Tag: United States dollar

  • ভারতীয় রুপিতে ভারী পতন, সোমবার ডলারের বিপরীতে নতুন রেকর্ড গড়ল টাকা

    ভারতীয় রুপিতে ভারী পতন, সোমবার ডলারের বিপরীতে নতুন রেকর্ড গড়ল টাকা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে ভারতের টাকার পতন (Indian Rupee) অব্যাহত। সোমবার নতুন করে মার্কিন ডলারের (Currency) বিপরীতে রুপি তার সর্বনিম্ন রেকর্ড ছুঁয়েছে। এদিন আমেরিকার এক ডলারের প্রেক্ষিতে ভারতীয় টাকা বা রুপির দর এসে দাঁড়িয়েছে 93.94 তে। ভারতীয় মুদ্রার এমন দুর্বলতা দেখে চিন্তা বাড়বে সেটাই স্বাভাবিক। বলাই বাহুল্য, গত সেশনে আমেরিকান ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রা 1.2 শতাংশ পড়েছিল। 2022 এর ফেব্রুয়ারি মাসের পর এটাই ছিল সর্বোচ্চ।

    নতুন নতুন রেকর্ড তৈরি করছে ভারতীয় রুপি

    এর আগে গত শুক্রবার প্রবল চাপের মধ্যে ডলারের বিপরীতে প্রথমবারের মতো 93 এর গন্ডি টপকে ছিল ভারতীয় রুপি বা টাকা। ডলারের প্রেক্ষিতে ভারতীয় মুদ্রার দাম 93.735 এ পৌঁছেছিল। তবে সোমবার পড়তে না পড়তেই সেই রেকর্ড ভেঙে দিল ভারতীয় মুদ্রা। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে, ডলারের বিপরীতে রুপির দর 93.94। এর আগে গত বুধবারও রূপির পতন অব্যাহত ছিল। এদিন অবশ্য রুপির দর ছিল 92.63 টাকা। সেক্ষেত্রে এক সপ্তাহের মধ্যে সেই দর অনেকটাই নেমেছে।

    কেন এত কমছে ভারতের টাকার দাম?

    সময় যত যাচ্ছে ডলারের বিপরীতে ক্রমশ তলানিতে গিয়ে ঠেকছে ভারতীয় রুপি। কিন্তু কেন এমন অবস্থা ভারতীয় মুদ্রার? এ প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞদের যা মত, পশ্চিম এশিয়ায় প্রবল অস্থিরতা, ইরানের সাথে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যুদ্ধ এবং তার কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলেই চাপ পড়ছে ভারতীয় মুদ্রায়। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই কমছে ভারতীয় রুপি বা টাকার দাম।

    অবশ্যই পড়ুন: আইপিএলে নেই কোনও অভিজ্ঞতা, নিলামে কেনেনি কেউ! সেই প্লেয়ারই এবার KKR-এ

    বলাই বাহুল্য, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অনেকটাই বেড়েছে। এর ফলে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মুদ্রায় ভারী পতন চোখে পড়েছে। তবে একথা স্বীকার করতেই হয়, আর পাঁচটা প্রতিবেশী দেশের তুলনায় ভারতীয় মুদ্রার পতন সবচেয়ে বেশি। আগামী দিনে এই পরিমাণটা 100 ছাড়িয়ে যায় কিনা সেটাই আশঙ্কা।

  • সোনা কিনতে চাইছেন? ১ লক্ষ ২৭ হাজারে নামতে পারে হলুদ ধাতু! বড় খবর

    সোনা কিনতে চাইছেন? ১ লক্ষ ২৭ হাজারে নামতে পারে হলুদ ধাতু! বড় খবর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বিগত কয়েক মাস ধরে আকাশছোঁয়া সোনার দামে (Gold Price) সাধারণ মানুষ একেবারে নাভিশ্বাস হয়ে পড়েছিল। আমেরিকা, ইরান এবং ইজরায়েলের যুদ্ধের কারণে ১০ গ্রাম সোনার দাম তো ১.৬০ লক্ষ টাকার গণ্ডি ছাড়িয়ে রেকর্ড তৈরি হয়েছিল। তবে এবার সোনা প্রেমীদের জন্য রয়েছে বড়সড় স্বস্তির খবর। কারণ, বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন যে, খুব শীঘ্রই সোনার দামে আরও ধস নামতে পারে এবং ১০ গ্রাম সোনার দাম ১.২৭ লক্ষ টাকার কাছাকাছি নেমে আসার সম্ভাবনাও রয়েছে।

    কেন কমছে সোনার দাম?

    আসলে বিশেষজ্ঞরা সোনার এই দরপতনের পেছনে প্রধান চারটি কারণ উল্লেখ করেছে। তার মধ্যে প্রথমত রয়েছে ডলারের শক্তি বৃদ্ধি। আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন ডলারের দাম দিনের পর দিন বাড়ছে। সাধারণত ডলার শক্তিশালী হলে সোনার চাহিদা এবং দাম উভয়ই কমে যায়। এদিকে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর যদি সুদের হার বেশি থাকে, তাহলে বিনিয়োগকারীরা সোনার থেকে ডলারে বেশি বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়। অন্যদিকে সোনার দাম যখন ১.৫০ লক্ষ টাকা পার করেছিল, তখন বড় বিনিয়োগকারীরা সোনা বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিয়েছিল। যার কারণে বাজারে যোগান বেড়ে গিয়ে দাম কমতে শুরু করেছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার কারণে দিনের পর দিন মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। আর অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ার কারণে সোনার বাজার প্রভাবিত হচ্ছে।

    বাজারে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী দিনগুলোতে সোনা এবং রুপোর বাজারে মন্দাভাব দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে ভারতের বাজারে এমসিএক্স-এ বর্তমানে প্রতি ১০ গ্রাম সোনা পাওয়া যাচ্ছে ১,৪৪,৮২৫ টাকায়। আর সেই দাম নেমে আসতে পারে একেবারে ১,২৭,০০০ টাকায়। এমনকি আন্তর্জাতিক কমেক্স বাজারে বর্তমানে ১০ গ্রাম সোনার দাম ৪৫৭৪.৯০ মার্কিন ডলার। তাও নেমে আসতে পারে ৪২৫০ মার্কিন ডলারে।

    আরও পড়ুন: IPL শুরুর আগেই বিরাট অ্যাকশন সরকারের, নিষিদ্ধ বহু অ্যাপ, প্ল্যাটফর্ম

    আপনাদেরকে জানিয়ে রাখি, আজকের বাজার দর অনুযায়ী যদি সোনা কিনতে বা বেচতে যান, তাহলে অবশ্যই দাম মাথায় রাখা জরুরী। সেক্ষেত্রে ২৪ ক্যারেট পাকা সোনা ১ গ্রাম কিনতে গেলে খরচ পড়বে ১৪,৩৬৭ টাকা আর ২২ ক্যারেট গয়না সোনা ১ গ্রাম কিনতে গেলে খরচ পড়বে ১৩,৬৫০ টাকা এবং বিক্রি করতে গেলে পাবেন ১৩,০৭৪ টাকা। পাশাপাশি রুপো বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজিতে ২,৩১,৯৪১ টাকায়। তবে হ্যাঁ, সোনা এবং রুপোয় বিনিয়োগ সবসময় ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন। আমরা শুধুমাত্র বাজার বিশ্লেষণ করে কিছু পরামর্শ দিয়ে থাকি।

  • সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি! এবার ১০০-র গন্ডি টপকানোর পালা?

    সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি! এবার ১০০-র গন্ডি টপকানোর পালা?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এবার কি তাহলে ১০০-র গণ্ডি টপকাবে ভারতীয় মুদ্রা (Indian Rupee)? ডলারের বিপরীতে সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছল রুপি। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের (Middle East War) কারণে আগেই আশঙ্খা করা গিয়েছিল যে দিনের পর দিন আরও তলানিতে ঠেকবে দেশের মুদ্রা। সেই আশঙ্কায় সত্যি হল। শুক্রবার মার্কিন ডলারের (United States Dollar) বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার দাম দাঁড়াল একেবারে সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তর ৯৩.২৪ টাকায়। অর্থাৎ, এবার এক ডলার কিনতে গেলেই খোয়াতে হবে এত টাকা। অন্যদিকে বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ছে তেলের দাম। যার প্রভাব পড়ছে মুদ্রার উপরেই। তাহলে কী হবে দেশের অর্থনীতির?

    সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি

    বলে দিই, গত ৪ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে ৭০ পয়সা বেড়ে ৯২ এর গণ্ডি ছাপিয়ে গিয়েছিল ভারতীয় মুদ্রা। এই সময় ডলারের বিপরীতে দাম দাঁড়ায় ৯২.১৭ টাকা। আর তার পাঁচ দিনের মধ্যে আরও ধস নামে রুপিতে। তখন সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তর ৯২.৩০ টাকায় গিয়ে পৌঁছয়।। তবে এবার আরও পতন হয়ে একেবারে ৯৩ এর গণ্ডি টপকে গেল। আজ সকালে বাজার খুলতেই একেবারে রক্তক্ষরণ রুপিতে। এক ডলার কিনতে গেলেই এখন পড়েছে ৯৩.২৪ টাকা। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যে হারে বাড়ছে তাতে সিংহভাগ চাপ পড়ছে মুদ্রার উপর। এই কারণেই গতকালের তুলনায় আরও ০.৪ শতাংশ তলানিতে রুপি।

    এক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি, আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের গণ্ডি টপকেছে। যার ফলে তেল আমদানি করতেই মুদ্রার উপর চাপ পড়ছে। সেই কারণে ডলারের বিপরীতে দিনের পর দিন এই পতন। বেশ কিছু বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি ক্রুড অয়েলের দাম ১২০ ডলারে পৌঁছে যায়, তাহলে রুপি আরও তলানিতে ঠেকবে। এমনকি তা ৯৪ তে গিয়ে পৌঁছবে। আর আশঙ্কা করা হচ্ছে যে যুদ্ধ যদি এরকমভাবে চলতে থাকে, তাহলে ১০০-র গণ্ডি টপকাতে খুব বেশিদিন সময় লাগবে না। অন্যদিকে শেয়ার বাজারেও পড়ছে ভয়ংকর প্রভাব। কারণ, সেন্সেক্স ও নিফটি ৫০ অনেকটাই লসের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ১১৩ বছরের রেকর্ড ব্রেক, প্রথম দিনেই ১০০ কোটির ক্লাব ছুঁল রণবীরের ‘ধুরন্ধর ২’

    বলাবাহুল্য, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে দিনের পর দিন সংঘাত বেড়েই চলেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর আমেরিকা এবং ইজরায়েলের উপর একের পর এক হামলা চালাচ্ছে তেহরান। যার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের যোগানে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। এমনকি সম্প্রতি কাতারের রাস লাফানে মিসাইল অ্যাটাক করেছে ইরান। যার কারণে গ্যাস আমদানি সম্পূর্ণ বন্ধ। আর হরমুজ প্রণালীতে ভারতেরতেলবাহী জাহাজগুলি আটকে রয়েছে। এক কথায়, গোটা বিশ্ব এখন জ্বালানি সংকটে ভুগছে। সেই কারণেই বাড়তি টাকা খরচ করে জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে ভারতকে। যার কারণে ডলারের বিপরীতে মুদ্রার পতন।

  • ডলারের বিপরীতে সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি, ১০০-র গণ্ডি টপকাবে?

    ডলারের বিপরীতে সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি, ১০০-র গণ্ডি টপকাবে?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার প্রভাব এবার ভারতের মুদ্রায় (Indian Rupee)। সোমবার মার্কিন ডলারের তুলনায় ভারতীয় রুপির মূল্য আরও তলানিতে ঠেকে রেকর্ড গড়েছে। বাজারে এখন এক মার্কিন ডলার (United States Dollar) কিনতে গেলে পড়ছে ৯২.৩৪ টাকা, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তর। আর কয়েকদিন আগেই ডলারের তুলনায় রুপির বিনিময় মূল্য ৯২ টাকার গণ্ডি পেরিয়েছিল। গত বুধবার যেখানে এক ডলারের দাম ছিল ৯২.১৮ টাকা, সেখানে সোমবার আরও তলানিতে ঠেকেছে।

    আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে তলানিতে রুপি

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা রাজনৈতিক উত্তেজনা আর পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাজারে দিনের পর দিন অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে। এর ফলে অনেক বিনিয়োগকারী নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ডলারের দিকেই ঝুঁকছে। সেই কারণে ভারতীয় মুদ্রা দিনের পর দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে।

    সবথেকে বড় ব্যাপার, ভারত তার মোট অপরিশোধিত তেলের ৮০ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করে থাকে। যার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে আমদানি খরচ বেড়ে যায় এবং তেল কেনার জন্য বেশি পরিমাণ ডলারের প্রয়োজন হয়। ফলে ডলারের চাহিদা বাড়ে আর ভারতীয় রুপির মূল্য তলানিতে ঠেকে। এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর একটি বৃহৎ অংশ শেয়ারবাজার থেকে তাদের বিনিয়োগ তুলে নিচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে। আর যখন বিদেশী বিনিয়োগকারীরা তাদের বিনিয়োগ তুলে নেয়, তখন ডলারের চাহিদা বাড়ে। যার ফলে রুপির উপর চাপ সৃষ্টি হয়।

    আরও পড়ুন: নির্বাচন হোক ২ দফায়, কমিশনের কাছে আর কী কী দাবি জানাল বিজেপি?

    কিন্তু বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছে, যদি আন্তর্জাতিক উত্তেজনা এরকম বজায় থাকে এবং তেলের দাম বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে ডলারের তুলনায় রুপির মূল্য আরও কমতে পারে। এমনকি তা ১০০-র গণ্ডিও পার করতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি এখন অর্থনৈতিক নীতির উপরেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

  • এক ডলার ৯২ টাকারও বেশি! মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জেরে রেকর্ড পতন ভারতীয় মুদ্রায়

    এক ডলার ৯২ টাকারও বেশি! মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জেরে রেকর্ড পতন ভারতীয় মুদ্রায়

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে বাজছে যুদ্ধের দামামা। ইরানের একের পর এক হামলায় দিশেহারা ইজরায়েল ও আমেরিকা। আর সেই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই প্রভাব পড়ল ভারতের মুদ্রা বাজারে। হ্যাঁ, বুধবার সকালে লেনদেন শুরু হতেই মার্কিন ডলারের বিপরীতে ৭০ পয়সা বেড়ে ৯২.১৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে ভারতীয় মুদ্রা (Indian Rupee)। আর বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে এতটা দুর্বল অবস্থা ভারতীয় মুদ্রাকে কখনো দেখা যায়নি। প্রসঙ্গত, সোমবার এক ডলারের দাম ছিল  ৯১.৪৯ টাকা। মাত্র দু’দিনের ব্যবধানেই এতটা উত্থান পতন।

    বাড়ছে ডলারের চাহিদা

    ইরানকে ঘিরে ইজরাইল এবং আমেরিকার সঙ্গে সংঘাত এখন চরম উচ্চতায় পৌঁছেছে। পরিস্থিতি জেরে আপাতত সেরকম কোনও তৈলবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পারাপার করতে পারছে না। যার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে এবং দামও অনেকটাই ঊর্ধ্বমুখী। আর ভারত তার মোট আমদানিকৃত তেলের সবথেকে বড় অংশই ইরান, সৌদি আরব এবং কুয়েতের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে আনে। যার ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়লে ভারতের আমদানি ব্যয় অনেকটাই বেড়ে যায়। আর তেলের দাম বাড়লে বেশি পরিমাণে ডলার খরচ করতে হয়। এতে স্বাভাবিকভাবেই ডলারের চাহিদা বাড়ছে আর টাকার উপর চাপ পড়ছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই কারণে টাকার মূল্য দিনের পর দিন তলানিতে ঠেকছে।

    অন্যদিকে বাণিজ্যিক সমঝোতার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে ভারতের। সেই কারণে রাশিয়া থেকে তুলনামূলকভাবে তেল কেনা কমিয়েছে ভারত। এমনটাই বাজার মহল ধারণা করছে। আর এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের উপর নির্ভরতা অনেকটা বেড়েছে। এমনকি বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে আরও চাপে ফেলতে পারে ভারতের অর্থনীতিকে, এমনটাই মত প্রকাশ করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: হোলির দিন মধ্যমগ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, সিলিন্ডার ফেটে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    তবে শুধু তেলের দাম নয়, বরং মুদ্রা বাজারের অস্থিরতার প্রভাব পড়ছে ভারতের শেয়ার বাজারেও। মুম্বাইয়ের দালাল স্টিকে দেখা গিয়েছিল বড়সড় পতন। BSE Sensex এক ধাক্কায় প্রায় ১৫০০ পয়েন্ট হারিয়ে ৮০ হাজারের নিচে নেমে আসে। এমনকি NIFTY 50 ৪০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। বিনিয়োগকারীদের মতে, শেয়ারবাজারেও দিনের পর দিন তৈরি হচ্ছে অনিশ্চয়তা এবং আতঙ্ক। আর বিশেষজ্ঞরা দাবি করছে, যদি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি সমাধান না হয়, তাহলে বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।