Blog

  • India Hood Decode: মিশন বেঙ্গল! মমতার ঘুম উড়িয়ে দেবে বিজেপির এই ৭ মাস্টারস্ট্রোক

    India Hood Decode: মিশন বেঙ্গল! মমতার ঘুম উড়িয়ে দেবে বিজেপির এই ৭ মাস্টারস্ট্রোক

    “লক্ষীর ভাণ্ডার”-এর বদলে “লাখপতি দিদি”,
    “যুব সাথী”-র বদলে “উৎসাহ ভাতা”,
    “জয় শ্রী রাম”-এর বদলে “জয় মা কালী”

    এবার বাংলা জয় করতে এক বা দুই নয়, একেবারে ৭ দফা নীতি প্রয়োগ করল বিজেপি (BJP)। নেওয়া হল এমন সিদ্ধান্ত, যার ফলে পায়ের তলার মাটিই সরে যাবে তৃণমূল কংগ্রেসের। একদিকে মজবুত হবে বিজেপি-র জমি, বাড়বে ভোটব্যাঙ্ক, তেমনই অন্যদিকে নিঃশব্দে তিলে তিলে শেষ হবে TMC। একদিকে করা হবে বাংলার মা-বোনেদের বিশ্বাস অর্জন, তেমনই অন্যদিকে ভাতা দিয়ে নয়, যোগ্য করে কর্মসংস্থান দেওয়া হবে বাংলার প্রত্যেক

    চলুন, আজ India Hood ডিকোড-এ আমরা তুলে ধরবো এক এক করে BJP-র এমন সাতটি মাস্টারপ্ল্যান, যা আগে কোনোদিন বাংলায় প্রয়োগ করেনি বঙ্গ বিজেপি! তাই ধৈর্য ধরে লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    একদিকে SIR, তো অন্যদিকে হাইকোর্টের রায়!

    একদিকে SIR, তো অন্যদিকে CAA-র বিশেষ কমিটি, আবার ভোটের আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী, তার ওপর হাইকোর্টে রায় – একপ্রকার নাজেহাল অবস্থাতেই রয়েছে বাংলার তৃণমূল সরকার। আর ঠিক সেই মুহূর্তেই এক চুলও জমি ছাড়তে নারাজ বিজেপি। আর তাই এবার বাংলা জয় করতে সাতটি নয়া পদক্ষেপ নিল বিজেপি।

    প্রথম পদক্ষেপ – লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বিকল্প লাখপতি দিদি!

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা বিশাল মাস্টারস্ট্রোক সে কথা মানতেই হবে। আর এবার ভোটের আগে সেই টাকা আরও ৫০০ করে বাড়িয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে বড় দাঁও মেরেছেন সেটাও অনস্বীকার্য।

    আর তাই এবার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চালেই বাংলায় মাত দিতে চলেছে বিজেপি-র নেতৃত্বরা। এবার ভারতীয় জনতা পার্টি দাবি করেছে, তারা ক্ষমতায় এলে এই অনুদান বাড়িয়ে সরাসরি ৩ হাজার টাকা করা হবে। এই একই ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে সুকান্ত মজুমদাররা!

    অন্যদিকে, চালু করা হবে মোদী সরকারের একটি জনপ্রিয় এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্প “লাখপতি দিদি”! যেখানে মেয়েদের স্বনির্ভর হওয়ার জন্য, নিজেদের ব্যবসা করার জন্য ১ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বাজেট ২০২৬-এ নারী ও লাখপতি দিদিদের জন্য C-Mart প্রকল্প শুরু করার কথা বলেছেন। যেখানে সরকারের উচ্চাকাঙ্ক্ষী লাখপতি দিদি প্রকল্পকে আরও সম্প্রসারণের ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, লাখপতি দিদিদের পণ্য বিক্রির জন্য দেশজুড়ে আরও রিটেল আউটলেট খোলা হবে। এর মাধ্যমে নারীরা সরাসরি বাজারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্থায়ী আয় বাড়াতে পারবেন।

    আর এই গেম যে বিজেপির জন্য বড়সড় গেমচেঞ্জার হতে পারে সে কথা বলাই বাহুল্য।

    দ্বিতীয় পদক্ষেপ – যুব সাথীর বিকল্প ‘উৎসাহ ভাতা’!

    এবার ভোটের আগে যুব সমাজকে নিজেদের দিকে টানার জন্য আর এক মাস্টারস্ট্রোক হিসাবে যুব সাথী প্রকল্প চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের বেকার যুবক এবং যুবতীদের মাসে ১,৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। আর এর ফলে যে বেকার যুবক-যুবতীদের ভোট তৃনমূলের ঢুকবে এটাই স্বাভাবিক।

    কিন্তু, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো এবার যুব সাথীর বিকল্প নিয়েও তৈরি বিজেপি। নাম ‘উৎসাহ ভাতা’। বছরে দেওয়া হবে ২৫ হাজার টাকা করে! তবে, নামে ভাতা থাকলেও দান খয়রাতি কিংবা ভাতা হিসাবে এই টাকা দেওয়া হবে না। বরং ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী বেকারদের দক্ষতা প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার জন্য এই টাকা দেওয়া হবে। তবে, প্রশিক্ষণ মাঝপথে ছেড়ে দিলেই বন্ধ হয়ে যাবে ভাতা। বিজেপির উদ্দেশ্য স্পষ্ট—“শুধু ভাতা নয়, চাই দক্ষতা… চাই কর্মসংস্থান।”তাই প্রশিক্ষিত যুবশক্তি তৈরি করে শিল্প ও বিনিয়োগ টানাই তাদের লক্ষ্য।

    তবে, শুধু তাই নয়, বাংলার যুব সমাজের জন্য পাঁচ বছরে এক কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতিও রয়েছে বিজেপির ইস্তেহারে।

    তৃতীয় পদক্ষেপ – ‘জয় শ্রী রাম’ শ্লোগান বদলে গেল ‘জয় মা কালী’-তে

    আমরা বিজেপি বলতেই বুঝি – “জয় শ্রী রাম”। কিন্তু, গত কয়েক বছরে এই শ্লোগানে যে শিকে ছেঁড়েনি তা দেখে নিয়েছে বিজেপি-র নেতৃত্বরা! আর তাই এবার পুরো ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে মা কালীতে ভরসা রাখলেন মোদী-শমীকরা।

    হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। আর এই কথা আমরা বলছি না। এই কথা শোনা যাচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বদের মন্তব্যেই!

    দিনটা ১৭ই জানুয়ারি। ভোটের আগে মালদার বুকে দাঁড়িয়ে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। আর সেদিনই নিজের ভাষণের মাঝে উঠে আসে “জয় মা হ্যান্টা কালী” ধ্বনী।

    এরপরেই সম্প্রতি বাংলা বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই পশ্চিমবঙ্গে ভোটারদের উদ্দেশে খোলা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লেখেন “জয় মা কালী”!

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এটা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, বিজেপির “জয় শ্রী রাম” মন্ত্র মূলত উত্তর ও পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে বেশি সাড়া ফেলেছিল। আবার ওড়িশায় ভোটের আগে যেমন ‘জয় জগন্নাথ’ সাড়া ফেলেছিল। তাই এবার বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে ‘জয় মা কালী’ দিয়ে নিজেদের নতুন করে মেলে ধরতে চাইছে বিজেপি।

    চতুর্থ পদক্ষেপ – উত্তরবঙ্গের জন্য একাধিক প্যাকেজ

    লোকসভা নির্বাচন হোক কিংবা বিধানসভা নির্বাচন, পশ্চিমবঙ্গে উত্তরবঙ্গ বরাবরই বিজেপি-র একটি শক্ত ঘাঁটি। কিন্তু গত কয়েক বছরে সেখানে প্রচুর ভুয়ো ভোটার এবং অনুপ্রবেশকারীদের ঢুকিয়ে ভোটকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে তৃণমূল, এমন দাবী করা হচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বের তরফ থেকে।

    আর সে কথা যে ঠিক তা হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া গেল, SIR-এর খসড়া তালিকা প্রকাশ হতেই। কারণ সারা বাংলায় যেখানে SIR-এর খসড়া তালিকায় বাদ গিয়েছে প্রায় ৫৮ লক্ষের নাম, সেখানেই শুধুমাত্র উত্তর বঙ্গ থেকে বাদ গিয়েছে প্রায় ৯ লক্ষ ৩৪ হাজার ৭২২ জনের নাম। অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ১৬ শতাংশ। এই সংখ্যা চূড়ান্ত তালিকা বেরোলে যে আরও বাড়বে তা বলাই বাহুল্য।

    তাই, একদিকে যেমন ভুয়ো ভোটার ছাঁটছে SIR, তেমনই অন্যদিকে এবার নিজেদের জমি শক্ত করার লক্ষ্যে – ৫০ লক্ষ পরিবারের কাছে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করছে বিজেপি। শুরু করেছে গৃহ সম্পর্ক অভিযান। বের করতে চাইছে শিলিগুড়ি থেকে কোচবিহার পর্যন্ত রথযাত্রা।

    এছাড়াও,  উত্তরবঙ্গের জন্য একটি AIIMS, একটি IIT, একটি ম্যানেজমেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যানসার গবেষণা কেন্দ্র চালু করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এবারের ইস্তেহারে।

    পঞ্চম পদক্ষেপ – CPIM-এর ভোটব্যাঙ্ক কবজা!

    এবারের বিধানসভা নির্বাচন হবে হাড্ডাহাড্ডি! কারণ একদিকে সিপিআইএম ছেড়ে তৃনমূলে যোগ দিয়ে ইতিমধ্যেই বাংলা কাঁপাচ্ছেন প্রতীক উর রহমান, আবার অন্যদিকে হুমায়ুন কবীরের সাথে লুকিয়ে বৈঠক করছেন সিপিআইএম নেতা মহম্মদ সেলিম।

    তাই সিপিআইএম-এর জনপ্রিয়তা কমুক কিংবা বাড়ুক, কিন্তু তাদের ভোটব্যাঙ্ক যা বিজেপিতে এসেছে গত কয়েক বছর ধরে তা যেন হাতছাড়া না হয় – এবার জেলা সভাপতিদের উদ্দেশ্যে সেই ফরমানই জারি করেছে রাজ্য নেতৃত্ব! জানিয়েছে, সিপিএম থেকে আসা ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতেই হবে। তার জন্য নীচুতলায় নিবিড় যোগাযোগ বাড়াতে হবে। কোনও অবস্থাতেই সিপিএমের ভোটব্যাঙ্ক ফিরে যেন না যায়।

    কারণ তথ্য বলছে, ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে CPIM-এর ভোটের শেয়ার ছিল ১৯.৮ শতাংশ আর BJP-র মাত্র ১০.২ শতাংশ। আর ২০২১ সালে এই পরিমাণটা কত হয়েছে জানেন? CPIM পেয়েছে মাত্র ৪.৭৩ শতাংশ ভোট আর BJP ৩৮.১৩ শতাংশ ভোট। অর্থাৎ, কেন এই ফরমান জারি করা হয়েছে তা এই সংখ্যা থেকেই স্পষ্ট তাই নয় কি?

    ষষ্ঠ পদক্ষেপ – মাঠে নামছে “মহিলা বিস্তারক”

    গত বারের ভুল ত্রুটি যাতে আর না হয়, এবার সেই লক্ষ্যে শুধু নেতাদের নয় নেত্রীদেরও  বাংলায় নামাচ্ছে বিজেপি। তাও আবার ভিনরাজ্য থেকে এনে। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন, এবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশের মহিলা ব্রিগেড আনছে বিজেপি।

    শুধু আসছে তাই নয়, কৌশলগতভাবে যে সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে বিজেপি-র জেতার সম্ভাবনা রয়েছে সেই সমস্ত জায়গাগুলিতে ঘুরে ঘুরে কাজ করবে ও প্রচার চালাবেন এই মহিলারা। পাশাপাশি মেয়েদের নিরাপত্তা, বিজেপি শাসিত অন্যান্য রাজ্যের মেয়েরা কীভাবে উন্নতি করছে – সেই সবকিছুই তারা তুলে ধরবে। আর সেই লক্ষ্যে প্রতিটি বিধানসভা পিছু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তিনজন করে নেত্রীকে। আর ইতিমধ্যেই তাঁরা নাকি ঘুরে ঘুরে কাজও শুরু করে দিয়েছেন।

    সপ্তম পদক্ষেপ – পরিবর্তন যাত্রা!

    সালটা ২০২১। বঙ্গে ক্ষমতায় আসার জন্য বিজেপি চালু করেছিল ‘যোগদান মেলা’। যেখানে তৃণমূল-বাম-কংগ্রেসের নেতাকর্মীদের বিজেপি-তে গণযোগদানের আয়োজন করা হয়েছিল। রাজ্যের নানা প্রান্তে সে ‘মেলা’ হয়েছিল।

    আর এবারের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির হাতিয়ার ‘নেতার মেলা’। কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক নাম ‘পরিবর্তন যাত্রা’। আর সেই উপলক্ষে আগামী ১লা এবং ২রা মার্চ একসঙ্গে এত হেভিওয়েট বিজেপি নেতা-মন্ত্রীরা পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন, তেমনটা আগে কখনও দেখেনি বাংলা!

    যেমন ধরুন রায়দিঘি থেকে ১লা মার্চ ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র সূচনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা দলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। ওইদিন নদিয়ার কৃষ্ণনগর থেকে ‘যাত্রা’-র উদ্বোধন করলেন আর এক প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগৎপ্রকাশ নড্ডা। ২রা মার্চ হাওড়ার আমতায় ‘যাত্রা’-র উদ্বোধন করলেন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ।

    বিজেপির বর্তমান সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনও ওই উদ্বোধন পর্বের দু’দিনই রাজ্যে ছিলেন। তবে দু’দিনই তিনি ছিলেন উত্তরবঙ্গে। প্রথম দিন তিনি কোচবিহার শহর থেকে একটি ‘যাত্রা’-র উদ্বোধন করেছেন। পরের দিন উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর থেকে আর একটির উদ্বোধন করলেন

    ১লা মার্চ পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা থেকে ‘যাত্রা’ উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। একই দিনে আসানসোলের কুলটি থেকে আর একটি ‘যাত্রা’র উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী। ২রা মার্চ বীরভূমে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র উদ্বোধনে ছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস। আর গত কয়েক বছরে রাজ্য রাজনীতিতে বহুচর্চিত সন্দেশখালি থেকে ওই দিনই আর একটি ‘যাত্রা’-র উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান।

    অর্থাৎ এক নয়, দুই নয় – একসাথে সাতটি মাস্টারস্ট্রোক নিয়ে হাজির বিজেপি। আপনার কি মনে হয় এই প্ল্যানে কি বাংলা জয় করতে পারবে বিজেপি? জানাতে ভুলবেন না আপনার মতামত কমেন্ট করে।

  • মমতার ধরনা, বাংলায় চিটফান্ড কেলেঙ্কারি…! আজকের সেরা ১০ খবর (৬ মার্চ)

    মমতার ধরনা, বাংলায় চিটফান্ড কেলেঙ্কারি…! আজকের সেরা ১০ খবর (৬ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ৬ মার্চ, শুক্রবার। মমতার ধরনা, বাংলায় চিটফান্ড কেলেঙ্কারি, দীঘা রুটে নতুন ষ্টেশন,  রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) দাবি না মানলে বাংলাদেশ-নেপালের মতো আন্দোলন, হুঁশিয়ারি তৃণমূলের

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসআইআর প্রতিবাদে কমিশনের বিরুদ্ধে ধর্মতলায় ধর্নায় বসেছেন। জলপাইগুড়িতে তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সভায় নেতারা হুশিয়ারি দিয়েছেন, সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকায় সমস্ত জীবিত ভোটারদের নাম থাকলে ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন করতে দেবেন না এবং প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ এবং নেপালের মতো আন্দোলন করা হবে। এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে যে বিতর্ক ছড়িয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৯) দীঘা রুটে এবার নতুন স্টেশন

    পূর্ব মেদিনীপুরে নতুন ঘোলবাগদা রেলওয়ে স্টেশন খুব শীঘ্রই চালু হতে চলেছে, যা দীঘা যাওয়ার পথে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ স্টপেজ হবে। ভগবানপুর-২ ব্লকের এই হল্ট স্টেশনটি নাচিন্দা এবং হেড়িয়া স্টেশনের মাঝে দীঘা-তমলুক রেলপথের মধ্যেই তৈরি করা হচ্ছে। মার্চ মাসেই এই স্টেশন উদ্বোধনের সম্ভাবনা রয়েছে। আর যাত্রীদের জন্য বসার জায়গা, পানীয় জল, শৌচালয় এবং টিকিট কাউন্টারের মতো সব উন্নত মানের সুবিধা থাকবে। এটি চালু হলে মেচেদা-দীঘা, পাঁশকুড়া-দীঘা সহ একাধিক লোকাল ট্রেন পরীক্ষামূলকভাবে থামতে পারবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৮) বেঙ্গালুরু-হায়দ্রাবাদ যাত্রা মাত্র ২ ঘণ্টায়

    বেঙ্গালুরু-হায়দ্রাবাদ হাই স্পিড রেল করিডোর প্রকল্প নিয়ে এবার জোর তৎপরতার সঙ্গে কাজ শুরু করল ভারতীয় রেল। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২ ঘণ্টায় এই দুরত্ব পাড়ি দেওয়া সম্ভব হবে। যেখানে বর্তমানে ট্রেনে সময় লাগে সাড়ে আট ঘন্টা। নতুন করে ট্রেনের গতি সর্বোচ্চ ৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছুঁতে পারে। এতে মোট ১২টি স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। আর প্রায় ১৭৪ হেক্টর জমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন হলেই নির্মাণ কাজ শুরু হতে পারে বলে সূত্রের খবর। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৭) রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সিভি আনন্দ বোস

    ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গে বিরাট প্রশাসনিক পরিবর্তন। সিভি আনন্দ বোস আচমকা রাজ্যপালের পদ থেকে ইত্তেফা দিয়েছেন এবং রাষ্ট্রপতি তা গ্রহণ করেছেন। এরপর তামিলনাড়ু রাজ্যপাল আরএন রবিকে বাংলায় নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হল। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার রবি আগে গোয়েন্দা বিভাগ এবং বিভিন্ন রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন বলে খবর। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৬) অমৃত ভারত স্টেশনের আওতায় বদলে যাচ্ছে বরাভূম ও আনারা স্টেশন

    ভারতীয় রেলের অমৃত ভারত স্টেশনের আওতায় বরাভূম রেলওয়ে স্টেশন এবং আনারা রেলওয়ে স্টেশনের চেহারায় এবার বিরাট পরিবর্তন আসছে। স্টেশনগুলি এখন আরও পরিস্কার, আধুনিক এবং আকর্ষণীয় করে তোলা হচ্ছে। দেওয়ালে সাঁওতাল সংস্কৃতি শিল্পচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। আর যাত্রীদের জন্য অপেক্ষা কক্ষ, পরিষ্কার শৌচালায়, লিফট, ফ্রি ওয়াইফাইসহ বিভিন্ন রকম সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য দেশের রেল স্টেশনগুলিকে আধুনি,ক আরামদায়ক এবং যাত্রীবান্ধব গড়ে তোলা। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৫) বাংলায় নতুন চিটফান্ড কেলেঙ্কারি

    পূর্বস্থলী এলাকায় নতুন করে চিটফান্ড প্রতারণার অভিযোগ উঠল। বিনিয়োগে বেশি সুদের প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা তোলা হয়েছিল। এরপর কোম্পানি টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠে। বিনিয়োগকারীরা টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। তাদের দেওয়া কাগজপত্রে ত্রুটি ছিল এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কোনও রকম অনুমোদন ছিল না। ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৪) বাংলায় মহিলাদের জন্য গঠিত হবে ৫৭০০ কোটির তহবিল

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারতীয় জনতা পার্টি তাদের নির্বাচনী ইস্তাহারে একাধিক প্রস্তুতি নিল। বেশ কয়েকটি সূত্র অনুযায়ী, মহিলাদের উন্নয়নের জন্য এবার ৫৭০০ কোটি টাকার তহবিল গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা কিনা জীবিকা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাজে লাগানো হবে। পাশাপাশি যুবকদের জন্য স্বচ্ছ নিয়োগের প্রতিশ্রুতি আর সরকারি কর্মচারীদের জন্য কেন্দ্রের অবকাঠামো অনুযায়ী বেতন সংশোধন আর সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের কথা বলা হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৩) অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন শুরু হলো চারধাম যাত্রা ২০২৬ এর

    চারধাম যাত্রা ২০২৬ এর অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু করল উত্তরাখন্ড সরকার। আজ অর্থাৎ ৬ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে রেজিস্ট্রেশন। ভক্তরা সরাসরি পোর্টালে আধার কার্ড দিয়েই নিবন্ধন করে নিতে পারবে। ১৯ এপ্রিল গঙ্গোত্রী মন্দির এবং যমুনোত্রী মন্দিরের যাত্রা শুরু হবে, আর ২২ এপ্রিল খুলবে কেদারনাথ এবং ২৩ এপ্রিল বদ্রিনাথ মন্দির। অনলাইনে না পারলে ১৭ এপ্রিল থেকে ঋসিকেশ এবং হরিদ্বারে অফলাইনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে নেওয়া যাবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ২) গ্যাসের সংকট মেটাতে বিরাট উদ্যোগ কলকাতায়

    ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাবে গ্যাস সরবরাহ নিয়ে এবার সতর্কতা বাড়াল সরকার। সেই কারণেই কলকাতায় আপাতত নতুন ডবল এলপিজি সিলিন্ডার কানেকশন দেওয়া বন্ধ রাখা হল। তেল সংস্থাগুলি ডিস্ট্রিবিউটরদের নির্দেশ দিয়েছে, যাদের একটি করে সিলিন্ডার রয়েছে তাদের দ্বিতীয় সিলিন্ডারের আবেদন আর গ্রহণ করা হবে না। ভবিষ্যতে গ্যাসের যোগান স্বাভাবিক রাখার জন্যই মূলত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে প্রায় এক মাসের এলপিজি গ্যাস মজুত রয়েছে। পরিস্থিতির উপর কেন্দ্র সরকার নজর রাখছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ১) মমতার ধরনা মঞ্চে পার্শ্বশিক্ষকদের বিক্ষোভ

    বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রতিবাদে ধর্নায় বসেছিলেন। সেই সময় বেতন বৃদ্ধি এবং চাকরির স্থায়ীকরণের দাবিতে কয়েকজন পার্শ্বশিক্ষক তাঁর মঞ্চের সামনেই প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে মুখ্যমন্ত্রী তাঁদেরকে শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন এবং বলেন যে, অভিযোগ থাকলে নরেন্দ্র মোদী কিংবা অমিত শাহের কাছে যান। পরে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দিয়েছে। উল্লেখ্য, পার্শ্ব শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরেই বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

  • 6500mAh ব্যাটারি সহ গেমিং প্রসেসর, লঞ্চ হচ্ছে Vivo X300 FE, জানুন দাম

    6500mAh ব্যাটারি সহ গেমিং প্রসেসর, লঞ্চ হচ্ছে Vivo X300 FE, জানুন দাম

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতের স্মার্টফোন বাজারে খুব শীঘ্রই নতুন স্মার্টফোন লঞ্চ করতে পারে Vivo। হ্যাঁ, সংস্থার নতুন স্মার্টফোন Vivo X300 FE খুব শীঘ্রই আসছে ভারতে। ইতিমধ্যেই এই সিরিজের অন্যান্য মডেলগুলি বাজারে ভালো সাড়া ফেলেছে। আর এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে পারে ডিভাইসটি। সম্প্রতি রাশিয়ার বাজারে এই ফোনটি লঞ্চ করা হয়েছে। প্রযুক্তি মহল মনে করছে, আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই ভারতের বাজারে এই ফোন আনতে পারে সংস্থা। বিস্তারিত জানুন প্রতিবেদনে।

    ডিজাইন এবং ডিসপ্লেতে নজরকাড়া

    বেশ কয়েকটি রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, নতুন Vivo X300 FE ফোনটিকে কম্প্যাক্ট ফ্লাগশিপ হিসাবেই ধরা হচ্ছে। আর এতে 6.31 ইঞ্চির FHD+ LTPO AMOLED ডিসপ্লে রয়েছে। এমনকি স্ক্রিনে পাঞ্চ হোল ডিজাইন থাকছে। আর এটি 120Hz পর্যন্ত রিফ্রেশ রেট দেবে। এছাড়াও ফোনটিতে IP68 এবং IP69 রেটিং রয়েছে, যেগুলি জল বা ধুলো থেকে সুরক্ষা দেবে।

    শক্তিশালী প্রসেসর এবং ব্যাটারি

    পারফরমেন্সের দিক থেকে ফোনটিতে এবার Qualcomm Snapdragon 8 Gen 5 প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে, যা উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন চিপসেট। এটি গেমিংয়ের জন্য বেশ ভালো পারফরমেন্স দেবে। এমনকি এর সঙ্গে 12GB RAM থাকবে। আর ব্যাটারির ক্ষেত্রে ফোনটিতে 6500mAh এর একটি ধামাকাদার ব্যাটারি দেওয়া হচ্ছে। সঙ্গে 90W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করবে, যেটি একবার চার্জ দিলেই অনায়াসে একদিন কাটানো যাবে।

    ক্যামেরাতেও চমক

    অন্যদিকে ক্যামেরার দিক থেকে Vivo বরাবরই শক্তিশালী। এই ফোনটির পিছনে রয়েছে ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ। যার মধ্যে রয়েছে 50MP প্রাইমারি ক্যামেরা, 50MP পেরিস্কোপ লেন্স এবং 8MP আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা। অন্যদিকে সেলফি এবং ভিডিও কলের জন্য 50MP ফ্রন্ট ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কৃষকরা কবে পাবেন পিএম কিষাণের ২২ তম কিস্তির টাকা? এভাবে চেক করুন স্ট্যাটাস

    দাম কত হতে পারে?

    যদিও ভারতে এখনও পর্যন্ত ফোনটির আনুষ্ঠানিক দাম ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু রাশিয়ার বাজারে যে দাম রাখা হয়েছে সেই অনুযায়ী 12GB RAM ও 256GB স্টোরেজ ভেরিয়েন্টটির দাম হতে পারে মোটামুটি 71 হাজার টাকা মতো। অন্যদিকে 512GB স্টোরেজ ভেরিয়েন্টের দাম হতে পারে 76 হাজার টাকার কাছাকাছি। রাশিয়া ফোনটি গত 4 মার্চ লঞ্চ করেছে। যদিও ভারতে এখনো পর্যন্ত নির্দিষ্ট দিনক্ষণ জানানো হয়নি। কিন্তু হয়তো আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই ভারতের বাজারে আসবে এই মডেল।

  • ২৮ দিনের প্ল্যান থেকে মুক্তি, সস্তায় নতুন রিচার্জ নিয়ে এল Jio

    ২৮ দিনের প্ল্যান থেকে মুক্তি, সস্তায় নতুন রিচার্জ নিয়ে এল Jio

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় রিচার্জ প্ল্যান নিয়ে আসলো রিলায়েন্স জিও (Reliance Jio)। যারা প্রতি মাসে রিচার্জ করতে করতে বিরক্ত, তাদের জন্য এই প্ল্যানটি হতে পারে দারুণ বিকল্প। কারণ, কম খরচেই 36 দিনের ভ্যালিডিটি, প্রতিদিন 2GB করে ডেটা এবং আনলিমিটেড কলিং এর সুবিধা রয়েছে এই প্ল্যানে (Jio Recharge Plan)। আর সাথে মিলছে দারুণ দারুণ সব সাবস্ক্রিপশন। বিস্তারিত জানতে পড়ুন প্রতিবেদনটি।

    একবার রিচার্জ করলেই ঝামেলা মুক্তি

    আসলে বেশিরভাগ মোবাইল ব্যবহারকারী 28 দিনের রিচার্জ প্ল্যান ব্যবহার করে থাকে। ফলে প্রায় প্রতিমাসেই রিচার্জ করতে হয়। আর এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই জিও এমন একটি প্ল্যান নিয়ে এসেছে, যেখানে ভ্যালিডিটি দেওয়া হচ্ছে 36 দিন। কিন্তু দামও খুব একটা বেশি নয়। হ্যাঁ, জিওর এই প্ল্যানটির দাম মাত্র 450 টাকা। এই প্ল্যানে গ্রাহকরা একটানা 36 দিনের ভ্যালিডিটি পাবে। আর যারা 84 দিন বা 90 দিনের প্ল্যান নিতে চান না, তাদের জন্য এটা সেরা অপশন।

    কী কী সুবিধা মিলছে?

    এই প্ল্যান রিচার্জ করলে ব্যবহারকারীরা সমস্ত নেটওয়ার্কে আনলিমিটেড লোকাল এবং এসটিডি কলিং এর সুবিধা পাবে। পাশাপাশি প্রতিদিন 100টি করে এসএমএস পাঠাতে পারবে। সবথেকে বড় ব্যাপার, ডেটার ক্ষেত্রে এই প্ল্যানটি বেশ সুবিধাজনক। কারণ, মোট 72GB হাই-স্পিড ডেটা দেওয়া হয় এই প্ল্যানে। অর্থাৎ, প্রতিদিন 2GB করে ডেটা মেলে। আর এতে সহজেই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, ভিডিও দেখা বা ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা যায়।

    আরও পড়ুন: রাশিয়া থেকে ভয়ানক অস্ত্র কিনছে ভারত, মাথা ঝোঁকাবে পাকিস্তানের মতো শত্রুরা!

    অন্যদিকে এই রিচার্জ প্ল্যানের সঙ্গে অতিরিক্ত কিছু সুবিধা মিলেছে। ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জিওর বিভিন্ন ডিজিটাল পরিষেবা উপভোগ করতে পারবে। যার মধ্যে ওটিটি এবং ক্লাউড স্টোরজের সুবিধা রয়েছে। কিন্তু যদি বেশি দিনের ভ্যালিডিটি চান, সেক্ষেত্রে 999 টাকার প্ল্যানও ভালো বিকল্প। তাতে 98 দিনের ভ্যালিডিটি মেলে এবং আনলিমিটেড কলিং ও প্রতিদিন 2GB করে ডেটার সুবিধা পাওয়া যায়।

  • ATM-এ টাকা তোলার লিমিট হচ্ছে অর্ধেক, ১ এপ্রিল থেকে PNB-র একাধিক নিয়মে বদল

    ATM-এ টাকা তোলার লিমিট হচ্ছে অর্ধেক, ১ এপ্রিল থেকে PNB-র একাধিক নিয়মে বদল

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আপনিও কি পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের (Punjab National Bank) গ্রাহক? নিয়মিত এটিএম থেকে টাকা তোলেন? তাহলে আপনার জন্য রইল বড় খবর। কারণ, আগামী ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন কিছু নিয়ম (PNB Rules Changes)। জানা গিয়েছে, এটিএমে টাকা তোলার ক্ষেত্রে এবার লিমিট পরিবর্তন করা হচ্ছে, আর বদলে যাচ্ছে টাকা তোলার চার্জ। এমনকি যদি এই নিয়ম না মানা হয়, তাহলে আপনারই ক্ষতি। তাই এটিএমে যাওয়ার আগে অবশ্যই ডেবিট কার্ডের নতুন সীমা এবং ব্যাঙ্কের নিয়ম সম্পর্কে সচেতন থাকা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

    বদলে যাচ্ছে নগদ টাকা তোলার সীমা

    আগামী ১ এপ্রিল থেকে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ডেবিট কার্ড থেকে টাকা তোলার লিমিট পরিবর্তন করা হচ্ছে। এতদিন যাবৎ, যে ডেবিট কার্ডগুলো দিয়ে ১ লক্ষ টাকা তোলা যেত, সেগুলি দিয়ে এবার থেকে ৫০ হাজার টাকা তোলা যাবে। আর প্রিমিয়াম কার্ড ব্যবহার করে নগদ তোলার সীমাও এবার ১.৫ লক্ষ টাকা কমিয়ে ৭৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।

    এটিএম লেনদেন চার্জের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন

    অন্যদিকে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এটিএম লেনদেন চার্জের নিয়মেও করেছে বদল। অ্যাকাউন্টধারীরা নিজস্ব এটিএম থেকে মাসে মাত্র পাঁচবার টাকা তুলতে পারবে। আর অন্যান্য ব্যাঙ্কের এটিএম দিয়ে তিনবার বিনামূল্যে টাকা তোলা যাবে। আর এই লিমিট অতিক্রম করলেই প্রতি লেনদেনের উপর ২৩ টাকা করে জিএসটি চার্জ ধরা হবে। অর্থাৎ, আপনি যদি মাসে ৬ বার টাকা তুলতে চান, তাহলে আপনাকে অতিরিক্ত চার্জ প্রদান করতে হবে।

    তবে হ্যাঁ, আপনি যদি নগদ টাকা তোলার লিমিট পরিবর্তন করতে চান, তাহলে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেই তা করতে পারবেন। এর জন্য গ্রাহকদের পিএনবি ওয়ান মোবাইল অ্যাপ ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং বা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাঙ্কিং এর মাধ্যমেই তাদের দৈনিক লিমিট রিসেট করতে হবে। এর জন্য মোবাইল অ্যাপ লগইন করে ডেবিট কার্ড বিভাগে ক্লিক করতে হবে এবং এটিএম লিমিটে গিয়ে আপডেট করতে হবে। তবে সেক্ষেত্রে আপনার অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং ডেবিট কার্ড নির্বাচন করে নতুন লিমিট লিখতে হবে আর পাসওয়ার্ড দিয়ে সেটি যাচাই করলেই নগদ উত্তলনের সীমা পরিবর্তন হবে।

    আরও পড়ুন: যুদ্ধের প্রভাব গ্যাসে! কলকাতায় বন্ধ হল LPG-র গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা

    অ্যাকাউন্টাধারীদের আর্থিক নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং প্রচারের জন্যই মূলত পিএনবি এই নিয়ম পরিবর্তন করছে। আর নগদ উত্তলনের সীমা পরিবর্তন করলে জালিয়াতি ঝুঁকি কমবে বলেই দাবি করছে বিশেষজ্ঞরা। এমনকি ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং ব্যবহার করার জন্য নগদ উত্তোলনের লিমিট কমানো হচ্ছে, যাতে অনলাইন লেনদেন আরও বাড়ে।

  • T20 বিশ্বকাপে একসাথে ইতিহাস তৈরি করতে চলছে ভারত এবং নিউজিল্যান্ড

    T20 বিশ্বকাপে একসাথে ইতিহাস তৈরি করতে চলছে ভারত এবং নিউজিল্যান্ড

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে প্রথম টিম হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল নিউজিল্যান্ড (India Vs New Zealand)। গতকাল ইংল্যান্ডকে বিদায় দিয়ে মহামঞ্চে তাদের প্রতিপক্ষ হল ভারত (India National Cricket Team)। আগামী 8 মার্চ, আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গড়াবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক ফাইনাল। হ্যাঁ, এবছর ভারত এবং নিউজিল্যান্ড দুই দলই ফাইনালে ইতিহাস তৈরি করতে চলেছে। তাও আবার একসাথে।

    একসাথে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ইতিহাস তৈরি করবে ভারত এবং নিউজিল্যান্ড

    প্রথমত বলে রাখি, গত 2024 টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পর একটানা দ্বিতীয়বারের জন্য 20 ওভারের বিশ্বকাপ জয়ের দোরগোড়ায় রয়েছে ভারত। নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে এবারের বিশ্বকাপ জিততে পারলে পরপর দুটি বিশ্বকাপ জিতে নেবে টিম ইন্ডিয়া। সেই সূত্রে ভারতের ঝুলিতে আসবে তিন তিনটি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। অন্যদিকে এই প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতের মুখ দেখবে নিউজিল্যান্ড। 20 ওভারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বিশ্বকাপ ফাইনালে আজ পর্যন্ত এর আগে কখনও মুখোমুখি হয়নি ভারত এবং কিউই দল।

    এক কথায়, আগামী 8 মার্চের বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত এবং নিউজিল্যান্ড দুই দলই ইতিহাস গড়তে চলেছে। বলাই বাহুল্য, এর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল এর ওয়ানডে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি, বিশ্বকাপ ও টেস্ট ফরম্যাটের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে জায়গা করেছিল নিউজিল্যান্ড। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ম্যাচ এটাই প্রথম।

    অবশ্যই পড়ুন: ফাইনাল জিততে টোটকা, টিম ইন্ডিয়ার জন্য দুটি বড় বদল!

    উল্লেখ্য, এবছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। গত সুপার এইট পর্বে ভারতকে নাকানি চোবানি খাওয়ানো দক্ষিণ আফ্রিকাকেও হারিয়ে দিয়েছে তারা। ফলে বোঝাই যাচ্ছে ফাইনাল জেতাটা ভারতের পক্ষে মোটেই সহজ হবে না। এর জন্য ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং তিন ক্ষেত্রেই ভারতকে আটঘাট বেঁধে নামতে হবে।

  • নতুন স্টেশন পূর্ব মেদিনীপুরে, দিঘা যাওয়ার পথে থামবে ট্রেন

    নতুন স্টেশন পূর্ব মেদিনীপুরে, দিঘা যাওয়ার পথে থামবে ট্রেন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে মেদিনীপুরবাসীর। উদ্বোধন হতে চলেছে আরও এক নতুন রেল স্টেশনের যেটার দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে আপনিও যদি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দিঘা ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করে থাকেন তাহলে ট্রেন নতুন এক স্টেশনে দাঁড়াবে এবং তার ওপর দিয়ে যাবে। নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন স্টেশন? তাহলে বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    এবার দিঘা যাওয়ার পথে নতুন স্টেশনে থামবে ট্রেন

    আজ কথা হচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরের ঘোলবাগদা রেল স্টেশন (Gholbagda Railway Station) নিয়ে। যেটি এখনও উদ্বোধন হয়নি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মার্চ মাসেই এই স্টেশনটি সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেবে প্রশাসন। একটা স্থানীয় স্টেশনে যা যা সুবিধা থাকার কথা তা সবই থাকবে এই স্টেশনে। যাত্রীদের বসার জায়গা থেকে শুরু করে পানীয় জলের কল, শৌচালয়, টিকিট কাউন্টার ইত্যাদি। এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর–২ ব্লকের ঘোলবাগদায় তৈরি হয়েছে নতুন হল্ট স্টেশন।

    আরও পড়ুনঃ কামরূপ এক্সপ্রেসের টিকিট কাটা? বড় আপডেট দিল রেল

    জানা গিয়েছে, দিঘা–তমলুক রেলপথে নাচিন্দা ও হেঁড়িয়া স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় গড়ে উঠেছে এই ঘোলবাগদা হল্ট স্টেশনটি। আগে ভগবানপুর ব্লকের বহু জায়গার মানুষদের ট্রেন ধরতে অনেক দূরে যেতে হত। সমস্যার শেষ থাকত না বোরোজ, অর্জুননগর, পটাশপুর–২ ব্লকের আড়গোয়াল ও মথুরা, কাঁথি–৩ ব্লকের কানাইদিঘি ও কুমীরদা গ্রামের মানুষদের। সেই নাচিন্দায় যেতে হত ট্রেন ধরতে। তবে আর নয়, কারণ নতুন স্টেশনটি সকলের মুশকিল আসান করবে। বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২০২৪ সালের ১ মার্চ এই স্টেশনের শিলান্যাস করা হয়। এরপর কাজ শুরু হয়। বর্তমান সময়ে কাজ একদম শেষ পর্যায়ে। আগামী ১২ মার্চ স্টেশনটির উদ্বোধন হতে পারে।

    কোন কোন ট্রেন থামতে পারে?

    এক রিপোর্ট অনুযায়ী, রেলওয়ে বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোলবাগদা স্টেশনে কিছু ট্রেনের গুলোর পরীক্ষামূলক স্টপেজ অনুমোদন করেছে। যদিও এই ট্রেনগুলোর নির্দিষ্ট আগমন ও প্রত্যাবর্তনের সময় এখনও প্রকাশিত হয়নি। জানা গিয়েছে, স্টেশনটি উদ্বোধনের পর ট্রেন নম্বর ৬৮১১৩ মেচেদা-দিঘা লোকাল, ৬৮১১৪ দিঘা পাঁশকুড়া লোকাল, ৬৮১১৫ পাঁশকুড়া দিঘা লোকাল, ৬৮১১৬ দিঘা-পাঁশকুড়া, ৬৮১১৭ পাঁশকুড়া-দিঘা, ৬৮১১৮ দিঘা-পাঁশকুড়া, ৬৮১১৯ পাঁশকুড়া-দিঘা এবং ৬৮১২০ দিঘা পাঁশকুড়া ঘোলবাগদা স্টেশনে দাঁড়াতে পারে। বর্তমানে, পাঁশকুড়া–দিঘা–পাঁশকুড়া বিশেষ ট্রেনটি ঘোলবাগদা স্টেশনে থামবে না।

  • ঘূর্ণাবর্তের জেরে ভাসবে বাংলা! থাকবে বজ্রবিদ্যুতের আশঙ্কা, আগামীকালের আবহাওয়া

    ঘূর্ণাবর্তের জেরে ভাসবে বাংলা! থাকবে বজ্রবিদ্যুতের আশঙ্কা, আগামীকালের আবহাওয়া

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মার্চের শুরুতেই ধীরে ধীরে রাজ্যের আবহাওয়ায় (Weather Tomorrow) বড় বদল ঘটছে। সকাল থেকেই কাঠফাটা রোদে রীতিমত নাভিশ্বাস অবস্থা রাজ্যবাসীর। চড়া রোদে যেন গা পুড়ে যাচ্ছে। যদিও গত সপ্তাহে হালকা বৃষ্টিতে ভিজেছিল উত্তর (North Bengal) থেকে দক্ষিণে (South Bengal) সমগ্র জেলা। আর এবার ফের ঘূর্ণাবর্তের জেরে বৃষ্টিতে ভিজতে চলেছে বাংলার বিভিন্ন জেলা।

    হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে আগত উইকেন্ড থেকেই বদলাবে উত্তর এবং দক্ষিণের আবহাওয়া। কারণ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং সংলগ্ন বাংলাদেশে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। এখানেই শেষ নয়, পশ্চিমী ঝঞ্ঝা রয়েছে জম্মু-কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায়। আজ আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকেছে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। তাই সব মিলিয়ে ভরপুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে, আর সেই কারণে উত্তর থেকে দক্ষিণে দুর্যোগের পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে। একনজরে জেনে নেওয়া যাক কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী আগামীকাল অর্থাৎ শনিবার দক্ষিণবঙ্গের সমগ্র জেলায় শুষ্ক এবং উষ্ণ আবহাওয়া বিরাজ করবে। সকাল থেকেই পরিষ্কার আকাশ দেখা যাবে এবং বেলা বাড়তেই রোদের দাপট ধীরে ধীরে বাড়বে। হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলায় আগামী সাতদিন শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। তবে আগামীকাল বিকেল থেকে আবহাওয়া পরিবর্তন হবে। এবং রবিবার থেকে টানা তিনদিন দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে, তবে সেক্ষেত্রে গরম কমবে না।

    আরও পড়ুন: কামরূপ এক্সপ্রেসের টিকিট কাটা? বড় আপডেট দিল রেল

    উত্তরবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে এই মুহূর্তে শীতের অনুভূতির সম্পূর্ণ উধাও হয়ে গেলেও উত্তরবঙ্গে এখনো হালকা শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে রবিবার থেকে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের জেরে ঝমঝমিয়ে নামবে বৃষ্টি। এছাড়াও বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইতে পারে। পাশাপাশি বজ্রপাতের আশঙ্কাও থাকছে, তাই সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সকালের দিকে হালকা কুয়াশার দাপট দেখা যাবে।

  • গরমে বিদ্যুতের বিল হবে অর্ধেক, মিলবে ৭৮ হাজার টাকা ভর্তুকি! দারুণ স্কিম কেন্দ্রের

    গরমে বিদ্যুতের বিল হবে অর্ধেক, মিলবে ৭৮ হাজার টাকা ভর্তুকি! দারুণ স্কিম কেন্দ্রের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গরমের সময় যেন বিদ্যুতের বিল সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে যায়। এয়ার কন্ডিশনার থেকে শুরু করে ফ্যান, রেফ্রিজারেটর বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক জিনিসপত্রের ক্রমাগত ব্যবহারে মাস শেষে মোটা অংকের বিল চাপে মধ্যবিত্তদের উপর। তবে এই সমস্যার সমাধান করতে কেন্দ্রীয় সরকার চালু করেছে সূর্য ঘর যোজনা (PM Surya Ghar Yojana), যেখানে কম খরচেই ছাদে সোলার প্যানেল বসাতে পারবেন। এমনকি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে এই প্রকল্পের আওতায় মোটা অংকের ভর্তুকিও মেলে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল জনগণকে সোলার প্যানেল নেওয়াতে উৎসাহিত করা। বিস্তারিত জানুন এই প্রতিবেদনে।

    এই স্কিমের নিয়মগুলো কী কী?

    প্রথমেই জানিয়ে রাখি, যে কোনও ব্যক্তি তার বাড়ি থেকে ছোট দোকান চালায় বা বাড়ির কাজে ইলেকট্রিক ব্যবহার করে, শুধুমাত্র তিনিই এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবে। তবে যদি দোকানটি সম্পূর্ন রূপে বাণিজ্যিকভাবে বা পৃথক বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে থাকে, তাহলে তিনি এই প্রকল্পের আওতায় ভর্তুকি পাবেন না। আর সৌর প্যানেল স্থাপনের ক্ষেত্রে কোনও রকম বিধিনিষেধ না থাকলেও গোটা খরচ ওই মালিককেই বহন করতে হবে।

    কত টাকা ভর্তুকি মেলে?

    প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর যোজনার আয়তায় সৌরশক্তি ক্ষমতার উপর ভিত্তি করেই মূলত ভর্তুকি দেওয়া হয়ে থাকে। সেই সূত্রে, ১ থেকে ২ কিলোওয়াট পর্যন্ত সিস্টেমের জন্য প্রতি কিলোওয়াটে ৩০,০০০ টাকা থেকে ৬০,০০০ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়। ২ থেকে ৩ কিলোওয়াট পর্যন্ত সিস্টেমের জন্য প্রতি কিলোওয়াটে ৬০,০০০ থেকে ৭৮,০০০ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়। আর ৩ কিলোওয়াটের উপরে ৭৮,০০০ টাকা করে ভর্তুকি দেওয়া হয়।

    কারা আবেদন করতে পারবে?

    এই স্কিমে আবেদন করতে গেলে অবশ্যই পরিবারের সদস্যদের ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। পাশাপাশি অবশ্যই সেই ব্যক্তিকে বাড়ির মালিক হতে হবে, যার ছাদ সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্য উপযুক্ত। আর পরিবারের বিদ্যুৎ সংযোগ থাকতে হবে এবং সৌর প্যানেলের জন্য কোনও ভর্তুকি আগে গ্রহণ করা চলবে না।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অতীত! বাংলার মহিলাদের জন্য গঠন হবে ৫৭০০ কোটির তহবিল

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    এই স্কিমে সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। এর জন্য নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করুন—

    • প্রথমে এই প্রকল্পের সরকারি অফিসে ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।
    • তারপর আপনার রাজ্য, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি, বিদ্যুৎ গ্রাহকের নম্বর এবং মোবাইল নম্বর ও ইমেইল লিখুন।
    • এরপর মোবাইল নম্বরে আসা ওটিপি দিয়ে লগইন করুন।
    • এরপর ফর্ম অনুযায়ী ছাদে সোলারের জন্য আবেদন করুন।
    • আবে আবেদনপত্রটি সমস্ত নিজের ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে পূরণ করুন।
    • এরপর DISCOM এর অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আর অনুমোদন পাওয়ার পর আপনার DISCOM নিবন্ধিত যে কোনও বিক্রেতার কাছ থেকে প্ল্যান্ট ইনস্টল করতে পারবেন।
    • ইনস্টলেশন শেষ হয়ে গেলে প্ল্যান্টের বিবরণ জমা দিতে হবে। আর নেট মিটারের জন্য আবেদন করতে হবে।
    • মিটার স্থাপন এবং DISCOM প্রদর্শনের পর তারা পোর্টাল থেকে কমিশনিং সার্টিফিকেট তৈরি করে দেবে।
    • আর কমিশনিং রিপোর্ট পাওয়ার পর পোর্টালের মাধ্যমে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩০ দিনের মধ্যেই ভর্তুকি পৌঁছে যাবে।

    তবে এখানে আবেদন করার জন্য কিছু ডকুমেন্ট দরকার পড়ে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পরিচয়ের প্রমাণপত্র, ঠিকানার প্রমাণপত্র, বিদ্যুতের বিল এবং ছাদের মালিকানার সার্টিফিকেট।

  • মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা মঞ্চের সামনে বিক্ষোভ পার্শ্বশিক্ষকদের, বিজেপির কাছে যেতে বললেন মমতা

    মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা মঞ্চের সামনে বিক্ষোভ পার্শ্বশিক্ষকদের, বিজেপির কাছে যেতে বললেন মমতা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্যের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের প্রতিবাদে আজ ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ধরনা মঞ্চের সামনেই হঠাৎ করে তৈরি হয় উত্তেজনা। বেতন বৃদ্ধি এবং স্থায়ীকরণের দাবিতে কয়েকজন পার্শ্ব শিক্ষক প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। আর পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীকেই হস্তক্ষেপ করতে হয়। পরে পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।

    ধরনা মঞ্চের সামনে বিক্ষোভ

    আসলে শুক্রবার ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।রাজ্যের ভোটার তালিকা বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর এর প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সংসদ থেকে শুরু করে বিধায়ক আর রাজ্যের মন্ত্রীরা। এই সময় কয়েকজন পার্শ্ব শিক্ষক হঠাৎ করেই মুখ্যমন্ত্রীর মঞ্চের সামনে এসে নিজেদের দাবি জানিয়ে প্ল্যাকার্ড দেখাতে থাকেন আর বেতন বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দেন। তাদের আচমকা এই বিক্ষোভে কার্যত পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়।

    তবে মঞ্চে বসেই বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি বলেন, “শান্ত হয়ে থাকুন। এখানে রাজনীতি করবেন না। বিজেপির কথায় মোটেও এসব করবেন না। যদি কিছু বলার থাকে তাহলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কিংবা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে গিয়েই বলুন।” এরপর তিনি পুলিশের উদ্দেশ্যে নির্দেশ দেন যাতে বিক্ষোভকারীদের শান্তভাবেই অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।

    কেন বিক্ষোভে নামেন পার্শ্ব শিক্ষকরা?

    আসলে গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের পার্শ্ব শিক্ষকরা নিজেদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে আন্দোলন চালাচ্ছে। মূলত বেতন বৃদ্ধি, চাকরির স্থায়ীকরণের দাবিতে তারা আন্দোলন নেমেছেন। আর আদালতের নির্দেশে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বিকাশভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভেও বসেছেন পার্শ্বশিক্ষকরা। এর পাশাপাশি বৃহস্পতিবার কালীঘাট অভিযানের ডাক দিয়েছিল শিক্ষক সংগঠনের ঐক্যমঞ্চ। সেদিন শিয়ালদা থেকে মিছিল শুরু হয়েও কলেজ স্ট্রিট এলাকায় পৌঁছনোর পর পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটকে দেয়। আর তারপর সেখানেই শুরু হয় অবস্থান বিক্ষোভ।

    আরও পড়ুন: অলির দুর্গে জয়, নেপালের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন ভারতবিরোধী র‍্যাপার! কে এই বলেন্দ্র শাহ?

    আন্দোলনকারী পার্শ্বশিক্ষকদের দাবি, ২০০৯ সালে তাদের আন্দোলনের মঞ্চে এসে স্থায়ীকরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পরবর্তী সময়ে ২০১১ সালে মন্ত্রিসভার বৈঠকেও ধাপে ধাপে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ১৫ বছর কেটে গেলেও সেই সমাধান হয়নি। আর ২০২৪ এর মার্চ মাসে রাজ্যের শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে পার্শ্বশিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সেই প্রস্তাব অনুযায়ী প্রাথমিক স্তরে পার্শ্বশিক্ষকদের বেতন ২৮ হাজার টাকা এবং উচ্চ প্রাথমিক স্তরে ৩২ হাজার টাকা করার কথা হয়েছিল। তবে সেই দাবিও মান্যতা দেওয়া হয়নি।