Tag: West Bengal Legislative Assembly

  • পানিহাটিতে অভয়ার মা দাঁড়ালে বিজেপির লাভ না ক্ষতি? সমীক্ষায় মিলল চমকপ্রদ উত্তর

    পানিহাটিতে অভয়ার মা দাঁড়ালে বিজেপির লাভ না ক্ষতি? সমীক্ষায় মিলল চমকপ্রদ উত্তর

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) জন্য বিজেপির (BJP) দ্বিতীয় দফা প্রার্থী তালিকা নিয়ে সকলেই আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। কারণ পানিহাটিতে (Panihati) আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নির্যাতিতা চিকিৎসকের মা নাকি বিজেপি প্রার্থী হতে চলেছে। পদ্ম-প্রতীকের প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছার কথা নাকি তিনি নিজেই জানিয়েছেন। অন্যদিকে নির্যাতিতার পরিবারকে প্রার্থী হিসাবে পাওয়ার ইচ্ছা যে বিজেপি নেতৃত্বের ছিল, সে কথা বিজেপি সূত্রও অস্বীকার করছে না। তবে বেশ কিছু আইনি জটের কারণে সেই কেন্দ্রে প্রার্থী তালিকা নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে অভয়ার মা ভোটে দাঁড়ালে, বিজেপির কি সুবিধে পাবে পানিহাটিতে?

    বিজেপির প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ নির্যাতিতার মায়ের

    পানিহাটির সম্ভাব্য বিজেপি প্রার্থীর কথায়, ‘‘ বিজেপির প্রার্থী হিসাবে আমি লড়তে চাই। অনেক দিন ধরেই আমাকে প্রার্থী হতে বলা হচ্ছিল। আমি রাজি ছিলাম না। কিন্তু আমি দেখলাম যে, নারীদের নিরাপত্তা, নারী সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হলে, আর পশ্চিমবঙ্গকে রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে যাওয়া দুর্নীতি থেকে মুক্তি দিতে হলে তৃণমূলকে মূল থেকে উপড়ে ফেলা দরকার। তাই আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি এবং প্রার্থী হতে রাজি হয়েছি।’’ এই আবহে ABP আনন্দ ইউটিউব প্ল্যাটফর্ম ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সমীক্ষা করার জন্য প্রশ্ন তুলেছিল যে তিনি পানিহাটি থেকে হয়ে ভোটে দাঁড়ালে, বিজেপি কি ডিভিডেন্ট পাবে? আর সেই প্রশ্নের জবাবে উঠে এসেছে একাধিক জবাব।

    সমীক্ষায় মিলল উত্তর

    সমীক্ষায় জানা যায় আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নির্যাতিতা চিকিৎসকের মা বিজেপির প্রার্থী হিসেবে পানিহাটিতে দাঁড়ালে ৬৭ শতাংশ মানুষ জানিয়েছে বিজেপির লাভ হবে এবং ২৯ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন লাভ হবে না। তবে ৪ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন বলতে পারবেন না। অর্থাৎ সুবিধার ফলাফলটাই বেশি। বুধবার বিকেল পর্যন্ত পানিহাটিতে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে নাম ছিল দলের পুরনো নেতা তথা রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি অনিন্দ্য (রাজু) বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু বুধবার বিকেলের দিকে প্রার্থী বাছাই নিয়ে জটিলতায় পড়ে বিজেপি, তাই আপাতত ওই কেন্দ্রে প্রার্থী এখনও অঘোষিত আছে।

    আরও পড়ুন: মার্চেও কনকনে ঠান্ডা! ভাঙল ৬ বছরের রেকর্ড, বিপর্যস্ত জনজীবন

    প্রসঙ্গত, রবিবার নির্বাচনের দিন ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বিজেপি। সেখানে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন শুভেন্দু অধিকারী এদিকে আবার ভবানীপুরে লড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নন্দীগ্রামে করছেন পবিত্র কর। অন্যদিকে খড়গপুরে লড়ছেন দিলীপ ঘোষ। সব মিলিয়ে এবার আসন নিয়ে ভোটের লড়াই যে বেশ জবরদস্ত হবে, তা বেশ বোঝা যাচ্ছে।

  • এই কারণেই পানিহাটিতে অভয়ার মায়ের নাম ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি?

    এই কারণেই পানিহাটিতে অভয়ার মায়ের নাম ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) শুরু হতে আর খুব বেশি দেরি নেই। তাই গত সোমবার, ২৯৪টি আসনের মধ্যে ১৪৪টি আসনের প্রার্থীদের নাম কয়েক দিন আগেই বিজেপি (BJP Candidate) ঘোষণা করে দিয়েছিল। এরপর বাকি ১৫০টি আসনের তালিকা নিয়ে গত তিন দিন ধরে দিল্লিতে দফায় দফায় বৈঠক চলছিল। অবশেষে গতকাল, বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হয় দ্বিতীয় দফার প্রার্থীদের তালিকা। কিন্তু সেই তালিকায় ছিল না পানিহাটির (Panihati) নাম। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে পানিহাটি থেকে পদ্ম শিবিরের হয়ে নিজেই প্রার্থী হওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন আরজি করের নির্যাতিতার মা। তাতেই নাকি তৈরি হয়েছে সমস্যা।

    ঘোষণা হয়নি পানিহাটির প্রার্থীর নাম

    শুরু থেকেই আরজি করের নির্যাতিতার পরিবারকে প্রার্থী হিসাবে পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু নির্যাতিতার পরিবার এত দিন সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। তাই সকলের ধারণা ছিল পানিহাটিতে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে নাম থাকবে দলের পুরনো নেতা তথা রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি অনিন্দ্য (রাজু) বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু বুধবার বিকেলের পর থেকে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে যায়। কারণ নির্যাতিতার মা ভোটে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। নির্যাতিতার মা ভোটে বিজেপির প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে নাগরিক সমাজের মধ্যে। এদিকে নির্যাতিতা ও তাঁর আত্মীয়দের নাম প্রকাশ নিয়ে আইনি জটিলতার কারণেই নাকি পানিহাটিতে প্রার্থী নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না পদ্ম শিবির।

    প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ নির্যাতিতার মায়ের

    নির্যাতিতার মায়ের কথায়, ‘‘আমিই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, বিজেপির প্রার্থী হিসাবে আমি লড়তে চাই। অনেক দিন ধরেই আমাকে প্রার্থী হতে বলা হচ্ছিল। আমি রাজি ছিলাম না। কিন্তু আমি দেখলাম যে, নারীদের নিরাপত্তা, নারী সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হলে, আর পশ্চিমবঙ্গকে রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে যাওয়া দুর্নীতি থেকে মুক্তি দিতে হলে তৃণমূলকে মূল থেকে উপড়ে ফেলা দরকার। তাই আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি এবং প্রার্থী হতে রাজি হয়েছি।’’ কিন্তু তৈরি হল আইনি জট। আসলে ২০১৮-র নিপুণ সাক্সেনা কেসে, সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, যৌন নির্যাতনের শিকার নারী বা শিশুর পরিচয় মিডিয়ায় প্রকাশ নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    আরও পড়ুন: গভীর সঙ্কটে HDFC ব্যাঙ্ক? এবার মুখ খুলল RBI

    পরবর্তী সময়ে ২০২৪-এর ২১ আগস্ট অভয়ার নাম-পরিচয় প্রকাশ বন্ধের জন্য একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানায়, ধর্ষণের শিকার কোনও মেয়ের পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না। কেন্দ্রকে নির্দেশ দেয়, ওই তরুণীর পরিচয় প্রকাশ্যে আসে, এমন সব ছবি–ভিডিয়ো ইত্যাদি সোশ্যাল ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দিতে হবে। আর সেক্ষেত্রে নির্যাতিতার মা প্রার্থী হলে তাঁর নামে দেওয়াল লিখন বা ব্যানার পোস্টারে ছবি ছাপা হবে কী ভাবে সেই নিয়ে ওঠে প্রশ্ন। নির্যাতিতার বাবা বলেন, ‘আমরা প্রকাশ্যে আসতে চাই। আমরা পরিচয় প্রকাশ্যে আনতে আদালতে দু’বার হলফনামা দিয়েছি। কিন্তু তা আদালত খারিজ করে দিয়েছে।’ এখন দেখার কীভাবে এই আইনি জট কাটে।

  • হাড়োয়ায় উদ্ধার তৃণমূল নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ! গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন? উত্তেজনা এলাকায়

    হাড়োয়ায় উদ্ধার তৃণমূল নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ! গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন? উত্তেজনা এলাকায়

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। জেলায় জেলায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে দেওয়াল লিখন। কিন্তু এই অবস্থায় ভোটের আগেই রক্ত ঝড়ল বাংলায়। তৃণমূল নেতাকে কুপিয়ে খুন করা হল। উদ্ধার করা হল দেহটি (TMC Worker Body)।ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ার (Haroa) সোনাপুকুর শংকরপুরে। ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

    ভোটের আগেই খুন এক তৃণমূল কর্মী

    রিপোর্ট মোতাবেক, উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ার সোনাপুকুর শংকরপুরের তৃণমূল নেতা মশিউর কাজী বুধবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের দাবি, রাতে তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়ি আসেনি। কিন্তু পরে আজ, বৃহস্পতিবার সকালে হাড়োয়া থানা এলাকার সোনাপুকুর শংকরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নব্বই পাট ঘেরির পাশ থেকে ওই কর্মীর ক্ষতবিক্ষত ও অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ এবং হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মশিউরের দুই হাতের কব্জি কাটা ছিল এবং সারা শরীরে গভীর ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার।

    ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন!

    মৃত তৃণমূল কর্মী মশিউর কাজী রাজনীতি করার পাশাপাশি পেশায় জামাকাপড়ের ব্যবসায়ী ছিলেন। এবং দেগঙ্গার চাঁপাতলা পঞ্চায়েতের ১৭৮ নম্বর বুথের বুথ সভাপতি ছিলেন। পুলিশের তরফে প্রথমে ওই কর্মীর পরিচয় জানা যায়নি। পরে পরিবারের লোকজন দেহ শনাক্ত করেন। তাঁদের দাবি, চক্রান্ত করে ডেকে খুন করা হয়েছে মশিউর কাজীকে। ভোটের মুখে তৃণমূল নেতার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে অত্যন্ত নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে তাঁকে। কে বা কারা এই খুন করল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এমনকি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের সম্ভাবনাও উঠে আসছে।

    আরও পড়ুন: ভারতের সবথেকে সস্তার শহর কলকাতা, খরচ কত? দেখুন রিপোর্ট

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বঙ্গ সফরে এসেছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেই সময় বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ভোটে হিংসা ও ভোট পরবর্তী হিংসা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে বদ্ধপরিকর কমিশন। তাই কোনও ধরনের গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। কিন্তু ভোট শুরু হওয়ার আগেই বাংলায় তৃণমূল কর্মী খুন হওয়ায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে কমিশন।

  • নন্দীগ্রামে পবিত্র, ভবানিপুরে মমতা! ২৯১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল TMC

    নন্দীগ্রামে পবিত্র, ভবানিপুরে মমতা! ২৯১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল TMC

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মাস গড়ালেই বিধানসভা নির্বাচন বাংলায়। গতকাল বিজেপি এবং বামফ্রন্ট তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। আর সেই তালে তাল মিলিয়ে আজ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ২৯১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল (TMC Candidate List)। একদিকে ভবানীপুরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে নন্দীগ্রামেও রয়েছে চমক। কারণ, সেখানেও লড়ছেন শুভেন্দু। আবার সেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককেই হাবড়ার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করা হল। কোন আসনে কাকে প্রার্থী করল শাসকদল? জানুন।

    তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ঘোষণা

    শাসকদল এবার রাজ্যের মোট ২৯১টি আসনে তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। প্রত্যেকটি বিধানসভা অনুযায়ী প্রার্থী তালিকা নিচে তুলে ধরা হল—

    • অশোকনগর- নারায়ণ গোস্বামী
    • আলিপুরদুয়ার- সুমন কাঞ্জিলাল
    • উত্তরপাড়া- শীর্ষান্ন বন্দ্যোপাধ্য়ায়
    • উলুবেড়িয়া পূর্ব- ঋতব্রত
    • কান্দি- অপূর্ব সরকার
    • কামারহাটি- মদন মিত্র
    • কালিগঞ্জ- পার্থপ্রতিম রায়
    • করিমপুর- সোহম চক্রবর্তী
    • কুশমণ্ডি- রাজীব তিরকে (কুমারগঞ্জ)
    • কোচবিহার উত্তর- পার্থপ্রতিম রায়
    • কলকাতা পোর্ট- ফিরহাদ হাকিম
    • করিমপুর- সোহম
    • কান্দি- অপূর্ব সরকার
    • খড়গপুর (ডেবরা)- রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গোপালপুর (রাজারহাট)- অদিতি মুন্সি
    • চাঁচল-মালদা- প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়
    • চোপড়া- হামিদুল রহমান
    • চুঁচুডা- দেবাংশু ভট্টাচার্য
    • দিনহাটা- উদয়ন গুহ
    • ডোমকল- হুমায়ুন কবীর
    • ডায়মন্ড হারবার- পান্নালাল হালদার
    • ডেবরা- রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তালিগঞ্জ- অরূপ বিশ্বাস
    • ধূপগুড়ি- ড. নির্মল রায়
    • নন্দীগ্রাম- পবিত্র কর
    • নওদা- বাইরন বিশ্বাস
    • নাটাবাড়ি- শৈলেন বর্মা
    • নোয়াপাড়া- তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য
    • পাঁচলা- গুলশন মল্লিক
    • পলাশিপাড়া- রুকবানুর রহমান
    • বারুইপুর পশ্চিম- বিমান বন্দোপাধ্যায়
    • বারুইপুর পূর্ব- বিভাস সর্দার
    • ব্যারাকপুর- রাজ চক্রবর্তী
    • বালুরঘাট- অর্পিতা ঘোষ
    • বেহালা পশ্চিম- রত্না চট্টোপাধ্যায়
    • বেলেঘাটা- কুণাল ঘোষ
    • বরানগর- মদন মিত্র
    • ভবানীপুর- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    • ভাটপাড়া- অমিত গুপ্তা
    • ভাঙড়- শওকত মোল্লা
    • মানিকতলা- শ্রেয়া পাণ্ডে
    • মাথাভাঙা- সাধু বর্মন
    • মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি- শঙ্কর মালাকার
    • মেখলিগঞ্জ- পরেশ অধিকারী
    • মোথাবাড়ি- মহম্মদ নজরুল ইসলাম
    • রানাঘাট- রানা চট্টোপাধ্যায়
    • রামনগর- অখিল গিরি
    • রায়গঞ্জ- কৃষ্ণ কল্যাণী
    • রাজারহাট-নিউটাউন- তাপস চট্টোপাধ্যায়
    • শিলিগুড়ি- গৌতম দেব
    • শীতলকুচি- হরিহর দাস
    • সাগরদিঘি- বাইরন বিশ্বাস
    • সবং- মানস ভুঁইয়া
    • সিঙ্গুর- বেচারাম মান্না
    • সোনারপুর উত্তর- ফিরদৌসি বেগম
    • সোনারপুর দক্ষিণ- অরুন্ধুতী মৈত্র
    • হাবড়া- জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক
    • হাওড়া উত্তর- গৌতম চৌধুরী
    • হরিরামপুর- বিপ্লব মিত্র
    • বরানগর- সায়ন্তিকা
  • দুই দফায় নির্বাচন বাংলায়, কোন জেলায় কবে ভোটগ্রহণ? দেখুন তালিকা

    দুই দফায় নির্বাচন বাংলায়, কোন জেলায় কবে ভোটগ্রহণ? দেখুন তালিকা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ভোট ঘোষণা হল আজ। এবার বাংলায় দুই দফায় নির্বাচন (West Bengal Election) হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। যার মধ্যে প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল মোট ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে, আর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে ১৪২টি আসনে। সেই সূত্রে এবার মোট ২৯৪টি আসনে ভোট হবে বাংলায়। তবে কোন জেলায় কবে ভোটগ্রহণ হবে? জেনে নিন।

    প্রথম দফায় যে যে জেলায় ভোট হবে

    নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে যেমনটা জানানো হয়েছে, এবার প্রথম দফায় পশ্চিমবঙ্গের মোট ১৬টি জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। সেক্ষেত্রে আগেই বলেছি মোট আসন রয়েছে ১৫২টি। তবে প্রথম দফার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৬ এপ্রিল আর মনোনয়ন স্ক্রুটিনি হবে ৭ এপ্রিল, এবং প্রথম দফার মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিন ৯ এপ্রিল ২০২৬। প্রথম দফায় যে যে জেলায় যে যে আসনে ভোট হবে সেগুলি হল—

    ১) দার্জিলিং এবং কালিম্পং-এ ৬টি আসন: কালিম্পং, কার্শিয়াং, দার্জিলিং, ফাঁসিদেওয়া, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি।

    ২) কোচবিহারে ৯টি আসন: কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, তুফানগঞ্জ, দিনহাটা, নাটাবাড়ি, মাথাভাঙা, মেখলিগঞ্জ, শীতলকুচি, সিতাই।

    ৩) আলিপুরদুয়ারে ৫টি আসন: আলিপুরদুয়ার, কালচিনি, কুমারগ্রাম, ফালাকাটা, মাদারিহাট।

    ৪) জলপাইগুড়িতে ৭টি আসন: ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, ধূপগুড়ি, নাগরাকাটা, পশ্চিম জলপাইগুড়ি, ফুলবাড়ি, ময়নাগুড়ি, মাল, রাজগঞ্জ।

    ৫) উত্তর দিনাজপুরে ৯টি আসন: ইটাহার, ইসলামপুর, করণদিঘি, কালিয়াগঞ্জ, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, চোপড়া, রায়গঞ্জ, হেমতাবাদ।

    ৬) দক্ষিণ দিনাজপুরে ৬টি আসন: কুমারগঞ্জ, কুশমন্ডি, গঙ্গারামপুর, তপন, বালুরঘাট, হরিরামপুর।

    ৭) মালদহে ১২টি আসন: ইংরেজবাজার, মালদহ, গাজোল, চাঁচল, বৈষ্ণবনগর, মানিকচক, মালতীপুর, মোথাবাড়ি, রতুয়া, সুজাপুর, হরিশ্চন্দ্রপুর, হবিবপুর।

    ৮) মুর্শিদাবাদে ২২টি আসন: কান্দি, খড়গ্রাম, জলঙ্গি, জঙ্গিপুর, ডোমকল, তরেজিনগর, নওদা, নবগ্রাম, বড়ঞা, বহরমপুর, বেলডাঙা, ভগবানগোলা, ভরতপুর, মুর্শিদাবাদ, রঘুনাথগঞ্জ, রানিনগর, রেজিনগর, লালগোলা, সাগরদিঘি, সামশেরগঞ্জ, সুতি, হরিহরপাড়া, ফরাক্কা।

    ৯) পূর্ব মেদিনীপুরে ১৬টি আসন: তমলুক, এগরা, কাঁথি উত্তর, কাঁথি দক্ষিণ, খেজুরি, চণ্ডীপুর, তন্দকুমার, নন্দীগ্রাম, পাঁশকুড়া পূর্ব, পাঁশকুড়া পশ্চিম, পটাশপুর, ভগবানপুর, মহিষাদল, ময়না, রামনগর, হলদিয়া।

    ১০) পশ্চিম বর্ধমান ও ঝাড়গ্রামে ১৯টি আসন: গড়বেতা, ঘাটাল, গোপীবল্লভপুর, চন্দ্রকোনা, ঝাড়গ্রাম, ডেবরা, দাঁতন, দাসপুর, নয়াগ্রাম, নারায়ণগড়, পিংলা, বিনপুর, মেদিনীপুর, খড়গপুর সদর, কেশপুর, কেশিয়ারি, শালবনি, সবং।

    ১১) পুরুলিয়ায় ৯টি আসন: কাশীপুর, জয়পুর, পাড়া, পুরুলিয়া, বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুন্ডি, মানবাজার, রঘুনাথপুর।

    ১২) বাঁকুড়ায় ১২টি আসন: ইন্দাস, ওন্দা, কোতুলপুর, ছাতনা, তালড্যাংরা, বড়জোড়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, রাইপুর, রানিবাঁধ, শালতোড়া, সোনামুখী।

    ১৩) পশ্চিম বর্ধমানে ৯টি আসন: আসানসোল উত্তর, আসানসোল দক্ষিণ, কুলটি, দুর্গাপুর পশ্চিম, দুর্গাপুর পূর্ব, পাণ্ডবেশ্বর, বারাবনি, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া।

    ১৪) বীরভূমে ১১টি আসন: দুবরাজপুর, নানুর, নলহাটি, বোলপুর, ময়ূরেশ্বর, মুরারই, লাভপুর, রামপুরহাট, শিউড়ি, সাঁইথিয়া, হাঁসন।

    আরও পড়ুন: বাংলায় কবে ভোটগ্রহণ, গণনা এবং কত দফায় ভোট? জানাল নির্বাচন কমিশন

    দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে কোন কোন জেলায়?

    নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে যেমনটা জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল ৭টি জেলায় ভোট হবে। আর এই দফায় মোট আসনের সংখ্যা ১৪২টি। দ্বিতীয় দফায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৯ এপ্রিল এবং মনোনয়ন স্ক্রুটিনি হবে ১০ এপ্রিল, এবং আর মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিন ১৩ এপ্রিল ২০২৬। এই দিন যে যে জেলায় ভোট হবে সেগুলি হল—

    ১) নদীয়ায় ১৭টি আসন: কল্যাণী, কালীগঞ্জ, করিমপুর, কৃষ্ণগঞ্জ, কৃষ্ণনগর উত্তর, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, চাকদহ, চাপড়া, তেহট্ট, নাকাশিপাড়া, নবদ্বীপ, পলাশিপাড়া, রানাঘাট উত্তর-পূর্ব, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম, রানাঘাট দক্ষিণ, শান্তিপুর, হরিণঘাটা।

    ২) উত্তর ২৪ পরগনায় ৩৩টি আসন: অশোকনগর, আমডাঙা, কামারহাটি, কুলতলি, খড়দহ, গাইঘাটা, জগদ্দল, টিটাগড়, দমদম, দমদম উত্তর, দেগঙ্গা, নৈহাটি, নোয়াপাড়া, পানিহাটি, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, বরানগর, বারাকপুর, বারাসাত, বাদুড়িয়া, বাসন্তী, বাগদা, বিজপুর, বিধাননগর, ভাটপাড়া, মধ্যমগ্রাম, মিনাখাঁ, রাজারহাট গোপালপুর, রাজারহাট-নিউটাউন, সন্দেশখালি, স্বরূপনগর, হাবড়া, হাড়োয়া।

    ৩) দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩১টি আসন: কাকদ্বীপ, কসবা, ক্যানিং পূর্ব, ক্যানিং পশ্চিম, কুলতলি, কুলপি, গোসাবা, জয়নগর, ডায়মন্ড হারবার, টালিগঞ্জ, পাথরপ্রতিমা, ফলতা, ভাঙড়, বারুইপুর পূর্ব, বারুইপুর পশ্চিম, বাসন্তী, বিষ্ণুপুর, বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম, বজবজ, মগরাহাট পূর্ব, মগরাহাট পশ্চিম, মন্দিরবাজার, মহেশতলা, মেটিয়াবুরুজ, যাদবপুর, রাইদিঘি, সাগর, সাতগাছিয়া, সোনারপুর উত্তর, সোনারপুর দক্ষিণ।

    ৪) কলকাতায় ১১টি আসন: এন্টালি, কাশীপুর-বেলগাছিয়া, কলকাতা বন্দর, চৗরঙ্গী, জোড়াসাঁকো, ভবানীপুর, বালিগঞ্জ, বেলেঘাটা, মানিকতলা, রাসবিহারী, শ্যামপুকুর।

    ৫) হাওড়ায় ১৬টি আসন: আমতা, উদয়নারায়ণপুর, উলুবেড়িয়া উত্তর, উলুবেড়িয়া দক্ষিণ, জগৎবল্লভপুর, ডোমজুড়, পাঁচলা, বাগনান, বালি, শিবপুর, শ্যামপুর, সাঁকরাইল, হাওড়া উত্তর, হাওড়া দক্ষিণ, হাওড়া মধ্য।

    ৬) হুগলিতে ১৮টি আসন: আরামবাগ, উত্তরপাড়া, ওল্ড মালদা, কসবা, খানাকুল, গোঘাট, চন্দননগর, চণ্ডীতলা, চুঁচুড়া, চাঁপদানি, জাঙ্গিপাড়া, তারকেশ্বর, ধনেখালি, পাণ্ডুয়া, পুরশুড়া, বলাগড়, সপ্তগ্রাম, সিঙ্গুর, শ্রীরামপুর, হরিপাল।

    ৭) পূর্ব বর্ধমানে ১৬টি আসন: আউশগ্রাম, কালনা, কাটোয়া, কেতুগ্রাম, খণ্ডঘোষ, গলসি, জামালপুর, পূর্বস্থলী উত্তর, পূর্বস্থলী দক্ষিণ, বর্ধমান উত্তর, বর্ধমান দক্ষিণ, ভাতার, মঙ্গলকোট, মন্তেশ্বর, মেমারি, রায়না।

  • ভোটের আগেই হাইকোর্টে জনস্বার্থে মামলা, কী দাবি?

    ভোটের আগেই হাইকোর্টে জনস্বার্থে মামলা, কী দাবি?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগে রক্তপাতহীন এবং সুষ্ঠু ভোটের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থে মামলা দায়েরের আবেদন জানিয়েছেন এক আইনজীবী। আর তাঁর আবেদন গ্রহণ করেই মামলা করার অনুমতি দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। কিন্তু ঠিক কী কী বললেন আইনজীবী?

    কী দাবি জানানো হল?

    মামলাকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য, অতীতের নির্বাচনী হিংসার অভিজ্ঞতা রাজ্যের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছিল। তাই ভোটের আগেই সতর্কমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সবথেকে জরুরী। এমনকি পিটিশনে একাধিক দাবি তোলা হয়েছে। প্রথমত, স্পর্শকাতর এবং অতি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হবে। তৃতীয়ত, বাধ্যতামূলকভাবে ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। চতুর্থত, গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার উপর নজরদারির জন্য উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক করমচারিদের নিয়ে একটি মনিটরী কমিটি গঠন করতে হবে। এছাড়াও রাজনৈতিক, সাম্প্রদায়িক এবং লিঙ্গভিত্তিক হিংসা নিস্পত্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।

    এদিকে পিটিশনে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনী পরবর্তী হিংসার ঘটনাগুলোর কথা তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগ উঠছে, ভোট পরবর্তী অশান্তিতে প্রাণহানি, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং ঘরছাড়া হওয়ার মতো একাধিক ঘটনা ঘটেছিল। আর সেই সময় বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টে পৌঁছয়। আদালতের নির্দেশে তদন্ত এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত পদক্ষেপ নেওয়াও হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে বিচারপতির বেঞ্চ গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল।

    আরও পড়ুন: জঙ্গল মহলে শক্তিবৃদ্ধি বিজেপির, গেরুয়া শিবিরে যোগ কুড়মিদের প্রধান উপদেষ্টার

    এদিকে মামলাকারীর আইনজীবী বক্তব্য রাখেন, আদালতের তত্ত্বাবধান থাকলে প্রশাসন আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারবে। আর ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবে। তিনি চেয়েছেন, ভোটার আগে যাতে সবকিছু ঝুঁকিপূর্ণভাবে হয় সেই দিকে নজরদারি বাড়ানো। সেই কারণেই হাইকোর্টের কাছে তাঁর এই আবেদন।