Tag: Supreme Court of India

  • চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একহাতে নিল সুপ্রিম কোর্ট!

    চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একহাতে নিল সুপ্রিম কোর্ট!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে এবার রাজ্যকে ভৎসনা সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court On Chingrighata Metro)। সোমবার, মেট্রোর বকেয়া কাজ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করেনি দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চে ওঠে মামলা। আর তারপরেই রাজ্য সরকারকে মামলা তুলে নিতে বলে আদালত। অন্যথায় গোটা মামলাটি খারিজ করে দেওয়ার কথাও জানান বিচারপতিরা।

    চিংড়িঘাটা মেট্রোর বকেয়া কাজ নিয়ে রাজ্যকে কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    এর আগে চিংড়িঘাটা মেট্রোর অবশিষ্ট অংশের কাজ নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ। সেই অভিযোগের পরপরই কলকাতা হাইকোর্ট বকেয়া কাজ শেষ করার জন্য রাজ্য সরকারকে সময় বেঁধে দিয়েছিল। এদিকে রাজ্যের তরফে উচ্চ আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোটে মামলা হয়। সোমবার সেই মামলা নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি একেবারে খোলাখুলি জানিয়ে দিলেন, “সাধারণ মানুষের প্রকল্প নিয়ে রাজনীতি করবেন না। হাইকোর্ট যা নির্দেশ দিয়েছে, যেভাবে সময় বেঁধে দিয়েছে সেভাবেই কাজ করতে হবে।”

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে বহাল রেখেই সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ সরকার যে অবস্থানে রয়েছে তা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে গাফিলতিকে ইঙ্গিত করে। এটা একপ্রকার উন্নয়ন আটকানোর জেদ। এদিন চিংড়িঘাটার বকেয়া কাজ নিয়ে রাজ্যের তরফে করা মামলা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। রাজ্য পক্ষের আইনজীবীকে সরাসরি উচ্চ আদালতের বিচারপতি জানান, “কখনও উৎসব চলছে, কখনও পরীক্ষা, কখনও আবার নির্বাচন দেখানো হচ্ছে। সুযোগ দিচ্ছি মামলা এখনই তুলে নিন। না হলে খারিজ করে দেব।”

    অবশ্যই পড়ুন: আবারও IPL দেখবে ওপার বাংলা, নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে বাংলাদেশ!

    উল্লেখ্য, মাত্র 316 বর্গমিটার অংশের জন্য আটকে রয়েছে চিংড়িঘাটা মেট্রোর কাজ। এই অংশের জন্যই নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের সম্প্রসারণ করা যাচ্ছে না। চিংড়িঘাটা মোড়ের এই অংশের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হলে সাময়িকভাবে বাইপাসে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। তবে অভিযোগ, রাজ্যের কাছে অনুরোধ জানানো সত্বেও অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। ফলে একই জায়গায় আটকে রয়েছে মেট্রো প্রকল্পের কাজ।

  • নতুন চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, ফের সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে DA মামলা

    নতুন চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, ফের সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে DA মামলা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে ফের চাপ বাড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। কীসের চাপ? ডিএ নিয়ে নতুন চাপ (Bengal DA Case) তৈরি হতে পারে সরকারের বলে খবর। একদিকে যখন বাংলায় নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে, তখন অন্যদিকে সরকারি কর্মীদের ডিএ সংক্রান্ত লড়াইও কিন্তু জারি রয়েছে। একদিকে যখন শাসক দলে ভোটের কাজে ব্যস্ত, গতখন অন্যদিকে সুদ সহ ডিএ ফেরানোর মামলা করতে চলেছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। কানাঘুষো এমনটাই শোনা যাচ্ছে।

    DA মামলায় নয়া পদক্ষেপ নিতে পারে সরকারি কর্মীরা

    সরকারের অর্থ দফতরের তরফে ইতিমধ্যে বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল অবধি বকেয়া ডিএ দুই কিস্তিতে মেটানো হবে। একটা চলতি মার্চ মাসে অন্যটি সেপ্টেম্বর মাসে। বাকি টাকা কবে কীভাবে মেটানো হবে তা পরবর্তীকালে জানানো হবে। অর্থাৎ মাত্র ৪৮ মাসের টাকা মেটানোর ঘোষণা করেছে সরকার। তাও আবার সকলে নিজেদের ব্যাঙ্কে পাবেন না কিন্তু। সরকার জানিয়েছে, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। এখন মনে হচ্ছে, এই বিষয়টিই সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশনভোগীরা হজম করতে পারছেন না। ফলে আরও এক পদক্ষেপ নিতে চলেছেন সকলে। যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের তরফে নাকি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হচ্ছে, ২০০৮ থেকে ২০১৬ সাল অবধি সরকার যাতে বকেয়া ডিএ সুদ সহ দেয় সেই ব্যবস্থা করতে। এই নিয়ে এবার মুখ খুললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ।

    আরও পড়ুনঃ ভাড়া কমল উত্তরবঙ্গগামী এই ট্রেনের

    তিনি জানালেন, ‘মামলার শুনানির দিন আমাদের আইনজীবীকে দিয়ে আদালতকে সুদের বিষয়টি বলা করানো হয়েছিল। কম্পাউন্ড সুদ যাতে দেওয়া হয়, সেই আবেদন আমরা জানিয়েছিলাম শীর্ষ আদালতে। পরবর্তীকালে আমরা দেখি এই বিষয়টি খারিজ হয়নি। ফলে এখন ২০০৮ থেকে ২০১৬ সালের বকেয়া ডিএর সঙ্গে সুদটাও আদায় করা যায় কিনা তা নিয়ে আমরা আমাদের সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করছি। তিনি যা মতামত দেবেন আমরা সেই অনুযায়ীই এগিয়ে যাবো।’

  • ‘অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী …’  মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    ‘অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী …’ মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে বেশ তৎপর হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করছে একেকটা রাজনৈতিক দল। আর এই অবস্থায় ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল আইপ্যাক মামলা (IPAC ED Case)। আর এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কাণ্ডকারখানাকে ভালো চোখে দেখল না সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। অন্যদিকে বুধবার শুনানি শুরু হতেই জবাব দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চাইল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। যার বিরোধিতা করেন কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।

    মুখ্যমন্ত্রীর পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    বুধবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়া বেঞ্চে ফের সময় চেয়ে আবেদন জানান রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। তাতে সলিসেটর জেনারেল তুষার মেহেতার বক্তব্য, “সময় নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ।” ইতিমধ্যেই রাজ্যকে যে আদালত চার সপ্তাহ সময় দিয়ে দিয়েছে, তা স্মরণ করান বিচারপতি। পাশাপাশি এদিন শীর্ষ আদালত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গে জানায়, “ED-র তদন্তে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর ঢুকে পড়াটা অনভিপ্রেত। যদি আর্টিকেল ৩২ বা আর্টিকেল ২২৬ অনুযায়ী মামলা করা না যায়, তাহলে কী করা যাবে? ভবিষ্যতে যদি অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রীও এ ভাবে অন্য কোনও দফতরে প্রবেশ করেন, তখন তার বিচার কী ভাবে হবে?”

    প্রশ্নের মুখে ED-র মৌলিক অধিকার

    উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নথি চুরির অভিযোগ এনেছিল ED। এর আগে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা পেশ করেছিল ED। হলফনামায় ইডি-র তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, “নথি নেওয়ার আগে কোনও তদন্তকারী আধিকারিকের অনুমতি নেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে নথিগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা তৃণমূলের নাকি কয়লাপাচারের সে সম্পর্কে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। এছাড়াও ED এও দাবি করেছিল যে ইডি র আধিকারিকদের কাজে বাধা দিয়ে এবং তাদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৩১ মার্চের পর শুধু আধার দিয়ে বানানো যাবে না প্যান কার্ড! কী কী লাগবে জানুন

    মামলা করার প্রসঙ্গে আজ, শুনানির সময় রাজ্যের তরফে বলা হয়, “আমরা বলছি, কেন্দ্রীয় সরকার এক্ষেত্রে মামলা করতে পারে। কিন্তু কোন দপ্তর নয় বা CID বা ইডির মত সংস্থা নয়। যদি তারা করেন, তাহলে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫ ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ গঠন করে এ ধরনের সংস্থার ক্ষমতা এক্তিয়ার সব নতুন করে ঠিক করতে হবে।” এছাড়াও এদিন শুনানি শুরু হতেই ED-র জবাব দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী।, আর তাতে সায় দিল আদালত।

  • বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Bengal DA Issue) বা মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে সরকার জারি করেছে নয়া বিজ্ঞপ্তি। কবে থেকে এবং কত দফায় এই বকেয়া পরিশোধ করা হবে তা বিজ্ঞপ্তি জারি করে সকলের সামনে তুলে ধরেছে রাজ্য অর্থ দফতর। যদিও এতে সরকারের নতুন চালাকি দেখছেন সরকারি কর্মীরা। এই ইস্যুতে বড় তথ্য দিয়েছেন কনফেডারেশন অব স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    DA নিয়ে সরকারের নতুন চালাকি?

    তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘ডিএ নোটিফিকেশন প্রেক্ষিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার এপ্রিল ২০০৮ – ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত DA/DR বকেয়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সরকার প্রথম ধাপে জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ সময়ের বকেয়া দেওয়া হবে। এবং এই টাকা দুটি সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে –১ম কিস্তি মার্চ ২০২৬ এবং ২য় কিস্তি সেপ্টেম্বর ২০২৬। বলা হয়েছে গ্রুপ A, B, C কর্মচারীদের টাকা GPF account-এ জমা করা হবে। তবে Group D কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। চালাকি এখানে বলা হয়েছে, ২০০৮–২০১৫ সময়ের DA বকেয়া দেওয়ার নিয়ম পরে জানানো হবে। যা সর্বোচ্চ আদালতের পরিপন্থি। আমরা, সরকার যে আদালতের নির্দেশের মান্যতা দেয়নি তা আবারও সর্বোচ্চ আদালতে তুলে ধরবো।’

    আরও পড়ুনঃ কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    কেউ কেউ বলছেন, দয়া করে ১২.৫% হারে সুদের কথাটা তুলে ধরবেন। এতবছর ধরে টাকা গুলো সরকার খাটিয়ে নিল,তার তো একটা সুদ আছে। সুতরাং সুদসহ ফেরত দিতে হবে। একজন লিখেছেন, ‘এতো বছর পর এত টালবাহানা র পর টাকা GPF এ কেনো নেবো? তাও ২ বছর পর তোলা যাবে. মামার বাড়ি আব্দার স্যালারি অ্যাকান্ট এই দেওয়ার কথা তুলে ধরুন প্লিজ।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট কি আগে ২০১৬ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত আগ দিয়ে পরে ২০০৮ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত পরে দিতে বলেছে? সমস্ত হিসাব করে তার ২৫ শতাংশ দেওয়ার কথা।’

    বিজ্ঞপ্তি জারি সরকারের

    সোমবার রাজ্য অর্থ বিভাগের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সরকার জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত চার বছরের জন্য বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (এআইসিপিআই)-এর ভিত্তিতে বকেয়ার পরিমাণ নির্ভুলভাবে গণনা করা হবে। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই পর্বের বকেয়া দুটি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। প্রথম কিস্তি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রদান করা হবে।

     

  • DA নিয়ে এবার নয়া পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের, ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল কর্মীদের

    DA নিয়ে এবার নয়া পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের, ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল কর্মীদের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (DA) মামলায় খেলা যেন উল্টে গিয়েছে। সরকারি কর্মীদের পর এবার পাল্টা সক্রিয় হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া ডেডলাইনের মধ্যে সরকার কিছুতেই বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা (Dearness allowance) দিতে পারবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। এই সময়সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ অবধি বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে। এই নিয়ে প্রথমে এম-এ পিটিশন, এবার রিভিউ পিটিশন দাখিল করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আর তা নিয়ে নতুন করে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন সাধারণ কর্মচারীরা।

    ডিএ মামলায় রাজ্যের পদক্ষেপে ফের খুব্ধ সরকারি কর্মীরা

    কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক তথা ডিএ মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee) সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। নিজের ফেসবুক পেজে গত ৬ মার্চ সরকারের এমএ পিটিশন এবং গত ৯ মার্চে রিভিউ পিটিশনের একটি স্ক্রিনশট তুলে ধরেন। সেইসঙ্গে সরকারকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেন। তিনি লেখেন, ‘DA মামলা রাজ্য সরকার দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে কি মনে করছেন?’ অর্থাৎ সরকারের ডিএ নিয়ে এরকম মনোভাব সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকদের মধ্যে কত ক্ষোভের সৃষ্টি করছে তা যেন নতুন করে ফুটে উঠেছে তাঁর কথায়।

    এই নিয়ে বহু মানুষের প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে। একজন লিখেছেন, ‘এই মূহুর্তে রাজ্যের অর্থসচিব এবং মুখ্যসচিব কে তলব করে এই টালবাহানার নাটক বন্ধ করে ওনাদের বেতন ফ্রিজ করে দেওয়ার জন্য মাননীয় সর্বোচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রয়োজন।’ অন্য একজন বেশ মজার ছলে লিখেছেন, ‘সুপ্রীম কোর্ট রাজ্য সরকারকে কী মনে করেছে সেটাও তো জানা দরকার! এত আবদার লোক নিজের বৌয়েরও রাখতে পারে না! অপর একজন লিখেছেন, ‘এতদিন বাদে বকেয়া DA দেওয়ার রায় দিলেন বিচারপতিরা কোনো সুদ ছাড়া, এইজন্য এত সাহস পাচ্ছে।’

    আরও পড়ুনঃ ৫২৪টি LPG সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক উধাও! গ্যাসের সংকটের মধ্যেই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঝাঁসিতে

    সরকারের এহেন পিটিশন নিয়ে অন্য আরেকজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘করতেই পারে। যতটা সময় এই করে করে কাটানো যায় আর কি! কিন্তু ওপেন কোর্ট হিয়ারিং সবরিমালা কেসে হয়েছিল। কিন্তু সেই ভারডিক্টে কোনো স্টে নেই। আর ডেথ পেনাল্টি র ক্ষেত্রে ওপেন কোর্ট হিয়ারিং হয়। আর কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই এর। সুতরাং সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তবুও উনি হাল ছাড়বেন না আর কি।’

    কী বলছে সরকার?

    এমনিতেই বকেয়া ডিএ মামলায় নতুন করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সুপ্রিম কোর্টে সরকার জানিয়েছে, এখনই রাজ্যের পক্ষে সকলের বকেয়া মেটানো সম্ভব নয়। যে কারণে আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সাল অবধি সময় দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। এদিকে সরকারের এহেন মন্তব্যে ক্ষোভে ফুঁসছেন সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকরা। তাঁদের অপেক্ষা আরও কত দীর্ঘ হবে? আদৌ টাকাটা মিলবে তো? এই আশঙ্কায় ভুগছেন সকলে।

  • “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আমাদের কি আর কোনও কাজ নেই!” রেগে অগ্নিশর্মা প্রধান বিচারপতি

    “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আমাদের কি আর কোনও কাজ নেই!” রেগে অগ্নিশর্মা প্রধান বিচারপতি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলাকালীন ফের ওঠে বাংলার SIR এর প্রসঙ্গ (Cji Suryakant On West Bengal SIR)। আর তারপরেই আচমকা রেগে যান দেশের শীর্ষ আদালতের (Supreme Court of India) প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারক রাগের বশে একেবারে সরাসরি বলে বসেন, “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টে কি আর কোন কাজ নেই!” প্রশ্ন উঠছে, হঠাৎ কেন বাংলার SIR ইস্যু নিয়ে রেগে অগ্নি শর্মা হলেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত?

    হঠাৎ কেন রেগে গেলেন বিচারপতি?

    LIVE LAW এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার, সুপ্রিম কোর্টে নতুন করে উত্থাপিত হয় বাংলার SIR সম্পর্কিত মামলা। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের বেঞ্চে শুনানি চলাকালীন বঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন মামলার প্রসঙ্গ ওঠে। এদিন রাজ্যের তরফে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মেনকা গুরুস্বামী প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “ভোটার তালিকা থেকে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে তাঁদের নথি রেকর্ড করা হয়নি।”

    সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী জানান, “ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে তাঁরাও তো ভোটার। এর আগে তাঁরাও ভোট দিয়েছেন। কিন্তু এখন তাঁদের নথি গ্রহণ করা হচ্ছে না।” রাজ্য পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কিছুটা থমকে গিয়ে বলেন, “বর্তমানে সুপ্রিমকোর্ট বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের উপর সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে না।” এরপরই রাজ্যের আইনজীবী মেনকা নির্বাচনী আইনের 23 এবং 24 নম্বর ধারা উল্লেখ করে অনুরোধ করেন যাতে এই বিষয়টিকে মূল বিষয়ের সাথে যুক্ত করা হয়।

    অবশ্যই পড়ুন: “ভারত ক্রিকেটটাকেই ধ্বংস করে দিচ্ছে”, সূর্যরা ফাইনাল জিততেই বললেন শোয়েব আখতার

    রাজ্য পক্ষের আইনজীবীর তরফে এমন বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানিয়ে দেন, মঙ্গলবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি। সেদিন শুনানি চলাকালীন এই বিষয়ে উল্লেখ করা যেতে পারে। এদিন রাজ্যপক্ষের সিনিয়র আইনজীবী আবেদনকারীদের তরফে দায়ের করা আরেকটি আবেদন উল্লেখ করেছিলেন। যেখানে দাবি করা হয়েছিল, তাদের ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। কারণ তাঁরা উপস্থিত হতে পারবেন না। এমন বক্তব্য শোনার পরই আচমকা রেগে গিয়ে বিচারপতি সূর্যকান্ত বলে বসেন, “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আমাদের আর কোনও কাজ নেই নাকি। “

  • ‘আরও এক দফায় লড়াই, এবার জিতবেন …’ DA মামলা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী

    ‘আরও এক দফায় লড়াই, এবার জিতবেন …’ DA মামলা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Bengal DA Case) নিয়ে অপেক্ষা এবং লড়াই দীর্ঘ হয়েই চলেছে। আদৌ বকেয়া টাকা মিলবে তো? সেই প্রশ্ন সকলের। এমনিতে যেখানে ৩১ মার্চের মধ্যে রাজ্য সরকারকে ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত, সেখানে তা না করে উল্টে সরকার এখন এমএ পিটিশন দাখিল করে জানিয়েছে, এখনই তাঁদের পক্ষে ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়। আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সাল অবধি সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এরইসঙ্গে সকলের এখন প্রশ্ন, আর কবে তাহলে ডিএ মিলবে? আর কত অপেক্ষা করতে হবে? অবশেষে এই নিয়ে মুখ খুললেন বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য (Bikas Ranjan Bhattacharya)।

    ডিএ নিয়ে ফের লড়াই শুরু?

    এমনিতেই বকেয়া ডিএ নিয়ে বছরের পর বছর ধরে বিক্ষোভ, আন্দোলন করছেন বাংলার সরকারি কর্মীরা। এরপর মাঝে সুপ্রিম নির্দেশে স্বস্তি পেলেও এখন সেই স্বস্তি হতাশায় পরিণত হয়েছে সকলের। তার ওপর গোদের ওপর বিষফোঁড়ার সমান হয়েছে সরকারের নতুন এক তথ্য। সরকার সুপ্রিম কোর্টে যে তথ্য পেশ করেছে সেখানে শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা কর্মীদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া থেকে। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভে ফুঁসছেন সকলে। জায়গায় জায়গায় বিশেষ করে শিক্ষকরা আগামী কয়েকদিনে আন্দোলনের ঘোষণা করেছে। প্রশ্ন উঠছে, সত্যিই কি তাঁরা বকেয়া ডিএ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন? মুখ খুললেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। বিশিষ্ট আইনজীবী জানালেন, ‘অনৈতিকভাবে যদি একটা সরকার চলে, তাঁদের রাজনৈতিক প্রশাসক যদি চূড়ান্ত অরাজনৈতিক হন, তাঁরাই শুধুমাত্র এরকম কৌশলের কথা ভাবতে পারেন।’ তিনি আরও জানান যে আরেক দফা লড়াইয়ে যেতে হবে। অপরদিকে বিশ্লেষক সনময় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন যে, ‘এই লড়াইটা আবারও লড়তে হবে, তবে এবার জিতবেন কর্মচারীরাই।’

    আরও পড়ুনঃ প্রতিমাসে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৭০০০ টাকা! মহিলাদের ক্ষমতায়নে বড় প্ল্যান LIC-র

    কী বলছেন বিশিষ্ট আইনজীবী?

    কর্মচারী ইউনিয়ন মামলা করলেও বিষয় ছিল রোপা রুলস অনুযায়ী ডিএ প্রাপ্য কিনা এবং তা প্রাপ্য হলে কীভাবে তা নির্ধারণ করা হবে। রোপা রুলস অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের যোগ্য সকলেই। কিন্তু এই সরকার সুনীতির পথে যাবেন না, এই সরকার সবসময় দুর্নীতির পথে মানুষকে নিয়ে যেতে পছন্দ করেন। বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ যারা রোপা রুলস অনুযায়ী আওতাভুক্ত তাঁরা ডিএ পাবেন। হয়তো যারা সরাসরি কর্মচারী নন তাঁদের আবার মামলার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।’ অর্থাৎ ডিএ নিয়ে সকলকে আরও এক দফায় লড়াইয়ে সামিল হতে হবে।

     

  • ‘এবার সুপ্রিম কোর্ট দেখাবে অ্যাগ্রেসিভ মনোভাব’, DA মামলায় বড় আপডেট

    ‘এবার সুপ্রিম কোর্ট দেখাবে অ্যাগ্রেসিভ মনোভাব’, DA মামলায় বড় আপডেট

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ উপেক্ষা আর উপেক্ষা। এই বকেয়া ডিএ (Bengal Da Case) নিয়ে কবে টানাপোড়েন, উপেক্ষার পালা শেষ হবে? উত্তর খুঁজছেন সাধারণ সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকরা। এদিকে সরকার শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী সহ অনেককে এই বকেয়া ডিএ-র আওতায় রাখেনি। সেই এমএ পিটিশন দাখিল করা হয়েছে আদালত। এহেন ঘটনায় ক্ষোভের মুখে পড়েছে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ। ডিএ মামলাকারী এক ভিডিও বার্তায় এই বিষয়ে মুখ খুললেন। তিনি জানালেন, ‘রাজ্য সরকার ইমেইল মারফত সর্বোচ্চ আদালতে একটি MA পিটিশন দাখিল করে। পরবর্তীকালে সেটা আমাদের হাতে আসে। সকাল থেকেই যে খবরটি ভাইরাল হয়েছে সেটা অনুযায়ী সরকার নাকি শিক্ষা কর্মী, পঞ্চায়েত কর্মীদের ডিএ-র আওতায় রাখেনি। আমরাও দেখলাম। তবে একটা কথা মনে রাখবেন, এটি এমএ অ্যাপ্লিকেশন যেটি সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এখনও কিন্তু ফাইলিং হয়নি। সেটা গ্রাহ্য হবে কি হবে না সেটা পরে জানা যাবে।’

    ক্ষোভের মুখে পড়েছে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ

    মলয়বাবু বলেন, ‘সরকার যে কর্মচারীদের সংখ্যা তুলে ধরেছে তা বিভেদ সৃষ্টি করার জন্যই করেছে বলে মনে হচ্ছে। সেইসঙ্গে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজকেই দায়ী করেছে। আমরা আগেও বলেছি, খোদ রাজ্য সরকারি কর্মীদের মামলায় আমাদের আসতে হয় ট্রাইব্যুনাল দিয়ে। আমাদের মামলা রোপা মেনে হয়েছে। যারা বেতন, ডিএ, পেনশন পায় তাঁরাই এর আওতায় আসবেন। আজ যে বলছে শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী, পুরসভা কর্মীদের DA দেওয়া হবে না, তাঁদেরই কিন্তু বকেয়া দিতে বেশি খরচ হবে। সরকারের খরচ হবে ১৮,৩৬৯,৩২ কোটি টাকা।’

    তিনি আরও বলেন, ‘সব মিলিয়ে সরকারের খরচ হবে ৪২,০০০ কোটি টাকা। ২৫ শতাংশ যে দেওয়ার কথা ছিল অর্থাৎ সেখানে খরচ হত ১০,০০০ কোটি টাকা মতো। সেখানে সবাই ছিল। কর্মচারী সমাজ, শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী, পঞ্চায়েত, ভোট কর্মী প্রমুখ। ১০ নম্বর পেজে কিন্তু সবটা লেখা আছে। তারপরেও কেন আমাদের যাতা বলছেন? বেশ কিছু শিক্ষক কর্মচারী সমাজ থেকেই আমাদের যা নয় তাই বলা হচ্ছে। এখানে তো আমরাই তুলে ধরেছিলাম।’ মলয় মুখোপাধ্যায় এও বলেছেন যে, ‘এবার সুপ্রিম কোর্ট দেখাবে অ্যাগ্রেসিভ মনোভাব।’

    আরও পড়ুনঃ ‘Updated Soon’ মেসেজে বিপাকে আবেদনকারীরা, যুবসাথীর স্ট্যাটাস চেক নিয়ে আপডেট সরকারের

    কী বলছেন কর্মীরা?

    সরকারের নতুন পিটিশন নিয়ে কেউ কেউ বলছেন, ‘আপনারা আগে থেকে সব জানতেন তবু এটা নিয়ে কোনোদিন কোনোদিন ব্যবস্থা নেননি ‘ অন্য আরেকজন লিখেছেন, এই সরকার কে আর এক দিনও ক্ষমতায় রাখা উচিৎ নয়,,, এরা divide and rule করতে চাইছে,,, প্রথম বার যখন 25% দেওয়ার কথা হয়েছিল তখন এই রাজ্য সরকার supreme court এ বলেছে যে আমাদের 10 লাখ কর্মচারীদের বেতন দিতে হয়, তাই এই পরিমাণ DA দিতে পারব না,,,, এখন চুপিসারে অন্য পিটিশন দাখিল করেছে,,,, সমস্ত রাজ্যবাসীদের এরা ভিখারী আর ভাতাজীবিতে পরিণত করতে চায়।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘শ্রদ্ধেয় মলয় বাবু আজকে তো রিপোর্ট দেখে আমাদের তো মন ভেঙে যাচ্ছে আপনারা ডিএ পাবেন অথচ আমরা প্রাথমিক শিক্ষক বা শিক্ষক সমাজ এরা ডি এ পাব না। এটা বোধহয় আপনার আগে জানা ছিল। মাঝে এই নিয়ে একটু তর্কাতর্কি হচ্ছিল যাক দুঃখ করে লাভ নাই জীবনে বাঁচতে হলে অনেক কিছুই দেখ কে স্বীকার করতে হয়।’

     

  • শুধুমাত্র এদেরই বকেয়া DA দেবে নবান্ন? সুপ্রিম কোর্টে জমা রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

    শুধুমাত্র এদেরই বকেয়া DA দেবে নবান্ন? সুপ্রিম কোর্টে জমা রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এখনই সরকার ডিএ (DA) দিতে পারবে না, সুপ্রিম কোর্টে MA ফাইল করে সাফ জানিয়ে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। ভোটের মুখে সরকারের এহেন পদক্ষেপের ফলে স্বাভাবিকভাবেই ধাক্কা খেয়েছেন সরকারি আধিকারিক থেকে শুরু করে আন্দোলনকারীরা। যদিও সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টে পেশ করা একটি হিসেব দেখে চমকে গিয়েছেন সকলে। নবান্নের (Nabanna) তরফে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, সেটা অনুযায়ী কর্মচারীদের সংখ্যা মাত্র ৩,১৭,৯৫৪ সেই সঙ্গে রয়েছেন পেনশনররাও। তবে সরকার বকেয়া দিলে শুধুমাত্র এরাই পাবেন টাকা? উঠছে প্রশ্ন।

    সবাইকে বকেয়া টাকা দেবে না সরকার?

    হিসেব দেখে অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, তবে কি সরকার শিক্ষক, শিক্ষা কর্মীদের বকেয়া ভাতা দেওয়া থেকে বিরত থাকবে? এই বিষয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তিনি নিজের ফেসবুক বার্তায় সরকারের হিসেব তুলে ধরে লিখেছেন, ‘বকেয়া ২৫% ডিএ মেটানোর জন্য আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময় চাইল রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে। শিক্ষক, কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রাপ্য অর্থ নিয়ে ভোট রাজনীতি চলছে। আমরা চাই দীর্ঘদিনের এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্ট কড়া বার্তা দিয়ে পূর্ববর্তী রায় অনুযায়ী বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার জন্য রাজ্যকে বাধ্য করুক।’

    তিনি আরও লেখেন, ‘কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে যে হিসেব পেশ করেছে তাতে কর্মচারীদের সংখ্যা মাত্র ৩,১৭,৯৫৪ এবং তার সাথে পেনশনারা। এই হিসেব বলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী রাজ্য সরকার শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেবে না। এর ফলে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী সমাজের ক্ষোভের আগুন ব্যাপকভাবে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে যাবে। রাজ্য সরকার তাদের অবস্থান বদলাক। না হলে আইনি লড়াই এবং রাস্তার লড়াই আরো তীব্রতর হবে।’

    আরও পড়ুনঃ ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার MA ফিল করলেও …’ বকেয়া DA মামলায় নাটকীয় মোড়? এল বড় খবর

    ৩১ ডিসেম্বর অবধি সময় চাইল রাজ্য

    উল্লেখ্য, বকেয়া ২৫ শতাংশ DA দিতে পারবে না রাজ্য। আরও সময় চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানিয়েছে রাজ্যচ। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চাইল রাজ্য সরকার বলে খবর। সেক্ষেত্রে বকেয়া ডিএ-র প্রথম কিস্তি দেওয়ার সময়সীমা ছিল ৩১ মার্চ। অর্থাৎ বকেয়া বুঝে নিতে এখনও লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হবে সকলকে।

  • ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার MA ফিল করলেও …’ বকেয়া DA মামলায় নাটকীয় মোড়? এল বড় খবর

    ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার MA ফিল করলেও …’ বকেয়া DA মামলায় নাটকীয় মোড়? এল বড় খবর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে বাংলার সরকারি কর্মীদের আশঙ্কাই যেন সত্যি হল। বকেয়া DA প্রদানের জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে নতুন করে সময়সীমা চাইল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সাফ কথা, এখনই তাঁরা ডিএ দিতে পারবে না। যে কারণে এই মামলায় নতুন করে সর্বোচ্চ আদালতে ‘M.A’ করেছে সরকার। যদিও তা ফাইলিং হয়নি বলে খবর। এরই মধ্যে নয়া হুঁশিয়ারি দিলেন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়। তিনি জানালেন, ‘দেখা যাক, লড়াই জারি থাকবে।’

    চরম হুঁশিয়ারি সরকারি কর্মীদের

    তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘সরকার MA করলেও Filling is not done yet. দেখা যাক লড়াই জরি থাকবে।’ এরপর অপর একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নির্লজ্জ বেহায়া, আবারও এম.এ অ্যাপ্লিকেশন করলো।’ অন্যদিকে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেছেন, ‘রাজ্য M.A ফাইল করে অধিকার আটকাতে চেয়েছে। এমনকি ২৫ শতাংশ দেবার জন্যও ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সময় চেয়েছে! লড়াই জোরদার করতে হবে।’

    সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মূলত পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া DA পেতে চলেছেন রাজ্য সরকারের ৩,১৭,৯৫৪ জন কর্মচারী, সবাই নন। পাবেন রাজ্য সরকারের পেনশনাররা। তবে বৃহত্তর কর্মচারীরা (শিক্ষক,শিক্ষাকর্মী,পঞ্চায়েত ও পৌর কর্মী প্রমুখ) এই বকেয়া পাওনা থেকে বাদই থাকতে চলেছেন। রাজ্য সরকার তার ২১৫ পাতার মডিফিকেশন আবেদনে সুপ্রিম কোর্টে যে পিটিশন জমা করেছে তার আইনজীবী মারফত।

    কী বলছে রাজ্য সরকার?

    শুক্রবার, রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। তারা ডিএ মামলায় রায় কার্যকর করার জন্য আদালতের কাছে সময়সীমা বাড়ানোর জন্য একটি নতুন আবেদন জমা দেয়। শুক্রবার রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে যে ডিএ প্রদানের আদেশ বাস্তবায়নে তারা বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। সরকার তাদের আর্থিক অসুবিধাগুলিও তুলে ধরেছে। এই কারণেই তারা আদালতের রায় অনুসরণ করার জন্য আরও সময় চেয়েছে। রাজ্য সরকার তাদের আবেদনে দাবি করেছে যে অল্প সময়ের মধ্যে এত বিশাল আর্থিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করা প্রায় অসম্ভব। সরকার ব্যাখ্যা করেছে যে মুলতুবি ডিএ গণনা করার জন্য ৩.১৭ লক্ষেরও বেশি বর্তমান কর্মচারীর পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।

    আরও পড়ুনঃ DA না দেওয়ার জন্য বিরাট যুক্তি রাজ্য সরকারের, কবে মিলবে বকেয়া? জানাল সময়

    রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে যে ২০১৬ সালের আগে, সমস্ত কর্মচারী তথ্য ডিজিটাল ছিল না। এই হাতে লেখা রেকর্ডগুলি, যা পরিষেবা বইতে রাখা হয়, যাচাই করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ফলস্বরূপ, ভোটের মুখে এই তথ্য ডিজিটালাইজেশন এবং তারপর যাচাই করার প্রক্রিয়াটি অনেক সময় নিচ্ছে। এর ফলে নতুন করে বাংলার সরকারি কর্মীরা ফের একবার অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে চলেছেন। বারবার সুপ্রিম নির্দেশ সত্ত্বেও ডিএ না পাওয়া, সরকারি কর্মীদের কাছে কতটা ধাক্কার সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

    চালু পোর্টাল

    সরকার আরও জানিয়েছে যে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের তথ্য আংশিকভাবে ‘ইন্টিগ্রেটেড ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (IFMS) তে পাওয়া যাচ্ছে এবং এই তথ্য ব্যবহার করে গণনা শুরু হয়েছে। তবে, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের তথ্যের জন্য, তারা একটি পৃথক অনলাইন পোর্টাল তৈরি করছে। যাচাইয়ের জন্য কর্মীদের এই পোর্টালে তাদের বিবরণ আপলোড করতে হবে। ফলে সবদিক থেকে বিচার করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে কমপক্ষে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। এটি ডিএ-র প্রথম ২৫% কিস্তি পরিশোধের জন্য, যা আদালত ৩১ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। এদিকে চুপ করে বসে নেই আন্দোলনকারীরাও। সরকারের এহেন পদক্ষেপের পর রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা পাল্টা সতর্কবার্তা জারি করেছেন। তারা ১৩ মার্চ, শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।