Blog

  • শ্রীরামপুর স্টেশন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলমন্ত্রীর, হাওড়া লাইনে হতে পারে আরেকটি হল্ট স্টেশনও

    শ্রীরামপুর স্টেশন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলমন্ত্রীর, হাওড়া লাইনে হতে পারে আরেকটি হল্ট স্টেশনও

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ নির্ঘন্ট প্রকাশ না পেলেও বাংলার বিধানসভা ভোট নিয়ে কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আর এই সময়কে কাজে লাগিয়েই এক অঘোষিত রাজনৈতিক প্রচারে নেমে পড়েছে বাম থেকে শুরু করে শাসক দল তৃণমূল, বিজেপি ও অন্যান্যরা। জায়গায় জায়গায় যাচ্ছেন রাজনৈতিক দলীয় নেতৃবৃন্দরা। এদিকে বাংলায় নিজেদের জমি দখল করতে বিজেপিও একের পর এক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এসে ঘুরে গিয়েছেন। এবার বঙ্গ সফরে এলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। সম্প্রতি তিনি হুগলীর শ্রীরামপুর (Serampore) গিয়েছিলেন এবং সেখানে গিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন।

    বঙ্গ সফরে এসে বড় ঘোষণা রেলমন্ত্রী

    বঙ্গ সফরে এসে শ্রীরামপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন নিয়ে বড় ঘোষণা করেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। সেইসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলার জন্য রেল প্রকল্পের ক্ষেত্রে কত কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে সে বিষয়ে বড় তথ্য দেন তিনি। অশ্বিনী বৈষ্ণব জানালেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বছরের সাধারণ বাজেটে বাংলার রেলওয়ের উন্নয়নের জন্য রেকর্ড ১৪,২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন। এছাড়াও, রাজ্যে ইতিমধ্যেই ৯৩,০০০ কোটি টাকার বিভিন্ন রেল উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।

    স্থানীয়দের তরফে রেলমন্ত্রীর কাছে একটি বিশেষ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণেশ্বর স্টেশন যেমন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে হয়েছে। তেমনই এবার মাহেশের জগন্নাথ মন্দিরের আদলে যেন শ্রীরামপুর স্টেশন করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। এমনকি রেলমন্ত্রীর কাছে এদিন হাওড়া লাইনে শ্রীরামপুর থেকে রিষড়ার মধ্যে একটি হল্ট স্টেশন হয় সেই দাবিও জানানো হয়। এই স্টেশনটি হলে মাহেশের রথযাত্রা দেখতে আসা দর্শনার্থীদের অনেক সুবিধা হবে।

    সরকারের বিরুদ্ধে গুরতর অভিযোগ রেলমন্ত্রীর

    রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব শনিবার আবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে নিশানা করেন। দাবি করেন যে রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণে বাংলায় হাজার হাজার কোটি টাকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্প ঝুলে আছে। এদিন হুগলি জেলার শ্রীরামপুরে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণকারী অশ্বিনী বৈষ্ণব সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় অভিযোগ করেন যে রাজ্য সরকার রেল প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা করছে না। জমি অধিগ্রহণের জন্য রাজ্য সরকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।

    আরও পড়ুনঃ বদলে গেল ভোল, অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় অত্যাধুনিক হল সিউড়ি থেকে হলদিয়া স্টেশন

    তিনি বলেন যে, বাংলায় রেল প্রকল্পের জন্য মাত্র ২৭ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, যেখানে ৭৩ শতাংশ এখনও অঅধিগ্রহণ করা হয়নি। তিনি দাবি করেন যে এর ফলে অনেক প্রকল্প আটকে আছে। রেলমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকারের অব্যাহত অসহযোগিতা সত্ত্বেও, রেল প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রচুর প্রচেষ্টা এবং কঠোর পরিশ্রম করা হচ্ছে। বাংলায় ১০ থেকে ১২টি এমন রেল প্রকল্প রয়েছে যেখানে কাজ করার জন্য সরকার কোনও সাহায্য করছে না। রেলমন্ত্রী জানান, ২০১৪ সালের আগের ৪০ বছরে, পূর্ববর্তী সরকারগুলির অধীনে, কলকাতা মেট্রো লাইনের মাত্র ২৭ কিলোমিটার সম্প্রসারণ করা হয়েছিল। কিন্ত ২০১৪ সালে মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১১ বছরে, কলকাতায় ৪৫ কিলোমিটার মেট্রো লাইন সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ যুবসাথীর চক্করে কত হাজার কোটির ধাক্কা রাজ্য সরকারের? ভয়ঙ্কর রিপোর্ট দিল RBI

    রেলমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে বাংলা জুড়ে ১০১টি রেলস্টেশন সংস্কার করা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এই বছরের বাজেটে বাংলার জন্য একটি বুলেট ট্রেনের পাশাপাশি একটি নতুন ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর অনুমোদন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে, বুলেট ট্রেনটি শিলিগুড়িকে সংযুক্ত করবে।

  • যুবসাথীর চক্করে কত হাজার কোটির ধাক্কা রাজ্য সরকারের? ভয়ঙ্কর রিপোর্ট দিল RBI

    যুবসাথীর চক্করে কত হাজার কোটির ধাক্কা রাজ্য সরকারের? ভয়ঙ্কর রিপোর্ট দিল RBI

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) শুরু হতে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। তার আগেই বড় মাস্টারস্ট্রোক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকেই যুবসাথী (Yuba Sathi Scheme) নিয়ে ঘোষণা করলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য বরাদ্দ ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের ভাতার টাকা ১ এপ্রিল নয়, আজ, শনিবার, ৭ মার্চ থেকেই উপভোক্তাদের দেওয়া হবে টাকা। কিন্তু প্রকল্পের জন্য এই টাকা দেওয়ার চক্করে এবার সরকারি কোষাগারে বড় প্রভাব পড়তে চলেছে। একধাক্কায় খরচ হতে চলেছে অন্তত ১২৬০ কোটি টাকা!

    চলতি মাসেই ১২৬০ কোটি টাকা খরচ

    মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যজুড়ে ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্প এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চলতি বছর গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন জমা নেওয়া হয়েছিল। রিপোর্ট মোতাবেক সব মিলিয়ে এই প্রকল্পে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮৪ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছিল। এর মধ্যে ব্লক স্তরে আয়োজিত অফলাইন শিবিরে প্রায় ৬৫ লক্ষ এবং অনলাইন পোর্টালে প্রায় ১৯ লক্ষ যুবক যুবতী নাম নথিভুক্ত করেছে। আগে জানানো হয়েছিল ১ এপ্রিল থেকে এই টাকা দেওয়া হবে কিন্তু আচমকা দিন বদলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তাতেই চলতি মাসে ১২৬০ কোটি টাকা খরচ হতে চলেছে। সেক্ষেত্রে অনুদানের খরচ সামলাতে জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ এই তিন মাসে সম্ভাব্য ধারের পরিমাণ পৌঁছতে পারে ৪৬ হাজার কোটি টাকায়।

    চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করল RBI

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, গত জানুয়ারি থেকে চলতি মার্চ মাস পর্যন্ত রাজ্য সরকার প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা ধার করার প্রস্তাব দিয়েছে যা ত্রৈমাসিকে সর্বাধিক। এছাড়াও চলতি আর্থিক বছরের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭৮ হাজার কোটি টাকা ধার করার কথা জানিয়েছিল রাজ্য। ফলে এই তিন মাসের জন্য আরও ৪৬ হাজার কোটি টাকা ধার করতে হলে চলতি আর্থিক বছরেই ধারের পরিমাণ হবে ১.২৪ লক্ষ কোটি টাকা। যা নিয়ে চিন্তিত সকলে। এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে কেন ১ এপ্রিল থেকে ভাতা দেওয়ার কথা ছিল? জানা গিয়েছে, ১ এপ্রিল থেকে নতুন আর্থিক বছর শুরু হবে। তখন থেকে ভাতা চালু করলে ওই বছরের বাজেট থেকে খরচ করা যেত। কিন্তু এখন থেকেই তা চালু হওয়ায় প্রথম মাসের খরচটা চলতি আর্থিক বছরেই ঢুকে যাবে। কিন্তু ভোটের আগে হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়তো জরুরি বলেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করল সরকার।

    কোষাগার নিয়ে বাড়ছে বিরোধীদের কটাক্ষ

    দিনের পর দিন রাজ্যের কোষাগারের বেহাল অবস্থা নিয়ে চুপ থাকছে না বিরোধীরা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য মমতার এই প্রকল্প অনুদানের আচমকা নেওয়া সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, “রাজ্যকে দেউলিয়া করছে এই সরকার। যুবসাথী যাঁরা নেবেন, তাঁরাও জানেন, এই সরকার তাঁদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দেবে। ফলে ভাতা নিলেও এই সরকারকে বিসর্জন দেবেন তাঁরাই।” অন্যদিকে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীও কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ‘ক্যাশ ফর ভোট’ মডেলের চক্করে রাজ্যের মানুষের ঘাড়ে বিপুল ঋণের বোঝা চাপছে। আর তার দায় বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীকেই নিতে হবে।’’

    আরও পড়ুন: ভারত না নিউজিল্যান্ড, T20 বিশ্বকাপে কার ক্ষমতা বেশি? পরিসংখ্যান দেখলে ভয় পাবেন!

    বিরোধীদের মন্তব্য মানেনি তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “রাজ্যের কোষাগারে চাপ ও ঋণের হাল নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে কেন্দ্রীয় সরকারকে রাজ্যের প্রাপ্য বকেয়া ছেড়ে দিতে বলুন।” প্রসঙ্গত, গত অন্তর্বর্তী বাজেটে যুবসাথী ছাড়াও খরচসাপেক্ষ একাধিক ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে উপভোক্তার সংখ্যা বাড়িয়ে প্রায় ২.৪২ কোটি করা হয়েছে এবং মাসিক ভাতাও ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। খেতমজুরদের আর্থিক অনুদান দেওয়ার কথাও ঘোষণা হয়েছিল। সব মিলিয়ে আগের খরচের বহরের উপর আরও বোঝা চাপানো হয়েছে।

  • ভারত না নিউজিল্যান্ড, T20 বিশ্বকাপে কার ক্ষমতা বেশি? পরিসংখ্যান দেখলে ভয় পাবেন!

    ভারত না নিউজিল্যান্ড, T20 বিশ্বকাপে কার ক্ষমতা বেশি? পরিসংখ্যান দেখলে ভয় পাবেন!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রবিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড (India Vs New Zealand)। একটানা দ্বিতীয় বারের জন্য 20 ওভারের বিশ্বকাপের (2026 Men’s T20 World Cup) ট্রফি কাঁধে তোলার অপেক্ষায় টিম ইন্ডিয়া। অন্যদিকে প্রথমবারের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জেতার সুযোগ রয়েছে ব্ল্যাক ক্যাপসদের হাতে। এবছর দুই দলই নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে খেলেছে। এখন দেখার ফাইনালের মঞ্চে কার পাল্লা বেশি ভারী হয়। তবে তার আগে এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ভারত এবং নিউজিল্যান্ডের হেড টু হেড পরিসংখ্যান।

    কখন থেকে শুরু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল?

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আজ অর্থাৎ রবিবার সন্ধ্যা সাতটা থেকে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে শুরু হবে ভারত বনাম নিউজিল্যান্ডের দুর্ধর্ষ মেগা ফাইনাল। তার আগে 6টা 30 মিনিটে গড়াবে দু দলের টস পর্ব। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই টসের উপরই নির্ভর করে ম্যাচের বেশিরভাগ হার-জিত।

    ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড হেড টু হেড

    পুরনো কাসুন্দি ঘাটলে জানা যাবে, আজ পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোট 30 বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত এবং নিউজিল্যান্ড। সেই আসরে দুটি সুপার ওভার সহ 18টি ম্যাচে জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড জিততে পেরেছে মোট 11 বার। বাকি একটি ম্যাচ টাই হয়েছিল। সেক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের থেকে অনেকটাই এগিয়ে ভারত। এদিকে ঘরের মাঠের পরিসংখ্যান বলছে, আজ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে 16 ম্যাচের 11টিতে জিততে পেরেছে টিম ইন্ডিয়া।

    অবশ্যই পড়ুন: ‘Updated Soon’ মেসেজে বিপাকে আবেদনকারীরা, যুবসাথীর স্ট্যাটাস চেক নিয়ে আপডেট সরকারের

    তবে যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা বলা হয়। সেক্ষেত্রে আজ পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তিনবার মুখোমুখি হয়েছে ভারত এবং নিউজিল্যান্ড। অবাক করা বিষয়, তিনবারের ম্যাচের তিনটিতেই জিতেছে কিউই বাহিনী। এক কথায়, 2007 সালের বিশ্বকাপ, 2016 সালের বিশ্বকাপ এবং 2021 সালের বিশ্বকাপে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের তিনটিতেই জয় পেয়েছে ব্ল্যাক ক্যাপসরা। সেক্ষেত্রে বিশ্বকাপের পরিসংখ্যান অনুযায়ী আজকের ম্যাচে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামছে কিউই দল। ফলে নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে লড়াই করতে হবে ভারতকে।

  • ‘এবার সুপ্রিম কোর্ট দেখাবে অ্যাগ্রেসিভ মনোভাব’, DA মামলায় বড় আপডেট

    ‘এবার সুপ্রিম কোর্ট দেখাবে অ্যাগ্রেসিভ মনোভাব’, DA মামলায় বড় আপডেট

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ উপেক্ষা আর উপেক্ষা। এই বকেয়া ডিএ (Bengal Da Case) নিয়ে কবে টানাপোড়েন, উপেক্ষার পালা শেষ হবে? উত্তর খুঁজছেন সাধারণ সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকরা। এদিকে সরকার শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী সহ অনেককে এই বকেয়া ডিএ-র আওতায় রাখেনি। সেই এমএ পিটিশন দাখিল করা হয়েছে আদালত। এহেন ঘটনায় ক্ষোভের মুখে পড়েছে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ। ডিএ মামলাকারী এক ভিডিও বার্তায় এই বিষয়ে মুখ খুললেন। তিনি জানালেন, ‘রাজ্য সরকার ইমেইল মারফত সর্বোচ্চ আদালতে একটি MA পিটিশন দাখিল করে। পরবর্তীকালে সেটা আমাদের হাতে আসে। সকাল থেকেই যে খবরটি ভাইরাল হয়েছে সেটা অনুযায়ী সরকার নাকি শিক্ষা কর্মী, পঞ্চায়েত কর্মীদের ডিএ-র আওতায় রাখেনি। আমরাও দেখলাম। তবে একটা কথা মনে রাখবেন, এটি এমএ অ্যাপ্লিকেশন যেটি সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এখনও কিন্তু ফাইলিং হয়নি। সেটা গ্রাহ্য হবে কি হবে না সেটা পরে জানা যাবে।’

    ক্ষোভের মুখে পড়েছে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ

    মলয়বাবু বলেন, ‘সরকার যে কর্মচারীদের সংখ্যা তুলে ধরেছে তা বিভেদ সৃষ্টি করার জন্যই করেছে বলে মনে হচ্ছে। সেইসঙ্গে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজকেই দায়ী করেছে। আমরা আগেও বলেছি, খোদ রাজ্য সরকারি কর্মীদের মামলায় আমাদের আসতে হয় ট্রাইব্যুনাল দিয়ে। আমাদের মামলা রোপা মেনে হয়েছে। যারা বেতন, ডিএ, পেনশন পায় তাঁরাই এর আওতায় আসবেন। আজ যে বলছে শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী, পুরসভা কর্মীদের DA দেওয়া হবে না, তাঁদেরই কিন্তু বকেয়া দিতে বেশি খরচ হবে। সরকারের খরচ হবে ১৮,৩৬৯,৩২ কোটি টাকা।’

    তিনি আরও বলেন, ‘সব মিলিয়ে সরকারের খরচ হবে ৪২,০০০ কোটি টাকা। ২৫ শতাংশ যে দেওয়ার কথা ছিল অর্থাৎ সেখানে খরচ হত ১০,০০০ কোটি টাকা মতো। সেখানে সবাই ছিল। কর্মচারী সমাজ, শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী, পঞ্চায়েত, ভোট কর্মী প্রমুখ। ১০ নম্বর পেজে কিন্তু সবটা লেখা আছে। তারপরেও কেন আমাদের যাতা বলছেন? বেশ কিছু শিক্ষক কর্মচারী সমাজ থেকেই আমাদের যা নয় তাই বলা হচ্ছে। এখানে তো আমরাই তুলে ধরেছিলাম।’ মলয় মুখোপাধ্যায় এও বলেছেন যে, ‘এবার সুপ্রিম কোর্ট দেখাবে অ্যাগ্রেসিভ মনোভাব।’

    আরও পড়ুনঃ ‘Updated Soon’ মেসেজে বিপাকে আবেদনকারীরা, যুবসাথীর স্ট্যাটাস চেক নিয়ে আপডেট সরকারের

    কী বলছেন কর্মীরা?

    সরকারের নতুন পিটিশন নিয়ে কেউ কেউ বলছেন, ‘আপনারা আগে থেকে সব জানতেন তবু এটা নিয়ে কোনোদিন কোনোদিন ব্যবস্থা নেননি ‘ অন্য আরেকজন লিখেছেন, এই সরকার কে আর এক দিনও ক্ষমতায় রাখা উচিৎ নয়,,, এরা divide and rule করতে চাইছে,,, প্রথম বার যখন 25% দেওয়ার কথা হয়েছিল তখন এই রাজ্য সরকার supreme court এ বলেছে যে আমাদের 10 লাখ কর্মচারীদের বেতন দিতে হয়, তাই এই পরিমাণ DA দিতে পারব না,,,, এখন চুপিসারে অন্য পিটিশন দাখিল করেছে,,,, সমস্ত রাজ্যবাসীদের এরা ভিখারী আর ভাতাজীবিতে পরিণত করতে চায়।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘শ্রদ্ধেয় মলয় বাবু আজকে তো রিপোর্ট দেখে আমাদের তো মন ভেঙে যাচ্ছে আপনারা ডিএ পাবেন অথচ আমরা প্রাথমিক শিক্ষক বা শিক্ষক সমাজ এরা ডি এ পাব না। এটা বোধহয় আপনার আগে জানা ছিল। মাঝে এই নিয়ে একটু তর্কাতর্কি হচ্ছিল যাক দুঃখ করে লাভ নাই জীবনে বাঁচতে হলে অনেক কিছুই দেখ কে স্বীকার করতে হয়।’

     

  • ভোটের আগে তৃণমূলে ভাঙন? বিজেপিতে ফিরছেন মুকুটমণি? জানালেন শান্তনু ঠাকুর

    ভোটের আগে তৃণমূলে ভাঙন? বিজেপিতে ফিরছেন মুকুটমণি? জানালেন শান্তনু ঠাকুর

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে, আর কিছুদিন পরেই রাজ্যে হতে চলেছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026)। তাই এখন থেকেই দিন রাত ভোট প্রচারের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে শাসকদল থেকে শুরু করে বিরোধীরা। আর এই আবহে ফের শাসকদলের ভাঙনের ইঙ্গিত মিলল। শোনা যাচ্ছে মুকুটমণি অধিকারী (Mukut Mani Adhikari) নাকি ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের তৃণমূল থেকে বিজেপিতে (Bharatiya Janata Party) যেতে চলেছেন। ক্রমেই বাড়ছে সেই জল্পনা, অবশেষে এই নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজেই জানালেন সত্যিটা।

    ফের বিজেপিতে ফিরে যাবেন মুকুটমণি?

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে এর আগেও আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ঠিক আগে বিজেপি ছেড়েছিলেন মুকুটমণি অধিকারী, যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। নারী দিবস উপলক্ষ্যে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে পতাকা নিয়ে দল বদল করেছিলেন। লোকসভা নির্বাচনে রাণাঘাটে তৃণমূলের প্রার্থী হন। তবে হেরে যান। তবে তৃণমূলের টিকিটে রাণাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা আসনে উপনির্বাচনে জয়ী হন। আর এবারেও আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ঠিক আগে দলবদলের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে তাঁর। ফের বিজেপিতে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বৈঠকের পর মুকুটের।

    শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বৈঠক মুকুটের

    রিপোর্ট মোতাবেক গতকাল অর্থাৎ শনিবার, ঠাকুরনগরে ঠাকুরবাড়িতে এসে বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করেছিলেন মুকুটমণি অধিকারী। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে সেই বৈঠক। বৈঠক শেষে বেরিয়ে মুকুটমণি অধিকারী সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হন। সেখানে তিনি বলেন, “আমি নতুন গাড়ি কিনেছি। ঠাকুরবাড়িতে নতুন গাড়ির পুজো দিতে এসেছিলাম। সেখানেই শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছি।” এই প্রসঙ্গে শান্তনু ঠাকুরও একই কথা বলেন। তিনি বলেন, “এতে কোনও রাজনীতির বিষয় নেই। গাড়ির পুজো দিতে এসে আমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। দলে ফেরা নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।” শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকরা এদিন মুকুটমণি অধিকারীকে বিজেপিতে পুনরায় ফিরে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি সেই সকল জল্পনা খারিজ করে দেন।

    আরও পড়ুন: ‘Updated Soon’ মেসেজে বিপাকে আবেদনকারীরা, যুবসাথীর স্ট্যাটাস চেক নিয়ে আপডেট সরকারের

    মুকুটমণি অধিকারী সাংবাদিকদের স্পষ্ট জানান, “আমি বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে যেমন দেখা করেছি ঠিক তেমনই ঠাকুরবাড়ির আরেক সদস্য তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের বাড়িতেও গিয়েছিলাম।” কিন্তু এই দাবি সম্পূর্ণ নাকচ করে দেন মমতাবালার মেয়ে তথা বাগদার তৃণমূল বিধায়ক মধুপর্ণা ঠাকুর। তিনি বললেন, “আমাদের বাড়িতে আসেননি মুকুটমণি অধিকারী। এটা ঠাকুরবাড়ি। যে কেউ আসতে পারেন। কিন্তু কেন মিথ্যা কথা বললেন, এটা বুঝতে পারছি না।” দল পরিবর্তন নিয়ে মধুপর্ণা বলেন, “তিনি বিজেপিতে যাবেন কি না, সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার।” ফলস্বরূপ জল্পনা যেন কিছুতেই কাটতে চাইছে না।

  • ‘Updated Soon’ মেসেজে বিপাকে আবেদনকারীরা, যুবসাথীর স্ট্যাটাস চেক নিয়ে আপডেট সরকারের

    ‘Updated Soon’ মেসেজে বিপাকে আবেদনকারীরা, যুবসাথীর স্ট্যাটাস চেক নিয়ে আপডেট সরকারের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের আবহে রাজ্যের সকল বেকার যুবক যুবতীদের জন্য যুব সাথীর (Yuba Sathi Scheme) মতো প্রকল্প ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government Of West Bengal)। যেখানে, ১ এপ্রিল থেকে, বেকার যুবক-যুবতীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ১৫০০ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু এবার তার আগেই গতকাল অর্থাৎ ৭ মার্চ থেকেই এই টাকা ঢুকবে বলে ধরনা মঞ্চ থেকে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কিন্তু আবেদন জমা দেওয়ার পর, অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করতে গেলেই পড়তে হচ্ছে সমস্যায়, আর তাই নিয়ে এবার মুখ খুলল প্রশাসন।

    বন্ধ রাখা হয়েছে আবেদন প্রক্রিয়া

    রাজ্যজুড়ে ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্প এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন জমা নেওয়া হয়েছিল। সব মিলিয়ে এই প্রকল্পে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮৪ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছিল। এর মধ্যে ব্লক স্তরে আয়োজিত অফলাইন শিবিরে প্রায় ৬৫ লক্ষ এবং অনলাইন পোর্টালে প্রায় ১৯ লক্ষ যুবক, যুবতী নাম নথিভুক্ত করেছেন। এই মুহুর্তে আবেদন প্রক্রিয়া বন্ধ আছে। পোর্টাল থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এই স্কিমের অনলাইন আবেদন জমা দেওয়ার সময় শেষ হয়ে গেছে তাই কোনও নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন ৭ মার্চ থেকে অ্যাকাউন্টে নাকি ঢুকবে টাকা। কিন্তু টাকা পাবেন কিনা সেটি চেক করতে গেলেই পড়তে হচ্ছে সমস্যায়।

    স্ট্যাটাস চেক করতে গেলেই পড়তে হচ্ছে সমস্যায়!

    অনলাইনে স্মার্টফোনের মাধ্যমে আবেদনপত্রের স্ট্যাটাস যাচাই করা যাবে বে আগেই জানানো হয়েছিল। সেই অনুযায়ী আবেদনকারীর Application ID ব্যবহার করেই স্ট্যাটাস চেক করা যাবে। তার জন্য প্রথমে ‘বাংলা যুবসাথী’ https://yubasathi.wb.gov.in/ পোর্টালে গিয়ে Application ID বা মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করে নিতে হবে। এরপর OTP ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করলে আবেদনপত্রের বর্তমান অবস্থা দেখা যাবে। কিন্তু এইমুহুর্তে Check Status এ ক্লিক করতে গেলে “Updated Status will be made available soon, please Visit again, Thank You” – এই লেখাটি দেখছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই সকলে চিন্তায় পড়েছে। সেক্ষেত্রে আশ্বস্ত করেছে সরকার।

    Yuba Sathi Scheme

    আরও পড়ুন: বদলে গেল ভোল, অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় অত্যাধুনিক হল সিউড়ি থেকে হলদিয়া স্টেশন

    প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, যুবসাথী প্রকল্পে ইতিমধ্যেই লক্ষ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। তাই অনেক ক্ষেত্রে যাচাই প্রক্রিয়ার কারণে স্ট্যাটাস আপডেট হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে, সেই কারণে এই বার্তা দেওয়া হচ্ছে। রিপোর্ট বলছে, ইতিমধ্যেই সারা রাজ্য থেকে প্রায় ৯০ লক্ষ থেকে এক কোটি বেকার যুবক-যুবতী এই মাসিক সহায়তার জন্য দরখাস্ত করেছেন, তাই এই অসুবিধা। তবে খুব শীঘ্রই এই সমস্যা সমাধান হবে।

  • সোনা, রুপোর দামে বড় পরিবর্তন! আজকের রেট

    সোনা, রুপোর দামে বড় পরিবর্তন! আজকের রেট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: যুদ্ধের আবহে সোনা, রুপোর দাম দিয়ে বিরাট দুঃসংবাদ। আজ অনেকটাই চড়ল হলুদ ধাতুর বাজার দর (Gold Price)। অন্যদিকে রুপো নিয়েই খারাপ খবর। কারণ, সাদা ধাতুর দরও অনেকটাই ঊর্ধ্বগতিতে। এক কথায়, সাধারণ ক্রেতা থেকে শুরু করে বিনিয়োগকারীদের কপালে পড়ছে চিন্তার ভাঁজ। তবে কোন শহরে কততে বিক্রি হচ্ছে সোনা, রুপো তা জানতে হলে প্রতিবেদনটি পড়ুন। IBJA Rates-র রিপোর্ট অনুসারে—

    ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনার দাম | Gold Price Today

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫৪,১৫০ টাকায় (+১৭৫০)।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫০,০০০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌতে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫০,১৫০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫০,০৫০ টাকায়।

    ২৪ ক্যারেট পাকা সোনার দাম

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ২৪ ক্যারেট পাকা সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬২,২০০ টাকায় (+১৮৫০)।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরের ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬৩,৬৪০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌতে ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬৩,৮০০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরের ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬৩,৭০০ টাকায়।

    ১৮ ক্যারেট সোনার দাম

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২২,৭৩০ টাকায়।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা, পুনে ইত্যাদি শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২২,৭৩০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌয়ের মতো শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২২,৮৮০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২২,৭৮০ টাকায়।

    আরও পড়ুন: বদলে গেল ভোল, অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় অত্যাধুনিক হল সিউড়ি থেকে হলদিয়া স্টেশন

    আজ রুপোর বাজার দর | Silver Price Today |

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে খুচরো রুপো বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২,৬৭,৮৫০ টাকায় (+১৯৫০)।

    ➣ আজ চেন্নাই, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরে প্রতি কেজি রুপো বিক্রি হচ্ছে ২,৯০,০০০  টাকায়।

    ➣ আজ মুম্বাই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, পুনে, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে প্রতি কেজি রুপো বিক্রি হচ্ছে ২,৮৫,০০০ টাকায়।

    বিঃদ্রঃ বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমরা শুধুমাত্র দাম নিয়ে আপডেট দিয়ে থাকি। কাউকে বিনিয়োগ করতে বাধ্য করি না।

  • বদলে গেল ভোল, অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় অত্যাধুনিক হল সিউড়ি থেকে হলদিয়া স্টেশন

    বদলে গেল ভোল, অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় অত্যাধুনিক হল সিউড়ি থেকে হলদিয়া স্টেশন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ভারতীয় রেলের (Indian Railways) উদ্যোগে পুরো ভোল বদলে যাচ্ছে বাংলার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশনের। আজকের এই আর্টিকেলে তেমনই কিছু রেল স্টেশন নিয়ে আলোচনা করা হবে যেখানে কোনও না কোনওদিন আপনি নিশ্চয়ই গিয়ে থাকবেন। তবে কয়েক বছর আগের দেখা আর এখনের স্টেশনের মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ। নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন কোন স্টেশনকে নিয়ে কথা হচ্ছে? জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    আসলে অমৃত ভারত স্কিমের (Amrit Bharat Station Scheme) আওতায় বাংলা সহ দেশের বহু রাজ্যের রেল স্টেশনকে পুননির্মাণ করছে রেল। যার মধ্যে রেলের নজরে রয়েছে বাংলারও বেশ কিছু স্টেশন। যদিও আজ কথা হচ্ছে সিউড়ি এবং হলদিয়া রেল স্টেশনকে নিয়ে। দুটি স্টেশনের চেহারাই আগের থেকে অনেক বদলে গিয়েছে। আগের তুলনায় হয়ে গিয়েছে একদম ঝাঁ চকচকে এবং আরও আধুনিক। কয়েক বছর আগের স্টেশন আর এখনের স্টেশনের মধ্যে মানুষ রীতিমতো গুলিয়ে যাবেন।

    অমৃত ভারত স্টেশন স্কিম কী?

    আলোচনা করে নেওয়া যাক অমৃত ভারত স্টেশন স্কিম ঠিক কী?  ভারতের সমস্ত রেলওয়ে স্টেশনগুলিকে রূপান্তরিত করা হচ্ছে, নানান সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। স্টেশনগুলির সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছে। এটি সরকারের অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় সম্পন্ন করা হচ্ছে। সারা দেশে ১০৩টি অমৃত ভারত স্টেশন উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সমস্ত স্টেশনের উদ্বোধন করেছেন। অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায়, সারা দেশের স্টেশনগুলিকে একটি অনন্য চেহারা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই স্টেশনগুলি বিভিন্ন থিমের উপর নির্মিত হয়েছে। এগুলি শিল্প ও স্থানীয় সংস্কৃতির পাশাপাশি বন্যপ্রাণীকেও প্রদর্শন করে।

    আরও পড়ুনঃ যাতায়াত করে বন্দে ভারত, রাজধানীর মতো ট্রেন, এটিই বাংলার একমাত্র দোতলা স্টেশন

    এই পরিকল্পনার লক্ষ্য স্টেশনগুলিকে পরিষ্কার, আরামদায়ক এবং অ্যাক্সেসযোগ্য করে তোলা। আকর্ষণীয় প্রবেশ এবং প্রস্থান গেটগুলি ডিজাইন করা হয়েছে, যাত্রীদের জন্য আরামদায়ক অপেক্ষা কক্ষ, পরিষ্কার শৌচালয় এবং সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ ও আপগ্রেডেট প্ল্যাটফর্ম সহ। এছাড়াও, স্টেশনগুলিতে যাত্রীদের জন্য লিফটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিনামূল্যে ওয়াই-ফাইয়ের মতো সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি বিভিন্ন সাইনবোর্ডও স্থাপন করা হয়েছে। “এক স্টেশন, এক পণ্য” প্রকল্পের আওতায় এই অমৃত স্টেশনগুলিতে স্থানীয় পণ্য বিক্রি করা হবে।

  • যাতায়াত করে বন্দে ভারত, রাজধানীর মতো ট্রেন, এটিই বাংলার একমাত্র দোতলা স্টেশন

    যাতায়াত করে বন্দে ভারত, রাজধানীর মতো ট্রেন, এটিই বাংলার একমাত্র দোতলা স্টেশন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: এ বাংলায় রয়েছে কম-বেশি প্রায় সাড়ে 700 রেল স্টেশন (Indian Railways)। যেগুলির প্রত্যেকটি একে অপরের থেকে আলাদা। পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) এমন একাধিক স্টেশন রয়েছে যেখানে সারা দিনে একটি ট্রেনও চলে না। আবার এমন স্টেশনও রয়েছে যে স্টেশন থেকে প্রতিদিন যাতায়াত করেন লক্ষাধিক মানুষ। ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য থেকে শুরু করে গঠন সবদিক থেকেই একে অপরের থেকে আলাদা স্টেশনগুলি। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, বাংলার বুকেই রয়েছে এক এবং অদ্বিতীয় দোতলা স্টেশন। কিন্তু কোথায় সেটি?

    বাংলার একমাত্র দোতলা স্টেশন কোথায় রয়েছে?

    সালটা 1885। সে বছরই তৈরি হয়েছিল হাওড়া-তারকেশ্বর রুট। ভারতীয় রেলের হাত ধরে এই রুট নির্মাণের পাশাপাশি তৈরি হয় কামারকুন্ডু স্টেশনও। পরবর্তীতে 1917 সালে নির্মাণ করা হয় হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইন। যা এই স্টেশনের উপর থেকেই গিয়েছে। না বললেই নয়, বাংলার একমাত্র দোতলা স্টেশন কামারকুন্ডু দিয়ে মেইন এবং কর্ড উভয় লাইনেরই ট্রেন যাতায়াত করে।

    সব ঠিক থাকলে, এই কামারকুন্ডু স্টেশনটি হয়ে উঠতে পারতো জংশন। তবে স্টেশনটিকে জংশন তৈরি না করে হাওড়া তারকেশ্বর এবং হাওড়া বর্ধমান দুই লাইনকে আলাদাভাবে নিয়ে যাওয়া হয় এই স্টেশনের উপর দিয়ে। ফলে তৈরি করতে হয় আলাদা আলাদা দুটি স্টেশন। যদিও প্রথম স্টেশন অর্থাৎ হাওড়া থেকে বর্ধমান লাইনের স্টেশনে চারটি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। এই স্টেশন থেকে 100 মিটার দূরে রয়েছে হাওড়া-শেওড়াফুলি বা তারকেশ্বর লাইনের দ্বিতীয় স্টেশনটি।

    দ্বিতীয় স্টেশনটিতে রয়েছে মূলত আপ এবং ডাউন দুটি প্ল্যাটফর্ম। দুটি স্টেশনই কামারকুন্ডু স্টেশন হলেও দ্বিতীয় স্টেশনটি আপাতদৃষ্টিতে 4 প্ল্যাটফর্মের মেইন লাইনের স্টেশনের তুলনায় অনেকটাই উঁচুতে। প্রথম স্টেশনটির টিকিট কাউন্টারের পাশ থেকে RPF অফিস হয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে হয় দ্বিতীয় দোতলা স্টেশনটিতে। আসলে যেসব যাত্রীরা হাওড়া শেওড়াফুলি বা হাওড়া তারকেশ্বর রুটের ট্রেন ধরতে চান তাদের আসতে হয় এই স্টেশনে।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ৫০ কিমি বেগে হাওয়া, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গের ৫ জেলায়! আজকের আবহাওয়া

    সব মিলিয়ে, মেন লাইনের স্টেশনটির তুলনায় অনেকটাই উঁচুতে থাকায় কামার কুন্ডু স্টেশনটিকে বাংলার একমাত্র দোতলা স্টেশন বলা হয়ে থাকে। বলে রাখা প্রয়োজন, হাওড়া বর্ধমান লাইনে বন্দে ভারত থেকে শুরু করে রাজধানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ একাধিক মেল বা সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেস ট্রেন এই কামারকুন্ডু স্টেশনের উপর দিয়েই যায়।

  • ৫০ কিমি বেগে হাওয়া, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গের ৫ জেলায়! আজকের আবহাওয়া

    ৫০ কিমি বেগে হাওয়া, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গের ৫ জেলায়! আজকের আবহাওয়া

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেল আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস (Weather Today)। আকাশ কালো করে ঝেঁপে বৃষ্টি নামল বাংলাজুড়ে। গতকাল শনিবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। আবার কিছু কিছু জেলায় ছিটেফোঁটা বৃষ্টিও হয়েছে। যাইহোক, গতকালের মতো আজ রবিবার ছুটির দিনেও বাংলার বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে বইবে দমকা হাওয়া। আজ সকাল থেকেই কালো মেঘে ঢেকে রয়েছে বাংলার আকাশ। যে কোনও মুহূর্তে বৃষ্টি নামবে বলে মনে হচ্ছে। যাইহোক, আপনিও যদি আজ ছুটির দিনে বাড়ি থেকে বেরনোর প্ল্যান করে থাকেন, তাহলে জেনে নেবেন আবহাওয়ার হাল হকিকত সম্পর্কে।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    প্রথমেই আসা যাক দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া প্রসঙ্গে। একের পর এক ঘূর্ণাবর্ত এবং পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জোড়া ফলায় মুহূর্তে বদলে যাবে বাংলার আবহাওয়া। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘন্টায় কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের কিছু কিছু অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে খবর।

    এরপর আগামী ৯ ও ১০ মার্চ পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদীয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হতে পারে। এরপর বুধবার থেকে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হতে পারে। আগামী ১২ থেকে ১৫ মার্চ পশ্চিমাঞ্চলের জেলায় বৃষ্টি হতে পারে বলে খবর।

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    এবার আসা যাক উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া প্রসঙ্গে। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, উত্তর দিনাজপুর এবং জলপাইগুড়ি জেলায়। সোমবার এবং মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ১৫ মার্চ অবধি বৃষ্টি চলবে বলে খবর।