Blog

  • খামেনির মৃত্যুতে অবশেষে শোক প্রকাশ ভারতের, ফের কোনও কূটনৈতিক বার্তা?

    খামেনির মৃত্যুতে অবশেষে শোক প্রকাশ ভারতের, ফের কোনও কূটনৈতিক বার্তা?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ইজরায়েল এবং আমেরিকার যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে শোক প্রকাশ করল ভারত (India on Ali Khamenei Death)। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে ইরানের দূতাবাসে গিয়ে শোক পুস্তিকায় সই করেছেন স্বয়ং ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি। এমনকি একইসঙ্গে তিনি ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎকার করেছেন এবং খামেনির প্রয়াণে ভারতের পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

    বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, খামেনির মৃত্যুতে ভারত সরকার গভীরভাবেই শোক প্রকাশ করেছে। আর সেই সূত্র ধরেই দিল্লিতে ইরানের দূতাবাসে গিয়ে শোক পুস্তিকায় স্বাক্ষর করেছেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি। যদিও এই পদক্ষেপকে কূটনৈতিকভাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    কীভাবে মৃত্যু হল খামেনির?

    প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের এক ভয়াবহ সামরিক হামলায় নিহত হন দেশের সুপ্রিম লিডার আয়তুল্লাহ আলি খামেনি। অভিযোগ ওঠে, এই হামলার পেছনে ছিল ইজরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযান। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রশাসনিক দফতরের তরফ থেকে এই কথা স্বীকার করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত এই ধরনের হামলা রাতের বেলায় হয়। কিন্তু খামেনের অবস্থান সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পর দিনের বেলাতেই এই হামলা চালানো হয়। আর ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে রিপোর্ট।

    এমনকি পরদিন আমেরিকা এবং ইজরায়েল যৌথভাবেই ঘোষণা করে যে উক্ত অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত হয়েছেন। আর পরে ইরান সরকারের তরফ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। জানা যাচ্ছে, মৃত্যুকালে নেতার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। ১৯৮৯ সাল থেকেই তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সিংহাসনে বসে রয়েছেন। অন্যদিকে খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্ব নিয়ে বাড়ছে জল্পনা। জানা যাচ্ছে, তিন সদস্যের একটি অন্তর্বর্তী কাউন্সিল দেশের নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনির নামই বেছে নিয়েছে।

    আরও পড়ুন: মৃত্যু হয়েছে শাশুড়ির, অন ক্যামেরায় চলছে কান্নাকাটি! ট্রোলের মুখে ‘প্রবাসে ঘরকন্না’ মহুয়া

    মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উদ্বেগ

    এদিকে এই মুহূর্তে গোটা মধ্যপ্রাচ্য কার্যত যুদ্ধের দামামায় জ্বলছে। ইরান ওই অঞ্চলে থাকা সমস্ত মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, দুবাই থেকে শুরু করে বাহারাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ওমান, জর্ডান সহ একাধিক দেশের উপর হামলা চালাচ্ছে ইরান। আর এতে পরিস্থিতি দিনের পর দিন জটিল হয়ে উঠছে। কার্যত একে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বলেও আখ্যা দিতে পিছপা হচ্ছে না বুদ্ধিজীবীরা। সবথেকে বড় ব্যাপার, গত কয়েকদিন ইরান প্রায় ৫০০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ২০০০ এর বেশি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে আমেরিকা এবং ইজরায়েলও যৌথভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

  • ‘পরমাণু ভাণ্ডার বাড়াবে দিল্লি!’ কানাডা-ভারতের ইউরোনিয়াম চুক্তিতে কান্নাকাটি পাকিস্তানের

    ‘পরমাণু ভাণ্ডার বাড়াবে দিল্লি!’ কানাডা-ভারতের ইউরোনিয়াম চুক্তিতে কান্নাকাটি পাকিস্তানের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আন্তর্জাতিক কূটনীতির অঙ্গনে এবার নতুন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে ভারত আর কানাডার সাম্প্রতিক ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি (India-Canada Agreement)। দুই দেশের মধ্যে ২.৬ বিলিয়ন ডলারের একটি দীর্ঘমেয়াদি ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে খবর। আর এই চুক্তির লক্ষ্য হল ভারতের বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মসূচির জন্য দীর্ঘ সময়ের জন্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা। তবে সমস্যা হল এই নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করছে পাকিস্তান (Pakistan)। কারণ, দেশটির বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত-কানাডা সহযোগিতা দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

    কী বলছে পাকিস্তান?

    পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মতে, এই চুক্তি পারমাণবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার মত পদক্ষেপ তা বলা যায়। কিন্তু তাদের স্পষ্ট দাবি, ভারতের সমস্ত বেসামরিক পারমাণবিক স্থাপনা এখনো পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের আওতায় নেই। আর যদি অতিরিক্ত ইউরোনিয়াম সরবরাহ করা হয়, তাহলে ভারত ভবিষ্যতে তার পারমাণবিক সক্ষমতা আরও দ্রুত বাড়াতে পারে। যার ফলে দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে এবং সামরিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম বাধা বিঘ্নতা আসতে পারে।

    এদিকে ভারত এবং কানাডার এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হল ভারতের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কর্মসূচি আরও শক্তিশালী করা। চুক্তি অনুযায়ী, কানাডার সংস্থা Cameco আগামী কয়েক বছর ভারতে ইউরেনিয়াম সরবরাহ করবে। পরিকল্পনামাফিক, ২০২৭ সাল থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত মোট ২২ মিলিয়ন পাউন্ড ইউরেনিয়াম ভারতে পাঠানো হবে। আর এই জ্বালানি মূলত বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলিতে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘সংঘাতে সমস্যা মেটে না..’ পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ নিয়ে প্রথম বিবৃতি মোদির

    ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা

    বিশ্লেষকদের বক্তব্য অনুযায়ী ভারতের মূল লক্ষ্য হল, আগামী কয়েক দশকের মধ্যেই পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন আরও বাড়ানো। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৪৭ সালের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা নূন্যতম ১০০ গিগাওয়াটে উন্নীত করতে হবে। আর এই লক্ষ্য পূরণে স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহ সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণে ইউরেনিয়াম আমদানির দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ভারতের শক্তি নিরাপত্তার জন্য বিরাট পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এমনকি শুধুমাত্র ইউরেনিয়াম সরবরাহ নয়, বরং ভবিষ্যতে ছোট মডেলকিউলার রিয়াক্টর এবং উন্নত পারমাণবিক প্রযুক্তি নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে বলে খবর। আর এই ধরনের আধুনিক রিয়াক্টর তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কার্যকর হবে বলে জানা যাচ্ছে।

  • মৃত্যু হয়েছে শাশুড়ির, অন ক্যামেরায় চলছে কান্নাকাটি! ট্রোলের মুখে ‘প্রবাসে ঘরকন্না’ মহুয়া

    মৃত্যু হয়েছে শাশুড়ির, অন ক্যামেরায় চলছে কান্নাকাটি! ট্রোলের মুখে ‘প্রবাসে ঘরকন্না’ মহুয়া

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা বাড়াতে সকলেই আজকাল ভ্লগিং (Vlogging) করে চলেছে। এই কাজে একদিকে যেমন খ্যাতি অর্জন হয় ঠিক তেমনই আবার টাকাও বেশ উপার্জন হয়। তাই ভ্লগিং এই মুহূর্তে অতি জনপ্রিয় একটি পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেকোনো কিছু হলেই ক্যামেরা অন করে শুরু হতে যায় ভিডিও, আর এবার সেই কাজ করতে গিয়ে বিতর্কের মুখে পড়লেন “প্রবাসে ঘরকন্না” (Probashe Ghorkonna) খ্যাত মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায়।

    বিতর্কে জড়ালেন প্রবাসে ঘরকন্না

    একটা সময়ে বিদেশে যে আত্মীয়রা থাকেন তাঁরা যখন দেশে ফেরেন তখন তাঁদের মুখ থেকে ইউরোপ, আমেরিকার গল্প শুনেই মন ভরাতে হত। তবে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সেটি আর হয় না। কারণ একজন প্রবাসী কীভাবে ২৪ ঘণ্টা কাটান তা জানার জন্য নির্দিষ্ট ভ্লগে চোখ রাখলেই যথেষ্ট। আর সেই ধরনের ভিডিও বানান “প্রবাসে ঘরকন্না” খ্যাত মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায়। স্বামী এবং সন্তানদের নিয়ে থাকেন আমেরিকায়। সেখানে থেকেই নিত্যদিনের খুঁটিনাটি সবকিছুই প্রকাশ্যে আনতেন ভ্লগিং এর মাধ্যমে। তাঁর মিষ্টি বাংলা কথার ধরন এতটাই সুমধুর যে আট থেকে আশি সকলেই তাঁর ভক্ত। এমন এক সময় এসেছিল যখন সবাই এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটারকে সবার উপরে রেখে দিয়েছেন। কিন্তু এবার সেই মহুয়াই বিতর্কে জড়ালেন।

    শাশুড়ির শেষকৃত্য নিয়ে ভিডিও করতেই বিতর্ক

    জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে “প্রবাসে ঘরকন্না” খ্যাত মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায়ের শাশুড়ি মারা গিয়েছিলেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই সকলে তড়িঘড়ি ছুটে এসেছেন দেশে শেষকৃত্য করতে। কিন্তু এই কঠিন সময়ের মাঝেও তিনি তাঁর কন্টেন্টের জন্য ভিডিও করে গিয়েছেন। শাশুড়ির শায়িত দেহের সামনে বসে কান্নাকাটি থেকে শুরু করে শেষযাত্রা, প্রতিমুহূর্তের ক্লিপই ছিল। পরে সেটিকেই এডিট করে তিনি ‘প্রবাসে ঘরকন্না’ র পেজে ছাড়েন। আর সেই ভিডিও দেখে বেশ ক্ষুব্ধ মহুয়া দেবীর অনুগামীরা। তাঁর এই রূপ যে বাকি কন্টেন্ট ক্রিয়েটারদের মটভবে তা সেটা কেউই বোঝেনি। সকলেই তাঁর কমেন্ট বক্সে করে গিয়েছে একগুচ্ছ নেগেটিভ কমেন্টস।

    আরও পড়ুন: TRP না থাকায় স্লট বদল, প্রাইম টাইমে ফিরছে জি বাংলার এই ধারাবাহিক

    প্রসঙ্গত, সকলেই সোশাল মিডিয়ায় রীতিমতো কাটাছেঁড়া করে চলছে প্রবাসে ঘরকন্নাকে নিয়ে। অনেকেই মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। কমেন্টে কেউ লিখেছেন, “টাকা কামাতে মারা যাওয়া মানুষকেও ছাড়বে না।” আবার কেউ লিখেছেন, “চারজনের জন্য জরুরি বিমানের টিকিট কেনার জন্য তহবিল সংগ্রহের চমৎকার উপায়, মানুষ হিসেবে আপনারা লজ্জাজনক।” যদিও অনেকেই আবার তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে অনুগামীদের এই প্রতিক্রিয়া নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো কিছুই জানাননি “প্রবাসে ঘরকন্না” খ্যাত মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায়।

  • ১৫ মার্চই শেষ হবে ডেটা এন্ট্রি, কবে ঢুকবে বেকার ভাতার টাকা? যুবসাথী নিয়ে বড় খবর

    ১৫ মার্চই শেষ হবে ডেটা এন্ট্রি, কবে ঢুকবে বেকার ভাতার টাকা? যুবসাথী নিয়ে বড় খবর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কবে থেকে মিলবে যুবসাথী প্রকল্পের (Banglar Yuva Sathi) টাকা? এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বাংলার লক্ষ লক্ষ আবেদনকারীর মনে। এ নিয়ে প্রাথমিকভাবে সরকারের তরফে দিনক্ষণ জানিয়ে দেওয়া হলেও অনেকেরই ধারণা পহেলা এপ্রিল নয় বরং আগস্টের প্রথম তারিখ থেকেই ঢুকতে পারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Government Of West Bengal) বিশেষ প্রকল্পের মাসিক ভাতা। কেউ কেউ আবার বলছেন আগস্ট নয় সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী এপ্রিল থেকে মিলবে মাসিক ভাতা। যুবসাথী নিয়ে নানা মুনির নানা মত শুনে ঘাবড়ে যাচ্ছেন আবেদনকারীরাও। ঠিক সেই আবহে যুবসাথী নিয়ে মিলল বড় আপডেট।

    15 মার্চ শেষ হবে ডেটা এন্ট্রির কাজ

    গত 26 ফেব্রুয়ারি ছিল যুবসাথী প্রকল্পে আবেদনের শেষ তারিখ। সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, শেষ দিন পর্যন্ত রাজ্য সরকারের এই বিশেষ প্রকল্পে জমা পড়েছিল প্রায় 85 লাখ আবেদন। বেকার ভাতা প্রকল্পে আবেদনের নিরিখে প্রথম সারিতে নাম রয়েছে দক্ষিণ 24 পরগনা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর 24 পরগনা, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া সহ একাধিক জেলার।

    তবে আবেদন প্রক্রিয়ার শেষ হতেই আবেদনকারীদের মধ্যে পড়ে গিয়েছে আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করার হিড়িক। সেই মর্মেই, যুবসাথী প্রকল্পের অফিসিয়াল পোর্টাল ভিজিট করছেন তারা। তবে বর্তমানে সেখান থেকে স্ট্যাটাস চেক করা যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় যথেষ্ট চিন্তায় আবেদনকারীরা। তবে সরকারি সূত্র দাবি করছে, এই মুহূর্তে যুবসাথী পোর্টালে আবেদনকারীদের আবেদনপত্র গুলি এন্ট্রি করার কাজ চলছে। একই সাথে যাঁরা অনলাইনে আবেদন করেছিলেন তাঁদেরও ডিজিটাইজেশনের কাজ চলছে ওই পোর্টালেই। কয়েকজন সরকারি আধিকারিকের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী 15 মার্চ শেষ হয়ে যাবে ডেটা এন্ট্রির কাজ। তারপরই খুব সম্ভবত চেক করা যাবে স্ট্যাটাস।

    অবশ্যই পড়ুন : T20 বিশ্বকাপে মহিলার শ্লীলতাহানি পাকিস্তানি ক্রিকেটারের! মিলল চরম শাস্তিও

    কবে থেকে মিলবে যুবসাথী প্রকল্পের টাকা?

    সম্প্রতি অন্তর্বর্তী বাজেটে যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষনা করেছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এরপরই জনসমক্ষে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন আগস্ট মাস থেকে মিলবে যুবসাথী প্রকল্পের টাকা। যদিও পরবর্তীতে সেই বক্তব্য সংশোধন করে মুখ্যমন্ত্রী জানান আগস্ট নয় বরং এপ্রিল মাসের প্রথম তারিখ থেকেই দেওয়া হবে যুবসাথীর মাসিক ভাতা। তবে এর মাঝে শোনা গিয়ে, ভোট পর্ব মিটিয়ে সরকার ক্ষমতায় এলে তবেই মিলবে এই প্রকল্পের মাসিক ভাতা। সেক্ষেত্রে এপ্রিল থেকে হিসেব করে আগস্টে একসাথে চার মাসের টাকা দেওয়া হতে পারে। তবে এখন শোনা যাচ্ছে, সব ঠিক থাকলে এপ্রিল থেকেই মিলতে পারে যুবসাথী প্রকল্পের অর্থ।

  • TRP না থাকায় স্লট বদল, প্রাইম টাইমে ফিরছে জি বাংলার এই ধারাবাহিক

    TRP না থাকায় স্লট বদল, প্রাইম টাইমে ফিরছে জি বাংলার এই ধারাবাহিক

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: টলি পাড়ায় জি বাংলা (Zee Bangla) এবং স্টার জলসার মধ্যে যেমন TRP নিয়ে বেশ টক্কর হয় ঠিক তেমনই আবার বিভিন্ন ধারাবাহিকের মধ্যেও চলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এও দেখা যায় একে অপরের টাইম স্লট কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তাতে দর্শকদের মধ্যেও বেশ মন কষাকষি হয়। আর এবারও তাই হল। জি বাংলার পর্দায় ফের ওলোটপালোট হল জি বাংলার ধারাবাহিকের সময়সূচি।

    ‘বেশ করেছি প্রেম করেছি’ ধারাবাহিকের সময় পরিবর্তন

    গত ডিসেম্বরে ব্লুজ প্রোডাকশন হাউজের প্রযোজনায় জি বাংলায় শুরু হয়েছিল এক জেন জির প্রেমের গল্প ‘বেশ করেছি প্রেম করেছি’। সকলের ধারণা ছিল এই ধারাবাহিক দর্শকদের বেশ মন জয় করবে, কিন্তু কোথায় কী… বাস্তবে TRP তালিকায় দেখা গেল না সন্তোষজনক ফলাফল। একেবারে ডাহা ফেল করল নতুন জুটি স্বয়ম ও জুঁইয়ের রসায়ন। তাই এবার দর্শকদের মন ধরে রাখতে তিন মাসের মাথায় বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্মাতারা। সন্ধ্যে ৭টার পরিবর্তন করে দেওয়া হল। আর সেই জায়গায় নিয়ে আসা হল ‘কুসুম’ ধারাবাহিককে। নির্মাতাদের এই সিদ্ধান্তে মাথায় হাত পড়ল ‘বেশ করেছি প্রেম করেছি’ ধারাবাহিকের।

    ৭ টার স্লটে কে আসছে?

    জানা গিয়েছে, আগামী ৯ মার্চ থেকে জি বাংলায় ৭টার স্লটে ‘বেশ করেছি প্রেম করেছি’ ধারাবাহিকের পরিবর্তে দেখা যাবে ‘কুসুম’। যেখানে আগে কুসুম সন্ধ্যে ৬ টায় দেখানো হত এখন সেটি থাকবে একেবারে প্রাইম টাইমে। ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখেই চ্যানেল কর্তৃপক্ষের এই বড় সিদ্ধান্ত। এর আগেও ‘কুসুম’ ধারাবাহিকটির স্লট পরিবর্তন হয়েছে। আগে এই ধারাবাহিক দেখানো হত ৫:৩০ মিনিটে। এবং সন্ধ্যে ৬ টায় দেখানো হত ‘তুই আমার হিরো’ ধারাবাহিক। পরে এই দুই ধারাবাহিক সময় পরিবর্তন করে নেয়। এমতাবস্থায় আরও একবার সেই ধারাবাহিকের সময় পরিবর্তন হল।

     

    View this post on Instagram

     

    আরও পড়ুন: উদ্বোধন করেছিলেন মন্ত্রী, সেই স্ট্রিট লাইটে নেই বাল্ব! সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ

    কুসুম ধারাবাহিকের স্লট রদবদল নিয়ে দর্শকদের আনন্দ হলেও আবার এই নিয়ে সবথেকে বেশি ক্ষোভ দেখা দিয়েছে ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ সিরিয়ালের দর্শকদের মধ্যে। আসলে বেশ করেছি প্রেম করেছি-র জন্যই তারে ধরি ধরি সিরিয়ালের টিআরপি পড়তির দিকে এমনই অভিযোগ নেটপাড়ার। আর সেই কারণে ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ স্লট পরিবর্তন হয়। তাই সেই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই চ্যানেলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ভক্তদের একাংশ। এদিকে জি বাংলায় আসতে চলেছে রাহুল মজুমদার ও নবাগতা সম্পূর্ণা রক্ষিতের সাত পাকে বাঁধা এবং কমলা নিবাস নামের নতুন দুই ধারাবাহিক। এখন দেখার এই দুই নতুনের জন্য কার টাইম স্লটে কোপ পরে।

  • ‘সংঘাতে সমস্যা মেটে না..’ পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ নিয়ে প্রথম বিবৃতি মোদির

    ‘সংঘাতে সমস্যা মেটে না..’ পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ নিয়ে প্রথম বিবৃতি মোদির

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: থামতেই চাইছে না যুদ্ধ পরিস্থিতি, ক্রমেই পশ্চিম এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে ইরান বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যুদ্ধ (Iran Israel Conflict)। দিন রাত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বোমাবর্ষণ যেমন চলছে ঠিক তেমনই পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে শত্রুর সেনাঘাঁটি বা খনিজ তেল শোধনাগারকে কাঁপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অবশেষে এই পরিস্থিতি নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। শান্তির বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,’ শুধু সেনা পাঠিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, আমরা সর্বত্র শান্তির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।’

    যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন মোদি

    আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার, নয়া দিল্লিতে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ-সহ যাবতীয় যুদ্ধ নিয়ে শান্তির বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাবকে পাশে বসিয়ে যুদ্ধ নিয়ে মোদী বলেন, “ বর্তমানে গোটা বিশ্ব একটা অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের নানা প্রান্তে সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সে ইউক্রেন হোক বা পশ্চিম এশিয়া। এই পরিস্থিতিতে ভারত এবং ইউরোপ বিশ্বের দুই বিরাট গণতান্ত্রিক শক্তি সম্পর্কের সোনালী অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। ভারত এবং ফিনল্যান্ড উভয়ই আইনের শাসন, আলোচনা এবং কূটনীতিতে বিশ্বাস করে। কেবল সামরিক সংঘাতের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হয় না। তাই শুধুমাত্র সেনা পাঠিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।আমরা সংঘাতের দ্রুত অবসান এবং শান্তির জন্য সকল প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে যাব।”

    আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি-র মৃত্যু নিয়ে নীরব মোদি

    মার্কিন এবং ইজ়রায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি-র মৃত্যুর পরে পশ্চিম এশিয়ায় পরিস্থিতি যত দিন যাচ্ছে ততই যেন আরও জটিল হয়ে উঠেছে। গোটা পশ্চিম এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে সামরিক উত্তেজনা। এমতাবস্থায় গতকাল, বুধবার, ভারত মহাসাগরে ইরানি রণতরীর উপর হামলা চালিয়েছে মার্কিন সাবমেরিন। ওই ঘটনায় ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এখনও ১৪৮ জন নিখোঁজ। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মোদি তবে খামেনেইয়ের মৃত্যু বা আমেরিকা-ইজরায়েল হামলা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি।

    আরও পড়ুন: রাজ্যসভায় নীতীশ কুমার, বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? উঠে এল ৫ নাম

    প্রসঙ্গত, আমেরিকা-ইজরায়েল এবং ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারত শান্তির পক্ষে বারংবার কথা বলেছে। এই প্রসঙ্গে ভারত বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রী বলেন, “ভারত বরাবর এই অবস্থানই থেকেছে যে, যে পরিস্থিতিই হোক না কেন সবকিছুরই সমাধান কথা বলে আর শান্তিপূর্ণ পথ অবলম্বন করে হওয়া উচিত।” তবে এই প্রসঙ্গে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছে অন্য। তাঁদের দাবি, আমেরিকা-ইজরায়েল যৌথ হামলা চালিয়ে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে মেরে দিল, অথচ নরেন্দ্র মোদি একবারও কেন তাঁর নিন্দা করলেন না? যদিও সেই সব বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাতে চায়নি সরকার।

  • এক্সট্রা বোনাস, এই কর্মীরা পাবে সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা! বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর

    এক্সট্রা বোনাস, এই কর্মীরা পাবে সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা! বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দুর্গাপুজো ও ঈদের আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিরাট ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। উৎসবের কথা মাথায় রেখে অ্যাড-হক বোনাস এবং সুদ মুক্ত ফেস্টিভাল অ্যাডভান্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফ থেকে। জানা যাচ্ছে, এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্ন (Nabanna) একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। আর সেখানে চলতি বছর কর্মীদের আর্থিক স্বস্তি দিতে আগের তুলনায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে টাকার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। তাই উৎসবের মরসুমে সরকারি কর্মচারীদের মুখে যে হাসি ফুটবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এরা পাবে ২২ হাজার টাকা উৎসব অগ্রিম

    নবান্নের তরফ থেকে জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট বেতনসীমার মধ্যে থাকা কর্মচারীরা এবার সুদমুক্ত ফ্যাসিভ্যাল অ্যাডভান্স পাবে। সেক্ষেত্রে যাদের মাসিক বেতন ৪৬ হাজার টাকার বেশি এবং ৫৪ হাজার টাকার মধ্যে, তারাই এই সুবিধার আওতায় আসবে। আর এই সমস্ত কর্মচারীরা সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত উৎসব অগ্রিম নিতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। আর সবথেকে উল্লেখ করার বিষয়, গত বছর বেতন সীমা ছিল ৪৪ হাজার টাকা থেকে ৫২ হাজার টাকার মধ্যে। অর্থাৎ, চলতি বছরে সেই সীমা আরও ২ হাজার টাকা বাড়ানো হল। আর একইভাবে গত বছর উৎসবের অগ্রিম পরিমাণ ছিল ২০ হাজার টাকা। এবার তা ২২ হাজার টাকা করা হয়েছে।

    বাড়ানো হয়েছে অ্যাড-হক বোনাস

    এদিকে যে সমস্ত কর্মচারীর মাসিক বেতন ৪৬ হাজার টাকা কিংবা তার কম, তারা এবার অ্যাড হক বোনাস পাবে বলে জানানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে বোনাসের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৪০০ টাকা। গত বছর এই পরিমাণ ছিল মাত্র ৬৮০০ টাকা। অর্থাৎ, এবারও গত বছরের তুলনায় ৬০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে অ্যাড-হক বোনাস।

    পেনশনভোগীদের জন্য বড় ঘোষণা

    অন্যদিকে রাজ্য সরকারি পেনশনভোগীদের কথাও মাথায় রেখেছে। যাদের মাসিক পেনশন ৪০ হাজার টাকার মধ্যে, তারা এবার উৎসব উপলক্ষে বিশেষ অনুদান পাবে। হ্যাঁ, এবার ৩৮০০ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে উৎসবের মরসুমে। আর গত বছর এই হার ছিল ৩৫০০ টাকার। ফলে তারাও এবার থেকে ৩০০ টাকা করে বেশি পাবে।

    নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, যে মুসলিম কর্মীদের ঈদ-উল-ফিতরের আগেই এই সুবিধা দিয়ে দেওয়া হবে। আর অন্যান্য কর্মচারীরা ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর এর মধ্যেই বোনাস পাবে। অর্থাৎ দুর্গাপুজোর আগে এই বোনাস হাতে আসবে। তবে এই উৎসব অগ্রিম সম্পূর্ণ সুদমুক্ত হলেও পরে দশটি কিস্তিতে বেতন কেটে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। সরকার জানিয়েছে যে, ৩১ আগস্ট ২০২৭ এর মধ্যে এই টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: উদ্বোধন করেছিলেন মন্ত্রী, সেই স্ট্রিট লাইটে নেই বাল্ব! সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ

    তবে হ্যাঁ, শুধুমাত্র রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা হন, বরং আরও কয়েকটি ক্ষেত্রের কর্মীরা এই সুবিধার আওতায় আসবে। সেক্ষেত্রে তালিকায় পড়ছে সরকারি এবং সরকারপোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা, রাজ্য সরকারের অধীনস্থ সংস্থার কর্মচারীরা এবং পারিবারিক পেনশনভোগী ও অতিরিক্ত পেনশনভোগীরা। এছাড়াও যে সমস্ত সরকারি সংস্থায় কর্মীদের মাসিক বেতন ১০ হাজার টাকা কিংবা তার কম, সেখানে কর্মীরা ৩৫০০ টাকা বোনাস পাবে বলে জানানো হয়েছে।

  • উদ্বোধন করেছিলেন মন্ত্রী, সেই স্ট্রিট লাইটে নেই বাল্ব! সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ

    উদ্বোধন করেছিলেন মন্ত্রী, সেই স্ট্রিট লাইটে নেই বাল্ব! সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ

    সৌভিক মুখার্জী, বর্ধমান: সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়নের নামে তোলাবাজির প্রতিচ্ছবি সামনে এল। সম্প্রতি পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল (Asansol) উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের সারাকডিহি গ্রামের একটি স্ট্রিট লাইটকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন করে বিতর্ক। জানা যাচ্ছে, তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতার উপস্থিতিতে যে লাইটের উদ্বোধন করা হয়েছিল, সেখানে বর্তমানে আর কোনও লাইটেরই অস্তিত্ব নেই!

    লাইট পোস্ট ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ স্থানীয়দের

    সারাকডিহি গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, ওই জায়গায় আগে একটি স্ট্রিট লাইট ছিল। কিন্তু সেটির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পরে নতুন করে স্থাপন করা হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যের শ্রম মন্ত্রী মলয় ঘটক সেটির উদ্বোধনও করেন। তবে এখন সেখানে কোনও লাইট দেখা যাচ্ছে না। রাতের বেলা ঘুটঘুটে অন্ধকারে বাসিন্দাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে এবং সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। বাসিন্দাদের স্পষ্ট দাবি, স্ট্রিট লাইটটি এই এলাকার জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে রাতের বেলা রাস্তা অন্ধকার হয়ে থাকায় পথচারী এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হচ্ছে উদ্বেগ। আর উদ্বোধনের সময় অনেক প্রচার করা হয়েছিল। তবে সেখানে এখন আর লাইট নেই। তাই অন্ধকারেই রাত কাটাতে হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: খামেনিকে কটূক্তি করায় গ্রেফতার বিষাক্ত ছেলে প্রহ্লাদ মাইতি? জানালেন খোদ ইউটিউবার

    এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার কিছু মানুষ শাসকদলের উন্নয়নমূলক কাজের বাস্তবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। তারা দাবি করছে, অনেক সময় উদ্বোধনের খবর সামনে এলেও পরিষেবার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা বজায় থাকে না। উন্নয়নের নামে শুধু তোলাবাজি করছে শাসক দল। তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়নি। কিন্তু গ্রামের বাসিন্দাদের স্পষ্ট দাবি, এই বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং পুনরায় স্ট্রিট লাইটটিকে বসানো হোক।

  • রাজ্যসভায় নীতীশ কুমার, বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? উঠে এল ৫ নাম

    রাজ্যসভায় নীতীশ কুমার, বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? উঠে এল ৫ নাম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: জল্পনার অবসান, এবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে চলেছেন JDU সভাপতি নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। সব মিলিয়ে বিহারের (Bihar) রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, কারণ এবার বিহারে প্রথমবারের মতো বিজেপির নিজস্ব মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই নীতিন সংসদের উচ্চকক্ষে (Rajya Sabha Election) মনোনয়নের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন, কে হতে চলেছেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    রাজ্যসভার প্রার্থী হবেন নীতিন!

    বিহারের ইতিহাসে নীতীশ কুমার অন্যতম এক প্রভাবশালী নেতা। তিনি ১০ বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিহারে এবং প্রায় ২০ বছর ধরে রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রে রয়েছেন। তাঁর এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা তাঁকে বিহারের রাজনীতির এক অনন্য চরিত্রে পরিণত করেছে। এই অবস্থায় নীতিশকে নিয়ে কয়েক দিন ধরেই এক জল্পনা শুরু হয়েছে বিহারের রাজনীতিতে। শোনা যাচ্ছে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন JDU সভাপতি নীতীশ কুমার। তবে অনেকেই এই কথা মানতে চাননি। আর এবার আসল রহস্য ফাঁস করলেন খোঁদ নীতীশ কুমার। স্বীকার করলেন রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়ার কথা।

    সমাজমাধ্যমে পোস্ট নীতিশের

    আজ, বৃহস্পতিবার বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়া নিয়ে একটি পোস্ট করলেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, “দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে, আপনারা আমার উপর আস্থা রেখেছেন এবং সেই শক্তির মাধ্যমেই আমি সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সাথে বিহার এবং আপনাদের সকলের সেবা করেছি। তাই বহুবার এর জন্য আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি। তবে আমার সংসদীয় কর্মজীবন শুরু করার পর থেকেই বিহার আইনসভার উভয় কক্ষ এবং সংসদের উভয় কক্ষের সদস্য হওয়ার ইচ্ছা ছিল। তাই আমি রাজ্যসভার নির্বাচনে সদস্য হতে চাইছি।” তুমুল ভাইরাল হয়ে যায় সেই পোস্ট। জানা গিয়েছে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে পাটনায় মনোনয়ন জমা দিয়েছেন নীতিশ। আর এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে, কে হবে বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: প্রথমবার বিধানসভায় কোয়েল মল্লিক, প্রার্থী হিসেবে জমা দিলেন মনোনয়নপত্র

    মুখ্যমন্ত্রীর তালিকায় উঠে আসছে ৫ নাম

    নীতীশ কুমার যদি জাতীয় রাজনীতিতে চলে যান, তা হলে বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে বসবেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে একাধিক জল্পনা। আশা করা যাচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট NDA-র ক্ষমতা ভাগাভাগির ফর্মুলা মেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভায় কোনও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হতে পারেন তিনি। সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বিজেপির যে নেতাদের নাম উঠে আসছে তাঁরা হলেন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি, নিত্যানন্দ রাই, দিলীপ জয়সওয়াল, বিজয় সিনহা এবং সঞ্জীব চৌরাসিয়া। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে সমঝোতার শর্ত মেনে নীতীশ-পুত্র নিশান্ত বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। তবে এই নিয়ে এখনো কিছু স্পষ্ট ঘোষণা হয়নি।

  • বেতনে ৬৬% বৃদ্ধির সম্ভাবনা? DA থেকে ফ্যামিলি ইউনিট নিয়ে নতুন ফর্মুলার দাবি কর্মীদের

    বেতনে ৬৬% বৃদ্ধির সম্ভাবনা? DA থেকে ফ্যামিলি ইউনিট নিয়ে নতুন ফর্মুলার দাবি কর্মীদের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দেশজুড়ে ৫০ লক্ষেরও বেশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং প্রায় ৬৯ লক্ষ পেনশনভোগী বর্তমানে অষ্টম বেতন কমিশনের (8th Pay Commission) বিষয়ে সরকারের উপর নজর রাখছেন। সকলেই ভাবছেন যে তারা কখন তাদের বর্ধিত বেতন এবং পেনশন পাবেন? ২৫শে ফেব্রুয়ারি প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়, যার সভাপতিত্ব করেন অল ইন্ডিয়া রেলওয়েম্যানস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এবং কর্মীদের পক্ষের একজন নেতা শিব গোপাল মিশ্র। এদিনের বৈঠকে নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ওঠে। যার মধ্যে অন্যতম ছিল পারিবারিক ইউনিটের (Family Unit) সংখ্যা ৩ থেকে বাড়িয়ে ৫ করা হোক। নিশ্চয়ই ভাবছেন এর অর্থ কী? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    পারিবারিক ইউনিট বৃদ্ধি পাবে?

    জানা গিয়েছে, আগামী বৈঠক ১০ই মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এই সভা বা বৈঠকগুলিতে অষ্টম বেতন কমিশনে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর, পারিবারিক ইউনিট, DA একীভূতকরণ এবং ভাতার মতো প্রধান বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং হবে। যাইহোক, আজ আলোচনা হবে পারিবারিক ইউনিট বৃদ্ধির বিষয়ে এবং এর সঙ্গে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর (Fitment Factor) কীভাবে জড়িয়ে রয়েছে সে ব্যাপারে। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলির মতে, বেতন গণনায় বিবেচিত পরিবারের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচে বৃদ্ধির প্রস্তাব অষ্টম বেতন কমিশনের অধীনে বেতন সংশোধন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে পারে।

    সরকারি কর্মীদের বিশেষ যুক্তি

    সরকারি কর্মীদের যুক্তি, সরকার যদি এই দাবি মেনে নেয়, তাহলে মূল বেতন সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ৩ ছাড়িয়ে যেতে পারে, যার ফলে কর্মচারীদের বেতন একলপ্তে অনেক বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে। ৩.০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। অল ইন্ডিয়া ডিফেন্স এমপ্লয়িজ ফেডারেশন (AIDEF)-এর মহাসচিব সি. শ্রীকুমার বড় তথ্য দিয়েছেন। ২০০৭ সালের বাবা-মা এবং প্রবীণ নাগরিকদের ভরণপোষণ ও কল্যাণ আইন অনুসারে, শিশুদের তাদের বাবা ও মায়ের ভরণপোষণ করা একটি আইনি দায়িত্ব। এই বাধ্যবাধকতার কারণে, কর্মচারী সংস্থাগুলি বিশ্বাস করে যে পারিবারিক ইউনিট গণনার অংশ হিসাবে বিবেচনা করা উচিত। এতে করে একদিকে যেমন বেতন বাড়বে তেমনই আর্থিক বোঝাও অনেকটা কমবে।

    আরও পড়ুনঃ ৬ কিস্তিতে বকেয়া পরিশোধ, ৩ শতাংশ DA বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ৬৬% অবধি হতে পারে বেসিক পে?

    যদি পরিবারের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচে বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে মূল বেতন ৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। একটি পরিবারের ইউনিট বৃদ্ধি করলে মূল বেতন ৩৩.৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। দুই পরিবারের ইউনিট বৃদ্ধি করলে বেতন ৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। যদি পুরো পরিবার ইউনিটের নিয়ম প্রযোজ্য হয়, তাহলে একজন কর্মচারীর মূল বেতন কত হবে? যদি কর্মচারীর মূল বেতন ৭৮,০০০ টাকা হয়, তাহলে বর্তমান ডিএ হার ৫৮%। ডিএ হার ৮% বৃদ্ধি পেতে পারে, যার বার্ষিক বৃদ্ধি ১২%। যদি ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ১.৭৬% থাকে, তাহলে ন্যূনতম মূল বেতন হবে ১,৩৮,৬৮৮ টাকা।