Blog

  • ২ লাখ দিয়েও মেলেনি পদ, পার্টি অফিসে TMC নেতাকে পেটালেন দলীয় কর্মী! ভাইরাল ভিডিও

    ২ লাখ দিয়েও মেলেনি পদ, পার্টি অফিসে TMC নেতাকে পেটালেন দলীয় কর্মী! ভাইরাল ভিডিও

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই রাজ্যে একের পর এক রাজনৈতিক বিতর্ক বেড়েই চলেছে। হাতে যেহেতু সময় খুব কম তাই এখন থেকেই শুরু হয়েছে ভোট প্রচার, উন্নয়নের পাঁচালি নিয়ে দরজায় দরজায় যাচ্ছেন নেতা মন্ত্রীরা। অন্যদিকে বিজেপিও নেমেছে প্রচার দলে। এমতাবস্থায় রাজ্যে ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে (Khejuri)।

    খেজুরিতে প্রকাশ্যে এল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছেড়েছেন বিজেপি নেতা দেবজিত সরকার, যেখানে দেখা যাচ্ছে পদ পাইয়ে দেওয়ার নামে ২ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছিল পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। কিন্তু পরে দলীয় পদ না পাওয়ায় চরম উত্তেজিত হয়ে পরেন তৃণমূল কর্মী। কার্যালয়ে এসে রীতিমত দুই নেতার মধ্যে মারধর শুরু হয়ে যায়। টাকা ফেরতের দাবিও ওঠে, তুমুল বচসা আটকাতে আসে পাশের কর্মীরা এগিয়ে এলেও কোনও লাভ হয় না। এলোপাথাড়ি চড়-কিল-ঘুসি চলতেই থাকে। আর সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই একাধিক কটাক্ষ করে নেটিজেনরা।

    অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব

    জানা গিয়েছে, ভিডিওতে খেজুরির যে দুই নেতা হাতাহাতি এবং মারামারি করছে, তাঁরা হলেন শংকর দুলাল পাত্র এবং নন্দন দাস। যদিও ওই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি India Hood Bangla। যদিও এই ভিডিও ঘিরে জোর শোরগোল শুরু হয়েছে খেজুরিতে। যা নিয়ে দলের নেতারা মুখে কুলুপও এঁটেছেন। তবে ভোটের মুখে নিজেদের মধ্যে মারামারি এবং কোন্দল ঘিরে খেজুরিতে দলের অনৈক্যের ছবি প্রকাশ্যে এসে পড়ায় বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিকে তৃণমূলের এই কাণ্ডকারখানায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি, তাঁদের দাবি কাটমানির লোভ নিজেদের দলের লোককেও ছাড়ল না।

    আরও পড়ুন: হোলির দিন মধ্যমগ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, সিলিন্ডার ফেটে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    প্রসঙ্গত, গত রবিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার তালডাংরায় বিজেপির শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচির উপর হামলা চালিয়ে বিজেপি কর্মীদের মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এলাকা জুড়ে। তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনেছে। শেষে এই ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে বাঁকুড়ায় পুলিশ সুপারের দফতর ঘেরাও করে প্রবল বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন বিজেপির বাঁকুড়ার বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানা সহ বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা।

  • মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ যুদ্ধের মাঝে গোপনে মারণ ড্রোন ‘শেষনাগ 150’ তৈরি করছে ভারত!

    মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ যুদ্ধের মাঝে গোপনে মারণ ড্রোন ‘শেষনাগ 150’ তৈরি করছে ভারত!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: যুদ্ধ যুদ্ধ খেলায় মেতে উঠেছে কার্যত গোটা বিশ্ব। আমেরিকা, ইজরায়েল এবং ইরানের সংঘাত যে পর্যায়ে পৌঁছেছে তাতে স্বার্থ রক্ষার্থে এই ভয়াবহ সংঘাতে নেমে পড়তে পারে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিও। ঠিক এমন আশঙ্কার মধ্যেই প্রতিরক্ষা খাতে বিশেষ নজর দিয়েছে ভারত। ভবিষ্যতে আধুনিক যুদ্ধে যাতে সেনাবাহিনীকে দ্বিতীয় চিন্তা করতে না হয় সেজন্যই গোপনে বিশেষ ড্রোন সিস্টেম (Sheshnag 150) তৈরি করছে নয়া দিল্লি। যা চোখের পলকে শত্রুকে পুড়িয়ে খাক করবে। হ্যাঁ, আকাশে ভারতের রক্ষাকবচ হবে এমন উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন মারণ ড্রোন সিস্টেম শেষনাগ 150 তৈরিতে কোমর বেঁধেছে ভারতীয় বিজ্ঞানীরা।

    শেষনাগ 150 এর ক্ষমতা সম্পর্কে জানুন

    মধ্যপ্রাচ্যের চরম অস্থিরতার মধ্যে নিজের আখের গোছাতে একটুও ভুল করছে না ভারত। ভারতীয় বিজ্ঞানীরা গোপনে যে শেষনাগ 150 নামক নতুন ড্রোন সিস্টেম তৈরি করছেন সেটি ভারতের আকাশে উড়ে শত্রুর গতিবিধির উপর নজরদারি চালাতে সক্ষম। বলাই বাহুল্য, পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী বহু পুরনো শক্তিশালী সাপ শেষনাগের বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি হচ্ছে এই বিশেষ ড্রোন সিস্টেমটি। তাই এর নামকরণও করা হয়েছে সেই শক্তিশালী সাপটির নামে। এক কথায়, শেষনাগের মতোই অপরাজেয় শক্তির প্রতীক হবে এই ড্রোন সিস্টেম।

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের দাবি, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে যেসব যুদ্ধ হয়েছে তাতে বড় ভূমিকা ছিল ড্রোনের। শুধুমাত্র নজরদারি নয় বরং সরাসরি শত্রুর ঘাঁটিতে হামলা চালাতে সিদ্ধ অস্ত্র এই খুদে দস্যু। গত মে মাসে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন তার প্রমাণ পেয়েছে ভারতও। তাছাড়াও ভবিষ্যতের আধুনিক যুদ্ধে ড্রোনের যে বিকল্প হবে না সে কথা ভাল ভাবেই বুঝেছে নয়া দিল্লি। তাই বর্তমান যুদ্ধ আবহে জোর কলমে চলছে শেষনাগের প্রস্তুতি।

     

    অবশ্যই পড়ুন: সেমিতে তৈরি হবে ইতিহাস, কপিল-হরভজনদের রেকর্ডে ভাগ বসাতে চলেছেন বুমরাহ

    না বললেই নয়, ভারতের হাতে তৈরি হতে যাওয়া নতুন শেষনাগ 150 ড্রোন সিস্টেমের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য এটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন সেন্সর যুক্ত এবং এর সহনশীলতা। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই ড্রোন যেমন শত্রুদের উপর নজরদারি চালানোর পাশাপাশি সেই তথ্য সেনাবাহিনীকে পাঠাতে পারবে তেমনই একসাথে 150 কেজি ওজন বহন করে শত্রুর ডেরায় হামলা চালাতে পারবে। সবচেয়ে বড় কথা, এই ড্রোন অধিক উচ্চতায় উড়তে পারার কারণে এটিকে বিভিন্ন দুর্গম অঞ্চল অর্থাৎ লাদাখ বা অরুনাচলের পাহাড়ি বা পার্বত্য এলাকায় কাজে লাগানো যেতে পারে।

    কমবেশি প্রায় সকলেই জানে, এই মুহূর্তে ইরান নিজেদের শক্তিশালী ড্রোন সিস্টেম ব্যবহার করে ইজরায়েল সহ আরব দেশগুলিতে থাকা আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিগুলিতে জোরালো হামলা চালাচ্ছে। ফলে, সময়ের সাথে সাথে ড্রোন সিস্টেমের গুরুত্ব বাড়ছে লাফিয়ে। সেই সবটা বুঝেই আধুনিক যুদ্ধের জন্য নিজেদের পুরোপুরি তৈরি রাখতে চাইছে ভারতও। ভবিষ্যতে যাতে শত্রুর সামনে দুর্বল হয়ে না পড়তে হয়, সেজন্যেই আগে থেকে নিজেদের অস্ত্রাগারে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ভয়ানক সব ড্রোন সিস্টেম মোতায়েন করতে চায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

  • পদত্যাগ করতে পারেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার! JDU-র সাথে জোট ভাঙবে BJP?

    পদত্যাগ করতে পারেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার! JDU-র সাথে জোট ভাঙবে BJP?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বিহারের রাজনীতি নিয়ে এবার নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত। খুব শীঘ্রই পদত্যাগ করে রাজ্যসভায় যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার (Nitish Kumar)। এমনটাই চলছে জল্পনা। যদি সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়, তাহলে তাঁর ছেলে নিশান্ত কুমারকেই রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী করা হতে পারে এমনটাও সম্ভাবনা থাকছে। কিন্তু এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। কিন্তু জেডিইউ-র অন্দরে এ নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে বলেই খবর।

    রাজ্যসভা নাকি উপমুখ্যমন্ত্রী?

    বলে রাখি, এর আগে শোনা গিয়েছিল, নিশান্ত কুমারকে সরাসরি রাজ্যসভায় পাঠানো হতে পারে। কিন্তু জনতা দল ইউনাইটেডের তরফ থেকে তাঁর মনোনয়ন সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও নথি এখনও পর্যন্ত প্রস্তুত হয়নি বলেই খবর। এদিকে নীতিশ কুমার যদি মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়েন, সেক্ষেত্রে বিজেপি কি নিজেদের কোনও মুখকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রস্তাব করবে নাকি জেডিইউ-র সঙ্গেই জোট বেঁধে থাকবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্টতা নেই।

    ইন্ডিয়া টিভির একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেডিইউ-র বর্ষীয়ান নেতা তথা বিহার সরকারের মন্ত্রী শ্রবণ কুমার জানিয়েছিলেন যে, নিশান্ত কুমারের রাজনীতিতে প্রবেশ প্রায় নিশ্চিত। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের তরুণ প্রজন্ম নিশান্তকে সক্রিয় রাজনীতিতে চাইছে। আর খুব শীঘ্রই দল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পর জল্পনা যে আরও বেড়েছে তাও বলার অপেক্ষা রাখে না।

    আরও পড়ুন: এক ডলার ৯২ টাকারও বেশি! মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জেরে রেকর্ড পতন ভারতীয় মুদ্রায়

    এনডিএ জোটের শক্তিশালী অবস্থান

    বলে রাখি, বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট অর্থাৎ এনডিএ এবার দাপুটে জয় পেয়েছিল। কার্যত দিশেহারা হয়ে গিয়েছিল তেজস্বী যাদবের দল সহ ইন্ডিয়া জোট। প্রচারে নীতিশ কুমারকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সামনে রাখা হয়। আর সেই কৌশল সফল হয়। এনডিএ জোটের প্রধান দল ভারতীয় জনতা পার্টি এককভাবে ৮৯টি আসন জিতে রাজ্যের বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসে। আর তাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জনতা দল ইউনাইটেড পেয়েছিল ৮৫টি আসন। এমনকি জোটের অন্যান্য দল লোক জনশক্তি পার্টি পেয়েছিল ১৯টি আসন, হিন্দুস্তানি আওয়ামী মোর্চা পেয়েছিল ৫টি আসন এবং রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা পেয়েছিল ৪টি আসন। তাই এনডিএ জোটের ভিত যে মজবুত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে নীতিশ কুমারের পদত্যাগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। সবটাই সময়ের উপর নির্ভর করবে।

  • দোলে ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ, বাজেয়াপ্ত ২৫ লিটার মদ

    দোলে ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ, বাজেয়াপ্ত ২৫ লিটার মদ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: প্রতি বছর দোলের দিন শহর জুড়ে একের পর এক নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে থাকে। এবারে যাতে সেই পরিস্থিতি তৈরি না হয় তাই আগেভাগেই সার্বিক নিরাপত্তার জন‍্য গুরুত্ব অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় ৩৯৮টি পুলিশ পিকেটের ব্যবস্থা করেছিল রাজ্য পুলিশ। খান্না মোড়, পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট, শ‍্যামবাজার-সহ ৮৬ টি জায়গায় বিশেষ পিকেট ছিল মঙ্গলবার। এছাড়াও নজরদারির জন‍্য মোটর বাইক এবং পিসিআর ভ‍্যানে ছিলেন পুলিশকর্মী ও আধিকারিকেরা। আর রাত পোহাতেই এবার গতকালের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসল। কলকাতায় (Kolkata) গ্রেফতারির সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩০।

    ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    লালবাজারের তরফে জানানো হয়েছে, দোলের দিন মেয়েদের সঙ্গে অভব্য আচরণ এবং মত্ত অবস্থায় ঘোরাফেরা করায় এলাকায় ঝামেলার অভিযোগে সব মিলিয়ে ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ পিকেটিং থেকে শুরু করে টহলদারির জেরে, শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই গ্রেপ্তারির ঘটনা ঘটেছে। গ্রেফতারির পাশাপাশি প্রায় ২৫ লিটার মদও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ, শহরের ১০টি ডিভিশন জুড়েই এই অভিযোগ উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে আজ হোলিতেও সকাল থেকে কলকাতা পুলিশের তরফে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

    আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বড় পদক্ষেপ

    গত কয়েক বছরে দোলের দিনে বেপরোয়া ও মদ্যপ চালকদের কারণে একাধিক বড় দুর্ঘটনার নজির রয়েছে শহরে। তাই জারি করা হচ্ছে একগুচ্ছ নির্দেশিকা। মদ্যপ চালকদের কারণে একাধিক বড় দুর্ঘটনার নজির রয়েছে শহরে। আর তাতেই শহরের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন, তাই বিতর্ক ওঠার আগে ভাগেই রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্ছিদ্র রাখতে বড়সড় পদক্ষেপ করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি কঠোর নজরদারি ও তৎপরতার জেরে এ বার দোলের দিন শহরে বড় কোনও দুর্ঘটনার খবর মেলেনি।

    আরও পড়ুন: দুবাইয়ে আটকে অভিনেত্রী শুভশ্রী! ইউভানকে নিয়ে কবে ফিরবেন কলকাতায়?

    প্রসঙ্গত, দোলের দিন, গঙ্গার ঘাটগুলিতেও সমান সতর্কতা বজায় রেখেছে কলকাতা পুলিশ। বিচলিঘাট, দাইঘাট ও আউটরাম ঘাট এলাকায় জোয়ার-ভাঁটার সময় মাইকিং করে সতর্ক করা হয় সাধারণ মানুষকে। শহরের আটটি ঘাটে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণে পশ্চিম বন্দর থানা এলাকা থেকে হুগলির কোন্নগর পর্যন্ত চারটি স্পিডবোট নিয়ে টহল দেয় রিভার ট্রাফিক পুলিশ। ঘাট সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। তবে এসবের মাঝেও বেশ কয়েকটি জেলায় দুর্ঘটনার খবর উঠে এসেছে।

  • এক ডলার ৯২ টাকারও বেশি! মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জেরে রেকর্ড পতন ভারতীয় মুদ্রায়

    এক ডলার ৯২ টাকারও বেশি! মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জেরে রেকর্ড পতন ভারতীয় মুদ্রায়

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে বাজছে যুদ্ধের দামামা। ইরানের একের পর এক হামলায় দিশেহারা ইজরায়েল ও আমেরিকা। আর সেই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই প্রভাব পড়ল ভারতের মুদ্রা বাজারে। হ্যাঁ, বুধবার সকালে লেনদেন শুরু হতেই মার্কিন ডলারের বিপরীতে ৭০ পয়সা বেড়ে ৯২.১৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে ভারতীয় মুদ্রা (Indian Rupee)। আর বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে এতটা দুর্বল অবস্থা ভারতীয় মুদ্রাকে কখনো দেখা যায়নি। প্রসঙ্গত, সোমবার এক ডলারের দাম ছিল  ৯১.৪৯ টাকা। মাত্র দু’দিনের ব্যবধানেই এতটা উত্থান পতন।

    বাড়ছে ডলারের চাহিদা

    ইরানকে ঘিরে ইজরাইল এবং আমেরিকার সঙ্গে সংঘাত এখন চরম উচ্চতায় পৌঁছেছে। পরিস্থিতি জেরে আপাতত সেরকম কোনও তৈলবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পারাপার করতে পারছে না। যার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে এবং দামও অনেকটাই ঊর্ধ্বমুখী। আর ভারত তার মোট আমদানিকৃত তেলের সবথেকে বড় অংশই ইরান, সৌদি আরব এবং কুয়েতের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে আনে। যার ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়লে ভারতের আমদানি ব্যয় অনেকটাই বেড়ে যায়। আর তেলের দাম বাড়লে বেশি পরিমাণে ডলার খরচ করতে হয়। এতে স্বাভাবিকভাবেই ডলারের চাহিদা বাড়ছে আর টাকার উপর চাপ পড়ছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই কারণে টাকার মূল্য দিনের পর দিন তলানিতে ঠেকছে।

    অন্যদিকে বাণিজ্যিক সমঝোতার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে ভারতের। সেই কারণে রাশিয়া থেকে তুলনামূলকভাবে তেল কেনা কমিয়েছে ভারত। এমনটাই বাজার মহল ধারণা করছে। আর এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের উপর নির্ভরতা অনেকটা বেড়েছে। এমনকি বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে আরও চাপে ফেলতে পারে ভারতের অর্থনীতিকে, এমনটাই মত প্রকাশ করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: হোলির দিন মধ্যমগ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, সিলিন্ডার ফেটে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    তবে শুধু তেলের দাম নয়, বরং মুদ্রা বাজারের অস্থিরতার প্রভাব পড়ছে ভারতের শেয়ার বাজারেও। মুম্বাইয়ের দালাল স্টিকে দেখা গিয়েছিল বড়সড় পতন। BSE Sensex এক ধাক্কায় প্রায় ১৫০০ পয়েন্ট হারিয়ে ৮০ হাজারের নিচে নেমে আসে। এমনকি NIFTY 50 ৪০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। বিনিয়োগকারীদের মতে, শেয়ারবাজারেও দিনের পর দিন তৈরি হচ্ছে অনিশ্চয়তা এবং আতঙ্ক। আর বিশেষজ্ঞরা দাবি করছে, যদি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি সমাধান না হয়, তাহলে বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।

  • হোলির দিন মধ্যমগ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, সিলিন্ডার ফেটে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    হোলির দিন মধ্যমগ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, সিলিন্ডার ফেটে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: হোলির দুপুরে যখন সকলে আনন্দের উৎসবে মাতোয়ারা, তখন মধ্যমগ্রামে ঘটে গেল এক ভয়ংকর বিপদ (Fire Breaks Out In Madhyamgram)। রেল স্টেশনের কাছে সিলিন্ডার ফেটে ভয়াবহ আগুনে ভস্মীভূত একাধিক দোকান। প্রথমে একটি কাঠের গোলায় আগুন লাগে, তারপর একটি হোটেলে আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে এখনও অবধি এসেছে দমকলের চারটি ইঞ্জিন। সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে ট্রেন চলাচল এবং ফ্লাইওভারের ওপরেও গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

    সিলিন্ডার ব্লাস্ট মধ্যমগ্রামে

    রিপোর্ট মোতাবেক জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ বুধবার দুপুরে মধ্যমগ্রাম রেল স্টেশনের কাছেই আচমকা পরপর সিলিন্ডার ব্লাস্টের ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা, ভয়ে চিৎকার করতে করতে ছুটতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কালো ধোঁয়ায় ঢেকেছে গোটা স্টেশন চত্বর। সঙ্গে সঙ্গে দমকলকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় দমকলের চারটি ইঞ্জিন। এছাড়াও SDPO বারাসত, ডিএসপি ট্র্যাফিক-সহ পুলিশ আধিকারিকরাও এসেছেন ঘটনাস্থলে। সামনেই স্কুল থাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এখনও পর্যন্ত হতাহতের খবর মেলেনি কোনো।

    ক্ষতিগ্রত একাধিক দোকান

    ভরদুপুরে সিলিন্ডার ব্লাস্টের এই ঘটনার পর ছুটে আসেন আশেপাশের মানুষজন। অনেকেই জানান, একটি মিষ্টির দোকানে প্রথম আগুন লাগে। সেখান আগুন লাগার পর পর দোকানে ছড়াতে শুরু করে। মুহুর্তের মধ্যে আশেপাশে যত খাবারের দোকান আছে সবই আগুনের লেলিহান শিখায় পর পর সিলিন্ডার ফাটতে থাকে, দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে দোকানগুলি। প্রায় ৮-১০ টি দোকান ক্ষতির মুখে পড়েছেন কীভাবে এই সিলিন্ডার ব্লাস্ট হল কিছুই বোঝা যায়নি। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর তথা মধ্যমগ্রাম পুরসভার উপপ্রধান প্রকাশ রাহা।

    আরও পড়ুন: ফ্রিতে দেখা যাবে মোহনবাগানের ম্যাচ, বড় ঘোষণা গোয়েঙ্কার

    স্থানীয় কাউন্সিলর প্রকাশ রাহা বলেন, ‘এই দোকানগুলি কেন হলো, কী ভাবে হলো, তা নিয়ে বলতে গেলে আমাদের দিকেও প্রশ্ন উঠবে। এ নিয়ে আমার সন্দেহ নেই। তবে এখানে খাবারের দোকান থেকেই আগুন লেগেছে। সিলিন্ডার ফেটেছে। তাতেই এই ঘটনা। তবে সবটাই তদন্ত করা হচ্ছে।

  • ফ্রিতে দেখা যাবে মোহনবাগানের ম্যাচ, বড় ঘোষণা গোয়েঙ্কার

    ফ্রিতে দেখা যাবে মোহনবাগানের ম্যাচ, বড় ঘোষণা গোয়েঙ্কার

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ফেডারেশনের সিদ্ধান্তে আগামী 6 মার্চ ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে দর্শকশূন্য অবস্থায় খেলতে হতো মোহনবাগানকে (Mohun Bagan Super Giant)। যদিও সমর্থকদের কথা চিন্তা করে পরবর্তীতে কিছুটা নরম হয় ফেডারেশন। AIFF সিদ্ধান্ত নেয় দর্শকদের জন্য আংশিকভাবে খোলা থাকবে স্টেডিয়ামের দরজা। এরই মাঝে যুবভারতীতে নামার আগেই দর্শকদের জন্য বিনামূল্যে ওড়িশা এফসির ম্যাচের জোড়া টিকিট ঘোষণা করলেন মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এর চেয়ারম্যান সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। এক কথায়, একটি নয় সমর্থকরা একেবারে দুটি করে মোহনবাগান ম্যাচের টিকিট পাবেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

    সমর্থকদের প্রতিবাদেই সিদ্ধান্ত বদল ফেডারেশনের

    গত ম্যাচে চেন্নাইয়িন এফসিকে 2-0 গোলে হারানোর পর মহামেডানকে 5-1 ব্যবধানে গুঁড়িয়ে দেয় মোহনবাগান। সেই জয়ে আত্মবিশ্বাস সঞ্চয় করে এবার যুবভারতীতে ওড়িশার বিরুদ্ধে নামতে চলেছে বাগান। তবে সেই ম্যাচের আগে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন নির্দেশ দিয়েছিল এই ম্যাচ রুদ্ধদ্বার হবে। অর্থাৎ মোহনবাগানের ম্যাচে থাকবে না কোনও দর্শক। তবে পরবর্তীতে সমর্থকদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত পিছু হটতে বাধ্য হয় ফেডারেশন।

    অবশ্যই পড়ুন: “ইরানের সিংহাসনে যেই বসুক মরতে হবে!” বিরাট হুমকি ইজরায়েলের

    সমর্থকদের বিরাট উপহার মোহনবাগানের

    একপ্রকার ফেডারেশনকে চাপে ফেলতে মাস্টার স্ট্রোক হিসেবে মোহনবাগানের তরফে দর্শকদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দুটি করে টিকিটের কথা ঘোষণা করা হল। সদ্য সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল এ মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট জানিয়ে দিয়েছে, সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে আগামী 6 মার্চ ওড়িশার ম্যাচে দর্শকদের দুটি করে টিকিট সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। এদিন মোহনবাগানের তরফে দলের প্রত্যেক ক্ষেত্রে সমর্থকদের অবদান স্মরণ করেই স্পষ্ট বুঝিয়ে দেওয়া হয়, সমর্থকরা শহরের এই ঐতিহ্যবাহী দলের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

    উল্লেখ্য, হোমগ্রাউন্ড নিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তাদের সাথে বিনিয়োগকারী সংস্থার সমস্যা দেখা দিলে ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরেই ইস্টবেঙ্গল তাদের প্রত্যেক ম্যাচ যুবভারতী স্টেডিয়ামে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে খেলতে পারছে। একইভাবে মোহনবাগান এবং মহামেডানকেও যুবভারতীতে সম্পূর্ণ বিনামূল্য খেলার অনুমতি দিয়েছে সরকার।

  • ৯৬% কাজ শেষ নতুন চার লেনের ফারাক্কা ব্রিজের, কবে হবে উদ্বোধন?

    ৯৬% কাজ শেষ নতুন চার লেনের ফারাক্কা ব্রিজের, কবে হবে উদ্বোধন?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এবার সড়কপথে দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ যাওয়া আরও সহজ হতে চলেছে। কাজ একপ্রকার শেষের পর্যায়ে। আজ কথা হচ্ছে নতুন ফারাক্কা ব্রিজ (New Farakka Bridge) নিয়ে। শিলিগুড়ি এবং কলকাতার মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীরা শীঘ্রই স্বস্তি পাবেন। আসলে গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত ভারতের দীর্ঘতম নতুন ফারাক্কা সেতু শীঘ্রই নাকি উদ্বোধন হতে চলেছে। এই চার লেনের নতুন ব্রিজটি একবার উদ্বোধন হয়ে গেলে ভ্রমণের সময় কয়েক ঘন্টা কমে যাবে।

    কবে উদ্বোধন হবে নতুন ফারাক্কা ব্রিজের?

    এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গঙ্গা নদীর উপর এই নতুন সেতুর নির্মাণকাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যেই সমস্ত পিলার বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। যার ফলে শীঘ্রই যানবাহনগুলি এই চার লেনের সেতুটি ব্যবহার করতে পারবে। পুরাতন ফারাক্কা ব্যারেজের কাছে গঙ্গার উপর ৫.৪৬৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নতুন চার লেনের সেতুটি এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক, পর্যটন এবং সামাজিক দৃশ্যপটকে বদলে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। ৬২২.০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে এই ব্রিজটি এবং ৯৬% কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

    উপকৃত হবেন উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গের মানুষ

    সম্প্রতি মালদহের জাতীয় মহাসড়ক প্রকল্প পরিচালক অজয় গেটকার জানান যে এই সেতুটি উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের মানুষের জন্য একটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বপ্ন। উদ্বোধনের পর, এটি কেবল উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের জন্যই নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের বাসিন্দাদের জন্যও উপকারী হবে। এছাড়াও, কলকাতা এবং উত্তরবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।

    আরও পড়ুনঃ এক ধাক্কায় খরচ বাড়ল ৯০ হাজার কোটি, দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন নিয়ে দুঃসংবাদ!

    এর আগে যানবাহন চলাচলের জন্য ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নতুন ফারাক্কা সেতু উদ্বোধনের কথা ছিল। তবে তা পিছিয়ে যায়। যাইহোক, সেতুর উভয় দিকে মোট ৮৮টি পিলার এবং ৮৬টি স্প্যান স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও, সেতুর উভয় পাশে মোট ৩০০টি আলো লাগানোর কাজ শেষ হয়েছে। এই ব্রিজ নির্মাণের ফলে পর্যটন ব্যবসাও আরও উন্নত হবে। কুলিক পাখি অভয়ারণ্য, গৌর মালদা, আদিনা মসজিদ, সেইসাথে দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং এবং সিকিম রাজ্যের মতো পাহাড়ি ডেস্টিনেশনগুলিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের আগ্রহ বাড়বে এবং পর্যটন ব্যবসাও ফুলেফেঁপে উঠবে বলে খবর। যেহেতু ৯৬% কাজ শেষ হয়েছে, তাই ব্রিজের উদ্বোধনের আর খুব বেশি দেরি নেই বলে আশা করাই যায়।

  • “ইরানের সিংহাসনে যেই বসুক মরতে হবে!” বিরাট হুমকি ইজরায়েলের

    “ইরানের সিংহাসনে যেই বসুক মরতে হবে!” বিরাট হুমকি ইজরায়েলের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (Israel On Iran)। সুপ্রিম লিডারের মৃত্যুতে একেবারে ক্ষেপে গিয়েছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশের মরণ কামড় খেতে হচ্ছে আরব দেশগুলিকেও। এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আসনে কাকে বসানো হবে তা নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। এর আগে শোনা গিয়েছিল খামেনি ঘনিষ্ঠ আলিরেজা আরাফিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পদ দেওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলা হয়। এমতাবস্থায় শোনা যাচ্ছে, আর অন্য কেউ নয় বরং খামেনির পুত্র মোজতবাকেই বসানো হবে ইরানের সিংহাসনে। সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই বড়সড় হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইজারায়েল। সে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী একেবারে হুঙ্কার দিয়ে বলেছেন, “ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আসনে যাকেই বসানো হবে তাঁকেই মৃত্যুবরণ করতে হবে।”

    ইরানকে বিরাট হুশিয়ারি ইজরায়েলের

    86 বছর বয়সে মৃত্যু হয়েছে ইরানের সুপ্রিম লিডার খামেনির। সেই শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি ইরানবাসী। দেশের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে এক প্রকার জীবন বাজি রেখে লড়ছে দেশটির সেনাবাহিনী। ঠিক সেই আবহে শোনা যাচ্ছিল, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আসনে বসানো হতে পারে খামেনির পুত্র মোজতবাকে। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরই ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বুধবার একেবারে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেলেন, “ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বিকল্প হিসেবে যে নেতাকেই সিংহাসনে বসাক না কেন ইরান, তাঁকে মেরে ফেলা হবে।”

    এর আগে ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সে দেশের গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তেহরানের এক অনুষ্ঠানে ইরানিরা খামেনিকে শেষ বিদায় জানাবেন। ইরানের ইসলামিক প্রপ্যাশন কাউন্সিলের প্রধান হোজ্জাতোলেসলাম মাহমুদি জানিয়েছেন, তিন দিনের জন্য বিদায় অনুষ্ঠান অব্যাহত থাকবে। এরপর অন্তষ্টিক্রিয়ার মিছিল ঘোষণা করা হবে। সেই সব পর্ব মিটিয়ে পঞ্চম দিনে পা দিতেই ইজারায়েল ইরান এবং লেবাননে নতুন করে হামলা চালায়। ইরানের গণমাধ্যম বলছে, লেবাননের একের পর এক আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইজরায়েলের ভয়াবহ হামলায়। এদিকে, নতুন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে খামেনির খেলেকে সিংহাসনে বসানোর আগেই ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর এমন হুমকি চিন্তা বাড়িয়েছে, ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড থেকে শুরু করে সে দেশের নেতাদের।

     

    অবশ্যই পড়ুন: এক ধাক্কায় খরচ বাড়ল ৯০ হাজার কোটি, দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন নিয়ে দুঃসংবাদ!

    উল্লেখ্য, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির মৃত্যুর খবর সবার প্রথম জানিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে সর্বপ্রথম আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জানিয়েছিলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ইরানের তরফে সে কথা অস্বীকার করা হলেও পরবর্তীতে সেই সত্যতা মেনে নেয় দেশটি। তবে সর্বোচ্চ নেতা মারা গেলেও যুদ্ধের ময়দান থেকে এক চুলও সরতে রাজি নয় আমেরিকার এক সময়কার বন্ধু।

  • দুবাইয়ে আটকে অভিনেত্রী শুভশ্রী!  ইউভানকে নিয়ে কবে ফিরবেন কলকাতায়?

    দুবাইয়ে আটকে অভিনেত্রী শুভশ্রী! ইউভানকে নিয়ে কবে ফিরবেন কলকাতায়?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মার্কিন-ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ ক্রমেই ভয়ংকর আকার ধারণ করছে। সকাল সন্ধ্যা একের পর এক বোমা বিস্ফোরণের জেরে উথাল পাথাল অবস্থা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। আর এই যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে দুবাইতে, যেখানে সেখানে পড়ছে বোম। যার জেরে শঙ্কিত সকলে, আর এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বেশ কয়েকদিন ধরেই দুবাইয়ে আটকে পড়েছেন টলি অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় (Subhashree Ganguly) ও তাঁর ছেলে ইউভান। আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় ফিরতে পারছেন না কলকাতায়। তবে খবর অনুযায়ী, তাঁরা সুস্থ ও স্বাভাবিকই রয়েছেন।

    দুবাইয়ে আটকে পড়েছেন শুভশ্রী

    গত শনিবার ইরানে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। পরপর হামলায় কার্যত যুদ্ধ পরিস্থিতি সেখানে, যদিও ইরানও পাল্টা আক্রমণ চালায়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির পরিস্থিতিও বেশ ভয়াবহ। পরপর হামলা, বিস্ফোরণের বিকট আওয়াজে কান পাতা দুষ্কর। চতুর্দিকে ভয়ের আবহ। এই অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন শহরে আটকে রয়েছেন একাধিক ভারতীয়। এমতাবস্থায় ছেলে ইউভানকে নিয়ে দুবাইয়ে ঘুরতে গিয়েছেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। শনিবারই সেখানে পৌঁছান অভিনেত্রী। কিন্তু সেখানকার পরিস্থিতি ভয়ংকর থাকায় হোটেলবন্দি দুজনেই। ক্রমাগত ফোন যোগাযোগ করে চলেছে পরিবার। যদিও তাঁরা ভালো আছেন, এমনটাই খবর পরিবারের।

    চিন্তিত গোটা পরিবার

    শুভশ্রী গাঙ্গুলির বাবা দেবপ্রসাদ গাঙ্গুলি জানিয়েছিলেন, মেয়ের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। বিস্ফোরণের খবর কাছাকাছি এলাকায় থাকলেও হোটেলের ভিতরে নিরাপদেই রয়েছে মেয়ে এবং নাতি। দুবাই থেকে ধীরে ধীরে ফ্লাইট পরিষেবা চালু হওয়ায় খুব শিগগিরই কলকাতায় ফেরার পরিকল্পনা করছেন অভিনেত্রীর। এদিকে দুশ্চিন্তায় রয়েছে শুভশ্রীর স্বামী তথা পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। তিনি জানিয়েছেন, “দুবাইয়ের পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করলে ওখানকার সরকার বাড়ি থেকে না বেরোনোর পরামর্শ দেয়। যতটা সম্ভব নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার কথা বলা হয়। যদিও এখন ওরা নিরাপদেই আছে, তবু বাড়ির লোকজন চিন্তায়।” আসা করা যাচ্ছে সব ঠিক থাকলে আজ-কালের মধ্যেই কলকাতায় ফিরবেন শুভশ্রী ও ইউভান।

    আরও পড়ুন: মনোজ আগরওয়ালের স্ত্রী, শ্বশুরের সম্পত্তির হিসেব চায় তৃণমূল, পাল্টা জবাব CEO-র

    প্রসঙ্গত, যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে বিদেশে গিয়ে আটকে পড়েছিলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের কন্যা প্রিয়দর্শিনী। আসলে মা ও মেয়েকে নিয়ে তিনি মদিনায় গিয়েছিলেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় আটকে পড়েন তাঁরাও। অবশেষে নিরাপদে কলকাতায় ফিরে এলেন তাঁরা। মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ফটো পোস্ট করে তিনি লিখেছিলেন, “পরিবারের সঙ্গে। অবশেষে বাড়ি ফিরলাম।” অন্যদিকে ইরান -ইজরায়েলের সংঘর্ষে প্যারিসে স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে আটকে পড়েছেন অভিনেত্রী সন্দীপ্তা সেন।