Blog

  • তৃণমূলের ইস্তেহার, আরজি করে রহস্যমৃত্যু…! আজকের সেরা ১০ খবর (২০ মার্চ)

    তৃণমূলের ইস্তেহার, আরজি করে রহস্যমৃত্যু…! আজকের সেরা ১০ খবর (২০ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ২০ মার্চ, শুক্রবার। তৃণমূলের ইস্তেহার, আরজি করে রহস্যমৃত্যু, অটোর এলপিজি-র দাম বৃদ্ধি, রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) ভোটের আগে ২৯ কেন্দ্রে প্রার্থী দিল ISF

    আইএসএফ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বামেদের সঙ্গে সমঝোতা করে এবার ২৯টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকী জানিয়েছেন যে, বিজেপি এবং তৃণমূলকে হারাতে তারা সমঝোতায় এসেছে। মোথাবাড়ি থেকে বোলপুর পর্যন্ত বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে আইএসএফ আর প্রতীক রাখা হয়েছে খাম। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম সহ আরও চারটি আসনে বামেদের প্রার্থী প্রত্যাহারের আবেদন জানানো হয়েছে বলে খবর। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৯) আরজি করে লিফটে আটকে রহস্যমৃত্যু ব্যক্তি

    আরজি কর হাসপাতালে লিফটে আটকে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল দমদমের বাসিন্দা অরূপ চট্টোপাধ্যায়ের। তাঁর বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। হাসপাতলে ভর্তি ছেলেকে দেখতে স্ত্রী এবং সন্তানকে নিয়ে লিফটে ওঠার সময় দুর্ঘটনা ঘটেছে। লিফট অপারেটর না থাকার কারণে তিনজনই আটকে পড়েছেন। পরে উদ্ধার করা হলে অরূপবাবুর মৃত্যু হয়। আর স্ত্রী এবং ছেলে দুজনেই সুস্থ রয়েছেন। টালা থানা তদন্ত শুরু করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। আর রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৮) ১৬,৩৯৮ কিমি ট্র্যাকের পাশে বেড়া বসাল ভারতীয় রেল

    ভারতীয় রেল নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য ১৬,৩৯৮ কিলোমিটার রেল লাইনের পাশে বেড়া বসানোর কাজ সম্পন্ন করল। যার ফলে অনধিকার প্রবেশ এবং দুর্ঘটনা অনেকটাই কমবে। পাশাপাশি দ্রুতগতির ট্রেন চলাচল আরও নিরাপদ হবে। আর উত্তর-মধ্যে, দক্ষিণ-মধ্য এবং পশ্চিম রেল জোনে বেশি কাজ হয়েছে বলে খবর। মানুষ শর্টকাট লাইনে পার হওয়া এবং পশু প্রবেশ রুখতেই বিশেষ করে এই উদ্যোগ। কিন্তু কিছু কিছু রুটে ট্রেনে দেরি নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতে আরও করিডরে বেড়া বসানো এবং ট্রাক উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৭) সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে ভারতীয় রুপি মার্কিন ডলারের বিপরীতে সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছে গেল। এবার এক ডলার কিনতে গেলে খরচ পড়ছে ৯৩.২৪ টাকা। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ১০০ ডলার পর্যন্ত হয়ে যাওয়ায় আমদানি খরচ অনেকটাই বেড়েছে। যার প্রভাব পড়ছে ভারতীয় মুদ্রার উপরে। কয়েকদিন আগেও রুপি ছিল ৯২ টাকার আশেপাশে। কিন্তু আরও দ্রুত পতন হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের দাম আরও বাড়লে ৯৪ টাকা বা তার বেশি নেমে যেতে পারে। এমনকি ১০০ টাকার গণ্ডিও টপকে যেতে পারে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৬) ফের বেড়ে গেল অটোর LPG-র দাম

    অটোর এলপিজি গ্যাসের দাম হঠাৎ করে ৮ টাকা বেড়ে যাওয়ার কারণে কলকাতায় ৭০.৬৮ টাকায় পৌঁছে গেল, যা বৃহস্পতিবার রাত থেকে কার্যকর হচ্ছে। যার ফলে যাত্রীদের ভাড়া বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে পশ্চিম এশিয়ার অশান্তি এবং এলপিজির সংকটে অনেক অটো রাস্তায় নামছে না। আর পাশাপাশি ভোটের কারণে বহু বেসরকারি বাস তুলে নেওয়ার কারণে পরিবহন ব্যবস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে। এতে নিত্যযাত্রীদের উপরে যে চাপ বেশি পড়ল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সব মিলিয়ে নির্বাচনের আগে শহর এবং রাজ্যে যাতায়াতের সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৫) IAS-IPS বদল করায় হাইকোর্টে মামলা দায়ের কল্যাণের

    বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের জন্য রাজ্যে বদলি নিয়ে বিতর্ক এখন তুঙ্গে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের মামলা দায়ের করেছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করে নির্বাচন কমিশন একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছে যা প্রশাসনিক কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। আর প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ মামলার অনুমতিও দিয়েছে এবং সোমবার এই মামলার শুনানি হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, এই ইস্যুতে আগেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৪) লিটারে ২ টাকা বাড়ল পেট্রোলের দাম

    পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াতেই ভারতের প্রিমিয়াম পেট্রোলের দাম অনেকটাই বেড়ে গেল। তেল বিপণন সংস্থাগুলি আজ থেকেই প্রতি লিটারে ২.০৯ টাকা দাম বাড়িয়ে ফেলেছে। বিপিসিএল-এর ‘স্পিড’, এইচপিসিএল-এর ‘পাওয়ার’ ও আইওসিএল-এর ‘এক্সপি ৯৫’ এর মতো জ্বালানিতে এই বৃদ্ধি কার্যকর হচ্ছে বলে খবর। কিন্তু সাধারণ পেট্রোল-ডিজেলের দাম এখনো পর্যন্ত অপরিবর্তিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে ভবিষ্যতে জ্বালানির দাম বাড়তে পারে। তাই সাধারণ মানুষের খরচ আরও বাড়বে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৩) বাংলায় ঈদের ছুটি ২ দিন, ঘোষণা রাজ্যের

    চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে এবছর ঈদ-উল-ফিতর ২১ মার্চ ভারতে পালিত হবে বলে খবর। পশ্চিমবঙ্গে এই উপলক্ষে ২০ এবং ২১ মার্চ দুইদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে স্কুল, কলেজ এবং সরকারি অফিস টানা দুই দিন বন্ধ থাকবে। কিন্তু রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দেশ অনুযায়ী, ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে শুধুমাত্র ২১ মার্চ। আর সৌদি আরবে একদিন আগে পালিত হওয়ার কারণে ভারতে একদিন পরে উৎসব হচ্ছে। রমজান মাস শেষে এই উৎসব মুসলিমদের প্রধান আকর্ষণ, যা আনন্দ এবং উৎসের সঙ্গেই পালিত হয়। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ২) ভোটে তৃণমূলকে হারানোর ডাক পার্শ্ব শিক্ষকদের

    বিধানসভা নির্বাচনের আগে বেতন বৃদ্ধি এবং স্থায়ীকরণের দাবিতে পার্শ্ব শিক্ষকদের ক্ষোভ এবার তীব্র হল। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিশ্রুতি দিলেও রাজ্য সরকার কোনও ভাবেই পূরণ করেনি। যার ফলে এবার লিফলেট প্রচার, স্ট্রিট কর্নার এবং আন্দোলনের মাধ্যমে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। এমনকি ভোটে শাসক দলকে হারানোর ডাকও দিয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল দাবি করছে, শিক্ষকদের জন্য একাধিক সুবিধা ইতিমধ্যে চালু করা হয়েছে। আর প্রায় ৪১,৫০০ শিক্ষকদের এই ক্ষোভ ভোটে প্রভাব ফেলতে পারে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ১) ইস্তেহারে ১০ প্রতিজ্ঞা তৃণমূলের

    বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেস বাংলার জন্য দিদির ১০ প্রতিজ্ঞা শীর্ষক ইস্তেহার প্রকাশ করল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুয়ারে চিকিৎসা পরিষেবা চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। আর সেখানে ব্লক করে স্বাস্থ্য শিবির হবে। এছাড়াও সরকারি স্কুলকে আধুনিকীকরণ করে ই-লার্নিং চালু করা হবে, নতুন পৌরসভা গঠন করা হবে। পাশাপাশি সবার জন্য পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হবে এবং ঘরে ঘরে পানীয় জল দেওয়া, কৃষকদের আর্থিক সহায়তা, যুবকদের কর্মসংস্থান আর মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

  • পেট্রোলের পর এবার দাম বাড়ল ডিজেলের! জানুন নতুন রেট

    পেট্রোলের পর এবার দাম বাড়ল ডিজেলের! জানুন নতুন রেট

    সহেলি মিত্র, নয়াদিল্লিঃ পেট্রোলের পর এবার দাম বাড়ল ডিজেলের (Diesel Price)। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। একদিকে যখন এলপিজি নিয়ে সমগ্র দেশে হাহাকার পড়ে গিয়েছে, অন্যদিকে গাড়ি ভাড়া থেকে শুরু করে অটো ভাড়া বাড়ছে, তখন এবার গোঁদের ওপর বিষফোঁড়া হল ডিজেলও। এবার আরও দাম দিয়ে সকলকে ডিজেল কিনতে হবে। কত টাকা বাড়ল? কবে থেকে নতুন দাম লাগু হবে? চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    দাম বাড়ল ডিজেলের!

    জানা গিয়েছে, এবার লিটার প্রতি ডিজেলের দাম বাড়ল ২২.০৩ টাকা। তবে এখানে চমক রয়েছে। সাধারণ ডিজেলের দাম কিন্তু বৃদ্ধি পায়নি। মূলত শিল্পক্ষেত্রে যে ডিজেল (Industrial Diesel) ব্যবহার করা হয় সেটার দাম বেড়েছে। সরকার জানিয়েছে, শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম এখন লিটার প্রতি ২২.০৩ টাকা বেড়েছে। দাম লিটার প্রতি ৮৭.৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০৯.৫৯ টাকা করা হয়েছে। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (আইওসি) শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ৮৭.৬৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০৯.৫৯ টাকা করেছে।

    এদিকে শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ২২ টাকা বৃদ্ধির ফলে শিল্প, পরিবহন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ প্রভাবিত হবে। অর্থাৎ আগামী দিনে আরও চাপ বাড়তে চলেছে সাধারণ মানুষের ওপর। যদিও শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেল সাধারণ যানবাহনে ব্যবহৃত না হলেও চাপ থাকবেই। ভাবছেন আপনার জীবনে এর প্রভাব পড়বে না? সেগুরে বালি। মূল্যবৃদ্ধি দৈনন্দিন জীবনে অবশ্যই প্রভাব ফেলবে। এতে কোম্পানিগুলোর খরচ বাড়বে এবং পরবর্তীকালে এই বোঝা সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বর্তাতে পারে।

    শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেল কী?

    এখন আপনিও নিশ্চয়ই ভাবছেন, এটা আবার কেমন ধরণের ডিজেল? তাহলে জানিয়ে রাখি, শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেল সাধারণ যানবাহনে ব্যবহার করা হয় না। বরং কারখানা ও শিল্পকারখানায় শিল্প কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি শিল্প বা বাল্ক ডিজেল হিসাবে বিক্রি করা হয়। এই ডিজেলে কোনো ভর্তুকি দেওয়া হয় না। শিল্প ডিজেল কারখানা, শপিং মল, ডেটা সেন্টার এবং বড় বড় বাড়িতে ব্যবহৃত হয়, যেগুলো বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় বড় জেনারেটরের সাহায্যে চলে। শিল্প ডিজেল জেসিবি, বুলডোজার এবং অবকাঠামো প্রকল্পে ব্যবহৃত ভারী যন্ত্রপাতিতে ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য, তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলোও স্পিড এবং পাওয়ারের মতো প্রিমিয়াম পেট্রোল ভ্যারিয়েন্টের দাম লিটার প্রতি ২.০৯ টাকা বাড়িয়েছে।

  • সন্ত্রাসী কার্যকলাপে শীর্ষে পাকিস্তান! ভারত, বাংলাদেশ কোথায়? প্রকাশ্যে রিপোর্ট

    সন্ত্রাসী কার্যকলাপে শীর্ষে পাকিস্তান! ভারত, বাংলাদেশ কোথায়? প্রকাশ্যে রিপোর্ট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সন্ত্রাসের দেশের কথা উঠতেই প্রথমে কোন দেশটির কথা মাথায় আসে? নিশ্চয়ই পাকিস্তান (Pakistan)! হ্যাঁ, প্রতিবেশী পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি এই তকমাকে যেন আরও সত্যি করল। সম্প্রতি ‘ইনস্টিটিউট ফর ইকনোমিক অ্যান্ড পিস’ গ্লোবাল টেরোরিজম ইনডেক্স ২০২৬ (Global Terrorism Index 2026) এর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। আর সেখানেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যাচ্ছে, সারা বিশ্বের মধ্যে সন্ত্রাসবাদের প্রভাবে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করে রেখেছে পাকিস্তান। কিন্তু সেই তালিকায় ভারত, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়? জানুন।

    রেকর্ড ভাঙা সন্ত্রাসবাদ পাকিস্তানে

    প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক দশকের মধ্যে ২০২৫ সালটা ছিল পাকিস্তানের ইতিহাসের সবথেকে রক্তক্ষয়ী বছর। কারণ, পশ্চিম এশিয়ার বুরকিনা ফাসোকে পেছনে ফেলে পাকিস্তান এখন বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী দেশ। পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ২০২৫ সালে পাকিস্তানে মোট ১০৪৫টি জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে। আর সেক্ষেত্রে মোট ১১৩৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে। সবথেকে বড় ব্যাপার, ২০২০ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে পাকিস্তানের জঙ্গি তৎপরতা প্রায় ৬ গুণ বেড়েছে। আর এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করা হচ্ছে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানকে। তাদের হামলা এক বছরে প্রায় ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি বালুচ লিবারেশন আর্মিও পাকিস্তানে যথেষ্ট সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বিস্তার করেছে, যা এই রেকর্ডকে আরও বাড়িয়েছে।

    তবে হ্যাঁ, পাকিস্তানের ঠিক বিপরীত চিত্র ভারতে। কারণ, ওই রিপোর্টে ভারতের অবস্থান বর্তমানে ১৩ নম্বরে এবং ভারতের স্কোর ৬.৪২৮। রিপোর্টে ভারতের ভূয়সী প্রশংসা করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, ২০২৫ সালে ভারতে সন্ত্রাসবাদের ঘটনা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪৩ শতাংশ তলানিতে ঠেকেছে। আর গত এক দশকে ভারতের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী করা হয়েছে যে, বড়সড় কোনও নাশকতামূলক চক্র বিস্তার লাভ করতে পারেনি। এমনকি রিপোর্টে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলির সন্ত্রাস মোকাবিলার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশে ২০২৫ সালে সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা ১০০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। আর নেপালে গত তিন বছরে কোনও রকম বড় জঙ্গি হামলার খবর পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি আফগানিস্তানের তালিবান ক্ষমতায় আসার পর সেখানে হামলার সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। বিশ্ব র‍্যাকিং-এ আফগানিস্তান এখন ১১ নম্বরে।

    আরও পড়ুন: লিটারে ২ টাকা বাড়ল পেট্রোলের দাম! আজ থেকেই কার্যকর নয়া রেট

    তবে ওই রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছে যে, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের সীমান্তে যে চলমান সামরিক উত্তেজনা, তার জন্য বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারেন। আর সীমান্ত নিরাপত্তা এবং টিটিপির মতো সংগঠনের বিস্তার রোধ না করতে পারলে দক্ষিণ এশিয়ায় এই পরিস্থিতি আগামী দিনে ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। সেক্ষেত্রে পাকিস্তান আর আফগানিস্তানের সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ আরও বাড়তে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।

  • পাঁচ বিয়ে থেকে বিকৃত যৌনতা! সব্যসাচী-সুস্মিতার কেচ্ছায় উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া

    পাঁচ বিয়ে থেকে বিকৃত যৌনতা! সব্যসাচী-সুস্মিতার কেচ্ছায় উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সব্যসাচী-সুস্মিতার (Sabyasachi-Susmita) ব্যক্তিগত ঝামেলা এখন সবার চোখের সামনে। আজ কথা হচ্ছে সাংবাদিক সব্যসাচী চক্রবর্তী (Sabyasachi Chakraborty) এবং অভিনেত্রী, ভ্লগার সুস্মিতা রায় চক্রবর্তীকে (Susmita Roy Chakraborty) নিয়ে। বর্তমান সময়ে এই দুজনের সম্পর্ক নিয়ে কাঁটাছেড়া নেটিজেনদের অন্যতম প্রিয় বিষয় হয়ে উঠেছে। ফেসবুক, ইউটিউব খুললেই দুজনের রীতিমতো ‘কলতলার ঝগড়া’ চোখে পড়ছে। একদিকে যখন ভোটকে কেন্দ্র করে সমগ্র বাংলা গরম, তেমনই এই দুজনের সম্পর্কের টানাপড়েন নিয়ে উত্তপ্ত নেটপাড়া। একে অপরকে লক্ষ্য করে চলছে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ। সব্যসাচী যেমন সুস্মিতার ৫টা বিয়ে নিয়ে প্রসঙ্গে টেনেছেন, তেমনই অন্যদিকে সুস্মিতা সব্যসাচী চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে নানারকম অভিযোগ করেছেন।

    সব্যসাচী-সুস্মিতার সংঘাত চরমে

    এমনিতেই সম্প্রতি সুস্মিতা নতুন বিয়ে করেছেন যা সকলকে অবাক করে দিয়েছে। কারণ ২০২৫ সালে সব্যসাচী এবং সুস্মিতা দুজনেই বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়টি সকলকে জানান। সেখানে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে সুস্মিতা কীভাবে প্রেমে পড়লেন এবং বিয়ের মতো এত বড় সিদ্ধান্ত নিলেন তা সকলকে অবাক করে দিয়েছে। এদিকে অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী সুস্মিতার বিয়ে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন। সুস্মিতাকে সমাজমাধ্যমে কটাক্ষ করেন যেন এটাই সুস্মিতার শেষ বিয়ে হয়৷ এরপরেই নিজের আত্মপক্ষ সমর্থন করতে লাইভ করেন ‘নতুন বউ’ সুস্মিতা। লাইভ করে সব সত্যি জানানোর আগে সায়কের সঙ্গে একাধিকবার কথা হয়৷ সেই কথোপকথন সুস্মিতা সমাজমাধ্যমে শেয়ার করেছেন৷

    সুস্মিতাকে বলতে শোনা যায়, “আমি তোদের কোনও বিষয় কমেন্ট করি না। বহুবার বহু সাংবাদিক জানতে চাইলেও মুখ খুলিনি৷ কিন্তু তোরা যা শুরু করেছিস তার শেষ হওয়া দরকার৷ শেষ ভালভাবে করতে চাইছিস তাহলে ১১.১৫ এর মধ্যে চলে আয়।” অডিওতে সায়ক সাংবাদিকদের আসতে বারণ করতে বলে সুস্মিতাকে৷ কিন্তু সুস্মিতা জানায়, সায়ক লাইভ লোকেশন শেয়ার না করলে সুস্মিতাও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ রাখবেন না৷ তিনি বলেন, “শেষ সাত বছর আমি তোদের কথাই শুনে এসেছি। সাত বছর ধরে তো ব্ল্যাকমেল করছিস৷ এবার আমি নিজে সেটা জানাব।”

    এরপর কাহানি মে আরও ট্যুইস্ট আসে। সুস্মিতা লাইভে এসে ভেঙে পড়েন। সব্যসাচীর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ আনেন। এমনকি তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধেও একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শনা যায় অভিনেত্রীকে। অপরদিকে চুপ না থেকে সব্যসাচীও সুস্মিতার বিরুদ্ধে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দেন। উঠে আসে আরও একটা নতুন দিক। সাংবাদিক লেখেন, ‘এসব অন্যের ক্ষেত্রে খবর হয় । আজ আমিই !! আমি আইনি পথেই যাব । ঠিক । তবু আমার চুপ থাকা, ভদ্রতা কেউ দুর্বলতা ভাবলে মুশকিল প্রথমত, সুস্মিতার এটা ৫ নম্বর বিয়ে আমার সাথে আলাপ, দ্বিতীয় বিয়ের সময় আমি একটু ধাক্কা খেলেও হজম করেছি কিন্তু ওর প্রবল সন্দেহবাতিকতা আমি সহ্য করেছি । আমি মার খেয়েছি আর আমার চরিত্র বা যৌনতা প্রশ্নে? এটি প্রত্যেকটা সুস্মিতার ফ্যান্টাসি । আমি আপত্তি তুললে অন্য সম্পর্কে জড়াতো । আমি আইনি ভাবে তার সব প্রমাণ দেবো। বিয়ের পর একাধিক সম্পর্ক ভাই বিয়ে করে না কেন জানেন? কেন তার ওরিয়েন্টশন নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় জানেন? কারণ ও সুস্মিতাকে দেখেছে, বিয়ে নিয়ে ভয় আর মৃত বাচ্চা ? সুস্মিতার সেই প্রশ্ন করা উচিত ওর জিম ট্রেনারকে আমি স্বীকার করছি ।’

    সব্যসাচী আরও লেখেন, ‘আমি শারীরিক, মানসিক ভাবে দিনের পর দিন অত্যাচারিত হয়েছি । এসব শুধু মেয়েদের হয় না । আমরাও গিলতে থাকি । সুস্মিতার মারধর,অশান্তি, একাধিক সম্পর্ক বাড়াবাড়ি ছিলো। প্রশ্ন তুললে আমার ঘাড়ে ফেলা হত । আমার চরিত্রে একই ভাবে প্রশ্ন উঠত এভাবেই ও বেরিয়ে গিয়েছিল আরেক ব্যবসায়ীর সাথে । একটা ওয়েব সিরিজ করেছিল তার টাকায় । সুস্মিতা বরাবরই বড়লোক হতে চাইত বিয়ের পর সত্যি আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিলো না । ও এর সুযোগ নিয়ে দিনের পর দিন স্বেচ্ছাচারিতা করে গিয়েছে । বদলে আমাকে গিফট দেওয়ার ব্যবস্থা । আপত্তি প্রবল হলে আমাকে ডিভোর্স আবার ফিরে আসা । আমি এত খারাপ হলে আবার কেন ? কিন্তু না , ওর ইমেজ ঠিক করে দিতে হবে । ভাইয়ের কাছে আবদার । ফ্যামিলি ব্লগিং শুরু । আবার বিয়ে, বাচ্চার দোহাই দিয়ে ! এরপর কোন মানুষে বাচ্চার সাহস পায় আমার জানা নেই । আমার নেই মায়া মায়া! এই মায়া পুরুষ মানুষকে খর্ব করে । আমি বুঝিয়ে গেছি । বলেছি ১:৪ । তুই যদি ১আমার ক্ষতি করিস , আমি কিন্তু আরও ৪ নিজের ক্ষতি করব তাতেও লাভ হলো কই । নিজের ভিডিও তুলে আমাকে দেখতে বাধ্য করা হত । ফ্যান্টাসি উলটোটা, অ্যাস ইফ আমি ওকে জোর করব ভিডিও দে । কেউ দেয় !? কোনও মেয়ে পারে ? কীসের বাধ্যবাধকতা ওর থেকে আর্থিক দুর্বল একটা ছেলের কাছে ? এক্সপ্লয়েট হয়েছি আমি আমার লজ্জা লাগছে আমাকে এই জায়গায় নামাতে হলো ।’

    তিনি লেখেন, ‘আমি আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী ওর বিকৃতি একসাথে থেকে সম্ভব ছিলো না । তাই আমাকে আলাদা নিয়ে আসে । ফ্ল্যাটের ডাউন পেমেন্ট ওই করে । ইএমআই , লোন আমার । আমি ওকে সাথ দিয়েছি । মায়ায় । সম্পর্ক বাঁচানো আমার প্রায়রিটি ছিলো , ওর না ! আমার মনে আছে , কোভিডের সময় ওর মা কে বাড়িতে ঢুকতে দেবে না বলে ওর বাবা মেরে নাক ফাটিয়ে দিয়েছিলো । পুলিশ দিয়ে আমি ব্যবস্থা নিইয়েছিলাম । ইমেজ । ইমেজ । ভেতরে যাই হোক , টাকা আর ইমেজ । এবারও ভাইকে প্রেসার করছিল । নতুন বিয়ে । ইমেজ হোক কর । ভাই এই রাতেও রাস্তায় আমি জানি । ও কাঁদছে আমি জানি । সুস্মিতা ওকে বলেছিল আয় না এলে তোদের সম্মান সব নষ্ট করে দেবো । শাবাশ সুস্মিতা । আপনি জিতে গেছেন । আমরা হেরে গেছি । আমি হার মানলাম । সম্পর্ক ছিলো তো আমার । কিন্তু বিবাহিত জীবনে থাকাকালীন কখনও না । ভালোবাসা চেয়েছিলাম । একসাথে থাকতে চেয়েছিলাম । পারভার্সন পেয়েছি , হজম করার ফল আজকের এই অসম্মান । ছেলে , পুরুষ মানুষ , আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি । ছেলেদের চুপ করে থাকতে হয় তাই না ? মার খেতে হয় !? কাঁদতে নেই , এসব না করলে আমি মেয়েলি, গে, অক্ষম! ?’

    যদিও নিজের ‘ভুল’ বুঝতে পেরে আজ শুক্রবার আরও একটি পোস্ট করেন সাংবাদিক। তিনি লেখেন, ‘নাহ, কাল নিজের চূড়ান্ত ব্যক্তিগত বিষয়গুলো নিয়ে হ্যাজ নামানো হয়তো উচিৎ হয়নি! কিন্তু অন্যের নোংরামির দায় কেন বা নেব !? কাজে আছি । কাজেই থাকব । ভোট আসছে । এসব নিয়ে আর না । যা করার প্রপার ভাবে করব । ফেসবুকে আর না । যারা গালি দিতে চান , কমেন্ট বক্স তো খোলা । স্বাগত, আর যারা আমাদের পরিবারকে ভালোবাসেন তাদের ভালোবাসা আরও বড়, জানি। ওটাই ভরসা ছিলো , আছে , থাকবে।’

  • ১ এপ্রিল থেকে বদলাচ্ছে PNB সহ বিভিন্ন ব্যাঙ্কের ATM-র নিয়ম

    ১ এপ্রিল থেকে বদলাচ্ছে PNB সহ বিভিন্ন ব্যাঙ্কের ATM-র নিয়ম

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বর্তমান সময়ে ATM কার্ড ব্যবহার করেন না এমন মানুষ বাকি নেই। কিন্তু আপনি কি জানেন, আগামী ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের এটিএম-এর নিয়ম বদলে (ATM Rules Change) যেতে চলেছে? তালিকায় রয়েছে HDFC ব্যাঙ্ক থেকে শুরু করে বন্ধন ব্যাঙ্ক, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক। নিশ্চয়ই ভাবছেন কী বদল হচ্ছে? তাহলে বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    ১ এপ্রিল থেকে বদলে যাচ্ছে ATM-এর নিয়ম

    HDFC ব্যাঙ্ক, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক, এবং বন্ধন ব্যাঙ্ক সহ বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক এটিএম থেকে নগদ টাকা তোলার নিয়ম, ফি এবং বিধিনিষেধে পরিবর্তন আনার ঘোষণা করেছে। এই সংশোধিত পরিবর্তনগুলো ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। প্রথমেই আসা বেসরকারি ব্যাঙ্ক HDFC নিয়ে। এই ব্যাঙ্ক জানিয়েছে যে, এখন থেকে তাদের এটিএম থেকে ইউপিআই-এর মাধ্যমে ক্যাশ টাকা তোলা মাসিক বিনামূল্যে এটিএম লেনদেনের সীমার মধ্যে গণ্য হবে। এই নিয়মটি ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। উল্লেখ্য যে, কোনো গ্রাহক এইচডিএফসি ব্যাংকের বিনামূল্যে লেনদেনের সীমা অতিক্রম করার পর টাকা তোলার ক্ষেত্রে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

    পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক

    পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক তাদের নির্বাচিত কিছু ডেবিট কার্ডের জন্য এটিএম থেকে দৈনিক নগদ টাকা তোলার সীমা পরিবর্তন করেছে । পিএনবি-র এক বিবৃতি অনুসারে, সংশোধিত এই সীমা ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। পিএনবি-র ডেবিট কার্ডের বিভিন্ন সংস্করণ, যেমন—RuPay NCMC Platinum Domestic Debit card, RuPay NCMC Platinum International Debit card, RuPay Women Power Platinum Debit card, RuPay PNB Palaash Debit card- Recycled PVC Debit card, RuPay Business Platinum NCMC Debit card, MasterCard Platinum Debit card, VISA Gold Debit card এবং PNB MasterCard Platinum Rise-এর ক্ষেত্রে এটিএম থেকে দৈনিক ক্যাশ টাকা তোলার সীমা ১,০০,০০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৫০,০০০ টাকা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ১ এপ্রিল থেকে বদলাচ্ছে PNB সহ বিভিন্ন ব্যাঙ্কের ATM-র নিয়ম

    বন্ধন ব্যাঙ্কের নতুন এটিএম নিয়ম

    বন্ধন ব্যাঙ্ক ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে ডেবিট কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য বিনামূল্যে এটিএম লেনদেনের সংখ্যা সংশোধন করবে। সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী, গ্রাহকরা বন্ধন ব্যাংকের এটিএম থেকে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৫টি বিনামূল্যে আর্থিক লেনদেন এবং আনলিমিটেড অনার্থিক লেনদেন করতে পারবেন। তবে, অন্যান্য ব্যাংকের এটিএম-এ লেনদেনের ক্ষেত্রে, মেট্রো শহরগুলিতে প্রতি মাসে বিনামূল্যে লেনদেনের সংখ্যা তিনটি এবং নন-মেট্রো শহরগুলিতে ৫টিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

  • অষ্টম পে কমিশনে DA ফর্মুলা পরিবর্তন! কত বাড়বে বেতন, পেনশন? রইল হিসেব

    অষ্টম পে কমিশনে DA ফর্মুলা পরিবর্তন! কত বাড়বে বেতন, পেনশন? রইল হিসেব

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অষ্টম বেতন পে কমিশন নিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়ছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে। কবে লাগু হবে হবে? বেতন কত বাড়বে? ডিএ (Dearness Allowance) ফর্মুলা কী হবে? উঠছে প্রশ্ন। এসবের মাঝেই এখন অষ্টম বেতন কমিশনের (8th Pay Commission) ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর বিষয়ে একটি বড় আপডেট সামনে এসেছে । পেনশনভোগীরা একটি নতুন ‘হাইব্রিড ফর্মুলা’র প্রস্তাব দিয়েছেন, যার ফলে বেতন ও পেনশনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। সেইসঙ্গে ডিএ নিয়েও সামনে এসেছে নয়া আপডেট যা সকলের জেনে রাখা উচিৎ।

    কী হবে DA ফর্মুলা?

    অষ্টম বেতন কমিশন এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে উপযুক্ততা যাচাইয়ের বিষয়ে চাপ বাড়তে শুরু করেছে। ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর (Fitment Factor) হলো সেই একই গুণক, যার মাধ্যমে পুরোনো মূল বেতন নতুন বেতনে রূপান্তরিত করা হয় এবং এটিই পেনশন ও অন্যান্য ভাতার বৃদ্ধি নির্ধারণ করে। অল ইন্ডিয়া ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস (এআইটিইউসি) সহ বেশ কয়েকটি কর্মচারী সংগঠন ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান ব্যবস্থাটি পুনর্বিবেচনা করার জন্য সরকারকে অনুরোধ করেছে। তাই, বেতন ও পেনশন নির্ধারণের পদ্ধতিটি পুনরায় খতিয়ে দেখা উচিত। যদিও সরকার ডিএ ফর্মুলায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি।

    কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বেতনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ডিএ। মুদ্রাস্ফীতির তথ্যের ভিত্তিতে বছরে দুবার, জানুয়ারি ও জুলাই মাসে, এটি সংশোধন করা হয়। কর্মচারী সংগঠনগুলোর মতে, বর্তমান সূত্রটি এখন আর প্রকৃত ব্যয়কে সঠিকভাবে প্রতিফলিত করে না। কর্মচারী ইউনিয়নগুলোর যুক্তি হলো, সময়ের সাথে সাথে জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলেও ডিএ (DA) গণনার ভিত্তি মূলত একই রয়ে গেছে। তাদের প্রধান দাবি হলো পরিবারের সদস্য সংখ্যায় পরিবর্তন। বর্তমানে, এই সূত্র অনুযায়ী একটি পরিবারকে তিনটি ভোগ একক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কর্মচারী ইউনিয়নগুলো চায়, নির্ভরশীল বাবা-মায়ের মতো খরচগুলো অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এই সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ৫ করা হোক।

    শিল্প শ্রমিকদের জন্য সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (AICPI-IW)-এর উপর ভিত্তি করে ডিএ (DA) গণনা করা হয়। মুদ্রাস্ফীতির উপর ভিত্তি করে এই শতাংশ নির্ধারণ করা হয় এবং মূল বেতনের উপর প্রয়োগ করা হয়। বর্তমানে, জুলাই ২০২৫ থেকে ডিএ হল ৫৮ শতাংশ। জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে ২ থেকে ৩ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, যা এটিকে সম্ভাব্যভাবে ৬০ শতাংশ বা তারও বেশি নিয়ে যেতে পারে।

    বেতন বাড়বে?

    সরকার ডিএ (DA) সূত্র পরিবর্তন করলে তা বেতন ও পেনশনের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। পারিবারিক ভোগ ইউনিটের সংখ্যা তিন থেকে বাড়িয়ে পাঁচ করা হলে ন্যূনতম মজুরি ১৮,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০,০০০ টাকার বেশি হতে পারে। যেহেতু ডিএ মূল বেতনের একটি শতাংশ, তাই মূল বেতন বাড়লে ডিএ এবং পেনশন উভয়ই বাড়বে।

    কত ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর দাবি করা হয়েছিল?

    ফেডারেশন অফ ন্যাশনাল পোস্টাল অর্গানাইজেশনস (FNPO) প্রাথমিকভাবে ৩.০-এর একটি ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের আহ্বান জানিয়েছিল। ২০২৫ সালের একটি রিপোর্টের পরিসর ১.৮২ থেকে ২.৪৬ পর্যন্ত হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। এদিকে, রেলওয়ে প্রবীণ নাগরিক কল্যাণ কমিটি ২০২৬ সালের ১৪ই মার্চ কমিশনের চেয়ারপার্সনের কাছে একটি নতুন প্রস্তাব জমা দিয়েছে। কমিশনের ১৮টি প্রশ্ন সম্বলিত প্রশ্নমালার জবাবে এই পরামর্শটি পাঠানো হয়েছে। এই সংস্থাটি বলছে,সামঞ্জস্য গুণকটি এমন হওয়া উচিত, যা মুদ্রাস্ফীতি এবং পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে কর্মচারীদের, বিশেষ করে পেনশনভোগীদের, প্রকৃত আয়ের হ্রাসকে পূরণ করতে পারে।

    ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের হাইব্রিড সূত্রটি কী?

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কমিটি ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর নির্ধারণের জন্য একটি ‘হাইব্রিড মডেল’ গ্রহণের সুপারিশ করেছে। এই মডেলটি তিনটি পুরোনো পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত: ডঃ ওয়ালেস অ্যাকরয়েডের সূত্র, সপ্তম বেতন কমিশনের পদ্ধতি এবং পঞ্চম বেতন কমিশনের কনস্ট্যান্ট রিলেটিভ ইনকাম মডেল।

  • সঞ্চার সাথীর পর এবার এই অ্যাপ স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক করছে কেন্দ্র!

    সঞ্চার সাথীর পর এবার এই অ্যাপ স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক করছে কেন্দ্র!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সঞ্চার সাথীর পর এবার এক বিশেষ অ্যাপ (Mobile App) প্রত্যেকের স্মার্টফোনে ইনস্টল করা বাধ্যতামূলক করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government)। আর তা নিয়েই এবার বেঁকে বসেছে বেশ কিছু মোবাইল সংস্থা। নরেন্দ্র মোদি সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ঘোর বিরোধিতা করছেন তারা। সংস্থাগুলি চাইছে, দ্বিতীয় কোনও সরকারি অ্যাপ যেন নতুন করে স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক না করা হয়।

    কোন অ্যাপ স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক করতে চায় বিজেপি সরকার?

    সংবাদ সংস্থা রয়টার্স দাবি করেছে, গত জানুয়ারিতেই প্রত্যেকটি মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাকে স্মার্টফোনে mAdhar আধার বা মাই আধার অ্যাপটি প্রি ইনস্টল করে দিতে বলা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি সরকার খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের স্বার্থে এই অ্যাপ মোবাইলে রাখতেই হবে। এই আধার অ্যাপ দিয়ে ভারতের যেকোনও নাগরিক তাদের মোবাইল নম্বর থেকে শুরু করে নাম, অভিভাবকের নাম এমনকি ঠিকানা সংশোধন কিংবা বদল করতে পারবেন।

    মূলত সাধারণ মানুষের মুখের দিকে চেয়ে এই নতুন আধার অ্যাপটিকে প্রতিটি স্মার্টফোনে প্রি ইনস্টল করে দেওয়ার জন্য মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা গুলির কাছে আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্র। তবে কিছু সংস্থা কেন্দ্রকে সাহায্য করতে চাইলেও অ্যাপেল, স্যামসাংয়ের মতো সংখ্যাগুলি কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে সায় দেয়নি। এমন বক্তব্যের স্বপক্ষে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির দাবি, mAdhar আধার অ্যাপটিকে স্মার্টফোনে প্রি ইনস্টল করতে হলে ভারতের বাজারে বিক্রি হওয়া মোবাইলগুলির জন্য আলাদা করে প্রোডাকশন লাইন তৈরি করতে হবে। এর জন্য সংস্থাগুলির আলাদা করে অনেকটাই খরচ পড়ে যাবে। ফলে সরকারের এমন পদক্ষেপের বিরোধিতা করছে তারা। এখন দেখার এমন সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত কার্যকর হয় কিনা।

    অবশ্যই পড়ুন:   “অজিঙ্কা রাহানেকে ফের অধিনায়ক করে বড় ভুল করে ফেলল KKR”

     

    উল্লেখ্য, এর আগে সঞ্চার সাথি নামক অ্যাপটি মোবাইল ফোনে ইন্সটল করা বাধ্যতামূলক করেছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই সময় অবশ্য গোপনীয়তা অধিকার লঙ্ঘন করার অভিযোগ তুলে আপত্তি জানিয়েছিল মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। সেই বিতর্ক আজ পর্যন্ত কাটেনি।

  • শনিতেও বাংলায় দুর্যোগের ভ্রুকুটি! রয়েছে শিলাবৃষ্টির সতর্কতা, আগামীকালের আবহাওয়া

    শনিতেও বাংলায় দুর্যোগের ভ্রুকুটি! রয়েছে শিলাবৃষ্টির সতর্কতা, আগামীকালের আবহাওয়া

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: চৈত্রের শুরু থেকেই রাজ্যে ঝড়বৃষ্টির দাপট শুরু হয়েছে। ভরা বসন্তে পূর্বাভাস মতোই গত রবিবার সন্ধ্যা থেকেই দমকা হাওয়ার সঙ্গে ভিজল তিলোত্তমা। কলকাতার পাশাপাশি শহরতলি ও দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal) একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির খবর মিলেছে। তবে সব জায়গায় সমান বৃষ্টি হচ্ছে না। এই অবস্থায় আগামীকাল (Weather Tomorrow) ভারী বৃষ্টির সংকেত দিল আবহাওয়া দপ্তর। পাশাপাশি ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে মৎস্যজীবীদের সাবধান বার্তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও আগামী কয়েকদিন চাষিদের শিলাবৃষ্টি থেকে ফসল রক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    আবহাওয়া দপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, একটি ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকেই ক্রমেই জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। যার জেরে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে জেলায় জেলায়। পূর্বাভাস অনুযায়ী গত রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের কম বেশি জেলায় বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আজ থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা বাড়বে। শুক্রবার ও শনিবার বিশেষ করে কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। তবে এই বৃষ্টি দুর্যোগের ফলে দুই বঙ্গে অনেকটাই কমবে তাপমাত্রা, এমনই পূর্বাভাস। এক নজরে জেনে নেওয়া যাক কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী আগামীকাল অর্থাৎ শনিবার, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ দেখা যাবে। মাঝে মাঝে রোদের দেখা মিললেও বেলা বাড়তেই ঝমঝমিয়ে নামবে বৃষ্টি। একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তার সঙ্গে প্রতি ঘন্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৬৩ থেকে ৯২ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। এদিকে এই বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার জেরে আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই।

    আরও পড়ুন: বাংলায় ঈদের ছুটি ২ দিন! ব্যাংক-স্কুল কবে বন্ধ থাকবে? জেনে নিন বিস্তারিত

    উত্তরবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে চলেছে। কোচবিহারে শিলাবৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি জলপাইগুড়ি জেলাতেও ভারী বৃষ্টি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়াও দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ারে ৭–২০ সেমি পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, সঙ্গে শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। তবে শুধু বৃষ্টি নয়, এর সঙ্গে বজ্র বিদ্যুৎ সহ প্রতি ঘন্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী কয়েকদিন দিনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

  • “অজিঙ্কা রাহানেকে ফের অধিনায়ক করে বড় ভুল করে ফেলল KKR”

    “অজিঙ্কা রাহানেকে ফের অধিনায়ক করে বড় ভুল করে ফেলল KKR”

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: 2025 এর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (Indian Premier League) চিরকাল কলকাতা নাইট রাইডার্সের (Kolkata Knight Riders) স্মৃতির তালিকায় স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আসলে 2024 এর চ্যাম্পিয়ন দল গত বছর যেভাবে ক্রমাগত ব্যর্থতা দেখেছে তা বোধহয় এর আগে ভোগ করতে হয়নি KKR কে। সবচেয়ে অবাক করা বিষয়, গত বছর যে অজিঙ্কা রাহানে অধিনায়ক হিসেবে ডাহা ফেল করেছিলেন এ বছর তাঁকেই নেতার আসনে বসিয়ে রেখেছে নাইট ম্যানেজমেন্ট। মূলত সে কারণেই প্রশ্ন উঠছে, রাহানেকে ফের অধিনায়ক করে কি ভুল করে ফেলল KKR?

    রাহানেকে অধিনায়ক করে ফের বড় ভুল করল KKR?

    গত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে উদ্বোধনী ম্যাচের রান বাদ দিলে গোটা মরসুমে ব্যাট হাতে সে অর্থে ছাপ রাখতে পারেননি রাহানে। অধিনায়ক হিসেবেও দলকে সাফল্য পাইয়ে দিতে একেবারে মুখ থুবড়ে পড়েছিলেন তিনি। মাঝে দু একটা ম্যাচ কলকাতা এত বাজে ভাবে হেরেছে, যা কল্পনারও অতীত। আর সেসবের দায় একেবারে সরাসরি গিয়ে পড়েছিল তৎকালীন প্রধান কোচ চন্দ্রকান্ত পন্ডিত এবং অধিনায়ক রাহানের উপর। বহু লাইট ভক্ত দাবি করেছিলেন রাহানেকে অধিনায়কের আসন থেকে সরানোর। কিন্তু সেসব শুনল না শাহরুখ খানের ম্যানেজমেন্ট।

    সম্প্রতি হাজারো জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সেই রাহানেকেই অধিনায়কের আসনে বহাল রেখেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এই সিদ্ধান্তই কি এবার বিপদে ফেলবে KKR কে? প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন নাইট ওপেনার আকাশ চোপড়া জানিয়েছেন, ” KKR কিন্তু তাদের নিলাম পর্বের দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় দফায় রাহানেকে কিনেছিল। আপনি যখন ক্যাপ্টেন হিসেবে একজনকে পছন্দ করছেন তাহলে এত দেরি কেন? প্রথমে নাম ওঠা মাত্রই ক্যাপ্টেন হিসেবে তাঁকে কিনে নেওয়া উচিত ছিল। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ক্যাপ্টেনের বড় ভূমিকা থাকে।”

    অবশ্যই পড়ুন: ট্রেনের খাবার কতটা সতেজ জানতে পারবেন স্ক্যান করেই, QR কোড সিস্টেম চালু করল রেল

    প্রসঙ্গত, গতবারের IPL নিলামের একেবারে শেষ পর্বে দেড় কোটির বেস প্রাইস দিয়ে রাহানেকে কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। দলে নেওয়া মাত্রই এই খেলোয়াড়ের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে তাঁকে অধিনায়ক করে দিয়েছিল KKR। তবে অনেকেরই দাবি, “যে প্লেয়ার বছরের পর বছর ধরে জাতীয় দলে উপেক্ষিত, গত সিজনে যিনি কোনও ভাবেই দলের জন্য দেওয়াল হয়ে দাঁড়াতে পারেননি, তাঁকে ফের অধিনায়কের দায়িত্বটা দিয়ে একদিক থেকে ভুলই করল KKR।”

  • দুয়ারে চিকিৎসা থেকে ঘরে ঘরে পানীয় জল, মর্ডান স্কুল! ইস্তেহারে ১০ প্রতিজ্ঞা তৃণমূলের

    দুয়ারে চিকিৎসা থেকে ঘরে ঘরে পানীয় জল, মর্ডান স্কুল! ইস্তেহারে ১০ প্রতিজ্ঞা তৃণমূলের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে একের পর এক চমক দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC Manifesto 2026)। এবার ইস্তেহার প্রকাশ করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার কালীঘাট থেকে ইস্তেহার প্রকাশ করে বাংলার মানুষ জনের কাছে বড় প্রতিশ্রুতি রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। ইস্তেহারের নাম রাখা হল “বাংলার জন্য দিদির ১০ প্রতিজ্ঞা।” মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তৃণমূল কংগ্রেস ফের ক্ষমতায় এলে রাজ্যবাসীর দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাবে চিকিৎসা পরিষেবা। সেই সাথে বাংলার মানুষের কাছে আরও 9টি প্রতিজ্ঞা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    তৃণমূল এলেই দুয়ারে চিকিৎসা

    শুক্রবার নিজেদের ইস্তেহারে রাজ্যবাসীর কাছে অন্যতম প্রতিশ্রুতি হিসেবে দুয়ারের চিকিৎসা পরিষেবা চালু করার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার কথায়, “তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষমতায় আসবে এবং দুয়ারে সরকারের আদলে দুয়ারের চিকিৎসা নামে ব্লকে ব্লকে খোলা হবে স্বাস্থ্যশিবির। সেখানে থাকবেন রাজ্যের অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা। আর সেই স্বাস্থ্য শিবির থেকেই নিজেদের যাবতীয় চিকিৎসা করাতে পারবে সাধারণ মানুষ।

    বলাই বাহুল্য, 2024 লোকসভা নির্বাচনের আগে নিজের ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে সেবাস্রয় শিবিরের আয়োজন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তীতে সেই সেবাশ্রয় গড়ে তোলা হয় নন্দীগ্রামেও। খানিকটা সেই আদলেই আগামী দিনে রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে স্বাস্থ্য শিবির গড়ে তোলার কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।

    তৃণমূলের ইস্তেহারে আর কী কী আছে?

    ইস্তেহারে দুয়ারে চিকিৎসা পরিষেবা চালু করার কথা জানানোর পাশাপাশি রাজ্যের কয়েক হাজার সরকারি স্কুলের আধুনিকীকরণ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই স্কুল গুলিকে মডার্ন স্কুলে রূপান্তরিত করা হবে অর্থাৎ তালিকাভুক্ত প্রতিটি স্কুলে ই লার্নিং সহ আধুনিক পঠন-পাঠন চালানো হবে। এই প্রকল্পের অধীনে নিয়োগ করা হবে প্রচুর শিক্ষক।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ট্রেনের খাবার কতটা সতেজ জানতে পারবেন স্ক্যান করেই, QR কোড সিস্টেম চালু করল রেল

    এখানেই শেষ নয়, রাজ্যের প্রবীণ নাগরিকদের দেখাশোনার জন্যও বিশেষ প্রকল্পের ঘোষণা করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। পাশাপাশি বাংলার সাত থেকে আটটি জেলায় নতুন নতুন পৌরসভা তৈরি করার কথাও জানিয়েছেন তিনি। এগুলি ছাড়াও বাংলার প্রত্যেককে পাকা বাড়ি করে দেওয়া হবে বলেও নিশ্চয়তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তৃণমূলের ইস্তেহারে, বাড়িতে বাড়িতে পানীয় জল, বাংলাকে পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলা, কৃষি ক্ষেত্রে 30 হাজার কোটি টাকার বাজেট এবং প্রতিটি কৃষককে আর্থিক সাহায্য করা, বেকার যুবক যুবতীদের পাশে থাকা অর্থাৎ যুবসাথী প্রকল্প এবং বাংলার মহিলাদের লক্ষ্মীর ভান্ডারের হাত ধরে মাসিক অর্থ সাহায্য দিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।