Blog

  • রাশিয়ার কাছ থেকে আরও ৫টি S-400 কেনার পথে ভারত

    রাশিয়ার কাছ থেকে আরও ৫টি S-400 কেনার পথে ভারত

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্য সহ গোটা বিশ্বে যেভাবে অস্থিরতা বাড়ছে তাতে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য যুদ্ধের কথা মাথায় রেখেই নিজেদের আখের গুছিয়ে নেওয়া ভাল। সেই পথেই হাঁটছে ভারত। অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতের যুদ্ধের বর্ম হয়েছিল রাশিয়ার তরফে পাওয়া S-400 বা সুদর্শন চক্র (S-400 Missile System)। এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জোরেই পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান থেকে শুরু করে ড্রোন এমনকি ভয়ংকর সব মিসাইল বাতাসেই নিকেশ করেছিল নয়া দিল্লি। এবার সেই সাফল্যকে সামনে রেখে বন্ধু দেশের কাছ থেকে আরও 5টি নতুন S-400 কেনার পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র।

    বায়ুসেনার শক্তি হবে দ্বিগুণ

    গত বছরের মে মাসে পাকিস্তানের একটি ক্রুজ মিসাইল বা ড্রোনকেও ভারতের মাটি স্পর্শ করতে দেয়নি রাশিয়ার S-400। ভেনিজুয়েলাতেও একইভাবে খেল দেখিয়েছে এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এক কথায়, শত্রুকে টাইট দিতে মস্কোর এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার থেকে বড় অস্ত্র আর কিছুই হতে পারে না। তাইতো অপারেশন সিঁদুরে পাওয়া সাফল্যকে মাথায় নিয়েই নতুন করে রাশিয়ার কাছ থেকে আরও 5টি সুদর্শন চক্র কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে নয়া দিল্লি।

    ANI এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তি দ্বিগুণ করতে ইতিমধ্যেই রাশিয়ার সাথে সুদর্শন চক্র নিয়ে কয়েক দফা আলোচনা হয়ে গিয়েছে নয়া দিল্লির। শোনা যাচ্ছে, সব ঠিক থাকলে খুব শীঘ্রই বন্ধু দেশের তরফে 5টি S-400 এয়ার ডিফেন্স স্কোয়াড্রন কেনার চুক্তি পাকা করে ফেলবে ভারত।

    শোনা যাচ্ছে, শত্রুর বিধ্বংসী ড্রোন থেকে শুরু করে অন্যান্য ক্রুজ মিসাইল গুলিকে আকাশে ধ্বংস করতে রাশিয়ার তরফে নতুন 5টি সুদর্শন চক্র ভারতের পূর্ব চিন সীমান্ত এবং পশ্চিমে অর্থাৎ পাকিস্তান সীমান্তের উভয়দিকেই মোতায়েন করা হতে পারে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, দুপাশে দুই শত্রুকে মোক্ষম জবাব দিতে রাশিয়ার এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভারতের জন্য ম্যাজিক ম্যানের থেকে কিছু কম নয়।

    অবশ্যই পড়ুন: ভারতকে সেমিফাইনালে তুলে এবার শাস্তি পেতে পারেন সঞ্জু স্যামসন

    প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিনের বন্ধু রাশিয়ার সাথে 2018 সালের চুক্তি অনুযায়ী ইতিমধ্যেই 5টি সুদর্শন চক্রের তিনটি হাতে পেয়ে গিয়েছে ভারত। বাকি দুটিও খুব শীঘ্রই পাঠিয়ে দেবে মস্কো। এই আবহে আরও 5টি সুদর্শন চক্র S-400 কিনতে মরিয়া নয়া দিল্লি। আর এই খবর যে নতুন করে শত্রুপক্ষের চিন্তা বাড়াবে সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

  • ২৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে চার লেনের বাইপাস, যানজটমুক্ত হবে বীরভূম

    ২৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে চার লেনের বাইপাস, যানজটমুক্ত হবে বীরভূম

    সৌভিক মুখার্জী, বীরভূম: এত বছর ধরে যানজটের যন্ত্রণা সহ্য করে এসেছে বীরভূমের (Birbhum) দুবরাজপুরের বাসিন্দারা। ১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক শহরের মাঝখান দিয়ে যাওয়ার কারণে প্রতিদিন ভারী পণ্যবাহী লরির চাপ বাড়ত। যার ফলে সকাল থেকে রাত যান চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হত সাধারণ মানুষের। অবশেষে সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। বিরাট স্বস্তি পেতে চলেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। দুবরাজপুর শহরকে এড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছে নতুন চার লেনের আধুনিক বাইপাস।

    নতুন বাইপাস সংক্রান্ত কিছু তথ্য

    জানিয়ে রাখি, এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটির কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দিক রয়েছে। প্রথমত, এই বাইপাসটির দৈর্ঘ্য হবে ৬ কিলোমিটার এবং এটি চার লেনের প্রশস্ত একটি আধুনিক রাস্তা। এই প্রকল্পের জন্য মোট ২৩২ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। আর সমবায় হিমঘর এলাকা থেকে শুরু করে সাতকেন্দুরির কাছে মূল সড়কের সংযুক্ত হবে এই বাইপাসটি। এমনকি এটি চালু হলে শহরের ভেতর দিয়ে ভারী যানবাহনের প্রবেশ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।

    বলে দিই, ইতিমধ্যেই তৎপরতার সঙ্গে শুরু হয়েছে কাজ। জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী এলাকায় বড় বড় স্থাপনা ভাঙার কাজে চলছে। আর ভারী যন্ত্রপাতি এবং নির্মাণকারীরাও মাঠে নেমে পড়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বহুদিনের দাবি অবশেষে পূরণ হতে চলেছে। অনেকেই মনে করছেন যে, এটি শুধুমাত্র রাস্তা নয়, বরং দুবরাজপুরের ভবিষ্যতের সংযোগ।

    আরও পড়ুন: বুথের ভিতরে-বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক! ভোট প্রস্তুতিতে কড়া নির্দেশ কমিশনের

    এদিকে এ বিষয়ে এলাকার বিধায়ক অনুপ সাহা জানিয়েছেন, এই ফোর লেন বাইপাস দুবরাজপুরের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। তিনি বলেছেন, শহরের ভিতর দিয়ে জাতীয় সড়ক যাওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত সমস্যার মুখে পড়তে হত সাধারণ মানুষকে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতেই প্রশাসনের তরফ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রকের অনুমোদন পাওয়ার পরেই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথের দিকে এগিয়েছে। আর এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নীতি গড়করির দফতরের সহযোগিতার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।

  • ২৫ দিনের তেল মজুত, ভারতে বাড়বে গ্যাস থেকে পেট্রোল-ডিজেলের দাম? মিলল উত্তর

    ২৫ দিনের তেল মজুত, ভারতে বাড়বে গ্যাস থেকে পেট্রোল-ডিজেলের দাম? মিলল উত্তর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমশ বাড়ছে ইরান এবং ইজরায়েলের সংঘাত। তবে এই আবহে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম (Crude Oil Price) দিনের পর দিন ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকছে। গত দুইদিনে প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে ব্যারেল পিছু দাম। এমনকি এখন পৌঁছেছে ৮২ মার্কিন ডলারে। আর পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এই দাম ১০০ ডলার পর্যন্ত ছুঁতে পারে, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। তবে তেলের দাম বাড়ার প্রভাব শুধুমাত্র পেট্রোল-ডিজেলেই যে সীমাবদ্ধ থাকবে এমনটা নয়। তার ঢেউ পড়তে পারে মধ্যবিত্তর হেঁশেলেও। এমনটাই দাবি বিশেষজ্ঞদের।

    জ্বালানির দাম ঠিক কী হবে?

    প্রসঙ্গত, ভারত তাদের জ্বালানির সবথেকে বড় অংশ আমদানি করে থাকে। এমনকি তার সিংহভাগ মধ্যপ্রাচ্য থেকেই। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতে। সরকারি সূত্রের মতে ভারতের কাছে এখন ২৫ দিনের তেল মজুত আছে। সরকার সূত্র এও জানিয়েছে যে, এই মুহূর্তে ভারতে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ছে না। তবে কোনও কারণে দাম বাড়লে পরিবহন খরচ বাড়বে এবং ট্র্যাক ও পণ্যবাহী গাড়ির ভাড়া বাড়বে। শুধু তাই নয়, চাল-ডাল, সবজি, দুধের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম অনেকটাই চড়তে পারে বলে জানা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এলপিজি সিলিন্ডারের দামও বাড়ার সম্ভাবনা একেবারে উঠিয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে এটাও বলে রাখি যে, ভারত কোনও একটি দেশ থেকে অপরিশোধিত তেল, LPG আমদানি করে না। তাই বিকল্প উৎসের সন্ধানে কাজ চলছে বলে খবর। কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়লে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পকেটে যে চাপ পড়বে তাও বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এদিকে সংঘাতের জেরে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশ তাদের আকাশ সীমা বন্ধ করে দিয়েছে। যার ফলে ভারত থেকে ইউরোপ বা আমেরিকায় যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রচলিত রুটে বাধা তৈরি হচ্ছে। এমনকি বিকল্প দীর্ঘ রুট ব্যবহার করতে হচ্ছে বিমান সংস্থাগুলিকে। যার ফলে জ্বালানির খরচ বাড়ছে এবং ভ্রমণের সময়ও বাড়ছে। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, এর কারণে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের টিকিটের দামও অনেকটাই বেড়েছে।

    আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মাঝে তেলের সঙ্কট এড়াতে বিরাট প্ল্যান ভারতের!

    সোনা, রুপোতে বাড়ছে বিনিয়োগ

    অন্যদিকে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় সাধারণত সোনা এবং রুপোর চাহিদা বাড়ে। কারণ, সোনাকেই সবাই নিরাপদ বিনিয়োগের বিকল্প হিসেবে ভেবে থাকে। এর ফলে গয়নার বাজারে দাম অনেকটাই ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকতে পারে বলে মত প্রকাশ করছে ওয়াকিবহাল মহল।

  • মুস্তাফিজুরের বিকল্প, KKR-এ যোগ দিতে পারেন এই তুখোড় পেসার

    মুস্তাফিজুরের বিকল্প, KKR-এ যোগ দিতে পারেন এই তুখোড় পেসার

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে বাধ্য হয়ে বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) ছেড়ে দিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ফলে, নতুন সিজনে ওপার বাংলার এই প্লেয়ারের বিকল্প কে হবেন তা নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিল শাহরুখ খানের দল। সেই মতোই খোঁজ চলছিল বিকল্প মুখের। সবচেয়ে সেরা পরিবর্ত হিসেবে উঠে এসেছিল আফগানিস্তানের ফজলহক ফারুকী এবং জিম্বাবুয়ের তারকা পেসার ব্লেসিং মুজারাবানির। এবার শোনা যাচ্ছে, এদের মধ্যে একজনকে সই করে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের আগেই বড় চমক দিতে চলেছে KKR।

    মুস্তাফিজুরের বিকল্প হিসেবে কাকে সই করাতে পারে KKR?

    আফগানিস্তানের ফারুকী নিঃসন্দেহে একজন দুর্ধর্ষ বোলার। দলের কঠিন সময়ে উইকেট নিয়ে দেওয়াল হয়ে দাঁড়াতে পারেন তিনি। তবে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের হয়ে কার্যত আগুন ঝরিয়েছেন মুজারাবানি। দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেও তাঁর অনবদ্য পারফরেমন্স আজও চোখে লেগে রয়েছে দর্শকদের। ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে টিম ইন্ডিয়ার ব্যাটসম্যানদের উইকেট তুলেছেন তিনি।

    বলাই বাহুল্য, এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কার মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। সেইসব ম্যাচেও নিজের ক্ষমতা দেখিয়েছিলেন মুজারাবানি। সবচেয়ে বড় কথা, বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমানের মতোই বোলিং করেন তিনি। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের মতে, ইডেনের উইকেটে তাঁর মতো বোলারকেই প্রয়োজন KKR এর। বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করছে, সবদিক মাথায় রেখেই হয়তো জিম্বাবুয়ের এই তারকা প্লেয়ারকে কম দামে কিনে নিতে পারে শাহরুখ খানের ম্যানেজমেন্ট। যদি সেটা হয় তবে তা চমকে দেওয়ার মতোই বিষয়।

    অবশ্যই পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মাঝে তেলের সঙ্কট এড়াতে বিরাট প্ল্যান ভারতের!

    উল্লেখ্য, মুস্তাফিজুর রহমানের বাদ পড়াই শুধুমাত্র চিন্তা বাড়ায়নি KKR এর। সেই সাথে 18 কোটির পেসার শ্রীলঙ্কার মাথিশা পাথিরানা চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে গিয়ে জোরালো চোট পেয়েছিলেন। যা কলকাতার চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যদিও এর আগে দলের চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন গৌতম গম্ভীরের প্রিয় পাত্র হিসেবে খ্যাত হর্ষিত রানা। যদিও ইতিমধ্যেই অস্ত্রোপচার হয়েছে এই ভারতীয় তারকার। তবে ঠিক কবে নাগাদ পুরোপুরি ফিট হয়ে মাঠে ফিরতে পারবেন তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। যা শাহরুখের দলের চিন্তার পারদ অনেকটাই বাড়িয়েছে।

  • মার্চের শুরুতে গরমের ঝাঁঝ বঙ্গে! আরও বাড়বে তাপমাত্রা, কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া ?

    মার্চের শুরুতে গরমের ঝাঁঝ বঙ্গে! আরও বাড়বে তাপমাত্রা, কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া ?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গত কয়েকদিন ধরে ভোর এবং সন্ধ্যার দিকে যে হালকা শিরশিরানি বা শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছিল, মার্চ মাস পড়তে না পড়তেই তা সম্পূর্ণ উধাও হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ, শীত কার্যত বাক্স গুছিয়ে বিদায় নিয়েছে, আর তাতেই মাথায় হাত সকলের। পাখা বন্ধ করে রাখা এখন কার্যত কষ্টকর হয়ে পড়েছে, শরীর ভিজছে ঘামে। এই অবস্থায় তাপমাত্রা আগামী দিনে (Weather Tomorrow) আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিল হাওয়া অফিস।

    বসন্তের শুরুতেই খামখেয়ালি আবহাওয়ার মেজাজ রাজ্য জুড়ে। দক্ষিণ এবং উত্তরবঙ্গে সম্পূর্ণ বিপরীত আবহাওয়া অর্থাৎ একদিকে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় যেখানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছিল, সেখানে দক্ষিণবঙ্গে ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী রোদের তেজ। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে আগামী কয়েকদিনে রাজ্যের তাপমাত্রার ধরনে বড়সড় বদল আসতে চলেছে। দুই বঙ্গে বাড়বে তাপমাত্রা, একনজরে জেনে নেওয়া যাক কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অ।নুযায়ী আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার, দক্ষিণবঙ্গের সমগ্র জেলায় শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে। কলকাতা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলায় এইমুহুর্তে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া থাকবে। ২-৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। সবমিলিয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩২ ডিগ্রির আশপাশে।

    আরও পড়ুন: SIR-র চাপে মৃত ৬১ পরিবারের সদস্যদের হাতে হোমগার্ড পদের নিয়োগপত্র দিলেন মমতা

    উত্তরবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে রোদের দাপট বজায় থাকলেও উত্তরবঙ্গে এইমুহুর্তে হালকা বৃষ্টির দাপট দেখা গিয়েছে। হাওয়া অফিসের রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামীকাল উত্তরবঙ্গের সব জেলায় বৃষ্টি না হলেও পার্বত্য জেলা দার্জিলিঙে ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হতে পারে। এদিকে উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় ভোরের দিকে কুয়াশার দাপট থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। তবে এর কিছুদিন পর থেকেই উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে।

  • যুদ্ধ আবহে আরব দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের নিরাপদে দেশে ফেরাতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    যুদ্ধ আবহে আরব দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের নিরাপদে দেশে ফেরাতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য। ইরানের মরণ কামড়রের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে আরব দেশগুলিও। ইতিমধ্যেই আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, কাতার, কুয়েত, দোহা সহ একাধিক দেশে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে জোরালো হামলা চালিয়েছে ইরান। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর তার দেশের রোষানলে পড়েছে UAE র জনপ্রিয় শহর দুবাইও। সব মিলিয়ে, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের আক্রমণ এবং ইরানের পালটা আক্রমণে অস্থিরতা ক্রমশ বাড়ছে আরব দেশগুলিতে। এবার সেদিকে কড়া নজর রেখেই বিভিন্ন গল্ফ কান্ট্রিতে আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ পদক্ষেপ করল নয়া দিল্লি (India Special Rescue Flights)।

    ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে তৎপর কেন্দ্র

    দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আরব দুনিয়ায় চরম সংঘাতের পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়। সেই বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জানানো হয়, মঙ্গলবার অর্থাৎ 3 মার্চ জেদ্দা থেকে ভারতের বিভিন্ন শহরে মোট 10টি বিমান চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই বিমান গুলি আরব দেশে আটকে থাকা ভারতীয়দের উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনবে।

    রিপোর্ট বলছে, ইতিমধ্যেই ভারতের তরফে জেদ্দার সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে আকাশ পথ সুস্থ থাকলে এবং যাবতীয় প্রয়োজনীয় অনুমতি মিললে ভারতের বিশেষ বিমান গুলি জেদ্দা থেকে ভারতীয়দের উদ্ধার করে ভারতে নিয়ে আসবে। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি জানিয়েছেন, “আরব দেশ থেকে ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে তৎপর কেন্দ্র। আমরা সব রকম ভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি।”

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায়, “আরব দেশগুলিতে যেখানেই ভারতীয়রা বিপদে রয়েছেন সেখান থেকে নিরাপদে তাদের ফিরিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভারত সরকার। এর আগে আমরা ইউক্রেন থেকেও আমাদের দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে এনেছিলাম। ভারতীয়দের সুরক্ষা আমাদের কাছে প্রথম অগ্রাধিকার।”

    অবশ্যই পড়ুন: সেমিফাইনালের আগেই ভারতীয় দল ছাড়লেন সূর্যকুমার, হার্দিক পান্ডিয়া এবং শিবম দুবে? বড় খবর!

    প্রসঙ্গত, গত রবিবার রাতে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতি দেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বৈঠক ডাকা হয়। সেখানেই গল্ফ কান্ট্রিতে আটকে থাকা ভারতীয়দের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সাথে দ্রুত কীভাবে তাদের বিপদ থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা যায় তা নিয়েও হয় জোরালো আলোচনা। আর তারপরেই জেদ্দা থেকে ভারতের বিভিন্ন শহর মিলিয়ে বিশেষ বিমান পরিষেবা চালু করল নরেন্দ্র মোদি সরকার। আশা করা হচ্ছে, এই বিমানগুলিই নিরাপদে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে পারবে।

  • UTS-র ব্যালেন্স RailOne-এ কীভাবে ট্রান্সফার করবেন? শিখে নিন

    UTS-র ব্যালেন্স RailOne-এ কীভাবে ট্রান্সফার করবেন? শিখে নিন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দিন কয়েক আগে থেকেই অনলাইনে ট্রেনের টিকিট বুকিংয়ের মোবাইল অ্যাপ UTS বন্ধ হয়ে যাবে বলে শোনা যাচ্ছিল, অবশেষে ১ মার্চ থেকে বন্ধ হল সেই পরিষেবা। তবে সেক্ষেত্রে চিন্তা নেই, কারণ UTS থেকে যাত্রীদের একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম RailOne-এ শিফট করার কথা জানিয়েছে ভারতীয় রেল। এর ফলে অসংরক্ষিত টিকিট, প্ল্যাটফর্ম টিকিট এবং সিজন পাসসহ সকল পরিষেবা এখন নতুন RailOne সুপার অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। কিন্তু এসবের মাঝে UTS অ্যাপ বন্ধ হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে ওয়ালেটে ব্যালেন্স ট্রান্সফার (UTS Balance Transfer) নিয়ে উদ্বেগ দেখা গেল।

    সকল পরিষেবা মিলবে RailOne অ্যাপে

    আগে যাত্রীদের সংরক্ষিত টিকিটের জন্য IRCTC, আর অসংরক্ষিত টিকিটের জন্য UTS ব্যবহার করতে হতো। এর ফলে বিশেষ করে বয়স্ক ও নতুন ব্যবহারকারীদের অসুবিধা হত। তাই সব পরিষেবা একটিতে আমার জন্য রেলওয়ের আইটি শাখা CRIS চালু করল RailOne অ্যাপ। তাই ১ মার্চ থেকে পুরোনো UTS অ্যাপ বন্ধ করা হল। এর ফলে অসংরক্ষিত টিকিট, প্ল্যাটফর্ম টিকিট এবং সিজন পাসসহ সকল পরিষেবা এখন শুধুমাত্র নতুন RailOne সুপার অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। তবে অনেকেই আছেন যারা UTS অ্যাপেই ত্রৈমাসিক বা গোটা বছরের টিকিট কেটে রাখেন। সেক্ষেত্রে কি সেই টাকা জলে যাবে? না, না! চিন্তার কোনও কারণ নেই। কারণ যাদের দীর্ঘমেয়াদি টিকিট কাটা, তাঁরা নিমেষেই সেই টাকা ট্রান্সফার করে নেবেন নয়া RailOne-এ।

    Android ও ios উভয় প্ল্যাটফর্মে উপলব্ধ

    RailOne অ্যাপ হল নতুন একটি সুপার অ্যাপ, যা রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ২০২৫ সালের জুলাইতে চালু করেছিলেন। অ্যাপটি Android ও ios উভয় প্ল্যাটফর্মে উপলব্ধ। এর ফলে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি যেমন পাবে, ঠিক তেমনই সময় সাশ্রয় হবে। অন্যদিকে পুরোনো UTS থেকে সহজেই টাকা ব্যালেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে RailOne অ্যাপে স্থানান্তরিত হবে। চলুন একনজরে জেনে নেওয়া যাক সম্পূর্ণ পদ্ধতি।

    ব্যালেন্স ট্রান্সফারের পদ্ধতি

    প্রথমে যাত্রীকে নতুন RailOne অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে হবে। এবার পুরোনো UTS অ্যাপে ব্যবহৃত একই মোবাইল নম্বর ও R-Wallet আইডি দিয়ে লগ ইন করে নিতে হবে। এরপর সেই ব্যালেন্স নতুন অ্যাপে ট্রান্সফার করতে সময় নেবে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা। কিন্তু এরপরেও যদি টাকা ট্রান্সফার না হয় তাহলে সেক্ষেত্রে ১৩৯ এই নম্বরে যোগাযোগ করে সমস্যা জামাতে পারবেন অথবা অ্যাপের সহায়তা বিভাগে অভিযোগ দায়ের করা যাবে।

    অন্যদিকে যদি আপনি টাকা ট্রান্সফার না করে ফেরত পেতে চান, তাহলে অ্যাপের প্রোফাইল সেকশন থেকে Surrender Wallet অপশনটি ক্লিক করে নিতে হবে। মিলবে একটি Secret Code। এরপর সেই Code টিকে আপনার কাছের কোনো রেলওয়ে স্টেশনের UTS কাউন্টারে গিয়ে অপারেটরকে দেখালে, ৩০ টাকা চার্জ কেটে নেওয়ার পর বাকি টাকা ফেরৎ দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: মতুয়া আবেদন বাড়তেই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত! বাংলায় ২ অতিরিক্ত কমিটি গঠন মন্ত্রকের

    প্রসঙ্গত, কলকাতা, দিল্লি, চেন্নাই ও মুম্বাইয়ের মতো শহরে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ লোকাল ট্রেনে ভ্রমণ করেন তাই সেক্ষেত্রে যাত্রীদের সুবিধার্থে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আগে অনেক পরিষেবা শুধুমাত্র স্টেশন কাউন্টারে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মোবাইলে এই পরিষেবা সহজলভ্য করা হচ্ছে। প্রথমদিকে এই পরিষেবা মিলতে কিছুটা অসুবিধাজনক মনে হতে পারে, তবে পরে এটি যাত্রীদের জন্য সুবিধাজনক হতে চলেছে।

  • ইরানে হামলার পিছনে ইজরায়েলের সাথে হাত আছে মোদীর? জানালেন দেশটির রাষ্ট্রদূত

    ইরানে হামলার পিছনে ইজরায়েলের সাথে হাত আছে মোদীর? জানালেন দেশটির রাষ্ট্রদূত

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে এখন চলছে যুদ্ধ। তবে তারই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) ইজরায়েল সফর নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন। আর ঠিক তা দু’দিন পর অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের উপর সামরিক হামলা চালায়। এমনকি ১ মার্চ ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে নিকেশ করে দেয়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, সফর চলাকালীন কি তাহলে হামলার বিষয়ে কিছু জানানো হয়েছিল? প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর এর পিছনে হাত রয়েছে?

    সফরের সময় নেওয়া হয়নি কোনও সিদ্ধান্ত

    এদিন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রুভেন আজার স্পষ্ট ভাষায় এই সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী ইজরায়েল থাকাকালীন হামলার কোনও রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তাঁর কথায়, অপারেশন অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালবেলা। ততক্ষণে প্রধানমন্ত্রী সফর শেষ করে দেশে ফিরে গিয়েছেন। এমনকি তিনি আরও জানিয়েছেন, হামলার পর ইজরায়েলের বিধানমন্ত্রী ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়সঙ্করের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন আর পরিস্থিতির ব্যাখ্যাও করেন।

    বলে রাখি, গত এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার ইরানের উপর ইজরায়েল হামলা চালিয়েছে। ইজরায়েলের দাবি, এটি ছিল প্রি-এম্পটিভ স্ট্রাইক। অর্থাৎ সম্ভাব্য কোনও বড় হুমকি ঠেকাতে আগাম পদক্ষেপ। আর রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য অনুযায়ী, ইজরায়েলের প্রধান উদ্বেগ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ব্যালিস্টিক মিসাইলের সক্ষমতা। তাঁর অভিযোগ, ইরান দীর্ঘদিন ধরেই সামরিক উদ্দেশ্যে পারমাণবিক প্রযুক্তি উন্নয়নের চেষ্টা করে আসছে। আর আঞ্চলিক বিভিন্ন গোষ্ঠীকে অর্থ এবং অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছে। ভাই ইজরায়েল নিরাপত্তাজনিত কারণেই সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

    আরও পড়ুন: রাত হতেই বদলে যায় রেলের এই নিয়মগুলো! ট্রেনে ওঠার আগে জানুন, নাহলেই বিপদ

    এদিকে ইরানে সরকার পরিবর্তন হবে কিনা সে বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও রাষ্ট্রদূত স্পষ্ট বলেছেন যে, আমরা জানি না শাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আদৌ হবে কিনা। কিন্তু ইরানের জনগণ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই ঠিক করবে। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব নিজের দেশেই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ বাড়ছে।

  • মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মাঝে তেলের সঙ্কট এড়াতে বিরাট প্ল্যান ভারতের!

    মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মাঝে তেলের সঙ্কট এড়াতে বিরাট প্ল্যান ভারতের!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা ক্রমশ বাড়ছে। ইজরায়েল এবং আমেরিকার যৌথ হামলার পর সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে ক্ষেপে গিয়েছে ইরান। আর তারপরেই মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে আমেরিকার একের পর এক সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করছে তারা। আর এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে গোটা বিশ্বে লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম। ইতিমধ্যেই ব্যারেল প্রতি 13 শতাংশ দাম বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের। গত ফেব্রুয়ারিতে যেই দাম ব্যারেল প্রতি 65 থেকে 67 ছিল তাই ইতিমধ্যেই 82 ডলার ছুঁয়ে ফেলেছে। আশঙ্কা আগামীতে এই তেলের দাম আরও বাড়বে। কারণ বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত এখনই থামার নয়। ঠিক সেই আবহে দেশে তেলের যোগান অব্যাহত রাখতে নতুন পরিকল্পনা ফাঁদছে ভারত (India On Oil Price)।

    হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে হুঙ্কার ইরানের

    যুদ্ধ আবহে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। শুধু তাই নয়, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ বন্ধ করার পাশাপাশি ইরান একেবারে হুঁশিযারি দিয়ে বলেছে যদি কেউ এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তাহলে জাহাজে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হবে। বলাই বাহুল্য, গোটা বিশ্বে তেলের বাণিজ্যের অন্তত 20 শতাংশ হয়ে থাকে স্ট্রেট অফ হরমুজ প্রণালী হয়ে। অন্যদিকে বিশ্বের তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের বাণিজ্যের প্রায় এক তৃতীয়াংশ হয় এই স্ট্রেট অফ হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বাড়লে সবার প্রথমে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এই জলপথ। আর এই পথ থেকে তেল যাতায়াত না করতে পারলে গোটা বিশ্বের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম যে বাড়বে সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    বিকল্প ভেবে রেখেছে ভারত

    এই মুহূর্তে যা অবস্থা তাতে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এখনই কমছে না। আর সেটা না হলে হরমুজ প্রণালী খুলবে না ইরান। অনির্দিষ্টকালের জন্য এই জলপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ধীরে ধীরে তেলের দাম আকাশ ছোঁয়া হবে, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের দাবি, এই সংঘাতের পরিস্থিতিতে অপরিশোধিত জ্বালানির দাম গোটা বিশ্বে পৌঁছে যেতে পারে ব্যারেল প্রতি 100 ডলার বা তারও বেশি অর্থে। এমনটা হলে পেট্রোলিয়ামের দামও অন্তত 40 শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। যার ধাক্কা দিয়ে পড়বে সরাসরি পেট্রোল এবং ডিজেলের দামে। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে যে পেট্রোলের দাম 100 থেকে 105 টাকা, আগামী দিনে সেটারই দাম হয়ে দাঁড়াতে পারে 140 থেকে 145 টাকা।

    মধ্যপ্রাচ্যের চরম অস্থিরতার মধ্যে তেলের দামের ব্যাপক বৃদ্ধির আঁচ যাতে ভারতবাসীর পকেটে না পড়ে সেজন্যই নাকি নতুন পরিকল্পনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন তেল কোম্পানি গুলির সাথে আলোচনা শুরু হয়েছে সরকারের। কয়েকটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে পেট্রোল, ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করা, রাশিয়া থেকে ফের অপরিশোধিত তেল আমদানি বাড়ানো সহ অন্য কোনও বিকল্প দেশ থেকে তেল কেনা যায় কিনা সেই সব দিকে নিয়ে বৈঠক চলছে সরকারি আধিকারিকদের।

    অবশ্যই পড়ুন: সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ডোবাতে পারেন ভারতের এই ৬ প্লেয়ার

    তবে, রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমানোর কারণে ভারতের উপর থেকে শুল্ক কমিয়েছে আমেরিকা। শুধু তাই নয়, বাণিজ্য চুক্তিতেও সম্মত হয়েছে দুই দেশ। এমতাবস্থায়, ভারত যদি ফের রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বাড়ায় সেক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতিগতি কোন দিকে গিয়ে ঠেকবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয়ে রয়েছেন অনেকে। বিশ্লেষক মহলের অনেকেই বলছেন, ভারত রাশিয়া থেকে তেলে আমদানি বাড়িয়ে দিলে ফের শুল্ক বাড়াতে পারে আমেরিকা। যদিও নয়া দিল্লি চিরকালই বলে এসেছে, জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার্থে যেখান থেকে তেল কিনতে হয় কিনবে ভারত।

  • আধার আপডেট না করলে বন্ধ হবে SBI YONO? বড় সতর্কতা PIB-র

    আধার আপডেট না করলে বন্ধ হবে SBI YONO? বড় সতর্কতা PIB-র

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের মধ্যে অন্যতম হল আধার কার্ড। জন্ম থেকে মৃত্যু- এখন সব জায়গাতেই প্রয়োজন আধার কার্ডের, তাই এটি নির্ভুল রাখা ভীষণ জরুরি। কারণ এই পরিচয়পত্র ছাড়া কোনও অফিসিয়াল কাজই করা হয় না। তাই আধার কার্ড সবসময় আপডেট রাখা জরুরি, কারণ সেখানে ভুল থাকলে একাধিক কাজ আটকে পরে। কিন্তু তাই বলে আধার আপডেট না হলে কি SBI YONO অ্যাপটি (SBI YONO App)বন্ধ হয়ে যাবে? চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।

    বিভ্রান্তি দূর করতে বড় পদক্ষেপ PIB-র

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি তথ্য বেশ ঘোরপাক খাচ্ছে সকলের মোবাইল স্ক্রিনে। আর সেখানে বলা হচ্ছে আধার আপডেট না করা হলে নাকি SBI এর নিজস্ব YONO অ্যাপটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে। আর এই তথ্য ছড়িয়ে পড়তেই রীতিমত দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গ্রাহকরা। তবে চিন্তার কিছু নেই, কারণ PIB এই ধরনের বার্তাগুলিকে রটনা এবং ভুয়ো বলে ঘোষণা করেছে। আসলে এটি সাইবার অপরাধীদের দ্বারা প্রতারণার একটি নতুন পদ্ধতি। আধার আপডেটের এই বার্তার মাধ্যমে প্রতারকরা গ্রাহকদের ফোনে APK ফাইল ডাউনলোড করতে বলে। আর সেটি যদি বিশ্বাস করে কোনো গ্রাহক ডাউনলোড করে তাহলে সমস্ত অ্যাক্সেস পেয়ে যাবে প্রতারক, এবং মুহূর্তের মধ্যেই অ্যাকাউন্ট খালি হয়ে যাবে। তাই সকলকে এই তথ্য নিয়ে চিন্তিত হতে মানা করা হয়েছে।

    KYC আপডেট করা জরুরি

    আধার কর্তৃপক্ষ বা UIDAI এর তরফে আগেই বলা হয়েছিল যে, ১০ বছর পর পর আধার তথ্য আপডেট করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু কখনোই বলা হয়নি যে আধার আপডেট না করলে YONO অ্যাপ বন্ধ হবে, তাই গ্রাহকদের এই ব্যাপারে নিশ্চিন্তে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। অন্যদিকে KYC নিয়েও বড় আপডেট দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে KYC আপডেট করা না হয়ে থাকে, তাহলে ব্যাংকিং পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ হতে পারে। সেক্ষেত্রে সরাসরি শাখায় যোগাযোগ করা উচিত বলে জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রাত হতেই বদলে যায় রেলের এই নিয়মগুলো! ট্রেনে ওঠার আগে জানুন, নাহলেই বিপদ

    প্রসঙ্গত, আধার কার্ড আপডেটের জন্য পরিষেবা কেন্দ্রে যাওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু এখন বাড়িতে বসেই সেই কাজ করা যায় মাত্র এক ক্লিকেই। নাম, ঠিকানা পরিবর্তন করার পাশাপাশি আধার-প্যান লিঙ্ক এসব কিছুই করা যাবে অনলাইনের মাধ্যমে। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস করবেন না। কারণ ব্যক্তিগত তথ্যের মতো সংবেদনশীল বিবরণ গুলো চুরি হয়ে গেলে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হতে পারে গ্রাহকদের