Blog

  • ভোটের আগেই কল্পতরু মমতা, কর্মীদের বকেয়া DA দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ভোটের আগেই কল্পতরু মমতা, কর্মীদের বকেয়া DA দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভোট ঘোষণার আগেই একেবারে কল্পতরু হয়ে গেল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। হ্যাঁ, এবার সরকারি কর্মচারীদের মুখে হাসি ফোটালো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটের আগেই বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) দেবে রাজ্য সরকার। নিজেই এ কথা জানালেন মমতা। সেই অনুযায়ী, চলতি মার্চ মাসেই কর্মীদের অ্যাকাউন্টে এই বকেয়া ডিএ দেওয়া শুরু হবে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    ভোটের আগে ডিএ দেবে রাজ্য

    বলে দিই, রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে আইনি জটিলতা। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যকে সরকারি কর্মীদের ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। তবে সেই রায়কেই চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যায়। আর সেখানে অবিলম্বে ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। কিন্তু সেই সময়সীমার মধ্যে কোনও রকম ডিএ মেটাতে পারেনি রাজ্য। সেই কারণে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও অতিরিক্ত ৬ মাস সময় চেয়েছিল নবান্ন। এই সময়সীমা শেষ হয়েছিল ২০২৫ এর সেপ্টেম্বর মাসে। এমনকি তখনো ডিএ মেটাতে ব্যর্থ হয় বাংলা।

    এদিকে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে, যে করে হোক রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মেটাতেই হবে। আর আদালত ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর জন্য মে মাস পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয় এবং বলা হয় যে, দুই দফায় এই ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। কিন্তু প্রথম কিস্তি অবশ্যই ৩১ মার্চের মধ্যে প্রদান করতে হবে। আর এবার ভোটের আগে সেই কথাই রাখল রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর ভাতা বাড়ল পুরোহিত ও ইমামদের! এবার কত?

    এদিকে বকেয়া ডিএ দেওয়ার জন্য ৩ লক্ষ ১৭ হাজারের বেশি কর্মচারীর নথি খতিয়ে দেখতে হবে রাজ্যের অর্থ দফতরকে এমনটাই খবর। আর ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত যাদের তথ্য ডিজিটাল নেই তাদেরকে আবার নতুন করে সেই তালিকায় নথিভুক্ত করতে হবে। আর সেগুলো ডিজিটাইজ করতে সময় লাগছে বলেই জানিয়েছে রাজ্য। তবে তার আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা করলেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের মা মাটি মানুষ সরকার তাঁদের সকল কর্মচারী আর পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ দেবে। যার মধ্যে শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী রয়েছে। ২০১৬ সালের মার্চ মাস থেকে তাদের রোপা ২০০৯-এর বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এই মাসেই ঢোকা শুরু হবে।

  • লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর ভাতা বাড়ল পুরোহিত ও ইমামদের! এবার কত?

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর ভাতা বাড়ল পুরোহিত ও ইমামদের! এবার কত?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজই বাংলায় ভোট ঘোষণা। আগামী মাসেই হতে পারে বিধানসভা নির্বাচন। তবে ভোটের আগেই কল্পতরু হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বিরাট ঘোষণা করলেন। অন্তর্বর্তী বাজেটে রাজ্যের মহিলাদের লক্ষীর ভাণ্ডারের ভাতা এমনিতেই ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এবার আরও এক ভাতা বাড়াল শাসকদল। হ্যাঁ, পুরোহিত এবং ইমাম মোয়াজ্জেমদের আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা নিজেই এ কথা জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    বাড়ল পুরোহিত এবং ইমামদের ভাতা

    এক্স হ্যান্ডেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের পুরোহিত এবং মোয়াজ্জেমদের মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা করে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আজ যাদের সেবায় আমাদের সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক জীবন সমৃদ্ধ থাকে, তাঁদের জন্য এই ঘোষণা। তাঁরা এখন থেকে প্রতিমাসে ১৫০০ টাকার বদলে ২০০০ টাকা করে ভাতা পাবেন।” এমনকি একই সঙ্গে পুরোহিত আর ইমাম মোয়াজ্জেমদের পক্ষ থেকে যথাযথভাবে দাখিলকৃত সমস্ত নতুন আবেদন রাজ্য সরকারের দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে শীঘ্রই আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

    শুধু এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। মমতা জানান, “এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে পারে আমরা গর্বিত যেখানে প্রতিটি সম্প্রদায় আর প্রতিটি ঐতিহ্য সমানভাবে মর্যাদা ও শক্তি লাভ করে। আমাদের সমৃদ্ধি, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের ধারক আর বাহকরা যাতে তাদের প্রাপ্য সম্মান আর স্বীকৃতিটুকু পায়, সেই সেই দিকেই আমরা এগোতে চাইছি। আমরা চাই, প্রতিটি সম্প্রদায় সমানভাবে এগিয়ে যাক। আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের ধারকদের প্রাপক স্বীকৃতি দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

  • বিশ্বকাপ শেষ হতেই এবার পাকিস্তানের অধিনায়ককে শাস্তি দিল ICC

    বিশ্বকাপ শেষ হতেই এবার পাকিস্তানের অধিনায়ককে শাস্তি দিল ICC

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) চরম ব্যর্থতা। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে গিয়েও ধাক্কা খাচ্ছে পাকিস্তান। এরই মাঝে পাক অধিনায়ক সলমান আলি আঘাকে শাস্তি দিলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC Punishment To Pakistan Captain)। জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশ সিরিজ চলাকালীন মাঠে মেজাজ হারানোর কারণে শাস্তি পাচ্ছেন পাক ক্রিকেটার। ঠিক কী করেছিলেন সলমান?

    ঠিক কী করেছিলেন পাক অধিনায়ক?

    বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়ানডের দ্বিতীয় ম্যাচ চলাকালীন 39 তম ওভারে বল করছিলেন ওপার বাংলার মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাট হাতে স্ট্রাইকে ছিলেন মহম্মদ রিজওয়ান। ওভারের চতুর্থ বলটি সোজা খেলার চেষ্টা করেন রিজওয়ান। সেই বল পা দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করেন মিরাজ। এদিকে সেই বল থামার আগেই ক্রিজের বাইরে থাকা সলমান হাত দিয়ে বলটি তুলতে যান। আর তখনই মিরাজ দ্রুত বল তুলে উইকেটে ছুড়ে মারেন। আউট হওয়া মাত্রই তৃতীয় আম্পায়র আউটের ইশারা করেন। আর তারপরেই ঘটে বিপত্তি!

    আম্পায়ার আউট দেওয়া মাত্রই নিজের হেলমেট এবং দস্তানা। জোরে মাটিতে ছুড়ে ফেলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক। পরবর্তীতে তৃতীয় আম্পায়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানালে সেই হেলমেট এবং দস্তানা কুড়িয়ে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি। এরপর ডাগ আউট এর কাছে গিয়ে আবার ব্যাট এবং দস্তানা ছুড়ে ফেলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটার। আর সেটাই কাল হল তাঁর জন্য। পাক অধিনায়কের এমন আচরণ একেবারেই ভালোভাবে নেয়নি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    খেলা শেষ হওয়া মাত্রই ম্যাচ রেফারি পাকিস্তানের অধিনায়কের রিপোর্টে এই বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের 2.2 ধারার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করেন। আসলে বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থার এই ধারা অনুযায়ী ম্যাচের মাঝে যদি কোনও ক্রিকেটার নিজেদের ক্রিকেট সরঞ্জাম ছুড়ে ফেলেন তা আগ্রহণযোগ্য অপরাধের মধ্যে পড়ে। এর জন্য শাস্তি পেয়ে থাকেন প্লেয়াররা। সেই মতোই নিয়ম মেনে শাস্তি পেয়েছেন সলমান। তাঁকে সতর্ক করার পাশাপাশি এক ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে। তবে আউট হয়ে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের প্লেয়ার লিটন দাসের সাথে ঝামেলার কারণে পাকিস্তানের প্লেয়ারকে কোনও শাস্তি দেয়নি ICC।

  • রাজ্যে শীঘ্রই আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

    রাজ্যে শীঘ্রই আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে বিরাট নিয়োগের ইঙ্গিত দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। তিনি জানালেন, খুব শীঘ্রই রাজ্যে আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে (West Bengal Teacher Recruitment)। শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার তেঘরিয়ায় এক সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। সূত্রের খবর, এদিন তেঘরিয়া শিক্ষানিকেতন নিকেতন হাইস্কুলে একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। আর ওই স্কুলটিকে বাংলা মাধ্যম থেকে উন্নীত করে সরকারি কো-এড ইংরেজি এবং বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয় হিসেবে চালু করার সূচনা হয়েছিল ওই অনুষ্ঠানে। সেখানেই বড়সড় ঘোষণা করেন তিনি।

    রাজ্যে অতিরিক্ত ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা

    এদিন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগে নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল তা কাটিয়ে ওঠার জন্য দ্রুত ২৬ হাজার অনিশ্চয়তার মুখে থাজা প্রার্থীর চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন, শুধুমাত্র ২৬ হাজার প্রার্থীর সমস্যা সমাধানে আমরা থেমে থাকব না, বরং এর পাশাপাশি আরও দ্রুত ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়েও এদিন কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, স্কুলের মিড ডে মিল প্রকল্প আর উন্নয়নমূলক বিভিন্ন খাতে কেন্দ্র সরকার রাজ্যকে দিনের পর দিন বঞ্চিত করে আসছে। সেই সঙ্গে তিনি বিজেপিকেও নিশানা করেন।

    শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের মাতৃভাষা বাংলা। আর এটি আমাদের শিকড়ের ভাষা। তাই বাংলাকে ভালোভাবে শেখার উপরেই জোর দিতে হবে। পাশাপাশি ইংরেজি আর হিন্দি ভাষাকেও সমান ভাবে গুরুত্ব দিয়ে শেখা দরকার। কারণ, বাইরের রাজ্যে গেলে হিন্দি তো দরকারই। আর দেশের বাইরে গেলে ইংরেজি ছাড়া চলাই যাবে না। এদিকে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি স্কুলগুলিতে ইংরেজি শিক্ষার প্রসার বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছিলেন বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    প্রসঙ্গত, উত্তর ২৪ পরগনার বাগুইআটি অঞ্চলে অবস্থিত তেঘরিয়া শিক্ষানিকেতন স্কুলটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আর দীর্ঘদিনের পুরনো এই বিদ্যালয় থেকে এবার সরকারি উদ্যোগে ইংরেজি আর বাংলা দুই মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক আর পরিচালন কমিটির আবেদনের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমনকি উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দমদমের সাংসদ সৌগত রায়, অদিতি মুন্সি, বিধানসভা ও পৌরসভার প্রতিনিধিরা এবং স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালন কমিটির সদস্যরা। এখন দেখার, এই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া ঠিক কবে সম্পন্ন হয়।

  • আলুর দাম নিয়ে বড় ঘোষণা নবান্নের, চিন্তা দূর হবে চাষিদের?

    আলুর দাম নিয়ে বড় ঘোষণা নবান্নের, চিন্তা দূর হবে চাষিদের?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে আলু নিয়ে বিপাকে বাংলার চাষিরা (Farmer)। এবারে ফলন হলেও বাজারে আলুর সঠিক দাম (Potato Price) মিলছে না, যা স্বাভাবিকভাবেই মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে চাষিদের। আলু আতঙ্কে বর্ধমানের এক চাষি আত্মহত্যা অবধি করেছে। এহেন পরিস্থিতিতে বড় পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    আলু চাষিদের জন্য বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    কুইন্টাল পিছু ৯৫০ টাকা দরে আলু কেনার কথা ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। শনিবার চাষিদের স্বার্থে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ‘আলুর অভাবী বিক্রি রোধ করতে এবং আলু চাষিদের জন্য লাভজনক দাম নিশ্চিত করতে আমরা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অন্যান্য বারের মতো এবারেও আলু সংগ্রহ প্রকল্প চালু রেখেছে। আলুর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাড়িয়ে কুইন্টাল পিছু ৯৫০ টাকা করা হয়েছে।’

    তিনি টুইটারে লেখেন, ‘আমাদের সমবায় দফতরের হিমঘর সহ রাজ্যের প্রায় সমস্ত হিমঘর এই প্রকল্পে অংশ নিচ্ছে। রাজ্যের হিমঘরে ছোট আলু চাষিদের জন্য ৩০ শতাংশ জায়গা সংরক্ষিত আছে। আন্তঃরাজ্যে বাণিজ্যে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। রাজ্যের মানুষকে বঞ্চিত না করে অন্য রাজ্যে আলু রপ্তানি করতে চাইলে রাজ্য সরকার কৃষকদের স্বার্থে তাতে কোনও বাধা দেবে না। বরং আলুর ক্ষেত্রে আন্তঃরাজ্য বাণিজ্যে রাজ্যের উৎসাহই আছে।’

    কী অবস্থা রাজ্যের আলু চাষিদের ?

    সূত্রের খবর, ‘গত বছর, রাজ্যে ১১০ লক্ষ টন আলু উৎপাদন হয়েছিল। ফসল তোলার সময় কৃষকরা পর্যাপ্ত দাম পাননি, এবং ব্যবসায়ীরা, যারা হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করেছিলেন, তারা মরসুমের শেষে তাদের উৎপাদিত পণ্য অনেক কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হন – প্রায় ₹ ২ কেজি। এই বছর, উৎপাদন অনেক বেশি, এবং ফলস্বরূপ, সমস্যাটি আরও বড়।’

    আরও পড়ুনঃ ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, “রাজ্যের চাহিদা প্রায় ৬০ লক্ষ টন। বাকিটা আগে বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং আসামের মতো রাজ্যে পাঠানো হত। কিন্তু ২০১৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বাংলা সরকার অন্যান্য রাজ্যে আলু বিক্রির উপর বারবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায়, প্রতিবেশী রাজ্যগুলি আর বাংলার আলুর উপর নির্ভরশীল নয়, যার ফলে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ নিয়ে শঙ্কিত।” হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় প্রায় ১৫ লক্ষ আলু চাষী রয়েছে। তাঁদের সমস্যা শীঘ্রই দূর করতে বদ্ধপরিকর সরকার বলে খবর।

  • ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ট্রেনে (Train) আরামদায়ক ভ্রমণ সঙ্গে বিনামূল্যে খাবার দাবার। শুধু তাই নয়, সম্পূর্ণ নিখরচায় মিলবে টিকিট (Indian Railways)। অর্থাৎ ভ্রমণটাও হবে সম্পূর্ণ ফ্রিতে। হ্যাঁ, এবার এমনই এক দুর্ধর্ষ প্রকল্প চালু করতে চলেছে ভারতীয় রেল। জানা যাচ্ছে, গোটা বিশ্বের সবচেয়ে বড় লয়্যালটি প্রোগ্রামের আওতায় বিনামূল্যে টিকিট থেকে শুরু করে খাবার দাবারের ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে মধ্যবিত্ত যাত্রীদের রেলমুখী করাই প্রধান লক্ষ্য কেন্দ্রের।

    হঠাৎ কেন এমন ভাবনা?

    NDTV র রিপোর্ট অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিভিন্ন বিমান সংস্থা বা এয়ারলাইন্স একেবারে অল্প খরচে পরিষেবা দিচ্ছে। যার কারণে ট্রেন উপেক্ষা করে ফ্লাইটে যাতায়াত করছেন যাত্রীরা। তাছাড়াও একটা বড় অংশের মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষ রেল ব্যবস্থার সাথে ততটাও যুক্ত নন। মূলত সে কারণেই একদিক থেকে হারানো যাত্রীদের ফিরে পেতে এবং অন্য দিক থেকে নিম্ন মধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষদের রেল ব্যবস্থার সাথে জুড়তে চমক দিতে চাইছে রেল মন্ত্রক।

    কিন্তু কীভাবে হবে সব? একাধিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রেডিট কার্ড বা অনলাইন পেমেন্টের মতোই এবার ট্রেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও মিলবে পয়েন্ট। রেল বলছে, যাত্রীরা কিলোমিটারের হিসেবে যত বেশি পথযাত্রা করবেন তাঁদের IRCTC অ্যাকাউন্টে জড়ো হবে তত পয়েন্ট। পরবর্তীতে এই রিওয়ার্ড পয়েন্ট ভাঙিয়েই করা যাবে, বিনামূল্যে যাত্রা।

    কীভাবে বিনামূল্যে ট্রেনে ভ্রমণ থেকে শুরু করে ফ্রিতে মিল পাওয়া যাবে?

    রেলের কয়েকজন আধিকারিক এর মতে, এই রিওয়ার্ড পয়েন্টগুলি যাত্রীদের IRCTC অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হবে। যা পরবর্তীতে ডিজিটাল ওয়ালেট হিসেবে কাজ করবে। এক কথায়, নির্দিষ্ট সংখ্যক পয়েন্ট জমা হয়ে গেলেই পরবর্তীতে ওই রিওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে রেলের তরফে একাধিক সুবিধা পেতে পারেন। এর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে বিনামূল্যে টিকিট। একজন যাত্রী রিওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে টিকিটের দামের উপর ডিসকাউন্ট কিংবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ট্রেনের টিকিট পেতে পারেন।

    এখানেই শেষ নয়, ওই রিওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়েই মিলবে চা থেকে শুরু করে দুপুরে লাঞ্চ এমনকি রাতের ডিনারও। এই খাওয়ার যাত্রীরা স্টেশন বা ট্রেনের ভেতরে থাকা ই ক্যাটারিং এর মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবেন। একই সাথে পর্যাপ্ত রিওয়ার্ড পয়েন্ট থাকলে স্টেশনে আরামদায়ক বা বিলাসবহুল ওয়েটিং লাউঞ্জে বিনামূল্যে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ থাকবে যাত্রীদের কাছে। রেল সূত্রে খবর, এই রিওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে আগামীতে থার্ড এসি থেকে সেকেন্ডে এসি কিংবা ফার্স্ট ক্লাস এসিতে নিজেদের সিট আপগ্রেড করার সুবিধা থাকবে।

    অবশ্যই পড়ুন: এদের জন্য হরমুজ প্রণালীর দরজা খুলে দিল ইরান, তালিকায় ভারতও?

    প্রসঙ্গত, প্রাথমিকভাবে যা জানা যাচ্ছে তাতে বিভিন্ন বাজেট এয়ারলাইন্স গুলিকে চ্যালেঞ্জ করে আসন্ন এপ্রিল মাস থেকেই পাইলট প্রকল্পের অধীনে শুরু হয়ে যাবে এই বিশেষ পরিষেবা। প্রথমদিকে এই পরিষেবা চালু হবে বিভিন্ন প্রিমিয়াম ট্রেন যেমন বন্দে ভারত, তেজস এক্সপ্রেসে। পরবর্তীতে সুফল বেলে বাকি প্রিমিয়াম এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে এই পরিষেবা চালু করবে রেল। জানা যাচ্ছে, দেশের অন্তত 7000 বা তারও বেশি স্টেশন ও 3 কোটি যাত্রীকে এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

  • “ICC-র থেকে কেউ বড় নয়”, বাংলাদেশের T20 বিশ্বকাপ বয়কট নিয়ে গর্জে উঠলেন জয় শাহ

    “ICC-র থেকে কেউ বড় নয়”, বাংলাদেশের T20 বিশ্বকাপ বয়কট নিয়ে গর্জে উঠলেন জয় শাহ

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বাংলাদেশকে ছাড়াই গড়িয়েছিল এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (2026 Men’s T20 World Cup)। আসলে মুস্তাফিজুর রহমানকে KKR র তরফে ছেড়ে দেওয়ার পর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তরফে একেবারে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় নিরাপত্তার কারণে ভারতে খেলতে আসবেন না ওপার বাংলার প্লেয়াররা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের তরফে বাংলাদেশকে বোঝানো সত্ত্বেও সিদ্ধান্ত বদলায়নি। যার কারণে বাংলাদেশের বদলি হিসেবে স্কটল্যান্ডকে জায়গা দিয়ে শুরু হয় এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপ চলাকালীন বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বয়কট প্রসঙ্গে মুখ খুলেছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান জয় শাহ (Jay Shah)।

    বিশ্বকাপ বিতর্কে জয়ের প্রতিক্রিয়া

    এ বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল 7 ফেব্রুয়ারি থেকে। শেষ হয় গত 8 মার্চ ভারত বনাম নিউজিল্যান্ডের ফাইনাল দিয়ে। এই আসরে জগত সভায় ফের শ্রেষ্ঠ আসন দখল করেছে টিম ইন্ডিয়া। তবে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরই বাংলাদেশ বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছিলেন ICC র চেয়ারম্যান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে এসে খেলতে রাজি হয়নি বাংলাদেশ দল।

    সে প্রসঙ্গে মুখ খুলে জয় জানিয়েছিলেন, “আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা ICC বিশ্বকাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপ শুরুর আগে কিছু দল অংশ নেবে কিনা এবং বিশ্বকাপ কীভাবে গড়াবে তা নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে।” এদিন জয় শাহ খোলাখুলি বলেন, “আমি ICC র চেয়ারম্যান হিসেবে বলতে পারি কোনও দলই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের থেকে বড় নয়। কোনও একটি দল এই প্রতিষ্ঠানকে তৈরি করেনি। বরং সংঘবদ্ধভাবে গঠন করা হয়েছে ICC।”

    অবশ্যই পড়ুন: মেসেজ পেলেও ঢোকেনি যুবসাথীর টাকা? জানুন কী হবে এবার

    উল্লেখ্য, মূলত নিরাপত্তাকে ইস্যু বানিয়ে ভারতে খেলতে আসতে চায়নি বাংলাদেশ। বরং পাকিস্তানের মতোই শ্রীলঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রত্যেকটি ম্যাচ খেলতে চেয়েছিল BCB। প্রত্যুত্তরে অবশ্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বলেছিল, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে হলে ভারতেই আসতে হবে বাংলাদেশকে। অন্যথায় বাদ পড়তে হবে। শেষ পর্যন্ত সেটাই হয়েছে।

  • “বাড়িতে আঘাতের চিহ্ন নেই, পার্টি অফিসে ব্যান্ডেজ!” শশী পাঁজাকে একহাত নিলেন সজল ঘোষ

    “বাড়িতে আঘাতের চিহ্ন নেই, পার্টি অফিসে ব্যান্ডেজ!” শশী পাঁজাকে একহাত নিলেন সজল ঘোষ

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মাস গড়ালেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। সেই সূত্রে ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী মোদীর জনসভায় গতকাল লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিড় জমিয়েছিলেন। তবে মোদীর সভার আগেই কলকাতার গিরিশ পার্কে তৃণমূল-বিজেপির ব্যাপক সংঘর্ষ লক্ষ্য করা যায়। রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার (Sashi Panja) বাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। এমনকি বাড়ির অফিসের দরজা-জানলা ভাঙচুর করা হয় বলেও খবর। সবথেকে বড় ব্যাপার, শশী পাঁজার উপরেও হামলা চালানো হয় বলে দাবি করা হয় তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে। তবে এবার সেই দাবির একহাত নিলেন বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ (Sajal Ghosh on Sashi Panja)।

    মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলা

    জানা যায়, গতকাল পুলিশের সামনেই বিজেপি এবং তৃণমূল দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাঁধে। মুহূর্তের মধ্যে সেই সংঘর্ষে কার্যত রণক্ষেত্রে রূপ নেয় গিরিশ পার্ক। তৃণমূল অভিযোগ করে, মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় আর বিজেপির কর্মীরা তৃণমূল কর্মীদেরকে মারধর করেছে। পাশাপাশি ১৯ এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলরের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে। আর মন্ত্রীর উপরেও হামলার অভিযোগ ওঠে। শশী পাঁজা নিজেই জানান যে, “গুন্ডাদের দিয়ে ব্রিগেড সভা করছে বিজেপি। পাথর ছুঁড়ে জানলার কাঁচ, দরজা ভেঙে দিচ্ছে। এরা নিজেরাই খুনি। যেভাবে ওরা আক্রমণ করছে তাতে তাঁরা সামান্য গুন্ডা নয়, বরং খুনও করতে পারে। এমনকি শশী পাঁজার দাবি অনুযায়ী, তাঁদের হামলায় অন্তত ৫০ জন তৃণমূল কর্মী হাসপাতালে ভর্তি।” এছাড়া তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, এই হামলায় তিনি নিজেও জখম হয়েছেন।

    মন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং বিধায়ক সায়নী ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে শশী পাঁজা অভিযোগ করেন, “চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ দিয়ে সকালবেলা ব্রিগেডমুখী বিজেপি কর্মীদের সমর্থকদের বাস যাচ্ছিল। আর সকাল থেকেই কিছু কিছু বাস আমার বাড়ির সামনের মেন রোড দিয়ে যাচ্ছিল। তবে ব্রিগেডমুখী এরকমই একটি বাস থেকে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউতে হামলা চলে। আমার ছেলেরা রাস্তার ধারে প্ল্যাকার্ড লাগাচ্ছিল। সেখানে দিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপি পতাকা লাগানো একটি বাসের কর্মীরা তাঁদের উপর আক্রমণ করে আর নেমে এসে মারধর শুরু করে। বাসে করে ইট, বড় পাথর, লাঠি, বোমা ইত্যাদি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাচ্ছিল বিজেপির কর্মীরা। এভাবে তিনি বাংলা দখল করবেন? সব ভিডিও ফুটেজ আমার কাছে রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: তালিবানদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে ফের আফগানিস্তানে এয়ারস্ট্রাইক পাকিস্তানের

    পাল্টা বক্তব্য সজল ঘোষের

    এদিন সজল ঘোষ নিজেই শশী পাঁজার সেই ভিডিও পোস্ট করে দাবি করেন যে, “সম্ভবত প্রথম দিকের ছবিটা আপনার নিজের বাড়ির। তখন আপনি সুস্থই ছিলেন। আপনার শরীরে কোনও রকম আঘাতের চিহ্ন নেই। কিন্তু পার্টি অফিসে গিয়ে দেখা যায় যে আপনি আহত। আমার একটাই প্রশ্ন, তাহলে আপনাকে এই সময়ের মধ্যে মাড়ল কে? যতই আপনি পাশে অভিনেতা বা অভিনেত্রীদের নিয়ে বসুন না কেন, চিত্রনাট্যটা সত্যিই দুর্বল।” এমনকি সজল ঘোষ আরও দাবি করেন যে, “শশী পাঁজার বাড়ির সামনে থেকেই অনবরত পাথর ছোঁড়া হয়েছে। আর তাতে বিজেপির বহু কর্মীরাও আহত হয়েছে। ওরা যদি কিছু মেরে থাকে তাহলে তা পাটকেল। ইট আপনারাও মেরেছেন। আর আমাদের কর্মীরা শুধুমাত্র নিজেদেরকে রক্ষা করেছে। তৃণমূল মানুষের স্রোত দেখে ভয় পেয়েই এইসব কাজ করেছে।”

  • সিভিক, হোমগার্ডদের ইউনিফর্ম স্টিচিং ভাতা দেবে নবান্ন

    সিভিক, হোমগার্ডদের ইউনিফর্ম স্টিচিং ভাতা দেবে নবান্ন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যে কোনও মুহূর্তে বাংলায় বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে। এরই মাঝে বাংলায় কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের জন্য রইল সুখবর। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Government of West Bengal) তরফে সকলের জন্য বিশেষ তোড়জোড় শুরু করা হয়েছে। মিলবে টাকা। আপনিও যদি সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ড হয়ে থাকেন তাহলে বিশদে জেনে নেবেন।

    সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের জন্য বিরাট সুখবর

    আসলে এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকার সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের ‘ইউনিফর্ম স্টিচিং অ্যালাওয়েন্স’ দিতে উদ্যত হয়েছে। ভোটের মুখে ইউনিফর্ম সেলাইয়ের টাকা পাবেন ১ লক্ষ ৪০ হাজার সিভিক ভলান্টিয়ার এবং হোমগার্ড। মূলত পশ্চিমবঙ্গ এবং কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার এবং হোমগার্ডরা এই সুবিধা পাবেন বলে সূত্রের খবর। এই নিয়ে ইতিমধ্যে বেশ কিছু তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। সেইসঙ্গে হিসেব নিয়েও কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকার বলে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে।

    এমনিতে বছরে দুটি ইউনিফর্ম তৈরির বর্তমানে বছরে দু’টি ইউনিফর্ম তৈরির জন্য নির্দিষ্ট রঙের কাপড় দিয়ে দেওয়া হয় সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের। কিন্তু সরকারের তরফে পাঠানো সেই কাপড় সেলাইয়ের টাকা দেওয়া হত না। টাকা বরাদ্দ করত না সরকার। তবে এবার ছবি বদলে গিয়েছে।

    আর্জি অর্থ দফতরে

    শোনা যাচ্ছে, এবার থেকে অর্থ দফতরকে এর জন্য অর্থ বরাদ্দের আর্জি জানানো হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ এবং কলকাতা পুলিশের প্রস্তাবের উপর ভিত্তি করেই অর্থ দফতরের কাছে ছাড়পত্র চেয়েছে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতর। এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কত টাকা পাবেন এবং কতজনই বা টাকা পাবেন? সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি ইউনিফর্ম সেলাই বাবদ ৫০০ টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। আর কলকাতা পুলিশ প্রস্তাব দিয়েছে ৩০০ টাকার। এদিকে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে জিএসটি সহ ৫২০ টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর। এখন রাজ্যের অর্থ দফতর সবুজ পতাকা দেখালেই কাজ শুরু হয়ে যাবে। মিলবে টাকা।

    আরও পড়ুনঃ এদের জন্য হরমুজ প্রণালীর দরজা খুলে দিল ইরান, তালিকায় ভারতও? 

    নবান্ন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এলাকায় রয়েছেন ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৭১৪ জন সিভিক ভলান্টিয়ার। অন্যদিকে কলকাতা পুলিশ এলাকায় প্রায় ৭৫০০ জন। পশ্চিমবঙ্গ ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে হোমগার্ডের সংখ্যা ১০,৫০০। এছাড়াও মহিলা হোমগার্ডের সংখ্যা ১৫৩৭। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই সংখ্যক মানুষ টাকা পাবেন।

     

  • এদের জন্য হরমুজ প্রণালীর দরজা খুলে দিল ইরান, তালিকায় ভারতও?

    এদের জন্য হরমুজ প্রণালীর দরজা খুলে দিল ইরান, তালিকায় ভারতও?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের মাঝেই মিলল স্বস্তির খবর। গোটা বিশ্বে তেল সরবরাহের যে পথ অর্থাৎ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) নিয়ে এবার বড়সড় সুখবর দিল ইরান (Iran)। কঠিন সময়ে ইরানের তরফে একেবারে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু দেশ বাদে বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশ হরমুজ দিয়ে তেল সহ LPG ও অন্যান্য জ্বালানি নিয়ে যেতে পারবে। ছাড়পত্র দেওয়া দেশগুলির জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালাবে না তেহরান।

    এই দেশগুলি হরমুজে ছাড়পত্র পেল না

    ইরানের মূল শত্রুতা আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সাথে। প্রথমে এই দুই দেশই যৌথভাবে তেহরানের উপর জোরালো হামলা চালিয়েছে। তাতেই মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির। যে ঘটনার পর একেবারে পাগলের মতো প্রত্যাঘাত শুরু করে পশ্চিম এশিয়ার এই দেশটি। বন্ধ করে দেওয়া হয় হরমুজ প্রণালী। ইরানের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়, হরমুজ দিয়ে যদি কেউ তেল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তবে জাহাজে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে।

    বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলির জন্য হরমুজে যাতায়াত বন্ধ করলেও প্রথমে রাশিয়া এবং চিনের জন্য সম্পূর্ণ খোলা ছিল হরমুজের দরজা। পরবর্তীতে সেই তালিকায় যুক্ত হয় ভারতও। নয়া দিল্লিকে বন্ধু সম্মোধন করে এদেশের জন্য হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করে দেয় তেহরান। তবে এবার ইরানের তরফে একেবারে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়া হলো, আমেরিকা। ইজরায়েল এবং তার মিত্র দেশগুলি ছাড়া বিশ্বের সমস্ত দেশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিজেদের প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানি এবং রপ্তানি করতে পারবে।

     

    অবশ্যই পড়ুন: “জঘন্য ফুটবল খেলছে ইস্টবেঙ্গল!” কোচের পদ হারাবেন অস্কার?

    সহজ ভাষায় বলতে গেলে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ নিয়ে তৈরি হয় ঘোর সংকট। সেটা বুঝতে পেরেই এবার আমেরিকা এবং ইজরায়েল ও তাদের মিত্রশক্তিগুলি ছাড়া বিশ্বের সমস্ত দেশের জন্য হরমুজের দরজা খুলে দিল ইরান। এর মধ্যে দিয়ে বোঝাই যাচ্ছে, যে দেশ আমেরিকা এবং ইজরায়েলকে সমর্থন করছে এবং আগামীতে করবে তাদের জন্য এই বিশেষ জলপথ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।