Blog

  • হবে মাল্টিট্র্যাকিং, চতুর্থ লাইন! বাংলায় ফের একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের ঘোষণা

    হবে মাল্টিট্র্যাকিং, চতুর্থ লাইন! বাংলায় ফের একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের ঘোষণা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলায় বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ এগিয়ে আসছে। নির্ঘন্ট প্রকাশিত না হলেও সকল রাজনৈতিক দলগুলি এক অঘোষিত ভোট প্রচারের জন্য ময়দানে নেমে পড়েছে। করা হচ্ছে একের পর এক ঘোষণা, দেওয়া হচ্ছে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি। তবে এবার ভোটমুখী বাংলার জন্য বিরাট ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। বাংলায় একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের (Railway Project In Bengal) অনুমোদন দেওয়া হল। এর জেরে দারুণ লাভবান হবেন সাধারণ মানুষ।

    বাংলায় ফের একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটি রেলওয়ে সম্প্রসারণের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ মাল্টি-ট্র্যাকিং প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর ফলে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং ট্রেন চলাচল আরও সহজ হবে। রেলের ঘোষণার ফলে রেলওয়ে নেটওয়ার্কে ১৯২ কিলোমিটার যোগ হবে। মঙ্গলবার সাঁইথিয়া-পাকুড় এবং সাঁতরাগাছি-খড়গপুরের মধ্যে চতুর্থ রেললাইনের অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা। এর পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের ৫টি জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করে একাধিক মাল্টিট্র্যাকিং রেল প্রকল্প অনুমোদন করেছে কেন্দ্র।

    এই প্রকল্পগুলির মোট ব্যয় প্রায় ৪,৪৭৪ কোটি টাকা। এটি ব্যস্ত রেল রুটে ট্রেন চলাচল সহজ করবে এবং পরিচালনা দক্ষতা বৃদ্ধি করবে। এর পাশাপাশি বিহারের ছাপড়া-কাটিহার তৃতীয় লাইনের কাজও করা হবে। তৃতীয় লাইনটি ছাপড়া থেকে সোনপুর, হাজিপুর এবং মুজাফফরপুর হয়ে নির্মিত হবে। ছাপড়ায় কাজ চলছে, অন্যদিকে বারাউনি এবং কাটিহারের মধ্যে তৃতীয় লাইনের কাজ পুরোদমে চলছে। এই সিদ্ধান্তটি উত্তর বিহারের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ছাপড়া থেকে মুজাফফরপুর হয়ে কাটিহার পর্যন্ত তৃতীয় এবং চতুর্থ রেললাইন নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যেই চলছে। এটি সম্পন্ন হলে, এটি মুজাফফরপুর জংশনের রেল ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। রেল লাইন সম্প্রসারণের ফলে উত্তর বিহারের যাত্রী এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলি ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। ভবিষ্যতে, এই রুটে ট্রেনের সংখ্যা এবং পরিচালনা ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

    বড় বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    এই রেল প্রকল্পগুলি সম্পর্কে বড় তথ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘পূর্ব ভারতের রেল সংযোগ ও ক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ক্যাবিনেট পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝারখণ্ডের ৫টি জেলা জুড়ে বহু-ট্র্যাকিং প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এই প্রকল্পগুলি কার্যকারিতা বাড়াবে, ভিড় কমাবে এবং এই রাজ্যগুলির মধ্যে সংযোগ শক্তিশালী করবে। এগুলি পণ্য পরিবহনও উন্নত করবে, অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সমর্থন করবে এবং টেকসই, কম কার্বনের পরিবহনকে এগিয়ে নেবে।’

    আরও পড়ুনঃ ৪০ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৯০০০ করে টাকা, বিরাট স্কিম রাজ্য সরকারের

    উপকৃত হবেন সাধারণ মানুষ

    রেল মন্ত্রকের মতে, উল্লেখিত প্রকল্পগুলি প্রধানমন্ত্রী গতি শক্তি জাতীয় মাস্টার প্ল্যানের আওতায় তৈরি করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হল মাল্টি-মডেল সংযোগ জোরদার করা এবং লজিস্টিক সিস্টেমগুলিকে আরও দক্ষ করা। এটি কাঁচামাল পরিবহন এবং পর্যটনকেও উৎসাহিত করবে। সবথেকে বড় কথা, প্রকল্পগুলি সম্পন্ন হলে, বার্ষিক প্রায় ৩১ মিলিয়ন টন অতিরিক্ত মাল পরিবহন সম্ভব হবে এবং বোলপুর-শান্তিনিকেতন, তারাপীঠ এবং ভীমবন্ধ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের মতো প্রধান পর্যটন কেন্দ্রগুলির সাথে রেল যোগাযোগ উন্নত হবে। রেল প্রকল্পগুলির ফলে প্রায় ৫৬৫২টি গ্রাম এবং প্রায় ১.৪৭ কোটি মানুষ উন্নত রেল যোগাযোগ পাবে।

     

  • India Hood Decode: কেন ৫৭টি মুসলিম দেশ ভয় পায় ইজরায়েলকে? কেনই বা তাদের হারানো অসম্ভব?

    India Hood Decode: কেন ৫৭টি মুসলিম দেশ ভয় পায় ইজরায়েলকে? কেনই বা তাদের হারানো অসম্ভব?

    দিনটা ২০২৬-এর ২৮শে ফেব্রুয়ারি। সকাল ঠিক ৬টা বেজে ৪৫ মিনিট। ইজরায়েল (Israel) থেকে টেকঅফ করে একটি ফাইটার জেট। এই জেটে ছিল এমন কিছু মিসাইল, যা ১০০০ কিমি দূরে থাকা টার্গেটকেও খতম করতে পারে নিমেষে।

    এরপর, এয়ারস্পেসের নজরদারি এড়িয়ে ইরানের গা ঘেঁষে বেশ কিছুক্ষণ উড়তে থাকে ওই ফাইটার জেট। তারপর ঠিক ৯টা ৫০ বাজতেই, হামলা চালায় ইরানের পাস্তার স্ট্রিটের এক বিল্ডিংয়ে। একটি নয়, দুটি নয়, লঞ্চ করা হয় একসাথে ৩০টি মিসাইল। আর সেখানে তখন মিটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়েতুল্লাহ খামেইনি সহ ইরানের বেশ কিছু তাবড় তাবড় নেতা। আর হামলার মুহূর্তের মধ্যেই খতম হয়ে যায় প্রায় প্রত্যেকে।

    তবে, আয়েতুল্লাহ খামেইনি কিন্তু ছোটখাটো কোনও নেতা ছিলেন না। তিনি ছিলেন ইরানের সর্বাধিনায়ক, সবথেকে সুরক্ষিত একজন ব্যাক্তি। এমনকি ইরানে যখনই কোনও বড় কিছু হত, খামেইনি মুহূর্তের মধ্যে গায়েব হয়ে যেত। অধিকাংশ সময়েই তিনি বিভিন্ন শেফ হাউস কিংবা বাঙ্কারে গা ঢাকা দিয়ে থাকতেন।

    তাহলে এত কিছুর পরেও তাঁকে কীভাবে খুঁজে পেল ইজরায়েল? কীভাবে ইরানের ডিফেন্সকে বোকা বানিয়ে চালানো হল এই নিখুঁত হামলা?

    জানলে অবাক হবেন, ভারতের স্বাধীনতার পর তৈরি হওয়া এই দেশের জনসংখ্যা এক কোটিরও কম, অথচ ক্ষমতার দিক দিয়ে কাবু করতে পারে বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশগুলিকে।

    চারিদিকে শত্রু দিয়ে ঘেরা থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে একাই রাজত্ব করে এই দেশ!

    না আছে তেল, না আছে কয়লা, না আছে চাষের জন্য কোনও উর্বর জমি – অথচ আর্থিক ও সামরিক – সব দিক দিয়েই উন্নত এই দেশ।

    এমনকি তাদের ডিফেন্স সিস্টেমকে ভয় পায়, সারা বিশ্বের ২০০ কোটি জনসংখ্যার ৫৭টি মুসলিম দেশ। জানলে অবাক হবেন, স্বয়ং আমেরিকাও ভয় পায় ইজরায়েলকে!

    কিন্তু ভাবুন তো, সম্পূর্ণ মরুভুমিতে ঢাকা এই দেশ, যেখানে কোনও প্রাকৃতিক সম্পদ নেই – সেখানে এত টাকা এল কোথা থেকে? মাত্র ৯৪ লক্ষের দেশ আর্থিকভাবে এতটা শক্তিশালী কীভাবে?

    গুগল হোক বা ফেসবুক – এগুলিকে আমেরিকান কোম্পানি মনে হলেও, এগুলির পেছনে রয়েছেন ইজরায়েলি নাগরিক। প্রযুক্তিগতভাবে এই দেশ এতটাই উন্নত যে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আপনি তাদের ওপরেই নির্ভরশীল!

    শুধু তাই নয়, সামরিক দিক দিয়ে এই দেশ এতটাই অ্যাডভান্স, যে এই দেশ থেকেই ফাইটার জেট থেকে শুরু করে মিসাইল কেনে ইউরোপ, আমেরিকা, ভারত সহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ! আর এই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা সবার ধরা ছোঁয়ার বাইরে, তাদের এক একটা মিশন সম্পর্কে জানলে মাথা ঘুরে যাবে আপনার! তারা ছড়িয়ে রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে!

    আজ India Hood ডিকোড-এ আমরা তুলে ধরবো এমন কিছু তথ্য, যা পাল্টে দেবে ইজরায়েল সম্পর্কে আপনার সমস্ত ধারণা। তাই ধৈর্য ধরে লেখাটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।

    টার্গেট খামেইনি!

    ইরান ও ইজরায়েলের এই দ্বন্দের সূত্রপাত কিন্তু আজকের নয়। এই দ্বন্দের সূত্রপাত হয় ইজরায়েলের জন্মের সময় থেকেই। আর এর পেছনের মূল কারণ ইজরায়েলের বাসিন্দা জিউশ অর্থাৎ ইহুদীরা। কারণ ইহুদীদের বেশ কিছু কারণে পছন্দ করতেন না মুসলিমরা। তাই ইহুদীদের রাষ্ট্র ইজরায়েলকে কখনোই মন থেকে মেনে নিতে পারেনি ইরান।

    তবে, কেবল এই একটি নয়, সময়ের সাথে সাথে এই দ্বন্দের আগুনে ঘিয়ের কাজ করেছে আরও একাধিক কারণ। যার মধ্যে অন্যতম হল – পরমাণু শক্তি।

    আপনি যদি ইরান আর ইজরায়েলের শত্রুতার ইতিহাস সম্পর্কে সবিস্তারে জানতে চান, তাহলে এই নিয়ে আমাদের একটি বিস্তারিত ভিডিও রয়েছে। আপনি আই বাটনে ক্লিক করে দেখে নিতে পারেন ইরান-ইজরায়েল ডিকোড ভিডিওটি!

    তবে দ্বন্দের কারণ যাই হোক না কেন, ইরানের সুপ্রিম লিডারকে মারাটা মোটেও সহজ ছিল না।

    কিন্তু এই অসম্ভবকে সম্ভব করার জন্য ইজরায়েলকে করতে হয়েছে বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা।

    জানলে অবাক হবেন, ইরানের রাজধানী তেহরানের ট্র্যাফিক ক্যামেরা গত ১০ বছর ধরে হ্যাক করে রেখেছিল ইজরায়েল। যা থেকে ইরানের রাস্তার প্রতিটি কোণায় নজরদারি চালিয়েছিল তারা। নজর রাখা হয়েছিল বিভিন্ন নেতৃত্বদের ওপরেও। এমনকি ইরানের নেতৃত্বের মধ্যেও এমন একজন ছিলেন যিনি এই সব তথ্যের নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন ইজরায়েলকে।

    ফলত কোন নেতা কার সাথে আসছে, কোন নেতার ডেলি রুটিন কি? কে কতগুলো গাড়ি নিয়ে আসে? কে কোথা দিয়ে কখন যায়? সব তথ্যই মজুদ ছিল ইজরায়েলের গোয়েন্দা বিভাগের কাছে। পাশাপাশি ছিল কলিং ডেটা থেকে শুরু করে কথোপকথনের ইতিহাস এমনকি লোকেশন সহ সবকিছুই।

    আর এই সমস্ত তথ্য বিশ্লেষণ করার জন্য ইজরায়েল তৈরি করেছিল এমন একটি অ্যালগরিদম, যা সবকিছু বিশ্লেষণ করতো এবং নিয়মের বাইরে কিছু হলেই সেগুলোকে পয়েন্ট আউট করতো। সেই সবকিছু থেকেই জানা যায়, ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ইরানের পাস্তার স্ট্রিটের কাছেই ওই বিল্ডিংয়ে ইরানের বেশিরভাগ নেতৃত্বরা একসাথে থাকবে। থাকবেন খামেইনি-ও। এই একই তথ্যের নিশ্চয়তা দিয়েছিল আমেরিকার গোয়েন্দা বিভাগ CIA-ও।

    আর তারপরেই, ঠিক সময়ে, নিখুঁতভাবে হামলা চালায় ইজরায়েলি এয়ারফোর্স। আর বাকিটা তো আপনাদের জানাই।

    অর্থাৎ, একদিকে প্রযুক্তিগত উন্নতি আর অন্যদিকে নিজেদের গোয়েন্দা বিভাগের সক্রিয়তা – এই দুইয়ে মিলেই এই মিশনকে সফল করেছে ইজরায়েল।

    কিন্তু, একদিনে কি এতটা শক্তিশালী, এতটা উন্নত হয়েছে ইজরায়েল?

    একদমই না। ১৯৪৮ সালের আগে ইজরায়েল নামের কোনও দেশই ছিল না। ১৯৩০ সালে হিটলার যখন ইহুদীদের বিভিন্নভাবে অত্যাচার এবং মারধর করছিল, তখন এই ইহুদিরা নিজেদের সুরক্ষার্থে ইউরোপ ছেড়ে পালাতে থাকে। এবং তারা প্যালেস্টাইনকে নিজেদের পূর্বপুরুষদের ভূমি হিসেবে মনে করতো তাই সেখানে অনুপ্রবেশ করা শুরু করে। কিন্তু, সেখানের আরব লোকেরা ইহুদীদের আগমনকে মেনে নেয়নি। ফলে তারাও ইহুদীদের ওপর শুরু করে অত্যাচার। আর ওই সময়ে ব্রিটিশরাও ইহুদীদের বিরুদ্ধে নানা রকম পদক্ষেপ নেয়, ফলত শুরু হয় এক বিশাল বড় দাঙ্গা।

    এরপর ১৯৪৭ সালে এই বিষয়টি জাতিসংঘে গিয়ে পৌঁছায়। আর ওই বছরের নভেম্বর মাসে প্যালেস্টাইন ভাগের প্রস্তাব পাশ হয়। পুরো ভুখন্ডকে হাফ হাফ করে ইজরায়েল আর প্যালেস্টাইন বানানো হয়।

    ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে, ডেভিড বেন গুরিয়েন ইজরায়েলের প্রতিষ্ঠা করে। পশ্চিম এশিয়ার এই দেশ ভুমধ্যসাগরের সাথে অবস্থিত, যার উত্তরে রয়েছে লেবানন, পূর্বে জর্ডান, দক্ষিণে ইজিপ্ট সহ আরও একাধিক আরব দেশ।

    ইজরায়েলের দক্ষিণ পশ্চিমে রয়েছে গাজা আর পূর্বে রয়েছে ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক, যা নিয়ে প্যালেস্টাইন গঠিত। কিন্তু, ইজরায়েল দেশের মর্যাদা পেয়ে গেলেও, প্যালেস্টাইন এখনও দেশের মর্যাদা পায়নি।

    যদিও স্বাধীনতার পর থেকেই, ১৯৪৮, ১৯৬৭ আর ১৯৭৩ সালে আরব দেশ আর ইজরায়েলের মধ্যে বড় বড় তিনটি যুদ্ধ হয়। সবেতেই ইজরায়েল জয়লাভ করে। ১৯৭৩ সালের যুদ্ধের পর অধিকাংশ আরব দেশ ইজরায়েলের সাথে সমঝোতা করে নিলেও, প্যালেস্টাইন ও ইরানের মতন অন্যান্য চরমপন্থীরা এই শত্রুতা রেখে দেয়।

    তবে, এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমেরিকা প্রথম থেকেই ইজরায়েল এবং ইহুদীদের সমর্থন করে এসেছে। আর সেই সমর্থন এক সময়ে নিয়ন্ত্রণে পরিনত হয়েছে। না এটা ভাববেন না, আমেরিকা ইজরায়েলকে নিয়ন্ত্রণ করে, বরং ইজরায়েল আমেরিকাকে নিয়ন্ত্রণ করে।

    হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন।

    আর এর কারণ, ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা, শিক্ষা, জীবনযাত্রার মান, প্রযুক্তিগত উন্নতি, আবিষ্কার, প্রতিরক্ষা আর জাতীয়তাবাদী মনোভাব। ইজরায়েলের রয়েছে একাধিক উন্নতমানের গোয়েন্দা সংস্থা, যেমন – মোসাদ, শীন বেত, আমান।

    আর এই খামেইনিকে মারা হোক কিংবা ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা, কিংবা শত্রুকে বের করে খতম করা সব ক্ষেত্রেই রয়েছে মোসাদের ভূমিকা। এদেরকে সারা বিশ্বের মধ্যে সেরা গোয়েন্দা সংস্থা হিসাবে মনে করা হয়। এদের থেকে মাঝে মাঝে ট্রেনিং নিতে যায় স্বয়ং আমেরিকার গোয়েন্দা বিভাগ CIA।

    এখন যদি আপনি মোসাদ এবং মোসাদের বিভিন্ন মিশন সম্পর্কে একটি বিস্তারিত ভিডিও চান, তাহলে কমেন্টে লিখুন MOSSAD। যদি ৫০০ জন কমেন্টে MOSSAD লেখেন। তাহলে আমরা আপনাদের জন্য এই বিষয়ে একটি বিস্তারিত ডিকোড ভিডিও করবো।

    এবার জানবো, ঠিক কী কী কারণে এতটা উন্নত হল ইজরায়েল?

    প্রথম কারণ – নেতৃত্ব

    ইজরায়েলের এত উন্নতি, এত প্রভাব-প্রতিপত্তি, এত অর্থ – এই সবের পেছনে রয়েছে ইজরায়েলের নেতৃত্ব।

    ১৯৮৪ সাল নাগাদ, এই দেশের মূল্যবৃদ্ধি যেখানে বেড়ে গিয়েছিল ৪৪৫ শতাংশে, এক বছর পরে অর্থাৎ ১৯৮৫ সালে সরকারের বেশ কিছু নীতির ফলে সেই মূল্যবৃদ্ধি নেমে আসে মাত্র ২০ শতাংশে। অর্থাৎ সুদক্ষ নেতৃত্ব দিয়েই এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পেরেছিল ইজরায়েল।

    দ্বিতীয় কারণ – প্রতিটি নাগরিকই সেনা

    দেশের প্রতিটি নাগরিকের মধ্যে জাতীয়তাবাদী ও দেশপ্রেম জাগানোর জন্য ইজরায়েলে রয়েছে একটি বিশেষ নিয়ম। সেখানে ১৮ বছরের পর প্রতিটি নাগরিকের মিলিটারি প্রশিক্ষণ নেওয়া বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ ভাবুন, দেশের সব নাগরিকই সেনা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। বর্তমানে ইহুদিরা বিশ্বের যে প্রান্তেই থাকুক, তাদের শিকড়, তাদের আনুগত্যতা রয়েছে শুধুমাত্র নিজেদের লোকেদের জন্য।

    তৃতীয় কারণ – আত্মনির্ভর ইজরায়েল

    শুরুর দিকে ইজরায়েল সামরিকভাবে নির্ভরশীল ছিল ফ্রান্স এবং আমেরিকার ওপর। কিন্তু, তারা খুব শীঘ্রই বুঝে যায় তাদের নিজেদের সক্ষমতা দরকার। তাই সময়ের সাথে সাথে ইজরায়েল নিজেকে উন্নত করেছে। নিজেদের অস্ত্রশস্ত্রকেও আধুনিক করেছে। ইজরায়েল আজ বিশ্বের সবচেয়ে বড় অস্ত্র উৎপাদনকারী দেশ।

    চতুর্থ কারণ – টাকার সৎ ব্যবহার

    সরকারের কাছে যে টাকা বাঁচতো, সেই টাকায় দুর্নীতি নয়, বরং দেশের কল্যাণে, যেমন বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, গবেষণায় ব্যবহার করা হত। জানলে আরও অবাক হবেন, বিশ্বের প্রধান ৫০০টি টেক-জায়েন্টের মধ্যে ৮০টির গবেষণাকেন্দ্র রয়েছে ইজরায়েলে। ইজরায়েলকে বলা হয় উদ্যোক্তাদের রাজধানী।

    পঞ্চম কারণ – উন্নত প্রযুক্তি

    ইজরায়েল মরুপ্রধান দেশ হলেও এরা প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ধুধু বালু প্রান্তরকে উর্বর ভূমিতে রুপান্তর করেছে। এরা শুধু নিজের দেশের জন্য তাজা ফল ও সবজি উৎপাদন করেছে তা নয়, এরা সেই ফসল রপ্তানিও করছে। বিশ্বের মধ্যে জনপ্রিয় ড্রিপ সেচ পদ্ধতি এই ইজরায়েলই শুরু করেছে।

    ষষ্ঠ কারণ – ব্যবসা

    তারা শুধু উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে তাই নয়। তারা জানে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে কীভাবে টাকা কামানো যায়। তাই তারা ভারত, আমেরিকার মতো বড় বড় দেশকে নিজেদের বন্ধুর তালিকায় রেখেছে। একদিকে তারা বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে উৎপাদিত শস্য আবার অন্যদিকে রপ্তানি করে উন্নত সেরা সরঞ্জাম।

    জানলে অবাক হবেন, ইজরায়েল, আমেরিকা আর ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশগুলিকে ১০ শতাংশ সেনা সরঞ্জাম দেয়। আধুনিক যুদ্ধের মূল হাতিয়ার ড্রোন, আর সারা বিশ্বের ড্রোনের ৬০ শতাংশ ইজরায়েলে তৈরি হয়।

    সপ্তম ও আসল কারণ – অস্তিত্বের লড়াই

    এতক্ষণ ধরে যেগুলি বললাম, সেগুলি ইজরায়েলের উন্নতির অন্যতম কারণ হলেও, ইজরায়েলের এত শক্তির আসল কারণ হল তাদের অস্তিত্বের লড়াই। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। ইহুদীদের কেবলমাত্র একটিই দেশ ইজরায়েল। তাদের কাছে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাটাই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ইতিহাস তারা ভোলেনি। মুসলিম হোক বা ব্রিটিশ – বারবার অত্যাচার করেছে এই ইহুদীদের ওপর! বিশ্বে যেখানে মুসলিমদের জনসংখ্যা ২০০ কোটি, সেখানে মুসলিমদের চোখের বিষ তথা ইহুদীদের জনসংখ্যা মাত্র এক কোটি। তাই নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাটা তাদের উন্নতির মূল কারণ। একটা কথা নিশ্চয়ই আপনারা শুনেছেন – Necessity is the mother of invention. আর একথা প্রমাণ করেছে ইজরায়েল।

    আমেরিকা কেন ভয় পায় ইজরায়েলকে? | Why Israel Is So Powerful?

    আচ্ছা এতক্ষণ তো শুনলেন ইজরায়েল এত শক্তিশালী হল কীভাবে। কিন্তু আপনি কি জানেন কেন আমেরিকাও ভয় পায় ইজরায়েলকে?

    এর জন্য আপনাদের জানতে হবে বেশ কিছু তথ্য। বলা যায় – আপনি ইজরায়েলকে পছন্দ নাই করতে পারেন, কিন্তু আপনি তাদেরকে অবহেলা কিংবা অবজ্ঞা করতে পারবেন না।

    জানলে অবাক হবেন, আমেরিকায় যে সমস্ত কার্টুন দেখানো হয়, তার অধিকাংশই নিয়ন্ত্রণ করে ইহুদীরা। আর সেই সকল কার্টুনে ইজরায়েলকে সৎ এবং মহান হিসাবে দেখানো হয়। ফলত ছোট থেকেই আমেরিকানদের মনে ইজরায়েল নিয়ে একটি সফট কর্নার তৈরি করা হয়ে আসছে। এমন একটি কার্টুন হল দ্যা প্রিন্স অফ ইজিপ্ট।

    তবে, এখানেই শেষ নয়। জানলে অবাক হবেন, আমেরিকার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ২০ শতাংশ শিক্ষকই ইহুদী। এমনকি হলিউড সিনামের মাধ্যমে ছড়ানো হয় ইজরায়েল ভাবাবেগ। হলিউডের ৫৯ শতাংশ লেখক এবং পরিচালক সবাই ইহুদী। রিপোর্ট বলছে, আমেরিকার চারটি প্রধান ফিল্ম কোম্পানি ইহুদীদের। স্টিভেন স্পিলবার্গ – যিনি আমেরিকার অস্কারজয়ী পরিচালক, তিনিও ইহুদী ধর্মের লোক। শুধু তাই নয়, আমেরিকার একাধিক প্রধান সংবাদ সংস্থা ইজরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রিপোর্ট বলছে, প্রধান আমেরিকান সংবাদ সংস্থাগুলির ৬১ জন লেখক ইজরায়েলপন্থী। ৩টি প্রধান নিউজ মিডিয়া কোম্পানির সিইও ইহুদী, যেমন সিএনএন, এনবিসি, এবং নিউ ইয়র্ক টাইমস। সুতরাং, সিনেমা থেকে সংবাদ – যারা শুধু আমেরিকার নয়, সারা বিশ্বের পার্সপেকটিভ তৈরি করে সেখানেই নিয়ন্ত্রন চলে ইহুদীদের। হিন্ডেনবার্গ থেকে ব্লুমবার্গ – সবারই মালিক ইহুদী।

    এছাড়া, ব্যাঙ্কিং সেক্টরের মধ্যে গোল্ডম্যান শ্যাক্স, জেপি মরগ্যান চেজ, ব্ল্যাক রক, ডিই শ, পে প্যাল সবই হয় প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ইহুদী নিয়ন্ত্রিত।

    এছাড়া ইন্টেল, যারা প্রসেসর তৈরি করে, এনভিডিয়া – যারা র‍্যাম এবং গ্রাফিক্স কার্ড তৈরি করে, এদের সবথেকে বড় হাব আছে ইজরায়েলে।

    ডেল কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা মাইকেল ডেল, তিনিও একজন ইহুদী।

    ফেসবুকের মালিক মার্ক জাকারবার্গ একজন ইহুদী। তিনি বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপ, ইন্সটাগ্রাম এবং ম্যাসেঞ্জারের মালিক।

    এমনকি জানলে হবেন, বর্তমানে এআই-এর পথিকৃৎ ওপেন এআই অর্থাৎ চ্যাটজিপিটি-র সিইও স্যাম অল্টম্যান একজন ইহুদী।

    এবার আসা যাক আরও বড় একটি চিত্রে। গুগল, অর্থাৎ যাকে ছাড়া আমাদের জীবন অসম্পূর্ণ। সেই গুগলের মালিক কারা? ল্যারি পেজ আর সারগেই ব্রিন। এরা দুজনেই ইহুদী। ইউটিউব থেকে শুরু করে গুগল প্লেস্টোর এবং গুগল পে সবকিছুই এদের অধীনে।

    এমনকি ফ্যাশন ব্র্যান্ড ক্যাল্ভিন ক্লেন থেকে পোলো, র‍্যালফ লড়েন সবার মালিক ইহুদী। হোটেল ব্যবসায় প্রসিদ্ধ নাম হায়াত রেজেন্সির মালিকও একজন ইহুদী।

    আশা করছি, পেগাসস মামলা আপনারা কেউই ভোলেননি। পৃথিবীর সবথেকে বড় হ্যাকিং সফটওয়্যার পেগাসস ইজরায়েলেরই তৈরি। যে সফটওয়্যারকে ব্যবহার করে বিশ্বের যে কোনও প্রান্তের, যে কোনও ব্যাক্তির কথোপকথন, মেল বা ম্যাএসজ হ্যাক করে নিতে পারে এই সফটওয়্যার। কয়েক বছর আগে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে এই সফটওয়্যার ব্যবহারের অভিযোগ এনেছিল মমতা-রাহুল-রা।

    অর্থাৎ, ব্যাঙ্কিং সফটওয়্যার থেকে আপনার সার্চ অপশন, ইমেল থেকে শুরু করে পেমেন্ট সবকিছুই কখনও প্রত্যক্ষ আবার কখনও পরোক্ষভাবে ইজরায়েলের অধীনে রয়েছে। ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ, অ্যাপল ডিভাইসের ফেস আইডি, ভিওআইপি কলিং থেকে শুরু করে বিশ্বের প্রথম ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজিং সার্ভিস, নেটওয়ার্ক ফায়ারওয়াল, এন্ডোস্কপির জন্য ব্যবহৃত ছোট ক্যামেরা, হাইব্রিড শশার বীজ, ড্রিপ সেচ পদ্ধতি থেকে প্রতিরক্ষা খাতের একাধিক অস্ত্র সামগ্রী সবই ইজরায়েলের।

    এদের কাছে রয়েছে অর্থ, রয়েছে বিস্তৃত প্রযুক্তি।

    অনেকেই আবার বলছেন জেফ্রে এপস্টিন নিজেও একজন মোসাদের স্পাই, কিংবা মোসাদের হয়ে কাজ করতেন। যদিও এর কোনও সত্যতা এখনও পাওয়া যায়নি। কিন্তু, অনেকেই বিশ্বাস করেন, এই কারণেই আজ ট্রাম্পের ওপর ইজরায়েলের এত কর্তৃত্ব।

    এবার আসি কেন ইজরায়েলকে হারানো অসম্ভব?

    কোনও দেশ কতটা শক্তিশালী সেটা বোঝা যায়, সেই দেশের সামরিক সরঞ্জাম, অস্ত্রশস্ত্র, সৈন্যবল, আর্থিক ক্ষমতা, এবং পারমাণবিক শক্তির ওপর ভিত্তি করে।

    মাত্র ১ কোটি জনসংখ্যার দেশ ইজরায়েলের এই সকল সামরিক সরঞ্জাম টেক্কা দিতে পারে পাকিস্তান, ইরানে, সৌদি আরবের মতো বহু দেশকে।

    ইজরায়েলের প্রকৃত সৈন্য সংখ্যা প্রায় ৬ লক্ষ। যা তাদের জনসংখ্যার ৬ শতাংশ। আবার একথা আপনাদের আগেই বলেছি যে তাদের প্রায় সব নাগরিকই সেনা প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। তাহলে সংখ্যাটা কী দাঁড়াল? প্রায় ১ কোটি।

    এছাড়া, ইজরায়েলের রয়েছে নিজেদের তৈরি বিশ্বের অন্যতম উন্নত ট্যাঙ্ক Merkava ট্যাঙ্ক। আর তাদের মোট ট্যাঙ্কের পরিমাণ দেড় হাজারের বেশি। রয়েছে আধুনিক আর্টিলারি, ড্রোন ও সাইবার সাপোর্ট।

    এছাড়া রয়েছে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি আরমার্ড ভেহিকেল, ৭০০ আর্টিলারি এবং ৫০-এর বেশি MLRS রকেট সিস্টেম।

    এবার আসি জলপথ সম্পর্কে। ইজরায়েলের রয়েছে প্রায় ৭০টি নৌযান, ৫-৬টি সাবমেরিন, ৪০-এর বেশি মিসাইল করভেট এবং পেট্রোল বোট।

    আকাশপথের জন্য তাদের রয়েছে আমেরিকার তৈরি F-35I Adir, F-15, F-16-এর মতন উন্নত যুদ্ধবিমান। মোট সামরিক বিমানের সংখ্যা ৬০০, ফাইটার জেটের সংখ্যা ২৫০, এবং হেলিকপ্টারের সংখ্যা ১৫০।

    এছাড়াও, ইজরায়েলের কাছে রয়েছে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যেমন – স্বল্পপাল্লার রকেট ধ্বংসকারী Iron Dome। মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর জন্য David’s Sling। ব্যালিস্টিক মিসাইল আটকানোর জন্য রয়েছে Arrow system। যার মাধ্যমে যে কোনও রকেত বা যুদ্ধ বিমান কিংবা ড্রোণ হামলা থেকে তারা নিজেদের রক্ষা করতে পারে।

    এবার আসি তাদের সবথেকে বড় শক্তি সম্পর্কে অর্থাৎ পারমাণবিক শক্ত। ইজরায়েলের মতো এই ছোট্ট দেশের কাছে রয়েছে আনুমানিক ৯০টি অ্যাটমিক ওয়ারহেড। যেখানে ১৫০ কোটির দেশ ভারতের কাছে রয়েছে ১৮০টি এবং ২০ কোটির দেশ পাকিস্তানের কাছে রয়েছে ১৭০টি।

    আর এই দেশের সামরিক বাজেট জানলে মাথা ঘুরে যাবে আপনার। পাকিস্তানের সামরিক খাতে বাজেট যেখানে মাত্র ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলার। সেখানে ইজরায়েলের এই সংখ্যাটা ২০ থেকে ২৪ বিলিয়ন ডলার। ভাবতে পারছেন?

    তাই যদি কেউ ইজরায়েলের ওপর পরমাণু হামলা করে, তাহলে ইজরায়েল সেই দেশের সাথে আরও ১০টি দেশকে খতম করার ক্ষমতা। তাই এই তথ্যগুলো সহজেই পরিষ্কার করে দেয় ইজরায়েলকে হারান একপ্রকার অসম্ভব।

    ইজরায়েলের এই উন্নতি নিয়ে আপনাদের কী মনে হয়? কীভাবে দেখবেন তাদের এই আগ্রাসনকে? ইজরায়েল কী ঠিক করছে? নাকি ভুল? জানাতে ভুলবেন না আপনাদের মতামত কমেন্ট করে।

  • ৪০ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৯০০০ করে টাকা, বিরাট স্কিম অসম সরকারের

    ৪০ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৯০০০ করে টাকা, বিরাট স্কিম অসম সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ হঠাৎ কপাল খুলে গেল কয়েক লক্ষ রাজ্যবাসীর। ৯০০০ টাকা করে পাঠানো হল প্রায় ৪০ লক্ষ রাজ্যবাসীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। শুনতে অবিশ্বাস্যকর মনে হলেও এটাই সত্যি। আজ কথা হচ্ছে অরুণোদয় স্কিম (Orunodoi Scheme) নিয়ে যার আওতায় সকলকে এই টাকা পাঠিয়েছে সরকার। চলুন আরও বিশদে জেনে নেবেন সবটা।

    রাজ্যবাসীকে ৯০০০ টাকা দিল সরকার

    আসলে আসামের (Assam) ৪০ লক্ষ পরিবারের মহিলারা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৯,০০০ টাকা করে পেয়েছেন। মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের অরুণোদয় প্রকল্পের আওতায় ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে এই অর্থ ট্রান্সফার করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা গুয়াহাটিতে আয়োজিত একটি কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে এটি চালু করেন। তিনি বলেন, এই অর্থ রাজ্য সরকারের সহানুভূতিশীল নীতির প্রতীক এবং নারী-নেতৃত্বাধীন পরিবারগুলিকে শক্তিশালী করার দিকে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

    মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়, X-এর একটি পোস্টে, এটিকে মহিলাদের আর্থিক নিরাপত্তা এবং মর্যাদা জোরদার করার একটি উদ্যোগ হিসাবে বর্ণনা করেছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যজুড়ে গ্রাম পঞ্চায়েত, স্বায়ত্তশাসিত পরিষদ এলাকা, গ্রাম উন্নয়ন কমিটি এবং নগর ওয়ার্ড কমিটি সহ ৩,৮০০ টিরও বেশি জনসাধারণের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি মহিলারা যোগ দিয়েছিলেন।

    অরুণোদয় স্কিম কী?

    মূলত দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য বিজেপি সরকার ২০২০ সালে অরুণোদয় স্কিম চালু করেছিল। এই যোজনার আওতায়, প্রতিটি যোগ্য পরিবারের একজন মহিলাকে প্রতি মাসে ১,২৫০ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী এর আগে ঘোষণা করেছিলেন যে এই বছরের জানুয়ারি থেকে চার মাসের জন্য ৫,০০০ টাকা এবং বোহাগ বিহু বা অসমীয়া নববর্ষ উপলক্ষে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করা হবে, যা মার্চ মাসে একযোগে দেওয়া হবে, যার ফলে মোট ৯,০০০ টাকা হবে। সরকার সেই কথা রেখে এখন সকলকে ৯০০০ টাকা দিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ নিম্নচাপ-ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ঠ্যালায় খেল দেখাবে বৃষ্টি, ৬ জেলায় সতর্কতা, আজকের আবহাওয়া

    এই স্কিমের ফলে লক্ষ লক্ষ মহিলা এককালীন আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত শর্মা বলেছেন যে অরুণোদয় প্রকল্পের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সাথে কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি আরও বলেন যে অন্যান্য রাজ্যের মতো, এখানে কোনও গণ বা সর্বজনীন স্থানান্তর নেই। যদি এটি নির্বাচনী লাভের জন্য হত, তাহলে সকলেই এর আওতায় আসত, তবে এটি একটি নিয়ন্ত্রিত এবং নির্বাচনী প্রকল্প।

  • T20 বিশ্বকাপ শেষ করে এবার এই টুর্নামেন্টে নামছেন টিম ইন্ডিয়ার প্লেয়াররা

    T20 বিশ্বকাপ শেষ করে এবার এই টুর্নামেন্টে নামছেন টিম ইন্ডিয়ার প্লেয়াররা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতের (India National Cricket Team) জয় দিয়েই শেষ হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (2026 Men’s T20 World Cup)। পরপর দুবার 20 ওভারের বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইতিহাস তৈরি করেছে টিম ইন্ডিয়া। জাতীয় দলের সেই সাফল্যকে নিজেদের মতো করে উদযাপন করেছেন দেশবাসী। বলা বাহুল্য, সূর্যকুমার যাদবদের জয়ের রেশ এখনও পর্যন্ত কাটিয়ে উঠতে পারেননি ভারতীয় সমর্থকরা। এরই মধ্যে প্রশ্ন উঠছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ তো শেষ। এবার কোন টুর্নামেন্টে নামবে টিম ইন্ডিয়া প্লেয়াররা?

    এবার সরাসরি এই টুর্নামেন্টে দেখা যাবে টিম ইন্ডিয়ার প্লেয়ারদের

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের নির্ধারিত সূচি মেনেই শেষ হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এবার পালা বহু অপেক্ষিত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছিল, এবারের IPL অনুষ্ঠিত হবে 26 মার্চ থেকে। তবে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত বদলে সম্প্রচারকারী সংস্থা জানিয়ে দিয়েছে 26 তারিখ নয় বরং চলতি মাসের 28 তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। তবে এদিন IPL এর উদ্বোধনী ম্যাচ কোথায় আয়োজিত হবে সেই তথ্য মেলেনি। তাছাড়াও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেনি BCCI।

    তবে বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করছে, খুব শীঘ্রই IPL নিয়ে বড় ঘোষণা দেবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বলে রাখি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ করে বিশ্রামে রয়েছেন ভারতের প্লেয়াররা। এই মুহূর্তে ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের হাতে কোনও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট নেই। ফলে দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে আগামী 28 তারিখ থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় টি টোয়েন্টি লিগ অর্থাৎ IPL এ আসর জমাবেন টিম ইন্ডিয়ার খেলোয়াড়রা। অভিষেক শর্মা থেকে শুরু করে সঞ্জু স্যামসন, সূর্যকুমার যাদব, ইশান কিষাণ, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, জসপ্রীত বুমরাহ সহ সকলেই IPL এ নিজ নিজ দলের হয়ে মাঠ কাঁপাবেন।

    অবশ্যই পড়ুন: নিম্নচাপ-ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ঠ্যালায় খেল দেখাবে বৃষ্টি, ৬ জেলায় সতর্কতা, আজকের আবহাওয়া

    প্রসঙ্গত, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর যদি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি সিরিজের কথা বলা যায় সেক্ষেত্রে এরপর আবার আসন্ন জুলাই মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে 5 ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে ভারতীয় দল। এই সিরিজের প্রতিটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ইংল্যান্ডে। তার আগে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ রয়েছে ভারতের।

  • নিম্নচাপ-ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ঠ্যালায় খেল দেখাবে বৃষ্টি, ৬ জেলায় সতর্কতা, আজকের আবহাওয়া

    নিম্নচাপ-ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ঠ্যালায় খেল দেখাবে বৃষ্টি, ৬ জেলায় সতর্কতা, আজকের আবহাওয়া

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপাতত বৃষ্টি যাচ্ছে না বাংলা থেকে। এমনটাই জানাল হাওয়া অফিস (Weather Today)। আজ বুধবারও জেলায় জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি সঙ্গে আবার কালবৈশাখির ভ্রূকুটিও রয়েছে। আজও এক কথায় জেলায় জেলায় ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে, মূলত বঙ্গোপসাগরে উচ্চচাপ ঝাড়খণ্ডের ঘূর্ণাবর্তটিকে বেশ খানিকটা শক্তি বাড়াতে সাহায্য করেছে। যে কারণে বাংলায় প্রচুর পরিমাণে জলয় বাষ্প ঢুকছে। সেজন্য তৈরি হয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    প্রথমেই আসা যাক আজ দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে সে সম্পর্কে। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ অঞ্চলেই আকাশ আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকবে। প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প বঙ্গোপসাগর থেকে প্রবেশ করার কারণে বিভিন্ন জায়গাতে বজ্রগর্ভ মেঘের সঞ্চার তৈরি হওয়ার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। আজ মূলত দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলের জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আজ মূলত পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ঘূর্ণাবর্তের পাশাপাশি এখন একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখাও রয়েছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। জানা গিয়েছে, উক্ত উক্ত ঘূর্ণাবর্ত থেকে মারাঠাওয়াড়া পর্যন্ত, অভ্যন্তরীণ ওড়িশা, ছত্তিশগড় ও বিদর্ভ অতিক্রম করে গড় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ০.৯ কিমি উচ্চতায় একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে এবং তা অব্যাহত আছে। সব মিলিয়ে বাংলায় বৃষ্টির জন্য অনুকুল পরিস্থিতি তৈরি হয়ে রয়েছে বলে খবর। আগামী ২ দিন দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার তেমন কোনও বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী ৩ দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ধীরে ধীরে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস অবধি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ৬০ টাকা দাম বাড়লেও ৩০০ টাকা কমে মিলবে LPG সিলিন্ডার, জানুন কীভাবে

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    এবার আসা যাক উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া প্রসঙ্গে। জানা গিয়েছে, নিম্নচাপ অক্ষরেখা এবং ঘূর্ণাবর্তের সৌজন্যে বুধবার দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ি জেলার একটি বা দুটি জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি পরিমাণে বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সকাল থেকেই দার্জিলিং জেলায় রয়েছে কুয়াশা। বেলা অবধি এই কুয়াশা থাকবে বলে খবর। আলিপুর মৌসম ভবন জানিয়েছে, আগামী ৭ দিন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার কোনও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

  • ২০২৬-এ পয়লা বৈশাখ কত তারিখে পড়ছে? জানুন দিনটির মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য

    ২০২৬-এ পয়লা বৈশাখ কত তারিখে পড়ছে? জানুন দিনটির মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বাঙালির জীবনে বছরের সবথেকে আনন্দের দিনগুলির মধ্যে একটি হল পয়লা বৈশাখ (Poila Baisakh 2026)। তবে ২০২৬ সালের পয়লা বৈশাখ কত তারিখে পড়ছে? কী রয়েছে এই দিনটির মাহাত্ম্য আর তাৎপর্য? আসলে বাংলা ক্যালেন্ডারের প্রথম দিন হিসেবে এই দিনটি শুধুমাত্র নতুন বছরের সূচনা এমনটা নয়, বরং বাঙালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য আর আবেগের মিলনক্ষেত্র। নতুন জামা কাপড় থেকে শুরু করে মিষ্টি, পরিবার পরিজনের সঙ্গে দেখা করা, নতুন কাজ শুরু করার জন্য এই দিনটিকে সবথেকে শুভ বলেই বিবেচনা করা হয়। কিন্তু এ বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালের পয়লা বৈশাখের সময়সূচি সম্পর্কে জানতে হলে পড়ুন প্রতিবেদনটি।

    কী এই পয়লা বৈশাখ (Poila Baisakh)?

    প্রথমেই জানিয়ে রাখি, পয়লা বৈশাখ শব্দটির অর্থ হল বৈশাখ মাসের প্রথম দিন। অর্থাৎ, বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন বা বাংলা ক্যালেন্ডার প্রথম মাস বৈশাখের প্রথম দিন। এইদিন থেকে শুরু হয় বাংলার নতুন বছর। পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেখানে বাঙালিরা বসবাস করে, সেখানে উৎসাহের সঙ্গে এই দিনটি উদযাপন করা হয়। আর বাংলাদেশেও বেশ জাকজমকপূর্ণভাবে পয়লা বৈশাখ উদযাপন করা হয়।

    পয়লা বৈশাখের ইতিহাস

    অনেক ঐতিহাসিকের মতে, বাংলা নববর্ষের প্রচলন শুরু হয়েছিল মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে। ১৫৮৪ সালে তিনি একটি নতুন ক্যালেন্ডার চালু করেছিলেন। সেটি কৃষিকাজ, কর সংগ্রহ সুবিধার জন্য চালু করা হয়েছিল বলে জানা যায়। এমনকি এই ক্যালেন্ডারটি তৈরি করা হয়েছিল হিন্দু সৌর ক্যালেন্ডার আর ইসলামিক হিজরি ক্যালেন্ডার সমন্বয়ের মাধ্যমে। সেই সময় জমিদাররা পয়লা বৈশাখে প্রজাদের মিষ্টি খাইয়ে নতুন বছরের শুভারম্ভ করতেন। আবার অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন যে, বাংলা সনের সূচনা আরও আগে। সেই সপ্তম শতকে গৌড়ের রাজা শশাঙ্কের সময়।

    ২০২৬ সালের পয়লা বৈশাখ কবে পড়ছে? | Date of Poila Baisakh 2026 |

    আমরা বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী জানতে পারছি, ২০২৬ সাল অর্থাৎ চলতি বছরের বাংলা নববর্ষ বা পয়লা বৈশাখ উদযাপিত হবে আগামী ১৫ এপ্রিল, বুধবার। এই দিন থেকেই শুরু হবে বাংলার নতুন বছর।

    আসলে পয়লা বৈশাখ বাঙালিদের কাছে যে শুধুমাত্র একটি উৎসব এমনটা নয়, বরং নতুন কিছু শুরু করার প্রতীক। এই দিনটিকে শুভ মনে করা হয় বিভিন্ন কারণ। এই দিনেই অনেকে নতুন ব্যবসা শুরু করে থাকে, পুরনো দেনা পাওনা মিটিয়ে ফেলে, নতুন খাতা বই বা হিসাব শুরু করে, বাড়িতে পূজা বা প্রার্থনা করে থাকে। আর অনেক ব্যবসায়ী এই দিন হালখাতা অনুষ্ঠান করে থাকেন।

    কীভাবে উদযাপন করা হয় পয়লা বৈশাখ?

    পয়লা বৈশাখের বিশেষ দিনটি উৎসবের আমেজ দিয়ে শুরু হয়। অনেকে ভোরবেলা উঠে সূর্যোদয় দেখেন এবং মন্দিরে গিয়ে প্রার্থনাও করে থাকেন। এইদিন নারীরা সাধারণত লাল পাড় সাদা শাড়ি পড়ে সাজেন। আর পুরুষরা পাঞ্জাবি এবং ধুতি পড়েন। শহর এবং গ্রামে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মেলা বা শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। আর এদিন বাড়িতে বিশেষ খাবারও রান্না করা হয়। যেমন মাছ, মাংস, নানা রকম ভাজা, মিষ্টি ইত্যাদি। পাশাপাশি পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো আর একে অপরকে “শুভ নববর্ষ” জানানো এই দিনের প্রধান রীতি।

    আরও পড়ুন: ২০২৬-এ রাম নবমী কত তারিখে পড়ছে? দেখুন দিনক্ষণ, সময়সূচি ও পালনের নিয়ম

    আর সবথেকে বড় ব্যাপার, পয়লা বৈশাখের সময় অনেকেই নতুন পঞ্জিকা বা বাংলা বর্ষপঞ্জি সংগ্রহ করেন। কারণ, এই দিনটি থেকেই বাংলা বছর শুরু হয়। আর এই পঞ্জিকায় সারা বছরের শুভ দিন, উৎসবের সময়সূচি, বিবাহের শুভ লগ্ন বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখিত থাকে।

  • ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে UPSC ক্র্যাক, ৪ বার সার্জারি হওয়া সঞ্জয়ের কাহিনী অনুপ্রেরণা দেবে

    ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে UPSC ক্র্যাক, ৪ বার সার্জারি হওয়া সঞ্জয়ের কাহিনী অনুপ্রেরণা দেবে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: জীবনের বড় সাফল্য (Success Story) পাওয়ার জন্য সব সময় কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি থাকতে হয়, একথা আমরা সকলেই শুনি। তবে বাস্তবে তা করে দেখানো সত্যিই কঠিন। কিন্তু নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর লড়াই থাকলে সবকিছু যে সম্ভব তা আরও একবার প্রমাণ করলেন ছত্তিশগড়ের যুবক সঞ্জয় ধরিয়া। মারণরোগ ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই চালিয়েও তিনি সফলভাবে ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় (UPSC Civil Service Examination) উত্তীর্ণ হলেন। ২০২৫ সালের এই পরীক্ষায় তিনি ৯৪৬ তম র‍্যাঙ্ক অর্জন করেছেন। তাঁর এই সাফল্য ঘিরে ধন্যিধন্যি পড়েছে গোটা ভারতবর্ষে।

    ক্যান্সার ধরা পড়ার পরেই শুরু লড়াই

    জানা যাচ্ছে, ছত্তিশগড়ের মহাসমুন্দ জেলার বাসিন্দা সঞ্জয় ধরিয়া। ২০১২ সালে হঠাৎ করেই তাঁর লালাগ্রন্থিতে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এই খবর পাওয়ার পর তিনি এবং তাঁর পরিবার বিরাট ঝটকা খান। তারপর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা। ২০১২ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে রায়পুর, ভিলা এবং মুম্বাই সহ বেশ কিছু শহরে তাঁর চিকিৎসা চলে। আর এই সময় প্রায় চারবার অস্ত্রোপচার করতে হয় তাঁকে।

    তবে ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগের সঙ্গে লড়াই করলেও সঞ্জয় কখনো নিজের স্বপ্ন দেখা ছাড়েননি। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল দেশের সবথেকে কঠিন পরীক্ষা ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পাস করা। তাই চিকিৎসার পাশাপাশি তিনি পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছিলেন এবং রায়পুর থেকেই ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন।

    চাকরি, চিকিৎসা, পড়াশোনা সবকিছুই একসঙ্গে

    সবথেকে অবাক করার বিষয় হল, সঞ্জয় শুধুমাত্র চিকিৎসা এবং পড়াশোনা করেননি, বরং সেই সময় নিজের চাকরিও করেছেন। ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি আইডিবিআই ব্যাঙ্কে কর্মরত ছিলেন। তারপর ২০১৭ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মহাসমুন্দ পোস্ট অফিসেও তিনি চাকরি করেছেন। আর সবকিছুর পাশাপাশি তার ইউপিএসসি প্রস্তুতি চলেছে। অবশেষে ২০২২ সাল থেকেই তিনি পরীক্ষায় বসা শুরু করেন। আর তৃতীয়বারের প্রচেষ্টায় সাফল্য অর্জন করেন।

    আরও পড়ুন: সাধ্যের মধ্যেই হতে পারে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেনের ভাড়া, কত? দেখুন রিপোর্ট

    তবে সঞ্জয়ের র‍্যাঙ্ক অনুযায়ী, তিনি সম্ভবত ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিসে যোগদান করার সুযোগ পাবেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই বলেছেন, আমি জানিনা আমি আইএএস হতে পারব কিনা। কিন্তু আইআরএস হওয়ার সম্ভাবনা হয়তো রয়েছে। ছোটবেলা থেকে যে পরীক্ষায় পাস করা স্বপ্ন দেখেছিলাম, আজ সেটাই আমার পূরণ হয়েছে।

  • জ্যেষ্ঠা নক্ষত্রে জীবন থেকে অন্ধকার কাটবে ৫ রাশির! আজকের রাশিফল, ১১ মার্চ

    জ্যেষ্ঠা নক্ষত্রে জীবন থেকে অন্ধকার কাটবে ৫ রাশির! আজকের রাশিফল, ১১ মার্চ

    সৌভিক মুখার্জী, তারাপীঠ: আজ ১১ মার্চ, বুধবার। আজকের রাশিফল (Daily Horoscope) দেখেই শুরু করুন দিনটি। পঞ্জিকা বলছে, আজ সূর্য কুম্ভ রাশিতে আর চন্দ্র বৃশ্চিক রাশিতে বিরাজ করছে। এদিকে আজ বজ্র যোগ বিরাজ করবে। অষ্টমী তিথির বিশেষ দিনটিতে জ্যেষ্ঠা নক্ষত্রের প্রভাব পড়ছে। আজ সূর্যোদয় হবে সকাল ৬:৩৬ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত যাবে সন্ধ্যা ৬:২৭ মিনিটে।

    জ্যোতিষীরা বলছে, যেহেতু আজ বুধবার, তাই গণপতি বাপ্পার কৃপা বর্ষিত হবে কিছু রাশির জাতক-জাতিকাদের উপর। কিন্তু কিছু রাশির জন্য আজকের দিনটি খুব একটা ভালো যাবে না। কোন কোন রাশি তা জানতে হলে অবশ্যই পড়ুন দৈনিক রাশিফল। প্রতিদিনের রাশিফল (Ajker Rashifal) ঠিক একদিন আগে পাওয়ার জন্য আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জয়েন হয়ে থাকুন।

    মেষ রাশির আজকের রাশিফল: আজ আপনার স্বাস্থ্য ভালো না থাকার কারণে কর্মক্ষেত্রে কিছু বাধা আসতে পারে। যার ফলে আপনি গুরুত্বপূর্ণ কাজ অসম্পূর্ণ রেখে চলে যেতে পারেন। পরিস্থিতিতে ধৈর্য আর বিচক্ষণতার সঙ্গে অবলম্বন করতে হবে। গয়না কিংবা প্রাচীন জিনিসপত্রে বিনিয়োগ করলে উপকার পাবেন। পরিবারের সদস্যদের সাথে আরামদায়ক বা শান্তিপূর্ণ দিন উপভোগ করতে পারেন। কিছু লোকেরা আজ আপনার কাছে সমস্যা নিয়ে আসবে। পরিবারে সুখ শান্তি বজায় থাকবে। আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে আজ।

    প্রতিকার: স্বাস্থ্যের উন্নতি করার জন্য ১৫ থেকে ২০ মিনিট চাঁদের আলোয় বসে থাকার চেষ্টা করুন।

    বৃষ রাশি: মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে মনোযোগ দিতে হবে যেটি আধ্যাত্মিক জীবনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। আজ কোনও ব্যক্তিকে ইতিবাচক চিন্তাভাবনা দিয়ে আলোকিত করতে পারেন। অতিরিক্ত অর্থ রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করার জন্য আজকের দিনটি ভালো। ঊর্ধ্বতনদের সান্নিধ্যে উপভোগ করার জন্য দিনটি বেশ দুর্দান্ত। আত্মীয়দের সাথে বিশেষ কিছু পরিকল্পনা করতে পারেন। পরিবার এবং বিবাহিত জীবনে সুখ শান্তি থাকবে। কিন্তু ব্যবসায়ীদের জন্য আজকের দিনটি খুব একটা ভালো যাবে না। আজ স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

    প্রতিকার: চাকরি ভাবে ব্যবসায় সাফল্যের জন্য অন্ধ স্কুল বা প্রতিবন্ধী বাড়িতে মিষ্টি ভাত বিতরণ করার চেষ্টা করুন।

    মিথুন রাশি: আজ আপনি শক্তিতে ভরপুর থাকবেন এবং অসাধারণ কিছু অর্জন করতে পারেন। যারা বেপরোয়া ভাবে অর্থ অপচয় করেছেন তাদের নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত এবং অর্থ সঞ্চয় করা উচিত। পরিবারের সদস্যদের চাহিদার প্রতি মনোযোগ দেওয়ায় আজ আপনার অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। প্রেমে হতাশার সম্মুখীন হতে পারেন। কিন্তু হতাশ হবেন না। সত্যিকারের ভালোবাসা অনুভব করতে পারবেন। ডিজাইনারদের জন্য আজকের দিনটি বেশ দুর্দান্ত। পরিবার এবং বিবাহিত জীবনে ঝামেলার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যবসায়ীদের জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    প্রতিকার: পারিবারিক জীবনকে ভালো রাখার জন্য বালিশের নিচে হলুদ আর পাঁচটি পিপল পাতা রেখে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

    কর্কট রাশি: ধ্যান বা যোগ ব্যায়াম আপনার জন্য উপকারে আসবে। এটি আপনার ওজন এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করবে। যদি আপনার মনে হয় যে আপনার কাছে পর্যাপ্ত অর্থ নেই তাহলে পরিবারের কোনও বয়স্ক ব্যক্তির কাছ থেকে সাশ্রয়ের পরামর্শ নিতে পারেন। পরিবার এবং বিবাহিত জীবনের দিক থেকে আজকের দিনটি বেশ ভালো। স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্বাধীন বিচক্ষণতা ব্যবহার করতে হবে। আজ আপনার ভিতরে অসাধারণ কোনও শক্তি থাকতে পারে।

    প্রতিকার: পারিবারিক জীবনে সুখ ফিরিয়ে আনার জন্য বাথরুমে বা ঘরের কোনও একটি পাত্রে সাদা মার্বেলের টুকরো রাখার চেষ্টা করুন।

    সিংহ রাশি: কর্মক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতনদের চাপ এবং বাড়িতে দ্বন্দ্ব আজ আপনার মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এটি আপনার মনোযোগকে ব্যাহত করবে। আর্থিক উন্নতি নিশ্চিত। ছোট বাচ্চারা আজ আপনাকে ব্যস্ত রাখবে এবং মানসিক শান্তি নিয়ে আসবে। দীর্ঘদিনের বিরোধ সমাধান করতে চাইলে আজকে দিনটি খুবই ভালো। ব্যবসায়ীদের জন্য দিনটি খুব একটা ভালো যাবে না। কিন্তু আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। আজ আপনি সময় বের করে স্ত্রীর সঙ্গে বাইরে কোথাও যেতে পারেন। তবে নিজেদের ভিতর ছোটখাটো কোনও ঝগড়া হতে পারে। স্ত্রীর স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়বে।

    প্রতিকার: প্রেমের জীবনকে ভালো রাখতে হলে শনি মন্দিরে তেল এবং প্রসাদ নিবেদন করুন।

    কন্যা রাশি: ঋণ কাটিয়ে ওঠার জন্য সহানুভূতিশীল স্বভাব অবলম্বন করতে হবে। আজ মনে রাখতে হবে মন্দ জিনিস ভালোর থেকে বেশি আকর্ষণীয় হবে। আজ কোনও ঋণগ্রহীতা আপনার অজান্তেই আপনার একাউন্টে টাকা জমা করতে পারে যেটি আপনাকে আনন্দ দেবে। প্রেম সম্প্রীতি আর পারস্পরিক সংযোগ বৃদ্ধি পেতে পারে। রোমান্স বেশ উপভোগ্য হবে এবং উত্তেজনা পূর্ণ হতে পারে। পরিবার এবং বিবাহিত জীবনের দিক থেকে আজকের দিনটি খুব ভালো। আজ পরিবার থেকে দূরে বারান্দায় বা পার্কে হাঁটতে পারেন।

    প্রতিকার: স্বাস্থ্যের উন্নতি করার জন্য লাল রঙের বোতলে জল ভরে রোদে রাখুন এবং সেই জল পান করার চেষ্টা করুন।

    তুলা রাশি: বাইরে বা খোলা জায়গায় খাবার খাওয়ার সময় সতর্ক থাকা উচিত। অপ্রয়োজনীয় চাপ এড়িয়ে চলুন। এটি মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। অপ্রত্যাশিত লাভ বা জল্পনা কল্পনার মাধ্যমে আজ আপনার আর্থিক অবস্থা উন্নতি হবে। সন্ধ্যাবেলা আপনার স্ত্রীর সঙ্গে বাইরে খাওয়া বা সিনেমা দেখা আপনার জন্য ভালো মেজাজ নিয়ে আসবে। আজ আচরণ সঠিক করা উচিত। কর্মক্ষেত্রে কিছুটা প্রশংসা পেতে পারেন। পরিবারে সুখ শান্তি থাকবে। কিন্তু বিবাহিত জীবনের দিক থেকে আজকের দিনটি একদমই ভালো কাটবে না। ব্যবসায়ীদের লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

    প্রতিকার: প্রেমের সম্পর্ককে মজবুত করতে হলে আজ প্রেমিক ও প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় তাকে একটি হলুদ ফুল দেওয়ার চেষ্টা করুন।

    বৃশ্চিক রাশি: জীবনকে সম্পূর্ণরূপে উপভোগ করার জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যোগব্যায়াম অনুশীলন করতে পারেন যেটি আপনার মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। আজ আপনি কোনও অজানা উৎস থেকে অর্থ পেতে পারেন। যেগুলি আপনার আর্থিক সমস্যাগুলোকে দূর করবে। সন্ধ্যাবেলা স্ত্রীর সঙ্গে বাইরে কোথাও খেতে বা সিনেমা দেখতে যেতে পারেন। এটি আপনার মেজাজ ভালো রাখবে। ব্যবসায়ীদের জন্য আজকের দিনটি খুবই ভালো। কারণ হঠাৎ করে উল্লেখযোগ্য লাভের সম্ভাবনা হতে পারেন। স্বাস্থ্যের দিক থেকে দিনটি ইতিবাচক বলেই অনুমান করা হচ্ছে।

    প্রতিকার: সুস্থ থাকার জন্য গরুকে গম এবং গুড় খাওয়ানোর চেষ্টা করুন।

    ধনু রাশি: আজ বাড়িতে এবং  কর্মক্ষেত্রে কিছু চাপ আপনার বিরক্তের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তবে আর্থিক  পরিস্থিতি শক্তিশালী থাকবে এবং অর্থ অপচয় না করার বিষয় সতর্ক থাকতে হবে। পরিবারের সদস্যরা ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝামেলা করতে পারে। এমনিতে পরিবার এবং বিবাহিত জীবনের দিক থেকে আজকের দিনটি খুব একটা ভালো যাবে না। আজ মুদিখানার কেনাকাটা নিয়ে আপনার স্ত্রীর সাথে বিরোধ দেখা দিতে পারে। ব্যবসায়ীদের জন্য দিনটি খুবই ভালো কাটবে। তবে স্বাস্থ্যের থেকে দিনটি ইতিবাচক নয়। স্বাস্থ্যের নজর রাখতে হবে।

    প্রতিকার: সবদিক থেকে উন্নতি করার জন্য “পলাশপুষ্পসংকাশন তারাকাগ্রহমস্তকম। রৌদ্রনরৌদ্রতকম ঘোরম তান কেতুন প্রণামম্যহম্” মন্ত্রটি জপ করার চেষ্টা করুন।

    মকর রাশি: অতিরিক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে এবং ওজনের উপর নজর রাখতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। বিবাহ সম্পর্কের ক্ষেত্রে আজকের দিনটি খুবই ভালো। প্রেমের  সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্বাধীন বুদ্ধি অবলম্বন করতে হবে। মুলতুবি থাকা টাকা ব্যবসায়িক পরিকল্পনাগুলি আবারো শুরু হতে পারে এবং লাভের সম্মুখীন হতে পারেন। পরিবারে সুখ শান্তি থাকবে। স্বাস্থ্যের দিক থেকে দিনটি খুব একটা ভালো নয়। আজ আপনার স্ত্রীর সঙ্গে দিনটি অন্যদিনের থেকে খুবই ভালো কাটবে। ব্যবসায়ীদের লাভের সম্ভাবনা আছে।

    প্রতিকার: স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে হলে খিরনির মূল সাদা কাপড়ে মুড়িয়ে আপনার সঙ্গে রেখে দেওয়ার চেষ্টা করুন।

    কুম্ভ রাশি: মানসিক স্বচ্ছতার জন্য বিভ্রান্তি এবং হতাশা এড়িয়ে চলতে হবে। আজ কোনও পুরনো অসুস্থতা আপনাকে কষ্ট দিতে পারে যার ফলে আপনাকে হাসপাতালে যেতে হতে পারে। প্রচুর অর্থ ব্যয় হবে। ভালোবাসা এবং ঐক্য বৃদ্ধি পাবে। আজ আপনারা হাসি অর্থহীন হিসেবে প্রমাণিত হবে। পরিবারে সুখ শান্তি থাকবে। কিন্তু বিবাহিতদের জন্য দিনটি ইতিবাচক নয়। স্বাস্থ্যের দিক থেকে দিনটি খুব একটা ভালো যাবে না। আজ স্ত্রীর খারাপ ব্যবহার আপনাকে বিরক্ত করে তুলতে পারে। তবে সে আপনার জন্য ভালো কিছু করতে চাইবে।

    প্রতিকার: স্বাস্থ্যের উপকার করার জন্য গঙ্গাজল পান করার চেষ্টা করুন।

    মীন রাশি: কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার সময় সাহস আর শক্তি প্রদর্শন করতে হবে। আপনার ইতিবাচক মনোভাব সমস্যাগুলি সহজেই কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে। দিনের শুরুতে আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। যার ফলে আপনার গোটা দিনটি নষ্ট হয়ে যাবে। বন্ধুরা আপনাকে তাদের বাড়িতে একটি মজার বা সন্ধ্যার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে পারে। প্রিয়জনের কাছ থেকে দূরে থাকলে আজ তাদেরকে মিস করতে পারেন। পরিবারের ঝামেলার সম্ভাবনা আছে। স্ত্রীর সঙ্গে কাটানোর জন্য আজকে প্রচুর সময় পাবেন।

    প্রতিকার: পারিবারিক জীবনকে ভালো রাখতে হলে বাথরুমে কিংবা ঘরে কোনও একটি মার্বেলের টুকরো রাখুন।

    প্রতিদিন সকালে দৈনিক রাশিফলের আপডেট পেতে অবশ্যই গুগল করুন- India Hood Rashifal

  • শিয়ালদহ ডিভিশনের ৭ স্টেশন নিয়ে বড় পরিকল্পনা রেলের, সুবিধা হবে যাত্রীদের

    শিয়ালদহ ডিভিশনের ৭ স্টেশন নিয়ে বড় পরিকল্পনা রেলের, সুবিধা হবে যাত্রীদের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: স্টেশনের (Indian Railways) পাশেই পড়ে রয়েছে বিশালাকার ময়লা-আবর্জনার স্তুপ। গন্ধে টেকা দায় স্থানীয়দের পক্ষে। তাই নাকে রুমাল চেপে পৌঁছতে হয় স্টেশনে। তবুও স্টেশন লাগোয়া আবর্জনার গন্ধ নাক থেকে যেন সরেই না। এই প্রবণতা কমাতে অর্থাৎ শিয়ালদহ (Sealdah) ডিভিশনের একাধিক স্টেশনের নামের পাশ থেকে নোংরা তকমা সরাতে গত ফেব্রুয়ারির 15 তারিখ থেকে সাফাই অভিযান শুরু করেছিল রেল। সেই অভিযানে শিয়ালদহ শাখার সাতটি স্টেশন মিলিয়ে মোট 300 টন বর্জ্য পদার্থ উদ্ধার করা গিয়েছে। এর ফলে 50 হাজার বর্গমিটার জমি উদ্ধার করতে পেরেছে রেল।

    পরিবেশের কথা চিন্তা করেই এমন পদক্ষেপ রেলের

    রেল সূত্রে খবর, শিয়ালদহ শাখার বাঘা যতীন, সন্তোষপুর, পার্ক সার্কাস, বিধান নগর রোড এবং সোদপুর স্টেশনের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে এতদিন আবর্জনা স্তূপ উপেক্ষা করে যাতায়াত করতে হয়েছে যাত্রীদের। পচা বর্জ্য পদার্থের গন্ধে যাত্রীদের যেমন ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে তেমনই স্টেশন গুলির পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে হেঁটে যাওয়া পথ চলতি মানুষও নাক চেপেই যাতায়াত করছিলেন এই কদিন। মূলত সে কারণেই, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে রোগের সংক্রমণ ঠেকাতে এবং পরিবেশ রক্ষা করতে সাফাই অভিযান শুরু করে ইস্টার্ন রেলওয়ে।

    জানা গিয়েছে, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বা বাজার লাগোয়া স্টেশন গুলির পাশে আবর্জনার স্তুপ উদ্বেগ বাড়াচ্ছিল রেল আধিকারিকদেরও। সে কারণেই স্টেশনগুলির পাশে থাকা আবর্জনা থেকে যাতে পরিবেশ দূষণ বৃদ্ধি না পায় এবং অগ্নিকাণ্ডের মতো ঝুঁকি কমে সে কারণেই শিয়ালদহ ডিভিশনের উল্লেখিত স্টেশন গুলিতে সাফাই অভিযান চালায় রেল।

    অবশ্যই পড়ুন: সাধ্যের মধ্যেই হতে পারে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেনের ভাড়া, কত? দেখুন রিপোর্ট

    উদ্ধার হওয়া জমিতে বিশেষ পরিকল্পনা রেলের

    রেল সূত্রে যা খবর, শিয়ালদহ ডিভিশনের বিধাননগর রোড, পার্ক সার্কাস, সন্তোষপুর, সোদপুর সহ 7টি স্টেশনে সাফাই অভিযান চালিয়ে উদ্ধারকৃত 50 হাজার বর্গমিটার জমিতে গাছ লাগিয়ে বাগান তৈরির পরিকল্পনা করছে রেল। রেল আধিকারিকদের একাংশের দাবি, মূলত যাত্রীদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে পরিবেশ দূষণ কমিয়ে শিয়ালদহ থেকে সন্তোষপুর অর্থাৎ প্রতিটি স্টেশনের পাশে উদ্ধারকৃত জমিতে ফুলের গাছ সহ অন্যান্য রকমারি গাছ লাগিয়ে নতুন করে বাগান তৈরি করা হবে। আর এর ফলে রেল যাত্রীদেরই সুবিধা হবে। তবে রেল আধিকারিকরা বলছেন, রেল নিজে দায়িত্ব নিয়ে যতই স্টেশন সংলগ্ন এলাকাগুলি পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুক যাত্রীরা সচেতন না হলে কোনও লাভই নেই।

  • দেশে গ্যাসের সংকট, SIR নিয়ে রায়…! আজকের সেরা ১০ খবর (১০ মার্চ)

    দেশে গ্যাসের সংকট, SIR নিয়ে রায়…! আজকের সেরা ১০ খবর (১০ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ১০ মার্চ, মঙ্গলবার। দেশে গ্যাসের সংকট, SIR নিয়ে রায়, গোবরডাঙ্গা স্টেশনে অগ্নিকাণ্ড, রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) এলপিজি সরবরাহ নিয়ে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    ভারত সরকার এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য তেল কোম্পানিগুলিকে এবার নতুন নির্দেশ দিল। এলপিজির ঘাটতি এড়ানোর জন্য গার্হস্থ্য ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে আর বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের সরবরাহ কিছুটা কমানো হবে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি কালোবাজারি রুখার জন্য এলপিজি রিফিল বুকিং এর ন্যূনতম অপেক্ষার সময় এবার ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করানো হয়েছে। আর হাসপাতাল বা জরুরী পরিষেবায় গ্যাস সরবরাহে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৯) জ্বালানি সংকটে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দিল পাকিস্তান

    পাকিস্তানের জ্বালানি সংকট এবং তেলের দামের বৃদ্ধির জন্য হঠাৎ করে কঠোর সিদ্ধান্ত নিল সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ খরচ কমানোর জন্য স্কুল, কলেজ দুই সপ্তাহ বন্ধ আর সরকারি অফিস সপ্তাহে চারদিন খোলা আর আংশিক বাড়িতে বসে কাজ করার ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি সাংসদদের বেতনে ২৫% কমানো হয়েছে আর মন্ত্রীদের বিদেশ সফর নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি গাড়ির জ্বালানি ব্যবহার কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তেলের দাম বেড়ে পেট্রোল লিটার প্রতি ৩৩৫.৮৬ টাকা আর ডিজেল ৩২১.১৭ টাকায় পৌঁছেছে প্রতিবেশী দেশে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৮) গোবরডাঙ্গা স্টেশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

    গোবরডাঙ্গা স্টেশনে সাতসকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ থেকে ১২টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। একটি হোটেল থেকে গ্যাস সিলেন্ডার বিস্ফোরণ ঘটেই এই আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। খবর পেয়ে দমকলের দুটি ইঞ্জিন আগুন নেভাতে পৌঁছয়। ঘিঞ্জি এলাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে বনগাঁ-শিয়ালদা লাইনে বেশ খানিকক্ষণ ট্রেন চলাচল ব্যাহত ছিল। তবে হতাহতের কোনও রকম খবর নেই। মাননীয় পৌরপ্রধান শঙ্কর দত্ত ক্ষতিগ্রস্তের ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৭) বাংলাদেশে ৫০০০ টন ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত

    বাংলাদেশে তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে এবার সহযোগিতার জন্য পাশে দাঁড়াল ভারত। আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে ৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে বেশ কিছু রিপোর্টে। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্যই হয়তো এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আর ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় বর্মার সঙ্গে বৈঠকের পর আগামী চার মাস আরও ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যাতে জ্বালানি সংকট কিছুটা কমানো যায়। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৬) গ্যাসের অভাবে হোটেল, রেস্তোরাঁ বন্ধের সিদ্ধান্ত বেঙ্গালুরুতে

    বেঙ্গালুরুতে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের ঘাটতি আর মূল্যবৃদ্ধির জন্য হোটেল, রেস্তোরাঁ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল হোটেল অনার্স অ্যাসোসিয়েশন। হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা এবং ইরান-ইজরাইল যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছে। ১৪ কেজি গ্যাসে ৬৩ টাকা আর ১৯ কেজি বাণিজ্যিক গ্যাসে ১১৫ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে এবং কালোবাজারির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এখন সমস্যার মুখে পড়ছেন। যার ফলে বহু হোটেল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৫) বাংলায় এসআইআর মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন মামলায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের আগের দিন পর্যন্ত সমস্যা সমাধান হলে বৈধ ভোটাররা ভোট দিতে পারবে। প্রায় ১০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। আর ২২০ বিচার বিভাগীয় আধিকারিক এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, জুডিশিয়াল অফিসাররা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন এবং তাদের কাজে প্রশ্ন তুললেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনাল গঠন করাও হতে পারে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৪) আলিপুরদুয়ার-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু অমৃত ভারতে নতুন স্টপেজ

    পূর্ব রেল ঘোষণা করেছে যে, আলিপুরদুয়ার-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু অমৃত ভারত এক্সপ্রেসে নতুন স্টপেজ দেওয়া হবে। দলগাঁও রেলওয়ে স্টেশনে ৯ মার্চ থেকে এই ট্রেনটি অতিরিক্ত স্টপেজ দেবে বলে খবর। ১৫৫৯৮ ট্রেনটির রাত ১১:৪৬ মিনিটে এসে ১১:৪৮ মিনিটে ছাড়বে। আর ফিরতি ট্রেনটি ১৬৫৯৭ ১৪ই মার্চ সকাল আটটায় একে এসে ০৮:০৩ মিনিটে এই স্টেশন থেকে ছাড়বে। যাত্রীদের দীর্ঘদিনের দাবির পর এই স্টপেজ যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় যাত্রীদের যাতায়াত আরও সুবিধাজনক হবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৩) ১ এপ্রিল থেকে বারছে ফাস্ট্যাগ অ্যানুয়াল পাসের দাম

    এনএইচএআই এর বার্ষিক ফাস্ট্যাগ পাসের দাম ১ এপ্রিল থেকে বাড়ানো হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে এর দাম ৩০০০ টাকা, যা নতুন অর্থবছর থেকে প্রায় ৭৫ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। আর টোলের হার প্রতি বছর মুদ্রাস্ফীতি এবং পাইকারি মূল্য সূচকের উপর ভিত্তি করেই সংশোধন করা হয়। সেই সূত্রেই এবার বাড়ানো হচ্ছে। এই পাস শুধুমাত্র ব্যক্তিগতির জন্যই, কোনও রকম বাণিজ্যিক গাড়ির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। আর এটি নিলে ১ বছর বা সর্বোচ্চ ২০০টি টোল প্লাজা পারাপারের সুবিধা থাকবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ২) ইরানের হামলায় খুশি হওয়ায় বাহরাইনে গ্রেফতার বাংলাদেশী-পাকিস্তানি

    বাহরাইনে ইরানের হামলা ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ছয় বিদেশি নাগরিকের গ্রেফতার করা হল। তাদের মধ্যে পাঁচজন পাকিস্তানি এবং একজন বাংলাদেশী নাগরিক। বাহরাইন অ্যান্টি সাইবার ক্রাইম ডিরেক্টরেট তদন্তে জানিয়েছে যে, তারা হামলার রেকর্ড করে বারবার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করছিল এবং অহেতুক গুজব ছড়াচ্ছিল। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি আর আতঙ্ক ছড়াতে পারে। ঘটনার পর সরকার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, যাচাই ছাড়া কোনও খবর বা ভিডিও শেয়ার করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ১) পুরুলিয়া থেকে দিল্লি নতুন ট্রেনের ঘোষণা

    পূর্ব রেল এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেল পুরুলিয়া থেকে দিল্লির আনন্দবিহার টার্মিনাল পর্যন্ত নতুন ট্রেন পরিষেবা চালুর ঘোষণা করল। ১৪০২১/১৪০২২ পুরুলিয়া-আনন্দবিহার এক্সপ্রেস খুব শীঘ্রই চালু করা হবে। আর ট্রেনটি প্রতি শুক্রবার বিকেল ৫ টায় পুরুলিয়া থেকে ছেড়ে পরের দিন রাত ১১:১০ মিনিটে দিল্লিতে পৌঁছবে। এদিকে ফিরতি ট্রেনটি বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটায় আনন্দবিহার থেকে ছেড়ে পরের দিন সকাল ১০:৪০ মিনিটে পুরুলিয়াতে পৌঁছবে। পথে রাঁচি, বারানসি, লখনৌ সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের ট্রেনটি থামবে। এর ফলে যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ হবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন