Tag: Rajya Sabha Election

  • মনোনয়ন ঘিরে একাধিক বিভ্রান্তি! স্ক্রুটিনির পর অবশেষে গৃহীত রাহুল সিনহার ফর্ম

    মনোনয়ন ঘিরে একাধিক বিভ্রান্তি! স্ক্রুটিনির পর অবশেষে গৃহীত রাহুল সিনহার ফর্ম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আগামী ১৬ মার্চ রাজ্যসভা নির্বাচন (Rajya Sabha Election)। দেশের ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোট হবে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি আসনও রয়েছে। তৃণমূলের তরফে কে কে নির্বাচনে নামবেন তাঁদের নাম ঘোষণা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। বিজেপিও প্রার্থী হিসেবে রাহুল সিনহার নাম ঘোষণা করেছে। এদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজ্যসভার টিকিট মিললেও মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে একেবারে ফেসাদে পড়লেন রাহুল (Rahul Sinha)। রীতিমত নাম বাদ পড়ার জোগাড় তৈরি হয়েছিল। অবশেষে আজ রাজ্যসভা নির্বাচনের মনোনয়ন পরীক্ষায় পাশ করলেন রাহল সিনহা! নথির সমস্যা মিটতেই গৃহীত হল তাঁর মনোনয়ন পত্র (Nomination Files)।

    নথির স্ক্রুটিনি শুরু বিধানসভায়

    রিপোর্ট মোতাবেক, গতকাল অর্থাৎ রাজ্যসভা নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন বঙ্গের পাঁচ জন প্রার্থী অর্থাৎ তৃণমূলের পক্ষে চার জন এবং বিজেপির পক্ষে এক জন প্রার্থী। তৃণমূলের পক্ষে মনোনয়ন জমা দেন প্রাক্তন আইপিএস রাজীব কুমার, অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক, আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী, এবং রাজ্যের মন্ত্রী তথা গায়ক বাবুল সুপ্রিয়। অন্য দিকে, ভ্রান্তি-বিলম্ব কাটিয়ে বিজেপির তরফে একমাত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন রাহুল সিনহাও। কিন্তু রাহুল সিনহার মনোনয়ন পত্র নিয়ে একটি সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই আজ, শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে সেই নথির স্ক্রুটিনি শুরু হয়েছে।

    মনোনয়নপত্র পূরণে ভুলভ্রান্তি রাহুলের

    গতকাল, মনোনয়নপত্র পূরণে বিস্তর ভুলভ্রান্তি দেখা গিয়েছিল বিজেপির একমাত্র প্রার্থী রাহুল সিনহার। মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে হলফনামা বা এফিডেভিট। মনোনয়নপত্রতে যেখানে স্পষ্ট করে ‘Not Applicable’ লেখার কথা ছিল, সেখানে লেখা হয়েছে সংক্ষেপে ‘N/A’। এছাড়াও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী হলফনামার নির্দিষ্ট কিছু জায়গা হাতে লেখার নির্দেশ থাকলেও, সেটা ‘প্রিন্টেড’ হয়ে এসেছে। তাই শেষ মুহূর্তে তাই বেশ সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি। এরপর দফায় দফায় নতুন করে ফর্ম পূরণ করেন তিনি। পরে প্রাথমিকভাবে মনোনয়পত্র গৃহীত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও একটি নথিতে সমস্যা দেখা যায়। জানানো হয়েছে, যে নথি তিনি দিতে ভুল করেছেন, তা স্ক্রুটিনি শুরুর আগেই জমা করতে হবে। আর এসবের মাঝেই আজ বিধানসভায় হাজির হন CEO মনোজ আগরওয়াল।

    আরও পড়ুন: দোলে রেকর্ড মদ বিক্রি উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গে, কোন জেলায় কত? দেখুন পরিসংখ্যান

    গৃহীত হল রাহুলের মনোনয়ন পত্র

    রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা থেকে যাতে নাম বাদ না যায় তাই তড়িঘড়ি স্ক্রুটিনির আগে জরুরি নথি জমা দিতে বিধানসভায় এসেছিলেন রাহুল সিনহা। অবশেষে মেটে সেই নথির সমস্যা। বহু ঝামেলা ঝক্কির পর গৃহীত হল রাহুলের মনোনয়ন পত্র। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে একগাল হাসিমুখ নিয়ে বিধানসভা থেকে বেরলেন রাহুল। সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, “কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে ৯ তারিখে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। আমি খুব খুশি। এরপর যা কাজ, দায়িত্ব পাব তা পূরণ করব।” এদিকে বিধানসভায় মনোজ আগরওয়াল আসা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। একাংশের দাবি ছিল, রাহুলকে বিপন্মুক্ত করতেই ছক ভেঙে বিধানসভায় হাজির হয়েছেন মনোজ। তবে সেই নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি বিজেপি প্রার্থী।

  • রাজ্যসভায় নীতীশ কুমার, বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? উঠে এল ৫ নাম

    রাজ্যসভায় নীতীশ কুমার, বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? উঠে এল ৫ নাম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: জল্পনার অবসান, এবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে চলেছেন JDU সভাপতি নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। সব মিলিয়ে বিহারের (Bihar) রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, কারণ এবার বিহারে প্রথমবারের মতো বিজেপির নিজস্ব মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই নীতিন সংসদের উচ্চকক্ষে (Rajya Sabha Election) মনোনয়নের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন, কে হতে চলেছেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    রাজ্যসভার প্রার্থী হবেন নীতিন!

    বিহারের ইতিহাসে নীতীশ কুমার অন্যতম এক প্রভাবশালী নেতা। তিনি ১০ বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিহারে এবং প্রায় ২০ বছর ধরে রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রে রয়েছেন। তাঁর এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা তাঁকে বিহারের রাজনীতির এক অনন্য চরিত্রে পরিণত করেছে। এই অবস্থায় নীতিশকে নিয়ে কয়েক দিন ধরেই এক জল্পনা শুরু হয়েছে বিহারের রাজনীতিতে। শোনা যাচ্ছে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন JDU সভাপতি নীতীশ কুমার। তবে অনেকেই এই কথা মানতে চাননি। আর এবার আসল রহস্য ফাঁস করলেন খোঁদ নীতীশ কুমার। স্বীকার করলেন রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়ার কথা।

    সমাজমাধ্যমে পোস্ট নীতিশের

    আজ, বৃহস্পতিবার বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়া নিয়ে একটি পোস্ট করলেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, “দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে, আপনারা আমার উপর আস্থা রেখেছেন এবং সেই শক্তির মাধ্যমেই আমি সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সাথে বিহার এবং আপনাদের সকলের সেবা করেছি। তাই বহুবার এর জন্য আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি। তবে আমার সংসদীয় কর্মজীবন শুরু করার পর থেকেই বিহার আইনসভার উভয় কক্ষ এবং সংসদের উভয় কক্ষের সদস্য হওয়ার ইচ্ছা ছিল। তাই আমি রাজ্যসভার নির্বাচনে সদস্য হতে চাইছি।” তুমুল ভাইরাল হয়ে যায় সেই পোস্ট। জানা গিয়েছে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে পাটনায় মনোনয়ন জমা দিয়েছেন নীতিশ। আর এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে, কে হবে বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: প্রথমবার বিধানসভায় কোয়েল মল্লিক, প্রার্থী হিসেবে জমা দিলেন মনোনয়নপত্র

    মুখ্যমন্ত্রীর তালিকায় উঠে আসছে ৫ নাম

    নীতীশ কুমার যদি জাতীয় রাজনীতিতে চলে যান, তা হলে বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে বসবেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে একাধিক জল্পনা। আশা করা যাচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট NDA-র ক্ষমতা ভাগাভাগির ফর্মুলা মেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভায় কোনও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হতে পারেন তিনি। সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বিজেপির যে নেতাদের নাম উঠে আসছে তাঁরা হলেন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি, নিত্যানন্দ রাই, দিলীপ জয়সওয়াল, বিজয় সিনহা এবং সঞ্জীব চৌরাসিয়া। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে সমঝোতার শর্ত মেনে নীতীশ-পুত্র নিশান্ত বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। তবে এই নিয়ে এখনো কিছু স্পষ্ট ঘোষণা হয়নি।

  • প্রথমবার বিধানসভায় কোয়েল মল্লিক, প্রার্থী হিসেবে জমা দিলেন মনোনয়নপত্র

    প্রথমবার বিধানসভায় কোয়েল মল্লিক, প্রার্থী হিসেবে জমা দিলেন মনোনয়নপত্র

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সামনেই রাজ্যসভার নির্বাচন (Rajya Sabha Election), তাই রাজ্যসভা নির্বাচনে মনোনয়ন পেশ করতে আজই বিধানসভায় পৌঁছলেন তৃণমূলের প্রার্থীরা। রাজনীতির ময়দানে কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick) বরাবরই দূরত্ব বজায় রেখে চলেছেন, কিন্তু এবার শাসকদল তৃণমূল তাঁকে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করল। আর সেই অনুযায়ী এবার স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে বিধানসভায় প্রথমবার মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন কয়েল মল্লিক। উপস্থিত ছিলেন রাজীব কুমার, বাবুল সুপ্রিয় এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী।

    রাজ্যসভার নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই মমতার

    প্রতিবারই তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে বিভিন্ন ধরনের গুজব এবং গালগল্প ছড়াতে থাকে, অনেকের নাম সম্ভাব্য তালিকায় ধরা হয়, কিন্তু দিনের শেষে দেখা যায় অভাবনীয় সব প্রার্থীর নাম নিয়ে হাজির হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারেও ব্যতিক্রম হয়নি কিছুই। সমাজের ‘উচ্চপর্যায়’ থেকে এবার রাজ্যসভার নির্বাচনের জন্য প্রার্থী বাছাই করেছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাঁরা হলেন রাজ্য পুলিশের সদ্য প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। এ ছাড়াও, অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। আজ, বৃহস্পতিবার মনোনয়ন পেশ করতে বিধানসভায় যান চার প্রার্থীই।

    বিধানসভায় জমা দেওয়া হল মনোনয়ন পত্র

    আগামী ১৬ মার্চ রাজ্যসভা নির্বাচন। দেশের ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোট হবে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি আসনও রয়েছে। তাই আজ বৃহস্পতিবার মনোনয়ন পেশ করতে বিধানসভায় যান রাজীব কুমার, বাবুল সুপ্রিয়, কোয়েল মল্লিক এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। সকাল ১০ টা বেজে ৪৪ মিনিট নাগাদ পৌঁছন রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার। এরপরই এসেছেন মেনকা গুরুস্বামী। পাশাপাশি প্রথমবার স্বামী নিসপাল সিংয়ের সঙ্গে বিধানসভায় পা রাখলেন টলিকুইন কোয়েল মল্লিক। তবে নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছুটা পড়ে ঢুকলেন বাবুল সুপ্রিয়। কোয়েল মল্লিক বলেন, “একটা নতুন যাত্রা। সবার ভালোবাসা, আশীর্বাদ পেলে যাত্রা সফল হবে। এটা একটা অনেক বড় দায়িত্ব। আমি জানি আমি দায়িত্ব নিয়েছি যখন, সফল হব।”

    আরও পড়ুন: ৯৯টি বিদেশ সফর প্রধানমন্ত্রী মোদীর, খরচ কত? লাভ কী হল ভারতের? প্রকাশ্যে রিপোর্ট

    অন্যদিকে, মনোনয়ন পেশ করতে বিধানসভায় গিয়েছেন বিজেপির রাজ্যসভার প্রার্থী রাহুল সিনহা। নির্ধারিত সময়ে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে যান বিধানসভায়। ২০০৯ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত তিনি ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। শেষবার ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে হাবড়া থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন। সেই ভোটে পরাজয়ের পর থেকে অবশ্য কোনও স্থায়ী পদ নেই রাহুল সিনহার। তবে এবার নতুনভাবে বিজেপির রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়ায় তিনি বেশ উত্তেজিত।

  • তৃণমূলের পর এবার বিজেপির চমক! রাজ্যসভায় প্রার্থী হলেন রাহুল সিনহা

    তৃণমূলের পর এবার বিজেপির চমক! রাজ্যসভায় প্রার্থী হলেন রাহুল সিনহা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আসন্ন ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে রীতিমত হুলুস্থুল কাণ্ড রাজ্য জুড়ে। জনসংযোগ বৃদ্ধিতে কোথাও কোনো খামতি রাখছে না রাজনীতিবিদরা। আর এই অবস্থায় রাজ্যসভা নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে বিরাট ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি। জানা গিয়েছে তৃণমূলের পর এবার রাজ্য সভায় প্রার্থী হিসেবে বিজেপি রাখতে চাইছে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহাকে (Rahul Sinha)।

    রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির

    রিপোর্ট মোতাবেক বিধানসভা নির্বাচন শুরুর আগেই আগামী ১৬ মার্চ হতে চলেছে রাজ্যসভা নির্বাচন। ওইদিন দেশের মোট ১০টি রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোট হবে এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে পাঁচটি আসনে নির্বাচন হবে। তাই প্রার্থী নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েচ বিগত কয়েকদিন ধরে। অবশেষে গত শুক্রবার তৃণমূলের তরফে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হল পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী এবং টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিককে। আর এবার প্রার্থী নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি। দাঁড় করানো হল রাহুল সিনহাকে।

    আরও পড়ুন: বুথের ভিতরে-বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক! ভোট প্রস্তুতিতে কড়া নির্দেশ কমিশনের

    হারের গ্লানি মুছে রাজ্যসভার প্রার্থী রাহুল

    রাজ্যে বিজেপির প্রায় শুরুর সময় থেকেই রাহুল সিনহা সক্রিয়ভাবে দল গড়ে তোলার কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি ছিলেন, তাঁর সময়েই রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপির প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠার যাত্রা শুরু হয়েছিল। এরপরই শীর্ষ নেতাদের সিদ্ধান্তে পরবর্তীকালে দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক হয়েছিলেন রাহুল। অতীতে একাধিক বার রাজ্যের বিভিন্ন আসন থেকে বিধানসভা ও লোকসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছেন রাহুল, তবে জিততে পারেননি কোনোটিতেই। এ বার রাজ্যসভার নিশ্চিত আসনে দল নয়া মুখের বদলে তাঁকেই প্রার্থী করল।

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ জন রাজ্যসভার সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২ এপ্রিল। আর ওই সময়েই খালি হতে চলেছে দেশের বাকি ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি আসন। আর সেগুলি হল মহারাষ্ট্রের সাতটি, ওড়িশার চারটি, তামিলনাড়ুর ছ’টি, অসমের তিনটি, বিহারের পাঁচটি, ছত্তিশগড়ের দু’টি, হরিয়ানার দু’টি, হিমাচল প্রদেশের একটি এবং তেলঙ্গানার দু’টি। জানা গিয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন হল আগামী ৫ মার্চ এবং ৬ মার্চ মনোনয়নপত্র যাচাই করা হবে। পাশাপাশি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে ৯ মার্চ।