Tag: Rail transport

  • বর্ধমান লাইনে বিরাট কাজ করে ফেলল পূর্ব রেল, হাওড়া-দিল্লি রুট এখন আরও নিরাপদ

    বর্ধমান লাইনে বিরাট কাজ করে ফেলল পূর্ব রেল, হাওড়া-দিল্লি রুট এখন আরও নিরাপদ

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল (Indian Railways) যাত্রীদের চিন্তার দিন শেষ। এর কারণ এবার ট্রেনে ভ্রমণ করা আরও সুরক্ষিত। সবথেকে বড় কথা, বাংলার অন্যতম বেশি চাহিদাসম্পন্ন রুট হাওড়া-দিল্লি রুট (Howrah-Delhi Route) নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় রেল। আপনিও কি আগামী দিনে হাওড়া থেকে দিল্লি বা দিল্লি থেকে হাওড়া আসবেন বলে ঠিক করেছেন? তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনটি রইল শুধুমাত্র আপনার জন্য। হাওড়া-নয়া দিল্লি রুটের বর্ধমান এবং প্রধানকুণ্ডার মধ্যবর্তী ১৫৫ কিলোমিটার অংশে সফলভাবে কবচ অ্যান্টি-কলিশন সিস্টেম (Kavach) চালু করেছে।

    হাওড়া-দিল্লি রুটে বসল কবচ

    রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্ধমান এবং প্রধানকুণ্ডার মধ্যবর্তী ১৫৫ কিলোমিটার অংশে সফলভাবে কবচ অ্যান্টি-কলিশন সিস্টেম চালু করে নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে পূর্ব রেল। সেইসঙ্গে পরিচালনগত ক্ষমতা এবং যাত্রী সুরক্ষায় নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। এই সাফল্যের ফলে, চলতি অর্থ বছরে কবচ সিস্টেমের মোট বাস্তবায়ন ২৬০ কিলোমিটারে পৌঁছেছে, যা রেল সুরক্ষার সর্বোচ্চ মানের প্রতি পূর্ব রেলের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।

    বড় সাফল্য পূর্ব রেলের

    নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি, পূর্ব রেল কঠোর আর্থিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চমৎকার আর্থিক শৃঙ্খলা প্রদর্শন করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সাধারণ পরিচালন ব্যয় ১৪.৫৫% কমিয়ে এনেছে। পূর্ব রেলওয়ের এই জোনের রাজস্ব আয়ও বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে শক্তিশালী রয়েছে। স্ক্র্যাপ বিক্রি থেকে রাজস্ব আয় ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ৭০.২২ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা লক্ষ্যমাত্রা ৫৪.৫ কোটি টাকাকে ২৮.৮৪% ছাড়িয়ে গেছে। যাত্রী ভাড়া থেকেও রাজস্ব আয়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে, যা গত বছরের একই মাসের তুলনায় ১২.০১% বেড়ে ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ২৪৪.২২ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    পূর্ব রেলওয়ের এই সকল সাফল্য শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রেখে পরিকাঠামো আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে এর সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিকেই প্রতিফলিত করে। আর্মার সিস্টেমের সম্প্রসারণ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা পূর্ব রেলওয়েকে পরিচালনগত দক্ষতা ও যাত্রী সুরক্ষার সর্বোচ্চ মান অর্জনে সহায়তা করছে।

    কবচ কী?

    কবচ হলো ভারতের প্রথম আধুনিক অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন (এটিপি) সিস্টেম। রেল কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে সমস্ত রুটে এর ব্যবহার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। হাওড়া থেকে ছোটা আম্বানা পর্যন্ত এই অংশটি ২৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ, যার মধ্যে ২২৯ কিলোমিটার পশ্চিমবঙ্গে এবং ৩১ কিলোমিটার ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত। সম্পূর্ণ লাইনটিতে ৪৭টি স্টেশন এবং গেটেড আর্মারযুক্ত ১৩টি লেভেল ক্রসিং রয়েছে। ২০২২ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি চার বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত মজবুত।

     

  • সুরক্ষায় নয়া রেকর্ড গড়ল রেল, ৩০০০ কিমিতে চালু ‘কবচ’, কাজ চলছে আরও ২০০০০ কিমিতে

    সুরক্ষায় নয়া রেকর্ড গড়ল রেল, ৩০০০ কিমিতে চালু ‘কবচ’, কাজ চলছে আরও ২০০০০ কিমিতে

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: এখন ট্রেনে সফর করা আরও সুরক্ষিত। এর কারণ এখন বিভিন্ন ট্রেনে এবং ট্র্যাকে লাগানো হয়েছে কবচ (Kavach) নামের এক সুরক্ষা সিস্টেম, যা যে কোনো দুর্ঘটনা রোধ করতে সক্ষম। আর এবারে এই কবচ নিয়ে নতুন মাইলফলক অর্জন করল ভারতীয় রেল। এই কবচ নাকি ইতিমধ্যেই ৩০০০ কিমি দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে ফেলেছে বলে খবর।

    কবচ নিয়ে বড় তথ্য দিলেন রেলমন্ত্রী

    সংসদে দাঁড়িয়ে কবচ নিয়ে সম্প্রতি বড় তথ্য দিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানিয়েছেন, কবচে ৩০০০ কিলোমিটার সম্পূর্ণ হয়েছে এবং আরও ২০, ০০০ কিলোমিটার জুড়ে কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। ট্র্যাকগুলোর উন্নয়নের কারণে গতিতে বড় উন্নতি হয়েছে। এদিকে দেশের অন্যতম ব্যস্ততম দিল্লি-হাওড়া রুটটি এখন আগের চেয়েও বেশি নিরাপদ হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে ভারতীয় রেল ‘কবচ ৪.০’ প্রযুক্তি চালু করেছে। এটি হাওড়া-বর্ধমান-ছোটা আম্বানা সেকশনে স্থাপন করা হয়েছে।

    কবচ কী?

    কবচ হলো ভারতের প্রথম আধুনিক অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন (এটিপি) সিস্টেম। রেল কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে সমস্ত রুটে এর ব্যবহার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। হাওড়া থেকে ছোটা আম্বানা পর্যন্ত এই অংশটি ২৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ, যার মধ্যে ২২৯ কিলোমিটার পশ্চিমবঙ্গে এবং ৩১ কিলোমিটার ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত। সম্পূর্ণ লাইনটিতে ৪৭টি স্টেশন এবং গেটেড আর্মারযুক্ত ১৩টি লেভেল ক্রসিং রয়েছে। ২০২২ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি চার বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত মজবুত।

    আরও পড়ুনঃ কালবৈশাখী থেকে শিলাবৃষ্টিতে তোলপাড় হবে দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলা, আজকের আবহাওয়া

    রেল মন্ত্রকের তথ্যমতে, রেললাইনে ৭,৮৯৭টি আরএফআইডি ট্যাগ স্থাপন করা হয়েছে। ৬০টি ল্যাটিস টাওয়ারে ইউএইচএফ অ্যান্টেনা এবং ৫২০ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার কেবল নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছে। হাওড়া ও শিয়ালদহ ডিপোতে থাকা ১১৮টি বৈদ্যুতিক লোকোমোটিভ এবং একটি ইএইউ-কে আর্মার প্রযুক্তিতে সজ্জিত করা হয়েছে।

  • ইতিহাস গড়লেন TTE, বিনা টিকিটে যাত্রীদের ধরে একদিনেই ২.৫৭ লাখ আদায় রেলের

    ইতিহাস গড়লেন TTE, বিনা টিকিটে যাত্রীদের ধরে একদিনেই ২.৫৭ লাখ আদায় রেলের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিনা টিকিটে ট্রেনে ভ্রমণ (Without Ticket) করা দণ্ডনীয় অপরাধ। দেশের এমন কোনও রেল স্টেশন হয়তো বাকি নেই যেখানে বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি বা অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষায় এই ঘোষণা করা হয়নি রেলের (Indian Railways) তরফে। তারপরেও এমন বহু মানুষ আছেন যারা কিনা রেলের এই বার্তা কানে তোলেন না। সেই স্বভাবসিদ্ধ বিনা টিকিটেই ভ্রমণ করবেন। অনেকে আছেন এতে সাফল্যও পান তো কপাল খারাপ থাকলে টিকিট পরিক্ষকের হাতে ধরা পরেন। এরই মাঝে জরিমানা হিসেবে ভুসাওয়াল রেলওয়ে বিভাগ নয়া নজির গড়ল।

    একদিনে ২.৫৭ লাখ টাকা আদায় করল রেল

    মধ্য রেলওয়ে জোনের ভুসাওয়াল রেলওয়ে বিভাগের টিকিট পরীক্ষকরা সম্প্রতি ৭৮টি এরকম কেস হাতে পেয়েছেন। সকলেই বিনা টিকিটে ট্রেনে ভ্রমণ করছিলেন বলে খবর। টিটিই-রা নাকি এক দিনে ২.৫৭ লাখ টাকা আদায় করেছেন যাত্রীদের কাছে থেকে। শুনে আকাশ থেকে পড়লেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি।

    আরও পড়ুনঃ সোনা, রুপোর দামে ফের মহা পরিবর্তন! বাড়ল না কমল? আজকের রেট

    জানা গিয়েছে, শ্রী চি.পি. বাধে নামের এক টিটিই গত ১৫ মার্চ, ২০২৬-এ একটি আকস্মিক অভিযান চালান। আর এই অভিযান চলাকালীন বিনা টিকিটে ভ্রমণ করছেন বা অবৈধভাবে সিট দখল করে বসে আছেন, এরকম অনেককে পাকড়াও করে তাঁদের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করেছেন। আর এই ঘটনা রেলের ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য ঘটনা তা বলাই বাহুল্য। ডিআরএম ভুসাওয়াল এই তথ্য সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। একদিনে ২.৫৭ লাখ টাকা আদায় করা কিন্তু মুখের কথা নয়। হিসেব করলে দেখা যাবে, প্রতি ব্যক্তির কাছ থেকে ওই টিটিই ৩২৯৪ টাকা আদায় করেছেন।

    কী বলছেন সাধারণ মানুষ?

    এদিকে এক্স হ্যান্ডেলে আবার অনেকে এমন কিছু ট্রেনের তালিকা মানুষ তুলে ধরেছেন যেখানে রেল যদি অভিযান চালায় তাহলে ১ কোটি টাকা অবধি জরিমানা হিসেবে তুলতে পারে। যেমন ট্রেন নম্বর ১২৩৫৯/১২৩৬০ গরীব রথ, ১৩০৩১/২২ মিথিলা এক্সপ্রেস, ১৫০৪৮/৪৭ সমস্তিপুর-মানাসী-সহস্রার মধ্যে হানা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই ট্রেনগুলিতে নাকি অনেকে বিনা টিকিটে কিংবা অবৈধভাবে ভ্রমণ করেন। তাই দিল্লি থেকে রেলের টিম পাঠিয়ে অভিযান চালানো হয় তাহলে মাসে ১ কোটি টাকা আদায় করতে পারবে রেল।

     

  • চিকিৎসা, কাজের জন্য ব্যাঙ্গালুরু যাওয়া আরও সহজ, সাঁতরাগাছি থেকে নিয়মিত ট্রেন দিল রেল

    চিকিৎসা, কাজের জন্য ব্যাঙ্গালুরু যাওয়া আরও সহজ, সাঁতরাগাছি থেকে নিয়মিত ট্রেন দিল রেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যাত্রীদের সুবিধার্থে ফের বড় সিদ্ধান্ত দিল রেল। এবার বাংলা থেকে ভিন রাজ্যে যাওয়া আরও সহজ। বিশেষ করে সাঁতরাগাছি থেকে বেঙ্গালুরু যাওয়া আরও জলভাত হয়ে গেল, এর কারণ এবার সাঁতরাগাছি থেকে বেঙ্গালুরুর ইয়েলাহঙ্কা (Santragachi Yelahanka Train) অবধি যে স্পেশাল ট্রেনটি চলত এখন তা নিয়মিত করা হল রেলের তরফে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন।

    একাধিক ট্রেনের তালিকা দিল রেল

    দক্ষিণ পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, আগে যে ০২৮৬৩/০২৮৬৪ সাঁতরাগাছি-ইয়েলাহঙ্কা-সাঁতরাগাছি ট্রেনটি চলত, সেটিকে এবার নিয়মিত ট্রেনে রূপান্তর করা হয়েছে। এখন ট্রেন নম্বর ১৮০৬৩ সাঁতরাগাছি-ইয়েলাহঙ্কা এসি এক্সপ্রেস করে দেওয়া হয়েছে। ট্রেনটি আগামী ২ এপ্রিল থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার চলবে। ফিরতি ট্রেন, ট্রেন নম্বর ১৮০৬৪ ইয়েলাহঙ্কা-সাঁতরাগাছি এসি এক্সপ্রেস, ৪ এপ্রিল থেকে প্রতি মঙ্গলবার চলবে।

    রেল জানিয়েছে, উল্লেখিত নতুন ট্রেনটি পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থামবে, ফলে পূর্ব ভারত থেকে বেঙ্গালুরু অবধি যাতায়াত আরও সহজ হবে। দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে এপ্রিল এবং মে মাস থেকে বিভিন্ন রুটে ছয় জোড়া বিশেষ ট্রেন নিয়মিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাঁতরাগাছি-ইয়েলাহঙ্কা ছাড়াও অন্যান্য ট্রেনগুলির মধ্যে শালিমার এবং এমজিআর চেন্নাই সেন্ট্রাল, শালিমার এবং ভাঞ্জপুর এবং ভাঞ্জপুর এবং পুরীর মধ্যে পরিষেবা। পাশাপাশি সাঁতরাগাছি এবং দিঘার মধ্যে দুটি জোড়া পরিষেবা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    উপকৃত হবেন যাত্রীরা

    ট্রেন ১৮০৪১ শালিমার-এমজিআর চেন্নাই সেন্ট্রাল এক্সপ্রেস ৬ এপ্রিল থেকে প্রতি সোমবার চলবে। ফিরতি পথে ১৮০৪২ এমজিআর চেন্নাই সেন্ট্রাল-শালিমার এক্সপ্রেস, ৭ এপ্রিল থেকে প্রতি মঙ্গলবার চলবে। সাঁতরাগাছি-দিঘা ফাস্ট প্যাসেঞ্জারের দুটি সাপ্তাহিক জোড়া ট্রেনও নিয়মিত করা হবে। ট্রেনটি ৪ এপ্রিল থেকে শনিবার চলবে। আরেকটি জোড়া ৫৮০২৯ সাঁতরাগাছি-দিঘা ফাস্ট প্যাসেঞ্জার এবং ৫৮০৩০ দিঘা-সাঁতরাগাছি ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ৫ এপ্রিল থেকে রবিবার চলবে।

    আরও পড়ুনঃ নতুন করে আবেদন করা যাবে যুবসাথীতে? এপ্রিলে কবে ঢুকবে টাকা! জানুন এখানে

    ট্রেন ১৮০১৫ শালিমার-ভাঞ্জপুর এক্সপ্রেস ২১ মে থেকে বৃহস্পতিবার এবং শনিবার চলবে। ফিরতি পরিষেবা, ১৮০১৬ ভাঞ্জপুর-শালিমার এক্সপ্রেস ২৩ মে থেকে সোমবার এবং শনিবার চলবে। ট্রেন ১৮০১৭ ভাঞ্জপুর-পুরী এক্সপ্রেস ২১ মে থেকে বৃহস্পতিবার এবং শনিবার চলবে। ফিরতি ট্রেন, ১৮০১৮ পুরী-ভাঞ্জপুর এক্সপ্রেস, ২৩ মে থেকে রবিবার এবং শুক্রবার চলবে।

  • শীঘ্রই ছুটবে প্রথম মেড ইন ইন্ডিয়া বুলেট ট্রেন, কবে থেকে টিকিট বুকিং শুরু?

    শীঘ্রই ছুটবে প্রথম মেড ইন ইন্ডিয়া বুলেট ট্রেন, কবে থেকে টিকিট বুকিং শুরু?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে ততই আরও আধুনিক হচ্ছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। ট্রেন দেরির সমস্যা একদিকে যেমন রয়েছে তেমনই কিন্তু অন্যদিকে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, বন্দে ভারত স্লিপার, তেজস এক্সপ্রেসের মতো কিছু প্রিমিয়াম এবং হাইস্পিড ট্রেনও রয়েছে। এখন তো আবার বুলেট ট্রেন করিডর (Bullet Train) তৈরী হচ্ছে। ভারতের প্রথম মেড ইন ইন্ডিয়া বুলেট ট্রেন মুম্বাই-আহমেদাবাদের মধ্যে চলবে। কাজ অনেকটাই হয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এখন প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কবে থেকে বুলে ট্রেনের টিকিট কাটা যাবে? ভাড়াই বা কত হবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    বুলেট ট্রেনের বুকিং কবে থেকে শুরু হবে?

    বুলেট ট্রেনের কাজ কিছুটা হলেও ২০২৭ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে খবর। বুলেট ট্রেনের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হবে করিডোরের ৯৭ কিলোমিটার সুরাট-ভাপি অংশে বলে খবর। ৫০৮ কিলোমিটারের পুরো ট্র্যাকটি ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।আহমেদাবাদ-মুম্বাই হাই স্পিড রেল করিডোর প্রকল্পটি এনএইচআরএসসিএল দ্বারা তৈরি করা হচ্ছে। সরকার জানিয়েছে যে ২৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে সক্ষম B28 ভারত-নির্মিত বুলেট ট্রেন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যখন অন্যান্য উন্নত ট্রেন সেটের কাজ অব্যাহত রয়েছে। যদিও ট্রেনের বুকিং প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে এই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

    বুলেট ট্রেনের রুট

    এই বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি ভারতের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ। এর সমাপ্তি ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে এবং দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। যদিও ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং বিলম্ব উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, সরকার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি সম্পন্ন করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রকল্পটি উচ্চ-গতির রেলের ক্ষেত্রে ভারতকে একটি নতুন পরিচয় দেবে। রেলমন্ত্রী বলেন, বুলেট ট্রেন করিডোরটি পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। তিনি বলেন, প্রথম কার্যকরী অংশটি হবে সুরাট-বিলিমোরা রুট, তারপরে ভাপি-সুরাট। এরপর, ভাপি-আহমেদাবাদ অংশটি খোলা হবে, তারপরে থানে-আহমেদাবাদ রুটে পরিষেবা চালু হবে।

    আরও পড়ুনঃ হাওড়াগামী বহু ট্রেনের নম্বর, বিভাগ বদলাচ্ছে রেল! ভ্রমণের আগে দেখুন তালিকা

    তিনি বলেন, চূড়ান্ত পর্যায়ে পুরো মুম্বাই-আহমেদাবাদ হাই-স্পিড রেল করিডোরটি চালু হবে।508-কিমি মুম্বাই-আমেদাবাদ হাই স্পিড রেল (MAHSR) প্রকল্পে ১২টি স্টেশন থাকবে (মুম্বাই, থানে, ভিরার, বোইসার, ভাপি, বিলিমোরা, সুরাট, ভরুচ, ভাদোদরা, আনন্দ, আহমেদাবাদ এবং সবরমতি)। একবার চালু হয়ে গেলে, এটি মুম্বাই এবং আহমেদাবাদের মধ্যে ভ্রমণের সময় মাত্র ২ ঘন্টা ৭ মিনিট (১২৭ মিনিট) কমিয়ে আনবে।

  • হাওড়াগামী বহু ট্রেনের নম্বর, বিভাগ বদলাচ্ছে রেল! ভ্রমণের আগে দেখুন তালিকা

    হাওড়াগামী বহু ট্রেনের নম্বর, বিভাগ বদলাচ্ছে রেল! ভ্রমণের আগে দেখুন তালিকা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল যাত্রীদের জন্য রইল জরুরি খবর। এবার বেশ কিছু ট্রেনের মধ্যে বিরাট পরিবর্তন করতে চলেছে রেল (Indian Railways)। মূলত যাত্রী সুবিধার কথা মাথায় রেখে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের সংখ্যা শ্রেণীবিভাগ বদলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রেলের তরফে। এই ট্রেনগুলির মধ্যে হাওড়া ডিভিশনের ট্রেনও রয়েছে। পরিবর্তনটি আগামী এপ্রিল, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। আপনিও যদি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ট্রেনে ভ্রমণের প্ল্যান করে থাকেন তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটির ওপর নজর রাখুন।

    হাওড়াগামী বহু ট্রেনে বদল আনল রেল

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, বেশ কিছু ট্রেনের সংখ্যা বদলের পাশাপাশি বর্তমানে দেশজুড়ে চলা কিছু সুপারফাস্ট ট্রেনকে এখন মেল বা এক্সপ্রেসে রূপান্তরিত করা হবে এবং চালানো হবে। রেল সূত্রে খবর, হাওড়া-দেহরাদুন, হাওড়া-জম্মু তাওয়ী, হাওড়া-প্রয়াগরাজ রামবাগ এবং হাওড়া-কালকা রুটে চলাচলকারী কিছু ট্রেনের নম্বর পরিবর্তন করা হবে এবং তাদের বিভাগ সুপারফাস্ট থেকে মেল/এক্সপ্রেসে পরিবর্তন করা হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিশদে।

    আরও পড়ুনঃ দাঁড়ায় মাত্র ৫টি স্টেশনে, ‘লোকাল ট্রেনের রাজা’ বলা হয় এই ট্রেনটিকে! চলে হাওড়া-বর্ধমান রুটে

    তালিকা দিল রেল

    • ১২৩২৭ হাওড়া-দেহরাদুন ট্রেন নম্বরটি সংশোধন করে ১৪ এপ্রিল থেকে ১৩০৩৫ করা হবে।
    • ১২৩২৮ দেহরাদুন-হাওড়া ট্রেনের নম্বর পরিবর্তন করে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৩০৩৬ করা হবে।
    • ১২৩৬৯ হাওড়া-দেহরাদুন ট্রেনের নম্বর পরিবর্তন করে আজ ১৩ এপ্রিল থেকে ১৩০৩৭ এবং ১২৩৭০ দেরাদুন-হাওড়া ট্রেনের নম্বর পরিবর্তন করে ১৪ এপ্রিল থেকে ১৩০৩৮ নম্বরে বদল করা হবে।
    • ১২৩৩১ হাওড়া-জম্মু তাওয়ী ১৪ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৪১ এবং ১২৩৩২ জম্মু তাওয়ী-হাওড়া আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৪২-এ বদলে যাবে।
    • ১২৩৩৩ হাওড়া-প্রয়াগরাজ রামবাগ আজ ১৩ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৪৭ এবং ১২৩৩৪ প্রয়াগরাজ রামবাগ-হাওড়া আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৪৮-এ পরিবর্তন করা হবে।
    • ১২৩১১ হাওড়া-কালকা সংশোধন করে আজ থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৫১ এবং ১২৩১২ কালকা-হাওড়া ১৫ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৫২ হয়ে চলাচল করবে।

     

  • দিল্লি-হাওড়া রুটে বড় কাজ করে ফেলল রেল, সুখবর কোটি কোটি যাত্রীর জন্য

    দিল্লি-হাওড়া রুটে বড় কাজ করে ফেলল রেল, সুখবর কোটি কোটি যাত্রীর জন্য

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল যাত্রীদের ভ্রমণ সুরক্ষিত এবং সুন্দর করতে বদ্ধপরিকর রেল। সেজন্য একের পর এক কাজ করেই চলেছে। এহেন সেইসঙ্গে নিত্য নতুন ট্রেন, রেল লাইন, হাইস্পিড রেল করিডর, বুলেট ট্রেন ইত্যাদি যাত্রী স্বার্থে একের পর এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েই চলেছে রেল। এবারও রেল এক বিরাট মাইলফলক অর্জন করেছে। কবচ ৪.০ (Kavach 4.0) নিয়ে মিলেছে বিরাট সাফল্য।

    কবচ ৪.০ নিয়ে বিরাট মাইলফলক অর্জন রেলের

    সম্প্রতি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘোষণা করেছেন যে দেশীয়ভাবে তৈরি স্বয়ংক্রিয় ট্রেন সুরক্ষা ব্যবস্থা, “কবচ ৪.০”, দিল্লি-মুম্বাই এবং দিল্লি-হাওড়া সহ ১,৪৫২ কিলোমিটার ব্যস্ততম রুটে সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এই ব্যবস্থাটি সম্পূর্ণরূপে ভারতে তৈরি এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সার্টিফিকেশন, “SIL-4” প্রদান করা হয়েছে। কবচের প্রাথমিক কাজ হল ট্রেন দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা এবং কঠিন পরিস্থিতিতে লোকো পাইলটদের সহায়তা করা। রেল মন্ত্রকও একই তথ্য দিয়েছে।

    Kavach 4.0 কী, কীভাবে কাজ করে?

    কবচ এমন একটি প্রযুক্তি যা ক্রমাগত ট্রেনের গতি পর্যবেক্ষণ করে। যদি কোনও কারণে লোকো পাইলট ব্রেক লাগাতে ভুলে যান বা সিগন্যাল না দেখতে পান, তাহলে সিস্টেমটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্রেক কষে। এটি খারাপ আবহাওয়া বা ঘন কুয়াশার সময়ও নিরাপদ ট্রেন পরিচালনা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। কবচ ৪.০-এ বেশ কয়েকটি বড় আপগ্রেড রয়েছে, যেমন সঠিক লোকেশনের তথ্য, বড় ইয়ার্ডে আরও ভাল সিগন্যাল তথ্য এবং ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং সিস্টেমের সাথে সরাসরি ডেটা পাওয়া। এই বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে, এখন দেশের রেলওয়ে নেটওয়ার্ক জুড়ে এটিকে বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা চলছে।

    আরও পড়ুনঃ বাড়ছে ঋণের বোঝা, আর্থিক স্বাস্থ্যে বিহার-ইউপির পিছনে বাংলা! শেষ তিনে পশ্চিমবঙ্গ

    রেলওয়ে কবচ বাস্তবায়নের জন্য ব্যাপক কাজ হাতে নিয়েছে। এখন পর্যন্ত ৮,৫৭০ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার কেবল স্থাপন করা হয়েছে এবং রেলপথের ধারে ১,১০০টি টেলিকম টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও, ৭৬৭টি স্টেশনে ডেটা সেন্টার তৈরি করা হয়েছে এবং ৬,৭৭৬ কিলোমিটার ট্র্যাকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়েছে। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন যে দিল্লি-মুম্বাই রুটের পালওয়াল-মথুরা-নাগদা, ভদোদরা-আহমেদাবাদ এবং ভদোদরা-ভিরার অংশের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দিল্লি-হাওড়া রুটের গয়া-সরমতনগর এবং বর্ধমান-হাওড়া অংশেও কবচ ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    লক্ষাধিক কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে

    কবচ নিয়ে যাতে কারোর মধ্যে কোনও ধোঁয়াশা না থাকে তার জন্য চলছে ট্রেনিং প্রক্রিয়া। রেলওয়ে এখনও পর্যন্ত ৫৫,০০০ এরও বেশি টেকনিশিয়ান, অপারেটর এবং ইঞ্জিনিয়ারকে এই নতুন প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দিয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৪৭,৫০০ লোকো পাইলট এবং সহকারী লোকো পাইলট রয়েছে। ট্র্যাকে কবচ স্থাপনের খরচ প্রতি কিলোমিটারে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা, যেখানে একটি লোকোমোটিভে এটি স্থাপনের খরচ প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা।

     

  • ৪টি বন্দে ভারতের সময়সূচি বদল করল রেল, প্রভাবিত হবেন যাত্রীরা! দেখুন নতুন টাইম

    ৪টি বন্দে ভারতের সময়সূচি বদল করল রেল, প্রভাবিত হবেন যাত্রীরা! দেখুন নতুন টাইম

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: রেল যাত্রীদের জন্য জরুরি খবর। বন্দে ভারত ট্রেন (Vande Bharat Express) নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রেল। রেল মন্ত্রক ৪টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের সময় পরিবর্তন করেছে। এই পরিবর্তন সরাসরি সেই যাত্রীদের উপর প্রভাব ফেলবে যারা এই ট্রেনগুলিতে ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন। এমনিতে বন্দে ভারত ট্রেনগুলি তাদের দ্রুত, আরামদায়ক এবং সময়ানুবর্তী পরিষেবার জন্য পরিচিত। অতএব, তাদের সময়সূচিতে সামান্য পরিবর্তনও যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনার উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

    কোন ৪টি ট্রেনের সময় পরিবর্তন করল রেল?

    রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় রেল মোট চারটি বন্দে ভারত ট্রেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে। এর মধ্যে রয়েছে ট্রেন নং ২০৭০৪ যশবন্তপুর-কাচেগুড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, ট্রেন নং ২০৭০৩ কচেগুড়া-যশবন্তপুর বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, ট্রেন নং ২২২৩১ কালাবুর্গি-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এবং ট্রেন নং ২২২৩২ বেঙ্গালুরু-কালাবুর্গি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এই সমস্ত ট্রেনের নতুন সময়সূচী আগামীকাল ১৫ মার্চ, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।

    ২০৭০৩ কাচেগুদা-যশবন্তপুর বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

    এই ট্রেনটি ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে চালু করা হয়েছিল। শুক্রবার ছাড়া এটি প্রতিদিন চলাচল করে। হিন্দুপুর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনটির আগমনের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। আগে ট্রেনটি ১৫:৪৮ এ আসত, কিন্তু এখন এটি বিকেল ১৫:৫৫ মিনিটে পৌঁছাবে। এর অর্থ আগমনের সময় ৭ মিনিট বাড়ানো হয়েছে।

    ২০৭০৪ যশবন্তপুর-কাচেগুড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

    ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে চালু হওয়া এই ট্রেনটি শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন চলাচল করে। হিন্দুপুর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের সময়সূচীতে এখন সংশোধন হয়েছে। আগে ট্রেনটি দুপুর ১২:০৮ মিনিটে আসত, কিন্তু এখন এর নতুন আগমনের সময় হবে দুপুর ১২:১৭।

    ২২২৩১ কালাবুরাগী-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

    এই ট্রেনটি শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন চলে এবং ৮ ঘন্টা ৪৫ মিনিটে ৫৫০ কিলোমিটার যাত্রা সম্পন্ন করে। রেলওয়ে দুটি স্টেশনে সময় পরিবর্তন করেছে। ট্রেনটি এখন শ্রী সত্য সাই প্রশান্তি নিলয়ম স্টেশনে সকাল ১১:০০ টার পরিবর্তে ১১:১৩ টায় এবং ইয়েলহাঙ্কা স্টেশনে ১২:২৮ টার পরিবর্তে দুপুর ১২:৫৮ টায় পৌঁছাবে।

    আরও পড়ুনঃ স্টেশনে চোর ধরবে রোবট, যাত্রী নিরাপত্তায় বড় চমক রেলের

    ২২৩২ SMVT বেঙ্গালুরু-কালাবুরাগী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

    এই ট্রেনটি বৃহস্পতিবার ছাড়া প্রতিদিন চলাচল করে। রেলওয়ে দুটি স্টেশনে ঢোকার সময় পরিবর্তন করেছে; এটি এখন ইয়েলহাঙ্কা স্টেশনে বিকেল ১৫:০৫ এর পরিবর্তে বিকেল ৩:০৯ মিনিটে পৌঁছাবে, এবং শ্রী সত্য সাই প্রশান্তি নিলয়ম স্টেশনে পৌঁছানোর সময় বিকাল ৪:২৩ থেকে বিকাল ৪:৪৫ এ পরিবর্তন করা হয়েছে।

  • বিশ্বের কঠিনতম রেল প্রকল্প ভারতের! ২৭০ কিমি সুড়ঙ্গ খুঁড়ে চিন সীমান্তে যাবে ট্রেন

    বিশ্বের কঠিনতম রেল প্রকল্প ভারতের! ২৭০ কিমি সুড়ঙ্গ খুঁড়ে চিন সীমান্তে যাবে ট্রেন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যত সময় এগোচ্ছে ততই পরিধি বাড়ছে ভারতীয় রেলের (Indian Railways)। একটা সময়ে যেখানে কোনওদিন রেললাইন হবে সেটা ভাবা যায়নি, আজ সেখানে অবধি রেল লাইন বসছে এবং ট্রেন পরিষেবা শুরু হয়েছে। সে আইফেল টাওয়ারের চেয়েও উঁচু চেনাব ব্রিজের ওপর দিয়ে ট্রেন পরিষেবা হোক কিংবা পাহাড় কেটে সেবক-রংপো রেল প্রকল্প হোক, সবই করছে রেল। যাইহোক, এখন রেল আরও এক অসাধ্য সাধন করতে চলেছে বলে খবর। শোনা যাচ্ছে, ভারতীয় রেল শীঘ্রই হিমালয় পর্বতমালার মধ্য দিয়ে চীন সীমান্ত পর্যন্ত রেল যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েছে।

    এবার চিন সীমান্ত অবধি যাবে রেল

    রিপোর্ট অনুযায়ী, রেলওয়ে বোর্ড বিলাসপুর-মানালি-লেহ রেল লাইন প্রকল্পের (Bilaspur-Manali-Leh railway) বিস্তারিত প্রকল্প ডিপিআর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে নাকি ইতিমধ্যেই জমা দিয়েছে। প্রায় ১.৩১ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই রেললাইনটি কেবল দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি নয়, বরং বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার রেল নেটওয়ার্কও হবে বলে মনে কয়রা হচ্ছে। পুরো রেললাইনটি ৪৮৯ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে বলে খবর। সবথেকে বড় কথা, ট্রেন ছুটতে পারে দীর্ঘ ২৭০ কিমি দীর্ঘ টানেলের মধ্যে দিয়ে।

    আরও পড়ুনঃ পরশুরাম ছেড়ে বিগ বস বাংলায় তৃণা সাহা? জল্পনার মাঝেই মুখ খুললেন অভিনেত্রী

    এদিকে প্রস্তাবিত বিলাসপুর-মানালি-লেহ রেলপথের মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৪৮৯ কিলোমিটার। এই পুরো রুটে প্রায় ৪০টি রেলস্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫,০০০ ফুটেরও বেশি উচ্চতায় অবস্থিত এই রেলপথটিকে বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলপথ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। উত্তর রেলওয়ে এই প্রকল্পের জন্য চূড়ান্ত স্থান জরিপও সম্পন্ন করেছে।

    থাকবে ২৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ টানেল

    এই রেল প্রকল্পের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল এর ইঞ্জিনিয়ারিং কাঠামো। সমগ্র রেললাইনের প্রায় ৫৫ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ২৭০ কিলোমিটার, টানেলের মধ্য দিয়ে যাবে। এই প্রকল্পে মোট ৬২টি টানেল এবং ১১৬টি বৃহৎ সেতু নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই টানেল এবং সেতুগুলি পাহাড়ি অঞ্চলের কঠিন ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে উঠবে। এই লাইনে চলাচলকারী ট্রেনগুলির সর্বোচ্চ গতিবেগ হবে ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার। একবার চালু হলে, দিল্লি থেকে লেহ ভ্রমণের সময় ৪০ ঘন্টা থেকে কমে প্রায় ২০ ঘন্টা হবে। এর ফলে লাদাখে পৌঁছানো আগের তুলনায় আরও অনেক সহজ এবং দ্রুত হবে।

    আরও পড়ুনঃ বদলে গেল ভোল, অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় অত্যাধুনিক হল সিউড়ি থেকে হলদিয়া স্টেশন 

    এই প্রকল্পটি কেবল পর্যটন এবং সাধারণ ভ্রমণের জন্যই নয়, জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। বর্তমানে, ভারী তুষারপাত এবং প্রতিকূল আবহাওয়া প্রায়শই লাদাখের সাথে যোগাযোগ ব্যাহত হয়ে যায়। একবার এই প্রস্তাবিত রেলপথটি সম্পন্ন হলে, সারা বছর সেনা এবং প্রয়োজনীয় সরবরাহের চলাচল সম্ভব হবে। সীমান্তে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সক্ষমতা আরও জোরদার করবে। অর্থাৎ ভ্রমণ এবং সুরক্ষা দুইই থাকবে। এখন শুধু প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সবুজ সিগন্যালের অপেক্ষা।

  • ৮ মার্চ অবধি বহু ট্রেন বাতিল করল দক্ষিণ পূর্ব রেল, যাত্রার আগে দেখুন তালিকা

    ৮ মার্চ অবধি বহু ট্রেন বাতিল করল দক্ষিণ পূর্ব রেল, যাত্রার আগে দেখুন তালিকা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ হোলির মুখে ফের ভোগান্তির শিকার সাধারণ রেল যাত্রীরা। আগামী ৮ মার্চ অবধি বহু ট্রেন বাতিলের (Train Cancelled) ঘোষণা করল রেল। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। এমনিতে হোলিতে ছুটি রয়েছে। আর এই ছুটির সদ্ব্যবহার করে সকলেই কমবেশি কাছেপিঠে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন। কিন্তু সকলের সেই প্ল্যান ভেস্তে দিল দক্ষিণ পূর্ব রেলের (South Eastern Railways) একটা ঘোষণা। জানানো হল, আগামী বহুদিন বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের পথচলা বন্ধ থাকবে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বহু ট্রেন বাতিল করল রেল

    জানা গিয়েছে, পুরুলিয়ার আদ্রা বিভাগের অবকাঠামো কাজের কারণে, কয়েকটি ট্রেন পরিষেবা প্রভাবিত হবে। ইতিমধ্যে রেলের তরফে বাতিল ট্রেনের তালিকা দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী, 68045/68046 আসানসোল-আদ্রা-আসানসোল মেমু প্যাসেঞ্জার আগামী ৬ এবং ৭ মার্চ, ২০২৬ তারিখে বাতিল হবে। 68077/68078 আদ্রা-ভাগা-আদ্রা মেমু প্যাসেঞ্জার আজ ৪, ৫ থেকে ৮ মার্চ, ২০২৬ তারিখ অবধি বাতিল থাকবে।

    আরও পড়ুনঃ দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির ভ্রুকুটি, ভিজবে কোন কোন জেলা? আজকের আবহাওয়া

    এর পাশাপাশি 68090/68089 আদ্রা-মধ্যনআপাড়-আদ্রা মেমু ৬ এবং ৮ মার্চ, ২০২৬ তারিখে বাতিল হবে। 68079/68080 মেমু প্যাসেঞ্জার আগামী ৭ মার্চ, ২০২৬ তারিখে বাতিল থাকবে। এছাড়া 68056/68060 টাটানগর-আসানসোল-বারভূম মেমু আজ ৪, ৫, ৬ এবং ৭ মার্চ, ২০২৬ তারিখে আদ্রা থেকে সংক্ষিপ্তভাবে শুরু/শেষ হবে।

    কেন এই ভোগান্তি?

    স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কেন এই ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে রেল যাত্রীদের? রেল জানিয়েছে, মূলত আদ্রা রেল বিভাগে (Adra Railway Division) রেললাইন মেরামতের জন্য রোলিং ব্লকের কাজ করবে। এই কারণে, দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে বিভিন্ন তারিখে আটটি ট্রেন বাতিল থাকবে উল্লেখিত দিনগুলিতে। রেলওয়ের এই সিদ্ধান্তের ফলে ঝাড়খণ্ড, বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গের হাজার হাজার যাত্রী প্রভাবিত হবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।