Blog

  • শ্রবণা নক্ষত্রে অর্থের সিংহাসনে বসবে ৫ রাশি! আজকের রাশিফল, ১৫ মার্চ

    শ্রবণা নক্ষত্রে অর্থের সিংহাসনে বসবে ৫ রাশি! আজকের রাশিফল, ১৫ মার্চ

    সৌভিক মুখার্জী, তারাপীঠ: আজ ১৫ মার্চ, রবিবার। আজকের রাশিফল (Daily Horoscope) দেখেই শুরু করুন দিনটি। পঞ্জিকা বলছে, আজ সূর্য মীন রাশিতে আজ চন্দ্র মকর রাশিতে বিরাজ করছে। আজ শ্রবণা নক্ষত্রের প্রভাব পড়বে গোটা দিনটির উপর। একাদশী তিথির এই বিশেষ দিনটিতে পরিঘ যোগ বিরাজ করছে। আজ সূর্যোদয় হবে সকাল ৬:৩১ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত যাবে সন্ধ্যা ৬:২৯ মিনিটে।

    জ্যোতিষীরা বলছে, যেহেতু আজ রবিবার তাই সূর্যদেবের কৃপা বর্ষিত হবে কিছু রাশির জাতক জাতিকাদের উপর। কিন্তু কিছু রাশির জন্য আজকের দিনটি খুব একটা ভালো যাবে না। কোন কোন রাশি তা জানতে হলে অবশ্যই পড়ুন দৈনিক রাশিফল (Ajker Rashifal)। প্রতিদিনের রাশিফল ঠিক একদিন আগে পাওয়ার জন্য আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জয়েন হয়ে থাকুন।

    মেষ রাশির আজকের রাশিফল: আজ আপনার ইতিবাচক চিন্তাভাবনা পুরস্কার এনে দেবে। প্রচেষ্টায় সাফল্য পেতে পারেন। দীর্ঘদিন ধরে ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করে থাকলে আজ আপনি তা পেতে পারেন। পরিবারের সাথে সামাজিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করতে পারেন। আজ ভাইবোনদের সাথে বাড়িতে সিনেমা বা ম্যাচ দেখতে পারেন। দুজনের মধ্যে ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে। পরিবার এবং বিবাহিত জীবনে কোনও রকম সমস্যা হবে না। আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। আজ ব্যবসায়ীদের জন্য আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    প্রতিকার: স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে হলে হলুদের গিট, জাফরান, হলুদ চন্দন, হলুদ মসুর ডাল বেশি পরিমাণে খান।

    বৃষ রাশি: আজ আপনার সন্তানরা আপনার ইচ্ছামতো আচরণ করবে না, যা আপনার বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। আজ পারিবারিক অনুষ্ঠানে প্রচুর ব্যয়ের প্রয়োজন পড়বে যা আপনার আর্থিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটাবে। আজ আপনার সমস্যাগুলি বাড়তে পারে। পরিবার এবং বিবাহিত জীবনে ঝামেলার সম্ভাবনা রয়েছে। আর্থিক দিক থেকে আজকের দিনটি খুব একটা ভালো থাকবে না। আজ স্বাস্থ্যের দিক থেকে দিনটি ইতিবাচক নয়। আজ আপনার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হতে পারে।

    প্রতিকার: সুস্থ থাকার জন্য সূর্যোদয়ের সময় সূর্য প্রণাম করার চেষ্টা করুন।

    মিথুন রাশি: পুরনো প্রকল্পের সাফল্য আজ আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। মায়ের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মা কিংবা দাদা আপনাকে আর্থিকভাবে সাহায্য করবে। স্ত্রী আপনাকে সাহায্য করবে। প্রেমের ক্ষেত্রে চাপে পড়া এড়িয়ে চলুন। আজ অফিস থেকে বাড়ি ফিরে পছন্দের কাজ করতে পারেন। এটি আপনি মনে শান্তি পাবেন। স্ত্রীর কারণে কিছু ক্ষতি হতে পারে। শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের সাথে এমন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে যেখানে তারা দুর্বল। আর্থিক দিক থেকে আজকের দিনটি খুবই ভালো যাবে।

    প্রতিকার: প্রেমের সম্পর্ককে ভালো করার জন্য শুক্রবারে শ্রী সুক্ত পাঠ করুন।

    কর্কট রাশি: আজ আপনার মানসিক চাপ এড়াতে পারেন। জীবনে কঠিন সময় টাকা কাজে লাগবে। তাই টাকা সঞ্চয় করার কথা ভাবুন। পরিবারের সাথে অভদ্র আচরণ করবেন না। এতে আপনার পারিবারিক শান্তি বিঘ্নিত হবে। আজ বাবা মাকে না জানিয়ে আপনার পছন্দের খাবার বাড়িতে নিয়ে আসতে পারেন। বিবাহিতদের জন্য আজকের দিনটি খুবই ভালো। আজ অতীতের কেউ আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবে এবং দিনটিকে বেশ স্মরণীয় করে তুলবে। কিন্তু আর্থিক ব্যক্তির দিক থেকে আজকের দিনটি খুব একটা ভালো যাবে না

    প্রতিকার: আর্থিক অবস্থার উন্নতি করতে হলে বাইরে বেরোনোর সময় কপালে জাফরান তিলক বা হলুদ লাগানোর চেষ্টা করুন।

    সিংহ রাশি: আজ আপনার নম্র স্বভাবের প্রশংসা করা হতে পারে। অনেকেই আপনার প্রশংসা করবে। তাড়াহুড়ো করা বিনিয়োগ করে এড়িয়ে চলুন। আজ নবজাতকের অসুস্থ স্বাস্থ্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তাৎক্ষণিক মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। কোনও ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত। কারণ, সামান্য অসাবধানতা আজ অসুস্থতাকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে। প্রিয়জনকে কঠোর কিছু বলা এড়িয়ে চলতে হবে। পরিবার এবং বিবাহিত জীবনের দিক থেকে আজকের দিনটি খুব একটা ভালো যাবে না। ব্যবসায়ীদের জন্য দিনটি ইতিবাচক।

    প্রতিকার: পারিবারিক জীবনকে সুখী করার জন্য ফলের গাছ লাগানোর চেষ্টা করুন।

    কন্যা রাশি: আজ আপনার বিনোদনের মধ্যে বাইরের কার্যকলাপ আর খেলাধুলাকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। বাবা-মা আপনার অপব্যয় নিয়ে চিন্তিত হবে এবং তাদের রাগের মুখোমুখি হতে পারেন। পরিবারের সদস্যরা আজ আপনার জীবনে গুরুত্ব রাখবে। প্রেমের ক্ষেত্রে দাসের মতো আচরণ করবেন না। পার্কে হাঁটার সময় এমন কারো সঙ্গে দেখা হতে পারে যা আপনার চিন্তাধারার উপর গভীর প্রভাব ফেলে। জীবনে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার মধ্যে আজ আপনি সুখ খুঁজে পাবেন।

    প্রতিকার: প্রেমের সম্পর্কে ভালো রাখতে হলে শুক্রবারে শ্রী সুক্ত পাঠ করতে হবে।

    তুলা রাশি: আজ ব্যস্ত দিন সত্ত্বেও আপনার স্বাস্থ্য সম্পূর্ণ ঠিক থাকবে। দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ক্ষতিপূরণ এবং ঋণ আজ আপনার হাতে এসে পৌঁছবে। উদ্যমী, প্রফুল্ল এবং উষ্ণ আচরণ আজ আপনার চারপাশের লোকদেরকে আনন্দিত করে তুলতে পারে। রোমান্টিক দৃষ্টিকোণ থেকে আজকের দিনটি বিশেষ যাবে। আজ আপনি কেনাকাটা করতে গেলে সুন্দর কোনও পোশাক কিনতে পারেন। দিনটি আরও প্রাণবন্ত থাকবে। পরিবারে সুখ শান্তি বজায় থাকবে। আর্থিক দিক থেকে দিনটি খুবই ভালো যাবে। আজ তরুণদের কাছ থেকে জীবন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নিতে পারেন।

    প্রতিকার: মানসিক তৃপ্তি পাওয়ার জন্য যে কোনও শুভ কাজে শরীর মন এবং অর্থ দিয়ে সাহায্য করুন।

    শিশুসুলভ নিষ্পাপতা আবারও ফুটে উঠতে পারে এবং দুষ্ট মেজাজে থাকবেন। অর্থ উপার্জন করতে পারেন এবং সেই অর্থ সঞ্চয় করতে হবে। বিনিয়োগ করলে লাভ করতে পারেন। কারণ, আর্থিক দিক থেকে আজকের দিনটি মোটামুটি ভালো থাকবে। পরিবারে সুখ শান্তি বজায় থাকবে। আজ আপনার উৎসাহ এবং শক্তি ইতিবাচক ফলাফল এনে দেবে এবং পারিবারিক উত্তেজনা কমাতে সাহায্য করবে। স্বাস্থ্যের দিক থেকে আজকের দিনটি খুবই ভালো। আজ আপনার মনে শান্তি পাবেন। কারণ, আপনি পছন্দের কাজগুলি করতে পারেন।

    প্রতিকার: দিনটিকে আনন্দময় করে তোলার জন্য জলে লাল ফুল ভাসিয়ে দিন।

    বৃশ্চিক রাশি: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা শুরু করার আগেই আজ আপনার উদ্বেগ দূর হয়ে যাবে। খুব শীঘ্রই আপনি দেখতে পাবেন সমস্যাগুলি মিটে যাচ্ছে। আজ আপনি বুঝতে পারবেন বেপরোয়া ভাবে অর্থ ব্যয় করা আপনার জন্য কতটা ক্ষতি হতে পারে। পরিবারের সদস্যদের সাহায্যে আজ সমস্যা সমাধান হবে। প্রিয়জনের কাছ থেকে কঠোর কথা শোনা আজ আপনার মেজাজ নষ্ট করবে। বিবাহিতদের জন্য আজকের দিনটি খুব একটা ভালো যাবে না। আজ আপনাদের স্ত্রী আপনাকে ক্ষতি করতে পারে।

    প্রতিকার: প্রেমের সম্পর্ককে ভালো করতে হলে শিব মন্দির বা হনুমান মন্দিরে গিয়ে প্রসাদ নিবেদন করার চেষ্টা করুন।

    ধনু রাশি: আজ আপনি নিজেকে আরামদায়ক আর সঠিক জীবন উপভোগ করার মেজাজ পাবেন। দীর্ঘমেয়াদী বিবেচনার কথা মাথায় রেখে বিনিয়োগ করা উচিত। মা কিংবা বাবার স্বাস্থ্য আজ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। প্রেমের গল্প নতুন মোড় নিতে পারে। সঙ্গী আপনার সঙ্গে বিবাহ নিয়ে আলোচনা করতে পারে। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই ভেবেচিন্তে কাজ করুন। ব্যবসায়ীদের জন্য আজকের দিনটি ভালো। স্বাস্থ্য দিক থেকে দিনটি ইতিবাচক। আজ আপনি সুস্বাদু খাবার রান্না করে খেতে পারেন।

    প্রতিকার: পারিবারিক সুখ বৃদ্ধি করার জন্য বাড়িতে লাল গোলাপ লাগান এবং তাদের যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করুন।

    মকর রাশি: আজ চোখের রোগীদের দূষিত এলাকায় এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ, ধোয়া তাদের আরও ক্ষতি করবে। আজ অর্থ সাশ্রয়ের বিষয়ে আপনার বয়স্কদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া উচিত। আজ আপনার পরিবারকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। তাদের অনুভব করতে দিন যে আপনি তাদেরকে যত্ন নেন। তাদের সঙ্গে সময় কাটানো উচিত এবং অভিযোগ করার সুযোগ দেবেন না। আজ আপনি হতাশ হতে পারেন। কারণ আপনার প্রিয়জনের সঙ্গে বাইরে বেড়াতে যেতে পারবেন না। পরিবারে সুখ শান্তি থাকবে। আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে আজ।

    প্রতিকার: সবুজ রঙের পোশাক পরার চেষ্টা করুন। এতে আপনি সবদিক থেকে উন্নতি লাভ করতে পারবেন।

    কুম্ভ রাশি: আজ আপনার শরীরের কোনও অংশে ব্যথা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের প্রয়োজন। এমন কোনও কাজ করা এড়িয়ে চলতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নিন। আজ আপনি আর্থিকভাবে শক্তিশালী থাকবেন। গ্রহণক্ষত্রের অবস্থান উপার্জনের অনেক সুযোগ এনে দেবে। বিবাহিতদের জন্য আজকের দিনটি খুবই ভালো। আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে স্বাস্থ্যের দিক থেকে দিনটি ইতিবাচক নয়। আজ আপনার স্ত্রীর কাছ থেকে বিশেষ কিছু অনুভব করতে পারেন। ভালোবাসার দিক থেকে দিনটি খুবই ভালো।

    প্রতিকার: স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে হলে হনুমান চালিশা পাঠ করার চেষ্টা করুন।

    মীন রাশি: আজ ব্যস্ত দিন সত্ত্বেও আপনার স্বাস্থ্য সম্পূর্ণ ঠিক থাকবে। দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ক্ষতিপূরণ এবং ঋণ আজ আপনার হাতে এসে পৌঁছবে। উদ্যমী, প্রফুল্ল এবং উষ্ণ আচরণ আজ আপনার চারপাশের লোকদেরকে আনন্দিত করে তুলতে পারে। রোমান্টিক দৃষ্টিকোণ থেকে আজকের দিনটি বিশেষ যাবে। আজ আপনি কেনাকাটা করতে গেলে সুন্দর কোনও পোশাক কিনতে পারেন। দিনটি আরও প্রাণবন্ত থাকবে। পরিবারে সুখ শান্তি বজায় থাকবে। আর্থিক দিক থেকে দিনটি খুবই ভালো যাবে। আজ তরুণদের কাছ থেকে জীবন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নিতে পারেন।

    প্রতিকার: মানসিক তৃপ্তি পাওয়ার জন্য যে কোনও শুভ কাজে শরীর মন এবং অর্থ দিয়ে সাহায্য করুন।

    প্রতিদিন সকালে দৈনিক রাশিফলের আপডেট পেতে অবশ্যই গুগল করুন- India Hood Rashifal

  • ব্রিগেডে মোদীর সভা, LPG উৎপাদন বৃদ্ধি…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৪ মার্চ)

    ব্রিগেডে মোদীর সভা, LPG উৎপাদন বৃদ্ধি…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৪ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ১৪ মার্চ, শনিবার। ব্রিগেডে মোদীর সভা, LPG উৎপাদন বৃদ্ধি, টোল পাসে দাম বৃদ্ধি, রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) ১ এপ্রিল থেকে বাড়ছে বার্ষিক টোল পাসের দাম

    ১ এপ্রিল থেকে জাতীয় সড়কের বার্ষিক টোল পাসের দাম বাড়ানো সিদ্ধান্ত নিল এনএইচএআই। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, FASTag বার্ষিক পাসের মূল্য এবার ৩০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০৭৫ টাকা করা হবে। আর এই পাস মূলত ব্যক্তিগত বা অবাণিজ্যিক গাড়ির জন্যই। একটি বার্ষিক পাস ব্যবহার করে চালকরা এক বছর কিংবা সর্বোচ্চ ২০০টি টোল প্লাজা অতিক্রম করতে পারবে। নতুন অর্থবছর ২০২৬-২৭ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৯) আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হল মুর্শিদাবাদের নতুন ফারাক্কা ব্রিজ

    মুর্শিদাবাদে নতুন ফারাক্কা ব্রিজ আংশিকভাবে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হল। আপাতত একটি অস্থায়ী লেন দিয়েই ছোট গাড়ি এবং বাইক চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। চার লেনের এই নতুন সেতু সম্পূর্ণ চালু হলে দক্ষিণবঙ্গ আর উত্তরবঙ্গের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। পাশাপাশি যাতায়াতের সময় অনেক কমে যাবে। পর্যটন এবং ব্যবসার ক্ষেত্রে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। কিছু কাজ এখনো পর্যন্ত বাকি রয়েছে। আর সবকিছু ঠিক থাকলে এপ্রিলের শেষ নাগাদ বা মে মাসের শুরুতে সম্পূর্ণ সেতু খুলে যাবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৮) কলকাতা থেকে ১৮,৬০০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস মোদীর

    কলকাতার ব্রিগেড সভা থেকে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ১৮,৬০০ কোটি টাকার একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে পানাগড়-পালসিট ও বারওয়া আড্ডা-পানাগড় ৬ লেন জাতীয় সড়ক, ভেদিয়াতে রেল ওভারব্রিজ, হলদিয়া ডক কমপ্লেক্সের আধুনিকীকরণ আর ইছামতি নদীর উপর সেতু নির্মাণ। পাশাপাশি অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বরাভূম, সিউড়ি এবং কামাখ্যাগুড়ি স্টেশনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজেই। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৭) মোদীর সভা ঘিরে গিরিশ পার্কে মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে উত্তেজনা

    কলকাতায় মোদীর সভা ঘিরে উত্তেজনার মাঝে গিরিশ পার্কে মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠল। তৃণমূল দাবি করছে, ব্রিগেডে যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীরা এই হামলা চালিয়েছে। আর এতে দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে এবং বিজেপি নেতা তমোঘ্ন ঘোষ আহত হয়েছেন। বিজেপির পাল্টা অভিযোগ, তৃণমূলই আগে হামলা করেছে। আর এই ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর। পাশাপাশি বাড়ির জানালার কাঁচও ভেঙে গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৬) হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করল ভারতীয় এলপিজি ভর্তি জাহজ

    পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনার মাঝে ভারতের পতাকাবাহী এলপিজি জাহাজ শিবালিক নিরাপদে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করল বলে খবর। MarineTraffic এর তথ্য অনুযায়ী, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকেই এলপিজি বোঝাই করে জাহাজটি যাত্রা শুরু করেছিল। জাহাজটির বহন ক্ষমতা আনুমানিক ৫৪ হাজার টন এবং এটি শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার মালিকাধীন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে থাকা গ্যাস ভারতের একদিনের আমদানির সমাধান হতে পারে। আর এর ফলে এলপিজি সংকট কিছুটা হলেও কমতে পারে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৫) ভারতে বাড়ানো হল ৩০% এলপিজি উৎপাদন

    পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া এলপিজি সংকট মোকাবিলা করতে এবার বিরাট পদক্ষেপ নিল ভারত সরকার। সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, দেশে এলপিজি উৎপাদন প্রায় ৩০% বাড়ানো হয়েছে যাতে গ্যাসের ঘাটতি কমানো যায়। পাশাপাশি শহরে গ্যাস বুকিং এর ব্যবধানে ২১ দিন থেকে ২৫ দিন আর গ্রামাঞ্চলে ২৫ দিন থেকে ৪৫ দিন করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হাসপাতাল, পরিবার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে। সরকার আরও জানিয়েছে, পিএনজি এবং সিএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৪) বোরখা পরে দেয়া যাবে না ভোট, আসছে নিয়ম

    পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন নিয়ম আনার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন। সূত্র মারফৎ খবর, বোরখা পরা মহিলাদের ভোটের ক্ষেত্রে বিহার মডেল অনুসরণ করা হতে পারে। অর্থাৎ, আলাদা কাউন্টারে গিয়েই পরিচয়পত্র দেখিয়ে মুখের পর্দা খুলে পরিচয় যাচাইয়ের পর তাদেরকে ভোট দিতে দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিচারাধীন মামলাযুক্ত প্রার্থীদের মনোনয়ন নিয়েও এবার কড়া নজরদারি করা হচ্ছে। এদিকে বয়স্ক আর বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য বাড়িতে গিয়ে ভোট নেওয়া, নিচতলায় বুথ আর হুইল চেয়ার এবং সহায়তা কেন্দ্র রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৩) জেট ফুয়েলের দাম বাড়ায় ফুয়েল চার্জ যোগ করল ইন্ডিগো

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে জেট ফুয়েলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে ইন্ডিগো তাদের ফ্লাইটের নতুন ফুয়েল চার্জ যুক্ত করে দিল। ১৪ মার্চ রাত ১২টা থেকে এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে। যার ফলে টিকিট বুকিং এর সময় যাত্রীদের অতিরিক্ত চার্জ গুনতে হবে। ডোমেস্টিক বা ভারতীয় উপমহাদেশের রুটে ৪২৫ টাকা, মধ্যপ্রাচ্যের রুটে ৯০০ টাকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং চিনে ১৮০০ টাকা আর ইউরোপ রুটে ২৩০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। সংস্থা দাবী করছে, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির চাপ সামাল দিতেই এই সিদ্ধান্ত। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ২) ব্রিগেডমুখী বাসে হামলা পশ্চিম মেদিনীপুরে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাতে উত্তেজনার মাঝে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায় ব্রিগেডমুখী বিজেপি কর্মীদের বাসে হামলার অভিযোগ উঠল। দুষ্কৃতীরা বাসে ইট, পাথর ছুঁড়ে কাঁচ ভেঙে দিয়েছে এবং এতে কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন। কচুয়াবাড়ি থেকে আসা একটি বাসে হামলার অভিযোগ উঠেছে বলে খবর। ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকেই। কিন্তু তারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এদিকে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় গো ব্যাক মোদী হোডিং দেখা গিয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে উঠেছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ১) মথুয়া মেলা উপলক্ষে ১৪ জোড়া স্পেশাল ট্রেন

    মথুয়া মেলা উপলক্ষে যাত্রীদের সুবিধার জন্য পূর্ব রেল শিয়ালদা ডিভিশনে এবার ১৪ জোড়া বা মোট ২৮টি বিশেষ লোকাল ট্রেন চালানোর ঘোষণা করল। ১৬ থেকে ২০ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত এই ট্রেনগুলি চালানো হবে। আর এই ট্রেনগুলি ঠাকুরনগর থেকে গেদে, লালগোলা, ক্যানিং এবং নামখানা রুটে চলাচল করবে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আপ এবং ডাউনের সমস্ত স্টেশনে ট্রেনগুলি থামবে। মেলায় বিপুল ভিড়ের সম্ভাবনা থাকার কারণে যাত্রীদের যাতায়াত সহজ করতেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন দিনে নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী এই ট্রেন চলবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

  • ভাঙা চাল দিয়ে পড়ত বৃষ্টির জল! ঋণ নিয়ে পড়াশোনা করে UPSC ক্র্যাক পবনের

    ভাঙা চাল দিয়ে পড়ত বৃষ্টির জল! ঋণ নিয়ে পড়াশোনা করে UPSC ক্র্যাক পবনের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দারিদ্রতা, অভাব আর সীমাহীন সংগ্রামের মাঝেও যদি লক্ষ্য ঠিক থাকে, তাহলে সাফল্য যে একদিন ধরা দেয় তার বাস্তব উদাহরণ পবন কুমার (Pawan Kumar)। ছাউনি দেওয়া ঘর, বৃষ্টির দিনে ছাদ ফুড়ে জল পড়া, আর অর্থের সংকট এই সব কিছুর মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। আর শেষ পর্যন্ত দেশের সবথেকে কঠিন পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করলেন (IAS Success Story)। হ্যাঁ, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় তিনি ২৩৯ র‍্যাঙ্ক অর্জন করে প্রশাসনিক পরিষেবায় জায়গা করে নিয়েছেন।

    অভাবের মধ্যেই বেড়ে ওঠা

    আমার উজালার একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের ছোট্ট গ্রামে জন্ম পবনের। পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। এমনকি খুবই দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিলেন তিনি। তাঁদের কাছে মাত্র চার বিঘা জমি আর একটি ছোট্ট ঘর ছিল থাকার জন্য। অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে বৃষ্টির সময় ঘরের ছাদ দিয়ে জল পড়ত, এমনকি দেওয়াল ভিজে যেত। কিন্তু তাতেও পড়াশোনা থামায়নি পবন। বই নিয়ে বসে থাকতেন ঘরের এক কোণে আর নিজের মনেই পড়াশোনা করতেন। তাঁর বাবা মুকেশ কুমার বলেন, ছোটবেলা থেকেই পবন বলত, আর একটু সময় দিন সবই বদলে যাবে।

    এমনকি পবনের স্বপ্ন পূরণ করতে গোটা পরিবার একসঙ্গে লড়াই করেছে। হ্যাঁ, বাবা এবং তিন বোন অন্যের জমিতে কাজ করতেন আর মা নিজের গয়না বিক্রি করে পড়াশোনার খরচ চালাতেন পবনের। পাশাপাশি পরিবারকে ঋণও নিতে হয়েছে। আর সেই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও পড়াশোনা কখনো বন্ধ হয়নি। অবশেষে তিনি তাঁর পরিবারের সদস্যদের পরিশ্রমের দাম দিলেন।

    উল্লেখ করার বিষয়, ২০১৭ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করার পর পবনের বাবা চেয়েছিলেন যে, ছেলে সেনাবাহিনীতে যোগ দিক বা দ্রুত কোনও চাকরি পাক। কিন্তু পবনের লক্ষ্য ছিল সিভিল সার্ভিস। শেষ পর্যন্ত বাবা ছেলের স্বপ্নকে সম্মান জানিয়েই পাশে দাঁড়ান, এবং বলেন যে “তুমি যা চাও সেটাই কর, আমরা সবাই তোমার সঙ্গে আছি।” জানা যায়, পরিবার প্রায় ৪ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে পবনের পড়াশোনার খরচ জোগাড় করেছিল। আর সেই টাকায় একটি পুরনো মোবাইল ফোনও কেনা হয়েছিল যা দিয়ে তিনি পড়াশোনা করতেন। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, সিভিল সার্ভিসের ফল প্রকাশের দিনও তাঁর পরিবার মাঠে কাজ করতে গিয়েছিল। কারণ, তাঁদের মাথার উপর ছিল বড় ঋণের বোঝা।

    আরও পড়ুন: বসতে পারে ট্যাক্স, দামি হওয়ার পথে Jio থেকে Airtel-র রিচার্জ! এবার কতটা?

    এদিকে একসময় তাঁদের বাড়িতে গ্যাস সিলেন্ডার ভরানোর টাকা পর্যন্ত ছিল না। হ্যাঁ, পবনের মা সুমনা দেবী তখন কাঠের উনুনেই রান্না করতেন। সবথেকে বড় ব্যাপার, বাড়ির হ্যান্ডপাম্প নষ্ট থাকার কারণে পরিবারের সদস্যদের কাছের এক সরকারি স্কুল থেকেই জল এনে ব্যবহার করতে হতো। জানা যায়, কলেজে স্নাতক শেষ করার পর পবন সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়েই ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন। প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পড়াশোনা করতেন তিনি। যার সাফল্য তিনি নিজেই পেলেন। এক কথায়, তাঁর এই জীবন সংগ্রাম আজকালকার দিনে বহু বেকার যুবক-যুবতীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে।

  • ২ লাখ টাকা দেবে কেন্দ্র, প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্র খুলে শুরু করুন নিজের ব্যবসা

    ২ লাখ টাকা দেবে কেন্দ্র, প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্র খুলে শুরু করুন নিজের ব্যবসা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ব্যবসা (Business) শুরুর করবেন বলে ঠিক করছেন, কিন্তু পুঁজি সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে? তাহলে আপনার জন্য রইল দারুণ খবর। কারণ, এবার কেন্দ্রীয় সরকার এমন একটি সুবিধা নিয়ে এসেছে, যেখানে আপনি ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সাহায্য পাবেন ব্যবসার ক্ষেত্রে। আর এই ব্যবসায় প্রতিমাসে মোটা অংকের টাকা আয় করতে পারবেন। হ্যাঁ, আমরা বলছি প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্র (Jan Aushadhi Yojana) খোলার কথা, যেখানে কেন্দ্রের সহায়তাতেই ব্যবসা করে মাস গেলে প্রচুর আয় করার সুযোগ থাকবে।

    দারুণ সুযোগ দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার

    বলে রাখি, কেন্দ্র সরকার প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি পরিযোজনার আওতায় নিজের ব্যবসা করার সুযোগ দিচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল বা যে সমস্ত শহরে ওষুধের দোকানের অভাব, সেখানে এই ওষুধের দোকান খুলে আপনি নিজেই স্বাবলম্বী হতে পারবেন এবং সাধারন মানুষ এখান থেকে সস্তায় ওষুধ কিনতে পারবে। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, এই প্রকল্পে কেন্দ্র সরকারই সুবিধা দেবে। বর্তমান সময়ে চিকিৎসার খরচ সাধারণ মানুষের কাছে এমনিতেই হিমশিম খাওয়া ব্যাপার। সেই সমস্যা সমাধান করতেই এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ করতেই কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রকল্প চালু করেছে।

    বলে দিই, জনঔষধি কেন্দ্র আসলে এমন ধরনের ওষুধের দোকান, যেখানে উচ্চমানের ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু এই ওষুধের দাম অন্যান্য দোকানের তুলনায় অনেকটাই কম। হ্যাঁ, এই ওষুধগুলোর গুনগত মান আর কার্যকারিতা ব্র্যান্ডেড ওষুধের সমান হলেও দাম ৯০% পর্যন্ত কম হয়ে থাকে। সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ২০২৭ সালের মধ্যেই দেশে আরও ২৫ হাজার জনঔষধি কেন্দ্র গড়ে তোলা। তাই আপনার জন্য হতে পারে এটি সুবর্ণ সুযোগ।

    কারা এখানে আবেদন করতে পারবেন?

    এই জন ঔষধি কেন্দ্র খোলার জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোক্তা বা বেকার ফার্মাসিস্ট হতে হবে। তাহলেই আবেদন করা যাবে। পাশাপাশি রেজিস্টার্ড ডাক্তার বা মেডিকেল প্র্যাকটিশনার হতে হবে, কিংবা কোনও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট বা প্রাইভেট হাসপাতালের তরফ থেকেও এই ঔষধের দোকান খুলতে পারবেন। এছাড়া যে কোনও স্বীকৃত সংস্থাকেও এই ওষুধের দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়ে থাকে। তবে অবশ্যই নিজের কিংবা ভাড়া নেওয়া ১২০ বর্গফুট জায়গা থাকতে হবে। আর আবেদনকারীকে বি.ফার্মা বা ডি.ফার্মা ডিগ্রীধারী হতে হবে।

    কত টাকা সাহায্য পাবেন?

    প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি প্রকল্পের এই কেন্দ্রগুলি স্থাপনের জন্য বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ দেওয়া হয়। সাধারণত ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনসেন্টিভ মেলে আর বিশেষ সহায়তা হিসেবে আরও ২ লক্ষ টাকা পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে মহিলা উদ্যোক্তা, এসসি, এসটি বা প্রাক্তন সেনা কর্মীদের জন্য এই অতিরিক্ত টাকা দেওয়া হয়। আর দোকানের ফার্নিচার বা পরিকাঠামোর জন্য ১.৫০ লক্ষ টাকা সহায়তা করা হয়। এছাড়াও কম্পিউটার, প্রিন্টার বা ইন্টারনেটের জন্য আরও ৫০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা মেলে।

    আরও পড়ুন: ‘নোংরা ইশারা!’ মঞ্চ থেকে পুলিশের উপর চটলেন শিলাজিৎ, কী হয়েছিল গায়কের সঙ্গে?

    আবেদন করবেন কীভাবে?

    এখানে সম্পূর্ণ অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। এর জন্য আপনাকে নিম্নলিখিত ধাপগুলি অনুসরণ করতে হবে—

    • প্রথমে সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট janaushadhi.gov.in-তে যান।
    • এরপর এপ্লাই অনলাইন অপশনটিতে ক্লিক করে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
    • তারপর নিজের প্রয়োজনীয় তথ্য আর দোকানের সমস্ত তথ্য দিয়ে আবেদন ফর্মটি পূরণ করুন।
    • তারপর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করে সাবমিট করে দিন। আবেদন জমা পড়লে বিচার বিভাগীয় যাচাইকরণ সম্পন্ন হলে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করে নেওয়া হবে।
  • ১৮ মাসের বকেয়া DA মিলবে? যা জানল কেন্দ্র সরকার

    ১৮ মাসের বকেয়া DA মিলবে? যা জানল কেন্দ্র সরকার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) বা মহার্ঘ্য ভাতা কি আদৌ মিলবে? এই প্রশ্ন এখন সকল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীর। ২০২০ এবং ২০২১ সালে কোভিড-১৯ মহামারীর সময় সরকার কেন্দ্রীয় কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য মহার্ঘ্য ভাতা/মহার্ঘ্য ত্রাণের তিনটি কিস্তি আটকে রেখেছিল। মহামারী শেষ হওয়ার পর, কর্মচারী ইউনিয়ন এবং কর্মচারী প্রতিনিধি সংস্থাগুলি মহামারী চলাকালীন আটকে রাখা DA-র ১৮ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের জন্য কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়িয়েই চলেছে। তবে এখনও অবধি সেই টাকা মেলেনি। আদৌ কি মিলবে? জবাব দিল কেন্দ্র।

    ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ শোধ করবে কেন্দ্র?

    এই বিষয়টি সংসদেও বেশ কয়েকবার উত্থাপিত হয়েছিল, কিন্তু মোদী সরকার বলেছিল যে অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে তারা কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দিতে পারবে না। ২০২০ সালের মার্চ মাসে যখন কোভিড-১৯ এর প্রথম ঢেউ দেশে আঘাত হানে, তখন আর্থিক পরিস্থিতির উপর চাপ কমাতে সরকার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ এবং ডিআর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দেয়। পরবর্তীকালে, ডিএ-ডিআর বৃদ্ধি তিনটি কিস্তিতে স্থগিত করা হয়েছিল – জানুয়ারি ২০২০, জুলাই ২০২০ এবং জানুয়ারি ২০২১। এই স্থগিত মোট ১৮ মাস স্থায়ী ছিল। এদিকে অর্থ বর্ষ শেষ হওয়ার আগে ফের বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন সরকারি কর্মীরা। টাকা মিলবে? জবাব দিল কেন্দ্র।

    কী বলছে কেন্দ্র?

    কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে কর্মচারীরা আশাবাদী ছিলেন যে সরকার ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। কর্মচারী সংগঠনগুলি এই দাবিটি বেশ কয়েকবার উত্থাপন করেছে। তবে, প্রতিটি সংসদ অধিবেশনে যখনই এই প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, সরকার একই উত্তর দিয়েছে, বকেয়া পরিশোধের কোনও পরিকল্পনা নেই। কেন্দ্রীয় সরকার সংসদে ধারাবাহিকভাবে বলে আসছে যে ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ পরিশোধের কোনও ইচ্ছা তাদের নেই। সম্প্রতি আবারও সংসদে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে কোভিড-১৯-এর সময় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের ১৮ মাসের মহার্ঘ্য ভাতা এবং মহার্ঘ্য ত্রাণ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কি অর্থনৈতিক ব্যাঘাত এবং সরকারি অর্থের উপর চাপ কমানোর জন্য নেওয়া হয়েছিল?

    আরও পড়ুনঃ সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের শেষ হল বড় কাজ, কবে ছুটবে ট্রেন?

    উত্তরে অর্থ মন্ত্রক বলেছে যে, “সরকারি অর্থায়নের উপর চাপ কমানোর জন্য, কোভিড-১৯-এর কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ব্যাঘাতের প্রেক্ষাপটে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী/পেনশনভোগীদের ১৮ মাসের মহার্ঘ্য ভাতা (DA)/মহার্ঘ্য ত্রাণ (DR) এর তিনটি কিস্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এখনও অবধি মহার্ঘ্য ভাতার বকেয়া অর্থ প্রদান করা সম্ভব বলে মনে করা হয়নি।” অপরদিকে কর্মচারী ইউনিয়নগুলির যুক্তি, এই পরিমাণ কর্মীদের অধিকার এবং এটি আটকে রাখা যথাযথ নয়। বেশ কয়েকটি সংগঠন দাবি করেছে যে অষ্টম বেতন কমিশন কার্যকর হওয়ার সাথে সাথেই সরকারকে ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ পরিশোধ করতে হবে।

  • শুধু গ্যাস-তেল নয়, যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে বাড়তে পারে বৈদ্যুতিক পণ্যের দাম

    শুধু গ্যাস-তেল নয়, যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে বাড়তে পারে বৈদ্যুতিক পণ্যের দাম

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধের (Iran-Israel War) প্রভাব ধীরে ধীরে অর্থনীতির উপর পড়তে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই রান্নার গ্যাস এবং পেট্রোল ডিজেলের সরবরাহ নিয়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, সামনে আসতে বলেছে আরও বিরাট ধাক্কা। বিশেষ করে বৈদ্যুতিক পণ্যের বাজারে। হ্যাঁ, বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে স্মার্টফোন থেকে শুরু করে ল্যাপটপ, ইন্ডাকশন কুকার, মাইক্রোওয়েভ সহ বিভিন্ন রকম বৈদ্যুতিক পণ্যের (Electronic Product) দাম হু হু করে বাড়তে পারে।

    হরমুজ প্রণালী নিয়েই উদ্বেগ

    প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী বর্তমানে বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের সবথেকে প্রধান কেন্দ্র। আর এই পথ দিয়ে বিশ্বের বড় বড় অংশের তেল এবং গ্যাস পরিবহন হয়। তবে সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে এই রুটে জাহাজ চলাচল নিয়ে দিনের পর দিন অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। যার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ আর কাঁচামালের উপর চাপ পড়ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিল্প উৎপাদনের উপর।

    কেন বাড়তে পারে বৈদ্যুতিক পণ্যের দাম?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পিছনে মূলত দুটি কারণ কাজ করছে। প্রথমত, সালফিউরিক অ্যাসিডের সম্ভাব্য সংকট। সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ তৈরির ক্ষেত্রে সালফিউরিক অ্যাসিড সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু এই অ্যাসিড তৈরির কাঁচামাল সালফার মূলত খনিজ তেল পরিশোধনের উপর নির্ভর করে থাকে। আর যদি তেল সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে উৎপাদনও কমে যেতে পারে। যার ফলে চিপ তৈরির কাঁচামালে ঘাটতি দেখা দেবে। আর দ্বিতীয়ত রয়েছে চিপ উৎপাদনে বাধা। কারণ, বিশ্বের সবথেকে বড় অংশের সেমিকন্ডাক্টর চিপ তৈরি হয় তাইওয়ানে। আর সেখানে চিপ কারখানাগুলি সচল রাখার জন্য বিপুল বিদ্যুৎ দরকার। কিন্তু ওই বিদ্যুতের একটি বিরাট অংশ উৎপাদিত হয় এলএনজি থেকে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহের সমস্যা দেখা দিলে চিপ উৎপাদনেও পড়তে পারে প্রভাব।

    এদিকে বাজার সূত্রে খবর, চলতি বছরের মার্চ মাসে ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ কম্পিউটারের দাম প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। আর বিশ্লেষকদের মতে, যদি পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে এরকম ভাবে চলতে থাকে, তাহলে আগামী অর্থবছরে এই বৃদ্ধি ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকতে পারে। এমনকি শুধু স্মার্টফোন বা কম্পিউটার নয়, বরং এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে পারে বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারেও। কারণ, আধুনিক ইলেকট্রিক গাড়িগুলি তৈরির ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট ব্যবহার করতে হয়।

    আরও পড়ুন: ১ এপ্রিল থেকেই বেড়ে যাচ্ছে বার্ষিক টোল পাসের দাম, কত খরচ হবে জানুন

    পোশাক শিল্পে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা

    প্রসঙ্গত, এই সংকটের প্রভাব পড়তে পারে বস্ত্রশিল্পের উপরেও। কারণ, অনেক পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত পলিয়েস্টার মূলত পেট্রো ক্যামিকেল থেকে তৈরি করা হয়। আর তেল ভিত্তিক কাঁচামালের দাম বাড়লে পোশাক শিল্পের উৎপাদন খরচে বাড়তে পারে। ইতিমধ্যেই পলিয়েস্টারের দাম প্রায় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকেছে। আর তেলের সংকট তো রয়েছেই। এক কথায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতি দিনের পর দিন অর্থনীতির উপর যে চাপ সৃষ্টি করছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

  • ফাল্গুনের শেষ লগ্নেও বৃষ্টি, সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝোড়ো হাওয়া, আগামীকালের আবহাওয়া

    ফাল্গুনের শেষ লগ্নেও বৃষ্টি, সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝোড়ো হাওয়া, আগামীকালের আবহাওয়া

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বঙ্গ রাজনীতিতে একদিকে যেমন চড়ছে পারদ, অন্যদিকে ফাল্গুনের শেষ লগ্নে এসেও আবহাওয়ায় দুর্যোগের (Weather Tomorrow) চমক দেখা যাচ্ছে। আগামী কয়েকদিন পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal) একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে (North Bengal) বৃষ্টির প্রভাব তুলনায় বেশি থাকতে চলেছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি জেলায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে চৈত্রের শুরুটাও দুর্যোগ দিয়ে শুরু হবে।

    বাংলাদেশ এবং তার আশপাশে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপরে অবস্থান করা ঘূর্ণাবর্তটি কিছুটা দূর্বল হয়েছে। তবে তার চারপাশে নিম্নচাপ অক্ষরেখাটি এখনও রয়েছে। অফিস জানিয়েছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে তার উচ্চতা দেড় কিলোমিটার থেকে সাড়ে চার কিলোমিটার পর্যন্ত ৷ এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকছে স্থলভাগে। আর তাই দুই বঙ্গে ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একনজরে জেনে নেওয়া যাক কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী আগামীকাল অর্থাৎ রবিবার, থেকেই বঙ্গে বৃষ্টির স্পেল শুরু হতে চলেছে দক্ষিণবঙ্গে। যা চলবে টানা মঙ্গলবার পর্যন্ত। আগামীকাল সকাল থেকেই আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে। দুই বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং বীরভূমে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত সহ ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ থাকবে ৫২ থেকে ৯৪ শতাংশ। যার ফলে ভ্যাপসা গরম দেখা যাবে। আজও বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘নোংরা ইশারা!’ মঞ্চ থেকে পুলিশের উপর চটলেন শিলাজিৎ, কী হয়েছিল গায়কের সঙ্গে?

    উত্তরবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় বেশি বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গে। অন্যান্য জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির কথা জানানো হয়েছে। তবে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে। ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিমি গতিবেগে ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বুধবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে কমবেশি দুর্যোগ চলবে বলে জানা গিয়েছে। যার জেরে সেখানকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা খানিক কমবে।

  • সেবক-রংপো রেল প্রকল্পে শেষ হল বড় কাজ, কবে ছুটবে ট্রেন?

    সেবক-রংপো রেল প্রকল্পে শেষ হল বড় কাজ, কবে ছুটবে ট্রেন?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: হিমালয়ের অন্তর্ভুক্ত তিস্তা বাজার ও মেলি বাজারের (Sevoke-Rangpo Railway) মাঝ বরাবর প্রতিকূল পরিবেশে পাথর-মাটি কেটে অন্তত 4.1 কিলোমিটারের সুদীর্ঘ পথ তৈরির কাজ শেষ হয়েছে ইতিমধ্যেই। সেই সাথে সম্পন্ন হয়েছে সেবক থেকে রংপো রেল প্রকল্পের চ্যালেঞ্জিং কাজও। একেবারে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে হিমালয়ের গর্ভে কাজ করেছেন শ্রমিকরা। এই প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়াররা বলছেন, ভূগর্ভস্থ এলাকার পাথর এবং মাটি এতটাই নরম অবস্থায় ছিল যে, কোনও ভাবেই এখানে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারেননি তারা। কিন্তু তা সত্বেও সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হয়েছে বড় কাজ।

    গাইতি, বেলচা দিয়ে কাটা হয়েছে পাথর-মাটি

    হিমালয় এলাকায় ভূগর্ভস্থ মাটি এবং পাথর এতটাই বিপজ্জনক অবস্থায় ছিল যে ইঞ্জিনিয়াররা আলাদা করে ঝুঁকি না নিয়ে একেবারে গাইতি, বেলচা দিয়ে ভূগর্ভের দু দিক থেকে পাথর এবং মাটি কেটে তা সরিয়ে সুরঙ্গ পথ তৈরি করেন। এ প্রসঙ্গে প্রকল্পের মুখ্য ডিজাইনার আরমান্দো ক্যাপেলান কমপক্ষে 600 ইঞ্জিনিয়ার এবং কয়েক হাজার কর্মীকে সাথে নিয়ে এই কাজ করেছিলেন। জানা গিয়েছে, দিনরাত হাড়ভাঙা খাটুনির পর শেষ পর্যন্ত দুই প্রান্তে পি1 এবং পি2 মিলে যায়। তাতে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন কর্মীরা।

    প্রকল্পের কাজ ছিল যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং

    সেবক-রংপো রেলওয়ে প্রকল্পের কাজ পেয়েছিল ইরকন। এই সংস্থার প্রজেক্ট অ্যাডভাইজার মহিন্দর সিং স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে দিয়ে এখানে সুরঙ্গ করার কাজ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ছিল। নরম মাটিতে ডেনামাইট বিস্ফোরণ করানো যায়নি। তাই পুরনো খনন পদ্ধতিকে কাজে লাগাতে হয়েছে। কঠিন সময়ে কর্মীরা ধৈর্য ধরে কাজ করেছেন।

    প্রজেক্ট অ্যাডভাইজার মহিন্দর সিং আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গ এবং সিকিমের মধ্যে সংযোগকারী 44.98 কিলোমিটার দীর্ঘ রেল প্রকল্পটি এই মুহূর্তে চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। এর মধ্যে মাত্র 3.5 কিলোমিটার অংশ সিকিমে রয়েছে। এছাড়া বাকি 41.5 কিলোমিটার অংশ রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। ওই ব্যক্তির দাবি, এই প্রকল্পের অন্তত 85 শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। এই বিশেষ রেল প্রকল্পের অধীনে কী কী থাকছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, এই রেল প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে 22টি নতুন সেতু, 14টি টানেল, এছাড়াও সেবক, রিয়াং, তিস্তা বাজার, মেলি সহ মোট 5টি স্টেশন।

    রিপোর্ট অনুযায়ী, 22টি সেতুর মধ্যে ইতিমধ্যেই 19টি সেতুর কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। বাকি সেতু এবং স্টেশন গুলির কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে আগামী নভেম্বরের মধ্যে। রেল সূত্রে খবর, 14 টানেলের মধ্যে 8 নম্বর টানেলের কাজ শেষ হয়েছে। বাকি একটি টানেলের কাজ চলছে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের একাধিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, 44.98 কিলোমিটার লাইনের বেশিরভাগ টানেলের কাজ শেষ করে ফেলেছেন তারা। জানা যাচ্ছে, সব ঠিক থাকলে এবং সময়মতো কাজ হলে 2027 সালের ডিসেম্বরের মধ্যে গোটা প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে যাবে। তারপরই কেন্দ্রের অনুমোদন নিয়ে শুরু হবে ট্রেন চলাচল।

    অবশ্যই পড়ুন: ১ এপ্রিল থেকেই বেড়ে যাচ্ছে বার্ষিক টোল পাসের দাম, কত খরচ হবে জানুন

    প্রসঙ্গত, সরকারি সূত্র মারফত খবর, সেবক থেকে রংপো রেল প্রকল্পের যে কাজ চলছে তা শেষ হলে ট্রেনে করে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে সেবক থেকে রংপো পৌঁছে যাবেন যাত্রীরা। যেখানে সড়কপথে এই যাত্রাপথ অতিক্রম করতে সময় লাগে 5 ঘন্টা বা তারও বেশি। বলে রাখি, এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে 11 হাজার 973 কোটি টাকা।

  • ভারত প্রসঙ্গে আমেরিকাকে একহাত নিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী! যা বললেন তিনি

    ভারত প্রসঙ্গে আমেরিকাকে একহাত নিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী! যা বললেন তিনি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা কমার বদলে ক্রমশ বেড়েই চলেছে (Iran Foreign Minister On America)। আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত করেছিল ইরান। তারপর থেকে যুদ্ধ বড় আকার নেয়। এদিকে ইরান যুদ্ধের আঁচ পড়েছে জ্বালানির উপর। এর অন্যতম কারণ, যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে গোটা বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি হয় সেটাই বন্ধ করে রেখেছে ইরান। যার ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। এমতাবস্থায়, এবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি আক্রমণ করলেন ইরানের বিদেশ মন্ত্রী। তুললেন রাশিয়া থেকে ভারতের (India) তেল কেনার প্রসঙ্গও।

    ভারত নিয়ে আমেরিকাকে কটাক্ষ ইরানের বিদেশমন্ত্রীর

    সম্প্রতি ভারত প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আমেরিকাকে সরাসরি কটাক্ষ করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। খামেনির দেশের বিদেশ মন্ত্রী বললেন, “আমেরিকা প্রথমে ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল না কেনার জন্য চাপ দিয়েছিল। এখন তারাই গোটা বিশ্বকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য অনুরোধ করছে।” নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদপত্রের অংশ বা পেপার কাটিং পোস্ট করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা জানানোর পাশাপাশি ইউরোপকেও নিশানা করেন।

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এও লেখেন, “ইউরোপ ভেবেছিল ইরানের বিরুদ্ধে এই অবৈধ যুদ্ধে আমেরিকাকে সমর্থন করে তারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে আমেরিকাকে পাশে পাবে। কত দুঃখজনক!” এক কথায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প যে নিজের সুবিধামতো বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলির উপর চাপ সৃষ্টি করে সেটাই একেবারে খাতায় কলমে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

     

    অবশ্যই পড়ুন: নতুন পেসারকে নিয়েও বড়সড় বিপদে পড়তে চলছে KKR!

    উল্লেখ্য, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরেই রাশিয়া থেকে তেল আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আমেরিকা সহ পশ্চিমী দুনিয়া। সেই সাথে ভারত যাতে রাশিয়া থেকে তেল না কেনে সে জন্য বহুবার নরমে গরমে বুঝিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরানের সাথে সংঘাত শুরু হলে সেই ট্রাম্পই সম্প্রতি ভারত সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিকে 30 দিনের জন্য রাশিয়া থেকে তেল আমদানির ছাড়পত্র দিয়েছে।

  • দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ আরও সহজ, খুলল ফারাক্কা ব্রিজের একাংশ

    দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ আরও সহজ, খুলল ফারাক্কা ব্রিজের একাংশ

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সাধারণ মানুষের জন্য দারুণ সুখবর। বিশেষ করে আপনিও যদি সড়কপথে উত্তরবঙ্গে যাওয়ার প্ল্যান করে থাকেন তাহলে আপনার জন্য রইল আজকের এই প্রতিবেদনটি। অবশেষে চালু হল ফারাক্কা সেতু (Farakka Bridge)! এবার সহজেই চলাচল করতে পারবে বাইক, গাড়ি। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    অবশেষে চালু হল ফারাক্কা সেতু!

    আসলে খুব শীঘ্রই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুর্শিদাবাদের ৪ লেনের নতুন ফারাক্কা সেতু উদ্বোধন হতে চলেছে। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। যদিও তার আগেই একটি লেন অস্থায়ীভাবে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। আর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে বিদ্যুতের গতিতে ভাইরাল হয়েছে। সেই অস্থায়ী লেনটি দিয়ে শুধুমাত্র ছোট গাড়ি এবং বাইক চলাচল করবে।

    আরও পড়ুনঃ ১ এপ্রিল থেকেই বেড়ে যাচ্ছে বার্ষিক টোল পাসের দাম, কত খরচ হবে জানুন

    ফারাক্কা সেতু নিয়ে অপেক্ষা বাড়ছে দক্ষিণবঙ্গ থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের মানুষের। এই ব্রিজটি একবার চালু হয়ে গেলে পর্যটন থেকে শুরু করে দুই বঙ্গের মধ্যে ব্যবসা সহ আরও অনেক বিষয় নতুন মাত্রা পাবে। সবথেকে বড় কথা দুই জায়গার মধ্যে ভ্রমণের সময় এক ধাক্কায় অনেকটাই কমতে চলেছে বলে খবর। এখনও কাজ কিছুটা বাকি আছে বলে খবর। সূত্রের খবর, টানা তিন মাস নাকি কাজ বন্ধ ছিল বাজেটের সমস্যার জন্য।

    মে মাসে চালু হতে পারে?

    যাইহোক, এখন শোনা যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই জাতীয় সড়কের ওপর যানজটের সমস্যা মিটতে চলেছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলের শেষে কিংবা মে মাসের শুরুর দিকে ফারাক্কা সেতুর উদ্বোধন হতে পারে বলে খবর। এর ফলে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও ভালো হবে।