Blog

  • ফিক্সড ১০০০ ডলার করে আয়! ৩ মাস ফ্রিতে ইনকামের সুযোগ দিল ফেসবুক

    ফিক্সড ১০০০ ডলার করে আয়! ৩ মাস ফ্রিতে ইনকামের সুযোগ দিল ফেসবুক

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আকর্ষণ করার জন্য বিরাট পদক্ষেপ নিল ফেসবুক (Facebook)। নতুন করে একটি প্রোগ্রাম চালু করেছে তারা। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘Creator Fast Track’। আর এই প্রোগ্রামের আওতায় ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম এবং টিকটকের মতো জনপ্রিয় ক্রিয়েটরদের সরাসরি ফেসবুকে এনে দ্রুত আয় করার সুযোগ দেওয়া হবে।

    কী এই ‘Creator Fast Track’ প্রোগ্রাম?

    ফেসবুকের এই নতুন উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল অন্য প্ল্যাটফর্মের প্রতিষ্ঠিত ক্রিয়েটরদেরকে নিজের প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসেই আয়ের সুযোগ করে দেওয়া এবং তাদেরকে দ্রুত গ্রো করতে সাহায্য করা। এই প্রোগ্রামে থাকছে তিন মাস পর্যন্ত গ্যারান্টেড ইনকাম এবং কনটেন্টের বেশি রিচ আর দ্রুত ফলোয়ার বাড়ানোর সুযোগ। তাই এটি ক্রিয়েটরদেরকে জন্য হতে চলেছে দারুণ ধামাকা।

    কত টাকা আয় করতে পারবেন?

    প্রসঙ্গত, এই প্রোগ্রামের সবথেকে বড় আকর্ষণ হল গ্যারান্টেড পেমেন্ট। যদি কোনও ক্রিয়েটরের ১ লক্ষ ফলোয়ার তাকে, তাহলে সে মাসে প্রায় ১০০০ ডলার ইনকাম করতে পারবে। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ৯০ হাজার টাকা। আর যদি ১০ লক্ষ ফলোয়ার থাকে, তাহলে মাসে ৩০০০ ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবে। অর্থাৎ, জনপ্রিয় ক্রিয়েটরদেরকে জন্য এটি হতে চলেছে দারুণ সুযোগ।

    আর ফেসবুকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রোগ্রামে যোগ দিলে প্রথম তিন মাস ক্রিয়েটররা নিশ্চিত পেমেন্ট পাবে। অর্থাৎ, নতুন প্ল্যাটফর্ম শুরু করার ভয়ও কমবে আর শুরুতেই আয় করা যাবে এবং দ্রুত অডিয়েন্স তৈরি করাও সহজ হবে। সাধারণভাবে ফেসবুকে আয় করতে গেলে কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফলোয়ার লাগে। তবে এই প্রোগ্রামে নতুন ক্রিয়েটরদের জন্য সেই বাধ্যবাধকতা নেই। সরাসরি মনিটাইজেশন টুল অ্যাক্সেস দেওয়া হবে আর প্রথম দিন থেকেই আয় করা সম্ভব হবে।

    কারা পাবে এই সুযোগ?

    যারা ইতিমধ্যে ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম এবং টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মে জনপ্রিয়, তারাই শুধুমাত্র এই প্রোগ্রামের আওতায় সুযোগ পাবে। কিন্তু হ্যাঁ, তাদের ভালো ফলোয়ার বেস থাকতে হবে আর নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি করতে হবে। এ বিষয়ে ফেসবুক ক্রিয়েটর প্রোডাক্ট বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট Yair Livne জানিয়েছেন যে, আমরা চাই ক্রিয়েটরদের সহজে ফেসবুকে এনে তাদেরকে অডিয়েন্স তৈরি করতে সাহায্য করা এবং নতুন প্রোগ্রামের মাধ্যমে তাদের আয় বাড়ানো।

    আরও পড়ুন: বাংলায় ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’? কমিশনের বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠলেন মমতা

    কিন্তু হ্যাঁ, তিন মাস গ্যারান্টেড পেমেন্ট দেওয়ার পর সরাসরি টাকা দেওয়া বন্ধ হবে। তখন ফেসবুক রিচ বাড়াতে সাহায্য করবে আর ক্রিয়েটরদের নিজের ভিউয়ের মাধ্যমে আয় চালিয়ে যেতে হবে। আর এই প্রোগ্রামের আরও একটা সুবিধা হল, নতুন কনটেন্ট তৈরি বাধ্যতামূলক নয়, বরং আগের ভাইরাল বা জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ার করতে পারবেন। ফলে ক্রিয়েটরদের কাজও আরও সহজ হয়ে যাচ্ছে।

  • বিয়ে না করেও এক সন্তানের মা, মানিকতলার তৃণমূল প্রার্থী শ্রেয়া পান্ডের অতীত জানলে গর্ব হবে

    বিয়ে না করেও এক সন্তানের মা, মানিকতলার তৃণমূল প্রার্থী শ্রেয়া পান্ডের অতীত জানলে গর্ব হবে

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: প্রত্যাশা মতোই মঙ্গলবার বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) । 291টি আসনে প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেই বড় চমক দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। এ বছর 74 জন সিটিং MLA কে বসিয়ে রেখে নতুন মুখেদের নির্বাচনে লড়ার টিকিট দিয়েছে শাসক দল। সেই তালিকায় নাম রয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের মেয়ে শ্রেয়া পান্ডের (Shreya Pande)। কলকাতার মানিকতলা কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। সেই খবর পাঁচ কান হওয়া মাত্রই সাধন কন্যাকে নিয়ে একেবারে মেতে উঠেছেন অনুরাগীরা। কিন্তু কে এই শ্রেয়া পান্ডে?

    চিনে নিন তৃণমূলের মানিকতলা কেন্দ্রের মুখ শ্রেয়া পান্ডেকে

    সালটা 2011। সে বছরই 34 বছরের লাল জামানার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। আর সে বছরই বিধানসভা নির্বাচনে মানিকতলা কেন্দ্র থেকে আমজনতার রায়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন তৃণমূলের দীর্ঘ সময়ের সৈনিক সাধন পান্ডে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম ছায়া সঙ্গী তথা তৃণমূলের একনিষ্ঠ সৈনিক ছিলেন সাধন পান্ডে। 2022 এর 20 ফেব্রুয়ারি রাজ্যের বর্ষিয়ান নেতার মৃত্যু হয়। আর তারপরেই বাবার কেন্দ্রে সাধারণ মানুষের ভরসা হয়ে ওঠেন সাধন কন্যা শ্রেয়া।

    বলাই বাহুল্য, বাবা সাধন পান্ডের উপর অগাধ ভরসা ছিল মানিকতলা কেন্দ্রের সাধারণ মানুষের। সেই ভরসাকে কাজে লাগাতে চান তৃণমূলের টিকিটে বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী শ্রেয়া পান্ডে। একদিন, বাবা অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার সময় বলেছিলেন, “সুবিমলকে কম্বলগুলো দিস।” বাবার সেই কথা যেন আজও মনে গেঁথে রেখেছেন শ্রেয়া। লক্ষ্য একটাই বিধানসভা নির্বাচনে জয়যুক্ত হয়ে মানিকতলার মানুষের ঘরের মেয়ের মতো সমস্ত প্রয়োজন পূরণ করা।

    অবশ্যই পড়ুন: বাংলায় প্রচারের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছেন মোদী, করবেন ১২ টি সভা, কোথায় কোথায়?

    এবছর মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রে কনিষ্ঠতম তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন শ্রেয়া। লড়তে হবে বিজেপির অভিজ্ঞ নেতা তাপস রায়ের বিরুদ্ধে। তবে তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে তাঁকে মানিকতলার গুরুদায়িত্ব দেওয়ার পরই সাধন কন্যা জানিয়েছিলেন, “সারা বছর মানুষের পাশে থাকি। মানুষের ভালবাসতেই জিতব।” লড়াই কতটা কঠিন এমন প্রশ্নের উত্তরে শ্রেয়া স্পষ্ট বলেন, “লড়াই তখন হবে যখন নির্বাচিত বিধায়ক হিসেবে কী কী কাজ করতে পারব সেটা দেখব। না বললেই নয়, দলের প্রার্থী তালিকায় নিজের নাম দেখতে পাওয়া মাত্রই ভোটারদের দোরে দোরে যাচ্ছেন শ্রেয়া। শুরু করেছেন প্রচারও।

    এদিকে প্রাণের নেতা সাধন পান্ডের মেয়ে শ্রেয়াকে মানিকতলার প্রার্থী করায় আনন্দে আত্মহারা তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীরা। বয়োজ্যেষ্ঠরা ইতিমধ্যেই ঘরের মেয়েকে একেবারে জড়িয়ে ধরে আশীর্বাদ দিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই সেই সব রঙিন মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে বেশ। কম বেশি সকলেই জানেন, তৃণমূল নেত্রী শ্রেয়া পান্ডে সমাজ মাধ্যমে বেশ সক্রিয়। বিভিন্ন সময় দলের হয়ে নেট দুনিয়াতেই নিজের মতামত রাখেন তিনি। এক কথায় বলতে গেলে, বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের নতুন মুখ হলেও শহর কলকাতায় এবং নেট দুনিয়ায় সাধন কন্যা কিন্তু পুরনো মুখ।

    শ্রেয়ার আরও একটি পরিচয় আছে

    মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সাধন পান্ডের মেয়ে শ্রেয়া পান্ডে আজ পর্যন্ত বৈবাহিক জীবনে পা রাখেননি ঠিকই, তবে বিয়ে না করেও তিনি এক সন্তানের মা। হ্যাঁ, বিষয়টা প্রথম প্রথম শুনলে অবাক লাগবে এটাই স্বাভাবিক। তবে এর পেছনের কাহিনী জানলে চোখ ভিজবে অনেকের। সালটা 2021। সে বছর মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তাণ্ডবে একেবারে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল বাংলার বহু এলাকা। বিশেষ করে উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলিতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছিল এই ঘূর্ণিঝড়ের।

    কমবেশি সকলেই জানেন, সে বছর ঘূর্ণিঝড় ইয়াস বিধ্বস্ত সুন্দরবনের অসহায় মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন লোকনাথ দাস। সুন্দরবনে যাওয়ার পথে গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর। লোকনাথের মৃত্যুতে মাথার ছাদ হারিয়েছিল তাঁর সন্তানরা। সেই সময় সহকর্মীর সন্তানদের দায়িত্ব নিয়েছিলেন শ্রেয়া। পরবর্তীতে, বাড়িতে কিছু না জানিয়েই সিঙ্গেল মাদার হওয়ার সিদ্ধান্তটাও নিয়েছিলেন  তিনিই। 2017 সালে সারোগেসির মাধ্যমে শ্রেয়ার মা হওয়ার বিষয়টিকে অনেকেই ভালো চোখে দেখেননি। শুনতে হয়েছিল বহু কটাক্ষ। তবে সেসব পাশ কাটিয়েই আদর ওরফে ইন্দিরাকে মানুষ করেছিলেন তিনি।

    এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, শ্রেয়া পান্ডে যে সিঙ্গেল মাদার হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সে কথাটা বাবার সাধন পান্ডে জেনেছিলেন খবরের কাগজে দেখে। পরে মেয়ে গোটা বিষয়টি তাঁকে খুলে বললে তিনিও সবটা মেনে নেন। একবার এক সাক্ষাৎকারে শ্রেয়া জানিয়েছিলেন, “মেয়ে ইন্দিরার নামকরণ করেছিল বাবা। এর পেছনেও একটা ছোট্ট গল্প আছে। আসলে আমার নাম রেখেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। তাই বাবা মেয়ের নাম রাখেন ইন্দিরা।” যদিও নিজের ব্যস্ত রাজনৈতিক জীবনের মাঝে মেয়েকে খুব একটা সময় দিতে পারেন না শ্রেয়া। তবে তৃণমূল নেত্রী জানিয়েছিলেন, দিন শেষ বাড়িতে ফিরে মাম্মা ডাকটাই তাঁকে পৃথিবীর সর্ব সুখ এনে দেয়।”

  • নতুন চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, ফের সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে DA মামলা

    নতুন চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, ফের সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে DA মামলা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে ফের চাপ বাড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। কীসের চাপ? ডিএ নিয়ে নতুন চাপ (Bengal DA Case) তৈরি হতে পারে সরকারের বলে খবর। একদিকে যখন বাংলায় নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে, তখন অন্যদিকে সরকারি কর্মীদের ডিএ সংক্রান্ত লড়াইও কিন্তু জারি রয়েছে। একদিকে যখন শাসক দলে ভোটের কাজে ব্যস্ত, গতখন অন্যদিকে সুদ সহ ডিএ ফেরানোর মামলা করতে চলেছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। কানাঘুষো এমনটাই শোনা যাচ্ছে।

    DA মামলায় নয়া পদক্ষেপ নিতে পারে সরকারি কর্মীরা

    সরকারের অর্থ দফতরের তরফে ইতিমধ্যে বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল অবধি বকেয়া ডিএ দুই কিস্তিতে মেটানো হবে। একটা চলতি মার্চ মাসে অন্যটি সেপ্টেম্বর মাসে। বাকি টাকা কবে কীভাবে মেটানো হবে তা পরবর্তীকালে জানানো হবে। অর্থাৎ মাত্র ৪৮ মাসের টাকা মেটানোর ঘোষণা করেছে সরকার। তাও আবার সকলে নিজেদের ব্যাঙ্কে পাবেন না কিন্তু। সরকার জানিয়েছে, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। এখন মনে হচ্ছে, এই বিষয়টিই সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশনভোগীরা হজম করতে পারছেন না। ফলে আরও এক পদক্ষেপ নিতে চলেছেন সকলে। যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের তরফে নাকি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হচ্ছে, ২০০৮ থেকে ২০১৬ সাল অবধি সরকার যাতে বকেয়া ডিএ সুদ সহ দেয় সেই ব্যবস্থা করতে। এই নিয়ে এবার মুখ খুললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ।

    আরও পড়ুনঃ ভাড়া কমল উত্তরবঙ্গগামী এই ট্রেনের

    তিনি জানালেন, ‘মামলার শুনানির দিন আমাদের আইনজীবীকে দিয়ে আদালতকে সুদের বিষয়টি বলা করানো হয়েছিল। কম্পাউন্ড সুদ যাতে দেওয়া হয়, সেই আবেদন আমরা জানিয়েছিলাম শীর্ষ আদালতে। পরবর্তীকালে আমরা দেখি এই বিষয়টি খারিজ হয়নি। ফলে এখন ২০০৮ থেকে ২০১৬ সালের বকেয়া ডিএর সঙ্গে সুদটাও আদায় করা যায় কিনা তা নিয়ে আমরা আমাদের সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করছি। তিনি যা মতামত দেবেন আমরা সেই অনুযায়ীই এগিয়ে যাবো।’

  • বাংলায় প্রচারের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছেন মোদী, করবেন ১২ টি সভা, কোথায় কোথায়?

    বাংলায় প্রচারের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছেন মোদী, করবেন ১২ টি সভা, কোথায় কোথায়?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বহু প্রতীক্ষার পর গত রবিবার নির্বাচন কমিশন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দিয়েছে। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যে সংগঠিত হবে ভোট। তাই স্বাভাবিকভাবেই তুমুল ব্যস্ততা শুরু হয়েছে জেলায় জেলায়। দেওয়াল লিখন, প্রচার কোনটাতেই ত্রুটি রাখছে না রাজনীতিবিদরা। এমতাবস্থায় ফের বঙ্গে আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে কমপক্ষে তিনি ১২ জনসভা করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।

    ১২টি জনসভা মোদীর

    ভোটের দিনক্ষণ প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূল থেকে বিজেপি, সিপিআইএম- প্রায় সব দল প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণার পরই রাজ্যের ২৯১ আসনের পূর্ণাঙ্গ প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি ও সিপিআইএমও তাদের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। তার উপর জেলায় জেলায় চলছে দলবদলের পালা। এই অবস্থায় কর্মীদের শক্তি জোগাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যে অন্তত ১২টি জনসভা করতে চলেছেন৷ যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে৷

    কোথায় কোথায় সভা হওয়ার সম্ভাবনা?

    কয়েকদিন আগেই ব্রিগেডে মহাসভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অসংখ্য লোকের ভিড় দেখা গিয়েছে সেখানে। আর এবার উত্তরবঙ্গে ৩টি ও দক্ষিণবঙ্গে ৯টি জনসভা করতে চলেছেন মোদী। দলীয় সূত্রে খবর উত্তরবঙ্গে কোচবিহার, শিলিগুড়ি ও বালুরঘাটে সভা হবে। এরপর দক্ষিণবঙ্গের খড়গপুর, কাঁথি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনায় তাঁর সভা করার কথা রয়েছে। অর্থাৎ মোট ১২টি সভা করতে পারেন। শোনা যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে কাঁথিতে একইভাবে খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের সমর্থনে সভা করার কথা মোদীর। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও ততধিক সভা করতে আসবেন বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: লটারি লাগল রেল কর্মীদের! ৫০% DA বৃদ্ধির পর এবার ২৫ শতাংশ বাড়ছে KMA

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দলের সাংগঠনিক দশটি বিভাগের মধ্যে ৭টি বিভাগে সভা ইতিমধ্যেই করেছেন। যার মধ্যে আলিপুর, দমদম, দুর্গাপুর, তাহেরপুর, মালদহ, সিঙ্গুর ও ব্রিগেড উল্লেখযোগ্য ৷ তাই এবার বাকি এলাকাগুলিকে টার্গেট করা হচ্ছে। একটাই লক্ষ্য গেরুয়া শিবিরের প্রচার আরও বিস্তৃত করা৷ এছাড়া, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও রাজ্যে একাধিক জনসভা করবেন বলে জানা গিয়েছে৷ যদিও কিছুই এখনও সরকারিভাবে ঘোষণা হয়নি।

  • বৃষ্টিতে ম্যাচাকার চৈত্র সেলের বাজার! বাড়বে কালবৈশাখীর দাপট, আগামীকালের আবহাওয়া

    বৃষ্টিতে ম্যাচাকার চৈত্র সেলের বাজার! বাড়বে কালবৈশাখীর দাপট, আগামীকালের আবহাওয়া

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভরা বসন্তে মধ্যেই দুই বঙ্গ জুড়ে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। চৈত্রের শুরুতেই যে কালবৈশাখী এবং বৃষ্টি হবে, সেটা কেউই ভাবতে পারেনি। এদিকে বৃষ্টির জেরে চৈত্র সেলের বাজার ঠিকভাবে চলছে না। এমতাবস্থায় সপ্তাহের শেষে (Weather Tomorrow) জোরাল কালবৈশাখীর সতর্কতা দিল হাওয়া অফিস। শনি এবং রবিবার গোটা দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বজায় থাকবে কমলা সতর্কতা। ঘণ্টায় ৬০-৭০ কিমি বেগে বইতে পারে দমকা বাতাস।

    সোমবার রাতের কালবৈশাখীর ঝড়ের পর অনেকটাই কমেছে গরম। ফলস্বরূপ এখন স্বস্তির হাওয়া বইছে বাংলায়। দুপুরের তীব্র গরম থেকে খানিকটা রেহাই পেয়েছেন মানুষ। জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে, শুক্র ও শনিবার রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে, এমনই জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে আগামী দু’দিন দিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে রাজ্যের প্রায় সর্বত্রই। এছাড়াও দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও অন্যান্য জেলায় শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। এক নজরে জেনে নেওয়া যাক কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবার, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ দেখা যাবে। বেলা বাড়তেই পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও নদিয়ায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। বাকী জেলাগুলোতেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বজ্রপাত ও ঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে। কলকাতায় প্রতি ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিমি বেগে হাওয়া বইতে পারে। শনিবারও হুগলি সহ সমগ্র জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হবে। আর এই বৃষ্টি দুর্যোগের জেরে আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই।

    আরও পড়ুন: বাংলায় ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’? কমিশনের বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠলেন মমতা

    উত্তরবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও লাগাতার বৃষ্টি চলবে। উল্টে আগামীকাল থেকে উত্তরবঙ্গে দুর্যোগের মাত্রা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বৃষ্টি হবে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে। অতিভারী বৃষ্টি হবে, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে। সঙ্গে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বইবে দমকা বাতাস। শনি রবিতেও গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা প্রায় এক থেকে দু’ডিগ্রি কমবে।

  • ভাড়া কমল উত্তরবঙ্গগামী এই ট্রেনের

    ভাড়া কমল উত্তরবঙ্গগামী এই ট্রেনের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনিও কি ট্রেনে করে দিল্লি থেকে উত্তরবঙ্গ (North Bengal) কিংবা উত্তরবঙ্গ থেকে দিল্লিতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? তাহলে আপনার জন্য রইল অত্যন্ত জরুরি খবর। দেশে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ ট্রেনে যাতায়াত করেন। বিশেষ করে গ্রীষ্মকাল আসার সাথে সাথে, মানুষ তাদের পরিবারের সাথে ট্রেনে করে ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন। ফলে সব কিছু ভেবে রেল ১০টি প্রধান ট্রেনের ভাড়া কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান অভিযোগ এবং অতিরিক্ত সুপারফাস্ট চার্জের কারণে রেল কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন এই ট্রেনগুলোর সুপারফাস্ট মর্যাদা তুলে নেওয়া হবে। এই তালিকায় রয়েছে নিউ জলপাইগুড়ি-নয়াদিল্লি সুপারফাস্ট ট্রেন।

    এপ্রিল থেকে বদলে যাচ্ছে নিউ জলপাইগুড়ি-নয়াদিল্লি সুপারফাস্ট ট্রেন

    রেল জানিয়েছে, আগামী ২১ মার্চ, ২০২৬ থেকে নিউ জলপাইগুড়ি-নিউ দিল্লি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস (১২৫২৩/২৪) ট্রেনটির থেকে সুপারফাস্ট তকমা তুলে দেওয়া হবে। রেলের নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই ট্রেনটি এখন থেকে ১৫৭২৫/১৫৭২৬ নম্বর নিয়ে মেল/এক্সপ্রেস ক্যাটাগরিতে চলবে। যার ফলে ট্রেনের টিকিটের মূল্যও কমবে। উল্লেখ্য, নয়াদিল্লি স্টেশনের পুনর্নির্মাণের কারণে, এটি বর্তমানে আনন্দ বিহার টার্মিনাল থেকে চলাচল করে।

    এমনিতে বিগত কয়েক বছর ধরে ভারতীয় রেল পরিকাঠামোর উন্নয়নে ব্যাপকভাবে মনোযোগ দিচ্ছে। লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে। ট্রেনের ইঞ্জিন ও কোচ থেকে শুরু করে রেললাইন পর্যন্ত সবকিছুর আধুনিকীকরণ ও উন্নতকরণের কাজ চলছে। রেলের আরও একটি লক্ষ্য হলো ট্রেনের গড় গতি বাড়ানো, যাতে যাত্রীরা যত দ্রুত সম্ভব তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। যদিও এবার কিছু সুপারফাস্ট ট্রেন নিয়ে রেলের সিদ্ধান্তে চমকে গিয়েছেন যাত্রীরা। এতে করে তাঁরা লাভবান হবেন নাকি সমস্যায় পড়বেন সেটা অবশ্য সময়ই বলবে।

    নতুন ট্রেনের সময়সূচী

    এবার আসা যাক নয়া ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে। বর্তমানে ১২৫২৩ নিউ জলপাইগুড়ি-নিউ দিল্লি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস সপ্তাহে মঙ্গলবার ও শনিবার এবং ট্রেন নম্বর নিউ দিল্লি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস-নিউ জলপাইগুড়ি ট্রেনটি বুধবার ও রবিবার চলাচল করে। রেলের নতুন আদেশ অনুযায়ী, এটি এখন ১২৫২৩-এর পরিবর্তে ১৫৭২৫ এবং ১২৫২৪-এর পরিবর্তে ১৫৭২৬ নম্বর দিয়ে পরিচালিত হবে। তবে নয়া ট্রেনের সময়সূচী বদল হবে নাকি একই সময়ে চলবে, ষে বিষয়ে এখনও অবধি রেলের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

    আরও পড়ুনঃ টিকিট পেলেন রেখা পাত্র, হিরণ, সুব্রত ঠাকুর! দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ BJP-র

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    সুপারফাস্ট ট্রেনের ভাড়া নিয়ে ক্রমবর্ধমান অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রেল কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপ নিয়েছে। যাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরেই এই অভিযোগ করে আসছিলেন যে, সুপারফাস্ট ট্রেনের ভাড়া অসহনীয়ভাবে বেড়ে যাওয়ায় তা তাদের বাজেটের ওপর প্রভাব ফেলছে। ফলস্বরূপ, রেল কর্তৃপক্ষ এখন এই ট্রেনগুলোকে ‘সাধারণ এক্সপ্রেস’ শ্রেণিতে চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সুপারফাস্ট তকমাটি তুলে নেওয়ার সাথে সাথে টিকিটের দাম অটোমেটিকভাবেবে কমে যাবে। এর ফলে ট্রেনের ভাড়া ১০% পর্যন্ত হ্রাস পাবে। আখেরে লাভ হবে যাত্রীদেরই। এই নতুন রেল ভাড়া নীতিটি এপ্রিলের ১৩ থেকে ১৬ তারিখের মধ্যে পর্যায়ক্রমে কার্যকর করা হবে।

  • দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বামেদের! নন্দীগ্রাম, ভবানীপুরে কে? লিস্টে চমক

    দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বামেদের! নন্দীগ্রাম, ভবানীপুরে কে? লিস্টে চমক

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনের মাসেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই প্রত্যেকটি দল তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই সূত্রে গত ১৬ মে বামফ্রন্ট তাদের প্রথম দফার তালিকা প্রকাশ করেছিল (CPIM Candidate List)। সেখানে ১৯২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। আর বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার তালিকা সামনে আনল তারা। সেখানে মোট ৩২টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এবারের তালিকায় শ্রীজীব বিশ্বাস থেকে শুরু করে মাহমুদুল হাসান, জামাল হোসেন, পূর্ণিমা দাসের মতো নেতা নেত্রীদের নাম রয়েছে। আর এই ৩২ জনের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ১১ জন এবং ৩ জন রয়েছে মহিলা। দেখে নিন সিপিআইএম এর দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা।

    সিপিআইএম এর দ্বিতীয় লিস্ট

    • আসানসোল উত্তর – অখিলেশ কুমার সিং
    • জয়নগর – অপূর্ব প্রামাণিক
    • করনদিঘি – মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন
    • কল্যাণী – সবুজ দাস
    • কালচিনি – পাশং শেরপা
    • কুলতলী – রামশঙ্কর হালদার
    • কৃষ্ণগঞ্জ – অর্চনা বিশ্বাস
    • কৃষ্ণনগর উত্তর – অদ্বৈত বিশ্বাস
    • খেজুরি – হিমাংশু দাস
    • গোপীবল্লভপুর – বিকাশ ষড়ঙ্গী
    • চাঁচল – আনোয়ারুল হক
    • চাঁপদানি – এডভোকেট চন্দ্রনাথ ব্যানার্জি
    • জঙ্গিপাড়া – সুদীপ্ত সরকার
    • জয়নগর – অপূর্ব প্রামাণিক
    • জলঙ্গি – ইউনূস আলী সরকার
    • ডায়মন্ড হারবার – সমরেন্দ্রনাথ নাইয়া
    • টালিগঞ্জ – প্রফেসর পার্থপ্রতিম বিশ্বাস
    • নন্দীগ্রাম – শান্তি গিরি
    • নয়াগ্রাম – পুলিনবিহারী বাস্কে
    • নবগ্রাম – পূর্ণিমা দাস
    • পুড়শুড়া – সন্দীপ কুমার সামন্ত
    • পাঁশকুড়া পশ্চিম – নিরঞ্জন সিহি
    • পাঁশকুড়া পূর্ব – ইব্রাহিম আলী
    • বারুইপুর পশ্চিম – লাহেক আলী
    • বালিগঞ্জ – আরফিন বেগম (শিল্পী)
    • বসিরহাট দক্ষিণ – আইনুল আরফিন (রাজু আহমেদ)
    • ভবানীপুর – এডভোকেট শ্রীজীব বিশ্বাস
    • ভগবানগোলা – মাহমুদুল হাসান
    • মন্তেশ্বর – অনুপম ঘোষ
    • মেটিয়াবুরুজ – এডভোকেট মনিরুল ইসলাম
    • মুরারই – মোহাম্মদ আলী রেজা মন্ডল
    • রানীনগর – জামাল হোসেন
    • হাবিবপুর – বাসুদেব বর্মন
  • 2026 এ KKR কে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেন এই ৫ প্লেয়ার, তালিকায় বড় নাম

    2026 এ KKR কে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেন এই ৫ প্লেয়ার, তালিকায় বড় নাম

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ঝড়ের গতিতে এগিয়ে আসছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (Indian Premier League)। এবছর IPL শুরু হচ্ছে 28 মার্চ থেকে। গতবারের চ্যাম্পিয়ন RCB। তাই এ বছর তাদের ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় টি-টোয়েন্টি লিগ। এই ম্যাচের পরের দিন অর্থাৎ 29 তারিখ মুখোমুখি হবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders)। যদিও সেই ম্যাচের আগে বেশ কিছু সমস্যায় জর্জরিত KKR। বিশেষ করে বোলারদের নিয়ে যথেষ্ট চাপে রয়েছে শাহরুখ খানের দল। কিন্তু তা সত্ত্বেও অনেকেই মনে করছেন এ বছর কলকাতাকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেন দলেরই 5 প্লেয়ার। কারা তাঁরা?

    KKR কে ফের চ্যাম্পিয়ন করবেন এই 5 প্লেয়ার!

    প্রথম প্লেয়ার

    এবারের IPL নিলাম থেকে নিউজিল্যান্ডের ওপেনার ফিন অ্যালেনকে কিনে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে নিজের ক্ষমতা দেখিয়েছেন এই খেলোয়াড়। ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপের ফাইনালে সে অর্থে জ্বলে উঠতে না পারলেও এর আগের ম্যাচগুলিতে বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে 33 বলে 100 রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। এই কিউই তারকার বিধ্বংসী ব্যাটিং দেখে অনেকে বলছেন এ বছর KKR এর ঘরে ট্রফি তুলে দিতে পারেন তিনি।

    দ্বিতীয় প্লেয়ার

    এবারে নিলামের অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনকে কেনার জন্য একেবারে উঠে পড়ে লেগেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। শেষ পর্যন্ত নিলাম টেবিলে চেন্নাই সুপার কিংসের সাথে লড়াই করে 25 কোটি 20 লাখ টাকা দিয়ে এই খেলোয়াড়কে কিনে নিয়েছে KKR। IPL এর আগে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন তিনি। মনে করা হচ্ছে, এই প্লেয়ারের জোরেই এ বছর চ্যাম্পিয়ন হতে পারে কলকাতা।

    তৃতীয় প্লেয়ার

    কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের দীর্ঘদিনের সঙ্গী ক্যারিবিয়ান তারকা সুনীল নারিন। 170 এরও বেশি উইকেট নেওয়া এই স্পিন অলরাউন্ডার এ বছর কলকাতার হয়ে নিজের রুদ্রমূর্তি ধরতে পারেন বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের দাবি, কলকাতার সাফল্যে এ বছর বড় ভূমিকায় থাকবে নারিনের।

    চতুর্থ প্লেয়ার

    এক সময় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের এক নম্বর বরুণ চক্রবর্তী। সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সে অর্থে নিজের জাত চেনাতে না পারায় তাঁর জায়গা নিয়েছেন আফগানিস্তানের রশিদ খান। তবে অনেকেই মনে করছেন, ভারতীয় দলের এই মিস্ট্রি স্পিনার IPL এ কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের হয়ে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দেবেন। তিনিই হয়ে উঠতে পারেন কলকাতার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নেপথ্যে বড় কারিগর।

    অবশ্যই পড়ুন: সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বাড়াল নবান্ন! এক ধাক্কায় বাড়ল এত টাকা

    পঞ্চম প্লেয়ার

    গত বছর অনুষ্ঠিত হওয়া IPL 2026 এর নিলাম থেকে 18 কোটি টাকা দিয়ে শ্রীলঙ্কার মাথিশা পাথিরানাকে কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। যদিও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঝে আচমকা চোট পান তিনি। তবে সেই চোট সারিয়ে ইতিমধ্যেই ফিট হয়ে উঠেছেন খেলোয়াড়। অনেকেই মনে করছেন এ বছর কলকাতার হয়ে মাঠে নামলে প্রতিপক্ষের একের পর এক উইকেট ভাঙবেন তিনি। যদিও এই প্লেয়ারকে IPL খেলতে আসার ছাড়পত্র এখনও পর্যন্ত দেয়নি শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ড।

  • শালিমার থেকে নতুন অমৃত ভারত ঘোষণা রেলের, ছুটবে জনপ্রিয় রুটে, দেখুন সময়সূচি

    শালিমার থেকে নতুন অমৃত ভারত ঘোষণা রেলের, ছুটবে জনপ্রিয় রুটে, দেখুন সময়সূচি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এসে গেল আরও একটা সুখবর। এবার আরও সস্তায় হয়ে যাবে ট্রেনে সফর। আসলে বাংলা আরও একটা নতুন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস (Amrit Bharat Express) ট্রেন পেতে চলেছে। যার ফলে সস্তায় এবং আরামে দূরে ভ্রমণ করা যাবে। মূলত হায়দ্রাবাদের চার্লাপল্লী ও শালিমারের মধ্যে নতুন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস (Shalimar Charlapalli Amrit Bharat Express) পরিষেবাটি শুরু হতে চলেছে বলে জানিয়েছে রেল। অর্থাৎ এক ট্রেনেই এখন আরও ভালোভাবে পৌঁছানো যাবে হায়দ্রাবাদ। আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    নতুন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস পাচ্ছে বাংলা

    নতুন ট্রেনটি সম্পর্কে বিশেষ তথ্য দিয়েছে পূর্ব উপকূল রেলওয়ে। রেলের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ট্রেনটি সাপ্তাহিক হতে চলেছে। প্রতি মঙ্গলবার ট্রেন নম্বর ১৭০৬৫ চার্লাপল্লি থেকে প্রতি মঙ্গলবার সকাল ৬:৫৫ মিনিটে ছাড়বে। এরপর সেটি পরেরদিন অর্থাৎ বুধবার সকাল ১১:২০ মিনিট নাগাদ বাংলার শালিমারে পৌঁছাবে। ফিরতি পথে ১৭০৬৬ শালিমার থেকে বুধবার দুপুর ১২:৫০ মিনিটে ছেড়ে যাবে এবং পরেরদিন বৃহস্পতিবার সন্ধে ৭টা নাগাদ চার্লাপল্লি স্টেশনে ঢুকবে।

    রেল জানিয়েছে, আগামী ৭ এপ্রিল থেকে নতুন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের পরিষেবা শুরু হবে। রেলের দাবি, দক্ষিণ ভারতের সাথে বাংলার যোগাযোগ আরও আধুনিক ও আরামদায়ক করতে চালু হচ্ছে এই সাপ্তাহিক অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

    আরও পড়ুনঃ সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বাড়াল নবান্ন! এক ধাক্কায় বাড়ল এত টাকা

    স্টপেজ কী কী হবে?

    এবার আসা যাক নতুন ট্রেনটির স্টপেজ কী কী হবে সে সম্পর্কে। পূর্ব রেলওয়ে জানিয়েছে, যাত্রাকালে ট্রেনটি সাঁতরাগাছি, খড়গপুর, বালাসোর, ভদ্রক, জাজপুর কেওনঝাড় রোড, কটক, ভুবনেশ্বর, খুরদা রোড, ব্রহ্মপুর, পালাসা, শ্রীকাকুলাম রোড, ভিজিয়ানাগ্রাম, দুভভাদা, টুনি, সামালকোট, রাজামুন্দ্রি, এলুরু, রায়ানাপাড়ু, খাম্মাম, মাহবুদাবাদ, ওয়ারাঙ্গাল এবং কাজিপেট-এর মতো বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে।

  • টিকিট পেলেন রেখা পাত্র, হিরণ, সুব্রত ঠাকুর! দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ BJP-র

    টিকিট পেলেন রেখা পাত্র, হিরণ, সুব্রত ঠাকুর! দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ BJP-র

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দুয়ারে কাড়া নাড়ছে বাংলার বিধানসভা নির্বাচন। গত ১৬ তারিখ প্রথম দফায় মোট ১৪৪ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল ভারতের জনতা পার্টি। আর আজ বাকি ১১১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি (BJP Candidate List)। তালিকায় রয়েছে হিরণ চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে রেখা পাত্র, তাপস রায়, সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক দাপুটে নেতারা। বিস্তারিত তালিকা নিচে তুলে ধরা হল—

    বিজেপির দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা

    • অশোকনগর – ডা. সূমোয় হীরা
    • ইটাহার – শ্রীমতি সবিতা বর্মন
    • উলুবেড়িয়া উত্তর – শ্রী চিরন বেরা
    • এন্টালি – শ্রীমতি প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল
    • এগরা – শ্রী দিব্যেন্দু অধিকারী
    • কসবা – শ্রী সন্দীপ ব্যানার্জী
    • কালিম্পং – শ্রী ভরত ছেত্রী
    • কার্শিয়াং – শ্রী সোনম লামা
    • কালনা – শ্রী সিদ্ধার্থ মজুমদার
    • কান্দি – শ্রীমতি গার্গী দাস ঘোষ
    • কামারহাটি – শ্রী অরূপ চৌধুরী
    • কাশিপুর-বেলগাছিয়া – শ্রী রিতেশ তিওয়ারি
    • কুশমণ্ডি – শ্রী তাপস চন্দ্র রায়
    • কুলপি – শ্রী অবনি নস্কর
    • কৃষ্ণগঞ্জ – শ্রী সুকান্ত বিশ্বাস
    • কৃষ্ণনগর দক্ষিণ – শ্রী সাধন ঘোষ
    • ক্যানিং পশ্চিম – শ্রী প্রশান্ত বায়েন
    • খড়গ্রাম – শ্রীমতি মিতালী মাল
    • খড়দহ – ডা. কল্যাণ চক্রবর্তী
    • খন্ডঘোষ – শ্রী গৌতম ধারা
    • গাইঘাটা – শ্রী সুব্রত ঠাকুর
    • গলসি – শ্রী রাজু পাত্র
    • গোসাবা – শ্রী বিকর্ণ নস্কর
    • চন্ডীতলা – শ্রী দেবাশীষ মুখোপাধ্যায়
    • চাপড়া – শ্রী সৈকত সরকার
    • চাঁপদানি – শ্রী দিলীপ সিং
    • চিকিৎসা – শ্রী সুদীপ্তা দাস (বীজপুর)
    • চোপড়া – শ্রী শঙ্কর অধিকারী
    • জঙ্গিপুর – অ্যাড. চিত্তো মুখোপাধ্যায়
    • জগৎদল – ডা. রাজেশ কুমার, আইপিএস
    • জগৎবল্লভপুর – শ্রী অনুপম ঘোষ
    • জাঙ্গিপাড়া – শ্রী প্রসেনজিৎ বাগ
    • জয়নগর – শ্রী আলোক হালদার
    • জলপাইগুড়ি – শ্রী অনন্ত দেব অধিকারী
    • জোড়াসাঁকো – শ্রী বিজয় ওঝা
    • টালিগঞ্জ – শ্রীমতি পাপিয়া (দে) অধিকারী
    • তেহট্ট – শ্রী সুব্রত কবিরাজ
    • দমদম – অ্যাড. অরিজিৎ বক্সী
    • দার্জিলিং – শ্রী নোমান রাই
    • ধনেখালি – শ্রীমতি বর্ণালী দাস
    • ধূপগুড়ি – শ্রী নরেশ চন্দ্র রায়
    • নকাশিপাড়া – শ্রী শান্তনু দে
    • নন্দকুমার – শ্রী নির্মল খাঁড়া
    • নবগ্রাম – শ্রী দিলীপ সাহা
    • নবদ্বীপ – শ্রী শ্রুতি শেখর গোস্বামী
    • নয়াগ্রাম – শ্রী অমিয়া কিস্কু
    • নওদা – শ্রী রাণা মণ্ডল
    • পুরুলিয়া – শ্রী সুদীপ কুমার মুখোপাধ্যায়
    • পান্ডুয়া – শ্রী তুষার কুমার মজুমদার
    • পিংলা – শ্রীমতি স্বাগতা মান্না
    • পূর্বস্থলী উত্তর – শ্রী গোপাল চট্টোপাধ্যায়
    • ফারাক্কা – শ্রী সুনীল চৌধুরী
    • ভরতপুর – শ্রীমতি অনামিকা ঘোষ
    • ভাঙড় – শ্রী জয়ন্ত গায়েন
    • বিধাননগর – ডা. শরদ্বত মুখোপাধ্যায়
    • বিষ্ণুপুর – শ্রীমতি শুক্লা চট্টোপাধ্যায়
    • বীজপুর – শ্রী সুদীপ্তা দাস
    • বড়ওয়ান – শ্রী সুখেন কুমার বাগদী
    • বনগাঁ উত্তর – শ্রী অশোক কীর্তনীয়া
    • বনগাঁ দক্ষিণ – শ্রী স্বপন মজুমদার
    • ব্যারাকপুর – শ্রী কৌস্তভ বাগচী
    • বারুইপুর পশ্চিম – শ্রী বিশ্বজিৎ পাল
    • বারুইপুর পূর্ব – শ্রীমতি টুম্পা সরদার
    • বারাসাত – শ্রী শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়
    • বালি – শ্রী সঞ্জয় সিং
    • বালিগঞ্জ – ডা. শতরূপা
    • বাঘমুন্ডি – শ্রী রহিদাস মাহাতো
    • বাগনান – শ্রী প্রেমাংশু রানা
    • বাঁকুড়া – শ্রী নীলাদ্রি শেখর দানা
    • বেহালা পশ্চিম – ডা. ইন্দ্রনীল খান
    • বেহালা পূর্ব – শ্রী সুনীল মহারাজ
    • বেলেঘাটা – ডা. পার্থ চৌধুরী
    • বলাগড় – শ্রীমতি সুমনা সরকার
    • বর্ধমান দক্ষিণ – শ্রীমতি মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র
    • মাদারিহাট – শ্রী লক্ষ্মণ লিম্বু
    • মাথাভাঙ্গা – শ্রী নিশীথ প্রামাণিক
    • মানিকতলা – শ্রী তাপস রায়
    • মাল – শ্রী শুক্রা মুন্ডা
    • মেকলিগঞ্জ – শ্রী দধিরাম রায়
    • মগরাহাট পশ্চিম – শ্রী গৌর সুন্দর ঘোষ
    • মঙ্গলকোট – শ্রী শিশির ঘোষ
    • ময়নাগুড়ি – শ্রী কৌশিক রায়
    • মন্দিরবাজার – শ্রীমতি মল্লিকা পাইক
    • মুরারই – শ্রীমতি রিঙ্কি ঘোষ
    • যাদবপুর – শ্রীমতি সরবোরী মুখোপাধ্যায়
    • রানাঘাট দক্ষিণ – ডা. অসীম কুমার বিশ্বাস
    • রানীনগর – শ্রী রানা প্রতাপ সিং রায়
    • রানিগঞ্জ – অ্যাড. পার্থ ঘোষ
    • রাজারহাট নিউ টাউন – শ্রী পীযূষ কনোড়িয়া
    • রাজারহাট গোপালপুর – শ্রী তরুণ জ্যোতি তিওয়ারি
    • রামপুরহাট – শ্রী ধ্রুব সাহা
    • লাভপুর – শ্রী দেবাশীষ ওঝা
    • সাগর – শ্রী সুমন্ত মন্ডল
    • সাগরদিঘি – শ্রী তাপস চক্রবর্তী
    • সাতগাছিয়া – শ্রী অগ্নিশ্বর নস্কর
    • সন্দেশখালি – শ্রী সনত সরদার
    • সমসেরগঞ্জ – শ্রী ষষ্ঠী চরণ ঘোষ
    • সাঁকরাইল – শ্রীমতি বর্ণালী ঢালী
    • সোনারপুর দক্ষিণ – শ্রীমতি রূপা গাঙ্গুলি
    • শ্রীরামপুর – শ্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য
    • শ্যামপুকুর – শ্রীমতি পূর্ণিমা চক্রবর্তী
    • শ্যামপুর – ডা. হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়
    • হরিণঘাটা (পূর্বের তালিকা অনুযায়ী)
    • হরিহরপুর (তালিকায় থাকলে বাদ)
    • হরিশচন্দ্রপুর – শ্রী রতন দাস
    • হাওড়া উত্তর – শ্রী উমেশ রায়
    • হাড়োয়া – শ্রী ভাস্কর মন্ডল
    • হাবড়া – শ্রী দেবদাস মন্ডল
    • হিঙ্গলগঞ্জ – শ্রীমতি রেখা পাত্র