Blog

  • ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ২৬-এর বিধানসভা ভোটের মুখে বিরাট মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অবশেষে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় সরকারি কর্মীদের ২০০৯ রোপা অনুযায়ী বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) টাকা মেটানোর ঘোষণা করেছে। চলতি মার্চ মাস থেকেই এই টাকা রিলিজ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাভাবিকভাবেই সরকারের এহেন ঘোষণায় খুশি কর্মীরা। তবে এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কত টাকা পাবেন? চলুন সে বিষয়ে বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ২৫% বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা

    গতকাল রবিবার বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই ২৫% বকেয়া ডিএ মেটানোর ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের তরফে এই বকেয়া মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারকে। অবশ্য দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর এই ঘোষণা সামনে এল। এখন যাইহোক, আজ আলোচনা হবে গ্রুপ এ থেকে শুরু করে গ্রুপ ডি কর্মীরা হাতে কত টাকা পাবেন সে বিষয়ে। রাজ্য় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের রোপা 2009 অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা ও মহার্ঘ ত্রাণ দেওয়া হবে।

    কে কত টাকা পাবেন?

    এক হিসেব অনুযায়ী, ২৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতার (DA) হিসেবে অনুযায়ী, রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-ডি কর্মী হাতে পাবেন ১ থেকে দেড় লক্ষ টাকা পাবেন। অপরদিকে রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-সি কর্মী হাতে পাবেন ২ লক্ষ টাকা। রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-এ কর্মী হাতে পাবেন ৩ থেকে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা। একজন সর্বনিম্ন বেতনভুগ গ্রুপ-ডি কর্মী পাবেন প্রায় ৪ লক্ষ টাকার বেশি। এছাড়া একজন গ্রুপ-সি কর্মী পাবেন প্রায় ৬ লক্ষ টাকার বেশি। এই বকেয়া ডিএর আওতায় মাসে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা পেনশন প্রাপক গ্রুপ-ডি কর্মী পাবেন প্রায় ১ লক্ষ টাকা। সেইসঙ্গে ১০,০০০ টাকা পেনশন পাওয়া অবসরপাওয়া গ্রুপ-সি কর্মী পাবেন প্রায় ২ লক্ষ টাকা।

    আরও পড়ুনঃ ৭০ কিমি বেগে কালবৈশাখী, দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় ভারী বৃষ্টি, আজকের আবহাওয়া

    বিশেষ পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান যে তাঁর “মা-মাটি-মানুষ” সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। তিনি বলেন যে লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অ-শিক্ষক কর্মী এবং পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো অনুদান-সহায়তা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং পেনশনভোগীরাও উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে , রোপা ২০০৯ আইনের অধীনে কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা ও মহার্ঘ্য ত্রাণ প্রদান ২০২৬ সালের মার্চ মাসে শুরু হবে। তিনি আরও বলেন যে, রাজ্যের অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিস্তারিত পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • ইরান-ইজরায়েল নয়, যুদ্ধে সবচেয়ে বড় ক্ষতি ভারতের!

    ইরান-ইজরায়েল নয়, যুদ্ধে সবচেয়ে বড় ক্ষতি ভারতের!

    একবার ভাবুন তো, যদি বলি – আমেরিকা, ইজরায়েল আর ইরানের যুদ্ধে সবথেকে বেশি ক্ষতি ভারতের (India) – বিশ্বাস করবেন?

    হয়তো না।

    কিন্তু সম্প্রতি, যুদ্ধের শুরুতেই উঠে এসেছে এমন কিছু তথ্য, যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে আপনারও! অবস্থা এমন হয়েছে, যে যুদ্ধ না থামলে ভারতে পেট্রোল/ডিজেলের দাম লিটার পিছু বাড়তে পারে ১৫ থেকে ২০ টাকা করে! যার ফলে মূল্যবৃদ্ধি হতে পারে সব জিনিসের। চাকরি যেতে পারে প্রায় ১ কোটি মানুষের! শুধু তাই নয় মাত্র ১০ দিনে ক্ষতি হয়েছে ৩১ লক্ষ কোটি টাকা!

    কী অবাক হচ্ছেন? হয়তো হচ্ছেন! কিন্তু এই কথা আমরা বলছি না, বলছে রিপোর্ট!

    আমেরিকা, ইজরায়েল আর ইরানের যুদ্ধের যতটা ক্ষতি ওই দেশগুলোর হয়েছে, তার ১০ গুণ বেশি ক্ষতি ভারতের হয়েছে! কিন্তু, কীভাবে এই যুদ্ধ প্রভাব ফেলল ভারতের অর্থনীতিতে? কীভাবেই বা ক্ষতি হয়ে গেল প্রায় ৩১ লক্ষ কোটি টাকা? যদি ভারতের এই অবস্থা হয়, তাহলে আমেরিকা, ইজরায়েল আর ইরানের কতটা ক্ষতি হয়েছে?

    আজ India Hood ডিকোড-এ আমরা তুলে ধরবো এমন কিছু তথ্য, এমন কিছু সত্য যা জানা উচিত প্রতিটি ভারতবাসীর! তাই ধৈর্য ধরে লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    দিনটা ২৮শে ফেব্রুয়ারি। হঠাৎ করেই ইরানের ওপর আক্রমণ করে বসে আমেরিকা ও ইজরায়েল। খতম করে দেওয়া হয় ইরানের সর্বোচ্চ লিডার খামেইনিকে। আর তারপরেই শুর হয় আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণ। এমনকি এই সংঘর্ষের আঁচ ছড়িয়ে পড়ে কুয়েত, সৌদি আরব থেকে বাহারিনে।

    আর যুদ্ধ হলে এক নয়, একাধিক ক্ষতি যে হবেই সে কথাও কারোর অজানা নয়। কিন্তু, এই যুদ্ধে কেবল জড়িত দেশ আমেরিকা, ইজরায়েল, এবং ইরানের হয়েছে – তা কিন্তু নয়। এই যুদ্ধে ক্ষতি হয়েছে বিশ্বের একাধিক দেশের। আর এই যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ভারতের। এবার আমরা আপনাদের সামনে এক এক করে তুলে ধরবো – কোন দেশের ঠিক কতটা ক্ষতি হয়েছে!

    আমেরিকা (America)

    প্রথমেই আসি আমেরিকায়। সারা বিশ্বের মধ্যে মার্কিন সেনাশক্তি যে ১ নম্বরে, সেটা কারও অজানা নয়। আমেরিকার সেনা খাতের বাজেট প্রায় ৯১ লক্ষ কোটি টাকা, যে টাকায় পাকিস্তানের মতো তিনটি দেশ কিনে ফেলা যায়।

    জানলে অবাক হবেন, ইরানের বিরুদ্ধে অপারেশন এপিক ফিউরি চালাতে আমেরিকা একদিনে খরচ করেছে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা

    এর মধ্যে হামলায় খরচ ৭,২০০ কোটি,

    আর প্রস্তুতিতে ৫,৮০০ কোটি টাকা

    কিন্তু যুদ্ধ এখনও চলছে। রিপোর্ট বলছে, যুদ্ধের দ্বিতীয় দিন থেকে পরবর্তী ১০০ ঘণ্টায় আমেরিকা খরচ করেছে দৈনিক প্রায় হাজার কোটি টাকায়। আর এই খরচ ধীরে ধীরে পৌঁছাতে পারে ৮,৩০০ কোটি টাকায়

    পেন্টাগনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানের প্রথম সপ্তাহে খরচ হয়েছে প্রায় ৫৫,২০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩৬,৮০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে ইরানের হামলা প্রতিহত করতে।

    এই যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত আমেরিকার জন সেনা নিহত হয়েছেন।

    কিন্তু এত খরচ হচ্ছে কেন?

    কারণ একটাই—সামরিক সরঞ্জাম। যেমন ধরুন, ইরানের বিরুদ্ধে এয়ারস্ট্রাইকে আমেরিকা ব্যবহার করছে B-2, B-52, B-1B, F-35-এর মতো আধুনিক ও ব্যয়বহুল বিমান। ব্যবহার করা হচ্ছে MQ-9 রিপারলুকাস ড্রোন, রকেট আর্টিলারি, হিমারস, এবং টমাহক ক্রুজ মিসাইল। একটি টমাহক মিসাইলের দামই প্রায় ১৮.কোটি টাকা

    ব্যবহার করা হয়েছে দুটি রণতরী—USS Gerald R Ford এবং USS Abraham Lincoln। একটি Aircraft Carrier Strike Group পরিচালনায় প্রতিদিন খরচ হয় প্রায় ৮৩ কোটি টাকা। এছাড়া আমেরিকা এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭,৩৬০ কোটি টাকা মূল্যের ৪০০টি মিসাইল লঞ্চ করেছে।

    তবে আমেরিকা শুধু আক্রমণই করেনি, নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    কাতারের আল-উদেইদ বেসে ইরানের বড় হামলায় ধ্বংস হয়েছে একটি সতর্কতা রাডার, যার দাম প্রায় ১০,১১৮ কোটি টাকা

    এছাড়া UAE-তে থাকা একটি THAAD-2 রাডার ধ্বংস হয়েছে, ক্ষতি প্রায় ৪,৬০০ কোটি টাকা

    কুয়েতে ইরান ধ্বংস করেছে আমেরিকার তিনটি F-15 স্ট্রাইক ইগল জেট, যার মূল্য প্রায় ২,৭৬০ কোটি টাকা

    এরপর বাহরেনে থাকা একটি প্রধান মার্কিন স্যাটেলাইট যোগাযোগ টার্মিনাল এবং একাধিক মার্কিন এয়ারবেসও ধ্বংস করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মোট প্রায় ১৮,৪০০ কোটি টাকার মার্কিন সামগ্রী নষ্ট হয়েছে।

    এই যুদ্ধে ইরান কিন্তু আমেরিকার বেশি ক্ষতি করাচ্ছে। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? উদাহরণ দিলেই বুঝবেন। ইরানের একটি মিসাইলের দাম প্রায় ১৮.কোটি টাকা, কিন্তু সেটি আটকাতে আমেরিকাকে তিনটি প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স মিসাইল ছুঁড়তে হয়েছে, যার মোট খরচ প্রায় ১১০ কোটি টাকা। অর্থাৎ, একটি ইরানি মিসাইল আটকাতে আমেরিকার খরচ প্রায় গুণ বেশি

    এছাড়া ইরান হামলায় ব্যবহার করছে শাহিদ ড্রোন, যার দাম মাত্র ৩২ লক্ষ টাকা। আর সেগুলো ঠেকাতে ব্যবহার হচ্ছে হয় ১১৭ কোটি টাকার THAAD মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা ৩২ কোটি টাকার প্যাট্রিয়ট মিসাইল। অর্থাৎ, অনেক ক্ষেত্রেই আমেরিকার খরচ হচ্ছে ১০০ থেকে ৩৬০ গুণ বেশি

    বিশ্লেষকদের অনুমান, যদি সপ্তাহ যুদ্ধ চলে, তাহলে আমেরিকার ক্ষতি হতে পারে প্রায় ৯২,০০০ কোটি থেকে লক্ষ ১০ হাজার কোটি টাকা। আর যদি মাস চলে, যেমনটা মার্কিন রাষ্ট্রপতি বলেছেন, তাহলে এই খরচ দাঁড়াতে পারে প্রায় সাড়ে লক্ষ কোটি টাকায়

    শুধু তাই নয়, যুদ্ধের প্রভাবে আমেরিকার শেয়ার মার্কেটেও বড় ধস নেমেছে, যেখানে ইতিমধ্যেই গায়েব হয়েছে প্রায় ৮৩ লক্ষ কোটি টাকা

    ইজরায়েল (Israel)

    এবার আসি ইজরায়েলে। ইজরায়েল সারা বিশ্বের মধ্যে সেনা শক্তির দিক থেকে এক নম্বরে না থাকলেও, যথেষ্ট ভালো স্থানে রয়েছে। তাদের সামরিক বাজেট প্রায় ৪ লক্ষ ৩২ হাজার কোটি টাকা, যা পাকিস্তানের চার গুণ। আপনি যদি ইজরায়েলের সেনা শক্তি সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে ক্লিক করুন আই বাটনে আর দেখে নিন আমাদের ইজরায়েল স্পেশাল ডিকোড ভিডিওটি।

    ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে রোরিং লায়ন” নামের যে অভিযান শুরু করেছিল ইজরায়েল, সেই অভিযানের সাপ্তাহিক খরচ পৌঁছেছে প্রায় ২৭,৫০০ কোটি টাকায়। বর্তমানে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চালাতে প্রতিদিন প্রায় ৬,৬৫২ কোটি টাকা সামরিক খরচ করছে ইজরায়েল। অর্থাৎ এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬০,০০০ কোটি টাকা খরচ হয়ে গেছে। এই যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ১১ থেকে ১৩ জন ইজরায়েলি নাগরিক সেনার মৃত্যু হয়েছে

    তবে ইরানও পাল্টা আক্রমণ করছে ইজরায়েলে, মূলত রাজধানী তেল আভিভে। হামলায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের ঝাঁকে ঝাঁকে মিসাইল প্রতিহত করতে ইজরায়েলের কাছে রয়েছে উন্নত মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যার এক একটি ব্যবস্থার দাম কয়েক হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত।

    এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত আয়রন ডোম, যা রাডারের মাধ্যমে রকেট শনাক্ত করে আকাশেই ধ্বংস করে দেয়। প্রতিটি ইন্টারসেপশনে খরচ হয় প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা। এছাড়া রয়েছে অ্যারো-থ্রি হাইপারসনিক ইন্টারসেপ্টর এবং ডেভিড’স্লিং ইন্টারসেপ্টর। পাশাপাশি ব্যবহার করা হচ্ছে আয়রন বিম লেজার সিস্টেম, যা প্রায় ১০ কিমি দূরের মিসাইল ধ্বংস করতে পারে

    যুদ্ধের কারণে ইজরায়েল ব্যাপকভাবে রিজার্ভ সেনাদেরও ডেকে নিয়েছে। প্রায় থেকে লক্ষ রিজার্ভ সেনা সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন। ফলে অনেক শিল্পকারখানা, প্রযুক্তি কোম্পানি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কর্মী সংকটে পড়েছে।

    এছাড়া যুদ্ধের ফলে দেশের অনেক জায়গায় ব্যবসা, স্কুল বিমান চলাচল বন্ধ রয়েছে। উৎপাদন কমছে, পর্যটন বন্ধ হয়ে গেছে, আর বহু মানুষ বাঙ্কারে আশ্রয় নেওয়ায় শ্রমিক সংকট তৈরি হয়েছে। দেশের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, মাত্র এক সপ্তাহেই প্রায় ২৭,৫০০ কোটি টাকার অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে।

    বিভিন্ন শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে আবাসিক ভবন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা শিল্প অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো পুনর্গঠনের জন্য সরকারকে আরও কয়েক লক্ষ কোটি টাকা খরচ করতে হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি যুদ্ধ দীর্ঘ সময় ধরে চলে, তাহলে ইজরায়েলের মোট অর্থনৈতিক ক্ষতি সাড়ে লক্ষ কোটি টাকারও বেশি হতে পারে।

    এছাড়া যুদ্ধের প্রভাবে ইজরায়েলের শেয়ার মার্কেট থেকেও প্রায় লক্ষ ২০ হাজার কোটি থেকে আড়াই লক্ষ কোটি টাকা উধাও হয়ে গেছে

    ইরান (Iran)

    এবার আসি ইরানে। হয়তো অনেকেরই মনে হচ্ছে এই যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে ইরানেরই। কিন্তু বিভিন্ন রিপোর্ট বলছে ভিন্ন কথা। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে তারা তাদের সুপ্রিম লিডার আলি খামেনিকে হারিয়েছে, কিন্তু আর্থিক দিক থেকে তাদের ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম।

    যুদ্ধ শুরুর আগেই ইরানের অর্থনীতি বেশ চাপের মধ্যে ছিল। একদিকে দাম বৃদ্ধি, অন্যদিকে আমেরিকার কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা। এর ওপর যুদ্ধের ফলে খাদ্য, জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, ফলে মুদ্রাস্ফীতিও বাড়বে

    তবে রিপোর্ট বলছে, ইরানের সামরিক বাজেট প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা, যা ইজরায়েলের প্রায় অর্ধেক। তবুও তারা এই যুদ্ধে আমেরিকা ও ইজরায়েলকে সমান তালে টেক্কা দিচ্ছে। এর পেছনে রয়েছে কয়েকটি কারণ—হেজবোল্লা, হামাস ও হুথিদের মতো প্রক্সি গ্রুপের সমর্থন, এবং রাশিয়া ও চীনের কাছ থেকে তুলনামূলক সস্তায় অস্ত্র সংগ্রহ

    যেমন ধরুন, ইরান এই যুদ্ধে ব্যবহার করছে বহুল পরিচিত Shahed-136 ড্রোন, যাকে আকাশপথের AK-47 বলা হয়। এর দাম মাত্র ৩২ লক্ষ টাকা। রয়েছে Fateh-110 ব্যালিস্টিক মিসাইল, যার দাম প্রায় ৪.৫ কোটি টাকা, রয়েছে Sejjil ব্যালিস্টিক মিসাইল, যার দাম প্রায় ১০ কোটি টাকা।

    বিশ্লেষকদের মতে, কয়েকটি বড় হামলায় তারা প্রায় ৬০০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ১,০০০-এর বেশি ড্রোন ব্যবহার করেছে।

    ইরানের আধুনিক যুদ্ধ জাহাজ IRIS Dena ডুবে যাওয়ার ফলে ইরানের ক্ষতি শুধু জাহাজের দামে সীমাবদ্ধ নয়। এই জাহাজে ছিল: ঘাদের এবং নুর অ্যান্টি-শিপ মিসাইল, সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল, টর্পেডো লঞ্চার, র‍্যাডার ও সেন্সর সিস্টেম, হেলিকপ্টার অপারেশন ডেক, প্রশিক্ষিত ১৪০ জন ক্রু। সব মিলিয়ে এর বাস্তবে সামরিক মূল্য প্রায় ২৭৫৫ কোটি টাকা।

    এছাড়া আমেরিকার দাবি অনুযায়ী, তারা ইরানের ৩০টিরও বেশি জাহাজ ডুবিয়েছে

    আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলায় ইরানে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১,৩০০ জন সাধারণ মানুষ সৈন্য নিহত হয়েছেন এবং ১৫৩টি শহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

    তবে ইরানের জন্য সবচেয়ে বড় সমস্যা তাদের তেল রপ্তানি নির্ভর অর্থনীতি। যুদ্ধের আগে ইরান প্রতিদিন প্রায় ১৭ লক্ষ ব্যারেল তেল উৎপাদন করত। তখন তেলের দাম ছিল প্রায় ৮০ ডলার প্রতি ব্যারেল, অর্থাৎ দৈনিক আয় প্রায় ১,২৪০ কোটি টাকা

    কিন্তু যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর অনেক তেলবাহী জাহাজ রুট পরিবর্তন করেছে, বীমা খরচ বেড়েছে, কিছু বন্দরে রপ্তানি কমেছে এবং কিছু তেল উত্তোলন কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে এখন দৈনিক উৎপাদন কমে প্রায় লক্ষ ব্যারেলে নেমে এসেছে। অর্থাৎ দৈনিক আয় কমে হয়েছে প্রায় ৭৩ কোটি টাকা। শুধু গত ১০ দিনেই তেল থেকে প্রায় ১১,৬০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩৬,০০০ কোটি টাকাঅর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে ইরানের

    এছাড়া যুদ্ধের ফলে তেল শোধনাগার, গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র, সামরিক ঘাঁটি, ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো মেরামত ও পুনর্গঠনে বিশ্লেষকদের মতে প্রায় ৪৫,৯০০ কোটি টাকা লাগতে পারে।

    অন্যদিকে, এই যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে ইরানের শেয়ার বাজারেও, যেখানে প্রায় লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে

    এবার আপনাদের জানাবো ভারতের কথা। যারা যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তা সত্ত্বেও বড়সড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

    ভারত (India)

    গত ১০ দিনে ভারতের শেয়ার মার্কেট থেকে গায়েব হয়ে গিয়েছে প্রায় ৩১ লক্ষ কোটি টাকা। যার ফলে মাথায় হাত পড়েছে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের। আর শুধু ভারতেই নয়, এই যুদ্ধের আঁচে গা পুড়ছে অধিকাংশ দেশেরই।

    শুধুমাত্র, তেলের জন্যই অতিরিক্ত খরচ বাড়তে পারে দৈনিক ৪ লক্ষ ৯৬ হাজার কোটি টাকা! যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে, যেখান থেকে ভারত প্রতিদিন আড়াই থেকে ২.৭ মিলিয়ন ব্যারেল তেল আনে। ইরানের IRGC বলেছে, বর্তমানে এক ব্যারেল তেলের দাম সারা বিশ্বে ৮১ ডলার। কিন্তু তারা সেটাকে ২০০ ডলারে নিয়ে যেতে চাইছে। তাদের মতো মূল্যবৃদ্ধি সব দেশে হোক তারা সেটার চাইছে। আর এর প্রভাব ইতিমধ্যেই দেখা গিয়েছে অনেক দেশে। কারণ যুদ্ধের কারণে তেলের দাম ইতিমধ্যেই ব্যারেল প্রতি ১১৪ ডলারে পৌঁছেছে। ফলে পরিবহন খরচ, শিল্প উৎপাদন, বিমান পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন – সব ক্ষেত্রেই ব্যয় বাড়বে।তেলের দাম প্রতি ১ ডলার বাড়লে ভারতের অতিরিক্ত খরচ হয় প্রায় ১৬,০০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ৩১ ডলার বেড়ে যাওয়া মানে এই অতিরিক্ত খরচের পরিমাণ কতটা বেড়ে যেতে পারে আশা করছি সেটা বুঝতেই পারছেন! আর তেলের দাম বাড়লে গাড়ি ভাড়া বাড়বে, ফলে বাড়বে জিনিসপত্রের দাম।

    যদিও, আপাতত রাশিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ভারতকে তেল পাঠাচ্ছে এবং ভারতের কাছে যথেষ্ট তেল মজুদ রয়েছে তাই এখনই এই দুর্দিন আসছে না।

    ভারতের অন্যান্য শক্তিও ক্ষতির সম্মুখীন! এছাড়া, ভারতের ৬০ শতাংশ জ্বালানি শক্তি আসে ইরাক, সৌদি আরব, কুয়েত, UAE থেকে, আর এর মধ্যে সবগুলোতেই আক্রমণ করেছে ইরান। ফলত, ২০২৬ সালের ৭ মার্চ থেকে ভারতে ১৪.২ কেজি LPG সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এবং একই সঙ্গে ১৯ কেজি কমার্শিয়াল সিলিন্ডারের দাম ১১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। যার আঁচ পড়েছে সরাসরি সাধারণ মানুষের পকেটের ওপর।

    ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রপ্তানিও! এছাড়া, ভারত অনেক পণ্য বিদেশে রপ্তানি করে যেগুলি বন্ধ হলে, ভারত আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভারত ২০২৫ সালে ২৩ বিলিয়ন ডলারের আইফোন UAE -তে রপ্তানি করেছিল। এছাড়াও, ভারত সাড়ে চার বিলিয়ন ডলারের বৈদ্যুতিক এবং প্রযুক্তিগত পণ্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে রপ্তানি করে, এবার সেটাও হরমুজের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সংক্ষেপে, ভারতের ১৭% রপ্তানি যায় ওই অঞ্চলে, প্রায় ১ কোটি ভারতীয় সেখানে কাজ করে। যদি যুদ্ধ দীর্ঘ হয় তাহলে ভারতের রেমিট্যান্স কমতে পারে, ভারতীয় কোম্পানির ব্যবসা কমতে পারে।

    তো এবার কী এই যুদ্ধ আমার আপনার পকেটে টান ফেলবে? জানাতে ভুলবেন না আপনাদের মতামত কমেন্ট করে।

  • পলাশ অতীত, এবার পুরুলিয়ায় পর্যটকদের মন কাড়ছে কুসুম গাছ, কোথায় পাবেন?

    পলাশ অতীত, এবার পুরুলিয়ায় পর্যটকদের মন কাড়ছে কুসুম গাছ, কোথায় পাবেন?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ পলাশ ফুলের আকর্ষণে এখন কমবেশি অনেকেই ছুটছেন পুরুলিয়া (Purulia)। বসন্তে লাল পলাশ ফুল এবং পুরুলিয়া একে অপরের পরিপূরক। কিন্তু এই বসন্তে অনেকেই আছেন পুরুলিয়া ঘুরতে গিয়ে পলাশ না পেয়ে মন খারাপ করে ফিরে যাচ্ছেন। কিন্তু আপনি কি জানেন যে এখন সেখানে গেলে আপনি আরও একটি সুন্দর গাছ দেখতে পাবেন। বর্তমানে এই গাছটি ও তার সৌন্দর্য সকলের মন কাড়ছে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    পলাশ নয়, এই গাছ হয়ে উঠল পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ

    আজকের এই আর্টিকেলে কথা হচ্ছে কুসুম গাছের (Schleichera)। পুরুলিয়া মানেই হল পলাশ, কিন্তু পুরুলিয়াতে রয়েছে কুসুম গাছও। এর ফুল দূর থেকে দেখলে এক নজরে মনে হবে পলাশ গাছ। কিন্তু তা নয়। প্রতি বছর পলাশের সঙ্গে এই গাছের ফুলও হত। কিন্তু তা পলাশের সৌন্দর্য এবং জনপ্রিয়তায় ঢেকে যেত। তবে এবারে কিছুটা হলেও ব্যতিক্রম। এবারে পুরুলিয়ায় জায়গায় জায়গায় রয়েছে কুসুম ফুলের গাছ। এখন এই কুসুম গাছের সৌন্দর্য দেখে পর্যটকদের মন প্রাণ জুড়িয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ আলুর দাম নিয়ে বড় ঘোষণা নবান্নের, চিন্তা দূর হবে চাষিদের?

    কোথায় দেখতে পাবেন কুসুম ফুল?

    পুরুলিয়ার দুয়ারসিনির কাছে, মিরগাছামি গ্রামে গেলে আপনি এই কুসুম ফুলের গাছ দেখতে পাবেন। এছাড়াও অযোধ্যা টপ হিল এ পেয়ে যাবেন কুসুম গাছ। তাছাড়া পাখি পাহাড়ের জঙ্গলে এই গাছ দেখতে পেয়ে যাবেন। কেউ কেউ বলতে শুরু করেছেন, ‘আমার পলাশের চেয়ে কুসুম অনেক বেশি ভাল লাগে।’ এদিকে ভাইরাল হওয়া ভিডিও-র কমেন্ট বক্সে কেউ কেউ বলেছেন, ‘মিথ্যে কথা। কুসুম ফুলের সবে কুঁড়ি এসেছে। কিছু গাছে এখন নতুন কচি পাতা বেরিয়েছে। দেখে ফুল মনে হয়। কিন্তু, কুসুম ফুল হবে আর কদিন পরে ।’

  • ৭০ কিমি বেগে কালবৈশাখী, দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় ভারী বৃষ্টি, আজকের আবহাওয়া

    ৭০ কিমি বেগে কালবৈশাখী, দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় ভারী বৃষ্টি, আজকের আবহাওয়া

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ পূর্বাভাস মতোই প্রবল দুর্যোগের সম্মুখীন বাংলা। ঘূর্ণাবর্ত এবং নিম্নচাপ অক্ষরেখার ঠ্যালায় জেরবার সাধারণ মানুষের জনজীবন। আজ সোমবার এবং আগামী কয়েকদিন বাংলায় এমন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া (Weather Today) অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিমি বেগে ঝড় বইবে জেলায় জেলায় বলে খবর। আজ কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে প্রবল ঝড়, বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া বিভাগ।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    প্রথমেই আসা যাক দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া সম্পর্কে। আজ কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টির সঙ্গে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। ঘন্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সাথে প্রবল বজ্রবিদ্যুৎ সব বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে। কোথাও কোথাও আবার শিলা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। আজ দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং হুগলী জেলায় ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছে। সঙ্গে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭০ কিমি বেগে ঝড় বইবে বলে খবর। বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি চলবে বলে খবর।

    আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, নিম্নস্তরে অনুকূল বায়ুপ্রবাহ এবং বঙ্গোপসাগর থেকে প্রবল জলীয় বাষ্প প্রবেশের কারণে পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির দাপট বাড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: শতভিষা নক্ষত্রে চাকরির সুযোগ আসবে ৪ রাশির! আজকের রাশিফল, ১৬ মার্চ

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    নিশ্চয়ই ভাবছেন আজ সারাদিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে? আলিপুর আবহাওয়া অফিস বুলেটিনে জানিয়েছে, এদিন দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি পরিমাণে বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। জেলায় জেলায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা।

    আগামীকালের আবহাওয়া

    আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবারের আবহাওয়া সম্পর্কে বললে, এদিন দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলা যেমন ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ মাঝারি পরিমাণে বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর। সেইসমগে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবার আসা যাক উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া প্রসঙ্গে। এদিন বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায়।

  • এই দুই সিদ্ধান্ত নিয়েই বড় ভুল করে ফেলেছে KKR, ডুবতে হবে  IPL 2026 এও! বলে দিলেন ইনি

    এই দুই সিদ্ধান্ত নিয়েই বড় ভুল করে ফেলেছে KKR, ডুবতে হবে IPL 2026 এও! বলে দিলেন ইনি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ করে এবার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (IPL 2026) নিয়ে মেতেছেন ক্রিকেট ভক্তরা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে ইতিমধ্যেই IPL 2026 এর প্রথম পর্বের সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সূচি অনুযায়ী, আগামী 28 মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে বহু অপেক্ষিত টুর্নামেন্ট। গতবারের লজ্জা কাটিয়ে এ বছর চ্যাম্পিয়ন হতেই মাঠে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders)। তবে ভারতীয় দলের প্রাক্তন সদস্য তথা কিংবদন্তি স্পিনার অনিল কুম্বলে মনে করছেন, দুই ভুলেই চরম ধাক্কা খেয়েছে KKR। আসন্ন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে এই দলটিকে একেবারেই ফেভারিট হিসেবে ধরছেন না তিনি। বরং প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটারের মতে, এই জোড়া ভুলেই 2026 এও একপ্রকার নাকের জলে চোখের জলে হবে শাহরুখ খানের দল।

    এই দুই ভুলই KKR কে ডোবাচ্ছে!

    2024 IPL জিতে তৃতীয়বারের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। সে বছর শাহরুখের ঘরে যিনি IPL ট্রফি তুলে দিয়েছিলেন তাঁকেই আগেভাগে বিদায় দিয়েছে নাইট ম্যানেজমেন্ট। হ্যাঁ, শ্রেয়স আইয়ার থাকতে চাইলেও তাঁকে দলে রাখা হয়নি। বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করেছিল, ভারতীয় তারকা নাকি অধিক অর্থ দাবি করছিলেন। সেই অর্থ দেওয়া তো দূর বরং আগেই আইয়ারকে ছেড়ে দেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। এর কারণে অবশ্য বহুবার ভক্তদের কাছে কটাক্ষ শুনতে হয়েছে ম্যানেজমেন্টকে। এবার কিংবদন্তি অনিল কুম্বলে বললেন, শ্রেয়সকে ছেড়ে দেওয়া কলকাতার সবচেয়ে বড় ভুল দুটির মধ্যে প্রথমটি।

    ভারতীয় তারকার পাশাপাশি 2024 এ কলকাতার জন্য প্রতিপক্ষ দলগুলির সামনে একপ্রকার দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বিদেশি ক্রিকেটার ফিল সল্ট। ওপেনিং করতে নেমে প্রতিপক্ষের বোলারদের একেবারে নাকানি চোবানি খাওয়াতেন তিনি। অবাক করা বিষয়, সেই প্লেয়ারকেও ছেড়ে দেয় কলকাতা। যার ফল অবশ্য ভুগতে হয়েছে 2025 এ এসে। অনিল মনে করছেন, এই একই কারণে আসন্ন IPL এও সমস্যায় পড়বে কলকাতা।

    অবশ্যই পড়ুন: পাক স্পিনার আবরার আহমেদকে ছেড়ে দিতে পারে সানরাইজার্স, কারণ জানুন

    প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার মনে করেন, IPL 2024 এ কলকাতার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নেপথ্যে মূল কান্ডারী ছিলেন এই দুই ক্রিকেটার। তাঁদের ছেড়ে দিয়ে বড় ভুল করেছে শাহরুখ খানের দল। ভারতের কিংবদন্তি স্পিনার বলছেন, “KKR নিজেরাই নিজেদের অ্যাডভান্টেজ হারিয়েছে। দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারা সেটা বুঝে তাঁদের ধরে রাখতে আগে শিখুক নাইট রাইডার্স।” এক কথায়, ফিল সল্ট এবং আইয়ারকে ছেড়ে দেওয়া কার্যত আহাম্মকের মতো কাজ সেটাই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বোঝাচ্ছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন সদস্য।

  • শতভিষা নক্ষত্রে চাকরির সুযোগ আসবে ৪ রাশির! আজকের রাশিফল, ১৬ মার্চ

    শতভিষা নক্ষত্রে চাকরির সুযোগ আসবে ৪ রাশির! আজকের রাশিফল, ১৬ মার্চ

    সৌভিক মুখার্জী, তারাপীঠ: আজ ১৬ মার্চ, সোমবার। আজকের রাশিফল (Daily Horoscope) দেখেই শুরু করুন দিনটি। পঞ্জিকা বলছে, আজ চন্দ্র মকর আর কুম্ভ রাশিতে এবং সূর্য মীন রাশিতে বিরাজ করছে। আজ ধনিষ্ঠা এবং শতভিষা নক্ষত্রের প্রভাব পড়বে। দ্বাদশী তিথির এই বিশেষ দিনটিতে শিব এবং সিদ্ধ যোগ বিরাজ করছে। আজ সূর্যোদয় হবে সকাল ৬:৩০ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত যাবে সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে।

    জ্যোতিষীরা বলছে, যেহেতু আজ সোমবার, তাই কিছু রাশির জাতক জাতিকাদের উপর বাবা মহাদেবের কৃপা বর্ষিত হবে। কিন্তু কিছু রাশির জন্য আজকে দিনটি খুব একটা ভালো যাবে না। কোন কোন রাশি তা জানতে হলে অবশ্যই পড়ুন দৈনিক রাশিফল (Ajker Rashifal)। প্রতিদিনের রাশিফল ঠিক একদিন আগে পাওয়ার জন্য অবশ্যই আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপটি জয়েন হয়ে থাকুন।

    মেষ রাশির আজকের রাশিফল: আজ আপনি শক্তিতে ভরপুর থাকবেন, সে আপনি যাই করেন না কেন। আজ আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে অসুবিধা হতে পারে। চারপাশের লোকদের সঙ্গে ঝগড়া হতে পারে। তবে এই পরিস্থিতিতে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। পরিবারে ঝামেলার সম্ভাবনা রয়েছে। স্বাস্থ্যের দিক থেকে দিনটি খুবই ভালো। আজ আপনি লক্ষ্য অর্জনের জন্য একাগ্রতার সঙ্গে মনোনিবেশ করতে পারেন। আর্থিক দিক থেকে আজকের দিনটি বেশ সচ্ছল যাবে। অবসর সময় অপ্রয়োজনীয় কাজে নষ্ট করতে পারেন।

    প্রতিকার: পারিবারিক সুখ বাড়ানোর জন্য বাড়িতে রুপার পাত্রে সাদা ফুলের তোড়া রাখার চেষ্টা করুন।

    বৃষ রাশি: ব্যক্তিত্ব বিকাশের উপর আজ শক্তিকে আরও উন্নত করার জন্য মনোনিবেশ করাতে হবে। অমীমাংসিত বিষয়গুলি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে এবং আপনার উপর সমস্যা সৃষ্টি করবে। আজ আপনার মিষ্টি হাসি অনেকের রাগ ভাঙ্গাতে সাহায্য করতে পারে। চারপাশের মানুষজন আজ আপনার সঙ্গে দিনটি খুব ভালোভাবে কাটাবে। বিবাহিতদের জন্য আজকের দিনটি ইতিবাচক। তবে আর্থিক দিক থেকে দিনটি খুব একটা ভালো নয়। স্বল্প বা মধ্যমেয়াদী কোর্সে ভর্তি হয়ে প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে উন্নত করতে পারেন।

    প্রতিকার: আর্থিক অবস্থার উন্নতি করতে হলে বাড়ির বাইরে বেরোনোর সময় কপালে জাফরান কিংবা হলুদের তিলক লাগানোর চেষ্টা করুন।

    মিথুন রাশি: আজ আনন্দ, ভ্রমণ ও সামাজিক সমাবেশ আপনাকে খুশি রাখবে। দ্রুত অর্থ উপার্জনের ইচ্ছা জাগবে। কিছু লোক আজ আপনার থেকে বেশি প্রতিশ্রুতি চাইতে পারে। কৌশল করতে জানলে ভালো ফলাফল পাবেন। প্রিয়জনের কাছ থেকে কঠোর কথা আজ আপনার মেজাজ নষ্ট করবে। বিবাহিতদের জন্য আজকের দিনটি খুব একটা ভালো যাবে না। তবে আর্থিক দিক থেকে দিনটি বেশ ভালো যাবে। ব্যবসায়ীদের জন্য দিনটি ইতিবাচক। বিনিয়োগ করলে লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। লোকেরা আপনার দৃঢ় সংকল্প আর ক্ষমতার প্রশংসা করতে পারে।

    প্রতিকার: প্রেমের সম্পর্ককে উন্নত করতে হলে কালো কুকুরকে যত্ন নিতে হবে।

    কর্কট রাশি: আজ অতিরিক্ত সময় নিজের সখের পিছনে বা সবথেকে বেশি পছন্দের কাজটি করতে পারেন। নিকট আত্মীয়দের সাহায্যে ব্যবসায় ভালো লাভের সম্ভাবনা রয়েছে এবং আর্থিক সুবিধা পাবেন। আজ প্রচেষ্টা আপনার জন্য ফলপ্রসু হবে। নতুন প্রকল্প আর উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য আজকের দিনটি দুর্দান্ত। আজ যদি নিজেকে বিশ্বের ব্যস্ততার মধ্যে হারিয়ে ফেলেন, তবে নিজের জন্য সময় দিতে হবে। স্ত্রী আপনাকে আরও বিশেষ সময় দিতে পারে। আর্থিক দিক থেকে আজকের দিনটি বেশ ভালো যাবে।

    প্রতিকার: স্বাস্থ্যের উন্নতি করার জন্য জলে নারকেল ভাসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন।

    সিংহ রাশি: আজ আনন্দ করার এবং পছন্দের কাজগুলি করার দিন। সঞ্চয় করতে পারবেন। তবে বিনিয়োগ করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আজ কাছের মানুষরা আপনার ব্যক্তিগত জীবনে সমস্যা সৃষ্টি করবে। ভালোবাসার অনুভূতি আজ খুবই ইতিবাচক হবে। স্বাস্থ্যের দিক থেকে দিনটি খুবই ভালো। ব্যবসায়ীদের লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। আর্থিক দিক থেকে দিনটি সচ্ছল যাবে। কিন্তু পরিবারে ঝামেলা হতে পারে। আজ মূল্যবান সম্পর্কগুলোকে সময় দিতে হবে। নাহলে সেই সম্পর্কগুলি ভেঙ্গে যাবে।

    প্রতিকার: পারিবারিক জীবনকে ভালো রাখতে হলে যবের আটার বল তৈরি করে মাছদেরকে খাওয়ানোর চেষ্টা করুন।

    কন্যা রাশি: আজ সুখের দিন হিসেবে মানসিক চাপ আর ঝামেলা এড়িয়ে চলতে হবে। অবাস্তব পরিকল্পনা আর্থিক ক্ষতি করতে পারে। প্রিয়জনের সঙ্গে উপহার বিনিময় করার জন্য দিনটি বেশ দুর্দান্ত। রোমান্টিক অনুভূতিতে হঠাৎ পরিবর্তন আজ আপনাকে বিরক্ত করতে পারে। নতুন তথ্য পাবেন যা আপনার প্রতিযোগিদের উপর এগিয়ে রাখবে। নতুন প্রকল্প শুরু করার আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সঙ্গে পরামর্শ করুন। পরিবারে সুখ শান্তি বজায় থাকবে আজ। ব্যবসায়ীদের জন্য দিনটি ইতিবাচক।

    প্রতিকার: আর্থিক অবস্থাকে উন্নতি করতে হলে প্রতিদিন সবুজ ঘাসের উপর খালি পায়ে হাঁটার চেষ্টা করুন।

    তুলা রাশি: আজ অলসতা বা কম শক্তির মাত্রা আপনার শরীরের জন্য বিষের মতো কাজ করবে। সৃজনশীল কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখা সবথেকে বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অসুস্থতার বিরুদ্ধে নিজেই লড়াই করতে পারবেন। শিক্ষার্থীরা আজ প্রেমে আচ্ছন্ন হতে পারে। বিবাহিতদের জন্য দিনটি খুবই ভালো। আজ ছোট ভাইবোনেরা আপনার কাছে পরামর্শ চাইতে পারে। মিষ্টি হাসি দিয়ে আপনার প্রেমিকের দিনটিকে উজ্জ্বল করে তুলতে পারেন। নতুন প্রকল্পে কাজ করার আগে অবশ্যই সাবধানে চিন্তা করুন।

    প্রতিকার: চাকরি কিন্তু ব্যবসায় লাভের জন্য অন্ধ, কুষ্ঠ রোগী বা প্রতিবন্ধীদেরকে একটি রংয়ের পোশাক দান করার চেষ্টা করুন।

    বৃশ্চিক রাশি: আজ আপনি নিজেকে আরামদায়ক আর সঠিক জীবন উপভোগ করার মেজাজে পাবেন। পরিচিত মানুষদের মাধ্যমে আয়ের নতুন উৎস খুঁজে পেতে পারেন। বুদ্ধিমত্তার প্রভাব ব্যবহার করে সংবেদনশীল পারিবারিক সমস্যাগুলি সমাধান করতে হবে। বিবাহিতদের জন্য আজকের দিনটি খুবই ভালো কাটবে। আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। আজ আপনার স্ত্রীর সাথে মূল্যবান সময় কাটাতে পারেন। স্বাস্থ্যের দিক থেকে দিনটি কোনও রকম সমস্যা দেখা দেবে না বলেই অনুমান করা হচ্ছে।

    প্রতিকার: পারিবারিক জীবনকে ভালো রাখতে হলে খাবারে মধু ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

    ধনু রাশি: আজ নম্র স্বভাবের প্রশংসা করা হতে পারে। অনেকেই আপনার প্রশংসা করবে। আজ অর্থ সঞ্চয় করতে পারেন। তবে তার জন্য দক্ষতা দরকার হবে। এমন কার্যকলাপে জড়িত থাকা উচিত যা আপনাকে আগ্রহের লোকদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ করে দেয়। আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। পরিবারে সুখ শান্তি বজায় থাকবে। আজ স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার কারণ হয়ে উঠতে পারে কোনও অপরিচিত ব্যক্তি। ব্যবসায়ীদের জন্য আজকের দিনটি খুব একটা ভালো নয়। ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তে জড়ানো আজ এড়িয়ে চলুন।

    প্রতিকার: প্রেমের সম্পর্ককে উন্নত করতে হলে দরিদ্র মহিলাদেরকে আর্থিকভাবে সাহায্য করার চেষ্টা করুন।

    মকর রাশি: কাজের চাপ আজ আপনার বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। মামা কিংবা দাদা আপনাকে আর্থিকভাবে সাহায্য করবে। বন্ধুদের ঝামেলা বা চাপের কারণে আপনি অসুস্থ বোধ করতে পারেন। এটি আপনার প্রেমের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ হবে। সন্ধ্যার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করুন এবং যতটা সম্ভব সেটিকে রোমান্টিক করার চেষ্টা করুন। আজ আপনার মন কাজে ব্যস্ত থাকবে। যার ফলে পরিবার এবং বন্ধুদের জন্য সময় বের করতে পারবেন না। বিবাহিতদের জন্য আজকের দিনটি খুবই ভালো কাটবে।

    প্রতিকার: পারিবারিক জীবনকে ভালো রাখতে হলে তামা বা সোনার পাত্রে জল পান করার চেষ্টা করুন।

    কুম্ভ রাশি: আজ আপনার শারীরিক পরিবর্তনগুলি চেহারাকে উন্নত করতে পারে। সারাদিন ধরে অর্থের প্রবাহ বজায় থাকবে এবং যত দিন এগোবে তত সঞ্চয় করতে পারবেন। পরিবারের সদস্যদের সাথে কিছু আরামদায়ক সময় কাটাতে পারেন। তাদের অনুপস্থিতিতে আজ আপনি বন্ধুর উপস্থিতি অনুভব করতে পারবেন। পরিবারে সুখ শান্তি থাকবে। আর্থিক দিক থেকে দিনটি বেশ সচ্ছল যাবে। ব্যবসায়ীদের জন্য দিনটি খুবই ভালো। বিবাহিত জীবনে আজ গোপনীয়তা বজায় রাখতে হবে। একে অপরের ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠতে পারেন আজ।

    প্রতিকার: প্রেমের জীবনকে আরও উন্নত করতে হলে সুগন্ধি রুমাল পকেটে রাখার চেষ্টা করুন।

    মীন রাশি: আজ আপনার আশা সুগন্ধির মতো আচরণ করবে। বিবাহিতদের সন্তানের শিক্ষার জন্য প্রচুর পরিমাণে অর্থ ব্যয় করতে পারে। ডাক বা ইমেলের মাধ্যমে কোনও গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ পরিবারের জন্য সুসংবাদ নিয়ে আসবে। মিষ্টি হাসি দিয়ে আজ আপনার প্রেমিকের দিনটিকে উজ্জ্বল করে তুলতে পারেন। সেমিনার বা কোনও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলে নতুন ধারণা পেতে পারেন। পরিবার এবং বিবাহিতদের জন্য আজকের দিনটি খুবই ভালো যাবে।

    প্রতিকার: আর্থিক অবস্থার উন্নতি করতে হলে স্ত্রীকে সম্মান করার চেষ্টা করুন।

    প্রতিদিন সকালে দৈনিক রাশিফলের আপডেট পেতে অবশ্যই গুগল করুন- India Hood Rashifal

  • বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ, রাজ্যে ভাতা বৃদ্ধি…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৫ মার্চ)

    বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ, রাজ্যে ভাতা বৃদ্ধি…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৫ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ১৫ মার্চ, রবিবার। বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ, রাজ্যে ভাতা বৃদ্ধি, পাকিস্তান-আফগানিস্থান সংঘর্ষ, রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) পুরী-পাটনা স্পেশাল ট্রেন নিয়ে বিরাট সুখবর

    রেল যাত্রীদের জন্য বিরাট সুখবর। পুরী-পাটনা স্পেশাল ট্রেনকে নিয়মিত এক্সপ্রেস ট্রেন হিসেবে চালু করা হল। এখন থেকে পুরী-পাটনা এক্সপ্রেস নামে চলবে এই ট্রেনটি। আর প্রতি শনিবার পুরী থেকে ছেড়ে পর দিন সকালে পাটনা পৌঁছবে। পথে ভুবনেশ্বর, খড়গপুর, আন্দুল, ডানকুনি, বর্ধমান, দুর্গাপুর, আসানসোল সহ বেশ কিছু স্টেশনে এই ট্রেনটি থামবে। আর এর ফলে ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ আর বিহারের মধ্যে যাতায়াত আরও সহজ হয়ে যাবে। পাশাপাশি হাওড়-দেরাদুন, হাওড়া-জম্মু তাওয়াই এবং হাওড়া-প্রয়াগরাজসহ বেশ কয়েকটি ট্রেনের নম্বর পরিবর্তন করা হচ্ছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৯) এবার থেকে এদের দেওয়া হবে না এলপিজি গ্যাস

    মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার জেরে এবার গ্যাস সরবরাহে চাপ বাড়ার কারণে কেন্দ্র নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে, যে সমস্ত বাড়িতে পাইপ যুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস বা পিএনজি সংযোগ রয়েছে, তারা নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডার সংযোগ নিতে পারবে না বা রিফিল করতে পারবে না। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আর হরমুজ প্রণালী সরবরাহে ব্যাহত হওয়ার কারণে ভারতে এলপিজি আমদানি কমেছে। আর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য রিফাইনারিগুলিকে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি ১৪.২ কেজি ঘরোয়া সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ৯১৩ টাকা হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৮) ফের আফগানিস্তানে বিমান হামলা পাকিস্তানের

    পাকিস্তান আর আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা আবারো চরমে পৌঁছল। পাকিস্তান আফগানিস্তানের কান্দাহার অঞ্চলের তালিবান ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানের দাবি, সীমান্ত এলাকায় ড্রোন হামলার জবাব দেওয়ার জন্যই এই বিমান হামলা চালানো হয়েছে। আর ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পরে কোয়েটা এবং রাওয়ালপিন্ডিতে কয়েকজন আহত হওয়ার খবর মিলেছে। ইসলামাবাদ আফগানিস্তানকেই হামলার জন্য দায়ী করেছে। আর নিরাপত্তার কারণে আকাশপথ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৭) আলু চাষিদের বিরাট স্বস্তি দিল মুখ্যমন্ত্রী

    আলুর দাম কমে যাওয়ার কারণে সমস্যায় পড়া চাষীদের স্বস্তি দিতে এবার বিরাট ঘোষণা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সরকার কুইন্টাল প্রতি ৯৫০ টাকা দরে আলু কেনার সিদ্ধান্ত নিল, যাতে চাষিরা ন্যায্য দাম পায়। সরকারের আলু সংগ্রহ প্রকল্পে এবার বিভিন্ন হিমঘর অংশ নেবে। আর ছোট চাষিদের জন্য ৩০ শতাংশ সংরক্ষিত জায়গা থাকবে। পাশাপাশি অন্য রাজ্যে আলু রফতানিতে কোনও রকম বাধা দেওয়া হবে না। আর গত বছর রাজ্যে প্রায় ১১০ লক্ষ টন আলু উৎপাদন হয়েছিল। কিন্তু বাজারে দাম কম থাকার কারণে চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়েছিল। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৬) রাজ্যে আবারও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়ক, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

    রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ঘোষণা করলেন, পশ্চিমবঙ্গে খুব শীঘ্রই ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। উত্তর ২৪ পরগনার তেঘরিয়াতে একটি স্কুলে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে তিনি জানিয়েছেন, শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে ২৬ হাজার প্রার্থীর চাকরি ফেরানোর উদ্যোগ চলছে। আর এর পাশাপাশি নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। এদিন তেঘরিয়া শিক্ষানিকেতন স্কুলকে বাংলা মাধ্যম থেকে সরাসরি কো-এড ইংরেজি আর বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয় হিসেবে চালু করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আরও বিধায়ক সহ মন্ত্রীরা। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৫) পুরোহিত আর ইমামদের ৫০০ টাকা ভাতা বাড়ালেন মমতা

    ভোট ঘোষণার আগে আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরাট ঘোষণা করেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যের পুরোহিত এবং ইমামদের মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে। যার ফলে আগে যেখানে তারা ১৫০০ টাকা করে ভাতা পেতেন, এখন তারা ২০০০ টাকা করে পাবেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আধ্যাত্মিক আর সামাজিক জীবনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য এই ভাতা বৃদ্ধি। পাশাপাশি পুরোহিত আর ইমামদের নতুন আবেদনগুলি অনুমোদন করেছে রাজ্য সরকার। এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৪) রাজ্যের কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা মমতার

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রথম কিস্তি ৩১ মার্চের মধ্যে দিতে হবে। আর সেই অনুযায়ী এবার চলতি মাস থেকেই কর্মীদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। আদালত ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ দুই দফায় মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। আর এই সুবিধা শিক্ষক থেকে শুরু করে অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পৌরসভা আর অন্যান্য সংস্থার কর্মী এবং পেনশনভোগীরা পাবে বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৩) হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসতে পারল না বাংলাদেশের জাহাজ

    ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালী অঞ্চলে আটকে পড়া বাংলাদেশের শিপিং কর্পোরেশন জাহাজ এমভি বাংলার এবার বিরাট জয়যাত্রা। জানা যাচ্ছে, ওই জাহাজটিতে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক রয়েছেন। মিসাইল হামলার আশঙ্কায় তারা প্রণালী পেরোতে সাহস পায়নি। যার ফলে পরে নিরাপত্তার কারণে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর কোস্টগার্ড জাহাজটিকে সরে যেতে নির্দেশ দিলে এটি পারস্য উপসাগরে ফিরে গিয়েছে। এমনকি পড়ে সারজা বন্দরের কাছে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পরিকল্পিত পণ্য পরিবহনও এখনো পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। জাহাজটিকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ২) বিজেপি কর্মী সমর্থক বোঝাই ট্রেনে পাথরবৃষ্টি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে ফেরার পথে বিজেপি কর্মী সমর্থক বোঝায় একটি ট্রেনে পাথর ছোঁড়ার অভিযোগ উঠল, যা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে শিলিগুড়িতে। অভিযোগ উঠছে, শহরের কয়লা ডিপো এলাকায় ট্রেনটিকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা পাথর ছুঁড়েছে। যার ফলে কয়েকটি জানালার কাঁচ ভেঙে যায়। আর যাত্রীদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি দাবি করছে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনা করে হামলা চালিয়েছে। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ অস্বীকার করে দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার বসেই এই পাথর ছোড়াছুড়ি হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ১) বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। এবার রাজ্যের মোট ২৯৪টি আসনে দুই দফায় ভোটগ্রহণ করা হবে। আর প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল, যেখানে ১৫২টি আসনে ভোট হবে। উত্তরবঙ্গ আর পশ্চিমের জেলায় এদিন ভোট হবে। যেমন দার্জিলিং থেকে শুরু করে কোচবিহার, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম। আর দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। সেখানে ১৪২টি আসনে ভোট হবে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায়। যেমন নদীয়া, উত্তরা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলী, পূর্ব বর্ধমান এবং কলকাতায়। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

  • পাকিস্তানে হাহাকার! কর্মীদের ৩০% বেতন কাটল সরকার

    পাকিস্তানে হাহাকার! কর্মীদের ৩০% বেতন কাটল সরকার

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সংকটের মুখে কত কিছু যে করতে হবে কাঙাল পাকিস্তানের (Pakistan) তা হয়তো ভাবতেও পারবেন না আপনি। হ্যাঁ, টানাটানির মধ্যে পড়ে এবার দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিতে কর্মরত কর্মীদের ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ। চলমান যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল আর ইরান সংঘাতের (Middle East War) জেরে তৈরি হওয়া এই জ্বালানির সংকট মেটানোর জন্যই বড়সড় সিদ্ধান্তের পথে হাঁটল সন্ত্রাসের দেশের প্রশাসন।

    জ্বালানি সংকট মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    প্রসঙ্গত, ইরানের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর ইজরায়েলের সংঘাত দিনের পর দিন বাড়ছে। যার কারণে শুধুমাত্র পাকিস্তান নয়, বরং বিশ্বের একাধিক দেশে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। কারণ, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজগুলি আসতে পারছে না, যেহেতু ইরান সেখানে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আর সেই কারণেই বিশ্বজুড়ে বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। এমনকি সম্প্রতি পাকিস্তানে পেট্রোলের দাম ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যার ফলে এখন ১ লিটার পেট্রোলের দামই পড়ছে ৩৪৫ টাকা। অন্যদিকে হাইস্পিড ডিজেলের দাম প্রায় ৩৫৫ টাকা প্রতি লিটার ছুঁয়েছে। সেই বৃদ্ধির ফলে সারা দেশে পরিবহন খরচ এবং খাদ্যের দামের উপর প্রভাব পড়েছে।

    এদিকে গ্যাসের শুল্কও দিনের পর দিন বাড়ছে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে এলএনজি আমদানির খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে গৃহস্থালির গ্যাসের দামও ২৫ শতাংশ বেড়েছে পাকিস্তানের। সেই কারণেই এবার জ্বালানি সংকট কাটানোর জন্য বড়সড় সিদ্ধান্ত নিচ্ছে পাকিস্তান। সম্প্রতি অর্থ দফতরের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, রাষ্ট্রায়ত্ত মালিকানধীন প্রতিষ্ঠান এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলির কর্মীদের বেতন এবার ৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হবে, যাতে ডুবে যাওয়া অর্থনীতিকে কিছুটা হলেও ত্বরান্বিত করা যায়।

    আরও পড়ুন: “বাড়িতে আঘাতের চিহ্ন নেই, পার্টি অফিসে ব্যান্ডেজ!” শশী পাঁজাকে একহাত নিলেন সজল ঘোষ

    তবে এই সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই কর্মকর্তারা নিজেদের মত প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ বলছেন, এই পদক্ষেপ সরকারের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। আর পাকিস্তানের সংকট এবং ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক জ্বালানির দামের ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবেলা করতে পারবে। তবে কেউ কেউ দাবি করছে, বিশ্বজুড়ে চলমান সংকটের প্রভাব শুধুমাত্র কর্মকর্তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক না। এদিকে অর্থনীতিবিদরা বলছেন যে, জ্বালানি আর গ্যাসের ক্রমবর্ধমান দাম বৃদ্ধি পাকিস্তানের অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলতে পারে আর মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। এখন দেখার দেশটির অর্থনীতি আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা।

  • পেট্রোল-ডিজেল কিনতে যাওয়ার আগে সাবধান! কড়া নির্দেশিকা জারি সরকারের

    পেট্রোল-ডিজেল কিনতে যাওয়ার আগে সাবধান! কড়া নির্দেশিকা জারি সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ পেট্রোল-ডিজেল নিয়ে নয়া অ্যাডভাইজারি জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government)। আপনিও কি এখন পেট্রোল পাম্পে গিয়ে তেল ভরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? তাহলে আপনার জন্য রইল জরুরি খবর। সরকার এমন এক নির্দেশিকা জারি করেছে যারপর সবটা না জানলে খালি হাতেই ফিরতে হবে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    পেট্রোল-ডিজেল নিয়ে নয়া অ্যাডভাইজারি জারি সরকারের

    পেট্রোল পাম্পগুলি আর খোলা পাত্রে পেট্রোল বিক্রি করবে না। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জানিয়েছে যে খোলা পাত্রে পেট্রোল সরবরাহ করলে যে কোনও পেট্রোল পাম্পের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সম্প্রতি, তামিলনাড়ুর চেন্নাইতে একটি ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে খোলা ক্যানে পেট্রোল ভর্তি করা হচ্ছিল। বিষয়টি জানার পর, মন্ত্রক কেবল তাৎক্ষণিকভাবে পাম্পটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি, বরং দেশব্যাপী একটি নতুন নির্দেশিকাও জারি করেছে।

    আরও পড়ুনঃ এদের জন্য হরমুজ প্রণালীর দরজা খুলে দিল ইরান, তালিকায় ভারতও?

    এক্স হ্যান্ডেলে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক নাগরিকদের আলগা বা অনুপযুক্ত পাত্রে পেট্রোল বা ডিজেল সংরক্ষণ না করার জন্য একটি পরামর্শ জারি করেছে। জানানো হয়েছে, “আমাদের নজরে এসেছে যে তামিলনাড়ুর একটি খুচরা বিক্রেতা আলগা পাত্রে পেট্রোল সরবরাহ করছে, যা অনিরাপদ এবং অযৌক্তিক।”

    জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে?

    এলপিজির দাম বৃদ্ধির পর এখন সকলে আশঙ্কা করছেন পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির। কী বলছে সরকার? সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি পোস্টে, মন্ত্রক আবারও জানিয়েছে যে সারা দেশে পেট্রোল এবং ডিজেলের পর্যাপ্ত রয়েছে এবং গ্রাহকদের কাছে অনুপযুক্তভাবে জ্বালানি সংরক্ষণ না করার আবেদন জানানো হচ্ছে।

  • বন্দে ভারতকেও হার মানাল ভারতীয় রেলের এই ট্রেন

    বন্দে ভারতকেও হার মানাল ভারতীয় রেলের এই ট্রেন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দেশবাসীর যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম ট্রেন। প্রতিদিন ভারতীয় রেলের (Indian Railways) নানান লোকাল, মেল বা এক্সপ্রেস ট্রেনে চেপে এক স্থান থেকে নিজের গন্তব্যে পৌঁছন যাত্রীরা। যাত্রী পরিষেবাকে আরও সুগম এবং আরামদায়ক বানানোর লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই রেল ব্যবস্থায় যুক্ত হয়েছে বন্দে ভারত (Vande Bharat Express), তেজস এক্সপ্রেসের মতো উচ্চগতির ট্রেনগুলি। ভারতীয় রেলের গর্ব বলা হয় এদের। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, বন্দে ভারত, তেজস বা রাজধানী নয়, এমন একটি ট্রেন রয়েছে যা একেবারে অল্প সময়ের মধ্যে দেশবাসীর পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। কোন ট্রেন জানতে চান নিশ্চয়ই?

    এই ট্রেনই ভারতীয়দের প্রথম পছন্দ

    বন্দে ভারত, বন্দে ভারত স্লিপার এমনকি তেজস এক্সপ্রেস থাকা সত্ত্বেও একেবারে অল্প সময়ের মধ্যে দেশবাসীর মনে জায়গা করে নিয়েছে অমৃত ভারত এক্সপ্রেস। সময়ের সাথে সাথে ক্রমশ যাত্রীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই ট্রেনটি। বলাই বাহুল্য, মূলত নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের পকেটের কথা চিন্তা করেই অমৃত ভারত এক্সপ্রেস চালু করেছিল ভারতীয় রেল। অল্প খরচে সমাজের সর্বস্তরের যাত্রীরা যাতে আরামে দূরদূরান্তে পৌঁছতে পারেন সে জন্যই ট্র্যাকে ছুটেছিল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

    আর পাঁচটা দূরপাল্লার ট্রেনের মতোই উন্নত মানের সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও এই ট্রেনের ভাড়া অন্যান্য এক্সপ্রেস ট্রেনের তুলনায় অনেকটাই কম। ট্রেনটিতে রয়েছে 11টি জেনারেল কোচ, 8টি স্লিপার কোচ, একটি প্যান্ট্রি কার এবং দুটি লাগেজ কাম ডিসেবল কোচ। এই ট্রেনে কোনও এসি কোচের ব্যবস্থা নেই। আসলে অল্প খরচে দূর দূরান্তে আরামদায়ক ভ্রমণের জন্যই এই ট্রেনটিকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন ভারতের যাত্রীরা। কমবেশি প্রত্যেকই জানেন, অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের অন্তর সজ্জা সম্পর্কে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ওয়াশরুম থেকে শুরু করে নরম সিট এমনকি প্রত্যেকটি কোচে রয়েছে LED লাইট, মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং সেমি অটোমেটিক কাপলার।

    অবশ্যই পড়ুন: ‘৭৭% ট্রেন চলেছে একেবারে সঠিক সময়ে’ দাবি রেলমন্ত্রীর! কোন বিভাগে?

    এছাড়াও, অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের প্রতিটি কোচের বার্থের ডিজাইন অন্যান্য এক্সপ্রেসের তুলনায় অনেকটাই উন্নত এবং সুন্দর। রেল বলে, অল্প খরচে অন্যান্য এক্সপ্রেসের সাধারণ কামরার থেকে এই ট্রেনে কম নয় বরং বেশি সুবিধা পান যাত্রীরা। সেজন্যই এই ট্রেনটি অন্যান্য ট্রেনগুলির থেকে একটু আলাদা। সবচেয়ে বড় কথা, বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতোই যাত্রী সুরক্ষায় এই ট্রেনে সব রকম ব্যবস্থা দিয়েছে রেলওয়ে। তাই সমাজের তৃণমূল স্তরের কাছে এই ট্রেনের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। সেদিক থেকে দেখতে গেলে বন্দে ভারতের মতো ট্রেনকেও হার মানিয়েছে অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।