Blog

  • লাগবে না গ্যাস-বিদ্যুৎ, রোদেই হবে রান্না! LPG সংকটে মুশকিল আসান এই উনুন

    লাগবে না গ্যাস-বিদ্যুৎ, রোদেই হবে রান্না! LPG সংকটে মুশকিল আসান এই উনুন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি আর সরবরাহের সমস্যা (LPG Crisis) দিনের পর দিন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প রান্নার উপায় খুঁজছে এখন আমজনতা। ঠিক এরকম সময় আলোচনায় উঠে আসছে সূর্যের আলোতে চলা সোলার কুকার (Solar Cooker)। এই প্রযুক্তিতে রান্নার জন্য প্রয়োজন হবে না কোনও এলপিজি গ্যাস বা বিদ্যুতের। বিশেষজ্ঞদের মতে, যে সমস্ত অঞ্চলে প্রচুর রোদ সেখানে সোলার কুকার হতে পারে একেবারে দারুণ বিকল্প।

    কীভাবে কাজ করে এই সোলার কুকার?

    সোলার কুকার মূলত বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির প্রয়োগ। এতে একটি রিফ্লেক্টর বা চকচকে পৃষ্ঠ থাকে, যেটি সূর্যের আলোকে নির্দিষ্ট জায়গায় কেন্দ্রীভূত করে রাখে। আর ওভেনের ভেতরের অংশ সাধারণত কালো রঙের হয়ে থাকে, যাতে সূর্যের তাপ সহজেই শোষিত হয়। আর উপরে কাঁচের ঢাকনা থাকার কারণে ভিতরে গ্রীনহাউস ইফেক্ট তৈরি হয় এবং তা বাইরে যেতে পারে না। এভাবে সোলার কুকারের ভিতরে তাপমাত্রা অনেক সময় ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি হয়ে যায়, যা কিনা ভাত, ডাল, সবজি বা অন্যান্য সাধারণ খাবার রান্নার জন্য একেবারে পারফেক্ট।

    তবে হ্যাঁ, বর্তমানে বাজারে মূলত দুই ধরনের সোলার কুকার পাওয়া যায়। প্রথমত রয়েছে বক্স টাইপ কুকার। এই ধরনের কুকারগুলি ছোট পরিবারের জন্য উপযোগী। এর দাম ২৫০০ টাকা থেকে ৪৫০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। আর দ্বিতীয়ত রয়েছে প্যারাবোলিক সোলার কুকার। এগুলি দ্রুত তাপ তৈরি করতে পারে আর তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর। এর দাম ৫০০০ থেকে ৮০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। এগুলি অনলাইনে অ্যামাজন বা ফ্লিপকার্টের মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম থেকে অনায়াসে কিনে নিতে পারবেন।

    সোলার কুকারের প্রধান সুবিধা

    জানিয়ে রাখি, সোলার কুকার ব্যবহার শুধুমাত্র যে খরচ বাঁচাবে এমনটাই নয়, বরং পরিবেশের দিক থেকেও এটি উপকারী। কারণ, এক্ষেত্রে রান্নার জন্য গ্যাস বা বিদ্যুতের প্রয়োজন তো পড়েই না, পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে রান্নার খরচ একেবারে শুন্য নেমে আসে। আর ধীরে রান্না হওয়ার কারণে খাবারের পুষ্টিগুণ অনেকটাই বাড়ে। পাশাপাশি গ্যাস লিকেজ বা আগুন লাগার ঝুঁকিও থাকে না, এবং  রক্ষণাবেক্ষণ খুবই সহজে করা যায়।

    আরও পড়ুন: LPG সংকটের জের, রেস্তোরাঁর বিলের সাথে যুক্ত হচ্ছে গ্যাসের চার্জ!

    এক্ষেত্রে উল্লেখ করার বিষয়, সোলার কুকার ব্যবহার করার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যেমন, এমন জায়গায় এই কুকার রাখতে হবে যেখানে কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সরাসরি রোদ পড়ে, বিশেষ করে ছাদ বা বারান্দায় ব্যবহার করলে সবথেকে ভালো। তাছাড়া রান্নার জন্য কালো রঙের পাত্র ব্যবহার করুন। এতে দ্রুত তাপ শোষণ হয়। আর সকাল দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে খাবার রাখলে দুপুরের মধ্যেই তা রান্না হয়ে যাবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • মিটবে মুস্তাফিজুরের অভাব! IPL শুরুর আগেই ভয়ঙ্কর পেসারকে কিনে নিল KKR

    মিটবে মুস্তাফিজুরের অভাব! IPL শুরুর আগেই ভয়ঙ্কর পেসারকে কিনে নিল KKR

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: জল্পনাই সত্যি হল। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মাঠ কাঁপানো পেসার তথা জিম্বাবুয়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ব্লেসিং মুজারাবানিকে দলে নিয়ে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders)। বলাই বাহুল্য, মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার পর যথেষ্ট চাপে পড়ে গিয়েছিল শাহরুখ খানের দল। এরপর 18 কোটির মাথিশা পাথিরানা চোট পেতেই নাইট ম্যানেজমেন্টের মাথাব্যথা আরও বাড়ে। এদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেই চোট পান আরেক তারকা হর্ষিত রানা। সবমিলিয়ে, IPL শুরুর আগেই কার্যত মাথায় হাত পড়ে গিয়েছিল নাইট ভক্তদের। এবার সেই চিন্তা দূর করতেই নাইট শিবিরে পা রাখলেন জিম্বাবুয়ের দাপুটে বোলার।

    জিম্বাবুয়ে তারকাকে কেনার খবর জানাল KKR

    সম্প্রতি শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একের পর এক উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের শক্তি বাড়িয়েছিলেন ব্লেসিং। বলা চলে, এই বোলারের জোরেই গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া এবং শ্রীলঙ্কার মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়েছিল আফ্রিকার দেশটি। জিম্বাবুয়ের এই বোলারের সামনে ব্যাট উঁচিয়ে রান করতে গিয়ে বারবার মুখ থুবড়ে পড়েছেন বহু ব্যাটসম্যান। ভারতীয় দলের সামনেও ক্ষমতা জাহির করে টিম ইন্ডিয়ার প্লেয়ারদের উইকেট তুলেছেন তিনি। মূলত সে কারণেই এই প্লেয়ারের উপর প্রথম থেকেই নজর ছিল লাইট ম্যানেজমেন্টের।

    আগেই শোনা গিয়েছিল, কলকাতা নাইট রাইডার্স ম্যানেজমেন্ট এর তরফে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালীনই যোগাযোগ করা হয় জিম্বাবুয়ের তারকা পেসার মুজারাবানির সাথে। বেশ কয়েকটি সূত্র এও দাবি করেছিল, আফ্রিকার এই তারকা পেসারকে দলে নেওয়ার জন্য যাবতীয় কথাবার্তা পাকা করে ফেলেছিল কলকাতা। অপেক্ষা ছিল শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক ঘটনার। শুক্রবার সন্ধ্যায় সেটাও করে ফেলল KKR। নিজেদের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে জিম্বাবুয়ের তারকা প্লেয়ারকে দলে নেওয়ার খবর জানিয়েছে শাহরুখ খানের ম্যানেজমেন্ট। অনেকেই বলছেন, বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমানের অভাব মেটাতে পারবেন ব্লেসিং।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ফের সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত! রবি থেকে দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগের ইঙ্গিত, আগামীকালের আবহাওয়া

    উল্লেখ্য, গত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে চরম ব্যর্থ হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। পয়েন্ট তালিকার 8 নম্বরে থেকে যাত্রা শেষ করতে হয়েছিল তাদের। মূলত সে কারণেই নতুন সিজেনে সর্বশক্তি দিয়ে কামব্যাক করতে প্রধান কোচ থেকে শুরু করে অন্যান্য কোচিং স্টাফ এমনকি একের পর এক শক্তিশালী প্লেয়ার কিনে IPL 2026 এর জন্য পুরোপুরি তৈরি শহরের এই ঐতিহ্যবাহী দলটি।

  • ফের সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত! রবি থেকে দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগের ইঙ্গিত, আগামীকালের আবহাওয়া

    ফের সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত! রবি থেকে দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগের ইঙ্গিত, আগামীকালের আবহাওয়া

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফাল্গুন মাস প্রায় শেষের মুখে, কিন্তু আবহাওয়ার খামখেয়ালি রূপ এখনও কাটেনি। বসন্তের আকাসে উঁকি মারছে কালো মেঘ। গতকাল সন্ধ্যায় কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বেশ বৃষ্টি (Weather Tomorrow) হয়েছিল, কিন্তু তাতেও ঠান্ডা হয়নি আবহাওয়া, অস্বস্তি ছিলই। তবে খবর পাওয়া যাচ্ছে ঘূর্ণাবর্তের জেরে ফের রবি থেকেই বৃষ্টি হতে চলেছে দক্ষিণবঙ্গে।

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। আবার এই ঘূর্ণাবর্তের সঙ্গে একটি অক্ষরেখাও যুক্ত হয়েছে। এর ফলে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প রাজ্যের বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করছে, যা ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে। এর প্রভাবে আগামী রবিবার, থেকে কলকাতার কয়েকটি এলাকায় হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও বজায় থাকবে অস্থির আবহাওয়া। একনজরে জেনে নেওয়া যাক কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী আগামীকাল অর্থাৎ শনিবার, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা আগামীকাল নেই বললেই চলে। রোদের তাপ থাকবে বেশ, তবে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমের দাপট দেখা যাবে। তবে আগামী রবিবার থেকে হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টির প্রভাব কিছুটা বাড়তে পারে। যদিও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা কোথাও নেই। বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।

    আরও পড়ুন: LPG সংকটের জের, রেস্তোরাঁর বিলের সাথে যুক্ত হচ্ছে গ্যাসের চার্জ!

    উত্তরবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কম থাকলেও উত্তরবঙ্গে এখনও চলছে বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস আগামীকাল, শনিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং দার্জিলিং, কোচবিহার-সহ উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে আগামী কয়েক দিনে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া কিছুটা কমতে পারে। জানা গিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত বৃষ্টির মেজাজ থাকবে উত্তরবঙ্গে।

  • হাওড়ার তিন রুটে ৩টি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা রেলের, রইল সময়সূচি

    হাওড়ার তিন রুটে ৩টি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা রেলের, রইল সময়সূচি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দোল বা হোলি মিটে যাওয়ার পরেই রেলের তরফে স্পেশাল ট্রেন চালানোর ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। এবারও যার ব্যতিক্রম ঘটল। আপনিও যদি ট্রেনে ভ্রমণ করতে পছন্দ করে থাকেন, বিশেষ করে হাওড়া ডিভিশন ভালো লাগে, তাহলে আপনার জন্য রইল সুখবর। আসলে হাওড়া রুটে এবার একটা বা দুটো নয়, একসঙ্গে তিনটি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা করেছে পূর্ব রেল (Howrah Special Train)। বিভিন্ন রুটে এই ট্রেন ছুটবে। সবথেকে বড় কথা, কনফার্ম সিটের জন্য ভাবনাচিন্তা করতে হবে না, কারণ এই ট্রেন পুরোপুরি অসংরক্ষিত। চলুন জেনে নেওয়া যাক পূর্ব রেল কোন কোন রুটে বিশেষ ট্রেন দিয়েছে।

    হাওড়া রুটে ৩টি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা রেলের

    পূর্ব রেলের তরফে ইতিমধ্যে তিনটি ট্রেনের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রেল ট্রেন নম্বর ০৩৫৪০/০৩৫৩৯ বরাকর-হাওরা-বরাকর স্পেশাল, ট্রেন নম্বর ০৩৫৪৪/০৩৫৪৩ দুর্গাপুর-হাওড়া-দুর্গাপুর এবং ০৩৫৪৬/০৩৫৪৫ সিউড়ি-হাওড়া-সিউড়ি স্পেশাল ট্রেন চালাবে। ইতিমধ্য এই ট্রেনগুলির সময়সূচী অবধি সামনে এসেছে।

    বরাকর-হাওড়া-বরাকর স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী

    আজ ১৩ মার্চ বরাকর-হাওড়া স্পেশাল রাত ২২:৫৫ মিনিটে বরাকর ছেড়ে যাবে এরপর ট্রেনটি পরের দিন অর্থাৎ ১৪ মার্চ ভোর ৪:২০ মিনিটে হাওড়া স্টেশনে ঢুকবে। ফিরতি পথে ট্রেনটি সেদিনই রাত ২০:৫০ মিনিটে হাওড়া থেকে ছেড়ে বরাকর ঢুকবে পরের দিন ১৫ মার্চ ভোর ৩:০০টে নাগাদ। যাত্রাপথে ট্রেনটি উভয়মুখেই কুলটি, সীতারাম্পুর, বরাচক, কালীপাহাড়ী, রাণীগঞ্জ, অন্ডাল এবং বর্ধমান স্টেশনে থামবে। এটি মেল/এক্সপ্রেস ক্যাটেগরির অসংরক্ষিত ট্রেন।

    দুর্গাপুর-হাওড়া-দুর্গাপুর স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী

    এই স্পেশাল ট্রেনটি দুর্গাপুর থেকে ১৪ মার্চ সকাল ৬টার সময় ছেড়ে যাবে এবং হাওড়া ঢুকবে সকাল ১০:৩০টা নাগাদ। এরপর ফিরতি পথে সেদিনই হাওড়া থেকে সন্ধে ১৯:১৫ মিনিটে ছেড়ে যাবে এবং দুর্গাপুর ঢুকবে রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ। এই স্পেশাল ট্রেনটি যাত্রাপথে বর্ধমান, মানকর স্টেশনে থামবে।

    আরও পড়ুনঃ হাওড়ার তিন রুটে ৩টি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা রেলের, রইল সময়সূচি 

    সিউড়ি-হাওড়া-সিউড়ি স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী

    এবার আসা যাক সিউড়ি-হাওড়া-সিউড়ি বিশেষ ট্রেন সম্পর্কে। রেল জানিয়েছে, সিউড়ি থেকে আজ রাত ২২:০০ নাগাদ ট্রেনটি ছেড়ে পরের দিন ১৪ মার্চ ভোর ৪:৫০ মিনিটে হাওড়া ঢুকবে। এরপর ফিরতি পথে ট্রেনটি হাওড়া থেকে সন্ধে ৭টা নাগাদ ছেড়ে যাবে এবং সিউড়ি ঢুকবে ১৫ মার্চ ভোর ৩:৩০ মিনিট নাগাদ। যাত্রাপথে বিশেষ ট্রেনটি কচুজোড়, চিনপাই, দুবরাজপুর, পাঁচরা, ভীমগড়া, পান্ডবেশ্বর এবং উখড়া স্টেশনেও থামবে বলে খবর।

  • ভারতের থেকে আরও ডিজেল চাইছে বাংলাদেশ, কী বলছে দিল্লি?

    ভারতের থেকে আরও ডিজেল চাইছে বাংলাদেশ, কী বলছে দিল্লি?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ (Middle East War) পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে দিনের পর দিন বাড়ছে অনিশ্চয়তা। আর এই পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশ আবারো ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের জন্য কাকুতিমিনতি জানালো (Bangladesh Import Diesel From India)। বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত সরকার এমনটাই খবর। শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজেই একথা জানিয়েছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্রের রনধীর জয়সওয়াল।

    ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির অনুরোধ বাংলাদেশের

    বলে রাখি, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা নতুন কিছু নয়। বহু বছর ধরেই ভারতের বিভিন্ন শোধনাগার থেকে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ করা হয়ে থাকে। বিশেষ করে অসমের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে বাংলাদেশে নিয়মিত ডিজেল পাঠানো হয়। এমনকি ২০০৭ সাল থেকে এই সরবরাহ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সেই অনুযায়ী, মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে পাঠানোর কথা। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির মধ্যে ইতিমধ্যেই ৫ হাজার টন ডিজেল ওপার বাংলায় পাঠিয়েছে ভারত সরকার, যার সিংহভাগে গিয়েছে পাইপলাইনের মাধ্যমে।

    এছাড়াও দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা আরও মজবুত করার জন্য ২০১৭ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সেই চুক্তিতে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন একত্রিত হয়। আর এই চুক্তির ভিত্তিতেই বর্তমানে ডিজেল সরবরাহ চলছে। এমনকি সম্প্রতি ওপার বাংলার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকে করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভর্মা।

    ঢাকায় অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের পর দুই দেশের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বাংলাদেশে অতিরিক্ত জ্বালানির সরবরাহ করার অনুরোধ জানিয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত ভারত সরকারের তরফ থেকে কোনও সদুত্তর আসেনি। কিন্তু হ্যাঁ, ওপার বাংলার একাধিক হত্যাকাণ্ড যেমন শরিফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুতে গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে কিনা বা তাদের সঙ্গে বাংলাদেশী কর্তাদের দেখা করার কোনও অনুমতি দেওয়া হবে কিনা সেই প্রশ্ন করা হলে এদিন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র এড়িয়ে যান। এমনকি ডিজেল সরবরাহ নিয়েও কোনও রকম মন্তব্য করেননি। সবটাই নির্ভর করছে নয়াদিল্লির উপর।

    আরও পড়ুন: পুলিশের উপরেও চলবে নজরদারি? ভোটে নিরাপত্তা জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ কমিশনের

    অন্য দেশও জানিয়েছে অনুরোধ

    এদিকে রনধীর জয়সওয়াল এও জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশের পাশাপাশি শ্রীলংকা এবং মালদ্বীপও ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের জন্য অনুরোধ করেছে। কিন্তু হ্যাঁ, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভারতের নিজস্ব জ্বালানির চাহিদা, শোধনাগরের উৎপাদন ক্ষমতা আর মজুদ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হবে বলেই জানানো হয়েছে মুখপাত্রের তরফ থেকে।

  • রেশনে অর্ধেক খরচে কিনতে পারবেন কেরোসিন! বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    রেশনে অর্ধেক খরচে কিনতে পারবেন কেরোসিন! বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইরান যুদ্ধের আঁচ পড়েছে ভারতেও। রাজ্যগুলিতে দেখা দিয়েছে গ্যাস সিলিন্ডারের (LPG) আকাল। এর জেরে উদ্বেগ বেড়েছে আমজনতার। ফোন বুকিং করা সত্ত্বেও গ্যাস ডিলারের দোকানের সামনে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে ক্রেতাদের। কেউ কেউ তো আবার 4 দিন আগে গ্যাস বুক করেও এখনও হাতে পাননি সিলিন্ডার। রেস্তোরা গুলোর অবস্থা আরও খারাপ। সব মিলিয়ে, গ্যাস সিলিন্ডারের যোগান নিয়ে ক্রমশ চিন্তা বাড়ছে সাধারণ মানুষের। ঠিক সেই পরিস্থিতিতে এবার রেশন দোকান থেকে কেরোসিন (Kerosene) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। এখন প্রশ্ন, কত দামে মিলবে কেরোসিন?

    কত টাকায় পাওয়া যাবে কেরোসিন?

    সময় যত গড়াচ্ছে গ্যাস নিয়ে ততই বাড়ছে উদ্বেগ। শহরের ক্ষেত্রে প্রথম গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং করার পর দ্বিতীয় গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে হলে অন্তত 25 দিন অপেক্ষা করতেই হবে। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলের ক্ষেত্রে সেই অপেক্ষা আরও দীর্ঘ। গ্রামের বাসিন্দারা 45 দিনের মধ্যে দ্বিতীয় গ্যাস বুক করার সুযোগ পাবেন। এক কথায়, গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে মাথায় হাত সাধারণ মানুষের। এমতাবস্থায়, কেরোসিনের চাহিদা বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    অনেকেরই বক্তব্য, শহরে না হলেও গ্রামাঞ্চলে কেরোসিনের ব্যবহার বাড়তে পারে। সে কারণেই খোলা বাজারে কেরোসিনের দাম অনেকটাই বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। আপাতত যা খবর, বর্তমানে খোলা বাজারে এক লিটার কেরোসিনের দাম 100 টাকা। তবে এই দাম চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে পরিবর্তন হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এদিকে, কেরোসিনের চাহিদা বাড়তে পারে এমন ভাবনা থেকেই এবার রেশন দোকান থেকে কেরোসিন বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

    এখন প্রশ্ন কত দামে পাওয়া যাবে কেরোসিন? যা খবর, বাজারে কেরোসিনের যা দাম থাকবে সেই দামের তুলনায় অন্তত 45 থেকে 50 শতাংশ কম দামে রেশন দোকান থেকে কিনতে পারবেন কেরোসিন। কয়েকটি সূত্র মারফত খবর, বাজার যাচাই করে রেশন দোকান থেকে খুব বেশি হলে 52 টাকা থেকে 55 টাকার মধ্যে পাওয়া যেতে পারে কেরোসিন। ।

    অবশ্যই পড়ুন: রোহিত, কোহলিকে নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত BCCI-র

    রাজ্যগুলিকে বিপুল পরিমাণ কেরোসিন বরাদ্দ কেন্দ্রের

    বেশ কয়েকটি রিপোর্ট অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে বাংলা তথা দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলিতে গ্যাস সিলিন্ডারের আকাল দেখা দেওয়ায় রাজ্যগুলির রেশন দোকান থেকে কেরোসিন সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেক রাজ্যকে 40 হাজার কিলো লিটারেরও বেশি কেরোসিন বরাদ্দ করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সব ঠিক থাকলে আগামী কিছুদিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত মতোই রাজ্যের রেশন দোকানগুলি থেকে শুরু হয়ে যাবে কেরোসিন বন্টনের কাজ।

  • জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ১৯৩ সাংসদের স্বাক্ষর, সরানো সম্ভব নির্বাচন কমিশনারকে?

    জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ১৯৩ সাংসদের স্বাক্ষর, সরানো সম্ভব নির্বাচন কমিশনারকে?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Election 2026) ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি রাজ্য রাজনীতিতে। আর এমন পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে জ্ঞানেশ কুমারকে (CEC Gyanesh Kumar) সরাতে উঠে পড়ে লেগেছে বিরোধীরা। জানা গিয়েছে, আজ সংসদে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব পেশ করলেন ইন্ডিয়া জোটের বিরোধীরা। প্রশ্ন উঠছে তবে কি বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বিদায় ঘন্টা বাজবে জ্ঞানেশ কুমারের।

    জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নোটিস বিরোধীদের

    সূত্রের খবর, প্রস্তাবে মোট ১৯৩ জন বিরোধী সাংসদ সই করেছেন। তাঁদের মধ্যে লোকসভার সাংসদ রয়েছেন ১৩০ জন। রাজ্যসভার সাংসদ রয়েছেন ৬৩ জন। আর উল্লেখযোগ্য বিষয় হল সাংসদদের অধিকাংশ ‘ইন্ডিয়া’-র সদস্য। তবে ওই বিরোধী শিবিরের অংশ না হয়েও আম আদমি পার্টির সাংসদেরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশের অপসারণ চেয়ে সই করেছেন। বেশ কয়েক জন নির্দল সাংসদও নোটিসে সই করেছেন। অবাক করা বিষয় হল সংসদীয় ইতিহাসে এই প্রথম এই প্রথম কোনও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে সংসদের দুই কক্ষে প্রস্তাব জমা পড়ল।

    উঠে এসেছে একাধিক অভিযোগ!

    শুরু থেকেই জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ-সহ বেশ কিছু অবিজেপিশাসিত রাজ্যে একাধিক বার পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। তিনি বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ ওঠে। তাই এবার তাঁকে অপসারণের জন্য সংসদে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ৭টি অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট বা বৈষম্যমূলক আচরণ। এছাড়া, নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বিপুল সংখ্যার ভোটারদের ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করারও অভিযোগ উঠেছে নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: ৫টি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য নয়া উন্নয়ন পর্ষদ গঠনের ঘোষণা নবান্নের

    সরানো সম্ভব নির্বাচন কমিশনারকে?

    উল্লেখ্য, দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে অপসারণের পদ্ধতি সুপ্রিম কোর্ট বা হাই কোর্টের বিচারপতিকে অপসারণের মতোই। আসলে ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪(৫) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের কোনও বিচারপতিকে যে কারণে ও যে প্রক্রিয়ায় সরানো যায়, সেই একই প্রক্রিয়ায় কোনও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে হয়। সেক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট বা রাষ্ট্রপতির অর্ডার দরকার। এছাড়াও বিচারপতিকে সরাতে হলে সংসদের দুই কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে ভোটাভুটি করতে হবে। তারপরই রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত নেন। আজ সেই মতো নোটিস জমা দেওয়া হয়েছে। এখন দেখার এর ফলাফল কী হয়।

  • আগামী রবিবার ফের বন্ধ বিদ্যাসাগর সেতু, কতক্ষণ? জানাল কলকাতা পুলিশ

    আগামী রবিবার ফের বন্ধ বিদ্যাসাগর সেতু, কতক্ষণ? জানাল কলকাতা পুলিশ

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: শিয়রে রয়েছে বিধানসভা ভোট। কিন্তু তার আগে ফের একবার দুর্ভোগের শিকার হতে চলেছেন সাধারণ মানুষ। আসলে আবারও একবার বিদ্যাসাগর সেতু (Vidyasagar Setu) বন্ধ থাকতে চলেছে। আগামী রবিবার সেতুটি বন্ধ থাকবে বলে খবর। এর ফলে নতুন করে সাধারণ মানুষের ব্যাপক হয়রানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। আপনিও কি রোজ এই সেতুর ওপর দিয়ে যাতায়াত করেন? তাহলে আপনার জন্য রইল আজকের খবরটি।

    ফের বন্ধ থাকবে বিদ্যাসাগর সেতু

    বিদ্যাসাগর সেতু প্রসঙ্গে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশ। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১৫ মার্চ, রবিবার রক্ষনাবেক্ষণের জন্য বিদ্যাসাগর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোর ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা অর্থাৎ টানা ১২ ঘন্টা বন্ধ থাকবে সেতুটি। সাধারণ মানুষকে বিকল্প রাস্তা দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে, সেতু বা এর অন্য কোনো পথ দিয়ে কোনও যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না।  হেস্টিংস ক্রসিং হয়ে এজেসি বোস রোড, কেপি রোড এবং সিজিআর রোড সহ বিকল্প রুট দিয়ে যানবাহন চলাচল করানো হবে। হাওড়া এবং স্ট্র্যান্ড রোডের দিকে যাওয়া যানবাহনগুলিকে নির্ধারিত ডাইভারশন অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কেন বন্ধ রাখা হবে?

    প্রশ্ন উঠছে, ফের কেন সেতুটি বন্ধ রাখা হবে?  পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সেতুর স্টে কেবল, হোল্ডিং ডাউন কেবল এবং বেয়ারিং বদলের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত কাজ করা হবে। সেই কারণেই এই সময়ের মধ্যে সেতু এবং তার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত র‌্যাম্প দিয়ে কোনও যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। গত ২০২৩ সাল থেকে কাজ চলছে ব্রিজের। তবে এখনো অবধি সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। এদিকে সামনেই বিধানসভা ভোট রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, আর কতদিন লাগবে কাজ শেষ হতে? উত্তর জানা নেই কারোর।

    আরও পড়ুনঃ ঠাকুরনগর থেকে এক ট্রেনে নৈনিতাল! স্পেশাল ট্রেন দিল রেল, জানুন রুট ও সময়সূচি

    বিকল্প রুট কী?

    পুলিশ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, আলিপুর থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতুর দিকে আসা যানবাহনগুলিকে হেস্টিংস ক্রসিংয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে এবং তারপরে স্ট্র্যান্ড রোড ধরে আরও উত্তরে হাওড়া সেতুর দিকে যেতে নির্দেশ দেওয়া হবে। ডাইভারশন পরিকল্পনা অনুসারে, খিদিরপুর  রোড থেকে সেতুর দিকে যাওয়া যানবাহনগুলিকে ১১ ফার্লং গেট থেকে হেস্টিংস ক্রসিংয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে এবং তারপর স্ট্র্যান্ড রোড ধরে হাওড়া ব্রিজের দিকে যেতে হবে। এছাড়াও সার্কুলার গার্ডেন রিচ রোড ধরে সেতুর দিকে যাওয়া ছোট এবং ভারী যানবাহনগুলি হেস্টিংস ক্রসিং থেকে সেন্ট জর্জেস গেট রোড এবং স্ট্র্যান্ড রোডের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে।

  • LPG সংকটের জের, রেস্তোরাঁর বিলের সাথে যুক্ত হচ্ছে গ্যাসের চার্জ!

    LPG সংকটের জের, রেস্তোরাঁর বিলের সাথে যুক্ত হচ্ছে গ্যাসের চার্জ!

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এবার থেকে হোটেল বা রেস্তোরাঁয় খেতে গেলে হয়তো একটু বাড়তি খরচ করতে হতে পারে (Restaurant Extra Charges)। কারণ, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কিছু রেস্তোরাঁ গ্রাহকদের বিলের সঙ্গে এলপিজি সারচার্জ বা গ্যাস ফি যুক্ত করে দিচ্ছে। হ্যাঁ, পশ্চিম এশিয়ায় চলা সংঘাতের জেরে রান্নার গ্যাসের টানাটানি (LPG Crisis) এমনিতেই ভারতে। আর সেই পরিস্থিতিতেই এবার বিরাট সিদ্ধান্ত নিচ্ছে রেস্তোরাঁর মালিকরা।

    বিলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে এলপিজি সারচার্জ

    রেস্তোরাঁর মালিকরা দাবি করছে, বর্তমানে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দাম আর সরবরাহ দুটোই অনিশ্চিত। এই কারণে অনেক জায়গায় রেস্তোরাঁগুলিকে অতিরিক্ত খরচ করতে হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু কিছু রেস্তোরাঁ বা হোটেল গ্যাসের অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আর সেই খরচ সামাল দেওয়ার জন্যই কিছু রেস্তোরাঁ গ্রাহকদের বিলের মধ্যে গ্যাস ফি বা এলপিজি সারচার্জ নামে আলাদা চার্জ যুক্ত করছে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিল ভাইরাল হয়েছে। আর সেখানে Geeraas Restaurant নামে একটি রেস্তোরাঁ গ্রাহকের বিলের সঙ্গে ৯.৫২ টাকা গ্যাস ফি যুক্ত করেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, এই ধরনের অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া ঠিক কতটা যুক্তিযুক্ত?

    এমনকি শুধুমাত্র রেস্তোরাঁ নয়, বরং দেশের বিভিন্ন শহরে কিছু কিছু খাবারের দোকান বিলের মধ্যে নতুন করে লাইন আইটেম যুক্ত করেছে। যেমন এলপিজি রিভিশন চার্জ, গ্যাস সাপ্লাই ইস্যু ফি, ফুয়েল অ্যাডজাস্টমেন্ট চার্জ। আর এসবের অর্থ একটাই, গ্যাসের দাম বাড়ার কারণে সেই অতিরিক্ত খরচের একটা অংশ গ্রাহকদের উপরেই চাপানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তৃণমূলের হেভিওয়েট বিধায়ক, ছড়াল জল্পনা

    এদিকে সব রেস্তোরাঁ সরাসরি চার্জ নিচ্ছে না। বরং অনেক জায়গায় আবার মেনুতে খাবারের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, বেঙ্গালুরুর Krishna Vaibhava নামক এক রেস্তোরাঁর বেশ কয়েকটি খাবারের দাম ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আসলে ভারতের রান্নার গ্যাসের একটি বৃহৎ অংশ আমদানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্য থেকে। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে সেই সরবরাহে কিছুটা সমস্যা দেখা যাচ্ছে। যার ফলে বাজারে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম আর সরবরাহ দুটোই অনিশ্চিত। আর তারই প্রভাব পড়ছে হোটেল বা রেস্তোরাঁর মালিকদের উপর।

  • রোহিত, কোহলিকে নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত BCCI-র

    রোহিত, কোহলিকে নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত BCCI-র

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এতদিন 20 ওভারের সীমিত সংস্করণে মনোযোগী হয়েছিল টিম ইন্ডিয়া (India)। তবে ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সেই আসরে জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন পেয়েছে ভারত। এখন নজর 2027 ওয়ানডে বিশ্বকাপে। এই আসরে খেলার প্রবল ইচ্ছা রয়েছে ভারতীয় দলের দুই মহাতারকা রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির (BCCI On RO-KO)। শোনা যাচ্ছে, এই দুই ক্রিকেটারের জন্যই এবার বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাতে বদলে যেতে পারে পূর্ব নির্ধারিত ক্রিকেট সূচিও।

    রোহিত এবং বিরাটকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত BCCI র

    বছর পেরোলেই একদিনের বিশ্বকাপ। সেই আসরে জেতাটাই প্রধান লক্ষ্য টিম ইন্ডিয়ার ম্যানেজমেন্টের। একদিনের ক্রিকেটে ভারতীয় দলের অন্যতম স্তম্ভ রোহিত এবং বিরাট। তবে সমস্যা একটাই, এই দুজন ক্রিকেটার এই মুহূর্তে ওয়ানডে ছাড়া আর কোনও ফরম্যাটে খেলছেন না। এক কথায়, ক্রিকেটে নিয়মিত না থাকার কারণে দুই প্লেয়ারকে নিয়ে চিন্তায় পড়েছে বোর্ড। মূলত সে কারণে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলিকে ক্রিকেটে রাখতে এবং 22 গজে এই দুই প্লেয়ারকে নিয়মিত খেলানোর উদ্দেশ্যেই এবছর ওয়ানডে সিরিজের সংখ্যা বাড়াতে পারে BCCI।

    শোনা যাচ্ছে, পূর্ব নির্ধারিত ওয়ানডে সিরিজ গুলিতে ম্যাচের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন করে দু একটা ওয়ানডে সিরিজ ঘোষণা করে দিতে পারে ভারতে ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। উদ্দেশ্য একটাই, আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য ভারতীয় দলকে পুরোপুরি তৈরি করা। বিশেষ করে রোহিত এবং বিরাট যারা এই মুহূর্তে একদিনের ক্রিকেট ছাড়া অন্য কোনও সংস্করণে নেই, তাঁদেরকে বিশ্বকাপের জন্য একেবারে সবদিক থেকে প্রস্তুত করাই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অন্যতম লক্ষ্য।

    অবশ্যই পড়ুন: গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে করাচি, কোয়েটা, ইসলামাবাদ! পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি তালিবানের

    প্রসঙ্গত, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ শেষ করে ওয়ানডে সিরিজ খেলার জন্য ইতিমধ্যেই নাকি একাধিক দেশের তরফে অনুরোধ পেয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। আপাতত পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী জুন মাসে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে ভারত। এরপর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ শেষ করে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও একদিনের সিরিজ খেলার কথা রয়েছে। এরই মাঝে শোনা যাচ্ছে, শ্রীলঙ্কা সহ আরও কিছু দেশের তরফে অনুরোধ পাওয়ার পর তাদের সাথে ওয়ানডে সিরিজ আয়োজন করা যায় কি না সেটা বিবেচনা করে দেখছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।