Tag: Youtuber

  • মৃত্যু হয়েছে শাশুড়ির, অন ক্যামেরায় চলছে কান্নাকাটি! ট্রোলের মুখে ‘প্রবাসে ঘরকন্না’ মহুয়া

    মৃত্যু হয়েছে শাশুড়ির, অন ক্যামেরায় চলছে কান্নাকাটি! ট্রোলের মুখে ‘প্রবাসে ঘরকন্না’ মহুয়া

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা বাড়াতে সকলেই আজকাল ভ্লগিং (Vlogging) করে চলেছে। এই কাজে একদিকে যেমন খ্যাতি অর্জন হয় ঠিক তেমনই আবার টাকাও বেশ উপার্জন হয়। তাই ভ্লগিং এই মুহূর্তে অতি জনপ্রিয় একটি পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেকোনো কিছু হলেই ক্যামেরা অন করে শুরু হতে যায় ভিডিও, আর এবার সেই কাজ করতে গিয়ে বিতর্কের মুখে পড়লেন “প্রবাসে ঘরকন্না” (Probashe Ghorkonna) খ্যাত মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায়।

    বিতর্কে জড়ালেন প্রবাসে ঘরকন্না

    একটা সময়ে বিদেশে যে আত্মীয়রা থাকেন তাঁরা যখন দেশে ফেরেন তখন তাঁদের মুখ থেকে ইউরোপ, আমেরিকার গল্প শুনেই মন ভরাতে হত। তবে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সেটি আর হয় না। কারণ একজন প্রবাসী কীভাবে ২৪ ঘণ্টা কাটান তা জানার জন্য নির্দিষ্ট ভ্লগে চোখ রাখলেই যথেষ্ট। আর সেই ধরনের ভিডিও বানান “প্রবাসে ঘরকন্না” খ্যাত মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায়। স্বামী এবং সন্তানদের নিয়ে থাকেন আমেরিকায়। সেখানে থেকেই নিত্যদিনের খুঁটিনাটি সবকিছুই প্রকাশ্যে আনতেন ভ্লগিং এর মাধ্যমে। তাঁর মিষ্টি বাংলা কথার ধরন এতটাই সুমধুর যে আট থেকে আশি সকলেই তাঁর ভক্ত। এমন এক সময় এসেছিল যখন সবাই এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটারকে সবার উপরে রেখে দিয়েছেন। কিন্তু এবার সেই মহুয়াই বিতর্কে জড়ালেন।

    শাশুড়ির শেষকৃত্য নিয়ে ভিডিও করতেই বিতর্ক

    জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে “প্রবাসে ঘরকন্না” খ্যাত মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায়ের শাশুড়ি মারা গিয়েছিলেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই সকলে তড়িঘড়ি ছুটে এসেছেন দেশে শেষকৃত্য করতে। কিন্তু এই কঠিন সময়ের মাঝেও তিনি তাঁর কন্টেন্টের জন্য ভিডিও করে গিয়েছেন। শাশুড়ির শায়িত দেহের সামনে বসে কান্নাকাটি থেকে শুরু করে শেষযাত্রা, প্রতিমুহূর্তের ক্লিপই ছিল। পরে সেটিকেই এডিট করে তিনি ‘প্রবাসে ঘরকন্না’ র পেজে ছাড়েন। আর সেই ভিডিও দেখে বেশ ক্ষুব্ধ মহুয়া দেবীর অনুগামীরা। তাঁর এই রূপ যে বাকি কন্টেন্ট ক্রিয়েটারদের মটভবে তা সেটা কেউই বোঝেনি। সকলেই তাঁর কমেন্ট বক্সে করে গিয়েছে একগুচ্ছ নেগেটিভ কমেন্টস।

    আরও পড়ুন: TRP না থাকায় স্লট বদল, প্রাইম টাইমে ফিরছে জি বাংলার এই ধারাবাহিক

    প্রসঙ্গত, সকলেই সোশাল মিডিয়ায় রীতিমতো কাটাছেঁড়া করে চলছে প্রবাসে ঘরকন্নাকে নিয়ে। অনেকেই মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। কমেন্টে কেউ লিখেছেন, “টাকা কামাতে মারা যাওয়া মানুষকেও ছাড়বে না।” আবার কেউ লিখেছেন, “চারজনের জন্য জরুরি বিমানের টিকিট কেনার জন্য তহবিল সংগ্রহের চমৎকার উপায়, মানুষ হিসেবে আপনারা লজ্জাজনক।” যদিও অনেকেই আবার তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে অনুগামীদের এই প্রতিক্রিয়া নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো কিছুই জানাননি “প্রবাসে ঘরকন্না” খ্যাত মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায়।

  • খামেনিকে কটূক্তি! ইউটিউবার বিষাক্ত ছেলের শাস্তির দাবিতে বসিরহাট থানায় তুলকালাম

    খামেনিকে কটূক্তি! ইউটিউবার বিষাক্ত ছেলের শাস্তির দাবিতে বসিরহাট থানায় তুলকালাম

    সৌভিক মুখার্জী, বসিরহাট: ইজরাইল এবং আমেরিকার যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনির মৃত্যুর পর তোলপাড় আন্তর্জাতিক মহল থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া। তাঁর মৃত্যুর প্রতিবাদে একাধিক দেশের একাধিক জায়গায় কর্মসূচির আয়োজন করেছে আমজনতা। সেই মতোই উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটে প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে তা নিয়ে সরব হয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার প্রহ্লাদ মাইতি (Prahlad Maity) ওরফে ‘বিষাক্ত ছেলে’ একটি ভিডিও বানিয়েছিল। এবার তাঁর বিরুদ্ধেই বসিরহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হল।

    ভিডিওতে কী বলেছিল বিষাক্ত ছেলে?

    সম্প্রতি প্রহ্লাদ মাইতি যে ভিডিওটি পোস্ট করেছিল সেখানে তিনি বলেন, কোথায় ৪০০০ থেকে ৫০০০ কিলোমিটার দূরে ইরান একটি দেশ। সেখানকার এক ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনিকে ইজরায়েল আর আমেরিকা মিলে মেরে দিয়েছে। আর খামেনি মহিলাদের উপর অত্যাচার করত এবং ইতিহাসের সবথেকে জঘন্যতম মানুষ ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর প্রতিবাদেই বাংলার মুসলিমরা পথে নেমেছে। যখন কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা হয়েছিল তখন সবাই মুখে কুলুপ এঁটে ছিল। এমনকি আরজি কর ঘটনার সময়ও কাউকে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। তবে জঘন্যতম এক মুসলিম নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে বাংলার মানুষ এইভাবে ধর্নায় নামছে যা সত্যিই কুরুচিকর।

    তাঁর এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই একদিকে যেমন সমালোচনার ঢেউ বয়ে যায়, অন্যদিকে অনেকে প্রশংসাও করতে থাকে। কিন্তু প্রতিবাদকারীরা তাঁর বিরুদ্ধে গিয়েই বসিরহাট থানায় গতকাল প্রহ্লাদ মাইতি ওরফে বিষাক্ত ছেলের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ায় খামেনিকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করেছে বিষাক্ত ছেলে। হ্যাঁ, তাদের স্পষ্ট দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল আলি খামিনিকে নিয়ে জঘন্যতম মন্তব্য করা হয়েছে। সেই প্রতিবাদেই তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তবে নেট নাগরিকরা এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছে। কেউ কেউ বলছে, এটা কোনও ইসলামিক দেশ নয়। এখানকার মানুষদের দেখছি ইরানের প্রতি দরদ উতলে উঠেছে।

    আরও পড়ুন: বাড়বে DA থেকে পেনশন, বাংলায় ৭ পে কমিশন গঠনের দিন ঘোষণা, তবে রয়েছে শর্ত

    বলাই বাহুল্য, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ১ মার্চ মার্কিন এবং ইজরায়েল যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। এমনকি সেই ঘটনার পর ইরান সরকার ৪০ দিনে জাতীয় শোক আর ৭ দিনের সরকারি ছুটিও ঘোষণা করেছে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মিলেছে ইজরায়েল এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তরফ থেকে। আর এ নিয়ে এখন মধ্যপ্রাচ্ছে সংঘাত তুঙ্গে। ইরান একে একে আমেরিকা থেকে শুরু করে দুবাই, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান, ইয়ামেন, ইজরায়েলের উপর হামলা চালাচ্ছে। এমনকি অনেকেই এই পরিস্থিতিকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বলেও আখ্যা দিচ্ছে।