ালদা-হাওড়া লাইনে সেতুর সংস্কার, ট্র্যাকে নতুন প্রযুক্তি, একগুচ্ছ পদক্ষেপ পূর্ব রেলের

    প্রসঙ্গত, ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে ISF এর সঙ্গেই জোট বাঁধল বাম। কিন্তু এখনও কাটেনি চারটি আসন নিয়ে জট! দীর্ঘদিন ধরেই বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট বাঁধার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন নওশাদ। আজ শেষমুহূর্তে প্রার্থী তালিকা প্রকাশের কথা ছিল আইএসফের। কিন্তু নওশাদ জানালেন, একদিন সময় চেয়েছে বামেরা। সেই কারণেই আজ নয়, আগামিকাল তালিকা প্রকাশ করবেন তিনি। সাংবাদিকদের কাছে বিধায়ক জানিয়ে দেন, “সাত মাস বামেদের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা চলেছে। আজ একদিন অপেক্ষা করলাম। প্রার্থী তালিকা আজ ঘোষণা করলাম না।”

  • ৫৩২ থেকে বেড়ে ৮১৬ হবে লোকসভার আসন, মহিলাদের জন্য থাকবে ২৭৩টি! বড় খবর

    ৫৩২ থেকে বেড়ে ৮১৬ হবে লোকসভার আসন, মহিলাদের জন্য থাকবে ২৭৩টি! বড় খবর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নারী শক্তি বন্দন অধীনিয়ম বা নারী সংরক্ষণের আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে এবার এক মাস্টার প্ল্যান তৈরি করল কেন্দ্র। সমস্ত জল্পনা সত্যি করে এবার লোকসভা কেন্দ্রগুলির আসন (Lok Sabha Seat) সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়ে এই সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালু করতে চাইছে নরেন্দ্র মোদী সরকার (Government of India)। এমনকি নারীদের জন্য থাকবে আলাদা সংরক্ষিত আসন। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত একটি সর্বদলীয় বৈঠকে খসড়া প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে বলেই সূত্র মারফৎ খবর।

    এবার আসন সংখ্যার টার্গেট ৮১৬

    উক্ত বৈঠকে জানা গিয়েছে, ২০১১ সালের জনগণনার উপর ভিত্তি করে লোকসভার বর্তমান ৫৩২টি আসন বাড়িয়ে এবার ৮১৬টি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, আসন সংখ্যা এবার ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। আর এই বর্ধিত আসন সংখ্যার মধ্যে আনুমানিক এক তৃতীয়াংশ বা ২৭৩টি আসন নারীদের জন্যই সংরক্ষিত থাকবে।

    তবে এক্ষেত্রে বলে রাখি, সাধারণত নতুন জনগণনা এবং তার পরবর্তী সীমানা পুনঃনির্ধারণ প্রক্রিয়ার পরেই নারী সংরক্ষণ ব্যবস্থা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে ২০২৯ সালের আগে নতুন করে জনগণনা সম্পন্ন হওয়া একেবারে অনিশ্চিত, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের। সেই কারণে সরকার চাইছে ২০১১ সালের ডেটা ব্যবহার করেই এখনই আসন সংখ্যা বাড়াতে। তবে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলির দীর্ঘদিনের ভয় ছিল যে জনসংখ্যা কম থাকার কারণে তাদের আসন কমে যাবে। কিন্তু সরকারের নতুন প্রস্তাবে প্রতিটি রাজ্যের বর্তমান আসনের অনুপাত এবার একই রাখা হবে।

    উত্তরপ্রদেশে বাড়বে আসন

    এদিকে নতুন ফর্মুলা কার্যকর হলে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলির আসন সংখ্যা অনেকটাই বাড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ বলতে পারি, উত্তরপ্রদেশে লোকসভা আসন ৮০ থেকে বেড়ে এবার ১২০ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে বৈঠকে উপস্থিত এক সাংসদ জানিয়েছেন যে, কোন আসনটি নারীদের জন্য সংরক্ষিত হবে তা লটারি পদ্ধতির মাধ্যমে ঠিক করা হবে। আর প্রতি তিনটি আসনের মধ্যে একটি আসন মহিলাদের জন্য বরাদ্দ থাকতে পারে। কিন্তু হ্যাঁ, এই আসনগুলি স্থায়ীভাবে নাকি রোটেশন ভাবে পরিবর্তিত হবে সে বিষয়ে এখনো পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য গ্রেফতার ভারতীয় বায়ুসেনার এক বেসামরিক কর্মী

    এমনকি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইতিমধ্যে বিজেডি, এনসিপি বা শারদ পাওয়ার, শিবসেনার মতো বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। আর খুব শীঘ্রই কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস সহ অন্যান্য দলের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। মনে করা হচ্ছে, এই ঐতিহাসিক সংশোধনের বিলটি যদি পাস করা হয়, তাহলে সংসদদের বর্তমান অধিবেশনের মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে।

  • ব্যান করা হতে পারে এই দুই প্লেয়ারকে, তালিকায় KKR-র বড় নাম!

    ব্যান করা হতে পারে এই দুই প্লেয়ারকে, তালিকায় KKR-র বড় নাম!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পাকিস্তান সুপার লিগ ছেড়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (Indian Premier League) খেলতে আসা প্লেয়ারদের সংখ্যা নেহাত কম নয়। প্রত্যেক বছরই কমবেশি PSL ছেড়ে IPL এ নাম লেখান ক্রিকেটাররা। এ বছরও সেই নিয়মের অন্যথা হয়নি। ইতিমধ্যেই পাকিস্তান সুপার লিগের দল রওয়ালপিন্ডিস ছেড়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে এসেছেন দাসুন শানাকা এবং জিম্বাবুয়ের প্লেয়ার ব্লেসিং মুজারাবানি। সদ্য KKR এ যোগ দিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, পাকিস্তান সুপার লিগ ছেড়ে IPL খেলতে আসায় এই দুই প্লেয়ারের উপর ক্ষুব্ধ PSL দলগুলি। ইতিমধ্যেই রাওয়ালপিন্ডিস দলের মালিক এহসান তাহির PCB র কাছে এই দুই ক্রিকেটারকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন।

    নিষিদ্ধ হয়ে যাবেন IPL খেলতে আসা দুই প্লেয়ার?

    পাকিস্তান সুপার লিগের দল রাওয়ালপিন্ডিস ছেড়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দল রাজস্থান রয়্যালসে যোগ দিয়েছেন শানাকা। এদিকে মুজারাবানি এখন কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের হয়ে অনুশীলন করছেন। শোনা যাচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ান ফাস্ট বোলার স্পেন্সর জনসনও পাকিস্তান সুপার লিগ ছেড়ে চেন্নাই সুপার কিংসে যোগ দিতে পারেন। এমতাবস্থায় একেবারে রেগে লাল PSL কর্তৃপক্ষ।

    পাকিস্তানের কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই রাওয়ালপিন্ডিসের মালিক তাহির জানিয়েছেন, এই দুই প্লেয়ারের এমন সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য অসম্মানের। এতে পাকিস্তান সুপার লিগের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে। মূলত এমন দাবি জানিয়েই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছে এই দুই প্লেয়ারকে নিষিদ্ধ করার আবেদন রেখেছেন তিনি। শোনা যাচ্ছে, PCB প্রধানও নাকি এই দুই প্লেয়ারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

    অবশ্যই পড়ুন: বিজেপি কর্মীর মেয়ে যুবসাথীর টাকা পাওয়ায় হুমকি, গালিগালাজ TMC কাউন্সিলরের

    এক কথায়, পাকিস্তান সুপার লিগ ছেড়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ খেলতে আসা প্লেয়ারদের বিরুদ্ধে কঠিন থেকে কঠিনতম পদক্ষেপ নিতে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এবং PSL কর্তৃপক্ষ। আর সেটা হলে PSL এ দীর্ঘ সময়ের জন্য ব্যান বা নিষিদ্ধ হয়ে যাবেন এই দুই ক্রিকেটার। তবে এর প্রভাব ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে পড়বে কিনা তার উত্তর আপাতত নেই।

  • শিয়ালদা-হাওড়া লাইনে সেতুর সংস্কার, ট্র্যাকে নতুন প্রযুক্তি, একগুচ্ছ পদক্ষেপ পূর্ব রেলের

    শিয়ালদা-হাওড়া লাইনে সেতুর সংস্কার, ট্র্যাকে নতুন প্রযুক্তি, একগুচ্ছ পদক্ষেপ পূর্ব রেলের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ক্রমাগত একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে রেল (Indian Railways)। উন্নতমানের প্রযুক্তি রেল পরিষেবা এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় পূর্ব রেলের (Eastern Railway) ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ গত ফেব্রুয়ারি মাসে একগুচ্ছ উল্লেখযোগ্য পরিকাঠামোগত সাফল্যের কথা তুলে ধরেছে। যা উন্নত ট্রেন পরিচালন নিরাপত্তার ওপর যেমন জোর দেওয়া হয়েছে ঠিক তেমনই আধুনিক ট্র্যাক রক্ষণাবেক্ষণের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে।

    ম্যানড লেভেল ক্রসিং গেট প্রতিস্থাপন

    পূর্ব রেল বর্তমানে নিরাপত্তা বিধি নিয়ে যে ক্রমাগত অবাধ্যতা তৈরি হচ্ছে তার বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছে। পরিকাঠামোর ব্যাপক আধুনিকীকরণ এবং সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও, দ্রুত পারাপার করে রেললাইনকে দুর্ঘটনার করিডোরে পরিণত করেছে। তাই যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে লেভেল ক্রসিং বাদ দিয়ে এবং ওভারব্রিজের নিরাপত্তা এবং রেল চলাচলের গতি বাড়াতে পূর্ব রেলের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ১১টি ম্যানড লেভেল ক্রসিং গেট প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে সেখানে লিমিটেড হাইট সাবওয়ে এবং কৌশলগত ডাইভারশন তৈরি করা হয়েছে, যা রেল ও রাস্তার ট্রাফিক সংযোগস্থলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি দূর করবে।

    ১৩টি সেতুর সংস্কার

    পূর্ব রেলের পরিষেবা আরও বৃদ্ধি করতে ১৩টি সেতুর সংস্কার করা হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদী থাকবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। যার মধ্যে প্রযুক্তিগত সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা উন্নত করতে এবং ট্রেনের গতি বজায় রাখতে ৯ টি সেতুর রিগ্রেডিং করা হয়েছে। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে ৯ টি নতুন সাইড পাথওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে এই সাইড পাথওয়ে রেলের গ্রাউন্ড স্টাফদের নিরাপদ চলাচল এবং নজরদারির কাজকে আরও সহজতর করে তুলবে। পাশাপাশি পূর্ব রেলের ট্র্যাক রক্ষণাবেক্ষণের আধুনিকীকরণের জন্য ট্র্যাক নবীকরণ এবং ট্রাকের অবস্থার পর্যবেক্ষণের ওপর জোর দিয়েছে।

    ফোর্সড লেআউট প্রতিস্থাপন

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ৪১.৭৫ সমতুল্য সংখ্যার ‘থ্রু টার্নআউট রিনিউয়াল’ স্থাপন করা হয়েছে, যা পুরনো মেশিনগুলিকে সরিয়ে আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করেছে। এবং ১,৩২০ কিমি রেলপথে ‘আল্ট্রা সনিক ফ্ল ডিটেকশন’ পরীক্ষা করা হয়েছে যাতে ট্র্যাকের ভিতরে কোনও ফাটল থাকলে তা শনাক্ত করা যায়। এছাড়াও ১০৬,২৭০ ঘনমিটার ব্যালাস্ট পাথর বিছানো হয়েছে, যা রেল চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি ৭টি ‘ফোর্সড লেআউট’ সফলভাবে সংশোধন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: এবার বাড়িতে ED-কে ডাকলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    পূর্ব রেলের এই একগুচ্ছ নিরাপত্তা মূলক পদক্ষেপে আশার আলো দেখছে যাত্রীরা। এই প্রসঙ্গে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শ্রী শিবরাম মাঝি জানান, “এই উন্নয়নগুলি যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং পরিকাঠামো আধুনিকীকরণের প্রতি পূর্বরেলের একনিষ্ঠ দায়বদ্ধতাকে প্রতিফলিত করে। উন্নত পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা আমাদের যাত্রীদের জন্য আরও উন্নতমূলক এবং নির্ভরযোগ্য রেল পরিষেবা তৈরি করছি।”

  • পাকিস্তানে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য গ্রেফতার ভারতীয় বায়ুসেনার এক বেসামরিক কর্মী

    পাকিস্তানে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য গ্রেফতার ভারতীয় বায়ুসেনার এক বেসামরিক কর্মী

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিরাট সাফল্য পেল রাজস্থান পুলিশ। অসমের চাবুয়া বায়ুসেনা ঘাঁটির এক বেসামরিক কর্মীকে (Indian Air Force Staff) এবার গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ গ্রেফতার করা হল। অভিযোগ উঠছে, ওই ব্যক্তি ভারতীয় বায়ুসেনার সংবেদনশীল আর গোপনীয় তথ্য পাকিস্তানের (Pakistan) গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সঙ্গে প্রচার করছিলেন, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারত।

    এএনআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজস্থান পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রফুল্ল কুমারের বক্তব্য, ঘটনার সূত্রপাত হয় গত জানুয়ারি মাসে। জয়সলমের বাসিন্দা ঝাবরারাম এক ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পর জেরা চলাকালীন সুমিত কুমার নামের ওই অভিযুক্তের নাম সামনে আসে। তাঁর আনুমানিক বয়স ৩৬ বছর। তদন্তে জানা যায়, সমিক নিয়মিত পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন এবং দেশের সমস্ত তথ্য শেয়ার করছিলেন।

    কে এই অভিযুক্ত এবং কী তাঁর পরিচয়?

    রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, সুমিত কুমার অসময়ের ডিব্রুগড় জেলার চাবুয়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে মাল্টি টাস্কিং স্টাফ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নিজের পদের অপব্যবহার করেই তিনি যে সমস্ত তথ্য পাচার করেছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল যুদ্ধবিমানের অবস্থান। হ্যাঁ, চাবুয়া এবং বিকানেরের নাল এয়ারবেসে মোতায়েন থাকা যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত তথ্য তিনি গুপ্তচরীর মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। এমনকি ভারতের মিসাইল সিস্টেমের গোপনীয় অবস্থান ও ডেটা, আর বায়ুসেনার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নাম, পরিচয় এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত ছবি পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের কাছে পাঠিয়েছিলেন তিনি। আর তদন্তে আরও জানা যায়, সুমিত নিজের নামে রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেই পাকিস্তানী হ্যান্ডলারদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে সাহায্য করেছিলেন।

    আরও পড়ুন: পেনশন পাওয়া আরও সহজ, GISS সমস্যা মেটাতে নয়া মেমোরেন্ডাম জারি নবান্নর

    সূত্রের খবর, দিল্লির বায়ুসেনা, গোয়েন্দা বিভাগ এবং রাজস্থানের ইন্টেলিজেন্সের একটি দল যৌথ অভিযান চালিয়ে সুমিতকে চাবুয়া থেকে আটক করে জয়পুরে নিয়ে আসে। আর সেখানে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জেরা চলাকালীন সুমিত স্বীকার করে নেন যে, ২০২৩ সাল থেকেই তিনি অর্থের বিনিময়ে পাকিস্তানের হয়ে এরকম গুপ্তচরবৃত্তি কাজ করছিলেন। রবিবার অর্থাৎ ২২ মার্চ জয়পুরের বিশেষ পুলিশ স্টেশন সুমিত কুমারের বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট ১৯২৩ এবং ভারতীয় ন্যয় সংহিতার ২০২৩ এর বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর রাজস্থান পুলিশের স্পষ্ট দাবি, এই গ্রেফতারের ফলে পাকিস্তান সমর্থিত একটি বড় স্পাই নেটওয়ার্কের মুখোশ খুলে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

  • বিজেপি কর্মীর মেয়ে যুবসাথীর টাকা পাওয়ায় হুমকি, গালিগালাজ TMC কাউন্সিলরের

    বিজেপি কর্মীর মেয়ে যুবসাথীর টাকা পাওয়ায় হুমকি, গালিগালাজ TMC কাউন্সিলরের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের বেকার যুবক যুবতীদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের (Yuba Sathi Scheme) সূচনা করেছে। যার মাধ্যমে রাজ্যের বিপুল সংখ্যক যুবক ও যুবতী প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সাহায্য পাচ্ছেন। কিন্তু এবার সেই প্রকল্প নিয়ে দুই দলের মধ্যে শুরু হল তুমুল ঝামেলা। অভিযোগ, যুবসাথী প্রকল্পের টাকা বিজেপি কর্মীর মেয়ে পাওয়ায় তাঁকে হুমকি-গালাগালির পাশাপাশি, বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল নদীয়ার (Nadia) তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। তুমুল শোরগোল এলাকা জুড়ে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    রিপোর্ট মোতাবেক, ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার হরিণঘাটা বড়জাগুলি এলাকায়। অভিযোগ বাবা বিজেপি করেন এদিকে মেয়ে পেয়েছেন তৃণমূল সরকারের ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের ১৫০০ টাকা। আর সেই রাগেই বিজেপি কর্মীর মেয়েকে ফোন করে হুমকি-গালাগালি দেয় তৃণমূল কাউন্সিলর হারাধন ঘোষ। এখানেই শেষ নয়, বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল ওই তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে ঘটনার ভিডিও, যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি India Hood Bangla। ঘটনাটিকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

    তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ

    স্থানীয় এক বিজেপি কর্মীর দাবি, যুবসাথীর জন্য আবেদন জানানোর পর সম্প্রতি তাঁর মেয়ের অ্যাকাউন্টে ঢোকে সরকারি যুবসাথী প্রকল্পের টাকা। অভিযোগ, আর সেই কথা জানতে পেরে মেয়েকে ফোন করে হুমকি দেন ও গালাগালি করেন, হরিণঘাটা পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর হারাধন ঘোষ। যা নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ ওই বিজেপি কর্মী। ভাইরাল ভিডিওতে শোনা যাচ্ছে, “আপনি আমার মেয়েকে ফোন করবেন কেন?-কে বলেছে, সবাইকে ফোন করা হচ্ছে।’- ‘আপনি আমার মেয়েকে ফোন করবেন কেন?’- ‘হান্ড্রেড পার্সেন্ট করব, হান্ড্রেড পার্সেন্ট করব।” শনিবার রাস্তায় পেয়ে বিজেপি কর্মীকে মারধর করার পাশাপাশি অপহরণের হুমকি দেন তৃণমূল কাউন্সিলর।

    আরও পড়ুন: ২৮ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য নির্ধারণ আজ, প্রকাশিত হচ্ছে প্রথম তালিকা, কীভাবে দেখবেন নাম?

    লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন বিজেপি কর্মী

    হরিণঘাটার আক্রান্ত বিজেপিকর্মী জানান, ‘আমাকে ডাকল, রাস্তায় দাঁড় করাল, দাঁড় করিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, চড়, থাপ্পড়, লাথি মেরেছে। পুরভোটের সময় আমাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল, অপহরণ করেছিল এবারও আবার গায়ে হাত দিল।’ তবে এই অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ হরিণঘাটার ১৪নং ওয়ার্ডের অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর হারাধন ঘোষ। ভোটের আবহে নদীয়ার এই ঘটনা অস্বস্তি বাড়িয়েছে শাসক শিবিরের অন্দরে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন, পুরসভার পুরপ্রধান দেবাশিস বসু। অন্যদিকে ঘটনায় হরিণঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন বিজেপিকর্মী।

  • কুণাল ঘোষের আসনে প্রতীক উর রহমান, প্রাক্তন বাম নেতাকে বড় দায়িত্ব দিল তৃণমূল

    কুণাল ঘোষের আসনে প্রতীক উর রহমান, প্রাক্তন বাম নেতাকে বড় দায়িত্ব দিল তৃণমূল

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: একটা সময় তৃণমূল সরকার ভেঙে দেওয়ার দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি (Pratik Ur Rahman)। লাল পতাকা হাতে নিয়ে শাসক দলের একের পর এক সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে গিয়েছিলেন। সেই প্রাক্তন বাম নেতা প্রতীক উর রহমানকেই এবার মুখপাত্রের আসনে বসালো তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। এক কথায়, যে ছেলেটা সিপিআইএমের হাত মাথায় নিয়ে তৃণমূলকে এক হাত নিয়েছিলেন, সেই ছেলের কাঁধেই এবার তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়নের পাঁচালী শোনানোর দায়িত্ব।

    কুণাল ঘোষের আসনে প্রতীক উর

    বাম জমানায় রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন প্রতীক উর রহমান। বছরের পর বছর লাল পতাকা গায়ে জড়িয়ে সিপিআইএমের একাধিক মিটিং মিছিলে নিজের ছাপ রেখেছেন তিনি। দলের অন্যান্য সহকর্মীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজ্যবাসীকে নিজের দলের কথা তুলে ধরেছিলেন এই প্রতীক উরই। এমনকি তৃণমূল কংগ্রেসের তৎকালীন মুখপাত্র কুণাল ঘোষকে নিয়েও বেশ কয়েকবার মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এবার সেই কুণালের আসনেই বসানো হল প্রাক্তন বাম নেতাকে।

    হ্যাঁ, 2008 সালে রাজনীতিতে আসা ছেলেটা আজ তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র। এবার ঘাসফুলের হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের উন্নয়নের প্রচার করবেন তিনি। একই সাথে দল বিরোধী কোনও মন্তব্য হলে তারও জবাব দেওয়ার দায়িত্ব থাকবে লাল জামানার প্রাক্তন নেতার হাতে। এখন দেখার, কুণাল ঘোষের আসনে বসে রাজনীতির প্রতিদ্বন্দ্বীদের সাথে ময়দানের লড়াইয়ে ঠিক কতটা নিজেকে মেলে ধরতে পারেন তিনি।

    অবশ্যই পড়ুন: শিয়ালদা ডিভিশনে একাধিক লোকাল ট্রেনের গন্তব্য বাড়াল রেল

    উল্লেখ্য, হাজারো জল্পনার মাঝে কিছুদিন আগেই লালেদের দল ছেড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন প্রতীক উর। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি একেবারে স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, টিকিট পাওয়ার জন্য তৃণমূলে আসেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত শাসকদলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরও দেখা গিয়েছে টিকিট পাননি তিনি। তবে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করা না হলেও প্রাক্তন বাম নেতাকে অন্য পদে বসালো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।