Tag: Salary

  • ৫৪১ সাংসদের মধ্যে বেতন, সুযোগ সুবিধা নেন না ২ জন! কারা তাঁরা? সামনে এল নাম

    ৫৪১ সাংসদের মধ্যে বেতন, সুযোগ সুবিধা নেন না ২ জন! কারা তাঁরা? সামনে এল নাম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মন্ত্রী সাংসদদের বেতন নিয়ে বরাবরই একটি কৌতূহল থাকে রাজ্যবাসীর। এমনকি সাংসদ বা বিধায়কদের বেতন ও ভাতা বৃদ্ধি নিয়ে অনেক রাজনৈতিক দলকেই ভালো মন্দ মন্তব্যও পর্যন্ত করতে দেখা যায়। আর এবার লোকসভার সাংসদদের বেতন (MP Salary) নিয়ে করা হল RTI ফাইল। আর তারই জবাবে উঠে এল চাঞ্চল্যকর ও অনুপ্রেরণামূলক তথ্য। জানা গেছে, বর্তমান লোকসভার সদস্যের মধ্যে মাত্র দুইজন সাংসদ সরকারি কোষাগার থেকে কোনো বেতন গ্রহণ করেন না।

    বেতন এবং সুযোগ সুবিধা নেন না দুই সাংসদ

    লোকসভা সচিবালয়ের দেওয়া আরটিআই আবেদনের জবাবে জানানো হয়েছে, বর্তমান লোকসভার সদস্যের মধ্যে মাত্র দুইজন সাংসদ সরকারি কোষাগার থেকে কোনো বেতন নেন না। আর সেই দুজন সাংসদ হলেন হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রের বিজেপি সাংসদ নবীন জিন্দাল এবং অপরজন হলেন ইম্ফলের কংগ্রেসের সাংসদ ড. বিমল আকোইজাম আঙ্গোমচা। RTI অনুযায়ী, এই দুই সাংসদ হিসেবে কোনও বেতন, ভাতা বা সরকারি সুযোগ সুবিধা কিছুই নেন না। নবীন জিন্দালের হলফনামা অনুযায়ী, সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১,২৪১ কোটি টাকা। অন্যদিকে বিমল আকোইজামের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৯৭ লক্ষ।

    সাংসদদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী কারা?

    উল্লেখ্য, লোকসভার অন্যতম ধনী সাংসদ হলেন বিজেপির নবীন জিন্দাল, তবে তিনি সবচেয়ে ধনী সাংসদ নন। সেই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টুরের তেলুগু দেশম পার্টি সাংসদ চন্দ্রশেখর পেম্মাসানি। তাঁর ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৫,৭০৫ কোটি টাকা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন তেলঙ্গানার চেভেল্লার বিজেপি সাংসদ কোন্দা বিশ্বেশ্বর রেড্ডি। তাঁর ঘোষিত সম্পত্তি ৪,৫৬৮ কোটি টাকার। এদিকে বিপুল সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও তাঁরা মাসের শেষে বেতন নেন। আর সেই নিরিখে বিমল আকোইজামের ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ কম থাকলেও বেতন না নেওয়ায় এক অনন্য নজির গড়ে তুলেছেন।

    আরও পড়ুন: ১ এপ্রিল থেকে বাড়ছে FasTag অ্যানুয়াল পাসের দাম! এবার কত হবে?

    প্রসঙ্গত, লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে লোকসভার মোট আসন ৫৪৩টি হলেও বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৪১। কারণ এইমুহুর্তে দুই সাংসদের আসন খালি। তাঁদের মধ্যে ৪৮১ জন সাংসদ প্রতি মাসে বেতন নেন। বাকিরা সবাই বেতন ও ভাতা নেন কি না, সে বিষয়ে আরটিআই রিপোর্টে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

  • বন্ধ স্কুল, কলেজ! বেতনে ২৫% কাটছাঁট, জ্বালানী সঙ্কটে বড় সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকারের

    বন্ধ স্কুল, কলেজ! বেতনে ২৫% কাটছাঁট, জ্বালানী সঙ্কটে বড় সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। এরই মাঝে নতুন করে শিরোনামে উঠে এল পাকিস্তান (Pakistan)। সেখানকার সরকার এবার এমন এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে যার প্রভাব কয়েক কোটি মানুষের ওপর পড়বে। জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ খরচ কমানোর জন্য একগুচ্ছ ঘোষণা করেছেন। স্কুল, কলেজ বন্ধ থেকে শুরু করে বেতনে কাটছাঁট, কমিশন বন্ধ করা সহ একাধিক ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বড় সিদ্ধান্ত পাক সরকারের

    সরকারের নতুন পরিকল্পনার আওতায়, সরকারি অফিসগুলি এখন সপ্তাহে মাত্র চার দিন খোলা থাকবে এবং অর্ধেক কর্মচারী বাড়ি থেকে কাজ (WFH) করবেন। স্কুলগুলিও দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। পাকিস্তান সরকার মন্ত্রী এবং উপদেষ্টাদের বিদেশ ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মন্ত্রীরা দুই মাস বেতন নেবেন না এবং সাংসদদের ২৫% বেতন কাটা হবে। আগামী দুই মাস সরকারি যানবাহনে ৫০% জ্বালানি কম থাকবে। ৬০% সরকারি যানবাহন বন্ধ থাকবে। সমস্ত সরকারি বিভাগকে তাদের ব্যয় ২০% কমাতে হবে।

    কী বলেছেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ বলেছেন যে যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৬০ ডলার থেকে ১০০ ডলারেরও বেশি বেড়েছে, যার কারণে এই সিদ্ধান্তগুলি নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান পেট্রোল ও ডিজেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বাড়িয়েছে। পেট্রোল ও ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৫৫ টাকা বেড়েছে। মূল্যবৃদ্ধির পর, পাকিস্তানে এখন পেট্রোলের দাম প্রতি লিটারে ৩৩৫.৮৬ টাকা এবং ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৩২১.১৭ টাকা।

    আরও পড়ুনঃ গ্যাস নিয়ে LPG কোম্পানিগুলোকে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    পাকিস্তান সৌদি আরবের কাছে বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বিদ্যমান ৫ বিলিয়ন ডলারের আমানতকে ১০ বছরের সুবিধায় রূপান্তর করা এবং তেল সরবরাহের জন্য বিলম্বিত অর্থপ্রদানের সুবিধা ১.২ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করা।

  • ‘DA, পেনশন দূর! বেতনই বন্ধ হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের!’ চাঞ্চল্যকর তথ্য

    ‘DA, পেনশন দূর! বেতনই বন্ধ হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের!’ চাঞ্চল্যকর তথ্য

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: একদিকে যখন বকেয়া ডিএ (Dearness allowance), পেনশন নিয়ে আন্দোলন চলছে বাংলার সরকারি কর্মীদের। তখন অন্যদিকে বলা হল, নাকি এসবের পাশাপাশি এবার মাইনেটাও বন্ধ হয়ে যেতে পারে! শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। আর ফেসবুক লাইভে এসে ঠিক এমনই মন্তব্য করে সকলের চিন্তা বাড়িয়েছেন বিশ্লেষক এবং অধ্যাপক বিশ্বনাথ চক্রবর্তী। চলুন তিনি কী বলেছেন সেটা বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

    DA, পেনশন, মাইনে সব বন্ধ হয়ে যাবে?

    বিশ্বনাথ চক্রবর্তী জানান, ‘কলেজগুলিতে শিক্ষা কর্মীদের পাওনা টাকা দেওয়া হচ্ছে না। স্যার, ম্যাডামদের দৈনন্দিন ক্লাসের টাকা অবধি দেওয়া হচ্ছে না। কম্পোজিট গ্রান্ট স্কুলগুলিতে পৌঁছাচ্ছে না। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৪ মার্চ অবধি প্রায় ৫৪ হাজার শিক্ষক, শিক্ষা কর্মীদের বেতন পাননি। সরকার ক্রমাগত দেউলিয়া হয়ে যেতে চলেছে। আগামী ৬ মার্চ অর্থাৎ আগামীকাল শুক্রবার জানা যাবে সরকারকে কত কিস্তিতে টাকা মেটাতে হবে কর্মীদের। এই দিনটার অপেক্ষা করছেন সকলে।’

    আরও পড়ুনঃ ১৫ মার্চই শেষ হবে ডেটা এন্ট্রি, কবে ঢুকবে বেকার ভাতার টাকা? যুবসাথী নিয়ে বড় খবর

    বকেয়া DA প্রসঙ্গে বিশ্বনাথবাবু জানান, ‘ডিএ-টা বড় কথা নয়, একটা সময়ে যদি মূল বেতনটাই না পাওয়া যায়! একবার ভাবুন আপনি লড়াই করছেন ডিএ-র জন্য। আমাদের কোষাগার, এমন হচ্ছে না তো নির্বাচনের পর সরকারি কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার মতো জায়গায় থাকবে না সরকার! খবর বিভিন্নভাবে বুঝতে পারা যায়, সেটা হল, বেতন দেওয়া নিয়ে ইতিমধ্যে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে সরকারকে। ডিএ তো অনেক দূরের কথা, ডিএ আপনি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরেও পাননি। আদালত অবমাননার মামলা করা হয়েছে। কবে শুনানি হবে, কিভাবে হবে, আদৌ হবে কিনা কেউ জানেন না।’

    আরও পড়ুনঃ এক্সট্রা বোনাস, এই কর্মীরা পাবে সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা! বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলির হাল বেহাল

    বিশ্বনাথ চক্রবর্তী আগে জানান, ‘ডিএ সরকার দেবে না এটা আগেও বলেছিলাম। নানা অজুহাত দেবে এই সরকার। ভাবলে খারাপ লাগে অন্যান্য রাজ্যের কর্মীদের থেকে আমরা কত কম টাকা পাই। দীর্ঘদিন ধরে আমরা ডিএ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমরা আতঙ্কিত। কিন্তু একবার ভেবে দেখেছেন, এই নির্বাচনের পর সরকারের যে আর্থিক অবস্থা তৈরি হবে, তাতে বিশেষ করে শিক্ষা কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা কর্মী তাঁদের বেতনটা নিয়মিত হবে তো? যারা অধ্যাপক আছেন, কোথাও যদি গেস্ট প্রফেসর থাকে তাঁদের অনুদান এখন অনেকটা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলি চলবে কীভাবে? প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষক নেই, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাধ্য হচ্ছে কোর্স কমপ্লিট করার জন্য গেস্ট অধ্যাপক রাখতে।’ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বেকার ভাতা দেওয়ার জন্য সরকার যে পরিমাণে ঋণ নিচ্ছে হাত গুটিয়ে নেবে না তো সরকার? আশঙ্কায় ভুগছেন সরকারি কর্মীরা। বাকিটা শুনে নিন ভিডিওতে