Blog

  • ভারতের সবথেকে সস্তার শহর কলকাতা, খরচ কত? দেখুন রিপোর্ট

    ভারতের সবথেকে সস্তার শহর কলকাতা, খরচ কত? দেখুন রিপোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বরাবরই কলকাতাকে (Kolkata) সিটি অফ জয় বলা হয়ে থাকে। কিন্তু সকলের একটাই অভিযোগ রাজ্যে চাকরির বড্ড অভাব। এই শহরে অসংখ্য বেকার যুবক যুবতী রয়েছে যাঁরা এখনও একটি চাকরি পাওয়ার আশায় হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পরিস্থিতি এমনই যে বেঁচে বর্তে থাকার খরচ যোগান করতেই হিমশিম খাচ্ছে সকলে। তাই এই নিয়ে একটি সমীক্ষা করল Numbeo নামের এক বেসরকারি সংস্থা। গোটা বিশ্বের প্রতিটি শহরে এই সমীক্ষায় আনা হয়েছে, আর তাতেই উঠে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে দেশের মধ্যে একমাত্র কলকাতা নাকি সবচেয়ে সস্তা শহর (Cheapest City In India)।

    বিভিন্ন শহরের জীবনযাত্রার খরচ ভিন্ন

    Numbeo নামের সংস্থাটি চলতি মাসে একটি তথ্য দিয়ে জানিয়েছিল যে, দেশের প্রতি ব্যক্তির জীবনযাপনের জন্য বাড়ি ভাড়া বাদে মাসে প্রায় ২৭ হাজার ৩০০ টাকার প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে চার সদস্যের পরিবারের ক্ষেত্রে এই খরচ বেড়ে দাঁড়াতে পারে প্রায় ৯৮ হাজার টাকায়। এই হিসাবে খাওয়াদাওয়া, বাকি খরচ বা পরিষেবা সংক্রান্ত খরচ, যাতায়াত এবং বিনোদন বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে। যদিও এই খরচের পরিমাণ কম বেশি হয়। কারণ মুম্বই-দিল্লি-বেঙ্গালুরুর মতো বড় মহানগরীতে জীবনযাত্রার খরচ তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই বেশি। কারণ এখানে বাড়িভাড়া, যাতায়াতের খরচ বেশি। আবার চেন্নাইয়ের মতো মেট্রো শহরে খরচ তুলনামূলক কম।

    সবচেয়ে বেশি খরচ হয় মুম্বইতে

    সমীক্ষায় ভারতের শহরভিত্তিক জীবনযাত্রার খরচ ২০২৬ এর তালিকা অনুযায়ী প্রথমেই রয়েছে মুম্বইয়ের নাম। এখানে প্রতি মাসে ন্যূনতম খরচ ৩০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা। যার মধ্যে মাসিক খরচের সূচক ২৫.৮ এবং বাড়িভাড়ার সূচক ১৭.৫। এরপরেই তালিকায় রয়েছে দিল্লির নাম। সেখানে চারজন সদস্যের পরিবারের ন্যূনতম খরচ দেখানো হয়েছে ২২ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা। এর মাসিক খরচের সূচক ২২.৫ এবং বাড়িভাড়ার সূচক ৭.১। তৃতীয় ধাপে রয়েছে, পুনে। সেখানে চার সদস্যের পরিবারের কস্ট অফ লিভিং ২৫ হাজার থেকে ৪৫ হাজার টাকা। এছাড়াও এই শহরে মাসিক খরচের সূচক ২২.৪ এবং বাড়িভাড়ার সূচক মাত্র ৬.৬।

    চেন্নাইয়ে বাড়িভাড়া অনেক কম

    তালিকায় চতুর্থ নম্বরে রয়েছে, বেঙ্গালুরু, সেখানে চার সদস্যের পরিবারের কস্ট অফ লিভিং ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা। এছাড়াও মাসিক খরচের সূচক ২১.৫ এবং বাড়িভাড়ার সূচক মাত্র ৮.৫। পঞ্চমে রয়েছে, হায়দ্রাবাদ। সেখানে পরিবারের ন্যূনতম খরচ দেখানো হয়েছে ১২ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা। এই শহরের মাসিক খরচের সূচক ২১.১ এবং বাড়িভাড়ার সূচক মাত্র ৫.৬। ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে চেন্নাই, এখানকার কস্ট অফ লিভিং ১৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার। চেন্নাইয়ের বাড়িভাড়া দেশের অন্যান্য শহরের তুলনায় অনেকটাই কম। বাড়িভাড়া সূচক মাত্র ৪.৪ এবং মাসিক খরচ ইনডেক্স ২০.০। আর সপ্তম স্থানে রয়েছে কলকাতা।

    আরও পড়ুন: ‘বিরোধী নেই, আমি নিজেই প্রতিদ্বন্দ্বী’ বিপক্ষকে পাত্তাই দিতে নারাজ ইন্দ্রনীল সেন

    সবচেয়ে সস্তা শহর কলকাতা

    Numbeo নামের এক বেসরকারি সংস্থা সমীক্ষায় জানিয়েছে কলকাতায় চারজন সদস্যের পরিবারের ন্যূনতম খরচ দেখানো হয়েছে ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা। সেখানকার মাসিক খরচের সূচক ১৯.৩ এবং বাড়িভাড়ার সূচক মাত্র ৩.৮। অর্থাৎ সব দিক থেকেই অন্য শহরের তুলনায় কম খরচ শহর কলকাতায়। তাই কলকাতাকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ বেছে নেন। কলকাতা শহরে মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৫–৩০% মানুষই অভিবাসী। বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা ইত্যাদি অনেক জায়গা থেকে মানুষ এখানে বসবাস করে।

  • ইস্টবেঙ্গলে কোচ অস্কারের ডানা ছাঁটার কাজ শুরু?

    ইস্টবেঙ্গলে কোচ অস্কারের ডানা ছাঁটার কাজ শুরু?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শুরুটা জয় দিয়ে করলেও হঠাৎ মাঝ পথে হারিয়ে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC)। চলতি ইন্ডিয়ান সুপার লিগে যেখানে একের পর এক ম্যাচ জিতে ক্ষমতা প্রদর্শন করছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট, সেই পর্বে দাঁড়িয়ে ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে শহরের ঐতিহ্যবাহী দল লাল হলুদ। আর তার দায় গিয়ে পড়েছে সরাসরি প্রধান কোচ অস্কার ব্রুজোর (Oscar Bruzon) কাঁধে। এর আগে বেশ কয়েকবার স্প্যানিশ কোচকে গো ব্যাক স্লোগান দিয়েছেন ভক্তরা। দাবি উঠেছে তাঁকে পদ থেকে অপসারণের। এ নিয়ে যদিও লাল হলুদ কর্তা জানিয়েছিলেন, অস্কারকে ছেড়ে দেওয়া তাঁদের হাতে নেই। তবে এবার শোনা যাচ্ছে, ইস্টবেঙ্গলে ধীরে ধীরে গুরুত্ব কমছে এই বিদেশি কোচের।

    ডানা ছাটা হচ্ছে অস্কারের!

    যে দলটা এবারের সংক্ষিপ্ততম ISL এর শুরুর দিকে প্রতিপক্ষকে একেবারে নাজেহাল করে ছেড়েছিল তারাই কিনা এই মুহূর্তে পয়েন্ট তালিকার পাঁচ নম্বরে পড়ে রয়েছে। ভাবলেও কেমন লজ্জা করে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের! আসলে ISL এ পয়েন্ট তালিকার আট অথবা নয় এক কথায় তলানিতে থাকতে থাকতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। তাই নতুন সিজনের আগে একের পর এক বিদেশি ফুটবলারকে সই করিয়ে নতুন করে নিজেদের মেলে ধরার স্বপ্ন দেখেছিল শহরের এই ঐতিহ্যবাহী দলটি। সেই স্বপ্নের পথে পা বাড়িয়েও কেমন যেন পিছিয়ে আসতে হচ্ছে লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাবটিকে।

    এদিকে বুধবার সাড়ে চারটে থেকে অনুশীলন শুরু করার কথা ছিল ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের। তবে মিগুয়েলরা মাঠে নামলেন পাঁচটায়। সূত্রের খবর, অনুশীলন শুরু হওয়ার আগে থাংবোই সিংটোর সাথে কয়েক দফা মিটিং হয় তাঁদের। এরপর অবশ্য দলকে হাতে পান অস্কার। কিন্তু তারপরেও দেখা গেল প্রধান কোচের সাথে মিটিংয়ে বসলেন প্লেয়াররা। এই দৃশ্য দেখে অনেকেই ধরে নিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলে ডানা ছাটার কাজ চলছে অস্কারের। কারণ এর আগে বহুবার ফুটবলারদের নিয়ে নানান বৈঠকের পরই প্রধান কোচেদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। এবারেও কি তেমনটা হবে? প্রশ্নটা আপাতত তোলাই থাক।

    অবশ্যই পড়ুন: তাঁর জোরেই প্রথম IPL জয়, সেই তারকাকেই বড় দায়িত্ব দিল KKR

    প্রসঙ্গত, আগামী সোমবার এই মুহূর্তে পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থাকা দল মহামেডান স্পোটিংয়ের বিরুদ্ধে খেলবে ইস্টবেঙ্গল। এবারের প্রতিযোগিতায় আজ পর্যন্ত খাতা খুলতে না পারলেও এই প্রতিবেশী দলটির প্লেয়ারদের একেবারেই হালকাভাবে নিচ্ছেন না ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার। লাল হলুদ সূত্রে খবর, দায়িত্ব হারানোর ভয়কে সরিয়ে রেখে এই মুহূর্তে পরবর্তী ম্যাচের উপর নজর দিয়েছেন স্প্যানিশ কোচ অস্কার।

  • সত্যিই কি ধেয়ে আসছে ‘শম্পা’? দক্ষিণবঙ্গে ব্যাপক দুর্যোগ! আবহাওয়ার খবর

    সত্যিই কি ধেয়ে আসছে ‘শম্পা’? দক্ষিণবঙ্গে ব্যাপক দুর্যোগ! আবহাওয়ার খবর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধ্বংসী ঝড় এবং এক নাগাড়ে বৃষ্টিতে ভিজেই চলেছে উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গ। আজ বৃহস্পতিবারও বাংলার বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সকাল থেকেই সেই চেনা রোদের তেজ রয়েছে। সেইসঙ্গে রয়েছে ভ্যাপসা গরম। আগামী দিনে আরও গরম বাড়বে বলে আভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। এদিনে আজ দুপুরের পর থেকে নতুন করে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির ভ্রূকুটি রয়েছে বাংলায় বলে খবর। অন্যদিকে আবার দাবি করা হচ্ছে, ‘শম্পা’ (Shampa) নামের এক আবহাওয়া সিস্টেমের জেরে আগামী ২০ থেকে ২২ মার্চ অবধি বাংলাজুড়ে ব্যাপক ঝড় বৃষ্টি চলবে। সত্যিই কি তাই? চলুন জেনে নেবেন।

    ‘শম্পা’-র জেরে বাংলায় ব্যাপক দুর্যোগের আশঙ্কা?

    সামাজিক মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে, ‘শম্পা,’ বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টির এক বিধ্বংসী স্কোয়াল ফ্রন্ট। যে কারণে ২০ থেকে ২২শে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বঙ্গজুড়ে এর প্রভাব পড়তে পারে। এও দাবি করা হয়েছে, শম্পা শব্দের অর্থ হলো বিদ্যুতের ঝলকানি বা বজ্রবিদ্যুৎ। সে তো এমনিতেও স্থান বিশেষে কালবৈশাখী, বজ্রবিদ্যুৎ, বৃষ্টি চলছে। সেখানে আলাদা করে আবহাওয়া অফিস বা IMD-র তরফে কিছু নামকরণ করা হয়নি। তাহলে কি এটা সত্যি নয়?

    আরও পড়ুনঃ DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    ওই ফেসবুক পেজে দাবি করা হয়েছে, এই শম্পা'র দৌলতে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু অঞ্চলে এবং উত্তরবঙ্গের পার্বত্য তরাই ডুয়ার্স অঞ্চলে বজ্রবিদ্যুসহ ঝড়-বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু কিছু অঞ্চলে আঞ্চলিকভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে, এমনকি শক্তিশালী কালবৈশাখী বা টর্নেডো সদৃশ ঝড়-বৃষ্টিও চোখে পড়তে পারে। যদিও এই বিষয়টির সত্যতা যাচাই করেনি ihbangla.satest.online/। আবার পোর্টাল বাংলার আবহাওয়া কেমন থাকবে সেটা জানতে আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসের ওপরেই নজর রাখছে।

    আজ কেমন থাকবে বাংলার আবহাওয়া?

    আলিপুর আবহাওয়া অফিসের বুলেটিন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদীয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় বরবিদ্যুত সহ বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। উত্তরবঙ্গের কথা বললে, এদিন হালকা থেকে মাঝারি পরিমাণে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায়। কোচবিহার জেলায় শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

     

  • ফাঁকা সিলিন্ডারে নিজেই ভরে আনুন গ্যাস, দেশে চালু হল প্রথম LPG ATM পরিষেবা

    ফাঁকা সিলিন্ডারে নিজেই ভরে আনুন গ্যাস, দেশে চালু হল প্রথম LPG ATM পরিষেবা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দেশে এমনিতেই এলপিজি সংকটের (LPG Crisis) মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে সাধারণ মানুষ। বুকিং করলেও মিলছে না সিলিন্ডার। এমনকি কোথাও কোথাও বুকিং করতেও সমস্যা হচ্ছে, আর দামও বেড়েছে অনেকটাই। আর এই সবকিছুর পিছনে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ। হরমুজে আটকে একের পর এক এলপিজিবাহী জাহাজ। বিশেষ করে গার্হস্থ সিলিন্ডারে কিছুটা স্বস্তি মিললেও বাণিজ্যিক সিলেন্ডার নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘ লাইন দিয়েও মিলছে না গ্যাস। একেবারে সরবরাহ নেই বললেই চলে। তার মধ্যেই আসলো বিরাট সুখবর। এবার দেশে চালু হল এলপিজি এটিএম পরিষেবা (LPG ATM Service), যেখানে এটিএম-র মাধ্যমেই সাধারণ মানুষ গ্যাস নিতে পারবে।

    প্রথমেই জানিয়ে রাখি, দেশে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্র সরকার একের পর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তবে এবার তারই মধ্যে হরিয়ানার গুরুগ্রামে চালু হল এই নতুন পরিষেবা। এটিই দেশের মধ্যে প্রথম। জানা যাচ্ছে, বিপিসিএল এর পরীক্ষামূলক প্রকল্পে সাধারণ মানুষ অনেকটাই স্বস্তি পাবে। কারণ, দিনের পর দিন যেভাবে এলপিজি সংকট দেখা যাচ্ছে, তা থেকে রেহায় দেবে এই পরিষেবা। বিপিসিএল এর উদ্যোগে গুরগ্রামে শুরু হওয়া এই এলপিজি এটিএম পরিষেবার মাধ্যমে গ্রাহকরা কয়েক মিনিটের মধ্যেই গ্যাস ভরে দিতে পারবে। কিন্তু কীভাবে কাজ করবে এই পরিষেবা?

    কী এই এলপিজি এটিএম পরিষেবা?

    রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, এই এটিএম ব্যবহার করতে গেলে ব্যবহারকারীদের আগে থেকে এটিএম-এ এসে নিজেদেরকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তারপর নিজের মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি আসবে। সেই ওটিপি দিলেই গ্যাস রিফিল হবে। তার আগে সিলিন্ডারে থাকা বারকোড বা কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই এলপিজি পরিষেবা গুরুগ্রামের সোহানা সেক্টর ৩৩ এর আবাসিক বিল্ডিং-এ বসানো হয়েছে। আর সেখানে অটোমেটিক ভেন্ডিং মেশিনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ দুই থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই নিজেদের সিলিন্ডার রিফিল করে নিতে পারছে। এমনকি ২৪ ঘণ্টা এই পরিষেবা চালু থাকবে বলে কোম্পানির তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কাতারের রাস লাফানে ইরানের হামলা, সম্পূর্ণ বন্ধ গ্যাস সরবরাহ! ফের LPG সঙ্কটে ভারত?

    এদিকে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এখানে পেমেন্টের ক্ষেত্রেও আনা হয়েছে ডিজিটাল মাধ্যম। হ্যাঁ, ইউপিআই থেকে শুরু করে ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড বা নেট ব্যাঙ্কিং এর মাধ্যমেই এই এটিএম-এ পেমেন্ট করতে পারবেন। তবে আপনাকে সেখানে একটি খালি সিলিন্ডার রাখতে হবে। তারপর সেই এটিএম আপনাকে ভর্তি সিলিন্ডার ফেরত দেবে। উল্লেখ করার বিষয় যে, এখানে লোহার সিলিন্ডার ব্যবহার করা হবে না। শুধুমাত্র কম্পোজিট সিলিন্ডার দেওয়া হবে, যেগুলি অন্যান্য সিলিন্ডারের তুলনায় হালকা। আর এই সিলিন্ডারের ওজন মাত্র ১৫ কেজি, তাও গ্যাসসহ। আর একটি এটিএম-এ দশটি সিলিন্ডার থাকবে। যখন সিলিন্ডার শেষ হয়ে যাবে, তখন সঙ্গে সঙ্গে নিকটবর্তী কোনও গ্যাস এজেন্সি থেকে এটিএম এলার্ট পাঠাবে। তারপর তারা আবার দ্রুত মেশিন রিফিল করবে। এতে সাধারণ মানুষ খুব সহজেই তাদের সিলিন্ডার ভর্তি করে নিতে পারবে।

  • ‘বিরোধী নেই, আমি নিজেই প্রতিদ্বন্দ্বী’ বিপক্ষকে পাত্তাই দিতে নারাজ ইন্দ্রনীল সেন

    ‘বিরোধী নেই, আমি নিজেই প্রতিদ্বন্দ্বী’ বিপক্ষকে পাত্তাই দিতে নারাজ ইন্দ্রনীল সেন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর ভোটযুদ্ধ (West Bengal Election 2026) শুরু হয়ে গিয়েছে জেলায় জেলায়, রবিবার নির্বাচন কমিশনের দিন ঘোষণার পরেই সোমবার প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছিল গেরুয়া শিবির। ঠিক তার পরের দিনই অর্থাৎ মঙ্গলবার ২৯৪ টি কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে আনে তৃণমূল (Trinamool Congress)। সেই তালিকায় যেমন নতুন মুখ দেখা গিয়েছিল ঠিক তেমনই আবার বেশ কিছু পুরোনো মুখও ছিল। যার মধ্যে অন্যতম হলেন ইন্দ্রনীল সেন (Indranil Sen)। টানা তৃতীয়বারের জন্য চন্দননগর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে জয়ের গান গাইলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী ইন্দ্রনীল সেন।

    হ্যাটট্রিকের পথে ইন্দ্রনীল সেন

    মঙ্গলবার ঘোষণা করা হয়েছিল তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা। সেখানে তৃতীয়বারের জন্য তৃণমূলের প্রার্থী হলেন ইন্দ্রনীল সেন। ২০১৬ সালে প্রথম চন্দননগর বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হন সংগীত শিল্পী ইন্দ্রনীল সেন। সেখান থেকেই জয়লাভ করে বিধায়ক হন। এরপর ২০২১ সালেও চন্দননগর থেকেই প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করেন ইন্দ্রনীল। আর এবার ২০২৬ এর লক্ষ্যে বিধানসভা ভোটে চন্দননগর বিধানসভায় ইন্দ্রনীলের উপরেই ভরসা রাখল তৃণমূল কংগ্রেস। তাই সেই ভরসার দাম দিতে রীতিমত চন্দননগরে ঘর গোছাতে শুরু করলেন তিনি। যদিও তাঁর বিশ্বাস এবার সে হ্যাটট্রিক গড়বেই।

    সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি ইন্দ্রনীল

    রিপোর্ট মোতাবেক গতকাল অর্থাৎ বুধবার চন্দননগরের কলুপুকুরধার এলাকার একটি লজে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন ইন্দ্রনীল। তারপরেই সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি তিনি বলেন, “চন্দননগরে একাধিক উন্নয়ন হয়েছে। তবু যদি কেও মনে করেন আরও কিছু কাজ হওয়ার দরকার ছিল, সেই কাজ গুলি হয়নি। তবে সেই কাজের লিস্ট আপনারা পাঠাবেন করে দেব। আগামী দিন আর কী কী কাজ হবে তা সবাইকে নোটিস দিয়ে এবং সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।” এছাড়াও তিনি বুঝিয়ে দিলেন, চন্দননগরে তাঁর লড়াই কোনও নির্দিষ্ট দলের বিরুদ্ধে নয়, বরং নিজের উন্নয়নের রেকর্ডের সঙ্গেই।

    আরও পড়ুন: স্বপ্না বর্মণের জীবনে শোকের ছায়া, বাবাকে হারিয়ে ভেঙে পড়লেন তৃণমূলের প্রার্থী

    এলাকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে সিপিএম প্রার্থীর করা অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়ে ইন্দ্রনীল সেন জানিয়েছেন, “ওঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত। ওঁর চক্ষু পরীক্ষা করা উচিত। তাঁর জন্য সরকারি হাসপাতাল রয়েছে। স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প রয়েছে। স্বাস্থ্য বীমা রয়েছে। তার পরেও যদি আমার কোনও ব্যক্তিগত সাহায্য দরকার হয়, আমি করব।” এছাড়াও ভোটের ময়দানে কর্মীদের একগুচ্ছ পরামর্শ দেন ইন্দ্রনীল। তাঁর কথায়, “বিরোধী নেই, আমি নিজেই আমার প্রতিদ্বন্দ্বী। সবাইকে বলব শরীর সুস্থ রাখুন। সম্পর্ক সবার সাথে ভাল রাখুন। ভোটাররা যাতে ভোট দিতে পারে সেদিকে নজর দিন। সকলে যেন নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেদিকে নজর দিন।”

  • তাঁর জোরেই প্রথম IPL জয়, সেই তারকাকেই বড় দায়িত্ব দিল KKR

    তাঁর জোরেই প্রথম IPL জয়, সেই তারকাকেই বড় দায়িত্ব দিল KKR

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: KKR (Kolkata Knight Riders) আর পাঁচটা দলের মতো নয়। এমন কথা বরাবরই বলে আসছেন নাইট ভক্তরা। যদিও এমন বক্তব্যের স্বপক্ষে একাধিক প্রমাণ মিলেছে। আসলে চুক্তির বাইরেও প্লেয়ারদের সবরকম ভাবে সাহায্য করে শাহরুখ খানের এই দল। প্রাক্তন প্লেয়ারদের খোঁজ খবর রাখে KKR। তাই তো প্লেয়াররাও অল্প টাকাতেই এই দলের সাথে জুড়ে থাকেন। এমনকি প্রাক্তন ক্রিকেটাররাও কলকাতা নাইট রাইডার্সের যেকোনও রকম সমস্যায় ছুটে আসেন। এবারও তেমনটাই হয়েছে। IPL শুরু হওয়ার ঠিক আগেই কলকাতায় বিশেষ দায়িত্ব পেলেন নাইট রাইডার্স দলের প্রথম IPL জয়ের মহানায়ক মনবিন্দর বিসলা।

    KKR এ বিশেষ দায়িত্ব পেলেন বিসলা

    চন্দ্রকান্ত পন্ডিতের জামানা শেষ হতেই ভারতীয় তারকা অভিষেক নায়ারকে প্রধান কোচের আসনটা দিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এবছর সেই আসনের মর্যাদা রাখতেই নিজের সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করছেন গৌতম গম্ভীরদের বন্ধু। এবার তিনি নাইট শিবিরের বাকিদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন কলকাতার প্রথম যুদ্ধ জয়ের নায়ক বিসলাকে। বলে রাখি, অজিঙ্কা রাহানেদের দলে হেড অফ স্কাউট হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে তাঁকে।

    সহজ ভাষায় বলতে গেলে, মনবিন্দর বিসলার কাজ হবে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ক্রিকেট প্রতিবাদের অন্বেষণ করে আনা। এবছর একের পর এক ক্রিকেটারকে তুলে এনেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তো স্কাউটিং এ একেবারে পটু। এবার কলকাতা নাইট রাইডার্স চাইছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তরুণ এবং দাপুটে ক্রিকেটারদের নিয়ে আসতে। আর সেই দায়িত্বই এবার দেওয়া হয়েছে প্রথম IPL জয়ের অন্যতম কান্ডারী বিসলাকে। এখন দেখার কতটা শক্ত হাতে সেই দায়িত্ব পালন করতে পারেন তিনি।

    অবশ্যই পড়ুন: স্বপ্না বর্মণের জীবনে শোকের ছায়া, বাবাকে হারিয়ে ভেঙে পড়লেন তৃণমূলের প্রার্থী

    উল্লেখ্য, আগামী 28 মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। কলকাতার ম্যাচ রয়েছে ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ 29 তারিখ। সেই মতোই, বুধবার থেকে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে নাইটরা। ইডেনে অনুশীলনের আগে শেন ওয়াটসনদের মতো তারকাদের সাথে দলের ছেলেদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন প্রধান কোচ অভিষেক নায়ার। সেই ভিডিওও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল।

  • কাতারের রাস লাফানে ইরানের হামলা, সম্পূর্ণ বন্ধ গ্যাস সরবরাহ! ফের LPG সঙ্কটে ভারত?

    কাতারের রাস লাফানে ইরানের হামলা, সম্পূর্ণ বন্ধ গ্যাস সরবরাহ! ফের LPG সঙ্কটে ভারত?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আবারও এলপিজি নিয়ে খারাপ খবর (LPG Crisis)। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা (Middle East War) ফের নতুন রূপ ধারণ করল। ইরানের গ্যাস ফিল্ডে হামলা করল ইজরায়েল। পাল্টা কাতারের তরল প্রাকৃতিক গ্যাস কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে বদলা নিল তেহরান (Iran Attack on Qatar)। ভারতে এলএনজি গ্যাস মূলত কাতার থেকেই আসে। আর বিশ্বের সবথেকে বড় এলএনজি হাব ছিল কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি (Ras Laffan Industrial City)। সেখানেই মিসাইল ইরানের। তাহলে ফের এলপিজির সংকট?

    এলপিজি নিয়ে ফের উদ্বেগ

    জানিয়ে রাখি, হরমুজ প্রণালীর আশেপাশে এখনো পর্যন্ত ভারতের একটি এলএনজি ভর্তি জাহাজ আর ছয়টি এলপিজি জাহাজ আটকে রয়েছে। তবে সেগুলি ভারতে আসার পরেও দুর্ভোগ কমবে না। কারণ, বিশ্বের সবথেকে বড় এলএনজি হাবেই অ্যাটাক করেছে ইরান। একেবারে মিসাইল মেড়ে উড়িয়ে দিয়েছে রাস লাফান। এমনিতেই এতদিন ধরে এলএনজি প্রোডাকশন বন্ধ রেখেছিল কাতার। এবার পুরোপুরি তা ভেস্তে গেল। আগেই ঘোষণা দিয়েছিল ইরান। তেহরানের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, গালফ অঞ্চলের বিভিন্ন জ্বালানি পরিকাঠামোতে পাল্টা হামলা চালানো হবে। সে মতোই রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে খামেনির দেশ।

    এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো, বর্তমানে কাতারে ১৯.২ কেজি এলএনজির দাম ৮৫০ টাকা। আর ওই একই এলএনজি আমেরিকায় ২২০০ টাকা। পাশাপাশি ১৪.২ কেজি এলপিজি গ্যাসের দাম কাতারে ৯১০ টাকা হলে আমেরিকা সেখানে নেয় ১২০০ টাকা। আর দিনের পর দিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রা একেবারে তলানিতে ঠেকছে। তাই আমদানি খরচ যে বাড়ছে তা বলার জো নেই। সবথেকে বড় ব্যাপার, প্রতি ইউনিট গ্যাস আনতে ভারতের এখন ১১০০ টাকা করে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। আর মোট হিসাব করলে গ্যাস আমদানিতে প্রায় ২৫০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হচ্ছে নয়া দিল্লিকে।

    সেই সূত্রে গৃহস্থালীর এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১২০০ টাকা হওয়া উচিত। কিন্তু প্রতি সিলিন্ডারে ৩০০ টাকা করে লসে বিক্রি করছে ভারত সরকার। এমনকি বাকি আরও ৩০০ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। এমতাবস্থায় যদি সাপ্লাই চেইন ঠিক না থাকে এবং গ্যাসের উৎপাদন ভারত না বাড়াতে পারে, তাহলে যে আগামী দিনে আবারও তীব্র গ্যাস সংকটে পড়বে দেশ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনকি এই যুদ্ধ কতদিন চলবে তাও অনিশ্চিত। আর তার উপর পেট্রো কোম্পানিগুলি দিনের পর দিন ক্ষতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: বর্ধমান লাইনে বিরাট কাজ করে ফেলল পূর্ব রেল, হাওড়া-দিল্লি রুট এখন আরও নিরাপদ

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা হুঁশিয়ারি

    এদিকে ইরান কাতারের গ্যাস ফিল্ডে হামলা করাতে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তেহরানকে সতর্ক করে ট্রাম্প বলেছেন, কাতারের জ্বালানি পরিকাঠামোতে হামলা করলে কঠোর পরিণতি হতে পারে। ইজরায়েল রাগের বশে সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ডের ছোট্ট একটি অংশে হামলা চালিয়েছে। এই হামলার সঙ্গে আমেরিকার কোনও যোগ নেই। ইরান পরিস্থিতি না বুঝেই অন্যায় ভাবে কাতারের গ্যাস কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। যদি ইরান কাতারের উপর আবারও হামলা চালায়, তাহলে আমেরিকা ইজরায়েলের সহযোগিতা না পেলেও সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ড সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেবে।

  • EPFO 3.0-র ধামাকা! এবার পেনশন ও ক্লেম সেটলমেন্ট হবে আরও সহজ, ঘোষণা কেন্দ্রের

    EPFO 3.0-র ধামাকা! এবার পেনশন ও ক্লেম সেটলমেন্ট হবে আরও সহজ, ঘোষণা কেন্দ্রের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সময় যত এগোচ্ছে ততই ক্রমে বাড়ছে EPFO 3.0 এর আশা। পেনশনের টাকা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে সুদের হার বৃদ্ধি সহ একাধিক দাবি জানানো হচ্ছে সরকারের কাছে। এদিকে সরকারের দাবি অনুযায়ী, EPFO 3.0 চালু হলে সকল সদস্য দারুণ ভাবে লাভবান হবেন। প্রশ্ন উঠছে কীভাবে? সরকার এই বিষয়েই এক বড় আপডেট দিল যা প্রতিটি সদস্যের জেনে রাখা উচিৎ।

    EPFO 3.0 নিয়ে বড় আপডেট দিল সরকার

    সরকার লোকসভায় ইপিএফও ৩.০ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। এই নতুন ব্যবস্থার অধীনে, দাবি নিষ্পত্তির (Claim Settle) প্রক্রিয়াকে আরও প্রসারিত বা সহজ ভাষায় বললে উন্নত করা হয়েছে, পেনশন প্রদানের পদ্ধতির উন্নতি করা হয়েছে এবং কার্যপ্রণালীকে উল্লেখযোগ্যভাবে সরল করা হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শোভা করন্দলাজে জানিয়েছেন যে, ইপিএফও ৩.০ কম সময়ে গ্রাহকদের আরও বেশি সুবিধা প্রদানের জন্য পরিষেবাগুলিকে ডিজিটাইজ করছে।

    অটোমেটিক মোডে দাবি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে

    সরকারের মতে, কেন্দ্রীভূত পেনশন প্রদান ব্যবস্থা (সিপিপিএস) এখন সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হয়েছে। ১ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে ইপিএফও-এর সমস্ত অফিস এই ব্যবস্থায় কাজ করছে। এর ফলে প্রতি মাসে ৭০ লক্ষেরও বেশি পেনশনভোগীকে সময়মতো এবং ত্রুটিমুক্ত পেনশন প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। দাবি নিষ্পত্তিতেও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত, ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ৩৫.২ মিলিয়নেরও বেশি দাবি অটোমেটিক মোডে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে, মোট অগ্রিম দাবির ৭১.৩৭% ম্যানুয়াল প্রক্রিয়াকরণ ছাড়াই নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যার মোট পরিশোধের পরিমাণ প্রায় ৫১,৬২০ কোটি টাকা।

    আরও পড়ুনঃ বর্ধমান লাইনে বিরাট কাজ করে ফেলল পূর্ব রেল, হাওড়া-দিল্লি রুট এখন আরও নিরাপদ

    যেসব কর্মচারী চাকরি পরিবর্তন করেন, তাদের জন্য ইপিএফ অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার করার প্রক্রিয়া এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত, কর্মচারী বা নিয়োগকর্তার কোনোরকম সম্পৃক্ততা ছাড়াই ৭০.৫৪ লক্ষেরও বেশি ট্রান্সফার আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শুরু করা হয়েছে। একবার কেওয়াইসি (KYC) সম্পন্ন হয়ে গেলে, পুরোনো বা নতুন নিয়োগকর্তা কারোরই অনুমোদনের আর প্রয়োজন হয় না। এছাড়াও, ২১.৩৯ লক্ষেরও বেশি কর্মচারী নিয়োগকর্তার কোনো সহায়তা ছাড়াই ট্রান্সফার আবেদন জমা দিয়েছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আগে যেখানে ক্লেইম সেটল করতে ২০ দিন পর্যন্ত সময় লাগত, এখন তা তিন দিনেরও কম সময়ে সম্পন্ন হচ্ছে। ফলে আখেরে লাভ হচ্ছে সদস্যদেরই।

     

  • বর্ধমান লাইনে বিরাট কাজ করে ফেলল পূর্ব রেল, হাওড়া-দিল্লি রুট এখন আরও নিরাপদ

    বর্ধমান লাইনে বিরাট কাজ করে ফেলল পূর্ব রেল, হাওড়া-দিল্লি রুট এখন আরও নিরাপদ

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল (Indian Railways) যাত্রীদের চিন্তার দিন শেষ। এর কারণ এবার ট্রেনে ভ্রমণ করা আরও সুরক্ষিত। সবথেকে বড় কথা, বাংলার অন্যতম বেশি চাহিদাসম্পন্ন রুট হাওড়া-দিল্লি রুট (Howrah-Delhi Route) নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় রেল। আপনিও কি আগামী দিনে হাওড়া থেকে দিল্লি বা দিল্লি থেকে হাওড়া আসবেন বলে ঠিক করেছেন? তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনটি রইল শুধুমাত্র আপনার জন্য। হাওড়া-নয়া দিল্লি রুটের বর্ধমান এবং প্রধানকুণ্ডার মধ্যবর্তী ১৫৫ কিলোমিটার অংশে সফলভাবে কবচ অ্যান্টি-কলিশন সিস্টেম (Kavach) চালু করেছে।

    হাওড়া-দিল্লি রুটে বসল কবচ

    রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্ধমান এবং প্রধানকুণ্ডার মধ্যবর্তী ১৫৫ কিলোমিটার অংশে সফলভাবে কবচ অ্যান্টি-কলিশন সিস্টেম চালু করে নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে পূর্ব রেল। সেইসঙ্গে পরিচালনগত ক্ষমতা এবং যাত্রী সুরক্ষায় নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। এই সাফল্যের ফলে, চলতি অর্থ বছরে কবচ সিস্টেমের মোট বাস্তবায়ন ২৬০ কিলোমিটারে পৌঁছেছে, যা রেল সুরক্ষার সর্বোচ্চ মানের প্রতি পূর্ব রেলের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।

    বড় সাফল্য পূর্ব রেলের

    নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি, পূর্ব রেল কঠোর আর্থিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চমৎকার আর্থিক শৃঙ্খলা প্রদর্শন করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সাধারণ পরিচালন ব্যয় ১৪.৫৫% কমিয়ে এনেছে। পূর্ব রেলওয়ের এই জোনের রাজস্ব আয়ও বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে শক্তিশালী রয়েছে। স্ক্র্যাপ বিক্রি থেকে রাজস্ব আয় ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ৭০.২২ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা লক্ষ্যমাত্রা ৫৪.৫ কোটি টাকাকে ২৮.৮৪% ছাড়িয়ে গেছে। যাত্রী ভাড়া থেকেও রাজস্ব আয়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে, যা গত বছরের একই মাসের তুলনায় ১২.০১% বেড়ে ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ২৪৪.২২ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    পূর্ব রেলওয়ের এই সকল সাফল্য শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রেখে পরিকাঠামো আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে এর সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিকেই প্রতিফলিত করে। আর্মার সিস্টেমের সম্প্রসারণ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা পূর্ব রেলওয়েকে পরিচালনগত দক্ষতা ও যাত্রী সুরক্ষার সর্বোচ্চ মান অর্জনে সহায়তা করছে।

    কবচ কী?

    কবচ হলো ভারতের প্রথম আধুনিক অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন (এটিপি) সিস্টেম। রেল কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে সমস্ত রুটে এর ব্যবহার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। হাওড়া থেকে ছোটা আম্বানা পর্যন্ত এই অংশটি ২৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ, যার মধ্যে ২২৯ কিলোমিটার পশ্চিমবঙ্গে এবং ৩১ কিলোমিটার ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত। সম্পূর্ণ লাইনটিতে ৪৭টি স্টেশন এবং গেটেড আর্মারযুক্ত ১৩টি লেভেল ক্রসিং রয়েছে। ২০২২ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি চার বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত মজবুত।

     

  • মমতা, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মুসলিম ক্যান্ডিডেট! ভবানীপুরে কাকে প্রার্থী করলেন হুমায়ুন?

    মমতা, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মুসলিম ক্যান্ডিডেট! ভবানীপুরে কাকে প্রার্থী করলেন হুমায়ুন?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ঘোষণা হয়ে গিয়েছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) দিন। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যে হবে ভোট। এদিকে তৃণমূল বিজেপি এবং লাল শিবির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিয়েছে। এমতাবস্থায় আর দেরি না করে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল হুমায়ুন কবীরের জনতা উন্নয়ন পার্টি (Candidate Lists Of Humayun Kabir Party)। জানা গিয়েছে, তাঁরা এবার ১৮২টি আসনে প্রার্থী দিচ্ছে তাঁরা।

    দুই জায়গার প্রার্থী হলেন হুমায়ুন কবীর

    গতকাল অর্থাৎ বুধবার, জনতা উন্নয়ন পার্টির ১৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন হুমায়ুন কবীর। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে হুমায়ুন জানিয়েছেন, “আমরা ১৮২টি আসনে প্রার্থী দিচ্ছি। বাকি প্রার্থী তালিকা আগামী ২২ মার্চ তারিখ প্রকাশ করা হবে।” এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন ‘মিম’ অর্থাৎ অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীনের সঙ্গেও আসন সমঝোতা চলছে। তাঁদের নাকি কয়েকটি আসন ছাড়া হয়েছে, তারা সেখানে লড়বে। কিন্তু সূত্রের খবর, এবার হুমায়ুন কবীর লড়বেন না ভরতপুর থেকে। শুভেন্দু অধিকারী যেমন নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর থেকে লড়বেন, ঠিক তেমনই হুমায়ুন কবীরও মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং নঁওদা থেকে লড়বেন।

    কে কোথায় লড়ছেন?

    জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, বর্ধমান পূর্বস্থলী উত্তর থেকে লড়াই করবেন বাপন ঘোষ। ইয়াসিন হায়দার কান্দি থেকে লড়াই করবেন। মালতীপুর থেকে আবদুল মিনাজ শেখ, বেলডাঙা থেকে সৈয়দ আহমেদ কবীর, মানিকচক থেকে আবু শইদ, মালদহ রতুয়া থেকে রয়াল ইসলাম, সুজাপুর থেকে নাসিমুল হক, ভরতপুর থেকে সৈয়দ খুবাইব আমিন সাহেব, বেহালা পূর্ব থেকে অনুপম রোহদগীর, ফরাক্কা থেকে ইমতিয়াজ মোল্লা, হরিহর পাড়া থেকে বিজয় শেখ এবং ভবানীপুর আসনে একজন অবাঙালি মুসলিমকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তাঁর নাম আগামী ২২ তারিখে প্রকাশ্যে আসবে।

    আরও পড়ুন: স্বপ্না বর্মণের জীবনে শোকের ছায়া, বাবাকে হারিয়ে ভেঙে পড়লেন তৃণমূলের প্রার্থী

    সূত্রের খবর, তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা থেকে বেশ কয়েকজন মুসলিম বিধায়কের নাম বাদ পড়েছে এবার তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইছেন হুমায়ুন। তাঁর লক্ষ্য তৃণমূলকে উচিত শিক্ষা দেওয়া এবং রাজ্যের মুসলিম ভোট এক করা। এর আগে সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে জোট গঠনের জন্য সাক্ষাৎ করেছিলেন হুমায়ুন। কিন্তু তা ফলপ্রসূ হয়নি। উল্টে এই নিয়ে সিপিআইএমের অন্দরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। একজন দেখার বিজেপি দ্বিতীয় দফা ভোটের জন্য কাকে কাকে প্রার্থী তালিকায় জায়গা দেয়।