Blog

  • রাজীবের পর চর্চায় আরেক প্রাক্তন পুলিশ কর্তা, রণবীর কুমারকে বড় দায়িত্ব দিল নবান্ন

    রাজীবের পর চর্চায় আরেক প্রাক্তন পুলিশ কর্তা, রণবীর কুমারকে বড় দায়িত্ব দিল নবান্ন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যের (West Bengal) প্রশাসনিক পদ নিয়ে বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। এর আগেও প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারের পদ নিয়ে একাধিকবার বিতর্ক উঠেছিল। যদিও এইসব তর্ক বিতর্ককে পিছনে ফেলে ফের প্রশাসনিক পদ পরিবর্তন করল নবান্ন (Nabanna)। রাজ্যের সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস রণবীর কুমারকে (Ranbir Kumar) ট্রাফিক অ্যান্ড রোড সেফটির অ্যাডভাইজর করা হল।

    নতুন পদে নিয়োগ IPS রণবীর কুমারকে

    রিপোর্ট মোতাবেক, রাজ্যে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজে আরও জোর দিতে বেশ উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। তাই সেই কাজ যাতে আরও সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করা যায় তাই ট্রাফিক ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক নতুন উপদেষ্টা হিসেবে প্রাক্তন পুলিশ কর্তা রণবীর কুমারকে নিয়োগ করা হয়েছে। প্রশাসন মনে করছে, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে রাজ্যে সড়ক নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। অন্যদিকে রাজ্যের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারকে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বাকি তিন প্রার্থী, কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয় এবং মেনকা গুরুস্বামীকে সঙ্গে নিয়ে জমা দিলেন মনোনয়ন পত্র।

    চর্চায় রাজীব কুমার

    বরাবরই খবরের শিরোনামে থাকেন প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার। সারদা ও রোজভ্যালি চিটফান্ড কেলেঙ্কারির তদন্ত চলাকালীন রাজীব কুমারের পাশে যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাঁড়িয়েছিলেন, তা নিয়ে বেশ চর্চা উঠেছিল বিরোধীদের মধ্যে। এক্ষেত্রে রাজীব কুমারকে নিয়ে সিবিআই তদন্তের জট থাকলেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ওপর যথেষ্ট আস্থা রেখেছেন তাই সারদা তদন্তের জন্য রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রধান হিসেবে তাঁকে নিয়োগ করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে তাঁকে বিধাননগর কমিশনারেটের প্রধান এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদে বসানো হয়। এবং সবশেষে রাজ্য পুলিশের ডিজিপি (DGP) পদে নিযুক্ত করা হয়েছিল তাঁকে। সম্প্রতি সেই পদ থেকে তিনি অবসর নিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে বাংলায় রাজ্যপাল বদল! দায়িত্বে প্রাক্তন গোয়েন্দাকর্তা! কে এই আর এন রবি?

    প্রসঙ্গত, নবান্নে প্রশাসনিক রদবদলের মাঝেই গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার আচমকা রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সিভি আনন্দ বোস। রাতেই রাষ্ট্রপতি ভবনে পদত্যাগপত্র পাঠানো হলে তা গ্রহণ করা হয়। কিন্তু ভোটমুখী বঙ্গে কেন আচমকা এই পদত্যাগ রাজ্যপালের, সেই কারণ এখনো স্পষ্ট হয়নি, এমনকি এ বিষয়ে সিভি আনন্দ বোস নিজেও কোনও মন্তব্য করেননি। আর এই অবস্থায়, বোসের ইস্তফার পর ‌পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্ব পেলেন তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আর এন রবি। অন্যদিকে কেরলের রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকরকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

  • একদম ঝাঁ চকচকে, অমৃত ভারত প্রকল্পে ভোল বদলে গেল পুরুলিয়ার দুই রেল স্টেশনের

    একদম ঝাঁ চকচকে, অমৃত ভারত প্রকল্পে ভোল বদলে গেল পুরুলিয়ার দুই রেল স্টেশনের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলায় ভোটের মুখে বিরাট চমক দিল রেল (Indian Railways)। ভোল বদলে গেল পুরুলিয়ার বরাভূম রেলওয়ে স্টেশনের (Barabhum Railway Station)। আর এই নিয়ে বিশেষ পোস্ট করে সকলকে চমকে দিলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এমনিতে অমৃত ভারত স্টেশন স্কিমের অধীনে দেশের বহু রেলওয়ে স্টেশনের ভোল বদলে দেওয়ার কাজ করছে রেল। এদিকে সেই তালিকায় রয়েছে বাংলারও একগুচ্ছ রেলস্টেশন। তেমনই এবার পুরুলিয়া জেলার বরাভূম রেলস্টেশনের এমন কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে যা দেখলে আপনারও চোখ রীতিমতো ধাঁধিয়ে যাবে।

    ভোল বদলে গেল বরাভূম রেলওয়ে স্টেশনের

    রেলমন্ত্রীর তরফে শেয়ার করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, আগের বরাভূম রেলস্টেশন কেমন ছিল আর এখন অমৃত ভারত স্টেশন স্কিমের আওতায় কেমন হয়েছে। আগের থেকে স্টেশনটি আরও পরিষ্কার হয়েছে। সেইসঙ্গে স্টেশনের গায়ে থাকা দেওয়াল চিত্র আপনার মন ভালো করে দেবে। সাঁওতাল সংস্কৃতির ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে স্টেশনে।

    বরাভূমের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের আরও একটি স্টেশন এই অমৃত ভারত স্টেশন স্কিমের আওতায় আগের থেকে আমূল বদলে গিয়েছে। স্টেশন প্রাঙ্গন হয়ে উঠেছে আরও সুন্দর এবং ঝকঝকে। আজ কথা হচ্ছে আনারা রেলওয়ে স্টেশন নিয়ে। এই স্টেশনটি দক্ষিণ পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশনের অন্তর্গত। সারাদিনে এখানে ৪৮টি ট্রেন হল্ট দেয়। এই স্টেশনে রয়েছে মাত্র ২টি প্ল্যাটফর্ম। সারাদিনে এই স্টেশনের ওপর দিয়ে কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন।

    অমৃত ভারত স্টেশন স্কিম কী? 

    আলোচনা করে নেওয়া যাক অমৃত ভারত স্টেশন স্কিম ঠিক কী?  ভারতের সমস্ত রেলওয়ে স্টেশনগুলিকে রূপান্তরিত করা হচ্ছে, নানান সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। স্টেশনগুলির সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছে। এটি সরকারের অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় সম্পন্ন করা হচ্ছে। সারা দেশে ১০৩টি অমৃত ভারত স্টেশন উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সমস্ত স্টেশনের উদ্বোধন করেছেন। অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায়, সারা দেশের স্টেশনগুলিকে একটি অনন্য চেহারা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই স্টেশনগুলি বিভিন্ন থিমের উপর নির্মিত হয়েছে। এগুলি শিল্প ও স্থানীয় সংস্কৃতির পাশাপাশি বন্যপ্রাণীকেও প্রদর্শন করে। 

    আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় বা তৃতীয় সন্তানের জন্ম দিলেই ২৫,০০০ টাকা দেবে রাজ্য সরকার! কবে থেকে?

    এই পরিকল্পনার লক্ষ্য স্টেশনগুলিকে পরিষ্কার, আরামদায়ক এবং অ্যাক্সেসযোগ্য করে তোলা। আকর্ষণীয় প্রবেশ এবং প্রস্থান গেটগুলি ডিজাইন করা হয়েছে, যাত্রীদের জন্য আরামদায়ক অপেক্ষা কক্ষ, পরিষ্কার শৌচালয় এবং সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ ও আপগ্রেডেট প্ল্যাটফর্ম সহ। এছাড়াও, স্টেশনগুলিতে যাত্রীদের জন্য লিফটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিনামূল্যে ওয়াই-ফাইয়ের মতো সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি বিভিন্ন সাইনবোর্ডও স্থাপন করা হয়েছে। “এক স্টেশন, এক পণ্য” প্রকল্পের আওতায় এই অমৃত স্টেশনগুলিতে স্থানীয় পণ্য বিক্রি করা হবে।

  • দ্বিতীয় বা তৃতীয় সন্তানের জন্ম দিলেই ২৫,০০০ টাকা দেবে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার, কবে থেকে?

    দ্বিতীয় বা তৃতীয় সন্তানের জন্ম দিলেই ২৫,০০০ টাকা দেবে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার, কবে থেকে?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার (Government)। এবার দুই বা তার বেশি সন্তান থাকলে পেয়ে যেতে পারেন ২৫,০০০ টাকা। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। মূলত রাজ্যে জন্মহার বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিলেই সরকার দেবে ২৫,০০০ টাকা

    আসলে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু বৃহস্পতিবার বড় ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন যে রাজ্য সরকার জন্মহার বাড়াতে দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের জন্য দম্পতিদের ২৫,০০০ টাকা উপহার দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। বিধানসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন, সরকার অন্ধ্র প্রদেশের মোট প্রজনন হার (টিএফআর) বর্তমান ১.৫ থেকে ২.১-এ উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। “আমরা একটি নতুন পদ্ধতির কথা বিবেচনা করছি। আমরা দ্বিতীয় বা পরবর্তী সন্তানের জন্মের জন্য অভিভাবকদের ২৫,০০০ টাকা দেব। এটি একটি বড় পরিবর্তন হবে। যদি আমরা এটি করতে পারি, তাহলে এটি খুবই কার্যকর হবে,” বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

    কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনার গুরুত্বের উপর জোর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বার্ধক্যজনিত জনসংখ্যার কারণে অনেক দেশই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার মার্চ মাসের শেষ নাগাদ একটি জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা নীতি প্রণয়ন এবং এপ্রিল থেকে তা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে। এদিকে রাজ্য সরকারের এহেন ঘোষণা একদিকে কিছু মানুষ যেমন অবাক হয়েছেন, ঠিক তেমনই খুশিও হয়েছেন। ২৫,০০০ টাকা দেওয়ার পাশাপাশি চন্দ্রবাবু নাইডু আরও বেশ কিছু কথা বলেন। যেমন মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন যে ২০ মাসে রাজ্যে ৬.২৮ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে সরকার সুষম আঞ্চলিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে এবং বিশাখাপত্তনম, অমরাবতী এবং তিরুপতিকে অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ দু ঘন্টায় পৌঁছে যান হায়দরাবাদ! হাই স্পিড রেল করিডোর নিয়ে তৎপর রেল

    মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “অন্ধ্রপ্রদেশ ২০৪৭ সালের মধ্যে ২.৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে।” তিনি বলেন যে বিশাখাপত্তনম তথ্য প্রযুক্তি এবং জিসিসির কেন্দ্রস্থল হিসেবে আবির্ভূত হতে প্রস্তুত। অমরাবতীতে “কোয়ান্টাম ভ্যালি”-এর মতো একটি বাস্তুতন্ত্র তৈরি করা হচ্ছে। তিরুপতিকে মহাকাশ, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

  • ভোটের মুখে বাংলায় রাজ্যপাল বদল! দায়িত্বে প্রাক্তন গোয়েন্দাকর্তা! কে এই আর এন রবি?

    ভোটের মুখে বাংলায় রাজ্যপাল বদল! দায়িত্বে প্রাক্তন গোয়েন্দাকর্তা! কে এই আর এন রবি?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন, সেই কারণে রাজ্য জুড়ে শাসকদল এবং বিরোধীদলের মধ্যে চলছে তুমুল ব্যস্ততা। আর এই ডামাডোল পরিস্থিতির মাঝে আচমকা রাজ্যপাল (West Bengal Governor) পদ থেকে বৃহস্পতিবারই ইস্তফা দিলেন সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাষ্ট্রপতি ভবনে পদত্যাগপত্র পাঠানো হলে তা গ্রহণ করা হয়। কিন্তু ভোটমুখী বঙ্গে কেন আচমকা এই পদত্যাগ রাজ্যপালের, সেই কারণ এখনো স্পষ্ট হয়নি, এমনকি এ বিষয়ে সিভি আনন্দ বোস নিজেও কোনও মন্তব্য করেননি। এমতাবস্থায়, বোসের ইস্তফার পর ‌পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্ব পেলেন তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আর এন রবি (R N Navi) ।

    কে এই আরএন রবি?

    আর এন রবির জন্ম পটনায়। ১৯৭৪ সালে পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর পাশ করেন এবং ১৯৭৬ সালে IPS-এ যোগ দেন। তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-এর দায়িত্বও সামলেছিলেন। পাশাপাশি দেশের গোয়েন্দা বিভাগ IB-এ কাজ করার সময়ে জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং মাওবাদী প্রভাবিত এলাকায় বিদ্রোহ দমন করেন তিনি। এমনকি সন্ত্রাস দমনে আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে গোপন তথ্য বিনিময়ের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন আরএন রবি।

    স্ট্যালিনের সরকারের সঙ্গে তুমুল সংঘাত

    প্রাক্তন IPS অফিসার আরএন রবি এর আগে মেঘালয়, নাগাল্যান্ডের রাজ্যপালের দায়িত্ব সামলেছিলেন। এছাড়া তিনি উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদেও ছিলেন। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে তামিলনাড়ুর ১৫তম এবং বর্তমান রাজ্যপাল তিনি। বিজেপি-বিরোধী এম কে স্ট্যালিনের সরকারের সঙ্গে গত কয়েক বছরে বার বার সংঘাতে জড়িয়েছেন রবি। প্রশাসনিক ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগ, বিল আটকে রাখা এবং ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট বা NEET বিল নিয়ে বিতর্কের জন্য তিনি খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন। আর এবার সেই আর এন রবিকেই বঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হল। অন্যদিকে কেরলের রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকরকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: এখনও নিখোঁজ বায়ুসেনার যুদ্ধ বিমান সুখোই, ভেঙে পড়েছিল অসমে

    উদ্বেগ প্রকাশ মমতার

    প্রসঙ্গত, গতকাল পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের পদত্যাগের খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এক্স-হ্যান্ডলে লেখেন, ‘রাজ্যপাল শ্রী সিভি আনন্দ বোসের আকস্মিক পদত্যাগের খবরে আমি হতবাক এবং গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। তাঁর পদত্যাগের কারণগুলি এই মুহূর্তে আমার জানা নেই। তবে, বর্তমান পরিস্থিতিতে আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে কিছু রাজনৈতিক স্বার্থ পূরণের জন্য রাজ্যপাল যদি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চাপের মুখে পড়েন, তবে আমি অবাক হব না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন যে, শ্রী আর এন রবিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে নিযুক্ত করা হচ্ছে। কিন্তু এই নিয়ে কখনও আমার সঙ্গে পরামর্শ করেননি। এই ধরনের পদক্ষেপ আমাদের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তিকে আঘাত করে।”

  • সেমিফাইনালে ১০ বছর পুরনো রেকর্ড একসাথে ভাঙল ভারত এবং ইংল্যান্ড

    সেমিফাইনালে ১০ বছর পুরনো রেকর্ড একসাথে ভাঙল ভারত এবং ইংল্যান্ড

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বৃহস্পতিবার, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয় হয়েছে ভারতেরই (India Vs England)। তবে টিম ইন্ডিয়ার রানের পাহাড় চড়তে নিজেদের সর্বস্ব ঢেলে দিয়েছিল ইংল্যান্ড। ইংলিশ তারকা জ্যাকব বেথেল একেবারে শেষ সময় কার্যত নিঃশ্বাস চেপে চেষ্টা করে গিয়েছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত 7 রানের ব্যবধানে হারতে হয় ইংরেজদের। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচেই যেমন একের পর এক নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে তেমনই ভেঙেছে পূর্বের সব উজ্জ্বল কীর্তিও।

    10 বছর আগের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ভারত এবং ইংল্যান্ড

    গতকাল, টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। সেই সূত্রেই সঞ্জু স্যামসনদের সঙ্গবদ্ধ লড়াইয়ে ইংরেজ দলের সামনে 254 রানের লক্ষ্য রাখে ভারতীয় দল। ওয়াংখেড়ের মাঠে যা ছিল বিরাট স্কোর। ম্যাচের শুরুটা দেখে মনে হয়েছিল সহজেই জিতে যাবে ভারত। যদিও পরবর্তীতে সমানে সমানে লড়াই করে ইংল্যান্ড। তাতেই শেষ পর্যন্ত 246 রান তোলে তারা। এদিন দুই দলের রান মিলিয়ে মোট স্কোর দাঁড়িয়েছিল 499।

    পুরনো পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখলে জানা যাবে, দুই দলই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্কোর করেছিল গতকাল। সেটা যদি দুই দলের মিলিত স্কোর হয় সে ক্ষেত্রেও গতকালের 499 রান, ভারত এবং ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্কোর। বলাই বাহুল্য, 2016 সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচে মোট স্কোর উঠেছিল 459। ওয়াংখেড়েতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি ছিল এতদিনের সর্বোচ্চ স্কোর। তবে গতকাল মুম্বইয়ের জনপ্রিয় স্টেডিয়ামটিতে ভারত এবং ইংল্যান্ডের মিলিত 499 রান ভেঙে দিয়েছে 10 বছর পুরনো রেকর্ড।

    অবশ্যই পড়ুন: এখনও নিখোঁজ বায়ুসেনার যুদ্ধ বিমান সুখোই, ভেঙে পড়েছিল অসমে

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারের ম্যাচে ভারতের দেওয়া লক্ষ্য তাড়া করে জেতার একেবারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিল ইংল্যান্ড। দলের বাকি সতীর্থরা ধাপে ধাপে আউট হলেও মাঠে টিকে থেকে প্রতিপক্ষের দুঃস্বপ্ন হয়ে ওঠার কাজটা করেছিলেন ইংল্যান্ডের বেথেল। তবে এদিন সেঞ্চুরি করেও দলকে জেতাতে পারেননি তিনি। তবে ম্যাচ ভারত জিতলেও সমর্থকদের মন জিতে নিয়েছেন এই ইংরেজ তারকা।

  • সোনা, রুপো কেনার সুবর্ণ সুযোগ! আজকে দাম কত?

    সোনা, রুপো কেনার সুবর্ণ সুযোগ! আজকে দাম কত?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সোনা, রুপোর দাম নিয়ে বিরাট সুখবর। আজ অনেকটাই পতন হলুদ ধাতুর বাজার দর (Gold Price)। অন্যদিকে সাদা ধাতু নিয়েও সুখবর। অনেকটাই কমেছে আজ রুপোর দাম। ফলে সাধারণ ক্রেতা থেকে শুরু করে বিনিয়োগকারীদের মুখে যে হাসি ফুটেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে কোন শহরে কততে বিক্রি হচ্ছে সোনা, রুপো তা জানতে হলে প্রতিবেদনটি পড়ুন। IBJA Rates-র রিপোর্ট অনুসারে—

    ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনার দাম | Gold Price Today

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫৩,২০০ টাকায় (-৭৪০০)।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৯,২৯০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌতে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৯,৪৪০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৯,৩৪০ টাকায়।

    ২৪ ক্যারেট পাকা সোনার দাম

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ২৪ ক্যারেট পাকা সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬১,১৫০ টাকায় (-৭৮০০)।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরের ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬২,৮৭০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌতে ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬৩,০২০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরের ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬২,৯৩০ টাকায়।

    ১৮ ক্যারেট সোনার দাম

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২২,১৫০ টাকায়।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা, পুনে ইত্যাদি শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২২,১৫০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌয়ের মতো শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২২,৩০০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২২,২০০ টাকায়।

    আরও পড়ুন: এখনও নিখোঁজ বায়ুসেনার যুদ্ধ বিমান সুখোই, ভেঙে পড়েছিল অসমে

    আজ রুপোর বাজার দর | Silver Price Today |

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে খুচরো রুপো বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২,৬৩,৪৫০ টাকায় (-২৮,৮০০)।

    ➣ আজ চেন্নাই, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরে প্রতি কেজি রুপো বিক্রি হচ্ছে ২,৯৪,৯০০  টাকায়।

    ➣ আজ মুম্বাই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, পুনে, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে প্রতি কেজি রুপো বিক্রি হচ্ছে ২,৮৪,৯০০ টাকায়।

    বিঃদ্রঃ বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমরা শুধুমাত্র দাম নিয়ে আপডেট দিয়ে থাকি। কাউকে বিনিয়োগ করতে বাধ্য করি না।

  • এখনও নিখোঁজ বায়ুসেনার যুদ্ধ বিমান সুখোই, ভেঙে পড়েছিল অসমে

    এখনও নিখোঁজ বায়ুসেনার যুদ্ধ বিমান সুখোই, ভেঙে পড়েছিল অসমে

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: বড়সড় দুর্ঘটনার কবলে ভারতীয় বাযুসেনার সুখোই বিমান (Sukhoi Su-30MKI Crash)। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে আসামের কার্বি আংলং জেলায় ভারতীয় বায়ুসেনার একটি যুদ্ধবিমান, Sukhoi Su 30 MKI ভেঙে পড়েছে। ইতিমধ্যেই বায়ুসেনার তরফে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার সুখোই বিমান

    বায়ুসেনা জানিয়েছে, ‘সু-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমানটি একটি প্রশিক্ষণ মিশনে ছিল, যা জোরহাট থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে আসামের কার্বি আংলং এলাকায় ভেঙে পড়ে। ভারতীয় বিমান বাহিনী ৫ মার্চ, বৃহস্পতিবার রাত ৯:৩৪ মিনিটে যুদ্ধবিমানটি নিখোঁজ হওয়ার খবর দেয়। যুদ্ধবিমানটি আসামের জোরহাট থেকে উড্ডয়ন করেছিল এবং শেষবার সন্ধ্যা ৭:৪২ মিনিটে যোগাযোগ করা হয়েছিল। এখনো অবধি পাইলটের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    নিখোঁজ পাইলট

    Su-30MKI হল রাশিয়ান বিমান নির্মাতা সুখোই দ্বারা নির্মিত একটি দুই আসনের যুদ্ধবিমান। যুদ্ধবিমানটি নিখোঁজ হওয়ার পরপরই বায়ুসেনা একটি সার্চ অপারেশন শুরু করে। দুর্ঘটনার সময়ে বিমানটিতে দুইজন  পাইলট ছিলেন বলে খবর। কিন্তু এখনো অবধি কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাঁরা বেঁচে আছেন নাকি মৃত সে বিষয়ে কোনো তথ্য নেই সেনার কাছে।

    আরও পড়ুনঃ দু ঘন্টায় পৌঁছে যান হায়দরাবাদ! হাই স্পিড রেল করিডোর নিয়ে তৎপর রেল

    শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জোরহাট বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই আসামের কার্বি আংলং জেলার উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় ভারতীয় বিমান বাহিনীর সুখোই-30 যুদ্ধবিমানটি রাডারের সাথে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন যে কার্বি আংলং পাহাড়ে প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

  • সপ্তম পে কমিশন লাগু হলে কী কী সুবিধা পাবেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীরা?

    সপ্তম পে কমিশন লাগু হলে কী কী সুবিধা পাবেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীরা?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় এখনও বকেয়া টাকা পাননি বাংলার সরকারি কর্মীরা। চলছে বিক্ষোভ। এদিকে বিক্ষোভ আন্দোলনের মাঝেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার সপ্তম বেতন পে কমিশনের (7th Pay Commission) ঘোষণা করেছে। চলতি বছরের রাজ্য বাজেটে এই নতুন পে কমিশনের ঘোষণা করে স্বাভাবিকভাবেই সকলকে চমকে দেয় সরকার। এখন প্রশ্ন উঠছে, সরকার ঘোষণা তো করেছে বটে, কবে থেকে এটি লাগু হবে? ঠিক কী কী সুবিধা মিলবে তা এখনো স্পষ্ট নয় অনেকের কাছে। আজকের এই প্রতিবেদনে সেই বিষয়টি নিয়েই আলোচনা হবে।

    কবে থেকে লাগু হচ্ছে সপ্তম বেতন পে কমিশন?

    আগামী ৩১ মার্চ, ২০২৬- এর মধ্যে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের (5th Pay Commission) আওতায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে বকেয়া টাকা মেটানোর নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিকে এ বিষয়ে সরকারের এখন অবধি কোনওরকম হেলদোল না থাকায় দফায় দফায় বিক্ষোভ আন্দোলনের সামিল হচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। এসবের মাঝেই চলতি বছরের রাজ্য বাজেটে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ৪ শতাংশ ডিএ (Dearness allowance) বা মহার্ঘ্য ভাতা এবং সপ্তম বেতন পে কমিশনের ঘোষণা করে। আর এই ঘোষণা বিধানসভা ভোটের আগে বিরাট মাস্টারস্ট্রোক হিসেবে দেখছেন সকলে। প্রশ্ন একটাই নতুন বেতন কাঠামো কবে থেকে কার্যকর হবে এবং বেতন কতটা বাড়তে পারে? দেখে নিন এক নজরে।

    আরও পড়ুনঃ ‘DA, পেনশন দূর! বেতনই বন্ধ হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের!’ চাঞ্চল্যকর তথ্য

    গত ৫ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের সময় রাজ্য সরকার সপ্তম পে কমিশন গঠনের কথা জানায়। রাজ্যে বর্তমানে চালু থাকা ষষ্ঠ পে কমিশন বা রোপা ২০১৯-এর মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। সেই হিসেবে নিয়ম মেনে ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকেই সপ্তম পে কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার কথা। তবে বেতন কাঠামো নিয়ে এখনো অবধি সরকারের তরফে কোনো বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। এখানেও অবশ্য ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরই শেষ কথা বলবে।

    এতটা বাড়তে পারে বেতন!

    বেতন কতটা বাড়বে সেটা জানার আগে বুঝতে হবে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের বিষয়ে। কারণ যে কোনও পে কমিশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্য সরকার কেন্দ্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ২.৯১ থেকে ৩.১৫-এর মধ্যে রাখতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি বিবৃতি মেলেনি। যদি এই হারে বেতন পরিকাঠামো সংশোধন হয়, তবে কর্মীদের বেসিক পে কার্যত তিনগুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

    আরও পড়ুনঃ বজ্রবিদ্যুৎ সহ শিলাবৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় সতর্কতা! আজকের আবহাওয়া

    উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কারও বর্তমান বেসিক বেতন যদি ১৮,০০০ টাকা হয়, তাহলে ২.৯১ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরে নতুন বেসিক দাঁড়াতে পারে প্রায় ৫২,৩৮০ টাকা। আর ৩.১৫ হলে তা বেড়ে প্রায় ৫৬,৭০০ টাকা হতে পারে। বেসিক বাড়ার পাশাপাশি অটোমেটিকভাবে  HRA, DA, DR বাড়বে। বাজেটে রাজ্য সরকার ৪% মহার্ঘ্য ভাতার ঘোষণা করেছিল। এর ফলে এখন সকলের ডিএ পরিমাণ ১৮% থেকে বেড়ে ২২%-এ এসে দাঁড়িয়েছে।

  • দু ঘন্টায় পৌঁছে যান হায়দরাবাদ! হাই স্পিড রেল করিডোর নিয়ে তৎপর রেল

    দু ঘন্টায় পৌঁছে যান হায়দরাবাদ! হাই স্পিড রেল করিডোর নিয়ে তৎপর রেল

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কেন্দ্রীয় বাজেটে তুলে ধরা হয়েছিল বেঙ্গালুরু-হায়দরাবাদ হাই স্পিড রেল করিডোরের (Bengaluru-Hyderabad High Speed Rail) বিষয়টি। আর তারপরেই এই বিশেষ রেল করিডোর নিয়ে তৎপর হয়েছে সেন্ট্রাল রেলওয়ে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত হাই স্পিড রেল করিডোর নিয়ে আলোচনার জন্য কর্নাটকে পৌঁছেছিলেন সেন্ট্রাল রেলওয়ের কর্মকর্তারা। সিংহভাগেরই আশা, ভারতীয় রেলের (Indian Railways) বিশেষ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চেহারা পাল্টে যাবে দক্ষিণ ভারতের পরিবহন ব্যবস্থার।

    মাত্র দু’ঘণ্টায় পৌঁছে যাবেন হায়দরাবাদ

    বর্তমান সময়ে এক্সপ্রেস ট্রেনে চেপে বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত 606 কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে প্রায় সাড়ে আট ঘন্টা। তবে ভারতীয় রেলের একটি সূত্র দাবি করছে, বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত নতুন হাই স্পিড রেল করিডোর তৈরি হয়ে গেলে এই পথ ধরে হায়দরাবাদ পর্যন্ত 606 কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে মাত্র দু’ঘণ্টা।

    সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই করিডোরটিকে এমন ভাবে ডিজাইন করা হচ্ছে যাতে এই রেল ট্র্যাক দিয়ে সর্বোচ্চ 350 কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় ছুটতে পারে ট্রেন। আপাতত যা খবর, এই রেল করিডোরের 100 কিলোমিটার অংশ থাকবে কর্নাটকের মধ্যেই। জানা যাচ্ছে, এই হাই স্পিড রেল করিডোর বা রেললাইনটি তুমাকুরু জেলা হয়ে প্রবেশ করবে।

     

    এছাড়াও এই করিডোরে ট্রেনের দীর্ঘ যাত্রাপথে থাকবে তিনটি কৌশলগত স্টেশন। এর মধ্যে প্রথম স্টেশনটি চিক্কাবল্লাপুরে অবস্থিত আলিপুর স্টেশন, দেভানাহল্লি স্টেশন এবং কোডিহাল্লি স্টেশন থাকছে। না বললেই নয়, এর মধ্যে প্রথম স্টেশনটি অর্থাৎ আলিপুর স্টেশন হবে হাই স্পিড করিডোরে প্রবেশের প্রথম স্টেশন। এছাড়াও তিন নম্বর সেশনটি হবে মেগা জংশন। সবচেয়ে বড় কথা, এই দীর্ঘ যাত্রাপথে 12টি স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা চলছে বলেই খবর।

    অবশ্যই পড়ুন: বজ্রবিদ্যুৎ সহ শিলাবৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় সতর্কতা! আজকের আবহাওয়া

    ওয়াকিবহাল মহলের আশা, বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত বিশেষ হাই স্পিড রেল করিডোর তৈরি হলে দেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ শহরের মধ্যে যেমন যোগাযোগ বাড়বে তেমনই দুই শহরের মধ্যে আর্থিক ক্ষেত্রেও জোয়ার আসবে। সবচেয়ে বড় কথা, বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীরা অল্প সময়ে নিজেদের কাজ মিটিয়ে ফিরে আসতে পারবেন। সরকারি সূত্র মারফত খবর, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এখনও 176 হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা প্রয়োজন। আশা করা হচ্ছে, খুব শীঘ্রই সেই কাজ সম্পন্ন হলেই বিশেষ প্রকল্পের নির্মাণ কাজে হাত লাগাবে রেল।

  • বজ্রবিদ্যুৎ সহ শিলাবৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় সতর্কতা! আজকের আবহাওয়া

    বজ্রবিদ্যুৎ সহ শিলাবৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় সতর্কতা! আজকের আবহাওয়া

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলার আকাশ বাতাস জানান দিচ্ছে আবহাওয়া (Weather Today) বদলাচ্ছে। আকাশে জমতে শুরু করেছে মেঘ, ঠান্ডা, গরম মিলিয়ে অস্বস্তিতে ভরা হাওয়া দিচ্ছে। এখনও শীত ভালোভাবে যায়নি বাংলা থেকে, সবে সবে গরম জাঁকিয়ে বসছিল বাংলায়, তারই মধ্যে আকাশ কাঁপিয়ে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হল বাংলায়। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের তরফে কলকাতা সহ বাংলার জেলায় জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা জারি করা হয়েছে। ক্রমেই তাপমাত্রা বাড়ছে বাংলার। আজ শুক্রবারও সকাল থেকেই ভালো গরম অনুভব হচ্ছে। আবার মেঘলা আকাশেরও দেখা মিলছে। তবে কি আজ থেকেই বাংলায় বৃষ্টি নামছে? তেমন কিছু ইঙ্গিত নেই আপাতত। আগামী দুইদিন বাংলায় তেমন বৃষ্টি হবে না। মূলত পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও ঘূর্ণাবর্তের কারণে বাংলার আবহাওয়ার বদল হবে।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    প্রথমেই আসা যাক দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া প্রসঙ্গে। আপাতত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। রাতে ও ভোরে থাকবে শীতের আমেজ। আজও বাংলার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, আজ থেকে আগামী দুই দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টিপাতের খুব একটা সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী সপ্তাহেই ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের কিছু কিছু অংশে।

    আরও পড়ুন: ‘DA, পেনশন দূর! বেতনই বন্ধ হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের!’ চাঞ্চল্যকর তথ্য

    লেটেস্ট আপডেট অনুযায়ী, আগামী ৯ মার্চ অর্থাৎ সোমবার বিকেল থেকে রাতের মধ্যে পশ্চিমের জেলা যেমন পুরুলিয়া,বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও হুগলি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম জেলাতেও। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন। উত্তর-পূর্ব অসমে একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। এরই মধ্যে জম্মু-কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় নতুন পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করেছে যার ফলে আবহাওয়ায় পরিবর্তন হচ্ছে।

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    এবার আসা যাক উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার হাল হকিকত সম্পর্কে। জানা গিয়েছে, আজও দার্জিলিংয়ে বিচ্ছিন্নভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলাগুলোতে দিনের বেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে। আজ সকাল থেকেই উত্তরবঙ্গের স্থান বিশেষে ভোরের হালকা কুয়াশা লক্ষ্য করা গিয়েছে। রাত ও ভোরে হালকা শীতের আমেজ অনুভূত হবে উত্তরবঙ্গের সমস্ত অংশেই। শুক্রবার পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমলেও রবিবার থেকে ফের দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।