Blog

  • ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের মধ্যে শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত, প্রতিরক্ষা খাতে ৫০৮৩ কোটির চুক্তি

    ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের মধ্যে শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত, প্রতিরক্ষা খাতে ৫০৮৩ কোটির চুক্তি

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং ইজরায়েলের সংঘাত আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দিনের পর দিন বাড়াচ্ছে। আর ঠিক সেই সময় নিজেদের সামুদ্রিক এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য বিরাট পদক্ষেপ নিল ভারত। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবার মোট ৫,০৮৩ কোটি টাকার দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে (Indian Defence Force)। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক অস্থিরতার সময় সমুদ্রসীমা এবং কৌশলগত সার্থ রক্ষার জন্য এই চুক্তি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    কোস্ট গার্ডের জন্য আধুনিক হেলিকপ্টার

    জানিয়ে রাখি, প্রথম যে চুক্তিটি হয়েছে সেটি ২৯০১ কোটি টাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনেটিক্স লিমিটেডের সঙ্গে। জানা যাচ্ছে, এই চুক্তির আওতায় উপকূলরক্ষী বাহিনী মোট ছয়টি অ্যাডভান্সড ফ্লাইট হেলিকপ্টার লাইট হেলিকপ্টার (ALH) Mk-III মেরিটাইম রোল পাবে। এই হেলিকপ্টারের মূল বৈশিষ্ট্য হল এতে দুটি ইঞ্জিন রয়েছে এবং উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি স্থলভিত্তিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের সক্ষমতা রয়েছে। আর সমুদ্রে চলন্ত জাহাজ থেকেও অপারেশন পরিচালনার ক্ষমতা রয়েছে। এগুলোকে মূলত সমুদ্রসীমায় নজরদারি, সন্দেহজনক গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, জেলেদের সুরক্ষা আর কৃত্রিম দ্বীপ বা সামুদ্রিক স্থাপনার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে।

    আরও পড়ুন: ইরানে আটকে থাকা পড়ুয়াদের নিরাপদে সরাল ভারত, ফিরতে চায় না কিছুজন

    নৌ-সেনার জন্য আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা

    অন্যদিকে দ্বিতীয় চুক্তিটি হয়েছে ২১৮২ কোটি টাকার, যেটি Surface-to-Air Vertical Launch Shtil ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের জন্যই। আর এই চুক্তিটি রাশিয়ার সরকারি প্রতিরক্ষা রফতানি সংস্থা JSC Rosoboronexport এর সঙ্গে হয়েছে। এই আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের নৌ বাহিনীর সামনে যুদ্ধ জাহাজগুলোকে আরও উন্নত করবে এবং আকাশপথে আসা হুমকি থেকে সুরক্ষা দেবে। অন্যদিকে এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলি হল, সমস্ত ধরনের আবহাওয়ায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেওয়া, শত্রু বিমান, ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবেলায় সক্ষমতা, নৌ বাহিনীর বহুতলীয় আকাশের ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তোলা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, এই যুক্তি ভারত এবং রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও দীর্ঘ করবে।

  • মনোজ আগরওয়ালের স্ত্রী, শ্বশুরের সম্পত্তির হিসেব চায় তৃণমূল, পাল্টা জবাব CEO-র

    মনোজ আগরওয়ালের স্ত্রী, শ্বশুরের সম্পত্তির হিসেব চায় তৃণমূল, পাল্টা জবাব CEO-র

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার ‘আন্ডার অ্যাজুডিকেশন’ বা বিচারের আওতায় থাকায় রীতিমত বিতর্কিত পরিবেশ তৈরি হয়েছে রাজ্য জুড়ে। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসও এই তালিকা নিয়ে রীতিমত ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তার উপর সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন, আর এই টানটান পরিস্থিতির মাঝেই এবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের স্ত্রী-শ্বশুরের সম্পত্তির (TMC Targets West Bengal CEO) হিসাব চেয়ে বসল তৃণমূল, পাল্টা জবাব দিলেন তিনি।

    সম্পত্তি বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন মনোজ

    সম্প্রতি রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সরাসরি CEO তথা মনোজ আগরওয়ালকে টার্গেট করে তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে অভিযোগ করেন যে সিবিআইয়ের একটি চার্জশিটে তাঁর স্ত্রীর নামে ৩০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং বিভিন্ন রাজ্যে সম্পত্তির কথা লেখা রয়েছে। আর সেই খবরের স্ক্রিনশটও পোস্ট করেন। এবং ক্যাপশনে লেখেন, ‘যে কিনা লক্ষ্মণরেখা সার্ভিস রুল বুকের কথা মনে করাচ্ছেন! তাঁর স্ত্রী ও শ্বশুরের বিরুদ্ধেই আবার সিবিআই চার্জশিটে ৩০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের উল্লেখ করে, তাহলে তাঁর নৈতিকতা কোথায় থাকে?’ পোস্ট ঘিরে রীতিমত তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছিল।

    পাল্টা জবাব CEO-র

    মনোজ আগরওয়ালের সম্পত্তি নিয়ে একই অভিযোগ তোলেন তৃণমূলের আইটি সেলের চেয়ারম্যান দেবাংশু ভট্টাচার্যও। তিনি আবার পোস্টে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। বিতর্ক আরও জটিল হতে থাকে, শেষ পর্যন্ত এ সম্পত্তির টানাপোড়েন নিয়ে স্পষ্ট জবাব দিলেন রাজ্যের CEO, সমাজমাধ্যমে করলেন একটি পোস্ট। মনোজ আগরওয়াল টুইটে দাবি করেন, ‘বিশেষ আদালতের বিচারক চার্জশিটের অভিযোগ থেকে সম্মানজনক ভাবে মুক্তি দিয়েছিলেন। বিয়ের আগে থেকেই মিসেস আগরওয়াল তাঁর সম্পত্তির মালিক। ১৯৮৩ সাল থেকে নিয়মিতভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করে আসছেন। অর্থাৎ পুরো বিষয়টিই স্বচ্ছ এবং আইনসিদ্ধ।”

    আরও পড়ুন: ইরানে আটকে থাকা পড়ুয়াদের নিরাপদে সরাল ভারত, ফিরতে চায় না কিছুজন

    প্রসঙ্গত, সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন, তাই স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যে এক চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে রীতিমত দিন রাত খেটে চলেছে সকলে। এমতাবস্থায় ভোটের আগে শাসকদলের এহেন পোস্ট বিতর্ক রাজনৈতিক ময়দানে বড় প্রভাব ফেলেছে। তবে বিতর্ক বেশ জলঘোলা হওয়ার আগেই এহেন পোস্টের পালটা জবাবও দিয়েছে সিইও দপ্তর।

  • এক ধাক্কায় খরচ বাড়ল ৯০ হাজার কোটি, দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন নিয়ে দুঃসংবাদ!

    এক ধাক্কায় খরচ বাড়ল ৯০ হাজার কোটি, দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন নিয়ে দুঃসংবাদ!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন (India’s First Bullet Train) নিয়ে অপেক্ষা বেড়েই চলেছে। কার্যত প্রতিবারই সম্ভাব্য দিনক্ষণ ঠিক করেও পিছিয়ে যেতে হচ্ছে রেলমন্ত্রককে। মুম্বই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে বিলম্ব এবং নির্মাণ কাজে দেরি হওয়ার কারণে লাফিয়ে বাড়ছে রেলের ব্যয়। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ইতিমধ্যেই 83 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় রাখা হয়েছিল প্রায় 1.08 লাখ কোটি টাকা। এবার তা বেড়ে হয়েছে 1.98 লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক ধাক্কায় খরচ বেড়েছে, 90 হাজার কোটি টাকা। যা দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্প নিয়ে আদতেই দুঃসংবাদ! যদিও বুলেট ট্রেন প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি কমাতে বড় পদক্ষেপ নিতে পারে ভারতীয় রেল।

    অতিরিক্ত খরচ এড়াতে বড় পরিকল্পনা ভারতীয় রেলের!

    ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বই থেকে আহমেদাবাদ রুটে দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ সহ অন্যান্য নির্মাণ কাজে অত্যাধিক দেরি হওয়ার কারণে বেড়েই চলেছে রেলের খরচ। এবার সেই অতিরিক্ত খরচ বৃদ্ধি এড়াতে নতুন কিছু পরিকল্পনা করছে রেলওয়ে। এ প্রসঙ্গে ভারতীয় রেলের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, রেলের ব্যয় বৃদ্ধি কমাতে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো অপারেশন এজেন্সি অথবা অন্য কোনও বহুাপাক্ষিক প্রতিষ্ঠান থেকে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে না।

    সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় রেলের ওই কর্মকর্তা বলেন, “মুম্বই-আহমেদাবাদ হাই স্পিড রেল করিডোরের জন্য আর কোনও বাহ্যিক তহবিলের প্রয়োজন হবে না। জমি কিনতে দেরি হওয়ার কারণে আমাদের এই প্রকল্পের ব্যয় 83 শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু তাতে সমস্যা হবে না। রেল আগে থেকেই এই প্রকল্পে অতিরিক্ত বাজেট ধরে রেখেছিল। তাছাড়াও 2027 আর্থিক বছরের বাজেটে জাতীয় হাই স্পিড রেল কর্পোরেশনের জন্য 15 হাজার 500 কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। এ বছর এই অর্থ এই প্রকল্পে ব্যয়ের জন্য নেহাত কম নয়।”

    অবশ্যই পড়ুন: নির্বাচিত হলেন মুস্তাফিজুর রহমান, বড় সিদ্ধান্ত IPL মালিকদের!

    এও শোনা যাচ্ছে, দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্প বাস্তবায়িত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে অতিরিক্ত তহবিল চাইতে পারে ভারতীয় রেল। 2017 সাল থেকে এই প্রকল্পের জন্য 59 হাজার 396 কোটি টাকা মূল্যের ঋণ দিয়েছে জিআইসিএ। পরবর্তীতে এই অর্থ দিয়ে 508 কিলোমিটার রেল প্রকল্প নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ইতিমধ্যেই 8টি করিডোর স্টেশনে ফাউন্ডেশনের কাজ শেষ হয়েছে। এদিকে গত নভেম্বরেই কেন্দ্রের তরফে 2027 সালের মধ্যে বুলেট ট্রেন প্রকল্পের আওতায় 100 কিলোমিটার পর্যন্ত ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়।

    আরও পড়ুনঃ ৪০০০ কিমি লাইন, ১৬ লাখ কোটি খরচে দেশে ৭ হাইস্পিড রেল করিডর, তালিকায় বাংলাও

    আশা করা হচ্ছে, এমএএএইচএসআর ছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকার যে 4 হাজার কিলোমিটার বিস্তৃত সাতটি নতুন বুলেট ট্রেন করিডোর ঘোষণা করেছে সেখানে প্রায় 16 লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হতে পারে। এই প্রস্তাবিত করিডোর গুলির মধ্যে রয়েছে মুম্বই থেকে পুনে, পুনে-হায়দরাবাদ, হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ-চেন্নাই, চেন্নাই-বেঙ্গালুরু, দিল্লি-বারাণসী এমনকি বারাণসী-শিলিগুড়িও।

  • সেমিতে তৈরি হবে ইতিহাস, কপিল-হরভজনদের রেকর্ডে ভাগ বসাতে চলেছেন বুমরাহ

    সেমিতে তৈরি হবে ইতিহাস, কপিল-হরভজনদের রেকর্ডে ভাগ বসাতে চলেছেন বুমরাহ

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সুপার এইটে পরপর দুই ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালের টিকিট হাতে পেয়েছে ভারত। সেই মতোই, আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার, মুম্বইয়ে শক্তিশালী ইংল্যান্ড দলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে টিম ইন্ডিয়া। এই ম্যাচ জিততে পারলেই চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মহামঞ্চে নিজেদের আসন পাকা করে নেবে মেন ইন ব্লু। তবে তার আগে ইতিহাস গড়ার সুযোগ রয়েছে ভারতীয় দলের বোলিং বিভাগের স্তম্ভ জসপ্রীত বুমরাহর (Jasprit Bumrah) হাতে। হিসেব বলছে, বুমরাহ এই ম্যাচে একটি উইকেট তুলতে পারলেই কপিল দেব, হরভজন সিংহের রেকর্ডে ভাগ বসাবেন।

    ইতিহাস তৈরির পথে জসপ্রীত বুমরাহ

    চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন জসপ্রীত। শেষ ম্যাচেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতকে দুই উইকেট তুলে দিয়েছিলেন তিনি। ভক্তদের আশা, সেমিফাইনালে বড় কিছু ঘটাবেন বুমরাহ। আর সেটা হলেই ইতিহাসের পাতায় নতুন করে নিজের নাম তুলবেন ভারতের এই তারকা ক্রিকেটার। বলাই বাহুল্য, এই মুহূর্তে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে বুমরাহর মোট উইকেট সংখ্যা 499।

    টেস্ট ক্রিকেটে 52টি ম্যাচে অংশ নিয়ে 99 ইনিংসে 234টি উইকেট ভেঙেছেন তিনি। ওয়ানডেতে ভেঙেছেন 149টি এবং টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে 93 ম্যাচে অংশ নিয়ে 116টি উইকেট তুলেছেন জসপ্রীত। কাজেই সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর মাত্র একটি উইকেট তুলতে পারলেই নিজের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কেরিয়ারে 500 উইকেট সম্পূর্ণ করবেন বুমরাহ। আর এটা করতে পারলেই ভারতীয় তারকা ভাগ বসাবেন 7 ক্রিকেটার তালিকায়।

    অবশ্যই পড়ুন: নির্বাচিত হলেন মুস্তাফিজুর রহমান, বড় সিদ্ধান্ত IPL মালিকদের!

    কম-বেশি সকলেই জানেন, ভারতীয়দের মধ্যে মাত্র 7 জন ক্রিকেটারই রয়েছেন যাঁরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আজ পর্যন্ত 500 উইকেট সম্পূর্ণ করেছেন। সেই তালিকায় প্রথমেই নাম রয়েছে 956 উইকেট নেওয়া অনিল কুম্বলের। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন (765 উইকেট), 3 নম্বরে হরভজন সিং (717 উইকেট), চার নম্বরে কপিল দেব (687 উইকেট), 5 নম্বরে রবীন্দ্র জাদেজা (634 উইকেট), 6 নম্বরে জাহির খান (610 উইকেট) এবং সবশেষে 7 নম্বরে জাভাগাল শ্রীনাথ। তাঁর উইকেট সংখ্যা 551। কাজেই বুমরাহ যদি ইংল্যান্ডের ঘাম ছুটিয়ে অন্তত একটি উইকেট তুলতে পারেন তবে তিনি ভারতের 8 নম্বর ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে 500 উইকেট পূরণ করবেন।

  • ইরানে আটকে থাকা পড়ুয়াদের নিরাপদে সরাল ভারত, ফিরতে চায় না কিছুজন

    ইরানে আটকে থাকা পড়ুয়াদের নিরাপদে সরাল ভারত, ফিরতে চায় না কিছুজন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বর্তমানে ইরান এবং ইজরায়েলের যুদ্ধে (Iran-Israel War) উত্তপ্ত গোটা মধ্যপ্রাচ্য। তবে এই পরিস্থিতিতে বহু ভারতীয় ইরানের মাটিতে আটকে রয়েছেন। আর তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করছে আন্তর্জাতিক মহল থেকে শুরু করে ভারতীয়রা। এমনকি এক রিপোর্ট বলছে, প্রায় ৯০০০ ভারতীয় বর্তমানে ইরানে আটকে। যাদের মধ্যে অধিকাংশ পড়ুয়া। আর এই পরিস্থিতিতে বিরাট স্বস্তির খবর জানালো ইরানের ভারতীয় দূতাবাস। হ্যাঁ, দূতাবাস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আটকে থাকা বেশিরভাগ পড়ুয়াকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে উদ্বেগও প্রকাশ করছে ওয়াকিবহাল মহল। কারণ, বেশ কিছু পড়ুয়া নিজেদের স্থান ছাড়তে চায়নি।

    ভারতীয়দের নিরাপদ স্থানের সরিয়ে ফেলেছে ইরান

    গতকাল ইরানের ভারতীয় দূতাবাসের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যে সমস্ত ভারতীয়রা তেহরানে আটকে ছিল, তাদের বেশিরভাগকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রাখা হয়েছে। তেহরানে প্রতিনিয়ত হামলার কারণেই তাদেরকে সরানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। আর যারা সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েছে, তাদেরকেই নিরাপদ নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এমনকি তাদের জন্য থাকা খাওয়ার বন্দোবস্ত করেছে ভারতীয় দূতাবাস।

    তবে এক্ষেত্রে রয়েছে বিভ্রান্তি। কারণ, বেশ কিছু পড়ুয়া সরকারের দেওয়া নিরাপদ আশ্রয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে। কারণ, তারা নিজেদের বাসস্থান ছাড়তে চায়নি। হ্যাঁ, তারা এখনো পর্যন্ত তেহরানেই আটকে রয়েছে। যদিও সেই সংখ্যা সীমিত। তবে তাদের আগের মতো নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আর ইরানে আটকে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে গত রবিবার নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, যে যেখানে আছেন সেখানেই থাকুন। যতটা সম্ভব বাড়িতেই থাকুন। বাইরে বেরোনোর চেষ্টা করবেন না। আর জানালার ধারে থাকবেন না। এমনকি একাধিক হেল্পলাইন নম্বরও দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: খামেনির মৃত্যুর ৪ দিন পরও নীরব মোদি, নিন্দা করেনি ভারত! নেপথ্যে কী কারণ?

    বলে রাকি, শুধুমাত্র ইরান নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে প্রচুর ভারতীয়রা আটকে রয়েছে। যেমন সৌদি আরব, দুবাই, বাহরাইন ইত্যাদি। আর তাদেরকেও দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে ভারত সরকার। এমনকি ইতিমধ্যে দুবাই বিমানবন্দরে তিনটি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাতে আটকে থাকা সমস্ত ভারতীয়দের দেশে ফেরানো হবে বলেই জানানো হয়েছে।

  • ৪০০০ কিমি লাইন, ১৬ লাখ কোটি খরচে দেশে ৭ হাইস্পিড রেল করিডর, তালিকায় বাংলাও

    ৪০০০ কিমি লাইন, ১৬ লাখ কোটি খরচে দেশে ৭ হাইস্পিড রেল করিডর, তালিকায় বাংলাও

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের রেলের নকশা একপ্রকার অনেকটাই বদলে যাবে। গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়ে ৭টি হাইস্পিড রেল করিডরের (High-Speed Rail Corridor) ঘোষণা করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ইতিমধ্যে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন যে যদি দ্রুত কাজ শুরু হয় তাহলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে এই ৭টি রেল করিডরের কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। আগামী ২০৪০ সাল অবধি কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট ৪০০০ কিমি রেলপথ তৈরি করা হবে নতুন।

    ৭টি হাইস্পিড রেল করিডর নিয়ে বিরাট তথ্য

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৭টি নতুন বুলেট ট্রেন করিডর, হাইস্পিড করিডর, যাত্রী করিডর অনুমোদন করেছেন। এগুলি প্রায় ৪,০০০ কিলোমিটার অবধি বিস্তৃত হবে। যেখানে বিনিয়োগ প্রায় ১৬ লাখ কোটি টাকা হবে। এটি একটি অত্যন্ত বড় বিনিয়োগ এবং আমাদের এটি পরবর্তী ১০ বছরে সম্পন্ন করতে হবে। যার অর্থ কাজ শুরু হলে, আমাদের প্রতি বছরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার কমিশন করতে হবে, যা প্রতি বছরে সমগ্র মুম্বাই আহমদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্প কমিশনের সমান।’

    রেলমন্ত্রী আরও জানান, ‘আসন্ন বছরে আমাদের প্রতি স্তর ধরে ধরে কাজ করতে হবে এবং আমরা এগিয়ে গেলে, আরও ৩,০০০ উচ্চ-গতির করিডর অনুমোদনও দেব, যার অর্থ ২০৩৯ বা ২০৪০ সালের মধ্যে আমাদের প্রায় ৭,০০০ কিলোমিটার থাকবে এবং তারপর আমাদের ১৫,০০০ এবং তারপর ২১,০০০ কিলোমিটার উচ্চ-গতির রেল নেটওয়ার্কের দিকে এগোতে হবে।’

    আরও পড়ুনঃ ৮ মার্চ অবধি বহু ট্রেন বাতিল করল দক্ষিণ পূর্ব রেল, যাত্রার আগে দেখুন তালিকা

    কোন কোন রুটে কাজ হবে?

    ভারত ইতিমধ্যেই মুম্বাই – আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পে কাজ করছে। এখন, নতুন করিডোর এবং বন্দে ভারত স্লিপার এবং অমৃত ভারত ট্রেনের মাধ্যমে, রেলওয়ে যাত্রী পরিষেবাগুলিকে সম্পূর্ণরূপে রূপান্তর করতে চায়। ইতিমধ্যে যে যে ৭টি রুটে হাইস্পিড রেল প্রকল্পের কাজ করা হবে সেই জায়গাগুলির নাম সামনে এসেছে।

    • ১) মুম্বাই – পুনে
    • ২) পুনে-হায়দরাবাদ
    • ৩) হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু
    • ৪) হায়দরাবাদ-চেন্নাই
    • ৫) চেন্নাই-বেঙ্গালুরু
    • ৬) দিল্লি-বারাণসী
    • ৭) বারাণসী-শিলিগুড়ি

    এখানে একটি তথ্য জানিয়ে রাখি, বুলেট ট্রেন এবং হাইস্পিড রেল করিডরের মধ্যে কিন্তু আকাশ পাতাল তফাৎ রয়েছে। যেমন বুলেট ট্রেন হচ্ছে ৩০০ কিমি/ঘন্টায় চলবে। এই কাজ চলছে যেমন মুম্বাই – আহমেদাবাদ রুটে। অপরদিকে উচ্চ-গতির রেল বা হাইস্পিড রেল করিডরের মানে হচ্ছে ট্রেনের গতি ২২০ – ২৫০ কিমি/ঘন্টা হবে।

  • খামেনির মৃত্যুর ৪ দিন পরও নীরব মোদি, নিন্দা করেনি ভারত! নেপথ্যে কী কারণ?

    খামেনির মৃত্যুর ৪ দিন পরও নীরব মোদি, নিন্দা করেনি ভারত! নেপথ্যে কী কারণ?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ভয়ংকর যুদ্ধ যেন কিছুতেই থামতে চাইছে না। গতকালও নতুন করে হামলার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে গত শনিবার, মার্কিন-ইজরায়েল যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি-র (Ayatollah Ali Khamenei Death) মৃত্যু হয়েছিল। যা নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছিল, ভারতেও সেই ঘটনার ছায়া পড়েছে। বিরোধীরা সরকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতির দাবি করে চলেছে। কিন্তু এদিকে খামেনির মৃত্যুর ৪ দিন কেটে গেলেও এখনও নীরব মোদি সরকার। দেওয়া হয়নি কোনো বিবৃতি।

    খামেনির মৃত্যু নিয়ে নীরব মোদি

    গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন যে, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। এমনকি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে যৌথ সংবাদিক বৈঠকেও তিনি জানিয়েছেন, “ভারত শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে। ভারত সর্বদা এই ধরনের বিরোধের সমাধান খুঁজে বের করার জন্য সংলাপ এবং কূটনীতির আহ্বান জানিয়েছে।” অর্থাৎ মধ্য এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে সংযম এবং উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু একবারের জন্যও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি-র মৃত্যু নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। আর তাতেই অবাক সকলে। আসলে নয়াদিল্লি আগ বাড়িয়ে দুনিয়ার বৃহৎ শক্তিকে চটাতে চাইছে না বলেই মনে করছেন কূটনীতিবিদরা।

    চুপ উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলিও

    ইরান ইজরায়েলের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে এই মুহূর্তে লক্ষ লক্ষ ভারতীয় আটকে রয়েছে, তাই তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে এখন বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছে ভারত সরকার। ইতিমধ্যেই এই বিষয়টি নিয়ে উপকূলীয় দেশগুলির রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। কারণ ইরান যে ভাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের জনবহুল এলাকাগুলিতেও হামলা চালাচ্ছে, তাতে সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়দেরও জীবন সংকটের মুখে পড়েছে। এদিকে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলিও বেশিরভাগই পশ্চিমী শক্তির পক্ষে, তাই আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি-র মৃত্যু নিয়ে নীরব আছে। জাপান এবং জার্মানি স্থিতিশীলতা এবং উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, কিন্তু কোনও শোক বিবৃতি দেয়নি।

    আরও পড়ুন: নির্বাচিত হলেন মুস্তাফিজুর রহমান, বড় সিদ্ধান্ত IPL মালিকদের!

    কেন্দ্রের তরফে কিছু না জানানো হলেও মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের আবহে ভারত একটি পক্ষকে যে সমর্থন করে সেই নিয়ে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনও লিখেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি। যা নিয়ে দেশে বেশ শোরগোল পরে গিয়েছিল। এদিকে খানিক পিছনের দিকে গেলে দেখা যাবে ভারতের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে অনভিপ্রেত মন্তব্য করেছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তিনি কখনও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ, কখনও CAA আবার কখনও দিল্লির হিংসা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল, যা কেন্দ্রীয় সরকারের বিপক্ষে ছিল, আর সকলের ধারণা সেই কারণের জন্যই খামেনি-র মৃত্যু নিয়ে নীরব নরেন্দ্র মোদি। যদিও সবটাই অনুমান, এখনও এই নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে।

  • হান্ড্রেড লিগের নিলামে নির্বাচিত হলেন মুস্তাফিজুর রহমান, বড় সিদ্ধান্ত IPL মালিকদের!

    হান্ড্রেড লিগের নিলামে নির্বাচিত হলেন মুস্তাফিজুর রহমান, বড় সিদ্ধান্ত IPL মালিকদের!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ থেকে বাদ পড়েছিলেন তিনি। এবার সেই মুস্তাফিজুর রহমান (Mustafizur Rahman) প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেট লিগ দ্য হান্ড্রেডের নিলামে অংশ নিতে চলেছেন। জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের মোট 23 জন ক্রিকেটার এই নিলামে নাম লিখিয়েছিলেন। তবে চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা পেয়েছেন মাত্র দুজন। আর সেই দুজনের মধ্যেই একজন মুস্তাফিজুর হলে অন্যজন ওপার বাংলার লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। এবছর ইংল্যান্ডের এই ক্রিকেট লিগে রয়েছে IPL মালিকদের দলও। রিপোর্ট অনুযায়ী, তাদের অনুমোদনের পরই হান্ড্রেড লিগ নিলামের চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা দেওয়া হয় মুস্তাফিজকে।

    নাম লিখিয়েছিলেন 1000 ক্রিকেটার

    আপাতত যা খবর, আগামী 11 এবং 12 মার্চ লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে হান্ড্রেড লিগের মেগা নিলাম। সেই নিলামে অংশ নিতে কম করে 1000 জন ক্রিকেটার নাম লিখিয়েছিলেন। তবে চূড়ান্ত পর্বে ঝারাই বাছাই করে শেষ পর্যন্ত 425 জনের নাম রাখা হয়েছে। এই তালিকায় পুরুষ ক্রিকেটার রয়েছেন 247 জন এবং মহিলা ক্রিকেটার রয়েছেন 178 জন। জানা যায়, প্রত্যেকটি ফ্রাঞ্চাইজি 75 থেকে 100 জন ক্রিকেটারের তালিকা পাঠিয়েছিল। পরবর্তীকালে সেই তালিকা খতিয়ে চূড়ান্ত তালিকা বের করা হয়।

    বলাই বাহুল্য, বাংলাদেশের 21 জন ক্রিকেটার বাদ পড়ার পাশাপাশি ইংল্যান্ডের এই লিগে জায়গা পাননি পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। যদিও পাকিস্তানের 16 ক্রিকেটার জায়গা পেয়েছেন ইংল্যান্ডের এই গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট লিগে। সেই তালিকায় 14 জন পুরুষ ক্রিকেটার এবং বাকি দুজন মহিলা।

    অবশ্যই পড়ুন: DA মামলায় জোড়া চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    মুস্তাফিজের বেস প্রাইস কত?

    ইংল্যান্ডের দ্য হান্ড্রেড লিগ সংক্রান্ত কয়েকটি ওয়েবসাইট অনুযায়ী, বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান হান্ড্রেড লিগে বেস প্রাইস বা ভিত্তিমূল্য পেয়েছেন 1 লাখ পাউন্ড। এটাই ওই লিগের সর্বোচ্চ ক্যাটাগরি। অন্যদিকে বাংলাদেশের আরেক প্লেয়ার রিশাদের ভিত্তিমূল্য বা বেস প্রাইস 75 হাজার পাউন্ড। বাংলাদেশিদের মধ্যে এই মূল্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

  • DA মামলায় জোড়া চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    DA মামলায় জোড়া চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ডিএ (Dearness allowance) বা বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে সরকারের চাপ বাড়িয়েই চলেছেন কর্মীরা। কখনও মলয় মুখোপাধ্যায়রা তো আবার ভাস্কর ঘোষের নেতৃত্বাধীন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, ভোটের আগে DA প্রদান নিয়ে চাপ সৃষ্টি করছেন। এবারেও যার ব্যতিক্রম ঘটল না। মলয় মুখোপাধ্যায়ের পর এবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হল। আসন্ন বিধানসভা ভোটের মুখে সরকারের বিরুদ্ধে এহেন পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ সহকারে দেখা হচ্ছে।

    ডিএ মামলায় সরকারের বিরুদ্ধে ফের আদালত অবমাননার মামলা

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নির্দেশ দেয় সরকারি কর্মীদের বকেয়া ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে ৩১ মার্চ, ২০২৬-এর মধ্যে। বাকি টাকা কিস্তিতে দিতে হবে। এদিকে সুপ্রিম নির্দেশ পাওয়ার পরেও সরকারের তরফে কোনও হেলদোল না থাকায় সরকারি কর্মীদের ক্ষোভ আরও দ্বিগুণ হয়েছে। রাস্তায় নেমে নতুন করে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন সকলে। তবে এরই মাঝে ভাস্কর ঘোষ জানালেন, সরকারের বিরুদ্ধে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় থাকা ডিএ মামলা নিয়ে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এই মামলার শুনানি কবে হবে সেই নিয়ে এখনও অবধি জানা যায়নি।

    নজরে ১৩ মার্চ

    এদিকে ভোটের মুখে বকেয়া ডিএ সহ আরও নানা দাবিতে আগামী ১৩ মার্চ শুক্রবার রাস্তায় নামতে চলেছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। ধর্মঘট সফল করতে ইতিমধ্যে জায়গায় জায়গায় পোস্টার এবং ফ্লেক্স লাগানোর কাজ চলছে। এই প্রসঙ্গে বড় তথ্য দিয়েছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ডুয়ার্স কন্যার সামনে ধর্মঘটের স্বপক্ষে ব্যানার লাগানো হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ATM-এ টাকা তোলা থেকে ডেবিট কার্ড, ১ এপ্রিল বদলাচ্ছে HDFC ব্যাঙ্কের একাধিক নিয়ম

    একগুচ্ছ দাবি নিয়ে ১৩ মার্চ নামতে চলেছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে অবিলম্বে বকেয়া ডিএ প্রদান করতে হবে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের, যোগ্য অনিয়মিত কর্মচারীদের নিয়মতিকরণ করতে হবে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে অবিলম্বে ছয় লাখ শূন্যপদে স্বচ্ছ ও স্থায়ী নিয়োগ করতে হবে। এছাড়াও সরকারি দফতর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিটেলমেন্ট এবং প্রতিহিংসামূলক বদলি বন্ধ করতে হবে। এখন দেখার সরকার ডিএ মামলায় কর্মচারীদের ক্ষোভ প্রশমনে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করে কিনা সে বিষয়ে।

  • পার্টি অফিসে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে যৌন নির্যাতন! জলপাইগুড়িতে ধৃত বিজেপি কর্মী

    পার্টি অফিসে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে যৌন নির্যাতন! জলপাইগুড়িতে ধৃত বিজেপি কর্মী

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্য জুড়ে বেজে গিয়েছে ভোটের দামামা, তাই এখন থেকেই সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ময়দানে নেমে পড়েছে শাসকদল থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদরা। আর এই অবস্থায় দোলের দিন জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) ঘটে গেল এক নক্কারজনক ঘটনা। জানা গিয়েছে, মানসিক ভারসাম্যহীন এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল। চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি এলাকা জুড়ে। শেষে বিজেপি কর্মীকে পাকড়াও করে পুলিশের হাতে তুলে দিল উত্তেজিত জনতা।

    মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে ধর্ষণ!

    জলপাইগুড়ির বিবেকানন্দ পল্লিতে বিজেপির পার্টি অফিস রয়েছে। রিপোর্ট মোতাবেক, গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার, দোলের দিন দুপুর প্রায় একটা নাগাদ পরে মানসিক ভারসাম্যহীন এক মহিলাকে সেই পার্টি অফিস নিয়ে আসে নিতাই রায় নামে এক স্থানীয় বিজেপি নেতা। আর সেখানেই ওই মহিলাকে নির্মমভাবে শারীরিক অত্যাচার করে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা সুকুমার রায় এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন, তিনি সঙ্গে সঙ্গে জলপাইগুড়ি কোতয়ালি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নামে এবং রাতেই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার করে। আজ, বুধবার তাকে জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে হাজির করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    অভিযোগ অস্বীকার বিজেপির

    ধর্ষণের অভিযোগ উঠতেই বিজেপির দাবি, অভিযুক্ত বিজেপির সঙ্গে যুক্ত নন। দলকে কালিমালিপ্ত করতে চক্রান্ত করে এই অভিযোগ করা হয়েছে। সম্পূর্ণটাই শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের পরিকল্পনা। এই প্রসঙ্গে বিজেপির জলপাইগুড়ির-সহ সভাপতি চন্দন বর্মন বলেন, “এটি সাজানো চক্রান্ত। বিজেপিকে বদনাম করার জন্যই একজন অসুস্থ মানুষ কে দিয়ে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে।” একই সঙ্গে অভিযুক্ত দলের কেউ নন বলে দাবি করেন তিনি। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কোতায়ালি থানার পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর পেছনে অন্য কোনো পারিপার্শ্বিক তথ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: গুজরাতের বোমা হুমকি ই-মেল কাণ্ডে গ্রেফতার বাংলার যুবক, তদন্তে নামল পুলিশ

    বিবেকানন্দ পল্লীর বাসিন্দাদের দাবি, ধৃত ব্যক্তি এলাকায় বিজেপির একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। ওই দলীয় কার্যালয়েই সে নিয়মিত রাত কাটাত। তাঁরা এই ঘটনায় দোষীর কঠোরতম শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে এলাকায় মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, নির্যাতিতার ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আইনের নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।