Tag: Train

  • শিয়ালদার তিন রুটে EMU পরিষেবা সম্প্রসারণ, যাত্রীদের স্বার্থে বড় উদ্যোগ রেলের

    শিয়ালদার তিন রুটে EMU পরিষেবা সম্প্রসারণ, যাত্রীদের স্বার্থে বড় উদ্যোগ রেলের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শিয়ালদহ (Sealdah) ডিভিশনের যাত্রীদের বিরাট সুখবর দিল ভারতীয় রেল (Indian Railways)। জানা যাচ্ছে, শিয়ালদহ-বনগাঁ, শিয়ালদহ-ক্যানিং এবং শিয়ালদহ-ডায়মন্ড হারবার রুটে EMU লোকাল পরিষেবা সম্প্রসারণ করল রেল। এর দৌলতে এবার থেকে আর যাত্রীদের মাঝপথে নেমে দ্বিতীয় ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। এক কথায়, বিভিন্ন লোকালগুলির গন্তব্য বাড়াচ্ছে রেল।

    কষ্ট কমবে যাত্রীদের

    রেল সূত্রে খবর, যাত্রীদের সমস্যা কিছুটা কমাতে আগামী 23 মার্চ থেকে 23 মে পর্যন্ত শিয়ালদহ শাখার বনগাঁ, ক্যানিং এবং ডায়মন্ড হারবার রুটে EMU পরিষেবা দীর্ঘায়িত করছে রেল। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ভারতীয় রেলের এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য মিড জার্নি ইন্টারঅ্যাপশনস বা যাত্রার মাঝপথে ট্রেন থেকে নেমে যাওয়ার সমস্যা কমানো। অর্থাৎ এবার থেকে ট্রেনগুলি তাদের চূড়ান্ত টার্মিনাল পর্যন্ত চলবে। এর ফলে শিয়ালদহ শাখার লাখ লাখ যাত্রী নিরাপদে এবং কোনও রকম দুশ্চিন্তা ছাড়াই নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন।

    জানা যাচ্ছে, বনগাঁ শাখায় যাত্রীদের সমস্যা কমাতে দত্তপুকুর এবং গোবরডাঙ্গা লোকালের গন্তব্য পথ সম্প্রসারণ করছে রেল। রেল সূত্রে, ট্রেন নম্বর 33617 শিয়ালদহ-দত্তপুকুর লোকাল এবার থেকে দত্তপুকুর পর্যন্ত যাওয়ার বদলে সরাসরি বনগাঁ পর্যন্ত চলবে। পরবর্তীতে সেই ট্রেন আবার বনগাঁ থেকে শিয়ালদহ পৌঁছবে। এছাড়াও রাতের ট্রেন 33685 শিয়ালদহ-গোবরডাঙ্গা এবং 33271 দমদম-গোবরডাঙ্গা লোকাল এবার থেকে সরাসরি বনগাঁ স্টেশনে পৌঁছবে। পরবর্তীতে সেখান থেকেই ছেড়ে নিজ গন্তব্যে পৌঁছবে ট্রেন দুটি।

    অবশ্যই পড়ুন: ইডেনে বাড়ল IPL টিকিটের দাম, KKR র ম্যাচ দেখতে কোন ব্লকে কত খরচ?

    এদিকে ক্যানিং এবং ডায়মন্ড হারবার শাখায় যাত্রীদের দুশ্চিন্তা কমাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। ক্যানিং রুটে ট্রেন নম্বর 34392 এবং 30552 চাম্পাহাটি এবং ঘুটিয়ারি যাওয়ার বদলে একেবারে ক্যানিং পর্যন্ত চলবে। পরবর্তীতে সেই ট্রেন আবার ক্যানিং থেকে ছেড়ে নিজ গন্তব্যে পৌঁছবে। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবারের যাত্রীদের জন্য ট্রেন নম্বর 34898 শিয়ালদহ-মগরাহাট এর দূরত্ব বাড়িয়ে ট্রেনটিকে ডায়মন্ড হারবার পর্যন্ত চালানো হবে। সেই ট্রেন আবার ডায়মন্ড হারবার থেকে ছেড়ে নিজে গন্তব্য শিয়ালদহ পৌঁছবে। অনেকেই মনে করছেন, রেলের এই উদ্যোগে উপকৃত হবেন নিত্যযাত্রীরা।

  • বন্দে ভারতকেও হার মানাল ভারতীয় রেলের এই ট্রেন

    বন্দে ভারতকেও হার মানাল ভারতীয় রেলের এই ট্রেন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দেশবাসীর যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম ট্রেন। প্রতিদিন ভারতীয় রেলের (Indian Railways) নানান লোকাল, মেল বা এক্সপ্রেস ট্রেনে চেপে এক স্থান থেকে নিজের গন্তব্যে পৌঁছন যাত্রীরা। যাত্রী পরিষেবাকে আরও সুগম এবং আরামদায়ক বানানোর লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই রেল ব্যবস্থায় যুক্ত হয়েছে বন্দে ভারত (Vande Bharat Express), তেজস এক্সপ্রেসের মতো উচ্চগতির ট্রেনগুলি। ভারতীয় রেলের গর্ব বলা হয় এদের। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, বন্দে ভারত, তেজস বা রাজধানী নয়, এমন একটি ট্রেন রয়েছে যা একেবারে অল্প সময়ের মধ্যে দেশবাসীর পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। কোন ট্রেন জানতে চান নিশ্চয়ই?

    এই ট্রেনই ভারতীয়দের প্রথম পছন্দ

    বন্দে ভারত, বন্দে ভারত স্লিপার এমনকি তেজস এক্সপ্রেস থাকা সত্ত্বেও একেবারে অল্প সময়ের মধ্যে দেশবাসীর মনে জায়গা করে নিয়েছে অমৃত ভারত এক্সপ্রেস। সময়ের সাথে সাথে ক্রমশ যাত্রীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই ট্রেনটি। বলাই বাহুল্য, মূলত নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের পকেটের কথা চিন্তা করেই অমৃত ভারত এক্সপ্রেস চালু করেছিল ভারতীয় রেল। অল্প খরচে সমাজের সর্বস্তরের যাত্রীরা যাতে আরামে দূরদূরান্তে পৌঁছতে পারেন সে জন্যই ট্র্যাকে ছুটেছিল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

    আর পাঁচটা দূরপাল্লার ট্রেনের মতোই উন্নত মানের সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও এই ট্রেনের ভাড়া অন্যান্য এক্সপ্রেস ট্রেনের তুলনায় অনেকটাই কম। ট্রেনটিতে রয়েছে 11টি জেনারেল কোচ, 8টি স্লিপার কোচ, একটি প্যান্ট্রি কার এবং দুটি লাগেজ কাম ডিসেবল কোচ। এই ট্রেনে কোনও এসি কোচের ব্যবস্থা নেই। আসলে অল্প খরচে দূর দূরান্তে আরামদায়ক ভ্রমণের জন্যই এই ট্রেনটিকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন ভারতের যাত্রীরা। কমবেশি প্রত্যেকই জানেন, অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের অন্তর সজ্জা সম্পর্কে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ওয়াশরুম থেকে শুরু করে নরম সিট এমনকি প্রত্যেকটি কোচে রয়েছে LED লাইট, মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং সেমি অটোমেটিক কাপলার।

    অবশ্যই পড়ুন: ‘৭৭% ট্রেন চলেছে একেবারে সঠিক সময়ে’ দাবি রেলমন্ত্রীর! কোন বিভাগে?

    এছাড়াও, অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের প্রতিটি কোচের বার্থের ডিজাইন অন্যান্য এক্সপ্রেসের তুলনায় অনেকটাই উন্নত এবং সুন্দর। রেল বলে, অল্প খরচে অন্যান্য এক্সপ্রেসের সাধারণ কামরার থেকে এই ট্রেনে কম নয় বরং বেশি সুবিধা পান যাত্রীরা। সেজন্যই এই ট্রেনটি অন্যান্য ট্রেনগুলির থেকে একটু আলাদা। সবচেয়ে বড় কথা, বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতোই যাত্রী সুরক্ষায় এই ট্রেনে সব রকম ব্যবস্থা দিয়েছে রেলওয়ে। তাই সমাজের তৃণমূল স্তরের কাছে এই ট্রেনের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। সেদিক থেকে দেখতে গেলে বন্দে ভারতের মতো ট্রেনকেও হার মানিয়েছে অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

  • ‘৭৭% ট্রেন চলেছে একেবারে সঠিক সময়ে’ দাবি রেলমন্ত্রীর! কোন বিভাগে?

    ‘৭৭% ট্রেন চলেছে একেবারে সঠিক সময়ে’ দাবি রেলমন্ত্রীর! কোন বিভাগে?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল যতই আপগ্রেড হোক না কেন, ট্রেন দেরিতে চলার (Train late) সমস্যা বছরের পর বছর ধরে রয়েই গিয়েছে। কখনও বৃষ্টি কখনও কুয়াশা কখনও আবার রেল লাইনে কাজের জেরে একের পর এক ট্রেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা দেরিতে চলে। এই নিয়ে যথেষ্ট বিরক্ত রেল যাত্রীরাও। যদিও এখন অন্য কথা বললেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানালেন ট্রেন দেরির সমস্যা কয়েক শতাংশ কমে গিয়েছে এবং একদম সঠিক সময়ে ট্রেন চলাচল করছে। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ৭৭% ট্রেন সময় মতো চলছে

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভারতীয় রেলওয়ে ২০২৫-২৬-এর ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত মোট ৭৭% সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ২৪টি রেল বিভাগ ৯০ শতাংশেরও বেশি সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে। সম্প্রতি রাজ্যসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বের উত্তরে, অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন যে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কত শতাংশ ট্রেন আসছে তার উপর ভিত্তি করে সময়ানুবর্তিতা পরিমাপ করা হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে রেলওয়ে তার বিশাল নেটওয়ার্কের কর্মক্ষমতা উন্নত করার জন্য একাধিক কৌশল গ্রহণ করেছে।

    আরও পড়ুনঃ মার্চে বকেয়া DA-র কত শতাংশ পাবেন সরকারি কর্মীরা? জানুন

    তিনি বলেন, ট্রেনের সময়সূচীতে কাঠামোগত সমস্যা চিহ্নিত এবং সমাধানের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক সিস্টেম, এআই-ভিত্তিক বিশ্লেষণ সহ উন্নত প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে। ৪৩টি বিভাগ ৮০ শতাংশেরও বেশি সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে, যেখানে একটি বিভাগ ৯৫ শতাংশ অতিক্রম করেছে।

    কোন ডিভিশনে সময়ে চলছে ট্রেন?

    রেলমন্ত্রী মাদুরাই, যোধপুর, হুগলি, ভাবনগর, কোটা, ইজ্জতনগর, রতলম এবং আজমিরকে এমন বিভাগগুলির মধ্যে উল্লেখ করেছেন যেখানে সময়ানুবর্তিতার হার অত্যন্ত বেশি। তিনি স্বীকার করেছেন যে বর্তমান সময়ানুবর্তিতার পরিসংখ্যান ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইতালির মতো দেশের সাথে তুলনীয় হলেও, ভারতের উচিত জাপানের সাথে তার মানদণ্ড স্থাপন করা।

  • ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ট্রেনে (Train) আরামদায়ক ভ্রমণ সঙ্গে বিনামূল্যে খাবার দাবার। শুধু তাই নয়, সম্পূর্ণ নিখরচায় মিলবে টিকিট (Indian Railways)। অর্থাৎ ভ্রমণটাও হবে সম্পূর্ণ ফ্রিতে। হ্যাঁ, এবার এমনই এক দুর্ধর্ষ প্রকল্প চালু করতে চলেছে ভারতীয় রেল। জানা যাচ্ছে, গোটা বিশ্বের সবচেয়ে বড় লয়্যালটি প্রোগ্রামের আওতায় বিনামূল্যে টিকিট থেকে শুরু করে খাবার দাবারের ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে মধ্যবিত্ত যাত্রীদের রেলমুখী করাই প্রধান লক্ষ্য কেন্দ্রের।

    হঠাৎ কেন এমন ভাবনা?

    NDTV র রিপোর্ট অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিভিন্ন বিমান সংস্থা বা এয়ারলাইন্স একেবারে অল্প খরচে পরিষেবা দিচ্ছে। যার কারণে ট্রেন উপেক্ষা করে ফ্লাইটে যাতায়াত করছেন যাত্রীরা। তাছাড়াও একটা বড় অংশের মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষ রেল ব্যবস্থার সাথে ততটাও যুক্ত নন। মূলত সে কারণেই একদিক থেকে হারানো যাত্রীদের ফিরে পেতে এবং অন্য দিক থেকে নিম্ন মধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষদের রেল ব্যবস্থার সাথে জুড়তে চমক দিতে চাইছে রেল মন্ত্রক।

    কিন্তু কীভাবে হবে সব? একাধিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রেডিট কার্ড বা অনলাইন পেমেন্টের মতোই এবার ট্রেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও মিলবে পয়েন্ট। রেল বলছে, যাত্রীরা কিলোমিটারের হিসেবে যত বেশি পথযাত্রা করবেন তাঁদের IRCTC অ্যাকাউন্টে জড়ো হবে তত পয়েন্ট। পরবর্তীতে এই রিওয়ার্ড পয়েন্ট ভাঙিয়েই করা যাবে, বিনামূল্যে যাত্রা।

    কীভাবে বিনামূল্যে ট্রেনে ভ্রমণ থেকে শুরু করে ফ্রিতে মিল পাওয়া যাবে?

    রেলের কয়েকজন আধিকারিক এর মতে, এই রিওয়ার্ড পয়েন্টগুলি যাত্রীদের IRCTC অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হবে। যা পরবর্তীতে ডিজিটাল ওয়ালেট হিসেবে কাজ করবে। এক কথায়, নির্দিষ্ট সংখ্যক পয়েন্ট জমা হয়ে গেলেই পরবর্তীতে ওই রিওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে রেলের তরফে একাধিক সুবিধা পেতে পারেন। এর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে বিনামূল্যে টিকিট। একজন যাত্রী রিওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে টিকিটের দামের উপর ডিসকাউন্ট কিংবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ট্রেনের টিকিট পেতে পারেন।

    এখানেই শেষ নয়, ওই রিওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়েই মিলবে চা থেকে শুরু করে দুপুরে লাঞ্চ এমনকি রাতের ডিনারও। এই খাওয়ার যাত্রীরা স্টেশন বা ট্রেনের ভেতরে থাকা ই ক্যাটারিং এর মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবেন। একই সাথে পর্যাপ্ত রিওয়ার্ড পয়েন্ট থাকলে স্টেশনে আরামদায়ক বা বিলাসবহুল ওয়েটিং লাউঞ্জে বিনামূল্যে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ থাকবে যাত্রীদের কাছে। রেল সূত্রে খবর, এই রিওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে আগামীতে থার্ড এসি থেকে সেকেন্ডে এসি কিংবা ফার্স্ট ক্লাস এসিতে নিজেদের সিট আপগ্রেড করার সুবিধা থাকবে।

    অবশ্যই পড়ুন: এদের জন্য হরমুজ প্রণালীর দরজা খুলে দিল ইরান, তালিকায় ভারতও?

    প্রসঙ্গত, প্রাথমিকভাবে যা জানা যাচ্ছে তাতে বিভিন্ন বাজেট এয়ারলাইন্স গুলিকে চ্যালেঞ্জ করে আসন্ন এপ্রিল মাস থেকেই পাইলট প্রকল্পের অধীনে শুরু হয়ে যাবে এই বিশেষ পরিষেবা। প্রথমদিকে এই পরিষেবা চালু হবে বিভিন্ন প্রিমিয়াম ট্রেন যেমন বন্দে ভারত, তেজস এক্সপ্রেসে। পরবর্তীতে সুফল বেলে বাকি প্রিমিয়াম এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে এই পরিষেবা চালু করবে রেল। জানা যাচ্ছে, দেশের অন্তত 7000 বা তারও বেশি স্টেশন ও 3 কোটি যাত্রীকে এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

  • বাংলা-পুরীর যোগাযোগ আরও উন্নত, স্পেশাল ট্রেনকে নিয়মিত করল রেল

    বাংলা-পুরীর যোগাযোগ আরও উন্নত, স্পেশাল ট্রেনকে নিয়মিত করল রেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ফের একবার পোয়া বারো হল রেল যাত্রীদের। এবার বাংলা থেকে পুরী যাওয়া আরও সহজ। জানা গিয়েছে, এবার থেকে ভারতীয় রেল পুরী-পাটনা স্পেশাল ট্রেনের (Puri Patna Special Train) নিয়মিত চলাচলের অনুমোদন দিয়েছে। রেল এই ঘোষণা করেছে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বাংলা থেকে পুরী যাওয়া আরও সহজ করল রেল

    রিপোর্ট অনুযায়ী, এখন পুরী-পাটনা স্পেশাল (০৮৪৩৯/০৮৪৪০) এখন পুরী-পাটনা এক্সপ্রেস (১৮৪০৫/১৮৪০৬) নামে চলবে। সাপ্তাহিক পুরী-পাটনা এক্সপ্রেস প্রতি শনিবার দুপুর ২:৫৫ মিনিটে পুরী থেকে ছেড়ে যাবে এবং পরের দিন সকাল ১০:৪৫ মিনিটে বিহারের রাজধানী পাটনায় পৌঁছাবে। ফিরতি পথে ট্রেনটি প্রতি রবিবার দুপুর ১:৩০ মিনিটে পাটনা থেকে ছেড়ে যাবে।

    ট্রেনটির স্টপেজ সম্পর্কে বললে, যাত্রাপথে ট্রেনটি খুরদা রোদ, ভুবনেশ্বর, কটক, জাজপুর কেওনঝড় রোড, ভদ্রক, বালাসোর, খড়গপুর, আন্দুল, ডানকুনি, বর্ধমান, দুর্গাপুর, আসানসোল, চিত্তরঞ্জন, মধুপুর, জসিডিহ, ঝাঝা, কিউল, মোকামা, বার এবং বখতিয়ারপুর স্টেশনে দাঁড়াবে। অর্থাৎ একই ট্রেনে আপনি ওড়িশা, বাংলা এবং বিহার তিন রাজ্য ঘুরে নিতে পারবেন।

    May be an image of ticket stub and text

    এই ট্রেনগুলির সংখ্যাও বদল করল রেল

    যাত্রীদের সুবিধার্থে রেল প্রশাসন কিছু ট্রেনের নম্বরও পরিবর্তন করবে। রেল কর্মকর্তাদের মতে, হাওড়া-দেরাদুন ট্রেনের নম্বর ১২৩২৭ থেকে পরিবর্তন করে ১৩০৩৫ করা হবে, অন্যদিকে দেরাদুন-হাওড়া ট্রেনের নম্বর ১২৩২৮ থেকে পরিবর্তন করে ১৩০৩৬ করা হবে। এটি ১৫ এপ্রিলের প্রথম দিকে কার্যকর করা যেতে পারে। এছাড়াও, হাওড়া-জম্মু তাওয়ী ট্রেনের নম্বর ১২৩৩১ থেকে পরিবর্তন করে ১৩০৪১ করা হবে এবং হাওড়া-প্রয়াগরাজ রামবাগ ট্রেনের নম্বর ১২৩৩৩ থেকে পরিবর্তন করে ১৩০৪৭ করা হবে।

    আরও পড়ুনঃঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে হাওয়া, ৫ জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, আজকের আবহাওয়া

    এপ্রিল মাসে এই দুটি ট্রেনও নতুন নম্বর পাবে। মূলত সুপারফাস্ট ট্রেনগুলিকে মেল/এক্সপ্রেস ট্রেন দিয়ে প্রতিস্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে হাওড়া-কালকা ট্রেনও অন্তর্ভুক্ত। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, যাত্রীদের সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের যাত্রা শুরু করার আগে সময়সূচী দেখে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

  • ১৩০ কিমি বেগে ছুটবে ট্রেন, দেশ জুড়ে হাইস্পিড ট্র্যাকের উন্নতিতে বড় সাফল্য রেলের

    ১৩০ কিমি বেগে ছুটবে ট্রেন, দেশ জুড়ে হাইস্পিড ট্র্যাকের উন্নতিতে বড় সাফল্য রেলের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যত সময় এগোচ্ছে ততই ভারতীয় রেল (Indian Railways) ব্যবস্থার উন্নতি ঘটছে। হাইস্পিড ট্রেন থেকে শুরু করে উন্নত ট্র্যাক ইত্যাদি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করেই চলেছে ভারতীয় রেল। সবথেকে বড় কথা, যাত্রীদের সুরক্ষা মাথায় রেখে ট্রেনে বসেছে কবচ। যাইহোক, এরই মাঝে বড় তথ্য দিলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বভারতীয় রেলওয়ে নিরাপত্তা জোরদার এবং ট্রেন পরিচালনা উন্নত করার জন্য ২০১৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ৫৪,৬০০ কিলোমিটার ট্র্যাক সংস্কার করেছে বুধবার সংসদে জানালেন তিনি। সেইসঙ্গে আরও ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে খবর।

    ৮০% ট্র্যাক এখন ১১০ কিমি/ঘণ্টা

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১২ বছরে রেল নেটওয়ার্কের ৮০% এরও বেশি অংশকে ১১০ কিমি/ঘন্টা বা তার বেশি গতিতে উন্নীত করা হয়েছে। ২০১৪ সালে এই কাজ প্রায় ৪০% ছিল। ১৩০ কিমি/ঘন্টা বা তার বেশি গতিতে সক্ষম ট্র্যাকগুলিও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, বর্তমানে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০%। লোকসভায় এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ট্র্যাক নবায়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া যা ট্র্যাকের বয়স, ট্র্যাফিকের চাপ এবং সামগ্রিক অবস্থার মতো পরামিতিগুলির উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।

    আরও পড়ুনঃ পোর্টালে সমস্যায় আপডেট করা যাচ্ছে না সার্ভিস বুক, কর্মীদের নয়া নির্দেশ রাজ্য সরকারের

    কী জানাচ্ছেন রেলমন্ত্রী?

    তিনি আরও বলেন, অনুমোদিত গতিতে ট্রেন চলাচলের জন্য রেলপথ নিরাপদ রাখার জন্য নবায়নের কাজগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।রেলওয়ে নেটওয়ার্ক নিয়মিতভাবে একাধিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে মনোনীত কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেন, যার মধ্যে রয়েছে দৈনিক টহলদারি, ট্রলি করে পরিদর্শন ইত্যাদি।

    ট্র্যাকের জ্যামিতি এবং স্বাস্থ্য আরও বস্তুনিষ্ঠভাবে মূল্যায়ন করার জন্য, রেলওয়ে ট্র্যাক রেকর্ডিং কার (TRC) এবং অসিলেশন মনিটরিং সিস্টেম (OMS) ব্যবহার করে নির্ধারিত রান পরিচালনা করে। সমগ্র নেটওয়ার্ক এই মনিটরিং সিস্টেমের আওতায় আসে যাতে সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা যায় এবং সময়সীমার মধ্যে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া যায়। এছাড়াও সরকার ৭৬৫ কোটি টাকার অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন অনুমোদন করেছে যার লক্ষ্য হল কার্যক্রম উন্নত করা, লাইনের ক্ষমতা সম্প্রসারণ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা।

  • হাওড়ার তিন রুটে ৩টি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা রেলের, রইল সময়সূচি

    হাওড়ার তিন রুটে ৩টি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা রেলের, রইল সময়সূচি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দোল বা হোলি মিটে যাওয়ার পরেই রেলের তরফে স্পেশাল ট্রেন চালানোর ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। এবারও যার ব্যতিক্রম ঘটল। আপনিও যদি ট্রেনে ভ্রমণ করতে পছন্দ করে থাকেন, বিশেষ করে হাওড়া ডিভিশন ভালো লাগে, তাহলে আপনার জন্য রইল সুখবর। আসলে হাওড়া রুটে এবার একটা বা দুটো নয়, একসঙ্গে তিনটি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা করেছে পূর্ব রেল (Howrah Special Train)। বিভিন্ন রুটে এই ট্রেন ছুটবে। সবথেকে বড় কথা, কনফার্ম সিটের জন্য ভাবনাচিন্তা করতে হবে না, কারণ এই ট্রেন পুরোপুরি অসংরক্ষিত। চলুন জেনে নেওয়া যাক পূর্ব রেল কোন কোন রুটে বিশেষ ট্রেন দিয়েছে।

    হাওড়া রুটে ৩টি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা রেলের

    পূর্ব রেলের তরফে ইতিমধ্যে তিনটি ট্রেনের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রেল ট্রেন নম্বর ০৩৫৪০/০৩৫৩৯ বরাকর-হাওরা-বরাকর স্পেশাল, ট্রেন নম্বর ০৩৫৪৪/০৩৫৪৩ দুর্গাপুর-হাওড়া-দুর্গাপুর এবং ০৩৫৪৬/০৩৫৪৫ সিউড়ি-হাওড়া-সিউড়ি স্পেশাল ট্রেন চালাবে। ইতিমধ্য এই ট্রেনগুলির সময়সূচী অবধি সামনে এসেছে।

    বরাকর-হাওড়া-বরাকর স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী

    আজ ১৩ মার্চ বরাকর-হাওড়া স্পেশাল রাত ২২:৫৫ মিনিটে বরাকর ছেড়ে যাবে এরপর ট্রেনটি পরের দিন অর্থাৎ ১৪ মার্চ ভোর ৪:২০ মিনিটে হাওড়া স্টেশনে ঢুকবে। ফিরতি পথে ট্রেনটি সেদিনই রাত ২০:৫০ মিনিটে হাওড়া থেকে ছেড়ে বরাকর ঢুকবে পরের দিন ১৫ মার্চ ভোর ৩:০০টে নাগাদ। যাত্রাপথে ট্রেনটি উভয়মুখেই কুলটি, সীতারাম্পুর, বরাচক, কালীপাহাড়ী, রাণীগঞ্জ, অন্ডাল এবং বর্ধমান স্টেশনে থামবে। এটি মেল/এক্সপ্রেস ক্যাটেগরির অসংরক্ষিত ট্রেন।

    দুর্গাপুর-হাওড়া-দুর্গাপুর স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী

    এই স্পেশাল ট্রেনটি দুর্গাপুর থেকে ১৪ মার্চ সকাল ৬টার সময় ছেড়ে যাবে এবং হাওড়া ঢুকবে সকাল ১০:৩০টা নাগাদ। এরপর ফিরতি পথে সেদিনই হাওড়া থেকে সন্ধে ১৯:১৫ মিনিটে ছেড়ে যাবে এবং দুর্গাপুর ঢুকবে রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ। এই স্পেশাল ট্রেনটি যাত্রাপথে বর্ধমান, মানকর স্টেশনে থামবে।

    আরও পড়ুনঃ হাওড়ার তিন রুটে ৩টি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা রেলের, রইল সময়সূচি 

    সিউড়ি-হাওড়া-সিউড়ি স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী

    এবার আসা যাক সিউড়ি-হাওড়া-সিউড়ি বিশেষ ট্রেন সম্পর্কে। রেল জানিয়েছে, সিউড়ি থেকে আজ রাত ২২:০০ নাগাদ ট্রেনটি ছেড়ে পরের দিন ১৪ মার্চ ভোর ৪:৫০ মিনিটে হাওড়া ঢুকবে। এরপর ফিরতি পথে ট্রেনটি হাওড়া থেকে সন্ধে ৭টা নাগাদ ছেড়ে যাবে এবং সিউড়ি ঢুকবে ১৫ মার্চ ভোর ৩:৩০ মিনিট নাগাদ। যাত্রাপথে বিশেষ ট্রেনটি কচুজোড়, চিনপাই, দুবরাজপুর, পাঁচরা, ভীমগড়া, পান্ডবেশ্বর এবং উখড়া স্টেশনেও থামবে বলে খবর।

  • হাওড়াগামী বহু ট্রেনের নম্বর, বিভাগ বদলাচ্ছে রেল! ভ্রমণের আগে দেখুন তালিকা

    হাওড়াগামী বহু ট্রেনের নম্বর, বিভাগ বদলাচ্ছে রেল! ভ্রমণের আগে দেখুন তালিকা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল যাত্রীদের জন্য রইল জরুরি খবর। এবার বেশ কিছু ট্রেনের মধ্যে বিরাট পরিবর্তন করতে চলেছে রেল (Indian Railways)। মূলত যাত্রী সুবিধার কথা মাথায় রেখে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের সংখ্যা শ্রেণীবিভাগ বদলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রেলের তরফে। এই ট্রেনগুলির মধ্যে হাওড়া ডিভিশনের ট্রেনও রয়েছে। পরিবর্তনটি আগামী এপ্রিল, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। আপনিও যদি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ট্রেনে ভ্রমণের প্ল্যান করে থাকেন তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটির ওপর নজর রাখুন।

    হাওড়াগামী বহু ট্রেনে বদল আনল রেল

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, বেশ কিছু ট্রেনের সংখ্যা বদলের পাশাপাশি বর্তমানে দেশজুড়ে চলা কিছু সুপারফাস্ট ট্রেনকে এখন মেল বা এক্সপ্রেসে রূপান্তরিত করা হবে এবং চালানো হবে। রেল সূত্রে খবর, হাওড়া-দেহরাদুন, হাওড়া-জম্মু তাওয়ী, হাওড়া-প্রয়াগরাজ রামবাগ এবং হাওড়া-কালকা রুটে চলাচলকারী কিছু ট্রেনের নম্বর পরিবর্তন করা হবে এবং তাদের বিভাগ সুপারফাস্ট থেকে মেল/এক্সপ্রেসে পরিবর্তন করা হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিশদে।

    আরও পড়ুনঃ দাঁড়ায় মাত্র ৫টি স্টেশনে, ‘লোকাল ট্রেনের রাজা’ বলা হয় এই ট্রেনটিকে! চলে হাওড়া-বর্ধমান রুটে

    তালিকা দিল রেল

    • ১২৩২৭ হাওড়া-দেহরাদুন ট্রেন নম্বরটি সংশোধন করে ১৪ এপ্রিল থেকে ১৩০৩৫ করা হবে।
    • ১২৩২৮ দেহরাদুন-হাওড়া ট্রেনের নম্বর পরিবর্তন করে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৩০৩৬ করা হবে।
    • ১২৩৬৯ হাওড়া-দেহরাদুন ট্রেনের নম্বর পরিবর্তন করে আজ ১৩ এপ্রিল থেকে ১৩০৩৭ এবং ১২৩৭০ দেরাদুন-হাওড়া ট্রেনের নম্বর পরিবর্তন করে ১৪ এপ্রিল থেকে ১৩০৩৮ নম্বরে বদল করা হবে।
    • ১২৩৩১ হাওড়া-জম্মু তাওয়ী ১৪ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৪১ এবং ১২৩৩২ জম্মু তাওয়ী-হাওড়া আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৪২-এ বদলে যাবে।
    • ১২৩৩৩ হাওড়া-প্রয়াগরাজ রামবাগ আজ ১৩ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৪৭ এবং ১২৩৩৪ প্রয়াগরাজ রামবাগ-হাওড়া আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৪৮-এ পরিবর্তন করা হবে।
    • ১২৩১১ হাওড়া-কালকা সংশোধন করে আজ থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৫১ এবং ১২৩১২ কালকা-হাওড়া ১৫ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৫২ হয়ে চলাচল করবে।

     

  • রয়েছে AC কোচ, তাও কেন ভারতীয় রেলের এই ট্রেনের নাম গরীব রথ! কারণ জানেন?

    রয়েছে AC কোচ, তাও কেন ভারতীয় রেলের এই ট্রেনের নাম গরীব রথ! কারণ জানেন?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: এই মুহূর্তে ভারতীয় রেলের (Indian Railways) অধীনে রয়েছে 13 হাজারেরও বেশি যাত্রীবাহী ট্রেন। তবে সেই সব ট্রেনের মধ্যে এমন কিছু এক্সপ্রেস ট্রেন রয়েছে যেগুলি অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক দিক থেকে অন্যান্য এক্সপ্রেস ট্রেনের মতোই। রয়েছে অত্যাধুনিক AC থ্রি টায়ার কোচও। তবে এই ট্রেনগুলির নাম গরীব রথ (Garib Rath Express)। আসলে ভারতীয় রেলের গরীব রথ পরিষেবার অধীনে দেশের বিভিন্ন শহরের মধ্যে চলাচল করে এই ট্রেনগুলি। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন, এই ট্রেনগুলির নাম কেন বেছে বেছে গরীব রথ রাখা হল?

    গরীব রথ নামকরণের নেপথ্য কারণ

    সালটা 2006। সে বছরের 5 অক্টোবর গরীব রথ নামে বিশেষ এক্সপ্রেস পরিষেবা চালু করেছিল ভারতীয় রেলওয়ে। তৎকালীন রেলমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের হাত ধরে সহরসা থেকে পাঞ্জাবের অমৃতসর পর্যন্ত প্রথম গরীব রথ এক্সপ্রেসের উদ্বোধন হয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে এই বিশেষ পরিষেবার অধীনে দেশের বিভিন্ন শহরের মধ্যে আরও একাধিক ট্রেন চালাতে শুরু করে রেল। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ভারতের বিভিন্ন শহরের একাধিক রুটে চালু রয়েছে গরীব রথ এক্সপ্রেস পরিষেবা।

    কিন্তু কেন এই এক্সপ্রেস ট্রেনের নাম দেওয়া হল গরীব রথ? কমবেশি সকলেই জানেন, 2006 এ মূলত সাধারণ মানুষের পকেটের কথা চিন্তা করেই এই বিশেষ ট্রেন পরিষেবা চালু করেছিল রেল। ভারতীয় রেলের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, অন্যান্য এক্সপ্রেস ট্রেনের তুলনায় অল্প খরচে যাতে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ট্রেনে করে সাধারণ মানুষ এক স্থান থেকে নিজের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন সেটা সু নিশ্চিত করা। এক কথায়, সমাজের নিম্ন শ্রেণীর অর্থাৎ আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া মানুষদের কথা চিন্তা করেই এই এক্সপ্রেস ট্রেনের নাম দেওয়া হয় গরীব রথ। অর্থাৎ গরীবদের রথ।

    না বললেই নয়, ভারতীয় রেলের গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন গরীব রথ এক্সপ্রেসে এসি 3 টায়ার এবং এসি চেয়ার কার কোচ রয়েছে। যেগুলির ভাড়া আর পাঁচটা উন্নত এক্সপ্রেস ট্রেনের তুলনায় অনেকটাই কম। উদাহরণস্বরূপ, হাওড়া থেকে পুরী পর্যন্ত যদি কেউ গরীব রথ এক্সপ্রেসের AC থ্রি টায়ারে করে যাতায়াত করতে চান তবে তাঁর ভাড়া পড়বে মাত্র 575 টাকা। যা অন্যান্য এক্সপ্রেস বা সুপারফাস্ট ট্রেনের তুলনায় অনেকটাই কম এবং সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে।

    অবশ্যই পড়ুন: কালো মেঘে ঢাকবে আকাশ, ঘূর্ণাবর্তের জেরে ৫ জেলায় দুর্যোগ! আজকের আবহাওয়া

    প্রসঙ্গত, গরীব রথ এক্সপ্রেসের থ্রি টায়ার কোচের ভাড়া দূরত্ব অনুযায়ী 500 টাকা থেকে 1300 টাকার মধ্যে। তবে এই ভাড়ার মধ্যে কিন্তু খাওয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়। তার জন্য আলাদা করে খরচ করতে হবে যাত্রীদের। এছাড়াও IRCTC ওয়েবসাইট কিংবা কাউন্টার থেকে গরীব রথের টিকিট কাটলেও ওই টিকিটে ট্রেনে ভ্রমণ করার সময় রেলের তরফে চাদর এবং বালিশ পাওয়া যাবে না। এর জন্যেও আলাদা করে অর্থ গুনতে হবে।

  • এয়ারপোর্ট অবধি ছুটবে হাইস্পিড ট্রেন! ৭০ কিমি মাত্র ২১ মিনিটে, বিরাট প্ল্যান রেলের

    এয়ারপোর্ট অবধি ছুটবে হাইস্পিড ট্রেন! ৭০ কিমি মাত্র ২১ মিনিটে, বিরাট প্ল্যান রেলের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: মেট্রো অতীত, এবার বিমানবন্দর অবধি হাইস্পিড ট্রেন (High-speed Rail) চালানোর পরিকল্পনা শুরু রেলের। জানা গিয়েছে, রেলের তরফে এমন এক ট্রেন চালানো হবে যা ৭০ কিমি রাস্তা মাত্র ২১ মিনিটে পার করবে। শীঘ্রই ছুটতে পারে বুলেট ট্রেন। আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    এবার বিমানবন্দর অবধি হাইস্পিড ট্রেন চালাবে রেল

    আসলে রেলের তরফে এমন এক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে যার দরুণ লাভবান হবেন দিল্লি-এনসিআর-এর মানুষ। এখন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানো আরও সহজ হবে। কোনও যানজট হবে না, বরং আসা যাওয়া আরও দ্রুত হবে। মূলত দিল্লি এবং নয়ডা বিমানবন্দরের মধ্যে একটি বুলেট ট্রেন (Bullet Train) চালু করার কাজ চলছে। এর ফলে আপনি দিল্লি থেকে সরাসরি নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অর্থাৎ জেওয়ার বিমানবন্দর (Jewer Airport) অবধি অনায়াসেই বলা ভালো চোখের নিমিষে পৌঁছাতে পারবেন। নয়ডা বিমানবন্দরকে বুলেট ট্রেন প্রকল্পের সাথে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    মঙ্গলবার ন্যাশনাল হাই-স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেড (NHSRCL) এর কর্মকর্তারা যমুনা কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। জমির প্রাপ্যতা, যাত্রী ধারণক্ষমতা এবং বিমানবন্দরের কাছে একটি স্টেশনের নকশা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।  রেল কর্মকর্তাদের মতে, বুলেট ট্রেনের জন্য বিমানবন্দরের কাছে একটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন উপযুক্ত বলে বিবেচিত হচ্ছে।

    কী বলছেন রেল কর্তারা?

    কর্মকর্তারা বলছেন যে জেওয়ার বিমানবন্দরটি দিল্লি থেকে বারাণসী পর্যন্ত প্রস্তাবিত উচ্চ-গতির বুলেট ট্রেনের সাথে সংযুক্ত হবে। এর ডিপিআর প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া চলছে। মঙ্গলবার NHSRCSL-এর একটি দল যমুনা কর্তৃপক্ষের সাথে এর সারিবদ্ধকরণ চূড়ান্ত করতে পরিদর্শন করেছে। NHSRCSL-এর  প্রধান প্রকল্প ব্যবস্থাপক সুধীর কুমার গুপ্ত সিইও রাকেশ কুমার সিং এবং এসিইও শৈলেন্দ্র ভাটিয়ার সাথে দেখা করেছেন।

    ২টি ভূগর্ভস্থ স্টেশন তৈরি করা হবে

    সিইও শৈলেন্দ্র ভাটিয়া জানিয়েছেন যে নয়ডায় দুটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। একটি গ্রেটার নয়ডায় অবস্থিত সেক্টর ১৪৮-এ থাকবে। দ্বিতীয় স্টেশনটি নয়ডায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জেওয়ারে নির্মিত হবে। নয়ডায় বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড ট্রান্সপোর্টেশন সেন্টারের (জিটিসি) মধ্যে ভূগর্ভস্থ এই স্টেশনটি তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিমানবন্দরের জিটিসিতে মেট্রো এবং নমো ভারত ভূগর্ভস্থ স্টেশন ইতিমধ্যেই প্রস্তাবিত। রেলওয়ে এই স্থান থেকে চোলা এবং রুন্ধির সাথে রেল ট্র্যাকের মাধ্যমে নয়ডায় বিমানবন্দরকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে।

    আরও পড়ুনঃ LPG সঙ্কটের মাঝে যাত্রীদের খাবারের জন্য রেলের ক্যান্টিনকে বড় নির্দেশ IRCTC-র

    মাত্র ২০ মিনিটে যাওয়া যাবে বিমানবন্দরে

    রেল কর্তারা বলছেন যে বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে, দিল্লির সরাই কালে খান থেকে নয়ডা বিমানবন্দর পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার যাত্রায় প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগবে। বেশিরভাগ রুটটি উঁচু করে তৈরি করা হবে। এটি নয়ডা এবং গ্রেটার নয়ডার মধ্যে এক্সপ্রেসওয়ের কেন্দ্রীয় প্রান্তে নির্মিত হওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর পরে, যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে বিমানবন্দরের সাথে একটি সারিবদ্ধকরণ তৈরি করা হবে।