Blog

  • মার্চে টানা ৬ দিনের লম্বা ছুটি, কবে থেকে কবে? দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    মার্চে টানা ৬ দিনের লম্বা ছুটি, কবে থেকে কবে? দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মার্চ মাস মানেই একেবারে ছুটির রমরমা। হ্যাঁ, এ মাসের ছুটির তালিকা যে অনেকটাই দীর্ঘ তা নবান্নের হলিডে লিস্ট (March Holiday List) দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। দোল থেকে শুরু করেই ঈদ-উল-ফিতর, রামনবমী, মহাবীর জয়ন্তী সবকিছুই এই মাসে। এক কথায়, সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের পড়ুয়ারা ছোটখাটো ভ্রমণের পরিকল্পনা সেরা নিতে পারে মার্চে। আর সাথে সাপ্তাহিক ছুটি তো থাকছেই। সবথেকে বড় ব্যাপার, সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়াও এই মাসে অতিরিক্ত ৭টি ছুটি পাওয়া যাবে। দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট।

    মার্চ মাসের ছুটির তালিকা

    প্রথমেই বলি, এ মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ মার্চ রবিবার ছিল। তারপর ৩ মার্চ ছিল মঙ্গলবার, দোলের ছুটি। আর ৪ মার্চ হোলির ছুটি। অর্থাৎ টানা দু’দিন ছুটি মিলেছে কর্মীদের। তবে সেক্ষেত্রে যদি সোমবারটা ছুটি নেওয়া যেত তাহলে টানা ৪ দিনের লম্বা ছুটির সুযোগ পেত সরকারি কর্মীরা। বিশেষ করে রঙের মরসুমে অনেকেই শান্তিনিকেতন বা সমুদ্রের হাওয়া গায়ে লাগিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এদিকে আগামী ১৭ মার্চ মঙ্গলবারও রয়েছে ছুটি। কারণ, এদিন শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি আর মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশী উপলক্ষে সমস্ত সরকারি স্কুল-কলেজ, অফিস আদালত ছুটি থাকবে। পাশাপাশি ১৮ এবং ১৯ মার্চ অফিসের পর আবার পরপর তিনদিন ছুটির সুযোগ মিলছে। কারণ, ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদ-উল-ফিতরের আগের দিন ছুটি আর ২১ মার্চ ঈদ-উল-ফিতরের ছুটি থাকছে। আবার ২২ মার্চ রবিবার। অর্থাৎ এই দিনও সাপ্তাহিক ছুটি। ফলত, এখানেও মিলছে টানা তিনদিন ছুটি। আর যদি ১৮ এবং ১৯ মার্চ ব্যক্তিগত ছুটি নেওয়া যায়, তাহলে ১৭ থেকে একেবারে ২২ মার্চ লম্বা ৬ দিনের ছুটির সুযোগ পাবে সরকারি কর্মচারীরা।

    আরও পড়ুন: একদম ঝাঁ চকচকে, অমৃত ভারত প্রকল্পে ভোল বদলে গেল পুরুলিয়ার দুই রেল স্টেশনের

    এখানেই শেষ নয়। আগামী ২৬ মার্চ রামনবমী উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুরু করে গোটা ভারতবর্ষের সমস্ত সরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। আর ৩১ মার্চ পড়ছে মহাবীর জয়ন্তী। সেই কারণে এইদিনও রয়েছে ছুটি। অর্থাৎ মাসের শুরু ছুটি দিয়ে আবার শেষও ছুটি দিয়ে। এক কথায়, মার্চ মাস মানেই সরকারি কর্মচারীদের শুধু ছুটি আর ছুটি।

  • দোলে রেকর্ড মদ বিক্রি উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গে, কোন জেলায় কত? দেখুন পরিসংখ্যান

    দোলে রেকর্ড মদ বিক্রি উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গে, কোন জেলায় কত? দেখুন পরিসংখ্যান

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: হোলির মরশুম (Holi 2026) ঘিরে তুমুল হইচই রাজ্য জুড়ে। আবির আর পিচকারির এই বর্ণময় আনন্দের মাঝেই উঠে এল এক নয়া তথ্য। জানা গিয়েছে সুরাপ্রেমীদের দৌলতে নাকি রাজ্যের (West Bengal) কোষাগারে রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব লাভ করল প্রশাসন। আবগারি দফতরের প্রাথমিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরে দোল ও হোলির দিনগুলোতে রাজ্যে মদ বিক্রি (Record Liquor Sold In West Bengal) নাকি বিগত সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর এবং দার্জিলিং এর দোকানে দোকানে ভিড় উপচে পড়েছে।

    ১২০ কোটি টাকার মদ বিক্রি রাজ্যে

    আবগারি দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের দোলের মরসুমে রাজ্যজুড়ে মদ বিক্রি করে রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় ১২০ কোটি টাকা। রেকর্ড হারে মদ বিক্রি হয়েছে এলাকায় এলাকায়, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা ছিল বিয়ারের। শুধুমাত্র বিয়ার বিক্রি থেকেই এসেছে ৭০ কোটি টাকা। আর এই সুরাপ্রেমীদের দৌলতে পূর্ব মেদিনীপুরেও দোল ও হোলির দিনগুলোতে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১ থেকে ৪ মার্চ পর্যন্ত এই চার দিনে মোট ৩০ কোটি ১১ লক্ষ টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। যার মধ্যে দেশি মদ বিক্রি হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ ৭৭ হাজার লিটার। পাশাপাশি বিদেশি মদ বিক্রি হয়েছে প্রায় ১ লক্ষ ৮৬ হাজার লিটার।

    ৩ দিনে মোট ১১ কোটির বেশি মদ বিক্রি

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর–সহ একাধিক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। ফলে যে কোনও ছুটির মরশুমেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি ভিন রাজ্য থেকেও বহু পর্যটক এখানে ভিড় করেন। তাই সেখানে নদের চাহিদাও বেশি। একইভাবে দোলের দিন শিলিগুড়ি সহ দার্জিলিংয়েও রেকর্ড বিক্রি হয়েছে মদ। আবগারি দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে ২ মার্চ থেকে ৪ মার্চ পর্যন্ত ৩ দিনে মোট ১১ কোটি ১৬ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। গত ২ মার্চ দার্জিলিং এ ৪ কোটি ১০ লক্ষ টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। ৩ মার্চ ৬ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকার মদ বিক্রি হয়েছে এবং ৪ তারিখ ১ কোটি ৯৮ লক্ষ টাকার মদ বিক্রি হয়েছে।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অতীত! বাংলার মহিলাদের জন্য গঠন হবে ৫৭০০ কোটির তহবিল

    রাজ্যে বৈধ মদের পাশাপাশি অবৈধ চোলাই মদের রমরমাও বেশ বেড়েছে, তাই সেই তৎপরতা রুখতে সক্রিয় হয়েছে প্রশাসন। গোটা ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে জেলায় অভিযান চালিয়েছে আবগারি দফতর ও প্রশাসন। জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় দোলের দিন বিশেষ অভিযান চালিয়ে আবগারি দপ্তর মোট ১৩২ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি দু’টি বাইকও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এদিকে রাজ্যের এই বিপুল পরিমাণ মদ বিক্রি নিয়ে আতঙ্কিত মাদক বিরোধী সংগঠনগুলো। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা মদ ও মাদক দ্রব্য বিরোধী কমিটির আহ্বায়ক নারায়ণচন্দ্র নায়ক বলেন, ‘রাজ্য সরকার ঢালাও মদের লাইসেন্স দেওয়ার কারণেই এই অপরাধ বাড়ছে। যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অশনিসংকেত।’

  • পাকিস্তানকে সমর্থন করে হান্ড্রেড লিগ থেকে নিজেই বাদ মইন আলি!

    পাকিস্তানকে সমর্থন করে হান্ড্রেড লিগ থেকে নিজেই বাদ মইন আলি!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নিজে একজন পাক বংশোদ্ভুত খেলোয়াড়। তাই পাকিস্তানের প্রতি দরদটা ইংল্যান্ড দলের প্রাক্তন সদস্য মইন আলির (Moeen Ali) চিরকালেরই। এইতো কিছুদিন আগেই দ্য হান্ড্রেড লিগের (The Hundred) মালিকদের একেবারে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। জানা গিয়েছিল, পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের ইংল্যান্ডের এই বিশেষ লিগে অন্তর্ভুক্ত করতে রাজি ছিলেন না দলগুলির মালিকরা। তারপরই মইন কার্যত হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, পাকিস্তানি প্লেয়ারদের না নিলে বিক্ষোভ হবে। এবার সেই মইন আলিই এবারের হান্ড্রেড লিগে উপেক্ষিত। তাঁকে কিনতে রাজি নয় কোনও দল।

    দ্য হান্ড্রেড লিগে ব্যান মইন?

    রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া হান্ড্রেড লিগের নতুন সিজনের আগে কিংবদন্তি ক্রিকেটার মইন আলিকে দলে নিতে রাজি নয় কোনও ফ্রাঞ্চাইজি। আসন্ন নিলামের আগে পাক বংশোদ্ভুত ক্রিকেটারকে দলে না নেওয়ার বিষয়ে যুক্তি দিয়ে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড বলেছে, এবারের নিলামে কোনও দল মইন আলির প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তাই তাঁকে মনোনীত করা হয়নি।

    বলাই বাহুল্য, ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মইন। যদিও পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট লিগে খেলতে রাজি হন তিনি। কিন্তু তা হলেও ইংল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট লিগ হান্ড্রেডের কোনও দলেই জায়গা হল না তাঁর। অনেকেই মনে করছেন, পাক ক্রিকেটারদের নিয়ে দলগুলির মালিকদের একপ্রকার হুমকি দেওয়ায় মইনের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখল ফ্রাঞ্চাইজিগুলি। ওয়াকিবহাল মহলও এমন ঘটনার নেপথ্যে ইংল্যান্ড অলরাউন্ডারের পাকিস্তান প্রীতি খুঁজে পাচ্ছেন।

    অবশ্যই পড়ুন: ইংল্যান্ডের দুঃস্বপ্ন হয়ে ওঠার পাশাপাশি বিরাট কোহলিকেও পেছনে ফেললেন সঞ্জু স্যামসন

    ক্রিক ইনফোর এক রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সমর্থন জানানোর কারণেই যে মইনকে উপেক্ষা সহ্য করতে হচ্ছে এমনটা বলছে না ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। বরং ECB খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, হান্ড্রেড লিগে এমনিতেই প্লেয়ারদের তালিকা বড় হয়ে গিয়েছে। তাছাড়াও ফ্রাঞ্চাইজি গুলি কোন প্লেয়ারকে কিনবে বা দলে রাখবেন সেটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু দল গুলির মালিকরা মইনকে নিয়ে আগ্রহ না দেখানোর কারণেই খুব সম্ভবত এবারের লিগে খেলা হচ্ছে না তাঁর।

  • লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অতীত! বাংলার মহিলাদের জন্য গঠন হবে ৫৭০০ কোটির তহবিল

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অতীত! বাংলার মহিলাদের জন্য গঠন হবে ৫৭০০ কোটির তহবিল

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) শুরু হতে আর বেশিদিন বাকি নেই। অপেক্ষা শুধু কমিশনের দিনক্ষণ ঘোষণার। এদিকে এখনই জনসংযোগ বৃদ্ধি করতে উঠে পরে লেগেছে শাসক দল থেকে শুরু করে বিরোধীরা। এমতাবস্থায় পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে একাধিক জনমুখী প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইস্তেহার (BJP Manifesto) তৈরির প্রস্তুতি শুরু করেছে বিজেপি। মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পরিবর্তে বিরাট তহবিল গঠনের প্রতিশ্রুতি দিল বিজেপি।

    বিজেপির ইস্তেহারে একাধিক চমক

    বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে টার্গেট করে জনসংযোগ বৃদ্ধি করতে রাজ্যজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসরা যেমন উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে সাধারণের ঘরে ঘরে ঠিক তেমনই বিজেপিও ‘পরিবর্তন যাত্রা’ শুরু করেছে বিজেপি। একাধিক জেলায় শুরু হয়েছে দলীয় কর্মীদের ‘পরিবর্তন যাত্রা’। এমতাবস্থায় পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে একাধিক জনমুখী প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইস্তাহার তৈরির প্রস্তুতি শুরু করেছে বিজেপি। আর সেখানেই সরকারি কর্মচারী, যুবসমাজ এবং মহিলাদের জন্য একাধিক ঘোষণা করা হতে চলেছে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, পরিবর্তনের বাংলায় মহিলাদের জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের থেকেও বিরাট তহবিল গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি।

    ৫,৭০০ কোটি ফান্ডের তহবিল নারীদের জন্য

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের মত বিজেপিও নারী উন্নয়নকে নির্বাচনী অগ্রাধিকারের তালিকায় কার্যত সবার ওপরেই রেখেছে। তাইতো মহিলাদের জন্য প্রায় ৫,৭০০ কোটির একটি বিশেষ তহবিল গঠনের কথাও ঘোষণা করতে পারে বিজেপি। যেখানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের দৌলতে যেখানে মহিলাদের প্রতিমাসে ১৫০০/১৭০০ করে মেলে। সূত্রের খবর, এই তহবিল ব্যবহার করা হবে জীবিকা প্রকল্প, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি, স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে শক্তিশালী করা, শিক্ষায় সহায়তা এবং মহিলাদের নিরাপত্তা ও আর্থিক স্বনির্ভরতা বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগে। শুধু মহিলাদের জন্য নয়, যুবসমাজের জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। শূন্য পদে স্বচ্ছ ও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছে দল।

    আরও পড়ুন: সারদা, রোজভ্যালির পর বাংলায় আরেক চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারি! পূর্বস্থলী! কোটি কোটি টাকা তছরুপ

    সরকারি কর্মীদের জন্য আনা হবে নানা চমক

    প্রসঙ্গত, বিজেপির পেশ করা ইস্তেহারে থাকবে সরকারি কর্মীদের জন্যও রয়েছে বড় চমক। সূত্রের দাবি, ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গের লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারীর বেতন ও ভাতা কেন্দ্রের কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংশোধন করা হবে। এবং কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে। আসলে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকে সরকারি কর্মীদের আন্দোলন, ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যে পড়তে হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। সেই সুযোগকে তাই কাজে লাগিয়ে ইস্তাহারে বড় চমক এনেছে বিজেপি।

  • DA থেকে সপ্তম পে কমিশন, শাহের ওপর আস্থা? জানালেন পশ্চিমবঙ্গ সরকাররের কর্মীরা

    DA থেকে সপ্তম পে কমিশন, শাহের ওপর আস্থা? জানালেন পশ্চিমবঙ্গ সরকাররের কর্মীরা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলায় বিধানসভা ভোটের মুখে প্রতিশ্রুতির বন্যা বইছে সকলের জন্য। ইতিমধ্যে ভোটকে নজরে রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকার লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বৃদ্ধি, বেকার ভাতার আওতায় ১৫০০ টাকা, ৪ শতাংশ ডিএ (Dearness allowance) বৃদ্ধি, সপ্তম বেতন পে কমিশনের ঘোষণা করেছে। অপরদিকে সম্প্রতি বাংলা সফরে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছেন, বাংলায় বিজেপি সরকার গড়ল ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন পে কমিশন (7th Pay Commission) লাগু করা হবে। এতকিছু প্রতিশ্রুতির মধ্যে এখন প্রশ্ন উঠছে, বাংলার সরকারি কর্মীরা এসবের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারছেন? সেই নিয়েই এবার মুখ খুললেন বকেয়া মহার্ঘ ভাতা আদায়ের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ ও কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ-এর সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    অমিত শাহের প্রতিশ্রুতিতে আস্থা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের?

    অনেকেই ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন, DA, পেনশন, বেতন বৃদ্ধি নিয়ে অমিত শাহের কথার ওপর আস্থা রাখতে পারবেন বাংলার সরকারি কর্মীরা? কারণ দীর্ঘ বিগত কয়েক বছর ধরে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মামলা নিয়ে লড়াই চলছে। আর এই লড়াইয়ে আংশিক জয়ও পেয়েছেন সকলে। আগামী ৩১ মার্চ, ২০২৬-এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সরকারি কর্মীদের বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এসবের মধ্যেই মলয় মুখোপাধ্যায়ের আশঙ্কা, ভোটের পর তৃণমূল সরকার পুনরায় নির্বাচিত হলে পেনশন বন্ধ করে দিতে পারে। অমিত শাহের করা মন্তব্য প্রসঙ্গে মলয়বাবু জানান, ‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখ দিয়ে একটা কথা বের হওয়া মানে সেটাকে একদম অবিশ্বাস আমরা করতে পারি না বা করছিও না।’

    ২০৩০ সালে লাগু হবে সপ্তম বেতন পে কমিশন!

    মুখ্যমন্ত্রীর করা সপ্তম বেতন কমিশন প্রসঙ্গে মলয় মুখোপাধ্যায় জানান, ‘বর্তমান সরকার যদি আবার আসে তাহলে এই সপ্তম বেতন পে কমিশন ২০৩০ সালে লাগু হবে। মুখ্যমন্ত্রী এসে অনেক কথাই বলেছিল। তাঁর যে প্রতিশ্রুতি কতটা ফেক তা কর্মচারী সমাজ হারে হারে টের পাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে বাম আমলে যে যে বঞ্চনা হয়েছিল তা তাঁরা এসে ঠিক করে দেবেন। কিন্তু সেটা একদম মিথ্যে প্রতিশ্রুতি ছিল। এখানে শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। আর এসব করেই দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে রাজত্ব করছে বর্তমান সরকার। তবে এই যে মাননীয় অমিত শাহের বক্তব্য এটা যদি সত্যি সত্যি লাগু হয় তাহলে ১০০ শতাংশ সরকারি কর্মচারীরা অনেক উপকৃত হবে, যেটা বর্তমান সরকার থাকলে আমরা পেতাম না।’

    আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় বা তৃতীয় সন্তানের জন্ম দিলেই ২৫,০০০ টাকা দেবে রাজ্য সরকার! কবে থেকে?

    অমিত শাহ বলেছেন ৪৫ দিনের মধ্যে পে কমিশন লাগু হবে। যদিও মলয় মুখোপাধ্যায় অন্য কথা বলছেন। তিনি জানান, ‘আমার মনে হয় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই বেতন কমিশনের বিস্তারিত তথ্য জানেন না। তবুও তাঁর মুখ থেকে ওই কথাটা বলা মানে কিন্তু বড় বিষয়।’

  • শুরু হল চারধাম যাত্রা ২০২৬-র অনলাইন রেজিস্ট্রেশন, কোথা থেকে করবেন? দেখে নিন

    শুরু হল চারধাম যাত্রা ২০২৬-র অনলাইন রেজিস্ট্রেশন, কোথা থেকে করবেন? দেখে নিন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: চারধাম যাত্রায় (Char Dham Yatra 2026) যাবেন? এপ্রিলের আগেই ভক্তদের সুখবর দিল উত্তরাখণ্ড সরকার। এবছর আগামী 22 এপ্রিল খুলছে কেদারনাথ (Kedarnath) ধাম। তার আগে গঙ্গোত্রী ও যমুনেত্রী মন্দিরের দরজা খুলবে 19 এপ্রিল। এছাড়াও বদ্রিনাথ মন্দির ভক্তদের জন্য আগামী 23 এপ্রিল থেকে খুলে যাবে। তার আগেই আজ অর্থাৎ 6 মার্চ, শুক্রবার থেকেই চারধাম যাত্রার জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা যাচ্ছে। শুক্রবার সকাল সাতটা থেকেই অনলাইন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বলাই বাহুল্য, চারধাম যাত্রায় অংশ নেওয়ার আগে ভক্তদের রেজিস্ট্রেশন করার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করেছে পুষ্কর সিং ধামী সরকার।

    চারধামের সময়সূচী

    আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এবছর 19 এপ্রিল অর্থাৎ অক্ষয় তৃতীয়ার দিন খুলে যাচ্ছে গঙ্গোত্রী এবং যমুনেত্রী মন্দিরের দরজা। এইদিন থেকেই পশ্চিম হিমালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে তীর্থযাত্রা। অন্যদিকে কেদারনাথ মন্দিরের দরজা খুলছে 22 এপ্রিল। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী এদিন সকাল 8টায় বৃশ লগ্নে খুলবে মন্দিরের দরজা। এছাড়াও জানা গিয়েছে এ বছর কেদারনাথ মন্দিরের প্রধান পুরোহিত থাকছেন টি গঙ্গাধর লিং। মন্দিরের যাবতীয় পুজো পার্বণের দায়িত্ব থাকবে তাঁর কাঁধেই।

    অন্যদিকে বদ্রিনাথ মন্দির খুলবে আগামী 23 এপ্রিল। এদিন ভোর 6টা বেজে 15 মিনিট নাগাদ ব্রহ্ম মুহূর্তে খোলা হবে এই মন্দিরের দরজা। তার আগে 7 এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে যাবে বার্ষিক গদুঘর যাত্রা। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কেদারনাথের দরজা খুলতেই হাজার হাজার ভক্ত সেখানে পাড়ি দিতে পারবেন। তবে তার আগে রেজিস্ট্রেশন করে নেওয়া বাধ্যতামূলক।

     

    আধার কার্ডের মাধ্যমে করা যাচ্ছে রেজিস্ট্রেশন

    উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে চারধাম যাত্রা 2026 এ অংশ নিতে হলে আগে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে হবে সরকারি পোর্টালে। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া অনলাইন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চারধাম যাত্রায় নিজের নাম জুড়তে উত্তরাখণ্ড সরকারের অফিসিয়াল পোর্টাল Registrationandtouristercare.uk.gov.in এ গিয়ে আধার কার্ডের মাধ্যমে ভক্তরা রেজিস্ট্রেশন করে নিতে পারবেন। তবে বিদেশি ভক্তদের জন্য ইমেইল আইডির মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন এর সুবিধা থাকছে।
    এছাড়াও টুরিস্ট কেয়ার উত্তরাখণ্ড মোবাইল অ্যাপ থেকেও রেজিস্ট্রেশন করা যাচ্ছে। একই সাথে, 8394833833 এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপে Yatra লিখে পাঠালে সমস্ত তথ্য পেয়ে যাবেন তীর্থ যাত্রীরা। এভাবেও রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।

    অবশ্যই পড়ুন: সেমিফাইনালে ১০ বছর পুরনো রেকর্ড একসাথে ভাঙল ভারত এবং ইংল্যান্ড

    কিন্তু যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন না তাঁদের আগামী 17 এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এদিন থেকেই শুরু হচ্ছে চারধাম যাত্রার অফলাইন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া। চারধাম যাত্রা শুরুর দুদিন আগেই ঋষিকেশ নিবন্ধন কেন্দ্র, ঋষিকুল গ্রাউন্ড, হরিদ্দার এবং বিকাশ নগর দেহরাদুন নিবন্ধন কেন্দ্র সহ অন্যান্য ট্রানজিট ক্যাম্প বা কাউন্টার থেকে চারধাম যাত্রার জন্য রেজিস্ট্রেশন করাতে পারবেন ভক্তরা। এছাড়াও উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফে চারধাম যাত্রা সম্পর্কিত ভক্তদের যেকোনও প্রকার সমস্যা সমাধানের জন্য একটি টোল ফ্রি নম্বর চালু করা হয়েছে। চারধাম যাত্রা সম্পর্কিত যে কোনও ধরনের প্রশ্নের উত্তর পেতে বা তথ্য জানতে 0135-1364 এই নম্বরে কল করতে হবে।

  • ইংল্যান্ডের দুঃস্বপ্ন হয়ে ওঠার পাশাপাশি বিরাট কোহলিকেও পেছনে ফেললেন সঞ্জু স্যামসন

    ইংল্যান্ডের দুঃস্বপ্ন হয়ে ওঠার পাশাপাশি বিরাট কোহলিকেও পেছনে ফেললেন সঞ্জু স্যামসন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইংল্যান্ড ম্যাচে ভারতের জয়ের নায়ক কিন্তু সঞ্জু স্যামসন (Sanju Samson)। ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণের সামনে রুখে দাঁড়িয়ে প্রথম থেকেই টিম ইন্ডিয়ার সাফল্যের রাস্তা পরিষ্কার করছিলেন তিনি। এদিন সঞ্জুর ব্যাটিং দেখে কার্যত হা হয়ে গিয়েছিল ইংরেজ দল। বলে বলে চার ছয় হাঁকিয়ে ইংল্যান্ড বাহিনীকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছিলেন এই দক্ষিণী ব্যাটসম্যান। আর সেই সূত্রেই একদিক থেকে বিরাট কোহলিকে টপকে গিয়েছেন তিনি।

    এভাবে বিরাট কোহলিকেও পেছনে ফেললেন সঞ্জু!

    বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের দুর্ধর্ষ বোলিং আক্রমণের সামনে প্রথম থেকেই নিজেকে মেলে ধরেছিলেন সঞ্জু স্যামসন। এদিন 8টি চার এবং 7টি ছয় সহযোগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একেবারে 89 রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন সঞ্জু। এদিন 211 স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে একেবারে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন সঞ্জু। সেই সূত্রেই বিরাট কোহলির রেকর্ডে ভাগ বসানোর পাশাপাশি একদিক থেকে কিং কোহলিকে পেছনে ফেলেছেন এই ভারতীয় তারকা।

    বলাই বাহুল্য, গতকাল 42 বল খেলে ভারতীয় দলকে 89 রানের দাপুটে ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন সঞ্জু। একইভাবে আজ থেকে 10 বছর আগে 2016 র টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে 47 বল খেলে 89 রান করেছিলেন বিরাট কোহলি। যদিও সেদিন সঞ্জুর থেকে 5 বল বেশি খেলতে হয়েছিল তাঁকে। সেই সাথে সঞ্জুর থেকেও কম স্ট্রাইক রেট ছিল বিরাটের। আর সেই সূত্রেই রানের নিরিখে কোহলির পাশাপাশি বসলেও স্ট্রাইক রেট এবং বলের নিরিখে বিরাট কোহলিকেও পেছনে ফেলেছেন স্যামসন।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ছিটকে গেল পরশুরাম, বেঙ্গল টপারের শিরোপা ফিরে পেল এই মেগা, দেখুন TRP তালিকা

    উল্লেখ্য, চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুর দিকে ক্রমাগত ব্যর্থ হয়েছিলেন ভারতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটসম্যান সঞ্জু। ব্যর্থতার সেই সময় মাঠে ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে সঞ্জুর পিঠ চাপড়ে বলতে শোনা গিয়েছিল, “বড় টুর্নামেন্ট, যেকোনও সময় সুযোগ আসতে পারে।” রোহিতের সেই কথাই হয়তো সঞ্জুর জন্য মন্ত্রের মতো কাজ করেছে। তাইতো শেষ দুই ম্যাচে ভারতকে জেতানোর ক্ষেত্রে সবার আগে রয়েছে নেই তারকা ক্রিকেটার।

  • ৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস বুকে নাম লেখাল যুবক, চিনে নিন প্রথাব মুনিয়ান্দিকে

    ৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস বুকে নাম লেখাল যুবক, চিনে নিন প্রথাব মুনিয়ান্দিকে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আচ্ছা, আপনাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় যে সাধারণ মানুষের মুখে কটা দাঁত (Teeth) হয়? তাহলে আপনি নিশ্চয়ই বলবেন ৩২টি। তবে আমরা যদি আপনাকে বলি যে একজন ব্যক্তির মুখে ৪২টি দাঁত আছে, তাহলে কি আপনি বিশ্বাস করবেন? শুনে হয়তো চমকাবেন! কিন্তু আসলে এটাই সত্যি। কারণ, আজ আমরা যে ব্যক্তিকে নিয়ে কথা বলব, তাঁর মুখে ৩২টি নয়, বরং ৪২টি দাঁত রয়েছে (Man With Most Teeth)। আর সেই কারণেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে তাঁর নাম নথিভুক্ত হয়েছে।

    ৪২টি দাঁত নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড

    আসলে আমরা বলছি প্রথাব মুনিয়ান্দি (Prathab Muniandy) নামের এক ব্যক্তির কথা, যিনি ৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু পোস্ট ভাইরাল হচ্ছে। পোস্টগুলির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, মালয়েশিয়ার প্রথাব মুনিয়ান্দির ৪২টি দাঁত আছে, যা স্বাভাবিকের থেকেও ১০টি বেশি। তাঁর এই কৃতিত্ব তাঁকে বিশ্বের সবথেকে বেশি দাত থাকার রেকর্ডধারী করে তুলেছে। এমনকি এই তথ্য জানতে পেরে নেট নাগরিকরাও তো হতবাক।

    কে এই প্রথাব মুনিয়ান্দি?

    আসলে গত ৫ মার্চ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তাদের ব্লগ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই তথ্য শেয়ার করেছে। সেই অনুযায়ী জানা যায়, প্রথাব মুনিয়ান্দি মালয়েশিয়ার একজন বাসিন্দা। সে প্রথমে দাবি করে যে তাঁর ৪২টি দাঁত রয়েছে। কিন্তু তা মানতে নারাজ ছিল বিশেষজ্ঞরা। সেই কারণে দুজন দন্ত্য চিকিৎসক তাঁর দাঁত পরীক্ষা করেছিলেন। এরপর তাঁর দাবি সত্য প্রমাণিত হয় এবং তখন থেকেই সে বিশ্বের সবথেকে বেশি দাঁতওয়ালা ব্যক্তির রেকর্ড নিজের মুকুটে নিয়ে নেয়।

    আরও পড়ুন: সারদা, রোজভ্যালির পর বাংলায় আরেক চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারি! পূর্বস্থলী! কোটি কোটি টাকা তছরুপ

    এ বিষয়ে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হলে সে বলে যে, “আমি ২০২১ সালে প্রথমে এটি লক্ষ্য করি। তখন আমি আমার পরিবারকে বলেছিলাম যে আমার অতিরিক্ত দাঁত গজাচ্ছে। তাঁরা গুনে দেখে আমার তখন ৩২টি দাঁত ছিল। কিন্তু পরে একটি এক্স-রেতে দেখা যায় যে আরও চারটি দাঁত এখনো ফোটেনি। তবে ২০২৩ সালের প্রথম দিকে আমি বুঝতে পারি যে আমার মোট ৪২টা দাঁত গজিয়েছে। যদিও সৌভাগ্যবশত বেশিরভাগ দাঁতই সোজা হয়েছে, কোনও জটিলতা ছাড়াই সেগুলি বড় হয়েছে। প্রথমে শুনে সবাই অবাক হয়, এবং বিশ্বাস করতে চায় না। কিন্তু পরে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখতে পায় যে একজন সাধারণ মানুষের থেকে আমার ১০টি দাঁত বেশি।”

  • ছিটকে গেল পরশুরাম, বেঙ্গল টপারের শিরোপা ফিরে পেল এই মেগা, দেখুন TRP তালিকা

    ছিটকে গেল পরশুরাম, বেঙ্গল টপারের শিরোপা ফিরে পেল এই মেগা, দেখুন TRP তালিকা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ একদিন দেরিতে হলে সামনে এল বাংলা সিরিয়ালগুলির টিআরপি তালিকা (TRP List)। আর গত সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেও টিআরপি (Target rating point) সেরার তকমা হারাল স্টার জলসার পরশুরাম আজকের নায়ক মেগাটি। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। তবে এই সপ্তাহে যে মেগাটি বেঙ্গল টপার হয়েছে তার নাম শুনলে চমকে উঠবেন আপনিও। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    এ সপ্তাহের টিআরপি তালিকা 2026

    দুদিন আগেই গিয়েছে দোল এবং হোলি। আর এই রঙের উৎসবে যে বেশিরভাগ কেউ ঘরে বসে মেগা সিরিয়াল দেখেননি সেটা বোঝাই যাচ্ছে টিআরপি রেটিংস দেখে। এই সপ্তাহে যেন রেকর্ড পতন হয়েছে রেটিংস-এ। সব মোটামুটি ৬-এর ঘরে। প্রতি সপ্তাহে চলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। চলতি সপ্তাহের টিআরপি তালিকায় সবটাই ওলটপালট হয়ে গিয়েছে। যাইহোক, আপনিও কি জানার জন্য উদগ্রীব কোন মেগা এই সপ্তাহে বেঙ্গল টপারের তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে?

    আরও পড়ুনঃ একদম ঝাঁ চকচকে, অমৃত ভারত প্রকল্পে ভোল বদলে গেল পুরুলিয়ার দুই রেল স্টেশনের

    এমনিতে বেশ কিছু সময় ধরেই যেন এক অঘোষিত লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছে স্টার জলসার পরশুরাম এবং জি বাংলার পরিণীতা। প্রতি সপ্তাহে টিআরপির শীর্ষে থাকার লড়াই চলছে এই দুই মেগার মধ্যে। হারানো জায়গা ফিরে পেতে দুই মেগাই কিন্তু মরিয়া। কিন্তু বাজিমাত তো একজনকেই করতে হবে। এবারেও তাই হল। আর এই নিয়ে দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো টিআরপি সেরা হল জি বাংলার পরিণীতা। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন।

    এক নজরে সেরা ১০ সিরিয়ালের তালিকা

    • বেঙ্গল টপার- পরিণীতা 6.2
    • দ্বিতীয়- রাঙামতি 6.1
    • তৃতীয়- জোয়ার ভাঁটা, পরশুরাম 6.0
    • চতুর্থ- ও মোর দরদিয়া 5.7
    • পঞ্চম- প্রোফেসার বিদ্যা ব্যানার্জি 5.5
    • ষষ্ঠ- লক্ষ্মী ঝাঁপি 5.4
    • সপ্তম- আমাদের দাদামণি 5.3
    • অষ্টম- তারে ধরি ধরি মনে করি 5.1
    • নবম- বেশ করেছি প্রেম করেছি, চিরদিনই তুমি যে আমার, চিরসখা 4.6
    • দশম- কম্পাস 4.1
  • বাংলায় আরেক চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারি! পূর্বস্থলীতে কোটি কোটি টাকা তছরুপ

    বাংলায় আরেক চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারি! পূর্বস্থলীতে কোটি কোটি টাকা তছরুপ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সারদা-রোজভ্যালিতে চিটফান্ড কাণ্ড (Chit Fund Case) নিয়ে বিতর্ক এখনও শেষ হয়নি। হাজার হাজার বিনিয়োগকারীর থেকে বেআইনিভাবে আমানত সংগ্রহ করা হয়েছিল, যদিও এই ঘটনা সংক্রান্ত মামলা এখন বিচারাধীন। ইডি জানিয়েছে, তারা প্রায় ৪৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে যা বিনিয়োগকারীদের ফেরানো হবে। আর এই অবস্থায় সারদার স্মৃতি দেখা গেল পূর্বস্থলীতে (Purbasthali), আরেক চিটফান্ড কাণ্ডের হদিস পাওয়া গেল। আমানতকারীদের টাকা নিয়ে পালাল প্রতারকরা।

    পূর্বস্থলীতে চিটফান্ড কাণ্ড

    রিপোর্ট মোতাবেক, পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী এলাকায় চিটফান্ডে টাকা বিনিয়োগের নাম করে কোটি কোটি টাকা আদায় করা হয়েছিল গ্রাহকদের কাছ থেকে। দাবি করা হয়েছিল টাকা বিনিয়োগ করলে অল্প সময়েই বিপুল পরিমাণ সুদ মিলবে। অনেকেই তাঁদের টোপ গিলে টাকা বিনিয়োগও করে বসছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই সংস্থায় টাকা জমা করেছিলেন। কিন্তু এখন টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে চোখ কপালে উঠল লগ্নিকারীদের। অভিযোগ, জমানো কোটি কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে গেল দুই চিটফান্ড মালিক। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।

    অফিসিয়াল কাগজপত্রের মধ্যেও রয়েছে ত্রুটি

    লগ্নিকারীদের অভিযোগ, টাকা নেওয়ার সময় যে কাগজপত্র চিটফান্ড থেকে দেওয়া হয়েছিল তাতেও একাধিক গোলযোগ ছিল। এমনকি ওই কাগজে ওই প্রতারকরা পুরো স্বাক্ষর করত না। এখানেই শেষ নয়, অফিসিয়াল কাগজপত্রের মধ্যেও ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের কোনও অনুমোদনও ছিল না। এইভাবেই এই চিট ফান্ড চালানো হত, আর সাধারণেরা এই প্রতারকদের বিশ্বাস করে তাঁদের সমস্ত সঞ্চয় বিনিয়োগ করতেই জালিয়াতির শিকার হল। জানা গিয়েছে, ওই দুই মালিকের মধ্যে একজনের বাড়ি পূর্বস্থলী থানার সিংহারি গ্রামে এবং অপরজনের বাড়ি পূর্বস্থলী নতুন বাজারপাড়া এলাকায়। এই বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করছেন অনেকেই।

    আরও পড়ুন: একদম ঝাঁ চকচকে, অমৃত ভারত প্রকল্পে ভোল বদলে গেল পুরুলিয়ার দুই রেল স্টেশনের

    প্রসঙ্গত, এলাকায় একাধিক চিটফান্ডের রমরমা ব্যবসা চলছে ইদানিং। সারদা থেকে শুরু করে রোজভ্যালি, একসময় চিটফান্ডের রমরমা কারবার দেখে রীতিমতো চোখ কপালে উঠেছিল সাধারণ মানুষের। কিন্তু, ধীরে ধীরে এই সমস্ত বড় চিটফান্ডগুলি প্রতারণার জাল ছড়িয়ে ফেলেছে, আর তাতেই সাধারণের কোটি কোটি টাকা জলে চলে যাচ্ছে। এখন প্রশ্ন উঠছে প্রতারকদের বিরুদ্ধে কি আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে পুলিশ প্রশাসনের তরফে।