Blog

  • পাক স্পিনার আবরার আহমেদকে ছেড়ে দিতে পারে সানরাইজার্স, কারণ জানুন

    পাক স্পিনার আবরার আহমেদকে ছেড়ে দিতে পারে সানরাইজার্স, কারণ জানুন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নিলাম থেকে পাকিস্তানের তারকা স্পিনার আবরার আহমেদকে (Abrar Ahmed) 2 কোটি 34 লাখ টাকায় কিনেছিল কাব্যা মারানের দল সানরাইজার্স লিডস (Sunrisers Leeds)। যার কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ট্রোল হতে হয়েছে তাঁকে। পাকিস্তানি তারকাকে কিনে নেওয়ায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দলটিকে ইন্ডিয়ার প্রিমিয়ার লিগ থেকে বয়কট করার দাবী জানিয়েছিলেন ভারতীয় সমর্থকরা। এরই মাঝে এবার শোনা যাচ্ছে, ওই পাক প্লেয়ারকে ছেড়ে দিতে পারে সানরাইজার্স ফ্রাঞ্চাইজি। কিন্তু কেন?

    পাক স্পিনারকে ছেড়ে দেবে সানরাইজার্স লিডস?

    এই মুহূর্তে বাংলাদেশ সফর করছে পাকিস্তান দল। সেখানে ওপার বাংলার প্লেয়ারদের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলছে পাকবাহিনী। এই সিরিজ শেষ হলেই আসন্ন আগস্ট মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে যাবে পাকিস্তান। আগামী 15 জুলাই থেকে 7 আগস্ট পর্যন্ত চলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ। মূলত সে কারণেই এই সময় দ্য হান্ড্রেড লিগে খেলার জন্য আবরার আহমেদকে ছাড়পত্র দেবে না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। আসলে পাকিস্তান টেস্ট দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য আবরার। তাঁকে ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে বিশ্রামে রাখার কোনও চিন্তাভাবনা নেই PCB র।

    আরও পড়ুনঃ এদের জন্য হরমুজ প্রণালীর দরজা খুলে দিল ইরান, তালিকায় ভারতও?

    তাছাড়াও আগামী 19 আগস্ট থেকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। এদিকে 21 জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে দ্য হান্ড্রেড লিগ। চলবে আগামী 16 আগস্ট পর্যন্ত। বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করছে, 15 জুলাই থেকে গোটা আগস্ট মাস ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবে পাকিস্তান দল। পাকিস্তানের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ থাকার কারণে তার আগে প্রস্তুতি পর্ব এবং বিদেশ সফরের জন্য হান্ড্রেড লিগে পাকিস্তানি স্পিনারকে খেলার ছাড়পত্র দেবে না PCB। সে কারণেই আগেভাগে এই পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে বাদ দিতে পারে সানরাইজার্স, এমনটাই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

  • গাড়ি চালিয়ে বিশ্ব রেকর্ড তৈরি করল মাছ, ভাইরাল ভিডিও

    গাড়ি চালিয়ে বিশ্ব রেকর্ড তৈরি করল মাছ, ভাইরাল ভিডিও

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনার বাড়িতে যদি অ্যাকোয়ারিয়াম থাকে সেখানে নিশ্চয়ই গোল্ডফিশ (Goldfish) দেখে থাকবেন। এই ছোট সোনালী মাছটি দেখতে খুব সুন্দর এবং এর নকশাও খুব জনপ্রিয়। কিন্তু গোল্ডফিশ বেশি দিন বাঁচে না। তারা তাড়াতাড়ি মারা যায়। রিপোর্ট অনুসারে, তারা মাত্র ১০-১৫ বছর বাঁচে। তবে আপনি কি জানেন, এই একরত্তি মাছ এমন এক কাজ করল যা সকলকে অবাক করে রেখে দিয়েছে? কখনও শুনেছেন একটি গোল্ডফিশ গাড়ি চালাচ্ছে (Goldfish Drives Car)? কিন্তু এবার তা সত্যিই হয়েছে। আর সেইসঙ্গে মাছটি গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-এ (Guinness World Records) নাম তুলল।

    গাড়ি চালাল গোল্ড ফিশ!

    আসলে নেদারল্যান্ডসের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার থমাস ডি উলফ তার পোষা গোল্ডফিশ ‘ব্লব’-এর জন্য একটি অনন্য গাড়ি তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। এই গাড়িটি চালিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে একটি নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে মাছটি। থমাস একটি বিশেষ ৪ চাকার গাড়ি ডিজাইন করেছেন, যেখানে চালকের আসনের জায়গায় জল ভর্তি একটি ট্যাঙ্ক লাগানো আছে। ব্লব নামের গোল্ডফিশটি এই ট্যাঙ্কে সাঁতার কাটার সময় গাড়ি চালিয়ে নিয়ে আসছে। এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে বিদ্যুতের গতিতে ভাইরাল হয়েছে।

    ভাইরাল ভিডিও

    নিশ্চয়ই ভাবছেন কীভাবে সম্ভব? আসলে ক্যামেরার মাধ্যমে মাছের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে গাড়িটি চলে, যখন ব্লব ট্যাঙ্কের যে কোনও দিকে চলে যায়, গাড়িটি সেই দিকে ঘুরিয়ে নেয়, অর্থাৎ ব্লব আসলেই গাড়িটি চালাচ্ছিল। এক রিপোর্ট অনুযায়ী, ব্লব মাত্র এক মিনিটে ১২.২৮ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করেছে। গতি-সংবেদনশীল যানবাহনে এক মিনিটে একটি গোল্ডফিশের দীর্ঘতম দূরত্ব অতিক্রম করার জন্য এটি নিঃসন্দেহে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড।

    আরও পড়ুনঃ কমে গেল সোনার দাম, রুপো হল কত? আজকের রেট

    সবথেকে বড় কথা, রেকর্ড ভাঙতে ওই একরত্তি মাছটিকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে। কমপক্ষে ৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়েছিল। ব্লব-এর মালিক থমাস ডি উলফ বলেন, “আমার কাজ সাধারণত খুব একঘেয়ে, তাই আমি এমন কিছু তৈরি করেছি যা মানুষকে বিনোদন দেবে এবং আমার ‘গুরুতর’ কাজকে মজাদার করে তুলবে।” থমাস আরও জানিয়েছেন যে, যদিও মাছচালিত গাড়ি দৈনন্দিন জীবনে খুব একটা কার্যকর নাও মনে হতে পারে, এই প্রযুক্তি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য অনেক সাহায্য করতে পারে।

  • ‘৭৭% ট্রেন চলেছে একেবারে সঠিক সময়ে’ দাবি রেলমন্ত্রীর! কোন বিভাগে?

    ‘৭৭% ট্রেন চলেছে একেবারে সঠিক সময়ে’ দাবি রেলমন্ত্রীর! কোন বিভাগে?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল যতই আপগ্রেড হোক না কেন, ট্রেন দেরিতে চলার (Train late) সমস্যা বছরের পর বছর ধরে রয়েই গিয়েছে। কখনও বৃষ্টি কখনও কুয়াশা কখনও আবার রেল লাইনে কাজের জেরে একের পর এক ট্রেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা দেরিতে চলে। এই নিয়ে যথেষ্ট বিরক্ত রেল যাত্রীরাও। যদিও এখন অন্য কথা বললেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানালেন ট্রেন দেরির সমস্যা কয়েক শতাংশ কমে গিয়েছে এবং একদম সঠিক সময়ে ট্রেন চলাচল করছে। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ৭৭% ট্রেন সময় মতো চলছে

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভারতীয় রেলওয়ে ২০২৫-২৬-এর ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত মোট ৭৭% সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ২৪টি রেল বিভাগ ৯০ শতাংশেরও বেশি সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে। সম্প্রতি রাজ্যসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বের উত্তরে, অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন যে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কত শতাংশ ট্রেন আসছে তার উপর ভিত্তি করে সময়ানুবর্তিতা পরিমাপ করা হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে রেলওয়ে তার বিশাল নেটওয়ার্কের কর্মক্ষমতা উন্নত করার জন্য একাধিক কৌশল গ্রহণ করেছে।

    আরও পড়ুনঃ মার্চে বকেয়া DA-র কত শতাংশ পাবেন সরকারি কর্মীরা? জানুন

    তিনি বলেন, ট্রেনের সময়সূচীতে কাঠামোগত সমস্যা চিহ্নিত এবং সমাধানের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক সিস্টেম, এআই-ভিত্তিক বিশ্লেষণ সহ উন্নত প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে। ৪৩টি বিভাগ ৮০ শতাংশেরও বেশি সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে, যেখানে একটি বিভাগ ৯৫ শতাংশ অতিক্রম করেছে।

    কোন ডিভিশনে সময়ে চলছে ট্রেন?

    রেলমন্ত্রী মাদুরাই, যোধপুর, হুগলি, ভাবনগর, কোটা, ইজ্জতনগর, রতলম এবং আজমিরকে এমন বিভাগগুলির মধ্যে উল্লেখ করেছেন যেখানে সময়ানুবর্তিতার হার অত্যন্ত বেশি। তিনি স্বীকার করেছেন যে বর্তমান সময়ানুবর্তিতার পরিসংখ্যান ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইতালির মতো দেশের সাথে তুলনীয় হলেও, ভারতের উচিত জাপানের সাথে তার মানদণ্ড স্থাপন করা।

  • নন্দীগ্রাম নাকি ভবানীপুর, কোথা থেকে প্রার্থী হবেন শুভেন্দু? যা জানালেন বিরোধী দলনেতা

    নন্দীগ্রাম নাকি ভবানীপুর, কোথা থেকে প্রার্থী হবেন শুভেন্দু? যা জানালেন বিরোধী দলনেতা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election)। তবে তার আগে নন্দীগ্রাম নাকি ভবানীপুর কোথা থেকে ভোটে লড়তে চান শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কে কোথায় প্রার্থী হবেন তা বিজেপি নেতৃত্বও ঠিক করবে। কিন্তু তাঁকে যদি বেছে নিতে বলা হয়, তাহলে তিনি কোন আসনকে বেছে নেবেন? নিজেই জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    নন্দীগ্রাম আর ভবানীপুর নিয়ে বড় মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, যদি তাঁকে নন্দীগ্রাম আর ভবানীপুরের মধ্যে বিধানসভা বেছে নিতে হয়, তাহলে নন্দীগ্রামকে বেছে নেবেন। কারণ, তিনি সেখান থেকে লড়াই করতে ইচ্ছুক। কিন্তু ভবানীপুর নিয়েও বেশ কিছুদিন ধরে মন্তব্য করে আসছিলেন বিরোধী দলনেতা। তাহলে এবার কী হল তাঁর? নন্দীগ্রামকে নিয়ে তিনি কি আলাদা কিছু ভাবছেন? নাকি দুই কেন্দ্র থেকেই এবার ভোটে দাঁড়াবেন শুভেন্দু অধিকারী? সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট বলেন, “আমার ভাবার কিছুই নেই। বিজেপি ব্যক্তিগত দল না। এটা পিসি -ভাইপোর পার্টি নয়। আর এখানে কোনও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হয় না। বিজেপি আমাকে যেখানে লড়াই করতে দেবে আমি সেখানে লড়াই করব। আমাকে লড়াই করতে দিলেও ঠিক আছে, লড়ালেও ঠিক আছে।”

    এদিন তিনি স্পষ্ট বলেন, “আমাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, তাহলে আমি নন্দীগ্রাম থেকেই লড়ব। কিন্তু বিজেপি যদি বলে যে এটা করতে হবে, ওটা করতে হবে, তবে তাই হবে। কিন্তু হ্যাঁ, নন্দীগ্রাম নিয়ে আমার কোনও দ্বিমত নেই। দল আমাকে যেটা করতে বলবে আমি সেটাই করব।” এদিকে ভবানীপুর নিয়ে সম্প্রতি উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন শুভেন্দু। ভবানীপুরে নিজের সভা করেছেন তিনি। আর সেখানকার দোলেও অংশ নেন। এমনকি এসআইআর-এ ভবানীপুর থেকে ৪৭ হাজারের বেশি নাম পড়ার কারণে সেখানে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন শুভেন্দু, এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধোনাও করেন।

    শুভেন্দু এও বলেন যে, ২০২১ সালে তাঁর কাছে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেভাবে হারতে হয়েছিল, এবার ভবানীপুরেও তাঁর পুনরাবৃত্তি হবে। দল চাইলে ভবানীপুরে তিনি প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি স্পষ্ট জবাব দেন যে, “ভবানীপুর থেকে যদি আমি এক ভোটেও জিতি, তাহলেও জিতবো। এখানে আমাকে হারানোর কোনও ক্ষমতা নেই।”

    আরও পড়ুন: বাংলায় কবে ভোটগ্রহণ, গণনা এবং কত দফায় ভোট? জানাল নির্বাচন কমিশন

    এদিকে শুভেন্দুর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শাসকদোলের বিধায়ক অরূপ চক্রবর্তী কটাক্ষ করেন। তিনি বলেছেন, “শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি দুবারই ধরাশায়ী হয়েছে। ভবানীপুরে কোনও পাত্তা পাবে না শুভেন্দু। যা পারফরমেন্স তাতে ধোপে টিকবে না। বাংলার মানুষ মমতাকেই ৩৯টি আসনে জয়ী করেছিল। আর বিজেপি শমিক ভট্টাচার্যকে রাজ্য সভাপতি করে ওঁর ডানা ইতিমধ্যেই ছেঁটে দিয়েছে। শুভেন্দু এবার টিকিট পাবে কিনা তা নিয়েই সংশয় থেকে যাচ্ছে। নিজের মুখে যখন এরকম কথা বলছে, তাহলে বোঝা যাচ্ছে, বিজেপিতে ঠিক শুভেন্দু কতটা কোণঠাসা।” এমনকি অরূপ এও জানান যে, “লোডশেডিং না করলে ২০২১ সালে বিধায়ক হওয়া হতো না। কিন্তু নন্দীগ্রামে তো এবার লোডশেডিং হবে না। পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুৎ বিভাগ এবার সব ঠিক করে রেখেছে। সবটা সময়েই দেখা যাবে।”

  • বিজেপি কর্মী বোঝাই ট্রেনে ছোঁড়া হল পাথর, ভাঙল একাধিক জানলার কাঁচ! চাঞ্চল্য শিলিগুড়িতে

    বিজেপি কর্মী বোঝাই ট্রেনে ছোঁড়া হল পাথর, ভাঙল একাধিক জানলার কাঁচ! চাঞ্চল্য শিলিগুড়িতে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election)। ইতিমধ্যেই সময়সূচি ঘোষণা হয়েছে নির্বাচনের। তার আগে গতকাল কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসভা ছিল। আর সেখানে উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে গোটা দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিজেপি সমর্থকরা ভিড় জমিয়েছিল। সেই সূত্রে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে (Siliguri) বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ফিরছিল একটি ট্রেন। আর সেই ট্রেনকে লক্ষ্য করেই পাথর ছোঁড়ার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।

    হঠাৎ করে ট্রেনে পাথর বৃষ্টি

    জানা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিয়ে উত্তরবঙ্গের কর্মী সমর্থকরা ওই ট্রেনে করে শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। আর সেই সময় হঠাৎ করে ট্রেনটিকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। সূত্রের খবর, এই ঘটনাটি ঘটে শিলিগুড়ির পুর নিগমের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কয়লাডিপো এলাকায়। বিজেপি অভিযোগ করছে, কলকাতায় প্রধানমন্ত্রীর সভাশেষ হওয়ার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এমনকি এতে ট্রেনের কয়েকটি জানালার কাঁচ ভেঙে যায় আর যাত্রীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই আতঙ্কে সিট থেকে সরে যান।

    এদিকে এই ঘটনায় বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত দুষ্কৃতীরায় পরিকল্পনা করে তাদের উপর এই হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, বিজেপির কর্মীরা যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে না পারে, সেই উদ্দেশ্যেই আক্রমণ করা হয়েছে। তবে অন্যদিকে তৃণমূল তাদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। শাসকদলের দাবি, বিজেপি রাজনৈতিকভাবে বিষয়টিকে দেখাতে চাইছে। স্থানীয় কিছু বাসিন্দাদের বক্তব্য, ট্রেন থেকে কয়েকজন বিজেপি কর্মী উস্কানিমূলক আচরণ করেছিলেন এবং অশালীন অঙ্গভঙ্গিও করেন। তাতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    আরও পড়ুন: দুই দফায় নির্বাচন বাংলায়, কোন জেলায় কবে ভোটগ্রহণ? দেখুন তালিকা

    এদিকে স্থানীয়রা আরও দাবি করে, ঘটনার পর দুই পক্ষের মধ্যে পাথর ছোঁড়াছুড়ি হয়। আর এতে ট্রেনের বেশ কয়েকটি জানালার কাঁচও ভেঙে যায়। আর এই ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু সেরকম কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

  • মার্চে বকেয়া DA-র কত শতাংশ পাবেন সরকারি কর্মীরা? জানুন

    মার্চে বকেয়া DA-র কত শতাংশ পাবেন সরকারি কর্মীরা? জানুন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: অবশেষে মিটল অপেক্ষা (WB DA Latest Update)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে নিয়েই রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া DA দিতে চলেছে রাজ্য সরকার। রবিবার দুপুরেই নিজের X হ্যান্ডেলে সে কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনার পরই একদিকে বকেয়া DA বা মহার্ঘ ভাতা পাবেন জেনে উচ্ছ্বসিত সরকারি কর্মী এবং অবসরপ্রাপ্তরা। অন্যদিকে, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার ঠিক কত শতাংশ মার্চ মাসে দেওয়া হবে তা নিয়ে চিন্তিত অনেকেই। এবার সে বিষয়েই মুখ খুললেন রাজ্যের DA মামলাকারি মলয় মুখোপাধ্যায়।

    মার্চ মাসেই দেওয়া হবে বকেয়া DA

    আজ দুপুরে নিজের X হ্যান্ডেল থেকে একটি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “আমি আনন্দের সাথে ঘোষনা করছি যে, আমাদের মা মাটি মানুষের সরকার সমস্ত সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখলো। আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী, সেই সাথে পঞ্চায়েত এবং পৌর সংস্থা ও অন্যান্য সংস্থার কর্মীদেরও কথা রেখেছে আমাদের সরকার। রাজ্য সরকারের অর্থ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ROPA 2009 হিসেবে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন তাঁরা। এই অর্থ মার্চ মাস থেকে অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে।”

    মুখ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পরই এক ভিডিও বার্তায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন রাজ্যের DA মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায়। সেই সাথে রাজ্য সরকারের তরফে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার ঘোষণার নেপথ্যে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভারমেন্ট এমপ্লয়িজের দীর্ঘ আন্দোলন এবং লড়াইকে স্মরণ করিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা প্রাপকদের অভিনন্দনও জানিয়েছেন মলয় বাবু। সেই সাথে প্রথম মাস অর্থাৎ মার্চ মাসে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার কত শতাংশ দেওয়া হবে তা নিয়েও কথা বলেন তিনি।

    মার্চ মাসে বকেয়া DA র কত শতাংশ দেবে রাজ্য সরকার?

    মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনার পরই বকেয়া DA নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাজ্যের DA মামলাকারি মলয় বাবু জানান, “সুপ্রিম কোর্টের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া DA র অন্তত 25 শতাংশ এখনই মিটিয়ে দিতে হবে। বাকি বকেয়ার প্রথম কিস্তি কতটা দিতে পারবে 6 মার্চের মধ্যে কমিটির কাছে সেই পরিমাণ জানাতে হবে রাজ্য সরকারকে। এখন রাজ্য সরকার ঠিক কতটা বলেছে সেটা আমরা জানি না। অর্থাৎ 25 শতাংশের সাথে প্রথম কিস্তি যেটাই হোক সেটা যদি 10 শতাংশ হয় তবে 35 শতাংশ যদি 25 শতাংশ হয় তবে 50 শতাংশ বকেয়া ভাতা দেওয়া হবে মার্চ মাসের 31 তারিখের মধ্যে। এক কথায় বলা যেতে পারে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো প্রথম 25 শতাংশ বকেয়া মহার্ঘ ভাতার সাথে সরকার প্রদত্ত প্রথম কিস্তির DA যুক্ত হয়ে মোট রাশি চলতি মাস শেষ হওয়ার আগেই হাতে পাবেন সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তরা।

    অবশ্যই পড়ুন: মিনিটে কাটা যাবে ১ লাখ ২৫ হাজার টিকিট, তৎকাল বুকিং নিয়েও ভোগান্তি দূর করছে রেল

    উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের তরফে নির্দেশ সত্ত্বেও এতদিন রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে কোনও ঘোষণা আসছিল না রাজ্য সরকারের তরফে। যার কারণে ক্রমশ ক্ষোভ বাড়ছিল রাজ্যের কর্মীদের। এ নিয়ে গত শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দেয় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। যদিও সেই ধর্মঘট সফল হয়নি। আর তার একদিন পর অর্থাৎ রবিবার দুপুরেই বকেয়া ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে সরকারি কর্মীদের মুখে হাসি ফোটালেন মুখ্যমন্ত্রী।

  • দুই দফায় নির্বাচন বাংলায়, কোন জেলায় কবে ভোটগ্রহণ? দেখুন তালিকা

    দুই দফায় নির্বাচন বাংলায়, কোন জেলায় কবে ভোটগ্রহণ? দেখুন তালিকা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ভোট ঘোষণা হল আজ। এবার বাংলায় দুই দফায় নির্বাচন (West Bengal Election) হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। যার মধ্যে প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল মোট ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে, আর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে ১৪২টি আসনে। সেই সূত্রে এবার মোট ২৯৪টি আসনে ভোট হবে বাংলায়। তবে কোন জেলায় কবে ভোটগ্রহণ হবে? জেনে নিন।

    প্রথম দফায় যে যে জেলায় ভোট হবে

    নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে যেমনটা জানানো হয়েছে, এবার প্রথম দফায় পশ্চিমবঙ্গের মোট ১৬টি জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। সেক্ষেত্রে আগেই বলেছি মোট আসন রয়েছে ১৫২টি। তবে প্রথম দফার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৬ এপ্রিল আর মনোনয়ন স্ক্রুটিনি হবে ৭ এপ্রিল, এবং প্রথম দফার মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিন ৯ এপ্রিল ২০২৬। প্রথম দফায় যে যে জেলায় যে যে আসনে ভোট হবে সেগুলি হল—

    ১) দার্জিলিং এবং কালিম্পং-এ ৬টি আসন: কালিম্পং, কার্শিয়াং, দার্জিলিং, ফাঁসিদেওয়া, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি।

    ২) কোচবিহারে ৯টি আসন: কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, তুফানগঞ্জ, দিনহাটা, নাটাবাড়ি, মাথাভাঙা, মেখলিগঞ্জ, শীতলকুচি, সিতাই।

    ৩) আলিপুরদুয়ারে ৫টি আসন: আলিপুরদুয়ার, কালচিনি, কুমারগ্রাম, ফালাকাটা, মাদারিহাট।

    ৪) জলপাইগুড়িতে ৭টি আসন: ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, ধূপগুড়ি, নাগরাকাটা, পশ্চিম জলপাইগুড়ি, ফুলবাড়ি, ময়নাগুড়ি, মাল, রাজগঞ্জ।

    ৫) উত্তর দিনাজপুরে ৯টি আসন: ইটাহার, ইসলামপুর, করণদিঘি, কালিয়াগঞ্জ, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, চোপড়া, রায়গঞ্জ, হেমতাবাদ।

    ৬) দক্ষিণ দিনাজপুরে ৬টি আসন: কুমারগঞ্জ, কুশমন্ডি, গঙ্গারামপুর, তপন, বালুরঘাট, হরিরামপুর।

    ৭) মালদহে ১২টি আসন: ইংরেজবাজার, মালদহ, গাজোল, চাঁচল, বৈষ্ণবনগর, মানিকচক, মালতীপুর, মোথাবাড়ি, রতুয়া, সুজাপুর, হরিশ্চন্দ্রপুর, হবিবপুর।

    ৮) মুর্শিদাবাদে ২২টি আসন: কান্দি, খড়গ্রাম, জলঙ্গি, জঙ্গিপুর, ডোমকল, তরেজিনগর, নওদা, নবগ্রাম, বড়ঞা, বহরমপুর, বেলডাঙা, ভগবানগোলা, ভরতপুর, মুর্শিদাবাদ, রঘুনাথগঞ্জ, রানিনগর, রেজিনগর, লালগোলা, সাগরদিঘি, সামশেরগঞ্জ, সুতি, হরিহরপাড়া, ফরাক্কা।

    ৯) পূর্ব মেদিনীপুরে ১৬টি আসন: তমলুক, এগরা, কাঁথি উত্তর, কাঁথি দক্ষিণ, খেজুরি, চণ্ডীপুর, তন্দকুমার, নন্দীগ্রাম, পাঁশকুড়া পূর্ব, পাঁশকুড়া পশ্চিম, পটাশপুর, ভগবানপুর, মহিষাদল, ময়না, রামনগর, হলদিয়া।

    ১০) পশ্চিম বর্ধমান ও ঝাড়গ্রামে ১৯টি আসন: গড়বেতা, ঘাটাল, গোপীবল্লভপুর, চন্দ্রকোনা, ঝাড়গ্রাম, ডেবরা, দাঁতন, দাসপুর, নয়াগ্রাম, নারায়ণগড়, পিংলা, বিনপুর, মেদিনীপুর, খড়গপুর সদর, কেশপুর, কেশিয়ারি, শালবনি, সবং।

    ১১) পুরুলিয়ায় ৯টি আসন: কাশীপুর, জয়পুর, পাড়া, পুরুলিয়া, বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুন্ডি, মানবাজার, রঘুনাথপুর।

    ১২) বাঁকুড়ায় ১২টি আসন: ইন্দাস, ওন্দা, কোতুলপুর, ছাতনা, তালড্যাংরা, বড়জোড়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, রাইপুর, রানিবাঁধ, শালতোড়া, সোনামুখী।

    ১৩) পশ্চিম বর্ধমানে ৯টি আসন: আসানসোল উত্তর, আসানসোল দক্ষিণ, কুলটি, দুর্গাপুর পশ্চিম, দুর্গাপুর পূর্ব, পাণ্ডবেশ্বর, বারাবনি, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া।

    ১৪) বীরভূমে ১১টি আসন: দুবরাজপুর, নানুর, নলহাটি, বোলপুর, ময়ূরেশ্বর, মুরারই, লাভপুর, রামপুরহাট, শিউড়ি, সাঁইথিয়া, হাঁসন।

    আরও পড়ুন: বাংলায় কবে ভোটগ্রহণ, গণনা এবং কত দফায় ভোট? জানাল নির্বাচন কমিশন

    দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে কোন কোন জেলায়?

    নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে যেমনটা জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল ৭টি জেলায় ভোট হবে। আর এই দফায় মোট আসনের সংখ্যা ১৪২টি। দ্বিতীয় দফায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৯ এপ্রিল এবং মনোনয়ন স্ক্রুটিনি হবে ১০ এপ্রিল, এবং আর মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিন ১৩ এপ্রিল ২০২৬। এই দিন যে যে জেলায় ভোট হবে সেগুলি হল—

    ১) নদীয়ায় ১৭টি আসন: কল্যাণী, কালীগঞ্জ, করিমপুর, কৃষ্ণগঞ্জ, কৃষ্ণনগর উত্তর, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, চাকদহ, চাপড়া, তেহট্ট, নাকাশিপাড়া, নবদ্বীপ, পলাশিপাড়া, রানাঘাট উত্তর-পূর্ব, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম, রানাঘাট দক্ষিণ, শান্তিপুর, হরিণঘাটা।

    ২) উত্তর ২৪ পরগনায় ৩৩টি আসন: অশোকনগর, আমডাঙা, কামারহাটি, কুলতলি, খড়দহ, গাইঘাটা, জগদ্দল, টিটাগড়, দমদম, দমদম উত্তর, দেগঙ্গা, নৈহাটি, নোয়াপাড়া, পানিহাটি, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, বরানগর, বারাকপুর, বারাসাত, বাদুড়িয়া, বাসন্তী, বাগদা, বিজপুর, বিধাননগর, ভাটপাড়া, মধ্যমগ্রাম, মিনাখাঁ, রাজারহাট গোপালপুর, রাজারহাট-নিউটাউন, সন্দেশখালি, স্বরূপনগর, হাবড়া, হাড়োয়া।

    ৩) দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩১টি আসন: কাকদ্বীপ, কসবা, ক্যানিং পূর্ব, ক্যানিং পশ্চিম, কুলতলি, কুলপি, গোসাবা, জয়নগর, ডায়মন্ড হারবার, টালিগঞ্জ, পাথরপ্রতিমা, ফলতা, ভাঙড়, বারুইপুর পূর্ব, বারুইপুর পশ্চিম, বাসন্তী, বিষ্ণুপুর, বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম, বজবজ, মগরাহাট পূর্ব, মগরাহাট পশ্চিম, মন্দিরবাজার, মহেশতলা, মেটিয়াবুরুজ, যাদবপুর, রাইদিঘি, সাগর, সাতগাছিয়া, সোনারপুর উত্তর, সোনারপুর দক্ষিণ।

    ৪) কলকাতায় ১১টি আসন: এন্টালি, কাশীপুর-বেলগাছিয়া, কলকাতা বন্দর, চৗরঙ্গী, জোড়াসাঁকো, ভবানীপুর, বালিগঞ্জ, বেলেঘাটা, মানিকতলা, রাসবিহারী, শ্যামপুকুর।

    ৫) হাওড়ায় ১৬টি আসন: আমতা, উদয়নারায়ণপুর, উলুবেড়িয়া উত্তর, উলুবেড়িয়া দক্ষিণ, জগৎবল্লভপুর, ডোমজুড়, পাঁচলা, বাগনান, বালি, শিবপুর, শ্যামপুর, সাঁকরাইল, হাওড়া উত্তর, হাওড়া দক্ষিণ, হাওড়া মধ্য।

    ৬) হুগলিতে ১৮টি আসন: আরামবাগ, উত্তরপাড়া, ওল্ড মালদা, কসবা, খানাকুল, গোঘাট, চন্দননগর, চণ্ডীতলা, চুঁচুড়া, চাঁপদানি, জাঙ্গিপাড়া, তারকেশ্বর, ধনেখালি, পাণ্ডুয়া, পুরশুড়া, বলাগড়, সপ্তগ্রাম, সিঙ্গুর, শ্রীরামপুর, হরিপাল।

    ৭) পূর্ব বর্ধমানে ১৬টি আসন: আউশগ্রাম, কালনা, কাটোয়া, কেতুগ্রাম, খণ্ডঘোষ, গলসি, জামালপুর, পূর্বস্থলী উত্তর, পূর্বস্থলী দক্ষিণ, বর্ধমান উত্তর, বর্ধমান দক্ষিণ, ভাতার, মঙ্গলকোট, মন্তেশ্বর, মেমারি, রায়না।

  • মিনিটে কাটা যাবে ১ লাখ ২৫ হাজার টিকিট, তৎকাল বুকিং নিয়েও ভোগান্তি দূর করছে রেল

    মিনিটে কাটা যাবে ১ লাখ ২৫ হাজার টিকিট, তৎকাল বুকিং নিয়েও ভোগান্তি দূর করছে রেল

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: এক্সপ্রেস ট্রেনের রিজার্ভেশন করাতে গেলে বহু ঝক্কি পোহাতে হয় যাত্রীদের (Indian Railways)। কখনও অনলাইনে সার্ভার ডাউন, কখনও আবার পেজই খোলে না (IRCTC Train Ticket Booking)। এদিকে অফলাইনে রিজার্ভেশন করাতে গেলে টিকিট কাউন্টারের সামনে লম্বা লাইন। সব মিলিয়ে, এক্সপ্রেস ট্রেনের রিজার্ভ টিকিট কাটতে হলে দীর্ঘ কাটখড় পোড়াতে হয় আমজনতাকে। এবার সেই ঝামেলাই পুরোপুরি মিটিয়ে ফেলতে চাইছে ভারতীয় রেল। জানা যাচ্ছে, যাত্রীদের সুবিধার্থে এবার 1 হাজার কোটি টাকার বিরাট প্রকল্পের আওতায় রিজার্ভেশন টিকিট বুকিংয়ের গোটা সিস্টেম বদলে ফেলবে রেল।

    মিনিটে বুক করা যাবে 1 লাখ 25 হাজার টিকিট

    এক্সপ্রেস ট্রেনের রিজার্ভেশন করাতে গিয়ে আর যাতে যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে না হয় সেজন্যেই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় রেল। রেল সূত্রে খবর, হাজার কোটির প্রকল্পের অধীনে এবার টিকিট বুকিং এর গোটা সিস্টেম বদলে যাবে। এর ফলে নতুন টিকিট বুকিং সিস্টেমের হাত ধরে প্রতি মিনিটে 1 লাখ 25 হাজার ট্রেনের টিকিট বুক করা সম্ভব হবে। বর্তমানে যেখানে এক মিনিটে বুক করা যায় মাত্র 25 হাজার টিকিট।

    সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেমসের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পিক আওয়ার অর্থাৎ সকাল আটটা থেকে তৎকাল বুকিং এর সময়ও টিকিট পাবেন যাত্রীরা। তৎকাল টিকিটের জন্য এখন থেকে আর নিজের ভাগ্যকে দোষ দিতে হবে না। জানা যাচ্ছে, এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে নতুন PRS চালু হয়ে যাবে। একই সাথে রেলের কয়েকজন আধিকারিক জানাচ্ছেন, নতুন সিস্টেম চালু হলে এবার থেকে আর টিকিট সোল্ড আউটের সমস্যায় পড়তে হবে না যাত্রীদের।

    আসলে এতদিন যাত্রীদের তুলনায় কয়েক গুণ গতিতে একপ্রকার ঝড়ের বেগে সমস্ত টিকিট বুক করে নিতো বট। এবার আর সেই সমস্যায় পড়তে হবে না। এর ফলে ভুয়ো বা ফেক অ্যাকাউন্ট থেকে টিকিট বুকিং এর দৌরাত্ব শেষ হবে। রেল সূত্রে খবর, IRCTC ইতিমধ্যেই আড়াই কোটি ভুয়ো ইউজার আইডি ব্লক করে দিয়েছে। জানা যাচ্ছে নতুন টিকিট বুকিং সিস্টেমে এমন কিছু থাকছে যা বটদের টিকিট বুক করার সুযোগই দেবে না।

    অবশ্যই পড়ুন: “ICC-র থেকে কেউ বড় নয়”, বাংলাদেশের T20 বিশ্বকাপ বয়কট নিয়ে গর্জে উঠলেন জয় শাহ

    প্রসঙ্গত, রেলের তরফে এই যে নতুন সিস্টেম চালু হতে চলেছে তাতে প্রতিটি স্তরের রাউটার, হার্ডওয়্যার এবং ইন্টারনেট লিঙ্ক আপগ্রেড করা থাকবে। শোনা যাচ্ছে, 5 হাজার 788টি রাউটারের মধ্যে থেকে প্রায় তিন হাজার রাউটার বদলে ফেলা হয়েছে। ওদিকে 5 হাজার বুকিং টার্মিনালের মধ্যে সাড়ে তিন হাজার টার্মিনালে নতুন অ্যাপ্লিকেশন চালু হয়েছে ইতিমধ্যেই। রেল বলছে, এই অবস্থায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন আসবে Fortran 77 এ লেখা 40 বছরেরও বেশি পুরনো সফটওয়্যারে। এই সফটওয়্যার বাতিল করে নতুন সিস্টেম হবে Red Hat Linux ও ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্মে। এর ফলে রেল চাইলেই ইচ্ছেমতো বিক্রেতা বেছে নিতে পারবে।

  • বাংলায় কবে ভোটগ্রহণ, গণনা এবং কত দফায় ভোট? জানাল নির্বাচন কমিশন

    বাংলায় কবে ভোটগ্রহণ, গণনা এবং কত দফায় ভোট? জানাল নির্বাচন কমিশন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ পশ্চিমবঙ্গের ভোট ঘোষণা (Elections in West Bengal)। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিল, এবার পাঁচটি ভোটমুখী রাজ্যে মোট ১৭ কোটি ৫০ লক্ষ ভোটারের ভোট হবে, এবং ২৫ লক্ষের বেশি কমিশনের আধিকারিক থাকবে। তবে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৭ মে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারির রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলায় এখনো এখন ভোটারের সংখ্যা ৬.৪৪ কোটি। কবে হবে বাংলায় নির্বাচন আর গণনা কবে হবে? কী বলল নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার?

    বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ

    নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, পশ্চিমবঙ্গে এবার মোট দুই দফায় ভোট হবে আর এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। পাশাপাশি ভোট গণনা হবে ৪ মে। এদিকে এও জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে মোট ২৯৪টি আসনে ভোট হবে। আর দুই দফার মধ্যে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোট হবে, আর দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল ১৪২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    অন্যদিকে অসমে ১২৬টি কেন্দ্রে ভোট হবে এক দফায়, যেখানে ৯ এপ্রিল ভোট হবে আর ৪ মে গণনা করা হবে। কেরলে ১৪০টি কেন্দ্রে এক দফায় ভোট হবে, যেখানে ৯ এপ্রিল ভোট হবে আর ৪ মে গণনা হবে। পুদুচেরিতে ৯ এপ্রিল এক দফায় ভোট হবে আর সেখানে গণনা হবে ৪ মে। তামিলনাড়ুতে ২৩ এপ্রিল ২৩৪টি কেন্দ্রে ভোট হবে আর গণনা হবে ৪ মে।

    কোন রাজ্যে কত ভোটার?

    প্রসঙ্গত, এবার পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর কোন রাজ্য কত ভোটার তাও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই সূত্রে বাংলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ, অসমে ভোটার ২ কোটি ৫০ লক্ষ, কেরলে মোট ২ কোটি ৭০ লক্ষ, পুদুচেরিতে ৯ কোটি ৪৪ লক্ষ এবং তামিলনাড়ুতে ৫ কোটি ৬৭ লক্ষ। মোট ভোটারের সংখ্যা ১৭ কোটি ৫০ লক্ষ।

    এদিকে কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলায় ১৮ থেকে ১৯ বছর বয়সের নতুন ভোটার রয়েছে আনুমানিক ৫ লক্ষ ২৩ হাজার। আর ২০ থেকে ২৯ বছর বয়সী ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ।

    আরও পড়ুন: মিসাইল ছুঁড়লেই শেষ! ভয়েই হরমুজ পেরোতে পারল না বাংলাদেশের জাহাজ

    ভোটের সময় থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা

    নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এবার স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভোট দেওয়ার সময় প্রতিটি বুথেই পানীয় জলের যথাযথ ব্যবস্থা, টয়লেট, হুইল চেয়ারের বন্দোবস্ত করা হবে যাতে কারোর কোনও রকম অসুবিধা না হয়। এমনকি প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে বলে জানানো হয়েছে। আর স্পেশাল বেঞ্চ থাকবে বসার জন্য। আর ভোটদানের ব্যবস্থা গ্রাউন্ড ফ্লোরেই হবে। পাশাপাশি যাতায়াতের ব্যবস্থাও করা হবে। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বুথের মধ্যে কোনও ভাবেই মোবাইল নিয়ে ঢোকা যাবে না। বুথের বাইরে মোবাইল রেখেই ঢুকতে হবে। ভোট দিয়ে মোবাইল সংগ্রহ করে ভোটারদের ফিরে যেতে হবে। আর বুথের বাইরে মোবাইল রাখার ব্যবস্থা করা হবে।

  • মিসাইল ছুঁড়লেই শেষ! ভয়েই হরমুজ পেরোতে পারল না বাংলাদেশের জাহাজ

    মিসাইল ছুঁড়লেই শেষ! ভয়েই হরমুজ পেরোতে পারল না বাংলাদেশের জাহাজ

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইরান যুদ্ধে হরমুজে (Strait of Hormuz) আটকে ছিল বিশ্বের একাধিক দেশের পণ্যবাহী তরী। তেহরানের তরফে নতুন ঘোষণা পাওয়া মাত্রই আমেরিকা, ইজরায়েল এবং তাদের মিত্র শক্তি ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলি একে একে নিজেদের জাহাজ নিয়ে ফিরতে শুরু করেছে। এরই মাঝে বেকায়দায় পড়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) জাহাজ। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে আটকে রয়েছে বাংলাদেশের শিপিং কর্পোরেশনের জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা। এই বুঝি মিসাইল ছুঁড়ে সব কিছু তছনছ করে দেয় সেই ভয়ে হরমুজ পেরোতে পারেনি জাহাজটি।

    জাহাজে আটকে 31 জন বাংলাদেশী নাবিক

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত 12 মার্চ হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রবেশ করে 66 ন্যাটিক্যাল মাইল দূরে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল জাহাজটি। পরবর্তীতে ইরানের মিসাইল হামলার খবর পাওয়া মাত্রই সেখানেই চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকেন জাহাজের নাবিকরা। এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর কোস্টগার্ডদের তরফে নিরাপত্তার কারণে ওই জাহাজটিকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। আর তারপর জাহাজটি পারস্য উপসাগর দিয়ে পুনরায় ফিরে যায়।

    প্রথম আলোর প্রতিবেদন বলছে, ওই জাহাজ বর্তমানে UAE র শারজা বন্দরের কাছাকাছি রয়েছে। সূত্রের খবর, জাহাজটি কাতার থেকে নতুন করে কিছু পণ্য তোলার পরিকল্পনা করছিল। জানা গিয়েছে, 11 মার্চ এই জাহাজের নাবিকদের জেবেল আলী বন্দরে পণ্য নামিয়ে কুয়েতের নতুন পণ্য তোলার পরিকল্পনা ছিল। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ মোড় মিলে তা সম্ভব হয়নি। এর মাঝে সদ্য ইরানের তরফে বিশ্বের একাধিক দেশের জন্য হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার খবর পাওয়ার সত্ত্বেও জাহাজটি নতুন করে মিসাইল হামলার ভয়ে হরমুজ প্রণালী পেরোতে পারেনি। জানা গিয়েছে, ওই জাহাজে বর্তমানে 31 জন বাংলাদেশি নাবিক আটকে রয়েছেন।

    অবশ্যই পড়ুন: বিশ্বকাপ শেষ হতেই এবার পাকিস্তানের অধিনায়ককে শাস্তি দিল ICC

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যম দাবি করছে হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশের ওই জাহাজটিকে নিরাপদে ইরানের নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে তৎপর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইতিমধ্যেই নাকি ওই জাহাজটিকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে ওপার বাংলার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।