Blog

  • “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আমাদের কি আর কোনও কাজ নেই!” রেগে অগ্নিশর্মা প্রধান বিচারপতি

    “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আমাদের কি আর কোনও কাজ নেই!” রেগে অগ্নিশর্মা প্রধান বিচারপতি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলাকালীন ফের ওঠে বাংলার SIR এর প্রসঙ্গ (Cji Suryakant On West Bengal SIR)। আর তারপরেই আচমকা রেগে যান দেশের শীর্ষ আদালতের (Supreme Court of India) প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারক রাগের বশে একেবারে সরাসরি বলে বসেন, “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টে কি আর কোন কাজ নেই!” প্রশ্ন উঠছে, হঠাৎ কেন বাংলার SIR ইস্যু নিয়ে রেগে অগ্নি শর্মা হলেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত?

    হঠাৎ কেন রেগে গেলেন বিচারপতি?

    LIVE LAW এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার, সুপ্রিম কোর্টে নতুন করে উত্থাপিত হয় বাংলার SIR সম্পর্কিত মামলা। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের বেঞ্চে শুনানি চলাকালীন বঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন মামলার প্রসঙ্গ ওঠে। এদিন রাজ্যের তরফে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মেনকা গুরুস্বামী প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “ভোটার তালিকা থেকে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে তাঁদের নথি রেকর্ড করা হয়নি।”

    সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী জানান, “ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে তাঁরাও তো ভোটার। এর আগে তাঁরাও ভোট দিয়েছেন। কিন্তু এখন তাঁদের নথি গ্রহণ করা হচ্ছে না।” রাজ্য পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কিছুটা থমকে গিয়ে বলেন, “বর্তমানে সুপ্রিমকোর্ট বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের উপর সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে না।” এরপরই রাজ্যের আইনজীবী মেনকা নির্বাচনী আইনের 23 এবং 24 নম্বর ধারা উল্লেখ করে অনুরোধ করেন যাতে এই বিষয়টিকে মূল বিষয়ের সাথে যুক্ত করা হয়।

    অবশ্যই পড়ুন: “ভারত ক্রিকেটটাকেই ধ্বংস করে দিচ্ছে”, সূর্যরা ফাইনাল জিততেই বললেন শোয়েব আখতার

    রাজ্য পক্ষের আইনজীবীর তরফে এমন বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানিয়ে দেন, মঙ্গলবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি। সেদিন শুনানি চলাকালীন এই বিষয়ে উল্লেখ করা যেতে পারে। এদিন রাজ্যপক্ষের সিনিয়র আইনজীবী আবেদনকারীদের তরফে দায়ের করা আরেকটি আবেদন উল্লেখ করেছিলেন। যেখানে দাবি করা হয়েছিল, তাদের ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। কারণ তাঁরা উপস্থিত হতে পারবেন না। এমন বক্তব্য শোনার পরই আচমকা রেগে গিয়ে বিচারপতি সূর্যকান্ত বলে বসেন, “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আমাদের আর কোনও কাজ নেই নাকি। “

  • মঙ্গলেও ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, ভাসবে কলকাতা-সহ একাধিক জেলা, আগামীকালের আবহাওয়া

    মঙ্গলেও ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, ভাসবে কলকাতা-সহ একাধিক জেলা, আগামীকালের আবহাওয়া

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মার্চের শুরু থেকেই রাজ্য জুড়ে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা দেখা যাচ্ছিল ৷ কিছুদিন আগেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিতে ভিজেছিল গোটা রাজ্য, আর এবার ফের পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের জেরে গতকাল অর্থাৎ রবিবার থেকেই রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বেশ কয়েকটি জেলায় আগামীকালও (Weather Tomorrow) বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝোড়ো হাওয়া বইবে।

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নতুন সপ্তাহ পড়তেই না পড়তেই উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে কমবেশি বৃষ্টি হয়েই চলেছে। যদিও শনিবার সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয়েছিল বৃষ্টি। আসলে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। তার প্রভাবেই ভরা বসন্তে বাংলায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে। রবিবার থেকেই কলকাতা-সহ পুরো রাজ্যে বৃষ্টি শুরু হয়েছে জেলায় জেলায়। যদিও হাওয়া অফিস বলছে, ঝড়-বৃষ্টি হলেও আগামী সাতদিন রাজ্যের তাপমাত্রার তেমন পরিবর্তন হবে না। একনজরে জেনে নেওয়া যাক কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ দেখা যাবে, রোদের দেখা মিলবে না বললেই চলে। আগামীকাল, হাওড়া, হুগলি-সহ দক্ষিণের কমবেশি সব জেলাতেই হালকা বৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির সময়ে সাধারণ মানুষকে খোলা আকাশের নীচে না থাকার অনুরোধ করা হয়েছে আবহাওয়া দপ্তরের তরফে। তবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রার কোন পরিবর্তন হবে না বলেই জানা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ডলারের বিপরীতে সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি, ১০০-র গণ্ডি টপকাবে?

    উত্তরবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    শুধু দক্ষিণবঙ্গে নয়, বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরবঙ্গেও। আজ থেকে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বাড়তে চলেছে বৃষ্টির পরিমাণ। মালদা ও দুই দিনাজপুরেও ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে প্রবল। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে ঝড়-বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা রয়েছে। পাহাড়ে প্রায় পুরো সপ্তাহ ধরেই চলবে হালকা বৃষ্টি, সঙ্গে ঝড়। আগামী সাত দিন উত্তরবঙ্গের সর্বনিম্ন বা সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় কোনও হেরফের হবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

  • গরম পড়তেই দুঃসংবাদ, এতটা দাম বাড়ছে এসির

    গরম পড়তেই দুঃসংবাদ, এতটা দাম বাড়ছে এসির

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মার্চ মাস শুরু হতেই দেশজুড়ে বেড়েছে গরমের দাপট। অনেক জায়গায় এখন মে-জুন মাসের মতোই গরম অনুভূত হচ্ছে। যার ফলে শীতল পরিবেশ বজায় রাখার জন্য এখনই অনেকে এসি (Air Conditioner) কেনার পরিকল্পনা করছে। কিন্তু ঠিক এই সময়ই বাজারে আসলো খারাপ খবর। বেশ কিছু বিশেষজ্ঞদের অনুমান অনুযায়ী, দেশের একাধিক বড় বড় কোম্পানি ৫ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত এসির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে (AC Price Hike)। বিশেষ করে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থার খরচ বাড়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত।

    কোন কোন কোম্পানি দাম বাড়াচ্ছে?

    ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে দাম বাড়াতে শুরু করেছে বেশ কয়েকটি বড় বড় সংস্থা। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল Daikin, Voltas, Blue Star, LG, Haier ইত্যাদি। গরমের মরসুমে যখন এসির চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে, ঠিক সেই সময় এই মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর হওয়ার কারণে বাজারে প্রভাব পড়তে পারে বলেই মনে করছে ব্যবসায়ীরা।

    কেন বাড়ানো হচ্ছে এসির দাম?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এসির দাম বৃদ্ধির পেছনে বেশ কয়েকটি বড় বড় কারণ রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি। এসির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান তামার দাম আন্তর্জাতিক বাজারে অনেকটাই ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকেছে। যার ফলে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। দ্বিতীয়ত ডলারের দাম বৃদ্ধি। কারণ, বিদেশ থেকে আমদানি করা যন্ত্রাংশের দাম বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন ডলারের তুলনায় ভারতীয় মুদ্রার দাম অনেকটাই কমেছে। এছাড়া সরকারের নতুন শক্তিশালী মানদন্ড অনুযায়ী এখনকার এসিতে আগের তুলনায় আরও বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয় হলেও এগুলোর উৎপাদন খরচ অনেকটা বেড়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘আমাকে বলছে ডোন্ট শাউট!’ জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

    আর বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির এসির দাম মডেল অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন। কারণ, একটি ২ টন ইনভার্টার এসি যেমন Hitachi এর মডেলের দাম পড়তে পারে ৪৫,০০০ টাকার কাছাকাছি। আর দাম বাড়লে এটি ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। অন্যদিকে Daikin এর ১ টন থ্রি-স্টার ইনভার্টার এসির দাম এখন ৩২,০০০ টাকা। আর যদি ১২ শতাংশ দাম বাড়ে, তাহলে ৩৫,৮০০ টাকা পর্যন্ত দাঁড়াতে পারে। এছাড়া ব্লু-স্টারের ১.৫ টন ফাইভ-স্টার এসির দাম এখন ৪১,০০০ টাকা। আর এটিও দাম বাড়লে ৪৫,০০০ থেকে ৪৬,০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেতে পারে। Voltas এর ১.৫ টন এসির দাম বর্তমানে ৩০,০০০ টাকা, যা ভবিষ্যতে ৩৪,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

  • নতুন প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ, ট্রেন ধারণের ক্ষমতা হবে দ্বিগুণ! হাওড়া স্টেশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    নতুন প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ, ট্রেন ধারণের ক্ষমতা হবে দ্বিগুণ! হাওড়া স্টেশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতবর্ষের সবথেকে বড় আর অন্যতম পুরনো রেলওয়ে স্টেশন হাওড়াকে (Howrah Railway Station) এবার নতুন রূপে সাজানো হবে। ১৭৩ বছরের পুরনো পশ্চিমবঙ্গের বৃহৎ এই স্টেশনকে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই উন্নত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রেল মন্ত্রণালয়। ১৮৫৪ সালে নির্মিত হাওড়া স্টেশনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানোর জন্য বেশ কয়েকবার সম্প্রসারিত করা হয়েছে। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে ট্রেন পরিচালনা ক্ষমতা দ্বিগুণ করানোর জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে (Indian Railways)।

    বলে দিই, ১৯০৫ সালে হাওড়া রেলওয়ে স্টেশনে নতুন ছয়টি প্ল্যাটফর্ম যুক্ত করা হয়। যার ফলে প্ল্যাটফর্ম সংখ্যা দাঁড়ায় সাতটি। আর ১৯৮৪ সালে আরও আটটি প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ করা হয়। ফলে তখন প্লাটফর্ম সংখ্যা দাঁড়িয়ে ছিল ১৫টিতে। আর ১৯৯২ সালে আরও চারটি প্ল্যাটফর্মসহ নতুন একটি টার্মিনাল কমপ্লেক্স তৈরি করা হয়। পরে ২০০৯ সালে স্টেশনটিকে আবারো সম্প্রসারণ করা হয় এবং বর্তমানে এই স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩টি।

    ২০৩০ সালের মধ্যেই ট্রেন পরিচালনা ক্ষমতা হবে দ্বিগুণ

    রেলওয়ে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, আগামী পাঁচ বছর প্রধান স্টেশনগুলির ট্রেন পরিচালনা ক্ষমতা দ্বিগুণ করা হবে। যার মধ্যে হাওড়া স্টেশন অন্যতম। এ বিষয়ে পূর্ব রেলের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা শিবরাম মাঝি বলেছেন, নতুন প্ল্যাটফর্ম এবং প্লাটফর্ম সম্প্রসারণের মাধ্যমে হাওড়া স্টেশনের টার্মিনাল ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। ভারতবর্ষের অন্যতম ব্যস্ততম রেল টার্মিনালের ট্রেন পরিচালনা ক্ষমতা বাড়ানো হবে আর ট্রাফিক আরও উন্নত করা হবে। হাওড়া স্টেশনে আসা দূরপাল্লার ট্রেনগুলি বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ট্রেনগুলির সময়ানুবর্তিতা করার জন্যই এই পদক্ষেপ।

    এদিকে জানিয়ে রাখি, হাওড়া স্টেশনের ১৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পুনঃনির্মাণ এবং সম্প্রসারণ সম্পন্ন হয়েছে। হ্যাঁ প্ল্যাটফর্মটি ৩১২ মিটার থেকে ৫৯১ মিটার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যার ফলে ২২ থেকে ২৪টি কোচবিশিষ্ট দূরপাল্লার ট্রেনগুলি আরামসে দাঁড়াতে পারবে। কারণ, আগে এই প্ল্যাটফর্মে শুধুমাত্র লোকাল ট্রেন চলাচল করতে পারত। এছাড়াও ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের সম্প্রসারণ সম্পন্ন হয়েছে। এটির দৈর্ঘ্য ৫৬৪ মিটার থেকে ৫৮১ মিটার করা হয়েছে। যার ফলে বেশি কোচের ট্রেনগুলি সহজেই দাঁড়াতে পারে।

    আরও পড়ুন: ব্যবসার জন্য ১০ লক্ষ দিচ্ছে রাজ্য সরকার! হাফ টাকা মুকুব, মাধ্যমিক পাসেই আবেদন

    তৈরি হবে নতুন প্ল্যাটফর্ম

    এদিকে স্টেশনের ক্ষমতা সম্প্রসারণ করানোর জন্য আরও দুটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি হবে বলেই খবর। আর এই প্ল্যাটফর্ম দুটি হবে ৬৩৫ মিটার লম্বা, যাতে ২৪টি কোচবিশিষ্ট দূরপাল্লার ট্রেন দাঁড়াতে পারবে। এই প্ল্যাটফর্মগুলি নির্মিত হলে সেগুলি শহরতলির সাথে দূরপাল্লার পরিষেবাকে আরও উন্নত করবে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। পাশাপাশি যাত্রীদের ভোগান্তিও দূর হবে।

  • “ভারত ক্রিকেটটাকেই ধ্বংস করে দিচ্ছে”, সূর্যরা ফাইনাল জিততেই বললেন শোয়েব আখতার

    “ভারত ক্রিকেটটাকেই ধ্বংস করে দিচ্ছে”, সূর্যরা ফাইনাল জিততেই বললেন শোয়েব আখতার

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতের (Team India) সাফল্যে যে পাকিস্তানিরা খুশি হন না সে কথা আলাদা করে বোধহয় বলার অপেক্ষা রাখে না (Shoaib Akhtar On Team India)। কেননা, রবিবার ভারতীয় দল তৃতীয়বারের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পর প্রাক্তন পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব আখতার যেমন মন্তব্য করলেন তাতে ক্রিকেটের ময়দানে ভারতের প্রতি পশ্চিমের দেশের শত্রুতা একেবারে স্পষ্ট। বিশ্বকাপে সূর্যকুমার যাদবদের সাফল্যে যেখানে গোটা বিশ্ব শুভেচ্ছা জানাচ্ছে সেই পর্বে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শোয়েব বলছেন, “ক্রিকেটটাকেই ধ্বংস করে দিচ্ছে ভারত।”

    হঠাৎ কেন এমন মন্তব্য শোয়েব আখতারের?

    সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ডুবিয়ে বিশ্বকাপের মহামঞ্চে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল ভারত। সেখান থেকেই একতরফা কিউইদের মাঠছাড়া করে পরপর দুবার ট্রফি জিতল ভারতীয় দল। টিম ইন্ডিয়ার সেই সাফল্য গতকাল রাত থেকে উদযাপন করে আসছেন দেশবাসী। তারই মাঝে হঠাৎ বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠলেন প্রাক্তন পাকিস্তানি ক্রিকেটার আখতার।

    গতকাল পাকিস্তানের জনপ্রিয় টিভি শো গেম অন হ্যায় তে বক্তব্য রাখার সময় দীর্ঘদিন এদেশে সময় কাটানো শোয়েব আখতার বলেন, “ভারত খানিকটা পাড়ার ক্রিকেটের ধনী ছেলের মতো। পাড়ায় যদি ধনী ছেলে থাকে তবে সে গরিব বাচ্চাদের ডেকে বলে চলো ক্রিকেট খেলি। পরে তাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করে। তাদের হারিয়ে দেয়। তারপর তারা বলে দেখো আমরা জিতেছি। ভারত গোটা ক্রিকেটটাকেই নষ্ট করে দিচ্ছে।”

    এদিন নিজের বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে পুরোপুরি ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে নিজেদের স্বার্থ মতো ব্যবহার করার অভিযোগ তোলেন পাকিস্তান দলের প্রাক্তন সদস্য। তবে অবাক করা বিষয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুর দিকে অর্থাৎ ফাইনালের আগে একেবারে অন্য সুর টেনে কথা বলেছিলেন আখতার। তিনি নিজের মুখে স্বীকার করেছিলেন এ বিশ্বকাপে ভারত ফেভারিট। তবে সেই বক্তব্য যে একেবারেই মন থেকে বলেননি শোয়েব, সেটাই পুরোপুরি প্রমাণিত হল গতকালের মন্তব্যের পর।”

     

    অবশ্যই পড়ুন: সিভিকের মতো এবার পথবন্ধু ভলান্টিয়ার নিয়োগ করতে চায় রাজ্য সরকার, কী কাজ করবে?

    উল্লেখ্য, রবিবার প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড শিবিরে একপ্রকার হুলুস্থুল ফেলে দিয়েছিলেন অভিষেক শর্মারা। দুর্ধর্ষ ব্যাটিং দিয়ে নিউজিল্যান্ডের সামনে 256 রানের বিরাট লক্ষ্য রাখে ভারতীয় দল। পরবর্তীতে সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিজেদের জীবন বাজি রাখলেও কার্যত বলে বলে উইকেট তুলতে থাকে টিম ইন্ডিয়া।

  • ব্যবসার জন্য ১০ লক্ষ দিচ্ছে বিহার সরকার! হাফ টাকা মুকুব, মাধ্যমিক পাসেই আবেদন

    ব্যবসার জন্য ১০ লক্ষ দিচ্ছে বিহার সরকার! হাফ টাকা মুকুব, মাধ্যমিক পাসেই আবেদন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: যুব সমাজকে স্বনির্ভর করার জন্য এবং ছোট শিল্প গড়ে তুলে তুলতে উৎসাহ দেওয়ার জন্য বিরাট সিদ্ধান্ত নিল বিহার সরকার। মুখ্যমন্ত্রী উদ্যমী যোজনা (Mukhyamantri Udyami Yojana) প্রকল্পের আওতায় এবার নির্বাচিত আবেদনকারীদের শিল্প স্থাপনের জন্যই দেওয়া হবে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এই প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণদের ব্যবসার উদ্যোগের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য। ইতিমধ্যে এই প্রকল্পে আবেদন শুরু হয়েছে। বিস্তারিত জানুন এই প্রতিবেদনে।

    কতদিন চলবে আবেদন?

    জানা যাচ্ছে, এই প্রকল্পে আগ্রহী যুবকদের আগামী ১৫ মার্চের মধ্যেই আবেদন করে নিতে হবে। শিল্প দফতরের নির্দেশিকা অনুযায়ী, আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। আর এক্ষেত্রে উল্লেখ করার বিষয়, এই প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে বিহার সরকারের তরফ থেকে। জেলা শিল্প কেন্দ্রের মহাপরিচালক বিবেক কুমার জানিয়েছেন যে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের শুধুমাত্র আর্থিক সাহায্য নয়, বরং শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ আর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

    জানা যাচ্ছে, এই প্রকল্পের আওতায় সরকার নিজস্ব ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রথমে ১০ লক্ষ টাকা প্রদান করবে। তবে ৫ লক্ষ টাকা সেক্ষেত্রে মুকুব করে দেওয়া হবে। আর বাকি ৫ লক্ষ টাকা আপনাকে কিস্তি হিসেবে পরিশোধ করতে হবে। আপনি এই টাকা ৮৪টি কিস্তির মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন। আর এই প্রকল্পটি মহিলাদের জন্য আরও সুবিধাজনক। কারণ, তাদের ক্ষেত্রে ঋণের উপর কোনও রকম সুদ নেওয়া হবে না। পুরুষদের শুধুমাত্র ১ শতাংশ করে সুদ দিতে হবে।

    কারা পাবে এই সুবিধা?

    এই প্রকল্পটি বিহারের স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য, যারা ইতিমধ্যে সেখানে বসবাস করছে। আর বেকার যুবক-যুবতী, মহিলা, এসসি, এসটি এবং ওবিসি বিভাগগুলি মূলত এই প্রকল্পের জন্য বিশেষভাবে যোগ্য। তাই যদি আপনার কাছে কোনও ব্যবসায়ীক ধারণা থেকে থাকে, তাহলে আপনিও সরকারের কাছ থেকে এই প্রকল্পের মাধ্যমে লোন নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

    আরও পড়ুনঃ ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেব’ বকেয়া DA কাণ্ডে বড় ঘোষণা, ঘুরে যাবে খেলা? জল্পনা তুঙ্গে

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    এই প্রকল্পে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। এর জন্য আপনাকে নিম্নলিখিত ধাপগুলি অনুসরণ করতে হবে—

    • প্রথমে udyami.bihar.gov.in অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
    • এরপর নিজের নাম, মোবাইল নম্বর এবং আধার নম্বর লিখে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।
    • তারপর আপনার ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করে ব্যবসায়িক ধারণা নির্বাচন করুন।
    • তারপর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলি আপলোড করে দিন।
    • এরপর ফর্মটি ভালোভাবে পরীক্ষা করে জমা দিন এবং একটি কপি আপনার কাছে রেখে দিন।

    আরও পড়ুন: সিভিকের মতো এবার পথবন্ধু ভলান্টিয়ার নিয়োগ করতে চায় রাজ্য সরকার, কী কাজ করবে?

    কী কী ডকুমেন্ট দরকার হবে?

    এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য যে ডকুমেন্টগুলো দরকার হবে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বিহারের আবাসিক সার্টিফিকেট, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট ও সার্টিফিকেট, কাস্ট সার্টিফিকেট, আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড, ব্যাঙ্কের পাসবই, বাতিল চেকের কপি আর পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং স্বাক্ষর।

  • ডলারের বিপরীতে সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি, ১০০-র গণ্ডি টপকাবে?

    ডলারের বিপরীতে সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি, ১০০-র গণ্ডি টপকাবে?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার প্রভাব এবার ভারতের মুদ্রায় (Indian Rupee)। সোমবার মার্কিন ডলারের তুলনায় ভারতীয় রুপির মূল্য আরও তলানিতে ঠেকে রেকর্ড গড়েছে। বাজারে এখন এক মার্কিন ডলার (United States Dollar) কিনতে গেলে পড়ছে ৯২.৩৪ টাকা, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তর। আর কয়েকদিন আগেই ডলারের তুলনায় রুপির বিনিময় মূল্য ৯২ টাকার গণ্ডি পেরিয়েছিল। গত বুধবার যেখানে এক ডলারের দাম ছিল ৯২.১৮ টাকা, সেখানে সোমবার আরও তলানিতে ঠেকেছে।

    আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে তলানিতে রুপি

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা রাজনৈতিক উত্তেজনা আর পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাজারে দিনের পর দিন অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে। এর ফলে অনেক বিনিয়োগকারী নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ডলারের দিকেই ঝুঁকছে। সেই কারণে ভারতীয় মুদ্রা দিনের পর দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে।

    সবথেকে বড় ব্যাপার, ভারত তার মোট অপরিশোধিত তেলের ৮০ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করে থাকে। যার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে আমদানি খরচ বেড়ে যায় এবং তেল কেনার জন্য বেশি পরিমাণ ডলারের প্রয়োজন হয়। ফলে ডলারের চাহিদা বাড়ে আর ভারতীয় রুপির মূল্য তলানিতে ঠেকে। এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর একটি বৃহৎ অংশ শেয়ারবাজার থেকে তাদের বিনিয়োগ তুলে নিচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে। আর যখন বিদেশী বিনিয়োগকারীরা তাদের বিনিয়োগ তুলে নেয়, তখন ডলারের চাহিদা বাড়ে। যার ফলে রুপির উপর চাপ সৃষ্টি হয়।

    আরও পড়ুন: নির্বাচন হোক ২ দফায়, কমিশনের কাছে আর কী কী দাবি জানাল বিজেপি?

    কিন্তু বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছে, যদি আন্তর্জাতিক উত্তেজনা এরকম বজায় থাকে এবং তেলের দাম বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে ডলারের তুলনায় রুপির মূল্য আরও কমতে পারে। এমনকি তা ১০০-র গণ্ডিও পার করতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি এখন অর্থনৈতিক নীতির উপরেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

  • ‘আমাকে বলছে ডোন্ট শাউট!’ জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

    ‘আমাকে বলছে ডোন্ট শাউট!’ জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পরিকল্পনা অনুযায়ী আজ, সোমবার, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission Of India) ফুল বেঞ্চের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলির বৈঠক হয়। আর সেই বৈঠকে শেষ দফায় অর্থাৎ সকাল ১১টা ৪৫ থেকে ১২টার মধ্যে ডাকা হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসকে (Trinamool Congress)। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রকাশ করেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং রাজ্যের পুলিশ কর্তা রাজীব কুমার। কিন্তু সেই বৈঠকে ফের জ্ঞানেশ কুমারের দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুললেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)।

    মহিলা ভোটারদের ‘টার্গেট’ করার অভিযোগ

    বৈঠক শেষে আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য নির্বাচন কমিশনারের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা কমিশনকে বলেছি, বহুবার আপনাদের কাছে গিয়ে সমস্যার কথা জানিয়েছি। কিন্তু আপনারা সেই পথে হাঁটছেন না। প্রায় ৬৩ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ফর্ম ৬ জমা পড়েছে ৬ লক্ষের বেশি, অথচ নতুন করে নাম যোগ হয়েছে মাত্র ১ লক্ষ। অন্যদিকে প্রায় ৫ লক্ষ নাম মুছে ফেলা হচ্ছে। আগে তালিকায় মহিলাদের সংখ্যা বেশি ছিল। এখন তা কমে যাচ্ছে। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে মহিলাদেরই টার্গেট করা হচ্ছে।” এসবের পরেই নাকি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের উপর রীতিমতো চিৎকার করে ওঠেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

    চন্দ্রিমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার নির্বাচন কমিশনারের

    চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের অভিযোগ, SIR এর বিষয়গুলি তুলে ধরতে গেলেই কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে রয়েছে এবং তাঁদের আর কিছু করার নেই। তিনি বলেন, “আমরা কথা বলতে গেলেই কমিশনার বলছে সুপ্রিম কোর্টে গেছেন, এখন কিছু করার নেই। তারপরই আমাকে বলছে, ডোন্ট শাউট। আমার গলার জোর আছে, তাই বলেছি। আমি তো ওঁকে অপমান করার জন্য চিৎকার করিনি। আমি একজন মহিলা, আমাকে এভাবে বলা হচ্ছে। এটা কি ঠিক? সুপ্রিম কোর্টে গেছি, ঠিকই করেছি। কিন্তু কেন ভোটারদের নাম নেই, সেই প্রশ্নের উত্তর তো দিতে হবে।”

    আরও পড়ুন: নির্বাচন হোক ২ দফায়, কমিশনের কাছে আর কী কী দাবি জানাল বিজেপি?

    প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের অভিযোগ নতুন নয়। এর আগেও জ্ঞানেশ কুমারের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, “আলোচনা এমন পর্যায়ে পৌঁছয়, মেজাজ হারিয়ে আঙুল উঁচিয়ে কথা বলেন জ্ঞানেশ কুমার। আমি বলেছি, আঙুল নীচে নামিয়ে কথা বলুন।” এমনকি তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই অভিযোগ তুলেছিলেন। রীতিমত অহঙ্কারি বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন কমিশনকে।

  • সিভিকের মতো এবার পথবন্ধু ভলান্টিয়ার নিয়োগ করতে চায় রাজ্য সরকার, কী কাজ করবে?

    সিভিকের মতো এবার পথবন্ধু ভলান্টিয়ার নিয়োগ করতে চায় রাজ্য সরকার, কী কাজ করবে?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সময় যত এগোচ্ছে রাজ্যে (West Bengal) বেপরোয়া চাকার দৌরাত্ম্য যেন ক্রমেই বাড়ছে। যার ফলে গত কয়েক বছরে রাজ্যে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে বেলাগাম চাকার শিকার হচ্ছেন পুলিশকর্মীরাও। যদিও দুর্ঘটনা রুখতে একের পর এক পদক্ষেপ নিয়েই চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এমতাবস্থায় দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় ‘পথবন্ধু’ (Pathbandhu) নিয়োগের পরিকল্পনা নিতে চলেছে নবান্ন, প্রতি স্থানে ৭ জন করে নিয়োগ করা হবে পথবন্ধু ভলেন্টিয়ার।

    বেড়েই চলছে শহরে দুর্ঘটনার পরিমাণ

    লালবাজারের তথ্য বলছে, কলকাতায় পথ দুর্ঘটনায় ২০২৩–এ মারা গিয়েছিলেন ১৫৯ জন। সেখানে ২০২৪ সালে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৯১ জনে। ২০২৫ এ সেই সংখ্যা আরও বেড়েছে। গত কয়েক বছরে রাজ্যে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েছে। এছাড়াও দুশ্চিন্তার বিষয় হল দুর্ঘটনার পর দ্রুত সহায়তা না পাওয়ার কারণে বহু ক্ষেত্রে আহতদের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। সেই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একাধিক পরিকল্পনা করে আসছে। এবার তাই প্রশিক্ষিত পথবন্ধু নিয়োগ করা হতে চলেছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জাতীয় ও রাজ্য সড়কে চিহ্নিত প্রায় এক হাজারের বেশি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় নতুন করে ‘পথবন্ধু’ নিয়োগ করা হতে পারে।

    দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় নিয়োগ করা হবে পথবন্ধু

    রাতের বেলায় দুর্ঘটনা ঘটলে যাতে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেরি না হয় এবং দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা এবং উদ্ধার করার পরিষেবা বাড়াতে ‘পথবন্ধু’ নিয়োগ বাড়ানোয় মনোযোগ দিচ্ছে রাজ্য সরকার। প্রতিটি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় নির্দিষ্ট ভাবে সাত জন করে পথবন্ধু নিয়োগ করা হতে পারে। তাঁদের উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি আধুনিক ফার্স্ট এড বক্স দেওয়ার কথাও ভাবা হয়েছে। যাতে দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের দ্রুত ব্যান্ডেজ করা, রক্তপাত বন্ধ করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসা করা যায়। তবে তার আগে সবটাই তাঁদের হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেব’ বকেয়া DA কাণ্ডে বড় ঘোষণা, ঘুরে যাবে খেলা? জল্পনা তুঙ্গে

    প্রসঙ্গত, ‘পথবন্ধু’রা ভলান্টিয়ার হিসেবেই কাজ করেন বেশিরভাগ সময়। কিন্তু প্রশিক্ষণের অভাবে নানা রকম সমস্যা তৈরি হয়। তাই রাজ্য সরকার এই উদ্যোগ নিচ্ছে। অন্যদিকে ‘পথবন্ধু’দের কাজ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিশেষ চিন্তা ভাবনা করেছে প্রশাসন। পথবন্ধুদের মাধ্যমেই বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দুর্ঘটনার সময় মানুষ দ্রুত তাঁদের সাহায্য নিতে পারেন।

  • নির্বাচন হোক ২ দফায়, কমিশনের কাছে আর কী কী দাবি জানাল বিজেপি?

    নির্বাচন হোক ২ দফায়, কমিশনের কাছে আর কী কী দাবি জানাল বিজেপি?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) কাছে একগুচ্ছ দাবি জানিয়েছে বিজেপি (BJP on Commission)। সোমবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেছে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি প্রতিনিধি দল। আর সেখানে তারা মোট ১৬ দফা দাবি পেশ করেছে। বিরোধী দলের দাবি, রাজ্যে দীর্ঘদিন সময় ধরে বহু দফায় ভোট করানোর বদলে এবার এক বা দুই দফায় নির্বাচন করা হোক। তাদের মতে, এতে প্রশাসনিক চাপ অনেকটাই কমবে এবং দ্রুত আর সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

    বলাবাহুল্য, ওই বৈঠকে বিজেপি প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠকে নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কমিশনের সঙ্গে তাঁর আলোচনা করেছেন। আর বৈঠকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, প্রায় আধাঘন্টা ধরে কমিশনের সামনে তাঁদের দাবি এবং প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে।

    কী কী দাবি জানানো হল বিজেপির তরফ থেকে?

    বিজেপির দাবি, আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন যাতে হিংসামুক্ত আর ভয়মুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, সেই লক্ষ্যেই এই দাবি জানানো হয়েছে। এ নিয়ে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা কমিশনকে জানানো হয়েছে।

    বিজেপির দাবিগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ছয় সপ্তাহ ধরে দীর্ঘ ৭-৮ ধাপের পরিবর্তে স্বল্প সময়ের মধ্যেই একক বা সর্বোচ্চ দুটি ধাপে ভোট গ্রহণ করতে হবে। ভোটের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কল্যাণ সংস্থাকে নিষিদ্ধ করা উচিত এবং তাদের সমস্ত অফিস ও কার্যক্রম এলাকা সিল করে দেওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, বড় বড় বহুতল কমপ্লেক্সের ভেতরে ভোটকেন্দ্র থাকা বাধ্যতামূলক। স্থানীয় পুলিশের উপর নির্ভর না করে সাধারণ এবং পুলিশ পর্যবেক্ষক দ্বারা চিহ্নিত এলাকাগুলির উপর ভিত্তি করেই সিএপিএফ-এর আধিপত্য যাচাই করতে হবে। সাধারণ এবং পুলিশ পর্যবেক্ষকদের এলাকা সম্পর্কে জানার জন্য আর মূল্যায়নের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আগেই মোতায়েন করা উচিত।

    আরও পড়ুন: ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেব’ বকেয়া DA কাণ্ডে বড় ঘোষণা, ঘুরে যাবে খেলা? জল্পনা তুঙ্গে

    এছাড়াও পূর্ববর্তী তিনটি নির্বাচনে অর্থাৎ ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন, ২০২১ বিধানসভা নির্বাচন আর ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে কমিশনের আদেশে বদলি হওয়া সকল কর্মকর্তাদের বদলি করার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে কমিশনকে। বিজেপির স্পষ্ট দাবি, আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন যেন কোনও রকম অসন্তোষ ছাড়াই সম্পন্ন হয়।