Blog

  • বাংলায় ফের বড় অ্যাকশন কমিশনের, পাঁচ DIG সহ ১১ DM-কে সরাল কমিশন

    বাংলায় ফের বড় অ্যাকশন কমিশনের, পাঁচ DIG সহ ১১ DM-কে সরাল কমিশন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গত রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনের জেরে প্রকাশিত হয়েছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) দিনক্ষণ। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হতে চলেছে বাংলায়। আর এই অবস্থায় রাজ্যে একের পর এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে কমিশন (Election Commission Of India)। ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের মুখ্যসচিব থেকে ডিজি, সিপি বদল করেছিল কমিশন আর আজ, বুধবার পাঁচ জায়গার ডিআইজি-কেও সরানো হয়েছে। পাশাপাশি ১১ টি জেলার ডিএম বদল করল নির্বাচন কমিশন।

    নজিরবিহীন পদক্ষেপ কমিশনের

    কিছুদিন আগেই নির্বাচন কমিশনার পুলিশ সুপারদের বদলি করেছিল। আর সেই বদলির রেশ কাটতে না কাটতেই উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়েই ফের ১১টি জেলার DM বদল করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। তালিকা অনুযায়ী দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার DM বা জেলাশাসক পরিবর্তন করা হয়েছে। এ ছাড়াও কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণের DEO বদল করা হয়েছে। এদিকে ভোটের আগে ফের একসঙ্গে পাঁচ ডিআইজি বদল করার সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন।

    ১১ টি জেলায় DM বদল কমিশনের

    নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে কোচবিহারে দায়িত্ব পেলেন জিতিন যাদব, জলপাইগুড়িতে সন্দীপ ঘোষ, উত্তর দিনাজপুরে বিবেক কুমার, মালদায় রজনবীর সিং কাপুর, আলিপুরদুয়ারে টি বালাসুব্রহ্মণ্যম, দার্জিলিংয়ে হরিশঙ্কর পানিক্কর। দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদে আর অর্জুন, নদিয়ায় শ্রীকান্ত পল্লি, পূর্ব বর্ধমানে শ্বেতা আগরওয়াল, উত্তর ২৪ পরগনায় শিল্পা গৌরিসারিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অভিষেক কুমার তিওয়ারি। অন্যদিকে কলকাতা উত্তরের DEO ও মিউনিসিপ্যাল কমিশনার হলেন স্মিতা পাণ্ডে এবং রণধীর কুমার হলেন দক্ষিণ কলকাতার DEO।

    আরও পড়ুন: ‘অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী …’ মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    পাঁচ ডিআইজি বদল কমিশনের

    পাঁচ ডিআইজি বদল করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে এসেছে নতুন বিজ্ঞপ্তি। জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জ রেঞ্জের ডিআইজি হচ্ছেন ২০০৯ ব্যাচের আইপিএস রাঠোর অমিতকুমার ভরত। মুর্শিদাবাদের ডিআইজি হচ্ছেন অজিত কুমার যাদব, বর্ধমানের ডিআইজি হচ্ছেন শ্রীহরি পাণ্ডে, প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি হচ্ছেন কংকর প্রসাদ বাড়ুই এবং জলপাইগুড়ি রেঞ্জের ডিআইজি হচ্ছেন অঞ্জলি সিং। আগামিকাল বৃহস্পতিবার ১১ টার মধ্যেই নয়া এই পাঁচ ডিআইজিকে দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ এক্ষেত্রেও নাকি রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • উড়ে উড়ে একদিনেই পৌঁছে যাবে আপনার পার্সেল! পরিষেবা শুরু ইন্ডিয়া পোস্টের

    উড়ে উড়ে একদিনেই পৌঁছে যাবে আপনার পার্সেল! পরিষেবা শুরু ইন্ডিয়া পোস্টের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বর্তমান যুগে কার্যত দাবানলের গতিতে গ্রাহকদের কাছে প্রয়োজনীয় পার্সেল পৌঁছে দেয় বিভিন্ন ই-কমার্স (E-Commerce) সংস্থাগুলি। খাওয়ার দাওয়ার থেকে শুরু করে পোষাক-আশাক এমনকি সোনার অলংকারও আজকাল অনলাইন ডেলিভারি হচ্ছে। স্মার্টফোনে এক ক্লিকেই বাড়িতে এসে নির্দিষ্ট পার্সেল ডেলিভারি করে দিয়ে যাচ্ছেন ডেলিভারি বয়-রা। আধুনিক যুগের সাথে তাল মেলাতে এবার ময়দানে নেমে পড়ল ইন্ডিয়া পোস্টও (India Post)। ভারতে ই কমার্সের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং পার্সেল ডেলিভারির রমরমা বাজারকে মাথায় রেখেই বিশেষ পরিষেবা 24 স্পিড পোস্ট চালু করছে সরকারি সংস্থাটি।

    কবে থেকে চালু হচ্ছে বিশেষ পরিষেবা?

    জানা যাচ্ছে, গতকাল অর্থাৎ 17 মার্চ থেকেই বিশেষ পরিষেবা 24 ঘন্টার স্পিড পোস্ট চালু করে দিয়েছে ইন্ডিয়া পোস্ট। নয়া দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে যোগাযোগমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার হাত ধরে এই বিশেষ পরিষেবা উদ্বোধন করেছে তারা। ইন্ডিয়া পোস্ট সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে এই পরিষেবাটি দেশের অন্তত 6টি শহরে পাওয়া যাবে।

    জানা যাচ্ছে, দেশজুড়ে ই-কমার্স এবং অনলাইন ডেলিভারির চাহিদাকে মাথায় রেখে প্রথম ধাপে দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর কলকাতা, মুম্বই, দিল্লি, চেন্নাই, হায়দরাবাদ এবং বেঙ্গালুরুতে 24 স্পিড পোস্ট পরিষেবা চালু করা হয়েছে ইন্ডিয়া পোস্টের তরফে। এই শহরগুলিতে প্রাথমিকভাবে পরিষেবাটি সাফল্য পেলে পরবর্তীতে ধাপে ধাপে দেশের অন্যান্য শহরগুলিতেও চালু হবে 24 ঘন্টার স্পিড পোস্ট পরিষেবা।

     

    অল্প সময়ে পৌঁছে যাবে পার্সেল

    আধুনিক যুগে দাঁড়িয়ে দ্রুততার সাথে পার্সেল পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর ইন্ডিয়া পোস্ট। জানা যাচ্ছে, ইন্ডিয়া পোস্টের তরফে যে নতুন পরিষেবা চালু করা হলো তাতে ডেলিভারির জন্য ডেলিভারি উইন্ডো ব্যবহার করবে ইন্ডিয়া পোস্ট নামক সরকারি সংস্থাটি। এও শোনা যাচ্ছে, পার্সেলের গুরুত্ব বুঝে আকাশ পথও ব্যবহার করতে পারে তারা। এক কথায় উড়ে উড়েই গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে যাবে পার্সেল।

    অবশ্যই পড়ুন: বিমানের ৬০ শতাংশ আসন পছন্দ করতে পারবেন একেবারে ফ্রিতে, নয়া নিয়ম DGCA-র

    রিপোর্ট অনুযায়ী, পার্সেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাহকের কাছে চাওয়া হবে OTP। ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড দিয়ে যাচাইয়ের পরই পাওয়া যাবে পার্সেল। তাছাড়াও SMS এর মাধ্যমে পার্সেলের রিয়েল টাইম ট্রাকিং করতে পারবেন তারা। এর জন্য অবশ্য আলাদা করে কোনও খরচ হবে না। এখানেই শেষ নয়, ইন্ডিয়া পোস্ট বলছে 24 ঘন্টা অর্থাৎ একদিনের মধ্যে পার্সেল গ্রাহকের কাছে না পৌঁছলে পুরো টাকাটাই ফেরত দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে, নতুন পরিষেবা নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী কেন্দ্রীয় সরকার। অনেকেই মনে করছেন, সরকারি সংস্থার এমন উদ্যোগ বেসরকারি ই-কমার্স সংস্থাগুলিকে যথেষ্ট চাপে ফেলবে।

  • ‘অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী …’  মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    ‘অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী …’ মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে বেশ তৎপর হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করছে একেকটা রাজনৈতিক দল। আর এই অবস্থায় ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল আইপ্যাক মামলা (IPAC ED Case)। আর এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কাণ্ডকারখানাকে ভালো চোখে দেখল না সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। অন্যদিকে বুধবার শুনানি শুরু হতেই জবাব দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চাইল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। যার বিরোধিতা করেন কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।

    মুখ্যমন্ত্রীর পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    বুধবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়া বেঞ্চে ফের সময় চেয়ে আবেদন জানান রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। তাতে সলিসেটর জেনারেল তুষার মেহেতার বক্তব্য, “সময় নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ।” ইতিমধ্যেই রাজ্যকে যে আদালত চার সপ্তাহ সময় দিয়ে দিয়েছে, তা স্মরণ করান বিচারপতি। পাশাপাশি এদিন শীর্ষ আদালত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গে জানায়, “ED-র তদন্তে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর ঢুকে পড়াটা অনভিপ্রেত। যদি আর্টিকেল ৩২ বা আর্টিকেল ২২৬ অনুযায়ী মামলা করা না যায়, তাহলে কী করা যাবে? ভবিষ্যতে যদি অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রীও এ ভাবে অন্য কোনও দফতরে প্রবেশ করেন, তখন তার বিচার কী ভাবে হবে?”

    প্রশ্নের মুখে ED-র মৌলিক অধিকার

    উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নথি চুরির অভিযোগ এনেছিল ED। এর আগে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা পেশ করেছিল ED। হলফনামায় ইডি-র তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, “নথি নেওয়ার আগে কোনও তদন্তকারী আধিকারিকের অনুমতি নেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে নথিগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা তৃণমূলের নাকি কয়লাপাচারের সে সম্পর্কে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। এছাড়াও ED এও দাবি করেছিল যে ইডি র আধিকারিকদের কাজে বাধা দিয়ে এবং তাদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৩১ মার্চের পর শুধু আধার দিয়ে বানানো যাবে না প্যান কার্ড! কী কী লাগবে জানুন

    মামলা করার প্রসঙ্গে আজ, শুনানির সময় রাজ্যের তরফে বলা হয়, “আমরা বলছি, কেন্দ্রীয় সরকার এক্ষেত্রে মামলা করতে পারে। কিন্তু কোন দপ্তর নয় বা CID বা ইডির মত সংস্থা নয়। যদি তারা করেন, তাহলে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫ ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ গঠন করে এ ধরনের সংস্থার ক্ষমতা এক্তিয়ার সব নতুন করে ঠিক করতে হবে।” এছাড়াও এদিন শুনানি শুরু হতেই ED-র জবাব দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী।, আর তাতে সায় দিল আদালত।

  • মা ডাক শুনতে দ্বিতীয় বিয়ে করলেন সুস্মিতা রায়, ‘বরটা আমারই খুঁজে দেওয়া’ বলল সায়ক

    মা ডাক শুনতে দ্বিতীয় বিয়ে করলেন সুস্মিতা রায়, ‘বরটা আমারই খুঁজে দেওয়া’ বলল সায়ক

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: টলিপাড়ায় ফের বাজল বিয়ের সানাই! ৩৬ বছর বয়সে দ্বিতীয়বার বিয়ে করলেন ছোটপর্দার পরিচিত মুখ সুস্মিতা রায় (Susmita Roy)। মঙ্গলবার রাতে সমাজমাধ্যমে সেই কথা শেয়ার করলেন অভিনেত্রী তথা ইনফ্লুয়েন্সার নিজেই। বিচ্ছেদের ৭ মাসের মাথায় সুস্মিতা রায়ের দ্বিতীয় বিয়ের এই সিদ্ধান্তে জোর সমালোচনা শুরু হয়েছে সমাজ মাধ্যমে। অন্যদিকে প্রাক্তন বউদিকে নতুন দাম্পত্যের শুভেচ্ছাতেও খোঁচা সায়কের!

    দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে অভিনেত্রী

    ২০২৫ সালের জুলাইতে প্রকাশ্যে আসে অভিনেত্রী-ইনফ্লুয়েন্সার সুস্মিতা রায়ের সঙ্গে সব্যসাচী চক্রবর্তীর বিচ্ছেদের খবর। আর সেই নিয়ে কম কটাক্ষের শিকার হননি সুস্মিতা রায়। তবে এখন অবশ্য তিনি অভিনয় থেকে বিরতি নিয়েছেন। নিজের ব্যবসার পাশাপাশি ভ্লগার হিসেবেও বেশ জনপ্রিয় হয়েছেন তিনি। কিন্তু প্রায়শই তাঁকে নিয়ে বিতর্ক থাকতই। কিন্তু তিনি যে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন তা কেউই আশঙ্কা করতে পারেনি। মঙ্গলবার রাতে সুস্মিতা রায় বিয়ের মণ্ডপে হাতে হাত রাখার একটি ছবি পোস্ট করেন৷ এবং লেখেন, “এই একটা ইচ্ছে কখনো মন থেকে মুছে যায়নি। একটা শব্দ শোনার আশা-‘মা’…আজ ছত্রিশ বছর বয়সে এসে সত্যিই আর কোনো ভনিতা করার সময় নেই… ৷ নিজেকে আর মিথ্যে সান্ত্বনা দেওয়ারও শক্তি নেই। বিয়ে করলাম….তোমরা সবাই আশীর্বাদ করো… ৷”

    নানারকমের প্রতিক্রিয়া নেটপাড়ায়

    সুস্মিতা শেয়ার করেচেন বধূর বেশ বিয়ের ছবিও। টুকটুকে লাল বেনারসী, খোলা চুল, হালকা সোনার গয়না এবং গলায় গোলাপের মালা ৷ পোস্টে লেখেন, “যখন আমরা দুজনেই নিজের নিজের লড়াইয়ে প্রায় ভেঙে পড়ছিলাম, তখনই একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে শক্তি হয়েছিলাম… সেখান থেকেই শুরু আমাদের নতুন পথচলা। আজ সেই মানুষটার হাত ধরেই জীবনের সবচেয়ে বড় বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। লড়াইটা এখনও আছে… তবে এবার আমরা একসাথে।” নেটপাড়ায় নানারকমের প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। এক নেটিজেন লিখেছেন, “এটা সত্যি না প্রোমোশনের জন্য বুঝতে পারছি না, তবে সত্যি হলে অনেক শুভেচ্ছা ৷” আবার কেউ লিখেছেন, “এত বছরের একটা সম্পর্ক থেকে কীভাবে এত তাড়াতাড়ি বেরোনো সম্ভব ভাই? মানুষ দু বছরের প্রেম করে সেখান থেকে বেরিয়ে ভেঙ্গে পরছে,আর এ ছমাসে বিয়ে… ।”

    আরও পড়ুন: গ্যাস বুকিং আরও সহজ, জারি হল নয়া নম্বর ও নিয়ম

    অভিনেত্রী সুস্মিতা রায়ের পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পরেই প্রাক্তন দেওর অভিনেতা তথা ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী ফেসবুকে তাঁর প্রাক্তন ‘কূটনী বৌদির’ ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, “ভেবে ভালো লাগছে এই বরটাও আমারই খুঁজে দেওয়া । যদিও বর হবে জানতাম না । তবে এবার থামিস প্লিজ । এটাই যেন last বিয়ে হয়। এবার মা হলে আর নরমাল ডেলিভারির জন্য wait করিসনা..Btw Congratulations Mrs Dey..” তবে এখনও সুস্মিতা রায়ের প্রাক্তন স্বামীর তরফে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

  • জোয়ার আসবে বাণিজ্য থেকে পর্যটন শিল্পে! বাংলার নতুন রেলপথ নিয়ে বড় সুখবর

    জোয়ার আসবে বাণিজ্য থেকে পর্যটন শিল্পে! বাংলার নতুন রেলপথ নিয়ে বড় সুখবর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বাংলার বুকে নতুন রেলপথ নিয়ে বড় সুখবর (West Bengal New Rail Line)। জানা যাচ্ছে, মানবাজার হয়ে পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম নতুন রেলপথ তৈরির আগেই হয়ে গেল বড় কাজ। রেল সূত্রে খবর, মানবাজারের মধ্য দিয়ে রেলপথ স্থাপনের প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ অর্থাৎ ফাইনাল সার্ভের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই একেবারে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন পুরুলিয়া (Purulia) থেকে শুরু করে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের বাসিন্দারা।

    তৈরি হবে মোট আটটি নতুন স্টেশন

    রেলের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মানবাজারের মধ্যে দিয়ে যে নতুন রেলপথ তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সেই রেলপথের মোট দৈর্ঘ্য হবে 125 কিলোমিটার। এই দীর্ঘ রূটে তৈরি হবে মোট 8টি নতুন রেল স্টেশন। এছাড়াও দুটি স্টেশনকে মূল লাইনের সাথে জুড়ে দেওয়া হবে। রেল সূত্রে খবর, পুরুলিয়ার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবিকে মান্যতা দিয়ে অবশেষে বিশেষ প্রকল্পের কাজে হাত লাগানো হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, আটটি স্টেশনের মধ্যে অর্ধেক অর্থাৎ চারটি স্টেশনেই তৈরি হবে পুরুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায়।

    জানা গিয়েছে, নতুন রেলপথ নির্মাণের আগে মান বাজারের মধ্যে দিয়ে যেসব এলাকায় নতুন রেলস্টেশন তৈরি হবে সেইসব জায়গা ইতিমধ্যেই পরিদর্শন করে দেখেছেন রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এই পরিদর্শন চলাকালীন যে জমিতে রেলপথ তৈরি হবে সেইসব জমি থেকে শুরু করে পার্শ্ববর্তী এলাকার পরিবেশ সবই খতিয়ে দেখা হয়েছে।

     

    কবে থেকে শুরু হবে লাইন পাতার কাজ?

    রেলের ডেপুটি চিফ ইঞ্জিনিয়ারের তরফে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মানবাজারের মধ্যে দিয়ে নতুন রেললাইন তৈরির আগে ফাইনাল সার্ভে ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এই রিপোর্ট যাবে রেল মন্ত্রকের কাছে। সেখান থেকে সবুজ সংকেতের পর তিন মাসের মধ্যে প্রকল্পের বিস্তারিত বরাদ্দ ও প্রস্তাব রেলমন্ত্রকের কাছে উপস্থাপন করা হবে। পরবর্তীতে রেলমন্ত্রকের অনুমতি পেলে শুরু হয়ে যাবে রেললাইন পাতার কাজ। তবে ঠিক কবে থেকে এই কাজ শুরু হবে তা জানা যায়নি।

    অবশ্যই পড়ুন: এই মুহূর্তে ISL-এ কোন দলের অবস্থা কেমন? কত নম্বরে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় রেলের নতুন উদ্যোগে উচ্ছসিত পুরুলিয়া থেকে শুরু করে মানবাজারের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামের মধ্যে নতুন রেল লাইনের দাবি করে আসছিলেন। অবশেষে সেই দাবিতে সিলমোহর পড়ায় খুশি তাঁরা সকলেই। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, নতুন রেলপথ তৈরি হয়ে গেলে পুরুলিয়া এবং ঝারগ্রামের মধ্যে যোগাযোগ অনেকটাই পোক্ত হবে। বাড়বে বাণিজ্য। জোয়ার আসবে পর্যটন শিল্পেও।

  • গ্যাস বুকিং আরও সহজ, জারি হল নয়া নম্বর ও নিয়ম

    গ্যাস বুকিং আরও সহজ, জারি হল নয়া নম্বর ও নিয়ম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে একধাক্কায় বেড়ে গিয়েছে জ্বালানির দাম। এদিকে রান্নার গ্যাস (LPG Gas Cylinder) নিয়েও নানা গুজব ছড়িয়ে পড়েছে দেশ জুড়ে। ফলস্বরূপ গ্যাসের আকাল পড়ায় বিভিন্ন প্রান্তে গ্যাস এজেন্সির সামনে গ্রাহকের দীর্ঘ লাইন দিতে হচ্ছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার বারবার জানিয়েছে, গৃহস্থালির LPG সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই। এরপরেও দ্রুত সিলিন্ডার বুক (LPG Gas Booking) করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন সকলে। ব্যস্ত লাইনের কারণে অসুবিধা হচ্ছে, ফলে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি রান্নার সমস্যাও বাড়ছে। তাই এবার বড় উদ্যোগ নিল ইন্ডিয়ান অয়েল।

    গ্যাস বুকিংয়ের জন্য নতুন নম্বর

    গ্যাস বুকিংয়ের জন্য বারবার চেষ্টা করেও গ্রাহকদের মধ্যে নানা সমস্যা দেখা যাচ্ছে। ফোন করার চেষ্টা করা হলেও মিলছে না সুরাহা। ব্যস্ত বলেই চলেছে প্রতিটি লাইন, তাই এই সমস্যা দূর করতে বুকিংয়ের জন্য নতুন দুটি নম্বর চালু করল ইন্ডিয়ান অয়েল। এখন থেকে INDANE গ্রাহকরা ফোন করে সিলিন্ডার বুক করতে পারবেন। মিসড কল বুকিংয়ের জন্য যে নতুন নম্বর দেওয়া হয়েছে সেটি হল, ‘89272-25667’। এছাড়াও আইভিআরএসের মাধ্যমে বুকিংয়ের নতুন নম্বর হল ‘83919-90070’। জানা গিয়েছে ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে এই নম্বর দুটি। এই উদ্যোগে বেশ খুশি সকলে।

    বুকিং এর জন্য নয়া নিয়ম

    গ্যাসের অযথা মজুত বন্ধ করার লক্ষ্য নিয়ে শহরে এবং গ্রামে এলপিজি বুকিং সাইকেলে নানা পরিবর্তন আনা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। শহরের গ্রাহকদের জন্যও এলপিজি বুকিং সাইকেলে পরিবর্তন করা হয়েছে। আগে যেখানে দুটি সিলিন্ডার বুকিংয়ের মধ্যে সময়সীমা ২১ দিন ছিল, এখন সেটি বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। অন্যদিকে গ্রামীণ এলাকার গ্রাহকেরা যেখানে প্রতি ২৫ দিনে একবার সিলিন্ডার বুক করার সুবিধা পেতেন, সেটি এখন বাড়িয়ে সরাসরি ৪৫ দিন করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রথম সিলিন্ডার বুক করার ৪৫ দিন পরেই দ্বিতীয় সিলিন্ডার বুক করতে পারবেন গ্রাহকরা।

    আরও পড়ুন: কলেজ শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অনিয়ম! বিতর্ক উঠতেই চিন্তায় চাকরিপ্রার্থীরা

    প্রসঙ্গত, গ্যাস ডেলিভারি করার ক্ষেত্রে DAC নম্বর বা ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু ডিস্ট্রিবিউটররা অভিযোগ জানাচ্ছেন যে বহু গ্রাহকই গ্যাস ডেলিভারি নেওয়ার সময় DAC দিতে পারছে না। ফেডারেশনের সহ সভাপতি বিজনবিহারী বিশ্বাস জানিয়েছেন, ‘DAC না দেওয়ার ফলে আমাদের সমস্যা হচ্ছে। তেল সংস্থাগুলি বারবার দাবি করছে, DAC ছাড়া সিলিন্ডার ডেলিভারি দেওয়া হবে না।’ কিন্তু এই সমস্যার জট কাটছে না। আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে গ্যাসের সঙ্গে রেজিস্টার্ড করা মোবাইল নম্বরটি রিচার্জ না করায় আসছে না ‘DAC’।

  • কালবৈশাখীর সঙ্গে শিলাবৃষ্টি, কিছুক্ষণেই দক্ষিণবঙ্গের ৫ জেলায় আবহাওয়ার ব্যাপক মুড বদল

    কালবৈশাখীর সঙ্গে শিলাবৃষ্টি, কিছুক্ষণেই দক্ষিণবঙ্গের ৫ জেলায় আবহাওয়ার ব্যাপক মুড বদল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ চৈত্রের শুরুতে ফের কালবৈশাখী (Kalbaisakhi) সঙ্গে তেড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস রইল দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal Weather Update)। বুধবার দুপুর থেকেই ঘনাতে শুরু করেছে বাংলার আকাশ। সকালের দিকে রোদ এবং ভ্যাপসা গরম থাকলেও এখন আবহাওয়া অনেকটাই ঠান্ডা। সুন্দর একটা ঠান্ডা বাতাস বইছে। তাহলে কি কিছুক্ষণের মধ্যে বৃষ্টি নামবে? সঙ্গে থাকবে কালবৈশাখী? উত্তর হল হ্যাঁ। দুপুরের পরেই দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলার আবহাওয়া বদলে গিয়ে ঝেঁপে বৃষ্টি নামবে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    দুপুরের পরেই বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলায়

    ইতিমধ্যে চৈত্র মাস পড়ে গিয়েছে। দেদার শপিং চলছে। আজ নিশ্চয়ই আপনিও চৈত্রের বাজার করতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? কিন্তু জানিয়ে রাখি, আপনার আনন্দ মাটি করে দিতে পারে নাছোড়বান্দা বৃষ্টি। আজ বুধবার দুপুরের পর দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ এক লাফে অনেকটাই বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। আজ বুধবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে শিলাবৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও যেমন হাওড়া, কলকাতা সহ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    এবার আসা যাক উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে সে প্রসঙ্গে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের মতে, উত্তরবঙ্গেও আপাতত চলবে বৃষ্টির দাপট। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি চলবে। শুক্র ও শনিবার উত্তরের জেলাগুলোতে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে শিলাবৃষ্টি এবং ঝড়ের পূর্বাভাসও রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ EPFO-র পেনশন বাড়াতে সুপারিশ কমিটির, কতটা বৃদ্ধির আশা?

    সপ্তাহান্তে বৃষ্টি বাড়বে

    শুক্র এবং শনিবার দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে বলে খবর। সঙ্গে ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলাতে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। শনিবারও কয়েকটি জেলায় ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। হতে পারে শিলাবৃষ্টিও।

  • IPAC মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ফের বাড়তি সময় চাইল রাজ্য সরকার

    IPAC মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ফের বাড়তি সময় চাইল রাজ্য সরকার

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের আবহে ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল IPAC মামলা (IPAC ED Case)। আজ সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি শুরু হলে ফের বিতর্কের মুখে পড়ে রাজ্য। জানা গিয়েছে ইডির হলফনামার জবাব জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছে। আর তাই নিয়ে বিরোধিতা করল ED। ভোটের ঠিক আগেই আই-প্যাককে ঘিরে কেন্দ্র ও রাজ্যের টানাপোড়েন এখন চরমে। এমতাবস্থায় ED-র অভিযোগের উত্তর দিতে রাজ্য সরকারকে সময় দিল সর্বোচ্চ আদালত।

    IPAC মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

    আজ বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং এন ভি আঞ্জারিয়া-র বেঞ্চে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এদিন শুনানির সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইডির হলফনামার জবাব জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছে। তবে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, এই মামলাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে রাজ্য। ইডি ইতিমধ্যেই দুই সপ্তাহ আগে তাদের প্রতিক্রিয়া আদালতে দাখিল করেছে। এদিন আইপ্যাক মামলা স্থগিত করার রাজ্যের সিদ্ধান্তকে খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ইডির অভিযোগের জবাব দিতে রাজ্যকে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

    বিরোধিতা করল কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর

    রিপোর্ট মোতাবেক আজ রাজ্যের তরফে ইডির মামলার যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়। আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী বলেন, “আমরা মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শুনানি চাই।” এরপরই বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর তরফে বলা হয়, “শুনানি শুরু করা হোক। আপনারা (রাজ্য) ইডির পাল্টা হলফনামা জমা দিতে চাইছেন। আবার মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন? আপনাদের মূল অবস্থান কী?” কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল সময় চাওয়ার আর্জির বিরোধিতা করে বলেন, “এটা অত্যন্ত আশ্চর্যজনক যে, একজন মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে হস্তক্ষেপ করছেন। আর এখন আবার মামলার শুনানিতে দেরি করা হচ্ছে?” এরপরই দুই পক্ষের উদ্দেশেই বিচারপতি বলেন, “শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার লড়াই চলছে না। আপনারা সওয়াল শুরু করুন।”

    আরও পড়ুন: ‘অবৈধভাবে পশ্চিমবঙ্গে আটক স্ত্রী’, উদ্ধারের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ বাংলাদেশি নাগরিক

    মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবীর অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র বলেন, “চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। আপনারা এত দিনেও কেন পাল্টা জবাব দিলেন না?” যদিও পড়ে ইডির অভিযোগের জবাব দিতে রাজ্যকে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এদিকে ইডি ইতিমধ্যেই দুই সপ্তাহ আগে তাদের প্রতিক্রিয়া আদালতে দাখিল করেছে। যেখানে বলা হয়, নথি নেওয়ার আগে কোনও তদন্তকারী আধিকারিকের অনুমতি নেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে নথিগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা তৃণমূলের নাকি কয়লাপাচারের সে সম্পর্কে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। এছাড়াও ED এও দাবি করেছিল যে ইডি র আধিকারিকদের কাজে বাধা দিয়ে মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।

  • ‘অবৈধভাবে পশ্চিমবঙ্গে আটক স্ত্রী’, উদ্ধারের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ বাংলাদেশি নাগরিক

    ‘অবৈধভাবে পশ্চিমবঙ্গে আটক স্ত্রী’, উদ্ধারের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ বাংলাদেশি নাগরিক

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বাংলাদেশে বিয়ের (Bangladesh Marriage Case) পর অবৈধভাবে সেই মেয়েকে ভারতে নিয়ে আসে তাঁর পরিবার। সেই সূত্রে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন বাংলাদেশি যুবক অরিজিৎ সরকার। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন সূত্রে খবর, বিয়ের পরপরই মেয়েটির পরিবার তাঁকে জোরপূর্বক পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসে। আর এখানেই তাঁকে আটকে রেখে দেয় এবং স্বামীর সঙ্গে কোনও রকম যোগাযোগ করতে দেয় না। কার্যত একটি মেসেজের জন্যই অপেক্ষা করে থাকে সেই যুবক। কিন্তু কোনও রকম যোগাযোগ করাও সম্ভব হয় না। জানুন সবটা।

    জোরপূর্বক বাংলাদেশি মেয়েকে বাংলায় নিয়ে আসলো পরিবার

    অরিজিৎ সরকার নামের ওই যুবকের বক্তব্য অনুযায়ী, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর সঙ্গে বিয়ে হয় ১৯ বছর বয়সী মৌমি সাহার। ঢাকাতে হিন্দু রীতি মেনে একটি মন্দিরেই তাঁদের বিয়ে হয়। কিন্তু এক মাস কাটতে না কাটতেই মেয়ের বাবা-মা কোনও এক অজুহাত দিয়ে তাঁকে জোরপূর্বক বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসেন। তাঁর দাবি, ঢাকা বিভাগের নরসিংদী নিকটবর্তী মধ্যকান্দা এলাকার প্রতিবেশী ছিলেন তাঁর স্ত্রী, এবং বিয়ের দু’বছর আগে ধরেই তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

    অরিজিৎ এর বক্তব্য, অক্টোবর মাসের পরিবার তাঁকে অবৈধভাবে ভারতে নিয়ে এসে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিরাটিতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আটকে রাখেন। এমনকি বাইরের জগতের সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। ঘরবন্দী থাকাকালীন কোনও উপায়ে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাঁর স্ত্রী নিজের লোকেশন পাঠান। সেই সূত্রে ২০২৬-এর জানুয়ারি মাসে তিনি বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় আসেন। তারপরেই একাধিক টানাপড়েনের পর অবশেষে কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হন তিনি। তাঁর দাবি, যেহেতু তাঁর কাছে কোনও রকম বৈধ নথিপত্র ছিল না, তাই বাংলাদেশ হাই কমিশনার বা স্থানীয় পুলিশের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম, যাতে তাঁরা আমাকে বাংলাদেশে ফিরে যেতে সহায়তা করে।

    আরও পড়ুন: ভোটের আবহে বাড়ছে উদ্বেগ, বীরভূমে উদ্ধার অসংখ্য বিস্ফোরক, আতঙ্ক নলহাটিতে

    এমনকি তিনি আরও বলেন যে, আমি প্রতিদিন তাঁর কাছ থেকে একটি মেসেজের অপেক্ষায় থাকি। কিন্তু কোনও খবরই আসে না। তাঁর সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ করতে দেওয়া হয় না। বাধ্য হয়ে ব্যারাকপুর নিমতা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। এরপর ৭ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কমিশনারের দ্বারস্থ হন। তারপর ৯ জানুয়ারি ইমেলের মাধ্যমে তাঁকে স্থানীয় থানায় এফআইআর দায়ের করার করতে বলা হয়। সেই সূত্রে গত তিনি ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তবে সেখানেও কোনও রকম কাজের কাজ হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। যার ফলে গত ১০ মার্চ কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হন অরিজিৎ। তাঁর বক্তব্য, চলতি সপ্তাহে এই মামলাটির শুনানি হতে পারে।