Blog

  • গম্ভীরের পর টিম ইন্ডিয়ার প্রধান কোচ হচ্ছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি? বড় খবর

    গম্ভীরের পর টিম ইন্ডিয়ার প্রধান কোচ হচ্ছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি? বড় খবর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: 2026 এর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও জিতেছে ভারত (Indian Cricket Team)। এই সাফল্যটা এসেছে প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের হাত ধরেই। এ নিয়ে গম্ভীরের কোচিংয়ে শেষ দুই বছরে তিন তিনটি খেতাব জিতেছে ভারত। ICC চ্যাম্পিয়নস ট্রফি থেকে শুরু করে এশিয়া কাপ এবং টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপটাও জেতাই লক্ষ্য গৌতম বাবুর। কারণ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সাথে 2027 সাল পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে গম্ভীরের। এদিকে 2028 এ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক। কাজেই গম্ভীরের চুক্তির মেয়াদ বাড়তে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত গম্ভীর ভারতীয় দলের কোচের পদ ছাড়লে কে হবেন পরবর্তী কোচ? উঠে আসছে খোদ মহেন্দ্র সিং ধোনির (MS Dhoni) নাম।

    টিম ইন্ডিয়ার পরবর্তী কোচ হচ্ছেন মাহি?

    ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে মহেন্দ্র সিং ধোনিকেই দেখতে চাইছেন বর্তমান প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। সেটাই কলকাতায় এসে এক স্পোর্টস ওয়েবসাইটের কনক্লেভে বুঝিয়ে দিয়েছেন গৌতম গম্ভীর। ওই ইভেন্টে হাজির হয়ে গৌতম গম্ভীর বলেছিলেন, কোচের ভূমিকায় তিনি পরবর্তীতে মহেন্দ্র সিং ধোনিকেই দেখতে চান।

    বলাই বাহুল্য, ভারত নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পরই Instagram এ ভারতীয় দলের একটি ছবি পোস্ট করে ধোনি লিখেছিলেন, “আহমেদাবাদে তৈরি হল ইতিহাস। দল, সাপোর্ট স্টাফ এবং বিশ্বব্যাপী ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রত্যেক ভক্তকে আমার অনেক অভিনন্দন। সকলকে খেলতে দেখে খুব ভাল লাগছে। কোচ সাহেব আপনার মুখে হাসিটা দারুণ মানায়। হাসির সাথে সাথে তীব্রতার এক ঘাতক মিশ্রণ ধরা পড়েছে। খুব ভাল লাগছে। বন্ধুরা উপভোগ করুন।” মাহির সেই পোস্টে কমেন্ট করেছিলেন ভারতীয় দলের প্রধান কোচ গম্ভীরও।

     

    অবশ্যই পড়ুন: আজ পর্যন্ত গড়ায়নি ট্রেনের চাকা, দেশের সেই রাজ্যেই রেলপথ তৈরিতে মিলল বিরাট সাফল্য

    সম্প্রতি সেই ইনস্টা পোস্টের প্রসঙ্গ তুলে গৌতম গম্ভীরকে বলতে শোনা গিয়েছিল, “ধোনি বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখতে এসেছিল। এটা দেখে ভাল লেগেছে। সে আমায় হাসতে বলেছে। এটাও ভাল লাগে। আশা করছি একদিন ধোনি আমার জায়গায় থাকবে এবং আমি ওর জায়গায়। সেদিন আমিও ওর মতো কিছু লিখতে পারবো।। আর ধোনি তখন ডাগআউট থেকে হাসবে।” কোচের এই এক বক্তব্যের পরই অনেকেই ধরে নিয়েছেন, টিম ইন্ডিয়ার পরবর্তী প্রধান কোচ হবেন মাহি। যদিও এ নিয়ে কোনও ইঙ্গিত ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে মেলেনি।

  • রেলে প্রবীণদের ভাড়ায় আবারও দেওয়া হতে পারে ৫০% ছাড়! লোকসভায় উঠল দাবি

    রেলে প্রবীণদের ভাড়ায় আবারও দেওয়া হতে পারে ৫০% ছাড়! লোকসভায় উঠল দাবি

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: প্রবীণ নাগরিকদের জন্য আসতে পারে আবারও সুখবর। দূরপাল্লার ট্রেনে (Indian Railways) তাদের জন্য ৫০ শতাংশ ভাড়ার ছাড় আবারো চালু করার দাবি জোরালো হল (Senior Citizen Ticket Discount)। হ্যাঁ, সোমবার লোকসভায় এই দাবি নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধী দলের একাধিক সাংসদ। বিশেষ করে কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা এই সুবিধা দ্রুত ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছেন। তাহলে কি আবারো ছাড় পাবেন প্রবীণ নাগরিকরা?

    কেন বন্ধ হয়েছিল ছাড়?

    জেনে রাখা ভালো, করোনা মহামারীর সময় অর্থাৎ ২০২০ সালের মার্চ মাসে দেশজুড়ে লকডাউন জারি হয়। সেই সময় রেলের একাধিক পরিষেবার সঙ্গে সঙ্গে প্রবীণ নাগরিকদের ছাড়ের সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর আগে রাজধানী, শতাব্দীসহ বেশ কিছু দূরপাল্লার ট্রেনে প্রবীণ নাগরিকরা এই ৫০% ছাড় পেতেন। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও এখনো পর্যন্ত সেই সুবিধা চালু হয়নি, যা নিয়ে দিনের পর দিন অসন্তোষ বাড়ছে।

    এ বিষয়ে কংগ্রেসের সাংসদ তারেক আনোয়ার বলেছেন, এই ছাড় বন্ধ থাকার কারণে প্রবীণ নাগরিকদের ভ্রমণের আর্থিক চাপ অনেকটাই বেড়েছে। তিনি কেন্দ্রের কাছে জানতে চান যে, কবে থেকে এই সুবিধা আবারো চালু করা হবে। এমনকি তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ জুন মালিয়া একই সুরে দাবি তুলেছেন। তিনি বলেন যে, প্রবীণ নাগরিকদের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত দ্রুত কার্যকর করার প্রয়োজন। এছাড়াও জেডিইউ সাংসদ কৌশলেন্দ্র কুমার এই বিষয়টি উত্থাপন করে কেন্দ্রকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: আজ পর্যন্ত গড়ায়নি ট্রেনের চাকা, দেশের সেই রাজ্যেই রেলপথ তৈরিতে মিলল বিরাট সাফল্য

    উল্লেখ করার বিষয়, ২০২৩ সালে এক সাংসদীয় স্থায়ী কমিটি প্রবীণ নাগরিকদের এই ছাড় চালু করার সুপারিশ দিয়েছিল। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার সে বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। তবে এই আলোচনার মধ্যে কংগ্রেস সাংসদরা রেল স্টেশন আধুনিকীকরণ প্রকল্প নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, প্রতি বছর ১২ হাজার কোটি টাকা করে বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু কাজের গতি অত্যন্ত ধীর। আর অনেক প্রকল্প এখনো পর্যন্ত অসম্পূর্ণ। বিশেষ করে গোমতিনগর রেল স্টেশনের কাজে ধীরগতির কথা উল্লেখ করা হয়। আর এত বিপুল পরিমাণ বরাদ্দ করা সত্ত্বেও প্রবীণ নাগরিকদের জন্য এই ছাড় কেন দেওয়া হচ্ছে না তা নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা।

  • ৭৪ জন বর্তমান বিধায়ককে টিকিট দিল না তৃণমূল, আসন বদল হল কাদের? দেখুন

    ৭৪ জন বর্তমান বিধায়ককে টিকিট দিল না তৃণমূল, আসন বদল হল কাদের? দেখুন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কথামতোই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস (West Bengal Assembly Election)। মঙ্গলবার বিকেলে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেই তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয়, সেই তালিকায় নাম নেই একাধিক বর্তমান বিধায়কের। হাওড়া শিবপুরের বিধায়ক মনোজ তিওয়ারি থেকে শুরু করে পরেশ পালের মতো 74 জন সিটিং MLA শাসক দলের টিকিট পাননি।

    74 জন তৃণমূল বিধায়কের নাম নেই প্রার্থী তালিকায়

    নির্বাচন ঘোষণার আগে জল্পনা বেড়েছিল বহু বিধায়কের টিকিট পাওয়া নিয়ে। তাছাড়াও অনেকেই ভেবেছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মতো বিধায়করা নিজেদের কেন্দ্র থেকে এ বছর আর লড়তে পারবেন না। তবে হয়েছে তার উল্টো। শিবপুরের বিধায়ক মনোজ তিওয়ারি, জোড়াসাঁকর বিধায়ক বিবেক গুপ্ত, মালদহের কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরি থেকে শুরু করে রত্না দে নাগ, পরেশ পাল, সাবিত্রী মিত্রর মতো মোট 74 জন বর্তমান বিধায়ক এবারের প্রার্থী তালিকায় জায়গা পাননি।

    বলাই বাহুল্য, উল্লিখিত নাম গুলি ছাড়াও 74 জনের তালিকায় নাম রয়েছে বলাগড়ের মনোরঞ্জন ব্যাপারী, চুঁচুড়ার অসিত মজুমদার, সপ্তগ্রামের তপন দাশগুপ্ত, শ্রীরামপুরের ডক্টর সুদীপ্ত রায়, ডোমজুড়ের কল্যাণ ঘোষদের। হিসেব বলছে, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সবমিলিয়ে 33 শতাংশ বিধায়ককেই নতুন করে টিকিট দেয়নি, দল তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও এ নিয়ে আগেই হালকা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

    এ প্রসঙ্গে দলীয় সূত্রে খবর, স্থানীয় স্তরের কিছু বিরোধিতার কারণেই এ বছর নতুন করে টিকিট পেলেন না 74 জন বিধায়ক। শোনা যাচ্ছে, নতুন করে তাঁদের টিকিট দেওয়া হলে হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সেই দিক মাথায় রেখেই বর্তমান বিধায়কদের ফের প্রার্থী তালিকায় জায়গা দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস।

    আসন বদলেছে বহু বিধায়কের

    এদিকে বর্তমান বিধায়কদের মধ্যে অনেকেই টিকিট পেলেও আগের আসন থেকে লড়তে পারছেন না। সেই তালিকায় নাম রয়েছে 15 জনের। এদের মধ্যে বেহালা পূর্বের বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়কে পাঠানো হয়েছে বেহালা পশ্চিমে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে খড়দহ থেকে সরিয়ে নিয়ে বালিগঞ্জ বিধানসভার প্রার্থী করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য নাম শওকত মোল্লাকে ক্যানিংয়ের বদলে প্রার্থী করা হয়েছে ভাঙরে। একই সাথে ডেবরার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে মুর্শিদাবাদের ডোমকলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর বদলে ডেবরায় টিকিট পেয়েছেন সেচ এবং বন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

    অবশ্যই পড়ুন: অধিনায়ক কে হবে ঘোষণা করে দিল KKR, নাম জানলে চমকে যাবেন

    বলে রাখি, বর্তমান বিধায়কদের মধ্যে এবছর 135 জন টিকিট পেয়েছেন। ওদিকে হাবড়ার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে নিয়ে কানাঘুষা শোনা গিয়েছিল হয়তো এ বছর হাবড়া থেকে তাঁকে দাঁড় করানো হবে না। তবে সেসব জল্পনাতে কান না দিয়েই স্থানীয় স্তরে বালু দা হিসেবে পরিচিত নেতাকে ফের একই আসন থেকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। ওদিকে হাবড়ার সম্ভাব্যপ্রার্থীর তালিকায় থাকা কুনাল ঘোষ টিকিট পেয়েছেন বেলেঘাটায়। তবে ইমন চক্রবর্তীর মতো ব্যক্তিদের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও এখনই সেই পথে হাঁটেনি তৃণমূল।

  • কালবৈশাখীর দাপটে তাপমাত্রা নিম্নমুখী কলকাতায়, কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া?

    কালবৈশাখীর দাপটে তাপমাত্রা নিম্নমুখী কলকাতায়, কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভরা বসন্তে গরম এবং বর্ষার মেজাজ অনুভব করছে রাজ্যবাসী। ঘূর্ণাবর্তের জেরে রবি থেকেই দক্ষিণবঙ্গ (South Bengal) থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গে (North Bengal) সকল জায়গায় কম বেশি বৃষ্টিপাত হয়েই চলেছে। এমনকি গতকাল মরশুমের প্রথম কালবৈশাখীর প্রভাবে কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া হঠাৎ করেই বদলে গিয়েছে। ঝড় এবং বৃষ্টি নামতেই একধাক্কায় শহরে তাপমাত্রা অনেকটাই নেমে গেছে। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে নেমে এসেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে চলতি সপ্তাহে (Weather Tomorrow) বজায় থাকবে দুর্যোগের আমেজ।

    এইমুহুর্তে দক্ষিণ দিক থেকে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বাতাস বাংলায় প্রবেশ করছে অনবরত, তাই এই পরিস্থিতির জেরেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকার পাশাপাশি কোথাও কোথাও ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে আগামী রবিবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত ভাবে ঝড়বৃষ্টি চলতে পারে। একই পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। আগামী কয়েক দিন ঝড়বৃষ্টি চলবে। এক নজরে জেনে নেওয়া যাক কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার, কলকাতার সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার দিনভর মেঘলা আকাশ থাকবে। কখনও আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা যাবে তো কখনও আবার কয়েক জায়গায় রোদের দেখা মিলবে। তবে বেলা বাড়তেই মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতেও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তার সঙ্গে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এই কদিন গরমের সেরকম কোনও তীব্রতা অনুভূত হয়নি। অন্যদিকে শুক্র থেকে প্রায় সমস্ত জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: শুটিং ফ্লোরে অশান্তি, অত্যাধিক পারিশ্রমিক! মাঝপথে বাদ অভিনেতা জীতু কমল

    উত্তরবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়ে দিয়েছে যে, আগামী ২৩ মার্চ পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, আলিপুরদুয়ার এবং মালদা জেলায় আগামীকাল ঝড় এবং বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সঙ্গে প্রতি ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। জানা গিয়েছে, আগামী বেশ কয়েকদিন তাপমাত্রার পরিবর্তনের কোন সম্ভাবনা নেই।

  • তৃণমূলে যোগ দিয়েই প্রার্থী, সমাজের জন্য যা করেছেন আব্দুল মাতিন, জেনে শ্রদ্ধা বাড়বে

    তৃণমূলে যোগ দিয়েই প্রার্থী, সমাজের জন্য যা করেছেন আব্দুল মাতিন, জেনে শ্রদ্ধা বাড়বে

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে, বিজেপি-সিপিএমের পর তৃণমূলও প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করেছে। কিন্তু তার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, শিক্ষাবিদ তনুশ্রী হাঁসদা ও আবদুল মাতিন (Abdul Matin) যোগ দেন তৃণমূলে। আর যোগ দেওয়ার পরেই তিনি টিকিটও হাসিল করে নিয়েছেন।

    তৃণমূলে যোগ ৪ জনের

    আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার দুপুরের পরেই তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হয়েছে। আর প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই শাসকদলে যোগ দেন প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, শিক্ষাবিদ তনুশ্রী হাঁসদা, মুহম্মদ আব্দুল মতিন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও পার্থ ভৌমিক। অন্য দিকে এ দিন একই সময়ে রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলায় বিভিন্ন সমাজকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বও তৃণমূলের পতাকা হাতে নেন। বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া ও বড়জোড়া এলাকা থেকে সমাজসেবী গৌতম মিশ্র তৃণমূলে যোগ দেন।

    সমাজকর্মী হিসেবে আব্দুল মতিনের নাম জনপ্রিয়

    শিক্ষাক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম হল আবদুল মাতিন। তিনি মূলত ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিয়ে শুরু করে তাঁর পরিচালিত প্রতিষ্ঠান রাজ্য মাদ্রাসা বোর্ড ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত কাজ করে চলেছেন। মেয়েদের শিক্ষা সম্প্রসারে নির্মাণ করেছেন ১৮ টি স্কুল। একইসঙ্গে অল ইন্ডিয়া সুন্নত উল জামাত নামে এক সংগঠনের সংগঠনের সম্পাদকও তিনি। এর পাশাপাশি তৈরি করেছেন ২টি আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। একাদশ ও দ্বাদশ শেণিতে মেয়েদের ভর্তি নেওয়া হয় ওইসব প্রতিষ্ঠানে।

    আরও পড়ুন: হিরণ ছাড়া বিজেপির প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ আরও ৮ বিধায়ক, দেখুন লিস্ট

    আজ তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় আব্দুল মতিনের নাম জ্বলজ্বল করছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাড়োয়া থেকে আব্দুল মতিনকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

  • অধিনায়ক কে হবে ঘোষণা করে দিল KKR, নাম জানলে চমকে যাবেন

    অধিনায়ক কে হবে ঘোষণা করে দিল KKR, নাম জানলে চমকে যাবেন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কে হবেন KKR (Kolkata Knight Riders) এর অধিনায়ক? আদৌ কি অজিঙ্কা রাহানেকে নেতার পদে বসিয়ে রাখবে নাইট ম্যানেজমেন্ট? নাকি অন্য কেউ বসবে KKR এর সিংহাসনে? এমন একাধিক প্রশ্নের অবসান ঘটল মঙ্গলবারই। রাক ঢাক না রেখে অধিনায়কের নাম ঘোষণা করে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এবছরেও KKR কে নেতৃত্ব দিচ্ছেন খোদ অজিঙ্কা রাহানে। হ্যাঁ, নতুন করে আবার (Indian Premier League) ভারতের অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের উপর ভরসা রেখেছে শাহরুখ খানের ম্যানেজমেন্ট।

    রাহানেতেই কেন ভরসা KKR এর?

    গতবছর, পয়েন্ট তালিকার 8 নম্বরে থেকে যাত্রা শেষ করতে হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। এর নেপথ্যে একাধিক কারণ খুঁজে নিয়েছিল KKR। তাছাড়াও প্রথম প্রথম অধিনায়ক হিসেবে দলের সাথে সেভাবে মানিয়ে নিতে পারছিলেন না রাহানেও। তবে ব্যাট হাতে কলকাতার অন্যান্য প্লেয়ারের থেকে সবচেয়ে বেশি পরিশ্রমী দেখা গিয়েছিল তাঁকেই। রানও করেছিলেন বেশি। মূলত সে কারণেই, 2026 ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও রাহানেতেই ভরসা ধরে রাখল KKR।

    মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের অধিনায়কের নাম ঘোষণা করে দিয়েছে নাইট ম্যানেজমেন্ট। হাজারো জল্পনার মাঝেও নিজেদের অধিনায়ক বদলাচ্ছে না শাহরুখ খানের দল। যে খবরে ভক্তদের একাংশ উচ্ছ্বসিত হলেও আরেকাংশের কাছে সিদ্ধান্তটা একেবারেই ঠিক মনে হচ্ছে না। সূত্রের খবর, দলে সুনীল নারিন, ক্যামেরন গ্রিন, রিঙ্কু সিং এমনকি বরুণ চক্রবর্তীদের মতো খেলোয়াড় থাকলেও প্রধান কোচ অভিষেক নায়ারের সিদ্ধান্তেই বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পথে হাটতে চায়নি KKR। তাই রাহানেকেই আরও একবার গুরুদায়িত্ব সপে দিল কলকাতা।

     

    অবশ্যই পড়ুন: আজ পর্যন্ত গড়ায়নি ট্রেনের চাকা, দেশের সেই রাজ্যেই রেলপথ তৈরিতে মিলল বিরাট সাফল্য

    উল্লেখ্য, ভারতীয় দলে অজিঙ্কা রাহানের দেখা নেই বহুদিন। টিম ইন্ডিয়ার জার্সিতে খেলতে না পেরে এর আগে বহুবার দুঃখ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছিল ভারতের এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে। তবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ব্যাট হাতে নামতে না পারলেও মুম্বইয়ের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রায়শই দেখা যায় তাঁকে। 2025 ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের আগে তাঁকে অল্প টাকায় কিনে অধিনায়ক করে দিয়েছিল শাহরুখ খানের দল। সেখান থেকেই ফের চর্চায় আসেন তিনি। তাছাড়াও গত সিজনে ব্যাট হাতে যথেষ্ট সাফল্য পেয়েছেন এই নাইট তারকা।

  • ডিমেও লিখতে হবে এক্সপায়েরি ডেট, নির্দেশ যোগী সরকারের

    ডিমেও লিখতে হবে এক্সপায়েরি ডেট, নির্দেশ যোগী সরকারের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য এবার বিরাট সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। আগামী ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যে বিক্রি হওয়া প্রতিটি ডিমের উপর উৎপাদন তারিখ (Egg Production Date) এবং এক্সপায়ারি ডেট উল্লেখ করতে হবে বলে জানানো হল। আর এই নতুন নিয়ম চালু হলে আর পুরনো বা পচা ডিমকে তাজা বলে বিক্রি করা যাবে না। ক্রেতারা সহজেই বুঝতে পারবে যে, ওই ডিমটি কতদিনের পুরনো এবং তা কত দিন পর্যন্ত খাওয়া যাবে।

    কেন নেওয়া হচ্ছে এই সিদ্ধান্ত?

    সরকারি সূত্র মারফৎ খবর, আগে অনেক জায়গায় পুরনো ডিম বিক্রির অভিযোগ উঠছিল। আর সাধারণ মানুষ তা বুঝতে না পেরে কিনে নিচ্ছিল। এমনকি বোঝাই যেত না যে ডিমটি কতদিনের পুরনো। আর এই সমস্যা দূর করার জন্যই ডিমে স্পষ্টভাবে তারিখ লেখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি বাজারের স্বচ্ছতা বাড়ানো হবে আর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এই উদ্যোগ নিয়েছে সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশ সরকারের পশুপালন দপ্তর ও ফুড সেফটি বিভাগ।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিমের সংরক্ষণ পদ্ধতির উপরেই মূলত ওই ডিমের মেয়াদ নির্ভর করে থাকে। সাধারণ তাপমাত্রা অর্থাৎ ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ডিম আনুমানিক দুই সপ্তাহ ভালো থাকে। তবে ঠান্ডা পরিবেশে রাখলে অর্থাৎ ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে যদি ডিম রাখা হয়, তাহলে তা পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে ঠিকভাবে কোল্ড স্টোরেজ ব্যবহার না করার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছিল। তবে নতুন এই পদ্ধতি চালু হলে সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।

    আরও পড়ুন: ব্যারেল প্রতি ১৩৭ ডলার! হরমুজ সংকটে এপ্রিলে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়তে পারে ভারতে

    নিয়ম না মানলেই সমস্যা

    সরকার ইতিমধ্যেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, নিয়ম ভাঙলে সেই ডিম বাজেয়াপ্ত করে দেওয়া হবে এবং নষ্ট বা অনিরাপদ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। এর পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে। তবে হ্যাঁ, এত বড় রাজ্যে এখনও পর্যন্ত কোল্ড স্টোরেজদের সংখ্যা খুবই কম। কারণ, বর্তমানে আগ্রা এবং ঝাঁসি, এই দুই জায়গাতেই প্রধানত কোল্ড স্টোরেজ রয়েছে। তবে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম চালু করা হচ্ছে যে, ডিম এবং সবজি একসঙ্গে সংরক্ষণ করা যাবে না। কারণ, দুটির জন্য আলাদা তাপমাত্রা প্রয়োজন। সরকার জানিয়ে দিয়েছে, অবকাঠামো কম থাকলে কোনও অজুহাত দিলেও চলবে না। এককথায়, এই নিয়ম চালু হলে ক্রেতারা সরাসরি ডিমের গায়ে সেই ডিমের জন্ম তারিখ ও মেয়াদ দেখে কিনতে পারবে।

  • আজ পর্যন্ত গড়ায়নি ট্রেনের চাকা, দেশের সেই রাজ্যেই রেলপথ তৈরিতে মিলল বিরাট সাফল্য

    আজ পর্যন্ত গড়ায়নি ট্রেনের চাকা, দেশের সেই রাজ্যেই রেলপথ তৈরিতে মিলল বিরাট সাফল্য

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতীয় রেল (Indian Railways) বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক। আর সেই দেশেরই একমাত্র রাজ্য সিকিমে (Sikkim) আজ পর্যন্ত গড়ায়নি ট্রেনের চাকা। রেল ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন উত্তর-পূর্ব ভারতের এই রাজ্যকে রেল ট্র্যাকে জুড়তে আগেই বড় উদ্যোগ নিয়েছিল ভারতীয় রেল। সেই সূত্রেই সিকিমের দুর্গম ভূখণ্ড সত্বেও দেশের অন্যান্য অংশের সাথে রাজ্যটির মানুষকে জুড়তে রেলপথ খুলছে রেল। জানা যাচ্ছে, নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের অধীনে পশ্চিমবঙ্গের সেবক থেকে সিকিমের রংপো পর্যন্ত রেললাইন পাতার কাজ চলছে। সবচেয়ে বড় কথা, দুর্গম পরিবেশে পাথর-মাটি কেটে সুরঙ্গ তৈরির কাজে বড় সাফল্য পেয়েছে রেল। যা সেবক-রংপো রেল প্রকল্পকে নতুন মাত্রা দিয়েছে তা বলাই যায়।

    রেলহীন রাজ্যে রেলপথ নির্মাণ করছে ভারতীয় রেল

    ভারতীয় রেলের উদ্যোগে এবং নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ারের তত্ত্বাবধানে পশ্চিমবঙ্গের সেবক থেকে সিকিমের রংপো পর্যন্ত দুর্গম পরিবেশে রেললাইন পাতার কাজ জোর কদমে চলছে। এ প্রসঙ্গে এই রেল প্রকল্পের মুখ্য ডিজাইনার আরমান্দো ক্যাপেলান জানিয়েছেন, 600 জন ইঞ্জিনিয়ার এবং কয়েক হাজার কর্মীকে সাথে নিয়ে হিমালয় এলাকায় ভূগর্ভস্থ মাটি এবং পাথর কাটার কাজ চলেছে। তবে এই অঞ্চলে ডিনামাইট বিস্ফোরণ ঘটিয়ে কাজ করা যায়নি। যার ফলে গাইতি এবং বেলচা দিয়েই মাটি কেটে সুরঙ্গ তৈরি করেছেন কর্মীরা।

    রেল সূত্রে খবর, ট্রেন চলাচলের জন্য 14টি সুরঙ্গ তৈরির কাজ চলছে। ওই সুরঙ্গ দিয়েই ট্রেন পশ্চিমবঙ্গের সেবক থেকে রংপো পর্যন্ত ছুটবে। পরে আবার একই সুরঙ্গ ধরে ফিরে আসবে গন্তব্যে। জানা যাচ্ছে 14টি টানেলের মধ্যে ইতিমধ্যেই 13টি টানেলের কাজ শেষ হয়েছে। যদিও এই সুরঙ্গ তৈরি করতে যথেষ্ট ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়েছে কর্মীদের। রেলের দাবি, সুরঙ্গগুলির মধ্যে 8 নম্বর সুরঙ্গটির দৈর্ঘ্য 4,148 কিলোমিটার। এই প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়াররা স্বীকার করে নিয়েছেন, পুরনো খনন পদ্ধতি ব্যবহার করে হিমালয়ের গর্ভে পাথর এবং মাটি কাটার কাজ একেবারেই সহজ ছিল না।

    অবশ্যই পড়ুন: বাংলার গুরুত্বপূর্ণ রুটে একাধিক ট্রেন বাতিল করল রেল, সমস্যায় পড়বেন যাত্রীরা

    প্রসঙ্গত, বিশেষজ্ঞ মহলের অনেকেই বলছেন, এই রেল প্রকল্পের অধিকাংশটাই রয়েছে বাংলায়। বাকি কিছু অংশ রয়েছে সিকিমের রংপোতে। কিন্তু তা হলেও বিশেষজ্ঞদের দাবি, রেল ব্যবস্থাহীন রাজ্যকে বাংলার সাথে জুড়তে ভারতীয় রেল যে উদ্যোগ নিয়েছে তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। 8 নম্বর টানেল বা সুরঙ্গ তৈরি করতে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েও তাতে সফল হয়েছেন ইঞ্জিনিয়াররা। সব ঠিক থাকলে, 2027 সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে এই রেল প্রকল্পের কাজ। আর তারপরই কেন্দ্রের অনুমোদন নিয়ে সিকিমের উপর দিয়ে চলবে ট্রেন। এক কথায়, সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের হাত ধরে অবশেষে ভারতীয় রেলের মানচিত্রে জায়গা পেতে চলেছে সিকিম।

  • শুটিং ফ্লোরে অশান্তি, অত্যাধিক পারিশ্রমিক! মাঝপথে বাদ অভিনেতা জীতু কমল

    শুটিং ফ্লোরে অশান্তি, অত্যাধিক পারিশ্রমিক! মাঝপথে বাদ অভিনেতা জীতু কমল

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফের বিতর্কে অভিনেতা জীতু কমল (Jeetu Kamal)! অভব্য আচরণ করার কারণে এবার সিনেমার মাঝপথেই বাদ দেওয়া হল জীতু কমলকে। প্রোডাকসন হাউস থেকে অভিযোগ জানানো হয় সিনেইন্ডাস্ট্রির অন্দরে ফিসফাস, সেটে কলাকুশলীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, একঘণ্টা অতিরিক্ত শুটিংয়ের জন্য চড়া পারিশ্রমিকের কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। কিছুদিন আগে ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর সেটে সহ-অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায় অভিযোগ তুলেছিল অভিনেতার বিরুদ্ধে। আর এবার পরিচালকের এহেন মন্তব্যে ইন্ডাস্ট্রিতে শুরু হয় গুঞ্জন। অবশেষে মুখ খোলেন অভিনেতা।

    শ্যুটিং ফ্লোরে খারাপ আচরণ জীতুর

    ‘এরাও মানুষ দ্য সার্চ উইদিন’ ছবির পরিচালক সাইপ্রকাশ লাহিড়ী অভিযোগ জানিয়েছেন যে, “প্রথম দিন থেকেই অভিনেতা জীতু কমলের সঙ্গে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছিল। প্রায়ই দেখা যাচ্ছে সেখানকার স্পটবয় থেকে শুরু করে অনেক কলাকুশলীদের সঙ্গে শ্যুটিং ফ্লোরে খারাপ আচরণ করছিলেন তিনি।” এখানেই শেষ নয় শ্যুটিং এর সময় নিয়েও উঠছে একাধিক বিতর্ক। শিডিউল অনুযায়ী, শুটিং শেষ হতে যখন মাত্র দু’দিন বাকি, সেই সময় অভিনেতা নাকি প্রযোজনা সংস্থাকে জানান যে তিনি গত দু’দিনে ব্যক্তিগত কারণে ১০ ঘণ্টার বেশি শুটিং করতে পারবেন না। যদি ১০ ঘণ্টার অতিরিক্ত এক ঘণ্টা কাজ করতে হয়, তাহলে সেই সময়ের জন্য এক দিনের পারিশ্রমিক অতিরিক্ত দিতে হবে।

    পায়ে হাত দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার নিদান জীতুর

    অভিযোগ মাত্র এক ঘণ্টার জন্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকা দেওয়া তাঁদের পক্ষে সম্ভব ছিল না। ফলে সেই দিনের শুটিং কার্যত ভেস্তে যায়। এমনকি মেকাপ নিয়েও হয় ঝামেলা। অন্যদিকে সেটে এসে মেকআপ করতেও আপত্তি জানান অভিনেতা জীতু কমল। তিনি শর্ত দেন সহ-অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় যতদিন আসবেন না, তিনি মেকআপে বসবেন না। ফলের শুটিং এর ক্ষেত্রে সেদিনও অসুবিধা মুখে পড়তে হয় সকলকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইউনিটের একজন সহকারী পরিচালক অভিনেতার ভ্যানে গিয়ে কথা বলেন। অভিযোগ, সেই সময় জীতু নাকি হঠাৎ বলেন—প্রথমে তাঁর ‘পায়ে হাত দিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে’। পরিচালকের দাবি, এরপরই অভিনেতা নিজে থেকেই সেট ছেড়ে বেরিয়ে যান। সেকারণেই তাই ছবির মাঝপথে জীতুকে বাদ দিতে বাধ্য হন নির্মাতারা।

    পাল্টা অভিযোগ অভিনেতার

    নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে ছবির প্রচারের জন্য যে ১৫টি আলাদা তারিখ নির্ধারিত ছিল এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের যে চুক্তি করা হয়েছিল, সেগুলিও বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই জীতুকে প্রায় ১২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। ডাবিংয়ের জন্য আরও ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা পাওয়ার কথা ছিল। চুক্তি বাতিলের নোটিসে সেই অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রসঙ্গও উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে এই অভিযোগের ভিত্তিতে পাল্টা হেনস্তার অভিযোগ তোলেন অভিনেতাও। জীতু কমলের মন্তব্য, প্রথম দিন থেকে ডেটের সমস্যা ছিল। ডেট দিয়েও প্রোডাকশনের তরফে বারবার ডেট চেঞ্জ করে দেওয়া হচ্ছিল। সেটাও একদিন কিংবা দু’দিন নয়। ৫-৬ দিন এমন হয়রানির শিকার হই। ঠিক সময় গাড়ি না দেওয়া নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন জীতু কমল।

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে পবিত্র, ভবানিপুরে মমতা! ২৯১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল TMC

    পায়ে হাত দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার অভিযোগ নিয়ে, অভিনেতা জীতু কমল বলেন, “আমার কাছেও ভিডিও ফুটেজ আছে। আমায় সবার সামনে বলা হয়েছে- ‘এটা কি হারামের টাকা? মেরে তোমায় ঠান্ডা করে দেব! তোমার গায়ে কেউ হাত দেয়নি বলে তুমি এসব করে বেড়াচ্ছ।’ আমি ভেবেছি ঠাট্টা করছে। তাই আমিও বলেছি, মারো মারো। এরপর আমার মুখের উপর জোরে দরজাটা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখনই আমি বেরিয়ে আসি।” অভিযোগ জমা পড়েছে ফোরামের কাছে। তদন্ত করা হচ্ছে।

  • ভারতের জার্সিতে অভিষেক হয়নি, তৃণমূলে যোগ দেওয়া শিবের ক্রিকেট কেরিয়ার কেমন ছিল?

    ভারতের জার্সিতে অভিষেক হয়নি, তৃণমূলে যোগ দেওয়া শিবের ক্রিকেট কেরিয়ার কেমন ছিল?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: লক্ষ্মীরতন শুক্লা, মনোজ তিওয়ারির মতো ভারতীয় ক্রিকেটারদের পর এবার তৃণমূলের (Trinamool Congress) পতাকা হাতে তুলে নিলেন বঙ্গ ক্রিকেটের জনপ্রিয় মুখ তথা দীর্ঘদিন বাংলার হয়ে খেলা পেসার শিবশঙ্কর পাল (Shib Paul)। মঙ্গলবারই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। সদ্য রঞ্জি ট্রফিতে বাংলা দলের বোলারদের কোচিং করানো এই জনপ্রিয় মুখ এবার তুফানগঞ্জে তৃণমূলের হয়ে লড়বেন। 22 গজের পর রাজনৈতিক ময়দানে পা রেখেই বাংলার জন্য নিজেকে উজাড় করে দিতে চান তিনি। সেই সাথে তৃণমূলে যোগ দেওয়া মাত্রই বঙ্গ পেসারের গলায় শোনা গেল ‘খেলা হবে’ স্লোগান।

    তৃণমূলে যোগ দিয়ে কী বললেন শিবশঙ্কর?

    মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং পার্থ ভৌমিকরা। সেখানেই পাকাপাকিভাবে তৃণমূলে যোগ দেন বাংলা দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা শিব। এছাড়াও এদিন তৃণমূলে যোগ দেন শিক্ষাবিদ তনুশ্রী হাঁসদা। এদিন তুফানগঞ্জের ছেলে শিবশঙ্কর তৃণমূলে যোগ দেওয়া মাত্রই একেবারে স্পষ্ট জানান, “আমি শুধুমাত্র দুটো কথা বলতে চাই। আমি বাংলার হয়ে বহুবার মাঠে নেমেছি। খেলেছি। এই সময়টা বাংলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা এবং বাঙালিকে আক্রমণ করা হচ্ছে। এই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে লড়াই করতে চাই। আমি মাঠের মানুষ, খেলা হবে।”

    এক নজরে শিবের কেরিয়ার

    1981 সালে তুফানগঞ্জে জন্ম হয় বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশংকরের। যদিও 2001-2002 মরসুমে বাংলা দলের হয়ে ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। সেই থেকে বল হাতে বাংলা দলের হয়ে সাত বছর মাঠ কাঁপিয়েছেন প্রাক্তন খেলোয়াড়। এই দীর্ঘ কেরিয়ারে বাংলার হয়ে 61টি প্রথম শ্রেণি এবং লিস্ট এ ম্যাচ খেলেছেন শিব। সেই আসরে 171টি উইকেট রয়েছে তাঁর। বলাই বাহুল্য, 2004-2005 মরসুমে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বাধীন টিম ইন্ডিয়া। সেই সিরিজেই চতুর্থ টেস্টের জন্য স্কোয়াডে ছিলেন শিব। তবে জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হয়নি এই খেলোয়াড়ের।

    অবশ্যই পড়ুন: হিরণ ছাড়া বিজেপির প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ আরও ৮ বিধায়ক, দেখুন লিস্ট

    ক্রিকেটে ম্যাকো বলে পরিচিত শিবশঙ্কর বাংলা ক্রিকেটে অতি পরিচিত এবং ভরসাযোগ্য একটি নাম। কমবেশি সকলেই জানেন, সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া শিব ভারতীয় এ দলের হয়ে খেলেছেন। পরবর্তীতে 2016 সালের জুন মাসে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে কোচিং কেরিয়ার শুরু করেন তিনি। শেষবারের মতো রঞ্জিতে বাংলা দলের মহম্মদ শামি, আকাশদীপদের কোচিং করিয়েছিলেন তিনিই।