সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গতকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন যা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইন্টারনেটে ঝড়ের গঠিত ভাইরাল (Social Media Viral) হয়েছে। এই ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর দিল্লির বাসভবন ৭ লোক কল্যাণ মার্গে একটি ফুটফুটে শিশুকে কোলে নিয়ে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। এমনকি চমক দেওয়ার বিষয় হল, ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, “এক ক্ষুদে বন্ধুর সঙ্গে যে গতকাল ৭ লোক কল্যাণ মার্গে এসেছিল।” পোস্টটি শেয়ার করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১৭ লক্ষেরও বেশি লাইক পড়ে। কিন্তু নেটিজেনদের মনে একটাই প্রশ্ন, কে এই খুদে?
পরিচয় পাওয়া গেল প্রধানমন্ত্রীর আসল খুদে বন্ধুর
বেশ কয়েকটি তথ্য ঘেঁটে ভাইরাল হওয়া ওই শিশুটির পরিচয় অবশেষে জানা গিয়েছে। মানি কন্ট্রোলের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিশুটির নাম অশ্বিন কৃষ্ণা যাকে আদর করে সবাই ‘ওমি’ বলে ডাকে। সে আসলে কেরলের জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার দিয়া কৃষ্ণার ছেলে তথা দক্ষিণী অভিনেতা ও বিজেপি ঘনিষ্ঠ নেতা কৃষ্ণ কুমারের নাতি। সম্প্রতি কৃষ্ণ কুমারের গোটা পরিবার প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। আর সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা সময় তাঁরা মোদীর সঙ্গে কাটান। এই পারিবারিক সাক্ষাৎকারে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণকুমারের স্ত্রী সিন্ধু কৃষ্ণ কুমার এবং তাঁদের চার কন্যা। সেই আড্ডার মাঝেই খুদে ওমিকে কোলে তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছবি তোলেন।
এদিকে নিজের প্রিয় তারকার সঙ্গে দেখা করার অভিজ্ঞতাকে ‘ফ্যান মোমেন্ট’ বলেই বর্ণনা করেছেন দিয়া কৃষ্ণা। তিনি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে লিখেছেন যে, সবথেকে বড় ফ্যান মোমেন্ট এটা আমার। আমাদের প্রিয় নরেন্দ্র মোদিজীর সঙ্গে কাটানো সেই এক ঘণ্টা যেন আমার কাছে স্বপ্নের মতো। আজও মনে হচ্ছে যেন কেউ আমাকে ঘুম থেকে ডেকে বলবে যে ওটা স্বপ্ন ছিল। এদিকে অভিনেত্রী তথা ইনফ্লুয়েন্সার আহানা কৃষ্ণাও তাঁর অভিজ্ঞতা শেয়ার করে লিখেছেন যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিত্ব দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ। এত বড় মাপের একজন মানুষ আমাদেরকে যেভাবে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন আর আমাদের ছোট ছোট সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তা কখনোই ভোলা সম্ভব নয়। এক মুহূর্তের জন্য আমরা ভুলেই গিয়েছিলাম যে আমরা বিশ্বের সবথেকে প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে বসে রয়েছি।
সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সব্যসাচী-সুস্মিতার (Sabyasachi-Susmita) ব্যক্তিগত ঝামেলা এখন সবার চোখের সামনে। আজ কথা হচ্ছে সাংবাদিক সব্যসাচী চক্রবর্তী (Sabyasachi Chakraborty) এবং অভিনেত্রী, ভ্লগার সুস্মিতা রায় চক্রবর্তীকে (Susmita Roy Chakraborty) নিয়ে। বর্তমান সময়ে এই দুজনের সম্পর্ক নিয়ে কাঁটাছেড়া নেটিজেনদের অন্যতম প্রিয় বিষয় হয়ে উঠেছে। ফেসবুক, ইউটিউব খুললেই দুজনের রীতিমতো ‘কলতলার ঝগড়া’ চোখে পড়ছে। একদিকে যখন ভোটকে কেন্দ্র করে সমগ্র বাংলা গরম, তেমনই এই দুজনের সম্পর্কের টানাপড়েন নিয়ে উত্তপ্ত নেটপাড়া। একে অপরকে লক্ষ্য করে চলছে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ। সব্যসাচী যেমন সুস্মিতার ৫টা বিয়ে নিয়ে প্রসঙ্গে টেনেছেন, তেমনই অন্যদিকে সুস্মিতা সব্যসাচী চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে নানারকম অভিযোগ করেছেন।
সব্যসাচী-সুস্মিতার সংঘাত চরমে
এমনিতেই সম্প্রতি সুস্মিতা নতুন বিয়ে করেছেন যা সকলকে অবাক করে দিয়েছে। কারণ ২০২৫ সালে সব্যসাচী এবং সুস্মিতা দুজনেই বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়টি সকলকে জানান। সেখানে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে সুস্মিতা কীভাবে প্রেমে পড়লেন এবং বিয়ের মতো এত বড় সিদ্ধান্ত নিলেন তা সকলকে অবাক করে দিয়েছে। এদিকে অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী সুস্মিতার বিয়ে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন। সুস্মিতাকে সমাজমাধ্যমে কটাক্ষ করেন যেন এটাই সুস্মিতার শেষ বিয়ে হয়৷ এরপরেই নিজের আত্মপক্ষ সমর্থন করতে লাইভ করেন ‘নতুন বউ’ সুস্মিতা। লাইভ করে সব সত্যি জানানোর আগে সায়কের সঙ্গে একাধিকবার কথা হয়৷ সেই কথোপকথন সুস্মিতা সমাজমাধ্যমে শেয়ার করেছেন৷
সুস্মিতাকে বলতে শোনা যায়, “আমি তোদের কোনও বিষয় কমেন্ট করি না। বহুবার বহু সাংবাদিক জানতে চাইলেও মুখ খুলিনি৷ কিন্তু তোরা যা শুরু করেছিস তার শেষ হওয়া দরকার৷ শেষ ভালভাবে করতে চাইছিস তাহলে ১১.১৫ এর মধ্যে চলে আয়।” অডিওতে সায়ক সাংবাদিকদের আসতে বারণ করতে বলে সুস্মিতাকে৷ কিন্তু সুস্মিতা জানায়, সায়ক লাইভ লোকেশন শেয়ার না করলে সুস্মিতাও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ রাখবেন না৷ তিনি বলেন, “শেষ সাত বছর আমি তোদের কথাই শুনে এসেছি। সাত বছর ধরে তো ব্ল্যাকমেল করছিস৷ এবার আমি নিজে সেটা জানাব।”
এরপর কাহানি মে আরও ট্যুইস্ট আসে। সুস্মিতা লাইভে এসে ভেঙে পড়েন। সব্যসাচীর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ আনেন। এমনকি তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধেও একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শনা যায় অভিনেত্রীকে। অপরদিকে চুপ না থেকে সব্যসাচীও সুস্মিতার বিরুদ্ধে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দেন। উঠে আসে আরও একটা নতুন দিক। সাংবাদিক লেখেন, ‘এসব অন্যের ক্ষেত্রে খবর হয় । আজ আমিই !! আমি আইনি পথেই যাব । ঠিক । তবু আমার চুপ থাকা, ভদ্রতা কেউ দুর্বলতা ভাবলে মুশকিল প্রথমত, সুস্মিতার এটা ৫ নম্বর বিয়ে আমার সাথে আলাপ, দ্বিতীয় বিয়ের সময় আমি একটু ধাক্কা খেলেও হজম করেছি কিন্তু ওর প্রবল সন্দেহবাতিকতা আমি সহ্য করেছি । আমি মার খেয়েছি আর আমার চরিত্র বা যৌনতা প্রশ্নে? এটি প্রত্যেকটা সুস্মিতার ফ্যান্টাসি । আমি আপত্তি তুললে অন্য সম্পর্কে জড়াতো । আমি আইনি ভাবে তার সব প্রমাণ দেবো। বিয়ের পর একাধিক সম্পর্ক ভাই বিয়ে করে না কেন জানেন? কেন তার ওরিয়েন্টশন নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় জানেন? কারণ ও সুস্মিতাকে দেখেছে, বিয়ে নিয়ে ভয় আর মৃত বাচ্চা ? সুস্মিতার সেই প্রশ্ন করা উচিত ওর জিম ট্রেনারকে আমি স্বীকার করছি ।’
সব্যসাচী আরও লেখেন, ‘আমি শারীরিক, মানসিক ভাবে দিনের পর দিন অত্যাচারিত হয়েছি । এসব শুধু মেয়েদের হয় না । আমরাও গিলতে থাকি । সুস্মিতার মারধর,অশান্তি, একাধিক সম্পর্ক বাড়াবাড়ি ছিলো। প্রশ্ন তুললে আমার ঘাড়ে ফেলা হত । আমার চরিত্রে একই ভাবে প্রশ্ন উঠত এভাবেই ও বেরিয়ে গিয়েছিল আরেক ব্যবসায়ীর সাথে । একটা ওয়েব সিরিজ করেছিল তার টাকায় । সুস্মিতা বরাবরই বড়লোক হতে চাইত বিয়ের পর সত্যি আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিলো না । ও এর সুযোগ নিয়ে দিনের পর দিন স্বেচ্ছাচারিতা করে গিয়েছে । বদলে আমাকে গিফট দেওয়ার ব্যবস্থা । আপত্তি প্রবল হলে আমাকে ডিভোর্স আবার ফিরে আসা । আমি এত খারাপ হলে আবার কেন ? কিন্তু না , ওর ইমেজ ঠিক করে দিতে হবে । ভাইয়ের কাছে আবদার । ফ্যামিলি ব্লগিং শুরু । আবার বিয়ে, বাচ্চার দোহাই দিয়ে ! এরপর কোন মানুষে বাচ্চার সাহস পায় আমার জানা নেই । আমার নেই মায়া মায়া! এই মায়া পুরুষ মানুষকে খর্ব করে । আমি বুঝিয়ে গেছি । বলেছি ১:৪ । তুই যদি ১আমার ক্ষতি করিস , আমি কিন্তু আরও ৪ নিজের ক্ষতি করব তাতেও লাভ হলো কই । নিজের ভিডিও তুলে আমাকে দেখতে বাধ্য করা হত । ফ্যান্টাসি উলটোটা, অ্যাস ইফ আমি ওকে জোর করব ভিডিও দে । কেউ দেয় !? কোনও মেয়ে পারে ? কীসের বাধ্যবাধকতা ওর থেকে আর্থিক দুর্বল একটা ছেলের কাছে ? এক্সপ্লয়েট হয়েছি আমি আমার লজ্জা লাগছে আমাকে এই জায়গায় নামাতে হলো ।’
তিনি লেখেন, ‘আমি আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী ওর বিকৃতি একসাথে থেকে সম্ভব ছিলো না । তাই আমাকে আলাদা নিয়ে আসে । ফ্ল্যাটের ডাউন পেমেন্ট ওই করে । ইএমআই , লোন আমার । আমি ওকে সাথ দিয়েছি । মায়ায় । সম্পর্ক বাঁচানো আমার প্রায়রিটি ছিলো , ওর না ! আমার মনে আছে , কোভিডের সময় ওর মা কে বাড়িতে ঢুকতে দেবে না বলে ওর বাবা মেরে নাক ফাটিয়ে দিয়েছিলো । পুলিশ দিয়ে আমি ব্যবস্থা নিইয়েছিলাম । ইমেজ । ইমেজ । ভেতরে যাই হোক , টাকা আর ইমেজ । এবারও ভাইকে প্রেসার করছিল । নতুন বিয়ে । ইমেজ হোক কর । ভাই এই রাতেও রাস্তায় আমি জানি । ও কাঁদছে আমি জানি । সুস্মিতা ওকে বলেছিল আয় না এলে তোদের সম্মান সব নষ্ট করে দেবো । শাবাশ সুস্মিতা । আপনি জিতে গেছেন । আমরা হেরে গেছি । আমি হার মানলাম । সম্পর্ক ছিলো তো আমার । কিন্তু বিবাহিত জীবনে থাকাকালীন কখনও না । ভালোবাসা চেয়েছিলাম । একসাথে থাকতে চেয়েছিলাম । পারভার্সন পেয়েছি , হজম করার ফল আজকের এই অসম্মান । ছেলে , পুরুষ মানুষ , আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি । ছেলেদের চুপ করে থাকতে হয় তাই না ? মার খেতে হয় !? কাঁদতে নেই , এসব না করলে আমি মেয়েলি, গে, অক্ষম! ?’
যদিও নিজের ‘ভুল’ বুঝতে পেরে আজ শুক্রবার আরও একটি পোস্ট করেন সাংবাদিক। তিনি লেখেন, ‘নাহ, কাল নিজের চূড়ান্ত ব্যক্তিগত বিষয়গুলো নিয়ে হ্যাজ নামানো হয়তো উচিৎ হয়নি! কিন্তু অন্যের নোংরামির দায় কেন বা নেব !? কাজে আছি । কাজেই থাকব । ভোট আসছে । এসব নিয়ে আর না । যা করার প্রপার ভাবে করব । ফেসবুকে আর না । যারা গালি দিতে চান , কমেন্ট বক্স তো খোলা । স্বাগত, আর যারা আমাদের পরিবারকে ভালোবাসেন তাদের ভালোবাসা আরও বড়, জানি। ওটাই ভরসা ছিলো , আছে , থাকবে।’
প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: টলিপাড়ায় ফের বাজল বিয়ের সানাই! ৩৬ বছর বয়সে দ্বিতীয়বার বিয়ে করলেন ছোটপর্দার পরিচিত মুখ সুস্মিতা রায় (Susmita Roy)। মঙ্গলবার রাতে সমাজমাধ্যমে সেই কথা শেয়ার করলেন অভিনেত্রী তথা ইনফ্লুয়েন্সার নিজেই। বিচ্ছেদের ৭ মাসের মাথায় সুস্মিতা রায়ের দ্বিতীয় বিয়ের এই সিদ্ধান্তে জোর সমালোচনা শুরু হয়েছে সমাজ মাধ্যমে। অন্যদিকে প্রাক্তন বউদিকে নতুন দাম্পত্যের শুভেচ্ছাতেও খোঁচা সায়কের!
দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে অভিনেত্রী
২০২৫ সালের জুলাইতে প্রকাশ্যে আসে অভিনেত্রী-ইনফ্লুয়েন্সার সুস্মিতা রায়ের সঙ্গে সব্যসাচী চক্রবর্তীর বিচ্ছেদের খবর। আর সেই নিয়ে কম কটাক্ষের শিকার হননি সুস্মিতা রায়। তবে এখন অবশ্য তিনি অভিনয় থেকে বিরতি নিয়েছেন। নিজের ব্যবসার পাশাপাশি ভ্লগার হিসেবেও বেশ জনপ্রিয় হয়েছেন তিনি। কিন্তু প্রায়শই তাঁকে নিয়ে বিতর্ক থাকতই। কিন্তু তিনি যে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন তা কেউই আশঙ্কা করতে পারেনি। মঙ্গলবার রাতে সুস্মিতা রায় বিয়ের মণ্ডপে হাতে হাত রাখার একটি ছবি পোস্ট করেন৷ এবং লেখেন, “এই একটা ইচ্ছে কখনো মন থেকে মুছে যায়নি। একটা শব্দ শোনার আশা-‘মা’…আজ ছত্রিশ বছর বয়সে এসে সত্যিই আর কোনো ভনিতা করার সময় নেই… ৷ নিজেকে আর মিথ্যে সান্ত্বনা দেওয়ারও শক্তি নেই। বিয়ে করলাম….তোমরা সবাই আশীর্বাদ করো… ৷”
নানারকমের প্রতিক্রিয়া নেটপাড়ায়
সুস্মিতা শেয়ার করেচেন বধূর বেশ বিয়ের ছবিও। টুকটুকে লাল বেনারসী, খোলা চুল, হালকা সোনার গয়না এবং গলায় গোলাপের মালা ৷ পোস্টে লেখেন, “যখন আমরা দুজনেই নিজের নিজের লড়াইয়ে প্রায় ভেঙে পড়ছিলাম, তখনই একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে শক্তি হয়েছিলাম… সেখান থেকেই শুরু আমাদের নতুন পথচলা। আজ সেই মানুষটার হাত ধরেই জীবনের সবচেয়ে বড় বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। লড়াইটা এখনও আছে… তবে এবার আমরা একসাথে।” নেটপাড়ায় নানারকমের প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। এক নেটিজেন লিখেছেন, “এটা সত্যি না প্রোমোশনের জন্য বুঝতে পারছি না, তবে সত্যি হলে অনেক শুভেচ্ছা ৷” আবার কেউ লিখেছেন, “এত বছরের একটা সম্পর্ক থেকে কীভাবে এত তাড়াতাড়ি বেরোনো সম্ভব ভাই? মানুষ দু বছরের প্রেম করে সেখান থেকে বেরিয়ে ভেঙ্গে পরছে,আর এ ছমাসে বিয়ে… ।”
অভিনেত্রী সুস্মিতা রায়ের পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পরেই প্রাক্তন দেওর অভিনেতা তথা ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী ফেসবুকে তাঁর প্রাক্তন ‘কূটনী বৌদির’ ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, “ভেবে ভালো লাগছে এই বরটাও আমারই খুঁজে দেওয়া । যদিও বর হবে জানতাম না । তবে এবার থামিস প্লিজ । এটাই যেন last বিয়ে হয়। এবার মা হলে আর নরমাল ডেলিভারির জন্য wait করিসনা..Btw Congratulations Mrs Dey..” তবে এখনও সুস্মিতা রায়ের প্রাক্তন স্বামীর তরফে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফেব্রুয়ারিতে আচমকাই শমীক অধিকারীর (Shamik Adhikary) গ্রেফতারির খবর শুনে চমকে উঠেছিল গোটা নেটপাড়া। তাঁর বিরুদ্ধে প্রেমিকাকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল, রুজু করা হয় ধর্ষণের মামলা। কয়েকদিন জুডিশিয়াল কাস্টডিতে ছিলেন তিনি। তবে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর অবশেষে আদালত তাঁকে জামিন মঞ্জুর করেছে (Shamik Adhikary Bail Granted)। বাড়ি ফিরলেন শমীক।
ঠিক কী ঘটেছিল?
রিপোর্ট মোতাবেক, নির্যাতিতা ছিলেন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর শমীক অধিকারীর বন্ধু তথা প্রেমিকা। তাঁর অভিযোগ অনুযায়ী, শমীক ফ্ল্যাট শিফটিং করার সময় তরুণীকে বাড়িতে ডেকেছিল। তখনই শুরু হয়েছিল সমস্যা, হাতাহাতি এবং ধস্তাধস্তির পর ওই তরুণীর মোবাইল কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি ঘরে আটকে রেখে মানসিক এবং ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এরপরেই শমীকের বিরুদ্ধে ন্যায় সঙ্গীতার ১২৭ (২), ১১৫ (২), ৩৫১ (২) ধারায় মামলার রুজু করা হয়। যদিও জেলে থাকাকালীন যতবার তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন, ততবার তিনি বলেছিলেন যে তাঁকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসিয়ে দেয়া হয়েছে, তিনি কোনও অপরাধ করেননি। অবশেষে বৃহস্পতিবার তাঁর জামিন হয়েছে।
জামিন পেলেন শমীক
আদালতে শমীক অধিকারীকে প্রথমে জামিন দেয়নি বিচারপতি, অবশেষে ৪৫ দিন পর জামিনে মুক্ত হয়ে বাইরে এলেন তিনি। একই সঙ্গে খারিজ হল তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ষণের অভিযোগ। এদিন জেল থেকে বেরিয়েই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন শমীক। আবেগপ্রবণ হয়ে তিনি বলেন, “আমি জানতাম সময় লাগবে, সত্যিটা বাইরে আসতে। কিন্তু…। সত্যি বলতে একটাই চিন্তা ছিল, বাবা মা কী দিয়ে যাচ্ছে। এই চিন্তাতেই আমি ভেঙে পড়েছিলাম। আমি বাড়ি ফিরছি, সেটা এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না।” তিনি আরও বলেন, “আমায় ফাঁসানো হয়েছিল। সময় সেটার উত্তর দিয়েছে। সত্যের জয় হয়েছে। আমায় যে টেনে নামানোর চেষ্টা করা হল…. আমার বাবা মা, দাদা, আমার উকিলরা আমার পাশে থাকলে আমি এর দশ গুণ উপরে উঠব।”
জামিনে মুক্ত হলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় আবারও কন্টেন্ট বানাতে পারবেন কিনা ননসেন ওরফে শমীক সেই নিয়ে উঠছে নানাবিধ প্রশ্ন। সেই নিয়ে তাঁর আইনজীবী জানান “হ্যাঁ, ভিডিও বানাতে পারবেন। তবে বেশ কিছু শর্ত মানতে হবে তাঁকে। ৩ মাস ওকে রেস্ট্রিকশন মেনে থাকতে হবে।” যদিও আইনগত লড়াই এখনও শেষ হয়নি। জামিন পেলেও মামলার তদন্ত চলবে এবং আদালতেই নির্ধারিত হবে অভিযোগের সত্যতা।
সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে এবার বিরাট পদক্ষেপ নিল বাহরাইন (Bahrain Administration)। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনাকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও তৈরি এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ এবার ৬ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর ওই ধৃতদের মধ্যে ৫ জন পাকিস্তানী এবং ১ জন বাংলাদেশী নাগরিক বলেই জানিয়েছে বাহরাইন প্রশাসন।
সাইবার অপরাধ দফতরের নজরে ঘটনা
আসলে বাহরাইনের অ্যান্টি সাইবার ক্রাইম ডিরেক্টর এই ঘটনা তদন্ত শুরু করেছিল। তদন্তে দেখা যায় যে, অভিযুক্তরা হামলার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন রকম ভিডিও রেকর্ড করে তা একাধিকবার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে। প্রশাসনের মতে, এই ধরনের ভিডিও এবং পোস্ট সাধারণ মানুষের মধ্যেই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং অযথা আতঙ্ক ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। পাশাপাশি ধৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে যে, তারা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছে। যার ফলে বাহরাইনের সাধারণ নাগরিক আর সেখানে বসবাসকারী বিদেশীদের মধ্যেও ভয় এবং অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আর এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর বাহরাইন সরকার দেশবাসী এবং সেখানে বসবাসকারী বিদেশীদেরকে সতর্ক থাকার জন্য পরামর্শ দিয়েছে। আর প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, কোনও রকম খবর বা ভিডিও শেয়ার করার আগে তা অবশ্যই যাচাই করে নিতে। আর সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, দেশের নিরাপত্তা বা আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করতে পারে এরকম কোনও তথ্য বা ভিডিও ছড়ালে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বেশ কিছু বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দ্রুত খবর ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু অনেকেই সেই খবর আসল কি নকল বিশ্বাস করে না। ভুয়ো তথ্যের মাধ্যমে বিভ্রান্তি আরও ছড়ায়। তাই ভুল বা যাচাই না করা তথ্য শেয়ার করলে তা বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে। সেই কারণেই প্রশাসনের এই বড়সড় পদক্ষেপ।
প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ‘বঙ্গবিভূষণ’ বিতর্কের জেরে, কিছুদিন আগেই স্যোশাল মিডিয়া ছেড়েছিলেন বাংলার উন্নয়ন পাঁচালির গায়িকা ইমন চক্রবর্তী (Iman Chakraborty)। এমনকি মৃত মাকে নিয়েও একাধিক ট্রোল করা হয়েছিল তাঁকে। শেষে বাধ্য হয়ে সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media) ছেড়েছিলেন তিনি। আর এই আবহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শে ফের সোশ্যাল মিডিয়ায় আসতে চলেছেন ইমন।
ব্যাপক ট্রোলিংয়ের মুখে ইমন
সম্প্রতি গায়িকা ইমন চক্রবর্তী বঙ্গবিভূষণ পেয়েছিলেন রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। আর সেই পুরস্কার পেতেই তাঁকে নিয়ে দেদার ট্রোল শুরু হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। ক’দিন আগে মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে একটি পোস্ট করেছিলেন ইমন। সেখানেও তাঁকে ছাড়েনি ট্রোলাররা। রীতিমত একেরপর এক ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয় তাঁকে। ইমন চক্রবর্তী কেন রাজ্য সরকারের উন্নয়নের পাঁচালি গিয়েছেন, সেই কারণে তাঁকে তো কটাক্ষ, বিদ্রুপ করা হয়েছেই, ছাড় দেওয়া হয়নি গায়িকার প্রয়াত মাকেও। এরপরই লাইভে এসে ইমন জানিয়ে দেন, ব্যক্তিগত জীবন আর সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরবেন না তিনি। এমনকি তিনি আর সমাজমাধ্যমে আর সক্রিয় থাকবেন না বলেও জানিয়েছিলেন। তবে এবার মুখ্যমন্ত্রীর কথায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ফিরছেন তিনি।
ইমনকে পরামর্শ মমতার
নিউজ১৮-এর সোজাসাপটা অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি ইমন চক্রবর্তীর প্রতি ট্রোলারদের আচরণে বিরক্তিপ্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেন, ” সেদিন ওঁর মায়ের মৃত্যুদিন ছিল! আমরা তো শিবাজী চট্টোপাধ্যায়, শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়, নচিকেতা চক্রবর্তী, রূপঙ্কর, রাঘব, শ্রীজাত, গণেশচন্দ্র হালুই,শ্রীজাত, বাবুল সুপ্রিয়কেও বঙ্গবিভূষণ দিয়েছি! তাহলে শুধু ইমনকে কেন একঘরে করা হল? এটা খুব খারাপ।” এর পরই তিনি ইমনকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘আনসোশ্যাল লোকেদের জন্য তুমি সোশ্যাল মিডিয়া কেন ছাড়বে? বেশি করে ধর!’ এরপরই ইমন চক্রবর্তী পুনরায় সোশ্যাল মিডিয়ায় আসার কথা জানান।
ইমন চক্রবর্তী একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ একজন মানুষ হিসেবে দিদিকে আমি খুব ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি। আমি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাটা শিরোধার্য করলাম। আসলে কষ্টটা খুব মনে পেয়েছি। কথাটা খুব মনে লেগেছে। সেই জন্য এই মন খারাপ, এটা কাটতে একটু বোধ হয় সময় লাগবে। আমার জন্য আমার পরিবারের মানুষদের কোনও খারাপ কথা বললে, সেই খারাপ লাগাটা আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়। ঠিক হয়ে যাবো তাড়াতাড়ি। শীঘ্রই স্যোশাল মিডিয়াতে নিশ্চয়ই ফিরবো।’ প্রসঙ্গত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে ‘বঙ্গ সম্মান’-এর ঘোষণা করা হয়েছিল। আর সেই তালিকায় ছিলেন অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। তাঁকেও সমানভাবে ট্রোলড হতে হয়েছিল।
সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজকাল বাচ্চা বয়সেই ছেলেমেয়ের হাতে ফোন দিয়ে দিচ্ছে বাবা-মায়েরা। সেই কারণে সোশ্যাল মিডিয়ার (Social Media) প্রতি আকর্ষণও বাড়ছে তাদের। হ্যাঁ, করোনার পর থেকে যেন এই প্রবণতা আরও বেড়েছে। তবে এই বাড়বাড়ন্ত রুখতে এবার বিরাট সিদ্ধান্ত নিল অন্ধ্রপ্রদেশের (Government of Andhra Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে। এমনকি আগামী ৯০ দিনের মধ্যেই এই বিষয়ে আইন প্রণয়ন করা হবে। সম্প্রতি কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করার ঘোষণা করেন। আর এবার একই পথে হাঁটলেন চন্দ্রবাবু নাইডু।
শিশুদের ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বলেছেন, খুব শীঘ্রই সরকার ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্সেস নিষিদ্ধ করার জন্য একটি কর্মসূচি চালু করবে। তাও আগামী ৯০ দিনের মধ্যে। রাজ্য ইতিমধ্যেই ১৩ থেকে ১৬ বছর বয়সীদের জন্য সম্ভাব্য নিয়মকানুন নিয়ে আলোচনা করছে। আর সকলের মতামতের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেছেন, তাঁর ছেলে এবং রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী নারা লোকেশের পরামর্শের ভিত্তিতেই সরকার এই বিধিনিষেধগুলি প্রণয়ন করার কথা ভাবছে। তাঁর মতে, শিশুরা যাতে সোশ্যাল মিডিয়া দ্বারা নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত না হয় এবং তাদের পড়াশোনার ঘাটতি না হয়, তার জন্যই এই পদক্ষেপ।
এ বিষয়ে রাজ্যের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী বলেছেন, কর্ণাটকের প্রস্তাবটি অন্ধ্রপ্রদেশের আগেই নেওয়া হয়েছে। কর্ণাটক ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার উপর বিধিনিষেধ আরোপ করার কথা বিবেচনা করছে। এতে অন্ধকার জগত থেকে তরুণ প্রজন্ম বেরিয়ে আসতে পারবে। সেই সূত্রেই অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের তরফ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এমনকি এই কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। তিনি এখানেই থামেননি। তিনি এও বলেছেন, আমরা অস্ট্রেলিয়ায় অনূর্ধ্ব ১৬ আইন দেখেছি। আর আমি বিশ্বাস করি, আমাদের শক্তিশালী আইন প্রণয়ন করা দরকার, যাতে বাচ্চাদের উপর কোনও রকম নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।
প্রসঙ্গত, যদি এই নিয়ম বাস্তবায়িত হয়, তাহলে কর্ণাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশ দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হবে, যেখানে শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। আর এই নিয়ম বিশ্বব্যাপী সরকারগুলির চিন্তাধারার উপরেও প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল। আর কিছু ইউরোপীয় কিছু দেশ একই ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এমনকি এই মাসে ব্রিটেন ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করে এবং গেমিং প্ল্যাটফর্ম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর বিধিনিষেধ আরোপ করে। এখন দেখার, অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার এই নিয়ম কবে লাগু করে।