Blog

  • অভিষেক শর্মা নয়, SRH-র অধিনায়ক হতে পারেন বিশ্বকাপজয়ী এই ভারতীয় তারকা

    অভিষেক শর্মা নয়, SRH-র অধিনায়ক হতে পারেন বিশ্বকাপজয়ী এই ভারতীয় তারকা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (Indian Premier League) শুরুর আগে চিন্তায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদও (Sunrisers Hyderabad)। এবারে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই গতবারের চ্যাম্পিয়ন RCB র মুখোমুখি হতে হবে তাদের। আর সেই ম্যাচের আগেই অনিশ্চিত অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। এর আগে চোটের জন্য গোটা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে গিয়েছিলেন তিনি। এবার শোনা যাচ্ছে, চোট সমস্যার কারণেই হয়তো এই অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারকে গোটা সিজনে পাবে না SRH। মূলত সে কারণেই হায়দরাবাদকে নেতৃত্ব দেওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী দুই ভারতীয় ক্রিকেটার।

    SRH কে নেতৃত্ব দিতে পারেন এই ভারতীয় ক্রিকেটার

    সূত্রের যা খবর, চোটজনিত সমস্যা কাটিয়ে পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে এখনও বেশ খানিকটা সময় প্রয়োজন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার প্যাটের। এদিকে ঘাড়ের কাছে নিশ্বাস ফেলছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। ফলে সমস্যা এড়াতে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের দুই সদস্যর উপর বিশেষ নজর রয়েছে হায়দরাবাদ ম্যানেজমেন্টের।

    শোনা যাচ্ছে, ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ইশান কিষাণ ও অভিষেক শর্মাকে নজরে রেখেছে SRH। যদিও এই দুই প্লেয়ারের মধ্যে হায়দরাবাদের অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে কিছুটা হলেও এগিয়ে রয়েছেন ইশান। এর সবচেয়ে বড় কারণ, সম্প্রতি শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন তিনি। 9 ম্যাচে অংশ নিয়ে করেছেন 317 রান। তাছাড়াও ফাইনালে হাফ সেঞ্চুরি এসেছে ইশানের ব্যাট থেকে। অন্যদিকে অভিষেক শর্মা এবারের বিশ্বকাপে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেননি। নিজের পুরনো ফর্মে টিকে থাকতে পারেননি। মূলত সে কারণেই ইশানকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে SRH ম্যানেজমেন্ট।

    অবশ্যই পড়ুন: “বাঙালী সমাজে জন স্টুয়ার্ট মিলের বলা পাল-পাল সুখী শুয়োর তৈরী হচ্ছে” : আবার বিস্ফোরক লেখক নীলোৎপল রায়

    উল্লেখ্য, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে আজ পর্যন্ত 119টি ম্যাচ খেলে 2998 রান করেছেন ইশান। 137.64 স্ট্রাইক রেট রয়েছে তাঁর। এখানেই শেষ নয়, IPL এ একটি শতরান এবং 17টি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। গত বছর হায়দরাবাদের জার্সি গায়েই একক এবং অদ্বিতীয় শতরানটি করেছিলেন তিনি। তাছাড়া উইকেট কিপার হিসেবেও যথেষ্ট সাবলীল এই প্লেয়ার। এই ভূমিকায় 59টি ক্যাচ এবং পাঁচটি স্ট্যাম্প করেছেন তিনি। অনেকেই আশা করছেন, এবছরের IPL এ একেবারে জ্বলে উঠবেন এই ক্রিকেটার।

  • এই কারণেই ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী! ফাঁস মেগা প্ল্যান

    এই কারণেই ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী! ফাঁস মেগা প্ল্যান

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আরও একটা বিধানসভা ভোটের (Bengal Election 2026) ঘোষণা হয়ে গেল। ভোট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সামনে এসেছে বিজেপি ও বামেদের প্রার্থী তালিকাও। তবে তালিকা প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখ আটকে গিয়েছে নাম এবং কেন্দ্রের দিকে। সেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary)। প্রত্যাশা মতো নন্দীগ্রামে তাঁকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। কিন্তু আসল চমক তো বাকি রয়েছে, আর সেটা হল, স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হটস্পট বা বলা ভালো বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরেও শুভেন্দুকেই প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। অর্থাৎ ২৬-এ বিজেপির নয়া স্ট্র্যাটেজি। আর এই রণনীতি স্বাভাবিকভাবেই অবাক করেছে সকলকে। অবশ্য অনেকে বলতে শুরু করেছেন, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) হারাতে পারে একজনই, আর সেটা হল তৃণমূলের ভাষায় ‘গদ্দার’ শুভেন্দু অধিকারী।

    প্রশ্ন উঠছে, শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কাউকে রিস্ক নিতে পারছে না বিজেপি? অবশ্য বিজেপির প্রার্থী তালিকা দেখে সেটাই মনে হচ্ছে। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের ফলাফল কারোর অজানা  নয়। সকলকে চমকে দিয়ে হুইলচেয়ারে থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে নন্দীগ্রাম দখল করেন শুভেন্দু। সেক্ষেত্রে হয়তো এবার ২৬-এর ভোটে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও শুভেন্দুকে প্রার্থী করে মানুষের মন ও বিশ্বাস বাজিয়ে দেখতে চাইছে বিজেপি বলে মনে করছে বিশিষ্ট মহল।

    যদিও নন্দীগ্রামে ২১-এর বিধানসভা ভোটের ফলাফলে কারচুপি ছিল বলে জানিয়েছিলেন একদা বিজেপি নেতা এবং পরবর্তীকালে তৃণমূল নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ঘাসফুলে যোগ দিয়ে জানিয়েছিলেন কীভাবে শুভেন্দু অধিকারী সেখানে ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বৈরথ দেখেছিল গোটা পশ্চিমবঙ্গ। পা ভেঙে হুইলচেয়ারে বসেও নন্দীগ্রাম জিততে ব্যর্থ হন মমতা। ভোটগণনায় নাটকীয় সব ঘটনার পর শেষ পর্যন্ত ১,৯৫৬ ভোটে জয়ী হন বিজেপির শুভেন্দু।

    আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    এখনও অবধি তৃণমূলের কিন্তু প্রার্থী তালিকা প্রকাশ পায়নি। আজ ১৭ মার্চ তালিকা প্রকাশ করতে পারে ঘাসফুল শিবির বলে খবর। সেখানে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই বিজেপির তরফে ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীকে দাঁড় করানোকে অনেকে মোক্ষম চাল বলছেন তো আবার অনেকে বোকামিও বলতে শুরু করেছেন। বোকামি কেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদৌ ভবানীপুর থেকে ভোটে দাঁড়াবেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছেন। শুরু হয়েছে নানান জল্পনা কল্পনা।

    এই কারণেই ভবানীপুরে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী!

    এখন আরও একটা প্রশ্ন বারবার উঠছে, শুভেন্দুর ইচ্ছে ছিল নাকি দলের ইচ্ছে ছিল তাঁকে ভবানীপুরে ভোটে দাঁড় করানোর? সূত্রের খবর, বিজেপি যথা সম্ভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের কেন্দ্র ব্যস্ত রাখার জন্য পরিকল্পনা করেছে। এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না তৃণমূলের ভোট মানেই হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দেওয়া। মানুষ দল নয়, তাঁকে দেখেই ভোট দেন, সেটা অনেক নেতা সাংসদও স্বীকার করেছে। অনেকে এও বলছেন, নন্দীগ্রামে যেহেতু শুভেন্দু ‘ভূমিপুত্র’ তাই কিছুটা হলেও হালে পানি পেয়ে মমতাকে হারাতে পেরেছিলেন। কিন্তু ভবানীপুর হল মমতার নিজের জায়গা। যাকে বলে তিনি হলেন সেখানকার ‘ঘরের মেয়ে’। সেক্ষেত্রে শুভেন্দু কতটা কী করতে পারবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যাইহোক, মানুষ এখন মুখিয়ে থাকবেন ‘ভূমিপুত্র’ বনাম ‘ঘরের মেয়ে’র লড়াই কেমন হয় তা জানা ও দেখার জন্য।

     

  • তৃণমূলে যোগ দিলেন বাংলার তারকা ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, প্রার্থী হবেন এই কেন্দ্রের!

    তৃণমূলে যোগ দিলেন বাংলার তারকা ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, প্রার্থী হবেন এই কেন্দ্রের!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সোমবারই বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) প্রাক্কালে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বামফ্রন্ট এবং বিজেপি। দুই দলের তরফেই শাসক দলের (Trinamool Congress) উপর কার্যত চাপ সৃষ্টি করেই প্রকাশ করা হয়েছে প্রার্থীদের তালিকা। সেই তালিকায় ডানা ছাটা হয়েছে বহু দলবদলুর। এখন অপেক্ষা শাসকদল অর্থাৎ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের। এরই মাঝে বড় চমক দিয়ে দিল TMC। সূত্রের খবর, বঙ্গ ক্রিকেটের এক পরিচিত মুখ তথা তারকা পেসার শিব শংকর পালকে টিকিট দিতে চলেছে তৃণমূল। কেননা, ইতিমধ্যেই শাসক শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি।

    তুফানগঞ্জ থেকে দাঁড়াতে পারেন বাংলার পেসার

    একাধিক সূত্র মারফত খবর, বাংলা দলের হয়ে দীর্ঘদিন মাঠ কাঁপানো পেসার শিবশংকরের সাথে আগেই কথাবার্তা পাকা হয়ে গিয়েছিল তৃণমূল নেতৃত্বর। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবারই পাকাপাকি ভাবে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল বাংলার এই ক্রিকেটার। শেষ পর্যন্ত সেটাই হল। প্রত্যাশমতোই তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রাক্তন বাঙালি ক্রিকেটার। কাজেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের এই চাল যে বড় চমক তা বলাই যায়।

    আজই নির্বাচনের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে তৃণমূল। তার আগে পাকাপাকিভাবে বাংলার পেসার শিবশংকর ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেওয়ায় তাঁকে জন্মভূমি তুফানগঞ্জ থেকে দাঁড় করানো হতে পারে। আর সেটা হলে তাঁকে লড়তে হবে বিজেপির মালতি সাভা রায়ের বিরুদ্ধে। তুফানগঞ্জ আসন থেকে তাঁকেই টিকিট দিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    অবশ্যই পড়ুন: হর্ষিত রানার বিকল্প খুঁজছে না KKR, কারণ জানলে অবাক হতে বাধ্য!

    উল্লেখ্য, ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর পর বোলিং কোচ হিসেবে নতুন ইনিংস শুরু করেন বাংলার পেসার তথা বাঙালি ক্রিকেটার শিবশংকর। এই মুহূর্তে বাংলা দলের বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। সবচেয়ে বড় কথা সম্প্রতি শেষ হওয়া রঞ্জি ট্রফিতে তাঁর কোচিয়েই মাঠ কাঁপানো পারফরমেন্স দেখিয়েছেন মহম্মদ শামিরা। যদিও ক্রিকেট কেরিয়ারে মধুর স্মৃতি রয়েছে প্রাক্তন প্লেয়ারের।

  • ‘দু’বছরের আগে হাত দেওয়া যাবে না DA-র টাকায়!’ মহার্ঘ ভাতার এ কেমন নিয়ম?

    ‘দু’বছরের আগে হাত দেওয়া যাবে না DA-র টাকায়!’ মহার্ঘ ভাতার এ কেমন নিয়ম?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Bengal DA) নিয়ে অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে গিয়েছে। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের এক বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, নবান্ন রাজ্য কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার (Dearness allowance) বকেয়া একাধিক ধাপে পরিশোধ করবে। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের এই বকেয়ার কথা রবিবার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সরকার জানিয়েছে মার ৪৮ মাসের বকেয়া আগে শোধ করা হবে। তারপরে বাকিটা কবে কী শোধ করা হবে তা পরে জানাবে সরকার। এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কে টাকা পাবে এবং কবে থেকে পাবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    ৪৮ মাসের টাকা দেবে সরকার

    সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তিতে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া গণনা করা হবে। এই অর্থ দুটি কিস্তিতে প্রদান করা হবে প্রথমটি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয়টি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটি কর্তৃক মোট বকেয়ার চূড়ান্ত নির্ধারণের ওপর এই অর্থপ্রদান নির্ভরশীল থাকবে।

    এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৫ সময়কালের জন্য কী কী করা হবে তা পরবর্তীতে জানানো হবে। কর্মকর্তারা আরও জানান, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। যদিও এই টাকা নিয়ে অনেকেই নানা কথা বলছেন। কেউ বলছেন ডিএ-র টাকা যদি জিপিএফ অ্যাকাউন্টেই জমা হবে, তাহলে সেই তো একই বিষয় দাঁড়াল। এই টাকা আবার ২ বছরের আগে তোলা যাবে না।

    সরকারি কর্মী, পেনশন প্রাপকদের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি সরকারের

    সরকার বর্তমানে কর্মরত কর্মী, পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ সংক্রান্ত পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সরকার ৪৮ মাসের বকেয়া টাকাটি রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী, স্কুল ও কলেজের শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও পেনশনভোগী, পৌরসভা ও পঞ্চায়েতের মতো স্থানীয় সংস্থাগুলিতে কর্মরত কর্মচারীদের প্রদান করবে। রাজ্য সরকারের প্রাক্তন রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগীদের প্রাথমিকভাবে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে। টাকা দেওয়া হবে দুটি সমান কিস্তিতে। প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে মার্চে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ঢুকবে সেপ্টেম্বরে। যাঁরা বর্তমানে পেনশনভোগী, তাঁদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি নগদ টাকা ঢুকবে।

    আরও পড়ুনঃ বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    আসলে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর একটি অপরিহার্য অংশ হলো মহার্ঘ ভাতা। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সাথে কর্মীদের মানিয়ে নিতে সাহায্য করার জন্যই এটি চালু করা হয়েছে। অন্যদিকে পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি অবসরের পর তাদের ক্রয়ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ডিএ প্রদানে দেরি হওয়া সকলের বাজেটকে অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবিত করে।

     

  • হর্ষিত রানার বিকল্প খুঁজছে না KKR, কারণ জানলে অবাক হতে বাধ্য!

    হর্ষিত রানার বিকল্প খুঁজছে না KKR, কারণ জানলে অবাক হতে বাধ্য!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: এ বছর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (Indian Premier League) শুরু হচ্ছে আগামী 28 মার্চ থেকে। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে গতবারের চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এই ম্যাচের পরের দিন অর্থাৎ 29 তারিখ ম্যাচ রয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের। আর তার আগেই IPL থেকেই ছিটকে গিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ পেসার হর্ষিত রানা (Harshit Rana)। যা শাহরুখ খানের দলকে বড় ধাক্কা দেবে সে কথা বলাই যায়। যদিও এর মাঝে শোনা যাচ্ছিল, রানার বিকল্প হিসেবে একজন ভারতীয় বোলারের উপর নজর রেখেছে KKR। তবে এখন শোনা যাচ্ছে, ভারতীয় তারকার কোনও বিকল্প খুঁজছে না নাইট ম্যানেজমেন্ট।

    হর্ষিত রানার বিকল্প খুঁজছে না KKR!

    ক্রিকবাজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার তথা নাইট তারকা রানার বিকল্প হিসেবে কোনও প্লেয়ারকেই খুঁজছে না কলকাতা নাইট রাইডার্স। এর নেপথ্যে যুক্তি হিসেবে বলা হচ্ছে, কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে এই মুহূর্তে পর্যাপ্ত ফাস্ট বোলিং বিকল্প রয়েছে। তাছাড়াও রানার যোগ্য বিকল্প হিসেবে এই মুহূর্তে কোনও ভারতীয় বোলারকে পাওয়া যাবে না।

    বলাই বাহুল্য, নাইট শিবিরে রয়েছেন বৈভব আরোরা, উমরান মালিক, কার্তিক ত্যাগী এবং আকাশদীপের মতো বোলার। কাজেই রানা না থাকায় এ বছর KKR এর জার্সি গায়ে তাঁদের ক্ষমতা প্রদর্শন করতে হবে। ক্রিকেট মহলের অনেকেই বলছেন, দলের কঠিন সময়ে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ পাবেন এই ভারতীয় বোলাররা। KKR সূত্রে খবর, সবচেয়ে বড় চিন্তার জায়গা ছিল মুস্তাফিজুর রহমানের শূন্যস্থান। যা ইতিমধ্যেই পূরণ করে নেওয়া হয়েছে। জিম্বাবুয়ের পেসার ব্লেসিং মুজারাবানিকে নিয়ে একেবারে আশায় বুক বাঁধছে শাহরুখ খানের দল।

    অবশ্যই পড়ুন: ২০ না ২১ মার্চ, বাংলা সহ রাজ্যগুলিতে ঈদে কবে বন্ধ থাকবে স্কুল?

    তাছাড়াও এবারের নিলাম থেকে শ্রীলঙ্কার গুরুত্বপূর্ণ বোলার মাথিশা পাথিরানাকে 18 কোটি টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এই মুহূর্তে তিনি চোট সমস্যায় ভুগলেও অনেকেরই আশা, এ বছর অন্তত কিছু ম্যাচে KKR কে সঙ্গ দিতে পারেন তিনি। মূলত এইসব কারণে অর্থাৎ নাইট শিবিরে ফার্স্ট বোলারের যথেষ্ট বিকল্প থাকায় রানার বদলি খুঁজছে না KKR।

  • নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুদফায় রাজ্যে হতে চলেছে ভোট। আর এই ভোটের আবহে ইতিমধ্যেই বাম এবং বিজেপি শিবির প্রকাশ্যে এনেছে বিধানসভা কেন্দ্রগুলোতে প্রার্থীদের তালিকা। এমতাবস্থায় চর্চায় উঠে এসেছে নন্দীগ্রাম (Nandigram), সোমবার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর দেখা গেল, ভবানীপুরের পর শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সেখান থেকেও বিজেপির হয়ে দাঁড়াতে চলেছেন। আর সেখানেই প্রশ্ন উঠছে তাহলে প্রতিপক্ষ হয়ে কে উঠে আসছে? জল্পনায় উঠে এল বিশেষ নাম।

    নন্দীগ্রামে বিজেপির হয়ে দাঁড়াবেন শুভেন্দু

    ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সংখ্যা জাহির করে প্রায়ই নিজের শ্লাঘার কথা বলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবারেও শুভেন্দু দাবি করেছেন যে ২০২১-এ তাঁর কাছে নন্দীগ্রামে যেভাবে হারতে হয়েছিল মমতাকে, ভবানীপুরে তার পুনরাবৃত্তি হবে। আবার হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের আসন খড়্গপুর সদর থেকে দিলীপ ঘোষ টিকিট পেলেন। অন্যদিকে অভিনেতা-রাজনীতিবিদ রুদ্রনীল ঘোষকে শিবপুর থেকে প্রার্থী করল বিজেপি। কিন্তু এবার প্রশ্ন উঠছে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের তরফে কে দাঁড়াবে। আর তাতেই শোনা যাচ্ছে প্রদীপ করের নাম।

    কে হবে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ?

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ, মঙ্গলবার ২৯৪টি বিধানসভার আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে তৃণমূল। তখনই দেখা যাবে কোন কেন্দ্রে কাকে বসাতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাজনীতি বিশ্লেষকদের ধারণা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খোদ দাঁড়াবেন নয়তো এমন একজনকে দাঁড় করাবেন যে বিজেপিকে বড় আঘাত করতে পারে। এদিকে এসবের মাঝে আজ তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন নন্দীগ্রাম দুই ব্লকের বিজেপি নেতা পবিত্র কর। যে কিনা শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁকেও হয়ত এবার শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ হিসেবে নন্দীগ্রামে দাঁড় করানো হতে পারে।

    আরও পড়ুন: ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটে! প্রকাশ্যে গঙ্গাসাগর সেতুর প্রথম নকশা, শুরু নির্মাণ কাজ

    আসলে কিছুদিন আগেই আইপ্যাকের সঙ্গে পবিত্র করের গোপন বৈঠকে বোঝা গেছিল এবার দলবদলের পালা তাঁর। যদিও কোনও পক্ষই অবশ্য এই বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি। নন্দীগ্রাম বিধানসভা দু’টি ব্লক নিয়ে গঠিত, তার মধ্যে নন্দীগ্রাম ২ ব্লকেই বিজেপি এগিয়ে। আর সেই ব্লকেরই বাসিন্দা পবিত্র কর। এলাকায় তাঁর যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে। মুখে মৃদু হাসি নিয়ে কাজ করে যান সকলের জন্য। বেশি প্রচারে থাকেন না কোনওদিনই। সেই জন্য কেউ কেউ তাঁকে, নন্দীগ্রাম দুই ব্লকের ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলে। এবার দেখার পালা কাকে কোন কোন কেন্দ্রে দাঁড় করায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Bengal DA Issue) বা মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে সরকার জারি করেছে নয়া বিজ্ঞপ্তি। কবে থেকে এবং কত দফায় এই বকেয়া পরিশোধ করা হবে তা বিজ্ঞপ্তি জারি করে সকলের সামনে তুলে ধরেছে রাজ্য অর্থ দফতর। যদিও এতে সরকারের নতুন চালাকি দেখছেন সরকারি কর্মীরা। এই ইস্যুতে বড় তথ্য দিয়েছেন কনফেডারেশন অব স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    DA নিয়ে সরকারের নতুন চালাকি?

    তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘ডিএ নোটিফিকেশন প্রেক্ষিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার এপ্রিল ২০০৮ – ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত DA/DR বকেয়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সরকার প্রথম ধাপে জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ সময়ের বকেয়া দেওয়া হবে। এবং এই টাকা দুটি সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে –১ম কিস্তি মার্চ ২০২৬ এবং ২য় কিস্তি সেপ্টেম্বর ২০২৬। বলা হয়েছে গ্রুপ A, B, C কর্মচারীদের টাকা GPF account-এ জমা করা হবে। তবে Group D কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। চালাকি এখানে বলা হয়েছে, ২০০৮–২০১৫ সময়ের DA বকেয়া দেওয়ার নিয়ম পরে জানানো হবে। যা সর্বোচ্চ আদালতের পরিপন্থি। আমরা, সরকার যে আদালতের নির্দেশের মান্যতা দেয়নি তা আবারও সর্বোচ্চ আদালতে তুলে ধরবো।’

    আরও পড়ুনঃ কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    কেউ কেউ বলছেন, দয়া করে ১২.৫% হারে সুদের কথাটা তুলে ধরবেন। এতবছর ধরে টাকা গুলো সরকার খাটিয়ে নিল,তার তো একটা সুদ আছে। সুতরাং সুদসহ ফেরত দিতে হবে। একজন লিখেছেন, ‘এতো বছর পর এত টালবাহানা র পর টাকা GPF এ কেনো নেবো? তাও ২ বছর পর তোলা যাবে. মামার বাড়ি আব্দার স্যালারি অ্যাকান্ট এই দেওয়ার কথা তুলে ধরুন প্লিজ।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট কি আগে ২০১৬ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত আগ দিয়ে পরে ২০০৮ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত পরে দিতে বলেছে? সমস্ত হিসাব করে তার ২৫ শতাংশ দেওয়ার কথা।’

    বিজ্ঞপ্তি জারি সরকারের

    সোমবার রাজ্য অর্থ বিভাগের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সরকার জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত চার বছরের জন্য বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (এআইসিপিআই)-এর ভিত্তিতে বকেয়ার পরিমাণ নির্ভুলভাবে গণনা করা হবে। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই পর্বের বকেয়া দুটি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। প্রথম কিস্তি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রদান করা হবে।

     

  • ২০ না ২১ মার্চ, বাংলা সহ রাজ্যগুলিতে ঈদে কবে বন্ধ থাকবে স্কুল?

    ২০ না ২১ মার্চ, বাংলা সহ রাজ্যগুলিতে ঈদে কবে বন্ধ থাকবে স্কুল?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ঈদ কবে (Eid 2026)? এই নিয়ে এখন সকলের মধ্যে ন্যা ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। অফিস, স্কুল ও কলেজের ছুটি নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২১শে মার্চ ঈদের ছুটি। তবে, ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুসারে, চাঁদ দেখার পর উৎসবের প্রকৃত তারিখ নির্ধারণ করা হয়। যদি ১৯শে মার্চ সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যায়, তাহলে ঈদ ২০শে মার্চ, শুক্রবারেও উদযাপিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে কিছু স্কুল ও কলেজ শুক্রবার বন্ধ থাকতে পারে। ভারতে স্কুল ও কলেজে ঈদের ছুটি কবে? আজকের এই প্রতিবেদনে বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    স্কুল ও কলেজে কবে ঈদের ছুটি থাকবে?

    ভারতের প্রায় সব রাজ্যেই ঈদুল ফিতর উপলক্ষে স্কুল বন্ধ থাকে, তবে তারিখ ভিন্ন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, উত্তর প্রদেশ এবং দিল্লিতে ২১শে মার্চ ছুটি হিসেবে গণ্য করা হয়। অনেক স্কুলেই শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকে, তাই সেখানকার ছাত্রছাত্রীরা একটি অতিরিক্ত ছুটি পেয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলিতে, ঈদের বিশেষ তাৎপর্যের কারণে কখনও কখনও একাধিক দিনের ছুটি দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুনঃ ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটে! প্রকাশ্যে গঙ্গাসাগর সেতুর প্রথম নকশা, শুরু নির্মাণ কাজ

    অপরদিকে তেলেঙ্গানা এবং অন্ধ্র প্রদেশে, বিশেষ করে হায়দ্রাবাদের মতো শহরগুলিতে, মার্চের ২০ এবং ২১ মার্চের কাছাকাছি স্কুল বন্ধ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। কেরালায় প্রায়শই সময়ের আগেই চাঁদ দেখা যায়, তাই ছুটির তারিখ দেশের বাকি অংশের থেকে কিছুটা আলাদা হতে পারে বলে খবর। আসলে ঈদের তারিখ সম্পূর্ণভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে। যদি রমজান ২৯ দিন হয়, তবে ছুটির দিন হবে তার আগের দিন, এবং যদি এটি ৩০ দিনের হয়, তবে ছুটির দিন হবে পরের দিন। বেশিরভাগ স্কুল এবং সরকারি বোর্ড সরকারি ঘোষণা দেওয়ার পরেই ছুটির তারিখ নির্ধারণ করে। মুসলিম এলাকায় ছুটি এক দিনের বেশি হতে পারে।

     

  • মধ্যবিত্তদের মুখে হাসি, কমল সোনা-রুপোর দাম

    মধ্যবিত্তদের মুখে হাসি, কমল সোনা-রুপোর দাম

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সোনা, রুপোর দাম নিয়ে সুখবর। আজ অনেকটাই কমল হলুদ ধাতুর বাজার দর (Gold Price)। অন্যদিকে রুপো নিয়েও সুসংবাদ। কারণ, আজ সাদা ধাতুর দাম অনেকটাই কমেছে। ফলে বিনিয়োগকারী থেকে শুরু করে সাধারণ ক্রেতাদের মুখে যে হাসি ফুটেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে কোন শহরে কততে বিক্রি হচ্ছে সোনা, রুপো (Gold And Silver Price) তা জানতে হলে প্রতিবেদনটি পড়ুন। IBJA Rates-র রিপোর্ট অনুসারে—

    ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনার দাম | Gold Price Today |

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৮,৬৫০ টাকায় (-২০৫০)।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৫,৪০০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌতে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৫,৫৫০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৫,৪৫০ টাকায়।

    ২৪ ক্যারেট পাকা সোনার দাম

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ২৪ ক্যারেট পাকা সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫৬,৪০০ টাকায় (-২১৫০)।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরের ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫৮,৬২০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌতে ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫৮,৭৭০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরের ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫৮,৬৭০ টাকায়।

    ১৮ ক্যারেট সোনার দাম

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,১৮,৯৭০ টাকায়।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা, পুনে ইত্যাদি শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,১৮,৯৭০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌয়ের মতো শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,১৯,১২০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,১৯,০২০ টাকায়।

    আরও পড়ুন: আফগানিস্তানের হাসপাতালে এয়ারস্ট্রাইক পাকিস্তানের, মৃত ৪০০

    আজ রুপোর বাজার দর | Silver Price Today |

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে খুচরো রুপো বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২,৪৯,৮০০ টাকায় (-৯২৫০)।

    ➣ আজ চেন্নাই, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরে প্রতি কেজি রুপো বিক্রি হচ্ছে ২,৮০,০০০ টাকায়।

    ➣ আজ মুম্বাই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, পুনে, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে প্রতি কেজি রুপো বিক্রি হচ্ছে ২,৭৫,০০০ টাকায়।

    বিঃদ্রঃ বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমরা শুধুমাত্র দাম নিয়ে আপডেট দিয়ে থাকি। কাউকে বিনিয়োগ করতে বাধ্য করি না।

  • ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটে! প্রকাশ্যে গঙ্গাসাগর সেতুর প্রথম নকশা, শুরু নির্মাণ কাজ

    ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটে! প্রকাশ্যে গঙ্গাসাগর সেতুর প্রথম নকশা, শুরু নির্মাণ কাজ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: অবশেষে রূপায়ণের পথে গঙ্গাসাগর সেতু (Gangasagar Bridge)! প্রকাশ্যে এল গঙ্গাসাগর সেতুর প্রস্তাবিত নকশা (Gangasagar Setu Design)। চলতি বছর গঙ্গাসাগরে মুড়িগঙ্গার উপর গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জানা গিয়েছে, মুড়িগঙ্গার উপর দীর্ঘ ৪.৭৫ কিলোমিটার এই গঙ্গাসাগর সেতুতে থাকবে মোট ৪টি লেন। উভয়পাশে থাকবে ১.৫ মিটার চওড়া ফুটপাত। নতুন এই লুক ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে এলাকায়। নকশা প্রকাশ্যে আসার পরেই সেতু নির্মাণের প্রস্তুতির কাজ শুরু করল নির্মাণকারী সংস্থা।

    গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণের বীজ পুঁতেছিলেন মমতা

    কাকদ্বীপ থেকে কচুবেড়িয়া যাতায়াতের জন্য একমাত্র ভরসা পথ ছিল মুড়িগঙ্গা নদী। তাই স্বাভাবিকভাবেই স্টিমার, নৌকা এই সবের উপর নির্ভর করেই যাতায়াত করা হত। যেখানে সময় লাগত প্রায় এক ঘণ্টা! কিন্তু বর্ষার সময় কিংবা কোনও কারণে নদীর জল উপচে পড়লে সমস্যায় পড়তে হতো সকলকে। তাই এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই প্রায় ছয় বছর আগে মুড়িগঙ্গার উপর একটি সেতু তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের কাছে বারংবার সেতু তৈরির জন্য আর্থিক সাহায্য চেয়েছিল রাজ্য, কিন্তু মেলেনি কোনো ফল। তাই এবার কেন্দ্রের ভরসায় না থেকে মুখ্যমন্ত্রী নিজ দায়িত্বে বানাতে চলেছে স্বপ্নের গঙ্গাসাগর সেতু। এই সেতু নির্মাণ হয়ে গেলে এই ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটেই অতিক্রম করা যাবে। জানা গিয়েছে, মুড়িগঙ্গা নদীর উপর গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণের প্রস্তুতির কাজ শুরু করে দিয়েছে নির্মাণকারী সংস্থা ‘লারসন অ্যান্ড টুবরো’ সংক্ষেপে এল অ্যান্ড টি।

    সেতুর প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে

    সূত্রের খবর, গত রবিবার সাগরে সেতু সংক্রান্ত একটি বৈঠক ডাকা হয়েছিল, সেখানে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা, এল অ্যান্ড টি’র তিন প্রতিনিধি। তাঁরা সেই বৈঠকেই প্রস্তাবিত সেতুর কারিগরি নকশা দেখান। পাশাপাশি বৈঠকে ব্রিজের দৈর্ঘ্য, স্তম্ভের বিন্যাস এবং স্থায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাও হয়। ওইদিনই প্রশাসনিক কর্তা ও ইঞ্জিনিয়াররা নদী তীরবর্তী এলাকা পরিদর্শন করেন। আপাতত কাকদ্বীপ লট এইটের দিকে প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু করেছে এল অ্যান্ড টি। বৈঠকে সংস্থার পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সেতু নির্মাণের কাজ শেষ হবে।

    আরও পড়ুন: কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    প্রসঙ্গত, সাগরের দিকে কিছু পরিমাণ জমি কিনেছে এল অ্যান্ড টি। এই ব্রিজের জন্য তাদের আরও ১০ বিঘা জমির প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়াও সেতু তৈরির জন্য বড় আকারের যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সামগ্রী দরকার এবং যে সকল কর্মী এখানে দিনরাত কাজ করবে তাঁদের থাকারও বন্দোবস্ত করা হবে। তবে আশা করা যাচ্ছে এই সেতু নির্মাণ হলে সুন্দরবনের সঙ্গে একদিকে যেমন যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে ঠিক তেমনই পর্যটন বিপ্লবে ব্যাপক উন্নতি হবে। গঙ্গাসাগর মেলায় আসা পর্যটকদের যাতায়াতও আরও সহজ হবে।