Blog

  • বিশ্বকাপ শেষ হতেই T20 ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছেন হার্দিক পান্ডিয়া? জানালেন নিজেই

    বিশ্বকাপ শেষ হতেই T20 ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছেন হার্দিক পান্ডিয়া? জানালেন নিজেই

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে। 2024 এর পর ফের জগতসভায় শ্রেষ্ঠ আসন পেয়েছে ভারত (India National Cricket Team)। জয়জয়কার হয়েছে ভারতের ক্রিকেটারদের। টিম ইন্ডিয়ার সাফল্যের রেশ এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি দেশবাসীও। এরই মাঝে শোনা যাচ্ছিল, পরপর দুবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলকে জেতানোর পর এবার নাকি 20 ওভারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছেন হার্দিক পান্ডিয়া (Hardik Pandya)! সেই খবরের সত্যতা কতটা জানালেন ভারতীয় তারকা নিজেই। সেই সাথে বলে দিলেন আগামীর পরিকল্পনাও।

    টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিচ্ছেন হার্দিক?

    রবিবার রাতে, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনাল জেতার পরই ইতিহাস তৈরি করেছে ভারত। ঘরের মাঠে 20 ওভারের বিশ্বকাপ জেতার যে ইতিহাস আগে কেউ লিখতে পারেনি সেটাই করে দেখিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। দলের এমন সাফল্যের পরই তারকা অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া খুব পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দিলেন, এখনই অবসরের কথা ভাবছেন না তিনি। দলকে তাঁর অনেকটা দেওয়া বাকি।

    ভারতীয় ক্রিকেটারের কথায়, “এখন আমাকে সিনিয়র খেলোয়ার বলা হয়। এটা শুনেও ভাল লাগে।” নিজের কেরিয়ার নিয়ে পরবর্তী পরিকল্পনা কী জানতে চাওয়া হলে হার্দিক জানিয়ে দেন, “আমার এখনও 10 বছরের ক্রিকেট খেলা বাকি। আমি আমার কেরিয়ারের সবেমাত্র অর্ধেকটা শেষ করেছি। এখনও 10 বছরের মধ্যে IPL সহ আরও 10টি ট্রফি জিততে চাই।” ভারতীয় তারকা এও বলেন, “IPL ট্রফি তো আছে তবে ICC ট্রফি আমার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”

    অবশ্যই পড়ুন: দাঁড়ায় প্রায় সব ট্রেন! তবে বাংলার এই স্টেশনের নাম জানেন না যাত্রীরা

    এক কথায়, ভারতীয় দলের তারকা অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়ার অবসরের প্রসঙ্গ উঠলেও তিনি যে আগামী 10 বছরের মধ্যে 20 ওভারের ক্রিকেট ছেড়ে কোথাও যাচ্ছেন না সে কথা একেবারে স্পষ্ট। বলাই বাহুল্য, 2024 টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরও ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে হার্দিক বলেছিলেন তাঁকে প্রচুর ট্রফি জিততে হবে। সেই অধ্যায়েরই সূচনা হয়েছে সবে। এবারেও সেই বক্তব্যকে ধরে রাখলেন ভারতীয় ক্রিকেটার।

  • টিম ইন্ডিয়ার লজ্জা লাগা উচিৎ! বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মন্দিরে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ কীর্তি আজাদ

    টিম ইন্ডিয়ার লজ্জা লাগা উচিৎ! বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মন্দিরে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ কীর্তি আজাদ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রবিবার নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে তৃতীয়বারের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নিয়েছিল ভারত, খুশিতে মাতোয়ারা হয়ে গিয়েছিল গোটা টিম। এরপর ট্রফি (T20 World Cup Trophy) জিতেই সেখানকার হনুমান মন্দিরে পুজো দিতে গেলেন টিম ইন্ডিয়ার হেডকোচ গৌতম গম্ভীর। আর তাতেই রেগে কাঁই ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কীর্তি আজাদ। প্রশ্ন তুললেন, মহম্মদ সিরাজ তো মসজিদে কিংবা সঞ্জু স্যামসন তো চার্চে নিয়ে যাননি বিশ্বকাপ ট্রফি। তাহলে কেন সেই বিশ্বকাপ ট্রফিকে হনুমান মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হল।

    হনুমান মন্দিরে ট্রফি নিয়ে পুজো দিলেন গম্ভীর

    ভারতীয় ক্রিকেট টিমের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর খেলার প্রতি তাঁর যেমন কড়াকড়ি রয়েছে ঠিক তেমনই তাঁর নিয়মিত পুজো দেওয়ার ট্রাডিশনও বেশ চর্চিত। ভারতের বিভিন্ন জাগ্রত মন্দিরে, গম্ভীর নিয়ম করে পুজো-আচ্চা দেন। তাইতো বিশ্বকাপ জয়ের পর রবিবার রাতেও ট্রফি নিয়ে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের পাশেই হনুমান টেকরি মন্দিরে পুজো দিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট টিমের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ। তিন জন মিলে পুজো দেন। সূর্যের গলায় ছিল গাঁদা ফুলের মালা। মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রসাদ খান তাঁরা। বাইরে এসে ছবিও তোলেন। কিন্তু এবার সেই পুজো দেওয়া নিয়ে কটাক্ষ করলেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কীর্তি আজাদ।

    ধর্ম নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল সাংসদ

    গতকাল অর্থাৎ সোমবার, তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ বলেন, ‘টিম ইন্ডিয়ার লজ্জা লাগা উচিত। ১৯৮৩ সালে যখন আমরা কপিল দেবের নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জিতেছিলাম, তখন আমাদের দলে হিন্দু, মুসলিম, শিখ এবং খ্রিস্টান ছিলেন। আমাদের ধর্মীয় জন্মভূমি, আমাদের মাতৃভূমি, ভারত, হিন্দুস্তানে নিয়ে এসেছিলাম ট্রফি। কিন্তু এবার সেই ট্রফি কেন শুধু হনুমান মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হল? কেন মসজিদ নয়? কেন গির্জা নয়? কেন গুরুদোয়ারা নয়?” এখানেই শেষ নয়, এদিন তিনি সূর্যকুমার যাদব এবং আইসিসির প্রধান জয় শাহের পরিবারকেও তুলোধোনা করেন। কীর্তি আজাদ বলেন, “দলটি ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে – সূর্যকুমার যাদব বা জয় শাহের পরিবারের নয়! সিরাজ কখনও মসজিদে ট্রফি নেয়নি। সঞ্জু কখনও চার্চে নিয়ে যায়নি। ট্রফি ১৪০ কোটি ভারতীয়ের, প্রতিটি ধর্মের মানুষের – কোনও ধর্মের নয়।’

    আরও পড়ুন: দাম বৃদ্ধি তো ছিলই, এখন অমিল গ্যাস! LPG সঙ্কটে শহরের সমস্ত হোটেল বন্ধের সিদ্ধান্ত

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় দলের কোচ হওয়ার পর থেকেই দেখা যায় গৌতম গম্ভীর যেখানেই খেলা থাকুক, সেখানকার স্থানীয় মন্দিরে পুজো দিতে চলে যান। কখনও কলকাতার কালীঘাটে, কখনও পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে, কখনও গুয়াহাটির কামাখ্যা, আবার কখনও মুম্বইয়ের সিদ্ধি বিনায়ক মন্দিরে দেখা যায় গম্ভীরকে। এবারেও তার ব্যতিক্রম হল না। এদিকে, ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কীর্তি আজাদের তোলা মন্তব্যকে নিয়ে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি দলের তরফে।

  • দাম বৃদ্ধি তো ছিলই, এখন অমিল গ্যাস! LPG সঙ্কটে শহরের সমস্ত হোটেল বন্ধের সিদ্ধান্ত

    দাম বৃদ্ধি তো ছিলই, এখন অমিল গ্যাস! LPG সঙ্কটে শহরের সমস্ত হোটেল বন্ধের সিদ্ধান্ত

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ইরান এবং ইজরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে রীতিমত কাবু হয়ে উঠেছে গোটা বিশ্ব। দু’পক্ষের মধ্যে আক্রমণ এবং প্রতি আক্রমণের ফলে কোপ পড়েছে জ্বালানিতে। ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে বেড়েছে রান্নার গ‍্যাসের (Gas Cylinder Price Hike) দামও। এদিকে এই যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে কর্নাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে (Bengaluru) দেখা দিয়েছে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার সরবরাহের চরম অভাব। ফলে বেঙ্গালুরু শহর জুড়ে বন্ধ হতে চলেছে সমস্ত হোটেল, রেস্তোরাঁ (Bengaluru Hotels Shut Down)। মারাত্মক ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা।

    গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে মহা সমস্যায় ব্যবসায়ীরা

    জানা গিয়েছে, ইরান এবং ইজরায়েলের যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বন্ধ রয়েছে হরমুজ প্রণালী, যেখান দিয়ে বিশ্ব বাজারে সিংহভাগ আমদানি-রফতানি হয় তেলের। তার জেরেই গোটা বিশ্ব সহ ভারতে, জ্বালানির সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ১৪ কেজির রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৬৩ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। একইসঙ্গে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ১১৫ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। সাপ্লাই নিয়ন্ত্রণে রাখতে গ্যাস বুকিংয়ের নিয়মেও বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে সরকার। আর তার প্রভাবেই মহা সমস্যায় পড়েছে হোটেল ব্যবসায়ীরা। জানা গিয়েছে, আজ মঙ্গলবার থেকে বন্ধ হতে চলেছে বেঙ্গালুরুর সমস্ত হোটেল। ইতিমধ্যেই একটি নোটিস জারি করেছে বেঙ্গালুরুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশন।

    হোটেল বন্ধের নির্দেশিকা ব্যবসায়ীদের

    বেঙ্গালুরুর হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন গতকাল অর্থাৎ সোমবার তাদের তরফে এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হোটেল ইন্ডাস্ট্রি একটি জরুরি পরিষেবা। সাধারণ মানুষ, বয়স্ক লোকজন, ছাত্রছাত্রীরা, মেডিক্যাল পেশায় যুক্ত মানুষরা – অনেক অনেক মানুষ প্রতিদিন বিভিন্ন ভাবে নির্ভর করেন হোটেল-রেস্তোরাঁর উপর। আজ থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার সরবরাহ। ফলে হোটেলের উপর নির্ভরশীল বহু মানুষ সমস্যায় পড়বেন। হাইটেক সিটির সব হোটেল বন্ধ করার ভাবনাচিন্তা করছে। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা যেন অবিলম্বে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন এবং বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের পরিষেবা ঠিকভাবে চালু করার ব্যবস্থা করেন।

    আরও পড়ুন: তেলের সঙ্কট বাংলাদেশে, উদ্ধারে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত

    হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের হোটেল রেস্তোরাঁ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার জানিয়েছেন, সিলিন্ডারের দাম বাড়াই প্রধান কারণ। তবে সরবরাহও আরেকটি কারণ। এখন এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হোটেল অ্যাসোসিয়েশগুলি যদি সংঘটিত হয়, তবে সেটা তাদের অধিকার আছে। এদিকে গ্যাস ডেলিভারি কর্মীরা জানাচ্ছেন, বাস্তবে এখনও এলপিজির কোনও বড় ধরনের ঘাটতি নেই। কিন্তু যুদ্ধের ফলে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এই আশঙ্কাতেই অনেকে আগাম সিলিন্ডার তুলে রাখছেন। এতেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা শুরু করেছেন সিলিন্ডারের কালোবাজারি, আর তাই এই সংকট।

  • টিম ইন্ডিয়ার থেকে T20 বিশ্বকাপের ট্রফি ফিরিয়ে নিল ICC! কারণ কী?

    টিম ইন্ডিয়ার থেকে T20 বিশ্বকাপের ট্রফি ফিরিয়ে নিল ICC! কারণ কী?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: একেবারে ঝড়ের গতিতে ফাইনালের মঞ্চে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে তৃতীয়বারের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup Trophy) জিতেছে ভারত। রবিবারের রাতে ভারতের (India National Cricket Team) এই সাফল্যকে উদযাপন করেছে গোটা দেশ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের তরফে পাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের তৃতীয় ট্রফি নিয়ে বজরংবলীর মন্দিরে পুজো দিয়ে এসেছেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং কোচ গৌতম গম্ভীর। সঙ্গে ছিলেন ICC চেয়ারম্যান জয় শাহও। তবে শোনা যাচ্ছে, ভারতীয় দলের হাতে তুলে দেওয়া আসল ট্রফিটি ফিরিয়ে নিয়েছে ICC! কিন্তু কেন?

    ভারতীয় দলের কাছ থেকে ট্রফি ফেরত নিয়েছে ICC!

    সাধারণত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও দলকেই বিশ্বকাপ জয়ের পর আসল ট্রফি দেওয়া হয় না। নিয়ম বলছে, ফাইনাল জয়ের পর ফটোশুট সহ দলের সেলিব্রেশনের সময় আসল ট্রফিটি দিয়ে থাকে বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থা। রবিবার রাতে ভারতীয় দল ফাইনাল জেতার পর আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রফি তুলে দেওয়া হয় ভারতের অধিনায়ক সূর্যর হাতে। এরপরই সেই ট্রফি নিয়ে উদযাপন করে টিম ইন্ডিয়া।

    বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, ভারতীয় দলের সেলিব্রেশন এবং ফটোশুটের পর ফের সেই ট্রফিটি ফিরিয়ে নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। বদলে ভারতীয় দলকে দেওয়া হয়েছে একটি ড্যামি ট্রফি। যা দেখতে অনেকটা আসল ট্রফির মতোই। জানা যাচ্ছে, অন্যান্য সময়ের মতোই নিয়ম মেনে টিম ইন্ডিয়ার আসল ট্রফিটি রাখা হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের দুবাইয়ের সদর দপ্তরে।

    অবশ্যই পড়ুন: তেলের সঙ্কট বাংলাদেশে, উদ্ধারে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত

    বলাই বাহুল্য, আজ থেকে 27 বছর আগে ট্রফি সংক্রান্ত এই নিয়ম চালু করেছিল ICC। সাধারণত আসল ট্রফিটি সোনা সহ বিভিন্ন বহুমূল্য ধাতু দিয়ে তৈরি করার কারণে সেটি যাতে চুরি হয়ে না যায় সে জন্যই চ্যাম্পিয়ন দলের কাছ থেকে উদযাপন এবং ফটোশুট অনুষ্ঠানের পর আসল ট্রফিটি নিয়ে নেওয়া হয়। টিম ইন্ডিয়ার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। বলে রাখি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসল ট্রফিটির ওজন প্রায় 6 কেজি। একই সাথে এটি 21 ইঞ্চি লম্বা। সবচেয়ে বড় কথা, এই ট্রফির সাথে যোগ রয়েছে জয়পুরের। কারণ এই ট্রফিটি যিনি ডিজাইন করেছেন সেই অমিত পবওয়াল জয়পুরের শিল্পী।

  • সোনা, রুপোর দামে পতন, মুখে হাসি মধ্যবিত্তর! আজকের রেট

    সোনা, রুপোর দামে পতন, মুখে হাসি মধ্যবিত্তর! আজকের রেট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সোনা, রুপোর দাম নিয়ে সুখবর। আজ অনেকটাই পতন হল হলুদ ধাতুর বাজার দর (Gold Price)। ফলে বিয়ের মরসুমে আবারো সাধারণ ক্রেতাদের মুখে হাসি ফুটেছে। অন্যদিকে রুপো নিয়েও সুখবর। কারণ, আজ সাদা ধাতুর দরও অনেকটাই কমেছে। এতে বিনিয়োগকারীরাও আবারও সোনা, রুপোর দিকে যে ঝুঁকতে পারবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে কোন শহরে কততে বিক্রি হচ্ছে সোনা, রুপো তা জানতে হলে প্রতিবেদনটি পড়ুন। IBJA Rates-র রিপোর্ট অনুসারে—

    ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনার দাম | Gold Price Today

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫২,৩০০ টাকায় (-১৮৫০)।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৮,১৯০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌতে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৮,৩৪০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৮,২৪০ টাকায়।

    ২৪ ক্যারেট পাকা সোনার দাম

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ২৪ ক্যারেট পাকা সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬০,২৫০ টাকায় (-১৯৫০)।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরের ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬১,৬৭০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌতে ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬১,৮২০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরের ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬১,৭২০ টাকায়।

    ১৮ ক্যারেট সোনার দাম

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২১,২৫০ টাকায়।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা, পুনে ইত্যাদি শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২১,২৫০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌয়ের মতো শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২১,৪০০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২১,৩০০ টাকায়।

    আরও পড়ুন: গ্যাস নিয়ে LPG কোম্পানিগুলোকে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    আজ রুপোর বাজার দর | Silver Price Today |

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে খুচরো রুপো বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২,৬৩,৪৫০ টাকায় (-৪৪০০)।

    ➣ আজ চেন্নাই, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরে প্রতি কেজি রুপো বিক্রি হচ্ছে ২,৮৯,৯০০  টাকায়।

    ➣ আজ মুম্বাই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, পুনে, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে প্রতি কেজি রুপো বিক্রি হচ্ছে ২,৭৯,৯০০ টাকায়।

    বিঃদ্রঃ বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমরা শুধুমাত্র দাম নিয়ে আপডেট দিয়ে থাকি। কাউকে বিনিয়োগ করতে বাধ্য করি না।

  • তেলের সঙ্কট বাংলাদেশে, উদ্ধারে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত

    তেলের সঙ্কট বাংলাদেশে, উদ্ধারে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে গোটা দেশ জুড়ে তীব্র তেলের সংকট দেখা যাচ্ছে। পেট্রোল ডিজেলের দাম বেড়েই চলেছে। এদিকে মূল্যবৃদ্ধির আঁচ পড়েছে বাংলাদেশে (Bangladesh)। জানা গিয়েছে, সেখানে বহু জায়গায় পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। গাড়িতে তেল ভরার জন্য বাকি পাম্পগুলিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে অনেককে। মহা সমস্যায় পড়েছে ওপার বাংলার মানুষ। আর এই পরিস্থিতিতে এবার ভারত থেকে ডিজেল (India Sends Diesel) পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে, তাও আবার পাইপলাইনের মাধ্যমে।

    আজই বাংলাদেশে যাচ্ছে ডিজেল

    বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ওরফে BPC-র বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে যাচ্ছে। আর এই জ্বালানি তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে ওই দেশে পৌঁছাবে। ইতিমধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। মূলত জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখতে এবং দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

    ভারত বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ে বৈঠক

    উল্লেখ্য, গত রবিবার জ্বালানি সংকট মেটাতে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সেখানে বাংলাদেশ-ভারত পাইপলাইন দিয়ে আগামী চার মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ। তাই সরকারের এই উচ্চপর্যায়ের তৎপরতার ৫ হাজার টনের ডিজেল পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে যাচ্ছে। অন্যদিকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল সরবরাহে পরিবহন খরচ এবং সময় দুটোই সাশ্রয় হবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: গ্যাস নিয়ে LPG কোম্পানিগুলোকে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    প্রসঙ্গত, ভারত, ২০২৩ সালে ৩৫ হাজার ৭১৮ মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করেছিল বাংলাদেশকে। এরপর ২০২৪ সালে ২৮ হাজার ২০৪ মেট্রিক টন এবং ২০২৫ সালে এক লাখ ২৪ হাজার ২১৬ মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করেছে। এছাড়া ভারত থেকে বিভিন্ন সময় জেটফুয়েল, ফার্নেস অয়েল এমনকি অকটেনও আমদানি করেছিল বাংলাদেশ। স্বাভাবিকভাবে আশা করা যাচ্ছে এইবারে হয়তো ধীরে ধীরে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হবে।

  • সাতসকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড গোবরডাঙ্গা স্টেশনে, পুড়ে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    সাতসকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড গোবরডাঙ্গা স্টেশনে, পুড়ে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    সৌভিক মুখার্জী, গোবরডাঙ্গা: সাতসকালে গোবরডাঙ্গা স্টেশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড (Gobardanga Station Fire)। পুড়ে ভস্মীভূত প্রায় ৪ থেকে ৫টি দোকান এবং আরও ১০-১২টি দোকানের উপর পড়েছে প্রভাব। জানা যাচ্ছে, স্টেশন বাজার সংলগ্ন ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম লাগোয়া একটি হোটেল থেকেই আগুনের সূত্রপাত। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী খবর, হোটেলে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়েই এই অগ্নিকাণ্ড। কিন্তু তাতে হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড গোবরডাঙ্গায়

    জানা যাচ্ছে, আজ সকাল সাড়ে ছয়টা নাগাদ এই আগুনের সূত্রপাত। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গোবরডাঙ্গা ফায়ার ব্রিগেডের দুটি ইঞ্জিন। সূত্রের খবর, ওই হোটেলের ভিতরে একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ছিল। হঠাৎ করেই বিস্ফোরণ ঘটে এই দুর্ঘটনা। তবে ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন নেভাতে যথেষ্ট হ্যাপা পোহাতে হয়েছে দমকল বাহিনীকে। সবথেকে বড় ব্যাপার, চারদিকে দোকানপাট থাকায় মুহুর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, সিলিন্ডার ফেটেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয়দের মধ্যে শুরু হয় হইহুল্লোড় এবং পার্শ্ববর্তী দোকানদাররাও চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে।

    বেশিরভাগ ব্যবসায়ী তাদের দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে সরে যায় এবং অনেকেই দোকানের মালপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যেতে তৎপর হয়। তবে এই ঘটনায় ট্রেন চলাচলের উপরেও সাময়িকভাবে প্রভাব পড়েছে। সামান্য কিছু সময়ের জন্য বনগাঁ-শিয়ালদা লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল বলেই খবর। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, ঠিক কীভাবে আগুনের আগুন লাগল আর ক্ষয়ক্ষতের পরিমাণ কতটা তা খতিয়ে দেখা হবে। যদিও স্থানীয়দের দাবি, দমকল ইঞ্জিন আসা সত্ত্বেও তাতে জল ছিল না। তাই আগুন নেভাতে আরও বিলম্ব হয়েছে।

    আরও পড়ুন: গ্যাস নিয়ে LPG কোম্পানিগুলোকে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    এ বিষয়ে গোবরডাঙ্গা পৌরসভার চেয়ারম্যান শংকর দত্ত বলেন, এই ঘটনা খুবই মর্মাহত। প্রায় চার থেকে পাঁচটি দোকানের কিছু নেই। পুরো ভস্মীভূত হয়ে গেছে এবং আরও ১০ থেকে ১২টি দোকানের উপরেও প্রভাব পড়েছে। দোকানদারদের মন শক্ত করতে বলছি। আমরা পৌরসভার তরফ থেকে সকলের পাশে থাকার চেষ্টা করব, এবং যতটা সম্ভব ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করার চেষ্টা করব।

  • বন্ধ স্কুল, কলেজ! বেতনে ২৫% কাটছাঁট, জ্বালানী সঙ্কটে বড় সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকারের

    বন্ধ স্কুল, কলেজ! বেতনে ২৫% কাটছাঁট, জ্বালানী সঙ্কটে বড় সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। এরই মাঝে নতুন করে শিরোনামে উঠে এল পাকিস্তান (Pakistan)। সেখানকার সরকার এবার এমন এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে যার প্রভাব কয়েক কোটি মানুষের ওপর পড়বে। জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ খরচ কমানোর জন্য একগুচ্ছ ঘোষণা করেছেন। স্কুল, কলেজ বন্ধ থেকে শুরু করে বেতনে কাটছাঁট, কমিশন বন্ধ করা সহ একাধিক ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বড় সিদ্ধান্ত পাক সরকারের

    সরকারের নতুন পরিকল্পনার আওতায়, সরকারি অফিসগুলি এখন সপ্তাহে মাত্র চার দিন খোলা থাকবে এবং অর্ধেক কর্মচারী বাড়ি থেকে কাজ (WFH) করবেন। স্কুলগুলিও দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। পাকিস্তান সরকার মন্ত্রী এবং উপদেষ্টাদের বিদেশ ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মন্ত্রীরা দুই মাস বেতন নেবেন না এবং সাংসদদের ২৫% বেতন কাটা হবে। আগামী দুই মাস সরকারি যানবাহনে ৫০% জ্বালানি কম থাকবে। ৬০% সরকারি যানবাহন বন্ধ থাকবে। সমস্ত সরকারি বিভাগকে তাদের ব্যয় ২০% কমাতে হবে।

    কী বলেছেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ বলেছেন যে যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৬০ ডলার থেকে ১০০ ডলারেরও বেশি বেড়েছে, যার কারণে এই সিদ্ধান্তগুলি নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান পেট্রোল ও ডিজেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বাড়িয়েছে। পেট্রোল ও ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৫৫ টাকা বেড়েছে। মূল্যবৃদ্ধির পর, পাকিস্তানে এখন পেট্রোলের দাম প্রতি লিটারে ৩৩৫.৮৬ টাকা এবং ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৩২১.১৭ টাকা।

    আরও পড়ুনঃ গ্যাস নিয়ে LPG কোম্পানিগুলোকে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    পাকিস্তান সৌদি আরবের কাছে বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বিদ্যমান ৫ বিলিয়ন ডলারের আমানতকে ১০ বছরের সুবিধায় রূপান্তর করা এবং তেল সরবরাহের জন্য বিলম্বিত অর্থপ্রদানের সুবিধা ১.২ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করা।

  • গ্যাস নিয়ে LPG কোম্পানিগুলোকে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    গ্যাস নিয়ে LPG কোম্পানিগুলোকে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে ততই পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে পশ্চিম এশিয়ার। সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল এবং এলপিজির (LPG Cylinder) দাম বৃদ্ধির মধ্যে কেন্দ্র সরকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে। সরকার দাবি করেছে যে ভারতে পেট্রোল, ডিজেল বা অপরিশোধিত তেলের কোনও সংকট নেই। তবে, রান্নার গ্যাস (এলপিজি) এবং পিএনজির অভ্যন্তরীণ সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ হ্রাস করা এবং অভ্যন্তরীণ গ্যাসের বুকিংয়ের সময় বাড়ানো। এসবের মধ্যেই, LPG নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    LPG নিয়ে নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    এখন সমস্ত তেল কোম্পানিকে এলপিজি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রের মোদী সরকার। এমনিতেই রান্নার গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখা। ভারত তার এলপিজি চাহিদার একটি বড় অংশ আমদানি করে, যার ৮৫-৯০% অবদান মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি রাখে। বিগত ১০ দিন ধরে, যেহেতু সংকট আমদানির উপর চাপ বাড়িয়েছে, তাই অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি করে ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করা হচ্ছে। এদিকে বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন এলপিজি গ্যাস ব্ল্যাকে বিক্রি করার অভিযোগও সামনে আসছে। এহেন পরিস্থিতিতে কালোবাজারি রোধ করতে, অভ্যন্তরীণ এলপিজি রিফিল বুকিংয়ের জন্য সর্বনিম্ন অপেক্ষার সময়কাল ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে।

    সরকারের এই পদক্ষেপ গ্যাসের সুষম বন্টন নিশ্চিত করবে এবং অভাবী মানুষের কাছে এর সরবরাহ সহজতর করবে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করা এলপিজি এখন হাসপাতাল এবং স্কুলের মতো প্রয়োজনীয় খাতের জন্য অগ্রাধিকার পাবে। হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং শিল্পের অনুরোধ পর্যালোচনা করার জন্য তিনটি তেল বিপণন সংস্থার (ওএমসি) নির্বাহী পরিচালকদের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি গ্যাসের প্রাপ্যতা এবং অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে।

    LPG বুকিং এর সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে

    সরকার গার্হস্থ্য এলপিজি সিলিন্ডারের বুকিং সময়কাল ১৫ থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করেছে। অর্থাৎ গ্রাহকরা সিলিন্ডার সরবরাহের পর ২৫ দিনের মধ্যে আর একটি সিলিন্ডার বুক করতে পারবেন না। তবে, সরকারের যুক্তি হল যে গড়ে গ্রাহক বছরে সাতটি সিলিন্ডার ব্যবহার করেন, যার অর্থ তারা প্রতিটি সিলিন্ডার প্রায় ৫০ দিন ব্যবহার করেন। অতএব, ২৫ দিনের বুকিং সময়কাল কোনও সমস্যা হওয়া উচিত নয়।

    আরও পড়ুনঃ এবার থেকে ট্রেন যাত্রীদের জীবন বাঁচাবে AI ও ড্রোন! বড় পদক্ষেপ ভারতীয় রেলের

    পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ছে?

    এই মুহূর্তে সকলের মধ্যে একটা ভয় কাজ করছে। পেট্রোল ডিজেলের দাম বাড়বে না তো? প্রশ্ন সকলের। সরকার জানিয়েছে যে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম তাৎক্ষণিকভাবে বৃদ্ধির কোনও সম্ভাবনা নেই। মন্ত্রকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেলেও পরিস্থিতি এখনও এমন পর্যায়ে পৌঁছায়নি যেখানে দাম বাড়ানো উচিত বলে মনে হয়। তাঁর মতে, যদি অপরিশোধিত তেলের দাম ১২০ থেকে ১২৫ ডলারের কাছাকাছি থাকে, তাহলে তেল কোম্পানিগুলি উল্লেখযোগ্য চাপের মধ্যে পড়বে না। তবে, যদি দাম বৃদ্ধি পায়, তাহলে পরিস্থিতি ভিন্ন হবে।

  • এবার থেকে ট্রেন যাত্রীদের জীবন বাঁচাবে AI ও ড্রোন! বড় পদক্ষেপ ভারতীয় রেলের

    এবার থেকে ট্রেন যাত্রীদের জীবন বাঁচাবে AI ও ড্রোন! বড় পদক্ষেপ ভারতীয় রেলের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সাম্প্রতিক বছরগুলিতে একাধিক ট্রেন দুর্ঘটনার (Indian Railways) সাক্ষী থেকেছেন দেশবাসী। তাতে কোল খালি হয়েছে বহু মায়ের। তাই নতুন করে আর যাতে কোনও যাত্রীর প্রাণহানি না ঘটে সর্বোপরি যাত্রী সুরক্ষার্থে এবং রেলের সম্পত্তি বাঁচাতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial intelligence) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নিচ্ছে রেল। শুধু তাই নয়, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব আগেই জানিয়েছিলেন দুর্ঘটনার পরে ব্যবস্থা নয় বরং কোনও রকম রেল দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সেই উদ্দেশ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। রেলমন্ত্রীর কথা মতোই দুর্ঘটনা ঠেকাতে এবং যাত্রীদের সুরক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে AI এর পাশাপাশি কৃত্রিম ড্রোনেরও সাহায্য নিচ্ছে ভারতীয় রেলওয়ে। যা একদিক থেকে প্রাণ বাঁচাবে যাত্রীদের।

    এভাবে রেল যাত্রীদের প্রাণ বাঁচাবে AI ও কৃত্রিম ড্রোন

    ভারতীয় রেল জানিয়েছে, বর্তমান ডিজিটাল যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে ব্যবহার করে দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব। মূলত সে কারণেই AI কে যাত্রীদের সুরক্ষার্থে ব্যবহার করতে চাইছে তারা। রেল বলছে, AI সিস্টেমকে ব্যবহার করে রেল ট্র্যাক দিয়ে হাতি পারাপার করছে কিনা তা সনাক্ত করা যায়। একই সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমেই ট্রেনের কোনও বগিতে আগুন লেগেছে কিনা আগুন লেগে থাকলে ঠিক কোন বগিতে আগুন লেগেছে তার প্রাথমিক সতর্ক বার্তা পেয়ে যাবেন চালক।

    শুধু তাই নয়, কৃত্রিম ড্রোন ব্যবহার করে রেল ট্র্যাকের কোথাও ভাঙা রয়েছে কিনা থাকলে ঠিক কতটা অংশ ভাঙা অবস্থায় রয়েছে সবটাই জানা সম্ভব। রেল সূত্রে খবর, এই ড্রোনই ট্রাকের ভাঙা অংশ চিহ্নিত করে রেল আধিকারিকদের বার্তা পাঠাবে। পরবর্তীতে সেই বার্তা থেকেই সতর্ক হয়ে যাবেন চালকও। এর ফলে গোটা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রেলপথ গুলির ভাঙা অংশ সহজে এবং দ্রুত মেরামত করা সম্ভব হবে। এছাড়াও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম এবং ড্রোনকে ব্যবহার করে কুয়াশায় ব্লকেজ সনাক্ত করা থেকে শুরু করে রেল ট্র্যাকে কিছু পড়ে রয়েছে কিনা ট্র্যাক ক্লিয়ার রয়েছে কিনা সবটাই জানা সম্ভব। সব মিলিয়ে বলা যায়, ভারতীয় রেলের হাত ধরে ড্রোন এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম ট্রেন যাত্রীদের জীবন বাঁচিয়ে দেবে।

    অবশ্যই পড়ুন: “ভারত ক্রিকেটটাকেই ধ্বংস করে দিচ্ছে”, সূর্যরা ফাইনাল জিততেই বললেন শোয়েব আখতার

    উল্লেখ্য, দিন দিন দেশজুড়ে বাড়ছে রেল দুর্ঘটনা। খবরের কাগজ খুললেই এতদিন চোখে পড়ছিল একের পর এক ট্রেন অ্যাক্সিডেন্টের খবর। আসলে বর্তমান সময়ে রেল লাইনের পরীক্ষা মানুষের চোখ এবং কানের উপর নির্ভরশীল। তবে রক্তমাংসে করা মানুষের বদলে এই দায়িত্ব যদি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হাতে ছেড়ে দেওয়া যায়, তাতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি যেমন কমবে তেমনই বেঁচে যাবে প্রাণ, এমনটাই মনে করেন অভিজ্ঞ মহলের একটা বড় অংশ। তাঁদের দাবি, আধুনিক যুগে রেল দুর্ঘটনা কমাতে AI এর সাহায্য নিতেই হবে।