Tag: Trinamool Congress

  • তৃণমূলে যোগ দিয়েই প্রার্থী, সমাজের জন্য যা করেছেন আব্দুল মাতিন, জেনে শ্রদ্ধা বাড়বে

    তৃণমূলে যোগ দিয়েই প্রার্থী, সমাজের জন্য যা করেছেন আব্দুল মাতিন, জেনে শ্রদ্ধা বাড়বে

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে, বিজেপি-সিপিএমের পর তৃণমূলও প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করেছে। কিন্তু তার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, শিক্ষাবিদ তনুশ্রী হাঁসদা ও আবদুল মাতিন (Abdul Matin) যোগ দেন তৃণমূলে। আর যোগ দেওয়ার পরেই তিনি টিকিটও হাসিল করে নিয়েছেন।

    তৃণমূলে যোগ ৪ জনের

    আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার দুপুরের পরেই তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হয়েছে। আর প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই শাসকদলে যোগ দেন প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, শিক্ষাবিদ তনুশ্রী হাঁসদা, মুহম্মদ আব্দুল মতিন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও পার্থ ভৌমিক। অন্য দিকে এ দিন একই সময়ে রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলায় বিভিন্ন সমাজকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বও তৃণমূলের পতাকা হাতে নেন। বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া ও বড়জোড়া এলাকা থেকে সমাজসেবী গৌতম মিশ্র তৃণমূলে যোগ দেন।

    সমাজকর্মী হিসেবে আব্দুল মতিনের নাম জনপ্রিয়

    শিক্ষাক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম হল আবদুল মাতিন। তিনি মূলত ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিয়ে শুরু করে তাঁর পরিচালিত প্রতিষ্ঠান রাজ্য মাদ্রাসা বোর্ড ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত কাজ করে চলেছেন। মেয়েদের শিক্ষা সম্প্রসারে নির্মাণ করেছেন ১৮ টি স্কুল। একইসঙ্গে অল ইন্ডিয়া সুন্নত উল জামাত নামে এক সংগঠনের সংগঠনের সম্পাদকও তিনি। এর পাশাপাশি তৈরি করেছেন ২টি আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। একাদশ ও দ্বাদশ শেণিতে মেয়েদের ভর্তি নেওয়া হয় ওইসব প্রতিষ্ঠানে।

    আরও পড়ুন: হিরণ ছাড়া বিজেপির প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ আরও ৮ বিধায়ক, দেখুন লিস্ট

    আজ তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় আব্দুল মতিনের নাম জ্বলজ্বল করছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাড়োয়া থেকে আব্দুল মতিনকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

  • ভারতের জার্সিতে অভিষেক হয়নি, তৃণমূলে যোগ দেওয়া শিবের ক্রিকেট কেরিয়ার কেমন ছিল?

    ভারতের জার্সিতে অভিষেক হয়নি, তৃণমূলে যোগ দেওয়া শিবের ক্রিকেট কেরিয়ার কেমন ছিল?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: লক্ষ্মীরতন শুক্লা, মনোজ তিওয়ারির মতো ভারতীয় ক্রিকেটারদের পর এবার তৃণমূলের (Trinamool Congress) পতাকা হাতে তুলে নিলেন বঙ্গ ক্রিকেটের জনপ্রিয় মুখ তথা দীর্ঘদিন বাংলার হয়ে খেলা পেসার শিবশঙ্কর পাল (Shib Paul)। মঙ্গলবারই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। সদ্য রঞ্জি ট্রফিতে বাংলা দলের বোলারদের কোচিং করানো এই জনপ্রিয় মুখ এবার তুফানগঞ্জে তৃণমূলের হয়ে লড়বেন। 22 গজের পর রাজনৈতিক ময়দানে পা রেখেই বাংলার জন্য নিজেকে উজাড় করে দিতে চান তিনি। সেই সাথে তৃণমূলে যোগ দেওয়া মাত্রই বঙ্গ পেসারের গলায় শোনা গেল ‘খেলা হবে’ স্লোগান।

    তৃণমূলে যোগ দিয়ে কী বললেন শিবশঙ্কর?

    মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং পার্থ ভৌমিকরা। সেখানেই পাকাপাকিভাবে তৃণমূলে যোগ দেন বাংলা দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা শিব। এছাড়াও এদিন তৃণমূলে যোগ দেন শিক্ষাবিদ তনুশ্রী হাঁসদা। এদিন তুফানগঞ্জের ছেলে শিবশঙ্কর তৃণমূলে যোগ দেওয়া মাত্রই একেবারে স্পষ্ট জানান, “আমি শুধুমাত্র দুটো কথা বলতে চাই। আমি বাংলার হয়ে বহুবার মাঠে নেমেছি। খেলেছি। এই সময়টা বাংলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা এবং বাঙালিকে আক্রমণ করা হচ্ছে। এই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে লড়াই করতে চাই। আমি মাঠের মানুষ, খেলা হবে।”

    এক নজরে শিবের কেরিয়ার

    1981 সালে তুফানগঞ্জে জন্ম হয় বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশংকরের। যদিও 2001-2002 মরসুমে বাংলা দলের হয়ে ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। সেই থেকে বল হাতে বাংলা দলের হয়ে সাত বছর মাঠ কাঁপিয়েছেন প্রাক্তন খেলোয়াড়। এই দীর্ঘ কেরিয়ারে বাংলার হয়ে 61টি প্রথম শ্রেণি এবং লিস্ট এ ম্যাচ খেলেছেন শিব। সেই আসরে 171টি উইকেট রয়েছে তাঁর। বলাই বাহুল্য, 2004-2005 মরসুমে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বাধীন টিম ইন্ডিয়া। সেই সিরিজেই চতুর্থ টেস্টের জন্য স্কোয়াডে ছিলেন শিব। তবে জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হয়নি এই খেলোয়াড়ের।

    অবশ্যই পড়ুন: হিরণ ছাড়া বিজেপির প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ আরও ৮ বিধায়ক, দেখুন লিস্ট

    ক্রিকেটে ম্যাকো বলে পরিচিত শিবশঙ্কর বাংলা ক্রিকেটে অতি পরিচিত এবং ভরসাযোগ্য একটি নাম। কমবেশি সকলেই জানেন, সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া শিব ভারতীয় এ দলের হয়ে খেলেছেন। পরবর্তীতে 2016 সালের জুন মাসে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে কোচিং কেরিয়ার শুরু করেন তিনি। শেষবারের মতো রঞ্জিতে বাংলা দলের মহম্মদ শামি, আকাশদীপদের কোচিং করিয়েছিলেন তিনিই।

  • নন্দীগ্রামে পবিত্র, ভবানিপুরে মমতা! ২৯১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল TMC

    নন্দীগ্রামে পবিত্র, ভবানিপুরে মমতা! ২৯১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল TMC

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মাস গড়ালেই বিধানসভা নির্বাচন বাংলায়। গতকাল বিজেপি এবং বামফ্রন্ট তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। আর সেই তালে তাল মিলিয়ে আজ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ২৯১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল (TMC Candidate List)। একদিকে ভবানীপুরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে নন্দীগ্রামেও রয়েছে চমক। কারণ, সেখানেও লড়ছেন শুভেন্দু। আবার সেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককেই হাবড়ার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করা হল। কোন আসনে কাকে প্রার্থী করল শাসকদল? জানুন।

    তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ঘোষণা

    শাসকদল এবার রাজ্যের মোট ২৯১টি আসনে তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। প্রত্যেকটি বিধানসভা অনুযায়ী প্রার্থী তালিকা নিচে তুলে ধরা হল—

    • অশোকনগর- নারায়ণ গোস্বামী
    • আলিপুরদুয়ার- সুমন কাঞ্জিলাল
    • উত্তরপাড়া- শীর্ষান্ন বন্দ্যোপাধ্য়ায়
    • উলুবেড়িয়া পূর্ব- ঋতব্রত
    • কান্দি- অপূর্ব সরকার
    • কামারহাটি- মদন মিত্র
    • কালিগঞ্জ- পার্থপ্রতিম রায়
    • করিমপুর- সোহম চক্রবর্তী
    • কুশমণ্ডি- রাজীব তিরকে (কুমারগঞ্জ)
    • কোচবিহার উত্তর- পার্থপ্রতিম রায়
    • কলকাতা পোর্ট- ফিরহাদ হাকিম
    • করিমপুর- সোহম
    • কান্দি- অপূর্ব সরকার
    • খড়গপুর (ডেবরা)- রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গোপালপুর (রাজারহাট)- অদিতি মুন্সি
    • চাঁচল-মালদা- প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়
    • চোপড়া- হামিদুল রহমান
    • চুঁচুডা- দেবাংশু ভট্টাচার্য
    • দিনহাটা- উদয়ন গুহ
    • ডোমকল- হুমায়ুন কবীর
    • ডায়মন্ড হারবার- পান্নালাল হালদার
    • ডেবরা- রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তালিগঞ্জ- অরূপ বিশ্বাস
    • ধূপগুড়ি- ড. নির্মল রায়
    • নন্দীগ্রাম- পবিত্র কর
    • নওদা- বাইরন বিশ্বাস
    • নাটাবাড়ি- শৈলেন বর্মা
    • নোয়াপাড়া- তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য
    • পাঁচলা- গুলশন মল্লিক
    • পলাশিপাড়া- রুকবানুর রহমান
    • বারুইপুর পশ্চিম- বিমান বন্দোপাধ্যায়
    • বারুইপুর পূর্ব- বিভাস সর্দার
    • ব্যারাকপুর- রাজ চক্রবর্তী
    • বালুরঘাট- অর্পিতা ঘোষ
    • বেহালা পশ্চিম- রত্না চট্টোপাধ্যায়
    • বেলেঘাটা- কুণাল ঘোষ
    • বরানগর- মদন মিত্র
    • ভবানীপুর- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    • ভাটপাড়া- অমিত গুপ্তা
    • ভাঙড়- শওকত মোল্লা
    • মানিকতলা- শ্রেয়া পাণ্ডে
    • মাথাভাঙা- সাধু বর্মন
    • মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি- শঙ্কর মালাকার
    • মেখলিগঞ্জ- পরেশ অধিকারী
    • মোথাবাড়ি- মহম্মদ নজরুল ইসলাম
    • রানাঘাট- রানা চট্টোপাধ্যায়
    • রামনগর- অখিল গিরি
    • রায়গঞ্জ- কৃষ্ণ কল্যাণী
    • রাজারহাট-নিউটাউন- তাপস চট্টোপাধ্যায়
    • শিলিগুড়ি- গৌতম দেব
    • শীতলকুচি- হরিহর দাস
    • সাগরদিঘি- বাইরন বিশ্বাস
    • সবং- মানস ভুঁইয়া
    • সিঙ্গুর- বেচারাম মান্না
    • সোনারপুর উত্তর- ফিরদৌসি বেগম
    • সোনারপুর দক্ষিণ- অরুন্ধুতী মৈত্র
    • হাবড়া- জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক
    • হাওড়া উত্তর- গৌতম চৌধুরী
    • হরিরামপুর- বিপ্লব মিত্র
    • বরানগর- সায়ন্তিকা
  • হিরণ ছাড়া বিজেপির প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ আরও ৮ বিধায়ক, দেখুন লিস্ট

    হিরণ ছাড়া বিজেপির প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ আরও ৮ বিধায়ক, দেখুন লিস্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দুদফায় ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) হবে। এই অবস্থায় গতকাল অর্থাৎ সোমবার প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি (Bharatiya Janata Party)। কিন্তু তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই দেখা যায় ১৪৪টি আসনের মধ্যে ৪৮টি আসন এমন, যেগুলি বিজেপির দখলেই ছিল। কিন্তু তার মধ্যে টিকিট পেলেন ৪০ জন। বাদ পড়লেন আট জন বিধায়ক। তুঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক।

    বাদ পড়েছে ৮ বিজেপি বিধায়ক

    বিজেপির প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী যে আটটি জয়ী আসনে প্রার্থী বদল করা হয়েছে, তার মধ্যে তিনটি উত্তরবঙ্গে, তিনটি রাঢ়বঙ্গে, বাকি দু’টি রাঢ় ঘেঁষা দক্ষিণবঙ্গে। অর্থাৎ তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন বালুরঘাটের অশোক লাহিড়ি, খড়্গপুর সদরের হিরণ চট্টোপাধ্যায়, শীতলকুচির বরেন্দ্রচন্দ্র বর্মন, কালিয়াগঞ্জের সৌমেন রায়, বলরামপুরের বালেশ্বর মাহাতো, রঘুনাথপুরের বিবেকানন্দ বাউরি, আরামবাগের মধুসূদন বাগ এবং গোঘাটের বিশ্বনাথ কারক। এদিকে খড়্গপুর সদরের বিধায়ক তথা কাউন্সিলর হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের বদলে বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা ওই আসনের প্রাক্তন বিধায়ক দিলীপ ঘোষকে টিকিট দেওয়া হয়। পুনরায় এই একই আসনে প্রার্থী হওয়ায় বেশ খুশি তিনি।

    দ্বিতীয় বিয়েই কি কাল হল হিরণের!

    কয়েক মাস আগে থেকেই দলীয় অন্দরে শোনা যাচ্ছিল যে, দিলীপ ঘোষ এবারেও খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হতে পারবেন না। কিন্তু সম্প্রতি হিরণের দ্বিতীয় বিবাহ ঘিরে বিতর্ক চরম আকার নেওয়ায় পাশা পাল্টে যায়। যার ফলে স্থানীয় সমীক্ষাতেও দিলীপের নামই বেশি সমর্থন পাচ্ছিল। ফলে দিলীপ সেই আসন ফিরে পেলেন, যেখান থেকে তিনি প্রথম বার জনপ্রতিনিধি হয়েছিলেন। এই কাণ্ডে হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা বলেন, ‘‘সম্প্রতি যে ঘটনাটি ঘটেছে, তা সাধারণ মানুষ ভাল ভাবে নেননি। বিজেপি-ও যে তার এই কাণ্ড ভাল চোখে দেখেনি, তা এই প্রার্থিতালিকা থেকেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: প্রতি দফায় ২ লাখ ৫০ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, অশান্তি হলে … কড়া বার্তা কমিশনের

    প্রসঙ্গত, আজ, মঙ্গলবার বিকেলে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে চলেছে। এদিকে নাম ঘোষণার আগেই সকাল থেকে একাধিক জেলায় শাসক দলে যোগ দেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আজ কলকাতার দলীয় কার্যালয়ে প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, সাঁওতাল সম্প্রদায়ের পরিচিত শিক্ষাবিদ তনুশ্রী হাঁসদা এবং ইসলামিক স্কলার আবদুল মতিন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এখন দেখার ভোটের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে কাকে নির্বাচনের মুখ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • তৃণমূলে যোগ দিলেন বাংলার তারকা ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, প্রার্থী হবেন এই কেন্দ্রের!

    তৃণমূলে যোগ দিলেন বাংলার তারকা ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, প্রার্থী হবেন এই কেন্দ্রের!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সোমবারই বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) প্রাক্কালে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বামফ্রন্ট এবং বিজেপি। দুই দলের তরফেই শাসক দলের (Trinamool Congress) উপর কার্যত চাপ সৃষ্টি করেই প্রকাশ করা হয়েছে প্রার্থীদের তালিকা। সেই তালিকায় ডানা ছাটা হয়েছে বহু দলবদলুর। এখন অপেক্ষা শাসকদল অর্থাৎ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের। এরই মাঝে বড় চমক দিয়ে দিল TMC। সূত্রের খবর, বঙ্গ ক্রিকেটের এক পরিচিত মুখ তথা তারকা পেসার শিব শংকর পালকে টিকিট দিতে চলেছে তৃণমূল। কেননা, ইতিমধ্যেই শাসক শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি।

    তুফানগঞ্জ থেকে দাঁড়াতে পারেন বাংলার পেসার

    একাধিক সূত্র মারফত খবর, বাংলা দলের হয়ে দীর্ঘদিন মাঠ কাঁপানো পেসার শিবশংকরের সাথে আগেই কথাবার্তা পাকা হয়ে গিয়েছিল তৃণমূল নেতৃত্বর। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবারই পাকাপাকি ভাবে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল বাংলার এই ক্রিকেটার। শেষ পর্যন্ত সেটাই হল। প্রত্যাশমতোই তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রাক্তন বাঙালি ক্রিকেটার। কাজেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের এই চাল যে বড় চমক তা বলাই যায়।

    আজই নির্বাচনের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে তৃণমূল। তার আগে পাকাপাকিভাবে বাংলার পেসার শিবশংকর ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেওয়ায় তাঁকে জন্মভূমি তুফানগঞ্জ থেকে দাঁড় করানো হতে পারে। আর সেটা হলে তাঁকে লড়তে হবে বিজেপির মালতি সাভা রায়ের বিরুদ্ধে। তুফানগঞ্জ আসন থেকে তাঁকেই টিকিট দিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    অবশ্যই পড়ুন: হর্ষিত রানার বিকল্প খুঁজছে না KKR, কারণ জানলে অবাক হতে বাধ্য!

    উল্লেখ্য, ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর পর বোলিং কোচ হিসেবে নতুন ইনিংস শুরু করেন বাংলার পেসার তথা বাঙালি ক্রিকেটার শিবশংকর। এই মুহূর্তে বাংলা দলের বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। সবচেয়ে বড় কথা সম্প্রতি শেষ হওয়া রঞ্জি ট্রফিতে তাঁর কোচিয়েই মাঠ কাঁপানো পারফরমেন্স দেখিয়েছেন মহম্মদ শামিরা। যদিও ক্রিকেট কেরিয়ারে মধুর স্মৃতি রয়েছে প্রাক্তন প্লেয়ারের।

  • তৃণমূল ছাড়লেন আরাবুল ইসলাম, কোন দলে যোগ দিচ্ছেন? ভাঙড়ে নতুন সমীকরণ

    তৃণমূল ছাড়লেন আরাবুল ইসলাম, কোন দলে যোগ দিচ্ছেন? ভাঙড়ে নতুন সমীকরণ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল অর্থাৎ রবিবার নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গে দুদফায় ভোটের দিন ঘোষণা করেছে। আগামী ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল রাজ্যে ভোট গ্রহণ হবে। এদিকে সেই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন ভাঙড়ের পরিচিত নেতা আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam Quits Trinamool Congress)। প্রশ্ন উঠছে এবার কি তবে ISF-এ যোগ দেবেন তৃণমূলের এই দাপুটে নেতা।

    কী বলছেন আরাবুল ইসলাম?

    আজ, সোমবার সকালে হুগলির ফুরফুরা শরিফের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে আরাবুল ইসলাম বলেন, “সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় থেকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থেকেছি। যে দলের জন্য এত কিছু করেছি, সেই দল আমাকে চিনতে পারল না। পাঁচবার জেলে গিয়েছি। তিন বার দল থেকে সাসপেন্ড হয়েছি। কোনো মর্ম বুঝল না, তাই দুঃখে তৃণমূল ছাড়ছি।” আরাবুলের দলত্যাগের পরেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে এবার তিনি কোন দলে যোগ দেবেন। অনেকেই জানাচ্ছেন, আরাবুল ISF-এ যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। তবে, এখনও আরাবুল কোনও মন্তব্য করেননি।

    ভাঙড়ে তৃণমূলে বড়সড় ক্ষতি

    দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লার সঙ্গে আরাবুল ইসলামের সম্পর্ক নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে টানাপড়েন চলছিল। দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে একাধিকবার তাঁকে সাময়িক বরখাস্তও করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে দলের বিভিন্ন কর্মসূচি থেকেও তাঁকে দূরে থাকতে দেখা গিয়েছে। ফলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভাঙড় তৃণমূলের বড়সড় ক্ষতি হতে পারে। অনুগামীরা জানান যদি দলবদল করেন, তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোট তহবিলে ধস নামতে পারে।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়? সমাজমাধ্যমে ছড়াল জল্পনা

    প্রসঙ্গত, আরাবুল ইসলামকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন কিছু নয়। ২০২৪ সালে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের এক কর্মীকে খুনের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ। সেখানে প্রায় সাত মাস কারাবন্দি থাকার পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এখানেই শেষ নয়, এরপর তৃণমূলের আরেক নেতা শওকত মোল্লার সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। এমনকি আরাবুলের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে শওকতের বিরুদ্ধে। তখন খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন আরাবুল। এখন দেখার তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান কোন দিকে মোড় নেয়।

  • “বাড়িতে আঘাতের চিহ্ন নেই, পার্টি অফিসে ব্যান্ডেজ!” শশী পাঁজাকে একহাত নিলেন সজল ঘোষ

    “বাড়িতে আঘাতের চিহ্ন নেই, পার্টি অফিসে ব্যান্ডেজ!” শশী পাঁজাকে একহাত নিলেন সজল ঘোষ

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মাস গড়ালেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। সেই সূত্রে ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী মোদীর জনসভায় গতকাল লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিড় জমিয়েছিলেন। তবে মোদীর সভার আগেই কলকাতার গিরিশ পার্কে তৃণমূল-বিজেপির ব্যাপক সংঘর্ষ লক্ষ্য করা যায়। রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার (Sashi Panja) বাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। এমনকি বাড়ির অফিসের দরজা-জানলা ভাঙচুর করা হয় বলেও খবর। সবথেকে বড় ব্যাপার, শশী পাঁজার উপরেও হামলা চালানো হয় বলে দাবি করা হয় তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে। তবে এবার সেই দাবির একহাত নিলেন বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ (Sajal Ghosh on Sashi Panja)।

    মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলা

    জানা যায়, গতকাল পুলিশের সামনেই বিজেপি এবং তৃণমূল দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাঁধে। মুহূর্তের মধ্যে সেই সংঘর্ষে কার্যত রণক্ষেত্রে রূপ নেয় গিরিশ পার্ক। তৃণমূল অভিযোগ করে, মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় আর বিজেপির কর্মীরা তৃণমূল কর্মীদেরকে মারধর করেছে। পাশাপাশি ১৯ এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলরের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে। আর মন্ত্রীর উপরেও হামলার অভিযোগ ওঠে। শশী পাঁজা নিজেই জানান যে, “গুন্ডাদের দিয়ে ব্রিগেড সভা করছে বিজেপি। পাথর ছুঁড়ে জানলার কাঁচ, দরজা ভেঙে দিচ্ছে। এরা নিজেরাই খুনি। যেভাবে ওরা আক্রমণ করছে তাতে তাঁরা সামান্য গুন্ডা নয়, বরং খুনও করতে পারে। এমনকি শশী পাঁজার দাবি অনুযায়ী, তাঁদের হামলায় অন্তত ৫০ জন তৃণমূল কর্মী হাসপাতালে ভর্তি।” এছাড়া তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, এই হামলায় তিনি নিজেও জখম হয়েছেন।

    মন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং বিধায়ক সায়নী ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে শশী পাঁজা অভিযোগ করেন, “চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ দিয়ে সকালবেলা ব্রিগেডমুখী বিজেপি কর্মীদের সমর্থকদের বাস যাচ্ছিল। আর সকাল থেকেই কিছু কিছু বাস আমার বাড়ির সামনের মেন রোড দিয়ে যাচ্ছিল। তবে ব্রিগেডমুখী এরকমই একটি বাস থেকে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউতে হামলা চলে। আমার ছেলেরা রাস্তার ধারে প্ল্যাকার্ড লাগাচ্ছিল। সেখানে দিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপি পতাকা লাগানো একটি বাসের কর্মীরা তাঁদের উপর আক্রমণ করে আর নেমে এসে মারধর শুরু করে। বাসে করে ইট, বড় পাথর, লাঠি, বোমা ইত্যাদি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাচ্ছিল বিজেপির কর্মীরা। এভাবে তিনি বাংলা দখল করবেন? সব ভিডিও ফুটেজ আমার কাছে রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: তালিবানদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে ফের আফগানিস্তানে এয়ারস্ট্রাইক পাকিস্তানের

    পাল্টা বক্তব্য সজল ঘোষের

    এদিন সজল ঘোষ নিজেই শশী পাঁজার সেই ভিডিও পোস্ট করে দাবি করেন যে, “সম্ভবত প্রথম দিকের ছবিটা আপনার নিজের বাড়ির। তখন আপনি সুস্থই ছিলেন। আপনার শরীরে কোনও রকম আঘাতের চিহ্ন নেই। কিন্তু পার্টি অফিসে গিয়ে দেখা যায় যে আপনি আহত। আমার একটাই প্রশ্ন, তাহলে আপনাকে এই সময়ের মধ্যে মাড়ল কে? যতই আপনি পাশে অভিনেতা বা অভিনেত্রীদের নিয়ে বসুন না কেন, চিত্রনাট্যটা সত্যিই দুর্বল।” এমনকি সজল ঘোষ আরও দাবি করেন যে, “শশী পাঁজার বাড়ির সামনে থেকেই অনবরত পাথর ছোঁড়া হয়েছে। আর তাতে বিজেপির বহু কর্মীরাও আহত হয়েছে। ওরা যদি কিছু মেরে থাকে তাহলে তা পাটকেল। ইট আপনারাও মেরেছেন। আর আমাদের কর্মীরা শুধুমাত্র নিজেদেরকে রক্ষা করেছে। তৃণমূল মানুষের স্রোত দেখে ভয় পেয়েই এইসব কাজ করেছে।”

  • ব্রিগেড যাওয়ার পথে সংঘর্ষ, গিরিশ পার্কে মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে ছোঁড়া হল পাথর

    ব্রিগেড যাওয়ার পথে সংঘর্ষ, গিরিশ পার্কে মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে ছোঁড়া হল পাথর

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ক্রমেই অপেক্ষার প্রহর কাটতে চলেছে, কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে (Modi Brigade Rally) বিজেপির জনসভাকে ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। কিছুক্ষণ পরেই শুরু হতে চলেছে মোদীর সভা। আর এই অবস্থায় গিরিশ পার্কে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার (Shashi Panja House Attacked) অভিযোগ উঠল কয়েকদল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তৃণমূল কর্মীদের দাবি, ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভায় যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা এ সব করেছেন।

    শশী পাঁজার বাড়িতে হামলা

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ শনিবার দুপুরে ব্রিগেডে নরেন্দ্র মোদীর জনসভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় একদল বিজেপি গিরিশপার্কে রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজার বাসভবনে হামলা করে। ছোঁড়া হয় পাথর। তাতেই দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটনায় শশী পাঁজা বলেন, ‘‘বিজেপি গুণ্ডারা এ সব করেছে। আজ যে বাস ব্রিগেডে যাচ্ছে, সেগুলিতে রয়েছে ইট, কাচের বোতল, বোম। বহিরাগত গুণ্ডাদের নিয়ে তারা ব্রিগেডে যাচ্ছে।’’ পাথর ছোড়াছুড়িতে রক্তাক্ত বিজেপির উত্তর কলকাতার সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ। তাঁকে ইতিমধ্যেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শশীর কথায়, ‘‘এরা খুনও করতে পারে। এরা গুণ্ডা। গণতন্ত্রের খুন করা হয়েছে। ওঁদের দুঃসাহস দেখুন!’’

    তৃণমূল-বিজেপির হাতাহাতি

    গোটা ঘটনায় তৃণমূল কর্মীদের দাবি, ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভায় যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করেছেন। কিন্তু এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে বিজেপির পাল্টা অভিযোগ, গিরিশ পার্কে মিছিল করে যাওয়ার সময় তাদের কর্মীদের লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে তৃণমূল। সবটা দেখেও পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। ঘটনায় আহত হয়েছেন বৌবাজার থানার ওসি বাপ্পাদিত্য নস্কর-সহ কয়েক জন। বিক্ষুব্ধ পরিস্থিতি এলাকা জুড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে একাধিক পুলিশকর্মী। এদিকে পাথর এবং ইটের আঘাতে বাড়ির জানালার কাচ ও সদর দরজার ক্ষতি হয়েছে বলে খবর।

    আরও পড়ুন: শিয়ালদায় বিজেপির কর্মীদের নিজের হাতে খাবার পরিবেশন শমীকের

    ইতিমধ্যেই, কলকাতা বিমানবন্দরে নেমেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিমান। অসমের শিলচরে সভা শেষ করে শহরে এলেন তিনি। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে গিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। ওদিকে ব্রিগেডের মঞ্চে ইতিমধ্যেই উপস্থিত হয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী, দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, সুকান্ত মজুমদার , শুভেন্দু অধিকারী সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব।

  • বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তৃণমূলের হেভিওয়েট বিধায়ক, ছড়াল জল্পনা

    বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তৃণমূলের হেভিওয়েট বিধায়ক, ছড়াল জল্পনা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দোরগোড়ায় এসে গিয়েছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026), হাতে সময় বেশ কম, তাই এখন থেকেই ভোট প্রচারে মনোযোগ দিয়েছে শাসকদল থেকে শুরু করে বিরোধীরা। কমিশন সূত্রে খবর, সোমবার ১৬ মার্চ ঘোষণা হতে পারে ভোটের দিনক্ষণ, তাইতো সকলের মধ্যে এক চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এমতাবস্থায় বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বেসুরো হয়ে উঠলেন তমলুকের তৃণমূল বিধায়ক সৌমেন মহাপাত্র (Soumen Mahapatra)। উঠছে দল বদলের সম্ভাবনা।

    সৌমেন মহাপাত্রের নিরাপত্তায় কাটছাঁট!

    উল্লেখ্য, সৌমেন মহাপাত্র বর্তমানে তমলুকের বিধায়ক। তবে এই পদ ছাড়াও বিধানসভার ‘লোকাল ফান্ড স্ট্যান্ডিং কমিটির’ চেয়ারম্যান তিনি। যদিও মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়লেও এখনও তিনি ‘পাইলট কার’-সহ নিরাপত্তা পান। কিন্ত ভোট যখন বাংলার দোরগোড়ায়, সেই সময় ঘটল বড় চমক। হঠাৎ করেই তমলুকের বিধায়কের বাড়ির এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। জানা গিয়েছে এইমুহুর্তে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন তিনজন পুলিশকর্মী। আর এই ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র।

    ক্ষুব্ধতা প্রকাশ করলেন বিধায়ক

    জানা গিয়েছে, তমলুকের বিধায়ক সৌমেন মহাপাত্র সাংবাদিক বৈঠক করে শাসক দলের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ভোট সামনে থাকলেও দল তাঁকে কাজে লাগাচ্ছে না। এমনকি চারবারের বিধায়ক ও তিনবারের মন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও কেন তাঁকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না? এদিন সাংবাদিকরা বিজেপির প্রসঙ্গ তুলতেই সৌমেন মহাপাত্র স্বীকার করে নেন যে, পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই কঠিন। কিন্তু একটিবারও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কে কোনো ভালো-খারাপ মন্তব্য করলেন না। আর তাতেই সন্দেহ বাড়ছে তবে কি নির্বাচনের আগেই পদ্ম শিবিরের যোগ দেবেন এই বিধায়ক?

    আরও পড়ুন: ৫টি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য নয়া উন্নয়ন পর্ষদ গঠনের ঘোষণা নবান্নের

    প্রসঙ্গত, তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকেই দলের সঙ্গে রয়েছেন সৌমেন মহাপাত্র। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার তিনবারের মন্ত্রীও ছিলেন। এমনকী গত বিধানসভা নির্বাচনে তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদও সামলেছেন সৌমেন মহাপাত্র। কিন্তু আচমকাই গত ২০২২ সালে সৌমেন মহাপাত্রকে মন্ত্রিত্বকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকী ক্ষুদ্র শিল্প নিগমের চেয়ারম্যান পদ এবং সমস্ত দলীয় পদও খোয়াতে হয় তাঁকে। এদিকে নিরাপত্তা প্রত্যাহার প্রসঙ্গে সৌমেন মহাপাত্রের স্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী সুমনা মহাপাত্রও একই সুরে অভিযোগ তোলেন। যদি ওই বিষয় নিয়ে এখনো তৃণমূলের তরফে কোন প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এখন দেখার নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সঙ্গে সৌমেন মহাপাত্রের সম্পর্কের সমীকরণটি বদলায় নাকি।

  • নারী দিবসে কালো শাড়িতে রাস্তায় তৃণমূলের মহিলারা, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ

    নারী দিবসে কালো শাড়িতে রাস্তায় তৃণমূলের মহিলারা, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নির্দেশে অনুযায়ী আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ময়দানে নামল মহিলারা। গ্যাসের দাম বৃদ্ধির (LPG Cylinder Price Hike) প্রতিবাদে কালো শাড়ি পরে তুমুল প্রতিবাদ শুরু হল চারিদিকে। শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের মতো নেত্রীদের নেতৃত্বে রীতিমত মুখরিত মহিলা ব্রিগেড। থালা-বাসন, খুন্তি বাজিয়ে ধরনা মঞ্চেও কালো শাড়ি পরে চলল প্রতিবাদ। প্রতীকী সিলিন্ডার হাতে প্রতিবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

    নারী দিবসের দিন প্রতিবাদের ডাক তৃণমূলের

    রিপোর্ট মোতাবেক, গতকাল অর্থাৎ শনিবার, ধর্মতলায় কেন্দ্রীয় সরকারের গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমগ্র মহিলাদেরকে নিয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দিন প্রতিবাদের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “গ্যাসের দাম বৃদ্ধির জন্য হাঁড়ি, কড়াই, বাটি, ঘটি, হাতা, খুন্তি দিয়ে প্রতিবাদ মিছিল হবে আন্তর্জাতিক মহিলা দিবসে। মানবতাকে পালন করার জন্য কাল মা বোনেরা রাস্তায় নামুন, প্রতিবাদ করুন। প্রয়োজনে কালো শাড়ি পরুন। গ্যাসের ওভেনও পারলে কেউ নিয়ে আসবেন। পারলে কাঁচা আনাজও ঝুড়িতে আনবেন।” আর সেই নির্দেশ মাথায় রেখেই আজ সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারে মিছিলে যোগ দেন মহিলারা। সকলেরই পরনে ছিল কালো পোশাক।

    প্রতিবাদে সরব মুখ্যমন্ত্রী

    মহিলাদের এই আন্দোলনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সাংসদ মালা রায়, বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। মিছিল শেষে পরে তাঁরা পুনরায় ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নামঞ্চে এসেও হাতা-খুন্তি নিয়ে গ্যাসের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেছেন। পাশাপাশি এদিন প্রতীকী সিলিন্ডার হাতে নিয়ে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই প্রতিবাদে শামিল হন। যদিও তিনি নিজে প্রথাগত সাদা শাড়িই পরেছিলেন। গ্যাসের দামের পাশাপাশি ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটার ইস্যুকেও এই প্রতিবাদের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। ফলে ভোটমুখী বাংলায় এসআইআর-র প্রতিবাদে ধরনা মঞ্চ থেকে মমতার প্রতিবাদের ডাকে বেশ চাপের মুখে পড়ল বঙ্গ বিজেপি।

    আরও পড়ুন: ট্রোলের জেরে ছেড়েছিলেন সোশ্যাল মিডিয়া! মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শে কামব্যাক ইমনের

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুতেই অর্থাৎ ১ জানুয়ারি একধাক্কায় বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বেড়েছিল ১১১ টাকা। ঠিক তার পরের মাসে অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি আরও ৪৯ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে গ্যাসের দাম। সংশোধিত দামের তালিকা অনুযায়ী, ১ মার্চ কলকাতায় ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছিল ১৮৭৫ টাকা ৫০ পয়সা। এবার মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে নতুন দাম বৃদ্ধির পর গ্যাসের দাম বেড়ে হল ১৯৯৯ টাকা। আর তাই বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছে মধ্য এবং নিম্নবিত্তরা।