Blog

  • জল্পনা কাটিয়ে ২৯ কেন্দ্রে প্রার্থী দিল ISF! নন্দীগ্রামে বামদের প্রার্থী তোলার আবেদন নওশাদের

    জল্পনা কাটিয়ে ২৯ কেন্দ্রে প্রার্থী দিল ISF! নন্দীগ্রামে বামদের প্রার্থী তোলার আবেদন নওশাদের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) দিন ঘোষণা হতেই রাজ্য জুড়ে এক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একে একে বিজেপি, তৃণমূল এবং সিপিআইএম প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করছে। আর এবার পালা ISF দের। কয়েকদিনের জল্পনা শেষে অবশেষে আজ অর্থাৎ শুক্রবার ISF চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকী (Naushad Siddiqui) জানিয়ে দিলেন, কতগুলি আসনে প্রার্থী দিলেন তারা। অন্যদিকে নন্দীগ্রাম সহ আরও তিন আসনে বামেদেরকে প্রার্থী প্রত্যাহারের অনুরোধ জানাল ISF।

    ২৯টি আসন নিয়ে সমঝোতা ISF দের

    রিপোর্ট মোতাবেক আজ অর্থাৎ শুক্রবার ISF চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকী সাংবাদিক বৈঠকে জানান যে, “বিজেপি ও তৃণমূলকে পরাস্ত করতে আসন নিয়ে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ ত্যাগ করেছি। একাধিকবার চিঠির আদানপ্রদান, আলিমুদ্দিনে আলোচনার পর অবশেষে আসন্ন নির্বাচনে বামেদের সঙ্গে আমরা বেশ কিছু আসনে সমঝোতা করতে পেরেছি। বামেদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ২৯টি আসন নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। আজ সেই আসনগুলির ঘোষণা করা হচ্ছে।” পেশ করা তালিকা অনুযায়ী ISF মোথাবাড়ি, সুজাপুর, সামশেরগঞ্জ, রঘুনাথগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, মধ্যমগ্রাম, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, বাদুড়িয়া, বসিরহাট উত্তর, বাসন্তী, কুলপি এলাকায় নামতে চলেছে।

    প্রতীক চিহ্ন হিসেবে রাখা হয়েছে ‘খাম’

    এছাড়াও ISF এর প্রকাশিত তালিকায় রয়েছে মন্দিরবাজার, ক্যানিং পশ্চিম, ক্যানিং পূর্ব, মগরাহাট পশ্চিম, ভাঙড়, উলুবেড়িয়া পূর্ব, জগৎবল্লভপুর, হরিপাল, খানাকুল, মহিষাদল এবং বীরভূম জেলার বোলপুর সহ মোট ২৯টি কেন্দ্র। বামেদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ISF । তাঁদের প্রতীক চিহ্ন হয়েছে ‘খাম’। নওশাদ সিদ্দিকী আরও বলেন, “আরও কয়েকটি আসনে বামফ্রন্টের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছিল। পাঁশকুড়া পশ্চিম, নন্দীগ্রাম, ভগবানগোলা এবং মুরারই। কিন্তু ইতিমধ্যে বামেরা সেখানে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু, এই চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। তাই এই চারটে আসনে যাতে বামেরা প্রার্থী না দেয়, সেই আবেদন করছি।”

    আরও পড়ুন: বেতন-স্থায়ীকরণের দাবিতে বাড়ছে ক্ষোভ, ভোটে তৃণমূলকে হারানোর ডাক পার্শ্ব শিক্ষকদের

    বৈঠকে সাংবাদিকরা আইএসএফের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিনক্ষণ জানতে চাওয়ায় নওশাদ সিদ্দিকী জানিয়েছেন, “আগামিকাল ঈদ উদযাপন। স্বাভাবিকভাবে মানুষ উৎসবের মেজাজে রয়েছেন। তাই ঈদের পর পরই আমরা প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করব।” ইতিমধ্যেই বিজেপির তরফে নন্দীগ্রামে ভোটের ময়দানে নামতে চলেছে বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারী এবং শাসকদলের তরফে সেই কেন্দ্রে লড়াই করবেন পবিত্র কর। এমতাবস্থায় CPIM আসনটি সিপিআইকে ছেড়েছে এবং সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন শান্তি গিরি। এখন দেখার ISF-এর অনুরোধ CPIM রাখেন কিনা।

  • বেতন-স্থায়ীকরণের দাবিতে বাড়ছে ক্ষোভ, ভোটে তৃণমূলকে হারানোর ডাক পার্শ্ব শিক্ষকদের

    বেতন-স্থায়ীকরণের দাবিতে বাড়ছে ক্ষোভ, ভোটে তৃণমূলকে হারানোর ডাক পার্শ্ব শিক্ষকদের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে বেশ তোড়জোড় শুরু হয়েছে রাজ্য জুড়ে। রবিবার নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই মঙ্গলবার, পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জনবিচ্ছিন্ন নয়, বরং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকার জন্য তালিকায় নতুন পুরাতন মুখকে দাঁড় করানো হয়েছে। কিন্তু এসবের মাঝেই পার্শ্ব শিক্ষকদের (Para Teachers) ক্ষোভ আরও বড় আকার নিল। প্রতিশ্রুতি না পূরণ হওয়ায় এবার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয় চেয়ে পথে নামতে চলেছে পার্শ্ব শিক্ষকেরা।

    প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি রাজ্য সরকার

    স্থায়ীকরণ ও বেতন বৃদ্ধির দাবিতে এখনও অনড় রাজ্যের সকল পার্শ্ব শিক্ষকরা। কিন্তু কোনো সুফল মিলছে না। নিখিল বঙ্গ পার্শ্ব শিক্ষক সমিতির সভাপতি মধুমিতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী কি সবটাই ভুলে গেলেন? সাধারণ শিক্ষকদের মতোই পার্শ্ব শিক্ষকেরাও স্কুলের সব দায়িত্ব পালন করছেন। তবু আমরা কেন দীর্ঘ দিন অবহেলিত থাকব? দী‌র্ঘ বছর ধরে নিয়োগ না হওয়ায় এখন বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষকের অভাব। তবে আমরা লিফলেট তৈরি করে আমাদের বঞ্চনার কথা লিখে সাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে দেব।’’ তবে এই সকল অভিযোগ অস্বীকার করছে শাসকদল। পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাজ্য সভাপতি মইদুল ইসলাম জানিয়েছেন, “শিক্ষকদের অবসরকালীন ৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। ৬০ বছর পর্যন্ত চাকরি সুনিশ্চিত করেছে, মাতৃত্বকালীন ছুটি চালু করেছে।”

    ভাতা নিয়েও বাড়ছে ক্ষোভ

    পার্শ্ব শিক্ষকদের অভিযোগ, ২০০৯ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন বিরোধী দলনেত্রী। তখন পার্শ্ব শিক্ষকদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, সরকারে এলে তাঁর প্রধান কাজ হবে পার্শ্ব শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ। এখনও সেই বক্তব্যের ভিডিয়ো রেকর্ডিং, খবরের কাটিং আছে তাঁদের কাছে। এমনকি ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের শেষে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, পার্শ্ব শিক্ষকদের ছয় মাস থেকে তিন বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে স্থায়ীকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু এত বছর পরে সেই স্থায়ীকরণ আজও হয়নি। এমনকি আট বছর পরে ভাতা বেড়েছে মাত্র এক হাজার টাকা।

    আরও পড়ুন: ‘জনসংগ্রাম মঞ্চ’ নিয়ে ভোটে রাজন্যা, লড়বেন দুই হেভিওয়েট কেন্দ্র থেকে

    পার্শ্ব শিক্ষক ঐক্য মঞ্চের সভাপতি ভগীরথ ঘোষ জানিয়েছেন, “স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় ৫৫ বছর পর্যন্ত বসার সুযোগ ছিল। তৃণমূলের সরকার সেই সংরক্ষণের নিয়মও তুলে দেয়। তাই এ বারের ভোটে তৃণমূলের পরাজয় চেয়ে মাঠে নামতে চাইছেন ক্ষুব্ধ পার্শ্ব শিক্ষকেরা। রাজ্যে পার্শ্ব শিক্ষকের সংখ্যা ৪১ হাজারের মতো। প্রতিটি পরিবারে চার জন সদস্য আছেন ধরে নিলে মোট ভোটারের সংখ্যা কিছু কম নয়। আমাদের আবেদন, যে এলাকায় যে বিরোধী দল শক্তিশালী, তাদের ভোট দিন। আমরা কলকাতার ভবানীপুর-সহ বেশ কিছু এলাকায় স্ট্রিট কর্নার করছি।” জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সমাবেশ-মিছিল করতে চলেছেন তাঁরা। এখন দেখার এই ক্ষোভের মুখে পড়ে রাজ্য সরকার পার্শ্ব শিক্ষকদের জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করে কিনা।

  • বাংলায় ঈদের ছুটি ২ দিন! ব্যাংক-স্কুল কবে বন্ধ থাকবে? জেনে নিন বিস্তারিত

    বাংলায় ঈদের ছুটি ২ দিন! ব্যাংক-স্কুল কবে বন্ধ থাকবে? জেনে নিন বিস্তারিত

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, শাওয়াল মাসের প্রথম দিনে ঈদ উদযাপিত হয় এবং ঈদের তারিখ চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে। তাই সৌদি আরবে চাঁদ দেখার পর পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) সহ সারা ভারতে ঈদ-উল-ফিতর (Eid Ul Fitr) উদযাপিত হয়। এই কারণে প্রতিবার ঈদের তারিখ নিয়ে মানুষ কিছুটা বিভ্রান্ত থাকে। এমনকি ঈদের ছুটি নিয়েও বিভ্রান্তি রয়েছে। চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক চলতি বছর ঈদের জন্য রাজ্য কোন কোন দিন ব্যাঙ্ক, স্কুল, কলেজ এবং অফিস বন্ধ থাকবে।

    সৌদি আরবে আজ খুশির ঈদ

    পবিত্র রমজান মাসের শেষে সকলেই অপেক্ষায় থাকেন খুশির ঈদের জন্য। কারণ এটি হল রমজান মাসের রোজা সমাপ্তির উৎসব। প্রতি বছর ঈদ-উল-ফিতর চাঁদ দেখার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। তাই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এই উৎসবটি বিভিন্ন দিনে উদযাপিত হয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সৌদি আরবে ঈদ উদযাপিত হয় সবার আগে। এইবছর সৌদি আরবে চাঁদ দেখা নিয়েও নানা সমস্যা তৈরি হয়েছিল। বুধবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তারপর ঠিক হয়েছিল বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ১৯ মার্চ চাঁদ দেখা গেলে ভারতে আজ ঈদ পালন করা হবে। তবে শেষে দেখা গেল, সৌদি আরবে আজ খুশির ঈদ পালন করা হচ্ছে। অর্থাৎ আগামীকাল অর্থাৎ শনিবার ভারতে পালন করা হবে ঈদ-উল-ফিতর।

    বাংলায় কোন দিন ঈদের ছুটি?

    পশ্চিমবঙ্গ অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, আগামীকাল অর্থাৎ ২১ মার্চ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে আবার রাজ্য সরকার আজকেও ঈদের জন্য সরকারি ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। একই সঙ্গে রাজ্য শিক্ষাপরিষদও ২০ ও ২১ মার্চ-উভয় দিনই ঈদের ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। ফলে বাংলার স্কুল, কলেজ এবং অফিসে টানা দু’দিন ছুটি থাকার থাকতে চলেছে। অন্যদিকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া বাংলায় আগামীকাল, ২১ মার্চ ঈদের ছুটি ঘোষণা করেছে।

    আরও পড়ুন: সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ পালন করে ভারতের এই গ্রাম! কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও

    প্রসঙ্গত, মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে বছরের সবচেয়ে পবিত্র সময় হল রমজান মাস। এই গোটা এক মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখেন মুসলিমরা। এই বছর ভারতে রমজান মাস শুরু হয় ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে। আর রমজান মাসের শেষ দিনে পালিত হয় মুসলিমদের সবচেয়ে বড় উৎসব ইদ-উল ফিতর। ওইদিন সকালে ইদের প্রার্থনা, নতুন পোশাক ও মিষ্টিমুখ করে ইদের আনন্দে মেতে ওঠেন সবাই।

  • লিটারে ২ টাকা বাড়ল পেট্রোলের দাম! আজ থেকেই কার্যকর নয়া রেট

    লিটারে ২ টাকা বাড়ল পেট্রোলের দাম! আজ থেকেই কার্যকর নয়া রেট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আবারও বিরাট ধাক্কা খেল ভারত। বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের মাঝেই লাগল ধাক্কা। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের গণ্ডি পার হতেই দেশের বাজারে হাহাকার। জ্বালানির দাম দিনের পর দিন বাড়ছে। আর তেল বিপণন সংস্থাগুলি আজ থেকেই প্রিমিয়াম পেট্রোলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল (Petrol Price Hike)। কতটা বাড়ল এবার দাম?

    দেশজুড়ে বাড়ল পেট্রোলের দাম

    তেল বিপণন সংস্থাগুলির ঘোষণা অনুযায়ী, সাধারণ পেট্রোলের দাম এখনই বাড়ছে না। কিন্তু হ্যাঁ, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রিমিয়াম পেট্রোলের দাম বাড়ানো হয়েছে। আর এবার প্রতি লিটারে ২.০৯ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিপিসিএল-এর ‘স্পিড’, এইচপিসিএল-এর ‘পাওয়ার’ এবং আইওসিএল-এর ‘এক্সপি ৯৫’ এর মতো উন্নত মানের সব জ্বালানি। বিশেষ করে উন্নত ইঞ্জিন পারফরমেন্স এবং বেশি মাইলেজের জন্য ব্যবহার করা হয় এই জ্বালানি। তবে দাম বাড়ার কারনে বিলাসবহুল গাড়ি বা স্পোর্টস বাইক ব্যবহারকারীদের পকেটে যে আরও চাপ পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এদিকে ইরান সহ পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে দিনের পর দিন সংঘাত বেড়েই চলেছে। যার ফলে বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ার কারণে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম এখন আকাশছোঁয়া। তার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় দেশগুলি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করলেও অপরিশোধিত তেলের দাম আপাতত ১০০ ডলারের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছে।

    আরও পড়ুন: সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি! এবার ১০০-র গন্ডি টপকানোর পালা?

    সাধারণ পেট্রোল-ডিজেলের দাম কি বাড়বে?

    বলাবাহুল্য, বর্তমানে কেবল প্রিমিয়াম বা ব্র্যান্ডেড জ্বালানির দাম বাড়ানো হলেও সাধারণ মানুষ বা ডিলারদের কপালে পড়ছে চিন্তার ভাঁজ। কারণ, বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যদি এই হারে বাড়তে থাকে, তাহলে খুব শীঘ্রই সাধারণ পেট্রোল বা ডিজেলের দামও বাড়ানো হতে পারে। আর তেমনটা হলে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা থাকছে।

  • আলোচনা না করেই IAS-IPS বদলি কমিশনের! হাইকোর্টে মামলা দায়ের কল্যাণের

    আলোচনা না করেই IAS-IPS বদলি কমিশনের! হাইকোর্টে মামলা দায়ের কল্যাণের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে ভোটের (West Bengal Election 2026) প্রচার। দিন রাত এক করে প্রার্থীরা জনসংযোগ বৃদ্ধি করতে উঠে পড়ে লেগেছে। এদিকে ভোট ঘোষণার পর থেকে বাংলায় একের পর এক আধিকারিক বদল হয়েই চলেছে। যা নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ প্রশাসন। এমতাবস্থায় বাংলার IAS এবং IPS অফিসারদের অন্য রাজ্যে নির্বাচনের কাজে পাঠানোর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা দায়ের করলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। অনুমতি দিলেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সোমবার হবে শুনানি।

    প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের বদলি নিয়ে ক্ষুব্ধ সরকার

    গত রবিবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে কমিশন ৷ দুই দফায় হবে রাজ্যে হবে নির্বাচন। এদিকে ঘোষণার পরেই ওইদিন রাত থেকেই রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের একে একে পরিবর্তন করতে শুরু করে কমিশন। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব থেকে শুরু করে পুলিশ ও প্রশাসনের আরও বেশ কয়েকজন কর্তাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে শোনা যায় তাঁদের কয়েকজনকে অন্য রাজ্যে ভোটের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রশাসন। এবার সেই নিয়ে হাইকোর্টে দ্বারস্থ হলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

    কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের কল্যাণের

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ শুক্রবার, রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের মামলা দায়েরের আবেদন জানান। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। সেখানে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ জানিয়েছেন যে, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচন করা। কিন্তু প্রশাসনের সমস্ত বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে স্থানান্তরের অধিকার নির্বাচন কমিশনের নেই। এতে প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার, এই মামলার শুনানি হবে। অন্যদিকে এই একই বিষয় নিয়ে এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও দিয়েছেন। কিন্তু মেলেনি কোনো জবাব।

    আরও পড়ুন: সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ পালন করে ভারতের এই গ্রাম! কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও

    প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণার দিনেও বিজেপি এবং কমিশনকে সাংবাদিক সম্মেলনে সরাসরি আক্রমণ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ”বাংলাকে ইচ্ছে করে টার্গেট করা হচ্ছে। আপনাদের অনেক পরিকল্পনা, অনেক চক্রান্ত আছে। কিন্তু মনে রাখবেন, এবারেও বাংলার মাটিতে বিজেপির জেতার কোনো সম্ভাবনা নেই। SIR, গ্যাসের লাইনে দাঁড় করিয়ে মানুষকে হেনস্তা করলে কেউ আপনাদের পাশে থাকবে না। এই লড়াইয়ে বাংলা, বাংলার মা-মাটি-মানুষ জিতবে।” বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজ্য ও কমিশনের সংঘাত শুরু থেকেই ছিল৷ এর আগেও নানা ব্যাপারে কমিশনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছে রাজ্য প্রশাসন ৷ একজন দেখার মামলার জল কত দূর এগোয়।

  • ট্রেনের খাবার কতটা সতেজ জানতে পারবেন স্ক্যান করেই, QR কোড সিস্টেম চালু করল রেল

    ট্রেনের খাবার কতটা সতেজ জানতে পারবেন স্ক্যান করেই, QR কোড সিস্টেম চালু করল রেল

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বড় পদক্ষেপ নিল ভারতীয় রেল (Indian Railways)। ট্রেনে যাত্রীদের খাবারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবার খাবারের প্যাকেটে QR কোড সিস্টেম (Rail QR Code System) চালু করল রেলওয়ে। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা PIB এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রেনে খাবারের গুণমান, স্বাস্থ্যবিধি ও সুরক্ষা ব্যবস্থার দিকে কড়া নজর রাখার পাশাপাশি রেলের তরফে অনুমোদিত বিক্রেতা এবং কর্মীরাই অন বোর্ড ক্যাটারিং পরিষেবার সাথে যুক্ত রয়েছে কিনা তা যাচাই করতেই এই বিশেষ QR কোড সিস্টেম চালু করেছে রেল।

    এক QR কোডেই থাকবে সমস্ত তথ্য

    রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রেনে অন বোর্ড ক্যাটারিং পরিষেবা পরিচালনার জন্য মোতায়েন করা সমস্ত অনুমোদিত ক্যাটারিং বিক্রেতা, সহকারি এবং কর্মীদের জন্য QR কোড সক্ষম পরিচয় পত্র প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ট্রেনে অন বোর্ড ক্যাটারিং এর তরফে যে খাবার দেওয়া হবে সেই খাবারের প্যাকেটে থাকা ছোট্ট QR কোড স্ক্যান করে যাত্রীরা জেনে নিতে পারবেন বিক্রেতা বা কর্মীর নাম, তাঁর আধার নম্বর, তাঁর মেডিকেল ফিটনেস সহ অন্যান্য একাধিক তথ্য।

    শুধু তাই নয়, ওই এক QR কোড স্ক্যান করেই জানা যাবে খাবারটি কোথায় রান্না করা হয়েছে, খাবার তৈরির তারিখ সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। রেল বলছে, আসলে খাবারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং অনুমতি দেওয়া হয়নি এমন বিক্রেতা যাতে ট্রেনে যাত্রীদের খাবার দিতে না পারে সে জন্যেই এই বিশেষ QR কোড সিস্টেম চালু করা হয়েছে। তাছাড়াও এই QR কোড ব্যবস্থা চালু করার অন্যতম কারণ ট্রেনে খাওয়ার সরবরাহের সময় যদি খাওয়ারে কোনও খারাপ কিছু পাওয়া যায় কিংবা খাওয়ার বাসি হয় সে ক্ষেত্রে যাত্রী খাবারের প্যাকেটে থাকা QR কোড স্ক্যান করে নির্দিষ্ট বিক্রেতা বা কর্মীর বিরুদ্ধে রেলের কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

    অবশ্যই পড়ুন: অবশেষে দূর হল চিন্তা, KKR-র জন্য চরম সুখবর

    আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল রেল

    বিশেষ QR কোড সিস্টেম চালু করার পাশাপাশি ট্রেনে খাবারের মান এবং স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে প্যান্ট্রি কার এবং বেস কিচেনগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে প্রতিটি রান্নাঘরে চলছে পর্যবেক্ষণ। এর আগে রেলমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, খাবারের মানোন্নয়নের জন্য যাতে ব্র্যান্ডেড চাল, আটা, ডাল থেকে শুরু করে মশলাপাতি ও অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। এছাড়াও রেলের তরফে ক্যাটারিং ইউনিট গুলোর জন্য FSSAI সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সাথে নিয়মিত খাদ্য নমুনা সহ অডিট ও অন্যান্য বিভাগে পরিদর্শন করবে রেল। সেই সাথে গ্রাহকরা কতটা সন্তুষ্ট হলো এবং ক্যাটারিং কর্মীরা নিয়মিত ঠিকঠাক কাজ করছেন কিনা সেদিকেও কড়া নজর রাখা হবে।

  • অবশেষে দূর হল চিন্তা, KKR-র জন্য চরম সুখবর

    অবশেষে দূর হল চিন্তা, KKR-র জন্য চরম সুখবর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: KKR এর জন্য চরম সুখবর (Kolkata Knight Riders)। 2026 ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ শুরুর আগে একের পর এক ধাক্কা খেয়েছে শাহরুখ খানের এই দল। তবে টুর্নামেন্ট যত এগিয়ে আসছে ধীরে ধীরে নিজেদের আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তারা। এবছর কোটি কোটি টাকা খরচ করে দামি দামি খেলোয়াড় কিনলেও KKR এর চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছিলেন কয়েকজন পেসার। সেই তালিকায় নাম ছিল শ্রীলঙ্কার মাথিশা পাথিরানার (Matheesha Pathirana)। এবার তাঁকে নিয়েই সুখবর পেল KKR। জানা যাচ্ছে, শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে ফিট ঘোষণা করেছে। সব ঠিক থাকলে খুব শীঘ্রই, KKR এর হয়ে অনুশীলনে নেমে পড়বেন তিনি।

    পাথিরানাকে KKR এ খেলার অনুমতি দিল শ্রীলঙ্কার বোর্ড

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে গিয়ে আচমকা চোট পেয়েছিলেন KKR এর 18 কোটির পাথিরানা। যার কারণেই গোটা বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছিলে তিনি। এরপর দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে সময় কাটানোর পর ধীরে ধীরে ফিট হয়ে ওঠেন এই খেলোয়াড়। তবে KKR এ খেলা নিয়ে বেশ সমস্যায় ভুগতে হচ্ছিল তাঁকে। কারণ লঙ্কান ক্রিকেটার ফিট হয়ে উঠলেও তাঁকে IPL এ খেলার ছাড়পত্র দিচ্ছিল না সে দেশের বোর্ড। এর ফলে বারবার খেলোয়াড়ের বিমানের টিকিট বুক করেও ক্যান্সেল করতে হচ্ছিল কলকাতাকে। তো এবার আর তা করতে হবে না।

    গত সোমবার, পাথিরানার এজেন্ট আমিলা কালুগালগে খেলোয়াড়ের একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। যেখানে KKR এর জার্সি গায়ে ব্যাপক উচ্ছাস প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছিল লঙ্কান ক্রিকেটারকে। আর তার পরপরই KKR এ খেলার জন্য একেবারে ছাড়পত্র পেয়ে গেলেন পাথিরানা। সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের সাথে কথা বলার সময় শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ডের সচিব বান্দুলা দিশানায়েকে জানিয়েছেন, “পাথিরানা রিহ্যাব শেষ করে পুরোপুরি ফিট। IPL এ খেলার জন্য ও তৈরি। ইতিমধ্যেই ওকে এর জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বাকিটা ফ্রাঞ্চাইজি ঠিক করবে। আমরা মনে করছি ও এখন ম্যাচ খেলার মতো পর্যায়ে রয়েছে।”

    অবশ্যই পড়ুন: খেলা জমে ক্ষীর, কে হল এই সপ্তাহের বেঙ্গল টপার? দেখুন TRP লিস্ট

    প্রসঙ্গত, IPL এ আগামী 29 মার্চ মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে তাদের ঘরের মাঠে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তার আগে 25 মার্চের মধ্যেই মুম্বইয়ে পৌঁছে যাবেন অজিঙ্কা রাহানেরা। সেখানেই অনুশীলন সারবে দল। 18 কোটির পেসার ঠিক কবে নাগাদ নাইট শিবিরে যোগ দেবেন তা নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানা না গেলেও আশা করা হচ্ছে, প্রথম অথবা দ্বিতীয় ম্যাচের মধ্যেই তাঁকে মাঠে পাবে শাহরুখ খানের দল।

  • সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ পালন করে ভারতের এই গ্রাম! কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও

    সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ পালন করে ভারতের এই গ্রাম! কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পবিত্র রমজান মাসের শেষে সকলেই অপেক্ষায় থাকেন খুশির ঈদের জন্য। প্রতি বছর ঈদ-উল-ফিতর-ও (Eid Ul Fitr Celebration) চাঁদ দেখার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। তাই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এই উৎসবটি বিভিন্ন দিনে উদযাপিত হয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সৌদি আরবে (Saudi Arab) ঈদ উদযাপিত হয় সবার আগে। এইবছর সৌদি আরবে বুধবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি বলে সেখানে ঈদ পালিত হচ্ছে আজ। তাই আগামীকাল কলকাতায় পবিত্র ইদুল ফিতর পালিত হবে। কিন্তু জানেন কি বিহারের (Bihar) এই গ্রামে গোটা দেশে পবিত্র ঈদ পালনের একদিন আগেই উৎসব উদযাপিত হয়।

    সৌদি আরবের নিয়ম মেনে চলে এই গ্রাম

    সৌদি আরবে সাধারণত ঈদ উদযাপনের একদিন পর ভারতে ঈদ উদযাপিত হয়। কারণ ভৌগোলিক অবস্থানের প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায়শই চাঁদ প্রথমে দেখা যায়। এই নিয়মই চলে আসছে দীর্ঘকাল। তবে এমন একটি গ্রাম আছে যেখানে সৌদি আরবের দিনেই ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করা হয়ে থাকে। আর সেই জায়গাটি হল বাদাকার গ্রাম যা বিহারের নালন্দা জেলায় অবস্থিত। সেখানকার মুসলিম সম্প্রদায় দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনে চাঁদ দেখার ব্যাপারে আরব দেশগুলোর নিয়মকানুন মেনে চলে। তাঁদের বিশ্বাস, চাঁদ সারা বিশ্বে একই, সেটা যতই ভিন্ন সময় দেখা যাক না কেন। তবে শুধু বিহারের বাদাকার গ্রাম নয়, কেরলেও এই নিয়ম পালন করা হয়।

    কেরলেও পালন করা হয় এই নিয়ম

    জানা গিয়েছে কেরলে বৃহৎ সংখ্যক মুসলিমদের বসবাস। তাঁরাও দুটি কারণে সৌদি আরবের সঙ্গে একই দিনে ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করে। প্রথমত, সেখানে ইসলামিক চন্দ্র ক্যালেন্ডারের ২৯তম দিনে চাঁদ দেখা যায়। যা প্রায়শই সৌদি আরবে চাঁদ দেখার সঙ্গে মিলে যায়। অন্যদিকে বেশিরভাগ মুসলিম সৌদি আরবের ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করে তাই একই দিনে ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করে। গ্রামবাসীদের মতে এই ঐতিহ্যটি গ্রামে প্রতি বছর উদযাপিত হয় এবং সকল ধর্মের মানুষ এতে নিজ থেকেই অংশগ্রহণ করে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য, মহিলা, কর্মসংস্থান—তৃণমূলের ইস্তেহারে বড় চমক আনতে চলেছেন মমতা

    প্রসঙ্গত, আগামীকাল, শনিবার সকাল থেকেই ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে সম্পূর্ণ বদলে যাবে শহরের চেনা ছবি। নিরাপত্তা সঠিক রাখতে সকাল ৬:৩০ থেকে ৮:৩০-এর মধ্যে নাখোদা মসজিদ, টিপু সুলতান মসজিদ এবং রেড রোডে বিশাল জামায়াতের আয়োজন করা হচ্ছে। নামাজের পরে চলবে ঐতিহ্যবাহী কোলাকুলি। এদিকে এখন থেকেই সেজে উঠেছে জাকারিয়া স্ট্রিট এবং পার্ক সার্কাস চত্বর। ফিরনি, হালিম আর বিরিয়ানির গন্ধে ম ম করছে গোটা এলাকা।

  • সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি! এবার ১০০-র গন্ডি টপকানোর পালা?

    সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি! এবার ১০০-র গন্ডি টপকানোর পালা?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এবার কি তাহলে ১০০-র গণ্ডি টপকাবে ভারতীয় মুদ্রা (Indian Rupee)? ডলারের বিপরীতে সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছল রুপি। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের (Middle East War) কারণে আগেই আশঙ্খা করা গিয়েছিল যে দিনের পর দিন আরও তলানিতে ঠেকবে দেশের মুদ্রা। সেই আশঙ্কায় সত্যি হল। শুক্রবার মার্কিন ডলারের (United States Dollar) বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার দাম দাঁড়াল একেবারে সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তর ৯৩.২৪ টাকায়। অর্থাৎ, এবার এক ডলার কিনতে গেলেই খোয়াতে হবে এত টাকা। অন্যদিকে বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ছে তেলের দাম। যার প্রভাব পড়ছে মুদ্রার উপরেই। তাহলে কী হবে দেশের অর্থনীতির?

    সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি

    বলে দিই, গত ৪ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে ৭০ পয়সা বেড়ে ৯২ এর গণ্ডি ছাপিয়ে গিয়েছিল ভারতীয় মুদ্রা। এই সময় ডলারের বিপরীতে দাম দাঁড়ায় ৯২.১৭ টাকা। আর তার পাঁচ দিনের মধ্যে আরও ধস নামে রুপিতে। তখন সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তর ৯২.৩০ টাকায় গিয়ে পৌঁছয়।। তবে এবার আরও পতন হয়ে একেবারে ৯৩ এর গণ্ডি টপকে গেল। আজ সকালে বাজার খুলতেই একেবারে রক্তক্ষরণ রুপিতে। এক ডলার কিনতে গেলেই এখন পড়েছে ৯৩.২৪ টাকা। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যে হারে বাড়ছে তাতে সিংহভাগ চাপ পড়ছে মুদ্রার উপর। এই কারণেই গতকালের তুলনায় আরও ০.৪ শতাংশ তলানিতে রুপি।

    এক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি, আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের গণ্ডি টপকেছে। যার ফলে তেল আমদানি করতেই মুদ্রার উপর চাপ পড়ছে। সেই কারণে ডলারের বিপরীতে দিনের পর দিন এই পতন। বেশ কিছু বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি ক্রুড অয়েলের দাম ১২০ ডলারে পৌঁছে যায়, তাহলে রুপি আরও তলানিতে ঠেকবে। এমনকি তা ৯৪ তে গিয়ে পৌঁছবে। আর আশঙ্কা করা হচ্ছে যে যুদ্ধ যদি এরকমভাবে চলতে থাকে, তাহলে ১০০-র গণ্ডি টপকাতে খুব বেশিদিন সময় লাগবে না। অন্যদিকে শেয়ার বাজারেও পড়ছে ভয়ংকর প্রভাব। কারণ, সেন্সেক্স ও নিফটি ৫০ অনেকটাই লসের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ১১৩ বছরের রেকর্ড ব্রেক, প্রথম দিনেই ১০০ কোটির ক্লাব ছুঁল রণবীরের ‘ধুরন্ধর ২’

    বলাবাহুল্য, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে দিনের পর দিন সংঘাত বেড়েই চলেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর আমেরিকা এবং ইজরায়েলের উপর একের পর এক হামলা চালাচ্ছে তেহরান। যার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের যোগানে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। এমনকি সম্প্রতি কাতারের রাস লাফানে মিসাইল অ্যাটাক করেছে ইরান। যার কারণে গ্যাস আমদানি সম্পূর্ণ বন্ধ। আর হরমুজ প্রণালীতে ভারতেরতেলবাহী জাহাজগুলি আটকে রয়েছে। এক কথায়, গোটা বিশ্ব এখন জ্বালানি সংকটে ভুগছে। সেই কারণেই বাড়তি টাকা খরচ করে জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে ভারতকে। যার কারণে ডলারের বিপরীতে মুদ্রার পতন।

  • ভাগবত কথা শুনতে খরচ ১ লাখ, পুজো দিলে ৫১ হাজার! বদ্রিনাথ-কেদারনাথে যাওয়ার আগে দেখুন

    ভাগবত কথা শুনতে খরচ ১ লাখ, পুজো দিলে ৫১ হাজার! বদ্রিনাথ-কেদারনাথে যাওয়ার আগে দেখুন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: হিন্দু ধর্মের পবিত্র গঙ্গোত্রী, যমুনেত্রী, কেদারনাথ (Kedarnath) এবং বদ্রিনাথ অর্থাৎ চারধাম যাত্রার (Char Dham Yatra) রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। সরকারের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী 19 এপ্রিল অর্থাৎ অক্ষয় তৃতীয়ার দিন থেকেই শুরু হবে চারধাম যাত্রা। প্রথম দিন খুলবে গঙ্গোত্রী এবং যমুনেত্রী মন্দিরের দরজা। এরপর 22 এপ্রিল কেদারনাথ মন্দির এবং 23 তারিখ বদ্রিনাথের দরজা ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তার আগে উত্তরাখন্ড সরকারের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, চারধাম যাত্রায় অংশ নিতে গেলে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। সেই নির্দেশিকার পর এবার কেদারনাথ ও বদ্রিনাথ ধামে ভক্তদের পুজো-আরতির জন্য নির্ধারিত ফি বাড়িয়ে দিল মন্দির কর্তৃপক্ষ।

    বদ্রিনাথ ও কেদারনাথ ধামে পুজো করতে হলে গুনতে হবে মোটা টাকা

    চারধাম যাত্রা চলাকালীন প্রত্যেকটি ধামে অর্থাৎ মন্দিরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে পূজার্চনা। এছাড়াও রয়েছে অভিষেক, ভোগ, অখন্ড জ্যোতি সহ অন্যান্য ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান। আর চার ধামের এই বিশেষ পুজো গুলিতে অংশ নিতে হলে ভক্তদের আগে থেকে বুকিং করাতে হয়। এজন্য জমা দিতে হয় নির্ধারিত ফি। এবার সেই খরচ অনেকটাই বাড়িয়ে দিল চারধাম মন্দির কমিটি। কর্তৃপক্ষের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মূলত গোটা সিস্টেমের উন্নতি এবং তীর্থযাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই বাড়ানো হয়েছে পুজোর ফি।

    মন্দির কমিটির তরফে নির্ধারিত ফি কাঠামো অনুযায়ী, এ বছর চারধাম যাত্রায় বদ্রীনাথ ধামের বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা পুজো যেমন, শ্রীমৎ ভগবত কথা, বেদ গীতা পাঠ, মহাভিষেক, অভিষেক এবং মন্দিরের আরতির জন্য এবার থেকে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে ভক্তদের। নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বদ্রিনাথ ধামে ভগবত কথা শোনার জন্য সর্বোচ্চ ফি 51 হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে 1 লাখ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে বেদ ও গীতা পাঠের শুনতে ফি দিতে হবে 3100 টাকা। আগে যা ছিল আড়াই হাজার।

    এখানেই শেষ নয়, বদ্রিনাথ ধামে ঈশ্বরের কপূর আরতি করতে হলে 3000 টাকা খরচ করতে হবে ভক্তদের। আগে এই টিকিটের মূল্য ছিল 1951 টাকা। তবে সিলভার আরতি করতে হলে গুনতে হবে 5,100 টাকা। এছাড়াও অভিষেকের জন্য এখন থেকে খরচ হবে 5,300 টাকা। অখন্ড জ্যোতির ফি 6000। তবে যদি কেউ সোনার আরতী করতে যান তার জন্য গুনতে হবে 6,100 টাকা। এর পাশাপাশি মন্দিরের ক্ষীর ভোগ, মহা ভোগ সহ অন্যান্য ভোগের খরচও বেড়েছে।

    অবশ্যই পড়ুন: ফের বেড়ে গেল অটোর LPG-র দাম, ভাড়া নিয়ে আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ

    এদিকে কেদারনাথ ধামে রুদ্রভিষেক, মহাভিষেক, রুদ্রভিশেকা, শিব সহস্রনাম এবং দিনব্যাপী উপাসনার মতো ছোটখাটো আচার অনুষ্ঠানের অঙ্গ হতেও অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে হবে ভক্তদের। যদি কেউ কেদারনাথ এ গোটা দিনব্যাপী পূজা করতে চান তবে তার খরচ হবে 51 হাজার টাকা। এর আগে পূজোর সর্বোচ্চ ফি ছিল 28 হাজার 600। এছাড়াও অখন্ড জ্যোতি, কর্পূর আরতি, দৈনিক পুজোর ক্ষেত্রেও গুনতে হবে অতিরিক্ত খরচ। বিশেষ করে শিব সহস্র নামের জন্য দিতে হবে আড়াই হাজার টাকা। রুদ্রভিষেক করতে গেলে এখন থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকা গুনতে হবে। তবে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, সাধারণ ভক্তরা আগের মতোই দর্শন করতে পারবেন বিনামূল্যে।