Tag: Rapid transit

  • ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে স্বদেশী বুলেট ট্রেন, ১৬টি হাই-স্পিড ট্রেন সেটের অর্ডার

    ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে স্বদেশী বুলেট ট্রেন, ১৬টি হাই-স্পিড ট্রেন সেটের অর্ডার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ কবে চালু হবে দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন (Bullet Train)? এই প্রশ্ন এখন সকলের। রেল সূত্রে খবর, বিভিন্ন ধাপে এই ট্রেনের পথচলা শুরু হবে। এরই মাঝে উচ্চাকাঙ্খী এই বুলেট ট্রেন প্রকল্প নিয়ে সামনে এল বড় আপডেট। জানা গিয়েছে, মুম্বাই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন করিডোরের একটি বড় ক্রয় প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিইএমএল (BEML) ভারতের দ্রুতগতির রেল নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। সংস্থাটি মেধা সার্ভো ড্রাইভসের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে এবং এই প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত ট্রেনসেট সরবরাহ করতে একটি দরপত্র জমা দিয়েছে।

    বুলেট ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট

    BEML মেধা কনসোর্টিয়াম ন্যাশনাল হাই-স্পিড রেল কর্পোরেশনকে ১৬টি দ্রুতগতির ট্রেনসেট সরবরাহ করার জন্য একটি প্রস্তাব জমা দিয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে ৮৬৬ কোটি টাকা মূল্যের দুটি প্রোটোটাইপ ট্রেনসেটের জন্য একটি চুক্তি হয়েছিল। দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সহ প্রস্তাবিত নতুন ট্রেনসেটগুলির প্রতিটির আনুমানিক ব্যয় প্রায় ২৫০ কোটি টাকা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কাঠামোর অধীনে, বিইএমএল মূল কাঠামোগত এবং অভ্যন্তরীণ উপাদানগুলির দায়িত্ব নেবে, আর মেধা (Medha) প্রোপালশন সিস্টেম, বগি এবং ট্রেন নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তির জন্য দায়ী থাকবে। চূড়ান্ত মূল্য আরও আলোচনার সাপেক্ষে নির্ধারিত হবে।

    ঘণ্টায় ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে ট্রেন!

    সূত্রের খবর, এই ট্রেনগুলো ঘণ্টায় ২৫০ কিমি পর্যন্ত গতিতে চলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যার সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ঘণ্টায় ২৮০ কিমি। আশা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত ট্রেনসেটগুলোও প্রোটোটাইপের মতোই একই ডিজাইন প্ল্যাটফর্ম অনুসরণ করবে এবং সময়ের সাথে সাথে এতে আরও উন্নতি ঘটানো হবে। প্রকল্পটির একটি প্রধান লক্ষ্য হলো দেশীয় উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি করা। প্রাথমিক ট্রেনসেটগুলিতে প্রায় ৫০% স্থানীয় যন্ত্রাংশ থাকবে বলে অনুমান করা হচ্ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা পরিপক্ক হওয়ার সাথে সাথে এই অনুপাত আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ নিম্নচাপের কাঁটায় দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় ভারী বৃষ্টির ভ্রূকুটি! আজকের আবহাওয়া

    প্রথম প্রোটোটাইপ ট্রেনসেটগুলির পথচলা আগামী ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২৭ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে, যার সূচনা হবে সুরাট-বিলিমোরা অংশ দিয়ে। এই সুবিশাল করিডোরটি মহারাষ্ট্র ও গুজরাট জুড়ে ৫০৮ কিলোমিটার বিস্তৃত এবং ১২টি স্টেশনের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রধান শহরগুলোকে সংযুক্ত করেছে।

     

  • মদ তো ছিলই, এবার থেকে এই জিনিসগুলি নিয়ে কলকাতা মেট্রোয় উঠলেই জেল!

    মদ তো ছিলই, এবার থেকে এই জিনিসগুলি নিয়ে কলকাতা মেট্রোয় উঠলেই জেল!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সময়ের সাথে সাথে শহর কলকাতায় (Kolkata) নিজের বিস্তার বাড়াচ্ছে পাতাল রেল (Kolkata Metro)। আসলে যাত্রীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই মেট্রোর এই সম্প্রসারণ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ কলকাতা মেট্রোর বুক ধরে এক স্থান থেকে নিজের গন্তব্যে পৌঁছচ্ছেন। আবার ফিরে আসছেন পূর্বের ঠিকানায়। তবে মেট্রোর নিত্যযাত্রী হওয়া সত্ত্বেও এমন অনেকেই রয়েছেন যাঁরা মেট্রোয় কোন কোন জিনিস নিয়ে ওঠা যায় না সে বিষয়ে ওয়াকিবহাল নন। এবার তাঁদের জন্যই নিষিদ্ধ জিনিসপত্রের তালিকা প্রকাশ করল মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। কলকাতা মেট্রোর তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বেশ কিছু বস্তু ব্যাগে বা অন্য কোনও উপায়ে মেট্রোয় নিয়ে উঠলে কঠিন শাস্তির মুখে পড়তে হবে যাত্রীদের।

    এইসব দ্রব্য মেট্রোয় নিয়ে যাওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ

    কলকাতা মেট্রোর দৌলতে যেমন অল্প সময় আরামদায়ক যাত্রার সুবিধা নিতে পারেন অফিস যাত্রীরা, তেমনই কাজ সেরে মেট্রোতে চেপেই বাড়ি ফেরেন বিভিন্ন মিস্ত্রি শ্রেণীর মানুষেরা। মেট্রোর নিরাপত্তা কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, অনেক সময় বিভিন্ন সেন্টারিং মিস্ত্রিরা বাড়ি ফেরার পথে ব্যাগে করে ছেনি, হাতুড়ি, স্ক্রু ড্রাইভারের মতো নানান যন্ত্রপাতি নিয়ে মেট্রো স্টেশনে আসেন। পরবর্তীতে স্টেশনের স্ক্যানারে ব্যাগ দেওয়ার সময় আটকে যান তাঁরা। অনেকেই আবার স্ক্যানার মেশিনে ব্যাগ রাখতে চান না। এর ফলে তৈরি হয় সমস্যা। বাঁধে অশান্তি। মূলত সে কারণেই এই ধরনের সমস্যা এড়াতে এবং যাত্রী সুরক্ষায় কড়া নজর দিয়েছে মেট্রো রেল।

    কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ছেনি, হাতুড়ি, কাস্তে, কুড়ুলের মতো যন্ত্রপাতির পাশাপাশি ধারালো ছুরি, কাচি, ছোট বা বড় ব্লেড এমনকি শাবল, ছোট কুঠারি, স্ক্রু ড্রাইভার এমনকি তরল পদার্থের মধ্যে মদ, স্পিরিট, কেরোসিন, পেট্রোল, অন্যান্য এনে নেশাজাত কোনও তরল পদার্থ মেট্রোতে নিয়ে ওঠা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়াও মেট্রোরেলের তরফে জানানো হচ্ছে, বিভিন্ন বিপদজনক তেজস্ক্রিয় পদার্থ, অ্যাসিড, বিষাক্ত পদার্থ, কাঁদানে গ্যাস, ডিনামাইট বিস্ফোরক, অন্য রাসায়নিক পদার্থ, মানবদেহের ভস্ম, ছাই, মৃতদেহ, কঙ্কাল, হাড়, মাংস নিয়ে মেট্রোয় ওঠা যায় না।

    অবশ্যই পড়ুন: ব্যাট-বল দুদিকেই পারদর্শী, KKR-র সহ অধিনায়ক হচ্ছেন সেই প্লেয়ার!

    মেট্রোর আধিকারিকরা বলছেন, বড় ব্যাটারি, প্লাস্টিকের গ্রেনেড, গান পাউডার, পিস্তল, ছোট ব্লেডের মতো জিনিসগুলি নিয়ে মেট্রোয় যাতায়াত করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সাধারণত বহু মানুষ ছোট চারা গাছ বা সিল না করা কাঁচা মাংস নিয়ে মেট্রোয় ওঠার চেষ্টা করেন। তখনই তাঁদের ধরে ফেলেন আরপিএফ। পরবর্তীতে বাঁধে বচসা। তাই এবার থেকে এই সব দ্রব্য নিয়ে মেট্রো যাতায়াতের ক্ষেত্রে কড়া হচ্ছে মেট্রো রেল। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, কেউ যদি এই বিধি নিষেধ অমান্য করেন সেক্ষেত্রে 500 টাকা জরিমানা এবং চার বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।

  • ১৩০ কিমি বেগে ছুটবে ট্রেন, দেশ জুড়ে হাইস্পিড ট্র্যাকের উন্নতিতে বড় সাফল্য রেলের

    ১৩০ কিমি বেগে ছুটবে ট্রেন, দেশ জুড়ে হাইস্পিড ট্র্যাকের উন্নতিতে বড় সাফল্য রেলের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যত সময় এগোচ্ছে ততই ভারতীয় রেল (Indian Railways) ব্যবস্থার উন্নতি ঘটছে। হাইস্পিড ট্রেন থেকে শুরু করে উন্নত ট্র্যাক ইত্যাদি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করেই চলেছে ভারতীয় রেল। সবথেকে বড় কথা, যাত্রীদের সুরক্ষা মাথায় রেখে ট্রেনে বসেছে কবচ। যাইহোক, এরই মাঝে বড় তথ্য দিলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বভারতীয় রেলওয়ে নিরাপত্তা জোরদার এবং ট্রেন পরিচালনা উন্নত করার জন্য ২০১৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ৫৪,৬০০ কিলোমিটার ট্র্যাক সংস্কার করেছে বুধবার সংসদে জানালেন তিনি। সেইসঙ্গে আরও ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে খবর।

    ৮০% ট্র্যাক এখন ১১০ কিমি/ঘণ্টা

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১২ বছরে রেল নেটওয়ার্কের ৮০% এরও বেশি অংশকে ১১০ কিমি/ঘন্টা বা তার বেশি গতিতে উন্নীত করা হয়েছে। ২০১৪ সালে এই কাজ প্রায় ৪০% ছিল। ১৩০ কিমি/ঘন্টা বা তার বেশি গতিতে সক্ষম ট্র্যাকগুলিও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, বর্তমানে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০%। লোকসভায় এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ট্র্যাক নবায়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া যা ট্র্যাকের বয়স, ট্র্যাফিকের চাপ এবং সামগ্রিক অবস্থার মতো পরামিতিগুলির উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।

    আরও পড়ুনঃ পোর্টালে সমস্যায় আপডেট করা যাচ্ছে না সার্ভিস বুক, কর্মীদের নয়া নির্দেশ রাজ্য সরকারের

    কী জানাচ্ছেন রেলমন্ত্রী?

    তিনি আরও বলেন, অনুমোদিত গতিতে ট্রেন চলাচলের জন্য রেলপথ নিরাপদ রাখার জন্য নবায়নের কাজগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।রেলওয়ে নেটওয়ার্ক নিয়মিতভাবে একাধিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে মনোনীত কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেন, যার মধ্যে রয়েছে দৈনিক টহলদারি, ট্রলি করে পরিদর্শন ইত্যাদি।

    ট্র্যাকের জ্যামিতি এবং স্বাস্থ্য আরও বস্তুনিষ্ঠভাবে মূল্যায়ন করার জন্য, রেলওয়ে ট্র্যাক রেকর্ডিং কার (TRC) এবং অসিলেশন মনিটরিং সিস্টেম (OMS) ব্যবহার করে নির্ধারিত রান পরিচালনা করে। সমগ্র নেটওয়ার্ক এই মনিটরিং সিস্টেমের আওতায় আসে যাতে সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা যায় এবং সময়সীমার মধ্যে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া যায়। এছাড়াও সরকার ৭৬৫ কোটি টাকার অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন অনুমোদন করেছে যার লক্ষ্য হল কার্যক্রম উন্নত করা, লাইনের ক্ষমতা সম্প্রসারণ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা।

  • শীঘ্রই ছুটবে প্রথম মেড ইন ইন্ডিয়া বুলেট ট্রেন, কবে থেকে টিকিট বুকিং শুরু?

    শীঘ্রই ছুটবে প্রথম মেড ইন ইন্ডিয়া বুলেট ট্রেন, কবে থেকে টিকিট বুকিং শুরু?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে ততই আরও আধুনিক হচ্ছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। ট্রেন দেরির সমস্যা একদিকে যেমন রয়েছে তেমনই কিন্তু অন্যদিকে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, বন্দে ভারত স্লিপার, তেজস এক্সপ্রেসের মতো কিছু প্রিমিয়াম এবং হাইস্পিড ট্রেনও রয়েছে। এখন তো আবার বুলেট ট্রেন করিডর (Bullet Train) তৈরী হচ্ছে। ভারতের প্রথম মেড ইন ইন্ডিয়া বুলেট ট্রেন মুম্বাই-আহমেদাবাদের মধ্যে চলবে। কাজ অনেকটাই হয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এখন প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কবে থেকে বুলে ট্রেনের টিকিট কাটা যাবে? ভাড়াই বা কত হবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    বুলেট ট্রেনের বুকিং কবে থেকে শুরু হবে?

    বুলেট ট্রেনের কাজ কিছুটা হলেও ২০২৭ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে খবর। বুলেট ট্রেনের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হবে করিডোরের ৯৭ কিলোমিটার সুরাট-ভাপি অংশে বলে খবর। ৫০৮ কিলোমিটারের পুরো ট্র্যাকটি ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।আহমেদাবাদ-মুম্বাই হাই স্পিড রেল করিডোর প্রকল্পটি এনএইচআরএসসিএল দ্বারা তৈরি করা হচ্ছে। সরকার জানিয়েছে যে ২৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে সক্ষম B28 ভারত-নির্মিত বুলেট ট্রেন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যখন অন্যান্য উন্নত ট্রেন সেটের কাজ অব্যাহত রয়েছে। যদিও ট্রেনের বুকিং প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে এই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

    বুলেট ট্রেনের রুট

    এই বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি ভারতের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ। এর সমাপ্তি ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে এবং দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। যদিও ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং বিলম্ব উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, সরকার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি সম্পন্ন করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রকল্পটি উচ্চ-গতির রেলের ক্ষেত্রে ভারতকে একটি নতুন পরিচয় দেবে। রেলমন্ত্রী বলেন, বুলেট ট্রেন করিডোরটি পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। তিনি বলেন, প্রথম কার্যকরী অংশটি হবে সুরাট-বিলিমোরা রুট, তারপরে ভাপি-সুরাট। এরপর, ভাপি-আহমেদাবাদ অংশটি খোলা হবে, তারপরে থানে-আহমেদাবাদ রুটে পরিষেবা চালু হবে।

    আরও পড়ুনঃ হাওড়াগামী বহু ট্রেনের নম্বর, বিভাগ বদলাচ্ছে রেল! ভ্রমণের আগে দেখুন তালিকা

    তিনি বলেন, চূড়ান্ত পর্যায়ে পুরো মুম্বাই-আহমেদাবাদ হাই-স্পিড রেল করিডোরটি চালু হবে।508-কিমি মুম্বাই-আমেদাবাদ হাই স্পিড রেল (MAHSR) প্রকল্পে ১২টি স্টেশন থাকবে (মুম্বাই, থানে, ভিরার, বোইসার, ভাপি, বিলিমোরা, সুরাট, ভরুচ, ভাদোদরা, আনন্দ, আহমেদাবাদ এবং সবরমতি)। একবার চালু হয়ে গেলে, এটি মুম্বাই এবং আহমেদাবাদের মধ্যে ভ্রমণের সময় মাত্র ২ ঘন্টা ৭ মিনিট (১২৭ মিনিট) কমিয়ে আনবে।

  • এয়ারপোর্ট অবধি ছুটবে হাইস্পিড ট্রেন! ৭০ কিমি মাত্র ২১ মিনিটে, বিরাট প্ল্যান রেলের

    এয়ারপোর্ট অবধি ছুটবে হাইস্পিড ট্রেন! ৭০ কিমি মাত্র ২১ মিনিটে, বিরাট প্ল্যান রেলের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: মেট্রো অতীত, এবার বিমানবন্দর অবধি হাইস্পিড ট্রেন (High-speed Rail) চালানোর পরিকল্পনা শুরু রেলের। জানা গিয়েছে, রেলের তরফে এমন এক ট্রেন চালানো হবে যা ৭০ কিমি রাস্তা মাত্র ২১ মিনিটে পার করবে। শীঘ্রই ছুটতে পারে বুলেট ট্রেন। আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    এবার বিমানবন্দর অবধি হাইস্পিড ট্রেন চালাবে রেল

    আসলে রেলের তরফে এমন এক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে যার দরুণ লাভবান হবেন দিল্লি-এনসিআর-এর মানুষ। এখন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানো আরও সহজ হবে। কোনও যানজট হবে না, বরং আসা যাওয়া আরও দ্রুত হবে। মূলত দিল্লি এবং নয়ডা বিমানবন্দরের মধ্যে একটি বুলেট ট্রেন (Bullet Train) চালু করার কাজ চলছে। এর ফলে আপনি দিল্লি থেকে সরাসরি নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অর্থাৎ জেওয়ার বিমানবন্দর (Jewer Airport) অবধি অনায়াসেই বলা ভালো চোখের নিমিষে পৌঁছাতে পারবেন। নয়ডা বিমানবন্দরকে বুলেট ট্রেন প্রকল্পের সাথে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    মঙ্গলবার ন্যাশনাল হাই-স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেড (NHSRCL) এর কর্মকর্তারা যমুনা কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। জমির প্রাপ্যতা, যাত্রী ধারণক্ষমতা এবং বিমানবন্দরের কাছে একটি স্টেশনের নকশা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।  রেল কর্মকর্তাদের মতে, বুলেট ট্রেনের জন্য বিমানবন্দরের কাছে একটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন উপযুক্ত বলে বিবেচিত হচ্ছে।

    কী বলছেন রেল কর্তারা?

    কর্মকর্তারা বলছেন যে জেওয়ার বিমানবন্দরটি দিল্লি থেকে বারাণসী পর্যন্ত প্রস্তাবিত উচ্চ-গতির বুলেট ট্রেনের সাথে সংযুক্ত হবে। এর ডিপিআর প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া চলছে। মঙ্গলবার NHSRCSL-এর একটি দল যমুনা কর্তৃপক্ষের সাথে এর সারিবদ্ধকরণ চূড়ান্ত করতে পরিদর্শন করেছে। NHSRCSL-এর  প্রধান প্রকল্প ব্যবস্থাপক সুধীর কুমার গুপ্ত সিইও রাকেশ কুমার সিং এবং এসিইও শৈলেন্দ্র ভাটিয়ার সাথে দেখা করেছেন।

    ২টি ভূগর্ভস্থ স্টেশন তৈরি করা হবে

    সিইও শৈলেন্দ্র ভাটিয়া জানিয়েছেন যে নয়ডায় দুটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। একটি গ্রেটার নয়ডায় অবস্থিত সেক্টর ১৪৮-এ থাকবে। দ্বিতীয় স্টেশনটি নয়ডায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জেওয়ারে নির্মিত হবে। নয়ডায় বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড ট্রান্সপোর্টেশন সেন্টারের (জিটিসি) মধ্যে ভূগর্ভস্থ এই স্টেশনটি তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিমানবন্দরের জিটিসিতে মেট্রো এবং নমো ভারত ভূগর্ভস্থ স্টেশন ইতিমধ্যেই প্রস্তাবিত। রেলওয়ে এই স্থান থেকে চোলা এবং রুন্ধির সাথে রেল ট্র্যাকের মাধ্যমে নয়ডায় বিমানবন্দরকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে।

    আরও পড়ুনঃ LPG সঙ্কটের মাঝে যাত্রীদের খাবারের জন্য রেলের ক্যান্টিনকে বড় নির্দেশ IRCTC-র

    মাত্র ২০ মিনিটে যাওয়া যাবে বিমানবন্দরে

    রেল কর্তারা বলছেন যে বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে, দিল্লির সরাই কালে খান থেকে নয়ডা বিমানবন্দর পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার যাত্রায় প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগবে। বেশিরভাগ রুটটি উঁচু করে তৈরি করা হবে। এটি নয়ডা এবং গ্রেটার নয়ডার মধ্যে এক্সপ্রেসওয়ের কেন্দ্রীয় প্রান্তে নির্মিত হওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর পরে, যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে বিমানবন্দরের সাথে একটি সারিবদ্ধকরণ তৈরি করা হবে।

  • চালু হল দেশের প্রথম রিং মেট্রো, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    চালু হল দেশের প্রথম রিং মেট্রো, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রবিবার ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের দিন দিল্লির বুকে দাঁড়িয়ে দুটি নতুন মেট্রো করিডোর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (India’s First Ring Metro)। সেই সাথে সবুজ পতাকা দেখিয়ে দেশের প্রথম রিং মেট্রো চালু করেন তিনি (Narendra Modi) । এখানেই শেষ নয়, এদিনই একাধিক পরিকাঠামো এবং আবাসনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও 18 হাজার 300 কোটির নতুন আরও দুটি মেট্রো প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন দেশের চৌকিদার।

    দিল্লির কোন দুই রুটে নতুন মেট্রো করিডোর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী?

    রবিবার নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে দিল্লির বুকে যে নতুন দুটি মেট্রো করিডোরের উদ্বোধন হয়েছিল তার মধ্যে প্রথমটি 12.3 কিলোমিটার দীর্ঘ মজলিস পার্ক-মৌজপুর বাবরপুর মেট্রো করিডোর। এটি মূলত দিল্লি মেট্রোর পিঙ্ক লাইন। দ্বিতীয়টি ম্যাজেন্টা লাইনের 9.9 কিলোমিটার দীর্ঘ দীপালি চক-মজলিস পার্ক মেট্রো করিডোর। ভারতীয় রেল সুত্রে খবর, দিল্লির নতুন দুই মেট্রো করিডোর উদ্বোধনের পাশাপাশি নতুন রিং মেট্রো চালু করতে মোট খরচ হয়েছে 33 হাজার 500 কোটি টাকা।

    তবে স্বাভাবিকভাবেই অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে নতুন দুই মেট্রো করিডোর মিলিয়ে গোটা প্রকল্পটির নাম কেন রিং মেট্রো? এ প্রসঙ্গে বলে রাখি, দিল্লি মেট্রোর পিঙ্ক লাইনের মজলিস পার্ক-মৌজপুর বাবরপুর মেট্রো করিডোর এবং ম্যাজেন্টা লাইনের দীপালি চক-মজলিস পার্ক মেট্রো করিডোর মিলিয়ে গোটা দিল্লি শহরে পিঙ্ক লাইনের বিস্তৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে 71.56 কিলোমিটার। এক কথায়, গোটা রাজধানীকে একেবারে চক্রাকারে মুড়ে ফেলেছে এই মেট্রো লাইন। মূলত সে কারণেই এই মেট্রো প্রকল্পটিকে দিল্লির প্রথম রিং মেট্রো বলা হচ্ছে।

     

    অবশ্যই পড়ুন: এই দিনের মধ্যেই সবার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে যুবসাথীর টাকা, বললেন অভিষেক

    উপকৃত হবেন রাজধানীর মানুষজন

    মজলিস পার্ক-মৌজপুর বাবরপুর মেট্রো করিডোর বরাবর যমুনা নদীর উপর তৈরি একটি নতুন সেতু এবং একটি দ্বিতল ভায়াডাক্ট রয়েছে। এই মেট্রো সেতু এবং ভায়াডাক্ট মেট্রো রেললাইন এবং সড়ক পথের উড়ালপুলকে বহন করছে। এদিকে আরেকটি লাইন অর্থাৎ দীপালি চক-মজলিস পার্ক করিডোর ম্যাজেন্টা লাইনকে প্রসারিত করায় এর মোট দৈর্ঘ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে 49 কিলোমিটার। মেট্রো রেলের আধিকারিকদের দাবি, দিল্লিতে মেট্রোর নতুন সংযোজন বা নতুন দুই করিডোর উত্তর ও উত্তর পূর্ব দিল্লির মানুষদের কষ্ট লাঘব করবে। উপকৃত হবেন খাজুরি খাস, ভজনপুরা, যমুনা বিহার, ওয়াজিরাবাদ, জগৎপুর সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষজন।

  • ৪০০০ কিমি লাইন, ১৬ লাখ কোটি খরচে দেশে ৭ হাইস্পিড রেল করিডর, তালিকায় বাংলাও

    ৪০০০ কিমি লাইন, ১৬ লাখ কোটি খরচে দেশে ৭ হাইস্পিড রেল করিডর, তালিকায় বাংলাও

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের রেলের নকশা একপ্রকার অনেকটাই বদলে যাবে। গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়ে ৭টি হাইস্পিড রেল করিডরের (High-Speed Rail Corridor) ঘোষণা করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ইতিমধ্যে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন যে যদি দ্রুত কাজ শুরু হয় তাহলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে এই ৭টি রেল করিডরের কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। আগামী ২০৪০ সাল অবধি কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট ৪০০০ কিমি রেলপথ তৈরি করা হবে নতুন।

    ৭টি হাইস্পিড রেল করিডর নিয়ে বিরাট তথ্য

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৭টি নতুন বুলেট ট্রেন করিডর, হাইস্পিড করিডর, যাত্রী করিডর অনুমোদন করেছেন। এগুলি প্রায় ৪,০০০ কিলোমিটার অবধি বিস্তৃত হবে। যেখানে বিনিয়োগ প্রায় ১৬ লাখ কোটি টাকা হবে। এটি একটি অত্যন্ত বড় বিনিয়োগ এবং আমাদের এটি পরবর্তী ১০ বছরে সম্পন্ন করতে হবে। যার অর্থ কাজ শুরু হলে, আমাদের প্রতি বছরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার কমিশন করতে হবে, যা প্রতি বছরে সমগ্র মুম্বাই আহমদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্প কমিশনের সমান।’

    রেলমন্ত্রী আরও জানান, ‘আসন্ন বছরে আমাদের প্রতি স্তর ধরে ধরে কাজ করতে হবে এবং আমরা এগিয়ে গেলে, আরও ৩,০০০ উচ্চ-গতির করিডর অনুমোদনও দেব, যার অর্থ ২০৩৯ বা ২০৪০ সালের মধ্যে আমাদের প্রায় ৭,০০০ কিলোমিটার থাকবে এবং তারপর আমাদের ১৫,০০০ এবং তারপর ২১,০০০ কিলোমিটার উচ্চ-গতির রেল নেটওয়ার্কের দিকে এগোতে হবে।’

    আরও পড়ুনঃ ৮ মার্চ অবধি বহু ট্রেন বাতিল করল দক্ষিণ পূর্ব রেল, যাত্রার আগে দেখুন তালিকা

    কোন কোন রুটে কাজ হবে?

    ভারত ইতিমধ্যেই মুম্বাই – আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পে কাজ করছে। এখন, নতুন করিডোর এবং বন্দে ভারত স্লিপার এবং অমৃত ভারত ট্রেনের মাধ্যমে, রেলওয়ে যাত্রী পরিষেবাগুলিকে সম্পূর্ণরূপে রূপান্তর করতে চায়। ইতিমধ্যে যে যে ৭টি রুটে হাইস্পিড রেল প্রকল্পের কাজ করা হবে সেই জায়গাগুলির নাম সামনে এসেছে।

    • ১) মুম্বাই – পুনে
    • ২) পুনে-হায়দরাবাদ
    • ৩) হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু
    • ৪) হায়দরাবাদ-চেন্নাই
    • ৫) চেন্নাই-বেঙ্গালুরু
    • ৬) দিল্লি-বারাণসী
    • ৭) বারাণসী-শিলিগুড়ি

    এখানে একটি তথ্য জানিয়ে রাখি, বুলেট ট্রেন এবং হাইস্পিড রেল করিডরের মধ্যে কিন্তু আকাশ পাতাল তফাৎ রয়েছে। যেমন বুলেট ট্রেন হচ্ছে ৩০০ কিমি/ঘন্টায় চলবে। এই কাজ চলছে যেমন মুম্বাই – আহমেদাবাদ রুটে। অপরদিকে উচ্চ-গতির রেল বা হাইস্পিড রেল করিডরের মানে হচ্ছে ট্রেনের গতি ২২০ – ২৫০ কিমি/ঘন্টা হবে।