Blog

  • বাংলার মসনদে ফের তৃণমূল নাকি বিজেপি? নিজের দলকে পিছিয়ে রেখে ভবিষ্যদ্বাণী অভিষেকের!

    বাংলার মসনদে ফের তৃণমূল নাকি বিজেপি? নিজের দলকে পিছিয়ে রেখে ভবিষ্যদ্বাণী অভিষেকের!

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ পশ্চিমবঙ্গ সহ ৫ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের (West Bengal Election 2026) দামামা বেজে গিয়েছে। এদিকে ভোট ঘোষণার পরেই তৃণমূল থেকে শুরু করে বাম, বিজেপি নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে। এখন শুধুমাত্র বাকি রয়েছে কংগ্রেস, আইএসএফ। যাইহোক, এরই মাঝে বাংলায় কে জিতবে, তা নিয়ে বড় দাবি করলেন সিনিয়র কংগ্রেস নেতা তথা আইজীবী অভিষেক মনু সিংভি। সবথেকে বড় কথা, বাংলায় কংগ্রেসের কী অবস্থা হবে তারও ইঙ্গিত দিলেন। চলুন বিশদে জেনে নেবেন।

    ২৬-এর ভোটে বাংলায় কে জিতবে?

    ২৬-এর ভোটে বাংলায় কে জিতবে? বিজেপি, তৃণমূল নাকি অন্য কেউ? অভিষেক মনু সিংভির উত্তর সকলকে চমকে দিয়েছে। আসলে সম্প্রতি বাংলায় কংগ্রেসের লড়াই করা উচিৎ কি না, একসঙ্গে লড়া ভালো নাকি জোটে? এই প্রশ্নের উত্তরে অভিষেক মনু সিংভি বলেন, “এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত যে বাংলায় জোট হওয়া উচিত। কিন্তু এমন অনেক কারণ আছে যার জন্য জোট গঠন করা যায় না। এটা আমাদের বা কয়েকজন নেতার সিদ্ধান্ত হতে পারে না। কংগ্রেসের তিন-চারজন এই সিদ্ধান্ত নেন।”

    তিনি আরও বলেন, “আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস হলো, নির্বাচন আসন্ন হওয়ায় সঠিক সংখ্যার ভিত্তিতে জোট গঠন করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আমি আবারও বলছি যে এটি আমার ব্যক্তিগত মতামত।” এদিকে, অভিষেক মনু সিংভি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূল নেত্রী প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে যদি এমন কোনো নেত্রী থাকেন যিনি মানুষের মন জয় করেছেন, তবে তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তাঁর শিরায় শিরায় বইছে।” তাহলে কি ভোট, ফলাফলের আগেই বাংলার মসনদে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত তৃণমূলই বসছে? সেই ইঙ্গিতই কি দিতে চাইলেন দিল্লির এই সিনিয়র কংগ্রেস নেতা? উঠছে প্রশ্ন।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভুয়সী প্রশংসা কংগ্রেস নেতার

    কংগ্রেস নেতা আরও বলেছেন যে, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে অফুরন্ত শক্তি, সামর্থ্য, দিকনির্দেশনা এবং গতি রয়েছে। তিনি বাংলার সংকট বোঝেন। সমস্ত ভারতীয় নেতাদের মধ্যে, বিশেষ করে নারীদের মধ্যে, তাঁর চেয়ে ভালো রাজনীতি আর কেউ করতে পারেন না। অভিষেক মনু সিংভিও বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “আমার বিশ্বাস, বিজেপি কেবল একটি পরিবেশ তৈরি করছে। প্রত্যেকের ব্যক্তিগত জীবনই একসময় শেষ হয়ে যায়। কিন্তু বিজেপি ভাবছে এটাই সঠিক সময়, আমি বলবে এমনটা ভাবা ঠিক নয়।’

    আরও পড়ুনঃ একসময় বিজেপিতে আস্থা দেখিয়েছিল ভবানীপুর, জিতেছিল গেরুয়া শিবির

    অভিষেক মনু সিংভি বলেছেন, “গতবারের মতোই এবারও প্রচুর শোরগোল হবে। সে সময় এমন একটা আবহ তৈরি করা হয়েছিল যে বিজেপি জিতছে এবং ২০২, ২২৫, ২৫০-এর মতো সংখ্যাও দেওয়া হয়েছিল। মানুষ এমনকি বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল যে বাংলায় গেরুয়া ঝড় বইতে চলেছে, কিন্তু ‘পাহাড় খুঁড়তে গিয়ে ইঁদুর’ প্রবাদটি সেই সময়ে সত্যি প্রমাণিত হয়। তাই বাংলার মানুষের আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়; ঢাক পেটানোই বিজেপির স্বভাব।”

  • মদ তো ছিলই, এবার থেকে এই জিনিসগুলি নিয়ে কলকাতা মেট্রোয় উঠলেই জেল!

    মদ তো ছিলই, এবার থেকে এই জিনিসগুলি নিয়ে কলকাতা মেট্রোয় উঠলেই জেল!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সময়ের সাথে সাথে শহর কলকাতায় (Kolkata) নিজের বিস্তার বাড়াচ্ছে পাতাল রেল (Kolkata Metro)। আসলে যাত্রীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই মেট্রোর এই সম্প্রসারণ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ কলকাতা মেট্রোর বুক ধরে এক স্থান থেকে নিজের গন্তব্যে পৌঁছচ্ছেন। আবার ফিরে আসছেন পূর্বের ঠিকানায়। তবে মেট্রোর নিত্যযাত্রী হওয়া সত্ত্বেও এমন অনেকেই রয়েছেন যাঁরা মেট্রোয় কোন কোন জিনিস নিয়ে ওঠা যায় না সে বিষয়ে ওয়াকিবহাল নন। এবার তাঁদের জন্যই নিষিদ্ধ জিনিসপত্রের তালিকা প্রকাশ করল মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। কলকাতা মেট্রোর তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বেশ কিছু বস্তু ব্যাগে বা অন্য কোনও উপায়ে মেট্রোয় নিয়ে উঠলে কঠিন শাস্তির মুখে পড়তে হবে যাত্রীদের।

    এইসব দ্রব্য মেট্রোয় নিয়ে যাওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ

    কলকাতা মেট্রোর দৌলতে যেমন অল্প সময় আরামদায়ক যাত্রার সুবিধা নিতে পারেন অফিস যাত্রীরা, তেমনই কাজ সেরে মেট্রোতে চেপেই বাড়ি ফেরেন বিভিন্ন মিস্ত্রি শ্রেণীর মানুষেরা। মেট্রোর নিরাপত্তা কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, অনেক সময় বিভিন্ন সেন্টারিং মিস্ত্রিরা বাড়ি ফেরার পথে ব্যাগে করে ছেনি, হাতুড়ি, স্ক্রু ড্রাইভারের মতো নানান যন্ত্রপাতি নিয়ে মেট্রো স্টেশনে আসেন। পরবর্তীতে স্টেশনের স্ক্যানারে ব্যাগ দেওয়ার সময় আটকে যান তাঁরা। অনেকেই আবার স্ক্যানার মেশিনে ব্যাগ রাখতে চান না। এর ফলে তৈরি হয় সমস্যা। বাঁধে অশান্তি। মূলত সে কারণেই এই ধরনের সমস্যা এড়াতে এবং যাত্রী সুরক্ষায় কড়া নজর দিয়েছে মেট্রো রেল।

    কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ছেনি, হাতুড়ি, কাস্তে, কুড়ুলের মতো যন্ত্রপাতির পাশাপাশি ধারালো ছুরি, কাচি, ছোট বা বড় ব্লেড এমনকি শাবল, ছোট কুঠারি, স্ক্রু ড্রাইভার এমনকি তরল পদার্থের মধ্যে মদ, স্পিরিট, কেরোসিন, পেট্রোল, অন্যান্য এনে নেশাজাত কোনও তরল পদার্থ মেট্রোতে নিয়ে ওঠা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়াও মেট্রোরেলের তরফে জানানো হচ্ছে, বিভিন্ন বিপদজনক তেজস্ক্রিয় পদার্থ, অ্যাসিড, বিষাক্ত পদার্থ, কাঁদানে গ্যাস, ডিনামাইট বিস্ফোরক, অন্য রাসায়নিক পদার্থ, মানবদেহের ভস্ম, ছাই, মৃতদেহ, কঙ্কাল, হাড়, মাংস নিয়ে মেট্রোয় ওঠা যায় না।

    অবশ্যই পড়ুন: ব্যাট-বল দুদিকেই পারদর্শী, KKR-র সহ অধিনায়ক হচ্ছেন সেই প্লেয়ার!

    মেট্রোর আধিকারিকরা বলছেন, বড় ব্যাটারি, প্লাস্টিকের গ্রেনেড, গান পাউডার, পিস্তল, ছোট ব্লেডের মতো জিনিসগুলি নিয়ে মেট্রোয় যাতায়াত করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সাধারণত বহু মানুষ ছোট চারা গাছ বা সিল না করা কাঁচা মাংস নিয়ে মেট্রোয় ওঠার চেষ্টা করেন। তখনই তাঁদের ধরে ফেলেন আরপিএফ। পরবর্তীতে বাঁধে বচসা। তাই এবার থেকে এই সব দ্রব্য নিয়ে মেট্রো যাতায়াতের ক্ষেত্রে কড়া হচ্ছে মেট্রো রেল। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, কেউ যদি এই বিধি নিষেধ অমান্য করেন সেক্ষেত্রে 500 টাকা জরিমানা এবং চার বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।

  • তেল সঙ্কটের জের! পাকিস্তান দিবসে সামরিক কুচকাওয়াজ করবে না শেহবাজ সরকার

    তেল সঙ্কটের জের! পাকিস্তান দিবসে সামরিক কুচকাওয়াজ করবে না শেহবাজ সরকার

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তি ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এর জেরে জ্বালানি সংকটে ভুগছে বিশ্বের বহু দেশ। সেই তালিকায় একেবারে প্রথম দিকে নাম রয়েছে পাকিস্তানের (Pakistan)। ইরান যুদ্ধের কারণে রান্নার গ্যাস, তেলের সংকট দেখা দিয়েছে সে দেশে। ঠিক সেই পরিস্থিতিতে 23 মার্চ, পাকিস্তান দিবসের দিন সামরিক কুচকাওয়াজ (Pakistan Day Military Parade) কর্মসূচি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল শেহবাজ শরীফের সরকার। সেই মর্মেই বিবৃতি জারি করেছে ইসলামাবাদ।

    বিবৃতি জারি করে কী জানাল পাকিস্তান সরকার?

    প্রত্যেক বছর 23 মার্চ মুসলিম লিগের মুসলিমদের জন্য আলাদা দেশ গঠনের প্রস্তাবকে স্মরণ করে দিনটিকে পাকিস্তান দিবস হিসেবে পালন করা হয় পশ্চিমের দেশে। এই দিনই আয়োজন করা হয় সামরিক কুচকাওয়াজের। তবে এবছর সেই পরিস্থিতি নেই পাকিস্তানে। মঙ্গলবার বিবৃতি জারি করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের পরিস্থিতিতে খরচ কমানোর পথে হাঁটছে দেশ। তাই দেশের বিভিন্ন জায়গায় পতাকা উত্তোলন কর্মসূচি চললেও সামরিক কুচকাওয়াজ আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে।

    বলাই বাহুল্য, পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত তীব্রতর হলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। পরবর্তীতে তেহরানের তরফে জানানো হয় ইরানের অনুমতি ছাড়া এই প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের চেষ্টা করলে জাহাজে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে। আর এমন ঘটনার পরই হরমুজে আটকে যায় একের পর এক জাহাজ। সেই তালিকায় ছিল পাকিস্তানের জাহাজও। এর ফলে সে দেশে দেখা যায় জ্বালানির তীব্র সংকট। সে কারণেই কঠিন সময় জ্বালানি বাঁচাতে সামরিক কুচকাওয়াজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাক সরকার।

     

    অবশ্যই পড়ুন: জোয়ার আসবে বাণিজ্য থেকে পর্যটন শিল্পে! বাংলার নতুন রেলপথ নিয়ে বড় সুখবর

    উল্লেখ্য, তেল আমদানির জন্য পুরোপুরি পশ্চিম এশিয়ার উপর নির্ভরশীল পাকিস্তান। এখানকার দেশগুলি থেকেই তেল আমদানি করে থাকে ইসলামাবাদ। গত 15 মার্চ ইরানের অনুমতি পাওয়ার পরেই পাকিস্তানের একটি তেলবাহী জাহাজ হরমুজ পেরিয়ে এসেছে। বুধবারের মধ্যে ওই জাহাজটি করাচিতে পৌঁছে যাওয়ার কথা।

  • একসময় বিজেপিতে আস্থা দেখিয়েছিল ভবানীপুর, জিতেছিল গেরুয়া শিবির

    একসময় বিজেপিতে আস্থা দেখিয়েছিল ভবানীপুর, জিতেছিল গেরুয়া শিবির

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বাংলায় ভোটের আখড়া রীতিমত জমে উঠেছে। রবিবার নির্বাচন কমিশনের ভোটের (West Bengal Election 2026) দিনক্ষণ ঘোষণার পরেই পরেরদিন সোমবার, বিজেপি প্রথম দফার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। আর সেই তালিকায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে দেখা গিয়েছে ভবানীপুর (Bhabanipur) এবং নন্দীগ্রামের প্রার্থী হতে। অন্যদিকে গতকাল, তৃণমূল কংগ্রেস প্রকাশ্যে এসেছে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকায়। উল্লেখ্যযোগ্য বিষয় হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবার ভবানীপুর থেকে ভোটে দাঁড়াতে চলেছেন। অর্থাৎ নন্দীগ্রামের হাইভোল্টেজ লড়াই এবার দেখা যাবে ভবানীপুরে।

    ভবানীপুরে জোর টক্কর তৃণমূল বিজেপির

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মমতাকে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু। প্রতি মুহূর্তে সেই সংখ্যা জাহির করে প্রায়ই নিজের প্রশংসা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবারেও শুভেন্দু দাবি করেছেন যে ২০২১-এ তাঁর কাছে নন্দীগ্রামে যেভাবে হারতে হয়েছিল মমতাকে, ২০২৬ এ ভবানীপুরে তার পুনরাবৃত্তি হবে। কিন্তু ইতিহাস বলছে, ভবানীপুর দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। তাই মমতাকে হারাতে গেলে অনেক কষ্ট করতে হবে। কিন্তু এর মাঝেও উঠছে উল্টো হিসেব, কারণ একসময় কিন্তু বিজেপিও ভবানীপুরে জিতেছিল।

    ভবানীপুরে জিতেছিল বিজেপি!

    রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, ২০১১ সালের পর থেকে ভবানীপুর কেন্দ্রে একাধিকবার জিতেছিল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ২০১১ ও ২০২১ সালের উপনির্বাচন এবং ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জিতেছিল তৃণমূল। যদিও ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভালো ফল করতে পারেনি তৃণমূল, উল্টে গেরুয়া শিবির কম ভোট পেলেও হারিয়েছিল শাসকদলকে। রিপোর্ট বলছে ২০১৪ এর লোকসভা নির্বাচনে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে সর্বমোট ১৮৫ ভোটে জিতেছিল বিজেপি (যদিও সেটি আসন জয় নয়, তবে সেবার ভবানীপুরে প্রথমবার এমন পটপরিবর্তন দেখা গিয়েছিল)। যদিও ওই একটি বারই, গত ১৫ বছরে মোট ৮টি নির্বাচনের মধ্যে ৭টিতেই তৃণমূল জয়ী বা এগিয়ে ছিল। ফলে এই কেন্দ্র এখনও তৃণমূলের ঘাঁটি বলেই ধরা হয়।

    আরও পড়ুন: বাংলায় ফের বড় অ্যাকশন কমিশনের, পাঁচ DIG সহ ১১ DM-কে সরাল কমিশন

    বেশ কয়েকটি সংবাদ প্রতিবেদনে শোনা যাচ্ছে, ভবানীপুরে প্রায় ৪০% বাঙালি ভোটার, সমসংখ্যক গুজরাতি, মারওয়ারি, বিহারি ও অন্যান্য রয়েছে এছাড়াও মুসলিম ভোটারের পরিসংখ্যানও এখানে ২০%। এই মিশ্র সামাজিক গঠন নির্বাচনের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা নেয়। সেক্ষেত্রে দুই দলের মধ্যে কোন দল জিতবে সেই নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। যদিও তৃণমূল এবং বিজেপি দুজনেই আশা রাখছে তারাই জিতবে। এখন দেখার মমতা বনাম শুভেন্দুর লড়াইয়ের টক্করে কে জেতে।

  • অধিনায়ক সূর্য বা শুভমন নয়, টিম ইন্ডিয়ার এই দুই প্লেয়ারের বেতন বাড়াবে BCCI!

    অধিনায়ক সূর্য বা শুভমন নয়, টিম ইন্ডিয়ার এই দুই প্লেয়ারের বেতন বাড়াবে BCCI!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সফল হয়েছে ভারত (India)। দলের সেই সফলতার নেপথ্যে রয়েছেন একাধিক উজ্জ্বল মুখ। তবে সেই তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে জসপ্রীত বুমরাহ এবং অক্ষর প্যাটেল। নকআউট পর্বে এই দুই প্লেয়ারের জোরেই কামাল দেখিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। সেমিফাইনাল থেকে ফাইনালে ওঠার সময় হোক কিংবা মহামঞ্চে, সব ক্ষেত্রেই এই দুই প্লেয়ার ভারতের জন্য ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। এবার শোনা যাচ্ছে, তাঁদের বেতনই বাড়াতে পারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI Salary Hike)।

    বেতন বাড়ছে দুই ভারতীয় তারকার?

    ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তির A+ ক্যাটাগরিতে ছিলেন জসপ্রীত বুমরাহ। যদিও এ মরসুমের জন্য সেই ক্যাটাগরিটাই তুলে দিয়েছে BCCI। বদলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তির সর্বোচ্চ ক্যাটাগরি হয়েছে A। সেখানেই রয়েছেন ভারতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ পেসার বুমরাহ সহ রবীন্দ্র জাদেজা এবং শুভমন গিল। আগে সাধারণত এই বিভাগের প্লেয়াররা 5 কোটি টাকা বেতন পেতেন। তবে সেই বেতন বুমরাহকে দেওয়ার ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে সমস্যা।

    ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র বলছে, আগে যেহেতু জসপ্রীত 7 কোটি টাকা বেতন পেতেন তাই নতুন করে তাঁর বেতনে কাটছাঁট করতে চাইছে না বোর্ড। শুধু তাই নয়, টিম ইন্ডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের বেতন বরং আরও বাড়িয়ে দিতে চাইছে ভারতে ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থাটি। বোর্ড চিন্তা ভাবনা করছে কীভাবে বুমরাহকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া যায় সে বিষয়ে। মূলত সে কারণেই আশা করা যাচ্ছে, এবার হয়তো বেতন বাড়লেও বাড়তে পারে টিম ইন্ডিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ বোলারের।

    অবশ্যই পড়ুন: উড়ে উড়ে একদিনেই পৌঁছে যাবে আপনার পার্সেল! পরিষেবা শুরু ইন্ডিয়া পোস্টের

    এখানেই শেষ নয়, এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তির C ক্যাটাগরিতে থাকা অক্ষর প্যাটেলের বেতনও নাকি বাড়াতে পারে বোর্ড। আগের চুক্তি অনুযায়ী এই বিভাগে থাকা প্লেয়াররা বেতন হিসেবে 1 কোটি টাকা পেতেন। তবে টি-টোয়েন্টি দলের সহ অধিনায়ক তথা অক্ষরের মতো একজন গুরুত্বপূর্ণ প্লেয়ারের এই বিভাগে থাকাটা একেবারেই মানানসই নয় বলেই মনে করছে বোর্ড। ফলে সূত্রের দাবি যদি সত্যি হয় সে ক্ষেত্রে, তাঁকে উপরের ক্যাটাগরিতে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। এর ফলে বাড়তে পারে অক্ষরের বেতন।

  • ব্যাট-বল দুদিকেই পারদর্শী, KKR-র সহ অধিনায়ক হচ্ছেন সেই প্লেয়ার!

    ব্যাট-বল দুদিকেই পারদর্শী, KKR-র সহ অধিনায়ক হচ্ছেন সেই প্লেয়ার!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: হাজারো জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবারেও অজিঙ্কা রাহানের উপর ভরসা রেখেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders)। তাঁকেই অধিনায়কের দায়িত্বে বহাল রেখেছে শাহরুখ খানের ম্যানেজমেন্ট। সেক্ষেত্রে, ভারতের এই অভিজ্ঞ তারকার কাছে আরও একবার সুযোগ রয়েছে KKR-কে ফাইনালে (Indian Premier League) তোলার। তবে অধিনায়কের নাম ঘোষণা করলেও তাঁর ডেপুটি অর্থাৎ সহ-অধিনায়ক কে হবেন তা জানায়নি KKR। তবে বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করছে, এ বছর কলকাতার সহ অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করতে পারেন এক দাপুটে অলরাউন্ডার।

    এই ব্যক্তি হতে পারেন KKR এর সহ অধিনায়ক

    গত বছর, ভেঙ্কটেশ আইয়ার ছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের সহ অধিনায়ক। তবে ব্যাট হাতে নিজেকে কোনও ভাবেই প্রমাণ করতে পারেননি তিনি। বল হাতে তো সুযোগই পাননি এই খেলোয়াড়। এক কথায় ব্যর্থতা নিয়েই 2026 এর আগে KKR ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। তবে ভেঙ্কটেশ চলে গেলেও মোটা টাকা হাতে রেখে একের পর এক পছন্দসই ক্রিকেটারকে ধরে নিয়েছে KKR ফ্রাঞ্চাইজি। চেন্নাই সুপার কিংসের সাথে লড়াই করে অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনকে দলে নিয়েছে কলকাতা।

    মাঝে শোনা যাচ্ছিল, এ বছর হয়তো তাঁকেই সহ অধিনায়ক করা হতে পারে। তবে একাধিক বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, এবারের মতো কলকাতার সহ অধিনায়কের দায়িত্বটা পেতে পারেন বহু পুরনো সঙ্গী তথা ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার সুনীল নারিন। ব্যাট এবং বল উভয় ক্ষেত্রে পারদর্শী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার এর আগে বেশ কয়েকটি ম্যাচে KKR কে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাছাড়াও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে যথেষ্ট ভাল ছন্দে দেখা যায় নারীনকে। নাইট ম্যানেজমেন্ট কর্তাদেরও তাঁর উপর ভরসা রয়েছে। মূলত সে কারণেই অনেকেই মনে করছেন, এবছর KKR এ সহ অধিনায়ক হিসেবে রাহানেকে সহায়তা করবেন নারিন।

    অবশ্যই পড়ুন: ‘অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী …’ মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    উল্লেখ্য, IPL 2026 শুরুর আগে একের পর এক ধাক্কা খেয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথমে বোর্ডের সিদ্ধান্তে বাদ দিতে হয়েছে বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমানকে। তারপর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেই চোটের পর অস্ত্রোপচার এবং শেষে গোটা ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। বিশ্বকাপ চলাকালীন চোট পেয়েছেন 18 কোটির পেসার মাথিশা পাথিরানাও। সবমিলিয়ে, IPL শুরুর আগে যথেষ্ট চাপে কলকাতা।

  • ডবল ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব! শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে দুর্যোগ, আগামীকালের আবহাওয়া

    ডবল ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব! শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে দুর্যোগ, আগামীকালের আবহাওয়া

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফাল্গুনের মাঝপথ থেকেই আবহাওয়ার একের পর এক চমক দেখেই চলেছে রাজ্যবাসী। ভরা বসন্তে (Weather) কখনও ভারী ঝড় বৃষ্টি তো কখনও আবার ভ্যাপসা গরম। এমনকি চৈত্রের শুরুতেও দুর্যোগের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। প্রায় প্রতি দিনই রাজ্যের কোথাও না কোথাও ঝড় বৃষ্টি হয়েই চলেছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে আগামী শুক্র ও শনিবার (Weather Tomorrow) দক্ষিণ এবং উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। অর্থাৎ আগামী সপ্তাহান্তেও দুর্যোগ বজায় থাকবে।

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে বঙ্গোপসাগরের উপর ঘনীভূত ঘূর্ণাবর্ত এবং আরব সাগরের ঘূর্ণাবর্তের জেরে নতুন করে বৃষ্টি শুরু হয়েছে জেলায় জেলায়। একদিকে যেমন দক্ষিণবঙ্গে ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়েছে ঠিক তেমনই আবার উত্তরবঙ্গে একই অবস্থা। অকাল বৃষ্টিতে বসন্তের আমেজ যেন একেবারেই পরিবর্তিত হয়েছে। কোনও কোনও জায়গায় আবার হয়েছে শিলাবৃষ্টিও। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে আগামী শুক্রবার থেকে ফের বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। একনজরে জেনে নেওয়া যাক কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার কলকাতা সহ দক্ষিণ বঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ থাকবে, তবে বেলা বাড়তেই খানিক রোদের দেখা মিলবে। বিকেলের দিকে আকাশে ফের দেখা যাবে আংশিক মেঘলা আকাশ। হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, দুই মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, নদিয়ায় হালকা থেকে মাঝারির বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কলকাতা-সহ বাকি জেলাতেও সামন্য বৃষ্টি হতে পারে। আর এই বৃষ্টির জেরে আগামী দু’দিন দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া পরিবর্তনের তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। জানা গিয়েছে আগামী শুক্রবার ও শনিবার কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। এবং শনিবার পর্যন্ত আরও একটা স্পেল থাকবে ঝড়বৃষ্টির।

    আরও পড়ুন: বাংলায় ফের বড় অ্যাকশন কমিশনের, পাঁচ DIG সহ ১১ DM-কে সরাল কমিশন

    উত্তরবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দুই দিনাজপুর এবং মালদহ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত। তার সঙ্গে ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। শুক্রবার থেকে উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের মাত্রা বাড়তে পারে বলে বলে মনে করছে আবহাওয়া দফতর। তাপমাত্রা পরিবর্তনের এখন কোনো সম্ভাবনা নেই।

  • অরুণাচলে মঠে গিয়ে মূর্তি চুরি বাংলার পর্যটকের, যা করলেন সন্ন্যাসীরা জেনে গর্ব হবে

    অরুণাচলে মঠে গিয়ে মূর্তি চুরি বাংলার পর্যটকের, যা করলেন সন্ন্যাসীরা জেনে গর্ব হবে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভ্রমণ করতে গিয়ে ধর্মীয় স্থানে চুরির অভিযোগ। তাও অন্য কোনও রাজ্য নয়, বরং পশ্চিমবঙ্গের এক যুবকের বিরুদ্ধে। তারপর অনুতাপ প্রকাশ করতেই করে দেওয়া হল ক্ষমা। এমনই ঘটনা ঘটল অরুণাচল (Arunachal Pradesh) প্রদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র তাওয়াং মঠে (Tawang Monastery)। কী কী চুরি করেছিল ওই অভিযুক্ত এবং কেনই বা তাঁকে ক্ষমা করা হল?

    ঘটনাটি কী?

    দ্য হিন্দুর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, গত ৩ মার্চ বিকেলবেলা তাওয়াং মঠ চত্বর সংলগ্ন এলাকা থেকে কয়েকটি ধর্মীয় সামগ্রী চুরি হয়। যার মধ্যে ছিল একটি পিতলের বৌদ্ধদেবের মূর্তি, একজোড়া ধর্মীয় ঝংকার, একটি ঘন্টা আর দুটি ধাতব ব্যাটার ল্যাম্প। ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এমনকি পুলিশ সূত্রে খবর, মঠ সংলগ্ন জায়ান্ট বুদ্ধ স্ট্যাচুপার্কের সিসিটিভি ফুটেজে ওই চুরির গোটা ঘটনা ধরা পড়েছে। আর সেই ফুটেজ দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তদন্তে থাকা পুলিশ সুপার জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং তাঁর স্ত্রী ঘটনার আগের দিন এখানে বেড়াতে এসেছিলেন।

    জানা যাচ্ছে, ৪ মার্চ দুপুরবেলা এক হোমস্টে থেকে ওই পর্যটককে আটক করে পুলিশ। আর তল্লাশি চালিয়ে চুরি যাওয়া সমস্ত সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। পুলিশের আনুমানিক অনুমান, চুরি হওয়া জিনিসগুলির বাজার মূল্য হতে পারে ২০ হাজার টাকা। এক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি, তাওয়াং মঠটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। আর ১৭০০ শতকে প্রতিষ্ঠিত এই মঠটি ভারতের সবথেকে বড় বৌদ্ধমঠ এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মঠ। এখানে প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক ও ধর্মপ্রাণ মানুষ ভিড় জমান।

    আরও পড়ুন: বাংলায় ফের বড় অ্যাকশন কমিশনের, পাঁচ DIG সহ ১১ DM-কে সরাল কমিশন

    মামলা ছাড়াই করে দেওয়া হল ক্ষমা

    তবে ওই চুরির ঘটনা ধরা পড়তেই অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের ভুল স্বীকার করে নেন এবং লিখিতভাবে প্রতিশ্রুতি দেন যে, ভবিষ্যতে এরকম কাজ আর কোনও দিনই করবেন না। তিনি ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান রাখার ক্ষেত্রেও আশ্বাস দিয়েছিলেন। এরপর মঠ কর্তৃপক্ষ সমস্ত দিক বিবেচনা করে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই তাঁকে ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত নেয়। যার ফলে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করা হয়নি।

  • T20 বিশ্বকাপ শেষ হতেই ফের মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান, কবে ম্যাচ?

    T20 বিশ্বকাপ শেষ হতেই ফের মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান, কবে ম্যাচ?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই ফের মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত এবং পাকিস্তান (India Vs Pakistan)। না এখনই নয়, পাঁচ মাস পর ফের একে অপরের মুখ দেখবে এশিয়ার এই দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে ক্রিকেটের ময়দানে নয় বরং হকি বিশ্বকাপে (Men’s FIH Hockey World Cup) একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে এই দুই দেশ। আসলে হকি বিশ্বকাপের একই গ্রুপে পড়েছে ভারত এবং পাকিস্তান দল। তাই নতুন করে আবারও মুখদর্শন হবে দু দেশের প্লেয়ারদের।

    কবে থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ?

    এবছর মহিলা এবং পুরুষ উভয় দলেরই হকি বিশ্বকাপ রয়েছে। আগামী 14 থেকে 30 আগস্ট পর্যন্ত চলবে সেই বিশ্বকাপ। জানা যাচ্ছে, এই হকি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে নেদারল্যান্ডস এবং বেলজিয়ামে। মহিলা এবং পুরুষ উভয়-বিভাগেই অংশগ্রহণ করবে ভারত। এই প্রতিযোগিতার পুরুষদের বিশ্বকাপে ভারত এবং পাকিস্তান একই গ্রুপে জায়গা পেয়েছে।

    বলাই বাহুল্য, ভারত এবং পাকিস্তানের গ্রুপে জায়গা করেছে ইংল্যান্ড এবং ওয়েলেস। অন্যদিকে মহিলাদের বিশ্বকাপে চিন, ইংল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে একই গ্রুপে রয়েছে ভারত। দুঃখের বিষয় এবছর পাকিস্তানের মহিলা দল বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। তাই তাঁদের প্রশ্নই উঠছে না। বলে রাখি, গ্রুপ বিভাজন হয়ে গেলেও হকি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সূচি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। আশা করা হচ্ছে খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে সেই সূচি।

    অবশ্যই পড়ুন: উড়ে উড়ে একদিনেই পৌঁছে যাবে আপনার পার্সেল! পরিষেবা শুরু ইন্ডিয়া পোস্টের

    প্রসঙ্গত, চূড়ান্ত সূচি প্রকাশ করা হলেই জানা যাবে ভারত এবং পাকিস্তানের ম্যাচের তারিখ। তবে আপাতত জানিয়ে রাখি, ভারত এবং পাকিস্তান এই মুহূর্তে পুল ডি তে রয়েছে। অন্যদিকে মহিলা হকি বিশ্বকাপেও পুল ডিতেই জায়গা পেয়েছে ভারতীয় দল। জানিয়ে রাখা প্রয়োজন, হকি বিশ্বকাপ বেলজিয়াম এবং নেদারল্যান্ডস দুই দেশে অনুষ্ঠিত হলেও ভারতের মহিলা এবং পুরুষ উভয় দলই নেদারল্যান্ডসেই তাদের সব ম্যাচ খেলবে।

  • ভারতীয় রেলে বিদ্যুৎ বিপ্লব! বছরে বাঁচাল ৬০০০ কোটি টাকা

    ভারতীয় রেলে বিদ্যুৎ বিপ্লব! বছরে বাঁচাল ৬০০০ কোটি টাকা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতীয় রেলের (Indian Railways) মুকুটে নয়া পালক। ডিজেল থেকে বৈদ্যুতিক চালনায় জোর দিয়ে ৬০০০ কোটি টাকার সাশ্রয় হয়েছে রেলের। মঙ্গলবার লোকসভায় এমনটাই দাবি করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। এমনকি তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, দেশের এই জাতীয় পরিবহন সংস্থাটি এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পণ্য পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি ভারতীয় রেলের একাধিক প্রকল্প নিয়েও এদিন তিনি আলোচনা করেন।

    ডিজেল চালিত ইঞ্জিন থেকে বৈদ্যুতিকে রুপান্তর

    এদিন লোকসভায় রেলমন্ত্রী বৈষ্ণব জানান যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকারের আমলে ৩৫ হাজার কিলোমিটার নতুন রেললাইন পাতা হয়েছে, আর আনুমানিক ২৭ হাজার কিলোমিটার রেললাইন বৈদ্যুতিকরণ করা হয়েছে। কংগ্রেস সিংহভাগ ডিজেল চালিত পরিষেবা ছিল। এমনকি তিনি বলেন যে, ভারতীয় রেলের ব্যয়ের ক্ষেত্রে কর্মীবাবদ খরচ সবথেকে বেশি। আর দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যয়ের খাত হল জ্বালানি বা শক্তি। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, আগামী দিনগুলোতে ডিজেল চালিত ইঞ্জিন সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হবে আর ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিক চালিত ইঞ্জিন সেই জায়গা দখল করবে।

    এদিকে রেল প্রকল্পগুলোর জন্য জমি অধিগ্রহণ সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অনুদান বরাদ্দ না করায় রাজ্যের INDIA জোট শাসন রাজ্য যেমন কেরালা, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, কর্ণাটক নিয়ে সমালোচনা করেছেন রেলমন্ত্রী। আর বিরোধী দলগুলিকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভোটের রাজনীতির পরিবর্তে কাজের রাজনীতি প্রাধান্য পেয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রী রেল বাজেটকে সবসময় অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। যার ফলে তাঁর মন্ত্রকের জন্য আর্থিক বরাদ্দের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে সারা বছর ধরেই নতুন নতুন ট্রেনের উদ্ভাবন আর নতুন প্রকল্পের সূচনা হয়েই থাকে, যা আগে চোখে পড়ত না। রেলের আর্থিক স্বাস্থ্যের উন্নতি দিনের পর দিন বাড়ছে। এমনকি এদিন রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, অর্থ মন্ত্রক আর অন্যান্য সংস্থাগুলোর অত্যাধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবস্থা ব্যবহার করে ভারতীয় রেল আরও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত হওয়ার চেষ্টা করছে।

    আরও পড়ুন: ইতিহাস গড়লেন TTE, বিনা টিকিটে যাত্রীদের ধরে একদিনেই ২.৫৭ লাখ আদায় রেলের

    এদিকে স্বাস্থ্যবিমা নিয়েও লোকসভায় বড়সড় দাবি রাখেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তিনি স্পষ্ট বলেন, স্বাস্থ্যবিমা এই সরকারের সবথেকে জনপ্রিয় অগ্রাধিকার। আর আশা করা যাচ্ছে যে, আগামী ২০৩৩ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি নাগরিককেই এই স্বাস্থ্যবিমা কভারেজের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এমনকি প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানিয়েছেন যে, বীমা খাতের ব্যয় দিনের পর দিন বাড়ানো হচ্ছে। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই খাতের আওতায় আনুমানিক ৫৮ কোটি টাকা মানুষ জীবনবিমার সুরক্ষা পেয়েছে।