Blog

  • IPL 2026 এ বিরাট কোহলির বন্ধুর রেকর্ড ভেঙে খান খান করতে চান বৈভব সূর্যবংশী

    IPL 2026 এ বিরাট কোহলির বন্ধুর রেকর্ড ভেঙে খান খান করতে চান বৈভব সূর্যবংশী

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে 28 মার্চ থেকে শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। ইতিমধ্যেই প্রথম পর্বের IPL সূচি প্রকাশ করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এই আসরে আগামী 30 মার্চ চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্টের যাত্রা শুরু করবে রাজস্থান রয়্যালস। আর এই দলের হয়ে মাঠ কাঁপাতে নামবেন বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)। দেশবাসীর নয়নেরমণি এই খুদে ক্রিকেটারের দিকে নজর থাকবে কমবেশি সকলের। তবে IPL শুরুর আগেই বৈভব জানিয়ে দিয়েছেন এক ওভারে ছয়টি ছয় মারা নয় বরং এক বিশেষ ব্যক্তির রেকর্ড ভাঙাই তাঁর আসল লক্ষ্য।

    এই রেকর্ড ভাঙতে চান বৈভব

    ব্যাট হাতে বৈভব সূর্যবংশী কতটা ভয়ংকর তা জানতে বাকি নেই ক্রিকেট ভক্তদের। বিহারের এই কিশোর প্রতিভা মাঠে নামা মানেই তৈরি হবে নতুন নতুন রেকর্ড। অনেকেই হাপিত্যেশ করে বসে রয়েছেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে বৈভব কেমন খেলে সেটা দেখার জন্য। এরই মাঝে নয়া দিল্লিতে রবিবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন বৈভব সূর্যবংশী। সেখানেই হার্দিক পান্ডিয়া, অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসনদের সাথে মঞ্চ ভাগ করার সুযোগ হয়েছিল তাঁর।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে হার্দিক পান্ডিয়ার পাশেই কোট প্যান্ট পরে চেয়ারে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে বৈভবকে। এদিকে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক হর্ষ ভোগলে একে একে সকলকে প্রশ্ন করছেন। এমন সময় বৈভবকে সঞ্চালক ভোগলে প্রশ্ন করে বসেন, “আমি আপনাকে তিনটি বিষয় বলছি, এর মধ্যে থেকে আপনি বেছে বলুন কোনটি আপনার স্বপ্ন। এক ওভারে ছয়টি ছয়? ক্রিস গেইল আপনার মতোই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান যিনি IPL এ অপরাজিত 175 রান করেছেন সেটি? নাকি দ্রুততম IPL শতরান? কোন রেকর্ড গড়তে চান আপনি?”

     

    অবশ্যই পড়ুন: হরমুজে ভারতীয় জাহাজকে ছাড় কেন? ইরানের সিদ্ধান্ত গর্বিত করবে ভারতীয়দের

    ভারতীয় তারকার প্রশ্নের উত্তরে 14 বছরের বৈভব সূর্যবংশী একেবারে খোলাখুলি জানিয়ে দেন, ক্যারিবিয়ান তারকা ক্রিস গেইলের 175 রানের অপরাজিত ইনিংসের রেকর্ড গুড়িয়ে দিতে চান তিনি। এক কথায় বোঝাই যাচ্ছে, এ বছর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে একেবারে আটঘাট বেঁধে নামছেন সূর্যবংশী। পুনে ওয়ারিয়র্সের বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুর হয়ে 2013 সালের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে বিরাট কোহলির বন্ধু গেইল যে 175 রানের ইনিংস খেলেছিলেন সেই রেকর্ড ভেঙে দিতে পারলে IPL এ ইতিহাস রচনা করে ফেলবেন বৈভব।

  • ৭০ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, কিছুক্ষণেই তোলপাড় হবে দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলা

    ৭০ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, কিছুক্ষণেই তোলপাড় হবে দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলা

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: ফাল্গুনের শেষে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাত সেইসঙ্গে কালবৈশাখীর দাপটে নাজেহাল বাংলা। একেবারে ঘূর্ণাবর্ত এবং নিম্নচাপ অক্ষরেখার জেরে প্রবল বৃষ্টিপাতের সাক্ষী থাকছে সমগ্র বাংলা। আজ সোমবার বিকেলের দিকেও বাংলার বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস (Weather Update) হয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ঘন্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝড়ো হাওয়া, সম্ভাবনা রয়েছে কালবৈশাখী ঝড়েরও। এমনিতে অকাল বৃষ্টি এবং কালবৈশাখীর জেরে চাষের বিশাল পরিমাণে ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। মাথায় হাত পড়েছে সাধারণ চাষীদের। পরিস্থিতি কবে ঠিক হবে? সেই উত্তর জানা নেই কারোর।

    বিকেলে ফের দুর্যোগের আশঙ্কা বাংলায়

    বিকেলের দিকে বাংলা নতুন করে দুর্যোগের অশনি সংকেত রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত সেই সঙ্গে প্রবল শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে জেলায় জেলায় বলে খবর। বিকেলের দিকে দক্ষিণবঙ্গের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলী জেলায় তুমুল দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে। কালবৈশাখীর সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে। এছাড়া কলকাতা শহরেও বৃষ্টিপাতের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঝড়ের গতিবেগ ঘন্টায় ৭০ কিমি অবধি হওয়ার আশঙ্কা।

    মৌসম ভবন জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগর থেকে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প ঢুকছে। পূর্বাভাস মতোই রবিবার থেকে বেড়েছে ঝড় বৃষ্টির বেগ বেড়েছে। মঙ্গলবার ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ বেশি থাকবে। বুধবারে বৃহস্পতিবার ঝড় বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। তবে ফের ঝড়-বৃষ্টি বাড়বে শুক্রবার থেকে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। ফলে পরিস্থিতি দেখে যা মনে হচ্ছে আপাতত দুর্যোগ চলবে বাংলায়।

    আরও পড়ুনঃ DA নিয়ে রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র? নয়া লড়াই শুরুর ঘোষণা ভাস্কর ঘোষের

    মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলা যেমন ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ মাঝারি পরিমাণে বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর। সেইসঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া?

    এবার আসা যাক উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া প্রসঙ্গে। এদিন বিকেলে দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার জেলাতেও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। ইতিমধ্যেই হঠাৎ কালবৈশাখীর হানায় সিকিমের বেশ কিছু গ্রাম লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে।

  • বেলডাঙা কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের বড় ধাক্কা! বহাল থাকল হাইকোর্টের নির্দেশ

    বেলডাঙা কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের বড় ধাক্কা! বহাল থাকল হাইকোর্টের নির্দেশ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026), দুই দফাতেই হতে চলেছে নির্বাচন। এদিকে রাজ্যের অন্দরে হিংসা ক্রমেই বাড়ছে। ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল বেলডাঙা হিংসাকাণ্ড (Beldanga Incident)। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ফের বেলডাঙা কাণ্ডে রাজ্যকে ধাক্কা খেতে হল। নথি হস্তান্তর করা নিয়ে আর্জি খারিজ করে দেওয়া হল। হাইকোর্টের রায়ে কোনও হস্তক্ষেপ করল না শীর্ষ আদালত। NIA-এর নথি হস্তান্তর নিয়ে হাইকোর্ট যা নির্দেশ দিয়েছিল সেটাই আপাতত বহাল রাখা হল।

    বেলডাঙা হিংসা মামলায় ধাক্কা খেল রাজ্য

    বেলডাঙা হিংসা মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার ঘটনায় রাজ্য পুলিশের হাতে যে ডকুমেন্ট বা তথ্য রয়েছে, সেই সবগুলো NIA-কে হস্তান্তর করতে হবে। কিন্তু সেই নির্দেশ মানতে নারাজ হাইকোর্ট। তাই বাধ্য হয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যায়। সেখানে রাজ্য অভিযোগ জানায় তাদের বক্তব্য পুরো না শুনেই কলকাতা হাইকোর্টের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু লাভের ল কিছুই হল না। ফের সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। NIA-এর নথি হস্তান্তর নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশকেই মান্যতা দিল শীর্ষ আদালত।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাসে ঝাড়খণ্ডে আলাউদ্দিন শেখ নামে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। পরে জানা যায়, আলাউদ্দিনকে খুন করা হয়নি। পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ ঝাড়খণ্ডে গিয়ে সেখানকার পুলিশের তথ্যপ্রমাণ দেখে এসেছিল। এদিকে বেলডাঙায় এর জেরে অশান্ত ছিল বেশ কয়েকদিন। স্টেশন সংলগ্ন রেলগেটে ভাঙচুর চালানো হয়েছিল সেই সময়। রেলের সিগন্যালও ভেঙে ফেলা হয়েছিল। ব্যাহত হয়েছিল রেল পরিষেবা। সড়কপথেও যান চলাচল ব্যাহত হয়েছিল। মারধর করা হয়েছিল সাংবাদিকদেরও। এরপর মামলা ওঠে হাইকোর্টে। সেই সময় আদালত বলেছিল, কেন্দ্র যদি মনে করে, তাহলে বেলডাঙার হিংসা নিয়ে NIA তদন্ত হতে পারে। সেই মতো তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। কিন্তু সেই তদন্ত ঠেকাতেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য।

    আরও পড়ুন: ২৪-র লোকসভা ভোট হিংসায় যুক্ত পুলিশ অফিসারদের তালিকা তলব, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

    NIA-কে বেলডাঙার কেস ডায়েরি হস্তান্তর করার জন্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্দেশ দিয়েছিল বিশেষ আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবং সমস্ত তদন্ত প্রক্রিয়ার ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে ফের সেই মামলা দেয় কলকাতা হাইকোর্টে। আর সেই মামলাতেই রাজ্য সরকারের আপত্তি খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।

  • হরমুজে ভারতীয় জাহাজকে ছাড় কেন? ইরানের সিদ্ধান্ত গর্বিত করবে ভারতীয়দের

    হরমুজে ভারতীয় জাহাজকে ছাড় কেন? ইরানের সিদ্ধান্ত গর্বিত করবে ভারতীয়দের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: যুদ্ধের আবহে বিশ্বজুড়ে দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট। ভারতও সেই তালিকার বাইরে নয়। তবে এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও মিলেছে স্বস্তির খবর। ইতিমধ্যেই ইরানের (Iran) অনুমোদনের পর বিপুল অপরিশোধিত তেল নিয়ে দেশে ফিরেছে দুটি জাহাজ। এছাড়াও হাজার হাজার টন LPG নিয়ে নিরাপদে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) পেরিয়ে ভারতে এসেছে শিবালিক কার্গো। এমতাবস্থায় অনেকেরই প্রশ্ন, ঠিক কোন কারণে বা কীসের বিনিময়ে ভারতের জাহাজকে ছাড়পত্র দিল তেহরান?

    কারণ ব্যাখ্যা করলেন বিদেশমন্ত্রী

    আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির। আর তারপরই একেবারে পাগলের মতো প্রত্যাঘাত করতে শুরু করে তেহরান। এরই মাঝে হরমুজ প্রণালীতে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরানের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, অনুমতি ছাড়া যদি কেউ এই হরমুজ দিয়ে জ্বালানি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তবে জাহাজে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে। যদিও এমন হুমকির পর ভারত সহ একাধিক দেশকে এই অংশ দিয়ে জ্বালানি নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। আর তারপরই প্রশ্ন উঠছে, ভারতের জাহাজকে ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য কি ইরানের সাথে কোনও চুক্তি হয়েছে?

    এমন প্রশ্নের উত্তরে ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর একেবারে খোলাখুলি জানিয়েছেন, ভারত এবং ইরানের মধ্যে এখনও পর্যন্ত নতুন কোনও চুক্তি হয়নি। তবে তেহরানের সাথে আলোচনায় ইতিবাচক ফল মিলেছে। এখনও তাদের সাথে আলোচনা চালাচ্ছে দিল্লি।” বিদেশ মন্ত্রীর কথায়, “দিল্লি এবং তেহরানের মধ্যে লেনদেনের এক দীর্ঘ ইতিহাস আছে। সেই ইতিহাসকেই পাথেও করেই আলোচনা হয়েছে আমাদের। তবে জ্বালানি নিয়ে আসার জন্য কোনও বিনিময় চুক্তি হয়নি।” ইরানের এই সিদ্ধান্ত যে প্রতিটা ভারতবাসীর কাছে গর্ব, সে আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

    ভারত এবং ইরানের বহু পুরনো সম্পর্ককে কাজে লাগিয়েই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে নিরাপদে দেশে ফিরছে একের পর এক জাহাজ। এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “ইরানে যে হামলা চলছে তা সত্যিই আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক।” হরমুজ দিয়ে ভারতের জাহাজ পারাপার করছে এমন বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে দেশের বিদেশ মন্ত্রী জানান, “এটা তো সবে শুরু। ওখানে আমাদের অনেক জাহাজ এখনও আটকে রয়েছে। এক কথায় আলোচনা চলবে।” সবমিলিয়ে, নরেন্দ্র মোদি সরকারের কূটনৈতিক পদক্ষেপে ইরানের মন যে কিছুটা গলেছে সেটা বলাই যায়।

     

    অবশ্যই পড়ুন: শিয়ালদার তিন রুটে EMU পরিষেবা সম্প্রসারণ, যাত্রীদের স্বার্থে বড় উদ্যোগ রেলের

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি হরমুজ দিয়ে জ্বালানি নিয়ে আসার সময় থাইল্যান্ডের একটি কার্গোতে জোরালো হামলা চালায় ইরান। তাছাড়াও হামলা চালানো হয় আমেরিকার জাহাজেও। এরই মধ্যে কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, আমেরিকা, ইজরায়েল এবং তাদের মিত্র দেশগুলি ছাড়া বিশ্বের বাকি দেশ হরমুজ দিয়ে জ্বালানি আদান প্রদান করতে পারবে।

  • DA নিয়ে রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র? নয়া লড়াই শুরুর ঘোষণা ভাস্কর ঘোষের

    DA নিয়ে রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র? নয়া লড়াই শুরুর ঘোষণা ভাস্কর ঘোষের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ফের একবার আলোচনায় উঠে এল বাংলার ডিএ মামলা (Bengal DA Case)। অবশ্য এবারে সরকারের সিদ্ধান্তে খুশি চাকুরীজীবী থেকে শুরু করে সরকারি পেনশন প্রাপকরা। এর কারণ, চলতি মার্চ মাসেই ২০০৯ রোপা আইন মেনে ২৫% বকেয়া DA মেটানোর ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরই সঙ্গে রাজ্য বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে এই সিদ্ধান্তকে সরকারের বিরাট মাস্টারস্ট্রোক হিসেবে দেখছে বিশিষ্ট মহল। তবে অপরদিকে অন্য কথা বললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ (Bhaskar Ghosh)। তিনি জানালেন, লড়াই শেষ হয়নি, বরং নতুন করে শুরু হল। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন।

    ডিএ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি ভাস্কর ঘোষের

    ভাস্কর ঘোষ জানান, ‘সবার আগে, আমি বলতে চাই যে এটি মানুষের জন্য একটি বড় জয়। কর্মচারীরা সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতৃত্বে শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা উপেক্ষা করে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে গিয়েছেন। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হই, লড়াই যদি সঠিক পথে পরিচালিত হয়, লক্ষ্য স্থির রাখি, তাহলে স্বৈরাচারীনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেও তাঁকে মাথা নত করতে হয়। অরাজনৈতিক সিস্টেমের কাছেই মাথানত করতে হয়। আমরা কুল গোত্রহীন। আমাদের শতাব্দীর ইতিহাস নেই। কিন্তু যা আমাদের আছে, তা হল যৌবনের তারণ্য এবং প্রবল তেজ। আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকার এক কাটমানি সিন্ডিকেটের যে জাল বিস্তার করে রেখেছিল তাকে মাথা নত করতে হল।

    রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র?

    ডিএ নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন ভাস্কর ঘোষ। তিনি জানান, ‘আমরা যেন এই আনন্দের মুহূর্তে ভেসে না যাই। এর ষড়যন্ত্রটা বুঝুন। তিনি যদি স্বদিচ্ছায় সব মেনে নিতেন তাহলে আর মডিফিকেশন অ্যাপ্লিকেশন বা M.A. দায়ের করতে যেতেন না। তিনি বলেছিল এটি সাব-জুডিসের বিষয়। আজ চাপ পড়েছে বলে সাব-জুডিস উঠে গিয়েছে। তিনি কী বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টে M.A. দায়ের করে যে শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তাদেরই এটা ডিএ দেওয়া হবে। কিন্তু এখন তিনি বলছেন এটা সবাই পাবে। আজ, সবাই এটি পাবে। সুপ্রিম কোর্ট কী বলেছি? পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কর্মচারীরা সবাই এটি পাবে। তিনি কী বললেন? পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মচারীরা ডিএ পাবেন। তাঁকে খারিজ করতে হল। নিজে যে থুতু ফেলেছিলেন সেটা চাটতে হল তাঁকে।’

    আরও পড়ুনঃ ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    ভাস্কর ঘোষ জানান, ‘আমরা বলেছিলাম মুখ্যমন্ত্রীকে আমরা আন্দোলন শেখাবো। আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে সেই মুখ্যমন্ত্রীকে কিন্তু আন্দোলন শেখানোই শুধু নয়, আন্দোলনের কাছে কীভাবে মাথানত করতে হয় সেটাও শেখালাম। কিন্তু এরই মাঝে অর্থ দফতর থেকে একটি খবর এসেছে। সরকার একটি ষড়যন্ত্র করছে। তাঁরা জিওটাকে এখন বের করবেন না। তাঁরা বলবেন যেহেতু ভোট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে তাই জিও দেওয়া যাবে না।’

  • ২৪-র লোকসভা ভোট হিংসায় যুক্ত পুলিশ অফিসারদের তালিকা তলব, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

    ২৪-র লোকসভা ভোট হিংসায় যুক্ত পুলিশ অফিসারদের তালিকা তলব, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: অবশেষে ২৬ এর বিধানসভা (West Bengal Election 2026) নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India)। ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় অনুষ্ঠিত হবে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। আর তার কয়েক ঘণ্টার পরেই প্রশাসনিক রদবদলের ইঙ্গিত দিল কমিশন। শুধু তাই নয়, ২০২৪-এর ভোট হিংসায় যুক্ত ‘দাগি’ পুলিশ কর্তাদের তালিকা (Police Officers List) পাঠানোর নির্দেশ দিল কমিশন।

    সময়সীমা বেঁধে দিল কমিশন

    রিপোর্ট মোতাবেক, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরেই একাধিক এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠে এসেছিল। একাধিক এলাকায় দলীয় কর্মীদের খুন হতে হয়েছিল। এমনকি ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের পরেও ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। তৃণমূলের তরফে বিজেপির দিকে আঙুল যেমন তোলা হয়েছিল, ঠিক তেমনই বিজেপিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিল। এমতাবস্থায় জানা গিয়েছে, সমস্ত হিংসাকবলিত এলাকায় থাকা থানাগুলিতে সেইসময় কারা ওসি ছিলেন তাঁদের তালিকা রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে চাইল নির্বাচন কমিশন। এর জন্য বেঁধে দেওয়া হল সময়সীমা। আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই রিপোর্ট দিতে হবে।

    ডিজিপি, সিপি বদল কমিশনের

    রবিবার রাতেই রাজ্যের ডিজিপি, সিপি বদল করার নির্দেশ পাঠানো হয় নির্বাচন কমিশনের তরফে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পীযুস পাণ্ডের পরিবর্তে রাজ্যের নতুন ডিজি হলেন সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। তিনি ১৯৯২ ব্যাচের আইপিএস। অন্যদিকে সিপি হলেন অজয় নন্দ, তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ছিলেন এবং এডিজি আইন শৃঙ্খাল হলেন অজয় রানাডে, তিনি ১৯৯৫ ব্যাচের আইপিএস। কারা দফতরের ডিজি হয়েছেন এন রমেশ বাবু। উল্লেখ্য, ভোট পর্বে কখনও কারা প্রশাসন, কারা দফতর বদল করতে পদক্ষেপ করেনি নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এবার সেই পদক্ষেপ নিল কমিশন। অনুমান করা হচ্ছে বেশ কয়েকদিন ধরে অভিযোগ উঠে এসেছে যে ভোট এলেই নাকি জেল থেকে অনেক অপরাধীকে ছেড়ে দেওয়া হয়, আর তাই সেই কারণে এই উদ্যোগ।

    আরও পড়ুন: নন্দিনী চক্রবর্তীর জায়গায় রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, চিনে নিন এই আমলাকে

    তবে শুধু পুলিশ অধি কর্তাদের অদল বদল নয়, রবিবার রাতে সাড়ে বারোটার পর বদলি করে দেওয়া হল রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে। নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে ১৯৯৩ ব্যাচের আইএএস দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে মুখ্যসচিব নিয়োগ করা হয়েছে। অন্যদিকে জগদীশ প্রসাদ মীনার পরিবর্তে ১৯৯৭ ব্যাচের আইএএস সংঘমিত্রা ঘোষকে স্বরাষ্ট্রসচিব পদে বসানো হচ্ছে। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ নন্দিনী চক্রবর্তী ও জগদীশ প্রসাদ মীনাকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত কোনও পদেও বসানো যাবে না।

  • তৃণমূল ছাড়লেন আরাবুল ইসলাম, কোন দলে যোগ দিচ্ছেন? ভাঙড়ে নতুন সমীকরণ

    তৃণমূল ছাড়লেন আরাবুল ইসলাম, কোন দলে যোগ দিচ্ছেন? ভাঙড়ে নতুন সমীকরণ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল অর্থাৎ রবিবার নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গে দুদফায় ভোটের দিন ঘোষণা করেছে। আগামী ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল রাজ্যে ভোট গ্রহণ হবে। এদিকে সেই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন ভাঙড়ের পরিচিত নেতা আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam Quits Trinamool Congress)। প্রশ্ন উঠছে এবার কি তবে ISF-এ যোগ দেবেন তৃণমূলের এই দাপুটে নেতা।

    কী বলছেন আরাবুল ইসলাম?

    আজ, সোমবার সকালে হুগলির ফুরফুরা শরিফের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে আরাবুল ইসলাম বলেন, “সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় থেকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থেকেছি। যে দলের জন্য এত কিছু করেছি, সেই দল আমাকে চিনতে পারল না। পাঁচবার জেলে গিয়েছি। তিন বার দল থেকে সাসপেন্ড হয়েছি। কোনো মর্ম বুঝল না, তাই দুঃখে তৃণমূল ছাড়ছি।” আরাবুলের দলত্যাগের পরেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে এবার তিনি কোন দলে যোগ দেবেন। অনেকেই জানাচ্ছেন, আরাবুল ISF-এ যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। তবে, এখনও আরাবুল কোনও মন্তব্য করেননি।

    ভাঙড়ে তৃণমূলে বড়সড় ক্ষতি

    দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লার সঙ্গে আরাবুল ইসলামের সম্পর্ক নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে টানাপড়েন চলছিল। দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে একাধিকবার তাঁকে সাময়িক বরখাস্তও করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে দলের বিভিন্ন কর্মসূচি থেকেও তাঁকে দূরে থাকতে দেখা গিয়েছে। ফলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভাঙড় তৃণমূলের বড়সড় ক্ষতি হতে পারে। অনুগামীরা জানান যদি দলবদল করেন, তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোট তহবিলে ধস নামতে পারে।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়? সমাজমাধ্যমে ছড়াল জল্পনা

    প্রসঙ্গত, আরাবুল ইসলামকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন কিছু নয়। ২০২৪ সালে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের এক কর্মীকে খুনের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ। সেখানে প্রায় সাত মাস কারাবন্দি থাকার পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এখানেই শেষ নয়, এরপর তৃণমূলের আরেক নেতা শওকত মোল্লার সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। এমনকি আরাবুলের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে শওকতের বিরুদ্ধে। তখন খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন আরাবুল। এখন দেখার তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান কোন দিকে মোড় নেয়।

  • বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়? সমাজমাধ্যমে ছড়াল জল্পনা

    বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়? সমাজমাধ্যমে ছড়াল জল্পনা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনের মাসেই বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election)। তবে তার আগে রাজ্যের শাসকদল থেকে শুরু করে বিরোধীদল একের পর এক চমক দিচ্ছে। অনেক পরিচিত মুখ এবার রাজনীতির ময়দানে নিজের নাম লেখাচ্ছেন। এমনকি সম্প্রতি কোয়েল মল্লিকও তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন। তবে এবার গুজব ছড়ালো প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে (Prosenjit Chatterjee) নিয়ে। ভোটের মুখে বিজেপিতে যোগদান করছেন বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক? সম্প্রতি প্রসেনজিৎ এর ছেলে তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের একটি পোস্টকে ঘিরেই এরকম জল্পনা ছড়িয়েছে।

    বিজেপিতে যোগদান করছেন প্রসেনজিৎ?

    আসলে রবিবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে বাবাকে নিয়ে একটি ফটো পোস্ট করেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। আর সেই ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল “জয় শ্রীরাম”। ভোটমুখী বাংলায় এরকম ছবি আর ক্যাপশন দেখেই গেরুয়া শিবিরের মধ্যে জল্পনা ওঠে যে প্রসেনজিৎ হয়তো এবার বিজেপিতে যোগদান করছেন! আদৌ কি এই দাবির কোনও সত্যতা আছে? সত্যিই কি এবার পদ্ম শিবিরে নিজের নাম লেখাবেন নায়ক?

    আপনাদের জানিয়ে রাখি, তৃষাণজিৎ এর ওই পোস্টে যে ছবি দেখা গিয়েছে সেটা নতুন কোনও ফটো নয়য়, বরং গত ফেব্রুয়ারি মাসের। সেই সময় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছিলেন। আর তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতেই নায়কের বালিগঞ্জের বাসভবনে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সেই সময়ের তোলা ওই ছবিটিতে তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে বাবা এবং বিজেপি নেতার মধ্যে দেখা যায়। আর সেই ছবি গতকাল পোস্ট করে জল্পনা বাড়িয়ে দেন তৃষাণজিৎ। সমাজমাধ্যমে তো হইহুল্লোর পড়ে যায় যে, ভোটের আগেই তাহলে তারকা নায়ক বিজেপিতে যোগদান করছেন!

    আরও পড়ুন: শিয়ালদার তিন রুটে EMU পরিষেবা সম্প্রসারণ, যাত্রীদের স্বার্থে বড় উদ্যোগ রেলের

    যদিও এ বিষয়ে তৃষাণজিৎ বা প্রসেনজিৎ এর তরফ থেকে কোনও রকম বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি। আর প্রসেনজিৎ এর বিজেপিতে যোগদান করার কোনও সত্যতাও আমাদের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়নি। কারণ, গত ফেব্রুয়ারি মাসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার নিজেই জানিয়েছিলেন যে, “প্রসেনজিৎদার বাড়িতে আসার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সংযোগ নেই। আর সব বিষয়ে রাজনীতি ঢোকাতেও নেই। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্যই আমরা এখানে এসেছি।” মোদ্দা কথা, প্রসেনজিৎ বিজেপিতে যোগদান করছেন, এই দাবি সম্পূর্ণ গুজব। এখন আগামীদিন নায়ক এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেন কিনা সেটা তাঁর উপরেই নির্ভর করছে।

  • শিয়ালদার তিন রুটে EMU পরিষেবা সম্প্রসারণ, যাত্রীদের স্বার্থে বড় উদ্যোগ রেলের

    শিয়ালদার তিন রুটে EMU পরিষেবা সম্প্রসারণ, যাত্রীদের স্বার্থে বড় উদ্যোগ রেলের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শিয়ালদহ (Sealdah) ডিভিশনের যাত্রীদের বিরাট সুখবর দিল ভারতীয় রেল (Indian Railways)। জানা যাচ্ছে, শিয়ালদহ-বনগাঁ, শিয়ালদহ-ক্যানিং এবং শিয়ালদহ-ডায়মন্ড হারবার রুটে EMU লোকাল পরিষেবা সম্প্রসারণ করল রেল। এর দৌলতে এবার থেকে আর যাত্রীদের মাঝপথে নেমে দ্বিতীয় ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। এক কথায়, বিভিন্ন লোকালগুলির গন্তব্য বাড়াচ্ছে রেল।

    কষ্ট কমবে যাত্রীদের

    রেল সূত্রে খবর, যাত্রীদের সমস্যা কিছুটা কমাতে আগামী 23 মার্চ থেকে 23 মে পর্যন্ত শিয়ালদহ শাখার বনগাঁ, ক্যানিং এবং ডায়মন্ড হারবার রুটে EMU পরিষেবা দীর্ঘায়িত করছে রেল। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ভারতীয় রেলের এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য মিড জার্নি ইন্টারঅ্যাপশনস বা যাত্রার মাঝপথে ট্রেন থেকে নেমে যাওয়ার সমস্যা কমানো। অর্থাৎ এবার থেকে ট্রেনগুলি তাদের চূড়ান্ত টার্মিনাল পর্যন্ত চলবে। এর ফলে শিয়ালদহ শাখার লাখ লাখ যাত্রী নিরাপদে এবং কোনও রকম দুশ্চিন্তা ছাড়াই নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন।

    জানা যাচ্ছে, বনগাঁ শাখায় যাত্রীদের সমস্যা কমাতে দত্তপুকুর এবং গোবরডাঙ্গা লোকালের গন্তব্য পথ সম্প্রসারণ করছে রেল। রেল সূত্রে, ট্রেন নম্বর 33617 শিয়ালদহ-দত্তপুকুর লোকাল এবার থেকে দত্তপুকুর পর্যন্ত যাওয়ার বদলে সরাসরি বনগাঁ পর্যন্ত চলবে। পরবর্তীতে সেই ট্রেন আবার বনগাঁ থেকে শিয়ালদহ পৌঁছবে। এছাড়াও রাতের ট্রেন 33685 শিয়ালদহ-গোবরডাঙ্গা এবং 33271 দমদম-গোবরডাঙ্গা লোকাল এবার থেকে সরাসরি বনগাঁ স্টেশনে পৌঁছবে। পরবর্তীতে সেখান থেকেই ছেড়ে নিজ গন্তব্যে পৌঁছবে ট্রেন দুটি।

    অবশ্যই পড়ুন: ইডেনে বাড়ল IPL টিকিটের দাম, KKR র ম্যাচ দেখতে কোন ব্লকে কত খরচ?

    এদিকে ক্যানিং এবং ডায়মন্ড হারবার শাখায় যাত্রীদের দুশ্চিন্তা কমাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। ক্যানিং রুটে ট্রেন নম্বর 34392 এবং 30552 চাম্পাহাটি এবং ঘুটিয়ারি যাওয়ার বদলে একেবারে ক্যানিং পর্যন্ত চলবে। পরবর্তীতে সেই ট্রেন আবার ক্যানিং থেকে ছেড়ে নিজ গন্তব্যে পৌঁছবে। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবারের যাত্রীদের জন্য ট্রেন নম্বর 34898 শিয়ালদহ-মগরাহাট এর দূরত্ব বাড়িয়ে ট্রেনটিকে ডায়মন্ড হারবার পর্যন্ত চালানো হবে। সেই ট্রেন আবার ডায়মন্ড হারবার থেকে ছেড়ে নিজে গন্তব্য শিয়ালদহ পৌঁছবে। অনেকেই মনে করছেন, রেলের এই উদ্যোগে উপকৃত হবেন নিত্যযাত্রীরা।

  • ভারত থেকে আরও ৪৫ হাজার টন ডিজেল কিনবে বাংলাদেশ

    ভারত থেকে আরও ৪৫ হাজার টন ডিজেল কিনবে বাংলাদেশ

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সেই প্রতিবেশী দেশই ভরসা। সংকটের মুখে আবারো ভারত থেকে ডিজেল আমদানি করবে বাংলাদেশ (Bangladesh Import Diesel)। ইতিমধ্যেই ৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে পাঠিয়েছে ভারত (India-Bangladesh Trade)। আর এবার আরও ৪৫ হাজার টন ডিজেল আমদানি করার পথে ওপার বাংলা সরকার। সম্প্রতি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার মোহম্মদ মুরশিদ হোসেন আজাদ ফোনে সংবাদমাধ্যম এএনআইকে নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। তাহলে আবারও উন্নত হচ্ছে দুই দেশের সম্পর্ক?

    বাংলাদেশে ফের ৪৫ হাজার টন ডিজেল আমদানি

    ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী ১৮ বা ১৯ মার্চের মধ্যে ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে যাবে এবং আরও অতিরিক্ত ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব রয়েছে। অর্থাৎ সবমিলিয়ে মোট ৪৫ হাজার টন ডিজেল নেবে বাংলাদেশ। তবে তার জন্য কিছু প্রক্রিয়াগত কাজ রয়েছে। সেগুলো সম্পন্ন হলেই এই বিপুল পরিমাণ তেল এপ্রিল মাসের মধ্যে ওপার বাংলায় পৌঁছবে। এক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি, দুই দেশের মধ্যে ডিজেল সরবরাহ উন্নত করার জন্য ২০২৩ সালের মার্চ মাসে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইন উদ্বোধন করা হয়েছিল। আর সেই চুক্তির মাধ্যমেই এই ডিজেল সরবরাহ করা হয়।

    জানা যায়, ওপার বাংলার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, এবং ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকেই বাংলাদেশের পার্বতীপুর ডিপোতে নিয়মিত পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি করা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার পতনের পর এই চুক্তিতে ভাটা পড়ে। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে ডিজেল আমদানি নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল। তারপরে দীর্ঘদিন ধরেই দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকে। কিন্তু নির্বাচনের পর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার পরেই গত কয়েকদিনে পাইপলাইনের মাধ্যমে আবারো ৫ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে এবং আরও ৪৫ হাজার টন আমদানি হবে।

    আরও পড়ুন: মমতার ধরনা মঞ্চে ‘ভুয়ো সাধু’? ‘আমাদের কেউ না’ রামকৃষ্ণ মিশনের বিজ্ঞপ্তিতে নতুন বিতর্ক

    বলাই বাহুল্য, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের কারণে মোটরসাইকেল থেকে শুরু করে অন্যান্য যানবাহনের জ্বালানি ভরার জন্য দিনের পর দিন পেট্রোল পাম্পে ভিড় জমাচ্ছে সাধারণ মানুষ। সেই বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকার সম্প্রতি জ্বালানি বিক্রির উপর রেশনিং সিস্টেমও আরোপ করেছিল। তবে এখন সরকার সেই বিধিনিষেধ তুলে দিয়েছে। আর যেহেতু সামনেই ঈদ, তাই বাংলাদেশের সবথেকে বড় উৎসবকে কেন্দ্র করে শহর থেকে গ্রাম সব জায়গায় জ্বালানি বিক্রি আরও বাড়বে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। এমনকি কর্মকর্তারা বলছেন যে, দেশে এখনো পর্যন্ত পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ রয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। কিন্তু ঈদের সময় যাতে কোনও রকম সমস্যা না হয়, তার জন্যই তারেক রহমান সরকার ভারত থেকে আরও ৪৫ হাজার টন ডিজেল আমদানির পথে।