Blog

  • সৌরভের সঞ্চালনায় স্টার প্লাসে বাংলায় বিগ বস, এই সিজনে কে কে থাকছেন?

    সৌরভের সঞ্চালনায় স্টার প্লাসে বাংলায় বিগ বস, এই সিজনে কে কে থাকছেন?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গুঞ্জন তো ছিলই, আর এবার সেটাই বাস্তবের রূপ নিল, স্টার জলসায় (Star Jalsa) আসতে চলেছে ‘বিগ বস’ বাংলা (Bigg Boss Bangla)। জানা যাচ্ছে, এবার এই শোয়ের সঞ্চালনার দায়িত্বে থাকবেন বাংলার দাদা সৌরভ গাঙ্গুলি (Sourav Ganguly)। শুক্রবার সন্ধ্যায় ইডেন গার্ডেন্সের আলো-ঝলমলে পরিবেশে ঘোষণা করা হয়েছে এই শো। আর কিছুদিনের মধ্যেই প্রকাশ্যে আসতে চলেছে এই রিয়্যালিটি শো-এর প্রতিযোগিদের নাম।

    স্টার জলসা আসতে চলেছে বিগ বস

    ২০২৫ সালের শেষ দিক থেকেই শোনা যাচ্ছিল, হিন্দির পর বাংলায় দ্বিতীয়বার শুরু হতে চলেছে জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো বিগ বস। কিন্তু কবে থেকে সেই শো শুরু হবে সেই নিয়ে কোনো আপডেট পাওয়া যায়নি। তবে এবার প্রকাশ্যে আসল সবটা। জানা গিয়েছে, স্টার জলসার পর্দায় শুরু হতে চলেছে ‘বিগ বস বাংলা’, আর এই শোর সঞ্চালনা করবেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকেই বাংলার দর্শক দেখতে পাবেন এই নতুন রিয়েলিটি শো। তার আগেই ৬ মার্চ ইডেন গার্ডেন উদ্যানে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে এল ‘বিগ বস বাংলা’র লোগো। উপস্থিত ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি, যিশু সেনগুপ্ত থেকে শুরু করে সৌরভ দাস, বনি সেনগুপ্ত।

     

    View this post on Instagram

     

    ইডেন গার্ডেনে বিগ বসের অনুষ্ঠান

    গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার সন্ধ্যায় টলিপাড়ার একাধিক অভিনেতা এবং অভিনেত্রীদের দেখা গেল ইডেন গার্ডেন্সে। জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘পরশুরাম আজকের নায়ক’ এর অভিনেত্রী তৃণা সাহা ওরফে ‘তটিনী’-কে এদিনের অনুষ্ঠানের সঞ্চালকের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে। এছাড়াও তাঁর সঙ্গে সহ-সঞ্চালক হিসেবে ছিলেন অনিন্দ্য সেনগুপ্ত। অনুষ্ঠানের সন্ধ্যায় ছিলেন ‘ও মোর দরদিয়া’র রণিতা দাস, বিশ্বজিৎ ঘোষ। পাশাপাশি নতুন মেগা ‘শুধু তোমারই জন্য’-এর শুভ্রজিৎ সাহা, দীপান্বিতা রক্ষিত। সৌরভের সঙ্গে এক ওভার ক্রিকেটও খেলেছিলেন যিশু। তাছাড়াও টলিপাড়ার দু’পক্ষের মধ্যে ৫ ওভারের ম্যাচও হয়েছিল।

    কী বলছেন সৌরভ গাঙ্গুলি?

    বিগ বস মানেই বিতর্ক, উত্তেজনা, যা আমরা দেখে এসেছি হিন্দিতে, সেই ধরনের শো সঞ্চালনা করা খুবই কঠিন, আর এই রকম কাজের গুরুদায়িত্ব পেয়ে ঠিক কেমন লাগছে সৌরভ গাঙ্গুলির তা নিজের মুখে প্রকাশ করলেন। তিনি বলেন, “এই শো করতে পেরে আমি ভীষণ আপ্লুত। নতুন কোনও কাজ শুরু করলে আমি সবসময় চেষ্টা করি সেটাকে ভালো ভাবে করার।” এরপরই হিন্দি বিগ বস প্রসঙ্গে বলেন, “ আমি সময় পেলেই ‘বিগ বস হিন্দি’ দেখি খুবই আকর্ষণীয় লাগে। সলমনকে দেখছি, ওঁর সঞ্চালনা এবং অভিনয়—দুটোই খুব পছন্দের।” এছাড়াও সৌরভ আরও জানান, যেমন ‘বিগ বস হিন্দি’-তে প্রতি সপ্তাহে থাকে নানা চমক আর টুইস্ট, ঠিক এখানেও সেই টুইস্ট অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য।”

    আরও পড়ুন: গ্যাসের দাম বাড়তেই ক্ষুব্ধ মমতা, নারী দিবসে হাঁড়ি-কড়াই নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মুখ্যমন্ত্রীর

    প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল যে তৃণা সাহাকে নাকি বিগ বস বাংলায় দেখা যাবে। তবে সেই গুঞ্জন এবার নস্যাৎ করে দিলেন নায়িকা নিজে। স্পষ্টভাবে জানান যে তিনি এই সিজনে বিগ বসে যাচ্ছেন না। তবে যেই আসুক না কেন এই শোয়ের কন্ট্রোভার্সি, টিআরপি তুঙ্গে থাকবে। এখনও অনেক প্রশ্ন ঘিরে রয়েছে এই শো নিয়ে। যার মধ্যে অন্যতম হল বিগ বস বাংলার প্রতিযোগিতায় কোন কোন তারকা থাকবেন এবং ঘরের অন্তরালে যে রহস্যময় কণ্ঠস্বর থাকে, সেটি কার হবে। তবে খুব শিগগিরই সেই তালিকা সামনে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

  • বাচ্চার ভুলে মুসলিম মহিলার গায়ে লাগে রং! ক্ষোভে দিল্লির উত্তম নগরে পিটিয়ে খুন হিন্দু যুবককে

    বাচ্চার ভুলে মুসলিম মহিলার গায়ে লাগে রং! ক্ষোভে দিল্লির উত্তম নগরে পিটিয়ে খুন হিন্দু যুবককে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দিল্লির (Delhi) উত্তমনগর এলাকায় হোলির (Holi Festival) দিন শুরু হওয়া সামান্য বিবাদ শেষ পর্যন্ত তরুণ কুমার নামের (Tarun Kumar) এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় পরিণত হয়। ২৬ বছর বয়সী তরুণ কুমারের হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে ওই এলাকায় এখনও পর্যন্ত উত্তেজনা বজায় রয়েছে। তদন্ত নেমে পুলিশ ইতিমধ্যে ৮ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে এবং এক নাবালককেও আটক করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার দিল্লির উত্তমনগর এলাকার জেজে কলোনিতে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ ওঠে, একটি হোলির বেলুন ঘিরে শুরু হয় বচসা। আর তা ধীরে ধীরে মারাত্মক সংঘর্ষে রূপ নেয়।

    কীভাবে ঘটনার সূত্রপাত হয়?

    স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী খবর, এক হিন্দু পরিবারের ১১ বছর বয়সী একটি মেয়ে বাড়ির ছাদ থেকে হোলি খেলছিল। আর সেই সময় ছোড়া একটি জল ভর্তি বেলুন নীচ দিয়ে যাওয়া এক মুসলিম মহিলার গায়ে লাগে। মেয়েটির পরিবারের দাবি, সঙ্গে সঙ্গেই তাঁরা ক্ষমা চেয়েছিল। তবে এরপরও দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক বিতর্ক শুরু হয় এবং তা খুব দ্রুত হাতাহাতিতে রূপ নেয়। অভিযোগ ওঠে, এরপর কয়েকজন মিলে ২৬ বছর বয়সী ওই তরুণ কুমারকে ঘিরে ধরে ক্রিকেট ব্যাট, লাঠি এবং পাথর দিয়েই মারধর শুরু করে। গুরুতর জখম অবস্থায় এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে বৃহস্পতিবার সকালেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    এদিকে তাঁর মৃত্যুর পর শুক্রবার থেকে ওই এলাকায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এক হিন্দু রাজনৈতিক সংগঠনের সমর্থকেরাও বিক্ষোভে নামে। এমনকি বিক্ষোভের সময় একটি গাড়ি এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন লাগানোর অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি কয়েকটি গাড়ির কাঁচও ভাঙচুর করা হয়। উত্তমনগর মেট্রো স্টেশন, স্থানীয় থানা এবং কলোনি সংলগ্ন এলাকায় টানা দুই দিন ধরে বিক্ষোভ চলতে থাকে। আর বিক্ষোভকারীরা রাস্তা অবরোধ করে এলাকার যানবাহনও বন্ধ করে দেয়। উত্তেজনার জেরে অনেক দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সেখানে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের অ্যাকাউন্টে কবে ঢুকবে টাকা? দিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    বুলডোজার অভিযানের দাবি ওই পরিবারের

    তরুণের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি তোলা হয়েছে। তরুণের কাকা রমেশ যিনি নিজেই এই ঘটনায় আহত হয়ে তাঁর আটটি সেলাই পড়েছে, তিনি জানিয়েছেন যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বুলডোজার অভিযান চালানো উচিত। এমনকি পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের এর আগেও একাধিকবার বিবাদ হয়েছে এবং হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে যে, দুই পরিবারই রাজস্থানের বাসিন্দা। আর বহু বছর ধরেই একে অপরকে চেনেন। পুলিশের দাবি, এই ঘটনা সম্পূর্ণ সম্প্রদায়িক নয়, বরং দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনা ফেলা, জল ব্যবহার বা পার্কিং নিয়ে বিবাদ চলছিল। সেখান থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

  • সাবধান করেছিল সুপ্রিম কোর্ট, এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে যা বলল SBI

    সাবধান করেছিল সুপ্রিম কোর্ট, এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে যা বলল SBI

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: এইমুহুর্তে সাধারণ নাগরিকদের কাছে রাজ্যের সবথেকে জনপ্রিয় প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি হল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প (Lakshmir Bhandar)। এই প্রকল্প মূলত মহিলাদের জন্য নিতে এসেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। তবে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, নির্বাচনে ভোটারদের আকৃষ্ট করার জন্য একাধিক রাজ্য একের পর এক প্রকল্প নিয়ে এসেছে জনসাধারণের জন্য। কিন্তু এই প্রকল্পগুলিতে রাজনৈতিক লাভ হলেও সরকারের কোষাগারে বিপুল চাপ পড়ে, আর এবার তাই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নের ব্যয়ের সীমা সীমাবদ্ধ করার সুপারিশ দিল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (State Bank Of India)। মহিলা ভোটার নিয়েও দিল বড় আপডেট।

    জনসংযোগ বাড়াতে প্রকল্প নীতি

    নির্বাচন আসলেই রাজনীতিবিদরা সাধারণ জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য একের পর এক জনদরদী প্রকল্প নিয়ে আসে। আর এই সব প্রকল্পে বরাদ্দ করা হয় কয়েক কোটি টাকা। উপভোক্তাদের সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নগদ অর্থ পাঠানো হয়, তাতে সরকারের কোষাগারে বেশ চাপ পড়ে। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। সমালোচনা করে শীর্ষ আদালত বলেছিল যে জনগণকে বিনামূল্যে প্রকল্পের মাধ্যমে নগদ দেওয়ার পরিবর্তে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা উচিত যাতে তারা তাদের মর্যাদা এবং আত্মসম্মান অর্জন করতে পারে। কিন্তু তবুও বন্ধ হয়নি প্রকল্প। তাই এবার বিনামূল্যের এই সব সুবিধা এবং নগদ অর্থের মতো প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নের ব্যয়ের সীমা GSDP-র একটি শতাংশে সীমাবদ্ধ করার সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে সরকারের প্রয়োজনীয় এবং কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি প্রভাবিত না হয়।

    কী বলছে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া?

    সম্প্রতি স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ এসেছে। যেখানে বলা হয়েছে, “বিধানসভা নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পৃথক রাজ্যগুলির জন্য GSDP-র ০.১ থেকে ২.৭ শতাংশ, যা রাজ্যগুলির নিজস্ব মোট রাজস্ব সংগ্রহের প্রায় ৫ থেকে ১০ শতাংশ। তবে এইমুহুর্তে এই খাতে ব্যয়ের জন্য মোট রাজস্বের এক শতাংশের সীমা নির্ধারণ করতে হবে।” এছাড়াও SBI এর রিপোর্ট অনুযায়ী, যে সব রাজ্যে মহিলাকেন্দ্রিক প্রকল্প রয়েছে, সেখানে মহিলারা ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড, বিহারের মতো রাজ্য এই তালিকায় রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে SBI জানিয়েছে, ২০২১ সালে বাংলার বিধানসভা ভোটে অতিরিক্ত ২৯ লক্ষ ১০ হাজার মহিলা বুথমুখী হয়েছেন। যার নেপথ্য রয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প।

    আরও পড়ুন: আহমেদাবাদে মেগা ফাইনাল ভারত-নিউজিল্যান্ডের, মাঠে থাকবেন নরেন্দ্র মোদী?

    প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বেশ প্রশংসা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যেখানে বলা হয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতে প্রকল্পের জন্য পশ্চিমবঙ্গে ভোগ্যপণ্যের বিক্রি বেড়েছে। কিছুদিন আগেই অন্তর্বতী বাজেট পেশ করেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেখানেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকার অঙ্ক বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মহিলারা মাসে ১৫০০ টাকা ও পিছিয়ে পড়া মহিলাদের মাসে ১৭০০ টাকা করে দেওয়া হয়।

  • ৩০ এপ্রিলের মধ্যে দিতে হবে জমা, কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বিশেষ নির্দেশ সরকারের

    ৩০ এপ্রিলের মধ্যে দিতে হবে জমা, কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বিশেষ নির্দেশ সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য রইল জরুরি খবর। আর এই খবরটি হল অষ্টম বেতন পে কমিশন (8th Pay Commission) সংক্রান্ত। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত অষ্টম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশন এখন বিভিন্ন অংশীদারদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং স্মারকলিপি চেয়েছে। সময়সীমা ৩০ এপ্রিল, ২০২৬।

    ৩০ এপ্রিল ডেডলাইন দিল কেন্দ্র

    জানা গিয়েছে, কমিশন তার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানিয়েছে যে কর্মচারী, পেনশনভোগী, ইউনিয়ন এবং অন্যান্য অংশীদাররা একটি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে তাদের মতামত জমা দিতে পারবেন। এই পোর্টালটি ইতিমধ্যে গত ৫ মার্চ, ২০২৬ থেকে চালু করা হয়েছে এবং পরামর্শ জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে সমস্ত পরামর্শ অফলাইন নয়, শুধুমাত্র অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। হার্ড কপি, ইমেল বা পিডিএফ ফাইল বিবেচনা করা হবে না। অতএব, বেতন, ভাতা বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কিত দাবি সহ যে কোনও কর্মচারী বা প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অনলাইনেই তাদের প্রস্তাব জমা দিতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ শুধুমাত্র এদেরই বকেয়া DA দেবে নবান্ন? সুপ্রিম কোর্টে জমা রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

    কী বলা হয়েছে ওয়েবসাইটে?

    অষ্টম বেতন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত মেসেজ অনুসারে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী (শিল্প ও অ-শিল্প), সর্বভারতীয় পরিষেবার কর্মকর্তা, প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মী, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কর্মচারী, ভারতীয় নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারী, সংসদের আইনের অধীনে গঠিত নিয়ন্ত্রক সংস্থার সদস্য (আরবিআই ছাড়া), সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টের কর্মচারী, অধস্তন আদালতের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, পেনশনভোগী এবং কর্মচারী ইউনিয়ন এই প্রক্রিয়ায় তাদের মতামত জমা দিতে পারবেন।

    আরও পড়ুনঃ বাংলা ও বিহার হচ্ছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল? স্পষ্ট জানিয়ে দিল সরকার

    এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রক, বিভিন্ন বিভাগ, সংস্থা, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসন, কর্মচারী ইউনিয়ন, গবেষক এবং শিক্ষা বিশেষজ্ঞরাও কমিশনের কাছে পরামর্শ জমা দিতে পারবেন। কমিশন ইতিমধ্যেই বেতন কাঠামো, ভাতা, সুযোগ-সুবিধা এবং নিয়ম সম্পর্কিত বিষয়গুলির উপর প্রতিক্রিয়া জানতে ১৮টি প্রশ্নের একটি প্রশ্নপত্র জারি করেছে। এই প্রশ্নের উত্তর অনলাইনেও দিতে হবে, যার সময়সীমা ১৬ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত।

  • আহমেদাবাদে মেগা ফাইনাল ভারত-নিউজিল্যান্ডের, মাঠে থাকবেন নরেন্দ্র মোদী?

    আহমেদাবাদে মেগা ফাইনাল ভারত-নিউজিল্যান্ডের, মাঠে থাকবেন নরেন্দ্র মোদী?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: অপেক্ষার বাকি আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা, রবিবারই T20 বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত (India) নিউজিল্যান্ড (New Zealand)। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে (Narendra Modi Stadium) আয়োজিত হতে চলেছে এই ম্যাচ। তাই সব মিলিয়ে মাঠের লড়াই যে হাড্ডাহাড্ডি হবে, এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। পাশাপাশি বর্ণময় হতে চলেছে T20 ফাইনালের আগে সমাপ্তি অনুষ্ঠান। এসবের মাঝেই শোনা যাচ্ছে ফাইনাল ম্যাচে নাকি আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।

    নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচ

    আগামীকাল অর্থাৎ রবিবার, ৮ মার্চ আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে (Narendra Modi Stadium) ২০২৬ T20 বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ হতে চলেছে। আর এই খেতাবি লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। শেষ দুটো ICC ইভেন্ট জয়ের পর সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ভারতীয় ক্রিকেট দল এই নিয়ে টানা চতুর্থবার ফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করল। তাই স্বাভাবিকভাবে এই খেলা নিয়ে বেশ রুদ্ধশ্বাস মুহূর্ত তৈরি হতে চলেছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই হাইভোল্টেজ দৃশ্য উপভোগ করতে দেশের খ্যাতনামা ব্যক্তিত্বরা এই ফাইনাল ম্যাচ দেখার জন্য স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে চলেছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও নাকি উপস্থিত থাকতে পারেন।

    উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?

    উল্লেখ্য, আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে একটি। আয়তনের নিরিখে প্রায় এক লাখের বেশি দর্শক একসঙ্গে বসে খেলা দেখতে পারেন এখানে। আর এঁদের মাঝেই আশা করা যাচ্ছে খেলা দেখতে আসতে পারেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যদিও এখনও এই নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। এর আগে ২০২৩ সালে ICC বিশ্বকাপ ফাইনালে আহমেদাবাদ স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। তাঁকে নিয়ে সেইসময় বেশ আলোচনা হয়েছিল। যদিও এইমুহুর্তে বিশ্ব জুড়ে এক যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাই মধ্য-প্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে আগামীকাল স্টেডিয়ামে তিনি আসবেন কিনা।

    আরও পড়ুন: “আর হামলা হবে না” হঠাৎ ক্ষমা চাইল ইরান! ঘুরে গেল খেলা?

    প্রসঙ্গত, সপ্তাহান্তে মেগা ফাইনালের দিন আহমেদাবাদের আবহাওয়া নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। ওইদিন বৃষ্টিতে ফাইনাল ম্যাচ পণ্ড হতে পারে কিনা সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলছে অনেকেই। তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস এখনও যা আপডেট তাতে আগামীকাল আহমেদাবাদের আকাশ পরিষ্কার থাকবে এবং বৃষ্টির কোনওরকম সম্ভাবনা নেই। তবে কোনও কারণে ম্যাচে যাতে বাধা, বিঘ্ন তৈরি না হয়, তার জন্য ICC আগে থেকেই খেলার প্রস্তুতি সেরে রেখেছে।

  • “আর হামলা হবে না” হঠাৎ ক্ষমা চাইল ইরান! ঘুরে গেল খেলা?

    “আর হামলা হবে না” হঠাৎ ক্ষমা চাইল ইরান! ঘুরে গেল খেলা?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হারিয়েছে ইরান (Iran War Update)। সুপ্রিম লিডারের মৃত্যুর পরই কার্যত পাগল হয়ে গিয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশ। খামেনির মৃত্যুর বদলা হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলিতে থাকা আমেরিকার একের পর এক সামরিক ঘাঁটিতে হাড় কাঁপানো হামলা চালায় ইরানের সেনাবাহিনী। হামলা চলে ইজরায়েলেও। তবে দুই শক্তি ধরের সাথে লড়াইয়ে ইরানের মরণ কামড় খেতে হয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, দোহার মতো প্রতিবেশীদের। যদিও সময় কিছুটা গড়াতেই হঠাৎ পড়শি দেশগুলির কাছে ক্ষমা চেয়ে নিল ইরান। ক্ষমা চেয়েছেন খোদ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান (Masoud Pezeshkian)।

    হঠাৎ ক্ষমা চেয়ে নিল ইরান

    গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া আমেরিকা-ইজরায়েল বনাম ইরানের ভয়াবহ সংঘাতের কোপে পড়ে ল্যাজে গোবরে অবস্থা হয়েছিল উপসাগরীয় দেশগুলির। রাতবিরেতে ছুটে আসছিল একের পর এক ইরানি মিসাইল। এক কথায়, সুপ্রিম লিডারকে হারানোর পর আমেরিকা ও ইজরায়েলের মতো দেশকে মদত দেওয়ার অভিযোগে নিজের প্রতিবেশী দেশগুলিকেও ছাড়েনি একসময় আমেরিকার বন্ধু দেশটি। এবার সেইসব প্রতিবেশী দেশের কাছেই ক্ষমা চেয়ে নিল ইরান।

    সম্প্রতি ইরানের প্রেসিডেন্ট খুব স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, “ইয়ানের উপর যদি হামলায় আমেরিকা বা ইজরায়েলকে মদত দেওয়া না হলে ইরানও প্রতিবেশী দেশগুলিতে হামলা চালাবে না। উপসাগরীয় এলাকার দেশগুলির সাথে ইরানের কোনও ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই।” জানা গিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির মৃত্যুর পরই প্রাথমিকভাবে একটি অন্তর্বর্তী কাউন্সিল গঠন করা হয়েছিল। সেই কাউন্সিলর সদস্য ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট সহ মোট তিনজন। এবার সেই কাউন্সিলই প্রতিবেশী দেশগুলিতে হামলা না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    ইরানের প্রেসিডেন্ট খুব সাফ ভাবে বুঝিয়েছেন, এবার থেকে উপসাগরীয় দেশগুলি যদি আমেরিকা এবং ইজরায়েলকে ইরানের উপর হামলা চালানোর জন্য মদত না যোগায় তবে ইরানের সেনাবাহিনীও এই দেশ গুলির উপর হামলা চালাবে না। এদিন মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশের তরফে প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি এও জানিয়ে দেওয়া হয়, আমেরিকা এবং ইজরায়েল প্রথমে হামলা চালানো শুরু করেছিল বলেই ইরান প্রত্যাঘাত করে।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের অ্যাকাউন্টে কবে ঢুকবে টাকা? দিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ট্রাম্পকে কড়া বার্তা মাসুদের

    সম্প্রতি ইরানের কাছ থেকে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ চেয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছিলেন, তাঁর বেছে দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে থেকে পছন্দের একজনকে ইরানের সিংহাসনে বসানো হোক। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান একেবারে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, “এসব আসলে ট্রাম্পের স্বপ্ন। এই স্বপ্ন নিয়েই তাঁকে সমাধিস্থ হতে হবে।” এক কথায় বলা যায়, প্রতিবেশী দেশগুলির উপর হামলা বন্ধ করলেও আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সাথে কোনও মতেই আপস করতে রাজি নয় ইরান। বরং হামলা হলে যে পাল্টা ভয়ঙ্কর প্রত্যাঘাত করা হবে সে কথাও বুঝিয়ে দিয়েছে তেহরান।

  • বাংলা ও বিহার হচ্ছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল? স্পষ্ট জানিয়ে দিল সরকার

    বাংলা ও বিহার হচ্ছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল? স্পষ্ট জানিয়ে দিল সরকার

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগে পশ্চিমবঙ্গকে (West Bengal) ঘিরে নতুন করে বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করা হচ্ছিল যে, পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি সংলগ্ন বেশ কিছু এলাকা এবং বিহারের কয়েকটি জেলা নিয়ে নাকি নতুন একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (Union Territory) গঠনের পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু সেই জল্পনার ইতি টানল কেন্দ্র। হ্যাঁ, দেশের তথ্য যাচাই সংস্থা জানিয়ে দিল, কোনও পরিকল্পনা বা প্রস্তাব সরকারের কাছে নেই। আর এই দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো আর বিভ্রান্তিকর।

    কী দাবি উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়?

    আসলে সাম্প্রতিক সময় বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দাবি করা হচ্ছিল যে, বিহারের পূর্ণিয়া, আরারিয়া, কিষাণগঞ্জ, কাটিহারসহ কয়েকটি জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি করিডরের কাছাকাছি বেশ কিছু এলাকা নিয়ে একটি নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠিত হবে। এমনকি কিছু পোস্টে বলা হচ্ছিল, সীমান্ত এলাকায় জনসংখ্যা পরিবর্তন আর অনুপ্রবেশের কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। আর এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনাও লক্ষ্য করা যায়।

    তবে এই জল্পনার মধ্যেই পিআইবি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্র সরকার এরকম কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কোনও রকম তথ্য প্রকাশের আগে অবশ্যই সরকারি সূত্র থেকে তা যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    রাজ্যপাল বদল নিয়ে জল্পনা

    বলাবাহুল্য, সম্প্রতি একাধিক রাজ্যের রাজ্যপাল বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস, এবং তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আরএন রবিকে। একইসঙ্গে বিহারের রাজ্যপাল পদ থেকেও আরিফ মহম্মদ খানকে সরানো হয়েছে। অন্যদিকে আমেরিকায় ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত তরনজিৎ সিংহ সাঁধুকে দিল্লির নতুন রাজ্যপাল হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও তেলেঙ্গানা থেকে শুরু করে মহারাষ্ট্র, নাগাল্যান্ড এবং হিমাচল প্রদেশ সহ একাধিক রাজ্যের রাজ্যপাল বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবং লাদাখেও নতুন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: গ্যাসের দাম বাড়তেই ক্ষুব্ধ মমতা, নারী দিবসে হাঁড়ি-কড়াই নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মুখ্যমন্ত্রীর

    এদিকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের জল্পনা ছড়িয়ে পড়তেই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকেই তিনি বলেছেন যে, দিল্লির বাবুরা নাকি বাংলা আর বিহারকে ভাগ করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করতে চাইছে। বাংলায় হাত দিয়ে দেখাক। তাঁর এই মন্তব্য সামনে আসছেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

  • ফাইনালে ভারতের চিন্তার কারণ হয়ে উঠতে পারেন KKR তারকা

    ফাইনালে ভারতের চিন্তার কারণ হয়ে উঠতে পারেন KKR তারকা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (ICC Men’s T20 World Cup) সেমিফাইনালে কার্যত একার হাতেই নিউজিল্যান্ডের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছেন তিনি। কিউই তারকার অসাধারণ ব্যাটিং দেখে মোহিত ক্রিকেট বিশ্ব। সবচেয়ে বড় কথা, গত IPL নিলামে এই প্লেয়ারকেই কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। আসন্ন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে KKR এর হয়ে ব্যাট ধরবেন তিনি। তার ঠিক আগেই ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেন্সে নাইট তারকার এমন পারফরমেন্স খুশির জোয়ার এনেছে KKR শিবিরেও। তবে অনেকেই মনে করছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালে (India Vs New Zealand) এই নাইট তারকাই ভারতের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারেন।

    ভারতের চিন্তা বাড়াতে পারেন KKR তারকা

    এবারের বিশ্বকাপে শুধুমাত্র দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেই হেরেছে ভারত। তারপর জিম্বাবুয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজকে গুঁড়িয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার পর সেখানেও ইংল্যান্ড বাহিনীকে পরাস্ত করে টিম ইন্ডিয়া। এক কথায়, ফেভারিট হিসেবেই ফাইনাল খেলতে নামছে ভারতীয় দল। জিততে পারলে বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে একটানা দ্বিতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ট্রফি জয়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে গৌতম গম্ভীরের ভারত।

    নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনাল জিততে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী টিম ইন্ডিয়া। তবে নিউজিল্যান্ডের একজন ব্যাটসম্যানকেই বেশি ভয় পাচ্ছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। হ্যাঁ, প্রথম সেমিফাইনালের নায়ক তথা KKR তারকা ফিন অ্যালেনের শক্তিই ডড়াচ্ছে ভারতীয় বোলারদের। কেননা, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম সেমিফাইনালে 33 বলে 100 রানের যে অপরাজিত ইনিংস অ্যালেন খেলেছিলেন নিঃসন্দেহে তা চমকে দেওয়ার মতোই। বলা চলে একাই টিকে থেকে প্রোটিয়াদের হারিয়েছিলেন তিনি।

    গৌতম গম্ভীরদের ভয়, KKR এর নতুন ওপেনার যদি শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন ফাইনালে। সবচেয়ে বড় কথা, ব্যাট হাতে মাঠের সবদিকে শট খেলার ক্ষমতা রয়েছে এই প্লেয়ারের। স্পিন থেকে শুরু করে ফার্স্ট বোলিং অ্যাটাক সহজেই রুখে দেন তিনি। কাজেই ফাইনালে নামার আগে নিউজিল্যান্ডের এই প্লেয়ারকে নিয়ে যথেষ্ট চিন্তায় টিম ইন্ডিয়া। কাজেই শিরোপা জিততে হলে এই প্লেয়ারের উইকেট আগে দরকার। সেটা বুঝে নিয়েই এগোতে চাইছেন গৌতম গম্ভীর।

    অবশ্যই পড়ুন: এই ৪ কারণে ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে তৃতীয় T20 বিশ্বকাপ জিতবে ভারত!

    উল্লেখ্য, অ্যালেনের পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডের আরেক ওপেনার চিন্তায় রেখেছে ভারতকে। তিনিও কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের নতুন সদস্য। হ্যাঁ, চলতি বিশ্বকাপের একেবারে শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন টিম শেইফার্ট। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে গত ম্যাচে ওপেনিং করতে নেমে 33 বলে 58 রানের যে ঝকঝকে ইনিংস তিনি খেলেছিলেন সেটাই বাড়তি চাপ দিচ্ছে টিম ইন্ডিয়াকে। এক কথায়, দুই KKR তারকা তথা নিউজিল্যান্ডের দুজন দাপুটে ওপেনারকে ফাইনালের আগে সমীহ করে চলছেন ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীর।

  • গ্যাসের দাম বাড়তেই ক্ষুব্ধ মমতা, নারী দিবসে হাঁড়ি-কড়াই নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মুখ্যমন্ত্রীর

    গ্যাসের দাম বাড়তেই ক্ষুব্ধ মমতা, নারী দিবসে হাঁড়ি-কড়াই নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মুখ্যমন্ত্রীর

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আঁচ পড়েছে হেঁশেলে। আজ অর্থাৎ শনিবার থেকে ঘরোয়া এবং বাণিজ্যিক দুই রান্নার গ্যাসের দামই (Gas Cylinder Price Hike) এবার বাড়ানো হল। ঘরোয়া রান্নার গ্যাসের দাম একলাফে বাড়ানো হল সিলিন্ডার প্রতি ৬০ টাকা করে। অর্থাৎ কলকাতায় রান্নার গাসের দাম বেড়ে হল ৯৩৯ টাকা। এবং ১৯ কেজির বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানো হল সিলিন্ডার প্রতি ১১৪ টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ দাম বেড়ে হল ১৯৯০ টাকা। আর তাই গ্যাস সিলিন্ডার দাম বৃদ্ধি নিয়ে এবার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ।

    গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ মমতার

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ, শনিবার ধরনা মঞ্চে রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গ্যাসের দাম ৬০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি জানান, রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের উপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। গতকাল ৬০ টাকা গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। তার আগে তিনদিন আগে ৪৯ টাকা গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। বড় সিলিন্ডাররে দাম ২১০০ টাকা হয়ে গিয়েছে। আর ছোট সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার টাকা হয়ে গিয়েছে। বলছে ২১ দিন আগে থেকে বুক করতে হবে। যার বাড়িতে গ্যাস শেষ হয়ে যাবে সে কী ২১ দিন রান্না না করে থাকবে? খাবেন কী করে? মাথা খাবেন?”

    মহিলাদেরকে নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মমতার

    কেন্দ্রীয় সরকারের এই গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমগ্র মহিলাদেরকে নিয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দিন প্রতিবাদের ডাক দিলেন। তিনি বলেন, “কালকে মিছিল হবে। গ্যাস নাই, রান্না নাই। গ্যাস নাই, খাবার নেই। সেই জন্য হাঁড়ি, কড়াই, বাটি, ঘটি, হাতা, খুন্তি দিয়ে প্রতিবাদ মিছিল হবে আন্তর্জাতিক মহিলা দিবসে। মানবতাকে পালন করার জন্য কাল মা বোনেরা রাস্তায় নামুন, প্রতিবাদ করুন। প্রয়োজনে কালো শাড়ি পরুন। আর হাতে এইসব রাখবেন। গ্যাসের ওভেনও পারলে কেউ নিয়ে আসবেন। পারলে কাঁচা আনাজও ঝুড়িতে আনবেন।”

    আরও পড়ুন: ধর্ষণ করে খুন, গোডাউনে লুকোনো দেহ! সাঁইথিয়ায় নাবালিকা মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

    প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরেই বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে। চলতি বছরের শুরুতেই অর্থাৎ ১ জানুয়ারি একধাক্কায় ১১১ টাকা বেড়েছিল বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম। এরপর পরের মাসে অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি আরও ৪৯ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে গ্যাসের দাম। সংশোধিত দামের তালিকা অনুযায়ী, ১ মার্চ কলকাতায় ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছিল ১৮৭৫ টাকা ৫০ পয়সা। এবার নতুন বৃদ্ধির পর সেই দাম বেড়ে হল ১৯৯৯ টাকা। বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছে সকলে।

  • ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের অ্যাকাউন্টে কবে ঢুকবে টাকা? দিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের অ্যাকাউন্টে কবে ঢুকবে টাকা? দিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সম্প্রতি রাজ্যের অন্তরবর্তী বাজেটে রাজ্যের ভূমিহীন ক্ষেতমজুর (Bhumihin Khetmajur) বা শ্রমিকদের জন্য বিশেষ প্রকল্প চালু করেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government Of West Bengal)। রাজ্য সরকারের তরফে নির্দেশিকা পেতেই, গত ফেব্রুয়ারি জুড়ে চলেছিল ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া। পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা ভূমিহীন বহু মানুষ এই প্রকল্পের টাকা পেতে আবেদন করেছিলেন। সরকারের তরফে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছিল, যুবসাথী প্রকল্পের পাশাপাশি আগামী পহেলা এপ্রিল থেকেই দেওয়া হবে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পের টাকা। তবে শনিবার, মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করে দিলেন, পহেলা এপ্রিল নয় বরং আজ অর্থাৎ 7 মার্চ থেকেই মিলবে ক্ষেতমজুর প্রকল্পের অর্থ।

    আজই ব্যাঙ্কে ঢুকবে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর টাকা

    রাজ্য সরকারের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আদলে যে নতুন ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্প চালু করা হল তাতে বছরে 4 হাজার টাকা করে পাবেন যোগ্য আবেদনকারীরা। মূলত দুটো কিস্তিতে 2 হাজার টাকা করে 4 হাজার টাকা দেওয়া হবে এই প্রকল্পে। সরকারি ঘোষণার পর গত মাসে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদনের হিড়িক পড়েছিল কার্যত।

    বলাই বাহুল্য, রাজ্য সরকারের বিশেষ প্রকল্প যুবসাথীর আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমে হলেও ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া চলেছিল শুধুমাত্র অফলাইন পদ্ধতিতে। অর্থাৎ নিকটবর্তী স্বনির্ভর বাংলা ক্যাম্প, পৌরসভা বা BDO অফিসে গিয়ে নিজেদের আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন আবেদনকারীরা। এবার সেই প্রকল্পের প্রথম কিস্তি অর্থাৎ 2000 টাকা ঢুকবে আজই। এমনটাই ঘোষণা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

    অবশ্যই পড়ুন: ‘যারা তৃণমূলের সঙ্গে নয়, তারা বাঙালি নয়!’ মহুয়া মৈত্রর মন্তব্য ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

    উল্লেখ্য, গত 26 ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছিল বেকার ভাতা প্রকল্প যুবসাথীর আবেদন প্রক্রিয়া। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশেষ প্রকল্পে রাজ্যের প্রায় 85 লাখ আবেদনকারী আবেদন করেছিলেন। সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল দক্ষিণ 24 পরগনা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর 24 পরগনা থেকে। এছাড়াও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া সহ একাধিক জেলা থেকে অসংখ্য আবেদনকারী এই প্রকল্পে আবেদন করেছিলেন। আজ অর্থাৎ শনিবার থেকেই মিলবে যুবসাথী প্রকল্পের মাসিক 1500 টাকা।