Blog

  • বাংলায় ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’? কমিশনের বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠলেন মমতা

    বাংলায় ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’? কমিশনের বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠলেন মমতা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দোরগোড়ায় এসে গিয়েছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026), হাতে বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যে হবে বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই বিজেপি এবং CPIM প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে এনেছে, অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে। তাই এখন তুমুল ভোট প্রচার শুরু হয়েছে রাজনীতিবিদদের। এই অবস্থায় ফের নির্বাচন কমিশনারকে নিশানা করল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। অঘোষিত জরুরি অবস্থা নিয়ে গর্জে উঠলেন তিনি।

    কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মমতা

    রিপোর্ট মোতাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ, নিজের এক্স হ্যান্ডেলে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি পোস্টে লেখেন, “নির্বাচন কমিশন যেভাবে বাংলাকে আলাদাভাবে টার্গেট করে একের পর এক নিশানা করেছে, তা শুধু নজিরবিহীনই নয় বরং গভীর উদ্বেগের। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারির আগেই মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ প্রায় ৫০ জনেরও বেশি উচ্চপদস্থ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন একাধিক এডিজি, আইজি, ডিআইজি এবং জেলাশাসকরা। তাই, এটি কোনও সাধারণ প্রশাসনিক রদবদল নয়, বরং এটি একটি ‘সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ’।”

    নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের ট্রান্সফার নিয়ে প্রশ্ন মমতার

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পোস্টে নির্বাচন কমিশনকে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করেছেন। তিনি লিখেছেন, “শিলিগুড়ি ও বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারদের কোনো বিকল্প ছাড়াই পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে এই দুই গুরুত্বপূর্ণ শহর কিছু সময়ের জন্য কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। এমনকি যে আধিকারিকদের এতদিন ‘নির্বাচনী কাজের অযোগ্য’ বলে সরানো হচ্ছিল, তাঁদেরই দেখা যাচ্ছে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ভিন রাজ্যে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছে। যা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।” তিনি আরও জানান, “আইবি, এসটিএফ এবং সিআইডির মতো গুরুত্বপূর্ণ শাখার অফিসারদের সরিয়ে দেওয়ায় প্রশাসনিক কাঠামো পঙ্গু হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যা নাগরিকদের মধ্যে উদ্বিগ্ন ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।”

    অঘোষিত জরুরি অবস্থা প্রসঙ্গে মমতা

    তৃণমূল সুপ্রিমো নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ শানিয়ে জানান যে, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এখনও সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়া বিতর্কিত এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া এবং নাগরিকত্ব প্রমাণের বাধ্যবাধকতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এটি কোনো সুশাসন নয়। এটি বিশৃঙ্খলা, বিভ্রান্তি এবং চরম অযোগ্যতা, যাকে ক্ষমতার মোড়কে চালানো হচ্ছে। এটি কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়, বরং জোরজুলুম এবং প্রাতিষ্ঠানিক কারসাজির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের নিয়ন্ত্রণ দখল করার পরিকল্পনা। আমরা যা দেখছি তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দ্বারা পরিচালিত একটি অঘোষিত জরুরি অবস্থা এবং রাষ্ট্রপতির শাসনের এক অপ্রকাশিত রূপ।”

    আরও পড়ুন: সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বাড়াল নবান্ন! এক ধাক্কায় বাড়ল এত টাকা

    নির্বাচন কমিশনকে দোষ দেওয়ার পাশাপাশি এদিন বিজেপিকেও এক হাতে নেন তৃণমূল সুপ্রিম তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “বাংলার মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে ব্যর্থ হয়ে বিজেপি বাংলাকে কব্জা করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তাইতো স্বাধীনতার ৭৮ বছর পরেও মানুষকে লাইনে দাঁড়িয়ে নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য করতে হচ্ছে। তবে বাংলা লড়বে, বাংলা প্রতিরোধ গড়বে এবং এই মাটিতে কোনো বিভাজনমূলক ও ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিটি চেষ্টাকে বাংলা চূড়ান্তভাবে পরাজিত করবে।”

  • ঘরে বসেই আধার কার্ডে বাবা অথবা স্বামীর নাম ও নতুন ঠিকানা যুক্ত করুন, রইল পদ্ধতি

    ঘরে বসেই আধার কার্ডে বাবা অথবা স্বামীর নাম ও নতুন ঠিকানা যুক্ত করুন, রইল পদ্ধতি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে আধার কার্ড প্রয়োজন প্রায় সব ক্ষেত্রেই (Aadhaar Card New Update)। ব্যাঙ্কিং পরিষেবা থেকে শুরু করে নতুন সিম কার্ড তোলা, সর্বত্রই এই গুরুত্বপূর্ণ নথিটি কাজে লাগে। তবে আধার কার্ডে কেয়ার অফ বা অভিভাবকের নাম উল্লেখ থাকা বাধ্যতামূলক। অনেক সময় মহিলাদের বিয়ের পর তাঁদের অভিভাবক হন স্বামী। ফলে সেক্ষেত্রে অনেকেই অভিভাবকের নামের জায়গায় বা কেয়ার অফে নিজের স্বামীর নাম বসাতে চান। আগে পঞ্চায়েতের শংসাপত্র দিয়ে এই কাজ করা গেলেও বর্তমানে তা যথেষ্ট কঠিন। তবে চিন্তা নেই, দেশের নাগরিকদের কষ্ট কমাতে অনলাইনে যাতে এই ধরনের কাজ করা যায় সেদিকেই নজর দিয়েছে UIDAI।

    পরিবর্তন করা যাবে ঠিকানাও

    আধার কার্ডে অভিভাবকের নাম পরিবর্তন করার পাশাপাশি যে কেউ নিজের ঠিকানাও পরিবর্তন করে নিতে পারবেন অনলাইনেই। এর জন্য অবশ্য আবেদনকারী এবং যাঁর নাম যুক্ত করা হচ্ছে তাঁর আধার কার্ডের সাথে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক। UIDAI সূত্রে খবর, অনলাইনে যদি কেউ অভিভাবকের নাম পরিবর্তন করেন সে ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তাঁর বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন হয়ে যাবে। পরবর্তীতে পরিবারের প্রধানের আঁধার কার্ডে যে ঠিকানা রয়েছে সেই ঠিকানা চলে আসবে আবেদনকারীর আধার কার্ডে।

    কীভাবে আধার কার্ডে অভিভাবকের নাম এবং ঠিকানা পরিবর্তন করবেন?

    নিজের আধার কার্ডে অভিভাবকের নাম এবং ঠিকানা পরিবর্তন করতে প্রথমেই myAadhaar পোর্টালে গিয়ে লগইন করে নিন। এরপর সেখান থেকে অ্যাড্রেস আপডেট মেনুতে ক্লিক করে হেড অফ ফ্যামিলি বেসড অ্যাড্রেস অপশনে ক্লিক করুন। এবার যাঁর অ্যাড্রেস বা নাম দিতে চাইছেন অর্থাৎ বাবা বা স্বামীর আধার নম্বর লিখে ড্রপ ডাউন থেকে তাঁর সাথে আপনার সম্পর্ক বেছে নিন। এরপর সামনে আশা স্বঘোষিত পত্রটি গ্রহণ করে 75 টাকা পেমেন্ট করে দিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলে যাবে আপনার অভিভাবকের নাম এবং ঠিকানা।

    অবশ্যই পড়ুন: বিকেলে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ৭০ কিমি বেগে ঝড়, বৃষ্টি! দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাগুলোয় সতর্কতা

    বলে রাখা প্রয়োজন, অনলাইনে আবেদন করে টাকা জমা দেওয়ার পর প্রাপ্ত রশিদ থেকে SRN নম্বরটি নিজের কাছে রেখে দিন। পরবর্তী ধাপে বাবা অথবা স্বামীর আধার নম্বর দিয়ে আবার পোর্টালে লগইন করতে হবে। সেখান থেকে ড্যাশবোর্ডের নিচে থাকা মাই হেড অফ ফ্যামিলি রিকোয়েস্ট অপশনে ক্লিক করে সেখান থেকে SRN নম্বরটি লিখে আবেদনটি অ্যাক্সেপ্ট করলেই গোটা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। এর মধ্যে দিয়ে আসলে যাঁর নাম এবং ঠিকানা আপনার আধার কার্ডে বসতে চাইছেন তাঁর কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হল।

  • সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বাড়াল নবান্ন! এক ধাক্কায় বাড়ল এত টাকা

    সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বাড়াল নবান্ন! এক ধাক্কায় বাড়ল এত টাকা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যবাসীকে একের পর এক সুখবর দিচ্ছে বাংলার সরকার (Government Of West Bengal)। সম্প্রতি অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করে একের পর এক নতুন সব প্রকল্প চালু করেছে রাজ্য সরকার। নতুন নতুন প্রকল্প চালু করার পাশাপাশি সেইসব প্রকল্পের আর্থিক অনুদানও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে আবেদনকারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। এছাড়াও অন্তর্বর্তী বাজেটে বাড়ানো হয়েছে আশা কর্মী থেকে শুরু করে ICDS এমনকি সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) বেতনও। এবার রাজ্যে ভোট ঘোষণা হওয়ার পরেও সিভিকদের অ্যাড হক বোনাস বাড়িয়ে দিল নবান্ন। নিউজ 18 এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এক ধাক্কায় 600 টাকা বাড়ান হল বোনাস।

    600 টাকা বেড়ে কত হল সিভিকদের বোনাস?

    নিউজ 18 এর প্রতিবেদন বলছে, নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ারদের অ্যাড হক বোনাস 600 টাকা বাড়িয়ে 7400 টাকা করা হয়েছে। আগে এই বোনাস ছিল 6,800 টাকা। এক কথায় প্রায় সাড়ে 7 হাজার টাকার কাছাকাছি বোনাস পেতে চলেছেন রাজ্যের সিভিকরা।

    সূত্রের খবর, শহর কলকাতা সহ রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চল এমনকি প্রত্যন্ত গ্রাম গঞ্জের সিভিকরাও এবার থেকে 7400 টাকা বোনাস পাবেন। নতুন বোনাস কাঠামোর নির্দেশিকা জারি করার সাথে সাথে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশের সিপিকে এই তথ্য দিয়েছে নবান্ন।

    অবশ্যই পড়ুন: লটারি লাগল রেল কর্মীদের! ৫০% DA বৃদ্ধির পর এবার ২৫ শতাংশ বাড়ছে KMA

    উল্লেখ্য, 2011 তে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল সরকার। আর তার দু বছরের মধ্যেই অর্থাৎ 2013 সালে গিয়ে রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশকে সাহায্য করার জন্য স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী অর্থাৎ সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করে রাজ্য। এঁদের কাজ মূলত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পুলিশকে সাহায্য করা এবং যানজট দেখা দিলে জনশৃঙ্খলা বজায় রেখে তা ঠিক করা। যদিও এর আগে বহুবার রাজ্যের সিভিকদের বিরুদ্ধে পথচলতি মানুষের সাথে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

  • আশীর্বাদ নিয়ে মায়ের বিরুদ্ধেই লড়াইয়ে নামলেন ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির তৃণমূল প্রার্থী রঞ্জন

    আশীর্বাদ নিয়ে মায়ের বিরুদ্ধেই লড়াইয়ে নামলেন ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির তৃণমূল প্রার্থী রঞ্জন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Election 2026) বড় চমক! এবার শিলিগুড়িতে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিজেপি প্রার্থী ‘মা’য়ের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন তৃণমূল প্রার্থী ‘ছেলে’। জানা গিয়েছে এই বিধানসভা আসনে এবার বিজেপি প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন শিখা চট্টোপাধ্যায়। এবং তাঁর বিরুদ্ধে রাজ্যের শাসকদল প্রার্থী করেছে তাঁর ছেলে রঞ্জন শীল শর্মাকে (Ranjan Shil Sharma)। তাই সেই প্রচারের শুরুতেই মায়ের আশীর্বাদ নিতে বৃহস্পতিবার সকাল সকাল শিখা দেবীর দরবারে গেলেন ছেলে রঞ্জন।

    বিজেপি প্রার্থীকে প্রণাম করে প্রচারে তৃণমূল প্রার্থী

    বিজেপি প্রার্থী শিখা চট্টোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীন তাকে মা বলে ডাকতেন তৃণমূল নেতা রঞ্জন শীল শর্মা। এবার সেই মায়ের বিরুদ্ধেই তিনি ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে তৃণমূলের প্রার্থী হলেন। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বেশ চর্চা। যদিও দলীয় এবং রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও মা-ছেলের সম্পর্কের ভালোবাসা এখনও অটুট রয়েছে। তাই আজও রঞ্জন শীল শর্মা, শিখাকে ‘মা’ বলেই ডাকেন। ঠিক তেমনই আবার রঞ্জনকেও নিজের ছেলের মতোই ভালোবাসেন শিখা। তাইতো ভোটের আগে মায়ের আশীর্বাদ নিয়েই মায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রচার শুরু করলেন রঞ্জন। পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে কৌশলে ছেলে আবার জানিয়ে দিলেন এবার হারছেন মা। জিতবে ছেলেই।

    কী বলছেন রঞ্জন শীল শর্মা?

    সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রঞ্জন বলেন, “মায়ের আশীর্বাদ নিলাম। কিন্তু এটা মমতা বন্দোপাধ্যায়ের লড়াই। এলাকার আশা-আকাঙ্খা পূরণ করতে পারেননি মা। ভোটের ফল দেখবেন।” এছাড়াও রঞ্জন বার্তা দেন জিতলেই ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িব চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে নিয়ে পুরসভা করা হবে। এছাড়াও এদিন নিউ জলপাইগুড়ি পৌঁছে কর্মীদের সঙ্গে ভোট প্রচার নিয়ে বৈঠক করেন। অন্যদিকে শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এটা ধর্মের লড়াই । এখানে ব্যক্তিগত কিছু নয়। তবে তৃণমূল কংগ্রেস যেখানে যেখানে পারে না সেখানে পরিবারের মধ্যে রাজনীতি ঢুকিয়ে দেয়। ঠাকুর বাড়িতেও ঢুকিয়েছে। কিন্তু ধর্মের জয় হবে। এবারও বিজেপি জিতবে। আমি ছেলেকে ধর্মের রাস্তায় আনতে পারলাম না এটা আমার অক্ষমতা।”

    আরও পড়ুন: ভোটের আগে অন্য খেলা! শুভেন্দু হাইকোর্টে যেতেই শোরগোল

    প্রসঙ্গত, ২০১১ ও ২০১৬ সালে পরপর দুইবার ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি থেকে জয় লাভ করেছিলেন তৃণমূলের গৌতম দেব। কিন্তু ২০২১ সালে শিখা চট্টোপাধ্যায় টিকিট না পাওয়ায় দল ছেড়েছিলেন। এরপরই প্রয়াত মুকুল রায়ের হাত ধরে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তারপর ওই কেন্দ্রে গৌতম দেবকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেন শিখা চট্টোপাধ্যায়। এখন দেখার এই কেন্দ্রে মা ও ছেলের মধ্যে কে বিপুল ভোটে জয় লাভ করে। অন্যদিকে, পাঁশকুড়া পূর্ব বিধানসভার বিদায়ী বিধায়ক তথা মন্ত্রী বিপ্লব রায়চৌধুরীর বাড়িতেও আশীর্বাদ নিতে যান সেখানকার তৃণমূলের প্রার্থী অসীম মাজি।

  • লটারি লাগল রেল কর্মীদের! ৫০% DA বৃদ্ধির পর এবার ২৫ শতাংশ বাড়ছে KMA

    লটারি লাগল রেল কর্মীদের! ৫০% DA বৃদ্ধির পর এবার ২৫ শতাংশ বাড়ছে KMA

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নতুন বছর পড়তে না পড়তেই একের পর এক সুখবর পাচ্ছেন রেল কর্মীরা (Indian Railways)। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির পর এবার রেলের লোকো পাইলট এবং গার্ডদের KMA ভাতা বাড়াল কেন্দ্রীয় সরকার। সেই মর্মেই মিলেছে সবুজ সংকেত। অল ইন্ডিয়া রেলওয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শিব গোপাল মিশ্র ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের (Ashwini Vaishnaw) সঙ্গে দেখা করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। আর তারপরই নাকি রেল মন্ত্রকের তরফে এই বিশেষ ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অল ইন্ডিয়া রেলওয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকের সাথে সাক্ষাতের পরই রেলের লোকো পাইলট এবং গার্ড অর্থাৎ কর্মীদের কিলোমিটার ভাতা বা KMA বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেন রেলমন্ত্রী। জানা যাচ্ছে, রেলমন্ত্রকের তরফে নীতিগতভাবে এই বৃদ্ধিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সব ঠিক থাকলে আজ সন্ধ্যা বা আগামীকালের মধ্যেই রেলওয়ে বোর্ড এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে।

    রেলওয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, রেলমন্ত্রক এবার কর্মীদের KMA ভাতা এক ধাক্কায় 25 শতাংশ বাড়াবে। আর সেটা হলে লোকো পাইলট ও গার্ডদের মাসিক বেতনের মধ্যে একটা বড় ফারাক তৈরি হবে সে কথা বলাই যায়। বলে রাখি, প্রতি 100 কিলোমিটারের হিসেবে এই বিশেষ ভাতা দেওয়া হয়ে থাকে।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ভোটের আগে অন্য খেলা! শুভেন্দু হাইকোর্টে যেতেই শোরগোল

    এতদিন যেখানে মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনের লোকো পাইলটরা প্রতি 100 কিলোমিটার দূরত্বে 530 টাকা ভাতা পেতেন এবার সেটা 25 শতাংশ বেড়ে 662 টাকা 50 পয়সা হচ্ছে। একই সাথে প্যাসেঞ্জার বা মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনের লোকো পাইলটরা এবার থেকে প্রতি 100 কিলোমিটারের হিসেবে 525 টাকার বদলে 656.25 টাকা ভাতা পাবেন। অন্যদিকে গুডস বা মাল গাড়ির লোকো পাইলটরা 520 টাকা প্রতি 100 কিলোমিটার ভাতার বদলে 650 টাকা ভাতা পেতে পারেন। একইভাবে সহকারী লোকো পাইলট 376 টাকার বদলে 470 টাকা পাবেন। এদিকে মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনের গার্ডরা প্রতি 100 কিলোমিটারের হিসেবে 480 টাকার বদলে একেবারে 600 টাকা KMA পাবেন।

  • IPL-র আগেই মদ্যপান ছেড়ে দিলেন এই ভারতীয় ক্রিকেটার!

    IPL-র আগেই মদ্যপান ছেড়ে দিলেন এই ভারতীয় ক্রিকেটার!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতীয় দলে ডাক পান না বহুদিন হল। তাই প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটেও খুব একটা দেখা যায় না ভারতীয় স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহালকে (Yuzvendra Chahal)। সম্প্রতি দাম্পত্য জীবনের অশান্তি নিয়ে আলোচনায় ছিলেন তিনি। সেই সব পর্ব মিটিয়ে অবশেষে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে পা রাখছেন এই খেলোয়াড়। এবছর তিনি লড়বেন পাঞ্জাব কিংসের হয়ে। আর তার আগেই এক বড় কাজ করে ফেলেছেন ভারতীয় তারকা। জানা যাচ্ছে, IPL 2026 সিজেন শুরুর আগেই মদ্যপান পুরোপুরি ছেড়ে দিয়েছেন এই খেলোয়াড়।

    মদ্যপান ছেড়ে দিলেন ভারতীয় তারকা?

    একটা সময় বিরাট কোহলিদের দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন চাহাল। সেই দলেরই প্রাক্তন সতীর্থ তথা দক্ষিণ আফ্রিকান তারকা এবি ডিভিলিয়ার্সের সাথে কথা বলার সময় খেলোয়াড়ের ইউটিউব চ্যানেলে চাহাল জানিয়েছেন, “এই মুহূর্তে আমার বয়স 35। আগের তুলনায় আমি মাঠে এখন অনেক বেশি সক্রিয় থাকতে চাই। নিজেকে মেলে ধরতে চাই। দলের জন্য নিজের সেরাটা দিতে চাই। নিজেকে আরও ফিট করে তুলতে চাই। আমি তো পুরোপুরি মদ্যপান ছেড়ে দিয়েছি এখন। কম করে এক থেকে দেড় বছর হয়ে গেল আমি ওই সব ছুঁয়েও দেখি না। নিজের দেড়শো শতাংশ দিতে আমি মরিয়া।”

    বলাই বাহুল্য, ভারতীয় ক্রিকেট মহলে সে অর্থে আলোচনায় না থাকলেও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন কিন্তু চাহালই। তাই নিজেকে আবার নতুন করে পুরনো ছন্দে দেখতে চাইছেন এই ক্রিকেটার। 2026 সিজনে বল হাতে এমন কিছু ঘটাতে চাইছেন যা দেখে তরুণ ক্রিকেটাররা অনুপ্রাণিত হয়। বলে, তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পারি। এক কথায় IPL এ নিজের সেরা জায়গাটা ধরে রাখতে চান চাহাল।

    অবশ্যই পড়ুন: ভারতের সবথেকে সস্তার শহর কলকাতা, খরচ কত? দেখুন রিপোর্ট

    উল্লেখ্য, সদ্য ভারতীয় স্পিনার কুলদীপ যাদবের বিয়েতে গিয়েছিলেন চাহাল। সেখানে একেবারে খোশ মেজাজে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। কমবেশি সকলেই জানেন, একটা সময় জাতীয় দলের জার্সিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বলে বলে উইকেট তুলতেন এই দুই বন্ধু। তবে সময়ের সাথে সাথে দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন চাহাল। কিন্তু এখনও ভারতীয় দলে বর্তমান বন্ধু কুলদীপ। তিনি এবার খেলবেন দিল্লির হয়ে।

  • ভোটের আগে অন্য খেলা! শুভেন্দু হাইকোর্টে যেতেই শোরগোল

    ভোটের আগে অন্য খেলা! শুভেন্দু হাইকোর্টে যেতেই শোরগোল

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর ভোটের (West Bengal Election 2026) দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে। তাই বেশি দেরি না করে সোমবারই বিজেপি প্রথম দফার ভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই দেখা যায় নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর এই দুই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিকে ভবানীপুরে তাঁর প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়াচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাই সেখানে টক্কর যে বেশ নজরকাড়া হবে তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় ঘটল আরেক ঘটনা। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার আগে ফের হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ, ভবানীপুর এলাকায় প্রচার মিছিলেও যান শুভেন্দু অধিকারী৷ কিন্তু, হঠাৎ করেই ঢুকে পড়েন ভবানীপুর থানার ভিতরে। বেশ খানিকক্ষণ কথাও বলেন সেখানে৷ এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে গিয়েই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি। আর তাতেই সকলের মনে প্রশ্ন জাগে যে কী এমন হল যে হাইকোর্টে আসলেন শুভেন্দু অধিকারী? পরে জানায় হাইকোর্টে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। শুভেন্দুর বক্তব্য, তাঁর বিরুদ্ধে মোট কতগুলি মামলা রয়েছে, সেই সঠিক তথ্য পুলিশ তাঁকে দিচ্ছে না। কিন্তু মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীকে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, অপরাধমূলক রেকর্ড, আর্থিক অবস্থা, পেশা ও আয়ের উৎস, সরকারি বকেয়া সবই বিস্তারিত জানাতে হয়। তাই এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বিজেপি নেতা।

    খারিজ হয়েছিল ১৫ টি FIR

    শুভেন্দু অধিকারী এর আগে আইনি রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, আদালতের অনুমতি ছাড়া শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনো নতুন FIR করা যাবে না। কিন্তু গত বছর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘদিনের আইনি সুরক্ষাকবচ সরিয়ে নেন। এদিকে সুরক্ষাকবচ তুলে নিলেও একই রায়ে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৫টি FIR বা মামলা সম্পূর্ণ খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। কারণ স্বরূপ আদালত জানিয়েছিল মামলাগুলি ভিত্তিহীন ছিল বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। আর সেই রায় বড় স্বস্তি লাভ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    আরও পড়ুন: হাড়োয়ায় উদ্ধার তৃণমূল নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ! গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন? উত্তেজনা এলাকায়

    উল্লেখ্য, চলতি বছর পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ উত্তেজোনামূলক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এই নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই মামলায় ২০২৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছিল হাইকোর্ট। এবার এই পরিস্থিতিতে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু। এখন দেখার আদালত এই প্রসঙ্গে কী নির্দেশ দেয়।

  • বিকেলে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ৭০ কিমি বেগে ঝড়, বৃষ্টি! দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাগুলোয় সতর্কতা

    বিকেলে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ৭০ কিমি বেগে ঝড়, বৃষ্টি! দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাগুলোয় সতর্কতা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ চৈত্রের শুরুতে যেন অকাল বর্ষার মেজাজ। প্রবল বৃষ্টি, কালবৈশাখীর দাপটে জেরবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের জেলাগুলি (South Bengal Weather)। গরম থাকলেও ঝড়ের দাপট অনেকটাই প্রলেপের কাজ করছে। আজও দুপুরে বা সন্ধের পর বাংলার কিছু জেলায় হালকা থেকে মাঝারি পরিমাণে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে রয়েছে।

    যদিও আবহাওয়ার আসল খেলা আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হবে। শুক্রবার-শনিবার আবার প্রবল ঝড়-বৃষ্টির জন্য বাংলার জেলায় জেলায় কমলা সতর্কতা। ঘণ্টায় ৬০-৭০ কিমি বেগেও কালবৈশাখী বইতে পারে। বজ্রপাত থেকে সাবধান। আইএমডি কলকাতার তরফে জারি করা সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ ও আগামী কয়েকদিন পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় নতুন করে বৃষ্টি ও কালবৈশাখী, শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    দুপুরের পর ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা

    আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ দুপুরে বা বিকেল থেকে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া চোখের নিমিষে বদলে যাবে। আজ উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের কিছু অংশের মতো জেলাগুলির এক বা দুটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও আবার ঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ধেয়ে আসছে ‘শম্পা’, দক্ষিণবঙ্গে ব্যাপক দুর্যোগ? জানুন কী বলছে আবহাওয়া দফতর

    শুক্রবার থেকে আবার দক্ষিণবঙ্গে প্রবল দুর্যোগের পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। এদিন অধিকাংশ জেলায় ভারী বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি, কালবৈশাখীর সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আলিপুর। পূর্বাভাস সম্পর্কে বললে, আগামীকাল বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া বাদবাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি, সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া?

    এবার আসা যাক উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া সম্পর্কে। উত্তরবঙ্গে আজ দুপুরের পর দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ার সহ বিভিন্ন জেলার বেশ কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি, কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আলিপুরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার আলিপুরদুয়ার, দার্জলিং, জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি, সঙ্গে ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

     

  • ৪ কোটি ছাড়িয়েছে চিকিৎসার খরচ, হরিশ রানার মতোই ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি পাবে আনন্দ?

    ৪ কোটি ছাড়িয়েছে চিকিৎসার খরচ, হরিশ রানার মতোই ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি পাবে আনন্দ?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সম্প্রতি হরিশ রানাকে (Harish Rana) ইচ্ছামৃত্যু বা প্যাসিভ ইউথেনেসিয়ার (Passive Euthanasia) রায় দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট। আর এটি ভারতের মধ্যে প্রথম ইচ্ছামৃত্যুর রায়। তবে মুম্বাইয়ের ৩৫ বছর বয়সী আনন্দ দীক্ষিতকেও (Anand Dixit) এবার একইভাবে মুক্তি দিতে চাইছে তাঁর পরিবার। জানা যাচ্ছে, জীবন আর মৃত্যুর মাঝেই কোনওক্রমে নিজের ছেলের প্রাণটুকু নিয়ে লড়াই করছে মহারাষ্ট্রের এই পরিবার। গত আড়াই বছর ধরেই সে ভেজিটেটিভ স্টেটে। ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর থেকেই তিনি কোমায় রয়েছেন। তাহলে কি সুপ্রিম কোর্ট আবারও তাঁকে ইচ্ছামৃত্যুর রায় দেবে?

    কী ঘটেছিল ঠিক তাঁর সঙ্গে?

    জানা যাচ্ছে, ২০২৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন আনন্দ। সেদিন তিনি নতুন স্কুটার কিনেছিলেন। তবে সেই স্বপ্ন মুহূর্তের মধ্যেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে অচেতন হয়ে যান আনন্দ, এবং তখন থেকেই তিনি কোমায় রয়েছেন। আর এখন টিউবের মাধ্যমে তাঁকে খাবার খাওয়ানো হয় আর মেশিনের মাধ্যমেই চলে শ্বাসপ্রশ্বাস। বিগত ১৮ মাস ধরে তাঁর নীরবতা এখনো পর্যন্ত ভাঙেনি। এমনকি চোখের পলক পর্যন্ত পড়ে না। শুধুমাত্র শরীরের ভেতরে প্রাণটুকুই আছে।

    তবে সবথেকে বড় ব্যাপার, এই লড়াইয়ের পিছনে তাঁর পরিবারের অবদান অনস্বীকার্য। কারণ, চিকিৎসার খরচই ১৮ মাসে ৪ কোটির গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। জমি বিক্রি থেকে শুরু করে জমানো সঞ্চয়, সবকিছুই ছেলের প্রাণ বাঁচাতে শেষ হয়েছে। এমনকি তার মাঝেই লাগে বিরাট ধাক্কা। কারণ, আনন্দ যখন হাসপাতালে ভর্তি, তখন মিউনিসিপাল কর্পোরেশন তাঁদের একমাত্র বাড়িটিকেই ভেঙে দেয়। জানা যাচ্ছে, আইন এবং নির্মাণ জটিলতার কারণেই প্রশাসন তাঁদের উপর এই জুলুম খাটায়। যার ফলে তাঁর পরিবার এখন ভাড়া বাড়িতে রয়েছে এবং কোনওক্রমে দুবেলা দুমুঠো খাওয়া জোটে। ছেলের চিকিৎসার পেছনেই সিংহভাগ টাকা খরচ হয়।

    আরও পড়ুন: ফাঁকা সিলিন্ডারে নিজেই ভরে আনুন গ্যাস, দেশে চালু হল প্রথম LPG ATM পরিষেবা

    বেশ কয়েকটি রিপোর্ট অনুযায়ী খবর, তাঁর চিকিৎসা চলছে কেয়ার হেলথ ইন্সুরেন্সের আওতায়। তবে এখন সেই চিকিৎসার খরচ মেটাতেই অস্বীকার করছে সংস্থা। যার ফলে আরও ৫০ লক্ষ টাকার ঋণের বোঝা চেপেছে ওই পরিবারের উপর। তাঁর বাবা-মায়ের এখন একটাই প্রার্থনা, ছেলে একবার শুধুমাত্র মা-বাবা বলে ডাকুক। কিন্তু সে আর হচ্ছে কোথায়! ১৮ মাস ধরে তো চোখটুকুও খোলেনি সে। সেই কারণেই তাঁর পরিবার এখন তাঁকে মুক্তি দিতে চাইছে। কারণ, সম্প্রতি হরিশ রানাকে ইচ্ছামৃত্যুর রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এখন দেখার, তাঁকে আইনের মাধ্যমে কোনও সম্মানজনক বিদায় দেওয়া হয় কিনা।

  • হাড়োয়ায় উদ্ধার তৃণমূল নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ! গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন? উত্তেজনা এলাকায়

    হাড়োয়ায় উদ্ধার তৃণমূল নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ! গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন? উত্তেজনা এলাকায়

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। জেলায় জেলায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে দেওয়াল লিখন। কিন্তু এই অবস্থায় ভোটের আগেই রক্ত ঝড়ল বাংলায়। তৃণমূল নেতাকে কুপিয়ে খুন করা হল। উদ্ধার করা হল দেহটি (TMC Worker Body)।ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ার (Haroa) সোনাপুকুর শংকরপুরে। ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

    ভোটের আগেই খুন এক তৃণমূল কর্মী

    রিপোর্ট মোতাবেক, উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ার সোনাপুকুর শংকরপুরের তৃণমূল নেতা মশিউর কাজী বুধবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের দাবি, রাতে তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়ি আসেনি। কিন্তু পরে আজ, বৃহস্পতিবার সকালে হাড়োয়া থানা এলাকার সোনাপুকুর শংকরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নব্বই পাট ঘেরির পাশ থেকে ওই কর্মীর ক্ষতবিক্ষত ও অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ এবং হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মশিউরের দুই হাতের কব্জি কাটা ছিল এবং সারা শরীরে গভীর ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার।

    ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন!

    মৃত তৃণমূল কর্মী মশিউর কাজী রাজনীতি করার পাশাপাশি পেশায় জামাকাপড়ের ব্যবসায়ী ছিলেন। এবং দেগঙ্গার চাঁপাতলা পঞ্চায়েতের ১৭৮ নম্বর বুথের বুথ সভাপতি ছিলেন। পুলিশের তরফে প্রথমে ওই কর্মীর পরিচয় জানা যায়নি। পরে পরিবারের লোকজন দেহ শনাক্ত করেন। তাঁদের দাবি, চক্রান্ত করে ডেকে খুন করা হয়েছে মশিউর কাজীকে। ভোটের মুখে তৃণমূল নেতার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে অত্যন্ত নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে তাঁকে। কে বা কারা এই খুন করল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এমনকি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের সম্ভাবনাও উঠে আসছে।

    আরও পড়ুন: ভারতের সবথেকে সস্তার শহর কলকাতা, খরচ কত? দেখুন রিপোর্ট

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বঙ্গ সফরে এসেছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেই সময় বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ভোটে হিংসা ও ভোট পরবর্তী হিংসা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে বদ্ধপরিকর কমিশন। তাই কোনও ধরনের গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। কিন্তু ভোট শুরু হওয়ার আগেই বাংলায় তৃণমূল কর্মী খুন হওয়ায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে কমিশন।