Blog

  • নন্দিনী চক্রবর্তীর জায়গায় রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, চিনে নিন এই আমলাকে

    নন্দিনী চক্রবর্তীর জায়গায় রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, চিনে নিন এই আমলাকে

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিধানসভা ভোটের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হল। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুদফায় রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে। এদিকে দিনক্ষণ ঘোষণার প্রায় ছয় ঘণ্টার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India)। রাজ্যের মুখ্য সচিবের পদ থেকে নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে তাঁর পরিবর্তে নিয়োগ করা হল প্রবীণ IAS অফিসার দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে (Dushyant Nariala)। চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক কে এই দুষ্মন্ত নারিয়ালা।

    নয়া দায়িত্ব গ্রহণের নির্দেশ কমিশনের

    রিপোর্ট মোতাবেক, নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব পদে দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে নিয়ে এসেছে কমিশন পাশাপাশি নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব করা হয়েছে সংঘমিত্রা ঘোষকে। আজ, সোমবার দুপুর ৩টের মধ্যে তাঁদের দায়িত্ব গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আসলে ভোট ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়ে গিয়েছে। এই সময় রাজ্য সরকারের আমলা, আধিকারিক, পুলিশকর্তাদের বদলির নির্দেশ দিতে পারে কমিশন। এবারেও তাই হয়েছে কিন্তু মুখ্যসচিব পরিবর্তন সাম্প্রতিক সময়ে বড় নজির গড়ে তুলেছে। যদিও এই নয়া মুখ্যসচিব এর আগে একাধিক দায়িত্ব সামলেছেন।

    কে এই দুষ্মন্ত নারিওয়ালা?

    জানা গিয়েছে, দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, ১৯৯৩ সালের ব্যাচের আইএএস আধিকারিক। আগে রাজ্য সরকারের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। সেই সময় উত্তরবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের কাজ তদারকি করতেন তিনি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে তিনি জিটিএ-র প্রধান সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। দার্জিলিং পাহাড় এবং সংলগ্ন এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং রাজ্য সরকার ও জিটিএ-র মধ্যে নীতিগত সমন্বয় রক্ষার দায়িত্ব তাঁর উপর ছিল। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের অগস্ট পর্যন্ত সামলেছেন বিপর্যয় মোকাবিলা এবং অসামরিক প্রতিরক্ষা দফতরের দায়িত্বও।

    আরও পড়ুন: মমতার ধরনা মঞ্চে ‘ভুয়ো সাধু’? ‘আমাদের কেউ না’ রামকৃষ্ণ মিশনের বিজ্ঞপ্তিতে নতুন বিতর্ক

    উল্লেখ্য, দুষ্মন্ত নারিওয়ালা কুরুক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক (বি.এসসি.) এবং আইন বিষয়ে স্নাতক (এলএল.বি.) ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর— এই দুই স্পর্শকাতর জেলার জেলাশাসক (DM) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কাজের দক্ষতা এবং প্রতিভাকে সামনে রেখেই তাই নন্দিনীকে সরিয়ে তাঁকেই রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব করল কমিশন। অন্যদিকে জগদীশের বদলে নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব করা হয়েছে IAS আধিকারিক সংঘমিত্রাকে। তিনি ১৯৯৭ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার। এত দিন তিনি নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের প্রধান সচিব ছিলেন।

  • ভোটের আগে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে বদল করল কমিশন

    ভোটের আগে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে বদল করল কমিশন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গতকালই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election) দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় হবে নির্বাচন। তবে তার আগেই রাজ্যের প্রশাসনিক বিভাগে একাধিক রদবদল করছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। সেই সূত্রে এবার পুলিশের শীর্ষস্থরের রদবদল। গতকাল রাতেই রাজ্যের মুখ্য সচিব এবং স্বরাষ্ট্র সচিবের বদল করেছিল কমিশন। এবার কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকেও বদলি করা হল।

    ভোটের আগে পুলিশস্তরে রদবদল

    রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে বদলি করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার রাজ্যের নতুন ডিজিপি হিসেবে নিযুক্ত হচ্ছেন সিদ্ধনাথ গুপ্ত। জানা যাচ্ছে, ডিজি এবং ভারপ্রাপ্ত আইজিপি পদে তাঁকেই নিয়োগ করা হচ্ছে। অন্যদিকে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে সুপ্রতিম সরকারকে সরানো হয়েছে। তাঁর জায়গায় নিয়োগ করা হয়েছে আইপিএস অফিসার অজয় নন্দকে। এমনকি সোমবার দুপুর তিনটের মধ্যেই নতুন পুলিশ কমিশনার এবং ডিজিকে দায়িত্ব নিতে হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

    এদিকে গতকাল রাতে রাজ্যের মুখ্য সচিব পদ থেকে নন্দিনী চক্রবর্তীকে নির্বাচন কমিশন সরিয়ে দিয়েছিল। তাঁর জায়গায় দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে নিয়োগ করা হয়। পাশাপাশি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকেও সরানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। তাঁর জায়গায় নতুন স্বরাষ্ট্র সচিব হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে সংঘমিত্রা ঘোষকে। সেই সূত্রে গতকালই আঁচ করা যাচ্ছিল যে, রাজ্যের পুলিশস্তরেও রদবদল করতে পারে নির্বাচন কমিশন। সেই ভাবনাই সত্যি হলো আজ।

    আরও পড়ুন: ৪ মে ভোটের ফল ঘোষণা, কলকাতায় হচ্ছে না ইস্ট-মোহনের ISL ডার্বি? বড় খবর

    উল্লেখ্য, কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত অজয় নন্দ আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। আর মাওবাদী দমনেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি আসানসোল ও দুর্গাপুর কমিশনার হিসেবেও তিনি একসময় কাজ করেছেন। আর কলকাতা পুলিশেও একসময় নিযুক্ত ছিলেন। এদিকে গতকাল বিকালে দিল্লি থেকে সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেন। এবারের ভোট যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, এবং কোনও রকম জটিলতা না হয় তার জন্যই নির্বাচন কমিশন একের পর এক বড়সড় পদক্ষেপ নিচ্ছে।

  • ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অবশেষে দীর্ঘ লড়াইয়ের অবসান। লক্ষ লক্ষ রাজ্য সরকারি কর্মচারীর জন্য অবশেষে এল বড় সুখবর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে রাজ্য সরকার বড় ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রোপা ২০০৯ অনুযায়ী বকেয়া DA পরিশোধের প্রক্রিয়া (Bengal DA) শুরু করছে। চলতি মার্চ ২০২৬ থেকেই শুরু হবে ডিএ এরিয়ার প্রদান। এদিকে সরকারের এহেন ঘোষণায় বেজায় খুশি সরকারি কর্মীরাও। সরকারের এহেন পদক্ষেপে এবার বড় মন্তব্য করলেন ডিএ মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    আমাদের আনন্দ ধরে রাখতে পারছি নাঃ মলয় মুখোপাধ্যায়

    মলয় মুখোপাধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় জানান। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে যেভাবে ডিএ-টা দিতে বলেছিল সেটা সরকার মেনে নিয়েছে এবঙ্গা মরা সেভাবেই ডিএটা পেতে চলেছি। কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ২০১৬ সালে ডিএ মামলা দায়ের করেছিল। ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল দীর্ঘ ১০ বছর ধরে নির্দিষ্ট লক্ষ্য রেখে লড়াই করে গিয়েছি। আগেই বলেছিলাম রোপা মেনে যারাই ডিএ পান তাঁরা সকলেই পাবেন। শিক্ষক, অশিক্ষক, ভোট, পুরসভা সকলেই পাবেন। আমরা সকলের জন্যি লড়াই করেছি। মাঝখানে একটা বিভ্রান্ত তৈরি হওয়াতে আমরা খুব দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম। ভেবেছিলাম শুধু আমরাই টাকা পাবো। এই লড়াই কি তাহলে অসম্পূর্ণ রয়ে গেল? কিন্তু সরকার যখন ঘোষণা করল সকলেই ডিএ পাবেন তখন আমরা আমাদের আনন্দ ধরে রাখতে পারছি না।’

    তিনি আরও জানিয়েছেন, আমাদের লড়াই কিছুটা পূর্ণতা পেল। নোটিফিকেশন যখন সামনে আসবে তখন আমরা সম্পূর্ণটা বলব। এটা মনে রাখতে হবে ২০১৯ সালে রাজ্য ট্রাইব্যুনাল যে রায়টা দিয়েছিল সেটাই কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে যায় এবং সেটা এখন মান্যতা পেয়েছে।’ শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অর্থ দফতরের সর্বশেষ নোটিফিকেশন অনুযায়ী ধাপে ধাপে এই বকেয়া টাকা কর্মীদের দেওয়া হবে। বহু বছর ধরে জমে থাকা এই বকেয়া অর্থ অবশেষে কর্মীদের হাতে পৌঁছাতে চলেছে, যা রাজ্যের বিপুল সংখ্যক কর্মচারী ও তাদের পরিবারের জন্য যা নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তির খবর।

    বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান যে তাঁর “মা-মাটি-মানুষ” সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। তিনি বলেন যে লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অ-শিক্ষক কর্মী এবং পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো অনুদান-সহায়তা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং পেনশনভোগীরাও উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে , রোপা ২০০৯ আইনের অধীনে কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা ও মহার্ঘ্য ত্রাণ প্রদান ২০২৬ সালের মার্চ মাসে শুরু হবে। তিনি আরও বলেন যে, রাজ্যের অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিস্তারিত পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

     

  • ৪ মে ভোটের ফল ঘোষণা, কলকাতায় হচ্ছে না ইস্ট-মোহনের ISL ডার্বি? বড় খবর

    ৪ মে ভোটের ফল ঘোষণা, কলকাতায় হচ্ছে না ইস্ট-মোহনের ISL ডার্বি? বড় খবর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ফের ইস্টবেঙ্গল বনাম মোহনবাগানের কলকাতা ডার্বি ঘিরে তৈরি হল সমস্যা (ISL Kolkata Derby)। গতকাল অর্থাৎ রবিবার দুপুরেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এ রাজ্যে দু দফায় 23 ও 29 এপ্রিল চলবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। এরপর 4 মে ফল ঘোষণা। ঠিক তার আগের দিন ইন্ডিয়ান সুপার লিগে কলকাতা ডার্বি। শোনা যাচ্ছে, ভোটের ফল ঘোষণার 24-48 ঘণ্টার মধ্যে যুবভারতীর ম্যাচে বোধহয় নিরাপত্তা দিতে পারবে না কলকাতা পুলিশ। আর এই নিরাপত্তার অভাবেই এবার অনিশ্চয়তার মধ্যে ISL ডার্বি।

    ডার্বির ভবিষ্যৎ কী?

    সূত্রের যা খবর, ভোটের ফলাফল ঘোষণার আগের দিন অর্থাৎ 3 মে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। মূলত সে কারণেই এবার হয়তো শহরে বহু অপেক্ষিত ডার্বি নিয়ে দ্বিতীয় চিন্তা করতে পারে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। এবছর ইন্ডিয়ান সুপার লিগের সূচি তৈরি করেছেন ক্লাব গুলির প্রতিনিধিরা। সেক্ষেত্রে তাঁরাই পুনরায় নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন বলেই আশা করছেন অনেকে। সে কথাই ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন AIFF সভাপতি কল্যাণ চৌবেও।

    সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি এও জানিয়েছেন, বাংলায় দুই দফা নির্বাচনের মধ্যে কলকাতায় আরও বেশ কয়েকটি ISL ম্যাচ পড়ছে। ফলে সেগুলি নিয়েও সমস্যা তৈরি হতে পারে। এদিকে শোনা যাচ্ছে, ভোটের ফলাফল ঘোষণার আগের দিন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া কলকাতা ডার্বি নিয়ে এই মুহূর্তে দুটি বিকল্প রয়েছে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কাছে। এক, ডার্বি অন্য কোনও রাজ্যে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া। অথবা ডার্বির দিন পরিবর্তন করে কলকাতাতেই আয়োজন করা।

    অবশ্যই পড়ুন: দার্জিলিং-এর আকাশে ওটা কী! রহস্যময় আলো ঘিরে পাহাড়ে শোরগোল

    বলাই বাহুল্য, ইন্ডিয়ান সুপার লিগের সূচি অনুযায়ী কলকাতা ডার্বির দিনেই কিশোর ভারতীতে ম্যাচ হওয়ার কথা মহামেডান এবং মুম্বাইয়ের। পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার অভাবে সেই ম্যাচ নিয়েও তৈরি হয়েছে সংশয়। সূত্রের যা খবর, ফলাফল ঘোষণার আগের দিন এই দুই ম্যাচে কলকাতা পুলিশ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে পারবে কিনা তা জানতে চাওয়া হবে রাজ্যের পুলিশ কমিশনারের কাছে। সেখান থেকে সবুজ সংকেত না পেলে তবেই বিকল্প চিন্তা করবে AIFF ও ক্লাবগুলির প্রতিনিধিরা।

  • মমতার ধরনা মঞ্চে ‘ভুয়ো সাধু’? ‘আমাদের কেউ না’ রামকৃষ্ণ মিশনের বিজ্ঞপ্তিতে নতুন বিতর্ক

    মমতার ধরনা মঞ্চে ‘ভুয়ো সাধু’? ‘আমাদের কেউ না’ রামকৃষ্ণ মিশনের বিজ্ঞপ্তিতে নতুন বিতর্ক

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। এ বার দুই দফাতেই পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের নির্বাচন (West Bengal Election 2026) হবে। প্রথম দফা হবে ২৩ এপ্রিল,বৃহস্পতিবার এবং দ্বিতীয় দফা হবে ২৯ এপ্রিল, বুধবার। আর তাই ভোট প্রচারের প্রস্তুতিতে জোর কদমে নেমেছে শাসকদল থেকে শুরু করে বিরোধীরা। এমতাবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ধরনা মঞ্চ নিয়ে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। দাবি করা হচ্ছে মমতার ধরনা মঞ্চে নাকি ছিল ভুয়ো সাধু (Fake Monk At Protest Stage)।

    মমতার মঞ্চে ভুয়ো সাধু

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনা মঞ্চের একটি ভিডিও পোস্ট করেন। যেখানে দেখা যাচ্ছিল SIR এর প্রতিবাদে একজন সন্ন্যাসী বক্তব্য রেখেছেন। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “একজন ব্যক্তি সন্ন্যাসী সেজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিবাদে যোগ দিয়েছিলেন, এবং নিজেকে “মীনাখাঁ রামকৃষ্ণ সারদা মিশন”-এর প্রধান বলে দাবি করেছিলেন এবং অভিযোগ করেছিলেন যে SIR-এর সময় তার নাম মুছে ফেলা হয়েছিল। কিন্তু আজ, রামকৃষ্ণ সারদা মিশন সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে মীনাখাঁতে এমন কোনও শাখা নেই এবং তাদের মিশনের কোনও সন্ন্যাসী প্রতিবাদে অংশ নেননি। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভন্ডামীর রাজনীতি করছেন।”

    কী বলেছিলেন বিতর্কিত সাধু?

    ভিডিওতে ধরনা মঞ্চ থেকে ওই ভুয়ো বলে আখ্যায়িত সাধুকে বলতে শোনা যায় যে, “আমি রামকৃষ্ণ সারদা মিশন থেকে এসছি, আজ ১৪ বছর হল আমি “মীনাখাঁ রামকৃষ্ণ সারদা মিশন”-এর প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছি, তা সত্ত্বেও আমার নামটি বাতিল করা হয়েছে। আমি বেলুড় মঠের দশম প্রেসিডেন্ট স্বামী বীরেশ্বরানন্দ যাকে আমরা প্রভু মহারাজ বলি, তাঁরই মন্ত্র শিষ্য। তাই আজ আমি এসেছি দিদির মঞ্চে SIR এর প্রতিবাদ জানাতে। আমি চাই এই SIR যেন উঠে যায়।” মঞ্চে ওই বিতর্কিত সাধুর পিছনে বসেছিলেন খোঁদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসতেই ছি চিৎকার শুরু হয়েছে। তবে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: আলু বিক্রি না হওয়ায় চরম সিদ্ধান্ত! দেনার দায়ে গোঘাটে আত্মঘাতী ভাগচাষি

    প্রসঙ্গত SIR এর প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ধরনা মঞ্চ গড়ে তুলেছিলেন সেখানে বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছেন সাধারণ তৃণমূল কর্মী সমর্থকরাও। বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে একের পর এক আক্রমণ করা হয়েছিল মঞ্চ থেকে। একদিকে যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গর্জন করেছিল ঠিক তেমনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও একের পর এক মন্তব্য করেছিলেন। আর তার মাঝে এই ভুয়ো সন্ন্যাসী বিতর্ক ছড়িয়ে পড়তেই রীতিমত অস্বস্তিতে পড়েছে দল।

  • ইডেনে বাড়ল IPL টিকিটের দাম, KKR র ম্যাচ দেখতে কোন ব্লকে কত খরচ?

    ইডেনে বাড়ল IPL টিকিটের দাম, KKR র ম্যাচ দেখতে কোন ব্লকে কত খরচ?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে IPL 2026 (Indian Premier League)। ইতিমধ্যেই প্রথম পর্বের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এবছর উদ্বোধনী ম্যাচ ঘরের মাঠে না পেলেও পরবর্তীতে ইডেন গার্ডেন্সে (Eden Gardens) খেলার সুযোগ পাচ্ছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এদিকে শোনা যাচ্ছে, IPL শুরুর আগেই ইডেনে দাম বাড়ল KKR সহ বাকি ম্যাচের টিকিটের। রিপোর্ট অনুযায়ী, শহরে ক্রিকেটের প্রাণকেন্দ্র অর্থাৎ ইডেনে নিজের প্রিয় দলের ম্যাচ দেখতে গেলে ন্যূনতম 1200 টাকা খরচা করতেই হবে দর্শকদের।

    ইডেনে কোন ব্লকে টিকিটের দাম কত?

    রিপোর্ট অনুযায়ী, এবছর ইডেনের K1, C1, H1 ও G1 ব্লক গুলিতে বসে খেলা দেখতে হলে খরচ করতে হবে 1200 টাকা। একইভাবে B1, D, E, L1, F1, J, H, ব্লক গুলিতে বসে খেলা দেখতে হলে গুনতে হবে 1500 টাকা। অন্যদিকে C, F, G, K ব্লকে 2000 টাকা, ক্লাব হাউস বা আপার টিয়ারে 3000 টাকা, L ব্লকে 3300 টাকা, B ব্লকে 3500 টাকা, ক্লাব হাউসের লোয়ার টিয়ারে 8000 টাকা, প্রিমিয়াম L ব্লকে 5000 টাকা এবং B প্রিমিয়াম ব্লকের টিকিটের দাম 8500 টাকা। বলে রাখা প্রয়োজন, গত বছর ইডেনে টিকিটের সর্বনিম্ন দাম ছিল 900 টাকা। এবছর সেটা 300 টাকা বাড়ল।

     

    টিকিটের ক্ষেত্রে নতুন নীতি KKR এর

    শহরে ক্রিকেটের প্রাণকেন্দ্র ইডেন গার্ডেন্সে গত সিজন থেকেই IPL ম্যাচের টিকিটের ক্ষেত্রে নতুন নীতি চালু করে, কলকাতা নাইট রাইডার্স। এর ফলে KKR ছাড়াও মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস, বিরাট কোহলি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এমনকি রোহিত শর্মার MI এর ম্যাচ থাকলে টিকিটের দাম বেশি হচ্ছিল। তবে এবছর টিকিটের ডায়নামিক প্রাইজিং রাখা হবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, অনলাইনে গত রবিবার থেকেই শুরু হয়েছে ইডেনে IPL ম্যাচের টিকিট বিক্রি। বুক মাই শো থেকেই কাটা যাচ্ছে টিকিট।

    অবশ্যই পড়ুন: আলু বিক্রি না হওয়ায় চরম সিদ্ধান্ত! দেনার দায়ে গোঘাটে আত্মঘাতী ভাগচাষি

    উল্লেখ্য, আগামী 28 মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে বহু অপেক্ষিত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। প্রথম ধাপে 20 ম্যাচের সূচি প্রকাশ করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এরমধ্যে চারটি ম্যাচ রয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের। তাদের প্রথম ম্যাচ রয়েছে 29 মার্চ। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে এই ম্যাচটি অবশ্যই ওয়াংখেড়েতে খেলবে কলকাতা। তবে পরবর্তী তিন ম্যাচ অর্থাৎ 2 এপ্রিল, 6 এপ্রিল এবং 9 এপ্রিলের ম্যাচ ঘরের মাঠ ইডেনেই খেলার সুযোগ পাবে KKR।

  • দার্জিলিং-এর আকাশে ওটা কী! রহস্যময় আলো ঘিরে পাহাড়ে শোরগোল

    দার্জিলিং-এর আকাশে ওটা কী! রহস্যময় আলো ঘিরে পাহাড়ে শোরগোল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আকাশে ওটা কী! দার্জিলিং (Darjeeling) ঘুরতে গিয়ে ঘোরার আনন্দ যেন অনেকেরই মাটি হয়ে গেল। রাতের আকাশে এক রহস্যময় আলো (Mysterious Light) দেখে আতঙ্কিত সকলে। ইতিমধ্যে দার্জিলিং-এর আকাশে দেখা যাওয়া সেই আলোর ছবি সামাজিক মাধ্যমে বিদ্যুতের গতিতে ভাইরাল হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, কীসের আলো এটা? কীসেরই বা ইঙ্গিত এটা? ভেবে দিশেহারা সকলে।

    দার্জিলিং-এর আকাশে রহস্যময় আলো

    শুধু দার্জিলিং-ই নয়, শিলিগুড়ি, সিকিমের আকাশেও এই আলো দেখা গিয়েছে। সবথেকে বড় কথা, একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন যে উজ্জ্বল এবং রহস্যময় আলোটা আকাশে ৫–৭ মিনিট ধরে ছিল। আলোটি নাকি উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিমের দিকে ছিল। তাহলে কি বিমানের থেকে আলো ঠিকরে বেরিয়েছে? সেটাও কেউ বলতে বা মানতে নারাজ। কারণ মানুষ জানিয়েছেন, ঘটনার সময়ে নাকি আকাশে কোনও বিমান বা জেট প্লেনের আওয়াজ বা দেখা মেলেনি।

    আরও পড়ুনঃ শিয়ালদা ডিভিশনের যাত্রীদের পোয়া বারো, একাধিক লোকাল ট্রেনের স্টপেজ বাড়াল রেল

    ভাইরাল ভিডিও

    কেউ কেউ বলছেন, চাইনিজ রকেট বা মিসাইল টেস্ট করা হচ্ছে? অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছেন, দার্জিলিং-এর আকাশে উজ্জ্বল “জেলিফিশ”-এর মতো দেখতে আলো দেখা গিয়েছে, যা সম্ভবত চীনের ইয়াওগাং-৫০-০২ উপগ্রহ উৎক্ষেপণ থেকে এসেছে। গত ১৫ মার্চ তাইয়ুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার থেকে লং মার্চ-৬এ রকেটে উৎক্ষেপণ করা হয়। আবার এউ কেউ বলছেন ভিনগ্রহ থেকে আসা কোনও যান নয়তো? যদিও এই বিষয়ে এখনও অবধি প্রশাসনের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

     

  • শিয়ালদা ডিভিশনের যাত্রীদের পোয়া বারো, একাধিক লোকাল ট্রেনের স্টপেজ বাড়াল রেল

    শিয়ালদা ডিভিশনের যাত্রীদের পোয়া বারো, একাধিক লোকাল ট্রেনের স্টপেজ বাড়াল রেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনিও কি শিয়ালদা ডিভিশনের (Sealdah) যাত্রী? তাহলে আপনার জন্য রইল দারুণ সুখবর। আসলে পূর্ব রেলের তরফে কয়েক গুচ্ছ ট্রেনের স্টপেজ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ট্রেনগুলির স্টপেজ দেওয়া হবে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্টেশনগুলিতে। আপনিও কি জানতে ইচ্ছুক কোন ট্রেন কোন স্টেশনে স্টপেজ দেবে? তাহলে চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বহু ট্রেনের স্টপেজ বাড়াল রেল

    শিয়ালদহ ডিভিসনের বিভিন্ন স্টেশনে কিছু লোকাল ট্রেনের স্থায়ী স্টপেজ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি অবধি জারি করেছে রেলওয়ে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যাত্রীদের সুবিধার্থে এবং শহরতলির রেল পরিষেবা আরও সহজলভ্য করতে কয়েকটি ট্রেনের আগামী বুধবার অর্থাৎ ১৮ মার্চ থেকে উল্লেখিত স্টেশনগুলিতে স্টপেজ দেবে। তালিকা অনুযায়ী, ৩১৫১৩ শিয়ালদা শান্তিপুর লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস, ৩১৫১৯ শিয়ালদা শান্তিপুর লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস স্টেশনে থামবে।

    আরও পড়ুনঃ ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    রেল আরও জানিয়েছে, ৩১৫২৫ শিয়ালদা শান্তিপুর লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস, ৩১৭৪৮ শান্তিপুর-রাণাঘাট লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস, ৩১৫৩৬ শান্তিপুর-শিয়ালদা লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস, ৩১৭৪৫ রাণাঘাট-গেদে লোকাল শান্তিনগর হল্ট, ৩১৭৪৪ গেদে-রানাঘাট শান্তিনগর হল্ট, ৩১৯২২ গেদে শিয়ালদা লোকাল শান্তিনগর হল্ট, ৩১৮২৮ কৃষ্ণনগর সিটি-শিয়ালদা লোকাল তাহেরপুর, বীরনগর, ৩১৭২৩ রাণাঘাট-কৃষ্ণনগর সিটি লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮২৭শিয়ালদা-কৃষ্ণনগর সিটি লোকাল জালালখালি হল্ট স্টেশনে থামবে।

    উপকৃত হবেন যাত্রীরা

    এছাড়াও ৩১৮৩৮ কৃষ্ণনগর-শিয়ালদা লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮৩৭ শিয়ালদা কৃষ্ণনগর সিটি গ্যালপিং লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮১৬ কৃষ্ণনগর সিটি-শিয়ালদা লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮৪৩ শিয়ালদা কৃষ্ণনগর লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮২০ কৃষ্ণনগর সিটি-শিয়ালদা লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩৩৮১৭ শিয়ালদা বনগাঁও লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩০৬১ ক্যানিং বারাসাত লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩৮১৪ বনগাঁও শিয়ালদা লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩৮১৬ বনগাঁও শিয়ালদা লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩৮২০ বনগাঁও শিয়ালদা লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩৬২২ দত্তপুকুর-শিয়ালদা লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৪৫২১ ক্যানিং শিয়ালদা লোকাল মাতলা স্টেশনে থামবে।

     

  • আলু বিক্রি না হওয়ায় চরম সিদ্ধান্ত! দেনার দায়ে গোঘাটে আত্মঘাতী ভাগচাষি

    আলু বিক্রি না হওয়ায় চরম সিদ্ধান্ত! দেনার দায়ে গোঘাটে আত্মঘাতী ভাগচাষি

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফের আরও এক আলু চাষির আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেল গোঘাটের (Goghat) মথুরা এলাকায় (Potato Farmer Commits Suicide)। পরিবারের সদস্যের অনুপস্থিতে গলায় দড়ি বেঁধে ফাঁস দেন বছর ৩৩ এর ভাগচাষি বাপন সুর। দেনার দায়ে চরম হতাশায় পড়ে ঘটে গেল এক ভয়ংকর বিপদ। কয়েক বছর ধরেই আলু চাষ করে আসছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন ভালো ফলন হলে এবং দাম পেলে আলু বিক্রি করে ঋণ শোধ করবেন। কিন্তু তা আর হল না, কান্নায় ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    রিপোর্ট মোতাবেক, রাজ্য সরকারের তরফে আলুর অভাবী বিক্রি ঠেকাতে সহায়ক মূল্যে আলু কিনে নেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও এখনও এই এলাকায় আলু কেনা শুরু হয়নি। ফলে ঋণের টাকা কী ভাবে শোধ করবেন তা নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিলেন ভাগচাষি বাপন সুর। এই নিয়ে পরিবারও খুব চিন্তায় ছিল। বাড়িতেও প্রায় অশান্তি হত বলে পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন। ওই ব্যক্তির আলুর ব্যবসাও ছিল। দিন দিন পরিস্থিতি বেগতিক দেখে হতাশার মুখে পড়ে গত শনিবার, পরিবারের লোকজন পাশের পাড়ায় যখন অনুষ্ঠানের জন্য গিয়েছিলেন, সেই সময় দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেন তিনি।

    তদন্তে নেমেছে গোঘাট থানার পুলিশ

    পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, বাপন সুরকে ঝুলন্ত অবস্থায় প্রথম দেখেছিল তাঁর ৫ বছরের সন্তান। বাবাকে এই অবস্থায় দেখে চিৎকার করায় ছুটে এসেছিল বাড়ির সদস্যরা, সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। শোকাহত গোটা পরিবার। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে গোঘাট থানার পুলিশ। মাঠে এখনও মৃত ভাগচাষী বাপন সুরের চাষ করা আলু পরে রয়েছে। জানা গিয়েছে বাপন সুর নাকি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জড়িত। সরকারের তরফে এই পরিবারে ক্ষতিপূরণ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছুই জানানো হয়নি।

    আরও পড়ুন: কটকের হাসপাতালে ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ড, মর্মান্তিক মৃত্যু ১০ রোগীর

    কয়েকদিন আগেই একই ঘটনা ঘটেছিল পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা-১ ব্লকের রাঙামাটি গ্রামে। স্ত্রীর গয়না বন্ধক রেখে, ঋণ নিয়ে আলু চাষ করেছিলেন রাখাল আড়ি নামে এক ভাগ চাষি। কিন্তু ফলন হলেও পর্যাপ্ত দাম না পাওয়ার আত্মঘাতী হয়েছিলেন তিনি। পরে গত বৃহস্পতিবার মৃত ওই আলু চাষির পরিবারকে নগদ দু’লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য করেন তৃণমুল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই টাকা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সূর্যকান্ত দোলই ও ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমুল সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তী মৃত চাষির স্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন।

  • কটকের হাসপাতালে ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ড, মর্মান্তিক মৃত্যু ১০ রোগীর

    কটকের হাসপাতালে ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ড, মর্মান্তিক মৃত্যু ১০ রোগীর

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ড ওড়িশার (Odisha) কটকে (Massive Fire In Odisha)! এসসিবি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দাউ দাউ করে জ্বলছে ICU। ভয়াবহ এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন মোট ১০ জন রোগীর। রোগীদের বাঁচাতে গিয়ে জখম হয়েছেন হাসপাতালের একাধিক কর্মী। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি, সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, মৃতদের পরিবারের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন মোহন।

    ভোররাতে ICU-তে আগুন!

    সূত্রের খবর, আজ, সোমবার ভোর ৩ টে নাগাদ, ওড়িশার কটকের এসসিবি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ-তে আচমকা দাউদাউ করে আগুন লেগে যায়। দ্রুত ওয়ার্ডে সেই আগুন ছড়িয়ে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়তেই কর্মীরা রীতিমত ‌যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ICU থেকে রোগীদের সরানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু ১০ জনকে বাঁচানো যায়নি। বাকি রোগীদের ICU থেকে সরিয়ে তাঁদের অন্য ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে বলে খবর। খবর দেওয়া হয় দমকল বাহিনীকে। বেশ কিছু ক্ষণের চেষ্টায় একাধিক ইঞ্জিনের মাধ্যমে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

    জখম হয়েছেন ১১ জন কর্মচারী

    ভোরেই হাসপাতালে গিয়েছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি এবং সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুকেশ মহালিংও। তিনিই মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন। ঘটনায় রোগীদের উদ্ধার করতে গিয়ে হাসপাতালের প্রায় ১১ জন কর্মচারী জখম হয়েছেন। অনেকে আবার ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদেরও চিকিৎসা চলছে। দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শট সার্কিট থেকেই আগুন লেগেছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর গোটা ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে হাসপাতাল চত্বরে।

    আরও পড়ুন: ৭০ কিমি বেগে কালবৈশাখী, দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় ভারী বৃষ্টি, আজকের আবহাওয়া

    কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি?

    মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি বলেন, “ভোররাতে হাসপাতালে ভয়াবহ আগুন লাগে। ফলে ট্রমা কেয়ার আইসিইউ এবং সংলগ্ন ওয়ার্ডগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ট্রমা কেয়ার থেকে মোট ২৩ জন রোগীকে অন্যান্য ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আর এই ঘটনায় মৃত্যু হয় ১০ জনের। মৃত ব্যক্তিদের পরিবারকে সমবেদনা জানাচ্ছি। আগুন লাগার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে তদন্তে যদি কারও গাফিলতি প্রকাশ্যে আসে, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।” একইসঙ্গে মৃতদের পরিবারপিছু ২৫ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা করেছেন তিনি।