Tag: Sealdah

  • শিয়ালদা-হাওড়া লাইনে সেতুর সংস্কার, ট্র্যাকে নতুন প্রযুক্তি, একগুচ্ছ পদক্ষেপ পূর্ব রেলের

    শিয়ালদা-হাওড়া লাইনে সেতুর সংস্কার, ট্র্যাকে নতুন প্রযুক্তি, একগুচ্ছ পদক্ষেপ পূর্ব রেলের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ক্রমাগত একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে রেল (Indian Railways)। উন্নতমানের প্রযুক্তি রেল পরিষেবা এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় পূর্ব রেলের (Eastern Railway) ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ গত ফেব্রুয়ারি মাসে একগুচ্ছ উল্লেখযোগ্য পরিকাঠামোগত সাফল্যের কথা তুলে ধরেছে। যা উন্নত ট্রেন পরিচালন নিরাপত্তার ওপর যেমন জোর দেওয়া হয়েছে ঠিক তেমনই আধুনিক ট্র্যাক রক্ষণাবেক্ষণের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে।

    ম্যানড লেভেল ক্রসিং গেট প্রতিস্থাপন

    পূর্ব রেল বর্তমানে নিরাপত্তা বিধি নিয়ে যে ক্রমাগত অবাধ্যতা তৈরি হচ্ছে তার বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছে। পরিকাঠামোর ব্যাপক আধুনিকীকরণ এবং সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও, দ্রুত পারাপার করে রেললাইনকে দুর্ঘটনার করিডোরে পরিণত করেছে। তাই যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে লেভেল ক্রসিং বাদ দিয়ে এবং ওভারব্রিজের নিরাপত্তা এবং রেল চলাচলের গতি বাড়াতে পূর্ব রেলের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ১১টি ম্যানড লেভেল ক্রসিং গেট প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে সেখানে লিমিটেড হাইট সাবওয়ে এবং কৌশলগত ডাইভারশন তৈরি করা হয়েছে, যা রেল ও রাস্তার ট্রাফিক সংযোগস্থলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি দূর করবে।

    ১৩টি সেতুর সংস্কার

    পূর্ব রেলের পরিষেবা আরও বৃদ্ধি করতে ১৩টি সেতুর সংস্কার করা হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদী থাকবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। যার মধ্যে প্রযুক্তিগত সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা উন্নত করতে এবং ট্রেনের গতি বজায় রাখতে ৯ টি সেতুর রিগ্রেডিং করা হয়েছে। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে ৯ টি নতুন সাইড পাথওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে এই সাইড পাথওয়ে রেলের গ্রাউন্ড স্টাফদের নিরাপদ চলাচল এবং নজরদারির কাজকে আরও সহজতর করে তুলবে। পাশাপাশি পূর্ব রেলের ট্র্যাক রক্ষণাবেক্ষণের আধুনিকীকরণের জন্য ট্র্যাক নবীকরণ এবং ট্রাকের অবস্থার পর্যবেক্ষণের ওপর জোর দিয়েছে।

    ফোর্সড লেআউট প্রতিস্থাপন

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ৪১.৭৫ সমতুল্য সংখ্যার ‘থ্রু টার্নআউট রিনিউয়াল’ স্থাপন করা হয়েছে, যা পুরনো মেশিনগুলিকে সরিয়ে আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করেছে। এবং ১,৩২০ কিমি রেলপথে ‘আল্ট্রা সনিক ফ্ল ডিটেকশন’ পরীক্ষা করা হয়েছে যাতে ট্র্যাকের ভিতরে কোনও ফাটল থাকলে তা শনাক্ত করা যায়। এছাড়াও ১০৬,২৭০ ঘনমিটার ব্যালাস্ট পাথর বিছানো হয়েছে, যা রেল চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি ৭টি ‘ফোর্সড লেআউট’ সফলভাবে সংশোধন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: এবার বাড়িতে ED-কে ডাকলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    পূর্ব রেলের এই একগুচ্ছ নিরাপত্তা মূলক পদক্ষেপে আশার আলো দেখছে যাত্রীরা। এই প্রসঙ্গে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শ্রী শিবরাম মাঝি জানান, “এই উন্নয়নগুলি যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং পরিকাঠামো আধুনিকীকরণের প্রতি পূর্বরেলের একনিষ্ঠ দায়বদ্ধতাকে প্রতিফলিত করে। উন্নত পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা আমাদের যাত্রীদের জন্য আরও উন্নতমূলক এবং নির্ভরযোগ্য রেল পরিষেবা তৈরি করছি।”

  • শিয়ালদা ডিভিশনে একাধিক লোকাল ট্রেনের গন্তব্য বাড়াল রেল

    শিয়ালদা ডিভিশনে একাধিক লোকাল ট্রেনের গন্তব্য বাড়াল রেল

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শোনা গিয়েছিল আগেই। এবার বাস্তবেই কমতে চলেছে মাঝপথে ট্রেন বদলের ঝক্কি (Indian Railways)। আজ অর্থাৎ 23 মার্চ তারিখ থেকে 23 মে পর্যন্ত শিয়ালদা-বনগাঁ, শিয়ালদা-ক্যানিং (Sealdah) এমনকি শিয়ালদা-ডায়মন্ড হারবার রুটে বাড়ছে ট্রেনের গন্তব্য। অর্থাৎ যেসব লোকাল ট্রেন নির্দিষ্ট স্টেশন পর্যন্ত যেত সেই ট্রেনের গন্তব্য এবার আরও প্রশস্ত হচ্ছে। শিয়ালদা শাখার কোন কোন ট্রেন এবার থেকে আরও দূর পর্যন্ত ছুটবে জানতে আজকের প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ দেখুন।

    কোন কোন ট্রেনের গন্তব্য বাড়ছে?

    প্রথমেই আসা যাক শিয়ালদা-বনগাঁ শাখায়। এই সেকশনের কয়েকটি লোকাল ট্রেন দত্তপুকুর বা গোবরডাঙায় গিয়ে নিজেদের যাত্রা পথ শেষ করত। এবার সেই দত্তপুকুর এবং গোবরডাঙা লোকালের গন্তব্য বাড়ছে। ট্রেন নম্বর 33617 শিয়ালদা-দত্তপুকুর লোকাল এবার থেকে বনগাঁ পর্যন্ত যাবে। এই ট্রেন সকাল 11 টা বেজে 44 মিনিটে বনগাঁয় পৌঁছবে। অন্যদিকে ট্রেন নম্বর 33622 লোকাল ট্রেনটি বনগাঁ থেকে সকাল 11টা 55 মিনিটে ছেড়ে সরাসরি শিয়ালদা আসবে।

    এবার আসা যাক রাতের প্রসঙ্গে। ট্রেন নম্বর 33685 শিয়ালদা-গোবরডাঙা লোকাল শিয়ালদা থেকে 8টা 23 মিনিটে ছেড়ে সোজাসুজি 10টা 31 মিনিটে বনগাঁয় পৌঁছবে। একইভাবে সন্ধ্যার দমদম-গোবরডাঙা 7টা 25 মিনিটে ছেড়ে সোজা বনগাঁয় পৌঁছবে। অন্যদিকে ক্যানিং এবং ডায়মন্ড হারবার শাখার ক্ষেত্রেও ট্রেন নম্বর 34392 এবং 30552 ট্রেন দুটি চম্পাহাটি এবং ঘুটিয়ারির বদলে সোজা ক্যানিং পর্যন্ত চলবে। ফেরার পথে ওই ট্রেন আবার ক্যানিং থেকেই ছেড়ে শিয়ালদা আসবে।

    অবশ্যই পড়ুন: ভারতীয় রুপিতে ভারী পতন, সোমবার ডলারের বিপরীতে নতুন রেকর্ড গড়ল টাকা

    এদিকে, ডায়মন্ড হারবার রুটে ট্রেন নম্বর 34898 শিয়ালদা-মগরাহাট ট্রেনটি মগরাহাট স্টেশনের বদলে সোজা ডায়মন্ড হারবার পর্যন্ত যাবে। এই ট্রেন রাত 8টা বেজে 38 মিনিটে ডায়মন্ড হারবার পৌঁছে দেবে যাত্রীদের। রেলের এমন পদক্ষেপে আখেরে উপকৃত হবেন অসংখ্য নিত্যযাত্রী।

  • পার্ক সার্কাস নয়, শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি জানলে অবাক হবেন

    পার্ক সার্কাস নয়, শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি জানলে অবাক হবেন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ শিয়ালদা ডিভিশনের (Sealdah railway division) সবথেকে নোংরা রেল স্টেশন কোনটি? প্রথমেই নিশ্চয়ই আপনার মাথায় আসবে শিয়ালদা ডিভিশনের পার্ক সার্কাস স্টেশনের নাম। এই স্টেশনের ওপর দিয়ে যারা রোজ যাতায়াত করেন কিংবা একবার হলেও করেছেন তাঁরাই জানবেন স্টেশন ঢোকার মুখে বা ছাড়ার সময়ে চামড়ার গন্ধ কেমন হয়। সেইসঙ্গে ভাগাড় তো রয়েইছেই। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, এখন সেই নোংরা স্টেশনের (Dirtiest Railway Station) তকমা হারিয়েছে, এখন অন্য দুইটি স্টেশন সবথেকে বেশি নোংরা হয়ে উঠেছে। নাম শুনলে হয়তো চমকে যাবেন।

    শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি?

    এমনিতে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক, ভারতীয় রেল, সারা দেশে ৭,৪৬১টি রেল স্টেশন পরিচালনা করে। তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বেশিরভাগ রেল স্টেশনের আধুনিকীকরণ প্রচেষ্টা এবং উল্লেখযোগ্য সংস্কার সত্ত্বেও, কয়েকটি ভারতীয় ট্রেন স্টেশন এখনও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং আধুনিক স্বাস্থ্যবিধির মানের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে পারছে না। দিনে দিনে আরও যেন নোংরা হয়ে উঠছে। রোজ সেই স্টেশনগুলির ওপর যাতায়াত করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। যাইহোক, আজ কথা হচ্ছে শিয়ালদা বিভাগের সন্তোষপুর এবং বাঘাযতীন রেল স্টেশন নিয়ে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। বর্তমানে এই দুটি রেল স্টেশন সবথেকে নোংরা স্টেশন হিসেবে পার্ক সার্কাসকেও পেছনে ফেলে দিয়েছে।

    সম্প্রতি পূর্ব রেল যেখানে শিয়ালদহ স্টেশনে চার হাজার বর্গফুট এলাকা থেকে ৫০ টন বর্জ‌্য পরিষ্কার করা হয়েছে, সেখানেই সন্তোষপুর এবং বাঘাযতীন স্টেশনে ৪,০০০ বর্গফুট এলাকা থেকে ১০০ টন করে আবর্জনা সরানো হয়েছে। অন্যান্য প্রধান এলাকাগুলোর মধ্যে মগরাহাটে ২,০০০ বর্গফুট থেকে ৩৫ টন, পাতিপুকুর ও টালায় ৩০ টন করে, এবং বিধাননগর ও কলকাতা স্টেশনে ২০ টন করে আবর্জনা সরানো হয়েছে।রেল একটি পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালায়। সেখানেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এরই সঙ্গে তালিকায় রয়েছে লেক গার্ডেন থেকে শুরু করে সোদপুর, সোনারপুর, হালিশহর, আগরপাড়া, নিউ গড়িয়া, টালিগঞ্জ স্টেশন থেকে কয়েকশো টন নোংরা সরিয়েছে পূর্ব রেলওয়ের এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হাউসকিপিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগ।

    আরও পড়ুনঃ ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে স্বদেশী বুলেট ট্রেন, ১৬টি হাই-স্পিড ট্রেন সেটের অর্ডার

    ভারতের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি?

    এছাড়া আপনি কি জানতে ইচ্ছুক ভারতের কোন রেল স্টেশন সবথেকে নোংরা? ভারতীয় রেলওয়ের রেল স্বচ্ছ পোর্টাল অনুসারে, দক্ষিণ রেলওয়ে জোনের চেন্নাই রেলওয়ে বিভাগের তামিলনাড়ুর পেরুঙ্গালাথুর রেলওয়ে স্টেশনটি ভারতের সবচেয়ে নোংরা রেলওয়ে স্টেশন হওয়ার কুখ্যাত তকমা পেয়েছে। এছাড়াও, দেশের সবচেয়ে নোংরা স্টেশনগুলির মধ্যে আরও অসংখ্য রেল স্টেশন রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিহারের পাটনা, মুজাফফরপুর এবং আরারিয়া কোর্ট রেল স্টেশন, উত্তর প্রদেশের ঝাঁসি ও বরেলি রেল স্টেশন, এবং তামিলনাড়ুর ভেলাচেরি ও গুডুভানচেরি রেল স্টেশন।

  • হাওড়া-শিয়ালদা লাইনে বাতিল ৪৭টি লোকাল, বহু ট্রেনের সময়ও বদলাল রেল

    হাওড়া-শিয়ালদা লাইনে বাতিল ৪৭টি লোকাল, বহু ট্রেনের সময়ও বদলাল রেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সপ্তাহান্তে নতুন করে ফের ভোগান্তির শিকার হতে চলেছেন সাধারণ মানুষ। হাওড়া ডিভিশনে (Howrah) বাতিল (Train Cancelled) থাকতে চলেছে কয়েকগুচ্ছ ট্রেন। সেইসঙ্গে কিছু ট্রেন পুনর্নিধারণ, নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে খবর। মূলত। হাওড়া ডিভিশনের  বিভিন্ন শাখার রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ২২ মার্চ, রবিবার দিনের বেলায় ট্রাফিক ব্লকের প্রয়োজন হবে। সে কারণে কিছু ট্রেন বাতিল থাকবে এদিন। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    হাওড়া ডিভিশনে ফের ট্রাফিক ব্লক

    পূর্ব রেলের তরফে ইতিমধ্যে এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রবিবার কোন্নগর উত্তরপাড়া শাখায় ডাউন মেই লাইনে দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ৩টে অবধি, ভদ্রেশ্বর স্টেশন লিমিট-শেওড়াফুলি শাখায় ডাউন মেন লাইনে সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে দুপুর ২টো ৪৫ মিনিট অবধি, খন্যান-পাণ্ডুয়া শাখায় ডাউন মেইলাইনে সকাল ১০:৪৫ মিনিট থেকে দুপুর ১:৪৫ মিনিট অবধি, ডানকুনি-সিসিএল শাঁখা রিভার্স সিসিআর লাইনে সকাল ৯:৪৫ মিনিট থেকে দুপুর ১২:৪৫ মিনিট অবধি, বারুইপাড়া স্টেশন লিমিটে আপ হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইন ১-এ সকাল ১০:৪০ মিনিট থেকে দুপুর ১:৪০ মিনিট অবধি, চেরাগ্রাম ব্লক হাট-গুড়াপ শাখায় আপ হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইনে সকাল ১০:৫০ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫০ মিনিট অবধি, জৌগ্রাম-মসাগ্রাম শাখায় আপ হাওড়া-বর্ধমান কর্ডলাইনে সকাল ১১:১৫ মিনিট থেকে দুপুর ২:১৫ মিনিট অবধি ব্লক (Traffic Block) থাকবে।

    কোন কোন ট্রেন বাতিল থাকবে?

    রবিবার কোন কোন ট্রেন বাতল থাকবে তার তালিকা দিয়েছে রেল। এদিন ৪৭টি ট্রেন বাতিল থাকবে বলে খবর। হাওড়া–চন্দনপুর লোকাল, হাওড়া–বর্ধমান লোকাল (কর্ড লাইন হয়ে), হাওড়া–ব্যাণ্ডেল লোকাল, হাওড়া–কাটোয়া লোকাল, হাওড়া–পাঁশকুড়া লোকাল, হাওড়া–মেমারি লোকাল, হাওড়া–বর্ধমান লোকাল (মেইন লাইনে), হাওড়া–ব্যান্ডেল লোকাল, বর্ধমান–হাওড়া লোকাল, ব্যাণ্ডেল–হাওড়া লোকাল, কাটোয়া–হাওড়া লোকাল, শেওড়াফুলি–হাওড়া লোকাল, পাঁশকুড়া–হাওড়া লোকাল, মেমারি–হাওড়া লোকাল, কাটোয়া–আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার, বর্ধমান–হাওড়া লোকাল (মেইন লাইনে), বর্ধমান–শিয়ালদহ লোকাল, বর্ধমান–হাওড়া লোকাল (কর্ড লাইনে), আহমদপুর–কাটোয়া মেমু, চন্দনপুর–হাওড়া লোকাল, তারকেশ্বর–শিয়ালদহ লোকাল, শ্রীরামপুর–তারকেশ্বর লোকাল, রামপুরহাট–আজিমগঞ্জ মেমু ইত্যাদি।

    কোন কোন ট্রেন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে?

    • (১) ১০১৫৫ হাওড়া–জামালপুর কবিগুরু এক্সপ্রেস ১০ মিনিট পরে ছাড়বে।
    • (২) ১৩০৩১ রামপুরহাট–হাওড়া এক্সপ্রেস ৭৫ মিনিট পরে ছাড়বে।
    • (৩) ১৩০৩২ গোদা–শিয়ালদহ এক্সপ্রেস ২০ মিনিট পরে ছাড়বে।
    • (৪) ৫৩০৫৩ কাটোয়া–নিমতিতা প্যাসেঞ্জার ৬০ মিনিট পরে ছাড়বে।

    এই ট্রেনগুলি নিয়ন্ত্রিত হবে

    (১) ১২৩৭৭ হাওড়া–রামপুরহাট শীর্ষ এক্সপ্রেস ৬০ মিনিট নিয়ন্ত্রিত হবে।
    (২) ১৩০০১ হাওড়া–জম্মু এক্সপ্রেস ৪৫ মিনিট নিয়ন্ত্রিত হবে।
    (৩) ১৩০০৩ হাওড়া–কাটোয়া এক্সপ্রেস ৫০ মিনিট নিয়ন্ত্রিত হবে।
    (৪) ১৩০১৬ জামালপুর–হাওড়া কবিগুরু এক্সপ্রেস ১২০ মিনিট নিয়ন্ত্রিত হবে।

  • শিয়ালদা লাইনে একাধিক স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা পূর্ব রেলের, দেখুন সময়সূচি

    শিয়ালদা লাইনে একাধিক স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা পূর্ব রেলের, দেখুন সময়সূচি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ গরমের ছুটি পড়তে বেশিদিন সময়ে নেই। আর গরমের ছুটি মানেই কোথাও না কোথাও ঘুরতে যাওয়া। এদিকে ট্রেনে ভিড় যেম কমতেই চাইছে না। এহেন পরিস্থিতিতে শিয়ালদা ডিভিশনে (Sealdah) বেশ কিছু স্পেশাল ট্রেন চালানোর ঘোষণা করল পূর্ব রেল (Eastern Railway)। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। যাত্রীদের উন্নততর সুবিধা প্রদান করতে এবং ওয়েটিং লিস্টের সমস্যা কমাতে মূলত রেলের এহেন সিদ্ধান্ত। আগামী ১৯, ২০ এবং ২২ মার্চ বিশেষ ট্রেন চালাবে রেল। নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন রুটে? তাহলে বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    শিয়ালদা-লালগোলা রুটে একাধিক ট্রেনের ঘোষণা রেলের

    আর অপেক্ষা না করে জানিয়ে রাখি, শিয়ালদা,লালগোলা, রাণাঘাট রুটে বিশেষ ট্রেনগুলি চলবে আগামী তিনদিন। চলতি সপ্তাহেই রয়েছে ঈদ। আর এই সময়ে অনেকেই আছেন বাড়ি ফিরবেন। অনেকে আবার ফিরতেও শুরু করে দিয়েছেন। ট্রেনে রীতিমতো পা রাখার জায়গা নেই। সমস্যা বাড়ছে যাত্রীদের। তবে চিন্তা নেই। সবকিছু মাথায় রেখে আগামী ৩ দিন ৬টি স্পেশাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। চলুন জেনে নেবেন ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে।

    এক নজরে ট্রেনের সময়সূচী

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী বৃহস্পতিবার শিয়ালদা-লালগোলা স্পেশাল সকাল ১১:৫৫ মিনিটে শিয়ালদা থেকে ছাড়বে। এরপর লালগোলায় পৌঁছাবে বিকেল ৪ টে ৫৫ মিনিটে। এছাড়া লালগোলা-রানাঘাট স্পেশাল লোকাল বিকেল ৫:৪৫ মিনিটে লালগোলা থেকে ছাড়বে। এরপর সেটি রাত ৯:০২ মিনিটে রানাঘাটে পৌঁছাবে। এরপর শুক্রবার শিয়ালদা-লালগোলা স্পেশাল লোকাল শিয়ালদা থেকে ছাড়বে দুপুর ৩:২০ মিনিটে। এরপর সেটি লালগোলায় রাত ৮:২০ মিনিটে পৌঁছাবে।

    আরও পড়ুনঃ নবান্নর DA বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ক্ষোভ, এরা আদৌ পাবেন মহার্ঘ ভাতা? ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    এছাড়াও সেদিনই আবার লালগোলা-শিয়ালদা স্পেশাল লোকাল ট্রেনটি ভোর ৪:৫০ মিনিটে লালগোলা থেকে ছাড়বে। সেটি শিয়ালদায় ঢুকবে সকাল ৯:৫৫ মিনিটে। রবিবার ছুটির দিন রানাঘাট-লালগোলা স্পেশাল লোকাল সকাল ৯:৫০ মিনিটে রানাঘাট স্টেশন থেকে ছাড়বে। এরপর সেটি বেলা ১২:৫০ মিনিটে লালগোলায় ঢুকবে। লালগোলা-শিয়ালদা স্পেশাল লোকাল ট্রেন দুপুর ২:১৫ মিনিটে লালগোলা থেকে ছাড়বে। সেটি সন্ধ্যা ৭ টা ১০ মিনিটে শিয়ালদায় পৌঁছাবে।

  • শিয়ালদার তিন রুটে EMU পরিষেবা সম্প্রসারণ, যাত্রীদের স্বার্থে বড় উদ্যোগ রেলের

    শিয়ালদার তিন রুটে EMU পরিষেবা সম্প্রসারণ, যাত্রীদের স্বার্থে বড় উদ্যোগ রেলের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শিয়ালদহ (Sealdah) ডিভিশনের যাত্রীদের বিরাট সুখবর দিল ভারতীয় রেল (Indian Railways)। জানা যাচ্ছে, শিয়ালদহ-বনগাঁ, শিয়ালদহ-ক্যানিং এবং শিয়ালদহ-ডায়মন্ড হারবার রুটে EMU লোকাল পরিষেবা সম্প্রসারণ করল রেল। এর দৌলতে এবার থেকে আর যাত্রীদের মাঝপথে নেমে দ্বিতীয় ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। এক কথায়, বিভিন্ন লোকালগুলির গন্তব্য বাড়াচ্ছে রেল।

    কষ্ট কমবে যাত্রীদের

    রেল সূত্রে খবর, যাত্রীদের সমস্যা কিছুটা কমাতে আগামী 23 মার্চ থেকে 23 মে পর্যন্ত শিয়ালদহ শাখার বনগাঁ, ক্যানিং এবং ডায়মন্ড হারবার রুটে EMU পরিষেবা দীর্ঘায়িত করছে রেল। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ভারতীয় রেলের এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য মিড জার্নি ইন্টারঅ্যাপশনস বা যাত্রার মাঝপথে ট্রেন থেকে নেমে যাওয়ার সমস্যা কমানো। অর্থাৎ এবার থেকে ট্রেনগুলি তাদের চূড়ান্ত টার্মিনাল পর্যন্ত চলবে। এর ফলে শিয়ালদহ শাখার লাখ লাখ যাত্রী নিরাপদে এবং কোনও রকম দুশ্চিন্তা ছাড়াই নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন।

    জানা যাচ্ছে, বনগাঁ শাখায় যাত্রীদের সমস্যা কমাতে দত্তপুকুর এবং গোবরডাঙ্গা লোকালের গন্তব্য পথ সম্প্রসারণ করছে রেল। রেল সূত্রে, ট্রেন নম্বর 33617 শিয়ালদহ-দত্তপুকুর লোকাল এবার থেকে দত্তপুকুর পর্যন্ত যাওয়ার বদলে সরাসরি বনগাঁ পর্যন্ত চলবে। পরবর্তীতে সেই ট্রেন আবার বনগাঁ থেকে শিয়ালদহ পৌঁছবে। এছাড়াও রাতের ট্রেন 33685 শিয়ালদহ-গোবরডাঙ্গা এবং 33271 দমদম-গোবরডাঙ্গা লোকাল এবার থেকে সরাসরি বনগাঁ স্টেশনে পৌঁছবে। পরবর্তীতে সেখান থেকেই ছেড়ে নিজ গন্তব্যে পৌঁছবে ট্রেন দুটি।

    অবশ্যই পড়ুন: ইডেনে বাড়ল IPL টিকিটের দাম, KKR র ম্যাচ দেখতে কোন ব্লকে কত খরচ?

    এদিকে ক্যানিং এবং ডায়মন্ড হারবার শাখায় যাত্রীদের দুশ্চিন্তা কমাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। ক্যানিং রুটে ট্রেন নম্বর 34392 এবং 30552 চাম্পাহাটি এবং ঘুটিয়ারি যাওয়ার বদলে একেবারে ক্যানিং পর্যন্ত চলবে। পরবর্তীতে সেই ট্রেন আবার ক্যানিং থেকে ছেড়ে নিজ গন্তব্যে পৌঁছবে। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবারের যাত্রীদের জন্য ট্রেন নম্বর 34898 শিয়ালদহ-মগরাহাট এর দূরত্ব বাড়িয়ে ট্রেনটিকে ডায়মন্ড হারবার পর্যন্ত চালানো হবে। সেই ট্রেন আবার ডায়মন্ড হারবার থেকে ছেড়ে নিজে গন্তব্য শিয়ালদহ পৌঁছবে। অনেকেই মনে করছেন, রেলের এই উদ্যোগে উপকৃত হবেন নিত্যযাত্রীরা।

  • শিয়ালদা ডিভিশনের যাত্রীদের পোয়া বারো, একাধিক লোকাল ট্রেনের স্টপেজ বাড়াল রেল

    শিয়ালদা ডিভিশনের যাত্রীদের পোয়া বারো, একাধিক লোকাল ট্রেনের স্টপেজ বাড়াল রেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনিও কি শিয়ালদা ডিভিশনের (Sealdah) যাত্রী? তাহলে আপনার জন্য রইল দারুণ সুখবর। আসলে পূর্ব রেলের তরফে কয়েক গুচ্ছ ট্রেনের স্টপেজ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ট্রেনগুলির স্টপেজ দেওয়া হবে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্টেশনগুলিতে। আপনিও কি জানতে ইচ্ছুক কোন ট্রেন কোন স্টেশনে স্টপেজ দেবে? তাহলে চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বহু ট্রেনের স্টপেজ বাড়াল রেল

    শিয়ালদহ ডিভিসনের বিভিন্ন স্টেশনে কিছু লোকাল ট্রেনের স্থায়ী স্টপেজ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি অবধি জারি করেছে রেলওয়ে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যাত্রীদের সুবিধার্থে এবং শহরতলির রেল পরিষেবা আরও সহজলভ্য করতে কয়েকটি ট্রেনের আগামী বুধবার অর্থাৎ ১৮ মার্চ থেকে উল্লেখিত স্টেশনগুলিতে স্টপেজ দেবে। তালিকা অনুযায়ী, ৩১৫১৩ শিয়ালদা শান্তিপুর লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস, ৩১৫১৯ শিয়ালদা শান্তিপুর লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস স্টেশনে থামবে।

    আরও পড়ুনঃ ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    রেল আরও জানিয়েছে, ৩১৫২৫ শিয়ালদা শান্তিপুর লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস, ৩১৭৪৮ শান্তিপুর-রাণাঘাট লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস, ৩১৫৩৬ শান্তিপুর-শিয়ালদা লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস, ৩১৭৪৫ রাণাঘাট-গেদে লোকাল শান্তিনগর হল্ট, ৩১৭৪৪ গেদে-রানাঘাট শান্তিনগর হল্ট, ৩১৯২২ গেদে শিয়ালদা লোকাল শান্তিনগর হল্ট, ৩১৮২৮ কৃষ্ণনগর সিটি-শিয়ালদা লোকাল তাহেরপুর, বীরনগর, ৩১৭২৩ রাণাঘাট-কৃষ্ণনগর সিটি লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮২৭শিয়ালদা-কৃষ্ণনগর সিটি লোকাল জালালখালি হল্ট স্টেশনে থামবে।

    উপকৃত হবেন যাত্রীরা

    এছাড়াও ৩১৮৩৮ কৃষ্ণনগর-শিয়ালদা লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮৩৭ শিয়ালদা কৃষ্ণনগর সিটি গ্যালপিং লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮১৬ কৃষ্ণনগর সিটি-শিয়ালদা লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮৪৩ শিয়ালদা কৃষ্ণনগর লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮২০ কৃষ্ণনগর সিটি-শিয়ালদা লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩৩৮১৭ শিয়ালদা বনগাঁও লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩০৬১ ক্যানিং বারাসাত লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩৮১৪ বনগাঁও শিয়ালদা লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩৮১৬ বনগাঁও শিয়ালদা লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩৮২০ বনগাঁও শিয়ালদা লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩৬২২ দত্তপুকুর-শিয়ালদা লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৪৫২১ ক্যানিং শিয়ালদা লোকাল মাতলা স্টেশনে থামবে।

     

  • শিয়ালদায় বিজেপির কর্মীদের নিজের হাতে খাবার পরিবেশন শমীকের

    শিয়ালদায় বিজেপির কর্মীদের নিজের হাতে খাবার পরিবেশন শমীকের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজেপির জনসভাকে ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। আর কিছুক্ষণ পরেই শুরু হতে চলেছে বহু প্রতীক্ষিত মোদীর হাইভোল্টেজ সভা (Modi Brigade Rally)। ইতিমধ্যে জেলা থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা সভায় ভিড় জমাতে শুরু করেছে। কাতারে কাতারে মানুষ হাওড়া-শিয়ালদা হয়ে ব্রিগেড অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছেন। এই অবস্থায় স্টেশনের বাইরে কর্মী-সমর্থকদের জন্য তৈরি করা অস্থায়ী ক্যাম্পে অন্য ভূমিকায় দেখা গেল রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে। করলেন খাবার পরিবেশন।

    খাবার পরিবেশন শমীকের

    দূর-দূরান্ত থেকে যে সকল কর্মী সমর্থকরা বিজেপির সভায় হাজির হয়েছেন। শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে বিজেপির তরফে যে ক্যাম্প করা হয়েছে, সেখানে সকাল থেকেই উত্তরবঙ্গ-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কর্মী-সমর্থকদের জন্য খাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ওই ক্যাম্পে বিশ্রাম নিচ্ছেন কর্মীরা। এক এক সকলেই দুপুরের খাবার খাচ্ছেন। মেনুতে রয়েছে ভাত, ডাল, সবজী, ডিম। আর সেখানেই কর্মী সমর্থকদের খাবার পরিবেশন করতে দেখা গিয়েছে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে। খাবার পরিবেশন প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এটা নতুন কিছু নয়। ছোটবেলা থেকেই বিজেপির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মানুষকে খাবার পরিবেশন করার অভ্যাস রয়েছে তাঁর।

    দলীয় অবস্থান নিয়ে কড়া বার্তা শমীকের

    ব্রিগেডে মোদীর জনসভা রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করা হলে দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করে কড়া বার্তা দিলেন তিনি। শমীক বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ বহুত্ববাদের মাটি এবং এই মাটিকে কখনও বিভেদের রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়া যাবে না। এই মাটিকে কিছুতেই হুমায়ুনের মাটি বানাতে দেব না।” বিজেপির আদর্শ নিয়ে শমীক বলেন, “শ্যামা প্রসাদ মুখার্জীর আদর্শেই দল এগিয়ে চলছে। দেশভাগের পর শিয়ালদহ স্টেশনে উদ্বাস্তুদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সেই ঐতিহ্য থেকেই বিজেপি বাংলার মানুষের পাশে থাকার দাবি করছে।”

    আরও পড়ুন: বোরখা পরা মহিলাদের জন্য বাংলায় ‘বিহার মডেল’! মুখ দেখিয়েই দিতে হবে ভোট

    ব্রিগেড সভার আগে শিয়ালদহে কর্মী-সমর্থকদের জমায়েতের মধ্যে রাজনৈতিক শিবিরে এক টান টান মুহূর্ত তৈরি হয়েছে। এখন বাকি শুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্টেজে ওঠার। এদিকে রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “আসন্ন নির্বাচন মূলত মানুষের সঙ্গে তৃণমূলের লড়াই হয়ে উঠেছে। রাজ্যের মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত এবং সেই বার্তাই ব্রিগেডের সভা থেকে আজ স্পষ্ট হবে।

  • শিয়ালদা ডিভিশনে ১৪ জোড়া লোকাল ট্রেনের ঘোষণা পূর্ব রেলের, দেখুন সময়সূচি

    শিয়ালদা ডিভিশনে ১৪ জোড়া লোকাল ট্রেনের ঘোষণা পূর্ব রেলের, দেখুন সময়সূচি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল যাত্রীদের জন্য সুখবর। এবার রেলের তরফে একটা বা দুটো নয়, ২৮টি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিল পূর্ব রেল। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। আর এই ট্রেনগুলি চলবে শিয়ালদা বিভাগে (Sealdah local train)। জানা গিয়েছে, আগামী ১৬ মার্চ থেকে ২০ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত মোট ১৪ জোড়া বা ২৮টি স্পেশাল ট্রেন চলবে। আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    ২৮টি বিশেষ ট্রেন চালানোর ঘোষণা রেলের

    জানা গিয়েছে, যেহেতু মতুয়া মেলা রয়েছে। সে কারণে বিপুল সমাগমের আশা করা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে কারোর যাতে মতুয়া মেলায় আসতে বা বাড়ি ফিরতে অসুবিধা না হয় সেজন্য পূর্ব রেলের তরফে শিয়ালদা ডিভিশনের বিভিন্ন রুটে বিশেষ লোকাল ট্রেন চালানো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ট্রেনগুলি ঠাকুরনগর থেকে গেদে, লালগোলা, ক্যানিং এবং নামখানা রুটের মধ্যে চলবে এবং যাত্রীদের সুবিধার্থে, এগুলি আপ এবং ডাউন উভয় লাইনের সমস্ত স্টেশনে থামবে।

    এক নজরে দেখুন ট্রেনের তালিকা

    ১৬.০৩.২০২৬

    সকাল ১১:২০ মিনিটে গেদে-ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া রানাঘাট-বনগাঁ।
    ভোর ৪:৫০ মিনিটে লালগোলা- ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া রানাঘাট-বনগাঁ ।
    সকাল ৬:৩৫ মিনিটে চলবে ক্যানিং- ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া বালিগঞ্জ-দমদম হয়ে।
    সকাল ৫টায় চলবে নামখানা ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া বালিগঞ্জ – দমদম হয়ে।

    ১৭.০৩.২০২৬ এবং ১৮.০৩.২০২৬ ২৬

    সকাল ১১:২০ মিনিটে গেদে-ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া রানাঘাট-বনগাঁ।
    ভোর ৪:৫০ মিনিটে লালগোলা- ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া রানাঘাট-বনগাঁ ।
    সকাল ৬:৩৫ মিনিটে চলবে ক্যানিং- ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া বালিগঞ্জ-দমদম হয়ে।
    সকাল ৫টায় চলবে নামখানা ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া বালিগঞ্জ – দমদম হয়ে।

    এছাড়া ঠাকুরনগর থেকে ছেড়ে যাওয়া বিশেষ ট্রেনগুলি হল বিকেল ১৬:৩৫ নাগাদ ঠাকুরনগর–গেদে স্পেশাল ভায়া রানাঘাট – বনগাঁ, বকেল ১৫:৪৫ মিনিট নাগাদ ঠাকুরনগর-লালগোলা ভায়া রানাঘাট – বনগাঁ হয়ে চলবে, বিকেল ৫টার সময়ে ঠাকুরনগর-ক্যানিং ভায়া বালিগঞ্জ – দমদম হয়ে চলবে। এছাড়া বিকেল ১৬:০৫ মিনিটে ঠাকুরনগর–নামখানা স্পেশাল চলবে ভায়া বালিগঞ্জ – দমদম হয়ে।

    আরও পড়ুন: সত্যিই কি LPG সিলিন্ডার প্রতি ২৯১ টাকা কর নিচ্ছে রাজ্য সরকার? দেখুন হিসেব

    ১৯ এবং ২০ মার্চ ভোর ৪টে ৫০ মিনিটে লালগোলা-ঠাকুরনগর স্পেশাল, সকাল ৫টা নাগাদ নামখানা-ঠাকুরনগর স্পেশাল, দুপুর ৩টে ৪৫ মিনিটে ঠাকুরনগর-লালগোলা স্পেশাল এবং বিকেল ৪টে ০৫ মিনিটে মিলবে ঠাকুরনগর-নামখানা স্পেশাল ট্রেন।

  • দুর্ভোগ কমবে শিয়ালদা-হাওড়া লাইনের যাত্রীদের, নশিপুর হল্ট স্টেশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    দুর্ভোগ কমবে শিয়ালদা-হাওড়া লাইনের যাত্রীদের, নশিপুর হল্ট স্টেশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ নশিপুর হল্ট স্টেশন (Nashipur Halt Station) নিয়ে সামনে এল বিরাট আপডেট। বিধানসভা ভোটের মুখে অবশেষে এই মুর্শিদাবাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নশিপুর হল্ট স্টেশনের শিলান্যাস করে সকলকে চমকে দিল পূর্ব রেল। মুর্শিদাবাদবাসী অপেক্ষা করছেন এবং এই রেলস্টেশনটি সকলের জন্য উন্মুক্ত হবে, ট্রেন দাঁড়াবে তা নিয়ে। আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    শিলান্যাস হল নশিপুর হল্ট স্টেশনের

    গতকাল ১২ মার্চ নশিপুর হল্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়। এই ঘটনা মুর্শিদাবাদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই অনুষ্ঠানে শিয়ালদহের ডিআরএম রাজীব সাক্সেনার পাশাপাশি বিধায়ক গৌরী শঙ্কর ঘোষের উপস্থিতি ছিল। আঞ্চলিক অগ্রগতির প্রতি সম্মিলিত অঙ্গীকারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কৃষ্ণনগর লালগোলা সেকশনে এই স্টেশনটি স্থাপনের মাধ্যমে, রেল মন্ত্রক অবশেষে হাওড়া এবং শিয়ালদহ ডিভিশনের যাত্রীদের সমস্যার দূর করে। আর ঘুরপথ হবে না।

    আরও পড়ুনঃ দাঁড়ায় মাত্র ৫টি স্টেশনে, ‘লোকাল ট্রেনের রাজা’ বলা হয় এই ট্রেনটিকে! চলে হাওড়া-বর্ধমান রুটে

    একই জেলার অংশ হওয়া সত্ত্বেও, আজিমগঞ্জ এবং নশিপুর অঞ্চলগুলি কার্যত বিচ্ছিন্ন রয়ে গেছে। বর্তমানে, হাওড়া দিক থেকে নশিপুর বা মুর্শিদাবাদ অভিমুখে যাত্রীদের অনেক সম্মুখীন হতে হয়। যদিও আজিমগঞ্জ এবং নশিপুর মুর্শিদাবাদের প্রতিবেশী, ধীর গতির ফেরি এবং নৌকার উপর তাদের নির্ভরতা কয়েক কিলোমিটার যাত্রাকেও ক্লান্তিকর করে তুলেছে। সূত্রের খবর, আজিমগঞ্জ এবং নশিপুর উভয় তীরই অত্যন্ত উৎপাদনশীল কৃষি অঞ্চল। এই থামার স্টেশনটি দ্রুত পণ্য বিনিময়ের সুবিধা প্রদান করবে, যার ফলে কৃষকরা ন্যূনতম ওভারহেড খরচ ছাড়াই উভয় পাশের বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন এবং অপ্রত্যাশিত নদী পরিবহনের উপর নির্ভরতা কম থাকবে।

    উপকৃত হবেন সাধারণ মানুষ

    তবে আর নয়, কারণ শীঘ্রই নশিপুরের বাসিন্দারা এখন সরাসরি হাওড়া নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত হবেন, এবং হাওড়া ডিভিশনের যাত্রীরা কোনওরকম ঘুরপথ ছাড়াই সরাসরি মুর্শিদাবাদের প্রাণকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন। কৃষ্ণনগর-লালগোলা সেকশনে অবস্থিত নতুন থাম স্টেশনটি সময়সাপেক্ষ জল ক্রসিংকে দ্রুত রেল যাত্রায় রূপান্তরিত করতে সহায়তা করবে।