Blog

  • মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে FIR দায়ের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের!

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে FIR দায়ের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের!

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের আবহে রীতিমত উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। যেহেতু হাতে সময় খুব কম তাই এখন থেকেই জনসংযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসূচি করে চলেছে শাসকদল থেকে বিরোধীরা। আর এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে FIR দায়ের করা হল বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (Vishva Hindu Parishad) তরফে। জানা গিয়েছে পুলিশ সরাসরি FIR নিতে অস্বীকার করায় ই-মেইলের মাধ্যমে অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে দাবি পরিষদের।

    ধরনা মঞ্চে বিতর্কিত মন্তব্য মমতার

    গত শনিবার থেকে রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনী অর্থাৎ SIR এর প্রতিবাদে কলকাতার ধর্মতলায় পাঁচদিন ব্যাপী ধরনা কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে ছিলেন একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব। সেখান থেকেই জনসমক্ষে বক্তব্য রাখার সময় তিনি বলেন, “আমরা আছি বলে আপনারা সবাই ভালো আছেন। আর যদি আমরা না থাকি… এক সেকেন্ড লাগবে একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ডে দেবে একদম ১২ টা বাজিয়ে দেবে।” ক্রমেই ভাইরাল হয়ে যায় এই মন্তব্য। অনেকেই একে ‘ঘৃণ্য’, ‘বিভ্রান্তিকর’ এবং ‘সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক’ বলেছেন। তাই এবার মমতার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

    FIR দায়ের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    রিপোর্ট মোতাবেক, ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এবার আইনি লড়াইয়ের পথে হাঁটল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বীরভূমের রামপুরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পূর্ব ক্ষেত্রের সম্পাদক অমিয় কুমার সরকার। তবে পুলিশ সরাসরি FIR নিতে অস্বীকার করেছিল তাই ই-মেইলের মাধ্যমে অভিযোগ জানানো হয়। অমিয় কুমার সরকার জানান, রাজ্যের একজন সন্মানীয় ব্যক্তি হয়েও এই ধরনের মন্তব্য রাজ্যে দাঙ্গা পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই তুমুল উত্তেজনা।

    আরও পড়ুন: নবান্নের দিকে জানলা ব্যালকনি রাখা যাবে না! পুলিশের শর্তে বড় ধাক্কা দিল হাইকোর্ট

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রথমে FIR না নেওয়ায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সম্পাদক অমিয় কুমার সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “পুলিশ আমাদের FIR নিতে চায়নি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে যে বর্তমানে প্রশাসন দলদাসে পরিণত হয়েছে। আমরা ই-মেইলে অভিযোগ জানিয়েছি। প্রতিটি জেলায় এবার এফআইআর করা হবে। পুলিশ পদক্ষেপ না করলে আমরা এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হব এবং মুখ্যমন্ত্রীকেও আদালতে টেনে নিয়ে যাব। দেখি কে আটকায়।” এদিকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই পদক্ষেপে তুমুল প্রশংসা করছে বিরোধীরা।

  • জয়শঙ্করের হস্তক্ষেপেই স্বস্তি, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি পেল ভারতীয় জাহাজ

    জয়শঙ্করের হস্তক্ষেপেই স্বস্তি, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি পেল ভারতীয় জাহাজ

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের (Middle East War) মধ্যেই ভারতের জন্য আসলো বিরাট স্বস্তির খবর। কূটনৈতিক আলোচনার পর ইরান ভারতীয় পতাকাযুক্ত তেলবাহী জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে বলে সূত্র অনুযায়ী খবর। আর এই সিদ্ধান্ত ভারতের বিধানমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং ইরানের বিদেশ মন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার পরেই সামনে এল। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে এই কূটনৈতিক সমঝোতা যে ভারতের জন্য বিরাট সাফল্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    বেশ কয়েকটি বিশ্বস্ত সূত্র অনুযায়ী খবর, ইতিমধ্যেই অন্তত দুটি ভারতীয় তেলবাহী জাহাজ নিরাপদে ওই জলপথ পার হচ্ছে, এবং একটি জাহাজ মুম্বাই বন্দরে পৌঁছেছে। আর এই জাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে MT Pushpak এবং MT Parimal। কিন্তু এখনো পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ এবং ইজরায়েলের সঙ্গে যুক্ত জাহাজগুলোর উপরে কিছু বিধিনিষেধ আরোপিত রয়েছে বলেই সূত্রের খবর।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই হরমুজ প্রণালী?

    বলে দিই, বিশ্বের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হল এই হরমুজ প্রণালী। এটি ইরান এবং ওমানের মাঝখানে অবস্থিত একটি সরু সমুদ্রপথ। আর এই পথ দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি অপরিশোধিত তেল পরিবহন হয়ে থাকে। বিশ্বের মোট তেল ব্যবহারের প্রায় ২০%-ই এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। আর শুধুমাত্র তেল নয়, বরং বিশ্বের সবথেকে বড় অংশের এলএনজি পরিবহনও এই পথ দিয়ে হয়। যার ফলে এই জলপথে সামান্য সমস্যা তৈরি হলেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম আর জ্বালানি সরবরাহে বিরাট প্রভাব পড়ে।

    এদিকে চলমান সংঘাতের জেরে ইরান আগেই জানিয়েছিল যে, হরমুজ প্রণালিতে নিষেধাজ্ঞা মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপ এবং তাদের মিত্র দেশগুলির জাহাজের জন্যই প্রযোজ্য। সেই কারণেই ভারতের মতো পশ্চিমে দেশের জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। আর মার্চের প্রথম সপ্তাহে এই নীতির স্পষ্টতা সামনে এসেছিল। সেখানে বলা হয়েছে, ভারতগামী বা ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলি এই পথ ব্যবহার করতে পারবে।

    আরও পড়ুন: চমক জোয়ার ভাঁটার, ধস পরশুরামের জনপ্রিয়তায়! টপার কে? দেখুন টিআরপি তালিকা

    যুদ্ধের পর প্রথম তেলবাহী জাহাজ পৌঁছল ভারতে

    প্রসঙ্গত, সংঘাত শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো একটি তেলবাহী জাহাজ নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পার হয়ে ভারতে পৌঁছেছে। Shenlong Suezmax নামের এই জাহাজ সৌদি আরবের রাস তানুরা অয়েল টার্মিনাল থেকে অপরিশোধিত তেল নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। আর জাহাজটি শেষ পর্যন্ত ভারতের মুম্বাই বন্দরে পৌঁছয়। জানা গিয়েছে, বিপজ্জনক এলাকা পার হওয়ার সময় কিছু সময়ের জন্য ট্রাকিং সিস্টেম বন্ধ করে দিয়েছিল জাহাজটি। তবে কোনও রকম সমস্যা ছাড়াই ভারতে পৌঁছতে পেরেছে ওই ট্যাংকার।

  • চমক জোয়ার ভাঁটার, ধস পরশুরামের জনপ্রিয়তায়! টপার কে? দেখুন টিআরপি তালিকা

    চমক জোয়ার ভাঁটার, ধস পরশুরামের জনপ্রিয়তায়! টপার কে? দেখুন টিআরপি তালিকা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অবশেষে আরও একবার অপেক্ষার অবসান ঘটল। প্রত্যাশা মতো আজ বৃহস্পতিবার অর্থাৎ লক্ষ্মীবারে প্রকাশ্যে এল বাংলা সিরিয়ালগুলির টিআরপি (TRP List) তালিকা। আর যথারীতি এবারেও তালিকায় রয়েছে চমক। প্রতি সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেই জমজমাট হয়ে উঠেছে বাংলার মেগা ধারাবাহিকগুলির লড়াই। কে কাকে টেক্কা দিয়ে এগিয়ে যাবে, সেই লড়াই যেন দিনে দিনে আরও তীব্র হয়ে উঠছে। তবে সপ্তাহ শেষে টিআরপিই শেষ কথা বলে। আপনিও কি জানতে ইচ্ছুক এই সপ্তাহে কোন মেগা বেঙ্গল টপার হয়েছে কিংবা কোন মেগা কেমন কী ফল করেছে? জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    চলতি সপ্তাহে বেঙ্গল টপার কে?

    সম্প্রতি শেষ হয়েছে টি ২০ বিশ্বকাপ। একদিকে যখন বেশিরভাগ মানুষ বিশ্বকাপ নিয়ে বুঁদ ছিলেন তো কিছু মানুষ বাংলা সিরিয়াল নিয়ে মেতে ছিলেন। যার ফলও মিলেছে টিআরপি রেটিংস-এ। নানা ইভেন্ট থাকার কারণে টিআরপি রেটিংস-এ ভালো মতো প্রভাব পড়েছে। এক ধাক্কায় অনেকটাই নম্বর কমেছে মেগাগুলির। যাইহোক, তারপরেও সামনে এসেছে কোন সিরিয়াল কেমন কী ফলাফল করেছে সেটা। জানেন কি কোন সিরিয়াল চলতি সপ্তাহে বেঙ্গল টপারের তকমা পেয়ে বাজিমাত করল? তাহলে জেনে নিন বিশদে।

    চলতি সপ্তাহেও কিন্তু বেঙ্গল টপারের তকমা ছিনিয়ে নিল জি বাংলার পরিণীতা। আর এই নিয়ে ব্যাক টু ব্যাক নিজের রেকর্ড ধরে রাখল পারুল ও রায়ানের জুটি। চলতি সপ্তাহে 6.0 রেটিংস পেয়ে প্রথম হল জি বাংলার এই মেগা ধারাবাহিকটি। অপরদিকে 5.9 রেটিংস পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছে জোয়ার ভাঁটা। কী পরিস্থিতি পরশুরামের, চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    এক নজরে সেরা ১০ সিরিয়ালের মেগা তালিকা

    বেঙ্গল টপার- পরিণীতা 6.0
    দ্বিতীয়- জোয়ার ভাঁটা 5.9
    তৃতীয়- পরশুরাম 5.5
    চতুর্থ- রাঙামতি 5.4
    পঞ্চম- ও মোর দরদিয়া 5.3

     

     

  • ১৩১ কোটি টাকা দিয়েছে BCCI, ভাগে কত করে পাবেন সূর্যরা?

    ১৩১ কোটি টাকা দিয়েছে BCCI, ভাগে কত করে পাবেন সূর্যরা?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে তৃতীয়বারের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত (India)। গত রবিবারের সেই জয়ের পর টিম ইন্ডিয়াকে বিপুল অর্থ পুরস্কার (Team India Prize Money) দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। এদিকে দেশের ছেলেদের সাফল্যকে সামনে রেখে টিম ইন্ডিয়াকে টাকায় মুড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও। BCCI এর তরফে সূর্যকুমার যাদবদের জন্য 131 কোটি টাকার আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও প্লেয়ারদের পাশাপাশি এই অর্থ ভাগ হবে কোচিং স্টাফ সহ টিম ইন্ডিয়ার সাপোর্ট স্টাফদের মধ্যে। এখন প্রশ্ন, ভারতীয় দলের প্লেয়াররা তাহলে কত করে পাবে?

    টিম ইন্ডিয়ার প্লেয়াররা কত টাকা করে পাবেন?

    পিটিআই এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে পাওয়া অর্থ পুরস্কারের একটা বড় অংশ পাবেন টিম ইন্ডিয়ার খেলোয়াড়রা। বাকি অর্থ সাপোর্ট স্টাফ এবং কোচিং স্টাফদের পদ অনুযায়ী দেওয়া হবে। রিপোর্ট বলছে, ভারতীয় টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডের মোট 15 জন ক্রিকেটারকে 6 কোটি টাকা করে দেওয়া হবে। বাকি 41 কোটি টাকা ভাগ করা হবে সাপোর্ট স্টাফ এবং কোচিং স্টাফদের মধ্যে।

    গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে কত পেয়েছিলেন প্লেয়াররা?

    গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছিল ভারত। সে বছর চ্যাম্পিয়ন হতেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের কাছে পুরস্কার বাবদ বিপুল অর্থ পাওয়ার পাশাপাশি BCCI এর তরফেও 125 কোটি টাকা পেয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। সেবার পুরস্কার মূল্য কিছুটা কম থাকায় টিম ইন্ডিয়ার 15 জন সদস্যকে 5 কোটি টাকা করে দেওয়া হয়। বাকি অর্থ পেয়েছিলেন কোচিং স্টাফ ও সাপোর্ট স্টাফরা। এদিকে শুভমন গিল ও রিঙ্কু সিং সহ চারজন রিজার্ভ খেলোয়াড়কে 1 কোটি টাকা করে দেওয়া হয়েছিল।

    অবশ্যই পড়ুন: নবান্নের দিকে জানলা ব্যালকনি রাখা যাবে না! পুলিশের শর্তে বড় ধাক্কা দিল হাইকোর্ট

    প্রসঙ্গত, এবছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের কাছ থেকে 27 কোটি 48 লাখ টাকা পেয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। বলাই বাহুল্য, গতবারের তুলনায় এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থা পুরস্কার মূল্যের পরিমাণ অন্তত 20 শতাংশ বাড়িয়েছে। এর ফলে উপকৃত হয়েছে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলিও।

  • তালা ভেঙে অট্টহাস কালী মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি! CCTV অচল করে পালাল দুষ্কৃতীরা

    তালা ভেঙে অট্টহাস কালী মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি! CCTV অচল করে পালাল দুষ্কৃতীরা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: জাগ্রত মা কালীর গা থেকে খুলে নেওয়া হল সোনার গয়না! তালা ভেঙে চুরি হয়ে গেল সতীপীঠ অট্টহাস মন্দির সংলগ্ন রটন্তী কালী মন্দিরে (Ratanti Kali Temple) লাখ টাকার সম্পদ। শুধু তাই নয় প্রণামীর বাক্স ভেঙে টাকা পয়সা নিয়ে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা। এই ভয়ংকর চুরির ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে মন্দির চত্বরে পুলিশ ক্যাম্প ও সিসিটিভি নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই চুরির ঘটনা ঘটল। তদন্ত শুরু করেছে কেতুগ্রাম থানার পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    রিপোর্ট মোতাবেক, গত মঙ্গলবার, পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের অট্টহাস সতীপীঠের মূল মন্দির সংলগ্ন রটন্তী কালী মন্দিরে প্রত্যেক দিন সন্ধ্যায় নিত্য পুজো হওয়ার পরও পুরোহিত সেখানে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন। এরপর মায়ের সেবা করে রাতে মন্দিরের মূল গেটে তালা দিয়ে চলে যায়। বাইরে পাহারায় থাকেন নিরাপত্তারক্ষীরা। কিন্তু অভিযোগ, তালা ভেঙে চোর দেবীর সোনা ও রুপোর অলঙ্কার লুঠ করে নিয়ে যায়। শুধু তাই নয়, মন্দিরের গর্ভগৃহের মধ্যে থাকা প্রনামি বাক্সও ভেঙে টাকাপয়সা লুঠ করে পালায় দুষ্কৃতীরা। বাক্স ভাঙা অবস্থায় জঙ্গলে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এখন স্থানীয়দের মনে প্রশ্ন উঠছে সতীপীঠে পুলিশ ক্যাম্প থাকার পরেও কীভাবে এমন চুরি হল। কেতুগ্রাম থানায় দ্বারস্থ মন্দির কমিটি।

    CCTV ক্যামেরায় কাদা!

    মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পরেরদিন অর্থাৎ বুধবার সকালে মন্দির খুলতে গিয়ে এই ভয়ংকর দৃশ্য দেখেন মন্দিরের এক কর্মী। এবং দেখা যায় মন্দিরে থাকা CCTV ক্যামেরায় কাদা দেওয়া রয়েছে, যাতে চোরদের পরিচয় ধরা না পড়ে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। মন্দিরের সেবক রামজি মহারাজ জানান, “কালী মূর্তির মাথায় একটি রুপোর মুকুট ছিল, সেটি নিয়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এছাড়া দেবীর পায়ে থাকা রুপোর তোড়া এবং গলায় থাকা সোনার চেনও চুরি হয়েছে। প্রণামী বাক্সে বেশ কিছু টাকা ছিল।” পুলিশের অনুমান দুষ্কৃতীরা সতীপীঠ লাগোয়া পেছনের মাঠ দিয়ে জঙ্গলের ভেতরের রাস্তা ধরে রটন্তী কালী মন্দিরে ঢুকে পড়েছিল।

    আরও পড়ুন: দূর হবে চিন্তা, LPG নিয়ে এল বড় সুখবর

    এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমাদের এখানকার খুবই জাগ্রত মায়ের মন্দির। কত দূরদূরান্ত থেকে এখানে লোকে পুজো দিতে আসে। সারাক্ষণই ভক্তদের ভিড় থাকে। এই মন্দিরে নিরাপত্তারক্ষীরাও থাকেন সর্বক্ষণ। কীভাবে এসবের পরও এমন হল! আমি বলি, চোরেদের কি ধর্মের ভয় নাই?” অপর এক বাসিন্দা জানিয়েছেন মন্দিরের ভেতর ক্যামেরা এবং পুলিশে নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও যদি চুরি হয় তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েই প্রশাসন কি ভাবছে। যদিও পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে এবং চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।

  • নবান্নের দিকে জানলা ব্যালকনি রাখা যাবে না! পুলিশের শর্তে বড় ধাক্কা দিল হাইকোর্ট

    নবান্নের দিকে জানলা ব্যালকনি রাখা যাবে না! পুলিশের শর্তে বড় ধাক্কা দিল হাইকোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নবান্নের (Nabanna) সামনে বাড়ি তৈরির জন্য স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া তিনটি শর্ত খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। আর এই রায়ের নিরিখে স্বস্তি পেল নির্মাণকারীরা। হাই সিকিউরিটি জোন হিসেবে চিহ্নিত নবান্নের দিকে বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছিল কোনো জানলা থাকবে না, ছাদের উপরে তুলতে হবে পাঁচিল! যেটা খুবই অস্বস্তিকর, এই নিয়ে মামলা উঠতেই বড় সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

    একাধিক শর্ত আরোপ হাইকোর্টের

    নবান্নর নিরাপত্তার মূল দায়িত্বে রয়েছে লালবাজার। পুলিশের ২০১৯-এর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ওই এলাকা ‘হাই সিকিউরিটি জোন’ হিসেবে চিহ্নিত। তাই নবান্নের আশেপাশে বাড়ি তৈরি করার জন্য ১৭ দফা শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। নবান্নের আশেপাশের আবাসনে কাউকে ফ্ল্যাট বিক্রির আগে সেই ব্যক্তির অতীত সম্পর্কে প্রোমোটারকে খোঁজ নিতে হবে। আইনজীবীদের ব্যাখ্যা, কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনও ক্রিমিনাল কেস থাকলে তাঁর কাছে ফ্ল্যাট বিক্রি করা যাবে না। শুধু তাই নয় কোনও ভাবেই আশেপাশের আবাসন বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা যাবে না। বিল্ডিং তৈরির পরে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো সংক্রান্ত একাধিক নিয়ম জারি করা হয়েছিল। এমনকি জানলা এবং ব্যালকনি নিয়েও শর্ত রাখা হয়েছিল।

    শর্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা দায়ের

    নবান্নের পাশে বাড়ি তৈরির লালবাজারের অন্যতম শর্ত ছিল নবান্নের দিকে মুখ করে কোনও জানলা অথবা বারান্দা রাখা যাবে না৷ ছাদে নবান্নের দিকে পাঁচিলের উচ্চতা হতে হবে অন্তত ১০ ফুট। নবান্ন যাতে দেখা না যায় তা নিশ্চিত করতে ছাদের উপরেও ১০ মিটার উঁচু পাচিল তুলতে হবে৷ এদিকে নবান্নের সামনে ক্ষেত্রমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় লেনে এক ব্যক্তি পাঁচ তলা বাড়ি তৈরি করতে চেয়েছিলেন। তাই হাওড়া পুরসভার কাছে বাড়ির পরিকল্পনা জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় অনুমোদন চান তিনি। কিন্তু অভিযোগ, তখনই তাঁকে পুলিশের ১৭টি শর্ত ধরানো হয়। তাই এবার নির্দিষ্ট এই শর্তগুলি চ্যালেঞ্জ করে জমির মালিক এবার সরাসরি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন।

    প্রশ্ন তোলা হয় শর্তগুলি নিয়ে

    জানা গিয়েছে, নবান্ন থেকে ১০০ মিটার দূরে হাওড়া পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৫ তলা ওই বাড়িটি তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন জমির মালিক৷ বছর সাতেক আগে হাওড়া পুরসভায় প্রস্তাবিত বাড়িটির নকশা অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়া হয়৷ কিন্তু নবান্নের দিকে জানলা, বারান্দা না রাখতে দেওয়া, ছাদের উপরে দশ মিটার উচ্চতার পাঁচিল তোলার শর্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়৷ মামলাকারীর আইনজীবী শ্রীজীব চক্রবর্তীর প্রশ্ন, আইন অনুযায়ী এই ধরনের শর্ত কি কোনও বাড়ির উপর চাপানো যায়? কী ভাবে বাড়ি তৈরি করা হবে, তা কি প্রশাসন ঠিক করে দিতে পারে? অবশেষে গতকাল সেই শর্ত খারিজ করে দিল হাই কোর্টের বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: DA আন্দোলনে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা! নোটিশ জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    শর্ত খারিজ হাইকোর্টের

    আদালতের পর্যবেক্ষণ, কোনও এলাকার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ হলেও শর্তাবলি আইনের সীমার মধ্যে রাখা উচিত। ছাদে ১০ ফুটের দেওয়াল তৈরি করতে গেলে বাড়ির প্রয়োজনীয় আলো-বাতাস বন্ধ হয়ে যাবে। লালবাজারের জানলা বা বারান্দার নির্মাণ নিষিদ্ধ করাও অমানবিক, এতে আবাসিকদের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই এই জোড়া শর্তকে ‘অবৈধ’ বলে উল্লেখ করেছেন বিচারপতি। এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, কে বাড়িতে থাকবেন, তা নির্ধারণ করা পুরসভার কাজ নয়। তাই পুলিশের ক্রাইম ইনসিডেন্ট ভেরিফিকেশন শর্তটিও খারিজ করা হয়েছে।

  • সোনার দাম কমলেও চাপ বাড়াচ্ছে রুপো! আজকের রেট

    সোনার দাম কমলেও চাপ বাড়াচ্ছে রুপো! আজকের রেট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যবিত্তদের পকেটে চাপ দিয়ে আজ আবারও ঊর্ধ্বগতি সোনার বাজার দর (Gold Price)। কিন্তু আজ হলুদ ধাতুর দাম বাড়লেও রুপো নিয়ে বিরাট সুসংবাদ। কারণ, সাদা ধাতুর দাম অনেকটাই কমেছে। প্রায় ৫ হাজার টাকার বেশি দরপতন আজ রুপোর। ফলে যারা রুপো কিনতে চাইছিলেন বা রুপো কিনতে আগ্রহী, তাদের জন্য আজ সুখবর। তবে কোন শহরে কততে বিক্রি হচ্ছে সোনা, রুপো তা জানতে হলে প্রতিবেদনটি পড়ুন। IBJA Rates-র রিপোর্ট অনুসারে—

    ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনার দাম | Gold Price Today

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫৩,৬০০ টাকায় (+৩০০)।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৮,৭০০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌতে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৮,৮৫০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৮,৭৫০ টাকায়।

    ২৪ ক্যারেট পাকা সোনার দাম

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ২৪ ক্যারেট পাকা সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬১,৬০০ টাকায় (+৩০০)।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরের ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬২,২২০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌতে ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬২,৩৭০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরের ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৬২,২৭০ টাকায়।

    ১৮ ক্যারেট সোনার দাম

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২১,৬৭০ টাকায়।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা, পুনে ইত্যাদি শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২১,৬৭০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌয়ের মতো শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২১,৮২০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,২১,৭২০ টাকায়।

    আরও পড়ুন: DA আন্দোলনে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা! নোটিশ জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    আজ রুপোর বাজার দর | Silver Price Today |

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে খুচরো রুপো বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২,৬৮,৩৫০ টাকায় (-৫৮৫০)।

    ➣ আজ চেন্নাই, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরে প্রতি কেজি রুপো বিক্রি হচ্ছে ২,৯০,০০০ টাকায়।

    ➣ আজ মুম্বাই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, পুনে, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে প্রতি কেজি রুপো বিক্রি হচ্ছে ২,৮০,০০০ টাকায়।

    বিঃদ্রঃ বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমরা শুধুমাত্র দাম নিয়ে আপডেট দিয়ে থাকি। কাউকে বিনিয়োগ করতে বাধ্য করি না।

  • দূর হবে চিন্তা, LPG নিয়ে এল বড় সুখবর

    দূর হবে চিন্তা, LPG নিয়ে এল বড় সুখবর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ LPG নিয়ে সংকটের মাঝেই বিরাট সুখবর শোনাল ভারত সরকার। এমনিতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি থেকে শুরু করে গ্যাসের (LPG Cylinder) অমিল নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে হোটেল ব্যবসায়ীরা। কী করে হেঁশেল চলবে সেই চিন্তা এখন কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে সকলকে। এহেন পরিস্থিতিতে সরকারের এক ঘোষণা সকলের মধ্যে একটু হলেও স্বস্তির আবহাওয়া তৈরি করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক গ্যাস ভর্তি দুটি কার্গো জাহাজ ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে খবর।

    দুটি কার্গো জাহাজ আসছে ভারতে

    যত সময় এগোচ্ছে ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধের কারণে দেশে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহের অভাবে অনেক শহরের হোটেল এবং রেস্তোরাঁ বন্ধ রয়েছে। অনেক শহরের গ্যাস এজেন্সিগুলির বাইরে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে, সরকার জানিয়েছে যে বুকিংয়ের আড়াই দিন পরে এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাবে। সরকার জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সিলিন্ডার মজুদ না করার জন্যও আবেদন করেছে। দেশে এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই মাঝে সরকার ঘোষণা করেছে, তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG)-এর দুটি কার্গো ইতিমধ্যেই ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। এর ফলে সংকট কিছুটা হলেও মিটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ DA আন্দোলনে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা! নোটিশ জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব (বিপণন ও তেল শোধনাগার) সুজাতা শর্মা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যে আমরা আমাদের এলপিজি চাহিদার ৬০ শতাংশ আমদানি করি এবং এর ৯০ শতাংশ আসে হরমুজ প্রণালী থেকে । এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। ৮ মার্চ, রিফাইনারি এবং পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সগুলিকে এলপিজি উৎপাদন সর্বাধিক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, সরকারি পদক্ষেপের কারণে, দেশীয় এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি দেশীয় গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে অ-দেশীয় এলপিজিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

    কত টাকায় মিলছে রান্নার গ্যাস?

    দিল্লিতে একটি সিলিন্ডারের দাম ৬০ বৃদ্ধির পর ৯১৩ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। যদিও উজ্জ্বলা সুবিধাভোগীদের জন্য, দাম ৬১৩ টাকা। ২০২৩ সালের জুলাই থেকে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম ৪১% বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ভারতে পিএমইউ-এর দাম ৩২% হ্রাস পেয়েছে। তিনি বলেন যে ভারতে এলপিজির দাম অনেক দেশের তুলনায় অনেক কম।

  • DA আন্দোলনে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা! নোটিশ জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    DA আন্দোলনে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা! নোটিশ জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ সত্ত্বেও বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) দিতে ব্যর্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেইসঙ্গে ডিএ দেওয়ার সময়সীমা যাতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সাল অবধি বৃদ্ধি করা হয় তার জন্য সরকারের তরফে এমএ, রিভিউ পিটিশন দাখিল করা হয়েছে শীর্ষ আদালতে। এহেন পরিস্থিতিতে আগামীকাল ১৩ মার্চ বৃহত্তর আন্দোলনে (DA Protest) সামিল হতে চলেছেন সরকারি কর্মীরা। এই আন্দোলনে থাকবেন শিক্ষকরাও। যদিও কিছু শিক্ষকের উদ্দেশ্যে এবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। আর এই নির্দেশিকাই এখন যত বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

    বিশেষ নোটিশ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    যেহেতু এখন মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা দেখা চলছে। তাই যে সকল শিক্ষক এই কাজ করছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে পর্ষদের সাফ বার্তা, ধর্মঘট হলেও স্কুলে যেতে হবে শিক্ষকদের। সেইসঙ্গে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা দেখার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকেরা কোনও ভাবেই আগামী ১৩ মার্চ ‘লিভ অফ অ্যাবসেন্স অন ডিউটি’ নিতে পারবেন না। আর এই ঘটনায় একদিকে যেমন অবাক শিক্ষকরা তেমনই ক্ষুব্ধও বটে। ডিএ ইস্যু থেকে নজর ঘোরাতে সরকারের এটি নতুন চাল বলে দাবি করছেন অনেকে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হয়েছে বলে সরব হল একাধিক শিক্ষক সংগঠন। ধর্মঘট যাতে সফল না হয় তার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    কী বলছেন শিক্ষকরা?

    এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সব স্কুলের প্রধান পরীক্ষক, পরীক্ষক এবং স্ক্রুটিনির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকদের। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নোটিশ প্রসঙ্গে বড় মন্তব্য করেছেন বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল। তিনি জানান, ‘সাধারণত মাধ্যমিকের খাতা দেখা, নম্বর জমা দেওয়া-সহ পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত রয়েছেন তাঁরা স্কুল থেকে ‘লিভ অফ অ্যাবসেন্স অন ডিউটি’ নিয়ে থাকেন। অর্থাৎ সেই দিন গুলি তাঁরা স্কুলে যান না। সরকার যে ভাবে শিক্ষক কর্মচারীদের বঞ্চিত করছে তাতে এই ধর্মঘটে অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া যাবে বুঝতে পেরে পর্ষদ মাঠে নেমেছে। কিন্তু যতই ফতোয়া জারি করুক না কেন ধর্মঘট হচ্ছেই এবং তাতে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীরা ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করবেন এবং সরকারকে উপযুক্ত জবাব দেবেন।’ শিক্ষকদের বক্তব্য, ধর্মঘটে যোগ দেওয়ার অধিকার সরকার তো কেড়ে নিতে পারে না।

    আরও পড়ুনঃ কালো মেঘে ঢাকবে আকাশ, ঘূর্ণাবর্তের জেরে ৫ জেলায় দুর্যোগ! আজকের আবহাওয়া

    এক আন্দোলনকারী জানান, “যেহেতু সুপ্রিম কোর্ট ৬ মার্চ রাজ্য সরকারকে প্রথম কিস্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল, তাই ৬ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর আমরা ১৩ মার্চ প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। আমাদের ন্যায্য অধিকার অর্জনের জন্য আমরা যতদূর যেতে হবে ততদূর যেতে প্রস্তুত।” তিনি আরও বলেন যে এই প্রতিবাদ আন্দোলনের পাশাপাশি, ফোরাম এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তাদের আইনি বিকল্পগুলিও প্রস্তুত রেখেছে। এখন দেখার বিষয় হলো, রাজ্য সরকার সরকারি কর্মচারীদের প্রস্তাবিত কর্মবিরতির ডাকে কীভাবে সাড়া দেয়।