Tag: Suvendu Adhikari

  • হাইকোর্টের রায়ে বিরাট স্বস্তি পেলেন শুভেন্দু

    হাইকোর্টের রায়ে বিরাট স্বস্তি পেলেন শুভেন্দু

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ছাব্বিশের রাজ্য বিধানসভা ভোটে (West Bengal Election 2026) আরও একবার মুখোমুখি হতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং শুভেন্দু অধিকারী। তবে এবার সেই লড়াই হতে চলেছে ভবানীপুরে। আর এই আবহে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে বড় স্বস্তি পেলেন নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একটি বিশেষ মামলায় ১২ সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে আদালত।

    অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    রিপোর্ট মোতাবেক, ২০২০ সালের ২৯ ডিসেম্বর এক বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে খড়দহ থানার তরফে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আর সেই মামলাতেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর এবার সেই মামলায় বড় স্বস্তি পেলেন তিনি। জানা গিয়েছে, আজ, বিচারপতি অজয় কুমার মুখোপাধ্যায়ের একক বেঞ্চ আপাতত তদন্তে ১২ সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে । অর্থাৎ ভোটের মধ্যে এই মামলা নিয়ে আরও কোনও অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হবে না শুভেন্দুকে। মামলার পরবর্তী শুনানি একেবারে ভোটপর্ব মিটলে হবে।

    স্বস্তিতে শুভেন্দু অধিকারী

    বিধানসভা নির্বাচনের আবহে সকলেই এখন বেশ ব্যস্ত, জেলায় জেলায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর সকলেই ময়দানে নেমেছে ভোটের প্রচারের জন্য। এই অবস্থায় শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে হওয়া মামলা নিয়ে বেশ চাপে ছিল দল। বিশেষ করে রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই মামলার অগ্রগতি নিয়ে যথেষ্ট নজর ছিল বিভিন্ন মহলের। অবশেষে হাইকোর্টের নির্দেশে অনেকটাই স্বস্তি ফিরল। এখন দেখার, ১২ সপ্তাহ পর ভোটপর্ব মিটলে মামলার পরবর্তী শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্ট কী অবস্থান নেয় এবং তদন্ত প্রক্রিয়া কোন পথে এগোয়।

    আরও পড়ুন: মেরেকেটে ৫ দিনের LPG, ৭ দিনের তেল বেঁচে! জ্বালানির দাম ২০০% বাড়াল পাকিস্তান

    প্রসঙ্গত, ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম এই দুই গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে লড়াই করছেন শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই তিনি প্রচার শুরু করেছেন। অন্যদিকে ভবানীপুরে লড়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নন্দীগ্রামে তৃণমূলের হয়ে লড়ছেন পবিত্র কর। এই অবস্থায় মনোনয়ন পত্র পূরণের জন্য এবং আইনি পথ সুরক্ষিত রাখতে নিজেই পুলিশের বিরোধিতায় সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। অভিযোগ নিজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার সংখ্যা ও বিস্তারিত তথ্য না দিচ্ছে না পুলিশ। অন্যদিকে একই অভিযোগ জানিয়েছেন বিদায়ী বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দা।

  • পবিত্র করকে প্রার্থী করে চমক দিয়েছিল তৃণমূল, এবার নন্দীগ্রামে আরও বড় কাণ্ড ঘটালেন শুভেন্দু!

    পবিত্র করকে প্রার্থী করে চমক দিয়েছিল তৃণমূল, এবার নন্দীগ্রামে আরও বড় কাণ্ড ঘটালেন শুভেন্দু!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বন্ধুর বিরুদ্ধে বন্ধু! নন্দীগ্রামের আসন দখল করতে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তাঁরই একসময়ের ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে টিকিট দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এমন পদক্ষেপ তৃণমূলের তরফে নিঃসন্দেহে বড় চমক বলাই যায়। তবে এবার চমক দেখালেন বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারীও। নন্দীগ্রামে পবিত্রর খাসতালুকে ভাঙন ধরালেন বিজেপি নেতা! সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে পবিত্রর অঞ্চল বয়ালের এক নম্বর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানও এবার বিজেপিতে যোগদান করলেন।

    জোর কদমে প্রচার শুরু শুভেন্দুর

    গত শুক্রবার, নন্দীগ্রামের একাধিক তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বয়াল এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানকে বিজেপিতে যোগদান করিয়ে পুরোদমে নিজের নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন থেকেই নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের কাছে আশীর্বাদ চাইতে দেখা গেল রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে।

    সূত্রের খবর, প্রচারের প্রথম দিন দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া থেকে শুরু করে হরিপুর, টেংগুয়া সহ একাধিক জায়গায় ভোট প্রচার করেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু। এদিন বিজেপি প্রার্থীকে তাঁর প্রতিদ্বন্ধী পবিত্র কর সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য বেশি কিছু বলতে চাননি। বিজেপি নেতা শুধু এটুকু বললেন, “ওর সম্পর্কে আমি বেশি কিছু বলব না।” আসলে শুভেন্দু মনে করেন নন্দীগ্রামের মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে তিনি যেখানে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন, সেখানে পবিত্র করের মতো ব্যক্তি বড় ফ্যাক্টর নয়!

    অবশ্যই পড়ুন: মহম্মদ শামির জন্য চিরতরে বন্ধ ভারতীয় দলের দরজা? বড় সিদ্ধান্ত BCCI-র

    উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার অর্থাৎ তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিন সকালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন পবিত্র কর। আর তারপরই তাঁকে নন্দীগ্রাম আসন থেকে প্রার্থী করে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের প্রার্থী তালিকায় নিজের নাম দেখতে পাওয়া মাত্রই নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ভোট চাইতে দেখা গেল শুভেন্দু অধিকারীর একসময়ের বন্ধুকে।

  • ভোটের আগে অন্য খেলা! শুভেন্দু হাইকোর্টে যেতেই শোরগোল

    ভোটের আগে অন্য খেলা! শুভেন্দু হাইকোর্টে যেতেই শোরগোল

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর ভোটের (West Bengal Election 2026) দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে। তাই বেশি দেরি না করে সোমবারই বিজেপি প্রথম দফার ভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই দেখা যায় নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর এই দুই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিকে ভবানীপুরে তাঁর প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়াচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাই সেখানে টক্কর যে বেশ নজরকাড়া হবে তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় ঘটল আরেক ঘটনা। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার আগে ফের হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ, ভবানীপুর এলাকায় প্রচার মিছিলেও যান শুভেন্দু অধিকারী৷ কিন্তু, হঠাৎ করেই ঢুকে পড়েন ভবানীপুর থানার ভিতরে। বেশ খানিকক্ষণ কথাও বলেন সেখানে৷ এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে গিয়েই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি। আর তাতেই সকলের মনে প্রশ্ন জাগে যে কী এমন হল যে হাইকোর্টে আসলেন শুভেন্দু অধিকারী? পরে জানায় হাইকোর্টে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। শুভেন্দুর বক্তব্য, তাঁর বিরুদ্ধে মোট কতগুলি মামলা রয়েছে, সেই সঠিক তথ্য পুলিশ তাঁকে দিচ্ছে না। কিন্তু মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীকে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, অপরাধমূলক রেকর্ড, আর্থিক অবস্থা, পেশা ও আয়ের উৎস, সরকারি বকেয়া সবই বিস্তারিত জানাতে হয়। তাই এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বিজেপি নেতা।

    খারিজ হয়েছিল ১৫ টি FIR

    শুভেন্দু অধিকারী এর আগে আইনি রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, আদালতের অনুমতি ছাড়া শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনো নতুন FIR করা যাবে না। কিন্তু গত বছর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘদিনের আইনি সুরক্ষাকবচ সরিয়ে নেন। এদিকে সুরক্ষাকবচ তুলে নিলেও একই রায়ে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৫টি FIR বা মামলা সম্পূর্ণ খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। কারণ স্বরূপ আদালত জানিয়েছিল মামলাগুলি ভিত্তিহীন ছিল বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। আর সেই রায় বড় স্বস্তি লাভ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    আরও পড়ুন: হাড়োয়ায় উদ্ধার তৃণমূল নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ! গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন? উত্তেজনা এলাকায়

    উল্লেখ্য, চলতি বছর পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ উত্তেজোনামূলক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এই নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই মামলায় ২০২৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছিল হাইকোর্ট। এবার এই পরিস্থিতিতে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু। এখন দেখার আদালত এই প্রসঙ্গে কী নির্দেশ দেয়।

  • একসময় বিজেপিতে আস্থা দেখিয়েছিল ভবানীপুর, জিতেছিল গেরুয়া শিবির

    একসময় বিজেপিতে আস্থা দেখিয়েছিল ভবানীপুর, জিতেছিল গেরুয়া শিবির

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বাংলায় ভোটের আখড়া রীতিমত জমে উঠেছে। রবিবার নির্বাচন কমিশনের ভোটের (West Bengal Election 2026) দিনক্ষণ ঘোষণার পরেই পরেরদিন সোমবার, বিজেপি প্রথম দফার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। আর সেই তালিকায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে দেখা গিয়েছে ভবানীপুর (Bhabanipur) এবং নন্দীগ্রামের প্রার্থী হতে। অন্যদিকে গতকাল, তৃণমূল কংগ্রেস প্রকাশ্যে এসেছে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকায়। উল্লেখ্যযোগ্য বিষয় হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবার ভবানীপুর থেকে ভোটে দাঁড়াতে চলেছেন। অর্থাৎ নন্দীগ্রামের হাইভোল্টেজ লড়াই এবার দেখা যাবে ভবানীপুরে।

    ভবানীপুরে জোর টক্কর তৃণমূল বিজেপির

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মমতাকে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু। প্রতি মুহূর্তে সেই সংখ্যা জাহির করে প্রায়ই নিজের প্রশংসা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবারেও শুভেন্দু দাবি করেছেন যে ২০২১-এ তাঁর কাছে নন্দীগ্রামে যেভাবে হারতে হয়েছিল মমতাকে, ২০২৬ এ ভবানীপুরে তার পুনরাবৃত্তি হবে। কিন্তু ইতিহাস বলছে, ভবানীপুর দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। তাই মমতাকে হারাতে গেলে অনেক কষ্ট করতে হবে। কিন্তু এর মাঝেও উঠছে উল্টো হিসেব, কারণ একসময় কিন্তু বিজেপিও ভবানীপুরে জিতেছিল।

    ভবানীপুরে জিতেছিল বিজেপি!

    রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, ২০১১ সালের পর থেকে ভবানীপুর কেন্দ্রে একাধিকবার জিতেছিল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ২০১১ ও ২০২১ সালের উপনির্বাচন এবং ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জিতেছিল তৃণমূল। যদিও ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভালো ফল করতে পারেনি তৃণমূল, উল্টে গেরুয়া শিবির কম ভোট পেলেও হারিয়েছিল শাসকদলকে। রিপোর্ট বলছে ২০১৪ এর লোকসভা নির্বাচনে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে সর্বমোট ১৮৫ ভোটে জিতেছিল বিজেপি (যদিও সেটি আসন জয় নয়, তবে সেবার ভবানীপুরে প্রথমবার এমন পটপরিবর্তন দেখা গিয়েছিল)। যদিও ওই একটি বারই, গত ১৫ বছরে মোট ৮টি নির্বাচনের মধ্যে ৭টিতেই তৃণমূল জয়ী বা এগিয়ে ছিল। ফলে এই কেন্দ্র এখনও তৃণমূলের ঘাঁটি বলেই ধরা হয়।

    আরও পড়ুন: বাংলায় ফের বড় অ্যাকশন কমিশনের, পাঁচ DIG সহ ১১ DM-কে সরাল কমিশন

    বেশ কয়েকটি সংবাদ প্রতিবেদনে শোনা যাচ্ছে, ভবানীপুরে প্রায় ৪০% বাঙালি ভোটার, সমসংখ্যক গুজরাতি, মারওয়ারি, বিহারি ও অন্যান্য রয়েছে এছাড়াও মুসলিম ভোটারের পরিসংখ্যানও এখানে ২০%। এই মিশ্র সামাজিক গঠন নির্বাচনের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা নেয়। সেক্ষেত্রে দুই দলের মধ্যে কোন দল জিতবে সেই নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। যদিও তৃণমূল এবং বিজেপি দুজনেই আশা রাখছে তারাই জিতবে। এখন দেখার মমতা বনাম শুভেন্দুর লড়াইয়ের টক্করে কে জেতে।

  • শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তৃণমূলের ‘বাজি’ পবিত্র কর, চিনে নিন নন্দীগ্রামের প্রার্থীকে

    শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তৃণমূলের ‘বাজি’ পবিত্র কর, চিনে নিন নন্দীগ্রামের প্রার্থীকে

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) দিন ঘোষণা হতেই রাজ্য রাজনীতিতে এক তুমুল উত্তেজনামূলক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভোটের আবহে ঘোষণা হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির প্রার্থীদের তালিকা। বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে নন্দীগ্রাম (Nandigram) এবং ভবানীপুর থেকে এবার লড়াই করবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরপরেই জল্পনা বাড়ে কে তৃণমূলের প্রার্থী হবে এই যুদ্ধে। গতকালই প্রকাশ্যে আসে তালিকা। জানা যায় ভবানীপুরে লড়াই করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করবেন পবিত্র কর (Pabitra Kar)।

    কে এই পবিত্র কর?

    নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের বয়ালের বাসিন্দা হলেন তৃণমূলের নয়া প্রার্থী তথা দাপুটে নেতা পবিত্র কর। শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চমাধ্যমিক পাশ। তাঁর মাছের পারিবারিক ব্যবসা রয়েছে। প্রথম দিকে পবিত্র কর তৃণমূলেই ছিলেন। সেই সময় নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের বয়াল-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে একাধিক বার প্রধান ও উপপ্রধানের দায়িত্ব সামলে ছিলেন। কোনোরকম প্রচার ছাড়াই নিজের মত করে এলাকার কাজ করে গিয়েছেন। বলা হয়, বিজেপির মধ্যে যারা কড়া হিন্দুত্ববাদী নেতা রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে এই পবিত্র কর একজন। বর্তমানে বয়াল ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তাঁর স্ত্রী শিউলি কর প্রধান। তবে ২০২০ সালে পবিত্র কর তৃণমূল ছেড়ে দিলীপ ঘোষের হাত থেকে বিজেপির পতাকা তুলে নেন। আর তার পরেই তৃণমূল ছেড়ে শুভেন্দু অধিকারীও যোগ দেন বিজেপিতে।

    পুনরায় তৃণমূলে যোগ পবিত্রর

    ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সংখ্যা জাহির করে প্রায়ই নিজের কথা বলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবারেও শুভেন্দু দাবি করেছেন যে ২০২১-এ তাঁর কাছে নন্দীগ্রামে যেভাবে হারতে হয়েছিল মমতাকে, ভবানীপুরে তার পুনরাবৃত্তি হবে। তাই স্বাভাবিকভাবেই সকলের মনে প্রশ্ন জাগছে কে হবে। যদিও জল্পনা আগেই উঠেছিল পবিত্র করের। কারণ গত ডিসেম্বর থেকে এই পবিত্রর দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এমনকি আইপ্যাকের সঙ্গে পবিত্রর গোপন বৈঠকে বোঝা গেছিল এবার দলবদলের পালা তাঁর। আর সেটাই বাস্তবের রূপ নিল।

    আরও পড়ুন: নবান্নর DA বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ক্ষোভ, এরা আদৌ পাবেন মহার্ঘ ভাতা? ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    গতকাল, মঙ্গলবার, তৃণমূলের বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণার আগেই সকালবেলায় বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দিলেন পবিত্র কর। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে তুলে নিয়েছিলেন দলীয় পতাকা। এরপর বিকেলেই নন্দীগ্রামের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয় তাঁর নাম। একসময় যে কিনা শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ ছিলেন সেই এখন শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ হয়ে ভোট ময়দানে নামবেন। এ বার দেখার পালা নিজের ঘুঁটি কী ভাবে সাজান পবিত্র। তবে তৃণমূল ইতিমধ্যেই বলতে শুরু করে দিয়েছে, এ বার নন্দীগ্রামে খেলা হবে, বিরাট খেলা হবে, বইবে সবুজ ঝড়।

  • নন্দীগ্রামে পবিত্র, ভবানিপুরে মমতা! ২৯১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল TMC

    নন্দীগ্রামে পবিত্র, ভবানিপুরে মমতা! ২৯১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল TMC

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মাস গড়ালেই বিধানসভা নির্বাচন বাংলায়। গতকাল বিজেপি এবং বামফ্রন্ট তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। আর সেই তালে তাল মিলিয়ে আজ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ২৯১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল (TMC Candidate List)। একদিকে ভবানীপুরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে নন্দীগ্রামেও রয়েছে চমক। কারণ, সেখানেও লড়ছেন শুভেন্দু। আবার সেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককেই হাবড়ার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করা হল। কোন আসনে কাকে প্রার্থী করল শাসকদল? জানুন।

    তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ঘোষণা

    শাসকদল এবার রাজ্যের মোট ২৯১টি আসনে তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। প্রত্যেকটি বিধানসভা অনুযায়ী প্রার্থী তালিকা নিচে তুলে ধরা হল—

    • অশোকনগর- নারায়ণ গোস্বামী
    • আলিপুরদুয়ার- সুমন কাঞ্জিলাল
    • উত্তরপাড়া- শীর্ষান্ন বন্দ্যোপাধ্য়ায়
    • উলুবেড়িয়া পূর্ব- ঋতব্রত
    • কান্দি- অপূর্ব সরকার
    • কামারহাটি- মদন মিত্র
    • কালিগঞ্জ- পার্থপ্রতিম রায়
    • করিমপুর- সোহম চক্রবর্তী
    • কুশমণ্ডি- রাজীব তিরকে (কুমারগঞ্জ)
    • কোচবিহার উত্তর- পার্থপ্রতিম রায়
    • কলকাতা পোর্ট- ফিরহাদ হাকিম
    • করিমপুর- সোহম
    • কান্দি- অপূর্ব সরকার
    • খড়গপুর (ডেবরা)- রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গোপালপুর (রাজারহাট)- অদিতি মুন্সি
    • চাঁচল-মালদা- প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়
    • চোপড়া- হামিদুল রহমান
    • চুঁচুডা- দেবাংশু ভট্টাচার্য
    • দিনহাটা- উদয়ন গুহ
    • ডোমকল- হুমায়ুন কবীর
    • ডায়মন্ড হারবার- পান্নালাল হালদার
    • ডেবরা- রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তালিগঞ্জ- অরূপ বিশ্বাস
    • ধূপগুড়ি- ড. নির্মল রায়
    • নন্দীগ্রাম- পবিত্র কর
    • নওদা- বাইরন বিশ্বাস
    • নাটাবাড়ি- শৈলেন বর্মা
    • নোয়াপাড়া- তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য
    • পাঁচলা- গুলশন মল্লিক
    • পলাশিপাড়া- রুকবানুর রহমান
    • বারুইপুর পশ্চিম- বিমান বন্দোপাধ্যায়
    • বারুইপুর পূর্ব- বিভাস সর্দার
    • ব্যারাকপুর- রাজ চক্রবর্তী
    • বালুরঘাট- অর্পিতা ঘোষ
    • বেহালা পশ্চিম- রত্না চট্টোপাধ্যায়
    • বেলেঘাটা- কুণাল ঘোষ
    • বরানগর- মদন মিত্র
    • ভবানীপুর- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    • ভাটপাড়া- অমিত গুপ্তা
    • ভাঙড়- শওকত মোল্লা
    • মানিকতলা- শ্রেয়া পাণ্ডে
    • মাথাভাঙা- সাধু বর্মন
    • মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি- শঙ্কর মালাকার
    • মেখলিগঞ্জ- পরেশ অধিকারী
    • মোথাবাড়ি- মহম্মদ নজরুল ইসলাম
    • রানাঘাট- রানা চট্টোপাধ্যায়
    • রামনগর- অখিল গিরি
    • রায়গঞ্জ- কৃষ্ণ কল্যাণী
    • রাজারহাট-নিউটাউন- তাপস চট্টোপাধ্যায়
    • শিলিগুড়ি- গৌতম দেব
    • শীতলকুচি- হরিহর দাস
    • সাগরদিঘি- বাইরন বিশ্বাস
    • সবং- মানস ভুঁইয়া
    • সিঙ্গুর- বেচারাম মান্না
    • সোনারপুর উত্তর- ফিরদৌসি বেগম
    • সোনারপুর দক্ষিণ- অরুন্ধুতী মৈত্র
    • হাবড়া- জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক
    • হাওড়া উত্তর- গৌতম চৌধুরী
    • হরিরামপুর- বিপ্লব মিত্র
    • বরানগর- সায়ন্তিকা
  • নন্দীগ্রামে মমতার আঘাতপ্রাপ্ত খুঁটিতে ধূপ-ধুনো! প্রচার শুরু বিজেপির, ভাইরাল ভিডিও

    নন্দীগ্রামে মমতার আঘাতপ্রাপ্ত খুঁটিতে ধূপ-ধুনো! প্রচার শুরু বিজেপির, ভাইরাল ভিডিও

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বহু জল্পনা এবং প্রতীক্ষার পর অবশেষে গত রবিবার কমিশন রাজ্যে দুই দফায় নির্বাচনের দিন (West Bengal Election 2026) ঘোষণা করল। ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণের পর ৪ মে প্রকাশ্যে আসবে ফলাফল। এমতাবস্থায় গতকাল প্রকাশ্যে এল বিজেপির প্রার্থীদের তালিকা। ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম (Nandigram) থেকে দাঁড়াতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নাম ঘোষণায় আনন্দে মেতে উঠেছেন কর্মীরা। এমতাবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঘাতপ্রাপ্ত খুঁটিতে পুজো করে নন্দীগ্রামে প্রচার শুরু করে বিজেপি। ভাইরাল সেই ভিডিও।

    নন্দীগ্রামে খুঁটি পুজো বিজেপি কর্মীদের

    রবিবার কমিশনের নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে শুরু হয়ে যায় দেওয়াল লিখন। যদিও তখনও অফিসিয়ালি ঘোষণা হয়নি তাঁর নাম। তবে পরে নাম ঘোষণা হতেই উল্লাসে মেতে ওঠেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। ব্যান্ড পার্টি নিয়ে দলের পতাকা ওড়াতে ওড়াতে সোজা চলে যান নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজারে। সেখানে যে খুঁটিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই খুঁটিতে ধূপকাঠি জ্বালিয়ে পুজো করতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীদের। পুজো দেওয়ার পাশাপাশি জয় শ্রীরাম স্লোগানও দেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই সেই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি।

    কী কারণে এই খুঁটি পুঁজো?

    গতবার বিধানসভা নির্বাচনের সময় নন্দীগ্রামের ওই খুঁটিতে পায়ে আঘাত লেগেছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পায়ে প্লাস্টার নিয়েই রাজ্যজুড়ে ভোটের প্রচার করেছিলেন তিনি। যদিও বিজেপির নেতাদের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘নাটক’ করেছিলেন। তাতেও লাভ হয়নি তাঁর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শাসক দলকে মোক্ষম জবাব দিতে সোমবার রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আঘাতপ্রাপ্ত খুঁটিতে পুজো করে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে প্রচার শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। তুমুল ভাইরাল হয় সেই ভিডিও। আর তাতেই রাজনৈতিক তরজা চরম আকার নেয়।

    আরও পড়ুন: পরিচারিকাতে ভরসা বিজেপির, আউশ গ্রামের পদ্মের প্রার্থী কলিতা মাজির নাম বিচারাধীন

    খুঁটিপুজো প্রসঙ্গে তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি প্রলয় পাল বলেন ‘মেদিনীপুরে ছেলে শুভেন্দু অধিকারী এবার নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও প্রার্থী হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী যেখানেই দাঁড়ান না কেন আমাদের নেতা তাঁকে বিদায় জানাবেন। রীতি অনুযায়ী সনাতন ধর্মের মানুষ কিছু শুভ কাজ করার আগে খুঁটি পুজো করে। আমরা তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেই খুঁটিতে আঘাত পেয়েছিলেন, সেই খুঁটিতে পুজো করে শুভ কাজ শুরু করলাম।” অন্যদিকে ওই জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুজিত রায় বলেন, “যে বিজেপি নেতা খুঁটি পুজো করছেন তিনি মহিলাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ কথা বলেন। তাঁরাই শুভেন্দুর সম্পদ। এই নির্বাচনে মহিলারা বিজেপিকে উচিত শিক্ষা দেবেন।”

  • এই কারণেই ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী! ফাঁস মেগা প্ল্যান

    এই কারণেই ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী! ফাঁস মেগা প্ল্যান

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আরও একটা বিধানসভা ভোটের (Bengal Election 2026) ঘোষণা হয়ে গেল। ভোট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সামনে এসেছে বিজেপি ও বামেদের প্রার্থী তালিকাও। তবে তালিকা প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখ আটকে গিয়েছে নাম এবং কেন্দ্রের দিকে। সেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary)। প্রত্যাশা মতো নন্দীগ্রামে তাঁকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। কিন্তু আসল চমক তো বাকি রয়েছে, আর সেটা হল, স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হটস্পট বা বলা ভালো বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরেও শুভেন্দুকেই প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। অর্থাৎ ২৬-এ বিজেপির নয়া স্ট্র্যাটেজি। আর এই রণনীতি স্বাভাবিকভাবেই অবাক করেছে সকলকে। অবশ্য অনেকে বলতে শুরু করেছেন, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) হারাতে পারে একজনই, আর সেটা হল তৃণমূলের ভাষায় ‘গদ্দার’ শুভেন্দু অধিকারী।

    প্রশ্ন উঠছে, শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কাউকে রিস্ক নিতে পারছে না বিজেপি? অবশ্য বিজেপির প্রার্থী তালিকা দেখে সেটাই মনে হচ্ছে। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের ফলাফল কারোর অজানা  নয়। সকলকে চমকে দিয়ে হুইলচেয়ারে থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে নন্দীগ্রাম দখল করেন শুভেন্দু। সেক্ষেত্রে হয়তো এবার ২৬-এর ভোটে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও শুভেন্দুকে প্রার্থী করে মানুষের মন ও বিশ্বাস বাজিয়ে দেখতে চাইছে বিজেপি বলে মনে করছে বিশিষ্ট মহল।

    যদিও নন্দীগ্রামে ২১-এর বিধানসভা ভোটের ফলাফলে কারচুপি ছিল বলে জানিয়েছিলেন একদা বিজেপি নেতা এবং পরবর্তীকালে তৃণমূল নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ঘাসফুলে যোগ দিয়ে জানিয়েছিলেন কীভাবে শুভেন্দু অধিকারী সেখানে ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বৈরথ দেখেছিল গোটা পশ্চিমবঙ্গ। পা ভেঙে হুইলচেয়ারে বসেও নন্দীগ্রাম জিততে ব্যর্থ হন মমতা। ভোটগণনায় নাটকীয় সব ঘটনার পর শেষ পর্যন্ত ১,৯৫৬ ভোটে জয়ী হন বিজেপির শুভেন্দু।

    আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    এখনও অবধি তৃণমূলের কিন্তু প্রার্থী তালিকা প্রকাশ পায়নি। আজ ১৭ মার্চ তালিকা প্রকাশ করতে পারে ঘাসফুল শিবির বলে খবর। সেখানে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই বিজেপির তরফে ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীকে দাঁড় করানোকে অনেকে মোক্ষম চাল বলছেন তো আবার অনেকে বোকামিও বলতে শুরু করেছেন। বোকামি কেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদৌ ভবানীপুর থেকে ভোটে দাঁড়াবেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছেন। শুরু হয়েছে নানান জল্পনা কল্পনা।

    এই কারণেই ভবানীপুরে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী!

    এখন আরও একটা প্রশ্ন বারবার উঠছে, শুভেন্দুর ইচ্ছে ছিল নাকি দলের ইচ্ছে ছিল তাঁকে ভবানীপুরে ভোটে দাঁড় করানোর? সূত্রের খবর, বিজেপি যথা সম্ভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের কেন্দ্র ব্যস্ত রাখার জন্য পরিকল্পনা করেছে। এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না তৃণমূলের ভোট মানেই হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দেওয়া। মানুষ দল নয়, তাঁকে দেখেই ভোট দেন, সেটা অনেক নেতা সাংসদও স্বীকার করেছে। অনেকে এও বলছেন, নন্দীগ্রামে যেহেতু শুভেন্দু ‘ভূমিপুত্র’ তাই কিছুটা হলেও হালে পানি পেয়ে মমতাকে হারাতে পেরেছিলেন। কিন্তু ভবানীপুর হল মমতার নিজের জায়গা। যাকে বলে তিনি হলেন সেখানকার ‘ঘরের মেয়ে’। সেক্ষেত্রে শুভেন্দু কতটা কী করতে পারবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যাইহোক, মানুষ এখন মুখিয়ে থাকবেন ‘ভূমিপুত্র’ বনাম ‘ঘরের মেয়ে’র লড়াই কেমন হয় তা জানা ও দেখার জন্য।

     

  • নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুদফায় রাজ্যে হতে চলেছে ভোট। আর এই ভোটের আবহে ইতিমধ্যেই বাম এবং বিজেপি শিবির প্রকাশ্যে এনেছে বিধানসভা কেন্দ্রগুলোতে প্রার্থীদের তালিকা। এমতাবস্থায় চর্চায় উঠে এসেছে নন্দীগ্রাম (Nandigram), সোমবার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর দেখা গেল, ভবানীপুরের পর শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সেখান থেকেও বিজেপির হয়ে দাঁড়াতে চলেছেন। আর সেখানেই প্রশ্ন উঠছে তাহলে প্রতিপক্ষ হয়ে কে উঠে আসছে? জল্পনায় উঠে এল বিশেষ নাম।

    নন্দীগ্রামে বিজেপির হয়ে দাঁড়াবেন শুভেন্দু

    ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সংখ্যা জাহির করে প্রায়ই নিজের শ্লাঘার কথা বলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবারেও শুভেন্দু দাবি করেছেন যে ২০২১-এ তাঁর কাছে নন্দীগ্রামে যেভাবে হারতে হয়েছিল মমতাকে, ভবানীপুরে তার পুনরাবৃত্তি হবে। আবার হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের আসন খড়্গপুর সদর থেকে দিলীপ ঘোষ টিকিট পেলেন। অন্যদিকে অভিনেতা-রাজনীতিবিদ রুদ্রনীল ঘোষকে শিবপুর থেকে প্রার্থী করল বিজেপি। কিন্তু এবার প্রশ্ন উঠছে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের তরফে কে দাঁড়াবে। আর তাতেই শোনা যাচ্ছে প্রদীপ করের নাম।

    কে হবে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ?

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ, মঙ্গলবার ২৯৪টি বিধানসভার আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে তৃণমূল। তখনই দেখা যাবে কোন কেন্দ্রে কাকে বসাতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাজনীতি বিশ্লেষকদের ধারণা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খোদ দাঁড়াবেন নয়তো এমন একজনকে দাঁড় করাবেন যে বিজেপিকে বড় আঘাত করতে পারে। এদিকে এসবের মাঝে আজ তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন নন্দীগ্রাম দুই ব্লকের বিজেপি নেতা পবিত্র কর। যে কিনা শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁকেও হয়ত এবার শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ হিসেবে নন্দীগ্রামে দাঁড় করানো হতে পারে।

    আরও পড়ুন: ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটে! প্রকাশ্যে গঙ্গাসাগর সেতুর প্রথম নকশা, শুরু নির্মাণ কাজ

    আসলে কিছুদিন আগেই আইপ্যাকের সঙ্গে পবিত্র করের গোপন বৈঠকে বোঝা গেছিল এবার দলবদলের পালা তাঁর। যদিও কোনও পক্ষই অবশ্য এই বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি। নন্দীগ্রাম বিধানসভা দু’টি ব্লক নিয়ে গঠিত, তার মধ্যে নন্দীগ্রাম ২ ব্লকেই বিজেপি এগিয়ে। আর সেই ব্লকেরই বাসিন্দা পবিত্র কর। এলাকায় তাঁর যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে। মুখে মৃদু হাসি নিয়ে কাজ করে যান সকলের জন্য। বেশি প্রচারে থাকেন না কোনওদিনই। সেই জন্য কেউ কেউ তাঁকে, নন্দীগ্রাম দুই ব্লকের ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলে। এবার দেখার পালা কাকে কোন কোন কেন্দ্রে দাঁড় করায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে শুভেন্দু! প্রথম দফায় ১৪৪ আসনে প্রার্থীর তালিকা দিল বিজেপি

    নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে শুভেন্দু! প্রথম দফায় ১৪৪ আসনে প্রার্থীর তালিকা দিল বিজেপি

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ২০২৬ বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। বামফ্রন্টের পর বিজেপি তাদের প্রার্থী ঘোষণা করল (BJP Candidate List)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরে প্রার্থী হলেন শুভেন্দু। এমনকি ২৬ এর বিধানসভায় নন্দীগ্রামেও প্রার্থী হয়েছেন তিনি। জল্পনাতেই পড়ল সিলমোহর। জানা যাচ্ছে, প্রথম দফায় ১৪৪ আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি।

    বিজেপি প্রার্থী তালিকা

    বিজেপির প্রকাশ করা ১৪৪ জনের তালিকা হল—

    • অশোকনগর – শ্রী তনয় ভট্টাচার্য
    • আউশগ্রাম – শ্রীমতী কলিতা মাঝি
    • আমডাঙা – শ্রী অরিন্দম দে
    • আমতা – শ্রী অমিত সামন্ত
    • আরামবাগ – শ্রী হেমন্ত বাগ
    • আসানসোল উত্তর – শ্রী কৃষ্ণেন্দু মুখার্জী
    • আসানসোল দক্ষিণ – শ্রীমতী অগ্নিমিত্রা পাল
    • আলিপুরদুয়ার – শ্রী পরিতোষ দাস
    • ইন্দাস – শ্রী নির্মল কুমার ধারা
    • উলুবেড়িয়া দক্ষিণ – স্বামী মঙ্গলাণন্দ পুরী মহারাজ
    • ওন্দা – শ্রী অমরনাথ শাখা
    • করাণদিঘি – অ্যাড. বিরাজ বিশ্বাস
    • করিমপুর – শ্রী সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ
    • কালচিনি – শ্রী বিশাল লামা
    • কালিয়াগঞ্জ – শ্রী উৎপল মহারাজ
    • কালীগঞ্জ – শ্রী বাপন ঘোষ
    • কাশীপুর – শ্রী কমলাকান্ত হাঁসদা
    • ক্যানিং পূর্ব – শ্রী অসীম সপুই
    • কাকদ্বীপ – শ্রী দীপংকর জানা
    • কুমারগঞ্জ – শ্রী সুভেন্দু সরকার
    • কুমারগ্রাম – শ্রী মনোজ কুমার ওঁরাও
    • কুলতলী – শ্রী মাধবী মহালদার
    • কুলটি – শ্রী অজয় কুমার পোদ্দার
    • কুশমণ্ডি – শ্রী তাপস চন্দ্র রায়
    • কেতুগ্রাম – শ্রী অনাদি ঘোষ (মথুরা)
    • কেশপুর – শ্রী শুভেন্দু সামন্ত
    • কেশিযারী – শ্রী ভাদ্রা হেমব্রম
    • কোতুলপুর – শ্রী লক্ষ্মীকান্ত মজুমদার
    • কোচবিহার উত্তর – শ্রী সুকুমার রায়
    • খড়গপুর – শ্রী তপন ভূঁইয়া
    • খড়্গপুর সদর – শ্রী দিলীপ ঘোষ
    • খানাকুল – শ্রী সুশান্ত ঘোষ
    • গঙ্গারামপুর – শ্রী সত্যেন্দ্র নাথ রায়
    • গাজোল – শ্রী চিন্ময় দেব বর্মন
    • ঘাটাল – শ্রী শীতল কপাট
    • চন্দ্রকোনা – শ্রী সুকান্ত দলুই
    • চাকদহ – শ্রী বঙ্কিম চন্দ্র ঘোষ
    • চাকুলিয়া – শ্রী মনোজ জৈন
    • চাঁচল – শ্রী রতন দাস
    • ছাতনা – শ্রী সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়
    • জলঙ্গী – শ্রী নবা কুমার সরকার
    • জামুরিয়া – ডা. বিজন মুখার্জী
    • জামালপুর – শ্রী অরুণ হালদার
    • ঝাড়গ্রাম – শ্রী লক্ষ্মীকান্ত সাহু
    • ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি – শ্রীমতী শিখা চ্যাটার্জী
    • ডায়মন্ড হারবার – শ্রী দীপক কুমার হালদার
    • ডোমকল – শ্রী নন্দ দুলাল পাল
    • ডোমজুড় – শ্রী গোবিন হাজরা
    • ডেবরা – শ্রী শুভাশীষ ওম
    • তপন – শ্রী বুধরাই টুডু
    • তারকেশ্বর – শ্রী সন্তু পান
    • তালডাংরা – শ্রী সৌভিক পাত্র
    • তুফানগঞ্জ – শ্রীমতী মালতী রাভা রায়
    • দিনহাটা – শ্রী অজয় রায়
    • দুর্গাপুর পশ্চিম – শ্রী লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘোড়ুই
    • দুর্গাপুর পূর্ব – শ্রী চন্দ্র শেখর ব্যানার্জী
    • দুবরাজপুর – শ্রী অনুপ কুমার সাহা
    • দেগঙ্গা – শ্রী তরুণ কান্তি ঘোষ
    • দাঁতন – শ্রী অজিত কুমার জানা
    • দাসপুর – শ্রী তপন দত্ত
    • নানুর – শ্রী খোকন দাস
    • নাগরাকাটা – শ্রী পুনা ভেংরা
    • নয়াগ্রাম – শ্রী অমিয়া কিস্কু
    • নারায়ণগড় – শ্রী রাম প্রসাদ গিরি
    • নন্দীগ্রাম – শ্রী শুভেন্দু অধিকারী
    • নওদা – শ্রী রাণা মণ্ডল
    • নৈহাটি – শ্রী সৌমিত্র চ্যাটার্জী
    • পটাশপুর – শ্রী তপন মাইতি
    • পাণ্ডবেশ্বর – শ্রী জিতেন্দ্র কুমার তিওয়ারী
    • পাথরপ্রতিমা – শ্রী অসিত কুমার হালদার
    • পাঁশকুড়া পশ্চিম – শ্রী সিন্টু সেনাপতি
    • পাঁশকুড়া পূর্ব – শ্রী সুব্রত মাইতি
    • পুরশুড়া – শ্রী বিমান ঘোষ
    • পলাশীপাড়া – শ্রীমতী অনিমা দত্ত
    • ফালাকাটা – শ্রী দীপক বর্মন
    • ফাঁসিদেওয়া – শ্রী দুর্গা মুর্মু
    • বজ বজ – ডা. তরুণ কুমার আদক
    • বড়জোড়া – শ্রী বিলেশ্বর সিংহা
    • বহরমপুর – শ্রী সুব্রত মিত্র
    • বাসন্তী – শ্রী বিকাশ সর্দার
    • বাদুড়িয়া – শ্রী সুকৃতি সরকার
    • বালুরঘাট – শ্রী বিদ্যুৎ রায়
    • বিনপুর – ডা. প্রণত টুডু
    • বিষ্ণুপুর – শ্রী অগ্নীশ্বর নস্কর
    • বেলডাঙা – শ্রী ভরত কুমার ঝাওর
    • বোলপুর – শ্রী দিলীপ কুমার ঘোষ
    • ভাটপাড়া – শ্রী পবন কুমার সিং
    • ভাতার – শ্রী সৌমেন করফা
    • ভগবানগোলা – শ্রী ভাস্কর সরকার
    • ভবানীপুর – শ্রী শুভেন্দু অধিকারী
    • ময়না – শ্রী অশোক ডিন্ডা
    • ময়ূরেশ্বর – শ্রী দুধ কুমার মণ্ডল
    • মন্তেশ্বর – শ্রী সৈকত পাঁজা
    • মেটিয়াবুরুজ – শ্রী বীর বাহাদুর সিং
    • মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি – শ্রী আনন্দময় বর্মন
    • মানিকচক – শ্রী গৌর চন্দ্র মণ্ডল
    • মানবাজার – শ্রীমতী মৈনা মুর্মু
    • মালদহ – শ্রী গোপাল চন্দ্র সাহা
    • মালতীপুর – শ্রী আশীষ দাস
    • মুর্শিদাবাদ – শ্রী গৌরী শংকর ঘোষ
    • মোথাবাড়ি – শ্রী নিবারণ ঘোষ
    • রঘুনাথপুর – শ্রীমতী মামনি বাউরি
    • রঘুনাথগঞ্জ – শ্রী সুরজিৎ পোদ্দার
    • রতুয়া – শ্রী অভিষেক সিংঘানিয়া
    • রানাঘাট উত্তর পশ্চিম – শ্রী পার্থসারথী চ্যাটার্জী
    • রানাঘাট উত্তর পূর্ব – শ্রী অসীম বিশ্বাস
    • রাসবিহারী – শ্রী স্বপন দাস গুপ্তা
    • রায়গঞ্জ – শ্রী কৌশিক চৌধুরী
    • রায়দিঘি – শ্রী পলাশ রাণা
    • রায়না – শ্রী সুভাষ পাত্র
    • রানীবাঁধ – শ্রী ক্ষুদিরাম টুডু
    • রামনগর – শ্রী চন্দ্র শেখর মণ্ডল
    • রাইপুর – শ্রী ক্ষেত্র মোহন হাঁসদা
    • রেজিনগর – শ্রী বাপন ঘোষ
    • লালগোলা – শ্রী অমর কুমার দাস
    • বরানগর – শ্রী সজল ঘোষ
    • শালতোড়া – শ্রীমতী চন্দনা বাউরি
    • শালবনী – শ্রী বিমান মাহাতো
    • শীতলকুচি – শ্রীমতী সাবিত্রী বর্মন
    • শিবপুর – শ্রী রুদ্রনীল ঘোষ
    • শিলিগুড়ি – ডা. শংকর ঘোষ
    • সবং – শ্রী অমল পান্ডা
    • সোনামুখী – শ্রী দিবাকর ঘরামী
    • সুজাপুর – শ্রী অভিরাজ চৌধুরী
    • সুতি – শ্রী মহাবীর ঘোষ
    • সিউড়ী – শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়
    • সপ্তগ্রাম – শ্রী স্বরাজ ঘোষ
    • হরিণঘাটা – শ্রী অসীম কুমার সরকার
    • হরিহরপাড়া – শ্রী তন্ময় বিশ্বাস
    • হরিরামপুর – শ্রী দেবব্রত মজুমদার
    • হাবিবপুর – শ্রী জোয়েল মুর্মু
    • হাসন – শ্রী নিখিল ব্যানার্জী
    • হাওড়া উত্তর – শ্রী উমেশ রায়