Blog

  • ৫৪১ সাংসদের মধ্যে বেতন, সুযোগ সুবিধা নেন না ২ জন! কারা তাঁরা? সামনে এল নাম

    ৫৪১ সাংসদের মধ্যে বেতন, সুযোগ সুবিধা নেন না ২ জন! কারা তাঁরা? সামনে এল নাম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মন্ত্রী সাংসদদের বেতন নিয়ে বরাবরই একটি কৌতূহল থাকে রাজ্যবাসীর। এমনকি সাংসদ বা বিধায়কদের বেতন ও ভাতা বৃদ্ধি নিয়ে অনেক রাজনৈতিক দলকেই ভালো মন্দ মন্তব্যও পর্যন্ত করতে দেখা যায়। আর এবার লোকসভার সাংসদদের বেতন (MP Salary) নিয়ে করা হল RTI ফাইল। আর তারই জবাবে উঠে এল চাঞ্চল্যকর ও অনুপ্রেরণামূলক তথ্য। জানা গেছে, বর্তমান লোকসভার সদস্যের মধ্যে মাত্র দুইজন সাংসদ সরকারি কোষাগার থেকে কোনো বেতন গ্রহণ করেন না।

    বেতন এবং সুযোগ সুবিধা নেন না দুই সাংসদ

    লোকসভা সচিবালয়ের দেওয়া আরটিআই আবেদনের জবাবে জানানো হয়েছে, বর্তমান লোকসভার সদস্যের মধ্যে মাত্র দুইজন সাংসদ সরকারি কোষাগার থেকে কোনো বেতন নেন না। আর সেই দুজন সাংসদ হলেন হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রের বিজেপি সাংসদ নবীন জিন্দাল এবং অপরজন হলেন ইম্ফলের কংগ্রেসের সাংসদ ড. বিমল আকোইজাম আঙ্গোমচা। RTI অনুযায়ী, এই দুই সাংসদ হিসেবে কোনও বেতন, ভাতা বা সরকারি সুযোগ সুবিধা কিছুই নেন না। নবীন জিন্দালের হলফনামা অনুযায়ী, সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১,২৪১ কোটি টাকা। অন্যদিকে বিমল আকোইজামের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৯৭ লক্ষ।

    সাংসদদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী কারা?

    উল্লেখ্য, লোকসভার অন্যতম ধনী সাংসদ হলেন বিজেপির নবীন জিন্দাল, তবে তিনি সবচেয়ে ধনী সাংসদ নন। সেই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টুরের তেলুগু দেশম পার্টি সাংসদ চন্দ্রশেখর পেম্মাসানি। তাঁর ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৫,৭০৫ কোটি টাকা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন তেলঙ্গানার চেভেল্লার বিজেপি সাংসদ কোন্দা বিশ্বেশ্বর রেড্ডি। তাঁর ঘোষিত সম্পত্তি ৪,৫৬৮ কোটি টাকার। এদিকে বিপুল সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও তাঁরা মাসের শেষে বেতন নেন। আর সেই নিরিখে বিমল আকোইজামের ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ কম থাকলেও বেতন না নেওয়ায় এক অনন্য নজির গড়ে তুলেছেন।

    আরও পড়ুন: ১ এপ্রিল থেকে বাড়ছে FasTag অ্যানুয়াল পাসের দাম! এবার কত হবে?

    প্রসঙ্গত, লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে লোকসভার মোট আসন ৫৪৩টি হলেও বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৪১। কারণ এইমুহুর্তে দুই সাংসদের আসন খালি। তাঁদের মধ্যে ৪৮১ জন সাংসদ প্রতি মাসে বেতন নেন। বাকিরা সবাই বেতন ও ভাতা নেন কি না, সে বিষয়ে আরটিআই রিপোর্টে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

  • পুরুলিয়া থেকে দিল্লির ট্রেনের ঘোষণা দক্ষিণ পূর্ব রেলের, দেখুন সময়সূচি

    পুরুলিয়া থেকে দিল্লির ট্রেনের ঘোষণা দক্ষিণ পূর্ব রেলের, দেখুন সময়সূচি

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: আরো একবার বিরাট চমক দিতে চলেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। আসলে রেলের তরফে বাংলার জন্য এক বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে যার দরুণ উপকৃত হবেন সাধারণ রেলযাত্রীরা। এমনিতে যত সময় এগোচ্ছে ততই ভারতীয় রেল নিজেদেরকে আপগ্রেড করছে। আনা হচ্ছে নিত্য নতুন ট্রেন তো তৈরী হচ্ছে রেল লাইন। সেইসঙ্গে বহু স্টেশনের পুননির্মাণ তো আছেই। তবে এবার রেলের তরফে বাংলার এক দীর্ঘ প্রতীক্ষিত রুটে ট্রেন পরিষেবা করতে চলেছে রেল। নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন রুট? চলুন জেনে নেবেন।

    এবার পুরুলিয়া থেকে সরাসরি দিল্লী অবধি মিলবে ট্রেন

    সকলকে চমকে দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফে একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। আর এই বিজ্ঞপ্তি দেখে খুশি হয়েছেন বহু মানুষ। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পুরুলিয়াবাসীদের জন্য শীঘ্রই সুখবর আছে চলেছে। আসলে ভারতীয় রেল পুরুলিয়া থেকে আনন্দ বিহার টার্মিনালের মধ্যে নতুন এক ট্রেন (Purulia Delhi Train) পরিষেবার শুরু করছে বলে খবর। এই পরিষেবাটি শুরু হলে উপকৃত হবেন মানুষ।

    কী বলছে রেল?

    আসলে এতদিন পুরুলিয়া থেকে দিল্লী যাওয়ার জন্য অনেক কাঠখোড় পোড়াতে হত সাধারণ মানুষকে। দিল্লীগামী ট্রেন ধরতে অন্য স্টেশনের ওপর ভরসা রাখতে হত। তবে এবার আর তা হবে না। এবার সরাসরি পুরুলিয়া থেকে দিল্লীর উদ্দেশ্যে ট্রেন যাত্রা আরামদায়ক হতে চলেছে বলে খবর। এই বিষয়ে বড় তথ্য দিয়েছেন আদ্রা ডিভিশনের সিনিয়র ডিসিএম বিকাশ কুমার। তিনি জানিয়েছেন, “১৪০২১/১৪০২২ পুরুলিয়া–আনন্দবিহার এক্সপ্রেস শীঘ্রই চালু করা হবে।”

    ট্রেনের সময়সূচি ও স্টপেজ

    ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, ট্রেন নম্বর ১৪০২১ পুরুলিয়া–আনন্দ বিহার এক্সপ্রেস প্রতি শুক্রবার বিকেল ৫টা নাগাদ পুরুলিয়া স্টেশন থেকে ছাড়বে এবং পরের দিন রাত ১১টা ১০ মিনিটে দিল্লির আনন্দ বিহার টার্মিনালে পৌঁছাবে ফিরতি পথে ট্রেন নম্বর ১৪০২২ আনন্দবিহার–পুরুলিয়া এক্সপ্রেস প্রতি বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা নাগাদ আনন্দ বিহার থেকে ছাড়বে এবং পরের দিন সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে পুরুলিয়ায় পৌঁছাবে। এমনটাই জানিয়েছেন বিকাশ কুমার।

    আরও পড়ুনঃ অবশেষে বকেয়া DA দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    এবার আসা যাক ট্রেনটির স্টপেজ সম্পর্কে। জানা গিয়েছে, নতুন ট্রেনটি মুরি, রাঁচি, লোহরদাগা, তোরি, বরবাদিহ, লাতেহার, ডাল্টনগঞ্জ, গড়ওয়া রোড, জপলা, ডেহরি-অন-সোন, সাসারাম, ভভুয়া রোড, পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশন, বারাণসী, অযোধ্যা ক্যান্ট, লখনউ, বেয়ারেলি এবং মোরাদাবাদ স্টেশনে দাঁড়াবে।

    আরও পড়ুনঃ আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস পেল নয়া স্টপেজ, কোন স্টেশনে দাঁড়াবে জানাল রেল

    যদিও রেলের পোস্টে কমেন্টে অনেকে অনেক রকম মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘এই ট্রেনটা হাওড়া থেকে মসাগ্রাম বাঁকুড়া পুরুলিয়া চালু করুন তাহলে আরো মানুষের সুবিধা হবে। পুরুলিয়া থেকে ৪টি আছে কিন্তু বাঁকুড়া থেকে দিল্লি মাত্র ২টি ট্রেন।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘আগে হাওড়া থেকে পুরুলিয়া এক্সপ্রেস তার টাইমে চালানোর ব্যবস্থা করুন লজ্জা লাগে। লোককে বলতে লজ্জা লাগে যে পুরুলিয়া এক্সপ্রেস ট্রেনে হাওড়া থেকে আসুন। ট্রেনটা কখন পুরুলিয়া আসবে কেউ জানে না? বন্দে ভারতকে প্রমোট করার জন্যই এই অবস্থা।’

  • ইরানের হামলায় আনন্দ করে বাহারাইনে গ্রেফতার ৬ বাংলাদেশী, পাকিস্তানি

    ইরানের হামলায় আনন্দ করে বাহারাইনে গ্রেফতার ৬ বাংলাদেশী, পাকিস্তানি

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে এবার বিরাট পদক্ষেপ নিল বাহরাইন (Bahrain Administration)। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনাকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও তৈরি এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ এবার ৬ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর ওই ধৃতদের মধ্যে ৫ জন পাকিস্তানী এবং ১ জন বাংলাদেশী নাগরিক বলেই জানিয়েছে বাহরাইন প্রশাসন।

    সাইবার অপরাধ দফতরের নজরে ঘটনা

    আসলে বাহরাইনের অ্যান্টি সাইবার ক্রাইম ডিরেক্টর এই ঘটনা তদন্ত শুরু করেছিল। তদন্তে দেখা যায় যে, অভিযুক্তরা হামলার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন রকম ভিডিও রেকর্ড করে তা একাধিকবার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে। প্রশাসনের মতে, এই ধরনের ভিডিও এবং পোস্ট সাধারণ মানুষের মধ্যেই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং অযথা আতঙ্ক ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। পাশাপাশি ধৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে যে, তারা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছে। যার ফলে বাহরাইনের সাধারণ নাগরিক আর সেখানে বসবাসকারী বিদেশীদের মধ্যেও ভয় এবং অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আর এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

    এই ঘটনার পর বাহরাইন সরকার দেশবাসী এবং সেখানে বসবাসকারী বিদেশীদেরকে সতর্ক থাকার জন্য পরামর্শ দিয়েছে। আর প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, কোনও রকম খবর বা ভিডিও শেয়ার করার আগে তা অবশ্যই যাচাই করে নিতে। আর সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, দেশের নিরাপত্তা বা আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করতে পারে এরকম কোনও তথ্য বা ভিডিও ছড়ালে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: ১ এপ্রিল থেকে বাড়ছে FasTag অ্যানুয়াল পাসের দাম! এবার কত হবে?

    বেশ কিছু বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দ্রুত খবর ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু অনেকেই সেই খবর আসল কি নকল বিশ্বাস করে না। ভুয়ো তথ্যের মাধ্যমে বিভ্রান্তি আরও ছড়ায়। তাই ভুল বা যাচাই না করা তথ্য শেয়ার করলে তা বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে। সেই কারণেই প্রশাসনের এই বড়সড় পদক্ষেপ।

  • ১ এপ্রিল থেকে বাড়ছে FasTag অ্যানুয়াল পাসের দাম! এবার কত হবে?

    ১ এপ্রিল থেকে বাড়ছে FasTag অ্যানুয়াল পাসের দাম! এবার কত হবে?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: জাতীয় সড়কে বারবার টোল দিতে গিয়ে অনেকেই ভোগান্তিতে পড়ে। আর সেই সমস্যার সমাধান করার জন্য কিছুদিন আগেই চালু করা হয়েছিল অ্যানুয়াল পাস (Annual Pass Hike)। তবে এবার সেই পাসের দাম বাড়তে চলেছে। বেশ কয়েকটি সূত্রের খবর, আগামী ১ এপ্রিল থেকে জাতীয় সড়কে চলাচলের জন্য এই বার্ষিক পাসের দাম কিছুটা বাড়ানো হবে। বর্তমানে এই পাসের দাম ৩০০০ টাকা। কিন্তু নতুন আর্থিক বছর শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তার দাম ৭৫ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।

    কেন বাড়ানো হচ্ছে অ্যানুয়াল পাসের দাম?

    বলে রাখি, জাতীয় সড়কের টোল নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয় প্রশাসনকে। প্রতিবছর ১ এপ্রিল থেকে এই হার সংশোধন করা হয়। কারণ, এই দিন থেকে নতুন অর্থবছর শুরু হয়। আর এই বৃদ্ধি মুদ্রাস্ফীতি আর পাইকারি মূল্য সূচকের উপরে নির্ভর করে থাকে। যেহেতু টোলের হার বাড়ছে, তাই একই নিয়ম অনুযায়ী এবার অ্যানুয়াল পাসের দাম কিছুটা বাড়ানো হতে পারে।

    যারা প্রায়ই জাতীয় সড়ক বা এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যাতায়াত করেন, তাদের সুবিধার জন্যই এই বিশেষ অ্যানুয়াল পাস চালু করা হয়েছিল ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে। আর এই পাস কিনলে গাড়ির মালিকরা এক বছর পর্যন্ত অথবা সর্বোচ্চ ২০০টি টোল প্লাজা কোনও রকম অতিরিক্ত টোল না দিয়েই পার করতে পারে। কিন্তু যদি এক বছরের আগে ২০০টি টোল প্লাজা পার হয়ে যায়, তাহলে সেই পাসের মেয়াদ তখনই শেষ হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলকে টাকায় মুড়িয়ে দিল BCCI, কত পেলেন সূর্যরা?

    কারা কিনতে পারবেন এই পাস?

    জানিয়ে রাখি, এই সুবিধা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত গাড়ির জন্যই, কোনও রকম বাণিজ্যিক গাড়ির জন্য নয়। শুধুমাত্র ভ্যান, ব্যক্তিগত কার, জিপ ইত্যাদি গাড়ির মালিকরা এই পাস কিনতে পারবে। আর এই অ্যানুয়াল পাস সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে কেনা যায়। তবে এর জন্য সক্রিয় ফাস্ট্যাগ থাকতে হবে। আর Rajmarg Yatra মোবাইল অ্যাপ কিংবা জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল পোর্টাল থেকে সহজেই এই পাস কিনে নেওয়া যাবে। কিন্তু যদি এখন পাসের দাম বাড়ানো হয়, তাহলে যে সাধার গাড়ির মালিকদের উপর চাপ পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

  • আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস পেল নয়া স্টপেজ, কোন স্টেশনে দাঁড়াবে জানাল রেল

    আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস পেল নয়া স্টপেজ, কোন স্টেশনে দাঁড়াবে জানাল রেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: বাংলা এবং দক্ষিণ ভারতের রেল যাত্রীদের জন্য রইল দারুণ সুখবর। অবশেষে নতুন এক স্টপেজ পেল আলিপুরদুয়ার –এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস (Alipurduar – SMVT Bengaluru Amrit Bharat Express)। দীর্ঘদিন ধরেই এই ট্রেনের একটি স্টপেজ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন সাধারণ রেল যাত্রীরা। অবশেষে সকলের সেই ইচ্ছার দাম দিয়ে নতুন স্টপেজ দেওয়া হল। আপনিও কি জানতে ইচ্ছুক নতুন স্টপেজের নাম কী? চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    নতুন স্টপেজ পেল এই রুটের অমৃত ভারত এক্সপ্রেস

    পূর্ব রেলের তরফে ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আলিপুরদুয়ার –এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস এবার থেকে দলগাঁও স্টেশনে থামবে। যাত্রীদের সুবিধার্থে ট্রেন নম্বর ১৬৫৯৮/১৬৫৯৭ আলিপুরদুয়ার-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস এবার থেকে নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী দলগাঁও স্টেশনে থামবে। গতকাল ৯ মার্চ থেকে নিয়মটি কার্যকর হবে।

    আরও পড়ুনঃ দাঁড়ায় প্রায় সব ট্রেন! তবে বাংলার এই স্টেশনের নাম জানেন না যাত্রীরা

    এক নজরে ট্রেনের কর্মসূচি

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৬৫৯৮ আলিপুরদুয়ার-এসএমভিটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস রাত ২৩:৪৬ নাগাদ দলগাঁও স্টেশনে পৌঁছাবে এবং সেখান থেকে ছাড়বে ২৩:৪৮ মিনিটে অর্থাৎ মাত্র ২ মিনিটের হল্ট দেওয়া হবে। এদিকে ফিরতি পথে ১৬৫৯৭ এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ১৪ মার্চ, ২০২৬ থেকে সকাল ৮:০১ মিনিটে দলগাঁওতে থামবে এবং ছাড়বে ৮:০৩ মিনিটে। যদিও ট্রেনটির অন্যান্য সকলের স্টেশনের কর্মসূচি অপরিবর্তিত থাকবে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আলিপুরদুয়ার-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন পরিষেবা চালু হবে । নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের এবং উচ্চমানের পরিষেবা প্রদানের জন্য এই নতুন নন-এসি ট্রেনটি তৈরি করা হয়েছে। ট্রেনটি ছয়টি রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলির মধ্য দিয়ে যাবে: পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু এবং কর্ণাটক। ট্রেনটি বোলপুর শান্তিনিকেতন, ডানকুনি, খুরদা রোড, নেলোরের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে স্টপেজ দেয়।

     

  • ‘এই দিন পর্যন্ত সমাধান হলেও দিতে পারবেন ভোট’ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

    ‘এই দিন পর্যন্ত সমাধান হলেও দিতে পারবেন ভোট’ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) শুরু হতে আর খুব বেশি দেরি নেই, এদিকে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আগে থেকেই মামলা চলছে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদেরও এই SIR প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়েছে। আদালত জানিয়েছিল, ভোটার তালিকার তথ্যগত অসঙ্গতির ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বর্তমান এবং প্রাক্তন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এবং রাজ্যকে তা পালন করতে হবে। এরই মধ্যে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি জানালেন যে, শুনানিতে (SIR Hearing) রাজ্যের বিবেচনাধীনের ভোটার তালিকায় থাকা আপাতত ১০ লক্ষ লোকের নিষ্পত্তি হয়েছে।

     ১০ লক্ষ ভোটারের শুনানির কাজ নিষ্পত্তি

    রিপোর্ট মোতাবেক আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে SIR সংক্রান্ত মূল মামলার শুনানি ছিল। সেখানে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানান, এখনও পর্যন্ত বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ১০ লক্ষ লোকের নিষ্পত্তি হয়েছে। এই নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় যোগ দিয়েছেন আরও ২০০ জুডিশিয়াল অফিসার। এদিকে রাজ্যের আইনজীবি মেনকা গুরুস্বামী জানান, ‘মাত্র ৭ লক্ষ লোকের নিষ্পত্তি হয়েছে, এখনও বাকি ৫৭ লক্ষ’। এরপরই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, “ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন যে ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের শুনানির কাজ নিষ্পত্তি হয়েছে। জুডিশিয়াল অফিসারদের নিজেদের মতো করে কাজ করতে দিন। আপনারা সবকিছু জানেন না, কোথায় কী হচ্ছে আমরা জানি।’

    ভোট দেওয়া নিয়ে বিশেষ নির্দেশ আদালতের

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “সমস্ত বৈধ ভোটারদের তালিকায় যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েই বিচার বিভাগ কাজ করছে। তবে এক্ষেত্রে কোনও জুডিশিয়াল অফিসারদের কর্মদক্ষতা নিয়ে যেন কোনও প্রশ্ন না ওঠে। যদি কেউ তা করে থাকেন তবে তাঁর দৃষ্টান্তমূলক জরিমানা করা হবে। যদি কোনও জুডিশিয়াল অফিসার মনে করেন কেউ বৈধ ভোটার নন, তাহলে তিনি ভোট দিতে পারবেন না। এমনকি ভোটের আগের দিন পর্যন্ত যদি কোনও ভোটারের সমস্যার সমাধান হয়ে যায় তবে তিনিও ভোট দিতে পারবেন।” এই নির্দেশের পর কোর্টে আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী দাবি করেন যে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জুডিশিয়াল অফিসারদের কাজ শেষ করা যাবে বলে মনে হচ্ছে না, আর সেই মন্তব্য শুনে পাল্টা জবাব দেন প্রধান বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: একটু পরেই দক্ষিণবঙ্গের এই ৫ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, বইবে ঝোড়ো হাওয়া

    রাজ্যের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, “আপনাদের কমিশনের কাছে আবেদন জুডিশিয়াল অফিসারদের ভোটারদের যে তালিকা রিভিউ করার জন্য দেওয়া হয়েছে সেটা প্রত্যাহার করা হোক। কারণ এটা আমাদের নির্দেশের পরিপন্থী’। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন যে, “দু’পক্ষের সততা নিয়ে আমরা এই মুহূর্তে সন্দিহান। তাই সেক্ষেত্রে দরকার পড়লে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের দিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। তখন জুডিশিয়াল অফিসারদের নির্দেশের বিরুদ্ধে এই ট্রাইব্যুনালের কাছে আবেদন করা যাবে।”

  • একটু পরেই দক্ষিণবঙ্গের এই ৫ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, বইবে ঝোড়ো হাওয়া

    একটু পরেই দক্ষিণবঙ্গের এই ৫ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, বইবে ঝোড়ো হাওয়া

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফাল্গুনের শেষে একের পর এক ঘূর্ণাবর্তের দাপটে রাজ্য জুড়ে বৃষ্টির দাপট দেখা গিয়েছে। একদিকে পূর্ব বাংলাদেশের রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত অন্যদিকে উত্তর পূর্ব আসাম ও নাগাল্যান্ডে আরও একটি ঘূর্নাবর্ত। তাই সবমিলিয়ে বড় প্রভাব পড়েছে দক্ষিণ (South Bengal) এবং উত্তরবঙ্গে (North Bengal)। এদিকে বৃষ্টি হলেও সোমবার থেকেই কলকাতায় (Kolkata) গরমের দাপট বাড়তে শুরু করেছে। আকাশ মেঘলা থাকলেও ঘামের অস্বস্তি রয়েছে। পূর্বাভাস আর কিছুক্ষণ পরেই কলকাতা সহ একাধিক জেলা বৃষ্টিতে (Weather Today) ভাসতে চলেছে।

    ৫ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা

    হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, আজ, মঙ্গলবার ঘূর্ণাবর্তের জেরে গঙ্গে বঙ্গে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেল বা সন্ধ্যা নাগাদ পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও উত্তর চব্বিশ পরগনার এই ৫ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও মহানগরে আজ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে শুধু বৃষ্টি নয়, এর সঙ্গে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। সকাল থেকেই মেঘের আনাগোনা দেখা গিয়েছে আকাশে। মাঝে মধ্যে রোদের দেখা মিললেও পরক্ষনেই মেঘে ঢেকে যাচ্ছে। তবে ঘূর্ণাবর্তের জেরে বৃষ্টি হলেও অস্বস্তি কিছুতেই কমছে না।

    বুধেও থাকবে বৃষ্টির দাপট

    হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, গতকাল, সোমবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর সর্বনিম্ন ছিল ২৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ মঙ্গলবারও তাপমাত্রা প্রায় একই থাকবে, সর্বোচ্চ ৩১ ডিগ্রি, সর্বনিম্ন ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। তাই তাপমাত্রা এখনই পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। আগামীকাল, বুধবারও উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃহস্পতি থেকে আবহাওয়া পরিবর্তন হবে। আর এই বৃষ্টি দুর্যোগ কাটতেই দক্ষিণে ধীরে ধীরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ধর্মীয় অত্যাচারে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে, CAA-তে আবেদনে ৮ মাসেই মিলল নাগরিকত্ব

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গের সমগ্র জেলায় বৃষ্টি না হলেও মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের সব জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়িতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, মালদহ উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরও রয়েছে এই তালিকায়। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলায় ৩০-৪০ কিমি/ঘণ্টা বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে এবং বজ্রপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। বৃহস্পতিবার ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে উত্তরবঙ্গে। তাই সকলকে সাবধানে থাকার সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস

  • বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলকে টাকায় মুড়িয়ে দিল BCCI, কত পেলেন সূর্যরা?

    বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলকে টাকায় মুড়িয়ে দিল BCCI, কত পেলেন সূর্যরা?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: তৃতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের কাছ থেকে বিপুল অর্থ পুরস্কার পেয়েছে ভারতীয় দল (India)। এবার টিম ইন্ডিয়ার উপর অর্থ বৃষ্টি করল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও। রিপোর্ট অনুযায়ী, 2026 টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় দলকে একেবারে টাকায় মুড়ে দিচ্ছে BCCI (BCCI Cash Reward)। এক দুই নয়, সূর্যকুমার যাদবদের আর্থিক পুরস্কারের সংখ্যা 100 কোটি ছাড়িয়েছে।

    বিশ্বকাপ জিতে BCCI এর কাছ থেকে কত পাচ্ছে টিম ইন্ডিয়া?

    নিউজিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল জয় করে এবার হাতেনাতে ফল পাচ্ছে ভারতীয় দল। জানা যাচ্ছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন হতেই এবার ভারতীয় দলকে একেবারে 131 কোটি টাকা উপহার দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। নিয়ম অনুযায়ী, বোর্ডের তরফে পাওয়া 131 কোটি টাকা ভাগ হয়ে যাবে টিম ইন্ডিয়ার প্লেয়ার, কোচিং স্টাফ এবং সাপোর্ট স্টাফদের মধ্যে। কিন্তু তা হলেও টি-টোয়েন্টি দলের সদস্য প্রত্যেক ভারতীয় ক্রিকেটার সমান ভাগ পাবেন।

    ICC র কাছ থেকে কত টাকা পেয়েছিল ভারত?

    গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের তুলনায় এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পুরস্কার মূল্য অন্তত 20 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সূত্র ধরেই এবছরের চ্যাম্পিয়ন টিম ইন্ডিয়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের কাছ থেকে পুরস্কার মূল্য বাবদ 27 কোটি 48 লাখ টাকা পেয়েছে। সেই সাথে টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়কের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে গর্বের ট্রফি। এবার টিম ইন্ডিয়াকে টাকায় সাজিয়ে দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও।

    অবশ্যই পড়ুন: বিশ্বকাপ শেষ হতেই T20 ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছেন হার্দিক পান্ডিয়া? জানালেন নিজেই

    উল্লেখ্য, রোহিত শর্মার নেতৃত্বে 2024 টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। সে বছর ভারতীয় দলের এমন সাফল্যে টিম ইন্ডিয়ার প্লেয়ার, কোচিং স্টাফ এবং সাপোর্ট স্টাফদের 125 কোটি টাকা পুরস্কার হিসেবে দিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। টিম ইন্ডিয়ার হাতে সেই অর্থ তুলে দিয়েছিলেন BCCI এর তৎকালীন সচিব জয় শাহ। তবে এ বছর ভারতীয় ক্রিকেট দলের পুরস্কার মূল্যের পরিমাণ যে অনেকটাই বাড়ল সে কথা বলাই যায়।

  • ধর্মীয় অত্যাচারে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে, CAA-তে আবেদনে ৮ মাসেই মিলল নাগরিকত্ব

    ধর্মীয় অত্যাচারে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে, CAA-তে আবেদনে ৮ মাসেই মিলল নাগরিকত্ব

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা CAA নিয়ে প্রথম থেকেই কেন্দ্রের বিরোধিতা করে আসছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। যদিও এখনও প্রতিবাদ করেই চলেছে মমতা সরকার। তবে সম্প্রতি নির্বাচনের আবহে SIR কর্মসূচি লাগু হওয়ার পর CAA নিয়ে তীব্র সংকট দেখা দিল। আর এই আবহে মধ্যেই নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করে সার্টিফিকেট (CAA Certificate) পেল বাংলাদেশ থেকে আসা পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর (Purbasthali) একাধিক পরিবার।

    নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট পেল ৩টি পরিবার

    রিপোর্ট মোতাবেক, পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ৩ টি পরিবার কিছুদিন আগেই ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে CAA-র জন্য আবেদন করেছিল, অবশেষে মিলল সেই সার্টিফিকেট। আবেদনকারীদের মধ্যে একজন, সরস্বতী মল্লিক এবং তার দুই ছেলে দুলাল মল্লিক ও অরবিন্দ মল্লিক আগে বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানা এলাকায় বসবাস করতেন। কিন্তু ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ২০০৬ সালে এদেশে চলে এসেছিল। এখানকার ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ড সহ যাবতীয় নথি থাকলেও তাঁদের মনে ভয় ছিল। শেষে স্থানীয় বিজেপি নেতার কথায় গত বছর অক্টোবর মাসে CAA তে আবেদন করে। শেষে চার মাসের মাথায় ইমেইলের মারফত তারা নাগরিকত্ব সার্টিফিকেটের সফট কপি পায়। বেশ খুশি আবেদনকারীরা।

    ৩ মাসের মধ্যে মিলেছে সার্টিফিকেট

    এর আগে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর কালেখাতলা পঞ্চায়েতের বড়গাছি গ্রামের বাসিন্দা সবুজ দাসও নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট পেয়েছিল। জানা যায় প্রায় ২৬ বছর আগে সে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে অত্যাচারিত হয়ে এদেশে এসেছিলেন। আর তারপর থেকেই পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতেই রয়েছেন। ভোটার, আধার-সহ যাবতীয় নথি থাকলেও SIR এর ভয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের উপর ভরসা করে CAA-তে আবেদন করেছিলেন, এরপর ৩ মাসের মধ্যেই পেয়ে যান নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতারা বলেন, “শাসকদল অপ্রপ্রচার করছে। বিভ্রান্ত না হলে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে আবেদন করুন।”

    আরও পড়ুন: টিম ইন্ডিয়ার লজ্জা লাগা উচিৎ! বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মন্দিরে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ কীর্তি আজাদ

    বিজেপি নেতা বেচারাম দাস বলেন, “আমরা এই এলাকায় প্রায় দেড় হাজার পরিবারকে CAA-এর জন্য আবেদন করতে সাহায্য করেছি। আশা রাখছি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এলাকার সকলেই CAA এর সার্টিফিকেট পেয়ে যাবে। রাজ্যের শাসক দল সিএএ নিয়ে লাগাতার মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে গিয়েছে। নানা স্লোগান দিয়ে শাসকদল কতই মিটিং-মিছিল করেছে। কিন্তু বাংলার মানুষ এখন বুঝতে পারছেন CAA নিয়ে শাসক দল এতদিন তাঁদের শুধুই ভুল বুঝিয়ে গিয়েছে।”

  • অবশেষে বকেয়া DA দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    অবশেষে বকেয়া DA দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সামনেই রয়েছে বিধানসভা ভোট। এখনও অবধি বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ না পেলেও তোড়জোড় ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) ইস্যুতে সরকারের চাপ বাড়াচ্ছেন রাজ্যের সরকারি কর্মীরা। এই ক্ষোভ কবে প্রশমন হবে? উত্তর জানা নেই কারোর। এরই মধ্যে সরকারি কর্মীদের উদ্দেশ্যে নতুন নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন (Nabanna)। আগামী ২০ মার্চের মধ্য সরকারি কর্মীদের একটি বিশেষ কাজ করে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ২০ মার্চের মধ্যে এই কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    আপনিও কি জানতে ইচ্ছুক যে সরকার ২০ মার্চের মধ্যে কী কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে? তাহলে জানিয়ে রাখি, রাজ্য অর্থ দফতরের তরফে জারি করা নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব সরকারি কর্মচারীর সার্ভিস বুক (Service Book) ডিজিটাল বা ই-সার্ভিস বুক হিসেবে তৈরি করতে হবে। তাহলে কি বকেয়া DA নিয়ে তোড়জোড় শুরু করতে চাইছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? সুপ্রিম কোর্টে চলা পঞ্চম বেতন পে কমিশনের বকেয়া ডিএ মেটানোর বিষয়ে এটা প্রথম পদক্ষেপ? এই নিয়ে সরকারের তরফে কিছু না জানানো হলেও, ইতিমধ্যে সরকারি কর্মীদের মধ্যে ফিসফাস শুরু হয়ে গিয়েছে।

    এমনিতেই বকেয়া ডিএ মামলায় নতুন করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সুপ্রিম কোর্টে শাসক দল জানিয়েছে, এখনই সরকারের পক্ষে সকলের বকেয়া মেটানো সম্ভব নয়। যে কারণে আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সাল অবধি সময় দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। এদিকে সরকারের এহেন মন্তব্যে ক্ষোভে ফুঁসছেন সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকরা। তাঁদের অপেক্ষা আরও কত দীর্ঘ হবে? আদৌ টাকাটা মিলবে তো? এই আশঙ্কায় ভুগছেন সকলে।

    কী আছে বিজ্ঞপ্তিতে?

    অর্থ দফতরের তরফে প্রকাশিত নতুন আদেশনামা 835-F(eGov) এবং ২৮/০২/২০২৬ অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চের মধ্যে সমস্ত সরকারি কর্মীর ই-সার্ভিস বুক তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে। প্রথমে সার্ভিস বুকের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বা কাস্টোডিয়ানরা মূল নথির পাতাগুলি স্ক্যান করে অনলাইনে আপলোড করবেন। এরপর কর্মচারীদের নিজেদের দায়িত্ব নিতে হবে। তাঁরা সেই স্ক্যান করা নথিগুলি দেখে অনলাইনে নিজেদের সমস্ত তথ্য সতর্কতার সঙ্গে এন্ট্রি করবেন।