Blog

  • না মানলে এই মাস থেকেই বন্ধ হবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিয়মে বদল আনল পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    না মানলে এই মাস থেকেই বন্ধ হবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিয়মে বদল আনল পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সবথেকে জনপ্রিয় প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি হল লক্ষীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar)। তবে এই প্রকল্পে এবার আসছে বিরাট পরিবর্তন। রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে এই প্রকল্পে একাধিক নতুন নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে। সরকারি সূত্রে খবর, এই নিয়মগুলি না মানলে চলতি মাস থেকে উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। রাজ্যের বিপুল সংখ্যক মহিলার আর্থিক সহায়তার জন্য এই প্রকল্পের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্যই বড়সড় পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন।

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সবথেকে জনপ্রিয় প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি হল এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের মহিলাদের প্রতি মাসে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়। সম্প্রতি অন্তর্বর্তী বাজেটে এই প্রকল্পের ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে সাধারণ শ্রেণির মহিলারা পাচ্ছে ১৫০০ টাকা এবং এসসি/এসটি শ্রেণীর মহিলারা পাচ্ছে ১৭০০ টাকা করে, যে টাকা সরাসরি উপোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়।

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে আসছে নতুন নিয়ম

    সরকারি সূত্র মারফৎ খবর, বেশ কিছু ক্ষেত্রে নথিপত্রের ভুল বা অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসছে। কেউ কেউ নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রকল্পের সুবিধা নিচ্ছেন। সেই পরিস্থিতিতে প্রকৃত উপভোক্তাদের সুবিধা দেওয়ার জন্য অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করতে প্রশাসন এখন নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। জানা যাচ্ছে, নতুন নিয়ম অনুযায়ী ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার কার্ড সংযুক্ত থাকা বাধ্যতামূলক। যে সমস্ত উপভোক্তার অ্যাকাউন্ট আধারের সঙ্গে লিঙ্ক করানো নেই, তাদের ভাতা পাঠানো বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই দ্রুত ব্যাঙ্কে গিয়ে আধার লিঙ্ক করে নেওয়া সবথেকে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

    এদিকে আরও একটু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত নিয়ম। এখন থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা শুধুমাত্র উপভোক্তাদের নিজের নামে থাকা একক অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে ঢুকবে। যৌথ অ্যাকাউন্ট বা জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হবে না। তাই প্রয়োজনে নিজের নামে আলাদা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে নেওয়ারই পরামর্শ দিয়েছে রাজ্যের প্রশাসন।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণাবর্তের জেরে বাড়ছে দুর্যোগ! শুক্রেও ঝড়-বৃষ্টির আভাস, আগামীকালের আবহাওয়া

    এছাড়াও এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য বয়সের নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে। আবেদনকারীর বয়স হতে হবে অবশ্যই ২৫ বছর থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। কিন্তু বয়স ৬০ বছর পেরিয়ে গেলে তিনি আর এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধা পাবেন না। সেক্ষেত্রে তাঁকে বার্ধক্য ভাতা সুবিধা দেওয়া হবে। তাই যদি বয়সজনিত কারচুপি করা হয়, তাহলে এই প্রকল্পের ভাতা আর মিলবে না। প্রশাসনের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আবেদনপত্রে ভুল তথ্য দিলে বা নথিপত্রে অসঙ্গতি থাকলে অ্যাকাউন্ট বাতিল হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে যদি আবেদনকারী বা তাঁর পরিবারের কেউ স্থায়ী সরকারি চাকরি করেন বা সরকারি পেনশন পান, সেক্ষেত্রে এই প্রকল্পের আওতায় ভাতা পাওয়া যাবে না।

  • সাবধান KKR থেকে MI! IPL এ CSK-কে একাই ম্যাচ জেতাতে পারেন এই প্লেয়ার

    সাবধান KKR থেকে MI! IPL এ CSK-কে একাই ম্যাচ জেতাতে পারেন এই প্লেয়ার

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শেষ হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বিশ্রাম পর্ব কাটিয়ে ধীরে ধীরে নিজ নিজ দলের হয়ে IPL এর (Indian Premier League) প্রস্তুতি সারছেন টিম ইন্ডিয়ার প্লেয়াররা। এদিকে ইতিমধ্যেই, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের প্রথম পর্বের সূচি প্রকাশ করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। প্রত্যাশামতোই এবারের উদ্বোধনী ম্যাচ নিজেদের ঘরের মাঠে খেলবে RCB। তাদের প্রতিপক্ষ হবে SRH। তবে IPL শুরুর আগেই শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে চেন্নাই সুপার কিংসের (Chennai Super Kings)। কারণ তাদের দলে এমন এক প্লেয়ার রয়েছেন যিনি এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কার্যত জবাই করেছেন প্রতিপক্ষের প্লেয়ারদের। অনেকেই বলছেন, আসন্ন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে CSK কে একাই জিতিয়ে দিতে পারেন তিনি।

    CSK কে একাই ম্যাচ জেতাতে পারেন ইনি!

    একটানা দীর্ঘ ব্যর্থতার পর এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্বপ্নের ফর্মে ফিরেছিলেন সঞ্জু স্যামসন। এই ভারতীয় ক্রিকেটার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সুপার এইট ম্যাচ থেকে কামাল দেখানো শুরু করেন। এদিন ব্যাট হাতে একাই 97 রান করেছিলেন তিনি। ঠিক পরের ম্যাচে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে 89 রানের বিরাট ইনিংস খেলে ভারতকে জেতান তিনি। ফাইনালেও একই ঘটনা ঘটান সঞ্জু। বিশ্বকাপের মহামঞ্চে সম সংখ্যক রান করেই ভারতের জয়ের রাস্তা প্রশস্ত করেন টিম ইন্ডিয়ার তারকা উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান।

    গত বছর রাজস্থানের অধিনায়ক থাকলেও এ বছর তিনি খেলবেন চেন্নাই সুপার কিংস দলে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন, এবারের IPL এ প্রতিপক্ষের সামনে চেন্নাইয়ের দেওয়াল হয়ে দাঁড়াতে পারেন তিনি। একাই জিতিয়ে দিতে পারেন গোটা ম্যাচ। এ বছর IPL এ চেন্নাইয়ের হয়ে সঞ্জুই যে ওপেনিং করতে নামবেন সে কথা বুঝে গিয়েছেন সকলেই। আর ওপেনিং করতে নেমেই চেন্নাইকে বড় রান উপহার দেবেন ভারতীয় ক্রিকেটার, এমনটাই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একটা বড় অংশ।

    অবশ্যই পড়ুন: ৬০ টাকা নয়, আরও বাড়বে রান্নার গ্যাসের দাম! বাড়ছে আশঙ্কা

    এখানেই শেষ নয়, চেন্নাই ভক্তদের অনেকেই KKR থেকে শুরু করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে একেবারে সাবধান করে দিচ্ছেন। বলছেন, তাঁদের ধারালো অস্ত্র সঞ্জু। তিনি একাই প্রতিপক্ষ দলকে মাটিতে নাক খর দিতে বাধ্য করার ক্ষমতা রাখেন। তাঁদের আশা, আর যাই হোক দলকে জেতাতে এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে বড় ভূমিকা থাকবে সঞ্জুর। তাঁর হাত ধরেই এ বছর ষষ্ঠ ট্রফি জিতে যেতে পারে CSK!

  • ঘূর্ণাবর্তের জেরে বাড়ছে দুর্যোগ! শুক্রেও ঝড়-বৃষ্টির আভাস, আগামীকালের আবহাওয়া

    ঘূর্ণাবর্তের জেরে বাড়ছে দুর্যোগ! শুক্রেও ঝড়-বৃষ্টির আভাস, আগামীকালের আবহাওয়া

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফাল্গুন মাস শেষ হতে আর বাকি মাত্র কয়েকদিন, কিন্তু রাজ্য জুড়ে বসন্তের মেজাজ মোটেও টের পাওয়া যাচ্ছে না। বৃষ্টি দুর্যোগের মাঝেই ভ্যাপসা গরম বেড়েই চলেছে। একের পর এক ঘূর্ণাবর্ত এবং পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তর (North Bengal) এবং দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal)হচ্ছে বৃষ্টি। তবে স্বস্তির বিষয় হল মার্চ মাসে যে ব্যাপক গরমের পূর্বাভাস দিয়েছিল হাওয়া অফিস, সেই সম্ভাবনা নেই। এদিকে চলতি সপ্তাহের রবি-সোম ও মঙ্গলে বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Tomorrow) রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে।

    এইমুহুর্তে বাংলাদেশ ও সংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। এর প্রভাবে প্রচুর পরিমাণ জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। তার জেরেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। তবে বৃষ্টি হলেও অস্বস্তিকর গরম রয়েই গিয়েছে। অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে কপাল থেকে ঘাম পড়েই যাচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি হতে চলেছে দিন রাত। তবে আজ থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট বেড়েছে। একনজরে জেনে নেওয়া যাক কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবার, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে মূলত শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। বেশ কয়েকটি জেলায় মাঝেমধ্যে হালকা বৃষ্টি হলেও হতে পারে। বইতে পারে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। যদিও আগামী সাত দিনে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে। বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা বেশি থাকায় গরমের অস্বস্তি বজায় থাকতে পারে। যদিও রবিবার থেকে বেশ কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: বাড়ছে ঋণের বোঝা, আর্থিক স্বাস্থ্যে বিহার-ইউপির পিছনে বাংলা! শেষ তিনে পশ্চিমবঙ্গ

    উত্তরবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে হালকা বৃষ্টির আমেজ থাকলেও উত্তরবঙ্গে গোটা সপ্তাহ জুড়ে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, মালদা এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাহাড়ি অঞ্চলে আবহাওয়ার প্রভাব আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সেখানেও আগামী ৭ দিন আবহাওয়ার কোনো পরিবর্তন দেখা যাবে না। তবে বৃষ্টি দুর্যোগ কাটলেই ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়বে।

  • দিল্লি-হাওড়া রুটে বড় কাজ করে ফেলল রেল, সুখবর কোটি কোটি যাত্রীর জন্য

    দিল্লি-হাওড়া রুটে বড় কাজ করে ফেলল রেল, সুখবর কোটি কোটি যাত্রীর জন্য

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল যাত্রীদের ভ্রমণ সুরক্ষিত এবং সুন্দর করতে বদ্ধপরিকর রেল। সেজন্য একের পর এক কাজ করেই চলেছে। এহেন সেইসঙ্গে নিত্য নতুন ট্রেন, রেল লাইন, হাইস্পিড রেল করিডর, বুলেট ট্রেন ইত্যাদি যাত্রী স্বার্থে একের পর এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েই চলেছে রেল। এবারও রেল এক বিরাট মাইলফলক অর্জন করেছে। কবচ ৪.০ (Kavach 4.0) নিয়ে মিলেছে বিরাট সাফল্য।

    কবচ ৪.০ নিয়ে বিরাট মাইলফলক অর্জন রেলের

    সম্প্রতি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘোষণা করেছেন যে দেশীয়ভাবে তৈরি স্বয়ংক্রিয় ট্রেন সুরক্ষা ব্যবস্থা, “কবচ ৪.০”, দিল্লি-মুম্বাই এবং দিল্লি-হাওড়া সহ ১,৪৫২ কিলোমিটার ব্যস্ততম রুটে সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এই ব্যবস্থাটি সম্পূর্ণরূপে ভারতে তৈরি এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সার্টিফিকেশন, “SIL-4” প্রদান করা হয়েছে। কবচের প্রাথমিক কাজ হল ট্রেন দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা এবং কঠিন পরিস্থিতিতে লোকো পাইলটদের সহায়তা করা। রেল মন্ত্রকও একই তথ্য দিয়েছে।

    Kavach 4.0 কী, কীভাবে কাজ করে?

    কবচ এমন একটি প্রযুক্তি যা ক্রমাগত ট্রেনের গতি পর্যবেক্ষণ করে। যদি কোনও কারণে লোকো পাইলট ব্রেক লাগাতে ভুলে যান বা সিগন্যাল না দেখতে পান, তাহলে সিস্টেমটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্রেক কষে। এটি খারাপ আবহাওয়া বা ঘন কুয়াশার সময়ও নিরাপদ ট্রেন পরিচালনা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। কবচ ৪.০-এ বেশ কয়েকটি বড় আপগ্রেড রয়েছে, যেমন সঠিক লোকেশনের তথ্য, বড় ইয়ার্ডে আরও ভাল সিগন্যাল তথ্য এবং ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং সিস্টেমের সাথে সরাসরি ডেটা পাওয়া। এই বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে, এখন দেশের রেলওয়ে নেটওয়ার্ক জুড়ে এটিকে বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা চলছে।

    আরও পড়ুনঃ বাড়ছে ঋণের বোঝা, আর্থিক স্বাস্থ্যে বিহার-ইউপির পিছনে বাংলা! শেষ তিনে পশ্চিমবঙ্গ

    রেলওয়ে কবচ বাস্তবায়নের জন্য ব্যাপক কাজ হাতে নিয়েছে। এখন পর্যন্ত ৮,৫৭০ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার কেবল স্থাপন করা হয়েছে এবং রেলপথের ধারে ১,১০০টি টেলিকম টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও, ৭৬৭টি স্টেশনে ডেটা সেন্টার তৈরি করা হয়েছে এবং ৬,৭৭৬ কিলোমিটার ট্র্যাকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়েছে। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন যে দিল্লি-মুম্বাই রুটের পালওয়াল-মথুরা-নাগদা, ভদোদরা-আহমেদাবাদ এবং ভদোদরা-ভিরার অংশের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দিল্লি-হাওড়া রুটের গয়া-সরমতনগর এবং বর্ধমান-হাওড়া অংশেও কবচ ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    লক্ষাধিক কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে

    কবচ নিয়ে যাতে কারোর মধ্যে কোনও ধোঁয়াশা না থাকে তার জন্য চলছে ট্রেনিং প্রক্রিয়া। রেলওয়ে এখনও পর্যন্ত ৫৫,০০০ এরও বেশি টেকনিশিয়ান, অপারেটর এবং ইঞ্জিনিয়ারকে এই নতুন প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দিয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৪৭,৫০০ লোকো পাইলট এবং সহকারী লোকো পাইলট রয়েছে। ট্র্যাকে কবচ স্থাপনের খরচ প্রতি কিলোমিটারে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা, যেখানে একটি লোকোমোটিভে এটি স্থাপনের খরচ প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা।

     

  • হরমুজে ছার নেই ভারতেরও, জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়নি! বলে দিল ইরান

    হরমুজে ছার নেই ভারতেরও, জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়নি! বলে দিল ইরান

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান (Iran On India)। সকাল থেকেই শোনা যাচ্ছে এমন খবর। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সাথে নাকি কথা হয়েছে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির। আর তারপরেই নাকি হরমুজ দিয়ে ভারতীয় পণ্যবাহী জাহাজ (Oil Tanker) চলাচলের ছাড়পত্র দেয় তেহরান। এবার এমন দাবি সরাসরি খারিজ করে দিল আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দেশ। তেহরানের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই মর্মে ভারতের সাথে কোনও আলোচনা বা চুক্তি হয়নি।

    ভারতের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়নি ইরান

    বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শোনা যাচ্ছে, ভারতের দুই তৈলবাহী জাহাজ পুষ্পক এবং পরিমলকে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে দেশে ফিরে আসার অনুমতি দিয়েছে ইরান। এও শোনা যাচ্ছিল, ভারতীয় বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্যের পরই কূটনৈতিক পদক্ষেপে ইরানের মন গলে যায়। তারপরেই নাকি রাশিয়া এবং চিনের মতো ভারতের জাহাজ হরমুজ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেয় তেহরান। এবার সেই দাবি সরাসরি খারিজ করলো পশ্চিম এশিয়ার দেশটি।

    টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান জানিয়েছে এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ভারতের জন্য আলাদা করে কোনও বিশেষ ব্যবস্থা করেনি তারা। ভারতের দুই জাহাজ হরমুজ পেরিয়ে অনেকটাই চলে এসেছে বলে জানা যাচ্ছিল এতক্ষণ। তবে ইরান সেই দাবি খারিজ করে জানাচ্ছে, হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশের আগে অবশ্যই তাদের অনুমতি নিতে হবে। অন্যথায় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    অবশ্যই পড়ুন: IPL শুরুর আগেই বড় ক্ষতি হয়ে গেল KKR তারকার!

    ইরানের তরফে ভারতীয় জাহাজ চলাচলের দাবি নস্যাৎ করার মাত্রই ফের বাড়ছে উদ্বেগ। বলাই বাহুল্য, বৃহস্পতিবার আমেরিকার জাহাজ লক্ষ্য করে জোরালো হামলা চালায় ইরান। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে সেই পণ্যবাহী তরী। এদিকে সংবাদ সংস্থা IANS জানিয়েছে, পুষ্পক এবং পরিমল নামক দুই ভারতীয় তেলের ট্যাংকার নিরাপদে হরমুজ পেরিয়েছে। তবে আমেরিকা, ইউরোপ এবং ইজরায়েলের জাহাজগুলি আটকেই রয়েছে।

  • IPL শুরুর আগেই বড় ক্ষতি হয়ে গেল KKR তারকার!

    IPL শুরুর আগেই বড় ক্ষতি হয়ে গেল KKR তারকার!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শেষ হয়ে গিয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (ICC Men’s T20 World Cup)। আর কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে বহু অপেক্ষিত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। ইতিমধ্যেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে IPL 2026 এর প্রথম পর্বের সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। 12 এপ্রিল পর্যন্ত ম্যাচের সূচি অনুযায়ী কলকাতা নাইট রাইডার্সের (Kolkata Knight Riders) প্রথম ম্যাচ আগামী 29 মার্চ। আর তার আগেই বড়সড় ধাক্কা খেলেন শাহরুখ খানের দলের মিস্ট্রি স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী। জানা যাচ্ছে, বিশ্বকাপে সেভাবে হাত খুলে উইকেট তুলতে না পারায় ভুগতে হল তাঁকে।

    KKR বোলারের জন্য দুঃসংবাদ

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের বোলারদের র‍্যাংকিং তালিকায় টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বের এক নম্বর বোলার ছিলেন ভারতের বরুণ চক্রবর্তী। তবে সেই মতো বিশ্বকাপে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি তিনি। ভারতীয় তারকার কাছ থেকে যতটা আশা ছিল দলের তা পূরণ হয়নি। এক কথায়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আশানুরূপ ফল করতে না পারায় ICC র র‍্যাংকিং তালিকায় বড় ধাক্কা খেলেন নাইট রাইডার্স সদস্য। যা তাঁর জন্য বড়সড় ক্ষতি বলাই যায়।

    বিশ্বকাপের পরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের তরফে প্রকাশিত টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিং তালিকায় নিজের শীর্ষস্থান হারিয়েছেন বরুণ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে KKR তারকার জায়গায় অর্থাৎ এক নম্বরে জায়গা পেয়েছেন আফগানিস্তানের রশিদ খান। অনেকেই বলছেন, বিশ্বকাপের মঞ্চে রহস্যময় স্পিনার বরুণের বোলিং রহস্য ধরে ফেলেছিলেন বহু ব্যাটসম্যান। তাতেই ব্যর্থ হতে হয়েছিল তাঁকে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের আগেই চূড়ান্ত ধাক্কা খেতে হল ভারতীয় বোলারকে।

    অবশ্যই পড়ুন: IPL-র আগেই খারাপ খবর! KKR এ খেলা প্লেয়ারকে নিষিদ্ধ করল ICC

    প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিং তালিকায় 740 পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে জায়গা পেয়েছেন বরুণ। অন্যদিকে 753 পয়েন্ট নিয়ে ভারতীয় তারকার আগের জায়গা অর্থাৎ এক নম্বরে রয়েছেন রশিদ খান। সবচেয়ে বড় কথা, গত এক সপ্তাহে কোনও ম্যাচ না খেলেই টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক নম্বর বোলার হয়ে গেলেন রশিদ। এদিকে IPL এর ঠিক আগে বোলারের এমন অবস্থা চিন্তা বাড়িয়েছে নাইট ম্যানেজমেন্টেরও।

  • ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলেও এই দেশগুলির তেল শেষ হবে না! তালিকায় আছে ভারত?

    ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলেও এই দেশগুলির তেল শেষ হবে না! তালিকায় আছে ভারত?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: থেমে থেমে অশান্ত হয়ে পড়ছে মধ্যপ্রাচ্য। আমেরিকা এবং ইজরায়েলের তরফে যে সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল তা বর্তমানে বহন করছে ইরান (Iran)। পরিস্থিতি কিছুটা বদলালেও ফের চরমে পৌঁছেছে উত্তেজনা। এদিকে ইরান এবং ইজরায়েল যুদ্ধ নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা বিশ্ব। বিশ্লেষক মহলের অনেকেই বলছেন, আপাতদৃষ্টিতে মনে হলেও এই যুদ্ধ এখনই থামবার নয়। এদিকে যুদ্ধের আবহে হরমুজ প্রণালীতে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইরান। পশ্চিম এশিয়ার এই দেশ স্পষ্ট বলেছে হরমুজ থেকে যদি কোনও দেশ তেল (Oil Reserves) নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে জাহাজে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে। যদিও ভারতীয় বিদেশমন্ত্রীর পদক্ষেপে হরমুজ থেকে ছাড়া হয়েছে ভারতীয় জাহাজ। কিন্তু তাও উদ্বেগ বাড়ছে পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম নিয়ে।

    গোটা বিশ্বে বাড়ছে তেলের দাম!

    একাধিক আন্তর্জাতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের আবহে বিশ্বের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম 30 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় অপরিশোধিত তেলের মূল্য ব্যারেল প্রতি 100 ডলারে পৌঁছেছে। তবে গোটা বিশ্বে তেলের দাম বাড়লেও ভারতে এখনও তেলের বাজার স্থিতিশীল। দাম বাড়েনি পেট্রোল এবং ডিজেলের। যদিও LPG র ঘাটতির কারণে রান্নার গ্যাসের দাম 60 টাকা বেড়েছে। দাম বেড়েছে পরিবহন জ্বালানি অর্থাৎ অটো গ্যাসের দামও। এমতাবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে পেট্রোল এবং ডিজেল নিয়ে বিশেষ সমস্যায় পড়বে না কোন দেশগুলি?

    বলাই বাহুল্য, গোটা বিশ্বে জ্বালানি তেল মজুদের নিরিখে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে আমেরিকা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার প্রায় 700 মিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুদ করে রেখেছে। যা বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে নিরাপদ রাষ্ট্রায়ত্ত তেল মজুদ। এছাড়াও জ্বালানি তেল মজুদ করে রাখার নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চিন। ড্রাগনের কাছে এই মুহূর্তে প্রায় 400 থেকে 500 মিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুদ রয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে জাপান। এই দেশের কাছে সরকারি এবং বেসরকারি মজুদ মিলিয়ে 440 মিলিয়ন ব্যারেল তেল রয়েছে।

    অবশ্যই পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে FIR দায়ের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের!

    তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এই দেশটির কাছে রয়েছে 200 মিলিয়ন ব্যারেল তেল। পঞ্চম স্থানে নাম লিখিয়েছে জার্মানি। এই দেশের কাছে প্রায় 170 মিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুদ রয়েছে। 6 নম্বরে নাম রয়েছে ফ্রান্সের। তাদের কাছে রয়েছে 120 মিলিয়ন ব্যারেল তেল। এর পাশাপাশি 76 মিলিয়ন ব্যারেল তেল নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে ইতালি, 60 থেকে 70 মিলিয়ন ব্যারেল তেল নিয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছে ব্রিটেন এবং নবম স্থানে জায়গা হয়েছে ভারতের। নয়া দিল্লির হাতে রয়েছে 5.33 মিলিয়ন মেট্রিক টন তেল। এছাড়াও শেষ অর্থাৎ দশম স্থানে রয়েছে স্পেন। এই দেশের কাছে 30 থেকে 50 মিলিয়ন ব্যারেল তেল আছে। অনেকেই মনে করছেন, যুদ্ধ দীর্ঘ দীর্ঘায়িত হলেও এই দেশগুলির পেট্রোল শেষ হবে না সহজে!

  • বাড়ছে ঋণের বোঝা, আর্থিক স্বাস্থ্যে বিহার-ইউপির পিছনে বাংলা! শেষ তিনে পশ্চিমবঙ্গ

    বাড়ছে ঋণের বোঝা, আর্থিক স্বাস্থ্যে বিহার-ইউপির পিছনে বাংলা! শেষ তিনে পশ্চিমবঙ্গ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: এবারেও পিছিয়ে বাংলা! আর্থিক স্বাস্থ্যের মাপকাঠিতে দেশের ১৮টি বড় রাজ্যের মধ্যে শেষ সারিতে দেখা গেল পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) নাম। সঙ্গে রয়েছে কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ ও পঞ্জাব। রিপোর্ট দেখে কপালে চিন্তার ভাঁজ প্রশাসনের। তবে কি রাজকোষের দুরাবস্থা অনুদানের কারণেই হচ্ছে? বড় তথ্য ফাঁস নীতি আয়োগ (Niti Aayog)।

    শেষের দিক থেকে তৃতীয় স্থান বাংলার

    দেশের বড় রাজ্যগুলির মধ্যে কার রাজকোষের অবস্থা কেমন, তা নিয়ে নীতি আয়োগ ২০২৬-এর দ্বিতীয় বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করা হল আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার। আর সেখানে পশ্চিমবঙ্গের রিপোর্ট দেখে চক্ষু চড়কগাছ সকলের। রাজকোষের স্বাস্থ্যের মাপকাঠিতে মোট ১৮টি রাজ্যকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল রাজ্যগুলির মধ্যে একবারে শেষে রয়েছে কেরল, পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও পঞ্জাব। অর্থাৎ শেষের দিক থেকে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে বাংলা। সেক্ষেত্রে নীতি আয়োগের মতে, পশ্চিমবঙ্গকে অবিলম্বে পরিকাঠামো তৈরি-সহ মূলধনী খাতে খরচে অগ্রাধিকার দিতে হবে। কর বাবদ আয় এবং কর ছাড়া অন্যান্য আয়— দুই ক্ষেত্রেই জোর দিতে হবে।

    West Bengalঋণের বোঝা কমছে না রাজ্যের

    গত বছরও নীতি আয়োগের রিপোর্টে পশ্চিমবঙ্গ শেষ সারিতেই ছিল। প্রথম শ্রেণিতে ছিল ওড়িশা, ছত্তীসগঢ়, গোয়া, ঝাড়খণ্ড ও গুজরাত। চতুর্থ বা সব থেকে খারাপদের শ্রেণিতে ছিল পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, পঞ্জাব। তবে এবার একধাপ এগিয়েছে। নীতি আয়োগ জানিয়েছে, উন্নয়ন খাতে খরচ ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গ সামান্য এগিয়ে এসেছে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিষেবা ক্ষেত্রে মূলধনী খাতে খরচ দ্বিগুণ হয়েছে। অর্থাৎ আর্থিক পরিকাঠামো ও সামাজিক পরিকাঠামোতে প্রশাসন যে জোর দিচ্ছে তা বোঝা যাচ্ছে। এছাড়াও রাজ্যের নিজস্ব দু’বছরে প্রায় ২৮ শতাংশ বেড়েছে। কিন্তু ঋণের বোঝা এবং পুরনো ঋণে সুদ মেটাতে গিয়ে রাজস্ব আয়ের পাঁচ ভাগের এক ভাগ খরচ হয়ে যাচ্ছে। সেখানে নজর দিতে হবে।

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে FIR দায়ের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের!

    এছাড়াও সামগ্রিক ভাবে নীতি আয়োগের আর্থিক স্বাস্থ্যের রিপোর্ট বলছে, গতবারের মত এবারেও রাজকোষ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ওড়িশা দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে। এছাড়াও প্রথম পাঁচে রয়েছে গোয়া, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাত। অন্যদিকে হরিয়ানা এক বছরে প্রভূত উন্নতি করেছে। পাশাপাশি বিহার, কর্নাটক, তেলঙ্গানা সামান্য উন্নতি করেছে। কিন্তু পিছনের শাড়ি গুলিতে রাজ্যগুলির উন্নতি খুবই ধীরগতিতে হচ্ছে। নীতি আয়োগের কর্তাদের মতে, আর্থিক অনুদান পাইয়ে দেওয়ার বদলে রাজ্যগুলিকে সঠিক পথে চালিত করা জরুরি। আর্থিক শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে বা আয় বুঝে ব্যয় করতে হবে।

  • ব্রিগেডে মোদির মেগা র‍্যালি! কর্মীদের জন্য উত্তরবঙ্গ থেকে ১৬ জোড়া স্পেশাল ট্রেন

    ব্রিগেডে মোদির মেগা র‍্যালি! কর্মীদের জন্য উত্তরবঙ্গ থেকে ১৬ জোড়া স্পেশাল ট্রেন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে, মুখ্যমন্ত্রীর সিংহাসন দখলের জন্য একদিকে যেমন মরিয়া বিরোধীরা, ঠিক তেমনই আবার সিংহাসন ধরে রাখতে তুমুল চেষ্টা করে চলেছে তৃণমূল। আর এই আবহে আগামী ১৪ মার্চ, শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মহাসভা (PM Modi Brigade Rally) হতে চলেছে। সভাস্থলে উপস্থিত থাকতে কর্মীদের জন্য উত্তরবঙ্গ থেকে ১৬ জোড়া বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হতে চলেছে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ নয়া রাজ্যপাল আর এন রবিকে।

    ১৬ জোড়া ট্রেনের ব্যবস্থা দলীয় কর্মীদের জন্য

    আগামী ১৪ মার্চ কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মহাসভা হতে চলেছে। একই দিনে রাজ্যে বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’র সমাপ্তি ঘটতে চলেছে। এদিকে ব্রিগেডের সভাকে সফল করতে টার্গেট করা হচ্ছে উত্তরবঙ্গকে। সেখানকার দলীয় কর্মীদের যাতে সভায় আসতে কোনো রকম সমস্যা না হয় তাই উত্তরবঙ্গ থেকে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হল রেলের তরফে। জানা গিয়েছে আপ ডাউন নিয়ে স্পেশাল ১৬ জোড়া ট্রেনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। উত্তরবঙ্গ বরাবরই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের ৫৪টি আসনের মধ্যে ৩০টিতে জয়লাভ করেছিল বিজেপি। তবে কি সেই কারণে এবার এই পদক্ষেপ? যদিও এই তত্ত্ব মানতে নারাজ বিজেপি।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি

    রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি গোস্বামী এই তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সভায় ভিড় উপচে পড়বে। শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, গোটা রাজ্যের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসবেন।’ সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবার, রাজ্যে আসছেন নরেন্দ্র মোদী। বেলা ১-৩৫ নাগাদ আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা বিমানবন্দরে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হাসিমারা সামরিক ঘাঁটি থেকে হেলিকপ্টারে কোকরাঝাড়ে যাবেন মোদি। পরেরদিন অর্থাৎ শনিবার অসমের শিলচর থেকে বেলা ১-২০ নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবং ১:৫০ নাগাদ ব্রিগেডের প্রশাসনিক সভা মঞ্চে উঠবেন।

    আরও পড়ুন: গ্যাসের আকাল! হাসপাতালে বন্ধ হতে পারে বিনামূল্যে রুটি-সবজি

    প্রসঙ্গত, ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গডকড়ী। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘শনিবার ব্রিগেডে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিমবঙ্গে চলছে হাইওয়ের একাধিক প্রকল্পের কাজ। জাতীয় সড়ক-সহ একাধিক প্রকল্পের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী।’ সেই অনুষ্ঠানে থাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

  • কাটবে পেট্রোল-ডিজেলের অনিশ্চয়তা, বাজারে ছাড়া হচ্ছে ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল

    কাটবে পেট্রোল-ডিজেলের অনিশ্চয়তা, বাজারে ছাড়া হচ্ছে ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে প্রভাব পড়ছে গোটা বিশ্বের জ্বালানি বাজারে। তেলের সরবরাহ (Oil Import) নিয়ে ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। যার ফলে বহু দেশের পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম আর সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা যাচ্ছে। ঠিক সেই পরিস্থিতিতে স্বস্তির বার্তা দিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা আইইএ (International Energy Agency)। সংস্থার তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, বিশ্ববাজারে তেলের ঘাটতি সামাল দেওয়ার জন্য সদস্য দেশগুলির জরুরী মজুদ থেকে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বাজারে ছাড়া হবে।

    কেন নেওয়া হচ্ছে এই সিদ্ধান্ত?

    ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে গোটা বিশ্বজুড়ে। আর বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহ বাড়িয়ে এই সংকট কিছুটা হলেও কমানোর যাবে। তাই এই সিদ্ধান্ত। সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরল জানিয়ে দিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি বিশ্ব তেলবাজারের জন্য সবথেকে চ্যালেঞ্জিং। জরুরি তেলের মজুদ বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারকে আরও স্থিতিশীল রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    বলে রাখি, এই ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি হল একটি আন্তর্জাতিক আন্তঃসরকারি সংস্থা। এদের মূল লক্ষ্য হল বিশ্ব জ্বালানির বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। আর বর্তমানে বিশ্বের ৩২টি দেশ এই সংস্থার সদস্য। জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিলে বা বাজারে কোনও রকম অস্থিরতা বাড়লে সদস্য দেশগুলোর জরুরী মজুদ থেকেই তেল ছেড়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। বর্তমানে সংস্থার সদস্য দেশগুলির কাছে আনুমানিক ১.২ বিলিয়ন ব্যারেলের বেশি জরুরী তেলের মজুদ রয়েছে। এছাড়াও শিল্প খাতের কাছে আরও ৬০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল সংরক্ষিত।

    আরও পড়ুন: হাওড়া-শিয়ালদা থেকে ১৮টি স্পেশাল ট্রেন চালাবে রেল, দেখুন রুট ও সময়সূচি

    কীভাবে আসবে এই তেল?

    আইইএ-এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সদস্য দেশগুলির পরিস্থিতি আর প্রয়োজন অনুযায়ী ধাপে ধাপে তেল বাজারে ছাড়া হবে। যার ফলে বিশ্ববাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং তেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনাও কমবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের চাপ কিছুটা কমতে পারে। কারণ, বিশ্বের সবথেকে বড় অংশের অপরিশোধিত তেল আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকেই। কিন্তু সেখানে এমনিতেই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তেলের আশঙ্কা। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ, সেখান থেকে ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। যদিও খুশির খবর এই যে, আজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে ইরান ভারতের জাহাজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করেছে।