Blog

  • তালিবানদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে ফের আফগানিস্তানে এয়ারস্ট্রাইক পাকিস্তানের

    তালিবানদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে ফের আফগানিস্তানে এয়ারস্ট্রাইক পাকিস্তানের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: একদিকে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত, আরেক দিকে দক্ষিণ এশিয়ার (Pakistan-Afghanistan War)। হ্যাঁ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা আবারও চরমে পৌঁছেছে। সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার তো কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। আর তারই মধ্যে আফগানিস্তানের কান্দাহার অঞ্চলের তালিবান ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান (Pakistan Airstrike on Afghanistan)। এমনটাই দাবি আফগান প্রশাসনের। আর এই ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে আবারও নতুন করে সংঘর্ষ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। পাকিস্তানের দাবি, সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার জবাবে হিসাবেই তাদের এই আক্রমণ।

    কান্দাহারে ফের বিমান হামলা

    পাকিস্তানের সূত্র মারফৎ খবর, আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর কান্দাহারের কাছে তালিবানদের একটি ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। আর পাকিস্তানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তের কাছে পাকিস্তানের এলাকায় একাধিক ড্রোন দেখা গিয়েছিল। নিরাপত্তা বাহিনী ড্রোনগুলিকে প্রতিহত করতে সক্ষম হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ধ্বংসাবশেষ পড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।

    এদিকে পাক সেনা কর্মকর্তাদের মতে, এই ড্রোনগুলোর লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়া। কিন্তু অধিকাংশ ড্রোনই লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। আর কিছু জায়গায় ধ্বংসাবশেষ পড়ে সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও তারা দাবি করেছে। পাকিস্তানের কোয়েটাতে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে দুই শিশু আহত হয়েছে বলেও খবর মিলেছে। এছাড়াও কোহাট এবং রাওয়ালপিন্ডি এলাকাতেও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর সামনে আসে।

    আরও পড়ুন: মেসেজ পেলেও ঢোকেনি যুবসাথীর টাকা? জানুন কী হবে এবার

    আফগানিস্তানকে দায়ী ইসলামাবাদের

    এদিকে এই ঘটনার জন্য সরাসরি আফগানিস্তানকে দায়ী করেছে পাকিস্তান। তাদের দাবি, এই ড্রোন হামলাগুলি আফগানিস্তানের কান্দাহার অঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটি থেকেই করা হয়েছে। সেনা ঘাঁটি আর সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালিয়ে তালিবানরা রেড লাইন অতিক্রম করতে চাইছে। তারই জবাবে পাকিস্তান বিমান হামলা চালিয়েছে। এমনকি সংঘাত আরও বাড়তে পারে এরকম আশঙ্কায় পাকিস্তান সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসলামাবাদের আকাশ পথ সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দাবি, নিরাপত্তার স্বার্থেই তাদের এই পদক্ষেপ।

  • “জঘন্য ফুটবল খেলছে ইস্টবেঙ্গল!” কোচের পদ হারাবেন অস্কার?

    “জঘন্য ফুটবল খেলছে ইস্টবেঙ্গল!” কোচের পদ হারাবেন অস্কার?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইন্ডিয়ান সুপার লিগের শুরুটা জয় দিয়ে করলেও মাঝপথে এসে কার্যত হড়কে গেল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC)। প্রথম দুই ম্যাচের পর কেমন যেন বলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছেন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারেরা। গতকাল পয়েন্ট তালিকার 13 নম্বরে থাকা দল কেরালার বিরুদ্ধে সাফল্য খুঁজতে মাঠে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল। তবে ম্যাচে প্রথম গোল করে জেতার স্বপ্ন দেখলেও শেষ মুহূর্তে পাল্টা গোল করে লাল হলুদকে আটকে দিল দক্ষিণী দল। একের পর এক ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের এমন ব্যর্থতা কপালে চিন্তার ভাঁজ বাড়িয়েছে ভক্তদের। তাতেই এবার প্রধান কোচ অস্কার ব্রুজোকে (Oscar Bruzon) নিয়ে গো ব্যাক স্লোগান তুললেন তাঁরা।

    লাল হলুদের ব্যর্থতায় কোচের পদ হারাবেন অস্কার?

    শনিবার ম্যাচের প্রথম 9 মিনিটে বক্সের ভেতরেই ফাউল করা হয় ইস্টবেঙ্গল ফুটবলার এডমুন্ডকে। তারপরই সুযোগ পেয়ে তার সদ্ব্যবহার করে লাল হলুদ। পেনাল্টি পেতেই প্রথম গোলে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল বাহিনী। যদিও সেই গোল শোধ দিতে উঠেপড়ে লেগেছিল কেরালা। মাঝে অবশ্য বহুবার সুযোগ পেয়েছে প্রথম গোল করার। তবে শেষ পর্যন্ত সাফল্যটা এসেছে 90+2 মিনিটে অর্থাৎ অতিরিক্ত সময়ের খেলায়। শেষ মুহূর্তে গোল করে কেরালা সমতায় ফিরলে ড্র হয়ে যায় ম্যাচ। আর তারপরই ইস্টবেঙ্গলের ব্যর্থতায় একেবারে মাথায় হাত পড়ে সমর্থকদের। যে দলটা চলতি টুর্নামেন্টের শুরু থেকে দাপিয়ে খেলে আসছিল তারা হঠাৎ করে কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে জানতে চাইছেন সিংহভাগই?

    এদিকে পয়েন্ট তালিকায় পিছিয়ে থাকা কেরালার বিরুদ্ধে জয় খুঁজতে না পারায় ব্যর্থতার দায় গিয়ে পড়েছে, প্রধান কোচ অস্কারের উপর। লাল হলুদের হেড স্যারকে নিয়ে গতকাল সমালোচনার বন্যা বইয়ে দিয়েছিলেন ভক্তরা। তাছাড়াও স্টেডিয়ামে উঠেছিল অস্কার গো ব্যাক স্লোগান। ক্যামেরার লেন্স থেকে ধরা পড়েছে ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের কাছে ভক্তরা জানতে চাইছেন কেন ভাল ফল করতে পারছে না দল? অনেকেরই দাবি, একেবারে জঘন্য ফুটবল খেলছে ইস্টবেঙ্গল। শুধু তাই নয়, এদিন লাল হলুদ কর্তার কাছে অস্কারকে পদ থেকে সরানোর দাবি জানান তাঁরা।

    অবশ্যই পড়ুন: এরা পাবেন না গ্যাস সিলিন্ডার! নয়া বিধি নিষেধ আরোপ কেন্দ্রের

    ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের শীর্ষকর্তা অবশ্য একেবারে স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, “অস্কারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া আমাদের হাতে নেই। ম্যানেজমেন্ট এবং কোম্পানি তো দলের ভাল চেয়েই ফুটবলার এবং কোচ নিয়োগ করেছে।” লাল হলুদ কর্তার তরফে এমন বক্তব্যের পরেও ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা, বারবার প্রশ্ন করছিলেন প্লেয়াররা তো খারাপ খেলেনি তাহলে কোথায় হারল ইস্টবেঙ্গল? দেবব্রত সরকার অবশ্য নিজেও স্বীকার করেছেন যে লাল হলুদের ছেলেরা যথেষ্ট চেষ্টা করেছে। আর এসবের পর দলের এমন অসফলতার জন্য অস্কার ব্রুজোকে দায়ী করে দ্রুত তাঁর পদত্যাগ চাইছেন সকলে। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলে অস্কারের মেয়াদ ঠিক কতদিন হয়!

  • মেসেজ পেলেও ঢোকেনি যুবসাথীর টাকা? জানুন কী হবে এবার

    মেসেজ পেলেও ঢোকেনি যুবসাথীর টাকা? জানুন কী হবে এবার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বর্তমান সময়ে বাংলায় সবথেকে আলোচ্য বিষয় হল যুবসাথী স্কিম (Banglar Yuva Sathi)। এই স্কিমের আওতায় বহু যুবক যুবতী ইতিমধ্যে ১৫০০ টাকা করে পেয়ে গিয়েছেন। আর কিছু মানুষ অপেক্ষা করছেন টাকা আসার। কিছুজনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে দেওয়া ১৫০০ টাকা নিয়ে ধন্ধ শুরু হয়েছে। আদৌ তাঁরা টাকা পাবেন তো? প্রশ্ন উঠছে কারণ, অনেকে নানানভাবে মেসেজ পেয়েছেন যে তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রানজেকশন ফেল হয়েছে। ফলে অনেক আবেদনকারীই এখন অপেক্ষা করছেন টাকার। আপনিও কি অপেক্ষা করছেন? তাহলে বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    কবে মিলবে যুবসাথীর টাকা?

    ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের সময়ে রাজ্য সরকার যেমন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার স্কিম এনে সকলকে চমকে দিয়েছিল, এবারেও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল। কয়েকদিনের মধ্যেই বাংলায় ভোটের দামামা বেজে যাবে। কিন্তু তার আগে রাজ্য বাজেটে বাংলার যুবকদের ১৫০০ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। আগে ১৫ আগস্ট থেলে থেকে এই টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও, পরে বলা হয় এপ্রিল মাস থেকে টাকা দেওয়া হবে। তারপর, নারী দিবসের প্রাক্কালে, ৭ মার্চ মমতা ঘোষণা করেন যে ডিবিটি সেই দিন থেকেই শুরু হবে। ঘোষণা অনুযায়ী, অনেকে পেয়েওছেন তো আবার অনেকে পাননি।

    রাজ্যের বহু কর্মপ্রার্থী যুবক-যুবতী সম্প্রতি ‘বাংলার যুবসাথী’ প্রকল্পের একটি মেসেজ পেয়েছেন। ইনফরমেশন এন্ড কালচারাল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্ট থেকে হোয়াটসঅ্যাপে এই মেসেজ আসার পর অনেকেই ভাবছেন যে তাদের অ্যাকাউন্টে খুব শীঘ্রই টাকা জমা পড়বে। কিন্তু টাকা আসছে কই? এখানে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, সে ব্যাঙ্ক হোক বা অন্য কোনও জিনিসে আবেদন, আবেদন করার পর আপনার কাছে স্বাগত বার্তা আসবেই। এর মানেই এই নয় যে আপনি তখনই টাকা পাবেন। সেটি মূলত একটি প্রাপ্তি স্বীকার বা রিসিভ কপি। সকলের কাছে যুবসাথীর যে মেসেজ গিয়েছে সেটার অর্থ হল সরকারি পোর্টালে আপনার আবেদনটি সফলভাবে জমা পড়েছে। কিন্তু এটিকে টাকা পাওয়ার চূড়ান্ত নিশ্চয়তা হিসেবে ধরে নিলে কিন্তু ভুল করবেন। আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যেদিন টাকা ঢুকবে, সেদিন সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে একটি কনফার্মেশন মেসেজ আসবে আপনার কাছে।

    আরও পড়ুনঃ এরা পাবেন না গ্যাস সিলিন্ডার! নয়া বিধি নিষেধ আরোপ কেন্দ্রের

    এদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুব সাথী প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের অভিযোগ পেয়েছেন, কনফার্মেশন মেসেজ পেয়েছেন কিন্তু এখনও তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাননি, তাদের অবিলম্বে অভিযোগের সমাধানের জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

    যুবসাথীর যোগ্যতা কী?

    এই অর্থ সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত প্রদান করা হবে। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী যে কেউ দশম শ্রেণী পাস হওয়া পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। পুরুষ, মহিলা এবং তৃতীয় লিঙ্গ উভয়ই স্বাগত। তবে আপনি যদি ইতিমধ্যেই লক্ষ্মীর ভান্ডারের সুবিধাভোগী হন বা অন্যান্য কোনও প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণকারী হয়ে থাকেন তাহলে আপনি এই টাকা পাবেন না। শেষ হিসাব অনুযায়ী, ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ মার্চের মধ্যে ৮৪ লক্ষ মানুষ যুবসাথির জন্য নাম নথিভুক্ত করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন যে কমপক্ষে এক কোটি ইতিমধ্যেই নাম নথিভুক্ত করেছেন।

  • আজই বাংলা সহ ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা! বিকেলে বৈঠক কমিশনের

    আজই বাংলা সহ ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা! বিকেলে বৈঠক কমিশনের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সকল প্রতীক্ষার অবসান, আজ রবিবাসরীয় বিকেলে ঘোষণা হবে ৫ রাজ্যের ভোটের নির্ঘন্ট (Bengal Election 2026)। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আজ পশ্চিমবঙ্গ, আসাম সহ মোট ৫ রাজ্যের নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে। আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    আজ ৫ রাজ্যের ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে কমিশন!

    সূত্রের খবর, আজ বিকেল ৪টের সময়ে দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে একটি সাংবাদিক সম্মেলন ডাকা হয়েছে। সেখানেই ভারতীয় নির্বাচন কমিশন বাংলা, আসাম, কেরালা, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসাম বিধানসভার মেয়াদ ২০ মে, কেরালা ২৩ মে, তামিলনাড়ু ১০ মে, পশ্চিমবঙ্গ ৭ মে এবং পুদুচেরির ১৫ জুন শেষ হচ্ছে। এর অর্থ হল, পাঁচটি রাজ্যেরই নির্বাচন ৭ মে-এর আগেই শেষ হতে পারে। যদিও যতক্ষণ না নির্ঘন্ট প্রকাশ পাচ্ছে কিছু বলা সম্ভব নয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী উপস্থিত থাকবেন।

    বাংলায় কত দফায় ভোট?

    বর্তমান সময়ে একটি প্রশ্ন বারবার উঠছে, বিশেষ করে বাংলায় কত দফায় ভোট হতে পারে? সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশন এবার কম দফায় ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা বিবেচনা করছে। তারিখ ঘোষণার সাথে সাথেই এই সমস্ত রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হবে। ২০২১ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটগ্রহণের দফার সংখ্যা কম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল, কিন্তু এবার সংখ্যা কমাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হবে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে, সুষ্ঠু ও হিংসামুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে খবর।

    সূত্রের খবর, বাংলায় ৩ দফায় ভোট হতে পারে। ২ দফায় দক্ষিণবঙ্গে এবং উত্তরবঙ্গে ১ দফায়। কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা, হুগলি, নদিয়ায় ভোট হতে পারে একসঙ্গে। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে একসঙ্গে ভোট হতে পারে। অন্যদিকে অশান্তি প্রবণ কিছু জেলা যেমন মুর্শিদাবাদ, মালদহ, বীরভূম, কোচবিহারে কড়া নজর থাকছে কমিশনের।

    আরও পড়ুনঃ এরা পাবেন না গ্যাস সিলিন্ডার! নয়া বিধি নিষেধ আরোপ কেন্দ্রের

    সম্প্রতি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের একটি উচ্চ পর্যায়ের দল কলকাতা সফর করে গিয়েছে। এই সফরের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বাস্তবতা মূল্যায়ন করা। সফরকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সাথে নির্বাচন কমিশনার ডঃ সুখবীর সিং সান্ধু এবং ডঃ বিনীত যোশী ছিলেন।

     

  • কমে গেল সোনার দাম, রুপো হল কত? আজকের রেট

    কমে গেল সোনার দাম, রুপো হল কত? আজকের রেট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সোনা, রুপোর দামে বিরাট বদল। আজ অনেকটাই দরপতন হলুদ ধাতুর (Gold Price)। তবে রুপো নিয়ে দুঃসংবাদ। কারণ, দিনের পর দিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাদা ধাতুর বাজার দর। কিন্তু যারা সোনা কিনবেন বলে ভাবছিলেন তাদের জন্য আজ হতে পারে দারুণ সুযোগ। কারণ, আজ অনেকটাই দরপতন হয়েছে হলুদ ধাতুর। তবে কোন শহরে কততে বিক্রি হচ্ছে সোনা, রুপো তা জানতে হলে প্রতিবেদনটি পড়ুন। IBJA Rates-র রিপোর্ট অনুসারে—

    ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনার দাম | Gold Price Today |

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫০,৭০০ টাকায় (-৫০০)।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৬,৩৫০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌতে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৬,৫০০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৬,৪০০ টাকায়।

    ২৪ ক্যারেট পাকা সোনার দাম

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ২৪ ক্যারেট পাকা সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫৮,৫৫০ টাকায় (-৫০০)।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরের ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫৯,৬০০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌতে ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫৯,৮১০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরের ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫৯,৭১০ টাকায়।

    ১৮ ক্যারেট সোনার দাম

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,১৯,৭৪০ টাকায়।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা, পুনে ইত্যাদি শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,১৯,৭৪০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌয়ের মতো শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,১৯,৮৯০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,১৯,৭৯০ টাকায়।

    আরও পড়ুন: এরা পাবেন না গ্যাস সিলিন্ডার! নয়া বিধি নিষেধ আরোপ কেন্দ্রের

    আজ রুপোর বাজার দর | Silver Price Today |

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে খুচরো রুপো বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২,৫৯,০৫০ টাকায় (+৫০০)।

    ➣ আজ চেন্নাই, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরে প্রতি কেজি রুপো বিক্রি হচ্ছে ২,৮০,০০০ টাকায়।

    ➣ আজ মুম্বাই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, পুনে, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে প্রতি কেজি রুপো বিক্রি হচ্ছে ২,৭৫,০০০ টাকায়।

    বিঃদ্রঃ বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমরা শুধুমাত্র দাম নিয়ে আপডেট দিয়ে থাকি। কাউকে বিনিয়োগ করতে বাধ্য করি না।

  • PNG থাকলে আপাতত মিলবে না LPG! নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    PNG থাকলে আপাতত মিলবে না LPG! নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ গ্যাস সিলিন্ডারের (Gas Cylinder) এবার PNG নিয়ে বড় নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। ইরান ইজরায়েলের মধ্যেকার যুদ্ধের আঁচ ভারতের হেঁশেলে পড়েছে। একদিকে যখন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন আমজনতা, তখন আচমকা সরকার ঘরোয়া রান্নার গ্যাস থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম আকাশছোঁয়া করে দিয়েছে। এখনও বিষয়টি অনেকে হজম করতে পারেননি, এরই মধ্যে এবার পাইপযুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস (PNG) নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্র। নেওয়া হয়েছে কড়া পদক্ষেপ। চলুন বিশদে জেনে নেবেন।

    PNG নিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক শনিবার ঘোষণা করেছে যে, যাদের বাড়িতে পিএনজি সংযোগ রয়েছে তারা আর ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডার সংরক্ষণ, নতুন কানেকশন গ্রহণ বা সিলিন্ডার পুনরায় রিফিল করতে পারবেন না। সংশোধিত সরবরাহ নির্দেশের অধীনে, তেল কোম্পানিগুলিকে এই ধরনের গ্রাহকদের এলপিজি কানেকশন বা পুনরায় রিফিল প্রদান থেকেও নিষেধ করা হয়েছে।

    কেন এরকম সিদ্ধান্ত সরকারের?

    সরকার এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে নিয়েছে যখন বিশ্বব্যাপী পরিস্থিতি এলপিজি সরবরাহের উপর প্রভাব ফেলছে। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে ভারতে এলপিজি চালান হ্রাস পাচ্ছে। এক রিপোর্ট অনুসারে, ৯ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহে ভারতে এলপিজি সরবরাহ আনুমানিক ২.৭ লক্ষ টন পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ২০২৩ সালের এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেছে, যে সমুদ্রপথ দিয়ে ভারতের এলপিজির একটি বড় অংশ প্রবেশ করে। এর ফলে আমদানি ব্যাহত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপ বেড়েছে। ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলপিজি গ্রাহক এবং তার চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানির উপর নির্ভর করে।

    আরও পড়ুনঃ ঘরে বসেই ট্রান্সফার হবে পিএফ অ্যাকাউন্ট, নয়া সুবিধা আনল EPFO

    এদিকে দেশের রিফাইনারিগুলিকে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে দেশীয় এলপিজি উৎপাদন প্রায় ২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। মূলত চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার সম্প্রতি রান্নার গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। ৭ মার্চ, প্রায় এক বছর পর ১৪.২ কিলোগ্রামের একটি ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়, যা প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ৯১৩ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

  • ঘরে বসেই ট্রান্সফার হবে পিএফ অ্যাকাউন্ট, নয়া সুবিধা আনল EPFO

    ঘরে বসেই ট্রান্সফার হবে পিএফ অ্যাকাউন্ট, নয়া সুবিধা আনল EPFO

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: বর্তমান সময়ে কমবেশি কোম্পানিই নিজের কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড (Provident Fund) অফার করে। এমন খুব কম মানুষই আছেন যারা ভবিষ্যতের কথা ভেবে PF অ্যাকাউন্ট করেননি। তবে আপনিও কি সম্প্রতি আবার চাকরি পরিবর্তননের কথা ভাবছেন, আপনার একাধিক পিএফ অ্যাকাউন্ট আছে? তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনটি রইল আপনার যিনি। প্রায়শই, যখন আপনি আপনার পুরানো কোম্পানি ছেড়ে চলে যান, তখন আপনি আপনার পিএফ ব্যালেন্স ট্রান্সফার (PF Balance Transfer) করতে ভুলে যান। মনে পড়লে টাকা তুলতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। যদিও ইপিএফও এখন এই প্রক্রিয়াটি সহজ করেছে। চলুন জেনে নেবেন।

    ঘরে বসে এভাবে করুন PF ট্রান্সফার

    EPFO এখনো পিএফ অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার প্রক্রিয়া আগের তুলনায় অনেকটাই সহজ করেছে।”এক সদস্য, এক ইপিএফ অ্যাকাউন্ট” সুবিধার মাধ্যমে, আপনি আপনার ঘরে বসেই আপনার সমস্ত পুরানো পিএফ অ্যাকাউন্ট নতুন তৈরি অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারবেন। চলুন জেনে নেবেন প্রক্রিয়া।

    ১) সদস্যদের ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর (UAN) অবশ্যই সক্রিয় থাকতে হবে এবং তাদের আধার, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং মোবাইল নম্বরের সাথে লিঙ্ক করতে হবে।

    ২) আপনার UAN এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ePF সদস্য পোর্টালে (unifiedportal-mem.epfindia.gov.in/memberinterface/) লগ ইন করুন।

    ৩)এখন ব্যবহারকারীরা ‘এক সদস্য এক পিএফ অ্যাকাউন্ট’ পরিষেবার মাধ্যমে ট্রান্সফারের অনুরোধ করতে পারবেন।

    আরও পড়ুনঃ বাংলা-পুরীর যোগাযোগ আরও উন্নত, স্পেশাল ট্রেনকে নিয়মিত করল রেল

    ৪) এই সিস্টেমে, ব্যবহারকারীদের তাদের ব্যক্তিগত এবং কর্মসংস্থানের বিবরণ যাচাই করতে হবে। দাবি যাচাই করার জন্য তাদের একজন নিয়োগকর্তা নির্বাচন করতে হবে এবং তাদের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে প্রেরিত একটি OTP এর মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি প্রমাণীকরণ করতে হবে।

    ৫) তারপর আপনি ফর্ম ১৩ পূরণ করে জমা দিতে পারেন, যার পরে আপনার PF অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার হবে।

    ৬) এই প্রক্রিয়াটি স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় সময় এবং প্রচেষ্টা হ্রাস করে, যা অনেক কর্মচারীর জন্য এটি একটি পছন্দের বিকল্প।

    EPFO অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফারের নিয়ম

    এটি মনে রাখা জরুরি যে সফলভাবে PF ট্রান্সফারের জন্য, পূর্ববর্তী নিয়োগকর্তাদের সিস্টেমে প্রস্থানের তারিখ আপডেট করতে হবে। এটি EPFO ​​পোর্টালে “Manage > Mark Exit” বিকল্পের মাধ্যমে করা যেতে পারে। এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে পূর্ববর্তী PF অ্যাকাউন্টের জন্য শুধুমাত্র একটি স্থানান্তরের অনুরোধ করা যেতে পারে। EPFO নিশ্চিত করে যে Claim Status পরীক্ষা করা উচিত, এবং যদি ট্রান্সফার অনলাইনে হয়, তাহলে ফর্ম ১৩ সশরীরে জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে, একাধিক UAN বা অব্যাহতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে, ফর্ম ১৩ সহ একটি অফলাইন ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

  • বাংলা-পুরীর যোগাযোগ আরও উন্নত, স্পেশাল ট্রেনকে নিয়মিত করল রেল

    বাংলা-পুরীর যোগাযোগ আরও উন্নত, স্পেশাল ট্রেনকে নিয়মিত করল রেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ফের একবার পোয়া বারো হল রেল যাত্রীদের। এবার বাংলা থেকে পুরী যাওয়া আরও সহজ। জানা গিয়েছে, এবার থেকে ভারতীয় রেল পুরী-পাটনা স্পেশাল ট্রেনের (Puri Patna Special Train) নিয়মিত চলাচলের অনুমোদন দিয়েছে। রেল এই ঘোষণা করেছে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বাংলা থেকে পুরী যাওয়া আরও সহজ করল রেল

    রিপোর্ট অনুযায়ী, এখন পুরী-পাটনা স্পেশাল (০৮৪৩৯/০৮৪৪০) এখন পুরী-পাটনা এক্সপ্রেস (১৮৪০৫/১৮৪০৬) নামে চলবে। সাপ্তাহিক পুরী-পাটনা এক্সপ্রেস প্রতি শনিবার দুপুর ২:৫৫ মিনিটে পুরী থেকে ছেড়ে যাবে এবং পরের দিন সকাল ১০:৪৫ মিনিটে বিহারের রাজধানী পাটনায় পৌঁছাবে। ফিরতি পথে ট্রেনটি প্রতি রবিবার দুপুর ১:৩০ মিনিটে পাটনা থেকে ছেড়ে যাবে।

    ট্রেনটির স্টপেজ সম্পর্কে বললে, যাত্রাপথে ট্রেনটি খুরদা রোদ, ভুবনেশ্বর, কটক, জাজপুর কেওনঝড় রোড, ভদ্রক, বালাসোর, খড়গপুর, আন্দুল, ডানকুনি, বর্ধমান, দুর্গাপুর, আসানসোল, চিত্তরঞ্জন, মধুপুর, জসিডিহ, ঝাঝা, কিউল, মোকামা, বার এবং বখতিয়ারপুর স্টেশনে দাঁড়াবে। অর্থাৎ একই ট্রেনে আপনি ওড়িশা, বাংলা এবং বিহার তিন রাজ্য ঘুরে নিতে পারবেন।

    May be an image of ticket stub and text

    এই ট্রেনগুলির সংখ্যাও বদল করল রেল

    যাত্রীদের সুবিধার্থে রেল প্রশাসন কিছু ট্রেনের নম্বরও পরিবর্তন করবে। রেল কর্মকর্তাদের মতে, হাওড়া-দেরাদুন ট্রেনের নম্বর ১২৩২৭ থেকে পরিবর্তন করে ১৩০৩৫ করা হবে, অন্যদিকে দেরাদুন-হাওড়া ট্রেনের নম্বর ১২৩২৮ থেকে পরিবর্তন করে ১৩০৩৬ করা হবে। এটি ১৫ এপ্রিলের প্রথম দিকে কার্যকর করা যেতে পারে। এছাড়াও, হাওড়া-জম্মু তাওয়ী ট্রেনের নম্বর ১২৩৩১ থেকে পরিবর্তন করে ১৩০৪১ করা হবে এবং হাওড়া-প্রয়াগরাজ রামবাগ ট্রেনের নম্বর ১২৩৩৩ থেকে পরিবর্তন করে ১৩০৪৭ করা হবে।

    আরও পড়ুনঃঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে হাওয়া, ৫ জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, আজকের আবহাওয়া

    এপ্রিল মাসে এই দুটি ট্রেনও নতুন নম্বর পাবে। মূলত সুপারফাস্ট ট্রেনগুলিকে মেল/এক্সপ্রেস ট্রেন দিয়ে প্রতিস্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে হাওড়া-কালকা ট্রেনও অন্তর্ভুক্ত। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, যাত্রীদের সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের যাত্রা শুরু করার আগে সময়সূচী দেখে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

  • ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে হাওয়া, ৫ জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, আজকের আবহাওয়া

    ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে হাওয়া, ৫ জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, আজকের আবহাওয়া

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ একের পর এক ঘূর্ণাবর্ত এবং নিম্নচাপ অক্ষরেখার প্রভাবে বাংলার আবহাওয়া (Weather Today) বদলে গিয়েছে। জেলায় জেলায় হচ্ছে হালকা থেকে মাঝারি তো ভারী বৃষ্টি। সঙ্গী হচ্ছে বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঝোড়ো হাওয়া। আপাতত টানা বাংলার আবহাওয়া এরকম থাকবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বরং আজ রবিবার ছুটির দিন থেকে আরও বৃষ্টি বাড়বে বাংলায়। জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ ও আসাম এর কাছে অবস্থানরত ঘূর্ণাবর্ত এবং ঝাড়খণ্ডের উপর অবস্থানরত নিম্নচাপ অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক ঘণ্টায় জেলায় জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন জেলাকে আজ সতর্ক থাকতে হবে।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    প্রথমেই আসা যাক আজ সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে সে সম্পর্কে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জারি করা বুলেটিন অনুযায়ী, রবিবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড় বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ জেলায়। উল্লেখিত জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিমি ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া বাদবাকি জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভাঙা চাল দিয়ে পড়ত বৃষ্টির জল! ঋণ নিয়ে পড়াশোনা করে UPSC ক্র্যাক পবনের

    এদিকে কিছু জেলায় যেমন গরম দাপট দেখাতে শুরু করেছে তেমনই আবার কিছু জেলায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকই রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে উচ্চ চাপের কারণে শক্তিশালী দক্ষিণা হাওয়া পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী অঞ্চলে এবং পূর্বের জেলাগুলোতে প্রবেশ করার কারণে দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলির তুলনায় পূর্বের জেলাগুলোতে তাপমাত্রা কিছুটা কম রয়েছে। ফলে আপাতত স্বস্তি। এদিকে পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    এবার আসা যাক উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া সম্পর্কে। আজ থেকে আবার উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ জেলা যেমন দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে ঝড়ের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। এছাড়া বাদবাকি জেলাতেও ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আগামীকালের আবহাওয়া

    এদিকে সপ্তাহের প্রথম দিনেই আবার দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এদিন পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, বাঁকুড়া এবং হুগলি জেলায় ভারী বৃষ্টি সঙ্গে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর। উত্তরবঙ্গের কথা বললে, সোমবার প্রতিটি জেলা যেমন দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, মালদা, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা।

  • ২০২৬-এ অক্ষয় তৃতীয়া কত তারিখে পড়ছে? জানুন সময়সূচি, তিথি নক্ষত্র ও তাৎপর্য

    ২০২৬-এ অক্ষয় তৃতীয়া কত তারিখে পড়ছে? জানুন সময়সূচি, তিথি নক্ষত্র ও তাৎপর্য

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ২০২৬ সালে অক্ষয় তৃতীয়া কত তারিখে পড়ছে (Akshaya Tritiya 2026)? কী রয়েছে দিনক্ষণ, শুভ সময়? আসলে এই অক্ষয় তৃতীয়া দিনটিকে সোনা কেনার জন্য সবথেকে শুভ সময় বলেই মনে করা হয়। আর এই দিনটিতে সকলে শুভ কাজ শুরু করেন। যেমন ব্যবসা থেকে শুরু করে গৃহ প্রবেশ, বিবাহ ইত্যাদি। আর অক্ষয় তৃতীয়ার দিন দেবী লক্ষ্মীর পূজা ও প্রার্থনা করলে ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি এবং মঙ্গল ফিরে আসে বলেই বিশ্বাস করা হয়। কারণ, দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ বর্ষিত হয়। তাই ২০২৬ সালের অক্ষয় তৃতীয়া সম্পর্কে জানতে হলে পড়ুন এই প্রতিবেদনটি।

    অক্ষয় তৃতীয়া সাধারণত কবে পালিত হয়?

    জানিয়ে রাখি, প্রতিবছর বাংলা ক্যালেন্ডার বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে এই অক্ষয় তৃতীয়া পালন করা হয়। আর অক্ষয় তৃতীয়ার দিন লক্ষ্মীর পূজা করলে আর্থিক লাভ হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। পাশাপাশি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পেতে থাকে। আর এই দিনটিকে সোনা কেনার জন্য সবথেকে শুভ সময় বলে মনে করা হয়।

    অক্ষয় তৃতীয়া ২০২৬ সময়সূচি

    বৈদিক পঞ্জিকা বলছে, বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি শুরু হচ্ছে আগামী ১৯ এপ্রিল রবিবার। তিথি শুরু হবে সকাল ১০:৪৯ মিনিটে এবং তৃতীয়া তিথি শেষ হবে ২০ এপ্রিল সকাল ৭:২৭ মিনিটে। সনাতন ধর্ম অনুযায়ী, সূর্যোদয় থেকেই তিথি গণনা করা হয়। এর জন্য ১৯ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়া পালন করা হবে। জানা যাচ্ছে, ১৯ এপ্রিল পূজার শুভ সময় সকাল ১০:৪৯ থেকে দুপুর ১২:২০ মিনিট পর্যন্ত। এই সময় যদি দেবী লক্ষীর পূজা করা হয়, তাহলে আশীর্বাদ বর্ষিত হবে।

    সোনা কেনার জন্য শুভ সময়

    আগেই বলেছি, অক্ষয় তৃতীয়ার দিন সোনা কেনা সবথেকে শুভ বলে মনে করা হয়। তাই সোনা কেনার জন্য আলাদা শুভ সময়ও রয়েছে। হ্যাঁ, ১৯ এপ্রিল সকাল ১০:৪৯ মিনিট থেকে পরের দিন অর্থাৎ ২০ এপ্রিল ভোর ৫:৫১ মিনিটের মধ্যে আপনি যে কোনও সময় সোনা কিনতে পারেন। এতে আপনার সুখ সমৃদ্ধি এবং ধন-সম্পত্তি বৃদ্ধি পাবে।

    অক্ষয় তৃতীয়া ২০২৬ তিথি নক্ষত্র

    জানিয়ে রাখি, অক্ষয় তৃতীয়ার দিন আয়ুষ্মান যোগ বিরাজ করবে। আর এদিন রাত ৮:০২ মিনিটে সৌভাগ্য যোগ শেষ হবে এবং পরের দিন ত্রিপুষ্কর যোগ বিরাজ করছে। আর এই সময় যদি কেনাকাটা করেন, তাহলে ভালো ফলাফল পাবেন। এমনকি সময়টিকে সাফল্যের ইতিবাচক দিক হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। এছাড়াও কৃত্তিকা নক্ষত্রের প্রভাব পড়বে শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথির বিশেষ দিনটিতে। এর সঙ্গে কৌলব, তৈতিল এবং গর করণ যোগ বিরাজ করবে। আর জ্যোতিষীরা এই করণকে শুভ বলেই মনে করেন।

    আরও পড়ুন: ২০২৬-এ নীলষষ্ঠী কত তারিখে? দেখুন দিনক্ষণ, পালনের নিয়ম ও মাহাত্ম্য

    অক্ষয় তৃতীয়ার দিন করুন এই কাজ

    অক্ষয় তৃতীয়াকে এমনিতেই হিন্দু ধর্মে সবথেকে শুভ দিন বলে মনে করা হয়। তাই এদিন জলের পাত্র, গুড় বা পোশাক দান করার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। পাশাপাশি পূর্বপুরুষদের জন্য প্রার্থনা, স্নান বা অন্যান্য আচার অনুষ্ঠান করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। আর এইদিন দান, ধ্যান বা পূজা করলেও ইতিবাচক ফলাফল আসে। শাস্ত্র মতে, এই দিন শুরু করা যে কোনও প্রচেষ্টা ইতিবাচক ফলাফল নিয়ে আসে। আর অক্ষয় তৃতীয়ার দিন গঙ্গা পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন বলেই বিশ্বাস করা হয়। সেই সূত্র অনুযায়ী, উত্তরাখণ্ডের চারধাম তীর্থযাত্রা এই দিন শুরু হয়। আর গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রীর দরজা খোলা হয়। আর সাথে দেবী লক্ষ্মীর পূজার তাৎপর্য তো রয়েছেই।