Tag: Train

  • পুরুলিয়া থেকে দিল্লির ট্রেনের ঘোষণা দক্ষিণ পূর্ব রেলের, দেখুন সময়সূচি

    পুরুলিয়া থেকে দিল্লির ট্রেনের ঘোষণা দক্ষিণ পূর্ব রেলের, দেখুন সময়সূচি

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: আরো একবার বিরাট চমক দিতে চলেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। আসলে রেলের তরফে বাংলার জন্য এক বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে যার দরুণ উপকৃত হবেন সাধারণ রেলযাত্রীরা। এমনিতে যত সময় এগোচ্ছে ততই ভারতীয় রেল নিজেদেরকে আপগ্রেড করছে। আনা হচ্ছে নিত্য নতুন ট্রেন তো তৈরী হচ্ছে রেল লাইন। সেইসঙ্গে বহু স্টেশনের পুননির্মাণ তো আছেই। তবে এবার রেলের তরফে বাংলার এক দীর্ঘ প্রতীক্ষিত রুটে ট্রেন পরিষেবা করতে চলেছে রেল। নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন রুট? চলুন জেনে নেবেন।

    এবার পুরুলিয়া থেকে সরাসরি দিল্লী অবধি মিলবে ট্রেন

    সকলকে চমকে দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফে একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। আর এই বিজ্ঞপ্তি দেখে খুশি হয়েছেন বহু মানুষ। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পুরুলিয়াবাসীদের জন্য শীঘ্রই সুখবর আছে চলেছে। আসলে ভারতীয় রেল পুরুলিয়া থেকে আনন্দ বিহার টার্মিনালের মধ্যে নতুন এক ট্রেন (Purulia Delhi Train) পরিষেবার শুরু করছে বলে খবর। এই পরিষেবাটি শুরু হলে উপকৃত হবেন মানুষ।

    কী বলছে রেল?

    আসলে এতদিন পুরুলিয়া থেকে দিল্লী যাওয়ার জন্য অনেক কাঠখোড় পোড়াতে হত সাধারণ মানুষকে। দিল্লীগামী ট্রেন ধরতে অন্য স্টেশনের ওপর ভরসা রাখতে হত। তবে এবার আর তা হবে না। এবার সরাসরি পুরুলিয়া থেকে দিল্লীর উদ্দেশ্যে ট্রেন যাত্রা আরামদায়ক হতে চলেছে বলে খবর। এই বিষয়ে বড় তথ্য দিয়েছেন আদ্রা ডিভিশনের সিনিয়র ডিসিএম বিকাশ কুমার। তিনি জানিয়েছেন, “১৪০২১/১৪০২২ পুরুলিয়া–আনন্দবিহার এক্সপ্রেস শীঘ্রই চালু করা হবে।”

    ট্রেনের সময়সূচি ও স্টপেজ

    ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, ট্রেন নম্বর ১৪০২১ পুরুলিয়া–আনন্দ বিহার এক্সপ্রেস প্রতি শুক্রবার বিকেল ৫টা নাগাদ পুরুলিয়া স্টেশন থেকে ছাড়বে এবং পরের দিন রাত ১১টা ১০ মিনিটে দিল্লির আনন্দ বিহার টার্মিনালে পৌঁছাবে ফিরতি পথে ট্রেন নম্বর ১৪০২২ আনন্দবিহার–পুরুলিয়া এক্সপ্রেস প্রতি বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা নাগাদ আনন্দ বিহার থেকে ছাড়বে এবং পরের দিন সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে পুরুলিয়ায় পৌঁছাবে। এমনটাই জানিয়েছেন বিকাশ কুমার।

    আরও পড়ুনঃ অবশেষে বকেয়া DA দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    এবার আসা যাক ট্রেনটির স্টপেজ সম্পর্কে। জানা গিয়েছে, নতুন ট্রেনটি মুরি, রাঁচি, লোহরদাগা, তোরি, বরবাদিহ, লাতেহার, ডাল্টনগঞ্জ, গড়ওয়া রোড, জপলা, ডেহরি-অন-সোন, সাসারাম, ভভুয়া রোড, পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশন, বারাণসী, অযোধ্যা ক্যান্ট, লখনউ, বেয়ারেলি এবং মোরাদাবাদ স্টেশনে দাঁড়াবে।

    আরও পড়ুনঃ আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস পেল নয়া স্টপেজ, কোন স্টেশনে দাঁড়াবে জানাল রেল

    যদিও রেলের পোস্টে কমেন্টে অনেকে অনেক রকম মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘এই ট্রেনটা হাওড়া থেকে মসাগ্রাম বাঁকুড়া পুরুলিয়া চালু করুন তাহলে আরো মানুষের সুবিধা হবে। পুরুলিয়া থেকে ৪টি আছে কিন্তু বাঁকুড়া থেকে দিল্লি মাত্র ২টি ট্রেন।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘আগে হাওড়া থেকে পুরুলিয়া এক্সপ্রেস তার টাইমে চালানোর ব্যবস্থা করুন লজ্জা লাগে। লোককে বলতে লজ্জা লাগে যে পুরুলিয়া এক্সপ্রেস ট্রেনে হাওড়া থেকে আসুন। ট্রেনটা কখন পুরুলিয়া আসবে কেউ জানে না? বন্দে ভারতকে প্রমোট করার জন্যই এই অবস্থা।’

  • পশুর নামে গোটা ট্রেন, বাঘ এক্সপ্রেসের নামকরণের আসল কারণ জানেন না ৯৯% মানুষ

    পশুর নামে গোটা ট্রেন, বাঘ এক্সপ্রেসের নামকরণের আসল কারণ জানেন না ৯৯% মানুষ

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মেল এবং এক্সপ্রেস মিলিয়ে ভারতীয় রেলের (Indian Railways) অধীনে রয়েছে 13 হাজারেরও বেশি যাত্রীবাহী ট্রেন। এই ট্রেনগুলিতে চেপেই প্রতিদিন তুলনামূলক কম খরচে নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছন যাত্রীরা। তবে ভারতীয় রেলের মালিকানাধীন হাজার হাজার ট্রেনের প্রত্যেকটির নাম কিন্তু আলাদা আলাদা। এমন কিছু ট্রেন রয়েছে যে গুলির নামকরণ করা হয় দেশের বিভিন্ন জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রের নামে। কিছু ট্রেন রয়েছে যে গুলির নাম রাখা হয়েছে বিভিন্ন মনি ঋষীদের নাম অনুসারে। তবে ভারতীয় রেলের হাতে এমন একটি ট্রেন রয়েছে যার নামকরণ করা হয় বাঘের নামে (Bagh Express)। হ্যাঁ, হাওড়া ডিভিশনে দৈনিক যাতায়াতকারী বাঘ এক্সপ্রেস সম্পর্কে কমবেশি সকলেই অভিহিত। কিন্তু জানেন কি কেন এই ট্রেনের নাম রাখা হয়েছিল বাঘের নামে?

    বাঘ এক্সপ্রেসের নামকরনের পেছনের কারণ

    প্রথমেই বলে রাখি, ভারতীয় রেলের জনপ্রিয় ট্রেন বাঘ এক্সপ্রেস প্রতিদিন হাওড়া জংশন থেকে উত্তরাখণ্ডের কাঠগোদাম স্টেশন পর্যন্ত যাতায়াত করে। সে রাজ্যের নৈনিতালে রয়েছে এই স্টেশন। বলাই বাহুল্য, এই বাঘ এক্সপ্রেসে চেপেই প্রতিদিন হাওড়া বলা ভাল শহর কলকাতা থেকে বহু যাত্রী উত্তরাখন্ডে পৌঁছন। এক কথায়, বাংলার সাথে ভিন রাজ্যকে সংযুক্ত করেছে এই ট্রেন।

    আরও পড়ুনঃ কালবৈশাখীর সাথে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি, ভিজবে দক্ষিণবঙ্গের ৮ জেলা, আজকের আবহাওয়া

    কিন্তু কেন এর নাম রাখা হয়েছে পশুর নামে? আসলে হাওড়া থেকে কাঠগোদাম পর্যন্ত চলাচলকারী এই বাঘ এক্সপ্রেসের নামকরণের নেপথ্যে রয়েছে ভারতের জনপ্রিয় ব্যাঘ্র প্রকল্প তথা উত্তরাখণ্ডের জিম করবেট ন্যাশনাল পার্ক। 1936 সালে প্রতিষ্ঠিত এই পার্ক বা প্রাচীনতম জাতীয় উদ্যানেই রয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল টাইগার, চিতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রজাতির বাঘ। সব মিলিয়ে বলা যায়, হাওড়া থেকে প্রতিদিন এই ট্রেন ব্যাঘ্র প্রকল্পের পার্শ্ববর্তী কাঠগোদাম স্টেশন পর্যন্ত যায় বলেই এই ট্রেনের নাম বাঘ এক্সপ্রেস। অনেকেই বলেন, এই ট্রেন প্রতিদিন যাত্রীদের বাঘের দেশে নিয়ে যায়। তাই এর নাম বাঘ এক্সপ্রেস রাখা হয়েছিল।

    অবশ্যই পড়ুন: ট্রেনেই পৌঁছতে পারবেন কেদারনাথ, বদ্রিনাথ! শীঘ্রই চারধাম যাত্রীদের সুখবর দিতে পারে রেল

    না বললেই নয়, হাওড়া থেকে ব্যান্ডেল হয়ে কাঠগোদাম যাওয়ার সময় প্রতিদিন সকালেই কমবেশি স্টেশনে অপেক্ষারত যাত্রীদের মধ্যে আলোচনা চলে এই ট্রেনটিকে নিয়ে। বাঘের ছবি অঙ্কিত এই ট্রেনটিকে আসতে দেখে প্রায়শই অনেকে মজার ছলে বলেন, “ওই যে বাঘ আসছে।” এভাবেই যাত্রীদের মুখে মুখে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে ভারতীয় রেলের বহু পুরনো এই এক্সপ্রেস।

  • বিশ্বের কঠিনতম রেল প্রকল্প ভারতের! ২৭০ কিমি সুড়ঙ্গ খুঁড়ে চিন সীমান্তে যাবে ট্রেন

    বিশ্বের কঠিনতম রেল প্রকল্প ভারতের! ২৭০ কিমি সুড়ঙ্গ খুঁড়ে চিন সীমান্তে যাবে ট্রেন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যত সময় এগোচ্ছে ততই পরিধি বাড়ছে ভারতীয় রেলের (Indian Railways)। একটা সময়ে যেখানে কোনওদিন রেললাইন হবে সেটা ভাবা যায়নি, আজ সেখানে অবধি রেল লাইন বসছে এবং ট্রেন পরিষেবা শুরু হয়েছে। সে আইফেল টাওয়ারের চেয়েও উঁচু চেনাব ব্রিজের ওপর দিয়ে ট্রেন পরিষেবা হোক কিংবা পাহাড় কেটে সেবক-রংপো রেল প্রকল্প হোক, সবই করছে রেল। যাইহোক, এখন রেল আরও এক অসাধ্য সাধন করতে চলেছে বলে খবর। শোনা যাচ্ছে, ভারতীয় রেল শীঘ্রই হিমালয় পর্বতমালার মধ্য দিয়ে চীন সীমান্ত পর্যন্ত রেল যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েছে।

    এবার চিন সীমান্ত অবধি যাবে রেল

    রিপোর্ট অনুযায়ী, রেলওয়ে বোর্ড বিলাসপুর-মানালি-লেহ রেল লাইন প্রকল্পের (Bilaspur-Manali-Leh railway) বিস্তারিত প্রকল্প ডিপিআর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে নাকি ইতিমধ্যেই জমা দিয়েছে। প্রায় ১.৩১ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই রেললাইনটি কেবল দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি নয়, বরং বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার রেল নেটওয়ার্কও হবে বলে মনে কয়রা হচ্ছে। পুরো রেললাইনটি ৪৮৯ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে বলে খবর। সবথেকে বড় কথা, ট্রেন ছুটতে পারে দীর্ঘ ২৭০ কিমি দীর্ঘ টানেলের মধ্যে দিয়ে।

    আরও পড়ুনঃ পরশুরাম ছেড়ে বিগ বস বাংলায় তৃণা সাহা? জল্পনার মাঝেই মুখ খুললেন অভিনেত্রী

    এদিকে প্রস্তাবিত বিলাসপুর-মানালি-লেহ রেলপথের মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৪৮৯ কিলোমিটার। এই পুরো রুটে প্রায় ৪০টি রেলস্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫,০০০ ফুটেরও বেশি উচ্চতায় অবস্থিত এই রেলপথটিকে বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলপথ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। উত্তর রেলওয়ে এই প্রকল্পের জন্য চূড়ান্ত স্থান জরিপও সম্পন্ন করেছে।

    থাকবে ২৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ টানেল

    এই রেল প্রকল্পের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল এর ইঞ্জিনিয়ারিং কাঠামো। সমগ্র রেললাইনের প্রায় ৫৫ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ২৭০ কিলোমিটার, টানেলের মধ্য দিয়ে যাবে। এই প্রকল্পে মোট ৬২টি টানেল এবং ১১৬টি বৃহৎ সেতু নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই টানেল এবং সেতুগুলি পাহাড়ি অঞ্চলের কঠিন ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে উঠবে। এই লাইনে চলাচলকারী ট্রেনগুলির সর্বোচ্চ গতিবেগ হবে ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার। একবার চালু হলে, দিল্লি থেকে লেহ ভ্রমণের সময় ৪০ ঘন্টা থেকে কমে প্রায় ২০ ঘন্টা হবে। এর ফলে লাদাখে পৌঁছানো আগের তুলনায় আরও অনেক সহজ এবং দ্রুত হবে।

    আরও পড়ুনঃ বদলে গেল ভোল, অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় অত্যাধুনিক হল সিউড়ি থেকে হলদিয়া স্টেশন 

    এই প্রকল্পটি কেবল পর্যটন এবং সাধারণ ভ্রমণের জন্যই নয়, জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। বর্তমানে, ভারী তুষারপাত এবং প্রতিকূল আবহাওয়া প্রায়শই লাদাখের সাথে যোগাযোগ ব্যাহত হয়ে যায়। একবার এই প্রস্তাবিত রেলপথটি সম্পন্ন হলে, সারা বছর সেনা এবং প্রয়োজনীয় সরবরাহের চলাচল সম্ভব হবে। সীমান্তে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সক্ষমতা আরও জোরদার করবে। অর্থাৎ ভ্রমণ এবং সুরক্ষা দুইই থাকবে। এখন শুধু প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সবুজ সিগন্যালের অপেক্ষা।

  • দু ঘন্টায় পৌঁছে যান হায়দরাবাদ! হাই স্পিড রেল করিডোর নিয়ে তৎপর রেল

    দু ঘন্টায় পৌঁছে যান হায়দরাবাদ! হাই স্পিড রেল করিডোর নিয়ে তৎপর রেল

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কেন্দ্রীয় বাজেটে তুলে ধরা হয়েছিল বেঙ্গালুরু-হায়দরাবাদ হাই স্পিড রেল করিডোরের (Bengaluru-Hyderabad High Speed Rail) বিষয়টি। আর তারপরেই এই বিশেষ রেল করিডোর নিয়ে তৎপর হয়েছে সেন্ট্রাল রেলওয়ে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত হাই স্পিড রেল করিডোর নিয়ে আলোচনার জন্য কর্নাটকে পৌঁছেছিলেন সেন্ট্রাল রেলওয়ের কর্মকর্তারা। সিংহভাগেরই আশা, ভারতীয় রেলের (Indian Railways) বিশেষ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চেহারা পাল্টে যাবে দক্ষিণ ভারতের পরিবহন ব্যবস্থার।

    মাত্র দু’ঘণ্টায় পৌঁছে যাবেন হায়দরাবাদ

    বর্তমান সময়ে এক্সপ্রেস ট্রেনে চেপে বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত 606 কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে প্রায় সাড়ে আট ঘন্টা। তবে ভারতীয় রেলের একটি সূত্র দাবি করছে, বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত নতুন হাই স্পিড রেল করিডোর তৈরি হয়ে গেলে এই পথ ধরে হায়দরাবাদ পর্যন্ত 606 কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে মাত্র দু’ঘণ্টা।

    সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই করিডোরটিকে এমন ভাবে ডিজাইন করা হচ্ছে যাতে এই রেল ট্র্যাক দিয়ে সর্বোচ্চ 350 কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় ছুটতে পারে ট্রেন। আপাতত যা খবর, এই রেল করিডোরের 100 কিলোমিটার অংশ থাকবে কর্নাটকের মধ্যেই। জানা যাচ্ছে, এই হাই স্পিড রেল করিডোর বা রেললাইনটি তুমাকুরু জেলা হয়ে প্রবেশ করবে।

     

    এছাড়াও এই করিডোরে ট্রেনের দীর্ঘ যাত্রাপথে থাকবে তিনটি কৌশলগত স্টেশন। এর মধ্যে প্রথম স্টেশনটি চিক্কাবল্লাপুরে অবস্থিত আলিপুর স্টেশন, দেভানাহল্লি স্টেশন এবং কোডিহাল্লি স্টেশন থাকছে। না বললেই নয়, এর মধ্যে প্রথম স্টেশনটি অর্থাৎ আলিপুর স্টেশন হবে হাই স্পিড করিডোরে প্রবেশের প্রথম স্টেশন। এছাড়াও তিন নম্বর সেশনটি হবে মেগা জংশন। সবচেয়ে বড় কথা, এই দীর্ঘ যাত্রাপথে 12টি স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা চলছে বলেই খবর।

    অবশ্যই পড়ুন: বজ্রবিদ্যুৎ সহ শিলাবৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় সতর্কতা! আজকের আবহাওয়া

    ওয়াকিবহাল মহলের আশা, বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত বিশেষ হাই স্পিড রেল করিডোর তৈরি হলে দেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ শহরের মধ্যে যেমন যোগাযোগ বাড়বে তেমনই দুই শহরের মধ্যে আর্থিক ক্ষেত্রেও জোয়ার আসবে। সবচেয়ে বড় কথা, বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীরা অল্প সময়ে নিজেদের কাজ মিটিয়ে ফিরে আসতে পারবেন। সরকারি সূত্র মারফত খবর, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এখনও 176 হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা প্রয়োজন। আশা করা হচ্ছে, খুব শীঘ্রই সেই কাজ সম্পন্ন হলেই বিশেষ প্রকল্পের নির্মাণ কাজে হাত লাগাবে রেল।

  • ‘আমি ক্লান্ত, আর চালাতে পারব না’, শিলিগুড়িগামী ট্রেন স্টেশনে রেখে চলে গেলেন চালক

    ‘আমি ক্লান্ত, আর চালাতে পারব না’, শিলিগুড়িগামী ট্রেন স্টেশনে রেখে চলে গেলেন চালক

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন রেল কর্মীরা। বিশেষ করে লোকো পাইলটরা (Loco Pilot)। তাঁদের অভিযোগ, অমানুষিক খাটনি খাটছেন তাঁরা। ডিউটি আওয়ারের কোনও সময় নেই। এহেন ঘটনার প্রতিবাদেই এবার থাকতে না পেরে বিরাট কাণ্ড ঘটালেন এক লোকো পাইলট। গত বুধবারের ঘটনা। বিহারের ঠাকুরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে রেলের নিয়ম লঙ্ঘন এবং যাত্রীদের অসহায়ত্বের এক অনন্য ঘটনা সামনে এসেছে।

    ৯ ঘন্টা ডিউটির পর আর ট্রেন চালাতে অস্বীকার চালকের

    মালদা থেকে শিলিগুড়িগামী ট্রেন নম্বর ৭৫৭১৯ ডেমু ট্রেন দুপুর ২:৫২ মিনিটে শুরু হয়ে প্রায় তিন ঘন্টা ধরে ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল। কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি বা দুর্ঘটনা নয়, বরং ট্রেনের লোকো পাইলট তার দায়িত্ব শেষ করার পরেও কাজ করতে অস্বীকার জানান। তিনি ক্লান্ত, কাজ করতে পারবেন না বলে জানান। এহেন ঘটনাকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র।

    আরও পড়ুনঃ নিচে মেট্রো, মাঝখানে ট্রেন, উপরে ছুটবে বুলেট ট্রেন! ভারতে তৈরি হচ্ছে ১৬ তলার স্টেশন

    ট্রেনটি নির্ধারিত সময়সূচী অনুসারে মালদা ছেড়ে যায়, কিন্তু ঠাকুরগঞ্জে পৌঁছানোর পর, ড্রাইভার স্টেশন মাস্টারকে জানায় যে তার নয় ঘন্টার ডিউটি ​শেষ হয়েছে। রেলওয়ে নিরাপত্তা বিধিমালার উল্লেখ করে লোকো পাইলট বলেন যে নির্ধারিত সময়ের বেশি ট্রেন চালানো হলে অপারেশনাল নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এদিকে স্টেশন মাস্টার ও অন্যান্য রেল আধিকারিকরা বারবার তাঁকে ট্রেনটি গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করলেও তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। সাফ জানিয়ে দেন, ‘আমি ক্লান্ত, আর কিছুতেই যাবো না।’

    রেলের নিয়ম কী?

    এমনিতে রেলের নিয়ম অনুযায়ী, অপারেশনাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য, লোকো পাইলটদের সর্বোচ্চ ৯ থেকে ১০ ঘন্টা একটানা ডিউটির পর বিশ্রাম নেওয়ার বাধ্যতামূলক অধিকার রয়েছে, যাতে ক্লান্তির কারণে বড় দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। সেই নিয়ম উল্লেখ করেই ওই লোকো পাইলট আর ট্রেন এগিয়ে নিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানান। এদিকে দুপুর ২:৫২ থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ট্রেনটি আটকে থাকায় যাত্রীদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়। ট্রেনটি ব্যবসায়ী, দিনমজুর এবং ছোট বাচ্চাদের পরিবার নিয়ে শিলিগুড়ি এবং কিষাণগঞ্জ যাচ্ছিল। ঘন্টার পর ঘন্টা স্টেশনে আটকে থাকার জন্য যাত্রীরা রেল প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন।

  • ৮ মার্চ অবধি বহু ট্রেন বাতিল করল দক্ষিণ পূর্ব রেল, যাত্রার আগে দেখুন তালিকা

    ৮ মার্চ অবধি বহু ট্রেন বাতিল করল দক্ষিণ পূর্ব রেল, যাত্রার আগে দেখুন তালিকা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ হোলির মুখে ফের ভোগান্তির শিকার সাধারণ রেল যাত্রীরা। আগামী ৮ মার্চ অবধি বহু ট্রেন বাতিলের (Train Cancelled) ঘোষণা করল রেল। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। এমনিতে হোলিতে ছুটি রয়েছে। আর এই ছুটির সদ্ব্যবহার করে সকলেই কমবেশি কাছেপিঠে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন। কিন্তু সকলের সেই প্ল্যান ভেস্তে দিল দক্ষিণ পূর্ব রেলের (South Eastern Railways) একটা ঘোষণা। জানানো হল, আগামী বহুদিন বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের পথচলা বন্ধ থাকবে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বহু ট্রেন বাতিল করল রেল

    জানা গিয়েছে, পুরুলিয়ার আদ্রা বিভাগের অবকাঠামো কাজের কারণে, কয়েকটি ট্রেন পরিষেবা প্রভাবিত হবে। ইতিমধ্যে রেলের তরফে বাতিল ট্রেনের তালিকা দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী, 68045/68046 আসানসোল-আদ্রা-আসানসোল মেমু প্যাসেঞ্জার আগামী ৬ এবং ৭ মার্চ, ২০২৬ তারিখে বাতিল হবে। 68077/68078 আদ্রা-ভাগা-আদ্রা মেমু প্যাসেঞ্জার আজ ৪, ৫ থেকে ৮ মার্চ, ২০২৬ তারিখ অবধি বাতিল থাকবে।

    আরও পড়ুনঃ দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির ভ্রুকুটি, ভিজবে কোন কোন জেলা? আজকের আবহাওয়া

    এর পাশাপাশি 68090/68089 আদ্রা-মধ্যনআপাড়-আদ্রা মেমু ৬ এবং ৮ মার্চ, ২০২৬ তারিখে বাতিল হবে। 68079/68080 মেমু প্যাসেঞ্জার আগামী ৭ মার্চ, ২০২৬ তারিখে বাতিল থাকবে। এছাড়া 68056/68060 টাটানগর-আসানসোল-বারভূম মেমু আজ ৪, ৫, ৬ এবং ৭ মার্চ, ২০২৬ তারিখে আদ্রা থেকে সংক্ষিপ্তভাবে শুরু/শেষ হবে।

    কেন এই ভোগান্তি?

    স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কেন এই ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে রেল যাত্রীদের? রেল জানিয়েছে, মূলত আদ্রা রেল বিভাগে (Adra Railway Division) রেললাইন মেরামতের জন্য রোলিং ব্লকের কাজ করবে। এই কারণে, দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে বিভিন্ন তারিখে আটটি ট্রেন বাতিল থাকবে উল্লেখিত দিনগুলিতে। রেলওয়ের এই সিদ্ধান্তের ফলে ঝাড়খণ্ড, বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গের হাজার হাজার যাত্রী প্রভাবিত হবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • রাত হতেই বদলে যায় রেলের এই নিয়মগুলো! ট্রেনে ওঠার আগে জানুন, নাহলেই বিপদ

    রাত হতেই বদলে যায় রেলের এই নিয়মগুলো! ট্রেনে ওঠার আগে জানুন, নাহলেই বিপদ

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দেশের পরিবহন ব্যবস্থার শিরদাঁড়া বলা চলে ভারতীয় রেলকে (Indian Railways)। প্রতিদিন এই রেল ব্যবস্থার হাত ধরেই লক্ষাধিক যাত্রী নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছন। এক কথায় সবচেয়ে কম খরচে দূরের গন্তব্যে পৌঁছনোর প্রধান মাধ্যম রেল। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে যাত্রী সুরক্ষাকে মাথায় রেখে একের পর এক নতুন নিয়ম চালু করেছে রেলওয়ে। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, বিশেষ করে রাতে ভারতীয় রেলের বেশ কিছু কঠোর নিয়ম রয়েছে। এইসব নিয়ম লঙ্ঘন করলে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে যাত্রীদের। আসলে যাত্রী সুবিধা এবং তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই বিশেষ নিয়মগুলি চালু করা হয়েছে।

    রেলের এই নিয়মগুলি না জানলে সমস্যায় পড়তে পারেন

    যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষাকে নিশ্চিত করতে ভারতীয় রেলের তরফে বিশেষ করে রাতের জন্য বেশ কিছু নিয়ম চালু করা হয়েছে। এগুলির মধ্যে তালিকার প্রথমেই রয়েছে রাত 10 টা থেকে সকাল 6টার বিশেষ নিয়ম। ভারতীয় রেল বলছে, এই সময়ের মধ্যে ট্রেনের কামড়ায় ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা যাত্রীদের টিকিট দেখানোর জন্য বিরক্ত করা যাবে না। এই নিয়মগুলি স্লিপার এবং এসি উভয় কোচের জন্যই প্রযোজ্য।

    তবে রেল বলছে, যদি কোনও যাত্রী 10টার পর ট্রেনে ওঠেন সে ক্ষেত্রে তার টিকিট পরীক্ষা করা যায়। এছাড়াও রেলের আর এক নিয়মে, যদি কোনও কর্মকর্তা বিনা কারণে যাত্রীদের একটানা হয়রানি বা বিরক্ত করতে থাকেন সেক্ষেত্রে 139 হেল্প লাইন নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন ওই সংশ্লিষ্ট যাত্রী। একই সাথে রাতে ট্রেনে শান্তি বজায় রাখার জন্য উঁচু গলায় বা উচ্চকণ্ঠে কথোপকথন একপ্রকার নিষিদ্ধ। শুধু তাই নয়, মোবাইল বা লাউডস্পিকারে গান চালিয়ে রাখার বিষয়টিও রেলের নিয়ম লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে।

    ট্রেন চলাকালীন যদি কোনও যাত্রী তার সহযাত্রীকে বিরক্ত করেন সেক্ষেত্রে অভিযোগ প্রমাণিত হলে রেল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে। রেলওয়ে আইন 1989 এর 145 ধারা অনুযায়ী শান্তি বিঘ্নিত করার অপরাধে সর্বোচ্চ 500 থেকে 1000 টাকা জরিমানা করা হতে পারে অভিযুক্তকে। রেলের নিয়মাবলির মধ্যে রয়েছে, রাত 10 টার পর কোচের মূল আলো বন্ধ করে দেওয়া। এই সময় মূলত নাইট লাইট বা ট্রেনের সীমিত আলোর বৈদ্যুতিক লাইট জালানো যেতে পারে। পাশাপাশি ট্রেনে গভীর রাতে খাবার পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়ে থাকে। পাশাপাশি অধিক রাতে ট্রেনের মধ্যে যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং ঘুম যাতে বিঘ্নিত না হয় সেজন্য ট্রেনের কর্মীরাও কামরার মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে সে অর্থে পারেন না।

    অবশ্যই পড়ুন: “পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত”, জানালেন খোদ পাক প্রেসিডেন্ট

    এখানেই শেষ নয়, রাতে ভারতীয় রেলের যেসব নিয়ম রয়েছে সেইসব নিয়মের তালিকায় রয়েছে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলী। রেল বলছে, ট্রেনে নিরাপত্তার কারণে রাত 11টা থেকে ভোর 5টা পর্যন্ত চার্জিং পয়েন্ট বন্ধ রাখতে হবে। রাতে যাতে ট্রেনের মধ্যে শর্ট সার্কিট এর মতো ঘটনা না ঘটে সেজন্যই এমন নির্দেশ। এছাড়াও রেলের নিয়ম অনুযায়ী, যে যাত্রী স্লিপার কোচে মিডিল বার্থ পেয়েছেন তিনি শুধুমাত্র রাত 10টা থেকে পরের দিন ভোর 6টা পর্যন্ত মিডিল বার্থ খুলে রাখতে পারবেন। এই সময় অন্য কোনও যাত্রী তাঁকে বাধা দিতে পারবেন না। তবে সকাল 6টার পর মিডিল বার্থ বন্ধ করে দিতে হবে।

  • কলকাতা, শিয়ালদা, আসানসোল থেকে একাধিক ট্রেন ঘোষণা পূর্ব রেলের! জেনে নিন রুট

    কলকাতা, শিয়ালদা, আসানসোল থেকে একাধিক ট্রেন ঘোষণা পূর্ব রেলের! জেনে নিন রুট

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দোলে কি আপনিও ট্রেনে করে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? অথচ ট্রেনের টিকিট পাচ্ছেন না? তাহলে আপনার জন্য রইল দারুণ সুখবর। দোল যাত্রা এবং হোলির ভিড় সামাল দিতে এবার রেলওয়ে ২৭৬টি বিশেষ ট্রেনের (Holi Special Train) ঘোষণা করেছে। যার মধ্যে শিয়ালদহ, হাওড়া, কলকাতা এবং আসানসোল থেকে দিল্লি, প্রয়াগরাজ, জয়পুর এবং বিশাখাপত্তনমের জন্য একাধিক ট্রেন রয়েছে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    হোলি স্পেশাল ২৭৬টি ট্রেন চালাবে পূর্ব রেল

    রেল কর্তাদের মতে, পূর্ব রেল ৬৬টি বিশেষ ট্রেন, অন্যান্য জোনাল রেলওয়ের ১১৬ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালাবে। সেইসঙ্গে আরও ৯৪টি ট্রেন পরিষেবা মিলবে বলে খবর। শিয়ালদহের অধীনে ছয়টি, হাওড়ার অধীনে পাঁচটি এবং মালদা ও আসানসোলের অধীনে দুটি করে সহ বিভাগ জুড়ে ১৫টি হোলি স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে। পরিষেবাগুলি হাওড়া-রাক্সৌল, শিয়ালদহ-মধুবনি, শিয়ালদহ-গোরখপুর, আসানসোল-গোরখপুর, ডানকুনি-আনন্দ বিহার, মালদা টাউন-আনন্দ বিহার, কলকাতা-নিউ জলপাইগুড়ি এবং ডানকুনি-পাটনার মতো রুটগুলিকে সংযুক্ত করবে।

    এক নজরে কিছু বিশেষ ট্রেনগুলির তালিকা

    ১) রেল জানিয়েছে, ট্রেন নম্বর ০৩১১৫ কলকাতা – জয়পুর একমুখী অসংরক্ষিত হোলি স্পেশাল ট্রেনটি আজ ২ মার্চ কলকাতা থেকে ছেড়ে যাবে ২৩:৫৫ মিনিটে। এরপর ট্রেনটি ৪ মার্চ জয়পুরে পৌঁছাবে সকাল ১১:৫০ মিনিটে। যাত্রাপথে ট্রেনটি আসানসোল বিভাগের দুর্গাপুর এবং আসানসোল স্টেশনে থামবে।

    আরও পড়ুনঃ যুবসাথী নিয়ে বিরাট পদক্ষেপ নবান্নর, চিন্তার দিন শেষ আবেদনকারীদের

    ২) ট্রেন নম্বর ০৩৫৩৫ আসানসোল – জয়পুর অসংরক্ষিত হোলি স্পেশাল ট্রেনটি ৩ মার্চ দুপুর ১২:৩০ মিনিটে আসানসোল থেকে ছেড়ে ৫ মার্চ রাত ১:০০ মিনিটে রাজস্থানের জয়পুর পৌঁছাবে। যাত্রাপথে ট্রেনটি চিত্তরঞ্জন, জামতারা, মধুপুর এবং জাসিডিহর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থামবে।

    ৩) ট্রেন নম্বর ০৩১১১ শিয়ালদহ – দিল্লি অসংরক্ষিত হোলি স্পেশাল ১ মার্চ শিয়ালদহ থেকে বিকেল ৩:৩০ মিনিটে ছেড়ে পরের দিন সকাল ৭টায় দিল্লি পৌঁছাবে। রেল সূত্রে খবর, যাত্রাপথে ট্রেনটি নৈহাটি, ব্যান্ডেল, বর্ধমান, বোলপুর, সাঁইথিয়া, রামপুরহাট, বারহারওয়া, সাহেবগঞ্জ, কাহালগাঁও, ভাগলপুর, সুলতানগঞ্জ এবং মুঙ্গের স্টেশনে থামবে।

  • টানা ৩ মাস বাতিল একাধিক ট্রেন, যাত্রা সংক্ষিপ্ত ৩০ এক্সপ্রেসের! তালিকা দিল রেল

    টানা ৩ মাস বাতিল একাধিক ট্রেন, যাত্রা সংক্ষিপ্ত ৩০ এক্সপ্রেসের! তালিকা দিল রেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনিও কি ছুটিতে পুরী যাওয়ার প্ল্যান করছেন? তাহলে ট্রেনের টিকিট কাটার আগে সাবধান। এর কারণ এবার এক ধাক্কায় কয়েক গুচ্ছ পুরীগামী ট্রেন (Train Cancelled) বাতিল করল রেল। বিশ্বাস হচ্ছে না তো? কিন্তু এটাই সত্যি। পুরীর সমুদ্র আলাদাই। সেইসঙ্গে এখানে রয়েছে বিশ্ববিখ্যাত জগন্নাথ দেবের মন্দির। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, বছরের যে কোনও সময়ে পর্যটকদের ভিড়ে থিকথিক করে এই পুরী। পুরীগামী ট্রেনের টিকিটও খুব একটা সহজে পাওয়া যায় না। এই রুটের টিকিট পাওয়া ভাগ্যের বিষয়। তবে জানলে অবাক হবেন, এবার আগামী ৩ মাসের জন্য পুরীগামী কয়েক গুচ্ছ ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ৩ মাস বাতিল থাকবে পুরীগামী বহু ট্রেন

    শীত অতীত, এখন ধীরে ধীরে গরম হচ্ছে দেশের অধিকাংশ জায়গার আবহাওয়া। আর গরম মানেই গরমের ছুটি পড়তেও বেশি বাকি নেই। এপ্রিল এবং মে মাসকে সাধারণত ভ্রমণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই সময়ে কেউ আছেন গরম থেকে বাঁচতে পাহাড়ে যান তো কেউ কেউ আবার সমুদ্রে যান। আর সমুদ্র মানেই হল কাছেপিঠে এবং বাজেটের মধ্যে দিঘা কিংবা পুরী। তবে এবারে পুরী যাওয়া আদৌ আর হবে কিনা সেই নিয়ে অনেকের মধ্যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এর কারণ ট্রেন বাতিল। ইস্ট-কোস্ট রেল (East Coast Railway) একটি বি়জ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেটা অনুযায়ী, আগামী তিন মাস বিভিন্ন দিনে খুড়দা রোড ডিভিশনে (Khurda Road Division) বাতিল থাকবে পুরীগামী ৬টি ট্রেন। এরই সঙ্গে যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে ৩০টি এক্সপ্রেস ট্রেনের। পুরী স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম নম্বর ৭ এবং ৮-এ কাজ চলছে। যে কারণে কিছু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। চলুন দেখে নেওয়া যাক।

    আরও পড়ুনঃ মার্চে টানা বন্ধ থাকবে স্কুল, দেখে নিন শিক্ষা পর্ষদের ছুটির তালিকা

    এক নজরে বাতিল ট্রেনগুলির তালিকা

    ১) ৬৮৪০৯ খুড়দা রোড-পুরী মেমু- ১৫ থেকে ৩১ মার্চ, ১ থেকে ৩০ এপ্রিল, ১ থেকে ১৫ মে।
    ২) ০৮০১২ পুরী-ভঞ্জপুর স্পেশাল- ১৫, ২০, ২২, ২৭, ২৯ মার্চ, ৩, ৫, ১০, ১২, ১৭, ১৯, ২৪, ২৬ এপ্রিল, ১, ৩, ৮, ১০ ও ১৫ মে।
    ৩) ০৮০১১ ভঞ্জপুর-পুরী স্পেশাল- ১৪, ১৯, ২১, ২৬ ও ২৮ মার্চ, ২, ৪, ৯, ১১, ১৬, ১৮, ২৩, ২৫ ও ৩০ এপ্রিল, ২, ৭, ৯, ১৪, ১৬ মে।
    ৪) ৬৮৪১০ পুরী-খুড়দা রোড মেমু- মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে বাতিল।
    ৫) ০২৮৪০ পুরী-শালিমার স্পেশাল- ১৬, ২৩ ও ৩০ মার্চ, ৬, ১৩, ২০ ও ২৭ এপ্রিল, ৪ ও ১১ মে।
    ৬) ০২৮৩৯ শালিমার-পুরী স্পেশাল- ১৫, ২২ ও ২৯ মার্চ, ৫, ১২, ১৯ ও ২৬ এপ্রিল, ৩ ও ১০ মে।

    কোন কোন ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে?

    এর পাশাপাশি পুরীগামী মোট ৩০টি দূরপাল্লা ট্রেন, দুরন্ত এক্সপ্রেস এবং মেমু ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে রেলের তরফে। তালিকা অনুসারে, ট্রেন নম্বর ১২১৪৫/১২১৪৬ লোকমান্য তিলক-পুরী এক্সপ্রেস, ট্রেন নম্বর ২২২০১-২২২০২ শিয়ালদহ-পুরী দুরন্ত এক্সপ্রেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ট্রেনের যাত্রা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।