Tag: Stock Market

  • ৭ দিনে ৭০,০০০,০০০,০০০ টাকা হারাল LIC, আপনার টাকা সুরক্ষিত তো?

    ৭ দিনে ৭০,০০০,০০০,০০০ টাকা হারাল LIC, আপনার টাকা সুরক্ষিত তো?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইরান যুদ্ধে (Iran War) কমবেশি প্রভাব পড়েছে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই। একই সাথে পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতির আঁচ পেয়েছে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিও। সেই তালিকায় নাম লিখিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা সংস্থা বা লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশনও (Life Insurance Corporation)। জানা যাচ্ছে, ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের কারণে বিরূপ প্রভাব পড়েছে LIC র পোর্টফোলিওতে। যার জেরে 70 হাজার কোটিরও বেশি বেশি টাকা খোয়া গেছে এই সংস্থার।

    70 হাজার কোটি টাকা হারিয়েছে LIC

    বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডস এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইজরায়েল এবং আমেরিকা গত 27 ফেব্রুয়ারি, ইরানে প্রথমবারের মতো যৌথ হামলা চালানোর আগে পর্যন্ত লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশনের শেয়ার পোর্টফোলিও ছিল 14.88 ট্রিলিয়ন বা 14 লাখ কোটির বেশি। তবে গতকাল অর্থাৎ 9 মার্চ সোমবার দিন সেটা নেমে এসেছে মাত্র 14.17 ট্রিলিয়নে।

    রিপোর্ট অনুযায়ী, লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশন গত এক বছরে নিজেদের শেয়ার পোর্টফোলিওতে বড় ধাক্কা খেয়েছে। এই সংস্থাটি গত 12 মাসে 1 ট্রিলিয়ন অর্থাৎ 10 হাজার কোটি টাকা হারিয়েছে। তবে শুধুমাত্র ইরানের যুদ্ধের জন্য মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে এই সংস্থার শেয়ার পোর্টফোলিও একেবারে নিম্নমুখী। মাত্র 7 দিনের মধ্যে সংস্থাটি 70 হাজার 105 কোটি টাকার হারিয়েছে। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংস্থাটি ধাক্কা খেলেও এর প্রভাব পড়বে না গ্রাহকদের খাতায়!

    অবশ্যই পড়ুন: Failed হতে শুরু করল যুবসাথীর পেমেন্ট! SMS ঢুকলেও মিলছে না টাকা

    কেন এত ক্ষতির মুখে পড়ল LIC?

    সাধারণত বিশ্বে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে টানটান অবস্থা তৈরি হয় শেয়ার বাজারে। তার উপর সেই যুদ্ধে আমেরিকার মতো শক্তিধর দেশ যুক্ত থাকলে শেয়ার মার্কেটের শিরে সংক্রান্তি অবস্থা হতে বেশি সময় লাগে না। তেমনটাই হয়েছে ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রেও। ইজরায়েল এবং আমেরিকা যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর পাল্টা প্রত্যাঘাত করে পশ্চিম এশিয়ার এই জনপ্রিয় দেশ। ফলে দুপক্ষের ভয়ঙ্কর লড়াইয়ের কারণে মার খেয়েছে শেয়ার বাজার। এদিকে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থা লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশন বা LIC যে সংস্থা বা শেয়ারগুলিতে বিনিয়োগ করেছিল বেছে বেছে ঠিক সেই শেয়ার বা সংস্থাগুলি যুদ্ধের আবহে একেবারে ডুব দিয়েছিল। আর সেটাই LIC র ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াল।

  • মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে বিরাট ধাক্কা ভারতের শেয়ারবাজারে, ৫ সেকেন্ডে উধাও ৯ লক্ষ কোটি

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে বিরাট ধাক্কা ভারতের শেয়ারবাজারে, ৫ সেকেন্ডে উধাও ৯ লক্ষ কোটি

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আঁচ পড়ছে এবার ভারতের শেয়ারবাজারে (Indian Stock Market)। সোমবার বাজার খুলতেই এক ধাক্কায় তলানিতে ঠেকল শেয়ার ইনডেক্স। সেন্সেক্স পড়ল প্রায় ২২০০ পয়েন্টের বেশি। মাত্র ৫ সেকেন্ডেই বিনিয়োগকারীদের উধাও হয়ে গেল ৯ লক্ষ কোটি টাকা। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই এই পতন, এমনটাই মত প্রকাশ করছে বিশেষজ্ঞরা। আর যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে (Iran-Israel War) অনিশ্চয়তা দিনের পর দিন বাড়ছে। এমনকি শুধু সেন্সেক্স নয়, বরং নিফটি৫০-ও কমেছে প্রায় ৩ শতাংশের বেশি।

    শেয়ারবাজারে বড়সড় পতন

    সোমবার বাজার খুলতেই দেখা যায়, ২৪৪১.৫১ পয়েন্ট তলানিতে ঠেকে ৭৬,৪৭৪.৩৯-এ নেমে এসেছে। আর নিফটি৫০ ৭৩৯.৯০ পয়েন্ট কমে ২৩৭২০.৫৫-তে দাড়িয়েছে। এমনকি নিফটিও প্রায় ৫০০ পয়েন্টের বেশি তলানিতে ঠেকেছে। ফলে বাজার খোলার শুরুতেই ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ লক্ষ কোটি টাকা। সেন্সেক্স এবং নিফটি৫০ এর ইনডেক্সে শুধুই রক্তক্ষরণ। বলার বিষয়, বাজারে এই ধস কিন্তু হঠাৎ করে নামেনি। এর আগের ট্রেডিং দিনেও বাজারের পরিস্থিতি খুব একটা ভালো ছিল না। কারণ, শুক্রবার সেন্সেক্স ১০৯৭ পয়েন্ট তলানিতে ঠেকেছিল আর নিফটি ৩১৫ পয়েন্ট পড়ে।

    বেশ কিছু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধসের প্রধান কারণ হল মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত। ইরান, আমেরিকা আর ইজরায়েলের সংঘাত এখন এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে জ্বালানির দাম দিনের পর দিন বাড়ছে। পাশাপাশি অপরিশোধিত তেলের দামও দ্রুত হারে বাড়ছে। হ্যাঁ, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেল ১১৭ ডলার পর্যন্ত ছাড়িয়েছে। আর তেলের দাম বাড়ার কারণে মুদ্রাস্ফীতির উপরও প্রভাব পড়ছে। সেই কারণে শেয়ারবাজার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের উপরেও বাড়ছে খরচ। বলার বিষয়, ২০২০ সালের পর এই প্রথম একদিনে সবথেকে বেশি জ্বালানির দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ২৭ শতাংশের বেশি ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকেছে।

    উল্লেখ্য, ভারত বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম তেল রফতানিকারক দেশ। কারণ, ৮৫ থেকে ৯০% তেল শুধুমাত্র আমদানির মাধ্যমেই দেশে আসে। সেই কারণে তেলের দাম বাড়লে আমদানি খরচ অনেকটাই বাড়ে। আর বিশেষজ্ঞরা বলছে, প্রতি ব্যারেল তেলের দাম যদি ১ ডলার করে বাড়ে, তাহলে ভারতের তেল আমদানি খরচ প্রায় ১৬,০০০ কোটি টাকা বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে স্টক মার্কেটে।

    আরও পড়ুন: ‘আমার অনুমতি ছাড়া টিকতে পারবে না!’ মোজতবা খামেনি নির্বাচিত হওয়াতে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    তলানিতে ঠেকেছে রুপি

    প্রসঙ্গত, তেলের দাম বাড়তেই ভারতীয় রুপিও অনেকটাই পতন হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে রুপি সোমবার ৯২.৩৩ টাকাতে নেমে এসেছে। আর গত সপ্তাহ থেকেই দিনের পর দিন তলানিতে ঠেকছে রুপি। এমনকি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা বদল হলেও তেলের দামের বৃদ্ধি আবারো চিন্তায় ফেলেছে। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ কবে যে বন্ধ হবে সেরকম কোনও ইঙ্গিতও এখনো পর্যন্ত মিলছে না। দিনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিলতার দিকে এগোচ্ছে। এখন দেখার, দেশের শেয়ারবাজার আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা।

  • মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ডুবল ৬ লক্ষ কোটি! বিরাট ধাক্কা ভারতের শেয়ারবাজারে

    মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ডুবল ৬ লক্ষ কোটি! বিরাট ধাক্কা ভারতের শেয়ারবাজারে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের মধ্যেই দেশের শেয়ারবাজার (Stock Market) বিরাট ধাক্কা খেল। হ্যাঁ, সপ্তাহের শুরুতেই কপাল পুড়ল ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের। সোমবার বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই একেবারে লাল রঙে ঢেকে দিয়েছে দালাল স্ট্রিট। সূচকের তীব্র পতনে বিনিয়োগকারীরা যে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কোন সূচক কতটা পড়ল? জানুন বিস্তারিত।

    শেয়ার সূচকে বিরাট পতন

    সপ্তাহের প্রথম ট্রেডিং সেশনেই NIFTY 50 প্রায় 519 পয়েন্ট পরে 24,659 পয়েন্টে খুলেছে বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে BSE Sensex বাজার খোলার সময় দাঁড়িয়েছিল 78,512 পয়েন্টে, যা আগের দিনের তুলনায় 2,775 পয়েন্ট তলানিতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক অস্থিরতার প্রভাব সরাসরি পড়েছে দেশীয় বাজারে। আর বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বিক্রি এবং সতর্ক মনোভাবের জেরে বাজারে চাপ অনেকটাই পড়ছে।

    এদিকে সূচকের পতনের সঙ্গে সঙ্গে বাজার মূলধনেও লেগেছে বিরাট ধাক্কা। শুক্রবার বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলোর মোট বাজার মূলধন যেখানে ছিল 463.50 লক্ষ কোটি টাকা, সোমবার বাজার খোলার পর তা নেমে আসে মাত্র 447.50 লক্ষ কোটি টাকায়। অর্থাৎ একদিনের মধ্যেই 6 লক্ষ কোটি টাকা সম্পদ গায়েব হয়ে যায়। আর ক্ষতির মুখে পড়েছেন লক্ষ লক্ষ ক্ষুদ্র এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী।

    কেন নামল ধস?

    আসলে বিশ্ববাজারে এখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। বিনিয়োগকারীরা তাই আগেভাগেই নিজেদের মূল্যায়ন গুটিয়ে নিচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে সম্ভাব্য উত্তেজনা তেলের সরবরাহে বিরাট প্রভাব ফেলতে পারে এই আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে চলছে ডামাডোল। কিন্তু ইরানের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তারা আপাতত হরমুজ প্রণালী অবরোধের পথে হাঁটবে না। আর আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চাইছে। কিন্তু পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখনও ভেবে কূলকিনারা পাচ্ছে না সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

    আরও পড়ুন: রাওয়ালপিণ্ডির নূর খান বিমান ঘাঁটিতে হামলা আফগানিস্তানের! খতম ৩৫ পাকিস্তানি সেনা

    বলে রাখি, সোমবার NIFTY 50 এর একাধিক ভারী শেয়ারে লেগেছে বিরাট ধাক্কা। তালিকায় রয়েছে Larsen & Toubro (L&T), InterGlobe Aviation (IndiGo), Asian Paints, Adani Enterprises, Adani Ports & SEZ এর মতো সব নামিদামি শেয়ার। তবে হ্যাঁ, তীব্র পতনের মধ্যেও কয়েকটি শেয়ার সবুজ সংকেত দিয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল Bharat Electronics Limited (BEL), Hindalco Industries, Tata Steel। অর্থাৎ, ডিফেন্স এবং ধাতুখাতে কেনাকাটার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা লাভের মুখ দেখেছে।