Blog

  • অলির দুর্গে জয়, নেপালের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন ভারতবিরোধী র‍্যাপার! কে এই বলেন্দ্র শাহ?

    অলির দুর্গে জয়, নেপালের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন ভারতবিরোধী র‍্যাপার! কে এই বলেন্দ্র শাহ?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: নেপালের রাজনীতিতে (Nepal Politics) এবার বিরাট বদল। সাম্প্রতিক নির্বাচনের ভোট গণনায় দেখা যাচ্ছে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলিকে পেছনে ফেলেই এগিয়ে গেলেন কাঠমাণ্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ (Balendra Shah)। বিশেষ করে অলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ঝাপা কেন্দ্রেই তিনি তাঁকে পিছনে ফেলেছেন। হ্যাঁ, বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হওয়ার পরেই রাত থেকে শুরু হয়েছে গণনা। আর গণনার শুরুতেই যা ফলাফলের ইঙ্গিত রয়েছে, তাতে নেপালের রাজনীতিতে এবার নতুন অধ্যায় সূচনা হবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

    কে এই বলেন্দ্র শাহ?

    জানিয়ে রাখি, বলেন্দ্র শাহ একজন জনপ্রিয় র‍্যাপার হিসেবেই পরিচিত। কিন্তু পরে ধীরে ধীরে রাজনীতির ময়দানে প্রবেশ করেন। পড়াশোনার ক্ষেত্রে তাঁর উল্লেখযোগ্য সাফল্যও রয়েছে। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যায়, হিমালয়ান হোয়াইট হাউস ইন্টারন্যাশনাল কলেজ থেকে তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। তারপর কর্নাটকের বিশ্বেশ্বরায়া টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। আর বর্তমানে কাঠমাণ্ডু ইউনিভার্সিটিতে তিনি পিএইচডি করছেন। পাশাপাশি তিনি একসময় টেলিভিশন উপস্থাপক হিসেবেও কাজ করেছেন। ২০২২ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে মেয়র হিসেবে নিয়োগ নির্বাচিত হন।

    এদিকে নেপালের তরুন প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ জনপ্রিয় একজন নাম। বিশেষ করে সাম্প্রতিক চলা জেন-জি আন্দোলনের সময় তিনি প্রকাশ্যে বিক্ষোভকারীদের সমর্থন জানিয়েছিলেন। আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা দ্রুতই বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছিল। সেই আন্দোলনের পরেই নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয় এবং পরে কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপর অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন নেপাল সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি।

    বলে রাখার বিষয়, ঝাপা কেন্দ্রকে দীর্ঘদিন ধরেই কেপি শর্মা অলির শক্তপোক্ত ঘাঁটি হিসেবে ধরা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত সেই কেন্দ্রেই প্রাথমিকভাবে এগিয়ে রয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। আর যদি শেষ পর্যন্ত এই ফলাফল বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বিরাট চমক আসবে তাও বলার অপেক্ষা রাখে না। অনেকেই মনে করছেন যে, ভবিষ্যতে তাঁকেই প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত করা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: যুদ্ধের প্রভাব গ্যাসে! কলকাতায় বন্ধ হল LPG-র গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা

    ভারত-নেপাল সম্পর্ক নিয়ে উদ্বেগ

    এদিকে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে আরও এক জল্পনা। কারণ, বলেন্দ্র শাহকে অনেকেই ভারত বিরোধী বলে মনে করে থাকেন। অতীতে তিনি ভারতের কিছু অঞ্চলকে গ্রেটার নেপালের অংশ হিসেবে দাবি করেন। এমনকি ২০২৩ সালের জুন মাসে নিজের দফতর থেকে একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন তিনি। আর সেখানে ভারতের কিছু এলাকাকে নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল, যা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিতর্ক হয়। তবে এ নিয়ে ভারতের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া এসেছে। দিল্লির বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন যে, ভারত সব সময় নেপালের শান্তি এবং উন্নয়ন চায়। নতুন সরকার গঠিত হলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

  • কামরূপ এক্সপ্রেসের টিকিট কাটা? বড় আপডেট দিল রেল

    কামরূপ এক্সপ্রেসের টিকিট কাটা? বড় আপডেট দিল রেল

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ট্রেন যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে দফতর (Northeast Frontier Railway)। জানানো হয়েছে কামরূপ এক্সপ্রেস ট্রেন (Kamrup Express) আগামীকাল অর্থাৎ ৭ মার্চ থেকে বেশ কয়েকটি নতুন স্টেশনে স্টপেজ দেবে। রেল দফতরের এই পদক্ষেপে এবার দূরপাল্লার ট্রেন ধরতে আর কষ্ট করতে হবে না যাত্রীদের। কোন এক্সপ্রেস ট্রেন কোন স্টেশনে দাঁড়াবে আমাদের আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেনে নিন।

    কামরূপ এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ আপডেট

    রেলের রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ শুক্রবার, ৬ মার্চ থেকে ১৫৯৫৯ হাওড়া-ডিব্রুগড় টাউন কামরূপ এক্সপ্রেস এবং ১৫৯৬০ ডিব্রুগড়-হাওড়া এক্সপ্রেস বেশ কয়েকটি নতুন স্টেশনে স্টপেজ দেবে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে জানিয়েছে এই এক্সপ্রেস ট্রেনটি চাবুয়া, কামপুর, সরুপেটা ও বিজনী স্টেশনে দাঁড়াবে। তবে এই স্টপেজ এখনও স্থায়ী নয়, আপাতত পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রাখা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ১৫৯৬০ ডিব্রুগড়-হাওড়া ট্রেনটি আজ ২০:৩১ মিনিটে চাবুয়া স্টেশনে পৌঁছবে এরপর ২ মিনিট সেখানে দাঁড়িয়ে ৩৩ এ স্টেশন ছাড়বে। অন্যদিকে আগামীকাল থেকে কামপুর স্টেশনে ০৬:১৫ মিনিটে পৌঁছবে এবং ১৭ তে ছাড়বে।

    একইভাবে আগামীকাল অর্থাৎ শনি থেকে, ডিব্রুগড়-হাওড়া এক্সপ্রেস সরুপেটা স্টেশনে ১০:৩৫ মিনিটে পৌঁছবে এবং ৩৭ এ ছাড়বে। বিজনী স্টেশনে পৌঁছবে ১১:১০ মিনিটে পৌঁছবে এবং ১২ টে ছাড়বে। অন্যদিকে ১৫৯৫৯ হাওড়া-ডিব্রুগড় টাউন কামরূপ এক্সপ্রেসটি আগামী ৯ মার্চ থেকে চাবুয়া স্টেশনে পৌঁছবে ৩:০৬ মিনিটে এবং ছাড়বে ৮ এ। কামপুর স্টেশনে পৌঁছবে ১৭:০০ মিনিটে এবং ছাড়বে ১৭:০২ এ, পাশাপাশি সরুপেটা স্টেশনে ১১:৫৪ মিনিটে পৌঁছবে এবং ৫৬ এ ছাড়বে। বিজনী স্টেশনে পৌঁছবে ১১:১৬ মিনিটে পৌঁছবে এবং ১৮ টে ছাড়বে।

    আরও পড়ুন: ভোটাধিকার রক্ষায় ধরনায় মমতা, ধর্মতলায় কতদিন চলবে এই কর্মসূচি?

    আরও দুটি এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ পরিবর্তন

    প্রসঙ্গত, কামরূপ এক্সপ্রেস ছাড়াও ২২৫০৪ ডিব্রুগড় কন্যাকুমারী বিবেক সুপার এক্সপ্রেস এবং ২২৫০৩ কন্যাকুমারী ডিব্রুগড় বিবেক সুপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি অভয়াপুরী স্টেশনে থামবে। আগামীকাল ২২৫০৪ ডিব্রুগড় কন্যাকুমারী বিবেক সুপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি ৯:৩০ মিনিটে অভয়াপুরী স্টেশনে থামবে এবং ৩২ এ ছাড়বে। অন্যদিকে ২২৫০৩ কন্যাকুমারী ডিব্রুগড় বিবেক সুপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি অভয়াপুরী স্টেশনে ০৪:৪৪ মিনিটে পৌঁছবে এবং ০৪:৪৬ মিনিটে স্টেশন ছাড়বে। এটিও সম্পূর্ণ পরীক্ষা করার জন্য থামবে।

  • “দাবি না মানলে বাংলাদেশ-নেপালের মতো আন্দোলন” তীব্র হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেতৃত্বের

    “দাবি না মানলে বাংলাদেশ-নেপালের মতো আন্দোলন” তীব্র হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেতৃত্বের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) শুরু হতে আর বেশিদিন বাকি নেই, কিন্তু এখনও রাজ্যে SIR (SIR In Bengal) বিতর্ক যেন কিছুতেই কাটছে না। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি SIR এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই অশান্তি যেন চরম আকার নিয়েছে। এই অবস্থায় কমিশনের বিরুদ্ধে আজ থেকেই ধর্মতলায় ধর্নায় বসেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এক এক করে বিধায়ক নেতা মন্ত্রী উপস্থিত হচ্ছে এই সভায়। আর এবার SIR বিতর্ক নিয়ে দলের সংখ্যালঘু সেলের তরফে রীতিমতো বাংলাদেশের অনুকরণে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিল তৃণমূল নেতৃত্ব।

    বাংলাদেশ বা নেপালের মতো আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    রিপোর্ট মোতাবেক, গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ির বাহাদুর অঞ্চলে তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের তরফে একটি সভা করা হয়। ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের অঞ্চল সভাপতি মেহেবুব আলম, উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল মাদারের জেলা কমিটির সদস্য পল হাসান প্রধান। এদিন SIR কর্মসূচিতে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছিল সেই সময় তৃণমূল নেতৃত্ব হুঁশিয়ারি দেয় যে আগামীতে যে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ হতে চলেছে, সেই তালিকায় যদি সব জীবিত ভোটারদের নাম না থাকে তাহলে জলপাইগুড়ি জেলায় ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন করতে দেবেন না তাঁরা। এখানে শেষ নয়, হুঁশিয়ারি দিয়ে শাসকদল জানায় যে,“ প্রয়োজনে বাংলাদেশ বা নেপালের মতো আন্দোলন করা হবে। তখন যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী এগিয়ে আসে তবে তাদের সঙ্গেও সরাসরি সংঘাতের পথে যেতে পিছপা হব না।”

    কটাক্ষ বিজেপির

    বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূল নেতাদের এই হুনসমূলক মন্তব্যকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য সৌজিত সিংহ। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “দেশে বাংলাদেশের মত জামাতের সরকার নেই। তাই তৃণমূল নেতাদের সংযত হয়ে মন্তব্য করাই ভালো।” পাশাপাশি তিনি SIR এ ভোটার তালিকায় বিচারাধীন নামের প্রসঙ্গে বলেন, “অনেক বিজেপি নেতা কর্মীদের নামও বিচারাধীন রয়েছে। তাই তাঁরাও উদ্বিগ্ন। কিন্তু প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে নাম অবশ্যই কাটা যাবে। তাই সকলে চিন্তামুক্ত থাকুন এবং নির্বাচন কমিশনারের ওপর বিশ্বাস রাখুন।”

    আরও পড়ুন: ভোটাধিকার রক্ষায় ধরনায় মমতা, ধর্মতলায় কতদিন চলবে এই কর্মসূচি?

    প্রসঙ্গত, এসআইআর শুরুর আগে জলপাইগুড়িতে মোট ভোটার ছিল ১৯১৪০২২ জন। কিন্তু এসআইআর শুরুর পর মৃত ও স্থানান্তরিত ভোটার হিসেবে বাদ যায় ১,৩৩,১০৭ জনের নাম। এরপর লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সিতে ডাক পান ২,৭৫,৪০২ জন ভোটার। অন্যদিকে, আনম্যাপ ক্যাটাগরিতে ছিলেন ৭৭৪৪০ জন ভোটার। পরে শুনানি পর্ব মিটলে শুনানির পর এবার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ল ৩২,৭৮৫ জন ভোটারের। এবং বর্তমানে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৪৮৯১৪ জন। এখন দেখার সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকায় কী ফলাফল বেরোয়।

  • ফাইনাল জিততে টোটকা, টিম ইন্ডিয়ার জন্য দুটি বড় বদল!

    ফাইনাল জিততে টোটকা, টিম ইন্ডিয়ার জন্য দুটি বড় বদল!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইংল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত (India Vs New Zealand Final)। আগামী 8 মার্চ, টিম ইন্ডিয়ার মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড। এই ম্যাচ জিতে একটানা দ্বিতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ট্রফি কাঁধে তোলার সুযোগ রয়েছে ভারতের (India National Cricket Team) । আর সেটা করতেই ম্যাচের আগে দুটি বড়সড় পরিবর্তন করল টিম ম্যানেজমেন্ট। জানা যাচ্ছে, নেতিবাচক প্রভাব থেকে বাঁচতেই বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।

    ফাইনালের আগে টিম ইন্ডিয়ার বিশেষ টোটকা

    একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনাল খেলতে নামার আগে ভারতীয় দলের হোটেল এবং স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুম পরিবর্তন করা হয়েছে। বলাই বাহুল্য, পরশু কিউইদের বিরুদ্ধে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে খেলবে ভারত। সেই মতোই ইতিমধ্যেই আহমেদাবাদে পৌঁছে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। তবে শোনা যাচ্ছে, যে হোটেলে ভারতীয় প্লেয়ারদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল সেই হোটেল এবার বদলে ফেলা হচ্ছে। এক কথায়, নির্ধারিত হোটেলের বদলে অন্য একটি হোটেলে থাকবেন সূর্যকুমার যাদবরা।

    জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রটোকল মেনে আহমেদাবাদের প্রথম ফাইনালিস্ট অর্থাৎ নিউজিল্যান্ড দলের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে, আইটিসি নর্মদা হোটেলে। অন্যদিকে ভারতীয় দলের থাকার ব্যবস্থা হয়েছে তাজ স্কাইলাইনে। বলাই বাহুল্য, 2023 ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালের সময় আহমেদাবাদের আইটিসি নর্মদা হোটেলেই ছিল টিম ইন্ডিয়া। কাকতালীয়ভাবে সেবারই অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছিল ভারত। হয়তো সে কারণেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে ভারতীয় দলকে ওই হোটেলে রাখতে চায় না টিম ম্যানেজমেন্ট। অনেকেই এই বিষয়টির মধ্যে আধ্যাত্মিক ভাব এবং কুসংস্কার খুঁজে পাচ্ছেন।

    তবে হোটেল বদলালেও ঠিক কোন কারণে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টিম ইন্ডিয়ার ড্রেসিংরুম বদলে ফেলা হচ্ছে সেকথা জানা যায়নি। বেশ কয়েকটি সূত্র এও বলছে, পরিস্থিতি অনুযায়ী টিম ইন্ডিয়ার প্লেয়াররা প্রতিপক্ষ দল অর্থাৎ নিউজিল্যান্ডের ড্রেসিং রুমও ব্যবহার করতে পারে। সে ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের প্লেয়াররা ভারতের ড্রেসিংরুম ব্যবহার করবে কিনা তা নিয়ে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই।

    অবশ্যই পড়ুন: সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের হারের কারণ ভারতের এই পাঁচ প্লেয়ার

    উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডকে 254 রানের বড় লক্ষ্য দিয়েছিল ভারত। পরবর্তীকাল সেই রান তাড়া করতে নেমে দাপিয়ে খেলেছিল ইংরেজ বাহিনী। নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ভারতকে চাপে রাখার চেষ্টা করেছিল ইংল্যান্ড দল। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। টিম ইন্ডিয়ার প্লেয়ারদের সঙ্ঘবদ্ধ লড়াইয়ের কাছেই হেরে গিয়েছে ইংরেজরা।

  • কৃষকরা কবে পাবেন পিএম কিষাণের ২২ তম কিস্তির টাকা? এভাবে চেক করুন স্ট্যাটাস

    কৃষকরা কবে পাবেন পিএম কিষাণের ২২ তম কিস্তির টাকা? এভাবে চেক করুন স্ট্যাটাস

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দেশের কোটি কোটি কৃষকদের জন্য রইল জরুরি খবর। বর্তমানে এখন কয়েক কোটি কৃষক করছেন পিএম কিষাণ যোজনার (PM Kisan Yojana) ২২ তম কিস্তির টাকার জন্য। কবে সেই টাকা পাঠাবে কেন্দ্রীয় সরকার? সেই প্রশ্ন সকলের। এসকল প্রশ্ন, অপেক্ষার মাঝেই সামনে এল বিরাট আপডেট যা প্রত্যেক কৃষকের জেনে রাখা উচিৎ। সেইসঙ্গে কবে পরবর্তী কিস্তির টাকা ঢুকবে সেটা জানতে চোখ রাখুন আজকের এই আর্টিকেলটির ওপর।

    কৃষকরা কবে পাবেন ২০০০ টাকা?

    আপনি যদি একজন কৃষক হয়ে থাকেন, আপনি যদি যোগ্য হন তবে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনায় (PM Kisan 22nd Installment) যোগদান করতে পারেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে, আপনাকে বছরে তিনবার ২০০০ টাকা করে মোট ৬০০০ টাকা দেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত, এই স্কিমের ২১টি কিস্তি দিয়েছে কেন্দ্র এবং এখন ২২তম কিস্তির পালা। যদিও ফেব্রুয়ারিতে ২২তম কিস্তি দেওয়ার কথা ছিল, তা হয়নি। এখন, ২২তম কিস্তি ১৩ মার্চ, ২০২৬ তারিখে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে সরকারের তরফে আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি জারি করা হয়নি। যে কারণে এখনও অবধি ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছেন সাধারণ চাষিরা।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) আগামী ১৩ মার্চ, ২০২৬-এ আসামের কোকরাঝার সফর করবেন। যেখানে একটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে পারে এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদী অনেক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করতে পারেন। এহেন পরিস্থিতিতে এই আলোচনাও শুরু হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একই দিনে অর্থাৎ ১৩ মার্চ ২২তম কিস্তি প্রকাশ করতে পারেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে, প্রধানমন্ত্রী মোদী ডিবিটির মাধ্যমে এই প্রকল্পের সাথে যুক্ত কোটি কোটি যোগ্য কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রতিটি ২০০০ টাকা করে ট্রান্সফার করতে পারবেন। তবে এই বিষয়ে পাকাপাকিভাবে কিছু জানা সম্ভব হয়নি।

    কারা টাকা নাও পেতে পারেন? কীভাবে স্টেটাস চেক করবেন

    যদিও এই টাকা অনেক কৃষক নাও পেতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। নিশ্চয়ই ভাবছেন কারা এই টাকা পাবেন না? আপনি যদি প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার সাথে যুক্ত থাকেন এর জন্য, আপনাকে ই-কেওয়াইসি এবং জমি যাচাইয়ের মতো কাজও করতে হবে। সেইসঙ্গে আধার লিঙ্কিংয়ের কাজও সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। যদি না করেন তাহলে টাকা পাওয়া আপনার ভাগ্যে নেই।

    আরও পড়ুনঃ DA থেকে সপ্তম পে কমিশন, শাহের ওপর আস্থা? জানালেন পশ্চিমবঙ্গ সরকাররের কর্মীরা

    আপনি টাকা পাবেন কিনা সেটা জানতে নিজের স্টেটাস দেখতে হবে। এর জন্য কৃষকরা এই প্রকল্পের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে তাদের অবস্থান বা স্টেটাস পরীক্ষা করতে পারবেন। আপনার আধার নম্বর বা মোবাইল নম্বর এন্ট্রি করালে কিস্তি পরিশোধ হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে। যদি আপনার কোনও সমস্যার সম্মুখীন হন, তাহলে আপনি নিকটতম পরিষেবা কেন্দ্র বা কৃষি বিভাগের অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

  • রাশিয়া থেকে ভয়ানক অস্ত্র কিনছে ভারত, মাথা ঝোঁকাবে পাকিস্তানের মতো শত্রুরা!

    রাশিয়া থেকে ভয়ানক অস্ত্র কিনছে ভারত, মাথা ঝোঁকাবে পাকিস্তানের মতো শত্রুরা!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে ALH Mk-III (MR) এবং VL-Shtil ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত (India Russia New Missile System)। ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ALH Mk-III (MR) এবং VL-Shtil 1 ক্ষেপণাস্ত্র পেতে 5,083 কোটির চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ভারত। এও জানা যাচ্ছে, ভারতীয় নৌবাহিনী (Indian Navy) রাশিয়ার জেএসসি রোসোবোরোনেক্সপোর্টের সাথে 2,182 কোটি টাকা মূল্যের সারফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেম কেনার জন্য চুক্তি করেছে। যা আগামী দিনে ভারতীয় জল বাহিনীকে শত্রুর যেকোনও ধরনের হামলা প্রতিহত করতে সাহায্য করবে।

    কী এই Shtil 1?

    ইউরেশিয়ান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, Shtil 1 আসলে একটি আঞ্চলিক বিমান ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। এক কথায়, এটি আসলে একটি মিডিয়াম রেঞ্জ নেভাল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। যা রাশিয়ার আলমাজ আন্তে সংস্থা হালকা যুদ্ধ জাহাজের জন্য তৈরি করেছে। Shtil-1 9M317ME সক্রিয় রাডার হোমিং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে থাকে। এটি সম্পূর্ণভাবে নৌ বাহিনীর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। যা যেকোনও সময় বায়বীয় হুমকি মোকাবিলা করতে পারবে।

    প্রতিরক্ষা খাতের গবেষকরা বলছেন, এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম প্রতি 2 থেকে 3 সেকেন্ডে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়তে পারে। দ্বিতীয় বিষয় এই Shtil-1 অবিলম্বে বায়বীয় হুমকি ধরার ক্ষমতা রাখে। তৃতীয়ত, এটি সুপারসনিক বিমান, ড্রোন, হেলিকপ্টার এমনকি অ্যান্টিসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র পরিচালনা করতে সক্ষম। এর রেঞ্জ সাড়ে তিন কিলোমিটার থেকে 50 কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে পাহাড়ি এলাকায় এটি সর্বোচ্চ 15 কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম। জানা যাচ্ছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বা Shtil-1 একসাথে 12টি লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে পারে।

    অবশ্যই পড়ুন: পাকিস্তানকে সমর্থন করে হান্ড্রেড লিগ থেকে নিজেই বাদ মইন আলি!

    কেন Shtil-1 বেছে নিল ভারত?

    রাশিয়ার কাছ থেকে এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার অন্যতম কারণ এটি অন্যান্য এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের তুলনায় অনেকটাই সস্তার। দ্বিতীয়ত ক্ষেপণাস্ত্রের আকার এবং টার্মিনাল শক্তি ইজরায়েলের বারাক এমআর এসএমের মতো সক্রিয় রাডার হোমিং সিস্টেমের থেকে অনেক ভাল। একই সাথে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যাটারি চালিত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ট্রান্সমিটারের উপর নির্ভর করে চালনা করা যায়। সেই সাথে এই ডিফেন্স সিস্টেমে থাকা আলো বা লাইট অত্যন্ত মৃদু। এর ফলে শত্রু এটিকে পুরোপুরি পরিষ্কারভাবে দেখতে পায় না। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার অত্যন্ত সহজ। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়একটি জাহাজে 24 থেকে 36টি এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বহন করা যায়। অনেকেই বলছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলির সামনে পাকিস্তানের মতো শত্রুরা মাথা ঝোকাবে!

  • সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের হারের কারণ ভারতের এই পাঁচ প্লেয়ার

    সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের হারের কারণ ভারতের এই পাঁচ প্লেয়ার

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বৃহস্পতিবারের হাই ভোল্টেজ ম্যাচ মনে থাকবে সবার (India Vs England)। এদিন ভারতের দেওয়া বিরাট রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একেবারে সমানে সমানে লড়াই করেছিল ইংল্যান্ড। তবে দুঃখের বিষয়, মাত্র 7 রানের ব্যবধানে হারতে হয়েছে তাঁদের। অন্যদিকে, ক্ষমতা দেখিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (2026 Men’s T20 World Cup) ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। তবে ম্যাচের পর যে প্রশ্নটা সবচেয়ে বেশি উত্থাপিত হয়েছে তা হল, ভারতের কোন প্লেয়ারদের জন্য হারতে হলো ইংল্যান্ডকে? কারা টিম ইন্ডিয়ার জয়ের নায়ক?

    এই 5 ভারতীয় প্লেয়ারের জন্যই হারল ইংল্যান্ড

    প্রথম প্লেয়ার

    গতকাল টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল ইংলিশরা। সেই সূত্রেই ওপেনিং করতে নেমে বড় সুযোগ পেয়ে যান সঞ্জু স্যামসন। গত ম্যাচের নায়ক এদিনও প্রতিপক্ষের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ালেন। বৃহস্পতিবার, ব্যাট হাতে ইংল্যান্ডের বোলারদের একেবারে পিটিয়ে ছাতু করেছিলেন সঞ্জু। একার হাতে তুলে নিয়েছিলেন 89 রান। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের প্রায় সকলেরই বক্তব্য, ইংল্যান্ডের হারের অন্যতম কারণ সঞ্জু।

    দ্বিতীয় প্লেয়ার

    গতকালের ম্যাচে ইংল্যান্ডের পরাজয়ের নেপথ্য ভারতীয় প্লেয়ারদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে অক্ষর প্যাটেলের নাম। গতকালের ম্যাচে বোধহয় সবচেয়ে বেশি অবদান ছিল তাঁর। ব্যাট হাতে সেভাবে বড় কিছু করার সুযোগ না পেলেও বল হাতে একটি উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, ইংল্যান্ডের উইল জ্যাকস এবং বেথেলের ভয়ানক পার্টনারশিপ ভেঙেছিলেন তিনি। ঝড়ের গতিতে অভিনব কায়দায় বল ধরে তা পাস করেছিলেন শিবম দুবের কাছে। দুবে ক্যাচ লুফে নিতেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন জ্যাকস।

    তৃতীয় প্লেয়ার

    গতকাল ভারতের হয়ে ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। টিম ইন্ডিয়ার এই তারকা অলরাউন্ডার ব্যাট হাতে 27 রানের ইনিংস খেলার পাশাপাশি সঠিক সময়ে শেষের মুহূর্তে তুলে নিয়েছিলেন দুটি উইকেট। যা ইংল্যান্ড শিবিরকে একেবারে আত্মবিশ্বাসহীন করে তুলেছিল। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, ইংরেজদের হারের অন্যতম প্রধান কারণ হার্দিক।

    চতুর্থ প্লেয়ার

    ভারতীয় দলের হয়ে গতকাল একটি উইকেট তুললেও রান আটকে দেওয়ার কাজটা করেছিলেন জসপ্রীত বুমরাহ। আসলে প্রতিপক্ষের রান আটকে দিয়েও যে ম্যাচ জেতা যায় সেটাই একেবারে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিলেন টিম ইন্ডিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ বোলার। কাজেই গতকাল ইংল্যান্ডের পরাজয়ের নেপথ্যে বুমরাহকে দায়ী করতে হচ্ছেই।

    অবশ্যই পড়ুন: সেমিফাইনালে ১০ বছর পুরনো রেকর্ড একসাথে ভাঙল ভারত এবং ইংল্যান্ড

    পঞ্চম প্লেয়ার

    বৃহস্পতিবারের ম্যাচে ভারতের জয়ের নেপথ্যে আরেক গুরুত্বপূর্ণ মুখ হলেন শিবম দুবে। গতকাল শেষ ওভারে বল করে প্রচুর রান দিলেও ব্যাট হাতে কিন্তু ভারতের জন্য 43 রানের ভরসাযোগ্য ইনিংস খেলে দিয়ে গেছিলেন তিনি। আর কিছুক্ষণ টিকে থাকলে হয়তো হাফ সেঞ্চুরি করে ফেলতেন এই ভারতীয় ক্রিকেটার। তাছাড়াও অক্ষরের ছুড়ে দেওয়া ক্যাচ লুফে নিয়ে খেলা ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

  • যুদ্ধের প্রভাব গ্যাসে! কলকাতায় বন্ধ হল LPG-র গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা

    যুদ্ধের প্রভাব গ্যাসে! কলকাতায় বন্ধ হল LPG-র গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: ইরান এবং ইসরাইলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাব পড়ল সাধারণ মানুষের হেঁশেলেও। আপনার যদি কলকাতার বাসিন্দা হয়ে থাকেন এবং ডবল গ্যাস সিলিন্ডার (LPG Cylinder) কানেকশন নেওয়ার কথা ভেবে থাকেন তাহলে আপনার জন্য রইল অত্যন্ত খারাপ খবর। জানা গিয়েছে, আগামী কয়েক দিন কলকাতায় নতুন ডবল সিলিন্ডারের গ্যাস কানেকশন পাওয়া যাবে না। তাহলে কী আগামী কয়েক দিনের মধ্যে গ্যাস নিয়ে হাহাকার দেখা যাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে?

    কলকাতায় বন্ধ ডবল গ্যাস কানেকশন প্রদান পরিষেবা

    নিশ্চয়ই ভাবছেন আচমকা এরকম সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল? মূলত আগামী দিনে গ্যাসের যোগান ঠিকঠাক থাকে সেজন্য নতুন ডাবল গ্যাস কানেকশন পরিষেবা আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। যত সময় এগোচ্ছে ইরান ও ইজরায়েলের (Iran Israel Conflict) মধ্যে সম্পর্ক ততই খারাপ হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশ একে অপরকে তাক করে মিসাইল ছুঁড়েই চলেছে। মৃত্যু হচ্ছে বহু মানুষের। সেই সঙ্গে ভারত সহ বিভিন্ন দেশের মধ্যপ্রাচ্যের এই হল সংঘাতের প্রভাব যথেষ্ট পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতি কবে ঠিক হবে ? সেই উত্তর জানা নেই কারোর। এহেন উত্তপ্তময় পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের যাতে খাদ্য যোগানের ক্ষেত্রে কোনওরকম সমস্যা না হয় সেজন্য একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়েই চলেছে সরকার।  জানা যাচ্ছে, যাঁদের একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে তাঁরা দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা মঞ্জুর করা হচ্ছে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।

    বিজ্ঞপ্তি জারি তেল সংস্থাগুলির

    ইতিমধ্যে এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে তেল সংস্থাগুলি। তেল সংস্থাগুলির তরফে বলা হয়েছে, আগামী কিছুদিন নতুন করে এলপিজি-র ডবল সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়া হবে না। ডিস্ট্রিবিউটারদের এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমগ্র পরিস্থিতির ওপর সরকার কড়া নজর রাখছে বলে খবে। ইতিমধ্যেই নয়া দিল্লির তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে আপাতত তেলের সংকট হবে না কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়ে রাখতে চাইছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক।

    আরও পড়ুনঃ মার্চে টানা ৬ দিনের লম্বা ছুটি, কবে থেকে কবে? দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    সূত্রের খবর, অপরিশোধিত তেল বা এলএনজির তুলনায় এলপিজির উৎস সীমিত এবং এর মজুতও তুলনামূলকভাবে কম। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ৩০ দিন অর্থাৎ এক মাসের মতো এলপিজি মজুত রয়েছে। আগামী দিনে কী হবে এখন তা নিয়ে অনেকের মধ্যে আশঙ্কা তৈরী হয়েছে।

  • ভোটাধিকার রক্ষায় ধরনায় মমতা, ধর্মতলায় কতদিন চলবে এই কর্মসূচি?

    ভোটাধিকার রক্ষায় ধরনায় মমতা, ধর্মতলায় কতদিন চলবে এই কর্মসূচি?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) প্রাক্কালে ক্রমেই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। জেলায় জেলায় প্রচার এবং জনসংযোগ বৃদ্ধি করতে দিন রাত কাজ করে চলেছে নেতা মন্ত্রীরা। এমতাবস্থায় আজ অর্থাৎ শুক্রবার থেকে কলকাতার ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মেট্রো চ্যানেলে ইতিমধ্যেই মঞ্চ তৈরি হয়ে গিয়েছে। দল বেঁধে এক এক করে বিভিন্ন জেলা থেকে তৃণমূলের বিধায়ক এবং নেতারাও জড়ো হতে শুরু করেছেন। বিজেপি যেখানে জেলায় জেলায় ‘পরিবর্তন যাত্রা’ শুরু করেছে সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর ধর্মতলায় এই ধরনা বসা নিয়ে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি।

    ধরনায় বসলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    এসআইআর নিয়ে শুরু থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করে চলেছেন, এমনকি এই নিয়ে মামলাও দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টে, কিন্তু তার পরেও রাজ্যে প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন বলে প্রকাশ করেছে কমিশন। যা নিয়ে রীতিমত তীব্র সংঘাত তৈরি হয়েছে, তাই এরই প্রতিবাদে আজ থেকে ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত থাকার কথা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। এছাড়াও ধরনা মঞ্চে থাকবেন SIR প্রক্রিয়ায় নাম বাদ যাওয়া ভোটার, এবং ‘মৃত’ বলে চিহ্নিত হওয়া ভোটারেরা। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে কতদিন থাকবে এই ধরনা সভা।

    কতদিন থাকবে এই ধরনা সভা?

    তৃণমূলের তরফে ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে যে, এই ধরনা শুধু একদিনের জন্য নাও হতে পারে। সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে এই ধরনের কর্মসূচি চালানোর। আর সেই কারণে মন্ত্রী, মুখপাত্র এবং দলের বক্তাদের কয়েকদিনের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। কারণ, ধরনা মানে তো শুধু বসে থাকা নয়। লাগাতার সেই মঞ্চ থেকেই ধারাবাহিকভাবে নেতারা বক্তব্য রাখবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও যেকোনো সময় তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করবেন। যদিও এর আগেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনোই একদিনের জন্য ধরনা দেননি, তাই এবারেও যে এটি হবে না তা সকলের বিশ্বাস। এদিকে এই নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিজেপি।

    আরও পড়ুন: মনোনয়ন ঘিরে একাধিক বিভ্রান্তি! স্ক্রুটিনির পর অবশেষে গৃহীত রাহুল সিনহার ফর্ম

    বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরনায় বসলেও কোনও ফারাক পড়বে না। এই সরকারের বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে। তৃণমূল আর ফিরবে না। প্রসঙ্গত, রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে। সেক্ষেত্রে এই নিয়ে আসন্ন ভোট শুরুর আগে তৃণমূলের এই ধরনা উদ্যোগ এক বিশেষ পরিকল্পনা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। তাঁদের দাবি এগুলি আসলে রাজ্যের নানা বিতর্ক এবং সরকারবিরোধী অভিযোগ থেকে নজর ঘোরানোর এক স্ট্র্যাটেজি।

  • মনোনয়ন ঘিরে একাধিক বিভ্রান্তি! স্ক্রুটিনির পর অবশেষে গৃহীত রাহুল সিনহার ফর্ম

    মনোনয়ন ঘিরে একাধিক বিভ্রান্তি! স্ক্রুটিনির পর অবশেষে গৃহীত রাহুল সিনহার ফর্ম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আগামী ১৬ মার্চ রাজ্যসভা নির্বাচন (Rajya Sabha Election)। দেশের ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোট হবে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি আসনও রয়েছে। তৃণমূলের তরফে কে কে নির্বাচনে নামবেন তাঁদের নাম ঘোষণা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। বিজেপিও প্রার্থী হিসেবে রাহুল সিনহার নাম ঘোষণা করেছে। এদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজ্যসভার টিকিট মিললেও মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে একেবারে ফেসাদে পড়লেন রাহুল (Rahul Sinha)। রীতিমত নাম বাদ পড়ার জোগাড় তৈরি হয়েছিল। অবশেষে আজ রাজ্যসভা নির্বাচনের মনোনয়ন পরীক্ষায় পাশ করলেন রাহল সিনহা! নথির সমস্যা মিটতেই গৃহীত হল তাঁর মনোনয়ন পত্র (Nomination Files)।

    নথির স্ক্রুটিনি শুরু বিধানসভায়

    রিপোর্ট মোতাবেক, গতকাল অর্থাৎ রাজ্যসভা নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন বঙ্গের পাঁচ জন প্রার্থী অর্থাৎ তৃণমূলের পক্ষে চার জন এবং বিজেপির পক্ষে এক জন প্রার্থী। তৃণমূলের পক্ষে মনোনয়ন জমা দেন প্রাক্তন আইপিএস রাজীব কুমার, অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক, আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী, এবং রাজ্যের মন্ত্রী তথা গায়ক বাবুল সুপ্রিয়। অন্য দিকে, ভ্রান্তি-বিলম্ব কাটিয়ে বিজেপির তরফে একমাত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন রাহুল সিনহাও। কিন্তু রাহুল সিনহার মনোনয়ন পত্র নিয়ে একটি সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই আজ, শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে সেই নথির স্ক্রুটিনি শুরু হয়েছে।

    মনোনয়নপত্র পূরণে ভুলভ্রান্তি রাহুলের

    গতকাল, মনোনয়নপত্র পূরণে বিস্তর ভুলভ্রান্তি দেখা গিয়েছিল বিজেপির একমাত্র প্রার্থী রাহুল সিনহার। মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে হলফনামা বা এফিডেভিট। মনোনয়নপত্রতে যেখানে স্পষ্ট করে ‘Not Applicable’ লেখার কথা ছিল, সেখানে লেখা হয়েছে সংক্ষেপে ‘N/A’। এছাড়াও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী হলফনামার নির্দিষ্ট কিছু জায়গা হাতে লেখার নির্দেশ থাকলেও, সেটা ‘প্রিন্টেড’ হয়ে এসেছে। তাই শেষ মুহূর্তে তাই বেশ সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি। এরপর দফায় দফায় নতুন করে ফর্ম পূরণ করেন তিনি। পরে প্রাথমিকভাবে মনোনয়পত্র গৃহীত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও একটি নথিতে সমস্যা দেখা যায়। জানানো হয়েছে, যে নথি তিনি দিতে ভুল করেছেন, তা স্ক্রুটিনি শুরুর আগেই জমা করতে হবে। আর এসবের মাঝেই আজ বিধানসভায় হাজির হন CEO মনোজ আগরওয়াল।

    আরও পড়ুন: দোলে রেকর্ড মদ বিক্রি উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গে, কোন জেলায় কত? দেখুন পরিসংখ্যান

    গৃহীত হল রাহুলের মনোনয়ন পত্র

    রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা থেকে যাতে নাম বাদ না যায় তাই তড়িঘড়ি স্ক্রুটিনির আগে জরুরি নথি জমা দিতে বিধানসভায় এসেছিলেন রাহুল সিনহা। অবশেষে মেটে সেই নথির সমস্যা। বহু ঝামেলা ঝক্কির পর গৃহীত হল রাহুলের মনোনয়ন পত্র। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে একগাল হাসিমুখ নিয়ে বিধানসভা থেকে বেরলেন রাহুল। সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, “কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে ৯ তারিখে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। আমি খুব খুশি। এরপর যা কাজ, দায়িত্ব পাব তা পূরণ করব।” এদিকে বিধানসভায় মনোজ আগরওয়াল আসা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। একাংশের দাবি ছিল, রাহুলকে বিপন্মুক্ত করতেই ছক ভেঙে বিধানসভায় হাজির হয়েছেন মনোজ। তবে সেই নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি বিজেপি প্রার্থী।